Editors

Slideshows

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/455188Hasina__Bangla_BimaN___SaKiL.jpg

দাবি পূরণের আশ্বাস প্রধানমন্ত্

বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে আলোচনা না করে আন্দোলন করার জন্য পাইলটরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। পাইলটদের আন্দোলনের কারণে ফ্লাইটসূচিতে জটিলতা দেখা দেয়ায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/701424image_Luseana___sakil___0.jpg

লুইজিয়ানায় আকাশলীনা‘র বাৎসরিক

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ লুইজিয়ানা থেকে ঃ গত ৩০শে অক্টোবর শনিবার সনধ্যায় লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির ইণ্টারন্যাশনাল কালচারাল সেণ্টারে উদযাপিত হলো আকাশলীনা-র বাৎসরিক বাংলা সাহিত্য ও See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/156699hansen_Clac__.jpg

ইতিহাসের নায়ক মিশিগান থেকে বিজ

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ ইতিহাস সৃষ্টিকারী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরা হাউজের আধিপত্য ধরে রাখতে সক্ষম হলো না। সিনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম হলেও আসন হারিয়েছে কয়েকটি। See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/266829B_N_P___NY___SaKil.jpg

বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিসে পুলি

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ আলাউদ্দিন রেষ্টুরেন্টের সামনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি তাৎক্ষণিক এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এই See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

ব্রুকলিনে সিএমবিবিএ’র বর্ণাঢ্য পথমেলা-২০১৬ অনুষ্ঠিত

বুধবার, ৩১ আগস্ট ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,বাপসনিঊজ: নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘চার্চ-ম্যাকডোনান্ড বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনের (সিএমবিবিএ)পথমেলা গত ২৮ আগষ্ট রবিবার অনুষ্ঠিত হয় ব্রুকলিনে। প্রবাসে বাংলাদেশের দেশীয় সংস্কৃতিকে মুলধারায় ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও আয়োজন করা হয় জমজমাট এই মেলার।সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল টাইম, অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে  স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়া ,বাংলা ভিসিওন ,মিলিনিয়াম টিভি ,আর টিভি ,টোটাল টিভি ।

alt

চমৎকার ইভেন্টে সাজানো ছিল।সিএমবিবিএ’র  এবারের এই পথমেলায় এবং মেলায় আসেন নানা বয়সের প্রবাসী বাংলাদেশীরা।2.৩০ মিনিটে  জনপ্রিয়  টিভি উপস্থাপক বুলবুল হাসান  এ’ র উপস্থাপনায়এ  ফিতা কেটে এবং বেলুন উড়িয়ে বহু প্রতিক্ষিত পথ মেলার উদ্বোধন করেন  কংগ্রেসওমেন  ইভেট ডি ক্লার্ক। আরো উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলম্যান ব্র্যাড ল্যান্ডের,নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এর সাউথ রিজিওনাল ডেপুটি  চার্লস ,নিউইয়র্ক সিটির মেয়র অফিস এর স্পেশাল রিপ্রেসেন্টেটিভে ও কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স চিফ   ড্যানিয়েল  এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সিএমবিবিএ’র  সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এল আলী, কোষাদক্ষ আনোয়ার হোসাইন  সিএমবিবিএ’র  মেলা উদযাপন কমিটির আহবায়ক এ এইচ খন্দকার  জগলু,, সদস্য সচিব মোহাম্মদ মাহাব, সিএমবিবিএ’র  মেলা  কমিটির জয়েন্ট কনভেনর মীর কাশেম , ফায়ার ডিপার্টমেন্ট কোঅর্ডিনেটর এ করিম,নিউইয়র্ক মুসলিম পুলিশ এসোসিয়েশন আর প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন আদীল রানা পুলিশ অফিসার  টমাস কাকুলা মেলার উদ্বোধনের পর অতিথিসহ নেতৃবৃন্দ র‌্যালী করে মঞ্চে আসেন।

alt

পরিচালনায় উদ্বোধনী পর্বে নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট  এর  সাউথ রিজিওনাল ডেপুটি   চার্লস  বক্তিতায় বলেন  পুলিশ কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। নাগরিক অধিকার সংরক্ষণে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট সবসময় সোচ্চার বলে তিনি উল্লেখ করেন।সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এল আলী বলেন, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সিএমবিবিএ‘র  মেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়। মেলার আহবায়ক এ এইচ খন্দকার জগলু বলেন, এলাকার  ব্যবসায়ী ও কমিউনিটির স্বার্থে সিএমবিবিএর ব্যানারে এ মেলা অনুষ্ঠিত হলেও এটা সর্বজনীন।

alt

সিএমবিবিএ’র  মেলা উদযাপন  কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ মাহাব, বলেন ব্রুকলীনের এই পথমেলা নর্থ আমেরিকার সর্ববৃহৎ মেলা। বাংলাদেশী ছাড়াও ভিন দেশীদের উপস্থিতি প্রবাসে বাঙালী কৃষ্টি-কালচারের অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে। তিনি আরো বলেন  বলেন, দীর্ঘ পরিশ্রমের ফসল সুন্দর এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী কৃষ্টি-কালচারকে নতুন প্রজন্ম ও মূলধারায় তুলে ধরতে চাই। প্রবাসে দেশীয় সংস্কৃতি ও বাণিজ্যিক অবস্থান সুদৃঢ় করতে এ মেলা বিরাট ভ’মিকা রাখবে ।তিনি স্মরণ করেন পূর্ব্বের  সিএমবিবিএ সভাপতি আব্দুর রব চৌধুরী  , ও পূর্বের উপদেষ্টা সহ সকল সিএমবিবিএ নেতৃবৃন্দ  তাহাদের  অবদানের কথা ।
alt
মেলা উপলক্ষ্যে মেলার সদস্য সচিব মোহাম্মদ এম , মাহাব এ’র সম্পাদনায় ‘সওদাগর’ নামে একটি এগারো তম ম্যাগাজিন প্রকাশ করা হয়। ম্যাগাজিনের মোড়ক উম্মেচন করেন কংগ্রেসওমেন  ইভেট ডি ক্লার্ক , নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র অফিস এর জনাব ড্যানিয়েল সহ নেতৃবৃন্দ।সিএমবিবি সওদাগর ম্যাগাজিন সম্পাদন করতে আবরার রব চৌধুরীর ভুষি প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ জানান ।

alt

মেলায় ব্রুকলীন বরো প্রেসিডেন্ট ও কাউন্সিলম্যানের পক্ষ থেকে টিউমে টিভি প্রেসিয়ডেন্ট এন্ড সিইও জনাব আবু তাহের  ও সিএমবিবিএর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মোহাম্মদ এল আলী, মোহাম্মদ এম মাহাব,  এ এইচ খন্দকার জগলু, ,মীর কাশেম,রাহুল চৌধুরী কে কমিউনিটিতে বিশেষ অবদানের জন্য  সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয় এবং বক্তব্য রাখেন ব্রুকলীন বরো প্রেসিডেন্ট এরিক এ্যাডাম, স্থানীয় নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র অফিস এর জনাব ড্যানিয়েল  ও  এটর্ণী প্যারি ডি সিলভার ডিষ্ট্রিক্ট প্রমুখ।

alt

মেলার মূল পর্ব শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে। চার্চ ম্যাকডোনাল্ডের সুপরিসর রাস্তা বন্ধ করে এ মেলায় প্রায় শতাধিক স্টল বসে।সামাজিক সংগঠন কিডস ট্রাস্কলার্স অটিজম আয়ার্নেস ওয়ার্কশপে পক্ষ থেকে  ,নাসরীন মালিক, সাউথ এশিয়ান কমিউনিটি কেয়ার অর্গানিজশন পক্ষ থেকে মোহাম্মেদ মহাব ,লিক্যামোইবেল মর শ্রী ,এডুকেশনাল অর্গানিজশন ,ষ্টল কাউন্সিলম্যান ব্র্যাড ল্যান্ডের অফিস থেকে পরিচালনা করেন মিস রুবি সবচেয়ে বেশী স্টল ছিল পোষাক আর গয়নার।

alt

এছাড়াও ছিল হরেক রকমের দেশীয় খাবারে,র দোকান।ঝালমুড়ি-চটপটির ঝালে, কমলা লেবুর শরবত, মহিলাদের শাড়ি-গয়নার দোকানে গিয়ে দর কষাকষিতে আর জনপ্রিয় শিল্পীদের আধুনিক গান, গ্রাম বাংলার পল্লীগীতি, ভাটিয়ালী, ভাওয়াইয়া, লোক সঙ্গীতসহ দেশজ গানে ব্রুকলিনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড এলাকা রবিবারে পরিণত হয় এক টুকরো ‘মিনি বাংলাদেশ’।মঞ্চে চলে নাচ, গান আর ফাঁকে ফাঁকে আমন্ত্রিত অতিথিদের বক্তব্য। মেলায় বিশেষ আকর্ষণ ছিল র‌্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণী।মেলায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন যুক্তরাষ্ট্র সফররত জনপ্রিয় শিল্পী রেজিয়া পারভীন, সেলিম চৌধুরীপ্রমুখ।


আমেরিকার প্রাণ কেন্দ্র নিউইর্য়কে শিফট উদ্ধোধন কম্পিউটার সফটওয়্যার টেস্টিং জব ট্রেনিং

বুধবার, ৩১ আগস্ট ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ২৬ আগস্ট শুক্রবার বিকাল ৬টায় ৩৬-০১,৩৭ এ্যভিনিউ, এষ্টোরিয়াস্থ লং আইল্যান্ড সিটি, নিউইর্য়ক-এর Ñ সাউন্ড ভিউ কর্পোরেশনের দোতলায় শিফট-এর ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। উদ্ধোধন করে কনসাল জেনারেল শামীম আহসান বলেন, শিফট বাংলাদেশীসহ সকল মানুষের জন্য নতুন সংযোজন। তিনি তাদের সকল প্রকার সহযোগীতার আশ্বাস দেন।পরে এনটিভির অনুষ্ঠান পরিচালক বিশিষ্ট আবৃতিকার আবীর আলমগীরের সঞ্চালনায় শিপটের অধ্যক্ষ মেহলা জামানী এবং পরিচালক তথ্য প্রযুক্তি ইফতেখান ইভান তাদের কর্মসূচীর ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।খবর বাপসনিঊজ।

alt
তারা বলেন,এনওয়াইএসডি লাইসেন্সপ্রাপ্ত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে অত্যাধুনিক সফটওয়ার টেস্টিং জব ট্রেনিং এখন হাতের মুঠোয়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইর্য়ক স্টেট এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান শিফট-এ আপনারা পাবেন সর্বাধুনিক ‘কম্পিউটার সফটওয়ার টেস্টিং’ প্রশিক্ষণ। যুক্তরাষ্ট্রের একজন গর্বিত বাংলাদেশী ইফতেখার ইভান প্রতিষ্ঠানটির ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করছেন। ইফতেখার ইভান অত্যন্ত সম্মানের এবং দক্ষতার সাথে বিগত ২৫ বছর ধরে বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।

alt

বর্তমানে ফিন্যান্সিয়াল ইন্সটিটিউশনের গ্লোবাল আইটি হেড হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। কম্পিউটার সফটওয়্যার প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক বিশেষ করে মাইক্রোসফট, বার্নস এন্ড নোবেল এবং মিডিয়া ওশেন এর মতো দূরূহ বিষয়গুলোতে ইফতেখার একজন সিদ্ধহস্ত। বাংলাদেশী কমিউনিটির অত্যন্ত পরিচিত মুখ, কর্পোরেট কমিউনিকেশন এবং স্পিচ গুরু সেহলা জামানী শিফট-এর প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেহলা জামানীর সহযোগিতায় শিফট-এর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রয়েছে একসেন্ট রিডাকশন এবং সফট স্কিল ট্রেনিং এর মতো প্রশিক্ষণগুলো। যাদের মাতৃভাষা ইংরেজী নয়, তাদের জন্য বিশেষ ভাষা প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন লাইসেন্স স্পিচ প্যাথলোজিস্ট মেগান লো।
alt
শিফট-এর লক্ষ্য কম্পিটার ট্রেনিং জব টেস্টিং এর মাধ্যমে একটি দক্ষ জনবল গড়ে তোলা যা সম্পূর্ণভাবে আজকের দিনের জব মার্কেটের চাহিদা মেটাবে। সেপ্টেম্বরে শিফট-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই ট্রেনিং স্কুলের জন্য প্রচলিত বা তথাকথিত আইটি কারিক্যুলামের উপর নির্ভর করে এগুতে চায় না। শিফট তার নিজস্ব শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান করতে চায়।
alt
শিফট-ই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ও নাগরিকদের একই সাথে কম্পিউটার টেস্টিং প্রশিক্ষণ দেয়ার পরিকল্পনা করেছে। আর এই প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য শিফট তার নিজস্ব পরিচালনায় এডিশনাল জব রেডি ট্রেনিং যেমন: সফট স্কিল ট্রেনিং এবং একসেন্ট রিডাকশন সেমিনারের মতো কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। আর এ ধরনের আয়োজনে অংশ নেবেন শিফট এর সম্পূর্ণ নিজস্ব স্পিচ প্যাথলজিস্ট এবং কর্পোরেট স্পিচ ট্রেনার।শিফট এডুকেশন এন্ড টেকনোলজি যাত্রা শুরু করে ২০১৪ সালে। এর লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ও সদ্য নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের আইটি বিশ্বে একটি দৃঢ় অবস্থান গড়ে দেয়া। কিন্তু ইফতেখার ইভান ব্যক্তিগত ভাবে এবং অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কাজটিই করছেন বিগত ২০ বছর ধরে। তিনি আইটি পেশাজীবীদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়ে আসছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসীরা বিভিন্ন পেশার হয়ে থাকেন। এদের সকলকে এক করে একটি যুগপোযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রুচিশীল ক্যারিয়ার তৈরী করে দেয়াই শিফট-এর লক্ষ্য। এজন্য প্রয়োজনীয় ও সহযোগী সকল প্রশিক্ষণ যেমন: ইংরেজী ভাষার দক্ষতা, যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করে তোলা সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ রয়েছে শিফট-এর প্রশিক্ষণে।
alt
প্রায় দুই যুগ ধরে শিফট-এর প্রশিক্ষকরা শিক্ষাদান করেছেন অগণিত শিক্ষার্থীকে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নতুনতর প্রযুক্তি উন্নয়ন ও ব্যবহারের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে শিফট-এর প্রশিক্ষণ কারিক্যুলামে অনসাইট আটটি ট্রেনিং অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। পরিসংখ্যান মতে, একমাত্র দক্ষতা উন্নয়নই আইটি বিশ্বে নিজেকে টিকিয়ে রাখার চাবিকাঠি। শিফট বিশ^াস করে যে, কর্মদক্ষতাই চাকুরী কিন্তু চাকুরীর পরে কর্ম দক্ষতা নয়। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে চলছে।
alt
যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসীদের কাছে দেশটির গতিশীল চাকুরীর বাজার একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে শিফট নব্য আগত অভিবাসীদের প্রশিক্ষণ সহযোগিতা দিয়ে থাকে। শিফট থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিবাসীরা এখন নিজ যোগ্যতায় যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন প্রসিদ্ধ আইটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। সফটওয়্যার কোয়ালিটি এশিওরেন্স প্রফেশন বা গুনগত মানসম্পন্ন সফটওয়্যার প্রযুক্তি শিক্ষার মাধ্যমে ব্যক্তি পর্যায়ে দক্ষতা নিশ্চিত করাই শিফট এর কাজ।
alt
শিফট আপনার হাইটেক ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে দিচ্ছে

১. প্রয়োজনীয় শিক্ষার পরিবেশ যা একটি শিক্ষার্থীর মেধাকে বহুগুন বাড়িয়ে দেয়।
২. অত্যাধুনিক আইটি প্রযুক্তির শিক্ষা প্রদান।
৩. আইটি শিল্পে দক্ষ কারিগর হিসাবে গড়ে তোলার সার্বিক সহযোগিতা।
৪. প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দক্ষ শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা।
৫. যে কোন নামকরা আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর ইন্টারভিও মোকাবেলা করা মানসিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করা।
৬. চাকুরীপ্রাপ্তির নিশ্চয়তার জন্য সহযোগিতা প্রদান।
৭. মানসম্পন্ন অনসাইট প্রশিক্ষণ প্রদান।
৮. একজন শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগত ও মানসিক পর্যায়ে গড়ে তোলা যাতে করে কর্মক্ষেত্রে বলিষ্ঠ অবদান রাখতে সক্ষম হয়।

alt
যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষ পেশাজীবী অভিবাসী জনবল গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। এইতো কেবল শুরু, অনেকটা পথ যেতে হবে। আমরা বিভিন্ন প্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠানের পরামর্শ অনুযায়ী আমাদের নিজস্ব কারিক্যুলাম তৈরী করি। যাতে করে অভিবাসীরা সর্বোতভাবে চাকুরী জগতে লাভবান হতে পারেন। নিউইর্য়ক টাইম পত্রিকার প্রতিবেদক এডুয়ারডো পোর্টার ৫ জুলাইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ‘অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন এন্ড ডেভলাপমেন্ট’-এর মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার জিডিপি’র ০.০৩ শতাংশ ব্যয় করে শ্রমিক প্রশিক্ষণের পেছনে, অন্যদিকে ডেনমার্ক ব্যয় করে ১৮ গুন বেশি, ফ্রান্স ১২ গুন এবং জার্মানী ৭ গুন।আগেই যা বলেছি আমাদের যেতে হবে বহুদূর।

alt
যোগাযোগের ঠিকানা:
এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।
এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।
SHIFT EDUCATION OF TECHNOLOGY
36-01 37th Ave, Suite # 2C
Long Island City, NY 11101
Phone: 718-713-1844
শেষে সবাইকে নৈশ্যভোজে আপ্যায়ণ করা হয়।


সার্বজনীন জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটির বাৎসরিক কর্মসুচিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পূষ্পার্ঘ অর্পনে বিপূল সংখ্যক শোকাহত বঙ্গবন্ধু অনূসারীদের অংশগ্রহণ

বুধবার, ৩১ আগস্ট ২০১৬

alt

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,বাপসনিঊজ:প্রতি বৎসরের মতো এবারও ১৫ই আগষ্ট সোমবার, ২০১৬, জ্যাকসন হাইট্স ডাইভার্সিটি প্লাজায় জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পূষ্পার্ঘ অর্পনের ঐতিহ্য পালিত হয়েছে বিপূল সংখ্যক অনূসারীদের অংশগ্রহনে।

alt

সোমবার বিকেলে সার্বজনীন জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটি, যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকীর কর্মসূচীতে ছিলো - জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পূষ্পার্ঘ অর্পণ, মুক্তিযোদ্ধাদের গার্ড অব অনার, সর্ব ধর্মীয় প্রর্থনা ও আলোচনা সভা।

alt

আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, লেখক ও নিউ জার্সির প্লেইনসবরোর কাউন্সিলম্যান ড. নূরান নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবসের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব জাকারিয়া চৌধুরী। পূষ্পার্ঘ অর্পনে অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলো হচ্ছে -

alt
 - সার্বজনীন জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটি
 - যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ
 - মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখা
- বাংলাদেশ সোসইিটি
 - নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ
 - মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড, যুক্তরাষ্ট্র শাখা
 - বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগ, যক্তরাষ্ট্র শাখা
 - যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী সমর্থক জোট
 - একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, যুক্তরাষ্ট্র শাখা
 - ইউ এস কমিটি ফর সেক্যুলার এ্যান্ড ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ
 - যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ
 - নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগ
 - প্রজন্ম একাত্তর
- তারার আলো
 - শিল্পকলা একাডেমী
 - নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ, কুইন্স শাখা, ব্রুকলিন শাখা
 - ওজন পার্ক শাখা, ম্যানহাটন শাখা, চার্চ ম্যকডোলাল্ড শাখা
 - নিউইয়র্ক যুব নাগরিক কমিটি
 - সাউথ জার্সি আওয়ামী লীগ
 - ফ্লোরিড আওয়ামী লীগ
 - পেনসিলভেনিয়া আওয়ামী লীগ
- মিড ওয়েষ্ট আওয়ামী লীগ সহ অসংখ্য সংগঠন ও ব্যক্তি বর্গ।
alt
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে “স্যালুট” জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার আহবায়ক ডঃ আব্দুল বাতেন, যুগ্ম আহবায়ক খুরশেদ আনোয়ার বাবলু ও সদস্য সচিব মশিউল আলম জগলুর নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা অংশগ্রহন করেন।
alt
সর্বধর্মীয় প্রার্থনায় অংশ নেন মওলানা কাজী কাইয়ুম. ডঃ টমাস দুলু রায়, অবিনাশ আচার্য, স্বীকৃতি বড়–য়া। তারা নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ ও বঙ্গবন্ধু সহ শাহাদাত বরনকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে প্রার্থনা করেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন - একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব জামাল উদ্দিন হোসেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ, বাংলাদেশ লীগ অব আমেরিকার সভাপতি বেদারুল ইসলাম বাবলা, অধ্যাপিকা হোসনে আরা বেগম, কবি বেলাল বেগ, ডঃ আব্দুল বাতেন, খুরশিদ আনোয়ার বাবলু, কমান্ডার নুরনবী, সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, শিতাংশু গুহ,  মুজাহিদুল ইসলাম, আব্দুল জলিল, কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মহিউদ্দিন দেওয়ান, আইরিন পারভিন, আব্দুল কাদের মিয়া, ইসমত হক খোকন, স্বীকৃতি বড়–য়া, ফহিম রেজা নুর, কবি শাহীন ইবনে দিলওয়ার, ড. জিনাত নবী, মুর্শেদা জামান, মশিউল আলম জগলু, নাজমুল ইসলাম, রুহুল আমিন, মনিরুল ইসলাম মনি (সাবেক এম,পি), এ,বি ছিদ্দিক, রেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী, শিহাব চৌধুরী, মুনির হোসেন, হুমায়ুন কবির, নুরুল আফছার সেন্টু, আমিনুল ইসলাম কলিন্স, জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল আমিন বাবু, সুব্রত তালুকদার, মাসুদ হোসেন সিরাজী, শিবলী সাদেক শিবলু, এ,টি,এম রানা, এ,টি,এম মাসুদ, আবুল কালাম ভূঁইয়া, আবুল কাসেম, আক্তার হোসেন, গোপাল সান্যাল, নাসির আলী খাঁন পল, মিসেস পল, কামাল হোসেন মিঠু, অবিনাশ আচ্যার্য, আলাউদ্দিন, জামাল উদ্দিন, টি ইসলাম মাসুম, সেলিম খাঁন, মিনা ইসলাম, শেফু রহমান, মনিকা রায়, শাহানাজ বেগম, সৈয়দ আতিক, ইব্রাহিম রহমান, মোশারফ হোসেন, মশিউর রহমান, আব্দুল হাই জিয়া, আব্দুল কাদের চৌধুরী শাহীন, জসিম উদ্দিন, ইকবাল চৌধুরী রিপন সহ বিপুল সংখ্যক বঙ্গবন্ধু অনুসারী উপস্থিত ছিলেন।

alt

সভায় বঙ্গবন্ধুর উপর গান পরিবেশনা করেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী - শহীদ হাসান, প্রমি তাজ, তারার আলো ও শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীবৃন্দ।

alt
উক্ত সমাবেশে বঙ্গবন্ধুর উপর কবিতা পাঠ করেন, কবি ফারুক আজম, গোপন সাহা, শুক্লা রায়, প্রিতি প্রমুখ। সভায় সকল বক্তা তাদের বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু পরিবার এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর সপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 


সুপ্রিম কোটর আপিল বিভাগ আলবদর বাহিনীর কমান্ডার মীর কাশেম আলীর রিভিও আবেদন খারিজ ও মৃতুদণ্ড রায় বহাল রাখায় যুক্তরাষ্টে প্রবাসী বাঙ্গালীদের সন্তোষ প্রকাশ

বুধবার, ৩১ আগস্ট ২০১৬

নিউইয়ক থেকে মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,বাপসনিঊজ: নিউইয়ক ৩০ আগষ্ট, ২০১৬ইং, মঙ্গলবার, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আলবদর বাহিনীর কমান্ডার মীর কাশেম আলীর নেতৃত্বে সারাদেশে বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ব্যাপকভাবে  হত্যা, নারী নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন ইত্যাদি  সীমাহীন বর্বরতম  মানবতা বিরোধী অপরাধের ১৪টি  সুনির্দিষ্ট অভিযোগের মধ্যে ১০টি অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তার  বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল  সর্বোচ্চ শাস্তি  মৃত্যুদণ্ড রায় প্রদান করে। সে রায়ের বিরুদ্ধে মীর কাশেম আলী  সুপ্রীম কোটে আপীল করে। সুপ্রীম কোট তার আপীল আবেদন খারিজ করে  দিয়ে ১২ নম্বর অভিযোগে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসীম হত্যার দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি  ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড রায় বহাল রাখে। এ রায়ের বিরুদ্ধে মীর কাশেম আলী  সুপ্রীম কোটে আপীল বিভাগে রিভিও পিটিশন করে। সুপ্রীম কোটে আপীল বিভাগ মীর কাশেম আলীর রিভিও আবেদন খারিজ করে ও মৃতুদণ্ড রায় বহাল রাখে। রায় বহাল রাখায় যুক্তরাষ্টে প্রবাসী বাঙ্গালীরা সন্তোষ প্রকাশ করে এক যৌথ বিবৃতি প্রদান করে।
Picture
যুক্তরাষ্ট প্রবাসী বাঙ্গালী নেএীবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতি সুপ্রীম কোটের আপীল বিভাগ রিভিও আবেদন খারিজ  ও মৃতুদণ্ড রায় বহাল রাখার এই রায়কে  অভিন্দন জানিয়ে বলেন, এ রায়ে জাতির আশা-আকাঙ্খার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে, মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদের ঋণ কিছুটা ভারমুক্ত হলো এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জাতি আরো একধাপ এগিয়ে গেল। নেএীবৃন্দ রায়ে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি অবিলম্বে এ রায় কার্যকর করা এবং অন্য সকল মানবতা বিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের আদালতে সোপদ করে  দ্রুত বিচার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
 
বিবৃতিতে স্বাক্ষরদাতারা হলেনসাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা  মনিরুল ইসলাম মনি, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন,সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা  প্রদীপ রঞ্জন কর , যুক্তরাষ্ট্র; আওয়ামী লীগ নেতা হাজী শফিকুল আলম, আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম, মুক্তযিোদ্ধা কমাঃ নূরুন নবী, মুক্তযিোদ্ধা গোলাম মরিাজ খান, মুক্তযিোদ্ধা ডা: আঃ বাতনে, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তযিোদ্ধা  সংসদরে আহবায়ক, সাবকে ছাএনতো ও সাংবাদকি শরীফ শাহাবুদ্দনি, যুক্তরাষ্ট্র সোহরাওয়ার্দী স¥ৃতি পরিষদের সভাপতি শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ যক্তরাষ্ট্র শাখা সভাপতি আবদুল মুসাব্বির এর সভাপতিত্ত্বে ও সাধারান সম্পাদক নূরে আলম জিকু,নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গণি ও সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া, সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহামন মিলন  ও সাধারণ সম্পাদক আলো আহমেদ, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন  সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ,শেখ হাসিনা মঞ্চ সভাপতি জালালউদ্দীন জলিল ও  সাধারণ সম্পাদক কায়কোবাদ খান, ইউএসএ বাংলানিউজ এর সম্পাদক আবু সাঈদ রতন, কবি ও সঙ্গীত শিল্পী শামীমআরা আফিয়া, কবি আব্দুল আজিজ, ফিরোজ মাহমুদ ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক শামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম এবং লবার বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ সভাপতি মনির আহমেদ মুস্তাকী ও সাধারন সম্পাদক হারুন- অর রশীযুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের সভাপতি খুরশিদ আনোয়ার বাবলু, সাধারন সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন এর সভাপতি-হাকিকুল ইসলাম খোকন,  আওয়ামী লীগ নেতা  ইঞ্জি: আশরাফুল হক, ডাঃ মাসদুল হাসান, রমেশ নাথ, চন্দন দত্ত ও আব্দুর রহিম বাদশা, মোঃ আখতার হোসেন, সাহীন আজমল, মোঃ আলী আক্কাস, জেএইচআরজু সাধারন সম্পাদক জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন, মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্জের সাধারন সম্পাদক শরাফ সরকার, শেখ হাসিনা মঞ্চ এর সভাপতি-জালালউদ্দিন জলিল ও সাধারন সম্পাদক-কায়কোবাদ খান, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, ডা: টমাস দুলু রায়, মুক্তিযোদ্ধা কামরুল হাসান চৌধুরী, ডাঃ খালেক, ডাঃ ম কামাল, মো: এমদাদ চৌধূরী, যুক্তরাষ্ট্র জাসদ নেতা মোঃ মোসাব্বির, নূরে আলম জিকু, যুক্তুরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারন সম্পাদক-শিতাংশু গুহ, মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর আলী নন্টু, স্বাধীনতা চেতনা মঞ্জের সাধারন সম্পাদক-হেলাল মাহমুদ, চলচিএ ব্যাক্তি কাজল আরিফিন, সাংবাদিক মুজাহিদ আনসারী, মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, ইঞ্জি: মিজানুল হাসান, এবিসিডিআই এর সাধারন সম্পাদক-আলী হাসান কিবরিয়া অনু, সাবেক ছাএনেতা সাইদুর রহমান বেনু, সুবল দেবনাথ, মোঃ খলিলুর রহমান, সাহাদত হোসেন, আশাফ মাসুক, এ্যাডভোকেট নিজামউদ্দিন, আঃ লতিফ বিশ্বাস, মঞ্জুর চৌধুরী, প্রবীর গুন, শেখ নাসির উদ্দিন, সাংস্কৃতিক কর্মী জলি কর, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী আইনজীবি পরিষদ নেতা এ্যাডভোকেট মোর্শেদা আশরাফ, কবি নিখীল রায়, আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব নুরে আজম বাবু, নাজমুল ইসলাম চৌধূরী, মো: রেজাউল করিম, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা অবিনাশ আচার্য, মো: লুৎফর রহমান খান, আব্দুস শাকুর ফারুক, আশরাফ হোসেন, মোঃ মুনির মোস্তাফী, মোঃ হারুনুর রশিদ, মিঃ মোস্তফা, মিঃ শফিক, এ কে চৌধুরী, শেখ হাসিনা মঞ্চ সহ সভাপতি- টি মোল্লা, মিসেস সিসিলিয়া আরজু, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা-বদরুল হোসেন খান, তোফায়েল আহমদ চৌধুরী, কামাল উদ্দিন, মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ, রাফায়েতউল্লা চৌধুরী, আলহাজ্ব আব্দুস সহিদ দুদু, শেখ হাসিনা মঞ্চ নেএী-বিলকিস মোল্লা, আবু নকিব খান, সিরাজুল ইসলাম সরকার, আঃ গোলাম কুদ্দুস, মো: গোপাল সান্যাল, তাজু মিয়া, জহিরুল ইসলাম, মো: আলতাফ মিয়া, মুকতাদির চৌধুরী, ইঞ্জি: খন্দকার গিয়াস উদ্দিন, বজলুল রহমান, ওয়ালী হোসেন, শিমুল আহমদ, ভুইয়া আহসান হাবিব, মজিবুর রহমান বিপ্লব, আবুল কাসেম ভূইয়া, দেলোয়ার মোল্ল্যা, এমএ ইসলাম মানিক, সালাউদ্দিন বিপ্লব, ফয়েজ আহমদ জিন্দাপীর, মোতাহার হোসেন, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কোহিনুর আকতার চৌধুরী, মাষ্টার আবু মোতাহার হোসেন, মোঃ আলতাফ মিয়া, মো: আবুল খায়ের, এমএআলম বিপ্লব, মো: উলফত মোল্যা, মিথুন জুবেরী কোকো, হাসান আহমেদ, লস্কর মফিজুর রহমান জুয়েল, সেকান্দার হোসেন, এমএসালাম, হাজী সানাউল্লা, মো: বি জামান, আনোয়ার হক ভূঞা, গোলাম ছরোয়ার দিদার,  জয়নাল আবেদীন দুলাল, মো: ওয়াদুদ তালুকদার, ছলিমুল্লা খান, ফিরোজ মাহমুদ, মো: আমিরুল মারুফ, হেলাল উদ্দিন শাহ, বোরহান উদ্দিন, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী খসরু, ফয়েজ আহমদ, সুজন আহমদ সাজু, মোঃ শফিক আহমদ, গোলাম রাব্বানী চৌধুরী, জাইন উদ্দিন জাইন ও হাসান জিলানী ও খলিলুর রহমান খোকন, আলী আকবর ও আবদুস ছালাম প্রমুখ।


নিউইয়র্কে বসন্তকালীন সাহিত্য আসর

রবিবার, ২৮ আগস্ট ২০১৬

Picture

সাহিত্য আসরে কবি ও আবৃত্তি শিল্পীদের কবিতা, আলোচনা, সঙ্গীত ও নাটকের একাংশ পরিবেশিত হয়। সম্মানিত অতিথি ছিলেন লেখক-সংস্কৃতিসেবী কেন কাদের,সাংবাদিক তাসের মাহমুদ, কবি ফকির ইলিয়াস, ‘স্বপ্নশিকারী সাহিত্য উদ্যোগে’র কর্ণধার কবি কাজী জহিরুল ইসলাম, রাজনীতিক-সমাজসেবক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি-কণ্ঠশিল্পী বিলকিস আরা ও মামুন টিউটোরিয়ালের পরিচালক, চিকিৎসক-সংস্কৃতিসেবী ডা. নাহিদ খান।

alt
অনুষ্ঠানের শুরুতে আগস্ট মাসে দেহত্যাগকারী প্রখ্যাত বাঙালি ব্যক্তিত্বদের স্মরণ করা হয়। উদ্বোধক-সঞ্চালক কবি সালেম সুলেরী শোক-স্মারক নিবেদন করেন। এক্ষেত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, নেতাজী সুভাষ বোস, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল, স্বাধীনতার কবি শামসুর রাহমান, প্রথাবিরোধী লেখক ড. হুমায়ূন আজাদ প্রমুখকে স্মরণ করা হয়। ২০০৪-এর ২১ আগস্ট ঢাকায় গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতিও জানানো হয় সম্মাননা। দুই রাজনীতিক-সংস্কৃতিসেবী আইভি রহমান ও আমেরিকায় সদ্যপ্রয়াত নাজমা রহমান-এর আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। ১৩ আগস্ট নিউইয়র্কের ওজন পার্কে ‘হেইট ক্রাইমে’ নিহত হন ইমাম আলাউদ্দিন আকুঞ্জি ও তারা মিয়া। সাহিত্য আসরে এই হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ উচ্চারিত হয়।

alt
স্বরচিত সাহিত্য পাঠে অধিকাংশজনই দর্শকপ্রিয় হয়ে ওঠেন। সর্বকবি মিশুক সেলিম, মোহাম্মদ আলী বাবুল, মনিজা রহমান, ইশতিয়াক রুপু, লুবনা কাইজার, কানিজ আয়শা, মাকসুদা আহমেদ, আনোয়ার সেলিম, শাম্মী আখতার, লুৎফর রহমান, সহুল আহমেদ, আব্দুস শহীদ, রিমি রুম্মান, মুনিয়া মাহমুদ, এবিএম সালেহউদ্দিন প্রমুখ ছিলেন সপ্রতিভ। কবি-দম্পতি হিসেবে আলোচনা ও কবিতা পাঠে নিবেদিত হন কবি ফকির ইলিয়াস ও ফারহানা ইলিয়াস তুলি। কবিতা দীর্ঘ হলেও দর্শককে মোহিত করেন সর্বকবি হাজী জহিরুল, স্বপ্ন কুমার, ছন্দা সুলতানা, শামস চৌধুরী প্রমুখ। জনপ্রিয় পদ্যকার-সংগঠক শাহ আলম দুলাল গান দিয়ে পরিবেশকে করে তোলেন মনোমুগ্ধকর। কথায় ও কবিতায় চমক দেখান তাসের মাহমুদ। অনুষ্ঠানে ইংরেজিতে লেখা কবিতা পাঠ করেন কবি, কণ্ঠশিল্পী, অনুবাদক রওশন হাসান। চিত্রা সিংহের জনপ্রিয় গান দিয়েও তিনি প্রশংসিত হয়ে ওঠেন। কবিতা ও গানের যৌথ পরিবেশনা ছিলো বিলকিস আরার কণ্ঠে। কবিতার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু নাটকের একাংশ পরিবেশন করেন খন শওকত। আসরে কবিগন বলেন, আমাদের প্রবাস জীবনে অনেক অনুষ্ঠান আয়োজন দেখেছি। কিন্তু আজকের সাহিত্য আসরটি আমাদের চোখে সর্বধিক প্রাণবন্ত, উপভোগ্য ও অনুসরণীয়। এ সময়ে উদ্বোধক-সঞ্চালক কবি সালেম সুলেরী অনেক প্রসঙ্গ টানেনএবং বলেন, বাংলাদেশে এর বিস্তার ব্যাপক। ২০১২ সালে খুলনা-সাতক্ষিরা-সুন্দরবনে তিন দিনের সাহিত্য সম্মেলন উদ্বোধন করেছিলাম। দেখেছি সারাদেশের তৃণমুলের লেখক-সংস্কৃতিসেবীরা ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে এতে অংশ নিচ্ছে। প্রবাসেও  লেখক-সংস্কৃতিসেবীরা সক্রিয়তা আমাদের আশাবাদী করে তোলে। বসন্তকালীন সাহিত্য আসরের অন্যতম পরিবেশনা ছিলো গুণী কণ্ঠশিল্পীদের আবৃত্তি। কাব্য-বাক্য উচ্চারণে কৃতিত্ব দেখান গোপন সাহা, ক্লারা রোজারিও, শুক্লা রায়, তাহসিনা পারভিন প্রমুখ।

alt
অনুষ্ঠান আয়োজন বিষয়ে খোলামেলা ব্যাখ্যা দেন উদ্যোক্তা কবি লিয়াকত আলী। বৃহত্তর চট্টগ্রামের সাবেক এমপি তিনি। সাহিত্য চর্চার শুরু তারুণ্যেই। বললেন, রাজনীতি এখন চাঁদা, লেনদেন আর পেশীশক্তিমুখী। বরং সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় শুদ্ধতা ও প্রশান্তি অনেক বেশি। চলমান আয়োজন বিষয়ে বলেন, পরিবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সবার জন্যে তৃপ্তিকর মধ্যাহ্ন ভোজের ব্যবস্থা করেছে। স্ত্রী সানোয়ারা সাহিত্য ভালোবাসে, সাহিত্যিকদেরও। সন্তান সজনী-রজনী-যামিনী বা জামাতারাও সংস্কৃতিসেবী। স্বরচিত কবিতা পাঠের আগে লিয়াকত আলী বললেন, আমার লেখা আমি লিখছি। কিন্তু লেখককে একা থাকলে চলবে না। দলবদ্ধ হতে হবে।অনুষ্ঠান সঞ্চালনার ফাঁকে ফাঁকে চার দশকের সাহিত্য চর্চার নানাদিক মেলে ধরেন কবি-কথাকার সালেম সুলেরী। দর্শক নন্দিত কবিতা-ছড়া এবং নিজের লেখা গানও পরিবেশন করেন। কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে যৌথগ্রন্থের একমাত্র লেখক তিনি। জানালেন ১৩ নভেম্বর হুমায়ূন জন্মতিথিতে বেরুচ্ছে নতুন বই। থাকছে হুমায়ূন স্মৃতিমালার অজানা অনেক তথ্য।

alt
সাহিত্য আসরে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত আবৃত্তি শিল্পী স্থপতি কাজী আরিফ। বললেন, সাহিত্য সংস্কৃতির একটি শাখা হচ্ছে আবৃত্তি বা বাচিক শিল্প। এই শিল্পের হাত ধরে আমি অনেক পরিচিতি, সম্মান বা মর্যাদা পেয়েছি। ব্যক্তিজীবনে আমার লেখাপড়া প্রকৌশল বিদ্যায়। সাহিত্য বিষয়ে আমি কবি সালেম সুলেরী বা ফকির ইলিয়াসদের মতো পড়াশোনা করতে পারিনি। তবে কাজটুকু শিখেছি। বিজ্ঞ বেলাল বেগদের মতো গুরুদের দীক্ষা পেয়েছি। লেখকদের ভালোবাসা আর দর্শক-শ্রোতাদের আগ্রহ আমার অন্যতম পুঁজি। এখনও উত্তরণ ঘটানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। তিনি আবৃত্তি জীবনে নানা অভিজ্ঞতার স্মৃতিচিত্র মেলে ধরেন।
অনুষ্ঠান সমাপণীতে প্রাণবন্ত বক্তব্য রাখেন টিভির কুশলী ব্যক্তিত্ব বেলাল বেগ। বলেন, হাজার বছর ধরে ‘বেঙ্গল’ ছিলো পৃথিবীর সচেতন মানুষের কাছে এক বিস্ময়। ইউরোপ তাই বেঙ্গল দর্শনে উদ্যোগী ছিলো। কলম্বাসও চেয়েছিলেন বেঙ্গলকে দেখতে। ভুলে আমেরিকায় চলে এসেছিলেন। প্রখ্যাত পরিব্রাজক ফা ইয়েন বলেছেন, বেঙ্গলের ভাষা পাখির ডাকের মতো শোনায়। চুরি কাকে বলে জানে না। ঘরের দরোজা খোলাই থাকে। মুক্তবুদ্ধির প্রবীণ ব্যক্তিত্ব বেলাল বেগ আরও বলেন, ধর্ম ও রাজনীতি বেঙ্গলকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। উম্মাদনা উল্লাসিকতা বেড়েছে। নতুন নতুন রাষ্ট্র পেলেও প্রশান্তি পাইনি। অদূরদর্শী রাজনীতিতে ক্ষতির মাত্রা বেশি। একাত্তরের ২৫ মার্চের কালো রাতে ১০ হাজার ঘুমন্ত মানুষকে হত্যা। অথচ সংস্কৃতি প্রধান রেনেসাঁর যুগ কি চেয়েছে। ১৪০৮-এর পর নতুন ধারার কবিতায় চন্ডিদাশ কী লিখেছিলেন? সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই। মনে রাখতে হবে, সংস্কৃতি চর্চাই বাঙালির জীবনের প্রধান অঙ্গ।
বসন্তকালীন সাহিত্য আসরে অনুষ্ঠান সভাপতি বেলাল বেগও পদ্য পাঠ করেন। উদ্বোধক-সঞ্চালক কবি সালেম সুলেরীও ‘অনুষ্ঠান-মন্ত্র’ শোনান নিজস্ব পদ্যে : ‘বসুধা আমার বহু সন্তানে, বহু মত, বহু নাÑ/ পৃথিবীটা হোক সংস্কৃতির বিশুদ্ধ এক মা’। অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে এখানেই।


জ্যাকসন হাইটসে ট্রিপওয়ে ট্রাভেলস এর যাত্রা

রবিবার, ২৮ আগস্ট ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ : প্রবাসের সুপরিচিত প্রগতিশীল সংগঠক জাকির হোসেন বাচ্চুর তত্তাবধানে “ট্রিপওয়ে ট্রাভেলস এর যাত্রা শুরু হয়েছে জুলাই ২০১৬ থেকে। খবর বাপসনিউজ।

alt

ভ্রমণ সেবার জগতে একটি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান একশত ভাগ সীট কনফার্ম করার পর টিকেট বিক্রয় করেন বলে ট্রিপওয়ে ট্রাভেলস ’ এর প্রেসিডেন্ট জাকির হোসেন বাচ্চু ,বাপসনিউজকে জানান।

alt

৩৭-৩৮-৭৩ ষ্ট্রীট, দোতলা জ্যাকসন হাইটস, নিউইয়র্ক, এনওয়াই-১১৩৭২।ফোন ৯২৯-২৫০-৬৭৮০ এবং ইমেইল এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে। ঠিকানায় এ ট্রিপওয়ে ট্র্যাভেলস এ সুলভ মূল্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিমানের টিকেট বিক্রয় হবে।


শিরি শিশুসাহিত্য কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠাতা হাসানুরের বর্ণাঢ্য জন্মতিথি ॥ উদ্বোধনে কবি সালেম সুলেরী অবহেলিত মা-বাবারা এবার যথাযথ সম্মান পেতে পারেন

বুধবার, ২৪ আগস্ট ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,বাপসনিউজ ॥ প্রবাসের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে পিতা-মাতার প্রতি সন্তানদের অবহেলা। এই সমস্যা নিরসনে পথের সন্ধান দিয়েছেন প্রবীণ লেখক-সংগঠক হাসানুর রহমান। তাঁর প্রতিষ্ঠিত শিরি শিশুসাহিত্য কেন্দ্রও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।  শিরি শিশুসাহিত্য কেন্দ্র নিউইয়র্কের ১৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর উদ্বোধনী বক্তব্যে এ কথা বলেন বিশ্ববাতায়নের কবি-কথাকার-সাংবাদিক সালেম সুলেরী। সংগঠনের ১৮ বছর পূর্তি ও প্রতিষ্ঠাতা হাসানুর রহমানের ৭০তম জন্মতিথিতে আয়োজিতা হয় এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা। ২২ আগস্ট নিউইয়র্কের এস্টোরিয়াস্থ ক্লাব সনমে আলোচনা, সম্মাননা, কবিতাপাঠ ও সঙ্গীত সংযোজিত ছিলো বিভিন্ন পর্বে।খবর বাপসনিঊজ। সভাপতিত্ব করেন। 

alt

শিরি শিশুসাহিত্য  কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় পরিচালক ও বাপসনিউজ-এর সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শিরি শিশুসাহিত্য কেন্দ্র নিউইয়র্কের উপদেষ্টা, প্রাবন্ধিক -কবি-প্রকাশক-সংগঠক এবিএম সালেহউদ্দিন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন  সংস্কৃতিসেবী ও আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার প্রতিষ্টিাতা সম্পাদক এমএ সালাম, দৈনিক যুগান্তরের সাবেক সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, কবি ড. মাহবুব হাসান, টাইম টিভির কর্ণধার ও বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আবু তাহের, খ্যতিমান সুরকার-গীতিকার নাদিম আহমেদ, আইটি বিশেষজ্ঞ এবং প্রয়াত লেখক দম্পতি ‘তালিম হোসেন ও মাফরুহা চৌধুরী’র পুত্র শাহরিয়ার চৌধুরী শাহীন।

alt
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিরি শিশুসাহিত্য কেন্দ্রের পরিচিতি তুলে ধরেন শিরি শিশুসাহিত্য কেন্দ্র নিউইয়র্কেও পরিচালক কণ্ঠশিল্পী বিউটি দাশ। লেখক-সংগঠক হাসানুর রহমানের কর্মবহুল জীবনের বিবরণ উপস্থাপন করেন বিটিভি’র সাবেক জনপ্রিয় উপস্থাপক, প্রবাসের সুপরিচিত শিক্ষাবিদ, কবি লেখক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠক টিভি ব্যক্তিত শাহরিন খালেস লিটা (শাহরিন লিটা) । কেক কাটার পর্বটি সমন্বয় করেন হাসানুর রহমানের পতœী কণ্ঠশিল্পী পারভিন রহমান। অতঃপর ফুল ও উপহার দিয়ে অনুষ্ঠানের মধ্যমণি হাসানুর রহমানকে কবি-লেখক-শিল্পী-নিকটজন-শুভান্যুধ্যয়ীরা বরণ করতে থাকেন। প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে কবি-পতœী পারভিন রহমান অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করেন। কবিতার ভাষায় বলেন, রিক্ত আমি সিক্ত আমি, দেবার কিছু নাই, / আছে শুধুই ভালোবাসা, এবার দিলাম তাই।

alt
প্রায় ১০ জন ব্যক্তিত্ব শিরি শিশুসাহিত্য কেন্দ্র ও হাসানুর রহমানের জন্মতিথিতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয়ের সোসিওলজী বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপিকা ড. মাহমুদা ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব নজরুল ইসলাম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ-এর সভাপতি সৈয়দ মিজারনুর রহমান, লেখকদের সংগঠন স্বদেশ ফোরাম-এর সভাপতি কবি অবিনাশ আচার্য, প্রফেসর সুরাইয়া শেখ, শিরি শিশুসাহিত্য কেন্দ্রে নিউইয়র্কের প্রধান উপদেষ্টা আবু চৌধুরী, আইটি বিশেষজ্ঞ ও কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আনোয়ার সোবহানী, প্রবাসের সুপরিচিত সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার জারিফ আশরাফ , ডোরা চৌধুরী, লেখিকাÑসাংবাদিক আম্বিয়া বেগম অন্তরা এবং কবিপুত্রদ্বয় কণ্ঠশিল্পী রাজীব রহমান ও প্রকৌশলী আশিক রহমান প্রমুখ।

alt
হাসানুর রহমানকে নিবেদিত কবিতা পাঠে অংশ নেন বিশিষ্ট কবি জুলি রহমান, শামীম আরা আফিয়া, জেরিন মায়শা এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালক কবি প্রাবন্ধিক এবিএম সালেহউদ্দিন। সঙ্গীত পরিবেশনে ছিলেন রাজীব রহমান, বিউটি দাশ, নাঈম ও তুষার। বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ও নিউইয়র্কে কর্মরত কনসাল জেনারেল শামীম আহসান।

alt
অনুষ্ঠান উদ্বোধক কবি-কথাকার সালেম সুলেরী শিরি সংগঠন ও হাসানুর রহমান বিষয়ে দীর্ঘ আলোকপাত করেন। বলেন, আড়াই বছরে শিরি নামের মা’কে হারিয়েছিলেন শিশু হাসান। একটি মানুষের বেড়ে ওঠার নেপথ্যে মায়ের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভূমিকাই মুখ্য। অথচ এই মা বা বাবা পরবর্তীতে অনেক সন্তানের নিকট থেকে পান অনাদর, অবহেলা। কিন্তু ম’ায়ের প্রতি দায়িত্বশীলতা একান্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। মায়ের নামে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে হাসানুর রহমান মাতৃপ্রেমের আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। প্রবাস উপযোগী কর্মসূচিও দিয়েছেন শিরি শিশসাহিত্য সংগঠনের মাধ্যমে।

alt
কবি সালেম সুলেরী স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি সৌভাগ্যবান। ২০১৪ সালে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে শিরি সংগঠনের বিশাল উৎসবে উদ্বোধক ছিলাম। তৎকালীন সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রয়াত সৈয়দ মহসীন আলী ছিলেন প্রধান অতিথি। সভাপতিত্ব করেন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক-সাংবাদিক-সংগঠক রফিকুল হক দাদুভাই। ঐদিন ‘শিরি সে এক মা’ কাব্য সংকলণের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সেটি সম্পাদনা করেছিলেন আজকের অনুষ্ঠানের সভাপতি সিনিয়র হাকিকুল ইসলাম খোকন। বাড পাবলিকেশন্সের পক্ষে প্রকাশক ছিলেন আজকের সঞ্চালক এবিএম সালেহউদ্দিন। আর কাব্যসংকলণটির প্রধান অনুপ্রেরনাদাতা ছিলেন মাতৃপ্রেমিক ব্যক্তিত্ব হাসানুর রহমান।উল্লেখ্য, অনুষ্ঠান উদ্বোধক কবি সালেম সুলেরী বক্তব্যের শুরু ও সমাপণীতে নিবেদিত কবিতা পাঠ করেন।

alt
শিশুসাহিত্যিক-সংগঠক হাসানুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৬ সালে। তখন বৃটিশ শাসনকাল। ১৯৪৭-এর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। প্রসঙ্গক্রমে কবি সালেম সুলেরী পদ্যে লিখেছেন : বিশাল ভাগ্যবান / যিনি, এক মাটিতেই এক জনমেই তিন পতাকা পান, / স্বদেশ-প্রবাস প্রিয় পুরুষÑ হাসানুর রহমান, তিনি সত্যি ভাগ্যবান।

alt
আয়োজনের মধ্যমণি কবি-সংগঠক হাসানুর রহমান সকলকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, মায়ের নামে স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠার মতো অর্থনৈতিক অতি-স্বচ্ছলতা আমার ছিলো না। তাই আদর্শভিত্তিক সামাজিক সংগঠন করেছি। ১৯৯২-এর ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত সে উদ্যোগ বৃথা যায়নি। ৭০তম জন্মদিন প্রসঙ্গে বলেন ১৩টি বই লিখে সময়কে কাজে লাগিয়েছি। আরও কিছু বই লেখার বাকি আছে। সকলের কাছে দোয়া চাই যেন আরও কিছু লিখে যেতে পারি।অনুষ্ঠান সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন বলেন, উদ্বোধক, সম্মানিত অতিথি ও আলোচকবৃন্দ বক্তব্য রেখেছেন হৃদয় দিয়ে। সবার হৃদয়ের ভালোবাসাই আমাদের চলার পাথেয়।

alt
সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


এপিসিবাঅ’র জাতীয় শোক দিবস উদযাপন

মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজঃ আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন এর উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদার সাথে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদৎ বার্ষিকী ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়। খবর বাপসনিউজ।এ দিন সকাল ১১টায় সংগঠনের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদের নেত্বত্বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

Picture

অপরাহ্ন ২টায় নিউইয়র্কের কুইন্সের একটি রেষ্টুরেন্টে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন-এর সভাপতিত্ত্বে ও সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদের পরিচালনায়-অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ সম্পাদক এমএ করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম,যুক্তরাষ্ট্রস্থ সোহরাওয়ার্দী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি প্রবীন শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান। বক্তব্য রাখেন ক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আবু সাঈদ রতন এবং কোষাধ্যক্ষ ও লেখক খালেদ শরফুদ্দিন।

alt

আলোচনা সভায় বক্তারা জাতির পিতার বর্ণাঢ্য জীবন ও অর্জন সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ’সোনার বাংলা’ গড়ার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে সমবেতভাবে কাজ করে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার আহবান জানান।সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


আওয়ামী লীগনেতা এমএ করিমের ঢাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ

রবিবার, ২১ আগস্ট ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি এবং বাংলাদেশ আমেরিকা ফ্রেন্ডশীপ সোসাইটির সভাপতি এমএ করিম এক সপ্তাহের যুক্তরাষ্ট্রের শুভেচ্ছা সফর শেষে গত ২০ আগষ্ট শনিবার সকাল ১১টায় এ্যামিরাত এয়ারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন।খবর বাপসনিঊজ।

Picture

এ সময় আওয়ামী লীগনেতা এমএ করিমকে নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তজার্তিক বিমান বন্দরে বিদায় অভ্যার্থনা জ্ঞাপন করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, উপ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক ও প্রবাসী কামাল উদ্দিন সহ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং  সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।উল্লেখ্য, এমএ করিম গত ১৪ আগষ্ট শনিবার ঢাকা থেকে নিউইয়র্কে এসেছিলেন। তিনি গত ১৫ আগষ্ট জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনসুলেট এবং যুক্তরাষ্ট আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

alt

এছাড়াও আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন, বাপসনিউজ, যুক্তরাষ্ট্রস্থ সোহরাওয়ার্দী স্মৃতি পরিষদ, বঙ্গবন্ধু প্রচারকেন্দ্র সমাজকল্যান পরিষদ, বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদসহ প্রবাসের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচীতে সম্মানীত অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন।


নিউইয়কে ২১ শে আগস্ট বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় শহীদদের স্মরণে যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগ

রবিবার, ২১ আগস্ট ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, মো:নাসির, ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, বাপসনিঊজ: নিউইয়কে ২১ শে আগস্ট বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় শহীদদের স্মরণে যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুস্ঠিত হয ।নিউইযকে জ্যাকসন হাইটসে মেজবান রেস্টুরেন্টে গত ২০শে আগ্সট রোজ শনিবার সন্ধা ৮ টায় । উক্ত দোয় মাহফিল ও আলোচনা সভায সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাস্ট্র আওযামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও সভা পরিচলনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ । সভায বক্তারা ২১ শে  আগস্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন তবে ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন  ..... ২১ শে আগস্ট, ইতিহাসের তেমনি এক বিভীষিকাময় দিন। সাল ২০০৪। দেশে তখন চলছে জামায়াত-বিএনপি জোট সরকারের অপশাসন। তাদের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় দেশজুড়ে বিস্তৃত হচ্ছিল ঘৃণ্য জঙ্গীবাদ। কোথাও কোথাও প্রশাসনের সমান্তরালে তখন জঙ্গী শাসন শুরু হয়ে গিয়েছিল সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে।
alt
২০০৪ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউতে জননেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় বোমা ও গ্রেনেড হামলা করা হয়। এতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ নেতাকর্মী নিহত হন এবং গুরুতর আহত হন দুই শতাধিক নেতাকর্মী। বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ সেদিন রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল। হতাহত নেতাকর্মীদের আর্তনাদ ও বাঁচানোর আকুতিতে সৃষ্টি হয়েছিল এক হƒদয়বিদারক দৃশ্যের। দলীয় সভানেত্রীকে বাঁচানোর জন্য ট্রাকের ওপর মানববর্ম রচনা করেছিলেন আওয়ামী লীগের নেতারা। সেদিনের গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত আইভী রহমান ৫৮ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে মারা যান ২৪ আগস্ট। ওই দিন নিহত হন মোস্তাক আহমেদ সেন্টু, ল্যান্স কর্পোরাল (অব) মাহবুবুর রশীদ, রফিকুল ইসলাম আদা চাচা, সুফিয়া বেগম, হাসিনা মমতাজ রীনা, লিটন মুন্সী ওরফে লিটু, রতন সিকদার, মোঃ হানিফ ওরফে মুক্তিযোদ্ধা হানিফ, মামুন মৃধা, বেলাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম, আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারী, আতিক সরকার, নাসিরউদ্দিন সর্দার, রেজিয়া বেগম, আবুল কাশেম, জাহেদ আলী, মমিন আলী, শামসুদ্দীন, আবুল কালাম আজাদ, ইছহাক মিয়া এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরো দুজন। হামলায় আহতের মধ্যে ছিলেন জিল্লুর রহমান, আমির হোসেন আমু, আবদুর রাজ্জাক, মোঃ হানিফ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, কাজী জাফরউল্লাহ, ওবায়দুল কাদের, ড. হাছান মাহমুদ, আব্দুর রহমান, আখতারুজ্জামান, এ্যাডভোকেট রহমত আলীসহ পাঁচ শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে অনেকে কিছুটা সুস্থ হলেও পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে বেঁচে থাকতে হচ্ছে অনেককে। সেদিনের সেই দুঃসহ স্মৃতি প্রতিনিয়ত তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাদের। সেই দুঃস্বপ্নের দিন আজ, ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার একাদশ বার্ষিকী।
alt
সেদিনের ঘটনাপঞ্জির দিকে তাকানো যাক। মিছিল উপলক্ষে বিকেল ৪টা থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষে ভরে ওঠে বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ। ৫টার দিকে বুলেট প্রুফ গাড়িতে করে সমাবেশস্থলে পৌঁছান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। বক্তৃতায় তিনি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং দেশব্যাপী বোমা হামলা বন্ধে সরকারকে হুঁশিয়ার করেন। প্রায় ২০ মিনিট বক্তৃতা শেষে সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল শুরুর ঘোষণা দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে শুরু হয় গ্রেনেড হামলা। পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এরপর শেখ হাসিনার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। নিক্ষিপ্ত গ্রেনেডগুলোর মধ্যে তিনটি অবিস্ফোরিত থেকে যায়। শত শত মানুষের আর্তচিৎকার, ছড়িয়ে থাকা ছিন্নভিন্ন দেহ, রক্ত আর পোড়া গন্ধ, সব মিলিয়ে বীভৎস অবস্থার সৃষ্টি হয় পুরো এলাকায়। আহতদের সাহায্য করার বদলে বিক্ষুব্ধ এবং আহত মানুষের ওপর বেপরোয়া লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে তৎকালীন সরকারের পুলিশ। মুহূর্তের মধ্যে দোকানপাট ও যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আতঙ্কে এলাকা ছেড়ে পালাতে শুরু করে সবাই।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাণনাশের উদ্দেশ্যেই গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। অথচ বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সংঘটিত এ হত্যাকা- নিয়ে সেদিন সংসদে কোন শোক প্রস্তাবও তুলতে পারেনি আওয়ামী লীগ। শোক প্রস্তাব তুলতেই দেয়া হয়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে পরিচালিত সেদিনের সেই গ্রেনেড হামলায় যে চারদলীয় জোটের ইন্ধন ছিল তা আজ অনেকটাই প্রমাণিত সত্য। আর, সে কারণেই সেদিন জোট সরকার গ্রেনেড হামলার বিষয়টি এড়িয়ে যেতে নানা কৌশলের আশ্রয় নিয়েছিল। সিআইডিকে দিয়ে সাজানো হয়েছিল জজ মিয়া প্রহসন।বর্বর এ হত্যাকার ঘটনা মনে হলে আজও গা শিউরে ওঠে। কোন গণতান্ত্রিক, স্বাধীন ও সভ্য দেশে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিতে প্রকাশ্য দিবালোকে জনসভায় এমন বর্বরোচিত ঘটনা ঘটতে পারে, তা ভাবনারও অতীত। গ্রেনেড হামলার ঘটনার পর এলাকায় নিয়োজিত পুলিশ হামলাকারীদের আটক করার ব্যাপারে কোন চেষ্টা কি করেছিল? এ প্রশ্নের মীমাংসা আজও হয়নি। গ্রেনেড হামলার পর দ্রুত ঘটনার আলামত নষ্ট করে ফেলা হয়েছিল। এত বড় একটি হত্যাকা- চারদলীয় জোটের অনেক নেতা শোক প্রকাশের বদলে হামলার জন্য আওয়ামী লীগকেই দায়ী করে বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়েছিলেন। বিরোধীদলীয় নেতার জনসভায় এ রকম পৈশাচিক হামলার পরও দুঃখ প্রকাশ কিংবা লজ্জিত হওয়া তো দূরে থাক, আমাদের নষ্ট রাজনীতির নির্লজ্জ ঐতিহ্য ধরে তৎকালীন সরকারী দলীয় নেতৃত্ব হামলার জন্য উল্টো আওয়ামী লীগকেই দোষারোপ করে। মামলার তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার নানা চেষ্টা করা হয়।
alt
বিগত জোট সরকারের সময় তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে এ দেশে জঙ্গীবাদ ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছিল, এ সত্য আজ আর অস্বীকার করা যাবে না। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানী ঢাকার এক জনাকীর্ণ স্থানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জনসভায় যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটানো হয়েছিল, সেটি যে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী এক ঘৃণ্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নীলনক্সা ছিল তাও এখন সবার কাছে দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির জনককে হত্যার মধ্য দিয়ে একটি চিহ্নিত অপশক্তি দেশ-জাতিকে উল্টোপথে ঠেলে দিতে চেয়েছিল, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের ঘটনা এরই ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। অবশ্য এর আগেও এমন অপচেষ্টা ওরা করেছিল কোটালীপাড়ায় জননেত্রী শেখ হাসিনার জনসভাস্থলে বোমা পুঁতে রেখে।২১ আগস্টের ঘটনার সময় যে দল বা জোট ক্ষমতায় ছিল, তারা সে হামলার ঘটনার কোন বিচার করেনি। সেই ২৪ জনের হত্যার বিচার করেনি তৎকালীন সরকার। তদন্তের ভান করেছিল। ইন্টারপোলের সাহায্য নেয়ার কথা বলা হয়েছিল। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাহায্য নেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপর চুপচাপ ছিল সেদিনের সরকার। এতেই স্পষ্ট হয় এই গ্রেনেড হামলার পেছনে তৎকালীন জোট সরকারের হাত ছিল। জঙ্গী-জামায়াতবেষ্টিত সরকার চেয়েছিল বাংলাদেশ থেকে প্রগতিশীলতার ধারা মুছে ফেলতে। চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি চিরতরে নির্বাসনে পাঠাতে। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। সত্যের জয় কোন কিছুতেই ঠেকিয়ে রাখা যায়নি।

alt
আগস্ট বাঙালীর শোকের মাস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।২০০৫ সালে দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে বোমা হামলা হয়েছে। বাংলার মানুষ কিন্তু নতুন করে জেগে উঠেছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিয়েছে প্রগতিশীলতার পক্ষে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপির জঙ্গী জোট নির্বাচনে অংশ নেয়ারই সাহস পায়নি। এভাবেই মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। ২১ আগস্টের বিভীষিকাময় স্মৃতি মনে রেখে বাংলার মানুষ আগামীতেও অপশক্তিকে রুখে দেবে, প্রত্যাখ্যান করবে, এমন আশা করাই যায়। বাংলার ইতিহাস তো তাই বলে।            সভায আরো বক্তা ছিলেন যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি  . আক্তার হোসেন . সৈয়দ বশারত আলী. সামসুঊদ্দীল আজাদ .লুৎফর করিম .সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ . আব্দুর রহিম বাদশা .চন্দন দত্ত. গনসংযোগ সম্পাদক কাজী কয়েস .প্রবাসী সম্পাদক সোলাইমান আলী .যুব সম্পাদক মাহাবুব রহমান টুকু উপ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক কাযকরি সদস্য .সাহানারা রহমান গোলাম মওলা ।শরিফ কামরুল আলম হিরা. আব্দুল হামিদ .জহির ঊদ্দিন .খোরশেদ খন্দকার . আলী গজনবী .এস আলম বিপ্লব . আশ্রাফ মাশুক ,নিউইয়র্ক ষ্টেট .আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শাহীন আজমুল .সিটি আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ইমদাদ চৌধরী নিউ জার্সি আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শামিম আহাম্মেদ .ইস্ট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শেখ আতিক .মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শাহানাজ মমতাজ .বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের দপ্তর সম্পাদক সালেহ মুহাম্মদ টুটুল .আন্ত: সহ সম্পাদক সাখওয়াত বিশ্বাস .যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন , যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নুরুজ্জামান সরদার ,সাধারন সম্পাদক সুবল দেবনাথ .সহ সভাপতি আশরাফ উদ্দিন , সহ সভাপতি দরুদ মিয়া রনেল , স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনিসুজ্জামান সবুজ , সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট ,  জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন .  সহ সভাপতি আনিচুর রহমান .যুবলীগের প্রচার সম্পাদক গনেশ কীতনীয়া .নিউইয়র্ক ষ্টেট যুবলীগের সভাপতি জামাল হোসেন সাধারন সম্পাদক সেবুল মিয়া , ছাত্রলীগের সাবেক সাবেক সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া , ও হেলাল মিয়া প্রমুখ।সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


শিরি শিশু সাহিত্য কেন্দ্র নিউইয়র্ক শাখার ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং হাসানুর রহমানের ৭০তম জন্মদিন ২২ আগষ্ট সোমবার

রবিবার, ২১ আগস্ট ২০১৬

alt
হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজঃ প্রবীন শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমানের ৭০তম জন্মতিথি আগামী ২২ আগষ্ট সোমবার। শিশু সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শিরি শিশু সাহিত্য কেন্দ্রের নিউইয়র্ক শাখা এ উপলক্ষে ঐদিন বিকেল ৬টায় এষ্টোরিয়ার ৩৬ এভিনিউস্থ এবং ৩৬ ষ্ট্রীট ক্লাব সনমে এক মনোরম অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে।খবর বাপসনিঊজ।

alt

উক্ত অনুষ্টানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সকল কবি, শিশু সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিসেবীকে স্বাদর আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।এবং শিরি শিশু সাহিত্য কেন্দ্র নিউইয়র্ক শাখার ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীও পালিত হবে।

alt