Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

১২ মে শুক্রবার নিউ ইয়র্কের তিন ছড়াকার এর ছড়ার বইয়ের প্রকাশনা উৎসব

শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :আগামী ১২ মে শুক্রবার সন্ধে ৭:০০টায় নিউ ইয়র্কের তিন ছড়াকার খালেদ সরফুদ্দীন, শামস চৌধুরী রুশো ও মনজুর কাদের এর ছড়ার বইয়ের প্রকাশনা উৎসব।সাথে মুমু আনসারীর পরিচালনায়  তবলার তালে তালে ছড়ার আসর বসবে।

Picture

এতে শিশু কিশোর ও জনপ্রিয় আবৃত্তিকার গন অংশগ্রহণ করবে। শিশু কিশোরদের জন্য বাদ্যের তালে তালে ছড়ার আসর নিউইয়র্কে এটাই প্রথম। সবাইকে তাদের শিশু কিশোর ছেলেমেয়েদের নিয়ে অংশ গ্রহন করার অনুরোধ জানাচ্ছি।


Access right for immigrants During Emergencies held at Brooklyn

শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

Hakikul Islam Khokan,Bapsnews:New York:-On 20th of April 2017 a panel was held in the 165,Cadman Plaza ,Brooklyn new York NYC at  emergency Operation room, The program organized by the new International red cross and NYPD with The collaboration with the assistant Commissioner of New York city mayor  Office. The following Organization who were present were co-sponsored for access Immigrant emergency Program, Community Emergency Planning NYC, Soina Kara In America (SIA) SACO America, NYC Citizen Corps ,NYPD ,NYC Emergency management ,Many other international and Local organization and also  many people who came from many different Borough to be a part of this great moment of unity. The main agenda started at 9:00am with a welcome ceremony and speech by Assistant commissioner NYC mayor Office Then the Keynote address was held by the LT.

Adil Rana, Commanding Officer NYPD community Affairs department .There were various discussions about the efforts of Access Immigrant awareness to the world in regards to Emergency Plan. There were many people and organizations that participated in this event including American Red cross, and President and CEO of South Asian community care organization (SACO) Mr. Mohammad M. Mahab was also present and given speech for this important day long program. Various media outlets including Asia TV representative from New York were also present to document and report the important day. Presenters talked about the individual Community Emergency Plan for local residence including the Making community suffering from Disabilities. Presenters also discussed how to overcome emergency like scariest Situation Due to current Trump administration, especially undocumented people who are living in this great city of New York. As Because Undocumented immigrants have limited access to health insurance, Education, shelter and other medical care, New York red Cross Society specialist Ms Sara Onvani Given speech for the attendants and assured them  If any Undocumented person who are suffering from this kinds of problem  her organization will provide  all kinds of support and will protect them .the Program ended as per schedule.


উদীচীর প্রাণকাড়া বৈশাখী মেলা-অনুষ্ঠান ও মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ: লোকে বলে উদীচীর বৈশাখী মেলা প্রবাসে বটমূলের অনুষ্ঠান। আসলে তারই প্রতিচ্ছবি ছিল উদীচীর বৈশাখী মেলায়।সকাল সাড়ে এগারোটায় ছিল মঙ্গল শোভাযাত্র। ঠিক ঢাকার চারম্নকলার আদতে। বিরাট একটি বাঘের প্রতিকৃতি। সাথে নানা জীবজন্তুর মুখোশ। বক সহ নানা পাখির চবি। পেস্নকার্ডে শোভিত নানা শেস্নাগান। শোভাযাত্রার শুরম্ন ৩৪ এভিনিউ স্কুলের কোনা থেকে।

অত্যন্ত্ম সুশৃঙ্খল সারিবদ্ধ শোভাযাত্রা। প্রতিটি সারিতে চারজন করে লাইন। সামনে ছিল ছয়টি ছোট্ট মেয়ের গলায় শুভ নববর্ষের ছয়টি অÿরে শোভিত একটি লাইন। তারপর এসো হে বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা খচিত বেনার। তাতে ছিল বাংলাদেশের গ্রাম বাংলা, আউল-বাউল ও বাংলা নৃত্যের সুশোভিত মনোরম দৃর্শাবলী। এর পর পর ছিল শিশুদের লাইন।

সবাই বৈশাখী পোশাকে সজ্জিত। তারপর লাল শাড়ী পরিহিত ৭/৮ জনের একদল কিশোরী নৃত্য শিল্পী। এরপর জীবন বিশ্বাসের পরিচালনায় উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর গানের স্কোয়াড। তারপরে পর্যায়ক্রমে মহিলা ও পুরম্নষদের চারজন করে লাইন। শোভাযাত্রায় ছিলেন উদীচীর শুভানুধ্যায়ী প্রবাসের গণ্যমান্য সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ। সাংবাদিক ও টিভির আলোকচিত্র শিল্পীরা। ছিল ঢাকের বাদক। ছিল পহেলা বৈশাখ নববর্ষকে আবাহন ও উদীচীর মঙ্গল কামনা করে মুহুমূহু শেস্নাগান। ঢাকের শব্দ আর শেস্নাগানে পহেলা বৈশাখের আমেজকে আরো গভীর থেকে গভীরতর করে তুলছিল।


সামনে দিক নির্দেশনা দিয়ে চলছিল একটি পুলিশের গাড়ী। পেছনে শান্ত্ম, ধীর, শৃঙ্খলাবদ্ধ শোভাযাত্রা। দর্শকবৃন্দ সবাই অভিভূত। এমন সুন্দর ও সুশৃঙ্খল মিছিল অথবা মঙ্গল শোভাযাত্রা নিউইয়র্ক আগে কখনো দেখেনি। পুলিশ কর্মকর্তারও অনুরূপ প্রশংসা। মিছিল যখন এগুচ্ছিল আশ পাশে জনগণ হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিল। ছবি তুলছিল।


৩৪ এভিনিউ থেকে ৭৩ স্টীট হয়ে শোভাযাত্রাটি ভাবগম্ভীর পরিবেশে এগিয়ে ৩৭ এভিনিউতে পৌছে। সেখানে দাঁড়িয়ে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী পহেলা বৈশাখের গান পরিবেশন করে। আবার ৩৭ এভিনিউ হয়ে ৭৪ স্ট্রীটে ফিরে আসার পথে মোড় নেয়। সেই মোড়ে একই ভাবে আবার স্ট্রীটের ওপরে দাঁড়িয়ে গান পরিবেশন করা হয়। তারপর আবার ধীর অথচ স্বাভাবিক গতিতে শোভাযাত্রা এগিয়ে যায় মূল অনুষ্ঠানের গন্ত্মব্যস্থল উদীচী স্কুলে। স্কুলে প্রবেশের আগে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জীবন বিশ্বাস সবার উদ্দেশ্যে সংÿিপ্ত বক্তব্য রাখেন। সকলকে শুভনববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশে মৌলবাদের সাথে সরকারের আপস সখ্যতার তীব্র নিন্দা জানান। বলেন, সরকার ভোটের রাজনীতির নেশায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চরিত্র বিসর্জন দিয়ে বাঙালি কৃষ্টি-সংস্কৃতিকে সঙ্কোচিত করে মৌলবাদের সাথে আপস করেছে। জনগণকে সরকারের এই অপরিনামদর্শী পদÿেপের বিরম্নদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে।


ঠিক সাড়ে বারোটায় উদ্বোধন করা হয় পিঠা অনুষ্ঠান। তারপর ঠিক দেড়টায় শুরম্ন হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উদ্বোধন করেন উদীচীর সভাপতি ড. মোহাম্মদ আব্দুলস্নাহ ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধ ড. মোমেন। পাশে উপস্থিত ছিলেন কনসাল জেনারেল জনাব শামীম আহসান। তারা উভয়ে উদীচী এবং উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংÿিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

alt
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরম্নতে জীবন বিশ্বাসের পরিচালনায় এসো হে বৈশাখ ও উদীচী সংগঠনের নিজস্ব গান সহ ৪টি গান পরিবেশিত হয়। এতে ছিল স্কুলের সকল ছাত্রছাত্রী ও উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সমবেত গান। তারপর পর্যায়ক্রমে ছিল স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের গান, তবলার লহর, নৃত্য, শহীদ উদ্দীনের কৌতুক, বড়দের সম্মিলিত গান। ছিল ছাত্রছাত্রীদের বাঙালি কৃষ্টি-সংস্কৃতির আলোকে যেমন খুশী সাজো-এর পরিবেশনা। সবশেষে দর্শক শ্রোতাদের বিমুগ্ধ করেছে ছাত্র-ছাত্রী-শিÿক-শিÿিকা ও অভিভাবকদের মিলিত বিভিন্ন সাজে একটি কৌতুকপূর্ণ নৃত্য। তারপর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


৪ ঘটিকায় পরিবেশিত হয় প্রতিবারের ন্যায় উদীচী পরিবারের ঘরে তৈরি ইলিশ, ভর্তা সহ বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার। অত্যন্ত্ম সুশৃঙ্খল ভাবে প্রায় সাড়ে ছয় শত লোককে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে খাবার পরিবেশন করা হয়। ছিলনা কারো কোন অনুযোগ ও অভিযোগ। শোভাযাত্রা থেকে শুরম্ন করে অনুষ্ঠান এবং খাবার পরিবেশনে শৃঙ্খলায় সকলে বিমুগ্ধ হয়ে উদীচীর ভূয়শী প্রশংসা করেছেন।


অনুষ্ঠান উপলÿে ছিল শাড়ী ও অলংকারাধীর নানান পশরা স্টল। ছিল বাঙালি পানের দোকান। হল এবং প্রবেশ পথ ও ওয়েটিং এরিয়ায় সাজানো ছিল নানা লেখায় শোভিত শেস্নাগান ও পোস্টার। মঞ্চ ও শোভাযাত্রার বাঘ, মুখোশ ও বটগাছ তৈরি করেন শিল্পী টিপু আলম। মঞ্চ সজ্জায় ছিলেন জেবু চৌধুরী ও তুষার রায়। সহযোগিতায় ছিলেন আলীম উদ্দীন, মোহিত আচার্য সুলেখা রায়। খাবার ও অন্যান্য দায়িত্বে ছিলেন সমীর মন্ডল, অশোক রায়, মোঃ আলম নিউমুন, শফি চৌধুরী হারম্নন, মোঃ হারম্নন ও আরো অনেকে। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ফারম্নক ফয়সল, সাবিনা হাই উর্বি ও জীবন বিশ্বাস। সাউন্ডে ুমঞ্জু। আপ্পায়ন ও নিরাপত্তায় মোঃ এ কে সরকার। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সুব্রত বিশ্বাস।


গান, নৃত্য, তবলা সহ বিভিন্ন অংশে অংশগ্রহনকারী শিল্পীরা হলেন-সাবিনা হাই উর্বি, সুদৃতা পাল সুলেখা, জয়ন্ত্মী ভট্টাচার্য্য, অনামিকা মজুমদার, রাবেয়া আখতার, নাজনীন সুলতানা, সাহানা আক্তার, নুপুর, সুক্তি বিশ্বাস, মিতা দেবনাথ, সংগীতা চক্রবতী, অমৃতা রায় মিষ্টি, দিব্য রায়, উদিতা তন্বী, তৃষা মন্ডল, স্মারনিকা চক্রাবর্তী, নাভিয়ানা চৌধুরী, সায়বা উদ্দিন, লামিয়া তালকদার রাত্রি, বাধন কর্মকার, প্রিয়াঙ্কা সরকার, এনি দাস, অনন্নপূর্ণা দত্ত, নিশাত হাসান, নাদিয়া হাসান রাবেয়া বাসরী, দিপ্ত রায়, ইশতিয়াক সামিন, রামিসা, অর্জুন মলিস্নক, অনিক মন্ডল, অনির্বাণ রায়, প্রমিত মহান আচার্য, লামিয়া তালুকদার রাত্রি, অনুপম চৌধুরী, নিশাত হাসান, সিতাব উদ্দীন, অচিন্ত্ম্য রায়, দুর্জয় রায় সৃজয় রায়, নামিরা মালেক, নবনীতা চন্দা, নাশাত হোসাইন, মোঃ আদনান মাহির কাসাব, বৈভব রায়, অশোক ধর, দেবস্মিতা দেবনাথ, ফারহান মাহিন অর্ণব, প্রতীক মোদক, নুজাইমা ইশরাত সারা, রাজদীপ বণিক, রাজু হোসাইন, ফারহান খান, সিন্থিয়া আইরিণ রিয়া, তাফান্নুম বিনতে করিম নূহা, নাজমুন্নাহার কাকলী এবং মিতা দেবনাথ।


হাজী ফৈয়াজ আলীকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দোয়া-মাহফিল

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ: নিউইয়র্ক থেকে : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী ফৈয়াজ আলীর অষ্টম মৃত্যুবাষিকী উপলক্ষে ১৬ এপ্রিল রোববার রাতে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জ্যাকসন হাইটসে হাটবাজার পার্টি হলে এ মাহফিলের শুরুতেই বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের নেতা মাওলানা সাইফুল আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে।মরহুমের কন্যা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম যুগ্ম সম্পাদিক আইরিন পারভিন কর্তৃক বাবার স্মৃতিচারণের পর অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।

alt
একাত্তরে সিলেট অঞ্চলে মুক্তিডেযাদ্ধাদের ক্যাম্প পরিচালনায় অনন্য ভূমিকা পালনকারী হাজী ফৈয়াজ আলী জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিবেদিত ছিলেন বলে উল্লেখ করে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ শাহাবউদ্দিন এমপি, এম এ মান্নান এমপি, ফেণী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ড. জাফরউল্লাহ,প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম,ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতা মোর্শেদ আলম, হাঊী শভিকুল আলম,ডা.মাসুদুল হাসান, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সৈয়দ বসারত আলী ও শামসুদ্দিন আজাদ, ও লুতভুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিঊদিদন দওয়ান ও ফারুক আহমেদ, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মিসবাহ আহমেদ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, বাংলাদেশী আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক লীগের প্রেসিডেন্ট খোরশেদ খন্দকার প্রমুখ।


বক্তারা সকলেই গভীর শ্রদ্ধায় ফৈয়াজ আলীকে স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মধ্য দিয়ে শুরু রাজনৈতিক জীবনে হাজী ফৈয়াজ আলী কখনোই দলীয় আদর্শ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে আপস করেননি। যুক্তরাষ্ট্রে এসেও একই প্রত্যয়ে উজ্জীবিত ছিলেন।বক্তারা উল্লেখ করেন, আশির দশকে ওজনপার্কে এই ফৈয়াজ আলীর ঘরে বসেই শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের শাখা গঠিত হয়। সে সময় আজকের যুগ্ম সম্পাদিকাও ছিলেন সক্রিয়। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পথচলায় ফৈয়াজ ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।


সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে ড. সিদ্দিকুর রহমান আলহাজ্ব ফৈয়াজ আলীসহ অপর মৃত্যুবরণকারি নেতাদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দলের জন্যে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের কথা আমাদের অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে। এবং সকলকেই একই চেতনায় উজ্জীবিত থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার চলমান কার্যক্রমে এই প্রবাস থেকেও সকলকে অতন্দ্র প্রহরীর ভ’মিকায় অবতীর্ণ থাকতে হবে।


মাহফিলে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ তার পরিবারের শাহাদৎ বরণকারি অপর সদস্যগণের আত্মার মাগফেরাত কামণা করা হয়। একইসাথে সাম্প্রতিক সময়ে মারা যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের অন্য সকলেরও আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন মোনাজাতে অংশগ্রহণকারিরা। এতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ছিলেন।

সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


নিউইয়র্কে ঢালিউড ফ্লিম এন্ড মিউজিক এওয়ার্ড অনুষ্ঠিত

রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৭

Picture

শো টাইম মিউজিকের প্রেসিডেন্ট আলমগীর খান আলম বলতে গেলে একই প্রতি বছর এই মহাযজ্ঞের আয়োজন করেন থাকেন। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অভিনেতা, অভিনেত্রী, নাটকের অভিনেতা, অভিনেত্রী, মোডেল এবং সঙ্গীত শিল্পীদের অংশগ্রহণে এটাই সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান।

alt

প্রবাসে মাঝে মধ্যে দেখা যায় অনেক খুচরা অনুষ্ঠান করতে কিন্তু আলমগীর খান আলম এ সব খুচরা অনুষ্ঠানের মধ্যে নেই। যে অনুষ্ঠানই করেন প্রফেসনালী করার চেষ্টা করেন। যে কারণে টানা ১৬ বছর ঢালিউড ফ্লিম এন্ড মিউজিক এওয়ার্ডের আয়োজন করছেন। অনেক অসাধ্যকে সাধন করেছেন। যেখানে বাংলাদেশে কোন প্রতিষ্ঠান বা আয়োজক পারেনি বাংলাদেশের সঙ্গীত অঙ্গণের দুই দিকপাল সাবিনা ইয়াসমীন ও রুনা লায়লাকে একমঞ্চে তুলতে। সেই অসাধ্য কাজটি আলমগীর খান আলম এই প্রবাসে বসে করেছেন। তার পক্ষেই এটা সম্ভব। সম্ভব টানা ঢালিউড করাও। কারণ এই নিয়েই তিনি সারা বছর ব্যস্ত। সিজনাল কোন কিছুতে তিনি নেই।

alt
 অন্যান্য বছরের মত এবারো ঢালিউড ফ্লিম এন্ড মিউজিক এওয়ার্ডের আয়োজন করেছিলেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের আয়োজনটি ছিলো তার জন্য চ্যালেঞ্জের। কারণ আমেরিকায় নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর ইমিগ্রেশন পলিসিতে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। যার প্রভাব পড়েছে এবারের ঢালিউড এওয়ার্ড অনুষ্ঠানে। কঠোর ইমিগ্রেশন পলিসির কারণে এবার নায়ক সাকিব খানসহ বেশ কয়েকজন শিল্পী আসতে পারেননি। এর জন্য অবশ্য আলমগীর খান আলম দু:খ প্রকাশ করে বলেছেন, এবার যারা আসতে পারেননি, তাদের মধ্যে কেউ কেউ বিলম্বে ভিসা পেয়েছেন। তবে আমি কথা দিচ্ছি আগামীতে তাদের এনে আমি আরেকটি অনুষ্ঠান করবো। এ ছাড়া তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন দর্শকদের এবং যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের।

alt

এবারের ঢালিউডের অনুষ্ঠানে একটু সমন্বয়হীনতা লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠান শুরু করতেই দেরি হয়ে যায়, যে কারণে তাড়াহুড়া করে শেষ করতে হয়েছে। যে কারণে বর্তমান সময়ে ক্রেজ শিল্পী তাহসীন মাত্র দুটো সঙ্গীত পরিবেশন করতে পেরেছেন। তবে তাহসীন দর্শকদের তৃষা মিটিয়েছেন তাদের মধ্যে গিয়ে গান করে। অনেকেই শিল্পীর সাথে সেলফি তুলেছেন আবার কেউবা শিল্পীকে ছুঁয়ে মনের বাসনা পূর্ণ করেছেন। তবে শুরুতে হিন্দি গান বিতর্কের সুযোগ করে দিয়েছে।

alt
এবারের ঢালিউডের পুরো অনুষ্ঠানটি ছিলো চমৎকার। আলোকশ্মির আলো- আধাঁরীতে অনুষ্ঠানটি গত ৯ এপ্রিল জ্যামাইকার ইয়র্ক কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ থেকে আগত মডেল ফারিয়া এবং মিরাক্যালখ্যাত আবু হেনা রনির কৌতুকী ও বাহারি উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশসোসাইটি র সাবেক সভাপতি এম আজিজ, বিশিষ্ট এটর্নী প্যারি ডি সিলভার, তার স্ত্রী এবং সিটি কাউন্সম্যান প্রার্থী মেরি সিলভার, বেলাজিনোর ম্যানেজার রায়হান মাহমুদ ও মাহি।

alt
এম আজিজ আলমগীর খান আলমকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান গত ১৬ বছর ধরে এই ধরনেরএকটি অনুষ্ঠান করার জন্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে এতগুলো শিল্পী এনে এই ধরনের অনুষ্ঠান করা সত্যিই কষ্টের এবং ব্যয় বহুল। এই জন্য তিনি আলমকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান। তিনি সকল প্রবাসীকে বাংলা নব বর্ষের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে ঢাকার শিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ভিন দেশে বাংলা সংস্কৃতির জয়গান তুলে ধরার জন্য।

alt
এটর্নী প্যারি ডি সিলভা আমি বহু দিন ধরে বাংলাদেশী কম্যুনিটির সাথে কাজ করছি, এখনো কাজ করছি। তিনি বলেন, আমার স্ত্রী আগামী সিটি কাউন্সিল পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন, তিনি আপনাদের সহযোগিতা চাচ্ছেন।ম্যারি ডি সিলভার বলেন, বাংলাদেশী কম্যুনিটি আমার পাশে রয়েছে। ম্যাহটানের সিক্স স্ট্রিটে ইন্ডিয়ার নামে যে সব রেস্টুরেন্ট রয়েছে সেগুলোর মালিক আসলে বাংলাদেশীরা। আমি বাংলাদেশীদের সাফল্যে গর্বিত। আজকে আমার জন্মদিন। এই জন্মদিনে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। কারণ আমি জানি আপনাদের কারণেই আমি জয়লাভ কবো। তিনি সবাইকে ১২ সেপ্টেম্বর ভোট দেয়ার আহবান জানান।

alt
রায়হান মাহমুদ বলেন, আমরা ঢালিউডসহ সব ধরনের ভাল অনুষ্ঠানের সাথে আছি এবং থাকবো।হিন্দ গান দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেছিলেন বীনা বর্মণ। দুটো গান করেছেন হিন্দতে। পরের শিল্পীই ছিলেন গুরু প্রয়াত আজম খানের শিষ্য জাকারিয়া মহিউদ্দিন। তিনি আজম খানের চমৎকার কয়েকটি গান পরিবেশন করে দর্শকদের মনে করিয়ে দেন আমলে এটি ঢালিউড এওয়ার্ড শো, বাংলা সংস্কৃতি বিকাশ ও লালনের অনুষ্ঠান। স্থানীয় দুই শিল্পীর পর পরই মঞ্চে আসেন শিল্পী সেলিম চৌধুরী, কনক চাপা, বলিউডের শিল্পী রায়ান। শিল্পী কনক চাপা এবং সেলিম চৌধুরী তাদের জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। অনুরোধ থাকা স্বত্ত্বেও সময়ের কাছে ছিলেন তারা বন্দী।

alt
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের একাল আর সেকাল নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন টিভি অভিনেতা সজল ও অভিনেত্রী মোনালিসা। সজল বলেন, বাংলা সিনেটা আমাদের গর্ব। সেই গর্ব আমরা লালন ও ধারণ করতে চাই। মাজেদ ডিজায়ারের সাথে ফ্যাশন শোতে অংশ নেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক ইমন এবং তার সাথে নৃত্যে ছিলেন মোডেল সুজানা জাফর। অনন্য সুন্দর নৃত্য পরিবেশন করেছেন তারা। হুমায়ারা হিমুর নৃত্য দর্শকদের আপ্লুত করেছে। আবু হেনা রনি আসলে সময়ই পাননি কৌতুক করার। তবে বলিউড শিল্পী রায়ান নেচে গেচে মাতিয়ে দিলেন কিছুক্ষণ। অনেকেই তার সাথে নেচেছেন। শেষ পর্বে তাহসিন দর্শকদের সুযোগ করে দিয়েছেন সেফলি তুলতে।

alt
এবারের ঢালিউডে সেরা চলচ্চিত্র অভি নেতার পুরস্কার পেয়েছেন ইমন, সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন মাহি। সেরা গায়কের পুরস্কার পেয়েছেন তাহসিন, সেরা গায়িকার পুরস্কার পেয়েছেন ন্যান্সি। সেরা টিভি অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন সজল, সেরা টিভি অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন শখ।

alt

সেরা প্লেব্যাক শিল্পীর পুরস্কার পেয়েছেন কনক চাপা, সেরা ফোক সঙ্গীত শিল্পীর পুরস্কার পেয়েছেন সেলিম চৌধুরী, ধারাবাহিক নাটকের জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন হূমায়ারা হিমু, সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নিয়েছে আয়নাবাজি, সেরা গীতিবার রবিউল ইসলাম, সেরা পরিচালকের পুরস্কার জিতে নেন হিমু আকরাম এবং সেরা সাংবাদিকের পুরস্কার জিতে নেন বিনোদন বিচিত্রার সম্পাদক দেওয়ান হাবিবুর রহমান, কৌতুক অভিনেতার পুরস্কার জিতে নেন আবু হেনা রনি, সেরা মডেল হয়েছেন সুজানা, ফারিয়া ও মোনালিসা, প্রবাসের সেরা শিল্পীর এওয়ার্ড জিতে নেন (পুরুষ) জাকারিয়া মহিউদ্দিন, (মহিলা) কৃষ্ণাতিথি ও রোকসানা মির্জা, রাইজিং স্টারের এওয়ার্ড পান রানু নেওয়াজ।

alt
কৃষ্ণাতিথি ও রোখসানা মির্জার হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এনামুল হক, জাকারিয়া মহিউদ্দিনের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন বাংলা ভিশনের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর শামীম সাহেদ, হিমু আকরামের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন মিল্টন ভুইয়া, ইমনের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন সালাম ভুইয়া, রানু নেওয়াজের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন রায়হান মাহমুদ, কনক চাপার হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন এম আজিজ, দেওয়ান হাবিবুর রহমানের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন জাকারিয়া চৌধুরী, ফারিয়ার হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন মিয়া মোহাম্মদ দুলাল, রনি ও মোনালিসার হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন দেওয়ান হাবিবুর রহমান, সজল ও তাহসিনের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন আলমগীর খান আলম, সেলিম চৌধুরীকে এওয়ার্ড দেন আসাদুল ইসলাম আসাদ, হিমুর হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন ফরিদ আলম।

alt
এবারের ঢালিউড এওয়ার্ডের টাইটেল স্পন্সর ছিলো বেলাজিনো, পাওয়াড বাই সায়মন ইন্ডিয়ান প্যালেস এবং গ্রান্ড স্পন্সর ছিলো পিপল এন টেক। ঢালিউড এওয়ার্ড উপলক্ষে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করা হয়। দেরি করে শুরু করার কারণে তাড়াহুড়া করেই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়। সেই সাথে সবাইকে জানিয়ে দেয়া হয় আগামীর বর্ণিল আয়োজন ও শোটাইমের চমকের।


নিউইয়র্কে স্বদেশ ফোরামের আয়োজনে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:আবহমান বাংলার ঐতিহ্যের স্মারক পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ আমাদের ঐতিহ্য অনুসন্ধানে প্রাণিত ও সত্য সুন্দরের অবগাহনে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের জাতীয় জীবনে বর্ষবরণ আনন্দের বার্তা বহন করে। লেখকদের লেখায় ফুটে ওঠে আবহমান বাংলার প্রতিচ্ছবি। প্রবাসেও লেখকরা দেশ-মাতৃভূমির টানে, শিকড়ের টানে ঐতিহ্যের দর্পন খোঁজেন ব্যস্ত জীবনের পথ চলায়।


গত ১লা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) শুক্রবার বিকেলে নিউইয়র্কের সামাজিক সংগঠন স্বদেশ ফোরামের আয়োজনে বাংলা বর্ষবরণ ১৪২৪ উদ্যাপনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বদেশ ফোরামের সভাপতি কবি অবিনাশ চন্দ্র আচার্য ও স্বদেশ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুফিয়ান আহমদ চৌধুরীর উপস্থাপনা ও পরিচালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ও বিশিষ্ট কবি তমিজউদ্দিন লোদী।খবর বাপসনিঊজ:

alt
কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন মোখলেসুর রহমান, শাহীন ইবনে দিলওয়ার, সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী, এবিএম সালেহউদ্দিন, জুলি রহমান, পপি চৌধুরী, শামীম আরা আফিয়া, মেহের চৌধুরী, মামুন জামিল, মিশুক সেলিম, রওশন হাসান, আব্দুল আজিজ, নুরুল মোস্তফা রইসী, শফিউল ইসলাম শফি, আবুল বাসার, অধ্যাপক সুধীর দাস, এডভোকেট এমাদউদ্দিন, কাজী জামান, সাবিহা তারিন, শিবতোষ চক্রবর্তী, আব্দুর রব, তালিব  পান্না খান, আব্দুল জলিল, আহমেদ শামসুদ্দিন কুটি, সুবোধ পাল, রবীন্দ্রনাথ সরকার, গৌছুল ইসলাম রুহেল, নুসরাত চৌধুরী ও কুতুব আলী।অনুষ্ঠানের শুরুতে কবি মোখলেসুর রহমানের ‘সূর্য¯œানে আশাদের বাড়ি’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাইকে মিষ্টি মুখে আপ্যায়ন করা হয়। স্বদেশ ফোরামের আগামী অনুষ্ঠান সাহিত্য সভা আগামী ২২ মে সোমবার বিকেলে।  সাহিত্য সভায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী কবি, ছড়াকার ও লেখকদের স্বদেশ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুফিয়ান আহমদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে নাম তালিকাভূক্তি করার সবিনয় অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে মোবাইল: ৯১৭-৪০৩-৩৭৪৬।


ট্রাস্পের বাজেট রুখে দিতে চাই দুর্বার ঐক্য -------কংগ্রেসওম্যান মেং

শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৭

alt
ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বাজেটের কারণে কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে কুইন্স বরো, সে আলোকে ৩১ মার্চ নিজ অফিসে এক রাউন্ডটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেন কংগ্রেসওম্যান মেং। এতে অংশ নেন সাউথ এশিয়ান কাউন্সিল ফর সোস্যাল সার্ভিসেস’র স্বাস্থ্য-সেবা পরিচালক রেহান মাহমুদ, নিউইয়র্ক সিটি এন্টিভায়োলেন্স প্রজেক্টের ডাইরেক্টর শেলবী চেষ্টনাট, সেলফহেলপ কম্যুনিটি সার্ভিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট টোভা ক্লাইন, নিউইয়র্ক সিটিতে ফেডারেল এফেয়ার্স অফিসের লেজিসলেটিভ রিপ্রেজেনটেটিভস আলফোন্স লোপেজ, এলমহার্ষ্ট হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী ইসরায়েল রোচা এবং এশিয়ান আমেরিকান ফেডারেশনের নির্বাহী পরিচালক যোন-এ্যান ইয়ো।প্রস্তাবিত বাজেটের পরিপ্রেক্ষিতে নিউইয়র্ক সিটিসহ নবিভিন্ন সিটির ট্যাক্্ির ড্রাইভাররা চিকিৎসা-সেবা থেকে চরমভাবে বঞ্চিত হবে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রেহান মাহমুদ। তিনি বলেন, নিজেদের জীবন বিপন্ন জেনেও ঝড়-ঝঞ্চা এবং অন্যসব ঝুঁকি তোয়াক্কা না করে ট্যাক্্ির ড্রাইভাররা কাজ করছেন। নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে এমন ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব খুব কমই রয়েছে। কিন্তুু ট্রাম্পের বাজেট ্এ শ্রেণীর কঠোর পরিশ্রমীদের চিকিৎসাসহ অন্য সব কল্যাণের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়বে। যা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

Picture


ইসরায়েল রোচা বলেন, এলহার্ষ্ট হাসপাতালের ৯০% রোগীই হচ্ছেন অভিবাসী। এর ৫০% স্প্যানিশ এবং ৩০% বাঙ্গালি। এসব রোগী মেডিকেইড এবং মেডিকেয়ারের মাধ্যমে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কিন্তুু ট্রাম্পের বাজেট পাশ হলে এ শ্রেণীর মানুষেরা চিকিৎসা-সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। তিনি বলেন, মেডিকেইডের মাধ্যমে চলমান হাসপাতালগুলো গভীর সংকটে পড়বে।
শেলবী চেষ্টনাট বলেন, সেঙ্কচুয়ারি সিটিসমূহে ট্রাম্পের গণবিরোধী অভিবাসন নীতি কার্যকর করতে ব্যর্থ হওয়ায়, প্রতিশোধমূলকভাবে এসব সিটির নিরাপত্তা বাজেট কর্তনের হুমকি দেয়া হচ্ছে। এর ফলে এসব সিটির অপরাধ প্রবণতা বাড়তে পারে এবং এর ভিকটিম হবেন অভিবাসীরাই।
টোভা ক্লাইন বলেন, স্বল্প আয়ের প্রবীন লোকজনের জন্যে সিটির গৃহায়ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

alt
এ্কইসাথে, প্রবীনরা চিকিৎসা-সেবা থেকেও বঞ্চিত হয়ে পড়তে পারেন। অর্থাৎ ট্রাম্পের বাজেট কার্যকরী হলে বিরাটসংখ্যক মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়বে। কুইন্স মিউজিয়ামের ডেপুটি ডাইরেক্টরডেভিস ষ্ট্রোস বলেন, শুধু কুইন্সে নয়, সারা আমেরিকাতেই সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড স্থবিরতায় আক্রান্ত হয়ে পড়বে অর্থ সংকটে, যা আমেরিকার ঐতিহ্যকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতে পারে। কুইন্স মিউজিয়ামই কমপক্ষে ৪ লাখ ডলার কম পাবে তার বার্ষিক বাজেটে। যো এ্যান ইয়ো বলেন, ফেডারেল ফান্ডে পরিচালিত ৬০টি সংস্থা কম্যুনিটি সার্ভিস দিতে সক্ষম হবে না। ফলে নবাগত ইমিগ্র্যান্টদের আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের সহায়ক প্রশিক্ষণ/কাউন্সেলিং ইত্যাদি কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়বে।
সকলের মতামত জানার পর গ্রেস মেং বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকান্ডে সর্বস্তরেই ক্ষোভ তৈরী হয়েছে। এহেন অবস্থা থেকে পরিত্রাণকল্পে কম্যুনিটিভিত্তিক ঐক্য গড়তে হবে। সামনের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে এহেন গণবিরোধী-অ-আমেরিকান কার্যক্রম রুখে দেয়ার পন্থা অবলম্বন করতে হবে।


বাঁধভাঙা প্রাণের উচ্ছ্বাসে নিউইয়র্কে "প্রকৃতি নিউইয়ক" বাংলা নববর্ষ বরণ

শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : বাঁধভাঙা প্রাণের উচ্ছ্বাসে বাংলা নতুন বছর ১৪২৪ বরণ করে নিলেন নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিরা। প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে এবং প্রবাস থেকে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে বিভিন্ন সংগঠন স্থানীয় সময় শুক্রবার উদযাপন করে বাংলা নববর্ষ, পয়লা বৈশাখ। বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি সপরিবারে এ অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

alt

শুক্রবার সকাল ১০টায় প্রভাতী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা নতুন বছর পয়লা বৈশাখকে বরণ করে নেয় সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রকৃতি নিউইয়র্ক। জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজায় এ উপলক্ষে ‘প্রভাতে বর্ষবরণ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকার রমনার বটমুলে বর্ষবরণের আদলে প্রকৃতি নিউইয়র্কের শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবশনার মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।

alt
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. শামীম আহসান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বেলাল বেগ প্রমুখ।
নাজনীন সীমনের অনবদ্য উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রকৃতির শিল্পীরা একক ও দলগতভাবে সঙ্গীত পরিবেশন ও কবিতা আবৃত্তি করেন।

alt

সঙ্গীত পরিবেশন করেন জলি কর, দিঠি হাসনাত, দেলোয়ার হোসেন, গোপন সাহা, জয়ন্তী ভট্টাচার্য্য, মৌগন্ধা আচার্য্য, রেজা রহমান, মিনি কাদির, অমিত দে, রূপালী ঘোষ, সুব্রত দত্ত, টিটো প্রমুখ। তবলা সঙ্গত করেন পিণাকপানি গোস্বামী।

alt
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র সহ-সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস, ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমান, নারী নেত্রী অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম, আন্তজার্তিক বার্তা সংস্থা বাপসনিউজ এডিটর ও আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন , বিশিষ্ট রিয়েলটর তৌফিক কাদের, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ-সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ সোহাগ, সাপ্তাহিক বর্ণমালার প্রধান সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সাংবাদিক সনজীবন কুমার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অতিথিদের লুচি পরোটা ও ভাজি এবং চা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।


ইউএস সিনেটর ক্রিষ্টিন জিলিব্যান্ড এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাপসনিউজ ও কটিয়াদিনিউজ এডিটর - সেক্যুলার বাংলাদেশ এগিয়ে চলায় খুশি মার্কিন সিনেটর

শুক্রবার, ০৭ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ : গত ২ এপ্রিল রবিবার ২১২ ওয়েষ্ট ৮৩ ষ্ট্রীটে চিল্ডেন’স মিউজিয়াম অব ম্যানহাটান এ যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের প্রভাবশালী ইউএস সিনেটর ক্রিষ্টিন জিলিব্যান্ড-এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তজার্তিক বার্তা সংস্থা বাপসনিউজ এডিটর ও আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক আয়েশা আক্তার রুবি। খবর বাপসনিউজ।ইউএস সিনেটর ক্রিষ্টিন জিলিব্যান্ড-এর সাথে সাক্ষাৎ কালে সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও আয়েশা আক্তার রুবি বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং বাংলাদেশের অভিবাসী সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেন। সিনেটর আয়েশা আক্তার রুবিকে অভিবাসী হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসার জন্য অভিনন্দন জানান।


ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেটর ক্রিষ্টিন জিলিব্যান্ড খুব খুশি হয়েছেন সত্যিকারের সেক্যুলার ডেমোক্রেসি চালুর পথে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে যাওয়ায়। সিনেটর ক্রিষ্টিন জিলিব্যান্ড বলেন, ‘ইট্স ডিমান্ড অব হিউম্যানিটি’, ইট্স দ্য ভেল্যু অব হিউম্যানিটি’।সিনেটরের সঙ্গে একান্তে কথা বলেন হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং আয়েশা আক্তার রুবি।

বাপসনিউজ এডিটর ও আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক আয়েশা আক্তার রুবি তাকে জানান যে, ‘নানা প্রতিবন্ধকতা এবং প্রতিকূলতা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক আগ্রহে বাংলাদেশে সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং সামাজিক-রাজনৈতিক-প্রশাসনে সেভাবেই সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে।’

ছবিতে মাঝে ইউএস সিনেটর ক্রিষ্টিন জিলিব্যান্ড, বামে সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও ডানে আয়েশা আক্তার রুবিকে দেখা যাচ্ছে। ছবি ঃ বাপসনিউজ।
বাপসনিউজ এডিটর ও আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক আয়েশা আক্তার রুবিকে সিনেটর ক্রিষ্টিন জিলিব্যান্ড জানান, ‘ট্রাম্পের মুসলিম বিদ্বেষমূলক কর্মকা যুক্তরাষ্ট্রের সেক্যুলার ইমেজ আজ প্রশ্নবিদ্ধ। তেমনি অবস্থায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ সত্যিকারের সেক্যুলার কান্ট্রিতে পরিণত হতে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।’
বাংলাদেশের ব্যাপারে প্রচ আগ্রহ দেখে তারা জিএসপি প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বাংলাদেশের খেটে খাওয়া মানুষের স্বার্থে অবিলম্বে তা পুনর্বহালে যথাযথ সহায়তার আহ্বান জানান। জবাবে সিনেটর বলেন, ‘নতুন প্রশাসন কীভাবে ঐ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছি। তবে ইতিপূর্বে যে সব শর্ত বেঁধে দেয়া হয়েছিল, সেগুলোর কতটা পূরণ হয়েছে, তাও খতিয়ে দেখার অবকাশ রয়েছে। বাংলাদেশের শ্রমিকদের স্বার্থেই সবকিছু করা হয়।জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদি প্রতিহত করে বাংলাদেশের সামগ্রিক এগিয়ে চলার আলোকপাতও করেন তারা । এসব তথ্য এ সংবাদদাতাকে জানিয়ে উল্লেখ করেন, ‘সিনেটরের সঙ্গে আলাপে মনে হয়েছে যে, বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরের সামগ্রিক কল্যাণে শেখ হাসিনা সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রয়েছে এই সিনেটরের।


সিলেট এমসি ও গভঃ বিশ^বিদ্যালয়ের এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ-এর যথাযথ মর্যাদায় মহান ৪৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

বুধবার, ০৫ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, আয়েশ আক্তার রুবি,বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : সিলেট এমসি ও গভঃ বিশ^বিদ্যালয়ের এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ যথাযথ মর্যাদায় ৪৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে। গত ১২ই এপ্রিল, রোবাবর দুপুর ২টায় এষ্টোরিয়া, নিউইয়র্ক-এনওয়াই-১১১০৬,এর জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমরিকার অফিসে সিলেট এমসি ও গভঃ কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ সভাপতি বেলাল উদ্দিন-এর সভাপতিত্ত্বে ও সাধারান সম্পাদক জামাল সুয়েজ আহমদ-এর সাবলীল উপস্থাপনায় অনুষ্টিত স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন  আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড-এর আহ্বায়ক ও সিলেট এমসি ও গভঃ কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধ তোফায়েল আহমদ চৌধুরী , মুক্তিযোদ্ধ আকতার আহমদ চৌধুরী ও সিলেট এমসি ও গভঃ কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ সাবেক সভাপতি সুফিয়ান আহমদ খান এবং জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমরিকার সাবেক সভাপতি আবদুল বাসেত।আলোচনা সভায় সুভেচছা বক্তব্যে রাখেন সিলেট এমসি ও গভঃ কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ সহ সভাপতি দেওয়ান শাহেদ চৌধুরী।


আলোচনা সভায় বক্তব্যে রাখেন সাবেক সাধারান সম্পাদক সাখাওয়াত আলী,আজিজুর রহমান বুরহান,আমিনুল হক চুননু, মো:রহমান সাচচু,মো:হাসইন ছরওয়ার । অতিথিদর মাঝে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন-এর সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও কটিয়াদিনিঊজ ডটকম সম্পাদক আয়েশ আক্তার রুবি । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাজি আবদুল ওদুদ,কবির আহমদ,গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী , মো:ঊছমান, রোকশানা উদ্দিন,মিতা চৌধুরী ,এহতেশাম চৌধুরীসহ আরা অনেকে।খবর বাপসনিঊজ ।


আলোচনা সভায় বক্তৃতাগন মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে নিউইয়র্কবাসীদের বিশেষ করে মেডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জর্জ হ্যারিসন, রবি শংকরসহ অন্যান্য পপ তারকার ”কনসার্ট ফর বাংলাদেশ” স্বাধীনতা সংগ্রাম বেগবান করতে যে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল তা বিশেষভাবে তুলে ধরেন।আলোচনা সভায় বক্তৃতাগন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আট বছর ধরেই জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের বেশি অর্জিত হয়েছে। প্রবাসী আয় কয়েকগুণ বেড়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়িত হচ্ছে। কিছু অপশক্তি বাংলাদেশের এ অগ্রগতিকে বাঁধাগ্রস্ত করতে চায়। এসব অপশক্তিকে সকলে মিলে রুখে দিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় স্ব-স্ব অবস্থান থেকে অবদান রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান।


বক্তৃতাগন বলেন, বাংলাদেশ অত্যন্ত সফলতার সাথে এমডিজি অর্জন করেছে। এখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এসডিজি’র ১৭টি লক্ষ্য ও ১৬৯টি টার্গেট পূরণে দেশকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ জাতিসংঘে কাজ করে যাচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচী বাস্তবায়নে বক্তৃতাগন প্রবাসীদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা এবং কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি বক্তৃতা করেন। বক্তারা জাতির পিতার নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য প্রাক্তন সভাপতি সুফিয়ান আহম্মদ খানের সৌজন্যে সিলেট এমসি ও গভঃ বিশ^বিদ্যালয়ের এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক তিন শিক্ষার্থী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, তোফায়েল আহম্মেদ চৌধুরী ও আকতার আহম্মেদ চৌধুরীকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রধান করা হয় । পরিশেষে, ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকৃত ৩০ লাখ শহীদ ও ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল-এ যথাযথ মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০১৭

alt

কনস্যুলেট মিলনায়তনে ২৭ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় একটি অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত বাজানো হয় এবং শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। কনসাল জেনারেল মোঃ শামীম আহসান,এনডিসি তার স্বাগত বক্তৃতায় মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনাদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি তার বক্তব্যে নিউইয়র্কবাসীদের বিশেষ করে মেডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জর্জ হ্যারিসন, রবি শংকর, বব ডাইলানসহ অন্যান্য পপ তারকার ”কনসার্ট ফর বাংলাদেশ” স্বাধীনতা সংগ্রাম বেগবান করতে যে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল তা বিশেষভাবে তুলে ধরেন।

alt

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্য বেগম আখতার জাহান, এমপি, জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মান্যবর মাসুদ বিন মোমেন, নিউজার্সির আটলান্টিক সিটির মেয়র ডোনাল্ড এ. গার্ডিয়ান(Mr. Donald A. Guardian),স্টেট ডিপার্টমেন্ট এর পাবলিক এ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর পরিচালক মিজ্ ক্যাথলিন এম. এইগান(Ms. Kathleen M. Eagen) সহ আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্য থেকে কয়েকজন শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক “Friends of Liberation War Honor” প্রাপ্ত প্রখ্যাত মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা  লেয়ার লেভিনও আবেগভরা কণ্ঠে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

Picture

নিউইয়র্ক সিটি মেয়র মাননীয় বিল দ্য ব্লাজিও (Bill de Blasio) এবং নিউইয়ক স্টেট গভর্নর মাননীয় এন্ড্রু এম কিউমো(Andrew M. Cuomo) কর্তৃক প্রেরিত অভিনন্দন বার্তা তাদের প্রতিনিধিরা পাঠ করেন। পরে অতিথিরা দিবসটি উদযাপনের জন্যে কেক কাটায় অংশগ্রহণ করেন।

alt

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কনসাল জেনারেল, বিপুল সংখ্যক কূটনীতিক, নিউইয়র্ক ও অন্যান্য স্টেটের প্রতিনিধি, কংগ্রেশনাল স্টাফ, থিংক-ট্যাংক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বাংলাদেশ কম্যুনিটির সদস্যসহ বিপুল সংখ্যক অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

alt

মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানার্থে নিউইয়র্কস্থ এলমহার্স্ট হাসপাতালে ২৬ মার্চ ২০১৭ তারিখে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এবং কংগ্রেস অব বাংলাদেশী-আমেরিকান ইন্ক এর যৌথ উদ্যোগে রক্তদান কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। এছাড়াও, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এর যৌথ উদ্যোগে ২৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে ”গণহত্যা দিবস” উপলক্ষ্যে মিশনের বঙ্গবন্ধু হলে সাংবাদিক ও কম্যুনিটি নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

alt
Bangladesh Consulate General in New York celebrates 46th Anniversary of the Independence and National Day of Bangladesh
 Hakikul Islam Khokan,Bapsnews:
Consulate General of Bangladesh in New York celebrated 46th Anniversary of the Independence and National Day in a befitting way. The programmes began at 9:30 am on 26 March 2017 with the hoisting of the National Flag at the Chancery in the presence of the officers and officials of the Consulate General. Messages from the Honorable President, Honorable Prime Minister, Honorable Foreign Minister and Honorable State Minister for Foreign Affairs sent on the occasion were read out. Special munajat was offered seeking eternal peace of the departed souls of those who had made supreme sacrifices to achieve country’s independence in 1971 and for the peace, prosperity and continued progress of the country and its people.

 alt
As a part of the celebratory activities, a Reception was held at the Auditorium of the Consulate General at 6:30pm-9:30pm on 27 March 2017. It started with the playing of the national anthems of Bangladesh and the USA. One minute silence was observed as a mark of respect for the martyrs. In his welcome remarks, Mr. Md. Shameem Ahsan,ndc, Consul General paid rich tribute to the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and martyrs of 1971. He also paid respect to the valiant freedom fighters and brave women who were subjected to heinous form of war crimes. The Consul General specially recalled the contribution of the people in New York with special reference to George Harrison, Ravi Shankar, Bob Dylan and other Pop Stars for the Concert for Bangladesh at the Maddison Square Garden, New York who stood for the cause of Bangladesh’s independence.

alt

Begum Akthar Jahan, MP, H.E. Mr. Masud Bin Momen, Ambassador & Permanent Representative of Bangladesh to UN and US representatives including Honorable Mr. Donald A. Guardian, Mayor of Atlantic City, New Jersey, Ms. Kathleen M. Eagen, Director, Bureau of Public Affairs, US Department of State also spoke on the occasion. Mr. Lear Levin, Recipient of “Friends of Liberation War Honor” and a noted US film maker shared his sentiment. Congratulatory messages sent by the Mayor of New York City Honorable Bill de Blasio and Governor of New York State Honorable Andrew M. Cuomo were read out by their representatives. The event marked a cake-cutting ceremony to commemorate the Day.
 alt
A good number of senior US officials, Consuls General of a number of countries, diplomats, elected representatives from New York and other States, Congressional Staffers, members of the Think Tank, businessmen, journalists and a large number of members of Bangladesh Diaspora attended the Reception, among others. The guests were served with traditional Bangladeshi food.In a related development, Consulate General, Permanent Mission of Bangladesh to UN and Congress of Bangladeshi-American Inc. jointly organized a blood donation program on 26 March 2017 at the local Elmhurst Hospital. The Consulate General also organized a discussion meeting jointly with the Permanent Mission of Bangladesh on 25 March 2017 at the Bangabandhu Auditorium to commemorate “Genocide Day” with the presence of the members of media and community leaders.