Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

রাশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ মাহবুবুর রহমান আর নেই

রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০১৫

বাপসনিঊজ: রাশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ মাহবুবুর রহমান ১৯ আগস্ট ২০১৫ তারিখে ঢাকায় ইন্তেকাল করিয়াছেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্নালিল্লাহে রাজেউন)। প্রায় বিশ বছর যাবত মস্কোতে বসবাসরত জনাব মাহবুবুর রহমানের মূত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর। তিনি কিডনীর সমস্যায় ভোগছিলেন।

রাশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ মাহবুবুর রহমান আর নেই  

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন রাশিয়া আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডা. শেখ হাবিবুর রহমানের ছোট ভাই। সৎ, নির্ভীক ও পার্টির প্রতি নিবেদিতপ্রান কর্মীকে অকালে হারিয়ে আমরা শোকাহত। তাঁর আত্মার মাগফেরত কামনা করছি। তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।


পর্তুগালে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী পালন

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০১৫

Picture

এ সময় দূতাবাসে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের পর্তুগাল শাখার সভাপতি জহিরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান, উপদেষ্টা মাহতাব আলম, সহসভাপতি এম এ খালেক, যুগ্ম সম্পাদক এ কে রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলামসহ লিসবনের বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকে।
প্রথমে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে প্রধান চারটি ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন জহিরুল আলম, শওকত ওসমান, মাহবুব আলম, এম এ খালেক ও রনি হোসাইন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা পর জাতির জনক উপাধি লাভ করেন। তিনি আমাদের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন। কিন্তু আমাদের সংকীর্ণতার কারণে আমরা তাঁকে প্রকৃত সম্মান দিতে পারিনি। জাতি হিসেবে সম্ভবত একমাত্র আমরাই তাঁর প্রাপ্ত সম্মান দিতে গিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়েছি নানা দল ও মতে।
তারা আরও বলেন, স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় বঙ্গবন্ধু ভুল-ত্রুটি যাই করে থাকুন না কেন, একটি অবহেলিত জাতিকে মাথা উঁচু করে বাঁচার ও বাংলাকে একদিন সোনার বাংলা রূপান্তর করার স্বপ্ন তিনিই দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোনো ব্যক্তি, পরিবার কিংবা দলের সম্পদ নন। তিনি গোটা জাতির অহংকার। যত দিন বাংলার আকাশে লাল সবুজের পতাকা পতপত করে উড়বে তত দিন তাঁর নাম চির অম্লান হয়ে থাকবে।


যুক্তরাজ্য হাই কমিশনে আব্দুল হান্নানের বিদায়, আসছেন ইসমত জাহান

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০১৫

বাপসনিঊজ: দুইদিন ধরেই ব্রিটেনের বাংলা সংবাদ মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সূত্র উল্লেখ করা হচ্ছে। সেখানে জানানো হয়, বিদায় নিচ্ছেন হাই কমিশনার আব্দুল হান্নান। লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ বেশ কয়েকটি মিশন প্রধান পদে রদবদল আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই রদবদলের আওতায় আছেন লন্ডনস্থ যুক্তরাজ্য হাই কমিশনে আব্দুল হান্নানের বিদায়, আসছেন ইসমত জাহানবাংলাদেশের হাইকমিশনার আব্দুল হান্নান এবং নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আব্দুল মোমেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হতে আসছেন বেলজিয়ামে কর্মরত বাংলাদেশের বর্তমান হাই কমিশনার ইসমত জাহান।
উল্লেখ্য, বিসিএস-১৯৮৪ (পররাষ্ট্র ক্যাডার) ব্যাচের কর্মকর্তা আবদুল হান্নান ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে যোগ দেন। ওই সময় তিনি লন্ডনে সাবেক পররাষ্ট্রসচিব মিজারুল কায়েসের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে যোগ দেবার আগে আবদুল হান্নান জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সুইজারল্যান্ডের আগে তিনি ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।
বিসিএস-১৯৮২ (পররাষ্ট্র ক্যাডার) ব্যাচের কর্মকর্তা ইসমাত জাহান ২০০৯ সালের আগস্ট থেকে ব্রাসেলসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাষ্ট্রদূত হিসেবে নেদারল্যান্ডসে প্রথম দায়িত্ব পালন করেন ইসমাত জাহান। এরপর তিনি নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
আব্দুল হান্নান ইতালিতে বদলি হতে পারেন বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র দফতর সূত্র। বিগত কয়েক মেয়াদেই কূটনৈতিক কিংবা রাজনৈতিক নিয়োগ প্রাপ্তরা ব্রিটেনে সফল হতে পারেননি। তাই হাই কমিশনের কাজে গতি আনতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। লন্ডন হাই কমিশনের মিনিস্টার প্রেস নাদিম কাদির মানবকণ্ঠকে জানান, আমরা এখন পর্যন্ত অফিসিয়ালি কিছুই জানিনা। ঠিক কি কারণে আবদুল হান্নানকে লন্ডন হাইকমিশনের দায়িত্ব থেকে সরানো হচ্ছে এ বিষয়ে সরকারি গেজেট প্রকাশের আগে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।


মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ কানাডার জাতীয় শোক দিবস পালন

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ:মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ কানাডার উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদার সাথে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উদযাপন করা হয় কানাডার টরন্টোর মিজান কমপ্লেক্্র অডিটরিয়ামে।

Canada Shok debosh 0

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস্ চেয়ারম্যান এডভোকেট নাজমা কাউসার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের সাথে বক্তব্য রাখেন দেশে বিদেশ-এর  সম্পাদক নজরুল ইসলাম মিন্টু, বিশিষ্ঠ কুষিবিদ ড. আব্দুল আউয়াল, মুক্তিযোদ্ধা ও লেখক সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বাদল, উদীচী শিল্প গোষ্ঠী কানাডার সাবেক সভাপতি আজিজুল মানিক, সংগঠনের ভাইস্ প্রেসিডেন্ট আলম মন্ডল, সহ সম্পাদক জীবন রায়, কবি দেলোয়ার এলাহী অনটারিও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা কামাল ও আব্দুস সালাম,টরন্টোর প্রখ্যত সংগীত শিল্পী ফারহানা শান্তা ও সংগঠনের  সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা আফিয়া বেগম এবং সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা আসমা হক।

Canada Shok debosh 1

সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমানের উপস্থাপনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন নুরুদ্দিন।


"জার্মানীতে জাতীয় শোক দিবস ১৫ই আগষ্ট পালন"

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০১৫

রফিকুল ইসলাম আকাশ,জার্মানী থেকে: জার্মানীতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগষ্ট পালন করেন । দূতাবাসে ছিলো দোয়া মোনাজাত ও শোক দিবসের আলোচনা সভা । রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আলী সরকার জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু কে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংগালী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দেশ চললে দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে ।

Picture

ব্লাক ফরেস্ট এর ট্রিবার্গ বাংলাদেশ শিক্ষা ও সাহিত্য সমিতি ফুলুগ হলে শোক দিবস উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।সমিতির কর্ণধার জুলফিকার সাঈদ মনার সভাপতিত্বে ও নাদিম ইউসুফের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জার্মান আওয়ামীলীগের এক অংশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইউনুছ খান , বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেয় জার্মান বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি খান লিটন, বাদেন বুর্গের আওয়ামীলীগ সভাপতি অনোয়ার হোসেন মোহন, শিশু শিক্ষা বিষয়ক গবেষক, স্বর্ণপদক প্রাপ্ত লেখক কামরুজ্জামান, রাজু খান, বদরুল ইসলাম রফিক, কণা ইসলাম, প্রদ্বীপ সাহা ও মাহাবুবুর রহমান বাচ্চু সহ আর অনেকে । ১৫ই আগষ্টে নিহত বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা ও দোয়া মোনাজাত করা হয় ।

alt

 

রাজু খান নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে বর্ননা করেন। জার্মান বাংলা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে আয়োজকদের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি প্রদান করেন আসমা খান ও নীলা জামান , বঙ্গবন্ধুর উপর চমৎকার কবিতা আবৃতি করেন মাহমুদা রহমান অনি ।শোকসভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে , বাংলাদেশে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে , গনতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০১৫

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : ইউরোপের দেশ পর্তুগালের সমসংখ্যক প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশীর বসবাস নিউজিল্যান্ডে। পর্তুগাল-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য যেখানে বছরে মাত্র ৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলারের কিছু বেশি, সেখানে নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের ‘বাইল্যাটেরাল ট্রেড’ বছরে ২শ’ মিলিয়ন ইউএস ডলারের ওপর। পর্তুগালে বাংলাদেশ দূতাবাস থাকলেও নিউজিল্যান্ডে আজো প্রতিষ্ঠিত হয়নি বাংলাদেশ দূতাবাস। তাসমান সাগরের ওপারে সুদূর অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী তথা ছোট্ট শহর ক্যানবেরায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ফিজির পাশাপাশি দেখা হয় নিউজিল্যান্ডকেও।
 
রাজধানী ওয়েলিংটন এবং বাংলাদেশী অধ্যুষিত উত্তরাঞ্চলীয় অকল্যান্ড নগরীতে ১ জন করে দু’জন অনারারি কনসাল জেনারেল (অবৈতনিক) বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন নিউজিল্যান্ডের মাটিতে। কিন্তু ক্যানবেরার ওপর নির্ভরশীল হবার কারণে তাঁদের বিশেষ ‘লিমিটেশন’ থাকায় বিকশিত হয়নি বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক। কথার কথা বা বলার জন্য বলা হয় ঠিকই যে, বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ড (যেহেতু শত্রুরাষ্ট নয়), তাই সতিকারের ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ হতে তথা সময়ের প্রয়োজন পূরণে দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবীতে আজ সোচ্চার হতে শুরু করেছেন নিউজিল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

Picture
 
বৈদেশিক বানিজ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র দূতাবাস না থাকার কারণেই নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য থমকে আছে ২শ’ মিলিয়ন ইউএস ডলারে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিশাল দেশ অস্ট্রেলিয়া যথাযথভাবে কাভার করতেই যেখানে এন্তার হিমশিম খেতে হয় রাজধানী ক্যানবেরাস্থ বাংলাদেশ মিশনকে, সেখানে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের নিউজিল্যান্ড সামাল দেয়ার তেমন কোন সুযোগ নেই আদতে। এদিকে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে ‘ফ্রি ট্রেড’ এগ্রিমেন্ট করছে এখন নিউজিল্যান্ড। ঢাকার তরফ থেকে তাই কালবিলম্ব না করে নিউজিল্যান্ডে মিশন খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে প্রশস্ত হবে ঢাকায়ও নিউজিল্যান্ড দূতাবাস খোলার পথ, এমনটাই মনে করেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন নিউজিল্যান্ড ইনকর্পোরেটেড (বানজি)’র প্রেসিডেন্ট ড. আনোয়ার জাবেদ এবং বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’র প্রেসিডেন্ট ড. দাউদ আহমেদ।
 
অর্থনৈতিক সংকটমুক্ত ধনী দেশ নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে ‘বাইল্যাটেরাল ট্রেড’ যেমন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে, তেমনি এখানে বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-প্রফেসর-কৃষিবিদ তথা প্রফেশনাল লোকজনের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য মেধাবী বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের আগমন বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে জানান এখানকার কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ। পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার যৌক্তিক দাবীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন অতি সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড সফরে আসা অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন আয়েবার সেক্রেটারি জেনারেল ও ফ্রান্স-বাংলাদেশ ইকোনমিক চেম্বার সিইএফবি’র প্রেসিডেন্ট কাজী এনায়েত উল্লাহ। ইউরোপের সাথে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের বাংলাদেশী কমিউনিটি পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ১৪-১৬ আগস্ট অকল্যান্ড সফর করেন তিনি।
 
১৪ আগস্ট অকল্যান্ড বিমানবন্দরে কাজী এনায়েত উল্লাহকে স্বাগত জানান অকল্যান্ডে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেল আতাউর রহমান জেপি (জাস্টিস অব দ্য পিস)। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন নিউজিল্যান্ড ইনকর্পোরেটেড (বানজি)’র প্রেসিডেন্ট এগ্রিকালচারিস্ট ড. আনোয়ার জাবেদের ব্যবস্থাপনায় ১৫ আগস্ট অকল্যান্ডে কাজী এনায়েত উল্লাহর সম্মানে আয়োজন করা হয় ‘মিট দ্য কমিউনিটি’ বিশেষ মতবিনিময় সভা। এতে আলোচনায় অংশ নেন এগ্রিকালচারিস্ট ড. এসএমএ জাব্বার, এগ্রিকালচারিস্ট জিয়াউল করিম কিশোর, এগ্রিকালচারিস্ট আবদুল ওয়াজেদ, ড. ফারুক শাহ, ইঞ্জিনিয়ার শফিকুর রহমান অনু, ইঞ্জিনিয়ার আফজালুর রহমান রনি, শফিক রহমান, সৈয়দ উদ্দিন লিটন, বেলাল হোসেন, সিদ্দিক লিয়াকত, মিলন ভুইয়া প্রমুখ। নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই বলে মনে করেন নেতৃবৃন্দ।


যুক্তরাজ্য যুব মহিলা লীগের শোকসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠান

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০১৫

যুক্তরাজ্য:যুক্তরাজ্য যুব মহিলা লীগের শোকসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠান১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য যুব মহিলা লীগ আয়োজন করে দোয়া, মিলাদ-মাহফিল এবং মুক্ত আলোচনা সভা। আলোচনার প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল "১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ড, এর পেছনের অপ্রকাশিত ষড়যন্ত্র এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার ৪১ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত দণ্ডপ্রাপ্তদের দণ্ড কেন কার্যকর করা যাচ্ছে না।" সভার শুরুতেই মিলাদ ও দোয়া পরিচালনায় করেন মাওলানা কুতুব উদ্দিন। এর পর শুরু হয় মূল আলোচনা এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব।
পূর্ব লন্ডনের একটি কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফারহানা লেমান। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাজিয়া সুলতানা স্নিগ্ধার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাষা সৈনিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিনা মোশারফ, শামিম চৌধুরী, সমু আহমেদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ।

Picture
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য যুব মহিলা লীগের পক্ষ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দুটি অনুরোধ জানানো হয়,
১) অবিলম্বে জাতীর জনকের মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত পলাতক সকল আসামিদের গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করে জাতীকে কলঙ্কমূক্ত করা।
২) বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিশন গঠন করা।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সর্ব ইউরোপিয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ গণি, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হরমুজ আলী, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব সমু চৌধুরী, বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীমা চৌধুরী, যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুসলিমা শামস বন্নি, সহ-সভাপতি আনজুম আরা বেগম অনজু, যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক জামাল আহমদ খান,তরুণ লীগের সভাপতি জুবায়ের আহমদ, লন্ডন মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সল হোসেন সুমন, যুক্তরাজ্য প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ জয়, যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের সভাপতি তামিম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক সজীব ভূইয়া, সহ-সভাপতি জাকির আফতারুজ্জামান, আব্দুর রহিম শামিম, যুব মহিলা লীগের মিতা কামড়ান, মাহমুদা মনি, মোনআরা টুম্পা, নাজনিন শিখা, কামরুন নাহার লিপি, জেনিফার রহিম, ফারজানা, শাহীন লিনা প্রমুখ।


বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ব্রিটেনে নির্মিত হলো 'বিজয়ের মহানায়ক'

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০১৫

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ব্রিটেনে নির্মিত হলো 'বিজয়ের মহানায়ক'

বাপসনিঊজ: চোখ ভিজে ওঠে ড. হালিমা আলমের! মাথা নিচু করে চোখের পানি আড়ালের ব্যর্থ চেষ্টা। তারপর কাঁপা কণ্ঠে বলতে থাকেন জাতির জনকের সঙ্গে কাটানো স্মৃতিকথা। জিল্লুর হকও মাথা নিচু করে বসে থাকেন কিছুসময় নীরবে! মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনে নিজের জীবন বাজি রেখে ঝাপিয়ে পড়ার দিনগুলোতে তিনি কাঁদেননি। কেঁদেছেন বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর। লন্ডনে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে স্মৃতিচারণ নিয়ে তথ্যচিত্র ‘বিজয়ের মহানায়ক‘ দেখে এভাবেই আপ্লুত হন তারা।

সাংবাদিক সৈয়দ আনাস পাশার গবেষণা, চিত্রনাট্য ও সমন্বয়ে এবং লন্ডন প্রবাসী বিশিষ্ট চিত্রনির্মাতা মঈনুল হোসেন মুকুলের পরিচালনায় এই প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। সোমবার পূর্ব লন্ডনে ‘বাঙালির ঘরে ঘরে বঙ্গবন্ধু’ শ্লোগান সামনে রেখে ‘জয়বাংলা’ অনলাইন টিভি নিবেদিত ‘বিজয়ের মহানায়ক’ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়। আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনীতে এসে সুধীজনরা বলেন, এই প্রামাণ্যচিত্রটিতে সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠা এক বাঙালির গল্প হিসেবেই গ্রহণ করবেন দর্শকরা।

অনুষ্ঠানে প্রামাণ্যচিত্রটিতে স্মৃতিচারণকারী বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্যধন্য ১০ ব্যক্তিকে ‘বিজয়ের মহানায়ক’ এর একটি করে ডিভিডি কপি, ফুল ও থ্যাঙ্কস কার্ড দেওয়া হয়। বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন মিনিস্টার (প্রেস), সাংবাদিক ও শহীদ সন্তান নাদিম কাদির। সম্মাননা প্রদান, ফিল্ম প্রদর্শনী ও বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত গান পরিবেশন নিয়ে তিন পর্বে বিভক্ত এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন বঙ্গবন্ধুকে দেখেছেন, সংস্পর্শ পেয়েছেন, তার নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলনের অংশ ছিলেন এমন ৭ জন ব্যক্তি। ডকুমেন্টারির পরিচালক মঈনুল হোসেন মুকুল, সমন্বয়ক সাংবাদিক সৈয়দ আনাস পাশা ও জয়বাংলা অনলাইন টিভি’র কর্ণধার প্রযোজক সালিমা শারমিন হোসেইন একে একে বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্যধন্য এই ৭ সৌভাগ্যবানের হাতে প্রামাণ্যচিত্রের ডিভিডি কপি, থ্যাঙ্কস কার্ড ও একটি করে ফুল তুলে দেন। এরা হলেন: মুক্তিযুদ্ধের  সংগঠক সুলতান শরীফ, আলহাজ জিল্লুর হক, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক আবু মুসা হাসান, রাজনীতিক এম এ গণি, বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রী সোহরাব হোসেনের সন্তান বিশিষ্ট শল্য চিকিৎসক ডা. রাকিবুল আনোয়ার অরুণ, প্রবীণ সমাজকর্মী ও চিকিৎসক বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য ডাক্তার হালিমা আলম ও শহীদ কর্নেল আব্দুল কাদিরের সন্তান হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার নাদিম কাদির।

তথ্যচিত্র নির্মাতা মঈনুল হোসেন মুকুল বলেন, ব্রিটেনের প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর যে নিবিড় সম্পর্ক ছিল সেটা তুলে ধরার একটা ছোট চেষ্টা থেকে এই কাজটি করা। প্রামাণ্যচিত্রটি ১৫ আগস্ট ব্রিটেনের প্রথম বাংলা টেলিভিশন বাংলা টিভি, আমেরিকা থেকে সম্প্রচারিত টিবিএন২৪ টেলিভিশনে দেখানো হয়েছে। এছাড়া আগামী সপ্তাহে এটি বাংলাদেশে এটিএন বাংলায় দেখানো হবে।

প্রামাণ্যচিত্রে স্মৃতিচারণকারী প্রবীণ কমিউনিটি নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক নুরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরীর পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন যথাক্রমে রাজনীতিক হরমুজ আলী, নির্মুল কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা আনসার আহমেদ উল্লা ও গাফফার চৌধুরীর স্নেহধন্য যুবনেতা জামাল খান।

হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার নাদিম কাদির বলেন, বঙ্গবন্ধু এমন এক ব্যক্তি, যাকে কোন প্যারামিটার দিয়ে মাপা যায় না। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থেই তাকে নিয়ে আমাদের কাজ করা উচিত, যা আমরা করতে পারিনি। বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি কবির হোসেন বলেন, ৫৩ মিনিটের এই প্রামাণ্যচিত্র বঙ্গবন্ধুর পুরো রাজনৈতিক জীবনের একটি খণ্ডচিত্র।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পরিবেশিত হয় বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত কয়েকটি গান। ব্রিটেনের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী গৌরী চৌধুরী ও ফজলুল বারী বাবু, সৈয়দ নিশাত মনসুর এবং শিশুশিল্পী নাহিয়ান পাশা ও রাফা হক এতে অংশ নেন। তবলায় ছিলো আরেক শিশু শিল্পী সৌমেন।


সিঙ্গাপুরে তরুণ লীগের শোকসভা

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০১৫

Picture

বাংলাদেশ তরুণ লীগ সিঙ্গাপুর শাখার উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার রাত নয়টায় সিঙ্গাপুরস্থ ফকরুদ্দীন রেস্তোরাঁয় এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আবেদিন এবং সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জনাব সাদ্দাম হোসেন ভূঁইয়া।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘বাংলার কণ্ঠ’ পত্রিকার সম্পাদক এ কে এম মো্হসীন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ছালাহউদ্দীন, আবুল কালাম আজাদ এবং মোবারক হোসেন।সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৯০’এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতা এবং সিঙ্গাপুর আওয়ামী লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার কাজী শিহাব উদ্দীন (লিটন)।


ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০১৫

ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সম্মানিত সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শহিদ এর পরিচালনায় ও ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব মোস্তাফা মজুমদার বাচ্চুর সভাপতিত্বে উক্ত শোক সভার প্রধান বক্তা ছিলেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের মাননীয় সাধারণ সম্পাদক জনাব মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তার আদর্শ ও দর্শনকে হত্যা করতে পারেনি। তাই জাতি আজও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সমুন্নত রেখে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে চলছে। তাকে হত্যার পর বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার গৌরব, সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন উল্টো পথে চলতে শুরু করেছিল কিন্তু তার সুযোগ্য কন্যার সুদৃঢ় নেতৃত্বে দেশ আজ সামনের দিকে এগিয়ে চলছে।

Picture

ডেনমার্ক আওয়ামীলীগের নেত্রীবৃন্দ বলেন, জাতীর পিতা ১৯৪৮ সাল থেকে সব আন্দোলন সংগ্রামে বাঙালী জাতিকে নেতৃত্ব দেন। গোটা জাতিকে ধাপে ধাপে বাঙালী জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করেন। যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে সমস্ত জাতি জয় বাংলা শ্লোগান নিয়ে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম দেন।তাই আমরা বলি বঙ্গবন্ধু ছিলেন ঐক্যের প্রেরনা ও স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক এবং বাঙ্গালী জাতীর স্বপ্নের রুপকার। আলোচনায় বক্তৃতা করেন, জনাব মিজানুর রহমান খোকন (সহ-সভাপতি), জনাব নাঈম বাবু (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), জনাব নুরুল ইসলাম টিটু (যুগ্মÑসাধারণ সম্পাদক), আমির পারভেজ জীবন (আহ্বায়ক, যুবলীগ, ডেনমার্ক), জনাব গোলাম কিররিয়া শামীম (সাংগঠনিক সম্পাদক)ও জনাব আইয়ুব খান (সদস্য)।
শোক সভা শেষে মিলাদ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সংগঠনের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মাহবুবুল হক।

স্টেজে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোস্তাফা মজুমদার (সভাপতি), বাবু সুভাষ ঘোষ (মাননীয় উপদেষ্টা) , মাহবুবুল হক (মাননীয় উপদেষ্টা), সাহাবুদ্দীন ভুঁইয়া (মাননীয় উপদেষ্টা), ইনসান ভূঁইয়া (মাননীয় উপদেষ্টা), হাসনাত রুবেল (মাননীয় উপদেষ্টা), নিজাম উদ্দিন (সহ-সভাপতি), মিজানুর রহমান (সহ-সভাপতি), নাছির উদ্দিন সরকার (সহ-সভাপতি), মোহাম্মাদ সহিদ (সহ-সভাপতি), নাসরু হক (সহ-সভাপতি), জাহিদুল ইসলাম কামরুল (সহ-সভাপতি), নুরুল ইসলাম টিটু (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)।

শোক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাফায়েত হোসেন মিঠু (মাননীয় উপদেষ্টা), কাজী আনোয়ার (সহ-সভাপতি), সরদার সাইদুর রহমান (সাংগঠনিক সম্পাদক), সাইফুল ইসলাম সাফি (সাংগঠনিক সম্পাদক), সফিকুল ইসলাম (কোষাধক্ষ বিষয়ক সম্পাদক), তানিয়া সুলতানা চাঁপা (মহিলা বিষয়ক সম্পাদক), মোহাম্মাদ সেলিম (ক্রীড়া সম্পাদক), গোলাম রাব্বি (শ্রম বিষয়ক সম্পাদক), দেবাষীস দাস (দপ্তর সম্পাদক), নাজিম উদ্দিন (শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদক), সামছু উদ্দিন (স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক), সাহিন মজুমদার, আনোয়ার আলী, মোহম্মদ মোহসিন, সাইফুল আলম, মাহবুব আলম, কাজী জুয়েল, সফিকুর রহমান, কবির হোসেন, শিপন, হুমায়ন কবির, পরিতোস শাহা, আজাদুর রহমান,আরিফ, সালে আহম্মেদ, সাইদুর, শরিফুল ইসলাম, রনি শরিফ, জিল্লুর রহমান, রাসেল, অনু মিয়া, রাজিয়া সুলতানা, জেসমিন আক্তার, শাহানাজ পারভিন, শামীমা আক্তার, সাহেরা জেসমিন, পাভেল মোস্তাফিজ, তাসবির আহম্মেদ, রাশেদুল খোকন, নয়ন, এয়াকিন সহ আরো অনেকে।


সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অর্জিত দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে দেয়া যাবে নাঃ আ স ম আব্দুর রব

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০১৫

বাপ্ নিউজ: গতকাল ১৫ আগস্ট, শনিবার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ক্যাথসিমার স্থানীয় এক হল রুমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলক, মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি এর সভাপতি আ স ম আব্দুর রব এর উপস্থিতিতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সমর্থক ফোরাম, ফ্রান্স এর সম্মেলন’২০১৫ সম্পন্ন হয়েছে।সম্মেলনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সমর্থক ফোরাম, ফ্রান্স এর পুনরায় যথাক্রমে সভাপতি এমরান আহাম্মদ আলম, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মাসুদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন হাওলাদার নির্বাচিত হয়েছেন। সেই সাথে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিও অনুমোদন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  আ স ম আব্দুর রব।

Picture

শনিবার বিকেলে এক উৎসব মুখর পরিবেশে প্যারিসে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সমর্থক ফোরাম, ফ্রান্স এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলন শুরু হয়  সম্মেলিত কন্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে । সম্মেলনের প্রধান অতিথি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি এর সভাপতি আ স ম আব্দুর রবকে ফুল দিয়ে বরন করে নেয় জেএসডি সমর্থক ফোরাম ফ্রান্স এর সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান, হান্নান আহাম্মেদ, বেলায়েত হোসেন সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আ স ম আব্দুর রব এর সহ-ধর্মীনী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিসেস তানিয়া রবকে ফুল দিয়ে বরন করে নেন নূরে আফরোজ সুরমা আক্তার। এসময় সংগঠনের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক প্রধান অতিথি আ স ম আব্দুর রব এবং মিসেস তানিয়া রবকে বিশেষ সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রধান করেন।

1213 (2)

আলোচনা সভায় ফ্রান্স শাখার সভাপতি এমরান আহাম্মদ (আলম) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি এর সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সমর্থক ফোরাম, ফ্রান্স এর সহ সভাপতি কাজী লুতফর কবির মহিম এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন জেএসডির সমন্বয়ক ফজলুর রহমান, জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিসেস তানিয়া রব, বাংলাদেশ ভিউ ফ্রান্স এর সভাপতি মনসুর চৌধুরী, এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সমর্থক গোষ্ঠি, ফ্রান্স এর সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম (মাসুদ), সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান, বেলায়েত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন হাওলাদার ও সদস্য মোঃ আতাউর রহমান ,কামরুজ্জামান, সোহাগ মোল্লা সহ আরো অনেকে।

1213 (1) 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আ স ম আব্দুর রব বলেন, আজ দেশের ১৬ কোটি মানুষ বাকরুদ্ধ, গণতান্ত্রিক দেশ হলেও গণতান্ত্রিক পক্রিয়ায় দেশ চলছে না, জনগনের সাংবিধানিত রাজনৈতিক, নাগরিক মৌলিক অধিকার নিয়ন্ত্রিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্বপ্ন ছিল একটি স্বাধীন বাঙ্গালী জাতী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। মুক্তিযোদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করা। আজ দেশে মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস বিকৃত ও চুরি হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধের সার্টিফিকেট বিক্রি হচ্ছে। তিনি প্রবাসীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আজ দেশে বিনিয়োগের সুযোগ থাকলে নদী সাতরে হাজার হাজার মাইল প্রিয় মাতৃভূমি পরিবার পরিজন ছেড়ে কেউ বিদেশ বি-ভূইয়ে পড়ে থাকতো না। তিনি আরো বলেন, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অর্জিত দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে দেয়া যাবে না, পরিবারতন্ত্র আর লেজুরভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ না হলে দেশের জনগন কেউই সুখী হতে পারবে না, বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশ নয় একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার কথা ছিল কিন্তু একদল সব ব্যার্থতার দায়ভার অন্য দলের কাদে তুলে দিতে চায়। আর এই রাজনৈতিক শুন্যতার কারনে সংঘাত, সংকট সমগ্র জাতীর জন্য হুমকি হয়ে পড়েছে, জন নিরাপত্তা ঝুকিতে, জনগন শংকিত ও উদ্বিগ্ন। তবে এগুলো থেকে মুক্তির পরিত্রাণ আছে দলীয় ভিত্তিতে নয়, জাতীয় ঐক্য ও মুক্তিযোদ্ধার চেতনার ভিত্তিতে।ফ্রান্স শাখার সভাপতি এমরান আহাম্মদ আলম এর সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।