Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

ব্রিটিশ রানির সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি দুই নারী

বৃহস্পতিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০১৮

জুয়েল রাজ, বাপ্ নিউজ : লন্ডন থেকে : ব্রিটেনের রানির বিশেষ সন্মাননা মেম্বারস অব দ্য ওর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (এমবিই) এবং অফিসার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (ওবিই) পেলেন দুই ব্রিটিশ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী। তারা ড. আনওয়ারা আলী ও ড. পপি সুলতানা জামান।

রাজনীতি, সঙ্গীত, সাহিত্য, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ও কমিউনিটিতে বিশেষ অবদানের জন্যে ১১ শ ২৩ ব্যক্তিকে বিভিন্ন খেতাবে ভুষিত করেছেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। শুক্রবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। মোট ১১শ ২৩ জনের তালিকায় বেশ কয়েকজন এশিয়ান, মুসলিম এবং বাঙালিও রয়েছেন।

এমবিই খেতাব পেয়েছেন টাওয়ার হ্যামলেটসের সাবেক কাউন্সিলর ডক্টর আনওয়ারা আলী। স্পিটালফিল্ড প্র্যাক্টিসের জিপি ড. আনওয়ারা স্থানীয় কমিউনিটিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের স্বীকৃতি হিসেবে এমবিই খেতাব পান।

সাবেক কাউন্সিলর আনওয়ারা আলী স্পিটালফিল্ডস ও বাংলা টাউনে চিকিৎসক হিসেবে সেবা দেন। কাউন্সিলর থাকার সময়ে তিনি টাওয়ার হ্যামলেটে ‘হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং' এর কেবিনেট মেম্বার ছিলেন।

একজন চিকিৎসক হিসেবে ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) ক্যান্সার চিহ্নিতকরণ ব্রেস্ট স্ক্রিনিং কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাঙালি নারীদের উদ্বুদ্ধ করতে বিশেষ ভূমিকা রাখেন আনওয়ারা। ১৯৭০ সালে জন্ম নেওয়া আনওয়ারা আলী শৈশবেই বাবা জোবেদ আলী ও মা সলিমা খাতুনের সাথে যুক্তরাজ্যে আসেন।তিনি সেন্ট বার্থামলুজ ও রয়েল লন্ডন মেডিক্যাল স্কুল থেকে ১৯৯৭ সালে এমবিবিএস পাশ করেন।

Picture

ড. আনওয়ারা আলী (বামে) এবং ড. পপি সুলতানা জামান (ডানে)

২০০৬ সালে লেবার পার্টি থেকে টাওয়ার হ্যামলেটের বো ওয়েস্ট ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন আনওয়ারা। ২০১০ সালে এনএইচএস ইস্যু নিয়ে পার্টির সাথে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় আনওয়ারা আলী দল ত্যাগ করে কনজারভেটিভ পার্টিতে যোগ দেন।

অন্যদিকে, মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ওবিই খেতাব পান ইস্ট সাসেক্সের ড. পপি সুলতানা জামান।  

পপি সুলতানা জামান মেন্টাল হেলথ ফাস্ট এইড ইংল্যান্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ। লন্ডনভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান দেশব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। গত আট বছর ধরে এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন পপি জামান।

পপি সুলতানা জামান ১৯৭৭ সালে পোর্টসমাউথে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পোর্টসমাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে এমবিএ করেন। ১৯৯৯ সালে তিনি পোর্টসমাউথে ডিপার্টমেন্ট অব হেলথে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিসেবে যোগ দেন।

২০০৩-০৪ সাল পর্যন্ত পপি পোর্টসমাউথ প্রাইমারি কেয়ার ট্রাস্টে কর্মরত ছিলেন। ২০০৭ সালে তাকে ইংল্যান্ডব্যাপী মেন্টাল হেলথ ট্রেনিং উন্নয়নের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়। মেন্টাল হেলথ ফার্স্ট এইড ট্রেনিংয়ের জনপ্রিয়তার কারণে অলাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটিকে সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন পপি জামান। পপি সুলতানা জামানের বাংলাদেশের বাড়ি মৌলভীবাজারের উত্তর মোলাইম গ্রামে।


আমিরাতে নতুন বছরে সিলেটবাসীর আনন্দ ভ্রমণ

বৃহস্পতিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০১৮

Picture

এই আনন্দ ভ্রমণ শুরু হয় আজমান থেকে। এতে সপরিবারে অনেক সিলেটবাসী অংশগ্রহণ করেন। তাদের ভ্রমণের শেষ গন্তব্য ছিল দুবাইয়ের দর্শনীয় স্থান হাত্তা পর্যন্ত।

আনন্দ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারীদের একাংশআনন্দ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারীদের একাংশবছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি আজমান থেকে যাত্রা শুরু হওয়ার পর পথে চলন্ত গাড়িতে লোকগান পরিবেশনা ভিন্নমাত্রা এনে দেয়। এরপর নির্দিষ্ট গন্তব্য হাত্তায় চলে নানা ধরনের দেশীয় খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এ আয়োজনের উদ্যোক্তা ছিলেন সিআইপি আশিক মিয়া, মো. আহমদ আলী, মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল লতিফ, আবুল কালাম আজাদ, সালেহ আহমদ, আবদুল হামিদ ও মুহিবুর রহমান মুহিব প্রমুখ।
আনন্দ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারীদের একাংশআনন্দ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারীদের একাংশউল্লেখ, প্রতিবছরের মতো এবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতে নানা জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইংরেজি নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। এবার বিশ্বের সর্বোচ্চ দালান দুবাইয়ের বুর্জ আল খলিফায় ছিল লেজার লাইটিং। বিশ্বের নানা দেশের পর্যটকদের দুবাইতে এসে ইংরেজি নতুন বছর উদ্‌যাপন করতে দেখা গেছে। দেশটির রাস আল খাইমায় আয়োজন করা হয় বিশাল আতশবাজি। বুর্জ আল খলিফা ও রাস আল খাইমার দুই আয়োজন গিনেস বুকে রেকর্ড করতে নেওয়া হয়েছিল ব্যাপক প্রস্তুতি। এসব আয়োজনে আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
দুবাইয়ে আতশবাজিদুবাইয়ে আতশবাজিএ ছাড়া গ্লোবাল ভিলেজে বাংলাদেশি প্যাভিলিয়নে ছিল বাংলাদেশের পতাকা ডিসপ্লে এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে দুবাই সরকার শ্রমিকদের জন্য দুদিন ছুটি ঘোষণা করে। তাদের বিনোদনের জন্য দুবাইয়ের শ্রমিক বসতিপূর্ণ দুই এলাকা আল কুজ ও মুহাইসানাতে বসানো হয়েছিল একাধিক প্রজেক্টর। দুবাইয়ে আতশবাজিদুবাইয়ে আতশবাজিশ্রমিকদের বাড়তি বিনোদন দিতে সন্ধ্যা থেকে রাত বারোটা এক মিনিট পর্যন্ত চালু ছিল এসব প্রজেক্টর। আতশবাজির আগে সন্ধ্যা থেকে রাতভর দেখানো হয় হিন্দি চলচ্চিত্র এবং আরব আমিরাতের নানা দর্শনীয় স্থানের প্রামাণ্যচিত্র। রাতে কয়েক হাজার শ্রমিকের খাবারের ব্যবস্থাও করে দুবাই সরকার।এদিকে দিনটিকে উদ্‌যাপন করতে বাংলাদেশিরা পিকনিক এবং নানা সম্মিলনের আয়োজন করে। বাংলাদেশি নানা সামাজিকও সাংস্কৃতিক সংগঠনও দিনটি ঘিরে অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে।


সুইডেন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

বৃহস্পতিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০১৮

বাপ্ নিউজ : সুইডেন থেকে : গত ২৪শে ডিসেম্বর ২০১৭,রোঁজ রবিবার, স্টকহোমের একটি মিলনায়তনে সুইডেন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে “বিজয়ের ৪৬ বছর- বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা” শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ই আগস্টে শাহাদাৎ বরণকারী সকল শহীদ, মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ শহীদ এবং বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন ও সমবেত জাতীয় সংগীতের মধ্যে দিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি জনাব খালেদ চৌধুরী। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শেখ ইউসুফ আলী রতন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ মান্নান। সভায় আলোচনা করেন সাধারণ সম্পাদক ডঃ ফরহাদ আলী খান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ দলিল উদ্দিন দুলু, মোস্তফা ওয়ালিদ জুয়েল, কামরুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদকবৃন্দ রফিকুল ইসলাম নয়ন, আব্দুর রাজ্জাক, কাউসার আলী, অভিবাসন বিষয়ক সম্পাদক শ্যামল দত্ত, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মোর্শেদ চৌধুরী বাপ্পি।

Picture

এছাড়া বক্তব্য রাখেন সুইডেন ছাত্রলীগের সভাপতি পলাশ পাল, সহ-সভাপতিবৃন্দ সুমন হাসান, ফরহাদ রেজা ও জমিরউদ্দিন এবং রায়হান কিবরিয়া, নাভান আব্দুল্লাহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন শামীম আহমেদ, কার্যকরী পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর আহমেদ ও নূর সালাম, শামসুদ্দিন আহমেদ পিন্টু, সুমন পুরকায়স্থ, মান্না দেব, নাসির আহমেদ , পিঙ্কু দেব, ডঃ এম এ সালাম, সোহেল আহমেদ, সজল রায়, তানভীর বখতি নাদিম, সাইমন চৌধুরী, পরিমল দেব, মাসুদ আলম, অমিতাভ চন্দ্র নাথ, আরিফুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেনসহ সুইডেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ এর নেতৃবৃন্দ।

সভায় আলোচলকবৃন্দ বিশ্ব মানবতার নেত্রী গণতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ধাবমান উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার প্রশংসা করেন। আগামী নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রধান শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কে জয়যুক্ত করার লক্ষে যার যার অবস্থান থেকে প্রবাসে ও দেশে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার উপর জোরারোপ করা হয়। একাত্তরের পরাজিত শক্তি নানা পরিচয়ে আজ ও সক্রিয়। এদের বিরুদ্ধে দেশে ও প্রবাসে জোর প্রতিরোধ গড়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা কে বেগমান রাখতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারীদের ঐক্য আরো জোরদার করতে হবে। নতুন প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করা লক্ষে, দেশে বিদেশে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার ও ষড়যন্ত্র রোধকল্পে সুইডেন সহ প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারীদের মাঝে ঐক্যের সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যাক্ত করা হয়। সুইডেন এ প্রবাসীদের করণীয় বিষয়ে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় অংশীদারমূলক অবদান রাখার লক্ষে কর্মপন্থা ও কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হবে এবং বিভিন্ন সেমিনার ও ওয়ার্কশপ আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। আলোচনা সভায় আলোচকবৃন্দ সুইডেন সহ প্রবাসে জামাতবিএনপি কর্তৃক দেশদ্রোহী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। সভাশেষে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। বিশেষভাবে উল্লেখ যে সুইডেন আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম জাহাঙ্গীর কবির ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় অবস্থান করায় তিনি টেলিফোনে যুক্ত হয়ে উপস্থিত সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সভায় বক্তব্য রাখেন।


মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের বিজয় দিবস উদযাপন

বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

alt

আমার তখন মনে পড়ে যায় আমাদের শৈশবে আমরা বিজয় দিবসের প্রাককালে ছোটো ছোটো পতাকা দিয়ে পুরো বাড়ি সাজাতাম, বাড়ির ছাদ সাজাতাম। ছাদে সবচেয়ে উঁচু স্থানে একটা বাঁশে বড়ো একটা পতাকা টানাতাম তার চারপাশে দড়ির সাথে ছোটো ছোটো পতাকা লাগিয়ে নিচ পর্যন্ত চারদিকে ছড়িয়ে দিতাম। দেখে মনে হতো ঠিক যেন স্মৃতিসৌধ। এক একটি বাড়ির ছাদ যেন এক একটি স্মৃতিসৌধ হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াত, বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের জন্মের ইতিহাসের কথা বলত। ভাল লাগায় মন ভরে যায় যে, দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে থেকেও আমাদের বাচ্চাদের মাঝে দেশের প্রতি আমাদের অনুভূতিগুলো ছড়িয়ে দিতে পারছি।

alt

দ্বিতীয় দিনের বিজয় র্যােলির পর প্রীতি ফুটবল ম্যাচের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের এই বিজয় দিবস উদযাপনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের পাশাপাশি আমাদের সন্তানদের মাঝে দেশেপ্রেমের বীজ বুনে দেয়া এবং দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানানো। সেই লক্ষ্যে তৃতীয় দিন অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর আয়োজন করা হয় ছোটোদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। এতে অংশ নেয়া একবছর থেকে তেরো বছরের বাচ্চারা বাংলাদেশের প্রকৃতি, মুক্তিযুদ্ধ, স্মৃতিসৌধ এবং পতাকার ছবি আঁকে এবং এরপর মনোজ্ঞ সাংস্কতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।

Picture

পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয় ছোটোদের জন্য মুক্তিযুদ্ধের আলোচনা, দেশের গান, নাচ আর কবিতা দিয়ে। অনুষ্ঠানে বড়োদের পাশাপাশি আমাদের ছোট্ট সোনামণিরা নাচে গানে পুরো সময়টি রাঙ্গিয়ে তোলে। সবশেষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের বিজয়ীদল ও ছোটদের চিত্র অঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। প্রবাস জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তিনদিন ব্যাপী বিজয় দিবস উদযাপন করে যেন দেশের প্রতি তাদের শ্রদ্ধাকেই প্রদর্শন করলেন আরও একবার। যত দূরে, যেকোনো পরিবেশে থাকি না কেন আমাদের অস্তিত্বে, অন্তরে বাংলাদেশ। এ যেন দেশ থেকে দূরে যেয়ে দেশকে আরও বেশি করে বুকে ধারণ করা, লালন করা।


৩০শে ডিসেম্বর ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের ” বিজয়ের এই ক্ষনে- আমাদের অর্জন ” শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভা

বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কোপেনহেগেন : ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াদ শিকদার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে , মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ আগামী ৩০শে ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার, সন্ধ্যা ৬>০০ টায়, Nørrebro Hallen , Hall-1, 2200 Copenhagen N. ” বিজয়ের এই ক্ষনে- আমাদের অর্জন ” শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ।

Picture

আলোচনায় অংশ নিবেন , ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব জামান আলীম, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি, শাহবুদ্দিন ভুইয়া, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা,বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা তাইফুর রহমান ভুঁইয়া, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মাসুদ চৌধুরী, সাবেক ঢাক্সু ও ছাত্রলীগ নেতা,ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সৈয়দ মোঃ সোয়েব, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোঃ শফিকুল ইসলামসহ প্রমুখ রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ । গুরত্বপুর্ন এই আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকার জন্য,ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ লিঙ্কন মোল্লা ও সাধারন সম্পাদক সাব্বির আহম্মেদ সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে, । বিজয় দিবস উপলক্ষে বড় পর্দায় আলোকচিত্র প্রদর্শিত হবে এবং সভাশেষে রিফ্রেসমেন্টের ব্যাবস্থা করা হয়েছে ।



চাকরি মেলে না দেশে, কোরিয়ায় গিয়ে প্রফেসর

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

গবেষক ড. মোহাম্মদ আফছার উদ্দীন। আফছার উদ্দীনের জম্ম ১৯৮৬ সনে নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপ উপজেলায়। ছোটবেলা থেকে শিক্ষাব্রতী আফছার উদ্দিন কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পন্নের পর ভর্তি হন দেশের অন্যতম সেরা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে। সেখান থেকে সাফল্যের সঙ্গে স্নাতক শেষ করে স্নাতকোত্তর চলাকালীন উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তি নিয়ে পাড়ি জমান দক্ষিণ কোরিয়া বুসান ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

স্নাতকোত্তর-পিএইচডির (সমন্বিত) এই দীর্ঘ যাত্রায় শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে গবেষণায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে ২০১৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরবর্তীতে পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কিছুদিন চীনের সাউথ ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে গবেষণা করেন।

বর্তমানে তিনি বিশ্বখ্যাত কোরিয়া ইউনিভার্সিটির রিসার্চ প্রফেসর পদে কাজ করছেন। গবেষণার ক্ষেত্র হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ যা সহজ করছে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর জীবনের মান উন্নয়নে।

Picture

কর্মজীবনে রসায়নে ২০০০ সালে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর অ্যালান জে হিগার এবং পিস্ট্রলি মেডালিস্ট খেতাবপ্রাপ্ত অধ্যাপক টবিন জে মার্কের মতো বিশ্বখ্যাত রসায়ন বিজ্ঞানীদের সঙ্গে রয়েছে তার যৌথ গবেষণাপত্র।

আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি, রয়েল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রিসহ রসায়নের বিখ্যাত সব বিজ্ঞান সাময়িকীতে এ পর্যন্ত তার ৩৯টি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরের হিসেবে ৩০০ অতিক্রম করা ড. আফছার উদ্দিনের গবেষণা কর্ম অন্য গবেষকরা সাইটেশন করেছেন ১০০০ বারের বেশি, যেটি সংক্ষিপ্ত গবেষণাকালের হিসেবে নি:সন্দেহে অনন্য অর্জন।

২০১৭ সালে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন কোরিয়ায় তিনি সেরা গবেষকে সম্মানিত হয়েছেন। তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন কোরিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব জাহিদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয় সচিব রহুল আমিন এবং বিসিকের নেতারা।

বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ প্রফেসর হিসেবে কাজ করার সুযোগ হলেও নিজ দেশ বাংলাদেশে আফছার উদ্দীন পাননি কদর। বুয়েট এবং গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার জন্য অনেক চেষ্টা করেও এ তরুণ গবেষক সুযোগ পাননি।


বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি অমর কবিতা

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

১৭ ডিসেম্বর রোববার বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ এই আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কর্মসূচির মধ্যে ছিল আনন্দ শোভাযাত্রা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন।র‍্যালিবিকেলে আনন্দ শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় পতাকা ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিশোভিত শোভাযাত্রাটি বৈরুত শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রায় এক কিলোমিটারের বেশি পথ অতিক্রম করে। অনেক প্রবাসী এই আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন। লেবাননের কিছু নাগরিককেও এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে ও ছবি তুলতে দেখা যায়। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় কয়েক শ প্রবাসী বাংলাদেশি এতে যোগ দেন।ঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণশোভাযাত্রা শেষে বঙ্গবন্ধুর ১৮ মিনিটের ভাষণটি দূতাবাসের হলরুমের বড় পর্দায় প্রদর্শন করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকার, লেবাননে ইউনেসকোর পরিচালক সুলেমান খৌরি, দূতাবাসের সব কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগের লেবানন শাখার নেতারাসহ উপস্থিত প্রবাসীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে এ উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দূতালয়ের প্রধান সায়েম আহমেদ। প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল হোসেন। বাণী পাঠ শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সুলেমান খৌরি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশাল মাপের একজন নেতা। ইতিহাসে যে কজন নেতার ভাষণ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে, তার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ একটি।বক্তব্য দিচ্ছেন আব্দুল মোতালেব সরকারআবদুল মোতালেব সরকার তাঁর বক্তব্যে বলেন, গত ৩০ অক্টোবর ইউনেসকো বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে’ অন্তর্ভুক্ত করে। সাধারণত ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাগুলোকে এই তালিকায় স্থান দেওয়া হয়। ইউনেসকো মনে করে, এসব ঘটনা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ায় সাহায্য করবে। ২০১৭-১৮ সালের জন্য ৭৮টিসহ সর্বমোট ৪২৭টি ডকুমেন্ট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউনেসকো। এই প্রকল্প ১৯৯২ সালে শুরু হয়। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় একজন বাংলাদেশি হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। এটি ইউনেসকো কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়া প্রথম কোনো বাংলাদেশি দলিল। এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেল। ইউনেসকো কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদানের ফলে ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে এখন বিভিন্ন দেশে গবেষণা ও আলোচনা হবে। সারা বিশ্ব এখন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সম্পর্কে জানতে পারবে। ইউনেসকোর স্বীকৃতি সারা বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানআলোচনায় কয়েকজন কমিউনিটি সদস্যও বক্তব্য দেন। সবশেষে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই পর্বে রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকার কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা ‘স্বাধীনতা এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন। তাঁর আবৃত্তি মুগ্ধ করে উপস্থিত দর্শকদের। বাংলাদেশের জনপ্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণের এই কবিতার মধ্যেই পুরো চিত্র আছে, আসলে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের দিন কী হয়েছিল রেসকোর্স ময়দানে।

প্রবাসী শাহজাহান পরিবেশন করেন ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই’। প্রবাসী শাহরিয়ারের ‘যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তিসেনা’ গানটি সবাইকে মুগ্ধ করে। প্রবাসী মহসীনসহ সব শিল্পী ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানের কোরাস পরিবেশন করেন। কবিতা পাঠ করেন প্রবাসী রুবেল আহমেদ। প্রবাসী নারী আসমা আক্তার দুটি গান পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন দূতালয়ের প্রধান সায়েম আহমেদ। পরিশেষে সবাইকে রাতের খাবারে আপ্যায়ন করা হয়।


বেলজিয়ামে পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

এস এন জামান, বাপ্ নিউজ : বেলজিয়াম: বর্ণাঢ্য আয়োজনে বেলজিয়ামের এনটরপেনে পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শীতের আগমনীতে বাংলার আবহমানকালের চিরায়ত কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে বেলজিয়াম বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ ক্লাব এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সম্প্রতি স্থানীয় একটি অডিটোরিয়ামে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বর্ণিল আয়োজনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানটি পরিণত হয়েছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায়।

Picture

এনটরপেনেও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এতে অংশগ্রহণ করেন। হরেক রকমের মজাদার পিঠার আসর বসে ছিল উৎসবকে ঘিরে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এম এম মোরশেদ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বেলজিয়াম বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ ক্লাবের সভাপতি রত্না খানম তমা, প্রধান অতিথি বেলজিয়াম পার্লামেন্ট এর সদস্য ও অভিবাসন বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি নাহিমা লানজিরি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

alt

উৎসবে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণ ও তাদের নাচ-গান অনুষ্ঠানকে করে তুলেছিল আনন্দময়। নেদারল্যান্ড থেকে আগত শিল্পী বাপ্পি ও বেলজিয়ামের এম এম মোরশেদ, রোজিনা মম, জাহিদ ইসলাম ও আয়েশা ইকবালের একের পর এক গান অনুষ্ঠানকে আকর্ষণীয় করে তোলে।

alt

অনুষ্ঠানের আয়োজক বেলজিয়াম বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ ক্লাবের সভাপতি রত্না খানম তমা, তাহাসিন হোসাইন, ওমর ফারুখ, মাহবুব এলাহি, রাহাত আহমেদ, রেজা গোলাম সোয়েব, ফারিদ সরকার, ইভান শিকদার জানান, সুদূর প্রবাসে থেকেও তারা বাংলা সংস্কৃতির প্রতি প্রবল ভালোবাসা থেকেই এই উৎসবের আয়োজন করেছেন। প্রবাসে বসবাসকারী নবীন-প্রবীণ সকলের কাছে সুন্দর বাংলা সংস্কৃতিকে বেশি বেশি করে তুলে ধরতে তারা বদ্ধপরিকর বলে জানান।


শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের বিজয় দিবস পালিত

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

লুৎফুর রহমান: বাপ্ নিউজ : সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ছিলেন বলে বাংলাদেশ স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে। পৃথিবীর মানচিত্রে অংকিত হয়েছে একটি লাল সবুজের বাংলাদেশ। পৃথিবী যতোদিন থাকবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম কৃতজ্ঞভরে স্মরণ করবে স্বাধীনতা ভোগকারি সকল মানুষ। শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদ আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় এসব বলেছেন বক্তারা।বৃহস্পতিবার শারজাহের একটি হোটেলে একটি সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ মাকসুদ। সাধারণ সম্পাদক খুরশেদ মুবারকের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ডাঃ সৈয়দ নূর মোহাম্মদ।

Picture

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাত আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু রাখাল কুমার গোপ, শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপদেষ্টা আলহাজ্ব আবু তাহের, হাফিজ আব্দুল হক, দুবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী মোহাম্মদ আলী, শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ ইউসুফ, আমিরাত সেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল জকির, দুবাই আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সহ সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারন সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, শারজাহ আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন কাউসার, জনতা ব্যাংক শারজাহ শাখার ম্যানেজার মাহবুব আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শারজাহ বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল আলম জিলানী।

alt

আরো উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মাওলানা আব্দুস শুক্কুর, কার্তিক মজুমদার, নাছির উদ্দিন খোকন, আবুল মনছুর, এরশাদ আলম, নজরুল হক, নুরুল আবছার, মিন্টু দে, গোলাম রসুল, মোহাম্মদ ওসমান, ওহিদুল আলম, হাবীব, মনসুর, রহমত, আরমান, নাজমুল, কাশেম, আমিন, মোরশেদ, মামুন, নন্দন, মানিক, সুরেশ বাবু, জয়নাল আহমদ প্রমুখ।বক্তারা আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ একটি গর্বের অধ্যায়। পৃথিবীর সব জাতির একজন জাতির পিতা আছে। এ নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। কিন্তু বাংলাদেশের কিছু অন্ধ মানুষ বড় অকৃতজ্ঞ। তারা স্বাধীন হয়েও স্বাধীনতার নায়ককে মানতে নারাজ। এ জন্য নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতহাস জানাতে আহবান করেন তারা।পরে জাতির জনক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া কামনা করা হয়।


বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়লের বর্ণাঢ্য বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

এসোসিয়েশনের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য অনুযায়ী পরিচ্ছন্ন প্রাণবন্ত ও জমজমাট এ অনুষ্ঠানটির শুরুতেই শতকন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা কবিতা আবৃত্তি নৃত্যালেখ্য ৭১’এর গান অতিথি শিল্পীদের পরিবেশনায় দেশের গানসহ সঙ্গীত বিচিত্রা এবং নৈশভোজ দিয়ে সাজানো ছিল  চমৎকার অনুষ্ঠানটি। 

১৬ ডিসেম্বর শনিবার মন্ট্রিয়লের পার্কভিউ রিসেপশন হলে বৈরী হাবহাওয়ার মাঝেও বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতি ছিলো দেখার মতো। অধিকাংশ প্রবাসীরাই লাল-সবুজের পোশাক পড়ে  এসেছিলেন।   শতকন্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হবার পর পরই মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে  এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল দিয়ে বিশেষ ভাবে সম্মান জানান সংগঠনের কর্মকর্তারা। খ্যাতিনামা কন্ঠ শিল্পী  মাহবুব ভুইয়ার বিশেষ পরিবেশনায় ছিল ৭১’র গান। স্মৃতি ডি কস্তার পরিবেশনায় ছিল বিশেষ নৃত্যালেখ্য। 

সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাকিল আহমদের পরিচালনায় নাজনীন নীশার উপস্থাপনায় সঙ্গীত পরিবেশন করে সাফিনা করিম,  কামরুজ্জামান, তিতলি বড়ূয়া, শাহ মো ফায়েক ও ঐথিক খান প্রমুখ। কবিতা আবৃত্তি করেন তৌফিকুর রহমান রাঙ্গা। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিচিত্রানুষ্ঠানে ছিল পাভেল ও বাংলাদেশের জনপ্রিয় ফোক শিল্পী চুমকির অনবদ্য পরিবেশনা। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়লের সভাপতি সাংবাদিক মনিরুজ্জামান ও সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠান তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন ছিলেন কাজী শহিদ, রশীদ খান, জাহিদ কমল, কামল হাসান, মাহবুব শিকদার, পাপিয়া সমীর, মজিবর রহমান ও নুরুজ্জামান দুলাল। ব্যাবস্থাপনায় ছিলেন নাজমুল হাসান সেন্টু, মিজান রহমান, মোরসালিন নীপু, গাজী  হাসান প্রমুখ। নৈশভোজের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও সফল এ অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।


বিজয় দিবসে ফিনল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্টের সাথে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আনন্দ উচ্ছ্বাস

মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

আমন্ত্রিত দেশীবিদেশী বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ফিনল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের অনারারী কনসুল জেনারেল হ্যারি ব্লেসার, স্থানীয় ফিনিস পার্লামেন্ট মেম্বার, সিটি কাউন্সিলার সহ ফিনল্যান্ডের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। এসময় উচ্ছ্বাসে মেতে উঠে প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

alt
বর্ণিল আয়োজনের এই মিলনমেলায় আরো ছিল মনোরম সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, বাংলাদেশি পণ্য ও খাবারের স্টল এবং বর্ণবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী ফিনিশ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের তথ্যমূলক বিশেষ বক্তব্য।
হেলসিংকির স্টাডিন আম্মাতি অপিস্তো মিলনায়তনের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় গায়িকা পাওয়ার ভয়েস এর মুল প্রতিযোগীতায় সেরা দশে জায়গা করে নেয়া তরুণ সঙ্গীত শিল্পী রেশমী মির্জা। পুরো অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন মোস্তফা আজাদ বাপি ও বাংলাফিন ব্যান্ডের পরিচালক মেজবাহ। তানভীর, ন্যান্সী সহ স্থানীয় শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন।

alt
প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জিতু, তাপস, হাদী, রহমান, প্রদীপ, ফেরদৌস, কিরণ, সামসু, সেলিম, আল-আমিন, নুমান, আক্তারুজ্জামান, মিশু, ফারহান, রুমন, রাব্বি, শিপু, হান্নান, বদরুল মনির, ফেরদৌস, হারুন, মোস্তাক, আনোয়ার, সামসু, মেজবাহ, নাইমা, সাবরিনা, ডানা, লিজা, সান্তা, শিমুল, বাংলাফিন, জামান ভূইয়া, স্বপন, তপন, ইকবাল শরিফ, কিরণ, চপল, জামান সরকার, শহিদুল, ফাহমিদ, পলাশ, ফাহাদ প্রমুখ।