Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি চিত্রশিল্পীদের নিয়ে আজকাল-এর গোলটেবিল বৈঠক

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ -নিউইয়র্ক:সাপ্তাহিক ‘আজকাল’ আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় বাংলাদেশের চারুশিল্পীরা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা বিশ্বের অন্য দেশগুলোর বাংলাদেশি কমিউনিটি নিজ দেশের চিত্রশিল্পীদের প্রমোট করতে এগিয়ে আসেন না। অথচ প্রবাসের ভারতীয় ও অন্যান্য দেশের মানুষেরা তাদের দেশের শিল্পীদের সহযোগিতা করে থাকেন। ছবি কিনে, ছবির প্রদর্শনীর আয়োজন করে তারা শিল্পীদের পাশে থাকেন।  গত ৩০ জুলাই নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে মেজবান রেস্টুরেন্টে ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চারুশিল্পী’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ ও প্রবাসের চারুশিল্পীরা। গোলটেবিল আলোচনায় ‘আজকাল’-এর প্রধান সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ জিকো প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পীদের চিত্রকর্ম নিয়ে আজকাল-এর উদ্যোগে একটি প্রদর্শনী আয়োজনের ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আজকাল-এর এসোসিয়েট এডিটর হাসানুজ্জামান সাকী।আলোচনায় অংশ নেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের সাবেক ডীন মতলুব আলী, চিত্রশিল্পী ও ঢাকার গ্যালারী-২১ এর পরিচালক শামীম সুবরানা, আজকাল-এর প্রধান সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ জিকো ও সম্পাদক মনজুর আহমদ, চারুশিল্পী খুরশিদ আলম সেলিম, রাগীব আহসান, মনিরুল ইসলাম, তাজুল ইমাম, শামীম বেগম, সালমা কানিজ, আর্থার আজাদ, আজিজ নঈমী, কায়সার কামাল, সৈয়দ আজিজুর রহমান তারিফ, ওয়াহিদ আজাদ, জাহেদ শরীফ, টিপু আলম, জেবুন্নেসা কামাল, কানিজ হুসনা আকবরি, রুদ্র মোহাম্মদ আয়ুধ জাহাঙ্গীর প্রমুখ।খবর বাপসনিঊজ।
আরো উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেলের স্ত্রী প্যান্ডোরা চৌধুরী, আলোকচিত্রশিল্পী ওবায়দুল্লাহ মামুন, আবৃত্তিশিল্পী মিথুন আহমেদ, সাংবাদিক রিমন ইসলাম, আজকাল-এর নির্বাহী সম্পাদক শওকত ওসমান রচি, বাণিজ্যিক প্রধান আবুবকর সিদ্দিক, আলোকচিত্রী এ হাই স্বপন প্রমুখ।

Picture
কনসাল জেনারেল শামীম আহসান বলেন, আমি মনে করি, আজকের এ গোলটেবিল কনসেপ্ট চারু শিল্পের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। চারুশিল্পে হতাশার পাশাপাশি আশাবাদের বিষয়গুলোও উঠে এসেছে। আজকের গোলটেবিলে ওঠে আসা প্রস্তাবগুলো আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনবো
মতলুব আলী বলেন, জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে ১৯৪৮ সালে চারুকলার ওপর প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। ছবি আঁকা তখন হারাম ছিল। ঘরের মধ্যেও ছবি টানানো যেত না। এখনো অনেকে আছেন যে ঘরে ছবি টানানো হলে নামাজ পড়া যাবে না বলে মনে করেন। জয়নুল আবেদীন বলেছিলেন, শিক্ষিত শিল্পী সমাজ গড়ে তুলতে হবে। মেয়েরা প্রথমদিকে চারুকলায় ভর্তি হয়নি। পরবর্তীতে শিক্ষকের সাথে তারা ক্লাসে প্রবেশ করতেন, শিক্ষকের সাথে ক্লাস থেকে বের হতেন। এখনতো শুধু মেয়েদের নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন হয়ে থাকে। এখন বাংলাদেশে শিল্পকলার আন্দোলন চলছে আন্তর্জাতিক মানের।

alt
শামীম সুবরানা বলেন, অনেকেই বলছেন বাংলাদেশের শিল্পীরা ভাল অবস্থানে নেই। আমি তাদের সাথে একমত। আমি বলবো, সঙ্গীত বা অন্যান্য অঙ্গনের চেয়ে চারুশিল্পীরা অনেক এগিয়ে আছেন। হয়তো বাজার পাচ্ছেন না।জাকারিয়া মাসুদ জিকো বলেন, কনসাল জেনারেল শামীম আহসান একজন কূটনীতিকই নয়, তিনি একজন শিল্পমনা মানুষ। তিনি শিল্পকে ধারণ করেন বলেই নারী শিল্পীদের নিয়ে নিউইয়র্কে প্রদর্শনীর আয়োজন করতে পেরেছেন। আমরা সেই সুযোগে বাংলাদেশ থেকে আসা এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী সমস্ত চারুশিল্পীদের নিয়ে গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমি আজ একটি ঘোষণা দিতে চাই। প্রবাসী বাংলাদেশি চারুশিল্পীদের শিল্পকর্ম নিয়ে আমরা আজকাল-এর পক্ষ থেকে খুব শিগগিরই একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করবো। জাকারিয়া মাসুদ এই আয়োজনে সবার সহযোগিতা চান।মনজুর আহমদ বলেন, উপমহাদেশে শিল্পচর্চা অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। বাংলাদেশ সেই উত্তরাধিকারই বহন করছে। কিন্তু বাংলাদেশকে প্রচুর প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এই চর্চাকে এগিয়ে নিতে হয়েছে। এখনও সেখানে আজ ভাস্কর্র্য শিল্প হুমকির মুখে। একটি মহল সব সময় শিল্প-সংস্কৃতির চর্চাকে পেছন দিকে টেনে নিয়ে যেতে চায়। এদের মোকাবিলা করে আমাদের শিল্পীরা সাহসের সঙ্গে শিল্পকলাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। শিল্পীরা উদার মনের ও সংস্কারমুক্ত বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। প্রতিবেশী ভারতে বা আর কোন দেশে কেউ ভাস্কর্য শিল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে এমন দৃষ্টান্ত নেই। সব কুসংস্কার দূর করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

খুরশিদ আলম সেলিম বলেন, ২০১৪ সালে বাংলাদেশের ৮ নারী এবং আমেরিকান ৮ নারীকে নিয়ে একটি চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলাম। এছাড়াও কনকচাঁপা, শারমিন সহ বেশ কয়েকজনের একক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি। নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে ৬ বছর ধরে একটি গ্যালারী পরিচালনা করে আসছি। এছাড়া গতবছর জয়নুল আবেদীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে একটি এক্সিবিশনের আয়োজন করেছিলাম। আমাদেরতো সীমাবদ্ধতা আছে। বিশ্ব পরিসরে আসতে হলে ফোকাস এবং ডেলিভারীর বিষয়টা রয়েছে।
রাগীব আহসান বলেন, আমি নিজে নিজে ছবি আঁকি। আমার কোন একাডেমিক শিক্ষা নেই। নিউইয়র্কে সব দেশের লোক থাকেন। ফলে সারা পৃথিবীতে প্রদর্শনী না করলেও চলবে। নিউইয়র্কে আয়োজন করলে সারা বিশ্বের লোকজন দেখতে পারবে। আমি মনে করি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের অবস্থান ভাল। নিজেরটা নিজেই গড়ে তুলতে হবে।
মনিরুল ইসলাম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চারুকলা থেকে পাশ করা অনেকেই কাজ করছেন। তবে বাংলাদেশের চারুকলা কতটুকু এগুচ্ছে সেটা ভাবনার বিষয়। আমি মনে করি, এ ব্যাপারে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগী হতে হবে।

alt
তাজুল ইমাম বলেন, শিল্পীদের পৃষ্ঠপোষকতা মানে তাদের শিল্পকলা কেনা। তবে অনেক শিল্পী তাদের শিল্পকর্ম ভোল্টে রেখে দেন। তারা মনে করেন যে মৃত্যুর পর এগুলোর দাম বাড়বে। পৃথিবীতে যত আর্ট মুভমেন্ট হয়েছে তার সবগুলো হয়েছে ইউরোপ থেকে। সম্প্রতি কালীদাস কর্মকারকে পারফরমেন্স আর্ট এর জন্য পুরস্কার দেয়া হয়। পারফরমেন্স আর্ট কি তা-ই জানলাম না।
গুলশান হোসেন বলেন, আমি একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়েছি। চারুকলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোন অংশে কম নয়। বাংলাদেশের শিল্পীরা ভাল কাজ করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চিত্রকলায় বাংলাদেশ একেবারেই অবহেলিত নয়। দেশের শিল্পীরা বিদেশে ভাল করছেন।
শামীম বেগম বলেন, আমি আমার বুকে চাপা থাকা কষ্টগুলো প্রকাশ করতে পারছিলাম না। সাপ্তাহিক আজকাল সে সুযোগ করে দিয়েছে। আমরা আর্টিস্টরা সবসময় প্রদর্শনীর আয়োজন করতে চাইতাম। কিন্তু আমাদের শিক্ষকরা সবসময় বাধা দিতেন। তাঁরাই শুধু প্রদর্শনীতে অংশ নিতে চাইতেন। আমি একবার চারুকলায় প্রদর্শনী করতে গিয়ে বাধাগ্রস্থ হলাম। জিদ করে রাস্তায় প্রদর্শনী করতে চেয়েছিলাম। অথচ আমি নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস মিউজিয়ামে চিত্রপ্রদর্শনী করেছি। শিক্ষকরা মনের সংকীর্ণতা দূর করতে চান না। তারা মনে করেন তারাই শিল্পী।
সালমা কানিজ বলেন, ১০ থেকে ১২ বছর আগে নিউইয়র্কের একটি রেস্টুরেন্টে আমরা একসাথে হতে পেরেছিলাম। এত বছর পর আমরা আবার একসাথে হয়েছি। এজন্য প্রথমত ১৮ নারী শিল্পীদের নিয়ে চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে ধন্যবাদ জানাই। ‘আজকাল’ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে আমাদের কথা বলার একটি প্রেক্ষাপট তৈরি করে দিয়েছে। আজকালকেও ধন্যবাদ জানাই।
আর্থার আজাদ বলেন, স্বাধীনতা উত্তর কালে বাংলাদেশে চারুকলার উন্মেষ ঘটেছে। জয়নুল আবেদীন ইউরোপে গিয়ে আধুনিক চারুকলা শিখে এসেছিলেন। পরে তিনি একটি ব্যাচের ছাত্রদেরও ইউরোপে পাঠান। সেখান থেকেই দেশে আধুনিক চারুকলার আন্দোলন শুরু হয়েছিল। দেশের বাইরে যেসব শিল্পী আছেন তারা সবাই বড় মাপের শিল্পী। তবে বাংলাদেশে সামগ্রিকভাবে শিল্পকলার সেভাবে উত্তরণ হয়নি।
আজিজ নঈমী বলেন, আমরা যারা যুক্তরাষ্ট্রে আছিÑ প্রতিবছর একটি করে চিত্রকর্ম তৈরি করতে পারি। বছরে একবার নিজেরাই একটি এক্সিবিশন করতে পারি। তাহলে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো।
কায়সার কামাল বলেন, শিল্পকলায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমরা তেমন এগুতে পারিনি। ভারতীয়রা ঠিকই এগিয়ে যাচ্ছে নিজেদের উদ্যোগে। কেন এমনটা হলো এটা ভাবতে হবে। আমাদের দূর্বলতাগুলো কি তা চিহ্নিত করতে হবে।
সৈয়দ আজিজুর রহমান তারিফ বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের কারুশিল্প কোনভাবে পরিচিত নয়। এটা খুবই বেদনার বিষয়। নিজেকে কতটুকু যোগ্য করে তুলতে পারলে আমরা আন্তর্জাতিক শিল্পকলায় নিজেদের পরিচিত করতে পারবোÑ এটাই আজকের গোলটেবিলে আমার জানার বিষয় সবার কাছে। প্রয়াত জয়নুল আবেদীন একবার প্রস্তাব রেখেছিলেন, সম্যক জ্ঞান আহরণের জন্য রাষ্ট্রদূতরা একবার হলেও চারুকলা ঘুরে যাবেন। সে প্রস্তাব আর বাস্তবায়ন হয়নি।
ওয়াহিদ আজাদ বলেন, আর্ট কলেজের পরিবেশ একটি ফ্যামিলির মত। আমরা যারা সদস্য ছিলাম ফ্যামিলির মত চলেছি। আজকে নিউইয়র্কে সাপ্তাহিক আজকাল-এর উদ্যোগে আমরা অনেকেই একসাথে হতে পেরেছি। এটা আমাদের জন্য ভীষণ আনন্দের।
জাহেদ শরীফ বলেন, আমাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোনো প্রমোটার নেই। তবে সেলিম ভাই, সুবরানা আপা আছেন। এদের মতো আরো অনেককে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের চারুশিল্পীদের মেধার অভাব নেই। এখন শুধু দরকার একটু পৃষ্ঠপোষকতা, দরকার সহযোগিতার হাত প্রসারিত করা।
টিপু আলম বলেন, নিউইয়র্ক এমন একটি জায়গা যা কমিউনিটি বেইজড। চাইনিজরা চাইনিজদের, ভারতীয়রা ভারতীয় শিল্পীদের চিত্রকর্ম কিনে প্রমোট করে। বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তা হয় না। আমাদের কেউ প্রমোট করে না।

alt
জেবুন্নেসা কামাল বলেন, কয়েকদিন আগে নিউইয়র্কে নারী চিত্রশিল্পীদের আঁকা ছবি প্রদর্শনীর উদ্বোধন হয়েছে। সবাই আমাদের সহযোগিতা করেছেন। সবাই যদি আমরা এক থাকতে পারি আমরা এগিয়ে যেতে পারবো। আমরা আমাদের কর্মে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করছি। তাই সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে আমাদের পৃষ্ঠপোষকতায়।
কানিজ হুসনা আকবরি বলেন, বাংলাদেশ থেকে নাচ-গানের শিল্পীরা আসেন যুক্তরাষ্ট্রে। অভিনয়শিল্পীরা আসেন। কেবল চিত্রশিল্পীরা আসেন না। আমি মনে করি, সব সরকার করে দিবে না। আমেরিকা, জার্মান বা ফ্রান্সে আমাদের যারা ডাক্তার আছেন তারা সবাই স্বচ্ছল। তাদের বাসায় গিয়ে দেখেন কয়টা পেইন্টিং আছে।
রুদ্র মোহাম্মদ আয়ুধ জাহাঙ্গীর বলেন, কেউ কিছু করে দেবে এ আশা না করে নিজেদেরই করা উচিত। আমরা যারা আছি নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করতে পারি। বাংলাদেশি ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বা ধনী ব্যক্তিদের বাড়িতে একটি শিল্পকর্মও নেই। কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী ভারতসহ অন্যান্য দেশের অধিবাসীদের বাসায় গিয়ে দেখেন তাদের বাসায় কিন্তু শিল্পকর্ম শোভা পাচ্ছে।
আজকাল-এর এসেসিয়েট এডিটর হাসানুজ্জামান সাকী বলেন, আমি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমার ভাল লাগার কথা বলতে পারি। আমি যখন মসজিদে যাই আমার শান্তি শান্তি লাগে। মন্দির-গির্জায় গেলেও শান্তি লাগে। তেমনি চিত্রকলা দেখলে, কোনো গ্যালারীতে গেলে আমার শান্তি শান্তি লাগে। চিত্রকলা আমাকে শান্তি দেয়।


ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যকরী পরিষদের যৌথসভার সিদ্ধান্ত আরো ৩০০ কবর কিনবে বাংলাদেশ সোসাইটি

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপ্সনিউজ:নিউইয়র্ক ঃ বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যকরী কমিটির যৌথসভায় সোসাইটির জন্য আরো ৩০০ কবর কিনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় কমিউনিটি সেন্টার গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই প্রবাসে একটি কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা। আর সেই দাবির বাস্তবায়নে সকল প্রবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যকরী পরিষদ সক্রিয় ভূমিকা পালনের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।সভায় ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা সোসাইটিকে আরো গতিশীল করতে সকলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও মতামত তুলে ধরেন।সভায় বিভিন্ন সিদ্ধান্তের মধ্য দিন দিন কমিউনিটি বড় হওয়ার কারনে বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি কবরের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে ক্রমাগত ভাবে তা পূরণে সোসাইটি আরো ৩০০ কবর কিনার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এছাড়া সভায় আগামি ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় সোসাইটির অফিসে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।


স্থানীয় সময় শনিবার বিকালে বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত যৌথসভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান, দুই বারের সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম. আজিজ। পরিচালনা করেন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক  রুহুল আমিন সিদ্দিকী। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক এম কে জামান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম ভূঁইয়া, সাহিত্য সম্পাদক নাসির উদ্দিন, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক আহসান হাবিব, কার্যকরী সদস্য ফারহানা চৌধুরী, মঈনুল উদ্দিন মাহবুব, আজাদ বাকির, সাদী মিন্টু ও আবুল কাশেম চৌধুরী।

alt
ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শরাফ সরকার, আলী ইমাম শিকদার,কাজী আজহারুল হক মিলন, প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন, মফিজুর রহমান, ওয়াসি চৌধুরী, এমদাদুল হক কামাল, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল ।সভায় বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠাকল্পে নিজস্ব ভবন ক্রয়ের ওপর আবারও গুরুত্বারোপ করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম. আজিজ বলেন, প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি নিজস্ব কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা। আর সেই লক্ষ্য পূরণে আমরা যে উদ্যোগ নিয়েছি তা বাস্তবায়নে আমাদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ বলেন, আমরা ট্রাস্টি বোর্ডের পরামর্শে কাজ করে যাবো। সবার সহযোগিতা পেলে বর্তমান কমিটির মেয়াদেই বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠাসহ প্রবাসীদের কল্যাণে আরো অনেক কাজ করতে পারবো ইনশআল্লাহ।


বৃন্দাবন কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশনের জমজমাট শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধে বাল্টিমোরের প্রতিরোধ সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: বিপুল উপস্থিতি ও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে বৃন্দাবন কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশনের বাৎসরিক শিক্ষা সফর ওয়াশিংটন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী শিক্ষা সফরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শনের পাশাপাশি যাত্রা পথে বাল্টিমোর বন্দর অতিক্রম করার সময়ে ’৭১ সালে বাংলাদের্শে মুক্তিকামী মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে অস্ত্র বোঝাইরত জাহাজ পদ্মাকে প্রতিরোধযোদ্ধা রিচার্ড টেইলারসহ শান্তিবাদী বাল্টিমোরের বাসিন্দাদের প্রতি চলন্তবাসে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সম্মান জানানো হয়। অর্ধশতাধিক অংশগ্রহণকারীদের প্রশংসা ও শতস্ফুর্ততা সবাইকে মুগ্ধ করে।

এতে ওয়াশিংটন ডিসির ঐতিহাসিক কেপিট্যাল হিল, হোয়াইট হাউজ, লিংকন মেমোরিয়াল, ওয়াশিংটন মনুমেন্ট, এয়ারফেইজ মিউজিয়াম, ভয়েজ অব আমেরিকা, ট্রেজারী সদর দফতর, এফবিআই সদর দফতর, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভবন, ইন্টারন্যাশনাল প্রেস মিউজিয়াম, ইন্টান্যাশনাল ট্রাম্প হোটেল ভবন পরিদর্শন, শিক্ষা সফর শেষে নিউইয়র্কে আসার পথে বৃন্দাবন সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উপস্থিত থেকে ইব্রাহিম খলিল রিজুর সভাপতিত্বে জায়েদুল মুহিত খান এর পরিচালনায় স্মৃতিচারন করেন  মুজাহিদ আনসারী, ড. ফখরুল ইসলাম শাহীন, সৈয়দ মুজিবুর রহমান ইকবাল, শাহ মোহাম্মদ সাদেক মিয়া,  ফরিদ উদ্দিন,  মোশাহিদ আলী, 

alt

আলমগীর মিয়া, নাজিমুদ্দিন, প্রফেসর আব্দুল মালেক, প্রফেসর আব্দুর রহমান, প্রভাষক ইকবাল আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, জহুর আলী,  আবদুল ওয়াহেদ,  শিমুল হাসান, মীর আবুল বাশার সোহেল, বদরুল আলম শাহীন, গফফার চৌধুরী, এবাদুল হক, সৈয়দ জয়নাল আবেদীন, মীর মামুন, ফয়সল আমীন সুমন, দেওয়ান মোতাচ্ছির মন্জু, মোস্তফা কামাল সংরাম, খাজী মাহমুদ, বিষ্ণু সরকার, সৈয়দ আরিফুর রহমান মাসুম স্মৃতিচারন মূলক বক্তব্য রাখেন।

alt

মোস্তফা কামাল সংগ্রামের সংগীত পরিবেশনায় ফিরতি পথে বাসের মধ্যে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পর্যায়ক্রমে অধ্যাপিকা ইয়াসমিন চৌধুরী কবিতা আবৃত্তি করেন এবং সকলের উদ্দেশ্যে কৌতুক পরিবেশন করেন শিমুল হাসান, মিয়া মোঃ আসকিরের পরিচালনায় র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। পরে র‌্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।


কিশোরগঞ্জ ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশন ইঊএসএ চডুই ভাতি- পিকনিক ২০ আগষ্ট রবিবার

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:আগামী ২০ আগষ্ট রবিবার প্রবাসের অন্যতম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন  কিশোরগঞ্জ ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশন ইঊএসএর চডুই ভাতি-পিকনিক  অনুষ্ঠিত হবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে লীলাভুমি   নিউইয়র্কের হেকশেয়ার ষ্টেট পার্কে । খবর বাপসনিঊজ।


কিশোরগঞ্জ ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশন ইঊএসএ –এর পিকনিক সম্পন্ন করার লক্ষ্যে  শহীদুল হাসানকে আহবায়ক  আঃ রাজ্জাক ও আলী আহসান আকন্দ শামীমকে যুগ্ম আহবায়ক এবং জাবির হোসেন তাকবীরকে সদস্য সচিব করে এগারজনের পিকনিক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন  নূরুল ইসলাম খান, জয়ন্ত শর্মা বিশ^, আনোয়ার উদ্দিন খান, মোঃ এনামুল হক, মহিবুর রশিদ সুজন, হুমায়ুন কবীর ও আঃ আলীম। পিকনিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে হেলাল উদ্দিন আহমেদ এবং সমন্বয়কারী  জাইদুল কবীর খান সারোয়ার।
 alt
সকল প্রবাসীদের স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ ডিষ্ট্রিক্ট এসোসিয়েশন ইঊএসএ-এর  আহবায়ক  আবদুল আওয়াল সিদ্দিকী, সদস্য একেএম. আশরাফুল হক, হেলাল উদ্দিন আহমেদ, সাবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, জাইদুল কবীর খান সারোয়ার এবং পিকনিক কমিটির আহবায়ক শহীদুল হাসান , যুগ্ম আহবায়ক আঃ রাজ্জাক  যুগ্ম আহবায়ক আলী আহসান আকন্দ শামীম, সদস্য সচিব জাবির হোসেন তাকবীর ,সদস্য   নূরুল ইসলাম খান, জয়ন্ত শর্মা বিশ^, আনোয়ার উদ্দিন খান, এনামুল হক, মহিবুর রশিদ সুজন, হুমায়ুন কবীর ও আঃ আলীম। পিকনিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে হেলাল উদ্দিন আহমেদ এবং সমন্বয়কারী  জাইদুল কবীর খান সারোয়ার। যোগাযোগ ৯১৭-৬৫১-৫৭২৩,৩৪৭-৮৩৭-২১২৯,৬৪৬-২২০-০৫২৭,৬৪৬-৬৭১-৯২৪৮,৬৪৬-৭২৮-৬৪৯৫,৬৪৬-৫২৫-০৯১২,৭১৮-৪১৮-১৯৮০,৯১৭-৫০১,৯১৭-৫১৯-১৭৭০ ও ৯১৭-৩৬২-৩৮৭২।


পাবনা সমিতি আমেরিকা-এর বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : প্রবাসের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন বৃহত্তর  পাবনা সমিতি আমেরিকা-এর বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গত ৬ই আগষ্ট আগ রবিবার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমি পেনসিলভেনিয়ার প্রমিস ল্যান্ড ষ্ট্রেট পার্কে। ৫পাঁচটি বাস ও ৪০ টি ব্যাক্তিগত গাড়িতে প্রায় চার শতাধিক পাবনা বাসীর উপস্থিতিতে আব্দুল হাদি রানার সভাপতিত্বে ও সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওহিদুজ্জামান লিটন এর পরিচালনায় আনন্দ ঘন পরিবেশে প্রতিবারের মতো এবারও পাবনা সমিতি আমেরিক-এর বনভোজন সম্পন্ন হলো!সকাল ৮ টায় পার্কের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ১০:৩০ মিনিটে পার্কে পৌছায়। এরপর বনভোজনের যাবতীয় কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা হাজী আব্দুল আউয়াল, এই সময় উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট মোহাম্মদ আলী, জেম্স হোসাইন, মামুন, হীরা, সমিতির  সভাপতি আব্দুল হাদী রানা ও সাধারণ সম্পাদক ওহিদুজ্জামান লিটন।


প্রথমে সকলকে জুস, পরাটা, ভার্জি এবং কোমল পানীয় দিয়ে সকালের নাস্তা পরিবেশণ করা হয়। এতে সহযোগিতা করেন নিউজার্সী থেকে আগত পাবনার সন্তান হীরা, শাহীন, বাচ্চু, বকুল। এর পর শুরু হয় ছোটদের নিয়ে খেলাধুলার পর্ব। খেলাধুলার পর্বটি পরিচালনা করেন জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া এতে সহযোগিতা করেন পেনসিলভেনিয়া থেকে আগত শাহীন ও সাইদ। বিচারক হিসেবে ছিলেন আলহাজ্ব হায়দার আলী ও মহিউদ্দিন। এরপর মেয়েদের বালিশ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রথম স্থান অধিকার করে সুজানগরের মানিকহাটের মেয়ে শাম্মী এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন নুরুন নাহার। অন্যান্য খেলাধুলার মধ্যে ছিল ছোটদের বালক ১০০ মিটার দৌড়, বালিকাদের ১০০ মিটার দৌড়, ফুটবল, লুডু ও কেরাম।এরপর দুপুরের খাবার পরিবেশণ করা হয়। খাবার পরিচালনা করেন সভাপতি আব্দুল হাদি রানা, সহযোগিতা করেন শাহীন, সাইদ, খন্দকার আসিফ সাদী ও মহিউদ্দিন।


এরপর শুরু হয় পুরস্কার বিতরণী ও র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওহিদুজ্জামান লিটন, সহযোগিতা করেন আকাশ রহমান, শাহীন ও জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া। র‌্যাফেল ড্রর এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার হিসেবে ছিল ডায়মন্ড রিং, দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ছিল ল্যাপটপ, তৃতীয় পুরস্কার টিভিসহ মোট ১০টি পুরস্কার।


বনভোজন অনুষ্ঠানটি সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা হাজি আব্দুল আউয়াল ! এতে উপস্থিত ছিলেন সমিতির দপ্তর সম্পাদক  খন্দকার আসিফ সাদি সদস্য জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া ,উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সম্মানিত আলহাজ হায়দার আলী , ময়েজ উদ্দিন, মহিউদ্দিন, আব্দুল বাছেত , আকমল হোসেন ঠান্টু, এছাড়া আইন সম্পাদক বকুল, সহ সা সম্পাদক আরিফ, সদস্য আশরাফ, সদস্য ডলি, ফাহমিনা চিশতী , শাহীন , সায়েদ, সেলিম, মুক্তার, রফিক, মুরাদ, তোফা, আবির ও আরো অনেকে !!


প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন, নিভের্জালভাবে এবারের বনভোজন সম্পন্ন হওয়ায় সকলকে ধন্যবাদ এবং আগামীতে সুন্দর বনভোজন অনুষ্ঠানে যাবতীয় সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।এরপর সভাপতি তার ধন্যবাদ বক্তব্য দিয়ে পিকনিকের কার্যক্রম সমাপ্তি ঘোষণা করেন !!


গোলাপগঞ্জ সমিতি অব আমেরিকা-এর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ৪ আগষ্ট  শুক্রবার এষ্টোরিয়াস্থ বৈশাখী রেষ্টুরেন্টে বিকাল ৭টায় গোলাপগঞ্জ সমিতি অব আমেরিকা-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি    ¡ হাজী আব্দুর রহমান এবং পরিচালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিত মুক্তা। সভায় উপস্থিত ছিলেন সমিতির ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত, সালেহ আহমদ সালেহ, রাজ্জাক চৌধুরী, সৈয়দ খালেদ, মোতাব্বির চৌধুরী, সৈয়দ ওহিদুর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সমিতির উপদেষ্টা আবু তালেব চৌধুরী চান্দু প্রমুখ।আলোচনা সভায় সাংগঠনিক বিষয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় নতুন কমিটি, বার্ষিক বনভোজন এবং গোলাপগঞ্জ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আজিজুন নবী চৌধুরী ফোকন-এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ এবং বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৬ই আগষ্ট বৃহত্তর আকারে আজিজুন নবী চৌধুরী ফোকন-এর মিলাদ ও দোয়া মাইফিল অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং সকলকে গোলাপগঞ্জ সমিতি অব আমেরিকা-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয় এবং মাহফিলের স্থান ও সময় পরবর্তীতে জানানো হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আলোচনা সভা শেষে সবাইকে আপ্যায়ন এর আমন্ত্রণ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।


বেঙ্গল ক্যাবি সোসাইটির অব নিউইয়র্ক এর বার্ষিক বনভোজন ২০১৭ অনুষ্ঠিত

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

Picture

এতে অংশ গ্রহন করেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোস্তাক আহমেদ মোশারফ হোসেন, আবুল কাসেম, জিয়াউল ফাত্তাহ রিয়াদ, হাজী আবদুর রহমান, জসিম উদ্দিন চৌধুরী , জামান চৌধুরী, মোহাম্মদ আলি সবুজ, মোহাম্মদ মুরাদ, মোমেন মোল্লা , দিদারুল আলম, মোকবুল হোসেন আনিস, কালাম চৌধুরী ও মন্নান চৌধুরী ।

alt

উদ্বোধন পরে বারবিকিউ ও তরমুজ বিতরন করা হয় এবং বিভিন্ন ইভেন্টে খেলাধুলী শুরু হয়। মহিলাদের তিনটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। আকর্ষনীও পুরস্কার মধ্যে রাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বনভোজন সাবিক সহযোগিতা করেন এডভোকেট মোহাম্মদ আলী।


নিউইয়র্কে আমরা নান্দাইলবাসী ময়মনসিংহ ইউএসএ’র সৌহার্দপূর্ণ বনভোজন

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্কে নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে আমরা নান্দাইলবাসী (ময়মনসিংহ) ইউএসএ’র বনভোজন। অনন্য সম্প্রীতি আর সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে স্থানীয় সময় গত ৬ আগস্ট রোববার নিউইয়র্কের প্রাকৃতিক সোৗন্দর্যমন্ডিত বেলমন্ট লেক স্টেট পার্কে এ বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নান্দাইলবাসী যোগ দেন বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে। আমরা নান্দাইলবাসী ময়মনসিংহ ইউএসএ’র সদস্য ও তাদের আত্মীয় স্বজনরা পার্কের খোলা মাঠে খেলাধুলাসহ নানান আনন্দে মেতে ওঠেন এদিন। বারবিকিউসহ মজাদার সব খাবার উপভোগ করেন সকলে। নতুন প্রজন্মের উপস্থিতিতে বনভোজনটি পরিনত হয় নান্দাইলবাসীর মিলন মেলায়।
আয়োজকরা জানান, নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন স্টেটে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী নান্দাইলবাসী এ বনভোজনে অংশ নেন। এদিন সকাল থেকেই নান্দাইল প্রবাসীরা সমবেত হতে থাকেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত এ বনভোজন স্থলে। দীর্ঘদিন পর নান্দাইলপ্রবাসীরা একত্রিত হতে পেরে মেতে ওঠেন নানান আলাপচারিতায়। ঘুরে ঘুরে উপভোগ করেন অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
আমরা নান্দাইলবাসী ময়মনসিংহ ইউএসএ’র মো. রুকন উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সালাউদ্দিন আখন্দের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বনভোজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন পলাশ আখন্দ, জিল্লুর রহমান, বাদশা খান, এনামুল হক, আনোয়ার পারভেজ, আসাদ উল্লাহ, মো. নুরুল হুদা জুয়েল, সানজিদা আক্তার, সোহানা হোসাইন, তাহমিনা সুলতানা, উর্মি খান, উর্মি রহমান, শিরিন, লাভলী, তানিয়া রফিক, মারিনা ইসলাম, সানিয়া হাবিব, ইসরাত জাহান, মার্জিনা বানু, শাম্মী আক্তার, আসমা এনামুল, মৌসুমী জুয়েল, সুমি, সাদিয়া, ইসরা, ঈশিকা প্রমুখ।

alt

অতিথিদের মধ্যে ছিলেন নেত্রকোনা জেলা এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম আনোয়ার, প্রধান সমন্বয়কারী মো. আনোয়ারুল আলম ভূইয়া, বেলায়েত হোসেন, হাবিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, শেখ জুবায়ের শাহরিয়ার, ফারুক, মোহাম্মদ চৌধুরী, ডা. ইকবালসহ কমিউনিটি নের্তৃবৃন্দ।
আমরা নান্দাইলবাসী ময়মনসিংহ ইউএসএ’র সদস্যরা বলেন, প্রবাসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নান্দাইলবাসীর মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার সামান্য প্রয়াস আজকের এ বনভোজন। প্রবাসী নান্দাইলবাসীসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আয়োজকরা বলেন, সকলের প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে এই সুন্দর নির্মল আয়োজন। তারা বলেন, একটি বৃহৎ পরিবারের মত সম্প্রীতি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে তাদের এ প্রয়াস। যার যার অবস্থান থেকে দেশে-প্রবাসে নান্দাইলবাসীর কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা বলেন, প্রবাসে জন্ম নেয়া ও বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরার প্রচেষ্টা চালাবে তারা। এজন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা, পরামর্শ ও দো’য়া কামনা করেন তারা। অতিথিরাও তাদের সাফল্য কামনা করেন।


অসুস্থ্ স্বামী, অপবাদ-অসহায়ত্বের জ্বালা: নিউইয়র্কে বাংলাদেশী সুমির আত্মহত্যা

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : নিউইয়র্কের বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা জ্যাকসন হাইটসের অতি সন্নিকটে ইস্ট এলেমহার্স্টে এক বাংলাদেশী গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। জানা গেছে, নাদিয়া আফরোজ সুমি নামে এই গৃহবধূ পারিবারিক অশান্তি এবং সংসারের টানাপোড়েনের কারণে আত্মহত্যা করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো মাত্র ৩২ বছর। খুলনা সমিতির সভাপতি আসাদুল ইসলাম আসাদ জানান, নাদিয়া আফরোজ সুমির স্বামী খুলনা সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কম্যুনিটির পরিচিত মুখ মাহফুজুর রহমান ১ বছর ৯ মাস আগে হ্যার্টএ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

Picture
গত প্রায় ২ বছর ধরে তার চিকিৎসা চলছিলো। বর্তমানে তিনি ফ্ল্যাশিং এর একটি রিহ্যাব সেন্টারে রয়েছেন। সুমির পরিবারে স্বামীই ছিলেন একমাত্র উপার্জনকারী। স্বামীর এই অসুস্থ্যতায় ৫ বছরের একমাত্র পুত্র সন্তান ইবনে শামীম রহমানকে নিয়ে মহাসংকটে পড়েন। এই সংকটে এগিয়ে আসে খুলনা সমিতির কর্মকর্তারা। খুলনা সমিতির উপদেষ্টা ডা. মাসুদুর রহমান, জিয়াউর রহমান লিটু, সভাপতি আসাদুল ইসলাম আসাদ, সাধারণ সম্পাদক মুরারী মহন দাস, শেখ ফারুকুল ইসলাম ও সরকার মুনিরুল ইসলামসহ অনেকেই অসহায় সুমিকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন।
প্রথম দিকে খুলনা সমিতির পক্ষ থেকে ২ মাসের বাসা ভাড়াও দেয়া হয়। পরে সিটির কাছ থেকে সুযোগ- সুবিধা পাওয়ার পর ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনেকে সহযোগিতা করেন। সিটির অর্থিক অনুদান ও ১ জন মহিলা রুম মেট নিয়ে সুমি কোনভাবে সংসার চালাচ্ছিলেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, মাহফুজুর রহমানের আত্মীয়- স্বজনরা এ নিয়ে সুমি সাথে খারাপ ব্যবহার করতেন কিন্তু নানা অপবাদও দিয়েছেন বলে খুলনা সমিতির সভাপতিসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন।

alt

অপবাদ সইতে না পেরেছে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা সুমি গত ৪ আগস্ট রাত ১০টার দিকে ৭৩-১১, ৩১ এভিনিউ ইস্ট এলেমার্স্টের বাসায় ওড়না দিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যা করার সময় ৫ বছরের আদরের সন্তান ইবনে শামীম রহমানকে বলেছিলেন ৯১১ কল দিয়ে পুলিশ কল করতে। মায়ের কথা অনুযায়ী শামীম রহমান পুলিশকে কল দেয় এবং তার মা অবস্থার কথা জানায়। পুলিশ বাসায় আসার আগেই সুমির মৃত্যু ঘটে। বর্তমান কাউকে বাসায় ঢুকতে দিচ্ছেনা পুলিশ। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।
এদিকে আসাদুল ইসলাম আসাদ জানান, ঘটনাটি নাদিয়া আফরোজ সুমির মাকে জানানো হয়েছে। তিনি ঢাকায় রয়েছেন। সুমির মায়ের ইচ্ছা অনুযায়ী তার লাশ আগামী ৮ আগস্ট বাংলাদেশে পাঠানো হবে। আগামী ৭ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে সুমির খালা আসছেন। অন্যদিকে সুমির একমাত্র সন্তান এখন খুলনা সমিতির উপদেষ্টা জিয়াউর রহমান লিটুর স্ত্রী হ্যাপি চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তার খালা আসার পর ছেলেকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ নিয়ে বাংলাদেশী কম্যুনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সুমিদের দেশের বাড়ি ঢাকার খিলগাও।


জাতীয় শ্রমিক লীগ মিশিগান ষ্টেট সম্মেলন ১৩ আগষ্ট রবিবার

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : জাতীয় শ্রমিক লীগ মিশিগান ষ্টেট শাখার তি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ১৩ আগষ্ট রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জমজম রেষ্টুরেন্ট, ১১৯১৭ কণান্ট ষ্ট্রিট,হ্যামট্রামিক,মিশিগান। খবর বাপসনিউজ। উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় আন্তজার্তিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহীম বাদশা।উদ্ধোধন করবেন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন এবং প্রধান বক্তা যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমদ।


উক্ত সম্মেলনে সকল প্রবাসীদের স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন  আহবায়ক মোশারফ হোসেন ,সদস্য সচিব আবুল বাসিত এবং প্রধান সমন্বয়কারী সম্মেলন প্রস্তুুতি কামাট। যোগাযোগ ৩১৩-৬০৩-৮৬২৩,৩১৩-৯৮৫-৬৭০৯ ও ৫৮৬-৮০৬-৭১৬৬।


শেখ হাসিনা ১৪ দিনের সফরে নিউইয়র্কে আসছেন ১৭ সেপ্টেম্বর

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : ১৪ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে অংশগ্রহণ এবং শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার কাহিনী বিবৃত করতে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন ১৬ সেপ্টেম্বর। জেএফকে এয়ারপোর্টে সফরসঙ্গিসহ শেখ হাসিনা অবতরণ করবেন ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার।
প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে শেখ হাসিনার জাতিসংঘ সফতরের সম্ভাব্য এ সফরসূচি এ সংবাদদাতাকে ৮ আগস্ট মঙ্গলবার অবহিত করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।
নিউইয়র্কে চিকিৎসার জন্যে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এ প্রসঙ্গে এ সংবাদদাতাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সফরের পর ভার্জিনিয়ায় যেতে পারেন। সেখানে তিনি পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়, পুত্রবধূ ক্রিস্টিনা জয়, নাতী সোফিয়াসহ ঘনিষ্ঠজনদের সাথে ২৮ সেপ্টেম্বর জন্মদিন পালন করতে পারেন। তবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এ কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়নি। আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।’
ড. গোলাপ উল্লেখ করেন, ‘টানা ৯ বছর যাবত জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিচ্ছেন, এমন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সংখ্যা খুবই কম। এঁদের অন্যতম শেখ হাসিনাকে নিয়ে তাই আন্তর্জাতিক মহলেরও কৌতুহলের সীমা নেই। এছাড়া, দারিদ্র্যবিমোচন, সন্ত্রাস দমনসহ নানা কর্মকান্ডে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব সফলতার কাহিনীও জানতে আগ্রহী বিশ্বনেতারা।’
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, ‘২১ অথবা ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিতে পারেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। সাধারণ অধিবেশনে অংশ নেয়া বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানদের সাথেও দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক হবে বাংলাদেশের এই নেত্রীর।’

Picture
ড. সিদ্দিক বলেন, ‘এবারও বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে আমরা সংবর্ধনা দেব। টাইমস স্কোয়ার এলাকায় ম্যারিয়ট মারকুইসের বলরুমে এটি অনুষ্ঠিত হবে তার সফরের সাথে সঙ্গতি রেখে।’ ড. সিদ্দিক উল্লেখ করেন, ‘২০০৯ সাল থেকে প্রতি বছরই জাতিসংঘের এ অধিবেশনে বাংলাদেশের নেতা হিসেবে আগমণের সময় আমরা যেভাবে তাকে জেএফকে এয়ারপোর্টে অভ্যর্থনা জানিয়েছি, এবারও সে কর্মসূচি থাকবে। জাতিসংঘে ভাষণের সময়ে বাইরে আমরা শান্তি ও উন্নয়নে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অভাবনীয় সাফল্যের সমর্থনে সমাবেশ করবো। এরপর নেত্রী ভার্জিনিয়া গেলে সেখানে অবস্থানকালেও বড় ধরনের একটি কর্মসূচির আশা রয়েছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথাবার্তা হচ্ছে।’
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য তথা এসডিজি সম্পর্কিত প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আবুল কালাম আজাদ ঢাকা থেকে এ সংবাদদাতাকে ৮ আগস্ট জানিয়েছেন, ‘নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী ভার্জিনিয়ায় যেতে পারেন। সেখান থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ( কর্মসূচি চূড়ান্ত করা সাপেক্ষে) ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়ার কথা। তবে সফরসঙ্গিদের অনেকেই জাতিসংঘ কর্মসূচির পরই বাংলাদেশে ফিরবেন।’ গত বছরও তিনি ভার্জিনিয়ায় জন্মদিন পালন করেছেন।
এদিকে, দলীয় সভানেত্রীর এই সফর ঘিরে আওয়ামী পরিবারেই শুধু নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনও সরব হয়ে উঠেছে। সকলেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সমর্থনে দৃশ্যমান হবার চেষ্টা করছেন।
জাতিসংঘ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ৭২তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হবে ১২ সেপ্টেম্বর। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্ব নেতারা নিজ নিজ দেশের বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।
এবারের সাধারণ অধিবেশনে Biodiversity, Energy, Governance, Sustainable Development, Forests & REDD, Land, Chemicals & Wastes, International Negotiations, Climate Change ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনা-পর্যালোচনা করা হবে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে প্যারিস সম্মেলনে যে চুক্তি হয়েছে, সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ায় কী ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরী হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা করা হবে।
শেখ হাসিনা এবারও নিউইয়র্কে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে জাতিসংঘ সফরের আলোকে মতবিনিময় করবেন বলে বাংলাদেশ মিশন জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রবাসের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী সংগঠনের সাথেও আলাদা-আলাদাভাবে মতবিনিময়ের কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।