Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বিনোদন

১১ বছরে বৈশাখী টেলিভিশন

শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:২৭ ডিসেম্বর ১১ বছরে পা দিচ্ছে জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন বৈশাখী। এ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পীকার ড. শিরিন শারমীন চৌধরী, বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। বানীতে বৈশাখী টেলিভিশনের উত্তোরত্তোর সফলতা কামনা করেছেন তাঁরা। সকল সংকট অতিক্রম করে বৈশাখী টেলিভিশন অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। একই সঙ্গে তাঁরা প্রত্যাশা করেন অতীতের মতো ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার বিকাশে বৈশাখী টেলিভিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

২৬ ডিসেম্বর রাত ১২ টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে কেক কেটে বৈশাখীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করবেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবাহান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ রাজনীতি, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
Boysa   Baps4
২৭ ডিসেম্বর (রবিবার) সকাল ১১ টায় জাতীয় সংসদের এলডি হলে দ্বিতীয় দফায় কেক কাটবেন জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী। এসময় মন্ত্রী পরিষদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, শিল্প ও সাংস্কৃৃতিক অঙ্গনের  বিশিষ্টজন। এদিন সকাল ১১ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের এল ডি হলে মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। দিনব্যাপী সরাসরি সম্প্রচারিত হবে নানা আয়োজন।

২০০৪ সালে বৈশাখী টেলিভিশনের জন্ম হলেও ২০১০ সালে নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে বৈশাখী। নতুন নেতৃত্ব ও লোগো পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে দর্শক সমাদৃত হয়ে উঠে বৈশাখী। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বৈশাখী টেলিভিশন পেশাগত দক্ষতা ও সততা দিয়ে সংবাদ পরিবেশন ও সময়উপযোগী অনুষ্ঠান নির্মাণে যতœশীল সবসময়।

সাফল্য ও সংকটে বেশাখীর সাথে থাকার জন্য দর্শক, বিজ্ঞাপনদাতা, ক্যাবল অপারেটর ও শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বৈশাখী টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু আলম।


থার্টি ফার্স্ট নাইটে বৈশাখী ধামাকা

মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৫

পলাশ মাহবুব,বাপসনিঊজ::থার্টি ফার্স্ট নাইটে বৈশাখী টেলিভিশনের আয়োজন করছে ইয়ার এন্ডিং কনসার্ট বৈশাখী ধামাকা। কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন বোট ক্লাবে। বৈশাখী টেলিভিশনের এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

31 consalt Baps
বৈশাখী ধামাকা’য় সঙ্গীত পরিবেশন করবে জনপ্রিয় ব্যান্ডদল মাইলস, জলের গান, হায়দার হোসেন, ফকির শাহাবুদ্দিন, সন্দীপন ও চৈতি মুৎসুদ্দিন। সরাসরি কনসার্ট উপভোগ করা যাবে একদম ফ্রি তবে এসএমএস-এর মাধ্যমে নাম নিবন্ধন করতে হবে। এ বিষয়ে বি¯তারিত জানা যাবে বৈশাখী টেলিভিশনের পর্দায়।


ইউরোপের টিভি চ্যানেলে বাংলাদেশি নওশাবা

মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৫

Picture
এদিকে নওশাবা তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে খিজির হায়াত খানের ‘প্রতিরুদ্ধ’, এম রাশেদ চৌধুরীর ‘চন্দ্রাবতীর কথা’ ও দীপংকর দীপনের ‘ঢাকা অ্যাটাক’। এছাড়া নতুন দুটি ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন তিনি। একটি জুয়েল মাহমুদের ‘ওয়ান ওয়ে’ ও অন্যটি সাগর জাহানের ‘মিলার বারান্দা’। ২০০৭ সালে কিসলুর নির্দেশনায় নওশাবা প্রথম বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেন। সর্বশেষ তিনি গত বছর ওয়াহিদ তারেকের নির্দেশনায় একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেন।


পর্ন তারকাদের আয় কত? জানলে চমকে উঠবেন আপনিও

শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৫

১০) লেক্সিনটন স্টিলি: এক সময় পেশায় স্টক ব্রোকার ছিলেন একটি নামকরা ফার্মে। ২০০১ সালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে য়খন হামলা হয়, তখন তিনি সেখানেই ছিলেন। বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছিলেন। এঁর বার্ষিক আয় ৬০ লক্ষ মার্কিন ডলার। ৯) কেটি মর্গ্যান: এক সময় জেলবন্ধি জীবন কাটাচ্ছিলেন কেটি। মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় মারিজুয়ানা পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। নিজের জামিন এবং মামলা লড়ার খরচ জোগাড় করতেই এই পেশায় আসেন কেটি। এখন অন্যতম ধনী তারকা তিনি। বছরে আয় ৬০ লক্ষ মার্কিন ডলারের কিছু বেশি। ৮) ব্রি ওলসন: ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের শখ ছিল। স্টেজে এক সময় অভিনয়ও করেছেন। তার পর এ পেশায় আসা ঠিক করেন। এ মুহূর্তে আয়ের বিচারে তিনি ৮ নম্বরে রয়েছে। বার্ষিক আয় ৭০ লক্ষ মার্কিন ডলার। ৭) রন জেরেমি: এক সময় শিক্ষক ছিলেন। পরে অভিনেতা হওয়ার আশায় নিউ ইয়র্কের রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষে পর্যন্ত করতে হয়েছে তাঁকে। এখন তাঁকে বেস্ট মেল পর্ন স্টারের আখ্যা দেওয়া হয়। ব্যাঙ্ক ব্যালান্সও সে কথাই বলে। বার্ষিক আয় ৭৫ লক্ষ মার্কিন ডলার।

Picture

৬) মারিয়া তাকাগি: এ মুহূর্তে অন্যতম জনপ্রিয় পর্ন অভিনেত্রী। জাপান থেকে সোজা মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমানোর পর আয়ের বিচারেও সকলকে টেক্কা দিচ্ছেন। বার্ষিক আয় প্রায় ৮০ লক্ষ মার্কিন ডলার। ৫) জেসি জেন: নিউ ইয়র্কে তিনি রীতিমতো জনপ্রিয়। একটি আর্টিকেলে লেখা হয়েছিল, ‘তিনি ২ বার ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট অপারেশন করিয়েছেন। আসলে অপারেশন নয়, ইনভেস্টমেন্ট।’ বার্ষিক আয় ৯০ লক্ষ মার্কিন ডলার। ৪) ট্রেসি লর্ডস: আসল নাম নোরা লুইসি কুজমা। মাত্র ১৫ বছর বয়সে এক জন ন্যুড মডেল হিসাবে কেরিয়ার শুরু করেন ট্রেসি। দীর্ঘ কেরিয়ার শেষ করেছেন। তার সঙ্গে বানিয়েছেন বিরাট ব্যাঙ্ক ব্যালান্স। বার্ষিক আয় ১ কোটি মার্কিন ডলার। ৩) পিটার নর্থ: গিয়েছিলেন মডেল হতে, হয়ে গেলেন পর্ন তারকা। একটি ইন্টারভিউতে নিজের মুখেই এ কথা স্বীকার করেছেন নর্থ।

একটি প্রাইভেট পার্টিতে মডেলিংয়ের কাজ করার সময় এক পরিচালকের নজরে পড়ে যান তিনি। তার পর প্রচুর পর্ন মুভিতে অভিনয় করেছেন এবং নিজেও পরিচালনার কাজ করেছেন। বার্ষিক আয় ১ কোটি ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার। ২) টেরা প্যাট্রিক: ১৯৯৯ সালে পর্ন দুনিয়ায় নিজের কেরিয়ার শুরু করেন টেরা। ২০০৮ সালে অবসর নিলেও নিজের প্রোডাকশন হাউস চালান। বিশ্বজুড়ে নিজের অভিনীত ছবিগুলিকে লাইসেন্স করিয়েছেন। সেই থেকেই বিরাট আয় হয় তাঁর। এখন বছরে আয় করেন দেড় কোটি মার্কিন ডলার। ১) জেনা জেমসন্স: বয়ফ্রেন্ডের ওপর রাগ করে হঠাত্‍ করে ঠিক করেন পর্ন তারকা হবেন, ব্যস যেমন ভাবা তেমন কাজ। হয়েই গেলেন। এ মুহূর্তে রোজগারের বিচারে এক নম্বরে রয়েছেন জেনা। বার্ষিক আয় ৩ কোটি মার্কিন ডলার। স্পেশাল মেনশন: হ্যাঁ, যাকে খুঁজছেন তিনিও আছেন তালিকায়। সানি লিওন। পর্ন সিনেমায় মুখ দেখানো ছেড়েছেন অনেক দিন হয়ে গিয়েছে, তবে আয়ের বিচারে তিনি আছেন ২১ নম্বরে।


সপরিবারে আমেরিকা যাচ্ছেন অপূর্ব

শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:অভিনেতা অপূর্ব। নিয়মিত অভিনয় করছেন পর্দায়। সম্প্রতি প্রথম নাম লিখিয়েছেন বড় পর্দায়। এতদিন বেশ ব্যস্ততা গেল তাঁর। এবার তিনি দেশের বাইরে যাচ্ছেন। তাও আমেরিকাতে। তবে কোন নাটক অথবা চলচ্চিত্রে অভিনয় করবার জন্য নয়। শুধুমাত্র তাঁর একমাত্র ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে পাড়ি জমাচ্ছেন সদূর আমেরিকাতে। ব্যস্ততা থাকায় সপরিবারে কোথাও যাওয়া হয়না। তাই আমেরিকাতে থাকা আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা করে ফিরবেন প্রায় একমাস পর।

Picture

কবে যাচ্ছেন তিনি আমেরিকায়? এই প্রশ্নের উত্তর অপূর্বই দিলেন প্রিয়.কমকে, ‘২০ ডিসেম্বর রাত আট বাজে আমার ফ্লাইট। সবাই আমাদের জন্য দেয়া করবেন যাতে করে আমরা ভাল ভাবে আমেরিকাতে পৌঁছাতে পারি। এবং সেখান থেকে যেন আবার আমার দেশে ফিরে আসতে পারি। সবাই ভাল থাকবেন। বিশেষ করে আমার ভক্তদের বলছি। আপনারা ভাল থাকবেন সবাই। ভালবাসা থাকলো।’


হুইলচেয়ার সুন্দরী

মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৫

Picture

বাপসনিঊজ:নারীদের নিয়ে যেসব সুন্দরী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় তাতে যারা অংশগ্রহণ করেন তাদের শারীরিকভাবেও নিখুঁত হতে হবে, এটাই ছিল এতদিনের প্রচলিত ধারণা। কিন্তু ভারতের ব্যাঙ্গালোরে শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীদের মডেলিং এবং ভিজ্যুয়াল মিডিয়ায় কাজের সুযোগ করে দিতে আয়োজন করা হয়ে থাকে এক ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতা। এর নাম ‘মিস হুইলচেয়ার বিউটি’। প্রতিযোগিরা হুইলচেয়ারে বসেই প্রতিযোগিতার সব পর্বে অংশ নিয়ে থাকেন। পাশের ছবিতে এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া কয়েকজন হুইলচেয়ার সুন্দরী।


বেয়ার গ্রেইলস আর ওবামার এডভেঞ্চার দেখা যাবে ৩১ ডিসেম্বর

সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫

Picture

এর আগে বেয়ার যখন হোয়াইট হাউস থেকে ফোন পান তখন বিশ্বাস করতে পারেননি। ভেবেছিলেন কেউ দুষ্টুমি করছে। কিন্তু প্রেসিডেন্টওবামা যখন নিজে তার সাথে কথা বলেন তখন তিনি আকাশ থেকে পড়েন! বেয়ার গ্রিলস মানেই বিছে, পোকামাকড়, বহু দিনের মৃত পশুর মাংস, রক্ত, মল, কাঁচা মাছ এমনকি প্রাণ বাঁচাতে নিজের প্রস্রাব পান সহ খাওয়ার যোগ্য অযোগ্য যেকোনও কিছুই অবলীলায় খেয়ে ফেলার গা শিরশির করা দৃশ্য। নিত্যনতুন কৌশলে পাহাড় নদী জঙ্গল পার হয়ে তিনি ঠিকই পৌছে যান সভ্য জগতে। বেয়ার গ্রিলস-এর সঙ্গে বারাক ওবামার অ্যাডভেঞ্চারের শুটিং মাস দুয়েক আগেই শেষ হয়েছিল। এই পর্বে আদিম প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই চালিয়ে সভ্যতায় পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সঙ্গী করেই বেয়ার পাড়ি দিয়েছেন আলাস্কার প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এবার ক্যামেরায় ধারনকৃত সেই এডভেঞ্চারের দৃশ্য আসছে টিভি পর্দায়। ডিসকভারি চ্যানেলের ঘোষণা অনুযায়ী এবছরের শেষ দিনটিতে অর্থাৎ আগামী ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে নয়টায় "পাগলা" বেয়ারের সাথে পৃথিবী সবচে শক্তিধর ব্যক্তিটির এডভেঞ্চার দেখতে পাবে দর্শকরা। কড়া নিরাপত্তার ভেতর এই এডভেঞ্চারের শুটিং হয়েছিল। শুটিংয়ের পরপরই বেয়ার বলেছিলেন ওবামার সাথে তিনটি দিন খুব উপভোগ্য ছিল।
যুক্তরাজ্যের নাগরিক বেয়ার গ্রেইলসের পুরো নাম এডওয়ার্ড মাইকেল গ্রিলস। জন্ম জুন ৭, ১৯৭৪। পিতা কনজারভেটিভ পার্টির প্রয়াত রাজনীতিবিদ স্যার মাইকেল গ্রিলস। পরিবারে স্ত্রী সারা এবং তিন সন্তান। তিনি পড়াশোনা শেষ করে দুনিয়া জয়ের নেশায় ভারতীয় সেনাবাহিনী, যুক্তরাজ্যের স্পেশাল ফোর্স এবং স্পেশাল এয়ারফোর্সে চাকরি করেন। মানব সেবায় অবদান রাখার জন্যে ২০০৪ সালে গ্রিলসকে সম্মানসূচক পদ লেফটেন্যান্ট কমান্ডারে পদোন্নতি দেয়া হয়।
১৯৯৮ সালের ১৬ মে মাত্র তেইশ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট এভারেস্ট জয়ীর গৌরব অর্জন করেন। পরিবেশ দূষণের ফলে কী ভাবে পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে, তারই প্রচারে এই বেয়ারের সঙ্গে সার্ভাইবাল চ্যালেঞ্জে সঙ্গী হয়েছেন ওবামা।


যুক্তরাষ্ট্রেও সুখে আছেন তারা

বুধবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :দুজনেই ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ। অভিনয়টাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন, প্রতিষ্ঠাও পেয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ রণে ভঙ্গ দিয়ে পাড়ি জমান সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে। বলতে গেলে স্থায়ী ভাবেই সেখানে বসবাস করছেন। বলছিলাম অভিনেত্রী মোনালিসা ও রুমানার কথা।

altজীবনের প্রয়োজনে মিডিয়া থেকে দূরে সরে গেলেও দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বটা এখনও অমলিন। তাই যুক্তরাষ্ট্রের যান্ত্রিক জীবনের মাঝেও সম্প্রতি কিছুটা সময় একসঙ্গে কাটিয়েছেন তারা। সারাদিন শপিং, ঘোরাঘুরি আর আড্ডার মাধ্যমে ফিরে গিয়েছিলেন ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে।

সম্প্রতি নিউইয়র্কের ফরেস্ট হিল রেস্টুরেন্টে এক হয়েছিলেন মোনালিনা ও রুমানা। সব ব্যস্ততা ভুলে আড্ডা, খাওয়া দাওয়া আর ঘোরাঘুরিতে মেতেছিলেন। এ সময় পুরনো দিনের স্মৃতিচারণও করেন তারা।

অন্যদিকে বিয়ে করে নতুন সংসারের স্বপ্নেই আমেরিকায় পাড়ি জমান মোনালিসা। কর্ম হিসেবে ‘কিকো মিলানো’ নামের ইতালিয়ান ব্রান্ডের একটি কসমেটিক্স, মেকাপ এন্ড স্কীন কেয়ার সেন্টারে চাকরিও করছেন।

আর রুমানার সম্প্রতি তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এলিন রহমানের সঙ্গে এখন সংসার জীবন পালন করছেন।


হারিয়ে যাচ্ছে শিশুদের সিনেমা ও গান!

সোমবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:শিশুদের জন্য লেখার কলম যেন থেমে আছে, গানের সুরে নীরবতা বাজে, শিশুদের চলচ্চিত্রের পর্দায়ও কি পড়েছে সিলগালা? বাংলাদেশে শিশুদের সিনেমার বর্তমান অবস্থার কথা জানাতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন অনেকে। ‘আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী’ সেই গানটা আজও বাজিয়ে চলেন তখন যারা শিশু ছিলেন তারা। এখনকার শিশুদের জন্য এমন একটা গানও তো নেই- এভাবে আক্ষেপ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা। কেন ও কীভাবে হলো এমনটা- এই প্রশ্নের জবাবে নির্মাতা,গায়ক,সংগীত পরিচালক ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা দিলেন ‘বাস্তবতার’ দোহাই!

প্রযোজক সমিতির তথ্য মতে,২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির সংখ্যা ৭৮। আর ২০১৩ সালে এই সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে ৫০ এর কোঠায়। শিশুদের জন্য খুঁজে পাওয়া যাবে না একটি ছবি কিংবা একটি গানও।

একসময় শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে ৫০টির বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। এছাড়া পরবর্তীতেও শিশু অভিনয়শিল্পীর জন্য আরও কিছু গানে গলা মিলিয়েছেন তিনি। অতীত-বর্তমান মিলিয়ে নিজের অনুভূতির কথা জানালেন এ শিল্পী।

তিনি বলেন, ছোটবেলায় বহু ছবিতে আমি গান করেছি। পরবর্তীতেও কিন্তু গেয়েছি। আসলে তখন ছবিতে এ ধরনের গল্প থাকত। যার ফলে গান গাওয়ার সুযোগ তৈরি হতো। কিন্তু এখন কি এমন ছবি তৈরি হচ্ছে? একটা ছবিতে শিশুদের গান থাকতেই হবে, এমন তো কথা নেই। কিন্তু চলচ্চিত্র বেশ বড় মাধ্যম। শিশুর বিকাশে যা আমরা কাজে লাগতে পারি।

সাবিনা ইয়াসমিন আরও বলেন, পাশ্চাত্যের অনেক দেশে মিউজিক্যাল ছবি তৈরি হচ্ছে, বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি। আমাদের দেশে তো এটা ভাবাই যায় না। আর এগুলো কিন্তু শিশুরা বেশ পছন্দ করে। তাই এগুলো নিয়ে ভাবা উচিত। কারণ আমাদের এখানে বাচ্চাদের বিনোদনের মাধ্যম সীমিত। তাদের জন্য সিনেমা ও নির্মাণ খুব জরুরি।

৮০‘র দশকের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান। সবধরনের গানের মধ্যে তিনি শিশু কণ্ঠের গানও সুর করেছেন। তার ভাষ্য, ‘বাংলা চলচ্চিত্রে শিশু শিল্পীর জন্য গান তৈরি না হওয়ার অন্যতম কারণ এখন শিশুতোষ ছবিই নির্মাণ হচ্ছে না। আর ছবি নির্মাণ না হওয়ার জন্য আমাদের সমাজ ব্যবস্থাও দায়ী বলে মনে হয় ‘তিনি বলেন, শিশুদের তৈরি হচ্ছে না আলাদা কোনও গল্প। শুধু ভাবা হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সস্তা বিনোদনের কথা। যার ফলে কাহিনীকারও গল্প সাজাচ্ছেন সেভাবে। যেখানে শিশু চরিত্র কমে যায়। তাই একজন সংগীত পরিচালকের গান তৈরির কোনও সুযোগও থাকে না। আবার হয়তো ব্যবসার দিকও বিবেচনা করা হতে পারে। কারণ এখন আইটেম গানের চলটা বেশ চলছে। একটা আইটেম গান করলেই আলাদাভাবে কাভারেজ পাওয়া যায়। গান হিট হলেই ভাবা হয় চলচ্চিত্র হিট। তাই বাণিজ্যিক ছবি নির্মাতাদের মাথায় এখন শিশুতোষ গানের চেয়ে আইটেম গানের চিন্তাটা ঢুকে গেছে।

‘কলমীলতা’ বা ‘হত্যা’ ছবির জন্য শিশুদের গানের সুর করা সাদী আরও বলেন, ‘নতুনদের এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে। কারণ এখন ছবি মুক্তি পায় কিন্তু শিশুতোষ ছবি বা শিশুশিল্পীর গান তৈরি হয় না।’

কণ্ঠশিল্পী শাম্মী আকতারের গাওয়া ‘সত্য-মিথ্যা’ ছবির ‘বাবা আমার বাবা’ বা ‘ভাই-ভাই’ ছবির ‘ভাই আমার ভাই তুমি’ গানগুলো এখনও হঠাৎ ভেসে আসে কান। যা শুনে অনেকের চোখ সিক্ত হয়। এ শিল্পী জানান, আসলে একজন কণ্ঠশিল্পী চলচ্চিত্রের একটি অংশ যারা গাওয়া ছাড়া নির্মাণে আর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেন না। আমিও একই কাতারের। আর এখন তো গানের জন্য প্রস্তাব সেভাবে আসেই না। তাই চলচ্চিত্রে সম্পৃক্ত হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। নতুনরা গান করছে। তারা ভালো করছে। তবে তাদেরও কিছু করার নেই। এটা নতুন চলচ্চিত্র নির্মাতারা করতে পারবেন। যদি তারা চান।

তবে গান শিশুকে সৃষ্টিশীল হয়ে উঠতে সয়াহতা করে বলে জানালেন সংগীত পরিচালক ইমন সাহা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এ শিল্পী স্মৃতিচারণ করে বললেন, আমি কিন্তু ছোটবেলায় সিনোমা হলে যেতাম। তখন থেকে আমার মনে হতো আমি যদি ‘অমুকের’ মতো হতে পারি। এ আক্ষেক তখনই হবে যখন একজন শিশুর হলে যাওয়ার মতো আগ্রহ থাকে।তিনি বলেন, যখন দেখবে তার মতো একজন গান গাইছে,সে কিন্তু তখন গায়ক বা অভিনেতা হতে চাইবে। তাদের কল্পনার জগত খুলে যাবে। এমনটা তো আমারই হয়েছে। ছোটবেলায় আমি ভাবতাম বড় পুরস্কার মানে বিরাট মাপের পুরস্কার। একদিন বড় দা পুরস্কার নিয়ে বাসায় এলেন। আর আমি তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম আমিও সংগীত পরিচালক হব। ঘোষণা দিলাম, বড়দার চেয়েও বড় পুরস্কার আমি ঘরে আনব। যার সাইজ হবে আলমারির মতো! শিশুরা কিন্তু এখন এই অনুপ্রেরণার জায়গা পাচ্ছে না। এটা নিয়ে ভাবা উচিত। আর শুধু শিশুতোষ ছবি কেন, এমনিতেই সাধারণ ছবিতে গান নিয়ে কাজ করার সুযোগ থাকে। শুধু ছবির পরিচালককে সে ধরণের গল্প বাছাই করতে হবে।

Picture

ছোটবেলার ঘটনা পরবর্তী জীবনে কতটা প্রভাব ফেলে তা জানাতে মনোচিকিৎসক সালাউদ্দিন কাওসার বিপ্লব বলেন, একটা চলচ্চিত্রর মতোই একটা গানও শিশুদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। শিশুদের জন্য নির্মিত চলচ্চিত্র বা গান তাদের কল্পনার বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে। তাই গান বা সিনেমার বিষয়বস্তু নির্বাচন এ ক্ষেত্রে বেশ জরুরি।

‘আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, বাংলাদেশ’-এর প্রবন্ধ ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র আর্কাইভের তথ্য মতে, স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সর্বাঙ্গীন শিশুতোষ চলচ্চিত্র হিসেবে পাওয়া যায় ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ (১৯৮০)। বাদল রহমান পরিচালিত এই চলচ্চিত্র সরকারি অনুদানে নির্মিত হয়েছিল। অনুদানপ্রাপ্ত আরেকটি শিশুতোষ চলচ্চিত্র মোরশেদুল ইসলামের ‘দীপু নাম্বার টু’ (১৯৯৬)। একই পরিচালকের ‘দূরত্ব’ (২০০৪) ছবিটি নির্মিত হয়েছে বেসরকারি পর্যায়ে, ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায়।

তবে পূর্ণাঙ্গ শিশুতোষ না হলেও একসময় বাংলাদেশের মূলধারার চলচ্চিত্রে শিশুচরিত্রের বেশ প্রাধান্য ছিল। এমন কিছু চলচ্চিত্র সুভাষ দত্তের ‘ডুমুরের ফুল’ (১৯৭৮), আজিজুর রহমানের ‘অশিক্ষিত’ (১৯৭৮) ও ‘ছুটির ঘণ্টা’ (১৯৮০), শেখ নজরুল ইসলামের ‘এতিম’ (১৯৮০) ও ‘মাসুম’ (১৯৮১), শহীদুল আমিনের ‘রামের সুমতি’ (১৯৮৫) ইত্যাদি ছবির প্রধান চরিত্র বা অন্যতম প্রধান চরিত্র ছিল শিশু-কিশোররা।

নব্বই দশক থেকে পারিবারিক-সামাজিক ধারা কমে গিয়ে সহিংস-অপরিশীলিত রুচির সিনেমার সংখ্যা বেড়ে যায়। এসময় শিশুচরিত্র ছিল না বললেই চলে। থাকলেও তার উপস্থিতি স্বল্প সময়ের জন্য এবং তাও সহিংসতার কারণ বা অনুষঙ্গ হিসেবেই হাজির হয়ে এসেছে। তবে মূল সিনে-সংস্কৃতির বাইরে, অনেকটা প্রচারহীনভাবে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ১৯৮০ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫০টি ছবি প্রযোজনা করেছে।

এ বিষয়ে নির্মাতারা কী ভাবছেন তা জানতে চাওয়া হলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, শিশুতোষ ছবি থাকলেই যে গান নির্মাণ হবে তাও কিন্তু নয়। আমাদের আসলে কিছু দৃশ্য হারিয়ে যাচ্ছে। হয়ত সিনেমায় শোয়া, রান্না বা খাবার টেবিলের কোনও দৃশ্য থাকছে না। এগুলো তো পারিবারিক আবহ ফুটিয়ে তোলে। এসব দৃশ্যেই গান তৈরি হয়।

তবে কি নির্মাতারা শহুরে গল্প বাছাই করছেন? এমন প্রশ্নে তিনি বললেন, এটা ঠিক শহুরে গল্পই নির্মাতাদের প্রভাবিত করছে। গল্প বাছাইটা প্রধান বিষয় মনে হয়। আর আইটেম প্রভাব ফেলছে বলে মনে হয় না। কারণ আমাদের এমন অনেক শিশুতোষ গান আছে যা ছবির প্রচারে বেশ কাজে লেগেছে। বাণিজ্যিক দিক থেকে আইটেম গানের চেয়ে এ গানগুলোই সফল। আমাদের ভাবতে হবে ছবি নির্মাণ নিয়ে।

এ নির্মাতা জানালেন, সরকারি অনুদানের ক্ষেত্রেও পাঁচটির মধ্যে দুটি শিশুতোষ সিনেমা নির্বাচন করা হয়। তবে এখানে শর্ত হলো ভালো গল্প থাকতে হবে। কিন্তু শিশুদের গানের জন্য মূল সহায়ক নির্মাতাদের পরিকল্পনা ও সচেতনতা।তিনি আরও জানান, আশির দশকে মাস্টার সুমন কিংবা মাস্টার শাকিল তারকাখ্যাতি পেয়েছিলেন। কারণ, তারকা হয়ে ওঠার মতো যথেষ্ট পরিসর জুড়ে শিশু-কিশোর চরিত্রের উপস্থিতি থাকত, ছিল তাদের মানানসই গান। যা হয়ত শিশুদের চিত্ত বিকাশেও সহায়তা করত। আর এখন তো ছবির শিশু চরিত্র বা গানও চলে গেছে কাটছাঁটের তালিকায়।


ডিসেম্বরে মুক্তিযুদ্ধের তিন ছবি

সোমবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৫

বাপসনিঊজ:বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে মুক্তি পাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের তিন চলচ্চিত্র- মানিক মানবিকের ‘শোভনের স্বাধীনতা’, মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ‘অনিল বাগচীর একদিন’ ও  রিয়াজুল রিজু পরিচালিত ‘বাপজানের বায়োস্কোপ’।

এর মধ্যে ১১ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে মানিক মানবিকের পরিচালনায় ‘শোভনের স্বাধীনতা’। রশীদ হায়দারের ‘শোভনের স্বাধীনতা’ উপন্যাস অবলম্বনে সরকারী অনুদানে সিনেমাটি নির্মাণ করছেন তিনি।। মুক্তির আগেই ছবিটি কলকাতা আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে প্রসংশিত হয়েছে। কয়েকজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধজয়ের গল্পে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। এতে ফেরদৌস, নিপুণ, স্বদেশ সুমন, চৈতি ও মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, আলমগীর, মোশারফ, রনধীর বাপ্পী, শহীদ, হিরন্ময় হীরা ও অনেকে অভিনয় করেছেন। 

Picture

একই দিনে মুক্তি পাবে আরেক চলচ্চিত্র ‘অনিল বাগচীর একদিন’। হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম। বেঙ্গল ক্রিয়েশন লিমিটেডের প্রযোজনায় এ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন আরেফ সৈয়দ, জ্যোতিকা জ্যোতি, গাজী রাকায়েত, আইয়ূব আলী, ফারহানা মিঠু, মিশা সওদাগর প্রমুখ। 

এর আগে গত ১৩ নভেম্বর হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে ছবিটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তির আগে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ‘কলম্বো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ ও থাইল্যান্ডের ‘ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ব্যাংকক’-এ প্রদর্শিত হয়েছে ছবিটি। 

ডিসেম্বরেই মুক্তি পাচ্ছে আরেক চলচ্চিত্র ‘বাপজানের বায়স্কোপ’। তবে মুক্তির তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রিয়াজুল রিজু। প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জীবন সরকারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম ও হাসেন মোল্লার চরিত্রে আছেন শতাব্দী ওয়াদুদ। এছাড়াও আরো অভিনয় করেছেন সানজিদা তন্ময়।


আমেরিকার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ১০০ সিনেমা

শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫

এটি একটি জাতীয় চলচ্চিত্র ঐতিহ্য যা সারা বিশ্বে সিনেমা তৈরিতে প্রভাব রেখে আসছে। তাই বিবিসি মনে করে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবং বিবিসি আরো জানতে চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্রের বিষয়ে পুরো বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন। বিবিসি যুক্তরাজ্য, ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের অধিবাসী থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং অবশ্যই আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়। বিবিসির আগের যেসব প্রকাশনা সংস্থা এইরকম তালিকা নির্ণয় কাজে সম্পৃক্ত হয়েছিলো তারা শুধুই এককভাবে আমেরিকান চলচ্চিত্রের দিকে নজর দেয়নি। এছাড়াও বিবিসি যাদের চলচ্চিত্র নির্বাচনের জন্য নিয়োজিত করে তারা সবাই পেশাগতভাবে দূরদর্শী নন, এদের ভেতর কেউ পত্রিকা কিংবা ম্যাগাজিনে সিনেমার মূল্য নিরূপক, কেউ সম্প্রচারক, কেউ লেখক।

Picture

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কোন সিনেমাকে আমরা আমেরিকান সিনেমা বলতে পারি?
এর উত্তর, যেকোনো সিনেমা যেটির অর্থ উৎস আমেরিকা। এই সিনেমাগুলোর পরিচালকদের যে আমেরিকান নাগরিক হতে হবে, এমন নয়। কিংবা ছবিগুলোর শুটিংও যে আমেরিকাতেই হতে হবে, তাও নয়। মজার বিষয় হচ্ছে, আমেরিকার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সিনেমার তালিকার ৩২টি ছবিই অন্যদেশের পরিচালকদের দিয়ে বানানো। বিবিসির প্রত্যেক চলচ্চিত্র নির্বাচক ১০টি করে সিনেমা রিভিউ করেন। প্রত্যেকের তালিকার বেস্ট সিনেমাটি পায় ১০ পয়েন্ট, এবং শেষেরটি পায় ১ পয়েন্ট করে। সবশেষে সবার দেয়া পয়েন্টগুলো যোগ করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়। পাঠক আমেরিকার শ্রেষ্ঠ ১০০ সিনেমার তালিকা দেওয়া হয় নিচে।

 
আমেরিকার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ১০০ সিনেমা
১০০. এইস ইন দ্য হোল (১৯৫১)
৯৯. টুয়েলভ ইয়ারস অ্যা স্ল্যাভ (২০১৩)
৯৮. হেভেন্স গেইট (১৯৮০)
৯৭. গন উইথ নাইট (১৯৩৯)
৯৬. দ্য ডার্ক নাইট (২০০৮)
৯৫. ডাক স্যুপ (১৯৩৩)
৯৪. টুয়েন্টি ফিফথ আওয়ার (২০০২)
৯৩. মিন স্ট্রীট (১৯৭৩)
৯২. দ্য নাইট অফ দ্য হান্টার (১৯৫৫)
৯১. ইটিঃ দ্য এক্সট্রা টেরেস্ট্রায়াল (১৯৮২)
৯০. অ্যাপোক্যালিপ্স নাউ (১৯৭৯)
৮৯. ইন অ্যা লোনলি প্লেস (১৯৫০)
৮৮. ওয়েস্ট সাইড স্টোরি (১৯৬১)
৮৭. ইটারনাল সানশাইন অফ দ্য স্পটলেস মাইন্ড (২০০৪)
৮৬. দ্য লায়ন কিং (১৯৯৪)
৮৫. নাইট অফ দ্য লিভিং ডেড (১৯৬৮)
৮৪. ডেলিভারেন্স (১৯৭২)
৮৩. ব্রিংগিং আপ বেবি (১৯৩৮)
৮২. রাইডারস অফ দ্য লস্ট আর্ক (১৯৮১)
৮১. থেল্মা অ্যান্ড লুইস (১৯৯১)
৮০. মিট মি ইন সেইন্ট লুইস (১৯৪৪)
৭৯. দ্য ট্রি অফ লাইফ (২০১১)
৭৮. সিন্ডলার লিস্ট (১৯৯৩)
৭৭. স্টেজকোচ (১৯৩৯)
৭৬. দ্য এম্পায়ার স্ট্রাইক্স ব্যাক (১৯৮০)
৭৫. ক্লোজ এনকাউন্টার অফ দ্য থার্ড কাইন্ড (১৯৭৭)
৭৪. ফরেস্ট গাম্প (১৯৯৪)
৭৩. নেটওয়ার্ক (১৯৭৬)
৭২. দ্য সাংহাই জেসচার (১৯৪১)
৭১. গ্রাউন্ডহগ ডে (১৯৯৩)
৭০. দ্য ব্যান্ড ওয়াগন (১৯৫৩)
৬৯. কোয়ানিস্কাৎসি (১৯৮২)
৬৮. নোটোরিয়াস (১৯৪৬)
৬৭. মডার্ন টাইমস (১৯৩৬)
৬৬. রেড রিভার (১৯৪৮)
৬৫. দ্য রাইট স্টাফ (১৯৮৩)
৬৪. জনি গীটার (১৯৫৪)
৬৩. লাভ স্ট্রিমস (১৯৮৪)
৬২. দ্য শাইনিং (১৯৮০)
৬১. আই’স ওয়াইড শাট (১৯৯৯)
৬০. ব্লু ভেলভেট (১৯৮৬)
৫৯. ওয়ান ফ্লিউ ওভার দ্য কাকু’স নেস্ট (১৯৭৫)
৫৮. দ্য শপ অ্যারাউন্ড দ্য কর্নার (১৯৪০)
৫৭. ক্রাইমস অ্যান্ড মিসডেমিনোরস (১৯৮৯)
৫৬. ব্যাক টু দ্য ফিউচার (১৯৮৫)
৫৫. দ্য গ্র্যাজুয়েট (১৯৬৭)
৫৪. সানসেট বোলেভারড (১৯৫০)
৫৩. গ্রে গার্ডেন (১৯৭৫)
৫২. দ্য ওয়াইল্ড বাঞ্চ (১৯৬৯)
৫১. টাচ অফ এভিল (১৯৫৮)
৫০. হিজ গার্ল ফ্রাইডে (১৯৪০)
৪৯. ডেইজ অফ হেভেন (১৯৭৮)
৪৮. অ্যা প্লেস ইন দ্য সান (১৯৫১)
৪৭. মারনি (১৯৬৪)
৪৬. ইট’স অ্যা ওয়ান্ডারফুল লাইফ (১৯৪৬)
৪৫. দ্য মান হু স্লট লিবার্টি ভ্যালেন্স (১৯৬২)
৪৪. শারলক জুনিয়র (১৯২৪)
৪৩. লেটার ফ্রম অ্যান আননোন ওম্যান (১৯৪৮)
৪২. ডক্টর স্ট্র্যাঞ্জ লাভ (১৯৬৪)
৪১. রিও ব্রাভো (১৯৫৯)
৪০. ম্যাসেস অফ দ্য আফটারনুন (১৯৪৩)
৩৯. দ্য বার্থ অফ অ্যা ন্যাশন (১৯১৫)
৩৮. জাউস (১৯৭৫)
৩৭. ইমিটেশন অফ লাইফ (১৯৫৯)
৩৬. স্টার ওয়ারস (১৯৭৭)
৩৫. ডাবল ইন্ডেমনিটি (১৯৪৪)
৩৪. দ্য উইজার্ড অগ ওজ (১৯৩৯)
৩৩. দ্য কনভারসেশন (১৯৭৪)
৩২. দ্য লেডি ইভ (১৯৪১)
৩১. অ্যা ওম্যান আন্ডার দ্য ইনফ্লুয়েন্স (১৯৭৪)
৩০. সাম লাইক ইট হট (১৯৫৯)
২৯. র্যা জিং বুল (১৯৮০)
২৮. পাল্প ফিকশন (১৯৯৪)
২৭. ব্যারি লিন্ডন (১৯৭৫)
২৬. কিলার অফ শিপ (১৯৭৮)
২৫. ডু দ্য রাইট থিং (১৯৮৯)
২৪. দ্য অ্যাপার্টমেন্ট (১৯৬০)
২৩. অ্যানি হল (১৯৭৭)
২২. গ্রীড (১৯২৪)
২১. মালহোলান্ড ড্রাইভ (২০০১)
২০. গুডফেলাস (১৯৯০)
১৯. ট্যাক্সি ড্রাইভার (১৯৭৬)
১৮. সিটি লাইটস (১৯৩১)
১৭. দ্য গোল্ড রাশ (১৯২৫)
১৬. ম্যাকক্যাব অ্যান্ড মিসেস মিলার (১৯৭১)
১৫. দ্য বেস্ট ইয়ার অফ আওয়ার লাইভস (১৯৪৬)
১৪. ন্যাশভীলে (১৯৭৫)
১৩. নর্থ বাই নর্থওয়েস্ট (১৯৫৯)
১২. চায়না টাউন (১৯৭৪)
১১. দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট অ্যাম্বারসন্স (১৯৪২)
১০. দ্য গডফাদার পার্ট ২ (১৯৭৪)
৯. ক্যাসাবল্যাঙ্কা (১৯৪২)
৮. সাইকো (১৯৬০)
৭. সিঙ্গিং ইন দ্য রেইন (১৯৫২)
৬. সানরাইজ (১৯২৭)
৫. দ্য সার্চারস (১৯৫৬)
৪. ২০০১: অ্যা স্পেস অডিসি (১৯৬৪)
৩. ভারটিগো (১৯৫৮)
২. দ্য গডফাদার (১৯৭২)
১. সিটিজেন ক্যান (১৯৪১)