Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

১৪ দেশের শিশুদের নিয়ে পর্তুগালে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন

শনিবার, ১৮ মার্চ ২০১৭

নাঈম হাসান পাভেল, বাপ্ নিউজ : পর্তুগাল প্রতিনিধি : পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে।শুক্রবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে লিসবনের একটি কালচারাল হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে ভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন পালন করা হয়।

Picture

শুরুতে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল অালম সিদ্দিকী ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা ছাড়াও পর্তুগাল আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা জাতির জনকের অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রদূত ও অতিথিবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের কেক কাটেন।

child

শ্রদ্ধা জানানো ও কেক কাটা শেষে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও সংক্ষিপ্ত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশি শিশুদের সঙ্গে পর্তুগিজ শিশুরা ছাড়াও প্রায় ১৪ দেশের অভিবাসী শিশুরাও অংশ নেয়।রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল অালম সিদ্দিকী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশের কথা কারো অজানা নয়।‘সারাবিশ্বের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে জানেন, শ্রদ্ধার চোখে দেখেন তাতে আমি একজন বাংলাদেশি হিসেবে গর্ববোধ করি।অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন রাষ্ট্রদূত ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।


বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে মালয়েশিয়ায় দোয়া ও আলোচনা

শনিবার, ১৮ মার্চ ২০১৭

আহমাদুল কবির, বাপ্ নিউজ : মালয়েশিয়া থেকে : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮ তম জন্মদিন উপলক্ষে মালয়েশিয়ায় দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।শুক্রবার বিকেলে কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়া যুবলীগের কার্যালয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন- মামা সাংস্কৃতিক শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এমদাদুল হক সবুজ।

Picture

মালয়েশিয়া যুবলীগের আহ্বায়ক তাজকীর আহমদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু হানিফ, মাসুদুল আলম রনি, মাহবুব আলম কাজল, সাইফুল ইসলাম , আল আমিন ডলার, আব্দুল হাকিম ভূঁইয়া, এম এ মাহমুদ, রায়হান রাজু, সাইদ সরকার, দিলার হোসেন খোকা, আশরাফুজ্জামান রনি, মনসুর আলী, রিসাদ আব্দল্লাহ, কামরুজ্জামান, আনোয়ার পারভেজ, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল শিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


প্যারিসে পহেলা বৈশাখ পালন উপলক্ষে স্বরলিপির প্রস্থুতি সভা

বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০১৭

এনায়েত হোসেন সোহেল,বাপ্ নিউজ : প্যারিস,ফ্রান্স : ফ্রান্সে ব্যাপক আয়োজনে বৈশাখী উৎসব পালন উপলক্ষে প্রস্থুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেলে প্যারিসের মেট্রো হোসের একটি অভিজাত রেষ্ঠুরেন্টে বাংলাদেশী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দদের নিয়ে স্বরলিপি শিল্পী গোষ্ঠী ফ্রান্সের উদ্যেগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবছরের ন্যায় বাঙালিদের অন্যতম লোকজ উৎসব পহেলা বৈশাখ ব্যাপক আয়োজনে পালন করার লক্ষ্যে স্বরলিপি শিল্পী গোষ্ঠী ফ্রান্সের সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শিপন প্লাচিড রেভেরুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

Picture

বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন,মিজান চৌধুরী মিন্টু,হারুন ওর রশিদ,খন্দকার বেনু,ম্যাডাম হাসনাত,কাজী লিটন,পুষ্প রানী দাস,গৌতম বিশ্বাস ,আবু তাহির ,আমিনুর রহমান ফারুক,কামরুল মোর্শেদ পিন্টু,সুমা দাস ও সুপ্রিয়া দাস,শিলা ঘোষ,ইশরাত খানম ফ্লোরা,মাসুদ আরমান রানা,ইশরাত জাহান লুসি,শাকিল সরকার,স্বপন সরকার,নিশিতা বড়ুয়া,বৃষ্টি গোমেজ,মিঞা মেরি,সেলিনা আফরোজ,মোহাম্মেদ আলী,মঈন খান,শেখ মাসুদ প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন,পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব।

পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণ-সঞ্জীবনী সুধা। একটি লোকজ উৎসব। বাঙালির ঐতিহ্য ও লোক-সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ। এ উৎসব সর্বজনীনতায় ও স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। শিকড়ের গন্ধমাখা কৃষ্টি। বাঙালির আত্মপরিচয়ের আয়না। আমাদের আশাজাগানিয়া দিন। তাই প্রবাসের মাটিতে আমরা এ দিনটিতে পুরনোর জীর্ণতা, গ্লানি-ভেদ ভুলে নতুনকে আহ্বান করি।পুরনো বছরের ব্যর্থতা ও গ্লানি ভুলে আমরা নতুন করে স্বপ্ন দেখি। উৎসবে উৎসবে মুখরিত করে তুলি এ দিনটিকে। প্রতি বছরের ন্যায় এবার ও প্যারিসে বাংলাদেশী শিল্পী সহ ইউরোপের শিল্পীদের সমন্বয়ে এ বছর নতুন আঙ্গিকে স্বরলিপি শিল্পী গোষ্ঠী প্যারিসে দিন টি পালন করবে।


“২৫শে মার্চ গনহত্যা দিবস” পালন করবে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ

বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কোপেনহেগেন : ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক, বাবু দেবাশীষ সরকার জানিয়েছে , আগামী ২৫শে মার্চ , শনিবার ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ যথাযোগ্য মর্যদার সাথে গনহত্যা দিবস পালন করবে । আগামী শনিবার, দলের জরুরী সভা থেকে দলীয় কর্মসুচী ঘোষণা করা হবে ।

এব্যাপারে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি, এম এ লিঙ্কন মোল্লা ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক সাব্বির আহম্মেদ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ঘৃণ্য পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসর আল বদর- রাজাকারের সহযোগিতায়, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ ভয়াল কালো রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে এক নারকীয় গণহত্যা শুরু করে । এতো অল্প সময়ে ত্রিশ লক্ষ মানুষ হত্যার ঘটনা আর কোথাও নেই । মাত্র নয় মাসে ত্রিশ লক্ষ মুক্তিকামী মানুষ, চার লক্ষ নারী ও শিশুকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে ।

দীর্ঘ প্রায় সাড়ে চার যুগ পরে, জাতির জনক কন্যা, বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় ,বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এই দিনটিকে “ গনহত্যা দিবস ” হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত হয় ।

Picture

উল্লেখ্য গতবছর, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ,৭১-এর গনহত্যা অপরাধে পাকিস্থানকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা জন্য ডেনমার্কে অবস্থিত পাকিস্থান দুতাবাসের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং স্মারকলিপি প্রদান করে এবং ২৫শে মার্চ কালো রাতে ৭১-এর শহীদের স্মরণে এবং ২৫শে মার্চ গনহত্যা দিবস ঘোষণার দাবীতে ডেনিশ পার্লামেন্টের সামনে মোমবাতি প্রজ্জলন করে।

এক বছরের মাথায় এসে, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ তথা সমগ্রহ বাঙ্গালীর প্রানের দাবী মেনে নেয়ার জন্য ডেনমার্ক আওয়ামী লীগসহ সকল প্রবাসীরা আনন্দিত ।

নেতৃদ্বয় তাদের বিবৃতিতে ,ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা , মহান জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পীকার ডঃ শিরীন শারমীন চৌধুরী এমপি এবং জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন ও জানান ।


রিয়াদে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সমাবেশ ও কমিটি গঠন

বুধবার, ১৫ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : সৌদি আরব প্রতিনিধি : সৌদি আরবের রিয়াদের একটি অভিজাত হোটেলের বলরুমে সানাইয়া-আরবাইন-ফয়সালিয়া শাখা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে মইবুল ইসলাম মিন্টুকে আহ্বায়ক ও আবুল কালাম দেওয়ানকে সদস্য সচিব করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ও ৪ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।বাদল মোল্লার সভাপতিত্বে ও মেহেদী হাসান পাপনের সঞ্চানালায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রিয়াদ মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মুহাম্মদ ইউসুফ খাঁন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এম.মুনিরুল ইসলাম, শাওন মহসীন খাঁন।

Picture

এ সময় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন কে.এম. রানা, দুলাল খা্ঁন, আশরাফ জিতু, মো. মিন্টু খাঁন, মো. হারুন আর রশীদ, সরদার লিটন ও আব্দুর রশিদসহ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যগণ।


মালয়েশিয়ায় এক বাংলাদেশি ক্ষতি পূরন পেলো একলাখ রিঙ্গিত

বুধবার, ১৫ মার্চ ২০১৭

আহমাদুল কবির, বাপ্ নিউজ : মালয়েশিয়া থেকে : মালয়েশিয়ার আদালতের রায়ে এক বাংলাদেশি ক্ষতি পূরন পেলো একলাখ রিঙ্গিত। সোমবার মালয়েশিয়ার ইপু পেরাকের সেশন কোর্টের জর্জ পোয়ান সুনিতা কাউর এ রায় দিয়েছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর বাতু গাজা পেরাকে ফিরোজুর রহমান ও দিদার হোসেন নামের দুইজন বাংলাদেশি মোটর সাইকেলে ট্রাফিক পয়েন্ট পার হওয়ার সময় একটি লরি তাদের চাপা দিলে দিদার হোসেনের পা ভেঙ্গে যায়। পরে ট্রাফিক পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়েরে করেন। মামলা নং এএ-এ ৫৩ কেজি-৪৪৬-১১/২০১৬ পর দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত এ রায় দেন। আসামি পক্ষের আইনজীবি ছিলেন মি: বালদীপশিং।

Picture

কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন এ প্রবাসী কর্মী দিদার হোসেনকে আইনী সহায়তা দিয়েছে। আদালতের মাধ্যমে ক্ষতিপূরন আদায়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন “িার হোসেন।এ বিষয়ে দূতাবাসের কল্যাণ সহকারি মোকসেদ আলী জানান, আদালত থেকে মিশনে চিঠি পাওয়ার পর কাউন্সেলর আমাকে পাঠান ইপু পেরাকে। “িার হোসেনেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হয় মিশন থেকে।

কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের শ্রম কাউন্সেলর সায়েদুল ইসলাম জানান, ‘আমরা মালয়েশিয়ার আদালতের সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ আদালত ও দেশটির সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাইকমিশনে প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীরা এসে যাতে কোনো হয়রানির শিকার না হয় তার জন্য সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে।


দুবাইয়ে বসন্ত উৎসব

শনিবার, ১১ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আমিরাত প্রতিনিধি : প্রবাসী বাংলাদেশির আয়োজনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে বসন্ত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (১০ মার্চ) দুবাইয়ের ক্রিক পার্কে বাসন্তী রঙে রঙিন হয়ে ওঠে চারপাশ। প্রায় ২ শতাধিক পরিবার অংশ নেয় এ উৎসবে।মরুর দেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে থাকে নানা ধরনের প্রতিযোগিতা। পুরুষের জন্য প্রেমপত্র লেখা এবং নারীদের ফ্যাশন শো ছিলো চোখে পড়ার মতো।অনুষ্ঠানে দুবাই প্রবাসী লুৎফুর রহমান রচিত একাত্তরের গণহত্যা নিয়ে লাল সবুজের ছড়ার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল এস বদিরুজ্জামান।

Picture

আয়োজক নওশের আলী জানান, প্রবাসেও বাংলাদেশকে খুঁজে পেতে এই আয়োজন। বিশেষ করে এখানে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করাতে এমন উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।


সুইডেনে ৭ মার্চ পালন

শনিবার, ১১ মার্চ ২০১৭

Picture
সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন আফসার খান। এরপর দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান হয়।বক্তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর আলোচনা করেন। তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সেই অগ্নিঝরা ভাষণের মধ্য দিয়ে সমগ্র বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ছিল এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
ভায় উল্লেখযোগ্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, কাজী আকরামুজ্জামান, মুজাহেদুল ইসলাম, আফছার খান, মণির ভূঁইয়া, দিদার শরিফ, আশরাফ খান, কাজী তুষার, ফয়সাল আহমেদ, কাজী নুরুল আলম ও আনোয়ারুল আলম প্রমুখ।


৭ মার্চ উপলক্ষে কুয়েত আ.লীগের আলোচনা সভা

শনিবার, ১১ মার্চ ২০১৭

Picture

এছাড়াও কুয়েতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনে নেতৃবৃন্দসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ সর্ম্পকে ব্যাপক আলোচনা করেন বক্তারা। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে কুয়েত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান শহিদ ইসলাম পাপুল।


অমিতের চলে যাওয়ার গল্প!

শনিবার, ১১ মার্চ ২০১৭

সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করার দরকার অনুভব করছি, অমিতের গল্পটা আমি বলতে চাই। পৃথিবীর বুক থেকে জলজ্যান্ত সদা হাস্যমাণ একটা ছেলে চলে গেলো, এইটা কিছুতেই কেনো জানি মানতে পারছি না। তাই লম্বা কিছু বলার আছে অমিতের চলে যাওয়া নিয়ে, কিছু জিনিশ আমাদের জানা দরকার, আমাদের কিছু একটা করা দরকার।

যারা আমিত কে চিনেন না তাদের জন্য। অমিত খুবই ব্রিলিয়ান্ট, শার্প একটা ছেলে, খেলাধুলা , পড়াশোনা সব কিছুতেই কাপিয়ে বেরানো একটা ছেলে। ২০০৮ এ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পাস করে বের হবার সাথে সাথেই চাকরি হয়ে যায় ইউনিলিভার বাংলাদেশে। নিজের যোগ্যতায় ক্রমাগত প্রমোশন পেয়ে ২০১৪ তে ইউনিলিভার এর টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেসন এর ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেয় অমিত। কর্পোরেট এ সাবলীল ক্যারিয়ার থাকলেও অমিতের বরাবরই ইচ্ছা ছিলো নিজের স্বপ্নের বিষয় নিয়ে পড়ার। বন্ধুদেরকে প্রায়ই বলতো , তোরা immigration নিয়ে করছিস চাকরি, আর আমি দেশে চাকরি করে টাকা জমাচ্ছি যাতে তোদের ওইখানে যেয়ে পরতে পারি। mechanical , robotics , artificial intelligence ওকে খুব টানতও । ২০১৬ তে চাকরি বাকরি ছেড়ে দিয়ে বউ মৌরি, আর ১ বছরে মাত্র পা দেয়া অনীশ কে নিয়ে আমিত চলে আসে টরন্টোতে immigration নিয়ে। আমাদের মতো অন্যান্য immigrant দের মত , যারা আসার পরপরেই চাকরি যুদ্ধে নেমে পরি তাদের মত ছিলোনা অমিত। দেখা হলেই বলতো , চাকরি বাকরি তো অনেক করলাম ভাই, আমি এখন পরতে চাই। ২০১৬ তে অমিত পেয়ে গেলো তার স্বপ্নের সাবজেক্ট mehcatronics , রায়ারসন ইউনিভার্সিটি তে। ভালোই চলছিলো সব, পড়াশোনা, বন্ধুদের সাথে খেলা, রাতের বেলা হুট হাট করে বন্ধুদের বাসায় হামলে পড়া, অনীশকে নিয়ে খেলা।

অমিত খেলতে ভালবাসে, অমিত দৌড়াতে পছন্দ করে, মাঝে মাঝেই ট্র্যাক স্যুট পড়ে ৭-৮ কিলো দৌড়িয়ে বন্ধুদের বাসায় চলে যায়। ধমক দিয়ে বন্ধুদের আসতে বলে “ এম্নে বসে বসে থাকলে শরিরে মেদ জমে কবে যে হার্ট অ্যাটাক করবি, চল বেটা দৌড় দিয়ে আসি। “ বন্ধুরা বের হয়, কিন্তু অমিতের সাথে পেড়ে উঠে না। এই সেইদিনও ব্যাডমিন্টনের ডাবলসে অমিতের সাথে খেলছিলাম। খেলা শুরুর আগেই অমিত আমাকে বলল “ ভাই আমি ব্যাডমিন্টন ভালো খেলি না, কিন্তু দৌড়াইতে পারি, আপনি চাপ মারবেন আর আমি দউরাবো সারা কোর্ট, অপনেন্ট দেখবেন ভয় পেয়ে গেসে” ।

কয়েকদিন ধরেই অমিতের বুকে একটু ব্যাথা হয়। ২৭ তারিখ ব্যথাটা এতই বাড়ে যে অমিত ইস্ট ইয়র্ক জেনারেল হাসপাতালের ইমেরজেন্সি তে যায়। যারা এখানে ইমেরজেন্সিতে গিয়েছেন তারা জানেন ব্যাপারটা কি পরিমান পেইনফুল। যাই হোক ট্র্যায়াযে আমিতের বিবরণ শুনল অপারেটর , ঠিক হার্ট এর পাশেই ব্যাথা। প্রেশার মেপে দেখা গেলো ১১০-১৫০। কাজেই ভয়ের কিছু ব্যাপার আসে জেনে অমিতকে আগে আগেই ভিতরে পাঠানো হলো। কিন্তু এইটাতো মাত্র একটি স্টেপ। যথারীতি অমিতকে ঘণ্টার মতো বসতে হোল ডিউটি ডাক্তার কে দেখানোর জন্য। ডিউটি ডাক্তার করতে দিল ইসিজি। আবারো সেই ঘণ্টা খানেকের জন্য বসে থাকা। অবশেষে রিপোর্ট আসার পর ডাক্তার বলে “ ok, you have high blood pressure and there are some irregularities in your heart, but I am not that much worry about that”
অমিত বলল “ but I have chest pain’
ডাক্তারের উত্তর,
the chest pain might be from cold, take some rest and if the pain is too much take some advil, you will be fine, and if you like you can follow up with your family doctor”
অমিতের যেহেতু এর আগে তেমন কিছু ছিলো না কাজেই তার কোন ফ্যামিলি ডাক্তারও ছিলো না। ডিউটি ডাক্তারকে এটা বলার পর , ডাক্তার বলল “ ok then you have to come to emergency” . এই বলে ছেড়ে দিলো অমিতকে।
কার না ভালো লাগে হসপিটালে থাকতে, অমিত চলে আসে বাসায়।

Picture

বাসায় আসার পর অমিতের একটু জ্বর আসে পরের দিন। কিন্তু আবার চলেও যায়। তাও অমিত আর তার বউ মিলে ঠিক করে ইমেরজেন্সিতে আবার যাবে। কিন্তু আমিতের একটা পরিক্ষা বৃহস্পতিবার দিন। পরিক্ষার আগের দিন কে চায় ৪-৫ ঘন্টা সুধু শুধু ইমেরজেন্সিতে বসে থাকতে? কাজেই অমিত আর মৌরি মিলে ঠিক করে পরিক্ষা দিয়েই আবার ইমেরজেন্সিতে যাবে। আর ডাক্তারতো ভালো জানে, আগের বারের কথা শুনে তো মনে হইনি কিছু সিরিয়াস।
১লা মার্চ , বুধবার আর অন্যান্য দিনের মতোই অমিত বাসাতেই ছিলো, পড়াশোনা নিয়ে ব্যাস্ত। সন্ধ্যার পর নিজের ২০তালার এপার্টমেন্ট থেকে ৫তালার এক ছোট ভাই অর্ণবের এপার্টমেন্টে আসে অমিত গল্প করার জন্য।
ওরা দুজন বারান্দায় গল্প করছিল। হঠাত করেই অর্ণবের মনে হয় অমিত রেলিং এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে টলোমলো পায়ে , মনে হচ্ছে হয়তো পড়েই যাবে, যেয়ে ধরতে ধরতেই অমিত পড়ে যায় মাটিতে। মুখ থেকে ফ্যানা উঠা শুরু করে। অর্ণব সাথে সাথেই কল করে ৯১১ এ। বুঝতে পারে নিঃশ্বাস ছোট হয়ে আসছে অমিতের। ৯১১ এ অপেরাটর ক্রমাগতও বলে যায় অর্ণব কে কিভাবে সিপিআর দিতে হবে। অর্ণবও যথাসাধ্য চেষ্টা চালায়, কিন্তু অর্ণব বুঝতে পারে নিঃসাড় হয়ে আসছে অমিত। ১৫মিনিটের মধ্যে চলে আসে প্যারামেডিক এর টিম। চেষ্টা চালায় সব দিয়ে। এরপর হাসপাতালে নিয়ে যায় অমিতকে। তখন বাজে রাত ১১টা। সব টেস্ট করে ডাক্তার বলে “ he is not with us anymore” . আমরা বড় ভাই , ছোট ভাই , বন্ধুরা ততক্ষনে হাসপাতালে , কি হচ্ছে কিছুই বুঝছিনা। মৌরি কাঁদছে না, পাঁথরের মত শুন্য দৃষ্টিতে বসে আছে, দেড় বছরের অনীশ ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে, অনীশের চোখে প্রচণ্ড ভয়। কোনও এক অজানা কারনে এত ছোট বাচ্চাও টের পায় বড় কিছু একটা হয়েছে। আমরা কেউ কারো চোখে তাকানোর মতো সাহস পাচ্ছি না। ডাক্তার এর কথা শুনে অনিকের সবচেয়ে কাছের বন্ধু নাহিন বলল “ভাই, আমি নামাজে দারালাম” , প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে নাহিন হয়তো এইটাই দোয়া করসে “ আল্লাহ এই খবর যাতে সত্যি না হয়” । বাতাস যে কি পরিমান ভারি হতে পারে সেইদিন আমরা হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। নিঃশ্বাস নিতে গেলে গলা বুক সব জরিয়ে আসছে। বাতাসে কিছু কি মেশানো ছিলো? অনীশ ঘুমাচ্ছে না, পালা করে করে lullaby শোনানো হচ্ছে। এক ফাকে অনীশকে নিলাম , কানের কাছে আস্তে আস্তে বললাম “ ঘুমাও বাবা, কিছু হইনি, “ অনীশ আমার দিকে শুন্য দৃষ্টিতে তাকালো তারপর কাধে মাথা রাখল। সব কিছু এমন ভেঙ্গে চুরে যাচ্ছে কেন? সব এতো এলোমেলো লাগছে কেন? অমিতের খালা থেমে থেমে আহাজারি করছে, “ ওর আম্মাকে আমি কি বলবো?” । মৌরি উদ্ভ্রান্ত কিন্তু নিশ্ছুপ। এর মাঝে পুলিশ, করনেস, ডাক্তাররা এসে এসে মৌরিকে কি কি করতে হবে তার বর্ণনা দিচ্ছে। মৌরি শুন্য দৃষ্টিতে শুনছে। এতক্ষন চেষ্টা করার পর অনীশ অনিকের কোলে ঘুমাচ্ছে, দিপু তার জানা মতে যত দোয়া ছিলো সব আউরে যাচ্ছে। দোয়েলকে অমিতের খালা বিরবিরিয়ে বলছে “ বাবা সব শেষ হয়ে গেলো” । হ্যাঁ এইভাবেই কিছু বুঝার আগে চলে গেলো অমিত।

এখন আসল কথায় আসি, ওইদিন ওইখানে থাকা সবার মানি একি প্রশ্ন । এই নিয়তির জন্নই কি আমরা মা , বাবা ভাই বোন সব ছেড়ে এই দেশে আসছি? এইভাবেই কি মেনে নিতে হবে জিবনের শেষ অংশটুকু ? প্রতিবার দেশে গেলেই ত বা মা বলে “ হয়েছে তো অনেক, চলে আয় না” । দাত মুখ চেপে তাও আবার আমরা রওনা দেই এই দেশে কামলা দিতে। আমিত তো খারাপ ছিলো না, আমরা কেউই ত খারাপ ছিলাম না দেশে। এই দেশে শুনলাম চিকিৎসা ব্যাবস্থা কতো ভালো। অথচ তারপরেও মেনে নিতে হবে এইধরনের মৃত্যুকে?

ঘটনার পর আমরা বার বার শুনেছি মৌরির কাছে, কি হয়েছিলো আগের দিন। যতবারই শুনি ততবারই মনে হয় “ না বড় কিছু একটা সমস্যা আছে’ । আমরা অভিবাসী দেখে কি আমাদের বেপারগুলো গুরুত্তসহকারে নেয়া হয় না? একজন রোগীর কিভাবে জানবে তার অবস্থা গুরুতর যদি না ডাক্তার শুধু প্রসেদিউর ফলো করে বলে , চিন্তার কিছু নেই?কেন সেইদিন ছেড়ে দেয়া হলো অমিতকে যদি ধারনাই করা হয় কিছু সমস্যা আছে। এই দেশের চিকিৎসাও ত ফ্রী না, আমরা কারি কারি ট্যাক্স দিয়েই তো সেবা নিচ্ছি। তারপরেও কেনো এতো অবহেলা।

এতো বড় লিখা লিখার মুল উদ্দেশ্য হলো একটা জনমত তৈরি করা। যথাযথ করতিপক্ষকে জানানো “ there is something wrong, you guys can’t just treat us like that, we deserve better than this” হয় ওদের পুরো সিস্টেম এই ভুল আছে , নাহলে আমাদের জন্য ইচ্ছাকৃত ভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না।

এই মুহূর্তে আমরা ঠিক করেছি আমরা এই বিষয় নিয়ে আগাবো। আপনাদের মতামত শুনবো। আমাদের কি লিগাল একশনে যাওয়া উচিৎ হবে? সেই ক্ষেত্রে কে আমাদের সাহায্য করতে পারবে? আমাদের কি করা উচিৎ? একটা জনমত করে করতিপক্ষএর কাছে আমরা চিঠি দিতে চাই। আমি নিশ্চিত এই গ্রুপের অনেকেরেই চিকিৎসা ব্যাবস্থা নিয়ে খারাপ খারাপ অভিজ্ঞতা আছে , আমরা সেইটাও শুনতে চাই। কানাডা সরকারকে বুঝাতে চাই, “ there is a voice of Bengali, and they have to treat us well”
আজকে যে ঘটনা অমিতের জীবনে হয়েছে তা আমাদের জীবনে যে কোন মুহূর্তে হতে পারে। কিন্তু এই দেশতো থেমে থাকে না, জীবিকার সন্ধানে আমরা সব ভুলে যাই। অমিত মারা যাওয়ার পরের দিন ঠিকি সবার অফিস এ জেতে হয়েছে। অফিসে সারাদিন আগের রাতের সৃতি গুলো তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। ঘোর ভাঙল আমার বন্ধু আবেদিনের ফোন পেয়ে “ কিরে অফিসে? ‘ “ হ্যাঁ রে কি করবো, কিছুতেই তো কাজ করতে পারছি না” ।। “ সেইটাই , চিন্তা করিস না তুই মারা গেলেও পরের দিন আমারও অফিস করতে হবে। “ কাজ করি , ট্যাক্স দেই ।। এইতো জীবন।

এতো বড় মেসেজের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের পরামর্শ আমাদের একান্ত কাম্য।


প্যারিসে পাকিস্তানি দূতাবাসের সামনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিক্ষোভ

বৃহস্পতিবার, ০৯ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ফ্রান্স থেকে : পাকিস্তানি লেখক জুনায়েদ আহমেদের লেখা ‘ক্রিয়েশনস অফ বাংলাদেশ : মিথস এক্সপ্লোডেড’ বইয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতভাবে উপস্থাপন ও পাকিস্তান পার্লামেন্টে বাংলাদেশের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের পক্ষে শোক প্রস্তাবের প্রতিবাদে ফ্রান্সে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার স্থানীয় সময় বিকাল চারটায় প্যারিসের পাকিস্তান দূতাবাসের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি’ নামে এক প্রবাসী সংগঠন।

Picture

বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে শত শত প্রবাসীরা এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ফেস্টুন নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে প্যারিসের পাকিস্তান দূতাবাস চত্বর। মানববন্ধনে ফ্রান্স আওয়ামীলীগ, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সংহতি প্রকাশ করে।
 alt
এ সময়  বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বেনজির আহমদ সেলিম, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের ছোটভাই নাজিম উদ্দিন আহমেদ, ফ্রান্স আওয়ামীলীগের  সভাপতি এম এ কাশেম, হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ইউরোপের সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া, স্বদেশ বড়ুয়া,  রজত রায়, সুব্রত ভট্টাচার্য শুভ, রানা চৌধুরী, তাপস বড়ুয়া রিপন, মিজান চৌধুরীসহ আরো অনেকে । মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পাকিস্তানি লেখক জুনায়েদ আহমেদ ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে স্বাধীনতা ও গণহত্যাসহ  সবকিছু নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। তারা নতুন করে লেখালেখির মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার পায়তারা করছে। বক্তারা অবিলম্বে পাকিস্তানি লেখকের বই বাংলাদেশে বাজেয়াপ্ত করার জোর দাবি জানান।