Editors

Slideshows

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/455188Hasina__Bangla_BimaN___SaKiL.jpg

দাবি পূরণের আশ্বাস প্রধানমন্ত্

বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে আলোচনা না করে আন্দোলন করার জন্য পাইলটরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। পাইলটদের আন্দোলনের কারণে ফ্লাইটসূচিতে জটিলতা দেখা দেয়ায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/701424image_Luseana___sakil___0.jpg

লুইজিয়ানায় আকাশলীনা‘র বাৎসরিক

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ লুইজিয়ানা থেকে ঃ গত ৩০শে অক্টোবর শনিবার সনধ্যায় লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির ইণ্টারন্যাশনাল কালচারাল সেণ্টারে উদযাপিত হলো আকাশলীনা-র বাৎসরিক বাংলা সাহিত্য ও See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/156699hansen_Clac__.jpg

ইতিহাসের নায়ক মিশিগান থেকে বিজ

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ ইতিহাস সৃষ্টিকারী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরা হাউজের আধিপত্য ধরে রাখতে সক্ষম হলো না। সিনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম হলেও আসন হারিয়েছে কয়েকটি। See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/266829B_N_P___NY___SaKil.jpg

বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিসে পুলি

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ আলাউদ্দিন রেষ্টুরেন্টের সামনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি তাৎক্ষণিক এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এই See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

অটোয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যেগে অমর একুশে পালিত

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

সদেরা সুজন, বাপ্ নিউজ : কানাডা থেকে।। বাংলাদেশ হাই কমিশন, অটোয়ার আয়োজনে ২১শে ফেব্রুয়ারী অমর শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভষা দিবস পালিত হলো, যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে। ২১ তারিখ কানাডায় কর্মদিবস থাকায় নগরীর রিচলিউ ভ্যানিয়ার কমিউনিটি সেন্টারে গতকাল ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০১৭'র বৃষ্টিস্নfত সন্ধ্যায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাই কমিশনার মিজানুর রহমন।

Picture

শুরুতেই ১৯৫২'র ভাষা আন্দোলন, '৭১এর মহান মুক্তযুদ্ধ ও '৭৫-এর কালরাতে শাহাদাৎ বরণকারী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যগণ সহ সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর ঢাকা থেকে প্রাপ্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে দূতাবাসের মিনিস্টার নাইম আহমেদ, কাউন্সিলর মাকসুদ খান, প্রথম সচিব আলাউদ্দিন ভুঁইয়া ও প্রথম সচিব অপর্ণা পাল।

alt
এর আগে, গত ২১শে ফেব্রুয়ারী সকালে বাংলাদেশ হাউসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন মান্যবর হাই কমিশনার মিজানুর রহমান। বাংলাদেশ হাই কমিশনের সকল কূটনীতিক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। মহান ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং '৭৫এর কালরাতে শাহদাৎ বরণকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এ সময় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

alt

অমর একুশের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাই কমিশনার বলনে, বাঙালীর মাতৃভাষা বাংলা ভাষার উপর ভিত্তি করেই আমাদের বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম। তিনি ভাষা শহীদদের, ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যবৃন্দের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে, তাঁর সরকারের আন্তরিক উদ্যোগ ও কূটনৈতিক প্রয়াসের ফলেই ২১শে ফেব্রুয়ারী আজ জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত হয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা পৃথিবীতে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। এক্ষেত্রে তিনি কানাডার বৃটিশ কলাম্বিয়া প্রবাসী সংগঠন International Mother Language Lovers Association এর জনাব সালাম এবং জনাব রফিকের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

altতিনি বলেন, এটি আনন্দের বিষয় যে আজ কানাডায় উচ্চ-মাধ্যমিক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক ভাষাগুলোর মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভৃক্ত হয়েছে। এই কানাডারই অটোয়াসহ বিভিন্ন শহরে ডিস্ট্রিক্ট স্কুল বোর্ড -এর অধীনে পরিচালিত স্কুলগুলোতে বাংলা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। প্রবাসী বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠন বাংলা ভাষা ও বাঙালী সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করে চলেছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট স্কুল/বোর্ড কর্তৃপক্ষ, বাংলা ভাষার শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকসহ বাঙালী কমিউনিটি সংগঠনসমূহকে তিনি বাংলাদেশের হাই কমিশনার হিসেবে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারী মহান শহীদ দিবস, ১৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ এবং ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের বিশেষ দিনগুলোতে সাংস্কৃতিক ও নানামুখী অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে বাঙালী সংস্কৃতিকে উৎসাহ প্রদান এবং এর প্রসার চলমান রয়েছে, যার অন্যতম অংশীদার অটোয়াসহ কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশীগণ।

alt
প্রবাসে শিশুদের বাংলা ভাষা চর্চায় অধিকতর উৎসাহ প্রদান এবং বাংলা ভাষা শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রতি অনুরক্ত হতে উদ্বুদ্ধ করার জন্য তিনি অভিভাবকদের বিশেষ অনুরোধ জানান। কানাডার টরন্টো, মন্ট্রিয়ল এবং অটোয়াসহ বাংলাদেশী অধ্যূষিত শহরগুলোতে শহীদ মিনার নির্মাণে প্রবাসীদের উদ্যোগে বাংলাদেশ হাই কমিশনের পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলে তিনি উপস্থিত সকলকে আশ্বস্ত করেন। এ সময়ে অটোয়া আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, মক্তিযোদ্ধাগণ, পেশাজীবী, গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, সংস্কৃতিকর্মী এবং সর্বস্তরের প্রবাসী নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ হাই কমিশনারের সহধর্মিনী মিসেস নিশাত রহমান, দূতাবাসের কূটনীতিকগণ এবং হাই-কমিশন পরিবারের সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ আমন্ত্রণে কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিরচালক পিটার ফসেট অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের উপর প্রদর্শিত ভিডিও ডকুমেন্টারী (তথ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত) উপস্থিত সকলকে বিমুগ্ধ করে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বেঅটোয়ার শিল্পীবৃন্দ ভাষা আন্দোলন, রাষ্ট্রভাসা সংগ্রাম ও গণজাগরণের বিভিন্ন গান কবিতা ও নাচ পরিবেশন করেন।সমবেত কণ্ঠে শিল্পীরা পরিবেশিত হয় "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি"; সালাম সালাম, হাজার সালাম, সকল শহীদ স্মরণে", "ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়"; "ভাষার জন্য যারা দিয়ে গেছো প্রাণ, ভুলিন আমরা"; এবং "তীর হারা এই ঢেউ এর সাগর পাড়ি দিব রে" । একক কণ্ঠের পরিবেশনায় ছিলো"মোদের গরব মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা" (ফারজানা মাওলা অজন্তা), "রাষ্টভাষা আন্দোলনো করিলি রে বাঙালী, তোরা ঢাকার শহর রক্তে ভাসালি" (দূতাবাসের প্রথম সচিব, শিল্পী,খাওয়াত হোসেন), "মাগো আর তোমাকে ঘুমপাড়ানি মাসি হতে দেব না" (ডালিয়া ইয়াসমীন) এবং "আমি বাংলায় গান গাই" (দেওয়ান মাহমুদ)। কবিতা আবৃত্তির মাঝে ছিলো, "মানুষ জাগবে ফের/শপথ" (মাসুদুর রহমান); "ফেব্রুয়ারীর কবিতা" (শিউলী হক) এবং "আমাদের মা" (মাকসুদ খান)। শিশু শিল্পীদের পরিবেশনায় ছিলো "রক্তে আমার আবার প্রলয় দোলা" (সমবেত); কবিতা "ফেব্রুয়ারীর গান" (দেওয়ান ফাতিমা সহীহ্‌); সেই রেললাইনের ধারে মেঠো পথটার পাড়ে দাঁড়িয়ে" (এ্যালিসিয়া ও আলিনা) এবং "যে দেশেতে শাপলা-শালুক ঝিলির জলে ভাসে" (ওয়াজিদ ও ইষ্টি)। "আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি, তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী" -গানটির সাথে নৃত্য পরিবেশন করে দুই সহোদরা নৃত্যশিল্পী লারিসা ও সানোভা। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে তবলায় সঙ্গত করেন সাদী রোজারিও, গীটারে ছন্দ রাখেন আরেফিন কবীর। সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করেন গিয়াস ইকবাল সোহেল, সাখাওয়াত হোসেন, হেলাল খান, আরেফিন কবীর, দেওয়ান মাহমুদ, ডালিয়া ইয়াসমীন,ফারজানা মাওলা অজন্তা, শিউলী হক, মাকসুদ খান ও মাসুদুর রহমান। পরিশেষে হলভর্তি দর্শকসহ শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে সমস্বরে গেয়ে ওঠেন কালজয়ী সেই অমর গান -
"আমর ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি . . . .আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি"। এ গানটির সাথে সাথেই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষিত হয়।

অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় ছিলেন বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান আলাউদ্দিন ভুঁইয়া। গ্রন্থনা ও উপস্থাপনায় ছিলেন দূতাবাসের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদ। অটোয়া, মন্ট্রিয়েল, কর্ণওয়াল, অরলিন্স, বার হেভেন ও কানাটাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন শহর থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীল ও কানাডীয় নাগরিক এ অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।


একুশের চেতনা ধারণ করে অপশক্তি রুখতে হবে - ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২৪ ফেব্রুয়ারী , ২০১৭ শুক্রবার ডেনমার্ক  আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ডেনমার্ক এর রাজধানী কোপেনহেগেন এ  এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ এর সভাপতি  ইকবাল হোসেন মিঠু এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া এর সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন , “ভাষার প্রতি তার (খালেদা) সম্মানই নেই। শহীদ মিনার, একটি পবিত্র জায়গা। ওই শহীদ মিনারে বেদীমূলে  বিএনপি নেত্রী তার স্ব-দলবল নিয়ে  উঠে দাঁড়িয়েছেন।এত  শহীদের প্রতি অসম্মান।


ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু  যে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ও আন্দোলনের  সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন; ইতিহাস থেকে তা মুছে ফেলা হয়েছে।” যারা পাকিপ্রেমিক তারা তো ইতিহাস বিকৃত করেই। আমাদের মধ্যেও অনেকে ইতিহাস বিকৃত করেছে।”এই সব ইতিহাস বিকৃতিকারী অপশক্তিকে রুখতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর  অর্জন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকা অবস্থায় ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। আমাদের সবাইকে একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে অপশক্তি এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা এর নেতৃত্বে জাতির জনকের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করতে হবে। 

আজকে আমাদের  সবাইকে শপথ নিতে হবে আমরা যেন কোন হাইব্রিড ও সুযোগসন্ধানীদের আওয়ামী লীগে পশ্রয় দিবো না।অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীর আলম , মোতালেব ভূঁইয়া , হিল্লোল বড়ুয়া  যুবলীগ সভাপতি আমির জীবন , ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট।অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ  ইউসুফ ,ফাহমিদ আল মাহিদ , আবুল্লা আল জাহিদ , আসাদুসজ্জামান , রেজাউল করিম , শোয়েব আহমেদ , রিয়াদ হোসেন , ফয়সাল হোসেন , জামশেদ রহমান , ইমরান হোসেন ,সুবীর , শাওন , কোহিনূর মুকুল , সাগর ,  তানভীর শুভ , সুকান্ত দে , আসিফ মুস্তারিন  সহ আরো অনেকে।


দক্ষিণ কোরিয়ায় একুশ উদ্‌যাপন

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

এক মিনিট নীরবতা পালন ও আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গান গেয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। এই প্রথম চোন্নাম ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অমর একুশে উদ্‌যাপন করা হলো।

একুশ উদ্‌যাপনের দৃশ্য

অস্থায়ী এই শহীদ মিনারে চোন্নাম ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ছাড়াও চোশান ইউনিভার্সিটি ও গুয়াংজু ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (জিস্ট) অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
একুশ উদ্‌যাপনের দৃশ্য

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন কবি শাহেদ কায়েস, লেখক বিজন সরকার, সৌমিত্র কুমার কুণ্ডু ও মুশফিকুর রহমান।


আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ডেনমার্কে আলোচনা সভা

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

বক্তারা আরো বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু যে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ও আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন; ইতিহাস থেকে তা মুছে ফেলা হয়েছে। যারা পাকিপ্রেমিক তারা তো ইতিহাস বিকৃত করেই। আমাদের মধ্যেও অনেকে ইতিহাস বিকৃত করেছে। এই সব ইতিহাস বিকৃতিকারী অপশক্তিকে রুখতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্জন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকা অবস্থায় ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। আমাদের সবাইকে একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির জনকের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীর আলম, মোতালেব ভূঁইয়া, হিল্লোল বড়ুয়া, যুবলীগ সভাপতি আমির জীবন ও ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট।অনুষ্ঠানে অারো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ ইউসুফ, ফাহমিদ আল মাহিদ, আবুল্লা আল জাহিদ, আসাদুজ্জামান, রেজাউল করিম, শোয়েব আহমেদ, রিয়াদ হোসেন, ফয়সাল হোসেন, জামশেদ রহমানসহ আরো অনেকে।


বিনম্র শ্রদ্ধায় কানাডায় মহান একুশে ‍উদযাপন

বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

সদেরা সুজন,বাপ্ নিউজ : কানাডা থেকে।।  ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলতে পারি?’ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় কানাডার শহরে শহরে পালিত হয়েছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পরের দিন কর্মদিবস থাকায় কিছুটা ছন্দপতন হলেও প্রতিটি শহরে বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকায় একই সময়ে একাধিকস্থানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভাষাশহীদকে স্মরণ করে অস্থায়ী শহীদ মিনারে প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ রকমারি আয়োজনে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস। প্রতিটি অনুষ্ঠানেই বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতি ছিলো। এছাড়াও বলতে গেলে সপ্তাহ জুড়েই একুশের রকমারি অনুষ্ঠান ছিলো।

alt

অমর একুশ তথা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপযাপন উপলক্ষ্যে ভিএজি,বির উদ্যোগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় মন্ট্রিয়লের ৬৭৬৭ কোট দ্য নেইজ (কক্ষ নং ৬৯৪) মিলনায়তনে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি শাহ মোস্তাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক রোকেয়া চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন ভিএজি,বি সাধারণ সম্পাদক ডঃ শোয়েব সাঈদ, লেখক-গবেষক তাজুল মোহাম্মদ, ডঃ সৈয়দ জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক আবুল আলম, অপরাহ্ন সুসমিতো, দিলীপ কর্মকার, আরিয়ান হক, হামোম প্রমোদ সিনহা, এ এফ এম মাহমুদুল হাসান, এডোয়ার্ড কর্ণেলিয়াস গোমেজ, শরীফ ইকবাল চৌধুরী ও সৈয়দ সানজিদ হোসেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জিয়াউল হক জিয়া, গোলাম মুহিবুর রহমান, শামশাদ রানা, অশোক তেওয়ারী, মুফতি ফারুক, আবু হোসেন জয়, রওশন আরা শোয়েব, ডাঃ জিনাত ফারাহ নাজ, পুষ্পিতা দেব চম্পা, মোঃ আশরাফুল কবির, মাসুম আনাম, জাহাঙ্গীর আলম, নাহিদা আক্তার, মোঃ সিদ্দিক, মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন ও অর্ঘ ঘোষ।

alt

সভার শুরুতে ভাষাশহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয় এবং সভা শেষে পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন পুষ্পিতা দেব, আরিয়ান হক, জিনাত ফারাহ নাজ, রওশন আরা শোয়েব, জাহাঙ্গীর আলম, মুফতি ফারুক, শামশাদ আরা রানা ও অপরাহ্ন সুসমিতো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে টরন্টোর সাহিত্য সংগঠন বেঙ্গলি লিটারারি রিসোর্স সেন্টারের (বিএলআরসি) উদ্যোগে  ১৯ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত হলো 'মাতৃভাষা উৎসব'। এক ঝাঁক তরুণ তরুণীর স্বদেশীয় মিশ্রধ্বনির কলতানে মুখর হলো টরন্টোর আলবার্ট ক্যাম্পবেল লাইব্রেরি মিলনায়তন। বহু ভাষাভাষী তরুণদের এই সম্মিলনকে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিতে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক-এর দুই সংসদ সদস্য ন্যাথানিয়েল এরকিন-স্মিথ এবং আর্থার পটস। বিএলআরসি সভাপতি ড. রাখাল সরকারের শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় মাতৃভাষা উৎসবের আয়োজন। তিনি প্রবাসের তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করে প্রত্যেকের নিজ নিজ মাতৃভাষাচর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আহ্বান জানান।

alt

মাতৃভাষা সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের অভিজ্ঞতা নিয়ে ‘ল্যাঙ্গুয়েজ: স্টোরিজ অব দ্য ইয়ুথ’ পর্বে প্রাণময় আলোচনায় অংশগ্রহণ করে  টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জসুয়া, বাংলাদেশি তরুণ হাসিব করিম, শর্মিলা সেনথিলমনোহরন,  চাইনিজ বংশোদ্ভূত জুনিং(শ্যারন)শি, কানাডীয়ান-গায়ানিজ অমর অজয়ল্যাচমান। প্রত্যেকেই মাতৃভাষা নিয়ে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও অভিমত ব্যাক্ত করেন। মাতৃভাষা বিষয়ক তরুণদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর নিয়ে ভাষা-বিষয়ক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য রবীন্দ্রপ্রেমী মেথিউ কেলওয়ে, ‘বিচমেট্রো নিউজ’ পত্রিকার সম্পাদক আনা কিলেন, মুক্তচিন্তক আকবর হোসেন, ইংরেজি-ভাষী বাঙালি কবি সব্যসাচী নাগ এবং টরন্টোর পরিচিত উর্দু কবি ভাকার রাইস।

বাংলাদেশে মাতৃভাষা হিসেবে ‘বাংলা’র স্বীকৃতি এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস তুলে ধরা হয় একটি চমৎকার নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। দেশের গান এবং নিজ ভাষার প্রতি প্রবাসীরা ভালোবাসায় কতোটা আপ্লুত হয় বোঝা গেলো পুরো হলের পিনপতন নীরবতায়। একুশের গানে সজল হলো প্রতিটি হৃদয়। নৃত্যালেখ্যটি উপস্থাপনা করেন সূচনা দাস বাঁধন, শ্রেয়সী প্রামানিক, রাধিকা ভট্টাচার্য, আরিত্রি ভট্টাচার্য, সুকন্যা চৌধুরী, সামারা এবং  নিশুতি সাহা।

Picture

তরুণ পরিচালক নাদিম ইকবালের তথ্য-চলচ্চিত্র ‘মাদার টাং’-এর প্রদর্শনী ছিল অনুষ্ঠানের শেষ পরিবেশনা। প্রদর্শনের শুরুতে তিনি সিনেমাটি বানানোর  প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন। অভিবাসী শিশুদের মাতৃভাষাকে ভুলে যাওয়া বা শিখতে না পারা এবং এর কারণে বয়স্ক দাদা-দাদি, নানা-নানীদের সাথে তাদের ভাবপ্রকাশের যে ব্যবধান সৃষ্টি এই তথ্যচিত্রের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

এ প্রজন্মের তরুণ-তরুণী অর্ক ভট্টাচার্য, সূচনা দাস বাঁধন, অদিতি জহির, ব্রতী দাসদত্ত, জ্যোতি দত্ত পুরকায়স্থ, কৃত্যা চৌধুরী, সুবর্ণ চৌধুরী এবং চিত্তা চৌধুরীর সাবলীল সঞ্চালনা এবং পরিচালনায় পুরো অনুষ্ঠানটি ইংরেজিতে উপস্থাপন করা হয় সব ভাষাভাষীদের সুবিধার্থে।

alt

একই দিনে  কানাডার মন্ট্রিয়ল থেকে যাত্রা শুরু করলো নতুন কানাডিয়ান টেলিভিশন চ্যানেল টিভি এশিয়া HD । এশিয়ান কমিউনিটির সার্বিক সংবাদ প্রচার করা এই চ্যানেলটির কর্নধার হিসেবে কাজ করছেন বাংলাদেশী কানাডিয়ান তরুনরা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চ্যানেলটির মন্ট্রিয়লস্থ কর্পোরেট কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভা ও ভাষা শহীদদের স্মরণে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। শামসাদ রানা ও শর্মীলা ধরের সঞ্চালনায় এসময় চ্যানেলটির সি ই ও ইকবাল কবীর উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন চ্যানেলের প্রধান বার্তা সম্পাদক তানভীর ইউসুফ রনী, মার্কেটিং ম্যানেজার খালিদ হোসেন শাহিন, সিনিয়র সাংবাদিক রুমু ইসলাম ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহবুব ভুঁইয়া। অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী শ্বাশত সন্যাল, সুমা চৌধুরী, দেবপ্রিয়া কর রুমা এবং সরগম মিউজিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা । দিব্য ধরের বেহালায় করুণসুরে রূপায়িত হয় একুশের গান। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সিটি কাউন্সিলর মারভিন রটরান্ড ।

গতকাল ২০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে (একুশের প্রথম প্রহর) কানাডার মন্ট্রিয়লে প্রচন্ড শীত ও পরের দিন কাজ থাকা সত্বেও বিপুল সংখ্যক প্রবাসীরা ২১'র প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের স্মরণে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেছে। সার্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই ২১'র অনুষ্ঠানে কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিভিন্ন সংগঠন অংশগ্রহণ করে পার্কের সালাতীন ব্যাঙ্কুয়েট হলে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পনের সময় মন্ট্রিয়লের ডেপুটি মেয়র ও স্থানীয় সিটি কাউন্সিলর ম্যাদাম মেরি ডেরস উপস্থিত ছিলেন।

‘তোমাদের আশা অগ্নিশিখার মতো জ্বলবে, প্রতিশোধ এবং বিজয়ের আনন্দে’ শিরোনামে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মন্ট্রিয়াল এর সার্বজনীন মহান একুশ উদযাপন করেছে মন্ট্রিয়লের ৬৭৬৭ কোট্ দ্যা নেইজে। বিশাল আয়োজনে বিপুল সংখ্যাক প্রবাসীর উপস্থিতিতে অস্থায়ী শহীদ মিনারে প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

alt

‘মোদের গরব মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা’ শিরোনামে সম্মিলিত অমর একুশে উদযাপন কমিটির উদ্যোগে  মন্ট্রিয়লের সেন্টরক স্ট্রীটের সেন্টার উইলিয়াম হিংস্টন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান। আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পনের মধ্য দিয়ে মহান একুশের শহিদের প্রতি শ্রদ্ধাঘ্য নিবেদন করা হয়। মন্ট্রিয়লের সুপরিচিত উপস্থাপিকা শর্মীলা ধরের উপস্থাপনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ কানাডার শাখার অন্যতম নেতা শ্যামল দত্ত, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মুহিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক তাজুল মোহাম্মদ, অধ্যক্ষ ফনীন্দ্র ভূষণ ভট্টাচার্য, জিয়াউল হক জিয়া, কবি আব্দুল হাসিব প্রমুখ। কবিতা আবৃত্তি করেন শামসাদ রানা। ২১'র প্রথম প্রহরে অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়, কানাডা আওয়ামীলীগ, ক্যুইবেক আওয়ামী লীগ, মৌলভীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি, উদীচী মন্ট্রিয়ল, তৈমুননেসা ফাউন্ডেশন কানাডা সহ বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠন। এসময় বাংলাদেশ কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শর্মীলা ধর, কেয়া ভট্টাচার্য, মুনমুন দেব, শেলী দেব, মুধুমিতা দে ও পূরবী হালদার প্রমুখ।

টরন্টো প্রবাসী বাঙালিরা একুশের প্রথম প্রহরে ডেনফোর্থ ভিক্টোরিয়া পার্ক এলাকায় পৃথক দুটি স্থানে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য প্রদান করে বায়ান্নর ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঘ্য জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহিদ মিনারে উপস্থিত থেকে টরন্টো মেয়র জন টরি ভাষা শহীদদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গের ঘটনা পৃথিবীতে বিরল। তাঁদের আত্ম উৎসর্গের ঘটনা চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রচন্ড শৈত প্রবাহ উপেক্ষা করে বিপুল সংখ্যাক প্রবাসীরা  ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফ্রেব্রুয়ারি গানটি কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে প্রভাত ফেরির মাধ্যমে ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বারোটা এক মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামুনাই, , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদদালয় এলোমুনাই এসোসিয়েশন  প্রবাসী বৃহত্তর রংপুর বাসী, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, টরন্টো ফ্লিম ফোরাম, অন্য থিয়েটার, জগন্নাথ হল এসোসিয়েশন, হবিগঞ্জ সমিতিসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনার বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।।

অটোয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা অর্ধনির্মিত কালো পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে মহান একুশের কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এছাড়া কানাডার অন্যান্য শহরে রকমারি আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।


দুবাইতে প্রবাসী নারীদের পিঠা উৎসব

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আমিরাত প্রতিনিধি : সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে উৎসবমুখর পরিবেশে ফাল্গুনি সাজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্ণিল আয়োজনে গত শুক্রবার দুবাইয়ের মুশরিক পার্কে উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কানিজ ফাতেমা পপি, সাবিনা ইয়াসমিন, ফাহমিদা চৌধুরী, নিশাত জাহান, রোজী খাতুনের পিঠা উৎসবে হাজির করা হয় দেশীয় ঐতিহ্যের সুস্বাদু পাটি সাপটা, দুধ চিতই, ফুল জুড়ি, ডিম পিঠা, পাকন পিঠা, সই পিঠা, পুলি পিঠা সহ নানা রকমের পিঠা। ব্যতিক্রমী এই উৎসবে নজর কাড়ে পার্কে আসা ভিন দেশীদেরও।  

Picture

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন টকিও সেট গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম মানিক, প্রকৌশলী মোরশেদ, জায়েদ ইমাম পারভেজ, মাজাহারুল ইসলাম মাহাবুব, মিসেস শহিদ, নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ। সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন টকিও সেট গ্রপের পরিচালক জেসমিন আকতার সিআইপি, শেপালী আকতার আখি, সেলিনা আকতার লিনা, সাইদা দিবা, লোপা সারমিন, বিথি এহসান, নাজনিন চৌধুরী,শামসুন নাহার হোসাইন প্রমুখ।

পিঠা উৎসবে প্রথম হন রুকসানা রোজ, দ্বিতীয় হন নিশাত জাহান নিশু, তৃতীয় সাইদা আওয়াল। ফাল্গুনী সাজে প্রথম হয়েছেন আলমা, দ্বিতীয় লিলিয়া, তৃতীয় হন তামান্না রহমান। পরিশেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আমিরাতের প্রতিটি অঞ্চলে বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে এ ধরনের উৎসব দেশীয় প্রবাসীরা করে থাকে।


টরন্টো সিটিতে বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষা করার উদ্যোগ

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কানাডার টরন্টো সিটি কর্পোরেশন বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। ইতিমধ্যে এ নিয়ে একটি সমীক্ষাও শুরু করেছে তারা। তাতে বাংলা ভাষাভাষীদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। বাঙালী অধ্যুষিত ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জেনেট ডেভিসের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির সিটি কাউন্সিল এই উদ্যোগ নিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে কাউন্সিলর জেনেট ডেভিস জানান, বর্তমানে ১০টি এথনিক ভাষা সিটি কাউন্সিলের দাপ্তারিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃত। তবে তার মধ্যে বাংলা নেই। সেই কারণেই তিনি বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণের জন্য সিটি কাউন্সিলের সভায় প্রস্তাব এনেছিলেন। কাউন্সিল সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। এখন জনমত জরীপে এর পক্ষে মতামত পাওয়া গেলেই এটি গৃহীত হবে।

alt  

জেনেট ডেভিস বলেন, সিটির ওয়েব সাইটে এই সমীক্ষার মতামত নেওয়া হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সিটির ওয়েবসাইটে গিয়ে বাংলাকে সিটির দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণের পক্ষে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান।

জানা গেছে, সিটি কাউন্সিলের নথিপত্র, বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি, নির্দেশনা বর্তমানে ১০টি এথনিক ভাষায় অনুদিত হয়ে প্রচার হয়। জেনেট ডেভিসের প্রস্তাবটি গৃহীত হলে বাংলা ভাষায়ও সিটির সকল ধরনের নথিপত্র প্রচারিত হবে।


জাপানে প্রবাসী বাঙালি নারীদের নতুন সংগঠন

শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

জেসমিন সুলতানা, বাপ্ নিউজ : টোকিও (জাপান) থেকে : জাপানে প্রবাসী বাঙালি নারীদের নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে উইমেন্স ক্লাব অব জাপান (Women's club of Japan) নামে একটি সংগঠন। অনেক দিনের পরিকল্পনা শেষে রুমানা রউফ সোমা ও সুবর্ণা মিত্রার উদ্যোগে এই সংগঠন গঠন করা হয়। তাদের বিভিন্নভাবে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বহ্নি আহমেদ, জেসমিন সুলতানা কাকলি ও লাকি।গত ১২ ফেব্রুয়ারি রোববার টোকিওর আকাবানে কিতা সিটি হলে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কেক কেটে ক্লাবটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। তিন ভাগে বিভক্ত এই অনুষ্ঠান দুপুর থেকে শুরু করা হয়। প্রথম পর্বে ছিল মধ্যাহ্নভোজ। খাসির বিরিয়ানি, তন্দুরি চিকেন ও ডিম দিয়ে উপস্থিত সবাইকে আপ্যায়িত করা হয়।

Picture


এরপর ছিল দ্বিতীয় পর্ব। এ পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা ও দূতাবাসের ইকোনমিক মিনিস্টার সাহিদা আখতার। বেলা ৩টায় তারা অনুষ্ঠানে এসে পৌঁছালে ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন সংগঠনের সদস্যরা। ইতিমধ্যে আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিরাও অনুষ্ঠানে এসে পৌঁছান।ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও একুশের গান দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের সূচনা করা হয়। উপস্থিত সবাই সুরে সুর মিলিয়ে গেয়ে ওঠেন—‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানটি। এ পর্বে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মানীয় স্থানে কর্মরত তিনজন নারীকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। তারা হলেন রাবাব ফাতিমা, মুনশি রোকেয়া সুলতানা ও ড. তানিয়া হোসাইন।রাবাব ফাতিমাকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন রুমানা রউফ সোমা ও সুবর্ণা মিত্রা। ক্রেস্ট হাতে পেয়ে রাবাব ফাতিমা এতটাই আনন্দিত হন যে, তিনি বলেই বসেন, মনে হচ্ছে অস্কার পেয়ে গেলাম। রাবাব ফাতিমা প্রবাসী নারীদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করে বক্তব্য দেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি দৃশ্য
মুনশি রোকেয়া সুলতানা দীর্ঘদিন জাপানে বসবাসরত ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে ব্যস্ততার সঙ্গে সময় পার করছেন। এত দিনের প্রবাসজীবনে এই প্রথম সম্মাননামূলক ক্রেস্ট পেয়ে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন। ড. তানিয়া হোসাইন ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। সম্মাননা পেয়ে তিনি বলেন, এমন একটি সম্মাননা গ্রহণ করে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে, তাও আবার শুধুমাত্র মেয়েদের কোনো ক্লাবের মাধ্যমে।এই তিনজন ছাড়াও জাপানে দীর্ঘদিন বসবাসরত ও উচ্চপর্যায়ে কর্মরত রয়েছেন এমন কিছু নারীদেরও ক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা বক্তব্য রাখেন। তারা এমন একটি আয়োজনের প্রশংসা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আয়োজকদের।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি দৃশ্য

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে একজন জাপানি বাঙালি বধূ কাজুমি চাকলাদারকেও ফুল দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। বাঙালিদের সামাজিক যেকোনো অনুষ্ঠানে সবার সঙ্গে তার সৌহার্দ্য সুলভ আচরণ সত্যি অতুলনীয়। তিনি হাতে হাত লাগিয়ে খাবার বিতরণ থেকে শুরু করে পরিচ্ছন্নতার কাজে পর্যন্ত সহযোগিতা করে থাকেন। বাঙালি কোনো সংগঠন থেকে এমন পুরস্কারের আয়োজন দেখে তিনি বিস্মিত হন এবং খুব খুশি হয়েছেন সেটিও জানান। তার এই সম্মাননা পুরস্কার অন্যান্য জাপানি বাঙালি বধূদের উৎসাহিত করবে বলে তিনি বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি দৃশ্য
তৃতীয় পর্বে ছিল পিঠা প্রতিযোগিতা। দূর দুরান্ত থেকে আগত বাঙালি নারীরা বাহারি পিঠা বানিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা পিঠার এই সমাহার দেখে অবাক হয়ে যান। তিনি নিজেও ভোটে অংশ নেন। সবার ভোট গণনায় প্রথম স্থান অধিকার করেন দুধ খেজুর পিঠার রাঁধুনি জেসমিন সুলতানা কাকলি, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ভাপা পুলি পিঠার রাঁধুনি রিনা নিশিকাওয়া ও তৃতীয় স্থান অধিকারী পার্সিয়া বানিয়েছিলেন লবঙ্গ লতিকা পিঠা। তারা তিনজনই রাবাব ফাতিমার হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।পুরস্কারপ্রাপ্ত তিনজন তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, এত বছরের প্রবাসজীবনে তারা বিভিন্ন জায়গায় খাবার রান্না করে নিয়ে গেছেন। কিন্তু রান্নার ওপর পুরস্কার তাদের প্রত্যেকের জীবনে এই প্রথম। তারা প্রতি বছর এমন একটি প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করার জন্য সংগঠনের উদ্যোক্তাদের প্রতি অনুরোধ রাখেন।এ পর্বে র‍্যাফেল ড্রর আয়োজন ছিল। লটারির মাধ্যমে রাবাব ফাতিমা প্রথম বিজয়ীর নাম ও নম্বরটি ঘোষণা করেন। বিজয়ী হন আঁখি। তিনি রাবাব ফাতিমার হাত থেকে পুরস্কার পেয়ে খুশিতে যেন কথাই বলতে পারছিলেন না। এমন একটি আয়োজনে না আসতে পারলে তার আফসোস থেকে যেত এমনটিও বলেন।

রাবাব ফাতিমাকে ক্রেস্ট প্রদানের দৃশ্য
সব শেষে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নৃত্য পরিবেশন করে স্বরলিপি কালচারাল গ্রুপের সদস্য কলি। সাংস্কৃতিক পর্বে মূল আকর্ষণ ছিল ফ্যাশন শো। বাংলাদেশ ও জাপানের পোশাকের ওপর ফ্যাশন শোটি করা হয়। এতে অংশ নেয় তানিয়া, সুপর্ণা, নওরিন অদিতি, সুমি চৌধুরী, হৃদিতা, উষা হাবিব, রুহি জামান ও মিম। বাজনার তালে তালে ফ্যাশন শোর পরিবেশনায় অনুষ্ঠানে এক ব্যতিক্রম আমেজের পরিবেশ তৈরি হয়। সবাই খুবই আনন্দের সঙ্গে ফ্যাশন শো উপভোগ করেন।
পুরো অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা ও পরিচালনায় ছিলেন এনএইচকের নিউজ রিডার তনুশ্রী গোলদার। তার সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন সোমা।সংগঠনের সদস্যদের একাংশঅনুষ্ঠান শেষ পর্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করেন রাবাব ফাতিমাসহ আমন্ত্রিত সকল অতিথিরা। রাবাব ফাতিমা এমন একটি উদ্যোগ দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং সকল রকমের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। জাপানে বাঙালি নারীদের এমন একটি সংগঠন আরও আগে থেকেই থাকা উচিত ছিল এমনটি বলেন।

জেসমিন সুলতানা কাকলি, সিনাগাওয়া, টোকিও, জাপান।


জার্মান এর মিউনিখ বিমানবন্দরে এম এ গনিকে ফুলেল অভ্যর্থনা

শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারী জার্মান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর এক গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। গণ সংবর্ধনায় যোগদানের উদ্দেশে ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ আসতে শুরু করেছেন। বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন জার্মান আওয়ামী লীগ এর সভাপতি এ কে এম বশিরুল আলম চৌধুরী সাবু , সাধারণ সম্পাদক শেখ বাদল আহমেদ ,উপদেষ্টা জাহিদ ঠাকুর ,যুবরাজ তালুকদার , মোহাম্মদ রেজাউল করিম , আনিস তালুকদার ,মাহমুদ রাসেল ,হাবিবুর রহমান , দেওয়ান রিপন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া , জাহাঙ্গীর আলম , স্পেন আওয়ামী লীগ নেতা রিজভী আলম , জাকির হোসেন , দুলাল সাফা ,জার্মান ছাত্রলীগ সভাপতি দেওয়ান আরেফিন টিপু, আশফাক হোসেন নিশাত বাপ্পী , ফয়সাল পাপ্পু সহ আরো অনেকে।


পর্তুগালে অবৈধদের বৈধতা দিতে রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী ব্যক্তিদের অনুরোধ

শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

বাপ্ নিউজ : পর্তুগাল : পর্তুগালের বর্তমান সরকারী দল পর্তুগাল সোস্যালিস্ট পাটির লিসবন শহরের সভাপতি সহ ৬৫ জন বিশেষ ব্যক্তিত্ব অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার পক্ষে মতামত দিয়েছেন।বর্তমানে প্রচলিত অভিবাসী অাইন ২৩/২০০৭ অনুযায়ী যারা নিয়ম মেনে টেক্স প্রদান করে অাসছেন, তাদেরকে বৈধ অভিবাসীর স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানিয়েন তারা। দেশের বর্তমান জনসংখ্যার ৪% অভিবাসী। পর্তুগালের ইমিগ্রেশন সার্ভিস (সেপ) এর দেয়া তথ্যমতে, পর্তুগালে অবৈধ হয়ে পড়া মোট অভিবাসীর সংখ্যা ৩০ হাজার।

alt

পর্তুগাল উন্নায়নের ক্ষেএে বিশিষ্টজনরা দাবি করেন, বছরের পর বছর অভিবাসীরা ব্যাবসাসহ বিভিন্ন রকমের পেশায় নিয়োজিত থেকে এবং নিয়ম মেনে পর্তুগাল সরকারকে বৈধ ভাবে টেক্স-পে করে আসছে যার ফলে বিশ্ব মন্দা অর্থনীতির মাঝেও পর্তুগালের অর্থনীতিকে করছে সমৃদ্ধ। অভিবাসীরা সবসময়ই পর্তুগালের অর্থনীতির এবং কৃষি ক্ষেএের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু।

alt

পর্তুগালের জনপ্রিয় সংবাদ দ্য জার্নাল ইকোনোমিকোর মাধ্যমে, পর্তুগালে অবৈধদের বৈধতা দিতে সরকারকে লুয়েটি বেইরাও, রিকার্ডো পাইস মাসেদো, ফ্রান্সিসকো লুইসা, সিনর কাপাকুয়া, আনা জেনেট্টি, সেক্রেটারি অব স্টেট অানা বেনানেন্তে বুদ্ধিজীবী সহ পর্তুগালের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, লেখক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও নানা পেশার বিশিষ্টজন দৃষ্টি আকর্ষণ করান।

alt
অভিবাসীদের অধিকার অাদায়ে সংগ্রাম করে যাওয়া পর্তুগিজ সলিদারিটি ইমিগ্রান্ট সভাপতি তিমোতেও মাসেদো পর্তুগালের ইমিগ্রেশন সার্ভিস (সেপ) ও অভিবাসী সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রতি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, অভিবাসীদের মানবিক দাবি না মেনে অাপনারা এদেশের মানুষদের জন্য ভালো ফলাফল বয়ে অানবেন না। দেশের অর্থনীতি এবং কৃষি ক্ষেএে আর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা বিবেচনা করে অতিশয় অভিবাসীদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া সহজ করুন।


আ’লীগ নেতার মৃত্যুতে বাহরাইনে শোক সভা

বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- ছাগলনাইয়াউপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল।তিনি বলেন, তার মৃত্যুতে ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ একজন নিবেদিত প্রাণ সংগঠককে হারালো। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান ।অনুষ্ঠানে মরহুমের পরিবারের সদস্য এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।