Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বিনোদন

হলিউডে বাংলাদেশির কৃতিত্ব

রবিবার, ০৮ অক্টোবর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন:আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:হলিউডের প্রযোজনা সংস্থা সনি পিকচার্স স্টুডিওর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সনি পিকচার্স ইমেজওয়ার্কসে নিযুক্ত হলেন বাংলাদেশি তরুণ অ্যানিমেটর ওয়াহিদ ইবনে রেজা। গত মঙ্গলবার তিনি ফেসবুকে এ বিষয়ে তথ্য জানান।

alt
২ অক্টোবর থেকে তিনি সনি পিকচার্স ইমেজওয়ার্কসে অ্যাসোসিয়েট প্রোডাকশন ম্যানেজার পদে কাজ করছেন কানাডার ভ্যানকুভারের কার্যালয়ে।

alt

প্রথমে হলিউডের ফ্যান্টাসি-কমেডি ধাঁচের অ্যানিমেটেড ফ্রাঞ্চাইজি ‘হোটেল ট্রানসিলভানিয়া’র তৃতীয় পর্বে চূড়ান্ত পর্যায়ের কারিগরি টিমে কাজ করবেন তিনি। তার দায়িত্ব লাইটিং ও কম্পিউটার গ্রাফিক্স বিভাগে। ‘সিক্রেট অব দ্য টম্ব’ ছবির ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস টিমেও কাজ করেছেন এই বাংলাদেশি অ্যানিমেটর।


বাংলাদেশকে মার্কিন শিল্পীর ধন্যবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৫ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : বাংলাদেশে ডেমি লোভেটোর যত ভক্ত আছেন, তাঁরা গতকাল মঙ্গলবার প্রথম প্রহরেই পেলেন এক দারুণ উপহার। মার্কিন গায়িকা সোমবার দিবাগত রাত ১২টার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর অফিসিয়াল পেজে বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ওপরে বড় করে লেখা, ‘থ্যাংক ইউ বাংলাদেশ’।

ডেমি লোভেটোর পোস্ট থেকে জানা যায়, তাঁর নতুন অ্যালবাম ‘টেল মি ইউ লাভ মি’ এখন চাহিদার দিক দিয়ে বিশ্বের ৪০টি দেশে শীর্ষে আছে। আর এর মধ্যে বাংলাদেশে এটি চাহিদার দিক থেকে শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে। তবে বাংলাদেশি শ্রোতাদের কাছে এটি কোন প্ল্যাটফর্মে শীর্ষ চাহিদায় আছে, তা খোলাসা করা হয়নি সেই ফেসবুক পোস্টে।

Picture

অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করা সেই ছবিতে ডেমি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে এক নম্বর! এই অর্জনের জন্য প্রত্যেককে ধন্যবাদ। আপনাদের ভালোবাসি।’ পোস্টের মন্তব্যের বক্সে এখন বাংলাদেশি শ্রোতাদের ভিড়। তাঁরাও প্রিয় শিল্পীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন। এরই মধ্যে ছবিতে মন্তব্যের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে। শেয়ারও হয়েছে হাজারের অধিক।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর ডেমির নতুন অ্যালবাম ‘টেল মি ইউ লাভ মি’ বাজারে এনেছে আইল্যান্ড, সেফহাউস ও হলিউড রেকর্ডস। এই অ্যালবামের গানগুলো পপ ও রিদম অ্যান্ড ব্লুজ (আরএনবি) ঘরানার। অ্যালবামের আরেকটি গান ‘সরি নট সরি’ প্রকাশিত হয় গত ১১ জুলাই।

ডেমি লোভেটোর সেই ফেসবুক পোস্টের২৫ বছর বয়সী পপ গায়িকা ডেমি লোভেটোর শুরু হয়েছিল শিশুতোষ টিভি সিরিজ ‘বার্নি অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-এ কাজ করে। ২০০৮ সালে ডিজনি চ্যানেলের ‘ক্যাম্প রক’ ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে জনপ্রিয়তা পান তিনি। এরপর তাঁর প্রথম সিঙ্গেল ‘দিস ইজ মি’ বিলবোর্ড হট হান্ড্রেড চার্টের ৯ নম্বরে ওঠে। এরপরই হলিউড রেকর্ডসের সঙ্গে চুক্তি পেয়ে যান তিনি। ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় ডেমির প্রথম একক অ্যালবাম ‘ডোন্ট ফরগেট’।

গ্র্যামি ও বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পাওয়া ডেমি লোভেটো ২০০৮ সালে প্রথম অ্যালবাম ‘ডোন্ট ফরগেট’ প্রকাশ করার অল্প সময়ের মধ্যেই বিলবোর্ড টু হান্ড্রেড চার্টের দুই নম্বরে জায়গা করে নেয়। এই তালিকার শীর্ষে স্থান পায় শিল্পীর দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘হিয়ার উই গো অ্যাগেইন’ (২০০৯)। এ ছাড়া ডেমির আরও তিনটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো হলো ‘আনব্রোকেন’ (২০১১), ‘ডেমি’ (২০১৩) ও ‘কনফিডেন্ট’ (২০১৫)।


'মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ' বিবাহিত! অবশেষে মুকুট হারাচ্ছেন এভ্রিল, আসছে নতুন বিজয়ীর নাম!

মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : বিয়ে হয়েছিল সদ্যসমাপ্ত 'মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ' জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের। জানা গেছে, এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই তার বিয়ে হয়।আড়াই মাস সংসার করার পর এভ্রিল ডিভোর্স দেন স্বামীকে। জান্নাতুল নাঈমের বাবা তাহের মিয়া ও মা রেজিয়া বেগম। জান্নাতুল নাঈমের বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ৫ নম্বর বরমা ইউনিয়নের সেরন্দি গ্রামের রাউলিবাগ এলাকায়। বাবা একজন কৃষক। বিয়ের ঘটনা নিয়ে জান্নাতুল নাঈমের সাথে বাবার সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় বলে জানা গেছে।  

Picture

এভ্রিলের সঙ্গে ২০১৩ সালের ২১ মার্চ চন্দনাইশ পৌর এলাকার বাসিন্দা ও কাপড় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মুনজুর উদ্দিনের বিয়ে হয়। ৮ লাখ টাকা দেনমোহর ছিল বিয়েতে। বিয়ের উকিল হন মেয়ের বাবা তাহের মিয়া। বিয়েতে কাজি ছিলেন আবু তালেব।
একই বছরের ১১ জুন তালাকনামায় সই করেন জান্নাতুল। চন্দনাইশ পৌরসভার কাজি অফিস থেকে প্রাপ্ত কাবিননামা অনুযায়ী এসব তথ্য জানা গেছে।

alt

'মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ' প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো, প্রতিযোগীকে অবিবাহিত হতে হবে। কিন্তু জান্নাতুল বিবাহিত হওয়ায় পুরো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতাটি বিতর্কিত হয়ে পড়ছে।

চন্দনাইশের বরমা ত্রাহিমেনকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। ফলাফল প্রকাশের আগে ওই বছর ২১ মার্চ বেশ ধুমধাম করে একই উপজেলার কাপড় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মুনজুর উদ্দিনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। চন্দনাইশ পৌর এলাকায় ভিআইপি ক্লথ স্টোর অ্যান্ড টেইলার্স নামে একটি কাপড়ের দোকান রয়েছে তার সাবেক স্বামী মুনজুরের।

বরমা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (ইউপি মেম্বার) নওশা মিয়া বলেন, 'জান্নাতুলের বিয়ে হয়েছিল। দু-আড়াই মাস পর বিয়ে ভেঙে যায়। '

জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের মা রেজিয়া বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাগদানের কথা স্বীকার করলেও বিয়ের কথা অস্বীকার করেন। কাবিননামার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। তিনি বলেন, সে তো ছোট ছিল কীভাবে বিয়ে বুঝতে পারছি না। এসএসসি পাস করার পর সে ভাইয়ের সাথে মহেশখালী চলে যায়।

অবশেষে মুকুট হারাচ্ছেন এভ্রিল, আসছে নতুন বিজয়ীর নাম!

জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হতে যাচ্ছেন নতুন আরেকজন। তবে সে কে তা জানা যায়নি। কিন্তু ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়, প্রথম রানার আপ জেসিয়া ইসলাম ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হতে যাচ্ছেন। বিচারকরা আয়োজকদের যে নাম দিয়েছিলেন সেটাই সত্য প্রমাণিত হতে যাচ্ছে। মুকুট এভ্রিলের মাথা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে প্রকৃত বিজয়ীর নাম আগামী ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে। এবং তার মাথায় বিজয়ীর মকুট পরিয়ে দেওয়া হবে।

বিয়ে ও বিচ্ছেদ গোপন করে মিথ্যা কথা বলে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ এ নাম নিবন্ধন করেন এভ্রিল। কিন্তু বিয়ের সত্যতা পেলেও পাওয়া যায়নি বিচ্ছেদের সত্যতা। আর এই নিয়ম ভঙ্গের দায়ে এভ্রিলের মাথা থেকে মুকুটটি ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।

alt

এ বিষয়ে প্রিয়.কমকে অন্তর শোবিজ ও অমিকন এন্টারটেইনমেন্ট বলেছে, 'আমরা ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে নতুন করে ঘোষণা দিব। এবং সেখানে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’-এর নতুন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি কেড়ে নেওয়া হবে এভ্রিলের মুকুট। আপনারা আমন্ত্রিত।’ এবার দেখা যাক বিচারকের রায়ে আসলেই কি জেসিকা ইসলাম হতে যাচ্ছেন  ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’? এই প্রশ্নের উত্তরটা পাওয়া যাচ্ছে আগামী ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায়। 

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ এভ্রিলের যে ছবি ভাইরাল

Avril 01 02 10 2017 1928410566

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের এই ছবি ভাইরাল। সংগৃহীত ছবি

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হয়ে আলোচনায় আসেন জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। কিন্তু সে আলোচনা যেন কিছুতেই থামছে না। প্রতিদিনই সে আলোচনায় যোগ হচ্ছে নিত্য নতুন তথ্য ও ছবি। এবার এভ্রিলের এমন কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে চলছে বিতর্ক। তবে ছবিগুলো কোথায় কখন তোলা, সে ব্যাপারে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।     

গত ২৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার এক জমকালো অনুষ্ঠানে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের নাম ঘোষণা করা হয় এবারের ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হিসেবে। সে থেকেই নাম ঘোষণায় ভুল, বিচারকদের সিদ্ধান্ত অগ্রাহ্য করে বিজয়ী নির্ধারণসহ নানা অভিযোগ নিয়ে বিশ্ব সুন্দরী ফ্রেঞ্চাইজির বাংলাদেশের প্রথম আয়োজনটিকে ঘিরে বিতর্ক চলতেই থাকে।

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের এই ছবি ভাইরাল। সংগৃহীত ছবি

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের এই ছবি ভাইরাল। সংগৃহীত ছবি 

সর্বশেষ সেই বিতর্কের পালে হাওয়া লেগেছে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম প্রতিযোগিতায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। নিয়মানুযায়ী প্রতিযোগীকে অবিবাহিত হওয়া বাঞ্ছনীয় হলেও এভ্রিল ছিলেন বিবাহিত এবং আড়াই মাস সংসার করার পর তিনি বিবাহ বিচ্ছেদ করেন। আর এতেই তার মাথায় উঠা মুকুট থাকা না থাকা নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।


মিস বাংলাদেশ জান্নাতুল নাঈম লড়বেন বিশ্বের সুন্দরীদের সঙ্গে

শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : বিশ্বের সুন্দরীদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকবেন বাংলাদেশের মেয়ে জান্নাতুল নাঈম। এবার ‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হয়েছেন তিনি। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের নবরাত্রী হলে এই প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়। ১৮ নভেম্বর চীনের সানাইয়া শহরে অনুষ্ঠেয় ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশ নেবেন জান্নাতুল নাঈম।

Picture

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে অন্তর শোবিজ ও অমিকন এন্টারটেইনমেন্ট। বাংলাদেশে এবারই প্রথম ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’-এর ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে এসেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

গত আগস্ট থেকে শুরু হওয়া ‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় প্রায় ২৫ হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্য থেকে কয়েকটি ধাঁপে বাছাই করা হয়েছে সেরা ১০ জনকে। এই ১০ জন হলেন রুকাইয়া জাহান, জান্নাতুল নাঈম, জারা মিতু, সাদিয়া ইমান, তৌহিদা তাসনিম, মিফতাহুল জান্নাত, সঞ্চিতা দত্ত, ফারহানা জামান, জান্নাতুল হিমি এবং জেসিকা ইসলাম। আজ গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেন তাঁরা।

alt

‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালের বিচারক ছিলেন বিবি রাসেল, জুয়েল আইচ, শম্পা রেজা, চঞ্চল মাহমুদ, রুবাবা দৌলা মতিন ও সোনিয়া কবির। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন শিনা চৌহান।

অনুষ্ঠানের একসঙ্গে গান গেয়েছেন দুই ভাই হৃদয় খান ও প্রত্যয় খান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আনিকা। শীর্ষ ১০ প্রতিযোগী ক্যাটওয়াকের পাশাপাশি জনপ্রিয় গানে ঠোঁট মিলিয়েছেন ও নেচেছেন। ছিল চিত্রনায়ক নিরবের পরিবেশনা। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করেছে এনটিভি।

লেডি বাইকার থেকে 'মিস বাংলাদেশ' জান্নাতুল নাঈম

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ নির্বাচিত হলেন জান্নাতুল নাঈম অভ্রিল। সেই সঙ্গে জেসিয়া প্রথম রানার আপ ও সুমাইয়া দ্বিতীয় রানার আপ নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত ৮ টা ১০ মিনিটে পর্দা উন্মোচন হয় লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭ এর গ্র্যান্ড ফিনাল। রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের নবরাত্রি হলে এই আয়োজনের চুড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
২৫ হাজার প্রতিযোগী থেকে সেরা ১০ জন লড়েছে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব লড়াইয়ে। যাদের মধ্যে বিজয়ী জান্নাতুল নাঈম যাবেন চীনে অনুষ্ঠিতব্য ৬৭তম বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার মূল আসরে।

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা শীর্ষ ১০ প্রতিযোগী ছিলেন- রুকাইয়া জাহান চমক, জান্নাতুল নাঈম অভ্রিল, জারা মিতু, সাদিয়া ইমান, তৌহিদা তাসনিম তিফা, মিফতাহুল জান্নাত, সঞ্চিতা রানী দত্ত, ফারহানা জামান তন্দ্রা, জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি এবং জেসিকা ইসলাম।

ফাইনালের আয়োজনে অতিথি বিচারক হিসেবে ছিলেন জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ, ফ্যাশন আইকন বিবি রাসেল, ফটোগ্রাফার চঞ্চল মাহমুদ, কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব রুবাবা দৌলা, মাইক্রোসফট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির, অভিনেত্রী শম্পা রেজাসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন শিনা চৌহান।

অনুষ্ঠানে একসঙ্গে গান গেয়েছেন দুই ভাই হৃদয় খান ও প্রত্যয় খান। তাদের সঙ্গে ছিলেন আনিকা। শীর্ষ ১০ প্রতিযোগী ক্যাটওয়াকের পাশাপাশি জনপ্রিয় গানে ঠোঁট মিলিয়েছেন ও নেচেছেন। ছিল চিত্রনায়ক নিরবের পরিবেশনা। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করেছে এনটিভি।

জান্নাতুল নাঈমের অারেকটি পরিচয় হলো সে একজন নারী বাইকার। বাইক চালানো তার অন্যতম শখ। নানা সময় তাকে নিয়ে ফিচার প্রকাশিত হয়েছে।

যেভাবে ‘লেডি বাইকার’ হলেন জান্নাতুল নাঈম

alt
মাত্র ১৪ বছর বয়সেই বাইক চালানো শিখেছেন। এরপর আস্তে আস্তে মোটরবাইক চালানো তার শখে পরিণত হয়। এ যান ঘিরেই চলতে থাকে তার নানা কসরত। মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন নৈপুণ্য দেখাতে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। তার এই বাইকের নৈপুণ্য প্রদর্শনী, বাইক চালানোর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে। আর আস্তে আস্তে সেলিব্রেটি বনে যান তিনি। ফেসবুক ফলোয়ারের সংখ্যা ছাড়ায় ৯০ হাজার।

অভ্রিল বলেন, 'ছোট বেলা থেকে বাইকের প্রতি তার ঝোঁক ছিল প্রচণ্ড। তাই মামার কাছ থেকে বাইক চালানো শিখে নেন। এরপর সিসির ব্যাপারটা বোঝার পর হাই সিসির দিকে ঝুঁকে পড়েন। ভাইয়ের হোন্ডা সিবিআর ১৫০ সিসি চালাতে শুরু করেন।'

তিনি বলেন, 'ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের চিফ বিজনেসম্যান সুব্রত রঞ্জন দাস তাকে খুঁজে বের করে কোম্পানিতে কাজ করার প্রস্তাব দেন। ওই কর্মকর্তা তাকে বলেন, তাকে নারী বাইক রাইডারদের  আইকন হিসেবে তারা কাজে লাগাতে চান। তার মাধ্যমেই হাইস্পিড বাইকের প্রতি নারীদের আগ্রহী করতে চান। প্রথমদিকে প্রস্তাবে রাজি না হলেও পরে নারীদের এগিয়ে নেয়ার চিন্তা থেকে তিনি ওই কোম্পানিতে কাজ করতে আগ্রহী হন।'

অভ্রিল নারীদের জীবনে গতি আনতে কাজ করতে চান। প্রতিবাদী হতে উদ্বুদ্ধ করতে চান। নিজ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আমি বহু ছিনতাইকারীকে ধরেছি, ইভটিজারকে ধরেছি। আমি চাই- মেয়েরা সাহসী হোক, অধিকার সচেতন হোক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজেরাই প্রতিবাদ করুক।

তার সম্পর্কে বন্ধুদের মন্তব্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার এই সাহসিকতার জন্য, প্রতিবাদী চরিত্রের জন্য এবং হাইস্পিডের মোটরবাইক চালানোই পারদর্শিতার জন্য তারা তাকে ‘মাফিয়া গার্ল’ হিসেবে ডাকে। তবে এই সম্বোধনে তিনি উৎসাহ পান।'


আমেরিকার অলিতে-গলিতে এখন বাংলাদেশি তারকাদের ঢল!

বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন:আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:আমেরিকা এখনও অনেকের কাছে স্বপ্নের রাজ্য। সেই রাজ্যে যেতে এক সময় অনেক বেগ পেতে হলেও ধীরে ধীরে সেই সময় পেড়িয়ে এখন অনেকেই নানা কাজে আমেরিকা চলে যেতে পারছেন অনায়াসে। আর বিশেষ করে যদি বলি তারকাদের কথা, তাহলে বলতে হয় বাংলাদেশের একসময়কার জনপ্রিয় অভিনেত্রীরা বিয়ে করে আমেরিকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস করছেন দীর্ঘ ধরেই। আর এটা অনেকেই জানেন।
alt
আবারও কেউ কেউ যাচ্ছেন ঘুরতে। সেই ঘোরাঘুরিটা শুরু হয় তখনই যখন তাদের কোন শুটিং থাকে না। গেল ঈদের বেশ কাজের চাপ শেষ করে প্রায় একমাসের জন্য আমেরিকা গিয়েছেন নওশীন ও হিল্লোল দম্পতি। আর অভিনেত্রী রিচি গিয়েছেন তাদেরও আগে কারণ তিনি দ্বিতীয় সন্তানের মা হয়েছেন সেখানে। মাত্র কয়েকদিন আগে গেলেন অভিনেতা কল্যাণ কোরাইয়া। আর এবার সেই দলে গিয়ে নিজের নামটা যুক্ত করলেন জনপ্রিয় নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ।
alt
রাজের আগেও কিন্তু আমেরিকা থেকে ঘুরে এসেছেন আরেক জনপ্রিয় নিমার্তা আদনান আল রাজিব। আর বরাবরের মতই বলতে হচ্ছে সেখানে স্থায়ী ভাবে বসবাস করছেন অভিনেতা টনি ডায়েস, প্রিয়া ডায়েস, রোমনা, বিন্দু, নাফিজা, মোনালিসাসহ আরও বেশ কয়েকজন অভিনেতা-অভিনেত্রী। যদিও তাদের একসঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে ফেসবুকের ছবিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এবার সেই ছবিতে যোগ হলেন নির্মাতা রাজ। এখন তাদের ভক্তরা অপেক্ষায় আছেন বাংলাদেশি মিডিয়ার নির্মাতা ও অভিনেতা-অভিনেত্রীরা সবাই মিলে কোন দিন এক ফ্রেমে বন্দি হচ্ছেন। অথবা একটি পার্টির আয়োজন করেন।

alt


পপ গায়িকা মিলার ডিভোর্সের গুজব

বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপসনিঊজ:পপ গায়িকা মিলার ডিভোর্স হয়েছে বলে গুজব রটেছে। রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে বৈমানিক পারভেজ সানজারি ও মিলার মধ্যে ডিভোর্স হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বের হয়।এ বছর ১২ মে আনুষ্ঠানিকভাবেই বিয়ে হয় মিলা ও বৈমানিক পারভেজ সানজারির।  টানা ১০ বছর প্রেমের পর বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। তবে এ মিলা ও পারভেজের কোনো ডিভোর্স হয়নি বলে  বাপসনিঊজরের কাছে দাবি করেছেন গায়িকা নিজেই।

ডিভোর্সের কথা উল্লেখ করে গণমাধ্যমে লেখা হয়, বিয়ের পরপরই মনোমালিন্য শুরু হয় দুজনের মধ্যে। প্রায়ই ঝগড়া হয় দুজনের। এছাড়া এক পর্যায়ে মিলা স্বামী পারভেজ সানজারির বিরুদ্ধে মামলা করতে বাসা থেকে বের হন। যদিও পরিবারের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়ায়নি। বিষয়টির জের ধরেই  ডিভোর্সের ঘটনা ঘটে তাদের মধ্যে।এ বিষয়ে জানতে বাপসনিঊজরের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে মিলা বলেন, পারভেজের সঙ্গে আমার ডিভোর্সের কোনো ঘটনা ঘটেনি।


আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম

শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আমেরিকার নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা কারা মুন্ড এবার মিস আমেরিকা নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার রাতে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাকে মিস আমেরিকা ঘোষণা করা হয়।লাইফস্টাইল, ফিটনেস, মেধা, সাক্ষাৎকার, সরাসরি প্রশ্নে আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিযোগীকে হারিয়ে তিনি এ গৌরব অর্জন করেন।

Picture

মিস আমেরিকা আয়োজনের এ শতাব্দী পূর্ণ হলেও নর্থ ডাকোটার কোনো তরুণী এ খেতাব জিততে পারেনি। কারা মুন্ড সে হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। 

২৩ বছর কারা মুন্ড স্নাতক করেছেন ব্রাউন ইউনিভার্সিটি থেকে। এখন নটর ডেম ইউনিভার্সিটিতে আইন বিষয় পড়ছেন। আমেরিকার নতুন মিস আমেরিকা কারা মুন্ড রোল মডেল হিসেবে অনুসরণ করেন নিজের মাকে।


নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইক

মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
বাপ্ নিউজ : ৭ সেপ্টেম্বর থেকে নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনে শুরু হয়েছে নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইক-২০১৭। মার্কিন ফ্যাশন ডিজাইনার ক্রিস্টিয়ান সিরিয়ানোর তৈরি পোশাকে নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকের র‍্যাম্পে এক মডেল। ছবিটি শনিবার তোলা। ছবি: রয়টার্স
ক্রিশ্চিয়ান সিরিয়ানোর বসন্ত ও গ্রীষ্মকালীন পোশাকে রানওয়েতে হেঁটে যান এই মডেল। শনিবারের ছবি। ছবি: রয়টার্স
ছবিটি নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইক-২০১৭-এর ফ্যাশন শো থেকে শনিবার তোলা। ছবি: রয়টার্স
শনিবার ক্রিশ্চিয়ান সিরিয়ানোর তৈরি করা এই উজ্জ্বল হলুদ রঙের পোশাকটি দর্শকদের নজর কেড়েছিল। ছবি: রয়টার্স
র‍্যাম্পে আসা এক মডেলের পোশাকের অংশ ছিল এই আকর্ষণীয় হ্যান্ডব্যাগটি। ছবিটি শনিবার তোলা। ছবি: রয়টার্স
বর্ণিল পোশাকে এক মডেল। ছবিটি শনিবারের। ছবি: রয়টার্স
ফ্যাশন ডিজাইনার ব্র্যান্ডো ম্যাক্সওয়েলের পোশাকে র‍্যাম্পে জনপ্রিয় মডেল ও উদ্যোক্তা কার্লি ক্লস। শুক্রবার তোলা ছবি। ছবি: রয়টার্স
বিধু মালহোত্রার তৈরি করা পোশাকে রানওয়েতে এক মডেল। ছবিটি শুক্রবার তোলা। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন মডেল জিজি হাদিদ পরেছেন ব্র্যান্ডো ম্যাক্সওয়েলের করা পোশাক। ছবিটি শুক্রবার তোলা। ছবি: রয়টার্স

বিশ্ব ফ্যাশন জগতের অন্যতম বড় এই আয়োজন শেষ হচ্ছে ১৩ সেপ্টেম্বর। ছবিটি শনিবার তোলা। ছবি: রয়টার্স


আমেরিকায় তিন তারকা বন্ধুর খুনসুটি!

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার মঞ্চ থেকে মিডিয়াতে নাম লেখান নাফিজা জাহান। নাটক ও টেলিফিল্মে নিজেকে প্রমাণ করেন, হয়ে ওঠেন ব্যস্ত তারকা। কিন্তু অভিনয়ের ব্যস্ততা ছেড়ে ২০১৩ সালের মাঝামাঝি দেশ ছাড়েন তিনি, পাড়ি জমান আমেরিকায়।

Picture


তারপর ছয় মাস পরে দেশে ফিরে এসেছিলেন নাফিজা। হাতেগােনা কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে আবারও উড়াল দেন যুক্তরাষ্ট্রে। তখন গুঞ্জন উঠেছিল সংগীতশিল্পী এস আই টুটুল ও অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদের ভাগ্নে দীপকে বিয়ে করেছেন নাফিজা। তবে তিনি সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছিলেন ২০১৫ সালে। কিন্তু শেষমেষ সেই গুঞ্জনই সত্যি হয়। দীপকেই বিয়ে করে দিব্যি সংসার শুরু করেন আমেরিকায়।

এরপর আর দেশে ফিরে আসেননি। অভিনয়কে বিদায় দিয়ে, এমনকি দেশ ছেড়েই একেবারে স্থায়ী হয়ে যান আমেরিকাতে। বর্তমানে সপরিবারে সেখানে আছেন একসময়কার অভিনেত্রী নাফিজা জাহান। ইদানীং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি বেশ সচল রয়েছেন।
alt
অন্যদিকে, বাংলাদেশি তারকা দম্পতি হিল্লোল ও নওশীন এখন রয়েছেন আমেরিকায়। একটানা ঈদের শুটিং শেষ করে গত ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন আমেরিকায়। মিডিয়াতে যেহেতু আগে থেকেই অভিনেত্রী নাফিজা, নওশীন ও অভিনেতা হিল্লোল পরিচিত। সেখানে তাদের দেখা হওয়ায় বেশ খুনসুটিতে মেতে উঠেছিলেন তিনি। কারণ তাদের মধ্যেও রয়েছে বেশ ভালো বন্ধুত্ব। তার উপর বেশ অনেক বছর পর দেখা হওয়া তো আছেই। আসছে ঈদুল আযহা। সব মিলিয়ে বলতে গেলে বেশ ভালোই আড্ডায় মেতে উঠেছেন তারা। ঈদের এই আনন্দ কাটিয়ে আবারও দেশে ফিরে আসবেন তারকা দম্পতি হিল্লোল ও নওশীন। এসে অভিনয়ে আবার নিয়মিত হবেন।


শিল্পী আবদুল জব্বারের প্রথম ও শেষ অ্যালবাম

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বের হয় দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী মো. আবদুল জব্বারের মৌলিক গানের অ্যালবাম ‘কোথায় আমার নীল দরিয়া’। অ্যালবামটিতে নয়টি গান রয়েছে। গানগুলো লিখেছেন মো. আমিরুল ইসলাম।সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন গোলাম সারোয়ার।চলতি বছরই প্রকাশিত এ অ্যালবামই তার প্রথম ও শেষ অ্যালবাম। এতে উল্লেখযোগ্য গান হচ্ছে, আমি আপন ঘরের জানলাম না খবর, মা আমার মসজিদ, এখানে আমার পদ্মা মেঘনা, প্রেমের বিষকাঁটা, নয়নে মেখো না কাজল, আমি দুঃখকে বলেছি ইত্যাদি।


অ্যালবাম সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়ায় শিল্পী আবদুল জব্বার বলেছিলেন, ‘এটি আমার প্রথম অ্যালবাম। এ অ্যালবামটি করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। গানগুলোর কথা অসাধারণ। এর মধ্যে মা, মাটি, দেশ, ধর্ম, সমাজ সবই আছে। আশা করছি, দেশের ও দেশের বাইরের অগণিত ভক্ত-শ্রোতাদের কাছে অ্যালবামটি জনপ্রিয়তা পাবে।’ সত্যিকারের সঙ্গীতপ্রেমী এবং নতুন শিল্পীরা এ অ্যালবামের গান থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে বলে মনে করেন শিল্পী আবদুল জব্বার।


তাঁকে আমরা গুরু বলে ডাকতাম

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আবদুল জব্বার (১৯৩৮–৩০ আগস্ট ২০১৭)চলে গেলেন বহু জনপ্রিয় বাংলা গানের শিল্পী, মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী আবদুল জব্বার। তাঁর গাওয়া ‘ও রে নীল দরিয়া’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘পিচঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি’, ‘শত্রু তুমি বন্ধু তুমি’, ‘তারা ভরা রাতে’, ‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়’সহ বহু বাংলা গান এখনো সমান জনপ্রিয় বাঙালির কাছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত সংগীত ও বিনোদন অঙ্গনের তারকা এবং তাঁর সহকর্মীরা ব্যক্ত করলেন তাঁদের প্রতিক্রিয়া

কী দরদ ছিল তাঁর গলায়

ফারুক, অভিনেতা

‘ওরে নীল দরিয়া’ গানটি যখন ধারণ করা হয়, পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুনের ডাকে তখন স্টুডিওতে গিয়েছিলাম। চূড়ান্ত রেকর্ডিংয়ের আগে মহড়ায় হারমোনিয়াম ও তবলায় যখন গানটি গাওয়া হচ্ছিল, তখন খুব একটা পাত্তা দিইনি। কিন্তু যখন ফাইনাল টেক হলো, তখন গানটি আমাদের নাড়া দিল। আমি অবশ্য বলেছিলাম, যেহেতু অভিনয় করব, আমার ঠোঁটের সঙ্গে গানটি মানানসই হতে হবে। সিনেমা ডিরেক্টরস মিডিয়া, তখনকার পরিচালকেরা ভীষণ বিচক্ষণ ছিলেন। কাকে দিয়ে কোন গান গাওয়াতে হবে, সেটা তাঁরা সঠিকভাবেই নির্ধারণ করতেন। কী দরদ ছিল তাঁর গলায়। কম শিল্পীকেই পাওয়া যায়, যিনি এতটা দরদ ঢেলে গাইতে পারেন। দারুণ মেধাবী লোক ছিলেন তিনি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই কণ্ঠ তিনি নষ্ট করে ফেলেন। তাঁর মতো কণ্ঠ এ দেশে খুব কম পাওয়া যায়। তাঁর এই গান সব শ্রেণির মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিল। শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও ছড়িয়ে গেছে গানটির জনপ্রিয়তা।

সম্পর্কের জায়গা সব সময় ঠিকঠাক ছিল

সৈয়দ আবদুল হাদী, সংগীতশিল্পী

আবদুল জব্বার আমার দীর্ঘদিনের সহযাত্রী। সেই ষাটের দশক থেকে আমরা একসঙ্গে, দারুণ সম্পর্ক ছিল। ওই সময়ে আমাদের দেখা হতো রেডিওতে। কথা ও আড্ডা হতো। আমাদের দুজনের মধ্যে ঝগড়াও হতো, রাগারাগি হতো। কিন্তু আমাদের সম্পর্কের জায়গাটা ঠিকঠাক ছিল সব সময়। গত বছর একটা অনুষ্ঠানে যখন আমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল, তখনো তিনি অসুস্থ ছিলেন। ওই সময়ে আমার সঙ্গে অনেক কিছু নিয়ে কথা হয় তাঁর। ওটাই আমার সঙ্গে জব্বারের শেষ দেখা।

তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করতেন

সাবিনা ইয়াসমীন, সংগীতশিল্পী

জব্বার ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি। কোনটি রেখে কোনটি বলব। আমার যখন সাত-আট বছর বয়স, তখন থেকেই তিনি আমাকে চিনতেন। আমার বড় বোন যখন তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতে যেতেন, আমিও সঙ্গে যেতাম। সেই থেকে শুরু। তারপর তো নিজে নিয়মিত গান গাওয়া শুরু করলাম। তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আমরা দ্বৈতকণ্ঠে গান করেছি। অনেক গান তো মানুষের মুখে মুখে ছিল ওই সময়। যেমন ‘জীবনও আঁধারে, পেয়েছি তোমারে’, ‘সুরে আগুনে’, ‘লাজুক লতা’—এ রকম বেশ কিছু গান। সবচেয়ে খারাপ লাগছে যে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে দুজন প্রিয় মানুষ চলে গেলেন।

তাঁর হাত ধরেই চলচ্চিত্রে গান করি

খুরশীদ আলম, সংগীতশিল্পী

১৯৬৫ সালের দিকে জব্বার ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয়। পরিচয়ের পর একদিন বললেন, ‘ছোট ভাই, চলো গান গেয়ে আসি।’ আমাকে নিয়ে গেলেন টাঙ্গাইলের করটিয়া কলেজে। ওই দিনই আমি প্রথম মঞ্চে গান করেছিলাম। তা-ও প্রায় ১৫ হাজার দর্শকের সামনে। শুধু তা-ই নয়, তাঁর হাত ধরেই আমি চলচ্চিত্রে গান করি। মতিমহল সিনেমাসহ বেশ কিছু সিনেমায় গান করেছি আমি। আমাকে অনেক স্নেহ করতেন তিনি।

তাঁকে আমরা গুরু বলে ডাকতাম

রফিকুল আলম, সংগীতশিল্পী

তিনি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধাই ছিলেন না, সর্বকালের গানের যোদ্ধা ছিলেন। আমরা যখন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে গান করতাম, তখন তাঁকে ডাকতাম গুরু বলে। তিনি আমাদের শাগরেদ বলে ডাকতেন। মজার ব্যাপার হলো, তিনি সরাসরি আমাদের কিছু শেখাতেন না, নানা ধরনের উপমা দিয়ে বুঝিয়ে দিতেন। আমার সঙ্গে এ বছরও দেখা হয়েছে একটা টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে। আমাকে বলেছিলেন, ‘গান তো করতে চাই, কিন্তু শরীরের দুটো জিনিস খুব যন্ত্রণা দিচ্ছে।’ আমি তাঁর সঙ্গে মজা করে বললাম, ‘আপনি ওই দুটো জিনিস দিয়ে গান করবেন নাকি।’ আমার কথা শুনে তিনি হেসে ফেললেন। এককথায়, তিনি অসাধারণ মানুষ ছিলেন।

আমরা একটি গোল্ডেন ভয়েজ হারালাম

আলম খান, সুরকার ও সংগীত পরিচালক

তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয় ১৯৬৭ সালে এক রেকর্ডিংয়ে। তখন আমি যন্ত্রশিল্পী এবং জব্বার কণ্ঠশিল্পী। আমার সুরে তিনি প্রথম প্লেব্যাক করেন শ্লোগান ছবিতে, ‘কী সুখ পাও তুমি’ গানটি। এরপর ‘ও মনের ময়না’সহ আরও কিছু গান করেছেন। সারেং বউ ছবির ‘ওরে নীল দরিয়া’ গানটি আমি তাঁর কথা মাথায় রেখেই সুর করেছিলাম। কিন্তু যখন প্রস্তাব করি তিনি বলছিলেন, খান (আমাকে এভাবেই সম্বোধন করতেন), আমি তো গান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। ১৯৭৮ সালের কথা, তিনি সত্যিই গান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন। তাঁকে বলেছিলাম, গানটা আপনার জন্যই সুর করা হয়েছে। এই গান অন্য কেউ গাইতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত তিনি রাজি হন এবং গানটি গাইলেন। আজ আমি বলব, আমরা একটি গোল্ডেন ভয়েজ হারালাম।