Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

লিসবনের শহীদ বেদীতে প্রবাসী ও পর্তুগাল পরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শ্রদ্ধা নিবেদন

বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭

Picture

বাপ্ নিউজ : বিশেষ প্রতিনিধি : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের ফুলের শ্রদ্ধা জানাতে পর্তুগালের লিসবনের স্থায়ী শহীদ মিনারে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রবাসী বাংলাদেশীদের মিলন মেলা। প্রবাসে বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মের শিশুরাও শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
একুশ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে অনেক মা-বাবা তাদের শিশু সন্তানদের নিয়ে আসেন শহীদ মিনারে।একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রুহুল আমিন সিদ্দিক।
পরে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেন পর্তুগাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি মিস্টার জোসে আরিয়ারো জয়ন্তার প্রতিনিধি মিস আন্দ্রেয়া রড্রিগুয়েজ , লিসবন সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি মিস্টার কার্লস ম্যানুয়েল ক্যাস্ট্রো সহ পর্তুগাল আওয়ামী লীগ, পর্তুগাল বিএনপি,
বৃহত্তর ফরিদপুর অ্যাসোসিয়েশন অফ পর্তুগাল, ইউরোপ প্রবাসী বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগাল শাখা, অল ইউরিয়ান বাংলা প্রেস ক্লাব , নবকন্ঠ পাঠক ফোরাম, পর্তুগাল সাংবাদিক ফোরাম,পর্তুগাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশন,বৃহত্তর নোয়খালী অ্যাসোসিয়েশন ইন পর্তুগাল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন `"যে কোন জাতির জন্য সবচেয়ে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার হচ্ছে মৃত্যুর উত্তরাধিকার- মরতে জানা ও মরতে পারার উত্তরাধিকার। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদরা জাতিকে সে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার দিয়ে গেছেন।" পর্তুগাল আওয়ামীলীগের সভাপতি কিছুটা আবেগ্লাপুত হয়ে বলেন একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।একুশে ফেব্রুয়ারি শোকাবহ হলেও এর যে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় তা পৃথিবীর বুকে অনন্য। কারণ বিশ্বে এ যাবতকালে একমাত্র বাঙালি জাতিই ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে।
পর্তুগাল আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনে করেন মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ’৫২-এর একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ ও শাসকগোষ্ঠির প্রভূসুলভ মনোভাবের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম প্রতিরোধ এবং ভাষার ভিত্তিতে বাঙালির জাতীয় চেতনার প্রথম উন্মেষ। পর্তুগাল বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিন উদ্দিন এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন ন্যায়ের দাবি , সত্যের দাবি- এ দাবির লড়াইয়ে একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদরা প্রাণ দিয়েছেন। প্রাণ দিয়ে প্রমান করেছেন , স্বভাবের ব্যাপারে , ন্যায় ও সত্যের ব্যাপারে কোন আপোষ চলেনা , উল্লেখ্য ,মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দুর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শংকিত করে তোলায় সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিক গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সরদার ফজলুল করিম তার ‘বায়ান্নরও আগে’ প্রবন্ধে লিখেছেন ‘ বরকত সালামকে আমরা ভারোবাসি। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা বরকত সালাম আমাদের ভালোবাসে । ওরা আমাদের ভালোবাসে বলেই ওদের জীবন দিয়ে আমাদের জীবন রক্ষা করেছে। ওরা আমাদের জীবনে অমৃতরসের স্পর্শ দিয়ে গেছে। সে রসে আমরা জনে জনে , প্রতিজনে এবং সমগ্রজনে সিক্ত।এদর কারণেই আমরা অমরতা পেয়েছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ আজ আমরা বলতে পারি দস্যুকে, বর্বরকে এবং দাম্ভিককে : তোমরা আর আমাদের মারতে পারবে না । কেননা বরকত সালাম রক্তের সমুদ্র মন্থন করে আমাদের জীবনে অমতর স্পর্শ দিয়ে গেছে ।’

ইতালির নাপলিতে খুলনা কল্যাণ সমিতির অভিষেক

বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭

ইসমাইল হোসেন স্বপন, বাপ্ নিউজ : ইতালি থেকে : ইটালির নাপলিতে অভিষেক হলো বৃহত্তর খুলনা কল্যাণ সমিতির। স্থানীয় সময় রবিবার বিকেল ৫টায় শুরু হয় এ অভিষেক অনুষ্ঠান। বৃহত্তর খুলনা কল্যাণ সমিতির সভাপতি বশির আহম্মেদের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মিলানের বিশিষ্ট  ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এ  ছাড়া উপস্থিত ছিলেন রোম থেকে আগত কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব হাসান ইকবাল, নাপলি অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত সভাপতি জয়নাল হাজারি, অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ নাপলির সভাপতি নাদিম বেপারি, কমিউনিটি নেতা, কুদ্দুস হাওলাদার, জয়নাল আবেদিন, শেখ জাহাঙ্গীর আলম, ফারুক হাসান, আলি ইসলাম, মিজানুর রহমান বাচ্চু,কাজি আল আমিন, বৃহত্তর কুমিল্লার সভাপতি মনিরুল হক, খেলাঘর সভাপতি সোহেল মাহমুদ প্রমুখ।

Picture

বক্তারা বলেন, সংগঠন এমন একটা প্লাটফর্ম যেখানে মানুষের ভালোর জন্য কাজ করা হয়। প্রবাসে কারো মৃত্যু হলে তাকে বাংলাদেশে পাঠাতে যেন কোনও সমস্যা না হয় এ জন্য বাংলাদেশ সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। ভবিষ্যতে এখানে মসজিদ ও স্কুল নির্মাণের জন্য জ্যেষ্ঠ কমিউনিটি নেতাদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বশির আহম্মদকে সভাপতি, শেখ মুজিবর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক এবং আলহাজ ইউনুছ আলি খোকনকে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত করা হয়। পরে সংগীত পরিবেশন করেন রোম থেকে আগত শাহনাজ সুমি ও বাধন।


ফ্রান্সে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : প্যারিস-ফ্রান্স: ১৯৫২ সালের ভাষার জন্য প্রাণদানকারী সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ সব শহীদকে স্মরণ করেছেন ফ্রান্স প্রবাসী বাংলাদেশিরা। মঙ্গলবার প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের পাদদেশে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে একুশ উদ্‌যাপন পরিষদ ফ্রান্স।এখানে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় প্রায় অধর্শত বাংলাদেশি সংগঠন। সব বয়স আর শ্রেণি-পেশার মানুষের পদচারণে মুখরিত হয়ে ওঠে অস্থায়ী শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ।

Picture

এ সময় বিভিন্ন দেশের নাগরিকদেরও বেদিতে ফুল দিতে দেখা যায়। বেলা সাড়ে তিনটায় অস্থায়ী এই শহীদ মিনারে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে কর্মাশিয়াল কাউন্সিলর ফিরোজ উদ্দিনের পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধার্ঘ প্রদান শুরু হয়। পরে একে একে মৌনমিছিল করে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় একুশ উদ্‌যাপন পরিষদ ফ্রান্স, অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন-আয়েবা , বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ফ্রান্স শাখা, ফ্রান্স বাংলা প্রেস ক্লাব, স্বরলিপি শিল্পীগোষ্ঠী, ফ্রান্স বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ, উদীচী সংসদ ফ্রান্স, প্যারিস বার্তা, এসএ টেলিভিশন দশর্ক ফোরাম ফ্রান্স, বরিশাল বিভাগ অ্যাসোসিয়েশন, বনানী গ্রুপ, বাংলাদেশ ইয়ুথ ক্লাব, ফেনী সমিতি, মুন্সিগনজ বিক্রমপু অ্যাসোসিয়েশন, সচেতন যুব সমাজ প্যারিস, অ্যাসোসিয়েশন অব সাই পারি, উত্তরবঙ্গ সমিতি ফ্রান্স, বাংলা ভিশন ফ্যান ক্লাব ফ্রান্সের প্রায় অর্ধশতাধিক  বাংলাদেশি সংগঠন।

alt

আয়োজক একুশে উদ্‌যাপন পরিষদের প্রধান টি এম রেজা বলেন, একুশে উদ্‌যাপন পরিষদ সবার সহযোগিতায় কয়েক বছর ধরে প্যারিসের আইফেল টাওয়ার সামনে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করে একুশ উদ্‌যাপন করে আসছে। আগামীতে ফ্রান্সে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মিত হবে । সেখানে আরও বড় পরিসরে একুশ উদ্‌যাপন করা হবে।এদিকে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে সাতটায় দূতাবাস কর্মকর্তারা অস্থায়ী শহীদ মিনারেও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং বিকালে ৫ টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকাল ‍১০ টায় ইউনেস্কোতে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় সেখানে বক্তব্য রাখেন ইউনেস্কো মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা, ইউনেস্কো বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এম শহিদুল ইসলাম।এ ছাড়াও রাত ১২টা ১ মিনিটে প্যারিসের মেট্রো হোশে ফ্রান্স আওয়ামী লীগ আয়োজিত অস্থায়ী শহীদ মিনারেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বেলা ১১টায় উদীচী সংসদ ফ্রান্স আয়োজিত প্যারিসের ওভারভিলায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।


অস্ট্রেলিয়ায় বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ মূর্তি স্থাপন

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

তবে অ্যাশফিল্ডের একটি পার্কে শহীদ মিনার ছাড়া এই শহরে বাঙালিদের কোনও স্থাপনা নেই। সিডনির বাঙালি অধ্যুষিত লাকেম্বার রেলওয়ে প্যারেড সড়কটি বঙ্গবন্ধু প্যারেড অথবা স্কয়ার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্থানীয় ক্যান্টাবারি সিটি করপোরেশন। কিন্তু এতে আপত্তি জানিয়ে তা আটকে দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত সমর্থকরা।

alt

ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনির প্যারাম্যাটা ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ মূর্তিটি তাই আবেগ সঞ্চার করেছে স্থানীয় বাঙালিদের মনে। মূর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনির মতো একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করা আমার জন্য বিশেষ গৌরবের। আজকের দিনটি আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। বঙ্গবন্ধুকে সম্মান দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক বলেন, ‘আজ বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনির আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক দাউদ হাসান বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ মূর্তি স্থাপনের প্রধান উদ্যোক্তা। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা তার অবদানের কথা মনে রাখবে।’  

alt

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক বার্নে গ্লোভার বঙ্গবন্ধুর নানা অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার সমুদ্র সম্পদকে দেশের জনগণের স্বার্থে কাজে লাগানোর চিন্তা ও পরিকল্পনায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা, পথিকৃৎ। তার মতো একজন মহান নেতাকে সম্মান জানাতে পেরে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনি কর্তৃপক্ষ গর্বিত।’

ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনি কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে সিডনি এসেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ভারত-মিয়ানমারের দখলে থাকা বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমা জয়ের পর এই অঞ্চলের সম্পদ নিয়ে জরিপ অথবা গবেষণা করতে আগ্রহী ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে আইনমন্ত্রীর।


অটোয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যেগে অমর একুশে পালিত

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

সদেরা সুজন, বাপ্ নিউজ : কানাডা থেকে।। বাংলাদেশ হাই কমিশন, অটোয়ার আয়োজনে ২১শে ফেব্রুয়ারী অমর শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভষা দিবস পালিত হলো, যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে। ২১ তারিখ কানাডায় কর্মদিবস থাকায় নগরীর রিচলিউ ভ্যানিয়ার কমিউনিটি সেন্টারে গতকাল ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০১৭'র বৃষ্টিস্নfত সন্ধ্যায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাই কমিশনার মিজানুর রহমন।

Picture

শুরুতেই ১৯৫২'র ভাষা আন্দোলন, '৭১এর মহান মুক্তযুদ্ধ ও '৭৫-এর কালরাতে শাহাদাৎ বরণকারী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যগণ সহ সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর ঢাকা থেকে প্রাপ্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে দূতাবাসের মিনিস্টার নাইম আহমেদ, কাউন্সিলর মাকসুদ খান, প্রথম সচিব আলাউদ্দিন ভুঁইয়া ও প্রথম সচিব অপর্ণা পাল।

alt
এর আগে, গত ২১শে ফেব্রুয়ারী সকালে বাংলাদেশ হাউসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন মান্যবর হাই কমিশনার মিজানুর রহমান। বাংলাদেশ হাই কমিশনের সকল কূটনীতিক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। মহান ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং '৭৫এর কালরাতে শাহদাৎ বরণকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এ সময় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

alt

অমর একুশের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাই কমিশনার বলনে, বাঙালীর মাতৃভাষা বাংলা ভাষার উপর ভিত্তি করেই আমাদের বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম। তিনি ভাষা শহীদদের, ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যবৃন্দের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে, তাঁর সরকারের আন্তরিক উদ্যোগ ও কূটনৈতিক প্রয়াসের ফলেই ২১শে ফেব্রুয়ারী আজ জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত হয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা পৃথিবীতে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। এক্ষেত্রে তিনি কানাডার বৃটিশ কলাম্বিয়া প্রবাসী সংগঠন International Mother Language Lovers Association এর জনাব সালাম এবং জনাব রফিকের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

altতিনি বলেন, এটি আনন্দের বিষয় যে আজ কানাডায় উচ্চ-মাধ্যমিক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক ভাষাগুলোর মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভৃক্ত হয়েছে। এই কানাডারই অটোয়াসহ বিভিন্ন শহরে ডিস্ট্রিক্ট স্কুল বোর্ড -এর অধীনে পরিচালিত স্কুলগুলোতে বাংলা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। প্রবাসী বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠন বাংলা ভাষা ও বাঙালী সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করে চলেছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট স্কুল/বোর্ড কর্তৃপক্ষ, বাংলা ভাষার শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকসহ বাঙালী কমিউনিটি সংগঠনসমূহকে তিনি বাংলাদেশের হাই কমিশনার হিসেবে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারী মহান শহীদ দিবস, ১৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ এবং ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের বিশেষ দিনগুলোতে সাংস্কৃতিক ও নানামুখী অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে বাঙালী সংস্কৃতিকে উৎসাহ প্রদান এবং এর প্রসার চলমান রয়েছে, যার অন্যতম অংশীদার অটোয়াসহ কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশীগণ।

alt
প্রবাসে শিশুদের বাংলা ভাষা চর্চায় অধিকতর উৎসাহ প্রদান এবং বাংলা ভাষা শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রতি অনুরক্ত হতে উদ্বুদ্ধ করার জন্য তিনি অভিভাবকদের বিশেষ অনুরোধ জানান। কানাডার টরন্টো, মন্ট্রিয়ল এবং অটোয়াসহ বাংলাদেশী অধ্যূষিত শহরগুলোতে শহীদ মিনার নির্মাণে প্রবাসীদের উদ্যোগে বাংলাদেশ হাই কমিশনের পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলে তিনি উপস্থিত সকলকে আশ্বস্ত করেন। এ সময়ে অটোয়া আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, মক্তিযোদ্ধাগণ, পেশাজীবী, গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, সংস্কৃতিকর্মী এবং সর্বস্তরের প্রবাসী নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ হাই কমিশনারের সহধর্মিনী মিসেস নিশাত রহমান, দূতাবাসের কূটনীতিকগণ এবং হাই-কমিশন পরিবারের সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ আমন্ত্রণে কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিরচালক পিটার ফসেট অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের উপর প্রদর্শিত ভিডিও ডকুমেন্টারী (তথ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত) উপস্থিত সকলকে বিমুগ্ধ করে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বেঅটোয়ার শিল্পীবৃন্দ ভাষা আন্দোলন, রাষ্ট্রভাসা সংগ্রাম ও গণজাগরণের বিভিন্ন গান কবিতা ও নাচ পরিবেশন করেন।সমবেত কণ্ঠে শিল্পীরা পরিবেশিত হয় "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি"; সালাম সালাম, হাজার সালাম, সকল শহীদ স্মরণে", "ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়"; "ভাষার জন্য যারা দিয়ে গেছো প্রাণ, ভুলিন আমরা"; এবং "তীর হারা এই ঢেউ এর সাগর পাড়ি দিব রে" । একক কণ্ঠের পরিবেশনায় ছিলো"মোদের গরব মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা" (ফারজানা মাওলা অজন্তা), "রাষ্টভাষা আন্দোলনো করিলি রে বাঙালী, তোরা ঢাকার শহর রক্তে ভাসালি" (দূতাবাসের প্রথম সচিব, শিল্পী,খাওয়াত হোসেন), "মাগো আর তোমাকে ঘুমপাড়ানি মাসি হতে দেব না" (ডালিয়া ইয়াসমীন) এবং "আমি বাংলায় গান গাই" (দেওয়ান মাহমুদ)। কবিতা আবৃত্তির মাঝে ছিলো, "মানুষ জাগবে ফের/শপথ" (মাসুদুর রহমান); "ফেব্রুয়ারীর কবিতা" (শিউলী হক) এবং "আমাদের মা" (মাকসুদ খান)। শিশু শিল্পীদের পরিবেশনায় ছিলো "রক্তে আমার আবার প্রলয় দোলা" (সমবেত); কবিতা "ফেব্রুয়ারীর গান" (দেওয়ান ফাতিমা সহীহ্‌); সেই রেললাইনের ধারে মেঠো পথটার পাড়ে দাঁড়িয়ে" (এ্যালিসিয়া ও আলিনা) এবং "যে দেশেতে শাপলা-শালুক ঝিলির জলে ভাসে" (ওয়াজিদ ও ইষ্টি)। "আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি, তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী" -গানটির সাথে নৃত্য পরিবেশন করে দুই সহোদরা নৃত্যশিল্পী লারিসা ও সানোভা। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে তবলায় সঙ্গত করেন সাদী রোজারিও, গীটারে ছন্দ রাখেন আরেফিন কবীর। সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করেন গিয়াস ইকবাল সোহেল, সাখাওয়াত হোসেন, হেলাল খান, আরেফিন কবীর, দেওয়ান মাহমুদ, ডালিয়া ইয়াসমীন,ফারজানা মাওলা অজন্তা, শিউলী হক, মাকসুদ খান ও মাসুদুর রহমান। পরিশেষে হলভর্তি দর্শকসহ শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে সমস্বরে গেয়ে ওঠেন কালজয়ী সেই অমর গান -
"আমর ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি . . . .আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি"। এ গানটির সাথে সাথেই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষিত হয়।

অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় ছিলেন বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান আলাউদ্দিন ভুঁইয়া। গ্রন্থনা ও উপস্থাপনায় ছিলেন দূতাবাসের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদ। অটোয়া, মন্ট্রিয়েল, কর্ণওয়াল, অরলিন্স, বার হেভেন ও কানাটাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন শহর থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীল ও কানাডীয় নাগরিক এ অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।


একুশের চেতনা ধারণ করে অপশক্তি রুখতে হবে - ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২৪ ফেব্রুয়ারী , ২০১৭ শুক্রবার ডেনমার্ক  আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ডেনমার্ক এর রাজধানী কোপেনহেগেন এ  এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ এর সভাপতি  ইকবাল হোসেন মিঠু এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া এর সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন , “ভাষার প্রতি তার (খালেদা) সম্মানই নেই। শহীদ মিনার, একটি পবিত্র জায়গা। ওই শহীদ মিনারে বেদীমূলে  বিএনপি নেত্রী তার স্ব-দলবল নিয়ে  উঠে দাঁড়িয়েছেন।এত  শহীদের প্রতি অসম্মান।


ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু  যে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ও আন্দোলনের  সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন; ইতিহাস থেকে তা মুছে ফেলা হয়েছে।” যারা পাকিপ্রেমিক তারা তো ইতিহাস বিকৃত করেই। আমাদের মধ্যেও অনেকে ইতিহাস বিকৃত করেছে।”এই সব ইতিহাস বিকৃতিকারী অপশক্তিকে রুখতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর  অর্জন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকা অবস্থায় ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। আমাদের সবাইকে একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে অপশক্তি এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা এর নেতৃত্বে জাতির জনকের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করতে হবে। 

আজকে আমাদের  সবাইকে শপথ নিতে হবে আমরা যেন কোন হাইব্রিড ও সুযোগসন্ধানীদের আওয়ামী লীগে পশ্রয় দিবো না।অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীর আলম , মোতালেব ভূঁইয়া , হিল্লোল বড়ুয়া  যুবলীগ সভাপতি আমির জীবন , ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট।অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ  ইউসুফ ,ফাহমিদ আল মাহিদ , আবুল্লা আল জাহিদ , আসাদুসজ্জামান , রেজাউল করিম , শোয়েব আহমেদ , রিয়াদ হোসেন , ফয়সাল হোসেন , জামশেদ রহমান , ইমরান হোসেন ,সুবীর , শাওন , কোহিনূর মুকুল , সাগর ,  তানভীর শুভ , সুকান্ত দে , আসিফ মুস্তারিন  সহ আরো অনেকে।


দক্ষিণ কোরিয়ায় একুশ উদ্‌যাপন

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

এক মিনিট নীরবতা পালন ও আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গান গেয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। এই প্রথম চোন্নাম ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অমর একুশে উদ্‌যাপন করা হলো।

একুশ উদ্‌যাপনের দৃশ্য

অস্থায়ী এই শহীদ মিনারে চোন্নাম ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ছাড়াও চোশান ইউনিভার্সিটি ও গুয়াংজু ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (জিস্ট) অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
একুশ উদ্‌যাপনের দৃশ্য

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন কবি শাহেদ কায়েস, লেখক বিজন সরকার, সৌমিত্র কুমার কুণ্ডু ও মুশফিকুর রহমান।


আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ডেনমার্কে আলোচনা সভা

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

বক্তারা আরো বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু যে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ও আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন; ইতিহাস থেকে তা মুছে ফেলা হয়েছে। যারা পাকিপ্রেমিক তারা তো ইতিহাস বিকৃত করেই। আমাদের মধ্যেও অনেকে ইতিহাস বিকৃত করেছে। এই সব ইতিহাস বিকৃতিকারী অপশক্তিকে রুখতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্জন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকা অবস্থায় ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। আমাদের সবাইকে একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির জনকের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীর আলম, মোতালেব ভূঁইয়া, হিল্লোল বড়ুয়া, যুবলীগ সভাপতি আমির জীবন ও ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট।অনুষ্ঠানে অারো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ ইউসুফ, ফাহমিদ আল মাহিদ, আবুল্লা আল জাহিদ, আসাদুজ্জামান, রেজাউল করিম, শোয়েব আহমেদ, রিয়াদ হোসেন, ফয়সাল হোসেন, জামশেদ রহমানসহ আরো অনেকে।


বিনম্র শ্রদ্ধায় কানাডায় মহান একুশে ‍উদযাপন

বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

সদেরা সুজন,বাপ্ নিউজ : কানাডা থেকে।।  ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলতে পারি?’ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় কানাডার শহরে শহরে পালিত হয়েছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পরের দিন কর্মদিবস থাকায় কিছুটা ছন্দপতন হলেও প্রতিটি শহরে বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকায় একই সময়ে একাধিকস্থানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভাষাশহীদকে স্মরণ করে অস্থায়ী শহীদ মিনারে প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ রকমারি আয়োজনে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস। প্রতিটি অনুষ্ঠানেই বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতি ছিলো। এছাড়াও বলতে গেলে সপ্তাহ জুড়েই একুশের রকমারি অনুষ্ঠান ছিলো।

alt

অমর একুশ তথা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপযাপন উপলক্ষ্যে ভিএজি,বির উদ্যোগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় মন্ট্রিয়লের ৬৭৬৭ কোট দ্য নেইজ (কক্ষ নং ৬৯৪) মিলনায়তনে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি শাহ মোস্তাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক রোকেয়া চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন ভিএজি,বি সাধারণ সম্পাদক ডঃ শোয়েব সাঈদ, লেখক-গবেষক তাজুল মোহাম্মদ, ডঃ সৈয়দ জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক আবুল আলম, অপরাহ্ন সুসমিতো, দিলীপ কর্মকার, আরিয়ান হক, হামোম প্রমোদ সিনহা, এ এফ এম মাহমুদুল হাসান, এডোয়ার্ড কর্ণেলিয়াস গোমেজ, শরীফ ইকবাল চৌধুরী ও সৈয়দ সানজিদ হোসেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জিয়াউল হক জিয়া, গোলাম মুহিবুর রহমান, শামশাদ রানা, অশোক তেওয়ারী, মুফতি ফারুক, আবু হোসেন জয়, রওশন আরা শোয়েব, ডাঃ জিনাত ফারাহ নাজ, পুষ্পিতা দেব চম্পা, মোঃ আশরাফুল কবির, মাসুম আনাম, জাহাঙ্গীর আলম, নাহিদা আক্তার, মোঃ সিদ্দিক, মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন ও অর্ঘ ঘোষ।

alt

সভার শুরুতে ভাষাশহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয় এবং সভা শেষে পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন পুষ্পিতা দেব, আরিয়ান হক, জিনাত ফারাহ নাজ, রওশন আরা শোয়েব, জাহাঙ্গীর আলম, মুফতি ফারুক, শামশাদ আরা রানা ও অপরাহ্ন সুসমিতো।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে টরন্টোর সাহিত্য সংগঠন বেঙ্গলি লিটারারি রিসোর্স সেন্টারের (বিএলআরসি) উদ্যোগে  ১৯ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত হলো 'মাতৃভাষা উৎসব'। এক ঝাঁক তরুণ তরুণীর স্বদেশীয় মিশ্রধ্বনির কলতানে মুখর হলো টরন্টোর আলবার্ট ক্যাম্পবেল লাইব্রেরি মিলনায়তন। বহু ভাষাভাষী তরুণদের এই সম্মিলনকে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিতে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক-এর দুই সংসদ সদস্য ন্যাথানিয়েল এরকিন-স্মিথ এবং আর্থার পটস। বিএলআরসি সভাপতি ড. রাখাল সরকারের শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় মাতৃভাষা উৎসবের আয়োজন। তিনি প্রবাসের তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করে প্রত্যেকের নিজ নিজ মাতৃভাষাচর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আহ্বান জানান।

alt

মাতৃভাষা সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের অভিজ্ঞতা নিয়ে ‘ল্যাঙ্গুয়েজ: স্টোরিজ অব দ্য ইয়ুথ’ পর্বে প্রাণময় আলোচনায় অংশগ্রহণ করে  টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জসুয়া, বাংলাদেশি তরুণ হাসিব করিম, শর্মিলা সেনথিলমনোহরন,  চাইনিজ বংশোদ্ভূত জুনিং(শ্যারন)শি, কানাডীয়ান-গায়ানিজ অমর অজয়ল্যাচমান। প্রত্যেকেই মাতৃভাষা নিয়ে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও অভিমত ব্যাক্ত করেন। মাতৃভাষা বিষয়ক তরুণদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর নিয়ে ভাষা-বিষয়ক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য রবীন্দ্রপ্রেমী মেথিউ কেলওয়ে, ‘বিচমেট্রো নিউজ’ পত্রিকার সম্পাদক আনা কিলেন, মুক্তচিন্তক আকবর হোসেন, ইংরেজি-ভাষী বাঙালি কবি সব্যসাচী নাগ এবং টরন্টোর পরিচিত উর্দু কবি ভাকার রাইস।

বাংলাদেশে মাতৃভাষা হিসেবে ‘বাংলা’র স্বীকৃতি এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস তুলে ধরা হয় একটি চমৎকার নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। দেশের গান এবং নিজ ভাষার প্রতি প্রবাসীরা ভালোবাসায় কতোটা আপ্লুত হয় বোঝা গেলো পুরো হলের পিনপতন নীরবতায়। একুশের গানে সজল হলো প্রতিটি হৃদয়। নৃত্যালেখ্যটি উপস্থাপনা করেন সূচনা দাস বাঁধন, শ্রেয়সী প্রামানিক, রাধিকা ভট্টাচার্য, আরিত্রি ভট্টাচার্য, সুকন্যা চৌধুরী, সামারা এবং  নিশুতি সাহা।

Picture

তরুণ পরিচালক নাদিম ইকবালের তথ্য-চলচ্চিত্র ‘মাদার টাং’-এর প্রদর্শনী ছিল অনুষ্ঠানের শেষ পরিবেশনা। প্রদর্শনের শুরুতে তিনি সিনেমাটি বানানোর  প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন। অভিবাসী শিশুদের মাতৃভাষাকে ভুলে যাওয়া বা শিখতে না পারা এবং এর কারণে বয়স্ক দাদা-দাদি, নানা-নানীদের সাথে তাদের ভাবপ্রকাশের যে ব্যবধান সৃষ্টি এই তথ্যচিত্রের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

এ প্রজন্মের তরুণ-তরুণী অর্ক ভট্টাচার্য, সূচনা দাস বাঁধন, অদিতি জহির, ব্রতী দাসদত্ত, জ্যোতি দত্ত পুরকায়স্থ, কৃত্যা চৌধুরী, সুবর্ণ চৌধুরী এবং চিত্তা চৌধুরীর সাবলীল সঞ্চালনা এবং পরিচালনায় পুরো অনুষ্ঠানটি ইংরেজিতে উপস্থাপন করা হয় সব ভাষাভাষীদের সুবিধার্থে।

alt

একই দিনে  কানাডার মন্ট্রিয়ল থেকে যাত্রা শুরু করলো নতুন কানাডিয়ান টেলিভিশন চ্যানেল টিভি এশিয়া HD । এশিয়ান কমিউনিটির সার্বিক সংবাদ প্রচার করা এই চ্যানেলটির কর্নধার হিসেবে কাজ করছেন বাংলাদেশী কানাডিয়ান তরুনরা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চ্যানেলটির মন্ট্রিয়লস্থ কর্পোরেট কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভা ও ভাষা শহীদদের স্মরণে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। শামসাদ রানা ও শর্মীলা ধরের সঞ্চালনায় এসময় চ্যানেলটির সি ই ও ইকবাল কবীর উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন চ্যানেলের প্রধান বার্তা সম্পাদক তানভীর ইউসুফ রনী, মার্কেটিং ম্যানেজার খালিদ হোসেন শাহিন, সিনিয়র সাংবাদিক রুমু ইসলাম ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহবুব ভুঁইয়া। অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী শ্বাশত সন্যাল, সুমা চৌধুরী, দেবপ্রিয়া কর রুমা এবং সরগম মিউজিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা । দিব্য ধরের বেহালায় করুণসুরে রূপায়িত হয় একুশের গান। অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সিটি কাউন্সিলর মারভিন রটরান্ড ।

গতকাল ২০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে (একুশের প্রথম প্রহর) কানাডার মন্ট্রিয়লে প্রচন্ড শীত ও পরের দিন কাজ থাকা সত্বেও বিপুল সংখ্যক প্রবাসীরা ২১'র প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের স্মরণে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেছে। সার্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই ২১'র অনুষ্ঠানে কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিভিন্ন সংগঠন অংশগ্রহণ করে পার্কের সালাতীন ব্যাঙ্কুয়েট হলে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পনের সময় মন্ট্রিয়লের ডেপুটি মেয়র ও স্থানীয় সিটি কাউন্সিলর ম্যাদাম মেরি ডেরস উপস্থিত ছিলেন।

‘তোমাদের আশা অগ্নিশিখার মতো জ্বলবে, প্রতিশোধ এবং বিজয়ের আনন্দে’ শিরোনামে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মন্ট্রিয়াল এর সার্বজনীন মহান একুশ উদযাপন করেছে মন্ট্রিয়লের ৬৭৬৭ কোট্ দ্যা নেইজে। বিশাল আয়োজনে বিপুল সংখ্যাক প্রবাসীর উপস্থিতিতে অস্থায়ী শহীদ মিনারে প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

alt

‘মোদের গরব মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা’ শিরোনামে সম্মিলিত অমর একুশে উদযাপন কমিটির উদ্যোগে  মন্ট্রিয়লের সেন্টরক স্ট্রীটের সেন্টার উইলিয়াম হিংস্টন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান। আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পনের মধ্য দিয়ে মহান একুশের শহিদের প্রতি শ্রদ্ধাঘ্য নিবেদন করা হয়। মন্ট্রিয়লের সুপরিচিত উপস্থাপিকা শর্মীলা ধরের উপস্থাপনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ কানাডার শাখার অন্যতম নেতা শ্যামল দত্ত, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মুহিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক তাজুল মোহাম্মদ, অধ্যক্ষ ফনীন্দ্র ভূষণ ভট্টাচার্য, জিয়াউল হক জিয়া, কবি আব্দুল হাসিব প্রমুখ। কবিতা আবৃত্তি করেন শামসাদ রানা। ২১'র প্রথম প্রহরে অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়, কানাডা আওয়ামীলীগ, ক্যুইবেক আওয়ামী লীগ, মৌলভীবাজার সমাজ কল্যাণ সমিতি, উদীচী মন্ট্রিয়ল, তৈমুননেসা ফাউন্ডেশন কানাডা সহ বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠন। এসময় বাংলাদেশ কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শর্মীলা ধর, কেয়া ভট্টাচার্য, মুনমুন দেব, শেলী দেব, মুধুমিতা দে ও পূরবী হালদার প্রমুখ।

টরন্টো প্রবাসী বাঙালিরা একুশের প্রথম প্রহরে ডেনফোর্থ ভিক্টোরিয়া পার্ক এলাকায় পৃথক দুটি স্থানে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য প্রদান করে বায়ান্নর ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঘ্য জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহিদ মিনারে উপস্থিত থেকে টরন্টো মেয়র জন টরি ভাষা শহীদদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গের ঘটনা পৃথিবীতে বিরল। তাঁদের আত্ম উৎসর্গের ঘটনা চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রচন্ড শৈত প্রবাহ উপেক্ষা করে বিপুল সংখ্যাক প্রবাসীরা  ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফ্রেব্রুয়ারি গানটি কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে প্রভাত ফেরির মাধ্যমে ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বারোটা এক মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামুনাই, , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদদালয় এলোমুনাই এসোসিয়েশন  প্রবাসী বৃহত্তর রংপুর বাসী, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, টরন্টো ফ্লিম ফোরাম, অন্য থিয়েটার, জগন্নাথ হল এসোসিয়েশন, হবিগঞ্জ সমিতিসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনার বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।।

অটোয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা অর্ধনির্মিত কালো পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে মহান একুশের কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এছাড়া কানাডার অন্যান্য শহরে রকমারি আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।


দুবাইতে প্রবাসী নারীদের পিঠা উৎসব

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আমিরাত প্রতিনিধি : সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে উৎসবমুখর পরিবেশে ফাল্গুনি সাজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্ণিল আয়োজনে গত শুক্রবার দুবাইয়ের মুশরিক পার্কে উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কানিজ ফাতেমা পপি, সাবিনা ইয়াসমিন, ফাহমিদা চৌধুরী, নিশাত জাহান, রোজী খাতুনের পিঠা উৎসবে হাজির করা হয় দেশীয় ঐতিহ্যের সুস্বাদু পাটি সাপটা, দুধ চিতই, ফুল জুড়ি, ডিম পিঠা, পাকন পিঠা, সই পিঠা, পুলি পিঠা সহ নানা রকমের পিঠা। ব্যতিক্রমী এই উৎসবে নজর কাড়ে পার্কে আসা ভিন দেশীদেরও।  

Picture

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন টকিও সেট গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম মানিক, প্রকৌশলী মোরশেদ, জায়েদ ইমাম পারভেজ, মাজাহারুল ইসলাম মাহাবুব, মিসেস শহিদ, নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ। সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন টকিও সেট গ্রপের পরিচালক জেসমিন আকতার সিআইপি, শেপালী আকতার আখি, সেলিনা আকতার লিনা, সাইদা দিবা, লোপা সারমিন, বিথি এহসান, নাজনিন চৌধুরী,শামসুন নাহার হোসাইন প্রমুখ।

পিঠা উৎসবে প্রথম হন রুকসানা রোজ, দ্বিতীয় হন নিশাত জাহান নিশু, তৃতীয় সাইদা আওয়াল। ফাল্গুনী সাজে প্রথম হয়েছেন আলমা, দ্বিতীয় লিলিয়া, তৃতীয় হন তামান্না রহমান। পরিশেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আমিরাতের প্রতিটি অঞ্চলে বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে এ ধরনের উৎসব দেশীয় প্রবাসীরা করে থাকে।


টরন্টো সিটিতে বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষা করার উদ্যোগ

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কানাডার টরন্টো সিটি কর্পোরেশন বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। ইতিমধ্যে এ নিয়ে একটি সমীক্ষাও শুরু করেছে তারা। তাতে বাংলা ভাষাভাষীদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। বাঙালী অধ্যুষিত ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জেনেট ডেভিসের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির সিটি কাউন্সিল এই উদ্যোগ নিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে কাউন্সিলর জেনেট ডেভিস জানান, বর্তমানে ১০টি এথনিক ভাষা সিটি কাউন্সিলের দাপ্তারিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃত। তবে তার মধ্যে বাংলা নেই। সেই কারণেই তিনি বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণের জন্য সিটি কাউন্সিলের সভায় প্রস্তাব এনেছিলেন। কাউন্সিল সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। এখন জনমত জরীপে এর পক্ষে মতামত পাওয়া গেলেই এটি গৃহীত হবে।

alt  

জেনেট ডেভিস বলেন, সিটির ওয়েব সাইটে এই সমীক্ষার মতামত নেওয়া হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সিটির ওয়েবসাইটে গিয়ে বাংলাকে সিটির দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণের পক্ষে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান।

জানা গেছে, সিটি কাউন্সিলের নথিপত্র, বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি, নির্দেশনা বর্তমানে ১০টি এথনিক ভাষায় অনুদিত হয়ে প্রচার হয়। জেনেট ডেভিসের প্রস্তাবটি গৃহীত হলে বাংলা ভাষায়ও সিটির সকল ধরনের নথিপত্র প্রচারিত হবে।