Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে যেতে লড়ছেন ১৫ বাংলাদেশি

সোমবার, ০৫ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ব্রেক্সিট তথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়া জোরদার করতে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা আরো নিরঙ্কুশ করতে গত ১৮ এপ্রিল অনেকটা আচমকাই আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে।আগামী ৮ জুন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ব্রিটেনের মধ্যবর্তী নির্বাচন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের দৌড়ে এবার যোগ দিয়েছেন ১৫ জন ব্রিটিশ বাংলাদেশি।ব্রেক্সিট, স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন, আবাসন কিংবা রাষ্ট্রীয় কল্যাণ সেবাসহ নানা কিছু এবারের নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশিরাও স্বাভাবিক কারণে জাতীয় এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন।২০১৫ সালের নির্বাচনে বাঙালি প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১১ জন। ওইবার বাংলাদেশি অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনেরুশনারা আলী, সেন্ট্রাল লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনে টিউলিপ সিদ্দিক এবং ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনে রুপা হক এমপি নির্বাচিত হন। এরা তিনজনই লেবার দলীয় রাজনীতিক। বাঙালি এই তিনকন্যা এবারও লেবার দলেরপক্ষে নিজ নিজ আসন ধরে রাখার লড়াইয়ে নেমেছেন।

Picture

ভোটের লড়াইয়ে অংশ নেয়া ১৫ জনের মধ্যে নয়জন লড়ছেন প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির হয়ে। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, লিবারেল ডেমোক্রেট ও ফ্রেন্ডস পার্টির হয়ে লড়ছেন একজন করে। ৮ জুন বৃহস্পতিবার এই ভোট হবে।নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বাঙালি প্রার্থীরা হলেন— রুশনারা আলী (লেবার, বেথনাল গ্রীন অ্যান্ড বো আসন), টিউলিপ রেজওয়ান সিদ্দিক (লেবার, হ্যাম্পস্টেট অ্যান্ড কিলবার্ন), রূপা হক (লেবার, ইলিং সেন্ট্রাল ও একটন), আনোয়ার বাবুল মিয়া (লেবার, ওয়েলউইন অ্যান্ড হ্যাটফিলড), মেরিনা আহমদ (লেবার, বেকেনহাম), রওশন আরা (লেবার, সাউথ থেনেট), ফয়সল চৌধুরী এমবিই (লেবার, স্কইল্যান্ডের এডিনবারা সাউথ ওয়েস্ট), আবদুল্লাহ রুমেল খান (লেবার, পোর্টসমাউথ নর্থ), জুয়েল মিয়া ( লেবার লাফবরা)

সাজু মিয়া (লিবডেম, ওয়াইর ফরেস্ট), আজমল মাশরুর (স্বতন্ত্র, বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো), ওলিউর রহমান (স্বতন্ত্র, পপলার এন্ড লাইম হাউজ), আবু নওশাদ (স্বতন্ত্র, ইয়ার্ডলি, বার্মিংহাম), ব্যারিস্টার মির্জা জিল্লুর (স্বতন্ত্র, ইস্টহাম), আফজল চৌধুরী (ফ্রেন্ডস পার্টি, ইস্টহ্যাম)

এর বাইরে ও লুটন সাউথ এলাকা থেকে আশুক আহমেদ নামে আরেক বাংলাদেশিকে মনোনয়ন দিয়েছিল লিবারেল ডেমোক্রেটিক দল। তবে ইহুদি-বিদ্বেষী মন্তব্য করায় সম্প্রতি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।উল্লেখ্য, ৬৫০ আসনের পার্লামেন্টের ৩৩১টিতে জয়ী হয়ে গতবার সরকার গঠন করেছিল কনজারভেটিভরা। ২০১৫ সালের ওই নির্বাচনে লেবার পার্টির হয়ে লড়েছিলেন পাঁচজন ব্রিটিশ বাংলাদেশি, যাদের তিনজনই জয়ী হন।


রাশিয়ায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

সোমবার, ০৫ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : রাশিয়া , মস্কো থেকে :বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাশিয়া। রবিবার মস্কো বিমানবন্দরে এই অভ্যর্থনা দেয়া হয়। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাশিয়ার সভাপতি মো. সালাউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওহাব লিটন, সহ-সভাপতি খান মো. টিপু, আতিক উল্যা, যুগ্মসম্পাদক সোরাব হোসেন, উপ-প্রচার সম্পাদক আবু তালহা। এ ছাড়া রাশিয়া ছাত্রলীগের রেজা সাকিন, সবুজ রনি, রিয়াজ ভুঁইয়াসহ আরো অনেক ছাত্র ও প্রবাসী বাঙ্গালিরা উপস্থিত ছিলেন।

Picture
 
রাশিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওহাব লিটন বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশ-রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো একধাপ এগিয়ে গেল। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য রপ্তানি পণ্য রাশিয়ায় সহজ সর্তে প্রবেশ করতে এই সফরের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। বাংলাদেশ শুল্ক মুক্ত সুবিধা চায় রাশিয়া সরকারের কাছে। রাশিয়া আমাদের মিত্র রাষ্ট্র। আর এই সম্পর্ককে বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারলে ভবিষ্যতে রাশিয়ার বিশাল বাজারে আমাদের পণ্য বাজার দখল করতে পারবে।


মালয়েশিয়ায় গিয়ে তুলির জীবনে নেমে এলো ঝড়

সোমবার, ০৫ জুন ২০১৭

আহমাদুল কবির, বাপ্ নিউজ : মালয়েশিয়া থেকে : তুলি, মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী বাংলাদেশি তরুণী। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে চলে আসেন মালয়েশিয়ায়। এরপর থেকে তার ওপর অত্যাচার শুরু হয়। মেয়ের ওপর এ অত্যাচার সইতে না পেরে তার বাবা স্ট্রোক করে মারা যান। এরপর থেকেই তার জীবনে নেমে আসে বড় ঝড়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অর্থাভাবে না পারছে চিকিৎসা নিতে, না পারছে টিকিট কেটে দেশে ফিরে যেতে।

তুলির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় তাকে নিয়ে আসা হয়েছিল পড়ালেখা করানোর কথা বলে। গত ২৩ মে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে এক কর্মকর্তার কক্ষে বসে তুলির জীবনে ঘটে যাওয়া ঝড়ের এ গল্প যেন শেষ হচ্ছিল না। ঢাকার দক্ষিণ খানের (রাজলক্ষ্মী মুন্সি মার্কেট) জলিল মোল্লার ছেলে মো. মোস্তফা কামালের স্ত্রী ও মুন্সিগঞ্জের ফুলতলার আমিনুল হকের মেয়ে তুলি (২০)। সবার পছন্দে পারিবারিকভাবেই ২০১৫ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় তুলি আকতার ও মোস্তফা কামাল।

বিয়ের এক সপ্তাহ পর মালয়েশিয়ায় চলে আসে মোস্তফা কামাল। মেয়ে তুলে নেয়ার আগ পর্যন্ত তার বাবার বাড়িতে থেকে পড়ালেখার সুযোগ দেয়া হবে, বিয়ের আগে এমন কথা থাকলেও শ্বশুরবাড়ি থেকেই পড়ালেখা চালাতে হয় তুলিকে। সব খরচ তুলির বাবাই বহন করতেন। স্বামীর সঙ্গে বিদেশ আসার পর নানা অত্যাচার ও তুলির কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এসব যন্ত্রণা আর নিষ্ঠুরতা মেনে নিয়েই চলতে থাকে তুলির সংসার। এর মধ্যে তার স্বামী কামাল দেশে চলে যায়। তুলির বাবাও যৌতুক দেয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা ম্যানেজ করেন। পরে একমাত্র মেয়ের অত্যাচারের কথা সইতে না পেরে স্ট্রোক করে হাসপাতালেই মারা যান তিনি। যৌতুকের টাকা আর দেয়া হয়নি।

Picture

তুলির জীবনের এ গল্পের বাকিটা শুনি তুলির মুখ থেকেই। ‘হাসপাতালে শয্যাশায়িত আমার বাবার হাতে হাত রেখে সে (কামাল) ওয়াদা করে যে, আপনার মেয়েকে আমি মালয়েশিয়া নিয়ে যাচ্ছি, সেখানে সে পড়ালেখা করবে, আমি তার যত্ন নেব। সবার ইচ্ছামতো আমি ওর সাথে গত ২৪ শে ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ায় আসি। এই নতুন পরিবেশে সে ব্যবসায়িক কাজের কথা বলে ওই দিনই আমাকে একা ফেলে অন্য একটা শহরে চলে গিয়েছিল। কাপড় গোছাতে যেয়ে তার আলমারিতে মেয়ের দুইটা ড্রেস পাই। দুইদিন পর বাসায় ফেরে কামাল। মেয়ের ড্রেসের ব্যাপারে জানতে চাইলে আমাকে বলে, এখানে এক মালয় মেয়েকে বিয়ে করেছে সে। এমন কথা শোনার পর আমার চারদিক অন্ধকার হয়ে আসে। মাথায় যেন আমার আকাশ ভেঙে পড়ে।’

এরপর থেকেই নানাভাবে অত্যাচার শুরু হয় তুলির ওপর। কামাল তাকে গলা টিপেও ধরেছিল কয়েকবার। মালয়েশিয়ার দুটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাও নিতে হয়েছে তাকে। একপর্যায়ে কামাল তুলিকে ডিভোর্স দিয়ে দেশে চলে যেতে বলছে। না গেলে হত্যার হুমকি দিয়েছে কামাল।

এসব ঘটনার পর তুলি অন্য বাংলাদেশিদের আশ্রয়ে যায়। তাদের মাধ্যমে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সবযোগিতায় আইনের আশ্রয় নেয় তুলি। ইতোমধ্যে একটি থানাতে ও আকামা ইসলামে অভিযোগ দায়ের করেছে তুলি। এর আগে, মারধরের অভিযোগে একবার আটক হয়েছিল কামাল, পরে জামিনে মুক্তি পায় সে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, আকামা ইসলাম এ ব্যাপারে তদন্ত করছে।

এসব প্রসঙ্গে তুলি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার বাবার মৃত্যুর সময় তার পাশে থাকতে পারিনি। কামালকে এমন শাস্তি দেয়া হোক যাতে আর কোনো মেয়েকে তার স্বামীর লোভের শিকার না হতে হয়, নিষ্ঠুরতার রোলে যেন আর কাউকে পিষ্ট হতে না হয়। আমার ক্ষতিপূরণসহ সে আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিক আমি দেশে চলে যাব।’

এসব নির্মমতার পরও তুলির জীবনে নেমে এলো আরও বড় ঝড়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অর্থ অভাবে না পারছে চিকিৎসা নিতে, না পারছে টিকিট কেটে দেশে ফিরে যেতে। তার এ দূরবস্থায় কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে তার পাশে দাঁড়াবে এমনটাই প্রত্যাশা তুলির।

সার্বিক বিষয়ে জানতে মোস্তাফা কামালের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।


কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির যাত্রা শুরু

শনিবার, ০৩ জুন ২০১৭

Picture
“কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি”  (CBPAC ) ইতি মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবীতে “মুভমেন্ট ফর ডিপোটেশন অব নূর চৌধুরী” টরোন্টোর ড্যানফরথে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করে। কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (CBPAC ) কানাডার ৬জন ( আইন প্রণেতা ) সংসদ সদস্যদের সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ১০১ সদস্যোর পরিচালনা পর্সদ নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই সংগঠনটি বাংলাদেশে সরকারের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং বাংলাদেশের গণমানুষের সার্বিক কল্যাণে কাজ করবে বলে এর প্রেসিডেন্ট, সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা ফেরদৌস বারী  জন বাপসনিউজকে জানান।

alt
কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (CBPAC )-এর অন্যতম শীর্ষ পরিচালক ও উপদেষ্টা নির্বাচিত করা হয়েছে যুক্তরাষ্টের মূলধারার রাজনীতিক, মানবাধিকার কমি.এক্টিভিষ্ট, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার হু হজ হো, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল, ফোবানাসহ অসংখ্যাক পুরস্কার বিজয়ী সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকনকে।
উল্লেখ্য, আমেরিকান ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি ( AIPAC ) বিশ^ব্যাপী সবচেয়ে শক্তিশালী জুইসদের লবিং অর্গানাইজেশন হিসেবে পরিচিত। এরই আদলে “কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (CBPAC ) বিশ^ব্যাপী বাঙ্গারীদের শক্তিশালী লবিং অর্গানাইজেশন হিসেবে কাজ করবে।


ব্রিটেন পার্লামেন্ট নির্বাচনে এবার ১৪ বাংলাদেশি প্রার্থী

শনিবার, ০৩ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ব্রেক্সিট তথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়া জোরদার করতে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা আরও নিরঙ্কুশ করতে গত ১৮ এপ্রিল আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে। এই নির্বাচনে বিভিন্ন দলের হয়ে ১৪ জন ব্রিটিশ বাংলাদেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানা গেছে।

এদের আটজন লড়ছেন প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির হয়ে। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, লিবারেল ডেমোক্রেট ও ফ্রেন্ডস পার্টির হয়ে লড়ছেন একজন করে। আগামী ৮ জুন বৃহস্পতিবার এই ভোট হবে।  

Picture

৬৫০ আসনের পার্লামেন্টের ৩৩১টিতে জয়ী হয়ে গতবার সরকার গঠন করেছিল কনজারভেটিভরা। ২০১৫ সালের ওই নির্বাচনে লেবার পার্টির হয়ে লড়েছিলেন পাঁচজন ব্রিটিশ বাংলাদেশি, যাদের তিনজনই জয়ী হন। তবে কনজারভেটিভ দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী একমাত্র ব্রিটিশ বাংলাদেশি পরাজিত হয়েছিলেন।

গতবারের বিজয়ী রুশনারা আলী, টিউলিপ সিদ্দিক ও রুপা হক এবারও লেবারের টিকেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের সঙ্গে এই দল থেকে প্রার্থী হয়েছেন আনোয়ার বাবুল মিয়া, মেরিনা আহমদ, রওশন আরা, ফয়সল চৌধুরী এমবিই  ও আবদুল্লাহ রুমেল খান।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাজু মিয়া; ফ্রেন্ডস পার্টির হয়ে লড়ছেন আফজল চৌধুরী। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন আজমল মাশরুর, অলিউর রহমান, আবু নওশাদ ও ব্যারিস্টার মির্জা জিল্লুর।

লুটন সাউথ এলাকা থেকে আশুক আহমেদ নামে আরেক বাংলাদেশিকে মনোনয়ন দিয়েছিল লিবারেল ডেমোক্রেটিক দল। তবে ইহুদিবিদ্বেষী মন্তব্য করায় সম্প্রতি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।


ওভালে এক টুকরো বাংলাদেশ

শুক্রবার, ০২ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিজ দেশ থেকে অনেক দূরে। তারপরেও কমতি নেই উচ্ছ্বাসের। বাঙ্গালি নৃত্যে সেটিই জানান দিচ্ছেন প্রবাসীরা। লাল-সবুজের দেশকে উপস্থাপন করছেন বিশ্ব দরবারে। উপলক্ষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। বাংলাদেশকে দিয়েই সূচনা হয় এই টুর্নামেন্টের। কেনিংটন ওভালে বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে তিনটায় ম্যাচটি শুরু হয়। তার আগে ওভালের রাস্তায় লাল শাড়ি পরে নেচে নেচে বাংলাদেশকে স্বাগত জানান তরুণীরা।

Picture

২০০৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সবশেষ খেলেছিল বাংলাদেশ। সেবার ১০ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বকাপের পর আইসিসির দ্বিতীয় সেরার মর্যাদা পাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। মাঝে ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ২০১৩ সালে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির সপ্তম ও অষ্টম আসরে খেলার সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ। ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সেরা আট দল খেলার সুযোগ পাবে- আইসিসির এমন নিয়মের কারণে ওই দুই আসরে খেলতে পারেনি। তবে নবম আসরে র্যা ঙ্কিংয়ের সেরা আট দলের একটি হয়ে বাংলাদেশ (র‌্যাঙ্কিং ছয়) যোগ্যতা পূরণ করেই আবারো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলছে বাংলাদেশ। https://www.youtube.com/watch?v=onZh9QFQMyo


ফিনল্যান্ডে জিয়াউর রহমানের স্মরণে আলোচনা সভা

বৃহস্পতিবার, ০১ জুন ২০১৭

বাপ্‌স নিউজ : নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে বিএনপির ফিনল্যান্ড শাখা।সোমবার সন্ধ্যায় হেলসিংকির কনতুলায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা। এছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতির আত্মার শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠিত হয় মিলাদ মাহফিল।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ফিনল্যান্ড বিএনপির সক্রিয় নেতা জামান সরকার। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন মবিন মোহাম্মদ।১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনীর একদল সদস্যের হাতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

সামছুল গাজীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোকলেসুর রহমান চপল, বদরুম মনির ফেরদৌস, এজাজুল হক ভূঁইয়া রুবেল, মিজানুর রহমান মিঠু, প্রদীপ কুমার সাহা, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, আবদুল্লাহ আল আরিফ, তাপস খান, মোস্তাক সরকার, মোহাম্মদ সাহিন ও আবুল কালাম আজাদ।

বক্তারা দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিতে দেশপ্রেমিক প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা  ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।জামান সরকার বলেন, “দেশে আজ গণ আছে তবে তন্ত্র নেই, নীতি নেই। সরকারি দলের নেতাকর্মীরা নিজেদের ভাগবাটোয়ারায় ব্যস্ত। এভাবে চলতে থাকলে দেশ নিয়ে গর্ব করার মতো কিছু আর থাকবে না। প্রবাসে আমরা মুখ দেখাতে পারবো না।”

পদ্মাসেতুতে বিপুল ব্যয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “পাশের দেশেও অনেক কম খরচে বিশাল সেতু তৈরি হয়। আর আমরা নিজেরা কীভাবে লাভবান হবো সেই চিন্তা করে দুর্নীতির মহড়া দেখাচ্ছি।”

জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে ন্যায়ের পথে দেশ গড়তে প্রবাসী নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান জামান সরকার।অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হুদা মনি, মীর সেলিম, সুমন, তাজুল ইসলাম, মো. আনোয়ার হোসেন, আরিফ বাবু, নাজমুল হাসান, মো. সাইফুর রহমান সাইফ, ফাহমিদ উস সালেহীন, মনোয়ার পারভেজ, ইব্রাহিম খলিল, মো. সালাহউদ্দিন, জনি খান, মো. সামিউল আরেফিন, জাভেদ ইকবাল, মোয়াজ্জেম ভূঁইয়া, মোহাম্মদ জুয়েল, হাজি সুলাইমান, মনিরুল ইসলাম, সবুজ খান, মো. শিপন, মুকুল হোসেন, আহসান হাবিব সজল, সুকান্ত, মোহাম্মদ ইসমাইল, মোহাম্মদ তানিম, আজহার, মো. আশরাফ আহমেদ, ফাহিম শাহরিয়ার, সামি-উর রাশেদীন, মীর ইসমাইল প্রমুখ।


প্রধানমন্ত্রীর সফর : অস্ট্রিয়া পৌঁছেছেন ইউরোপ আ.লীগের নেতারা

মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০১৭

কমল সাহা, বাপ্ নিউজ : ভিয়েনা থেকে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের আণবিক শক্তি কমিশনের এক সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় পৌঁছাবেন স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায়। মঙ্গলবার আণবিক শক্তি কমিশনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন।সোমবার সন্ধ্যায় অস্ট্রিয়া গ্রান্ড হোটেল বলরুমে প্রবাসীদের দেয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত নেতাকর্মীদের সঙ্গে ইফতার পার্টিতে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে ইতোমধ্যে পৌঁছেছেন ইউরোপ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। ইউরোপ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কবির সবাইকে অভ্যর্থনা জানান।

Picture

ইতোমধ্যে ভিয়েনা শহরে পৌঁছেছেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী অনিল দাশগুপ্ত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম হক, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, প্রবাসকল্যাণ সম্পাদক হাসনাত মিয়া, জার্মান আওয়ামী লীগের একাংশের সভাপতি এ কে এম বশিরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শেখ বাদল আহমেদ। ইতোমধ্যে ভিয়েনায় পৌঁছেছেন সর্ব ইউরোপীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী অনিল দাশগুপ্ত, জার্মান আওয়ামী লীগ সভাপতি এ কে এম বশিরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শেখ বাদল আহমেদের নেতৃত্বে ৩০ জন জার্মান আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতনসহ ৮ জন, ফ্রান্স আওয়ামী লীগ একাংশের সভাপতি এম এ কাশেম সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের আতিকুজ্জামান, হল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন তপন, ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল খান, গ্রীস আওয়ামী লীগের সভাপতি রাকিব মৃধা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামাদ মাদবর, স্পেন আওয়ামী লীগ নেতা রিজভী আলম, পর্তুগাল আওয়ামী লীগ নেতা সোহরাব হোসেন সুমনসহ শখানেক ইউরোপ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।

সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ গণি আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৯ ঘটিকায় ভিয়েনা পৌঁছবেন। আগামীকাল রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে অস্ট্রিয়া ত্যাগ করবেন।


প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে অস্ট্রিয়া যাচ্ছেন ডেনমার্ক আ. লীগ নেতৃবৃন্দ

শনিবার, ২৭ মে ২০১৭

Picture

বাপ্ নিউজ : কোপেনহেগেন : আগামী ২৯ মে, ২০১৭ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের আণবিক শক্তি কমিশনের এক সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা শহরে আসবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে অভ্যর্থনা জানাতে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ এর সভাপতি ইকবাল হোসেন মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া এর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল অস্ট্রিয়া যাচ্ছেন। উল্লেখ ২৯ মে ,২০১৭ সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় অস্ট্রিয়া গ্রান্ড হোটেল বলরুমে প্রবাসীদের দেয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। ৩০ মে , রাত ৮ ঘটিকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে অস্ট্রিয়া ত্যাগ করবেন।


টোরন্টো মেয়র জন টরি সকাশে এনকেইএনএ’র প্রতিষ্টাতা ও সিইও ফেরদৌস বারী জন

বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ : সম্প্রতি কানাডার টোরন্টো সিটি মেয়র জন টরির আমন্ত্রণে নারায়নগঞ্জ কালচারাল এন্ড এডুকেশন অব নর্থ আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা ও আহবায়ক এবং সিইও ফেরদৌস বারী জন সাক্ষাৎ করেছেন। খবর বাপসনিউজ। উল্লেখ্য, ফেরদৌস বারী জন গত মাসে অনুণ্ঠিত টোরন্টো সিাট নির্বাচনে কাউন্সিলার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিয়ে মুলধারায় ব্যাপক আলোচিত হয়েছেন। ফেরদৌস বারী জন টরন্টো সিটির মেয়র জন টরির সাথে মতবিনিময় কালে টোরন্টো প্রবাসী বাঙ্গালীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সিটির সুযোগ ও সহযোগীতার ব্যাপারে আলোকপাত করেন। মেয়র জন টরি নারায়ণগঞ্জ কালচারাল এন্ড এডুকেশন অব নর্থ আমেরিকার কার্যক্রমে সহযোগিতার আশ^াস দেন।

Picture
ছবিতে কানাডার টোরন্টো সিটি মেয়র জন টরির সাথে নারায়নগঞ্জ কালচারাল এন্ড এডুকেশন অব নর্থ আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা ও আহবায়ক এবং সিইও ফেরদৌস বারী জন।


বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে কানাডা থেকে বাংলাদেশ সরকারের হাতে হস্তান্তরের দাবিতে মানববন্ধন

বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০১৭

alt

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত নূর চৌধুরী ১৯৯৬ সাল থেকে কানাডায় বসবাস করছেন। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি কর্নেল অব. নূর চৌধুরীকে কানাডা  থেকে বহিষ্কার করে বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করার দাবি নিয়ে দু’দেশের প্রধান মন্ত্রী, পররাস্ট্র মন্ত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন রকমের চেষ্টা চললেও দু’দেশের কিছু আইনগত কারণে সম্ভব হয়ে উঠছে না। বহিস্কার প্রক্রিয়া চেষ্টার ধারাবাহিকতায় কানাডা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে  মন্ট্রিয়লের এ মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।  মানববন্ধনে বিভিন্ন রকমের ব্যানার ফেস্টুন প্লেকার্ড নিয়ে াবপুল সংখ্যাক  প্রবাসীরা উপস্থিত শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করে তুলেন।

alt

মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন কানাডা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ মাহমুদ মিয়া, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক তাজুল মোহাম্মদ, আওয়ামীলীগ নেতা শ্যামল দত্ত, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মুহিবুর রহমান, ফনিভূষণ ভট্টাচার্য, ইতরাদ জুবেরী সেলিম, অমলেন্দু ধর, বাবলা দেব, জিয়াউল হক জিয়া প্রমুখ। বক্তারা কানাডা একটি মানবাধিকারের দেশ, এ দেশে আত্মস্বীকৃত খুনির আশ্রয়স্থল হতে পারেনা বলে মন্তব্য করে অনতিবিলম্বে নূর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরৎ দেওয়ার জন্য কানাডার প্রধান মন্ত্রীর কাছে জোর দাবি জানান। মানববন্ধন চলাকালে মূলধারার মানুষরা গাড়ীর হর্ণ বাজিয়ে সমর্থণ জানান। কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের বেশ ক’জন কর্মকর্তাকেও মানববন্ধনের পাশে পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে। মানববন্ধন শেষে মন্ট্রিয়লর একটি রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ হাই কমিশনের কর্মকর্তাসহ স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নেতৃবৃন্দ এক সভায় মিলিত হয়ে আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে মত বিনিময় করেন। জানাযায়, কানাডার বিভিন্ন প্রবিন্স ও শহর থেকে বাংলাদেশী প্রবাসীদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে কানাডার প্রধান মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে।

alt

অপরদিকে কানাডায় পালিয়ে থাকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে লেখা বাংলাদেশি কানাডিয়ান কিশোরী মাশকুরা তাবাসসুম তাথৈ গত মার্চে লেখা  চিঠির ইতিবাচক জবাব দিয়েছে সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।সম্প্রতি তাথৈকে লেখা পাল্টা চিঠিতে জাস্টিন ট্রুডোর দপ্তর থেকে তার বিশেষ সহকারি জীবন সিং স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, ‘জনাব’ নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি সম্বলিত চিঠিটি জননিরাপত্তা ও জরুরী অবস্থা প্রস্তুতি মন্ত্রী রালফ গুডেল এবং, আইন মন্ত্রী ও এটর্নি জেনারেল জুডি উইলসন রেনোল্ড এর দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

alt

কানাডা থেকে কাউকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার জননিরাপত্তা ও জরুরী অবস্থা প্রস্তুতি মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয় ও এটর্নি জেনারেলের দপ্তরের বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। আরও বলা হয়, ‘আমরা আশা করি, চিঠির বিষয়বস্তু যথাযথ বিবেচনা পাবে’।গত মার্চ ৮ তারিখে বাংলাদেশি কিশোরী তাথৈ কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক চিঠি প্রেরণ করে। সেখানে তাথৈ লিখেছিল যে, বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্মস্বীকৃত খুনি নুর চৌধুরী কানাডাকে তার নিরাপদ আশ্রয় বানিয়ে ফেলেছে। গত ২১ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ও হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত নুর চৌধুরী টরেন্টোতে নির্ঝঞ্ঝাট জীবন যাপন করছে। কানাডার মতো একটি দেশ নুর চৌধুরীর মতো আত্মস্বীকৃত খুনির নিরাপদ আবাসস্থল হতে পারে না।

alt

কানাডায় ‘রিফিউজি স্ট্যাটাস’ আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত, এমনকি ডিপোর্টেশন আদেশ মোকাবেলা করার পরেও কানাডা থেকে নুর চৌধুরীকে আইনি কারণে বহিষ্কার করা যাচ্ছে না। অন্য কোন দেশে ফেরত গেলে ফাঁসির সাজা ভোগ করতে পারেন, এমন কোনো ব্যক্তি কানাডা ভ্রমণে আসলে, নিজে উদ্যোগী হয়ে না ফেরত গেলে, তাকে সরকার জোর করে ফেরত পাঠাতে পারবে না মর্মে ২০০১ সালে কানাডার সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তারই সুফল ভোগ করছে বঙ্গবন্ধুর খুনি নুর চৌধুরী। কানাডার অভিবাসন এবং উদ্বাস্তু মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে চারবার নুর চৌধুরীর দরখাস্ত নামঞ্জুর করেছে।

Picture

তাথৈ লিখেছিল, ‘অন্যদের মতো আমিও আশায় বুক বেঁধে আছি, মানবতাবিরোধী অপরাধ করা নুর চৌধুরীকে অচিরেই বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে, যাতে করে সে তার সাজা ভোগ করতে পারে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার দায়ে নুর চৌধুরীসহ আরও ১১জনের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দেয়। আসামিদের অনেকের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। নুর চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানো হলে এক্ষেত্রেও ন্যয়বিচার প্রতিষ্ঠা পাবে বলে আমি বিশ্বাস করি’।

alt

গত বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খুনি নূর চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিলো। উল্লেখ্য, বিভিন্ন সূত্র এবং মিডিয়ায় প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা যায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের রাতে এই নূর চৌধুরীই না-কি গুলি করেছিলেন জাতির পিতাকে। সেই কাল রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে খুনিরা মেতে উঠেছিল হত্যার উল্লাসে। বঙ্গবন্ধু, তার স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ, ভাই, ভাগ্নে, ভাগ্নের স্ত্রী, কাজের লোক-সহ ২১ জনকে হত্যা করা হয় সেই রাতে। সেই দিন বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা আর শেখ রেহেনা বিদেশে থাকায় তারা প্রাণে বেঁচে যান। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ  নেওয়ার পর খুনি নূর চৌধুরী সপরিবারে কানাডায় পালিয়ে যান।