Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

অর্থমন্ত্রীর একান্ত ব্যাক্তিগত সহকারী সচিব জাবেদ সিরাজ এর সাথে মতবিনিময় যুক্তরাষ্ট্রে সিলেটের নেত্রীবৃন্দ

বুধবার, ২২ মার্চ ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ: প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এর দীর্ঘায়ু কামনা এবং সিলেট বিভাগের সকল প্রয়াত নেতা জেনারেল ওসমানী,হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী,আব্দুস সামাদ আজাদ,এস এম কিবরিয়া ,দেওয়ান ফরিদগাজী,বাবু সুরন্জীত সেন গুপ্ত,সৈয়দ মহসীন আলী সহ সকল শীর্ষস্হানীয় নেত্রীবৃন্দের আত্তার মাগফিরাত কামনা, এবং নেত্রীবৃন্দ অত্যন্ত জোরালো ভাবে সিলেট বিভাগের সকল অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবী বর্তমান সরকারের কাছে রাখা হয় ,

alt

এবং সিলেট এয়ারপোর্টে গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু এবং ড:মোমেনের একান্ত প্রচেষ্টায় সিলেট টু ঢাকা মহাসড়ককে চার লাইনে প্রশস্ত করার জন্য সভা থেকে ধন্যবাদ ও কৃতগ্গতা প্রকাশ করা হয়।।
সভাপতিত্ব করেন  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামিলিগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি :সৈয়দ বশারত আলী,

alt
পরিচালনায়:যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ যুগ্ন আহবায়ক :ইফজাল চৌধুরী,আওয়ামিলিগ নেতা মাহমুদ লস্কর এর পবিত্র কোরআনে পাক তেলাওতের মাধ্যমে অনুষ্টান শুরু হয়।

alt
সভায় বিশেষ অথিতি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।
*আইরিন পারভীন।(যুগ্নসম্পাদক ইউ এস  আওয়ামিলিগ)
*ফারুক আহমদ(সাংগঠনিক সম্পাদক ইউএস আওয়ামিলিগ)
*আব্দুল হাসিব মামুন(সাংগঠনিক সম্পাদক us আওয়ামিলিগ )
*আব্দুর রহিম বাদশা(সাংগঠনিক সম্পাদক us আওয়ামিলিগ)
*হাজী এনাম দুলাল(প্রচার সম্পাদক যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামিলিগ)
*মিসবাহ আহমদ(সাবেক যুবলীগ সভাপতি এবং বর্তমান us আওয়ামিলিগ এর শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদক)
**আবু তাহের (সি ই ও টাইম টেলিভিশন ও সম্পাদক বাংলা পত্রিকা)
**শাহীন আজমল(সাধারন সম্পাদক নিউইয়র্ক ষ্টেইট আওয়ামিলিগ )
*শেখ আতিক(সহসভাপতি নিউইয়র্ক ষ্টেইট আওয়ামীলিগ।
*এমদাদ চৌধুরী(সাধারণ সম্পাদক নিউইয়র্ক সিটি আওয়ামিলিগ )
*দুরুদমিয়া রনেল(সহ সভাপতি যুক্তরাষ্ট্র সেচ্চাসেবক লীগ)
*শেখ জামাল হুসাইন( যুগ্ন আহবায়ক যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ)
*পংকি মিয়া(সাবেক সা:সম্পাদক জালালাবাদ সোসাইটি)
*ফখর আহমদ(সদস্য ষ্টেইট আওয়ামিলিগ)
*রহিমুজ্জামান সুমন( যুগ্ন আহবায়ক যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ)
*রিন্টু লাল দাস(যুগ্ন আহবায়ক যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ)
*জসন আহমদ( বিশিষ্ট কমিউনিটি এক্টিভিষট)
*জামাল আহমদ বক্স(সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউ এস যুবলীগ।)
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন::
**নিউইয়র্ক ষ্টেইট যুবলীগ থেকে *
********************

alt
*অলিউর রহমান চৌধুরী(সহসভাপতি )
*সুয়েব আহমদ(সা:সম্পাদক)
*মিজান চৌধুরী(সাংগঠনিক সম্পাদক)
**নিউইয়র্ক সিটি যুবলীগ থেকে বক্তব্য রাখেন
***********************
*মাহমুদুর রহমান(সা:সম্পাদক)
*শাহীদ সৌরভ(সা:সম্পাদক কুইন্স যুবলীগ)
অনুষ্টানের শুরুতে জাবেদ সিরাজ কে ফুল দিয়ে বরন করে নেন যুক্তরাষ্ট্রত সিলেট বিভাগীয় আওয়ামীলিগের নেতৃবন্দ।
এবং সাধারন সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এর মাধ্যমে নিউইয়র্ক সিটি যুবলীগের পক্ষ থেকেসম্মাননা সারক কেরেস্ট উপহার দেওয়া হয়।


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কবি কাজী নজরুল ইসলামকে অনুষ্ঠান

মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০১৭

বাপ্‌স নিউজ : ২১শে মে , ২০১৭ কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কে নিয়ে একটি নিরীক্ষা মূলক অনুষ্ঠান " এক হাতে বাজে অগ্নিবীণা কণ্ঠে গীতাঞ্জলি "এর আয়োজন উপলক্ষে গত রবিবার , ইত্যাদি ,জ্যাকসন হাইটস , নিউ ইয়র্ক  এ শতদল এর প্রস্তূতি সভায় উত্তর আমেরিকার কবি , সাহিত্যিক ,শিল্পী ও গুণীজনরা আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।


শতদল এর সভাপতি কবির কিরণ সবাইকে আগামী একুশে মে  অনুষ্ঠানে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান। আরো বলেন কি ভাবে আমরা আমাদের জাতীয় কবি ও বিশ্ব কবির চিন্তা চেতনাকে এই প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারি  সেই জন্য সবার কাছে আন্তরিক সহযোগিতা  কামনা করেন।উপমহাদেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা , কবি নজরুল এর নাতনী অনিন্দিতা কাজী ,,তরুণ শিল্পী শবনম আবেদী ও উত্তর আমেরিকা , কানাডার স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান টি সাজানো হয়।অনুষ্ঠানে আরো থাকবে আলোচনা সভা  ,শিশু ,কিশোরদের নিয়ে কবিতা , ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা।  রকমারি পিঠা ও দেশীয় পোশাকের ষ্টল ।


আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন কবি  এবিএম সালেহ উদ্দিন ,এক্টিভিস্ট আবু তালেব ,,কবি ও  লেখক সালেম সুলেরী ,নজরুল গবেষক ড:মাহবুব হাসান ,প্ৰকৌশলী ডেবল গুপ্তা , অর্পিতা গুপ্তা ,প্রকৌশলী শর্মিলা রহমান পিয়া ,ডনার্গিস রহমান , সুলতানা খানম ,সুদীপ্তা রায় , তুহিন আজাদ রোজি ,নাইজার সুলতানা ,হুমায়ুন কবির ,শিউলি জাহান,  মোস্তফা মিনটু সংগ্রাম ।


'বিশ্বের নিপীড়িত মানুষেরও নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু' জাতীয় শ্রমিক লীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার জাতীয় শিশু দিবসে ডা. দিপু মনি

সোমবার, ২০ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক : হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ‘জাতির পিতা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপু মনি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধুমাত্র বাংলাদেশের নেতা ছিলেন না, তিনি সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত মানুষেরও নেতা ।

alt

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসস্থ পালকি পার্টি সেন্টারে আয়োজিত গত ১৭ মার্চ রাতে আয়োজিত সভায় জাতীয় শ্রমিক লীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসানাত হাসান ।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথিবাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপু মনি ।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ বসারত আলী,ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ড. মহসীন আলী, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর,ডা. মাসুদুল হাসান ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,সহ সভাপতি  লুৎফুল করীম,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহীম বাদশা,সাংগঠনিক চন্দন দত্ত, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক সোলেমান আলী বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল রমেশ চন্দ্র নাথ বাংলাদেশ কৃষকলীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারন সম্পাদক খন্দকার আলী আক্কাস , শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিক লীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সহ সভাপতি মনজুর চেীধুরী।

alt

এছাড়াও বক্তব্য রাখনে  জাতীয় শ্রমিক লীগ যুক্তরাষ্ট্রু শাখার সহ সভাপতি টি-মোল্লা, দূরদ মিয়া রুনেল, ছাত্রলীগ নেতা দেওয়ান রনি, প্রমুখ।উপস্থতি ছলিনে আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম ভূইয়া,হাসান জিলানী,  কবির আলী, লস্কর মইজুর রহমান জুয়েল, নারায়ণ দেব, নুমান শেখ আনিসুর রহমান ,  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সুবল দাস । কোরান তেলাওয়াত ও  দোয়া  পাঠ করেন জাতীয় শ্রমিক লীগ যুক্তরাষ্ট্রু শাখার সহ সভাপতি টি-মোল্লা করেন গীতা পাঠ করেন সবিতা দাস।

Picture
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. দিপু মনি  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মদিন উপলক্ষে  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন । তিনি বলেন, বিশ্বের বঞ্চিত জনগোষ্ঠী তাদের আজীবন প্রাণশক্তির জন্য যে কোনো সংকটে বঙ্গবন্ধুকে খুঁজবে। ১৯৫২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের ধারাবাহিক বিবরণ দিয়ে ডা. দিপু মনি বলেন, মার্চ মাস বাঙালিদের জাতীয় জীবনে এক ঐতিহাসিক মাস। এ মাসেই বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দেন। এ মাসেই তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং এ মাসেই বাঙালির জাতীয় জীবনে ২৫ মার্চের নারকীয় ঘটনা সংঘটিত হয়। আর এ মাসেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তাই এ মাসের তাৎপর্য জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  

alt
তিনি বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে হবে। তার আত্মত্যাগ, আদর্শ, আপষহীন সংগ্রাম, প্রতিবাদী মানসিকতার কথা এবং তার দর্শন নব প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  তার মেধা, যোগ্যতা, সাহস আর প্রাজ্ঞ রাজনীতির মধ্য দিয়ে ছাত্রনেতা থেকে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় নেতা আর জাতির জনকে পরিণত হয়েছিলেন। শেখ মুজিব জাতির গর্ব, আমাদের অনুপ্রেরণা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন আর অগ্রগতির অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলছে। হাসিনা সরকারের উন্নয়ন আর গণতন্ত্র হাতে হাত ধরে এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে শেখ হাসিনার পাশে থাকতে হবে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।শেখ মুজিব তার মেধা, যোগ্যতা, সাহস আর প্রাজ্ঞ রাজনীতির মধ্য দিয়ে ছাত্রনেতা থেকে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় নেতা আর জাতির জনকে পরিণত হয়েছিলেন। শেখ মুজিব জাতির গর্ব, আমাদের অনুপ্রেরণা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন আর অগ্রগতির অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলছে। হাসিনা সরকারের উন্নয়ন আর গণতন্ত্র হাতে হাত ধরে এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে শেখ হাসিনার পাশে থাকতে হবে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।

alt
ডা. দিপু মনি তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা তুলে ধরে বলেন, তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর মহানায়ক। জাতির যত কৃতিত্ব তা বঙ্গবন্ধু আর মেখ হাসিনার। বঙ্গবন্ধুর শক্তি ছিলো মানুষের ভালবাসা। আর তার দূর্বলতা ছিলো মানুষের প্রতি অতি ভালবাসা। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্বের অন্যতম-অসাধারণ ত্যাগী আর সাহসী নেতা। তার সাহসকে ধারণ করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে বলেন, বঙ্গবন্ধুকে আমরা যতটুকু চিনি-জানি, তা কি যথেষ্ট? আমরা এতোদিন অন্যের লেখা পড়ে বঙ্গবন্ধুকে চিনছি, জেনেছি। আর আজ বঙ্গবন্ধুর নিজের লেখা ‘আতজীবনী’ পাঠ করে তাকে জানছি। এই গ্রন্থ প্রকাশের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। কেননা, তার উদ্যোগেই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বলেন ‘বঙ্গবন্ধুর আতজীবনী’ গ্রন্থটি শুধু রাজনৈতিক গ্রন্থ নয়, বাংলা সাহিত্যেরও অংশ। গ্রন্থটি যতই পড়ি বঙ্গবন্ধুতে ততই নতুন করে জানতে ও চিনতে পারি। তিনি সবাইকে গ্রন্থটি মনোযোগের সাথে যতœ নিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধুর কারাগারের রোজ নামচা’।ডা. দিপু মনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ৩০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ১৩ বার জেলে গিয়ে ৪,৬৬২দিন কারাভোগ করেছেন। তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ ত্যাগী মানুষ। জীবনের শেষ রক্ত দিয়ে তিনি বাংলার মানুষকে চিরঋণী করে গেছেন। তিনি বলেন, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার দিন থেকেই বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিরেন যে, বাংলাকে স্বাধীন করতে হবে। এজন্য তিনি বিভিন্ন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। তার অসহযোগ আন্দোলন পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ আন্দোলন। আর তিনি দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতা ছিলেন বলেই একাত্তুরের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ১৮ মিনিটের ভাষণে তিনি কিভাবে বাংলাদেশ স্বাধীন হবে, কার কি করতে হবে তার সবই তুলে ধরেছেন।

alt

প্রসঙ্গত: দিপু মনি বঙ্গবন্ধুর পতী বেগম ফজিলাতুন্নেসাকে অসাধারণ নারী আখ্যায়িত করে বলেন, তিনি (ফজিলাতুন্নেসা) টুঙ্গী পাড়ার খোকাকে ‘জাতির পিতা’ বানাতে আজীবন প্রেরণা যুগিয়েছেন। ডা. দিপু মনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত ২০০১-২০১৬ জাতিকে দূর্নীতি আর দু:শাসন উপহার দিয়ে গেছে। তারা মানুষ হত্যা করেছে। এখন তারা ঘাপটি মেরে বসে রয়েছে। সুযোগ পেলেই তারা ছোবল মারবে। যেকোন উপায়ে তারা ক্ষমতায় আসতে চাইছে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করছে। তাই বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, দেড় বছর পর সামনে পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় মানুষের মন জয় করে আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে হবে। এজন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্য আর শৃঙ্খলার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ জনবিচ্ছিন্ন হলেও তাদেরকে ছোট করে ভাববার অবকাশ নেই।বিশ্ব ব্যাংক সহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বঙ্গবন্ধু সরকারের গৃহীত স্বাধীনচেতা কর্মকান্ডের কথা উল্লেখ করে দিপু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাঝে বঙ্গবন্ধুর রক্ত বইছে বলেই তিনি পিতার মতো সাহস আর দৃঢ়তায় বিশ্ব ব্যাংকের বাধা-বিপত্তির মুখেও নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।দিপু মনি বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছিলাম। আমাদের প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে আমাদেরকে বঙ্গবন্ধু’র পথ দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু’র ত্যাগ শেখ হাসিনার ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। বঙ্গবন্ধুর সাহসকে ধারণ করেই শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আর শেখ মুজিবের পথেই হাটছেন শেখ হাসিনা। দেশের অসাধারণ উন্নয়নের নেপথ্যে রয়েছে শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ, বলিষ্ঠ ও সাহসী নেতৃত্ব।

alt
সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তার জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। আমরা স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ পেতাম না, বাংলায় কথা বলতে পারতাম না। বিদেশের মাটিতে মাথা উচু করে থাকতে পারতাম না। বক্তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। সভায় কোন কোন বক্তা শেখ মুজিবকে চিনতে- জানতে তার উপর বেশী বেশী করে একাডেমিক আলোচনার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

alt
আলোচনা সভা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে রাত ১২টা ১৫ মিনিটে সংগঠনের পক্ষ থেকে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে কেক কাটেন ডা. দিপু মনি। যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ ছাড়াও যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকেও পৃথক পৃথকভাবে কেক কাটেন ডা. দিপু মনি। এসময় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীগ,মহিলা আওয়ামা লীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভাপতি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে নৈশভোজের আপ্যায়নর মাধ্যমে সভার সমাপ্তি করেন।

alt

সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


প্রবাসী কবি জুলি রহমানের একক কবিতা সন্ধ্যা ১ এপ্রিল

বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ:যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সুপরিচিত কবি জুলি রহমানের একক কবিতা সন্ধ্যা  অনুষ্ঠিত হবে ১ এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় মামুন’স টিউটোরিয়াল ১৫০৪ ওমষ্টেড এভিনিউ, ব্রঙ্কস, নিউইয়র্ক এনওয়াই- ১০৪৬২। খবর বাপসনিউজ।


বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্কের উদ্যোগে আয়োজিত কবি জুলি রহমানের একক কবিতা সন্ধ্যা  ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন নিউইয়র্কের দুই জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী তাহমিনা শহীদ ও খায়রুল ইসলাম সবুজ।গীতি কবিতায় সাদিয়া আফরীন তন্ধী ও তার দল। সকলের জন্য উন্মুক্ত অনুষ্ঠান শেষে নৈশ ভোজে আপ্যায়ন করা হবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সোসাইটি ব্রঙ্কস নিউইয়র্কের সভাপতি শাহেদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সেবুল খান মাহবুব।


হাসানুর রহমান সম্মানিত

বুধবার, ০৮ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ : গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক মহা নগরীর জ্যাকসন হাইটসের মেজবান রেস্তোঁরায় প্রবাসের অন্যতম বৃহত্তর আঞ্চলিক সংগঠন নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে শিশু সাহিত্যে অবদানের জন্যে নিউইয়র্ক প্রবাসী প্রবীণ শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমানের হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দিয়ে সম্মানিত করা হয়। একই অনুষ্ঠানে প্রবাসে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্যে আরও ক’জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সম্মাননা গ্রহণ করেন। খবর বাপসনিউজ।

alt
উল্লেখ্য, শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ১৯৪৬ সনের ২২ আগষ্ট উত্তরবঙ্গের নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার অন্তর্গত লালোর গ্রামের সুপরিচিত শিরি পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ষাটের দশক ছিল শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমানের  লেখালেখির সোনালী যুগ। এই দশকের পুরোটা সময় তিনি শিশু-কিশোরদের জন্যে এ ন্তার লেখালেখি করেন তখনকার সময়ের বিবিধ মাসিক, সাপ্তাহিকী ও সাময়িকীর পাতায়। শিশু সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘শিরি শিশু সাহিত্য কেন্দ্রে’র তিনি প্রতিষ্ঠাতা।একজন সাংবাদিক হিসেবে ও হাসানুর রহমানের অনন্য ভূমিকা রয়েছে, যা অনেকেরই অজানা। ১৯৬২-৬৪ সনে কুষ্টিয়ায় থাকাকালীন তিনি কুষ্টিয়ার তৎকালীন সাপ্তাহিক ‘যোগাযোগ’ পত্রিকার শহর সংবাদদাতা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা করেছেন তৎকালীন ঢাকার কয়েকটি সংবাদপত্রে। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ঢাকার অধুনালুপÍ দৈনিক ‘সমাজ’- এ সাব এডিটর হিসেবে কিছুদিন কাজ করেন। ১৯৯৬ সনের আগষ্ট মাসে নিউইয়র্ক প্রবাসী হন। শিশু-কিশোরদের জন্যে লেখা তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৩ ( তেরো )টি। সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ এ যাবত পেয়েছেন বেশ কয়েকটি সম্মননা এ্যাওয়ার্ড ও পুরস্কার।


আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন-এর সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদ পূর্ন নির্বাচিত

মঙ্গলবার, ০৭ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন এর সভা গত ৩১ ডিসেম্বর, শনিবার নিউইয়র্কের কুইন্সের একটি রেষ্ঠুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয় । খবর বাপসনিউজ। আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সর্ব সম্মতি ক্রমে আন্তজার্তিক বার্তা সংস্থা বাপসনিউজ এডিটর, বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম ও কটিয়াদিনিউজ ডটকম, প্রদান সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকনকে ও এনওয়াইবিডিনিউজ ও বোষ্টনবাংলাানউজ ডটকম কন্টিবিউটিংন এডিটর এবং সাপ্তাহিক মুক্তকন্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হেলাল মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক পূর্ননির্বাচিত করা হয় এবং বাপসনিউজ চেয়ারম্যান প্রবীন শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমানকে প্রধান উপদেষ্ঠা নির্বাচিত করা হয়।


হাকিকুল ইসলাম খোকনকে সভাপতি ও হেলাল মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক এবং হাসানুর রহমানকে প্রধান উপদেষ্টা করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী পূনর্গ কমিটি চার বছরের জন্য (২০১৭-২০২০) গঠন করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন প্রতিষ্ঠা করা হয়।আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন এর সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ এবং প্রধান উপদেষ্টা হাসানুর রহমান সহ পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে প্রবাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কবি, সাংবাদিক, লেখক, শিল্পী-কলাকুশলী সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ অভিনন্দন জানিয়েছেন ।


১৯৭০’র ২২ ফেব্রুয়ারী স্মরণে নিউইয়র্কে সভা অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ০২ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির, ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক ১৯৭০’র ২২ ফেব্রুয়ারী স্মরণে নিউইয়র্কে আয়োজিত এক সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিনটি ঐতিহাসিক দিন। কেননা, এদিন ঢাকার ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে ছাত্র ইউনিয়নের জনসভায় ১১ দফা কর্মসূচী সম্বলিত প্রচারপত্রে ‘স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা’ ঘোষণা দেয়া হয়। ছাত্র সমাজের যে ঘোষণা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভূমিকা রাখে।

alt

বক্তারা বলেন, ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধই স্বাধীনতার ইতিহাস প্রকৃত ইতিহাস নয়। মূলত: ১৯৪৭ সালের পর থেকেই বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৭১-এর বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। আর দেশের স্বাধীনতার আন্দোলনের নেপথ্যের মূল রূপকার মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। তিনিই সর্বপ্রথম ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে স্বায়াত্তশাসনের কথা বলেন, স্বাধীনতার কথা বলেন।

alt

বক্তারা বলেন, সহনশীলতার মাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়েই দেশের স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস রচনা করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে প্রকৃত বাংলাদেশকে তুলে ধরতে হবে। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিলো এটা যেমন সত্য, তেমনী মওলানা ভাসানী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক পিতা এটাও ইতিহাসের সত্য। পাশাপাশি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাও সত্য। আর ভাসানী-মুজিবের সম্পর্ক ছিলো পিতা-পুত্রের মতো। ইতিহাসের যার যার প্রাপ্য সম্মান তাঁকে দিতে হবে।সচেতন প্রবাসী বাংলাদেশী সমাজ-এর ব্যানারে ১৯৭০-এর ২২ ফেব্রুয়ারী উদযাপন কমিটি গত ২৫ ফেব্রুয়ারী শনিবার সন্ধ্যায় উক্ত সভার আয়োজন করে। নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ কাবাব কিং রেষ্টুরেন্টের পার্টি হলে আয়োজিত সভার শুরুতে সকল শহীদ স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। খবর বাপসনিঊজ’র।

alt

প্রবীণ সাংবাদিক, সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও শিক্ষাবীদ অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। সভায় মূল আলোচক ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা, তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু। সভায় আলোচনায় অংশ নেন গিয়াস আহমদ, সাংবাদিক ও কলামিষ্ট মঈনুদ্দীন নাসের, সাবেক ছাত্রনেতা লুৎফর রহমান হেলাল, বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক ড. মাহবুব হোসেন, বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক নিউইয়র্কের সাবেক সহ সভাপতি আজহারুল হক মিলন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, ২২ ফেব্রুয়ারী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন। সভা পরিচালনা করেন কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট মাকসুদুল হক চৌধুরী। উল্লেখ্য, আতিকুর রহমান সালু পরবর্তীকালে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের পর্যায়ক্রমে সাধারণ সম্পাদক (১৯৭০-১৯৭১) ও সভাপতি (১৯৭২-১৯৭৩) ছিলেন।

alt

অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী রেখা আহমদ সহ ডীনা মাহবুব, নূরুল হক ও লুবনা কাইজার। সবশেষে প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী স্বপ্না কাওসার সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এসময় তলায় সঙ্গত করেন কাওসার হোসেন মন্টু।সভায় আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু তার দীর্ঘ স্মৃতিচারণ করে বলেন, আজ থেকে ৪৭ বছর আগে ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে লক্ষাধিক লোকের সমাবেশ থেকে স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা প্রতিষ্ঠার ডাক দেয়া হয়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন গ্রুপ)-এর উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও ১১ দফা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার। বক্তব্য রাখেন ১৯৬২-এর আইয়ুবের সামরিক শাসন ও শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বিরোধী আন্দোলনের নেতা এবং তৎকালীন শ্রমিক নেতা কাজী জাফর আহমেদ (মরহুম সাবেক প্রধানমন্ত্রী), ডাকসু’র সাবেক ভিপি ও তৎকালীন উদীয়মান কৃষক নেতা রাশেদ খান মেনন (বিমান ও পরিবহন মন্ত্রী) এবং ছাত্র ইউনিয়নের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও ১১ দফা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাহবুবউল্লা (ড. মাহবুবউল্লা)।ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ২২ ফেব্রুয়ারীর জনসভার শুরুতে স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলার (কর্মসূচী) প্রস্তাবনা পাঠ করার সুযোগ হওয়ার কথা উল্লেখ করে আতিকুর রহমান সালু বলেন, ঐ সভায় স্বাধীন বাংলার পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য সামরিক আদালতে কাজী জাফর আহমেদ ও রাশেদ খান মেননকে তাদের অনুপস্থিতিতে ইয়াহিয়ার সামরিক সরকার ৭ বছর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। এছাড়া মোস্তফা জামাল হায়দার ও মাহবুবউল্লাকে এক বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। আমাকে (সালু) পুলিশ হন্য হয়ে খুজে। তিনি বলেন, ২২ ফেব্রুয়ারী পল্টনের জনসভা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক।

alt
আতিকুর রহমান সালু বলেন, তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়ন ছিলো ছাত্র আন্দোলনের ‘নেইম ও ফেইম’। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন ‘ভ্যান গার্ড’-এর ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন, তৎকালীন বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃস্থানীয়দের মধ্যে আবদুল্লাহ আল নোমান (সাবেক মন্ত্রী), সাদেক হোসেন খোকা (সাবেক মন্ত্রী ও মেয়র), জসিম উদ্দিন আহমেদ (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি), শিল্পী ফকির আলমগীর, কাজী সিরাজ (সাংবাদিক) প্রমুখ অংশ নেন। তিনি বলেন, ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে আমরাই প্রথম জনসভা করে প্রকাশ্যে স্বাধীনতার ডাক দেই।সালু বলেন, ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা তথা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মূল সুর ও আকঙ্খা ছিলো সর্বক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তন, সকল বৈষম্যের অবসান এবং শোষনমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজো বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি বলেন, সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারী আমাদের জাতীয় জীবনের অনন্য দিন, ইতিহাসের বাতিঘর। দেশের চলমান রাজনীতির মত পার্থক্য ও কলুষ রাজনীতি দিয়ে সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারীকে বিচার করলে চলবে না। ২২ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিতহাসের ‘মাইল ফলক’। তাই স্বাধীনতার লক্ষ্য বাস্তবায়নে ২২ ফেব্রুয়ারী চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে।
 alt
সভায় ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস এতো বড় যে, তা লিখে শেষ করা যাবে না। তারপরও দেশের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে, জানাতে হবে। তিনি বলেন, কোন সরকারই সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারীকে স্মরণ করবে না। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও প্রবাস থেকে আমাদের সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।মঈনুদ্দীন নাসের বলেন, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ‘আসসালাুম আলাইকুম’-এর পর সত্তরের ২২ ফেব্রুয়ারীর জনসভার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেয়া হয়। এটা ইতিহাস। আমাদেরকে সঠিক ইতিহাস জানতে হবে, নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। তিনি বলেন, মওলানা ভাসানীর সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কথা সেদিন অনেকই বুঝতে না পারায় দেশের রাজনীতিতে অনেক ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, মওলানা ভাসানীর ছিলেন দূরদর্শী নেতা। সত্তুরের নির্বাচনের পর শেখ মুজিব যে ক্ষমতা পাবেন না, তা ভাসানী আগেই বুঝেছিলেন। প্রসঙ্গত তিনি আরো বলেন, শেখ মুজিব নিজেকে কখনো স্বাধীনতার ঘোষক দাবী করেননি। তিনি বলেন, উলফা নেতাদের হস্তান্তর করে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করা যাবে না। আমরা সচেতন না হলে, দেশ প্রেমিক না হলে বহিশত্রুদের আক্রমন থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করা যাবে না।

alt
লুৎফর রহমান হেলাল বলেন, সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারী অস্বীকার করলে একাত্তুরকেই অস্বীকার করা হবে। তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিকদের চারিত্রিক পরিবর্তন, ক্ষমতার মোহ জাতির স্বপ্ন পূরণ করতে পারছে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে ছাত্র ইউনিয়ন ছিলো, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ছিলো না। আর স্বাধীনতার পর পূর্ব বাংলা ছাত্র ইউনিয়ন ‘বাংলাদেশ বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন’ নাম নেয়।ড. মাহবুব হাসান বলেন, মওলা ভাসানী কত বড় মাপের নেতা ছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিব মওলানা ভাসানীকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে শ্রদ্ধা জানাতেন। তিনি শুধু শেখ মজিবের নয়, আওয়ামী লীগেরও রাজনৈতিক পিতা ছিলেন। তিনি বলেন, সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারীর ইতিহাসকে জানতে হবে। ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত দেশের ইতিহাস নিয়ে গবেষনা করতে হবে, সত্যকে তুলে ধরতে হবে।মনজুর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে যত তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনা হবে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস ততই বেড়িয়ে আসবে। কিন্তু আমাদের দূর্ভাগ্য হচ্ছে যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দল তাদের মত করে স্বাধীনতার কথা বলে। আর দেশের ইতিহানবীরা ইতিহাস নয়, রাজনৈতিক কলাম লেখে। তিনি বলেন, ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ এর রিত রূপই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের সাক্ষাৎ নিয়ে ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলায় প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরকার তা অস্বীকার করেনি। তিনি বলেন, আমরা আমাদের দেশ, দেশের স্বাধীনতার সার্বিক ও সঠিক ইতিহাস চাই।

alt
সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারী স্মরণে ‘বাইশে ফেব্রুয়ারী ১৯৭০’ শীর্ষক একটি তথ্যবহুল স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়। প্রবীণ সাংবাদিক মঈনুদ্দীন নাসের সম্পাদিত এতে রাশেদ খান মেনন, মোস্তফা জামাল হায়দার, আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু, মনজুর আহমেদ, প্রফেসর জসীম উদ্দিন, আলী ইমাম, ড. লাইলী উদ্দিন প্রমুখের লেখা প্রকাশিত হয়।


নিউইয়র্কে প্রথম শহীদ মিনারের নির্মাতা শিল্পী খুরশীদ আলম সেলিম

বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ : বর্তমানে প্রবাসে একুশে উপলক্ষে একাধিক শহীদ মিনার র্নির্মিত হলেও নিউইয়র্কে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। সে সময় নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড সিটির মাঝে পার্কে বাংলাদেশ লীগ অব আমেরিকার উদ্যোগে এই শহীদ মিনারটি নির্মিত হয়। এটি নির্মাণ করেছিলেন বর্তমানে নিউইয়র্কে বসবাসরত আন্তজার্তিক খ্যাতি সম্পন্ন শিল্পী খুরশীদ আলম সেলিম। যিনি গত বছর নিউইয়র্ক সিটিতে একুশে উপলক্ষে অস্থায়ীভাবে নির্মিত একুশের ভাস্কর্যটির মূল নকশা তৈরী করেন। তারই নকশায় বাংলাদেশ থেকে ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়। এখানে এনে অস্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়েছিল।

Picture

এ বছরও বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত একুশের অনুষ্ঠানের জন্য নির্মিত শহীদ মিনারটি তিনিই নির্মাণ করেছেন। যা ২০ ফেব্রুয়ারী সোমবার দিবাগত রাতে গুলশান ট্যারেস (সাবেক ঢাকা ক্লাবে) স্থাপন করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে শিল্পী খুরশীদ আলম সেলিম বলেন, ‘আমার খুব ভাল লাগছে যে, নিউইয়র্কের প্রথম শহীদ মিনার আমার হাতেই ১৯৮৮ সালে নির্মিত হয়। গত বছর ম্যানহাটনে মুক্তধারার ব্যবস্থাপনায় একুশে উপলক্ষে যে ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিল সেটির নকশাও আমিই করেছিলাম। পরে তা নানা কারণে ঢাকা থেকে তৈরী করে আনা হয়।

alt
এবার বাংলাদেশ সোসাইটির অনুষ্ঠানে শহীদ মিনারটি স্থাপন করা হয়েছিল সেটিও একুশের মূল শহীদ মিনারকে উপজীব্য রেখে নির্মাণ করা হচ্ছে। আশা করি সেটাও সকলের ভাল লেগেছিল।শিল্পী খুরশীদ আলম সেলিম বলেন, ১৯৮৮ সালে লীগ অব আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন লাকী ইনাম এবং সেক্রেটারী ছিলেন  সাপ্তাহিক ঠিকানার সাবেক সম্পাদক এম এম শাহীন।

alt

তাদেরই অনুরোধে শহীদ মিনারটি মারো পার্কে নির্মিত হয় এবং প্রচন্ড ঠান্ডা উপেক্ষা করে অমরা সকলেই ‘প্রভাত ফেরী’তে অংশ নেই। সে সময় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয় ভোরবেলায়। রাতের প্রথম প্রহরে নয়। সেই অনুষ্ঠানে অনেকের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন মরহুম ডাঃ আলমগীর, বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বেদারুল ইসলাম বাবলা, রানী কবির, কৌশিক আহমেদসহ আরও অনেকে।লীগ অব আমেরিকার সাবেক সভাপতি বেদারুল ইসলাম বলেন, আমিও সেই প্রভাত ফেরীতে অংশ নিয়েছিলাম। আমার মনে আছে, প্রচন্ড ঠান্ডা উপেক্ষা করেও আমরা প্রভাত ফেরীতে অংশ নেই। আর সেটাই নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথম শহীদ মিনার এবং প্রভাত ফেরী।


নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল-এ “শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” পালিত

বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭

Picture

কনস্যুলেট জেনারেল মিলনায়তনে ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ সন্ধ্যায় একটি আলোচনা সভা ও বহুভাষিক একটি বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতেই দিবসটির উপরে একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। কনসাল জেনারেল  শামীম আহসান,এনডিসি তার বক্তৃতায় বলেন যে দিবসটি সারা বিশ্বে ভাষার বৈচিত্র্য উদ্যাপনের একটি প্রেক্ষাপট তৈরী করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি মহান ভাষা আন্দোলনে ভাষা শহীদ ছাড়াও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অবদান তুলে ধরার সাথে সাথে ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে তাঁর বাংলায় বক্তব্য প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ করেন। ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলেন যে এই আন্দোলনের ধারাবাহিক অর্জনই বাংলাদেশের স্বাধীনতা।  

alt

অনুষ্ঠানের মুখ্যবক্তা প্রখ্যাত থিংকট্যাংক (কবুহড়ঃব ঝঢ়বধশবৎ) এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল (ঝওখ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ) এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রধান এবং বিশিষ্ট ভাষা বিশেষজ্ঞ  রবার্ট জেমস থার, (গৎ. জড়নবৎঃ ঔধসবং ঞযধৎ), স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ফোর্ডহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর  কামরুল হায়দার এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব জামালউদ্দিন হোসেন অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে বিশ্বসম্প্রদায়ের মধ্যে ভাষাগত বন্ধনের একটি অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।  বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কনস্যুলেট ও স্থায়ী মিশনের পরিবার, কমিউনিটি এবং বিদেশী শিল্পীরা (বেলারুশ, চিলি, চীন, ভারত, লিথুনিয়া, নেপাল এবং প্যারাগুয়ে) অংশ গ্রহণ করেন। মার্কিন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কনসাল জেনারেল সহ কূটনীতিকবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

Bangladesh Consulate General in New York observes “Martyrs’ Day and International Mother Language Day”

Hakikul Islam khokan,Aysha Akter Ruby,bapsnews:Bangladesh Consulate General in New York observed “Martyrs’ Day and International Mother Language Day” in a befitting manner. The national flag was hoisted at half-mast in the morning of February 21, 2017 in the premises of the Consulate General. Messages from the Hon’ble President, Hon’ble Prime Minister, Hon’ble Foreign Minister and Hon’ble State Minister for Foreign Affairs were read out. A special prayer was offered for the salvation of the departed souls of those who laid down their lives during the language movement in 1952 and War of Independence in 1971 and also seeking divine blessings for the continued peace, progress and prosperity of the country. One minute silence was also observed as a respect to the martyrs.

alt
A discussion meeting was organized in the Auditorium of the Consulate General on Friday (24 February,2017) which was  followed by a multilingual cultural show. A documentary on the International Mother Language Day was screened at the beginning. At the discussion segment, while paying rich tribute to the language martyrs, Consul General Mr. Md. Shameem Ahsan,ndc  in his  remarks said  that  International Mother Language Day has now become a day of celebration of linguistic diversity around the world. In this context, he recalled the contribution of martyrs including role of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman in the historic language movement as well as his speech in Bangla at the UNGA in 1974. He also underlined the significance of the language movement in the evolution of the national history culminating into the independence of Bangladesh.

alt
Other speakers included keynote speaker Mr. Robert James Thar, Language Expert and Head, International Relations Team, SIL International, a prominent think-tank, Washington DC, Mr. Quamrul Haider, Recipient of “Swadhinata Padak” & Professor at Fordham University, New York and Mr. Jamaluddin Hussain, Recipient of “Ekusey Padak” and a cultural personality.     
The discussants spoke about the spirit of oneness in the celebration of the International Mother Language Day which they described as a powerful and inspirational manifestation of unity.
The discussion was rounded off with a colorful multicultural function. The stellar performance by the artists from the Consulate and Permanent Mission family, community and foreign countries (Belarus, Chile, China, India, Lithuania, Nepal and Paraguay) enthralled the audience and manifested a unique harmony of the nations for the protection of cultural diversity. US Officials and guests, Consuls General, diplomats, representatives from social and cultural organizations, and a large number of the members of the Diaspora attended alongwith their families.
The guests were served with traditional Bangladeshi cuisine.


‘তারার আলো’ উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র সাধারণ সভা - নতুন কমিটি গঠন মীনা ইসলাম-সভাপতি ও পর্ণা ইয়াসমিন-সাধারণ সম্পাদক

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক নারীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইনজীবি এন মজুমদার। মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডিমা নেফারতিতির পরিচালনায় সভার শুরুতে শুভেচ্ছা জানান ডাঃ নার্গিস রহমান। তারপর দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

alt

এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জ্ঞাপনের জন্য উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা কাজী শফিকুল হককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তারার আলো’র সভাপতি মীনা ইসলাম।খবর বাপসনিঊজ।

alt

তারার আলো উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র শিল্পীদের সমবেত কন্ঠে সঙ্গীত পরিবেশন করেন । তারার আলো  উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক পর্ণা ইয়াসমিন সংক্ষিপ্তভাবে তারার আলোর প্রতিষ্ঠাতা ও  সভাপতি মীনা ইসলামের পরিচিতি এবং তারার আলো গঠনের উদ্দেশ্য ও কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা করেন।

alt

মীনা ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, তারার আলো উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র যদিও নারীদের সংগঠন কিন্তুু আমরা নারী-পুরুষ মিলে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ করবো। তিনি আরও বলেন, তারার আলোর সদস্যগণ দেশে ও বিদেশে একযোগে জাতির কল্যাণে কাজ করবে। এই সংগঠনে রয়েছে নানাবিধ মেধা সম্পন্ন যোগ্য নেতৃত্ব। এদের মেধা কাজে লাগিয়ে সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত নারীদের সেবা প্রদান করা হবে।

alt
 প্রধান অতিথি এন মজুমদার বলেন, মীনা ইসলামের উদ্যোগে আজ এই প্রবাসের এত নারী এক সাথে মিলিত হয়েছে । এই ঐক্য কাজে লাগিয়ে সমাজের অনেক কল্যাণ করা সম্ভব।

alt
তারার আলো উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র  সদস্যদের মধ্য থেকে আরও বক্তব্য রাখেন ডাঃ নার্গিস রহমান, শাহনাজ বেগম, শামীম আরা আফিয়া, ইসমত জাহান পলি , ফাতিমা খাতুন, জীবন পলি, সালমা আলম, সুলতানা খানম, শাহনাজ আলম লিপি প্রমুখ। সাধারন সভায় তারার আলো উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র নতুন কমিটির ১৬ জনের নাম ঘোষণা করা হয়।

alt

তারা হলেন মীনা ইসলাম-সভাপতি, পর্ণা ইয়াসমিন-সাধারণ সম্পাদক, শাহনাজ বেগম-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ইসমত জাহান পলি-সাংগঠনিক সম্পাদক, সালমা আলম-কোষাধক্ষ্য, নার্গিস রহমান- সাংস্কৃতিক সম্পাদক, পপি চৌধুরী-সাহিত্য সম্পাদক, ফাতিমা খাতুন-যুগ্ম সাহিত্য সম্পাদক, শামীম আরা আফিয়া-সদস্য সচিব, জীবন পলি-প্রচার সম্পাদক, ইয়াছমিন আরা মুন্নি-যুগ্ম প্রচার সম্পাদক, দিমা নেফারতিতি-মিডিয়া সম্পাদক, লাভলী চৌধুরী আঁখি-ক্রীড়া সম্পাদক, সুলতানা খানম-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক, নাহিদা ইয়াসমিন-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, সুপ্তি ফারজানা-আন্তর্জাতিক সম্পাদক।

alt
বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাংস্কৃতিক সম্পাদিক মনিকা রায়, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জনার্ধন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান চৌধুরী,মনি হোম কেয়ারের মনি আহমেদ, রেক্্েরানা মজুমদার, কানিজ আয়েশা, মাকসুদা আহমেদ,খান শওকত, ট্যালেন্ট টেক এর কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান সুমন, এম জামান, ডাঃ শাহ আলম, মাজেদা উদ্দিন ও বাবলী হক প্রমুখ।


প্রধানমন্ত্রীসহ ৫০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে : ইউনাইটেড স্টেট পোস্টাল সার্ভিস কর্তৃক ‘অমর একুশে’র অনন্য স্বীকৃতি

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির, ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের অমর একুশের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভের দ্বিতীয় বারের মত যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগ নিউইয়র্কের জ্যাকসন হ্টাসের পোস্ট অফিসে গত একুশে ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টায় একটি স্মারক সিলমোহর চালু করেছে। আমেরিকার ডাক বিভাগ এ উপলক্ষ্যে একুশে ফেব্রুয়ারি ২০১৭ শীর্ষক একটি বিশেষ সিলমোহর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যবহার করবে। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত সাহার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের ডাকবিভাগ এই বিশেষ সিলমোহর ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ট্রাই স্টেট পোস্টাল সার্ভিস কর্তৃক (নিউইয়র্ক, নিউজার্সী ও কানেকটিকাট) কর্তৃক আয়োজিত পোস্টাল স্মারক উদ্বোধন করেন নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী, সংস্কৃতি মন্ত্রীসহ ৫০ জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিকে একুশ উপলক্ষে প্রকাশিত বিশেষ স্মারক ডাকটিকেট ও সীলমোহরসহ মুক্তধারা ফাউন্ডেশন থেকে চিঠি পাঠানো হয়।

alt
২১শে ফেব্রুয়ারিকে ইউনেস্কো, জাতিসংঘ ও নিউইয়র্ক স্টেট কর্তৃক আন্তর্জাতিক মতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির পর ইউনাইটেড স্টেট পোস্টাল সার্ভিস স্মারক কর্তৃক এই ডাক টিকেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে দিনটিকে আরো গৌরবান্বিত করলো বলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জ্যাকসন হাইটস পোস্ট অফিসের কর্মকর্তা প্যাট্রিসিয়া তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন। বসাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ এর সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধক শামীম আহসান বলেন, আন্তর্জাতিক বলয়ে একুশকে তুলে ধরার জন্য মুক্তধারা ও বাঙালির চেতনা মঞ্চ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে।

alt

এ সকল কার্যক্রম বিদেশে দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্বল থেকে উজ্বলতর করে। এটিকে সাধুবাদ জানাতেই হয়। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত সাহা বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসটিকে প্রতি বছরই নতুন নতুনভাবে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে আমরা চেষ্টা করে চলেছি। বাঙালীর চেতনা মঞ্চের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাদশা বলেন, বাঙালির চেনাকে সমুন্নত রাখতে আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে। একুশের প্রত্যেকটি অনুষ্ঠান সফল কওে তোলার জন্য তিনি সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। উল্লেখ্য, স্মারক সিলমোহরটির ডিজাইন করেছেন নিউইয়র্ক প্রবাসী শিল্পী কে সি মং।

alt
১৯৯২ থেকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের সামেন অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে অভিবাসী বাঙালিরা প্রতি বছর অমর একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করে থাকে। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালির চেতনা মঞ্চের যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সর্বশেষ কর্মসূচী ছিল আজ। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী একুশের গ্রন্থমেলা। ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয জাতিসংঘের সামনে নির্মিত শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ। উক্ত অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম , জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুন বিন মমীন ও কনসাল জেনারেল শামীম আহসানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যোগ দেন। বাংলাদেশের ডাচবাংলা ব্যাংকের সহযোগিতায় মুক্তধারা ফাউন্ডেশন গত বছর জাতিসংঘের সামনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ভাস্কর্য প্রদর্শণের পর এবার ইউনাইটেড পোস্টাল সার্ভিস কর্তৃক স্মারক সীলমোহর প্রকাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নতুন মাত্রা যোগ হলো বলে বিভিন্ পর্বে আলোচকরা মতামত ব্যক্ত করেছেন।