Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

"ফাউন্ডেশন অফ গ্রেটার জৈন্তা" নিউইয়র্ক এর নতুন কমিটি গঠন

শনিবার, ০৫ মার্চ ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :নিউইয়র্ক থেকে : প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর ঐতিহ্যের ধারক বাহক ও খনিজ সম্পদে ভরপুর  বৃহত্তর জৈন্তা(জৈন্তাপুর-গোয়াইনঘাট-কানাইঘাট-কোম্পানীগন্জ) এলাকার উন্নয়নে, প্রবাসীদের সমন্বয়ে সম্প্রতি গঠিত "ফাউন্ডেশন অফ গ্রেটার জৈন্তা" নিউইয়র্ক এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Picture

নিউইয়র্কে বসবাসরত বৃহত্তর  জৈন্তা'র প্রবাসীদের বহু প্রত্যাশিত এই সামাজিক সংগঠন এর নতুন কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে গত 30শে জানুয়ারী শনিবার রাত আটটায় অনাড়ম্বর এক সাধারণ   সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশী অধ্যুষিত নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক মাওলানা রশীদ আহমদ।সংগঠনের সদস্য সচিব জামীল আনছারীর সাবলীল উপস্থাপনায় শুরুতে কালামে হাকীম থেকে তেলাওয়াত করেন মৌলভী আলা উদ্দিন।প্রথমে চলে পরিচিতি পর্ব।এরপর শুরু হয় মূক্ত আলোচনা।

alt

মূক্ত আলোচনায় অংশ নেন মাওলানা জাকারিয়া মাহমুদ, বরকতুল করীম, বুরহান উদ্দিন, রফিক আহমদ, সৈয়দ আলী,মুহাম্মাদ আব্বাস,আলা উদ্দিন, মহসীন মাসরুর প্রমূখ। এছাড়াও মেহমান হিসেবে  আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক   রিমন ইসলাম, হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সৈয়দ আদনান।

alt

আলোচনা পর্যালোচনার এক পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম কে আরো বেগবান করার লক্ষ্যে 13 সদস্য বিশিষ্ট  কার্যকরী কমিটি ও আট সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ  গঠন করা হয়। নব নির্বাচিত  "ফাউন্ডেশন অফ গ্রেটার জৈন্তা " নিউইয়র্ক আগামী  2016-2017 সেশনের কমিটি নিম্নরূপঃ

alt
সভাপতিঃ- মাওলানা রশীদ আহমদ(গোয়াইনঘাট )
সহঃ সভাপতিঃ- মহাম্মদ আব্বাস (কানাইঘাট )
সহঃ সভাপতিঃ- মুহাম্মদ বুরহান উদ্দিন (গোয়াইনঘাট )
সহঃ সভাপতিঃ- শামীম চৌধুরী (কানাইঘাট )
সহঃ সভাপতিঃ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন (গোয়াইনঘাট )
সাধারন সম্পাদকঃ- জামিল আনছারী(জৈন্তাপুর)
সহঃ সাধারন সম্পাদকঃ- সৈয়দ আলী(কোম্পানিগঞ্জ )

alt
সহঃ সাধারন সম্পাদকঃ- মুনায়েম কিবরিয়া(গোয়াইনঘাট )
সাংঘঠনিক সম্পাদকঃ- রফিক আহমদ (কানাইঘাট )
সহঃ সাংঘঠনিক সম্পাদকঃ- বিদ্যুৎ দেব (জৈন্তাপুর)
অর্থ সম্পাদকঃ- বারাকাতুল কারীম (কানাইঘাট )
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ- মহসিন মাসরুর(জৈন্তাপুর)
সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ আবদুল মোহিত(কোম্পানিগঞ্জ )।
কার্যকরী কমিটির পরামর্শের উপর ভিত্তি করে আগামী কিছুদিনের ভিতরে উপদেষ্টা মন্ডলীর নাম ঘোষণা করা হবে।
সবশেষে অনুষ্ঠানে  উপস্থিত সবাইকে সংগঠনের পক্ষ থেকে  ডিনার পরিবেশন করা হয়।


সাংবাদিক শাহানার দুর্ঘটনায় দাঁত ভেঙ্গে গেছে

শনিবার, ০৫ মার্চ ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ: মহান ভাষা দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন আয়োজিত নিউইয়র্কের এষ্টোরিয়ার এনটিভি ভবনে অনুষ্টিত একুশের অনুষ্টানে ভবনের দরজায় ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হয়েছেন টিভি সাংবাদিক সৈয়দা লুৎফা শাহানা। খবর বাপসনিউজ।

alt

২০ ফেব্রুয়ারী ,শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনসহ প্রবাসের বিভিন্ন সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে আয়োজিত এনটিভি ভবনের অনুষ্টানে ঢুকতে গিয়ে মিলনায়তনের কাঁচের দরজায় তিনি ধাক্কা খান। দরজার শক্ত কাচটি তিনি আলো-আঁধারেতে লক্ষ্য করতে পারেনি। প্রচন্ড আঘাতে তার সামনের দুটি দাঁত ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে যায়। মুখ দিয়ে তখন রক্ত ক্ষরণ হতে থাকে । তিনি দ্রুত ওয়াশ রুমে গিয়ে রক্ত নিয়ন্ত্রণে আনেন। একটি ভাঙ্গা দাঁত তিনি মেঝেতে কুড়িয়ে পেলে ও অপরটি পাননি। বর্তমানে তিনি চিকিৎসা ধীন রয়েছেন বলে জানাগেছে। নিউইয়র্ক প্রবাসী সাংবাদিক লুৎফা শাহানা ঢাকায় একুশে টিভি, দিগন্ত টিভি ও বৈশাখী টিভিতে সাংবাদিকতা করেছেন । একুশে টিভিতে তিনি যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও দিগন্ত টিভিতে বার্তা সম্পাদক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

alt

ছবিতে গত বছর ২২ মে ২০১৫ সালে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পিএম-৬৯ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত মুক্তধারার বইমেলার একটি ষ্টলে সাংবাদিক সৈয়দা লুৎফা শাহানাকে দেখা যাচ্ছে -আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন এর সাথে। ছবিঃ বাপসনিউজ। 


নিউইয়র্কে মতবিনীময় সভা প্রবাসী লেখক এম ইসলাম মাসুদের

বুধবার, ০২ মার্চ ২০১৬

alt

নিউইয়র্কের বিশিষ্ট কমিউনিটি লিডার ও লেখক আলী হাসান কিবরিয়া অনুর উপস্থাপনা ও পরিচালনায় অনুষ্টিত মতবিনিময় সভায় প্রবাসের লেখক ,সাংবাদিক ,কবি সংগঠক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী উপস্থিত ছিলেন। খবর বাপসনিঊজ।

Picture


প্রবাসী লেখক এন ইসলাম মাসুদ-এর ৪টি উপন্যাস-রাকিবের মৃত্যু, মেঘে ঢাকা চাঁদ, একটি মৃত্যু ও বোরকা এবং রাহেলার নতুন বাড়ি আমেরিকায় নিয়ে আলোকপাত করা হয়। প্রবাসের বিশিষ্ট জনদের মাঝে মতবিনীময় সভায় বক্তব্য রাখেন বাকসুর সাবেক জিএম ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, সাপ্তাহিক প্রবাস প্রধান সম্পাদক ওয়ালিউল আলম , আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, ও সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদ,আই অন বাংলাটিভি পরিচালক রিমন ইসলাম, কবি কাউসার মোমিন, সাংবাদিক মোজাহিদ আনসারী প্রমুখ সহ আরো অনেকে।

alt

এম ইসলাম মাসুদ গত ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারী মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙ্গালী চেতনা মঞ্চ আয়োজিত ২ দিন ব্যাপি নিউইয়র্কে অনুষ্টিত আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্বারক গ্রন্থ মেলায় অংশ নেন। এবং মেলা শেষে প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময়ে অংশ নেন। তিনি মতবিনিময় সভায় সবাইকে ধন্যবাদ জানান।য়তনি বলেন , নিউইয়র্কে আসলে মনে হয় ঢাকায় অবস্থান করছি। তিনি তার প্রকাশিত উপন্যাসের উপর আলোকপাত করেন ।তিনি আরিজোনাতে একটি  সাহিত্য আসরে প্রবাসীদের আমন্ত্রণ জানান । শেষে নৈশভোজের মাধ্যমে সঅনুষ্টানের সমাপ্তি ঘটে। 


বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে বাংলা ভাষা : নিউইয়র্কে অর্থমন্ত্রী

মঙ্গলবার, ০১ মার্চ ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :নিউইয়র্ক থেকে :বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলা আজ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি বলেন, "বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির যা জন্য করেছেন বিগত কোনো সরকার তা করতে পারেনি।" গত ২৭ ফেব্রুয়ারী ,শনিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে একুশের গ্রন্থমেলা উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

Picture

অর্থমন্ত্রী বলেন, "পৃথিবীতে এমন কোনো নজির নেই যে কোনো জাতি নিজেদের ভাষার জন্য আন্দোলন করে আত্মাহুতি দিয়েছে। শুধুমাত্র বাঙালি জাতিই ভাষার জন্য আন্দোলন করে প্রাণ দিয়েছে। ভারতের আসামের মানুষ তাদের ভাষার জন্য আন্দোলন করেছিল। সেখানে ১৩ জন মানুষ জীবন দিয়েছে। কিন্তু তা নিয়ে আমাদের সঙ্গে তাদের তুলনা চলে না।

alt

এই ভাষার অধিকার আমরা আদায় করেছি ১৯৫২ সালে। ভাষা আন্দোলন থেকেই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু। সেই আন্দোলনের পথ ধরেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬৬ সালে ৬ দফা ঘোষণা করেন। যা আমাদের মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি করে।"

alt

নিউইয়র্কে দুই দিনব্যাপী এ গ্রন্থমেলার আয়োজন করে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালি চেতনা মঞ্চ।  সমতি ওয়াহদ-এর উপস্থাপনায় নিনি ওয়াহেদ-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল  শামীম আহসান এনডিসি, যুক্তরাষ্ট্র সফররত সোশ্যাল ইসলামিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) ডা. রেজাউল হক, কেপিসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ডা. কালী প্রদীপ চৌধুরী,ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ,লেখক হাসান ফেরদৌস, নিনি ওয়াহেদ, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন  প্রমুখ।

alt

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যকার জামালউদ্দিন হোসেন,মুক্তধারা ফাউন্ডেশন সভাপতি  বিশ্বজিত সাহার,বাঙালি চেতনা মঞ্চের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাদশা, সোনালী এক্সচেঞ্জের সিইও আতাউর রহমান,  অভিনেত্রী রওশন আরা হোসেন, লেখক ফেরদৌস সাজেদীন,আমরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন-এর সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ ,লেখক এম ইসলাম মাসুদ ,ফাহিম রেজা নূর, সুব্রত বিশ্বাস, জীবন বিশ্বাস ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার  সাধারান সম্পাদক নূরে আলম জিকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


১৩ মার্চ মেগাষ্টার মিউজিক নাইট কুইন্স প্যালেসে সাংবাদিক সম্মেলনে আয়োজকদের ঘোষণ

সোমবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ:যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শিল্পীদের নতুন সংগঠণ‘ মেগাষ্টার মিউজিক এন্ড এন্টারটেনমেন্ট ইউএসএ’র এক সাংবাদিক সম্মেলন গত ২৭ ফেব্রুয়ারী ,শনিবার,রাত ৮টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস্থ ইত্যাদি গার্ডেন রেষ্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়।সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের অন্যতম সংগঠক প্রবাসের সুপরিচিত ও জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী হাফিজুর রহমান হাফিজ ও সাংস্কৃতিক সংগঠক লিটন চৌধুরী স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রোকসানা বেগম।

alt
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগীত শিল্পীবৃন্দ শাহ মাহবুব, খাইরুল ইসলাম সবুজ , রিনা চৌধুরী, চন্দন চৌধুরী, পার্থ গ্রপ্ত ,পাভীন বানু, আতিয়ার বাবু,ফরিদা পারভীন হেলেন, নরুজ্জামান লালটু, হাবিবুর রহমান হাবিব আবুল মঞ্জু এবং উৎসব ডটকমের আল আমিন। খবর বাপসনিউজ।সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৩ মার্চ রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় নিউইয়র্কের উডসাইডস্থ কুইন্স প্যালেসে-(৩৭-১১, ৫৭ ষ্টীট উডসাইড নিউইয়র্ক ,এনওয়াই-১১৩৭৭,) প্রবাসের সংগীত শিল্পীদের নবগঠিত এই সংগঠনের প্রথম সাংস্কৃতিক অনুষ্টান “মেগাষ্টার নাইট” এর মাধ্যমে সীমাহীন প্রত্যাশা নিয়ে তাদের অগ্রযাত্রার সূচনা হবে। এতে নিউইয়র্ক প্রবাসী জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীদের সমন্বয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্টানে প্রবাসী শিল্পীগণ সংগীত পরিবেশন করবেন।

alt
উক্ত অনুষ্টানের গ্রান্ড স্পসর থাকবে উৎসব ডটকম। সাংবাদিক সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রবাসে শিল্পীদের অনুপ্রেরণার জন্য এই সংগঠন কাজ করবে। এবং শিল্পীদের বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা জানানো হবে। শিল্পীদের কল্যানে এই সংগঠন কাজ করবে বলে ও সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তাগণ উল্লেখ করেন।

alt
মেগাষ্টার মিউজিক নাইট সকলের জন্য উন্মুক্ত এবং প্রীতি ভোজে আপ্যায়নের ব্যাবস্থা থাকবে বলে জানান।সাংবাদিক সম্মেলন শেষে  সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ণ করা হয়।  মেগাষ্টার মিইজিক নাইট অনুষ্টানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সকল প্রবাসীদের স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সংগীত শিল্পী হাফিজুর রহমান হাফিজ ও সাংস্কৃতিক সংগঠক লিটন চৌধুরী।


নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ইয়র্ক বাংলা’র প্রকাশনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

সোমবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :নিউইয়র্ক থেকে :মোদের গর্ব মোদের আশা আ-মরি বাংলার ভাষা। সেই ভাষার মাসেই বহু প্রতীক্ষিত নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ‘ইয়র্ক বাংলা’র প্রকাশনা অনুষ্ঠান   সম্পন্ন হয়েছে । মননের উৎকর্ষ সাধন, মুক্তমনের বাংলায়ন, সময় ও সাহিত্যের বুনিয়াদি বিশ্লেষণ আর দেশ-বিদেশের আলোকিত শিকড় সন্ধানী,চৈন্তিক মানুষের একগুচ্ছ লেখা নিয়ে নিউইয়র্ক থেকে যাত্রা শুরু করেছে “ইয়র্ক বাংলা ” নামক বাংলা প্রিন্ট মিডিয়ার একটি ম্যাগাজিন। 25শে ফেব্রুয়ারী 2016 বৃহস্পতিবার রাত আটটায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পালকী পার্টি হলে সূচনা সংখ্যার আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ম্যাগাজিন টির পথচলা ।

Picture

অনুষ্ঠানে ইয়র্ক বাংলা’র সম্পাদক রশীদ আহমদ এর সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সম্পাদক  জামিল আনছারীর  উপস্থাপনায় শুরুতে কুরআনে হাকীম থেকে তেলাওয়াত করেন বায়তুল গাফফার জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা মাসুক আহমদ।স্বাগত বক্তব্য রাখেন ম্যাগাজিন এর সম্পাদক রশীদ আহমদ।উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ইয়র্ক বাংলা’র সহকারী সম্পাদক  মামুন হাসান।এর পরপরই সকল অতিথিরা দাঁড়িয়ে একযোগে  ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন সম্পন্ন করেন।

alt

অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক  ড.শওকত আলী,  সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক   আবু তাহের, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মাহমুদ খান তাসের,আই অন টিভির পরিচালক ও নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব এর সহ সভাপতি রিমন ইসলাম, হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেভলপমেন্ট ফর বাংলাদেশ এর প্রেসিডেন্ট  মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, বায়তুশ শরফ মসজিদ এন্ড ইসলামিক সেন্টারের ইমাম ও খতিব মাওলানা জাকারিয়া মাহমুদ, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী এ বি এম সালাহ উদ্দীন আহমেদ, কমিউনিটি এক্টিভিটস  শাহানা মাছুম।

alt

প্রকাশনা অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, ,সাপ্তাহিক দেশবাংলার নির্বাহী সম্পাদক  আলমগীর হোসেন সরকার,  সাংবাদিক ইমরান আনসারী, ইষ্ট ওয়েস্ট টিউটোরিয়াল সেন্টারের ডাইরেক্টর মোশাররফ হোসাইন, খান শওকত,রাহাত জাদী শিউলী, নঈমুদ্দীন, শফিকুর রহমান জীবন শফিক, আশরাফ হাসান ও আমিনুল ইসলাম খান শাহীন।

alt

এছাড়াও আস সাফা ইসলামিক সেন্টারের খতিব মাওলানা রফিক আহমদ রেফায়ী, লেখিকা  শামসাদ হুসাম চৌধুরী, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদার,সাপ্তাহিক ঠিকানা নির্বাহী সম্পাদক  জাবেদ খসরু,সাপ্তাহিক প্রবাসের সম্পাদক  মোহাম্মদ সাঈদ, মীর মাসুম আলী, টাইম টিভির  সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, আই টিভির  মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, টিবিএন টুয়েন্টিফোর এর সাংবাদিক  আশরাফুল হাসান বুলবুল, মনজুর আহমদ,সাপ্তাহিক আজকাল এর  হাসানুজ্জামান সাকী,রাহাত কাজী শিউলী,   দিলরুবা চৌধুরী, মাওলানা আবুল কালাম, সাংবাদিক  মনজুর আহমদ, আসলাম আহমদ ও আস সাফা ইসলামিক সেন্টারের খতিব মাওলানা রফিক আহমদ রেফায়ী, উপস্থিত ছিলেন। প্রকাশনা অনুষ্ঠানে নিউইর্য়কের আরো অনেক সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রেমী এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরাও উপস্থিত ছিলেন।

alt

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অতিথি বক্তারা বলেন,আমরা প্রত্যাশা করছি নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশীদের তথা বাংলাদেশের কমিউনিটির সাহিত্য ও সংস্কৃতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করবে ইয়র্ক বাংলা।ম্যাগাজিন টি প্রবাসে হাজারো বাংলাদেশীর মন মননে নিজেই নিজের স্থান করে নিবে।সৎ সাহস এবং সত্য উচ্চারণের দৃপ্ত অঙ্গীকার নিয়ে মুক্ত মাঠ গড়ার প্রত্যয়ে শপথ নিয়ে যখন মাঠে নেমেছে একঝাক সাহিত্য কর্মী,তাই আশা করা যায় তারা নিরপেক্ষ ভাবে এগিয়ে যেয়ে সফলতা ও জনপ্রিয়তায় সৃষ্টি করবে অনন্য দৃষ্টান্ত।ইয়র্ক বাংলা’র কাছে প্রবাসীদের প্রত্যাশা এই ম্যাগাজিন যেন বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও স্বাধিকার আন্দোলনের নীরব সাক্ষী হয়ে কাজ করে।বক্তারা আরো বলেন,দেশ ও মাটির দায়বদ্ধতায় নিরলস কলম সৈনিক গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এক আশ্চর্য সুন্দর সময়ে ইয়র্ক বাংলা’র জন্ম হয়েছে এবং নিউইয়র্কে স্বদেশ সাহিত্য ও সংস্কৃতির সেতুবন্ধন স্থাপনে তারা অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের প্রত্যাশা ।

alt

ইয়র্ক বাংলার একঝাক উদ্যমী তারুণ্যের সমন্বয়ে প্রবাসে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির গগণ চুম্বী অঙ্গের সাথে আজ থেকে যুক্ত হলো আরেকটি পালক।যার শুরুটাই হচ্ছে প্রিন্ট আকারে, সাথে সহায়ক হিসেবে থাকছে অনলাইন পোর্টাল http://www.yorkbangla.com/ প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর নিউইয়র্ক, বাংলাদেশ, লন্ডন, কানাডা, ফ্রান্স, চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে একযোগে ডানা মেলবে কাগুজে ইয়র্ক বাংলা’র জরোসরো বর্ণমালা।বাংলা ভাষার স্বপ্নিল আশাবাদে, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সুন্দর চাষাবাদ এর শ্লোগানকে সামনে রেখে সাহিত্য ও সংস্কৃতির অঙ্গনে নিউইয়র্কের মিডিয়া জগতে এক মাইলফলক হিসেবে ইয়র্ক বাংলা অবদান রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।

alt

যে মাসে আমাদের পূর্বসূরিরা অস্তিত্বের শিকড় মাতৃভাষা কে চক্রান্তকারীদের হাত থেকে চিরতরে মুক্ত করার জন্য রক্তের সিঁড়ি বেয়ে জাতিকে সাহসী প্রেরণা যুগিয়ে ছিলেন, ঠিক সেই মাসে একুশ তথা ফাল্গুনের ভাবনায়,প্রবাসে বাংলা ভাষাকে লালন করতে আর বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ভাষা,সাহিত্য-সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে যে সেতুবন্ধনের প্রয়োজন হয়,সেটি-ই করছে “ইয়র্ক বাংলা”। তাই ইয়র্ক বাংলা”র পথচলা ও যাত্রা শুভ হোক,তাঁর মিশন এবং ভিশন নিয়ে এগিয়ে যাক দিক থেকে দিগন্তে,মনন থেকে মন্জিলে,সবাইকে সাথে নিয়ে সেই প্রত্যাশাই করছি । মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি সত্যিই স্মৃতিময়।ইয়র্ক বাংলা’র প্রকাশনা অনুষ্ঠানটি অনলাইনের মাধ্যমে সরাসরি উপভোগ করছিলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাঠক ও শুভাকাঙ্খীরা। মিডিয়া পার্টনার ছিল ইবাদাহ স্টুডিও।


মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জেএসডি’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ও দেশোপযোগী রাষ্ট্র-ব্যবস্থাপনা চালু করার মাধ্যমেই মহান একুশের চেতনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব--হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি-ইঊএসএ সভাপতি  হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন বলেছেন, মহান একুশের পর ৬৪ বছর অতিক্রাšত  হতে চললো। পাকি¯তান আমলের কথা বাদ দিলেও স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও দেশের উচ্চ শিক্ষা ও উচ্চ আদালতসহ অনেক স্থানেই এখনো বাংলার প্রচলন হয়নি। গড়ে ওঠেনি স্বাধীন দেশের উপযোগী রাজনীতি ও রাষ্ট্র-প্রশাসন। ফলে মহান একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আজো বা¯তবায়িত হয়নি। সর্ব¯তরে বাংলা ভাষা ও দেশোপযোগী রাষ্ট্র-ব্যবস্থাপনা চালু করার মাধ্যমেই মহান একুশ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা¯তবায়ন করা সম্ভব। এ লক্ষ্য অর্জনকে সফল করার জন্য দেশে ৯টি প্রদেশ, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট ও শক্তিশালী স্ব শাসিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবী জানান,খবর বাপসনিঊজ।

Jsd USA 2লিটন আরো বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে দেশে উপজেলা নির্বাচন হয়েছিল। উপজেলা পরিষদের উপর মন্ত্রী, এমপিদের  কর্তৃত্ব লাঘব করা হয়নি। উপজেলা পরিষদ স্বাধীনভাবে কোন সিদ্ধাšত গ্রহন ও বা¯তবায়ন করতে পারে না। এ অবস্থার অবসান করে জনগণের চাহিদা মোতাবেক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে উপজেলা পরিষদসহ সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে স্ব-শাসিত হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। গত ২০ ফেবরুয়ারী বিকেল ৪টায় দলের নিঊইয়ক-এর কার্যালয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি-ইঊএসএ’র উদ্যোগে মহান শহীদ দিবস ও আšতর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে লিটনএ সকল কথা বলেন।

জেএসডি-ইঊএসএ-র সাধারণ সম্পাদক  সামসুঊদিদন আহমদ শামীম বলেন,২০১৪ সালে উপজেলা নির্বাচন অদলীয় হওয়া সত্বেও এ নির্বাচনে সমর্থনের নামে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কার্যতঃ দলীয় মনোনয়ন দিয়ে আরপিও লংঘন করছে। অথচ এর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। এ অবস্থা চলতে থাকলে এ কমিশনকেই জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে।

আলোচনা সভায়  সম্মানীত বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রস্থ সোহরাওয়ার্দী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি প্রবীণ শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বার্তা সংস্থা বাপসনিউজ এডিটর হাকিকুল ইসলাম খোকন  ।সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাংগঠকি সম্পাদক তসলিম ঊদিদন খানপ্রমুখসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।  খবর বাপসনিঊজ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে শ্রমিক, কৃষক, সর্বহারা জনতা, মেহনতি মধ্যবিত্ত এবং প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবি মানুষের মধ্য হতে গড়ে উঠা নতুন নেতৃত্বের অধিকারী শ্রমিক, কৃষক মেহনতি মানুষের সত্যিকার প্রতিনিধিদের উপর রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা অর্পন এবং বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মাধ্যমে শ্রেনীহীন, শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়েই ১৯৭২ সালের ৩১ শে অক্টোবর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি জন্ম লাভ করে। সমাজ বিকাশের নতুন সম্ভাবনাকে বিকশিত করে তোলার জন্য পুরনো বিজাতীয় শক্তির Jsd USA 1বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রামের ঐহিত্য নিয়ে বাঙালী জাতির জন্ম। স্বাধীনতা যুদ্ধে উপনিবেশীক স্বৈরাচারী শক্তিকে পরাভুত করে বাঙালী জাতি পৌরুষত্বের পরিচয় দিয়েছে। স্বাধীনতার পর বার বার এ জাতি বিজয়ের সাফল্যগুলোকে সুসংহত করে শ্রেনীহীন সমাজব্যবস্থার পথে এগিয়ে যেতে চেয়েছে। কিন্তু দলীয় শাষনের যাঁতাকলে পড়ে গত ৪৪ বছর ধরে এদেশের নেতৃবর্গ জাতির এ উর্ধ্বমূখী আকাঙ্খাকে উপলব্দি করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই জাতি আজ হাতাশা ও বিক্ষুব্ধ। রাজনৈতিক দলগুলি দেউলিয়া ও দিশেহারা। এখন জাতি চায় এমন একটি রাজনৈতিক কর্মসূচী- যা শান্তি দিবে, সংহতি দিবে, উন্নয়ণ আর প্রগতির নতুন যুগের সূচনা করবে। কিন্তু এক্ষেত্রে উপনিবেশিক ধাঁচের রাজনৈতিক দলগুলি ব্যর্থ-অক্ষম-অর্থব। একমাত্র জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি জাতির আশা আকাঙ্খার স্বার্থক প্রতিনিধি। যারা সংগ্রামের আপোষহীন ও নির্মম; আবার শান্তির জন্য আন্তরিক ও অঙ্গীকারাবদ্ধ।

সভায় বক্তাগণ বলেন, স্বাধীনতা উত্তর কালে জাতীর জন্য প্রয়োজন ছিল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী সকল দল, সমাজ ও শক্তির সমন্বয়ে একটি “বিপ্লবী জাতীয় সরকার” গড়ে তোলা। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুসংহত করা ও জাতীয় উন্নয়নের মৌলিক করণীয় সমূহ সম্পাদনের জন্য এ ছিল অপরিহার্য। কিন্তু তা না করে বৃটিশ-পাকিস্তানি উপনিবেসিক মডেলের রাজনীতি ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভর করেই স্বাধীন দেশের যাত্রা শুরু করা হয়। যার ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের উত্তরোত্তর বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী শক্তি বহুধা বিভক্ত হয়ে পড়ে, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হয়।
জেএসডি’র নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আসুন পুরোনো মডেলের রাজনীতি, দলীয় আধিপত্ববাদী রাজনৈতিক-সংস্কৃতি ও উপনিবেসিক ধাচের রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিবর্তন করে স্বাধীন দেশের উপযোগী নতুন মডেলের রাজনীতি ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার আন্দোলনকে বেগবান করি। আমরা আস্থা রাখি, স্বাধীনতার পথম পতাকা উত্তোলক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি আ স ম আবদুর রব দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় রাষ্ট্র শাষনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম। বর্তমান যুগে জ্ঞান অভিজ্ঞতা শিক্ষার সমন্বিত শক্তি ঐক্যবদ্ধ জাতীয়  নেতৃত্বের জন্য মূল্যবান উপকরণ। সমযোতা ও বিতর্কের এ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমরা আছি সরকার ও অন্যান্য জাতীয় নেতৃত্বের ঐক্যের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব দেখার অপেক্ষায়।২০ফেবরুয়ারী আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ মর্যাদার সাথে উদযাপন করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল - জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখা । এ উপলক্ষ্যে জাতিসংঘের সদর দপ্তরসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের শহরগুলিতে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
সবার প্রারম্ভে ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলন,১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ সহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


২ মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস উদযাপন করবে যুক্তরাষ্ট্র জেএসডি

বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:১৯৭১ সালে ২ মার্চ তদকালীন ডাকসু‘র ভিপি সাবেক মন্ত্রী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি‘র সভাপতি আ. স. ম. আবদুর রব বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলন করেন । এ উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাং¯কৃতিক সংগঠন যথাযথ মর্যাদার সাথে দিবসটি পালন করবে।

Picture

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখা এদিন ২ মার্চ, বুধবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস,৭৪-০৯-৩৭ এভিনিঊর বাংলাটাইম অফিসে  এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। উক্ত সভায় সকল প্রবাসীদের অংশ গ্রহণে সাদর আহবান জানিয়েছেন জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন  লিটন ও সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন আহমেদ শামীম। বাপসনিউজ।
 


নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল-এ “শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” উদ্যাপন

মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ২১ ফেব্রুয়ারী রবিবার নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদায় “শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” উদ্যাপন করেছে। কর্মসূচীর অংশ হিসেবে, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ কনস্যুলেট এ আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা অর্ধনিমিত করা হয় এবং দিবসটি উপলক্ষে প্রেরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। সকল শহীদদের সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
Picture
কনস্যুলেট মিলনায়তনে ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৫ সন্ধ্যায় একটি আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল মোঃ শামীম আহসান, এনডিসি তার বক্তৃতায় বলেন যে দিবসটি সারা বিশ্বে ভাষার বৈচিত্র্য উদ্যাপনের একটি প্রেক্ষাপট তৈরী করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি মহান ভাষা আন্দোলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অবদান তুলে ধরার সাথে সাথে ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে তাঁর বাংলায় বক্তব্য প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ করেন। ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলেন যে এই আন্দোলনের ধারাবাহিক অর্জনই বাংলাদেশের স্বাধীনতা।  অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত  মাসুদ বিন মোমেন, এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল (ঝওখ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ) এর প্রধান নির্বাহী এবং ভাষা বিশেষজ্ঞ ড. ফ্রেডরিক এ. বসওয়েল (উৎ. ঋৎবফৎরপশ অ. ইড়ংবিষষ), বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন নবী অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে বিশ্বসম্প্রদায়ের মধ্যে ভাষাগত বন্ধনের একটি অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।খবর বাপসনিঊজ  ।

alt

বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কনস্যুলেট পরিবার, কমিউনিটি এবং বিদেশী শিল্পীরা (এস্তোনিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখাস্তান, নেপাল, নাইজেরিয়া, রাশিয়ান ফেডারেশন এবং সিয়েরা লিওন) অংশ গ্রহণ করেন। মার্কিন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক,আওয়ামীগ,জাসদ,জাপাসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ কম্যুনিটির সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

Bangladesh Consulate General in New York observes “Martyrs’ Day and International Mother Language Day”

Hakikul Islam Khokan,Bapsnews:Bangladesh Consulate General in New York observed “Martyrs’ Day and International Mother Language Day” in a befitting manner. The national flag was hoisted at half-mast in the morning of February 21, 2016 on the premises of the Consulate. Messages from the Hon’ble President, Hon’be Prime Minister, Hon’ble Foreign Minister and Hon’ble State Minister for Foreign Affairs were read out. A special prayer was offered for the salvation of the departed souls of those who laid down their lives during the language movement in 1952 and War of Independence in 1971, and also seeking divine blessings for the continued peace, progress and prosperity of the country.

alt

A discussion meeting was organized in the Auditorium of the Consulate General on Sunday (21 February,2016) which was  followed by a multilingual cultural show. Paying rich tribute to the language martyrs, Consul General Md. Shameem Ahsan,ndc  in his  remarks said  that  International Mother Language Day has now become a day of celebration of linguistic diversity around the world. In this context, he recalled the contribution of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman in the historic language movement as well as his speech in Bangla at the UNGA in 1974. He also underlined the significance of the language movement in the evolution of the national history culminating into the independence of Bangladesh.
Other speakers included, H.E. Mr. Masud Bin Momen, Permanent Representative and Ambassador of Bangladesh to the UN, Dr. Fredrick A. Boswell, Executive Director and CEO, SIL International and Guest Speaker and Dr. Nurun Nabi Chowdhury, Keynote Speaker.  


alt
The discussants spoke about the spirit of oneness in the celebration of the International Mother Language Day which they described as a powerful and inspirational manifestation of unity.
The discussion was rounded off with a colorful multicultural function. The stellar performance by the artists from the Consulate and Permanent Mission family, community and foreign countries (Estonia, India, Indonesia, Kazakhstan, Nepal, Nigeria, Russian Federation and Sierra Leone) enthralled the audience and manifested a unique harmony of the nations for the protection of cultural diversity. US Officials, diplomats from various Consulates, representatives fromUSA Awami League,JSD,JP, social and cultural organizations, and a large number of the members of the Diaspora attended alongwith their families.
The guests were served with traditional Bangladeshi cuisine.


মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালীর চেতনা মঞ্চ আয়োজিত আমেরিকার মূলধারার দায়িত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ ও বিভিন্ন অর্জনের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘের সামনে শহীদ দিবস পালিত

সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক:একুশের চেতনাদীপ্ত শপথ ও দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণার মধ্য দিয়ে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলা ভাষা-ভাষীরা উদযাপন করেছে মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। গত শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের সামনে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে প্রবাসীরা উদযাপন করে এ দিবসটি। প্রতিবছরের ন্যায় উপস্তিত সর্বকনিষ্ঠ শিশুর হাত দিয়ে প্রথম পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয় শহীদ বেদীতে এুকশের প্রথম প্রহরে। দেশী বিদেশী শত শত কন্ঠে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয় একুশের অমর সঙ্গীত আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি। খবর বাপসনিঊজ।
alt
মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালীর চেতনা মঞ্চ আয়োজিত এই ২৫ বছর পূর্তির একুশ শুধু প্রবাস নয় সমগ্র বাঙালী জাতির জন্য সৃষ্টি করেছে নতুন এক গৌরব গাঁথা। অস্থায়ী শহীদ মিনারের পাশেই স্থাপিত মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ভাস্কর্যটি এবারের একুশ উদযাপন করেছে মহিমান্বিত ও গৌরবান্বিত। যুক্ত করেছে নতুন মাইলফলক। প্রেসিডেন্ট ওবামার দক্ষিণ এশীয় বিষয়ক কমিটির উপদেষ্টা ও ফিলাডেলফিয়ার ডেপুটি মেয়র ড. নীনা আহমেদ, নিউইয়র্ক স্টেট গভর্ণর এর প্রতিনিধি হার্শ কে পারেক, মেয়র এর ইমগ্রেশন এফেয়ার্সের কমিশনার নিশা আগরওয়াল, নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রলার এর প্রতনিধি আলিয়া লতিফ, জাতিসংঘের প্রতিনিধি ড. নজরুল ইসলাম ও কুইন্স বরো প্রেসিডেন্টে মেলিন্ডা ক্যাটস এর মত শীর্ষ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ ও উপস্থিতি এবারের আয়োজনকে আরো দ্যুতিময় করেছে। স্টেট সেনেটর হোজে পেরাল্টা কর্তৃক উত্থাপিত এবং নিউইর্ক গভর্ণর কর্তৃক দ্বিতীয় বারের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির রেজ্যুলেশন এবং আমেরিকার মূলধারার ব্যক্তিদের উচ্চসিত প্রশংসা আমেরিকার মূলধারায়  প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মান ও মর্যাদার ভিত্তিকে আগামি দিনের জন্য আরো শক্তিশালী করেছে। একুশের অনুষ্ঠানে মূলধারার দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যাপকসংখ্যক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি একুশের অনুষ্ঠানে ইতপূর্বে কখনো দেখা যায়নি। এই আয়োজনে তাদের সরব অংশগ্রহণ মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এবছরই ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে আমেরিকার ডাক বিভাগ প্রকাশ করছে একুশের স্মারক সীলমোহর।
alt
বাংলাদেশ সময়ে একুশের প্রথম প্রহরের সাথে সংযুক্ত হয়ে প্রবাসে একুশ উদযাপনের মধ্য দিয়ে এবারের আয়োজনে সংযোজিত হয়েছে ভিন্ন ধারা, প্রতিভাত হয়েছে একুশের ব্যতিক্রমী রূপ। ঝলমলে শীতের দুপুরে শত শত মানুষের পদভারে জাতিসংঘের সদর দফতরের সম্মুখভাগ ছিল প্রকম্পিত। উদীচি শিল্পী গোষ্ঠীর গণসঙ্গীত, একুশের গান ও দেশাত্মবোধক গানের মধ্য দিয়ে গোটা পরিবেশকে সৃষ্টি করে মহান একুশের চেতনার আবহ। যে আবহে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে আসা সমবেত জনতা নিবিড়ভাবে নিজেকে সংযুক্ত করে।
alt
সাংস্কৃতিক পর্বে অংশগহ্রণ করে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী। জীবন বিশ্বাস এর নেৃতত্বে উদীচী গোষ্ঠীরা শিল্পীরা ছিলেন: সুদৃতা পাল সুলেখা, সাবিনা হাই উর্বি, মুক্তা ধর, কণিকা ধর, সুতপা মন্ডল, জয়ন্তী ভট্টাচার্য, অনামিকা মজুমদার, সুক্তি বিশ্বাস, সাহানা আক্তার নুপুর, মৌসুমী রহমান, নাজনীন করিম, রাজীব, উদিতা তন্বী, দিব্য রায়, শোভন বালা, সত্যম ধর, সংগীতা চক্রবর্তী, অমৃতা রায় মিষ্টি, মনিষা সাহা প্রমূখ। উদীচী শিল্পী গোস্ঠী ছাড়াও মন্দিরায় ছিলেন শহীদ উদ্দীন। বাংলাদেশ ক্লাব জাতিসংঘও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। স্বরচিত কবিতা পাঠ করেছেন , শামস আল মমীন, তমজিউদ্দীন লোদী ও ফকির ইলয়াস। আবৃত্তি করেছেন মিজানুর বিপ্লব ও গোপন সাহা।
alt
শহীদ মিনারে শিশুর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের পর পরই অত্যন্ত ধীর গতিকে গভীর শ্রদ্ধাভরে ও সুশৃংখলভাবে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, প্রসিডেন্ট ওবামার দক্ষিণ এশীয় বিষয়ক কমিটির উপদেষ্টা ও ফিলাডেলফিয়ার ডেপুটি মেয়র ড. নীনা আহমেদ, নিউইয়র্ক স্টেট গভর্ণর এর প্রতিনিধি হার্শ কে পারেক, মেয়র এর ইমগ্রেশন এফেয়ার্সের কমিশনার নিশা আগরওয়াল, নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রলার এর প্রতনিধি আলিয়া লতিফ, জাতিসংঘের প্রতিনিধি ড. নজরুল ইসলাম ও কুইন্স বরো প্রেসিডেন্টে মেলিন্ডা ক্যাটস, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,  যুক্তরাষ্ট্র জাসদ, প্রজন্ম ৭১, লাগার্ডিয়া কলেজ ছাত্র সংসদ, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা ক্লাব,  সেতু ইঙ্ক, বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগ, গোলাপগঞ্জ সোসাইটি, বেঙ্গলী চার্চ, একুশের চেতনা পরিষদ, ভাষা সৈনিক আব্দুস সামাদ পরিবার, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র, পাবনা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলা স্কুল ব্রঙ্কস, এনআরবিসি ব্যাংক, শিরি সাহিত্য সংসদ, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ, জ্যাকসন হাইটস বিজনেস এসোসিয়েশন, আবাহনী ক্লাব, বাংলাদেশ স্পোটস ফেডারেশন, বঙ্গবন্ধু প্রচারকেন্দ্র সমাজকল্যান পরিসদ যুক্তরাষ্ট্র, পাবনা সমিতি, যুক্তরাষ্ট্র সোহরাওয়ার্দী স্মৃতি পরিষদ, হিন্দু ফাউন্ডেশন,  বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগ বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন পরিষদ, শিশু সাহিত্য পরিসদ, বাপসনিউজ, বস্টনবাংলানিউজ, বনলতা শিল্পী সাহিত্যিক সাংবাদিক গোষ্ঠী, শ্রীকৃষ্ণ ভক্তসংঘ, নোয়াখালী সমিতি, বাংলাদেশ হিন্দু মন্দির, খৃস্টান এসোসিয়েশন, কানেকটিকাট বাংলাদেশ সোসাইটি, শ্রোতার আসর, ফরিদা আরভীর নেতৃত্বে নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ ভলিন্টারস লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখা, সাংস্কৃতিক-সামাজিক-আঞ্চলিক-রাজনৈতিক ও ক্রীড়া সংগঠন।  
alt
এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে হাসান ফেরদৌস, ফেরদৌস সাজেদীন, তাজুল ইমাম, ফজলুর রহমান, সৈয়দ টিপু সুলতান, সউদ চৌধুরী, ফাহিম রেজা চৌধুরী, অধ্যাপিকা হোসনে আরা বেগম, আব্দুল মালেক, সোনিয়া কাদের, ওবায়দুল্লা মামুন, মোস্তফা আরশাদ, নিনি ওয়াহেদ, শিতাংশু গুহ, প্রদীপ কর, জলি কর,  রানু ফেরদৌস, স্বীকৃতি বড়–য়াসহ অনেকে ব্যক্তিগতভাবে শহীদ মিনারে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন।গত ২৪ বছর ধরে জাতিসংঘের সামনে রাত ১২-০১ মিনিটে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে আসছে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালির চেতনা মঞ্চ। ২৫ বছর পূর্তির বছর এবার বাংলাদেশের সময় অনুসারে নিউইয়র্ক সময় দুপুর ১.০১ মিনিটে শহীদদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। সেমন্তী ওয়াহেদ এর সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত একুশ প্রথম প্রহরের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাকেন মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও আন্তর্জাতিক বাংলা উৎসব ও বইমেলা কার্যকরী কমিটির চেয়ারম্যান ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার। সমাপনী বক্তব্য রাকেরন বাঙালীর চেতনা মঞ্চের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাদশা। অনুষ্ঠানের শুরুতে ১ মিনিট নরিবতা পালন করা হয়। আর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার রাত পর্যন্ত নিউইয়র্ক, নিউজার্সী, ফিলাডেলফিয়া, কানেকটিকাট, আটলান্টিক সিটি থেকে বাঙালীরা একুশের প্রথম প্রহরের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন। সকলেই পরিবার পরিজন নিয়ে আন্তর্জাতিক ভাস্কর্যের ছবি তুলেছেন। গর্ভনর এন্ড্রু ক্যুমোর বিশেষ প্রতিনিধি মুক্তধারা ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিশেষ বার্তা পাঠান। সেটি গ্রহণ করেন ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক বাংলা উৎসব ও বইমেলার আহ্বায়ক হাসান ফেরদৌস। এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের পক্ষ থেকে সারোয়ার চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। একুশ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় স্মারক গ্রন্থ ‘বাঙালির চেতনা’।
alt
আগামি ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি জ্যাকসন হাইটসের পিএস ৬৯ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে একুশের গ্রন্থমেলা। প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে অর্থ বিষয়ক মন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। উল্লেখ্য, ডাচবাংলা ব্যাংক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গর্বিত স্পন্সর হলো: বাংলাদেশের ডাচ বাংলা ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড এবং এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সামনে শহীদ দিবস পালনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ভাস্কর্য স্থাপিত হয়েছে। আগামি ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভাস্কর্যটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

For the first time in the history of North America, 21st February (International Mother Language Day) got celebrated in New York with the highest number of participation of several representatives of the USA Government.
Hakikul Islam Khokan,Bapsnews:On 20th February 2016, the First Hour of Ekushey February was celebrated in New York at 1:01 pm local time, which is equivalent to the First hour of Ekushey February (12:01am of 21st February) in Bangladesh. The event took place in 1st Avenue and 47th Street in front of United Nation, beside the sculpture of International Mother Language Day, where a temporary Martyrs Tower of Ekushey February was placed. From the Government of USA, Deputy Mayor of Philadelphia & Advisor to the President Barack Obama’s Advisory Commission on Asian Americans and Pacific Islanders- Dr. Nina Ahmad, Commissioner Immigration Affair of New York Mayor’s Office- Ms. Nisha Agarwal, Queens Borough President- Ms. Melinda Katz, Regional Representative of the Office of New York Governor- Mr. Hersh k Parekh, Representative from the Office of New York Comptroller- Ms. Aliya Latif, greeted the event by placing floral wreath at the  Martyrs Tower of Ekushey February.
From Bangladesh government, The Ambassador and permanent representative of Bangladesh in United Nation- Mr. Masud Bin Momen, Consul General of Bangladesh in New York- Mr. Shahmeem Ahsan placed floral wreath.

alt
From United Nation, Senior Economic affairs Officer Dr. Nazrul Islam gave floral wreath.
On behalf of Bangladesh Awami league USA, Dr Siddiqur Rahman placed floral wreath at the Martyrs Tower. Other groups that came for placing floral wreath includes, USA Juboleague, Muktijudhdha Command Council, 71 Ghatak Dalal Nirmul Committee, Bangalir Chetona Manchya, Prajanma 71, Bangladesh club United Nation,American Press Club of Bangladeh Origin, Jatiya Samaj tantric Dal JAGPA USA, Jatiya Samaj tantric Dal-JSD,Bangabandhu Pracher Kendro Samaj Kallyan Parishad USA,Banolata-Shipi-Sahiyik Sangbadik Gosti New York,Shishu Shahittya Parishad new York,Shiri Shishu Sahiya kendro New York,Suhraeardy Smriti Parishad USA,Bapsnews, New York Gopal Ganj Society Inc, Jatiya Sramik League USA, USA Charta League, USA AWAMI Volunteers League, Several Bengali Schools, cultural and social organizations and many more.
People of all ages came in this event for giving floral wreath at the Martyrs Tower of Ekushey February. There has been an amalgamation of thousands people in this event. The event started with the Ekushey songs and other patriotic songs sung by USA Udichi group followed by a one minute silence for the Martyrs of Ekushey February. AT 1:01 pm the youngest children of the place master Ayan placed floral wreath at the Martyrs Tower, followed by PR of UN, Consul General and USA Government representatives.
The beauty of this event is that it has been carried forward by generation to generation. New York City is a great diverse area, and is now the largest diversified city in the planet, where around 131 languages are spoken at various schools, and people of more than 121 countries resides in this city. In the speech Permanent representative of Bangladesh to UN and Consul General of Bangladesh praised Muktadhara Foundation for conducting this event for the last 25 years. The Deputy Mayor of Philadelphia Dr. Nina expressed her gratitude for inviting her in this event. She said that the President of USA is really proud that Bengali Community is growing together with the main stream of USA. In the speech Commissioner of Immigration Affair Ms. Nisha Agarwal praised the Bangladeshi Immigrants for their secular mentality, and stated this event as a true international event. On the speech Queens Borough President said that we are proud that we are passing our languages, our tradition, and our culture to our children and they should follow the tradition and culture of their parents. She expressed New York a as a city of Historic folks, who wants to build their life here. She is excited that every time a parents will bring his child over this area and see the Martyrs Tower of Ekushey February, they can tell their children the history of their language, their people, and she was proud to represent New York City in this event. On the speech, the representative of Governor Andrew Coumo, Mr. Hersh said that he is amazed to see such incredible crowd, he did mention the struggle that is done to preserve the language, culture and diversity of a certain community. He also said that New York City is proud to be the home of so many immigrants, so many cultures, so many faiths, and the governor of New York, stands very proud in support of this immigrant community, and especially against those people that seek to tear down the people that built the state and built this country. He ended his speech by handing over a special message of Governor given on this event, to the PR of UN and Consul General. He also handed over the resolution of Governor on declaring 21st February, 2016 as International Mother Language Day in New York City to Mr. Hasan Ferdous, Advisor of Muktadhara Foundation.
The title sponsor of this event was Dutch Bangla Bank, followed by the platinum sponsorship of Bangladesh Bank, real estate investor Md. Anowar Hossain and SIBL and Diamond Sponsorship of NRB Commercial Bank.
Preserving our mother language is a very critical part maintaining in USA which is a diversified country. Diversity makes us strong. Honoring the language from where we come from, helps our next generation to understand the value of our mother language. Translation of legislative rules and policies of several governmental organizations in Bangla represents the importance of Bangla in United States. And the day is not far when not Bangla will stand among the second language of USA.


ভাষা শহীদের শ্রদ্ধায় শিশু সাহিত্য পরিষদ নিউইয়র্ক শাখার যাত্রা সাহিত্য আড্ডা-আবৃত্তি ও আলোচনা অনুষ্টিত

শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ: শিশু সাহত্য সংগঠন, শিশু সাহিত্য পরিষদ নিউইয়র্ক শাখার যাত্রা শুরু হলো আন্তজার্তিক মাতৃভাষা ও মহান ভাষা আন্দোলনে শহীদের প্রতিশ্রদ্ধা জানিয়ে গত ১৯ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিকাল ৫টায় নিউইয়র্কের জ্যামাইকাস্থ ষ্টার কাবাব পার্টি হলে সংগঠনের সভাপতি, কবি ও লেখক আলমগীর বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়।

Picture

সাহিত্য আড্ডা- আবৃতি ও আলোচনা সভায় সম্মানীত অতিথি ছিলেন প্রবীন শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ,মুলধারায় পুরস্কার বিজয়ী সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,কবি, সুরকার ও সঙ্গীত শিল্পী শামীম আরা আফিয়া, কবি আবুল বাসার ,প্রাবন্ধিক শরীফ মাহবুবুল আলম, কবি মিশুক সেলিম ,কবি ও লেখক মমতাজ বেগম আলো ,শিশু ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আফসিয়া কবির ,কবি ও লেখক নূরুল মোস্তফা রাইসী এবং সাপ্তাহিক জনতার সম্পাদক শামসুল আলম। খবর বাপসনিউজ।

alt 
আড্ডার প্রথমে স্বরচিত কবিতা আবৃতি করেন শামীম আরা আফিয়া, তিনি তিনটি কবিতা আবৃতি করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। স্বরচিত কবিতা আবৃতি করেন মমতাজ বেগম আলো, এরপর স্বরচিত কবিতা আবৃতি করেন কবি আবুল বাসার, এরপর একুশের কবিতা আবৃতি করেন নিজের লেখা শিশুদের জন্য প্রবীন শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান,কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলা সদরের রাজ্জাকুনেছা স্কুল ও কলেজের ইংরেজী শিক্ষক এসএম শামীম রচিত একুশের কবিতা যে কবিতাটি মহান ২১ স্বরণে জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম ও বর্তমানকনঠ ডটকম একুশে সংখ্যায় প্রকাশিত কবিতা “মহান একুশ ও নিঃশব্দ অনুভূতি- আবৃতি করেন সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,আলোচনা করেন শরীফ মাহবুবুল আলম ও আফসিয়া কবির এবং শামসুল আলম।সর্বশেষ অনেকগুলো কবিতা আবৃতি করেন নূরুল মোস্তফা রাইসী এবং তিনি সংঙ্গীত ও পরিবেশন করেন।

 alt 

সাহিত্য আড্ডা আবৃতি ও আলোচনায় বক্তাগণ বলেন, একুশের শহীদগণ আমাদেরকে আত্ম পরিচয়ের সন্ধান দিয়েছে। ভাষা আন্দোলন ছিলো আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনার প্রেরণা। একুশের বহুমাত্রিক তাৎপর্যকে সঠিকভাবে উপলব্ধি ও অনুসরণ করতে পারলে আমাদের জাতি সঠিক পথে এগুতে পারবে এবং শহীদদের রক্তদান স্বার্থক হবে।

 alt 

অনুষ্টানের শুরুতে ভাষা শহীদদের স্বরণে , ও ১৯৮৪ -এর ১৪ ফেব্রুয়ারী স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদদের স্বরণে এবং  ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়। আলোচনা শেষে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো ; ও আমার এই বাংলা ভাষা, আমি বাংলার গান গাই, ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’ ‘আমার সোনার বাংলা , প্রভৃতি সঙ্গীত পরিবেশন করেন সমবেত কন্ঠে । শেষে অনুষ্টানের সংগঠনের সভাপতি কবি আলমগীর বাবুল উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রীতি ভোজে আপ্যায়ন করেন।