Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

২৩ শে এপ্রিল রবিবার নারায়নগনজ কালচারাল & এডুকেশন অফ নর্থ আমেরিকা ইনক এর কার্যকরী কমিটির সভা

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : আসছে ২৩ শে এপ্রিল রবিবার  নারায়নগনজ কালচারাল & এডুকেশন অফ নর্থ আমেরিকা ইনক  (Registration # 9890999) এর কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে !

স্হান : Red Hot Tandoori
3030 Danforth ave
Toronto
Time : 6:30 pm
যোগাযোগ
আনিস রহমান 647-892-2836
আশরাফুজজামান বাবুল
ফরহাদ  416-220-6468
এ. এইচ মামুন  226-792-3089
মিজানুল খান দিপু 647-210-8897


আমেরিকার মাস্টারশেফ জুনিয়রে বাংলাদেশের আফনান

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : মেয়ে হলে ডাক্তার আর ছেলে হলে ইঞ্জিনিয়ার। এই স্বপ্নে দুনিয়ার সব পিতা-মাতা যখন বিভোর। তখন বাবা-মা’র একমাত্র সন্তান আফনান আহমেদ জুনিয়র শেফ হয়ে আমেরিকার মাস্টারশেফ জুনিয়র ইউএস-এর পঞ্চম আসর মাতিয়েছে।১২ বছর বয়সী এই ছেলে এখন সেরা ১০ মাস্টারশেফ জুনিয়র-এর মধ্যে একজন। প্রতিদিন বড় বড় বিভিন্ন রান্নার অনুষ্ঠান আর টক শো-তে অংশ নিচ্ছে সে। চট্টগ্রামের নাসিরাবাদের ছেলে আফনান মা-বাবার সাথে থাকে ইউএস-এর জর্জিয়ার আটলান্টায়। শখের বসে মা শামীমার কাছে থেকেই রান্নার হাতেখড়ি। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানের পঞ্চম আসর প্রতি বৃহস্পতিবার ফক্স নেটওয়ার্কে প্রচারিত হচ্ছে। বাংলাদেশের দর্শকরা প্রতি রোববার রাত সাড়ে ৯টায় স্টার ওয়ার্ল্ড-এ দেখতে পাবেন অনুষ্ঠানটি।

Picture

আফনান তার পরিবারের সাথে মাঝে মাঝে নিজের দেশ বাংলাদেশে ঘুরতে আসে। বাংলাদেশের একটি স্কুলে আফনান বেশকিছু দিন পড়াশোনাও করেছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি ধনুর্বিদ্যা, বিজ্ঞান এবং শিল্প তার শখ। টিভিতে জুনিয়র মাস্টার শেফ দেখার পাশাপাশি এবিসিস কমেডি শো, দি মিডল ফেমিলি, কোড ব্ল্যাক ইত্যাদি তার প্রিয় অনুষ্ঠান। আমেরিকা সম্পর্কে ছোট্ট আফনান বলে, “আমেরিকা তুমি এখন পর্যন্ত আমার কাছে কিছুই দেখনি। এই মৌসুম খুবই সুন্দর একটা সময়”।

বাঙালি হিসেবে আমাদের সকলের চাওয়া আফনান যেন শেষ পর্যন্ত মাস্টারশেফ জুনিয়র ইউএস-এর পঞ্চম আসরে সেরা মুকুটটা জিতে নিতে পারে। হাজার মাইল দূর থেকে আফনানের জন্য এই শুভ কামনা।


যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিবাদমান গ্রুপের দু’দফা সংঘর্ষ এবং পুলিশের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিবাদমান গ্রুপের দু’দফা সংঘর্ষ এবং নিউইয়র্ক পুলিশের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথমে দ’ুপক্ষের সংঘর্ষ এবং নিউইয়র্ক পুলিশের নির্দেশে আলোচনা সভাটি পন্ড হয়ে যায়।

Picture

স্থানীয় সময় গতকাল ১৭ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় সিটির বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসে নিউ মেজবান পার্টি হলে আওয়ামী লীগের উত্তেজিত বিবদমান গ্রুগুলো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আলোচনা সভাস্থল মেজবান পার্টি হল থেকে নেতা-কর্মীদের একে একে বের করে দেয়। টান টান উত্তেজনার মধ্যে ঘন্টাখানেক পর পূর্বনির্ধারিত মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা আবার শুরু হলেও যুবলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে আবার সংঘর্ষ বাধে। প্রায় আধা ঘন্টা অচলাবস্থার পর পুনরায় সভার কাজ শুরু হয়।
alt
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় নিউ মেজবান পার্টি হলে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে সভা শুরু হলে ইমাম কাজী কাইয়্যূম পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুসহ মুুজিবনগর সরকারের নের্তৃবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। এরপর সবিতা দাস পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার। এরমধ্যেই ড. সিদ্দিকুর রহমান কর্তৃক বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ তাঁর সমর্থকদের নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে ঢোকেন। তিনি দর্শক সাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের কাছে জানতে চান, কেন তাকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।

alt

ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আপনাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাকে বহিস্কারের কোন কাগজ পত্র আছে কিনা প্রশ্ন করেন সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। এভাবে বাদানবাদের এক পর্যায়ে সভা পরিচালনা করার জন্য এগিয়ে যান সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। এসময় দু’গ্রুপ তুমুল ধাক্কা-ধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। শুরু হয় চেয়ার ছোড়াছুড়ি। খুলে ফেলা হয় অনুষ্ঠানের ব্যানার। মুহূর্তে সবকিছু লন্ডভন্ড হয়ে যায়। অবস্থা বেগতিক দেখে সিদ্দিকুর রহমান দ্রুত সভাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। এ সময় সভাস্থল চলে যায় সাজ্জাদুর রহমান গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে এবং চলতে থাকে হট্টগোল। পরিস্থিতি বেকায়দা দেখেপুলিশকে ফোন করা হয়। চারদিকে থেকে সাইরেন বাজিয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় পুরো এলাকায় এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মেজবান পার্টি হলের আশপাশের সড়ক মুহূর্তের মধ্যে খালি হয়ে যায়। পুলিশ উপস্থিতিতে হলে ফিরে ড. সিদ্দিকুর রহমান দলের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী ও আইন সম্পাদক শাহ বখতিয়ারকে দেখিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ সময় অন্য পক্ষ থেকে পুলিশকে পাল্টা বক্তব্য প্রদান করলে পুলিশ সবাইকে ঘটনাস্থল ত্যাগের নির্দেশ দেয়।
alt
ঘন্টাখানেক পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়ে এলে আবার ব্যানার টানিয়ে ড. সিদ্দিকুর রহমান পূর্বনির্ধারিত মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা শুরু করেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের পরিচালনায় এ সময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন, সহ-সভাপতি আকতার হোসেন, সৈয়দ বসারত আলী, মাহবুবুর রহমান, লুৎফুল করিম ও শামসুদ্দিন আজাদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আইরিন পারভিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান ও আব্দুল হাসিব মামুন, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, সেক্রেটারি ইমদাদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কৃষি সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, শিল্প সম্পাদক ফরিদ আলম, বাণিজ্য সম্পাদক সিমবাহ আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক বাহার খন্দকার সবুজ, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মমতাজ শাহনাজ, আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য শাহানারা রহমান, ডেনী চৌধুরী, খোরশেদ খন্দকারসহ সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

এ সময় সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান সজীব ওয়াজেদ জয়ের টেক্সট মেসেজ পাঠ করে সকলকে শোনান। তিনি জানান, টেক্সট মেসেজে স্পষ্টভাবে সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাজ্জাদকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাসপেনশনের কথা রয়েছে।এরপরই সমাবেশের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান এমপি এবং বিশেষ অতিথি জাতীয় সংসদের হুইপ এডভোকেট আবু জাহির এমপি মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। বক্তব্য দেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতারা। নিজাম চৌধুরী বলেন, যারা মুজিবনগর দিবসের সভা বানচালের ষড়যন্ত্র করেছে, তারা কখনোই আওয়ামী লীগের লোক হতে পারে না। তারা খুনী মোশতাকের দোসর, জামাত-শিবিরের এজেন্ট।
alt
এদিকে সভায় ড. সিদ্দিকুর রহমান একপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহ্বায়ক হিসেবে তারিকুল হায়দার চৌধুরীকে পরিচয় করিয়ে দিলে এরপর প্রতিবাদ জানান যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সেবুল মিয়া ও ইফজাল আহমেদ চৌধুরী প্রতিবাদ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তারিকুল যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক। তাদের এই বাদ-প্রতিবাদে যুক্ত হন তরিকুল হায়দার চৌধুরীসহ যুবলীগের বিবাধমান দু’গ্রুপের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। উভয় গ্রুপের নেতা-কর্মীরা চরম মারমুখী হয়ে হাতাহাতিতে লিপ্ত হলে বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বেশ কিছুক্ষণ চলে সংঘর্ষ। alt

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আব্দুল মান্নান এমপি ও সভাপতি ড. সিদ্দিক সহ শীর্ষ নেতারা বারবার তাদের থামতে বললেও তারা তাতে কর্ণপাত করেনি। এক পর্যায়ে ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যুবলীগকে পরিচয় দিতে গিয়ে তারই ভুল হয়েছে উল্লেখ করে সকলকে আসন গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। অন্যথায় আবারও পুলিশ ডেকে সংশ্লিষ্টদের সভাস্থল থেকে বের করে দেয়া হবে। প্রায় আধা ঘন্টা অচলাবস্থার পর পরিস্থিতি শান্ত হলে পুনরায় সভার কাজ শুরু হয়।

alt
এর পর প্রধান অতিথি আব্দুল মান্নান এমপি বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় আব্দুল মান্নান এমপি বলেন, যারা কোন্দল, গ্রুপিংয়ের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে চায়, তাদের দলে থাকার অধিকার নেই। তাদের বিরুদ্ধে দল অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির বিক্ষুব্ধ বেশ ক’জন কর্মকর্তা ঘটনার পর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের অনুষ্ঠানের শুরুতেই মঞ্চ দখল করে বক্তৃতা শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সিনিয়র সম্পাদকবৃন্দ দাড়িয়ে প্রশ্ন করতে চাইলে সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান কর্তৃক অসাংগঠনিক ও স্বৈরাচারী কায়দায় হুমকী ধামকী ও নেতা-কর্মীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করার এক পর্যায়ে তার ভাড়াটে কতিপয় বহিরাগতদের দিয়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিত আক্রমন করে। সিদ্দিকুর রহমান পুলিশ ডেকে সকলকে বের করে দেয় এবং নিজে অনুষ্ঠান স্থল ত্যাগ করেন।
alt
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করার পর থেকে সিদ্দিকুর রহমান বছরের সিংহভাগ সময় বাংলাদেশে অবস্থান করে ব্যবসা-বানিজ্য, তদবির লবিং ও নিজাম চৌধুরীর সাথে ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্ব যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে একটি ভঙ্গ ও অকার্যকর সংগঠনে পরিনত করার ফল আজকের এই বিশৃঙ্খলা। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়, ড. সিদ্দিকুর রহমান প্রটোকল ভেঙ্গে জাতীয় সংসদের হুইপ মোঃ সাহাবউদ্দিন এমপিকে প্রধান অতিথি না করে সিদ্দিকুর রহমানের ভায়রা মোঃ আবদুল মান্নান এমপিকে প্রধান অতিথি করে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিজাম-সিদ্দিকের ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্ব ও স্বার্থ হাসিলের প্রতিযোগীতায় কথায় কথায় নেতা-কর্মীদেরকে বহিঃস্কার, পদন্নোতি, পদায়ন ও ভারপ্রাপ্ত দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ ও দেশ-বিদেশে হাস্যকর করে তুলেছে। শুধু তাই নয় এই নিজাম চৌধুরী ২০১৫ সালের ৬ই ডিসেম্বরের কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিং করার জন্য বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক নেতাকে ইন্ধন দিয়েচিলেন দলকে দুই খন্ড করার জন্য। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতা-কর্মীরা তা প্রতিহত করে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখে। আজ সেই নিজাম চৌধুরীর প্ররোচনায় দলকে আগের সেই বিশৃঙ্খলায় নিয়ে যাচ্ছে। আজকের (১৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠানের বিশৃঙ্খলা ও দলের অভ্যন্তরে গ্রুপিং ও কোন্দলের জন্যে সিদ্দিকুর রহমানকে নেতা-কর্মীদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক কালে সিদ্দিকুর রহমান হাইকমান্ড ও কেন্দের উদ্বৃতি দিয়ে একের পর এক দলের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ করে ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করার উদ্দেশ্যে ৭ বছর মেয়াদোত্ত্বীর্ণ কমিটির সম্মেলন দিতে অস্বীকার করে যাচ্ছেন ও কেন্দ্রের অনুমোদন বহিঃস্কার করে চলেছেন।

alt
অনুষ্ঠান শেষে সিদ্দিকুর রহমান মিথ্যাচার করে দুইজন সম্পাদককে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেন, পুলিশ তা আমলে না নিয়ে সকলকে স্থান ত্যাগ করতে বলে। এঘটনায় নেতা-কর্মীরা সিদ্দিকুর রহমানের উপর প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হন এবং তার যথাযথ জবাব দেয়া হবে বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।
ভবিষ্যতে দলের এই বিভক্তির জন্য সিদ্দিকুর রহমান ও নিজাম চৌধুরীকে দায়-দায়িত্ব নিতে হবে এবং সকল বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নের্তৃবৃন্দকে অচিরেই জানানো হবে বলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নি¤œ স্বাক্ষরকারী নের্তৃবৃন্দ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন। স্বাক্ষরকারী নের্তৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন : আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শাহ মোঃ বখতিয়ার আলী, দপ্তর সম্পাদক প্রকৌঃ মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশাহ ও চন্দন দত্ত, প্রচার সম্পাদক দুলাল মিয়া (হাজী এনাম), জনসংযোগ সম্পাদক কাজী কয়েস, কার্য নির্বাহী সদস্য হিন্দাল কাদির বাপ্পা, শরীফ কামরুল আলম হীরা, হোসেন সোহেল রানা, রুহেল চৌধুরী, কাজী আজিজুল হক খোকন, জুয়েল আহমদ, ইলিয়ার রহমান, মোঃ লিটু গাজী ও মোঃ কায়কোবাদ এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা আব্দুর রহিম।alt
অপরদিকে, ড. সিদ্দিকুর রহমান কর্তৃক বহিষ্কৃত যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ ঘটনার পর এক বিবৃতিতে বলেন, ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উদযাপনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আহুত উম্মুক্ত আলোচনা সভায় অংশগ্রহনের জন্য আমি সেখানে উপস্থিত হই। আমি অনেক দিন পরে আমার প্রাণপ্রিয় সংগঠনের একটি সভায় উপস্থিত হয়েছি দেখে উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মীবৃন্দের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনার ফলশ্রুতিতে আমাকে সহ আরও সাতজনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বহিস্কারাদেশ দিয়েছেন বলে ড. সিদ্দিকুর রহমান প্রচার করেন। আমি আশ্চর্যন্বিত হলেও এটিকে নেত্রীর সিদ্ধান্ত বলে মাথা পেতে নেই এবং নিরবে অবস্থা পর্যবেক্ষন করতে থাকি। কিন্তু সম্প্রতি ড. সিদ্দিকুর রহমান আরেকটি কুটচাল দিয়ে আমি ছাড়া অপর ৭ জনের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছেন বলে প্রচারনা চালান। আমি এতে বিস্মিত হই এবং বিভিন্ন স্থানে খবর নিয়ে জানতে পারি যে, আমাদেরকে বস্কিারাদেশের যে বিজ্ঞপ্তির কথা বলেছিলেন এবং সে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের কথা বলছেন, সেটা আসলে ভূয়া। বিষয়টি সম্পর্কে আমার সন্দেহ হলে আমার দলীয় সহকর্মী ড. সিদ্দিকুর রহমানকে তার সত্যতা জানানোর জন্য কাগজ পত্র আছে কিনা প্রশ্ন করি। কিন্তু তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হলে উপস্থিত নেতা কর্মীরা আমাকে সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সভা পরিচালনা করার জন্য বলেন। তখন ড. সিদ্দিকুর রহমানের নির্দেশে কিছু ভাড়াটে লোক জন আমাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু উপস্থিত নেতা-কর্মীদের বাধার কারণে নিমেষেই তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং সিদ্দিকুর রহমানসহ তার সাথীরা পালিয়ে যান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসাবে আমি অনুষ্ঠান পরিচালনা করি। পরে ড. সিদ্দিকুর রহমান পুলিশ কল করে সভা বন্ধ করে দেন। আমি তখন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সভার কাজ মুলতবি ঘোষণা করি।
সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আছি। বিগত পনের বছর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছি। এক সময় যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী ও সিদ্দিকুর রহমানের ব্যবসায়িক বিরোধ প্রকট আকার ধারন করে। যার ফলশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ দ্বিধা বিভক্ত হয়ে যায়। সঙ্গত কারণেই আমাকে একটি অংশের নেতা হিসাবে চিহ্নিত করে। সাংগঠনিকভাবে আমাকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে জানানো হয়। সংগঠনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি কিছু দিনের জন্য সাংগঠনিক কর্মকান্ড থেকে নিজেকে বিরত রাখি।
সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ তার বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করেন, ড. সিদ্দিকুর রহমান গত মাসে একটি কার্যকরি কমিটির মিটিংয়ে আমাকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদককের কাজ করার জন্য নিশ্চিত করেন, সেই জন্যই ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের সভায় আমি উপস্থিত হই। কিন্তু তিনি সেটা না করে আমার উপস্থিতিতে দুই নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদকে দিয়ে সভা পরিচালনা করার চেষ্টা করেন। তখনই নেতা কর্মীরা সিদ্দিুকর রহমানের এই অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের বিরোধীতা করেন এবং নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে সভাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।


নিউইয়র্কে এক্সিট ফুটবল লীগ ও টুর্নামেন্টের উদ্বোধন : ব্রঙ্কস ইউনাইটেড ও নিউজার্সীর শুভ সূচনা

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকা’র আয়োজনে প্রতি বছরের মতো এবারও ফুটবল লীগ ও টুর্নামেন্ট-২০১৭ মাঠে গড়ালো। এবারের লীগ ও টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড স্পন্সর হচ্ছে ‘এক্সিট কার এন্ড লিমোজিন সার্ভিসেস’। লীগে ৯টি দল অংশ নিচ্ছে। লীগের খেলা শেষে শীর্ষ চার দলের (সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী) সমন্বয়ে টুর্নামেন্টের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। কুইন্স বরোর নিউটাউন অ্যাথলেটিক মাঠে গত ১৬ এপ্রিল রোববার অপরাহ্নে লীগ ও টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন। স্পোর্টস কাউন্সিলের সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, সাবেক এমপি ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম এবং গ্র্যান্ড স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট শমশের আলী। এছাড়াও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ চৌধুরী। এই পর্ব পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসিত খান বুলবুল। খবর ইউএনএ’র।

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ স্পোর্টস কাউন্সিলের এমন উদ্যোগ ও আয়োজনের ভূয়ষী প্রশংসা করেন এবং সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে লীগ ও টুর্নামেন্টের খেলা সম্পন্ন করতে সবাইকে খেলোয়ারী মনোভাব নিয়ে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান। মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশী কমিউনিটির তরুণদের রাজপথ থেকে মাঠে ব্যস্ত রাখতেই স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিবছর লীগ ও টুর্নামেন্টের আয়োজন। মহিউদ্দিন দেওয়ান বলেন, বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার সম্প্রতি নিউইয়র্ক সফরকালীন সময়ে তার সাথে মতবিনিময়কালে লীগ ও টুর্নামেন্ট ছাড়াও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আমাদের সমস্যার কথা শুনেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেয়ার পাশাপাশি এবারের লীগ ও টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় অতিথি হিসেবে যোগ দেয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।এরপর প্রধান অতিথি মাসুদ বিন মোমেন রং বে রং-এর এক গুচ্ছ বেলুল উড়িয়ে এবং ফুটবলে শট মেরে লীগের আনুষ্ঠানিতক উদ্বোধন করেন।

Picture

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ’র সভাপতি মাসুদুল হক সানু ও সাবেক সভাপতি বুরহান উদ্দিন কফিল, স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও উপদেষ্টা আব্দুর রহীম বাদশা, উপদেষ্টা যথাক্রমে ছদরুন নূর, আতাউর রহমান সেলিম, জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী, সহ সভাপতি আব্দুল হাসিম হাসনু ও মিসবা আবদীন, যুগ্ম সম্পাদক জুয়েল আহমদ, কোষাধ্যক্ষ ওয়াহিদ কাজী এলিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি কার্যকরী পরিষদ সদস্য জহির উদ্দিন জুয়েল, সৈয়দ এনায়েত আলী, তোফায়েল ইসলাম, আবু তাহের আছাদ, মফিজুল ইসলাম রুমি, মোহাম্মদ সাদী মিন্টু, জে মোল্লা সানি, আব্দুল কাদির লিপু, রফিকুল ইসলাম ডালিম ও ইয়াকুত, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সাবেক সভাপতি বিলাল চৌধুরী এবং বিভিন্ন দলের খেলোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে নিউইয়র্কে লীগের পাশাপাশি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারের লীগে ৯টি দল অংশ নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দলগুলো হলো: জ্যাকসন হাইটস স্পোর্টিং ক্লাব, ব্রঙ্কস ইউনাইটেড, আইসাব, নিউজার্সী ইউনাইটেড, সোনার বাংলা, ওজনপার্ক এফসি, ব্রঙ্কস স্টার, ওয়ারিয়ার ও ব্রাদার্স অ্যালায়েন্স।

খেলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী: উদ্বোধনী দিনে তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। দিনের প্রথম খেলায় বিগত সাতবারের লীগ চ্যাম্পিয়ন ব্রঙ্কস ইউনাইটেড ২-০ গোলে বাংলাদেশ ব্রাদার্স অ্যালায়েন্সকে পরাজিত করে লীগে শুভ সূচনা করে এবং পূর্ণ পয়েন্ট অর্জন করে। খেলার প্রথমার্ধে একটি এবং দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল হয়। বিজয়ী দলের পক্ষে প্রথমার্ধের ১৭ মিনিটের সময় দলের স্টাইকার কফিল গোল করেন (১-০)। খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ৪৮ মিনিটের সময় দলের পক্ষে সিদ্দিক দ্বিতীয় গোল করেন (২-০)। খেলায় আক্রমন, পাল্টা আক্রমন থাকলেও ছিলো কোন উত্তেজনা। খেলার মাঝপথে বৃষ্টি হওয়ায় মাঠে উপস্থিত দর্শকদের খানিকটা দূর্ভোগ পোহাতে হয়।

ব্রঙ্কস স্টার ও জ্যাকসন হাইটস ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত দিনের দ্বিতীয় খেলা ১-১ গোলে ড্র হয়। এই খেলার প্রথমার্ধ ছিলো গোল শূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের ৩১ মিনিটের সময় জ্যাকসন হাইটস ক্লাবের সোহেল প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। এরপর খেলা শুরু হতে না হতেই সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমন থেকে গোল করেন ব্রঙ্কসের রাফি (১-১)। শেষ পর্যন্ত খেলাটি ড্র থাকে এবং উভয় দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি হয়। এছাড়া দিনের তৃতীয় খেলায় নিউজার্সী ইউনাইটেড ৩-১ গোলে ব্রঙ্কস ওয়ারিয়রকে পরাজিত করে পূর্ণ পয়েন্ট অর্জন করে। খেলায় নিউজার্সীর পক্ষে শোয়েব দু’টি এবং হাফিজ একটি গোল করেন।


জর্জিয়ায় জেসমিন খান মিলির উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উৎযাপিত

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : জর্জিয়া থেকে : দেশ থেকে বহু দূরে থাকলেও নাড়ির টান কখনো ভুলে যাওয়ার নয়। দূর প্রবাসে থেকেও ভুলে যায়নি বাঙ্গালি সভ্যতা,সংস্কৃতি,যেন মিশে আছে তাদের আষ্টে পিষ্টে,গৌরবের ঐতিহ্যর স্বমহিমায়।

Picture

তাইতো দেশ থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে থেকেও নিজ সংস্কৃতিকে চিত্তে ধারণ করে বাংলার ঐতিহাসিক পহেলা বৈশাখে বাংলা নববর্ষ উৎসবের রং ছড়িয়ে পড়ে জর্জিয়াতেও। তাইতো আনন্দে-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠে জর্জিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

alt

ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সব বয়সের মানুষ একযোগে গাইলেন, জর্জিয়ায়ও রব উঠেছে এসো হে বৈশাখ এসো এসো..সব গ্লানি মুছে নবোদ্যমে শুরু হোকে পথচলা। বাঁধভাঙা প্রাণের উচ্ছ্বাসে বাংলা নতুন বছর ১৪২৪ বরণ করে নিলেন জর্জিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

alt

যান্ত্রিক নাগরিক কোলাহল পেরিয়ে সময়ের একটু ফাঁকে,বহুদিনের লালিত স্বপ্ন, বহু আকাঙ্খার প্রত্যাশিত প্রতিফলনে, জেসমিন খান মিলির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলা নববর্ষ, পয়লা বৈশাখ। বিপুল উৎসাহ,উদ্দিপনার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় এই মিলন মেলা। বিপুলসংখ্যক জর্জিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশি সপরিবারে অংশ গ্রহণ করেন বাংলা নববর্ষের এই জমকালো অনুষ্ঠানে।

alt

জেসমিন খান মিলি , হাইমান্তি বরুয়া, নার্গিস সুলতানা, রেশমা জাকির, রাশিদা বেগম, তামিনা শারমিন, সিমা সমাদ্দেন, বাবুল মিস্ত্রী , মিজান রাহমান, মাসুদ এইচ খান,  নাজরুল খান,খন্দকার এ হক , শাহিদুল আলম, শামিনা শাহিদা, শওকাত জাহান সহ আর অনেকে বাংলা নববর্ষের এই জমকালো অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ,অনুষ্ঠানের আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ ।

alt

সকাল থেকে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অথিতিদের আগমন এবং নানান রঙে,নানান সাঁজে দেশীয় ঐতিয্য পোশাকের প্রাধান্য ছিল চোখে পরার মত।

alt

এমনকি ছোট ছোট কোমল মোদী ছেলে মেয়েদেরকে তাদের দেশীয় সংস্কৃতি থেকে ভুলে যেতে দেয়নি তাদের অভিভাবকরা। দেশীয় পোশাক এবং তাদের কণ্ঠের কবিতায় তার প্রমান মেলে তারা কতটুকু বাংলার ঐতিয্যকে ধারন করে আছে তাদের প্রাণে ।

 alt

এসব অনুষ্ঠানের ছিল হরেক রকমের ভাজি-ভর্তাসহ পান্তা-ইলিশ খাওয়ার উৎসব।রং-বেরংয়ের বাহারি পোশাকে তাদের সদর্প পদচারনায় থিক থিক ভিড়ে অনুষ্ঠানস্থল হয়ে উঠেছিল ক্ষণিকের জন্য একখণ্ড মিনি বাংলাদেশ।

alt

ব্যাপক আনন্দ আর সুখ স্মৃতি নিয়ে জর্জিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজ নিজ ঘরে ফিরে যায় উদ্যোক্তাদের কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদ দিয়ে।


২৩ এপ্রিল বর্ষবরণে ফ্লোরিডায় বাংলা নববর্ষ

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ফ্লোরিডা (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : বাংলাদেশ কালচারাল অর্গানাইজেশন অব মায়ামির আয়োজনে প্রবাসী ফ্লোরিডা বাংলাদেশিরা বর্ণাঢ্যভাবে বরণ করছে বাংলা নববর্ষ। আয়োজক কমিটি বিশেষ উদ্যোগে এবার গ্রেড টু হতে গ্রেড টেন পর্যন্ত সকল ‘অনার স্টুডেন্টদের’ মেধার সম্মাননা প্রদান করবে।বাংলাদেশ কালচারাল অর্গানাইজেশন অব মায়ামির অনাড়ম্বন বিশুদ্ধতার দুদিন ব্যাপী আয়োজনে এবার বসছে ২২ ও ২৩ এপ্রিল ১৬৫০১ নর্থ ইস্ট ১৬ এভিনিউ নর্থ মায়ামি বিচ, ফ্লোরিডা- ৩৩১৬২-এর ‘মারগোলিস অ্যাম্পেথিয়েটারে’।গতানুগতিক ধারায় একচাটিয়া বাংলাদেশি বিনোদন দিতে বাংলাদেশ হতে আসছেন কনক চাঁপা, রিজিয়া পারভিন, বাদশা বুলবুল ও সেলিম চৌধুরী।

Picture

প্রদান করা হবে ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা পদক-২০১৭। তাছাড়া আরটিভির পক্ষ হতে আটজন আলোকিত নারীকে বিশেষ সম্মাননা দেয়া হবে। সকল ‘অনার স্টুডেন্ট’ ও গার্জিয়ানদের মেলার শেষ দিন ২৩ এপ্রিল দুপুর ১২টার মধ্যে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।


রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান স্মৃতি সংসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার বিবৃতি

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

বাপসনিঊজ:ডাক্তার জোবায়দা রহমানের উপর গত ১২ই এপ্রিল  তারিখে বাংলাদেশের আদালত দুদুকের একটি মামলায় যে প্রতিহিংসা পরায়ণ রায় দিয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানান রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান স্মৃতি সংসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতি দাতারা বলেন,  আমরা  দল বুঝিনা, পার্টি বুঝিনা, আমরা জানি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ও মেয়ে ডাক্তার জোবায়দা রহমান  হচ্ছেন  আমাদের সিলেট তথা বাংলাদেশের গর্ব।রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গের  উপর এই ধরণের মামলা দেশবাসী সহ্য  করবে না ।সিলেটের সম্ভ্রান্ত একটি  পরিবারের মহিলা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ও মেয়ে ডাক্তার জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ও আত্মসমর্পণ মামলা দেশের সুস্থ গণতন্ত্র ও ভাল মস্তিষ্কের জনগণ মেনে নিবে না।বিশেষ করে বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী  সিলেটের আপামর জনসাধারণ  মেনে নিতে পারে না। তাই সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যে অবিলম্বে তাদের উপর থেকে  গ্রেফতারী পরোয়ানা ও আত্ম সমর্পণ মূলক প্রতিহিংসা পরায়ণ  রায় প্রত্যাহার করুন।অন্যথায় এই প্রবাস থেকেই আন্দোলন এর মাধ্যমেই  তার সময়োচিত জবাব দেয়া হবে।
বিবৃতি দাতারা হলেন রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খান স্মৃতি সংসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ইমান খান, সিনয়র সহ সভাপতি মারুফ খান, সহ সভাপতি রুহেল হাসান, সহ সভাপতি ইকবাল হুসেন চেয়ারম্যান, সাধারন সম্পাদক আজাদুল ইসলাম (আলমগীর),যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সুহেব মিয়া, কোষাধক্ষ্য সাইকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন, ক্রীড়া  সম্পাদক রাহাত রহমান খান।


জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :গত ১৭ এপ্রিল  সোমবার যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন করা হয়। ঐতিহাসিক এ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সকাল সাড়ে ৯ টায় মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। মিশনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ এতে অংশ নেন।খবর বাপসনিঊজ:

Picture

অনুষ্ঠানের শুরুতেই মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদসহ এ সরকারের সকল নেতৃবৃন্দের স্মৃতির উদ্দেশ্যে একমিনিট নিরবতা পালন করা হয়। নিরবতা পালন শেষে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে দেওয়া মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো: আরিফুল ইসলাম এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন মিশনের ইকোনমিক মিনিস্টার ইকবাল আব্দুল্লাহ্ হারুন। এরপর শুরু হয় মূল আলোচনা অনুষ্ঠান।

alt
জাতিসংঘের মত আন্তর্জাতিক ফোরামে মুজিবনগর দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের কর্মে ও চিন্তায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য ধারণ করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনের প্রেক্ষাপট, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালির গৌরবগাঁথা বিদেশী বন্ধুদের জানাতে নিজ নিজ ক্ষেত্রে আরও বেশী ভূমিকা রাখতে হবে, যা “গণহত্যা দিবস” এর আন্তর্জাতিকীকরণের কাজকে এগিয়ে নিবে”।

alt
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “এই সরকার গঠনের ফলেই বিদেশী বন্ধুরাষ্ট্রসমূহের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সৃষ্টি হয়েছিল এবং পাকিস্তান ছেড়ে আসা বাংলাদেশের কূটনীতিকদের জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করা সহজ হয়েছিল”।মিশনের ডিফেন্স অ্যাডভাইজর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম আখতারুজ্জামান বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের পরিকল্পনা প্রণয়ন, দক্ষ পরিচালনা এবং চুড়ান্ত বিজয় অর্জনের ক্ষেত্রে মুজিবনগর সরকারের ঐতিহাসিক অবদান প্রতিটি বাঙালির মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে”। আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন মিশনের মিনিষ্টার ফাইয়াজ মুর্শিদ কাজী, মিনিষ্টার এটিএম রকিবুল হক, কাউন্সিলর সঞ্চিতা হক, ফার্স্ট সেক্রেটারি মো: হুমায়ুন কবীর ও ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) মো: নুরএলাহি মিনা। জাতির পিতা, জাতীয় চারনেতাসহ মুজিবনগর সরকারের যে সকল সদস্য শহীদ হয়েছেন, পরলোকগমণ করেছেন তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে অনুষ্ঠান শেষে দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি জনাব মো: তৌফিকুর রহমান।


নেত্রকোনা জেলা এসোসিয়েশন ইউএসএ’র বাংলা বর্ষ বরণ

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন নেত্রকোনা জেলা এসোসিয়েশন ইউএসএ ইন্ক বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপন করে বাংলা নববর্ষ।

Picture

নিউইয়র্কে জ্যামাইকার পানসী পার্টি হলে গত ১৬ এপ্রিল রোববার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণিল সাংস্কৃতিক উৎসব ও নেত্রকোনা প্রবাসীদের মিলন মেলা। বর্ষ বরণ উৎসবে নেত্রকোনা প্রবাসীদের ঢল নামে। প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশননা ছাড়াও জমজমাট এ উৎসবে ছিল পান্থা-ইলিসসহ বর্ণিল সব আয়োজন।

alt
নেত্রকোনা জেলা এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সভাপতি মো. বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম আনোয়ারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার ড. খায়রুল কবির। আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে আনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ইকবাল হায়াৎ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামিম আহসান, সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, সংগঠনের উপদেষ্টা মো. খায়রুল ইসলাম, খান মাহমুদ নিপু, মোস্তফা জামাল ইদ্রিসী, ইকবাল হায়াৎ খান, লুৎফর বারি, বজলুর রহমান নয়ন ও হারুনুর রশিদ, প্রধান পৃষ্ঠপোষক উপদেষ্টা মো. বশির ফারুক।

alt
অধ্যাপক সালাউদ্দিন তালুকদারের উপস্থাপনায় পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত এবং বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়।অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছাড়াও বর্ষ বরণ উৎসব কমিটির আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম জামাল, সদস্য সচিব মো. জামাল উদ্দিন এবং প্রধান সমন্বয়কারী মো. আনোয়ারুল আলম ভূইয়া, সমন্বয়কারী অধ্যাপক ¯েœহাংশু সরকার, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান শফিক ও হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম সদস্য সচিব ফখরুল ইসলাম ও মনিরুজ্জামান রনি, অর্থ সচিব লোকমান হোসেন চৌধুরী, সদস্য দেবল কান্তি দত্ত, আবদুল্লা আল মোজাহিদ, প্রনয় কুমার পাল, মোখলেসুর রহমান সুজনসহ কমিটির নের্তৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পহেলা বৈশাখ উৎসব আমাদের বাঙালীর হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত সংস্কৃতির একটি অংশ। এ আয়োজনের মাধ্যমে প্রবাসে জন্ম নেয়া ও বেড়ে ওঠা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের কৃষ্টি-কালচারের সাথে পরিচিত করার একটি বড় সুযোগ।alt
বর্ষ বরণ উৎসব কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী মো. আনোয়ারুল আলম ভূইয়া নেত্রকোনা হাওর অঞ্চলে সম্প্রতি প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য প্রবাসীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। এসময় উপস্থিত সকলে তার এ আহ্বানে সাড়া দেন।

alt
পরে সাংস্কৃতিক পর্বে প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সাদিয়া লাহীন খান, নীপা জাহান, দেলোয়ার কবির, শাকিলা রুনা, সৈয়দ আহম্মদ বাবলাসহ অন্যান্যরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।alt

বিপুল সংখ্যক প্রবাসী গভীর রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।alt
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মো. বজলুর রহমান, সহ-সভাপতি হিতেন্দ্র দত্ত, ¯েœহাংশু সরকার, নুরুল হক ও মো. রফিকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম আনোয়ার, সহ-সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন ও দেবল কান্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাজাহান সফিক, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এএইচএম কায়সার, কোষাধ্যক্ষ মোবাশ্বির আহমেদ রুপন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জামাল, সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শাখের আহমেদ লেনিন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক সওকত জে খান পিনু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক, প্রচার সম্পাদক মুখলেসুর রহমান সুজন, ক্রীড়া সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ ক্রীড়া সম্পাদক আবদুল্লুাহ আল মুজাহিদ, শিক্ষা সম্পাদক কাজী তাজনিন শিপ্রা, সহ শিক্ষা সম্পাদক পলাশ আকন্দ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ইশরাতalt

জাহান শাম্মী, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক দোলা ফকরুল, সাহিত্য সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সোহাগ, সহ সাহিত্য সম্পাদক প্রপা দত্ত, দপ্তর সম্পাদক পলাশ ঠাকুর এবং কার্যকরী সদস্য মো. আনোয়ারুল আলম ভূইয়া, মো. আবুল বাসার, মো. শহীদুল্লাহ, জিল্লুর রহমান, ফখরুল ইসলাম ও লোকমান হোসাইন। পরামর্শক ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জহুরুল হক, অধ্যাপক মো. সালাউদ্দিন তালুকদার, মো. বশির ফারুক, মো. খায়রুল ইসলাম, ইকবাল হায়াৎ খান, খান হাসান মাহমুদ নিপু, লুৎফর আলী, বজলুর রহমান নয়ন ও হারুনর রশিদ।


নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এ “ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস” পালিত

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের দিনটিকে ”ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস” হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায়  পালন করে। দিনটি উপলক্ষ্যে ১৭ এপ্রিল সোমবার কনস্যুলেট জেনারেল-এ একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মুজিবনগর সরকারের ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরেন। এ উপলক্ষ্যে প্রেরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।  
কনসাল জেনারেল শামীম আহসান,এনডিসি, তার স্বাগত বক্তৃতায় বাংলাদেশের অভ্যূদয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনন্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। এসময় তিনি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত মুজিবনগর সরকার গঠনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। প্রথম সরকার কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনের জন্যে অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কর্মকান্ডের সমন্বয়ের কঠিন দায়িত্ব পালনের কথাও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে কনসাল জেনারেল জাতির পিতার স্বপ্ন “সোনার বাংলা” প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানান। কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাননীয় সদস্য জনাব আব্দুল মান্নান,এমপি তাঁর বক্তব্যে দিনটির ঐতিহাসিক পেক্ষাপট বর্ণনার সাথে সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন অভিযাত্রা সম্পর্কেও আলোকপাত করেন।

Picture
অন্যান্য বক্তারা দিনটির তাৎপর্য উল্লেখ করে বলেন যে, প্রবাসী বাংলাদেশীসহ বাংলাদেশের জনসাধারণ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে গঠিত মুজিবনগর সরকারের ঐতিহাসিক ভূমিকা সবসময় স্মরণ রাখবে। প্রাক্তন সংসদ সদস্য  মনিরুল ইসলাম মনি এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভায় কনস্যুলেট জেনারেলের কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, এবং প্রবাসী বাংলাদেশীরা অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

Bangladesh Consulate General in New York observes “Historic Mujibnagar Day”

Hakikul Islam khokan,Bapsnews” The Consulate General of Bangladesh in New York observed “Historic Mujibnagar Day” on 17 April,2017 in a befitting manner commemorating the oath-taking of the first Government of Bangladesh in 1971.

A discussion meeting was held at the Chancery in which the speakers touched on the importance of the day with special focus on the role of the Mujubnagar Government in steering the War of Liberation which eventually led to the independence of Bangladesh.

alt

Messages of the Honorable President and Honorable Prime Minister were read out.

In his remarks, Mr. Md. Shameem Ahsan, ndc, Consul General of Bangladesh in New York paid glowing tribute to the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman for his pioneering role and charismatic leadership in gaining independence for the country. He presented the historical facts and events leading to the formation of the Mujibnagar Government with the elected representatives. He specially highlighted on the role of the Mujibnagar Government in overseeing the War of Liberation and its commendable efforts to obtain international recognition and to unite the nation and lead it at both domestic and international fronts. In this regard, he urged expatriate Bangladeshis to come forward to materialize the dream of "Sonar Bangla" envisioned by the Father of the Nation. Mr.  Abdul Mannan, MP, Honorable Member of Parliamentary Standing Committee on the Ministry of Agriculture narrated the background of the historic day and also touched on the development journey under the dynamic leadership of the Honorable Prime Minister Sheikh Hasina.
 
Other Speakers, while highlighting the importance of the day, felt that all the citizens of the country including the expatriate nationals should never forget the historic role of the Mujibnagar Government in materializing the dreams of independence. Mr. Md. Monirul Islam, former Member of Parliament and President of US Awami League Dr. Siddiqur Rahman, were present, among others. Mission officials, prominent political and social leaders, and expatriate Bangladesh nationals were also present during the event.


নরসিংদী জেলা সমিতি ইউএসএ ট্রাষ্টি বোর্ড গঠন

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ৩রা মার্চ সোমবার নরসিংদী জেলা সমিতি ইউএসএ এর সভা এস্টোরিয়াস্থ বৈশাখী রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি  জাহিদুল হক অরুন এবং সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক  মাহবুবুর রহমান। সভার প্রধান বিষয় ছিল সংগঠনের ট্রাষ্টি বোর্ড গঠন।খবর বাপসনিঊজ:
সভায় আসন্ন পবিত্র রমজান, ইফতার মাহফিল, বার্ষিক বনভোজন আয়োজনে বিভিন্ন উদযাপন উপ-কমিটি গঠন সহ নানাবিধ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সকলের মতামতে আগামী ১১ই জুন ২০১৭ ক্লাব সনম, এস্টোরিয়ায় ইফতার মাহফিল এবং আগামী ৩০ জুলাই ২০১৭ বার্ষিক বনভোজনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।  সভার শেষ পর্যায়ে উপস্থিত সকলের ভোটাভুটির মাধ্যমে ট্রাষ্টি বোর্ড গঠন করা হয়।ইফতার মাহফিলকে সূচারুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আজহারুল ইসহাক খোকাকে আহবায়ক ও জসিম খন্দকারকে সদস্য সচিব এবং শহীদুল ইসলামকে প্রধান সমন্বয়কারী করে ইফতার মাহফিল ২০১৭ উদযাপন উপ-কমিটি গঠন করা হয়।


বার্ষিক বনভোজনকে সফল করার জন্য জনাব আনোয়ার হোসেনকে আহবায়ক ও মাসুদ মোল্লাকে সদস্য সচিব এবং হারুনুর রশীদকে প্রধান সমন্বয়কারী করে বার্ষিক বনভোজন ২০১৭ উদ্যাপন উপ-কমিটি গঠন করা হয়।
আলোচনা সভায় অংশ গ্রহন করেন বক্তব্য রাখেন  আনোয়ার হোসেন, শহীদুল্লাহ, আজহারুল ইসহাক খোকা, জসিম খন্দকার, মাহবুবুর রহমান মুকুল, আবুল হোসেন, এহসানুল হক বাবুল, শাহীন সিকদার, ইঞ্জি. নুরুল হক, ইমন প্রমুখ।আলোচনা পর্বের শেষে সংগঠনের বোর্ড অব ট্রাষ্টি সকলের ভোটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মিলিত ভোটে জনাব মোহাম্মদ হোসেন খান ট্রাষ্টি বোর্ডের প্রধান নির্বাচিত হন। ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্যগণ যথাক্রমে-
মোহাম্মদ হোসেন খান,     আবুল কালাম খান,     ইঞ্জি. এখলাস আহমেদ,         ইঞ্জি. এহসানুল হক,
মোঃ আবু সাইদ পন্ডিত,     মোঃ জাকির হোসেন,     মোঃ আসাদুজ্জামান,         মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান।

সভায় সমিতির সর্বাধিক সংখ্যক কার্যকরী কমিটির সদস্য উপস্থিত থেকে সভাকে অত্যন্ত প্রাণবন্ত করে তুলেন। রাতের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে সভাপতি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।