Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

চাকরি মেলে না দেশে, কোরিয়ায় গিয়ে প্রফেসর

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

গবেষক ড. মোহাম্মদ আফছার উদ্দীন। আফছার উদ্দীনের জম্ম ১৯৮৬ সনে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ উপজেলায়। ছোটবেলা থেকে শিক্ষাব্রতী আফছার উদ্দিন কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পন্নের পর ভর্তি হন দেশের অন্যতম সেরা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে। সেখান থেকে সাফল্যের সঙ্গে স্নাতক শেষ করে স্নাতকোত্তর চলাকালীন উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তি নিয়ে পাড়ি জমান দক্ষিণ কোরিয়া বুসান ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

স্নাতকোত্তর-পিএইচডির (সমন্বিত) এই দীর্ঘ যাত্রায় শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে গবেষণায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে ২০১৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরবর্তীতে পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কিছুদিন চীনের সাউথ ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে গবেষণা করেন।

বর্তমানে তিনি বিশ্বখ্যাত কোরিয়া ইউনিভার্সিটির রিসার্চ প্রফেসর পদে কাজ করছেন। গবেষণার ক্ষেত্র হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ যা সহজ করছে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর জীবনের মান উন্নয়নে।

Picture

কর্মজীবনে রসায়নে ২০০০ সালে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর অ্যালান জে হিগার এবং পিস্ট্রলি মেডালিস্ট খেতাবপ্রাপ্ত অধ্যাপক টবিন জে মার্কের মতো বিশ্বখ্যাত রসায়ন বিজ্ঞানীদের সঙ্গে রয়েছে তার যৌথ গবেষণাপত্র।

আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি, রয়েল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রিসহ রসায়নের বিখ্যাত সব বিজ্ঞান সাময়িকীতে এ পর্যন্ত তার ৩৯টি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরের হিসেবে ৩০০ অতিক্রম করা ড. আফছার উদ্দিনের গবেষণা কর্ম অন্য গবেষকরা সাইটেশন করেছেন ১০০০ বারের বেশি, যেটি সংক্ষিপ্ত গবেষণাকালের হিসেবে নি:সন্দেহে অনন্য অর্জন।

২০১৭ সালে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন কোরিয়ায় তিনি সেরা গবেষকে সম্মানিত হয়েছেন। তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন কোরিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব জাহিদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয় সচিব রহুল আমিন এবং বিসিকের নেতারা।

বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ প্রফেসর হিসেবে কাজ করার সুযোগ হলেও নিজ দেশ বাংলাদেশে আফছার উদ্দীন পাননি কদর। বুয়েট এবং গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার জন্য অনেক চেষ্টা করেও এ তরুণ গবেষক সুযোগ পাননি।


বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি অমর কবিতা

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

১৭ ডিসেম্বর রোববার বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ এই আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কর্মসূচির মধ্যে ছিল আনন্দ শোভাযাত্রা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন।র‍্যালিবিকেলে আনন্দ শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় পতাকা ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিশোভিত শোভাযাত্রাটি বৈরুত শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রায় এক কিলোমিটারের বেশি পথ অতিক্রম করে। অনেক প্রবাসী এই আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। লেবাননের কিছু নাগরিককেও এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে ও ছবি তুলতে দেখা যায়। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় কয়েক শ প্রবাসী বাংলাদেশি এতে যোগ দেন।ঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণশোভাযাত্রা শেষে বঙ্গবন্ধুর ১৮ মিনিটের ভাষণটি দূতাবাসের হলরুমের বড় পর্দায় প্রদর্শন করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকার, লেবাননে ইউনেসকোর পরিচালক সুলেমান খৌরি, দূতাবাসের সব কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগের লেবানন শাখার নেতারাসহ উপস্থিত প্রবাসীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে এ উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দূতালয়ের প্রধান সায়েম আহমেদ। প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল হোসেন। বাণী পাঠ শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সুলেমান খৌরি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশাল মাপের একজন নেতা। ইতিহাসে যে কজন নেতার ভাষণ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে, তার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ একটি।বক্তব্য দিচ্ছেন আব্দুল মোতালেব সরকারআবদুল মোতালেব সরকার তাঁর বক্তব্যে বলেন, গত ৩০ অক্টোবর ইউনেসকো বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে’ অন্তর্ভুক্ত করে। সাধারণত ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাগুলোকে এই তালিকায় স্থান দেওয়া হয়। ইউনেসকো মনে করে, এসব ঘটনা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ায় সাহায্য করবে। ২০১৭-১৮ সালের জন্য ৭৮টিসহ সর্বমোট ৪২৭টি ডকুমেন্ট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউনেসকো। এই প্রকল্প ১৯৯২ সালে শুরু হয়। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় একজন বাংলাদেশি হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। এটি ইউনেসকো কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়া প্রথম কোনো বাংলাদেশি দলিল। এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেল। ইউনেসকো কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদানের ফলে ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে এখন বিভিন্ন দেশে গবেষণা ও আলোচনা হবে। সারা বিশ্ব এখন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সম্পর্কে জানতে পারবে। ইউনেসকোর স্বীকৃতি সারা বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানআলোচনায় কয়েকজন কমিউনিটি সদস্যও বক্তব্য দেন। সবশেষে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই পর্বে রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকার কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা ‘স্বাধীনতা এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন। তাঁর আবৃত্তি মুগ্ধ করে উপস্থিত দর্শকদের। বাংলাদেশের জনপ্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণের এই কবিতার মধ্যেই পুরো চিত্র আছে, আসলে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের দিন কী হয়েছিল রেসকোর্স ময়দানে।

প্রবাসী শাহজাহান পরিবেশন করেন ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই’। প্রবাসী শাহরিয়ারের ‘যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তিসেনা’ গানটি সবাইকে মুগ্ধ করে। প্রবাসী মহসীনসহ সব শিল্পী ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের কোরাস পরিবেশন করেন। কবিতা পাঠ করেন প্রবাসী রুবেল আহমেদ। প্রবাসী নারী আসমা আক্তার দুটি গান পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন দূতালয়ের প্রধান সায়েম আহমেদ। পরিশেষে সবাইকে রাতের খাবারে আপ্যায়ন করা হয়।


বেলজিয়ামে পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

এস এন জামান, বাপ্ নিউজ : বেলজিয়াম: বর্ণাঢ্য আয়োজনে বেলজিয়ামের এনটরপেনে পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শীতের আগমনীতে বাংলার আবহমানকালের চিরায়ত কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে বেলজিয়াম বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ ক্লাব এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সম্প্রতি স্থানীয় একটি অডিটোরিয়ামে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বর্ণিল আয়োজনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানটি পরিণত হয়েছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায়।

Picture

এনটরপেনেও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এতে অংশগ্রহণ করেন। হরেক রকমের মজাদার পিঠার আসর বসে ছিল উৎসবকে ঘিরে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এম এম মোরশেদ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বেলজিয়াম বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ ক্লাবের সভাপতি রত্না খানম তমা, প্রধান অতিথি বেলজিয়াম পার্লামেন্ট এর সদস্য ও অভিবাসন বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি নাহিমা লানজিরি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

alt

উৎসবে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণ ও তাদের নাচ-গান অনুষ্ঠানকে করে তুলেছিল আনন্দময়। নেদারল্যান্ড থেকে আগত শিল্পী বাপ্পি ও বেলজিয়ামের এম এম মোরশেদ, রোজিনা মম, জাহিদ ইসলাম ও আয়েশা ইকবালের একের পর এক গান অনুষ্ঠানকে আকর্ষণীয় করে তোলে।

alt

অনুষ্ঠানের আয়োজক বেলজিয়াম বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ ক্লাবের সভাপতি রত্না খানম তমা, তাহাসিন হোসাইন, ওমর ফারুখ, মাহবুব এলাহি, রাহাত আহমেদ, রেজা গোলাম সোয়েব, ফারিদ সরকার, ইভান শিকদার জানান, সুদূর প্রবাসে থেকেও তারা বাংলা সংস্কৃতির প্রতি প্রবল ভালোবাসা থেকেই এই উৎসবের আয়োজন করেছেন। প্রবাসে বসবাসকারী নবীন-প্রবীণ সকলের কাছে সুন্দর বাংলা সংস্কৃতিকে বেশি বেশি করে তুলে ধরতে তারা বদ্ধপরিকর বলে জানান।


শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের বিজয় দিবস পালিত

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

লুৎফুর রহমান: বাপ্ নিউজ : সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ছিলেন বলে বাংলাদেশ স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে। পৃথিবীর মানচিত্রে অংকিত হয়েছে একটি লাল সবুজের বাংলাদেশ। পৃথিবী যতোদিন থাকবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম কৃতজ্ঞভরে স্মরণ করবে স্বাধীনতা ভোগকারি সকল মানুষ। শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদ আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় এসব বলেছেন বক্তারা।বৃহস্পতিবার শারজাহের একটি হোটেলে একটি সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ মাকসুদ। সাধারণ সম্পাদক খুরশেদ মুবারকের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ডাঃ সৈয়দ নূর মোহাম্মদ।

Picture

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাত আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু রাখাল কুমার গোপ, শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপদেষ্টা আলহাজ্ব আবু তাহের, হাফিজ আব্দুল হক, দুবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী মোহাম্মদ আলী, শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ ইউসুফ, আমিরাত সেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল জকির, দুবাই আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সহ সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারন সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, শারজাহ আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন কাউসার, জনতা ব্যাংক শারজাহ শাখার ম্যানেজার মাহবুব আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল আলম জিলানী।

alt

আরো উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মাওলানা আব্দুস শুক্কুর, কার্তিক মজুমদার, নাছির উদ্দিন খোকন, আবুল মনছুর, এরশাদ আলম, নজরুল হক, নুরুল আবছার, মিন্টু দে, গোলাম রসুল, মোহাম্মদ ওসমান, ওহিদুল আলম, হাবীব, মনসুর, রহমত, আরমান, নাজমুল, কাশেম, আমিন, মোরশেদ, মামুন, নন্দন, মানিক, সুরেশ বাবু, জয়নাল আহমদ প্রমুখ।বক্তারা আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ একটি গর্বের অধ্যায়। পৃথিবীর সব জাতির একজন জাতির পিতা আছে। এ নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। কিন্তু বাংলাদেশের কিছু অন্ধ মানুষ বড় অকৃতজ্ঞ। তারা স্বাধীন হয়েও স্বাধীনতার নায়ককে মানতে নারাজ। এ জন্য নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতহাস জানাতে আহবান করেন তারা।পরে জাতির জনক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া কামনা করা হয়।


বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়লের বর্ণাঢ্য বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

এসোসিয়েশনের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী পরিচ্ছন্ন প্রাণবন্ত ও জমজমাট এ অনুষ্ঠানটির শুরুতেই শতকন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা কবিতা আবৃত্তি নৃত্যালেখ্য ৭১’এর গান অতিথি শিল্পীদের পরিবেশনায় দেশের গানসহ সঙ্গীত বিচিত্রা এবং নৈশভোজ দিয়ে সাজানো ছিল  চমৎকার অনুষ্ঠানটি। 

১৬ ডিসেম্বর শনিবার মন্ট্রিয়লের পার্কভিউ রিসেপশন হলে বৈরী হাবহাওয়ার মাঝেও বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতি ছিলো দেখার মতো। অধিকাংশ প্রবাসীরাই লাল-সবুজের পোশাক পড়ে  এসেছিলেন।   শতকন্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হবার পর পরই মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে  এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল দিয়ে বিশেষ ভাবে সম্মান জানান সংগঠনের কর্মকর্তারা। খ্যাতিনামা কন্ঠ শিল্পী  মাহবুব ভুইয়ার বিশেষ পরিবেশনায় ছিল ৭১’র গান। স্মৃতি ডি কস্তার পরিবেশনায় ছিল বিশেষ নৃত্যালেখ্য। 

সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাকিল আহমদের পরিচালনায় নাজনীন নীশার উপস্থাপনায় সঙ্গীত পরিবেশন করে সাফিনা করিম,  কামরুজ্জামান, তিতলি বড়ূয়া, শাহ মো ফায়েক ও ঐথিক খান প্রমুখ। কবিতা আবৃত্তি করেন তৌফিকুর রহমান রাঙ্গা। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিচিত্রানুষ্ঠানে ছিল পাভেল ও বাংলাদেশের জনপ্রিয় ফোক শিল্পী চুমকির অনবদ্য পরিবেশনা। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়লের সভাপতি সাংবাদিক মনিরুজ্জামান ও সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠান তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন ছিলেন কাজী শহিদ, রশীদ খান, জাহিদ কমল, কামল হাসান, মাহবুব শিকদার, পাপিয়া সমীর, মজিবর রহমান ও নুরুজ্জামান দুলাল। ব্যাবস্থাপনায় ছিলেন নাজমুল হাসান সেন্টু, মিজান রহমান, মোরসালিন নীপু, গাজী  হাসান প্রমুখ। নৈশভোজের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও সফল এ অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।


বিজয় দিবসে ফিনল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্টের সাথে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আনন্দ উচ্ছ্বাস

মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

আমন্ত্রিত দেশীবিদেশী বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ফিনল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের অনারারী কনসুল জেনারেল হ্যারি ব্লেসার, স্থানীয় ফিনিস পার্লামেন্ট মেম্বার, সিটি কাউন্সিলার সহ ফিনল্যান্ডের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। এসময় উচ্ছ্বাসে মেতে উঠে প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

alt
বর্ণিল আয়োজনের এই মিলনমেলায় আরো ছিল মনোরম সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, বাংলাদেশি পণ্য ও খাবারের স্টল এবং বর্ণবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী ফিনিশ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের তথ্যমূলক বিশেষ বক্তব্য।
হেলসিংকির স্টাডিন আম্মাতি অপিস্তো মিলনায়তনের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়িকা পাওয়ার ভয়েস এর মুল প্রতিযোগীতায় সেরা দশে জায়গা করে নেয়া তরুণ সঙ্গীত শিল্পী রেশমী মির্জা। পুরো অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন মোস্তফা আজাদ বাপি ও বাংলাফিন ব্যান্ডের পরিচালক মেজবাহ। তানভীর, ন্যান্সী সহ স্থানীয় শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন।

alt
প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জিতু, তাপস, হাদী, রহমান, প্রদীপ, ফেরদৌস, কিরণ, সামসু, সেলিম, আল-আমিন, নুমান, আক্তারুজ্জামান, মিশু, ফারহান, রুমন, রাব্বি, শিপু, হান্নান, বদরুল মনির, ফেরদৌস, হারুন, মোস্তাক, আনোয়ার, সামসু, মেজবাহ, নাইমা, সাবরিনা, ডানা, লিজা, সান্তা, শিমুল, বাংলাফিন, জামান ভূইয়া, স্বপন, তপন, ইকবাল শরিফ, কিরণ, চপল, জামান সরকার, শহিদুল, ফাহমিদ, পলাশ, ফাহাদ প্রমুখ।


সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের বিজয় দিবস উদযাপন

মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : গত ১৬ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় সিডনিস্থ রকডেলের বনলতা ফাংশন সেন্টারে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টনের সঞ্চালনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহীদ, সদ্য প্রয়াত ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক, চট্টগ্রামের প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এছাড়াও সকল মুক্তিযোদ্ধা ও আত্মত্যাগকারী চারলক্ষ মা-বোনের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।

alt

আলোচনাসভায় বাংলাদেশ থেকে টেলিফোনে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলির সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে। দেশ গড়ার এই সংগ্রামে তিনি প্রবাসীদের কাছ থেকে কার্যকর ভূমিকার প্রত্যাশা করেন। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এইচ মোস্তফা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এনায়েতুর রহিম বেলাল এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান তরুনকে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়। সম্বর্ধনা গ্রহণ শেষে সন্মানিত মুক্তিযোদ্ধারা তাদের বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন।

alt

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন অলোক, অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান শামীম, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মতিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, সহ-সভাপতি শাহে আলম, সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল, ক্যাম্বেলটাউন কাউন্সিলের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নাসিম সামাদ।আলোচনা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন ডা. একরাম চৌধুরী এবং আরিফ রহমান। সঙ্গীত পরিবেশন করে বিজয়ের আনন্দে মাতিয়ে তুলেন সিডনির জনপ্রিয় শিল্পী জুয়েল এবং মিঠু।


চীনের “হেনান পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের” শিক্ষার্থীদের বিজয় দিবস পালন

রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

ফজলে রাব্বি :বাপ্ নিউজ : চীনের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত “হেনান পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে” বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা। দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে সিভিল ডিপার্টমেন্ট এবং কম্পিউটার ডিপার্টমেন্ট শিক্ষার্থীদের মাঝে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

alt

বিকেলে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালীর আয়োজন করা হয়, র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে স্টেডিয়ামে এক সভায় মিলিত হয়। সেখানে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া এবং ১৯৭১ সালের শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।পরে ৪৭তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিজয়ের কেক কাটা হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

alt

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন আরাফাত,হৃদয়,জাহিদ,ফজলে রাব্বি,বিশাল,রনক,পাভেল,শাকিল,রাছেল।সকল বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ঐক্য,শৃংখলা,এবং সহযোগিতায় উক্ত অনুষ্ঠান সফলভাবে সমাপ্ত হয়।


কানাডায় একখণ্ড বাংলাদেশ

শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কানাডা থেকে : কানাডা বিশ্বের শান্তিপ্রিয় একটি দেশ। বসবাস ও পড়াশোনার উপযুক্ত জায়গা। কানাডায় রয়েছে বিশ্বের নামীদামী সব বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার প্রথম পছন্দ এটা। প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসে এখানে পড়াশোনা করার জন্য। কানাডার খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাঝে অন্যতম একটি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডওয়ার্ড আইল্যান্ড। এটি কানাডার চার্লেটাউনে অবস্থিত। বিভিন্ন দেশ থেকে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের মাঝে রয়েছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতি সেমিস্টারে পড়তে আসা ভিনদেশী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকে। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভিনদেশী শিক্ষার্থীরা নিজ দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য সবার সামনে তুলে ধরে।

Picture

এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে বাংলাদেশের ২৩জন শিক্ষার্থী। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরেন বহির্বিশ্বে। প্রতিটি শিক্ষার্থী প্রবল আগ্রহ নিয়ে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানে। নাচে-গানে মাতিয়ে তুলে পুরো ক্যাম্পাস। অনুষ্ঠানটি মূলত উদযাপন করা হয় ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট সেন্টারের পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানে সবাই নিজ দেশ সম্পর্কে গর্ব করার মতো কিছু ইতিহাস ও তার পাশাপাশি দেশীয় কৃষ্টি ও সংস্কৃতি তুলে ধরেন।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত একজন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী জানায়, বিদেশীরা আমাদের দেশ সম্পর্কে অনেক অজানাকে জানতে পারে। এশিয়ার একটি দেশ হলেও তারা বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মানুষকে তাদের মাঝে পেয়ে খুবই আনন্দিত। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাড়াও জাপান, কেনিয়া, চায়না, ব্রাজিল ও সৌদি আরবের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে।


আবদুল মতিন খসরুকে ফ্রান্স আ.লীগের সংবর্ধনা

মঙ্গলবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : প্যারিস:শনিবার বিকালে প্যারিসের বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা গার দ্যু নর্দের একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী আ্যডভোকেট আবদুল মতিন খসরুর সম্মানে এক সংবর্ধনার আয়োজন করে ফ্রান্স আওয়ামী লীগ ।

Picture

ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ কাশেমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সিনিয়র সদস্য বেনজির আহমেদ সেলিম , সাবেক সভাপতি ও বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা নাজিম উদ্দিন আহমেদ , সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কাশেম , রাজনৈতিক উপদেষ্টা ওয়াহিদ বার তাহের ও সামাজিক উপদেষ্টা মিজান চৌধুরী মিন্টু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন সহ-সভাপতি সোহরাব মৃর্ধা , সৈয়দ ফয়সল ইকবাল হাসেমী , নাসির চৌধুরী , জাকির হোসেন ভূইয়া , আবু মোর্শেদ পাটোয়ারী , শুভ্রত শুভ ,সালেহ আহমেদ চৌধুরী , শাহজাহান শাহী , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রানা চৌধুরী , নজরুল চৌধুরী ,এমদাদুল হক স্বপন ফয়সল উদ্দিন , সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ গোলাম কিবরিয়া , খালেকুজ্জামান , আলী আহমেদ জুবের , শ্রমিক লীগের সভাপতি সাগর খান , প্রচার সম্পাদক আমিন খাঁন হাজারী , দফতর সম্পাদক পারভেজ রশিদ খাঁন ,মানবাধিকার সম্পাদক আবদুল্লাহ আল তায়েফ , তথ্য ও গভেষনা সম্পাদক রবিউল হাসান , যোগাযোগ সম্পাদক হাসান আহমেদ , গান্ধী বিশ্বাস , আনোয়ার হোসেন , সিরাজ উদ্দিন প্রমুখ৷সংবর্ধিত অতিথি আবদুল মতিন খসরু বলেন , আমাদের নেত্রী নিজে শরনার্থী ছিলেন তাই তিনি প্রবাসীদের কষ্ট গুলো বিশেষ ভাবে উপলব্ধি করেন । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা বিশ্বে বাংলাদেশ কে একটি বিশেষ মর্যাদায় নিয়ে গেছেন। আল্লাহর রহমতে তিনি বাঁচলে দেশ কে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের চেয়ে ও অন্যান্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। অনুষ্ঠানে সদ্য প্রয়াত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।


বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের স্বীকৃতি: নেদারল্যান্ডে আনন্দ শোভাযাত্রা

সোমবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

এরপর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটির ভিডিও ক্লিপ প্রদর্শন করা হয়। আলোচনার শুরুতে, হল্যান্ড আওয়ামী-লীগের নেতাগণ এবং কমিউনিটির সদস্যগণ তাদের বক্তব্য পেশ করেন। বক্তব্যে তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং কিভাবে বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাঙালি জাতির সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল তা তুলে ধরেন। তারা বিশ্ববাসীর কাছে আরো ব্যাপক ভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ ও প্রকাশনার অনুরোধ জানান।

alt

বক্তব্যে নেদারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলাল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে মহাকাব্য হিসেবে অভিহিত করে এর তাৎপর্য তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, UNESCO কর্তৃক প্রদত্ত এ স্বীকৃতি বিশ্ব দরবাররে আমাদের গোটা জাতিকে এক নতুন উচ্চতায় আসীন করেছে । UNESCO কর্তৃক প্রদত্ত এ স্বীকৃতিকে জাতীয় গৌরব ও বাঙালী জাতির এক নতুন পরিচয় হিসেবে আখ্যায়িত করে রাষ্ট্রদূত প্রবাসী বাংলাদেশীদের বাংলাদেশের চলমান উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আরো সক্রিয়ভাবে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

alt

সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত দূত সম্মেলনের সূত্র ধরে রাষ্ট্রদূত উপস্থিত বাংলাদেশ কমিউনিটিকে অবহিত করেন যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভূমি পুনরুদ্ধার তথা ল্যান্ড রিক্লেমেশন এবং গ্রীন হাউজ টেকনোলজির মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডের সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন। রাষ্ট্রদূত আরো উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উজ্জ্বল অবস্থান ও অর্জিত সুনামের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ দূতাবাস সমূহের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন। পরে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি UNESCO কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ উপলক্ষে হিমেল শীতকে উপেক্ষা করে প্রবাসী বাংলাদেশীগণ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দদের আনন্দমুখর অংশগ্রহণে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা দি হেগের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।