Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

জেবিবিএ’র নির্বাচন-২০১৫ ২০ নভেম্বর সাধারণ সম্পাদক পদে মাহবুবুর রহমান টুকু একক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ :নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সর্ববৃহৎ সংগঠন জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (জেবিবিএ) নিউইয়র্ক-এর দ্বি-বার্ষিক (২০১৬-২০১৭) নির্বাচন জমে উঠছে। আগামী ২০ ডিসেম্বর এই নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল মোতাবেক সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। জেবিবিএ’র আহ্বায়ক কমিটি/নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা মোতাবেক এই নির্বাচন প্যানেল ভিত্তিক না বলা হলেও দৃশ্যত: দু’টি প্যানেলেই নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এখন চলছে দুই প্যানেলের প্রার্থী চুড়ান্তকরণ প্রক্রিয়া। চলছে দুই প্যানেলের কর্মকর্তাদের বৈঠক। এদিকে প্যানেল ভিত্তিক নির্বাচনের সিদ্ধান্তে জেবিবিএ’র সদস্য বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। উলেলখ্য, জেবিবিএ’র আসন্ন নিবার্চনের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ২০-২১ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ২৪ নভেম্বর, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ২৭ নভেম্বর এবং নির্বাচন ২০ ডিসেম্বর, রোববার। খবর বাপসনিঊজ’র।
জেবিবিএ’র আহ্বায়ক কমিটি/নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল মোতাবেক ১৩-১৪ নভেম্বর যথাক্রমে শুক্র-শনিবার ছিলো মনোনয়নপত্র বিতরণ। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সম্ভাব্য দুই প্যানেল ‘জিকু-তারেক’ ও ‘দিদার-কামরুল’-এর  পক্ষ থেকেই জেবিবিএ’র ১৫ সদস্যের কার্যকরী পরিষদের জন্য একাধিক মনোনয়নপত্র ক্রয় করা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই প্যানেল দু’টির মধ্যে ‘জিকু-তারেক’ প্যানেল থেকে বিভক্ত জেবিবিএ’র একাংশের সাবেক সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ জিকু সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারেক খান সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন। অপরদিকে ‘দিদার-কামরুল’ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম প্রার্থী হচ্ছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে মাহবুবুর রহমান টুকু  একক প্রার্থী হচ্ছেন।

Picture

জানা গেছে, ‘জিকু-তারেক’ প্যানেলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে সহ সভাপতি পদে শাহ নেওয়াজ ও মোললা মাসুদ এবং কোষাধ্যক্ষ পদে জাকির মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে ‘দিদার-কামরুল’ প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদের তালিকায় রয়েছেন শাহ নেওয়াজ ও মনজুর চৌধুরী এবং কোষাধ্যক্ষ পদে লড়বেন সেলিম হারুন। এছাড়াও এই প্যানেল থেকে সাজ্জাদ হোসাইন সাংগঠনিক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানা গেছে।
নির্বাচন বিষয়ে জাকারিয়া মাসুদ জিকু বলেন, নির্বাচনী তফসিলের নিয়ম-কানুন মেনেই আমরা ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচন করতে চাই। তিনি বলেন, জেবিবিএ’র সকল পদেই আমরা প্রার্থী দেবো। এতে সর্ব¯তরের ব্যবসায়ীদের প্রতিফলন থাকবে।
আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম বলেন, আমরা সবার সাথে পরামর্শ করেই প্রতিনিধিত্বশীল প্রার্থী মনোনয়ন দেবো। আমরা সকল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের নিয়ে জেবিবিএ-কে আরো শক্তিশালী করতে চাই।এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেবিবিএ’র একাধিক সদস্য বাপসনিঊজ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে বলেন, জেবিবিএ’র নির্বাচন প্যানেল ভিত্তিক নাকি এককভাবেই হবে তানিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনেকের মধ্যেই ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অন্যান্য নির্বাচনের মতো জেবিবিএ’র নির্বাচন প্যানেল ভিত্তিক হলেই ভালো হতো। তাদের মতে যদি নির্বাচনে এক মতের, এক প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হন বা সংখ্যাগষ্ঠি পদে জয়লাভ করেন তাহলে সংগঠন পরিচালনা সহজতর হয়। তারা জেবিবিএ’র বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের সকল নিয়মাবলী প্রার্থীরা মেনে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে আহ্বায়ক কমিটি/নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবেন এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।  
আরো উলেলখ্য, ৫ সদস্য বিশিষ্ট্য জেবিবিএ’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন- সাঈদ রহমান মান্নান, এম এম রহমান, কাজী পারভেজ, মাহবুব চৌধুরী এবং কাজী মন্টু।
 ছবিতে গত ২০ ২০ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন আবদুর রহমান ও মাহবুব চেীধুরীর কাছে সাধারণ সম্পাদক পদে মাহবুবুর রহমান টুকু  একক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র  দাখিল করচ্ছেন মাহবুবুর রহমান টুকু,পাশে জেবিবিএ’র সাবেক সহ সভাপতি গিয়াস মজুমদার।ছবি:বাপসনিঊজ।


বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল সংবর্ধনা ফুটবলার আসলাম তার ক্রেস্ট উৎসর্গ করলেন শেখ কামালকে

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ও রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ফুটবলার শেখ মোহাম্মদ আসলামকে সংবর্ধনা দিয়েছে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল। সংবর্ধনা সভায় শেখ মোহাম্মদ আসলামকে বিশেষ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতেই এই ক্রেস্টটি প্রয়াত শেখ কামালকে উৎসর্গ করেন।

Picture

গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় ( নিউইয়র্ক সময়) জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিলের সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসিত খান বুলবুলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় এবং রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত খেলোয়াড় শেখ মোহাম্মদ আসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক অলিম্পিয়ান এবং আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় সাঈদুর রহমান ডন, জাতীয় দলের রেকর্ড হোল্ডার এবং আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় ও ঠিকানা সিওও সাঈদ-উর- রব, জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার মোস্তফা হোসেন মুকুল, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী, সংগঠনের সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাবেক জাতীয় এ্যাথলেট সৈয়দ এনায়েত আলী, আমিনুল ইসলাম লিটন, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিলের পৃষ্ঠপোষক শাসমুল আবেদীন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক বর্ণমালার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, কবীর চৌধুরী জসী, ওয়াহেদ কাজী এলিন, মোহাম্মদ আনোয়ার, রোমিও রহমান, তৈয়বুর রহমান টনি, সাংবাদিক সালাউদ্দিন, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিসবাহ আবদীন, বাংলাদেশ সোসাইটির সহ সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার প্রমুখ।

ফুটবলার আসলামকে নিউইয়র্কে সংবর্ধনা

শেখ মোহাম্মদ আসলাম তাকে সম্মান জানানোর জন্য অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আমি আজকে অভিভূত। কারণ আমি এখানে প্রাণ গোপালসহ অনেক খেলোয়াড়দের দেখতে পাচ্ছি। আমি আপনাদের মিস করি। তিনি বলেন, আজকে আমি আমার কোচ রহিম সাহেককে স্মরণ করছি। আমার বাবা মায়ের পরেই আমি তাকে স্থান দিয়েছি। তিনি বলেন, আমি স্বপ্ন দেখতাম ভাল ফুটবলার হবো, জাতীয় দলের ফুটবলার হবো। আপনারাই আমাকে সেই আসলাম বানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি আমার বাবার হাত ধরেই এই ফুটবলে এসেছি।তিনি অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, এরশাদের শাসনামলে আবাহনী ক্লাব বন্ধ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছিলো। আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। ঐ সময় বর্তমার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ডেকে কেঁদেছিলেন এবং আবাহনী ক্লাবকে তথা শেখ কামালের স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার অনুরোধ করেছিলেন। আমরা তার কথা রেখেছিলাম। আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছিলো। পরে তিনিও আমাদের পাশে ছিলেন এবং এখনো খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আজকে আপনারা সম্মান করে আমাকে যে ক্রেস্টটি দিয়েছেন আমি তা প্রয়াত শেখ কামালকে উৎসর্গ করলাম।


এইচ ওয়ান-বি ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :২০১৬ সালের পরে এইচ-ওয়ান বি ভিসার কার্যএর্ম তথা ফাইলিং যদিও ০১ এপ্রিল ২০১৬ সাল থেকে শুরু হবে, তবুও এখন থেকেই আবেদনকারীদের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করতে হবে। যেমন ঃ নিয়োগকারী খুঁজে বের করা। যারা বি-ওয়ান, বি-টু , এফ-ওয়ান সহ দ্বৈত ইচ্ছার আওতাধীন ভিসায় আছেন, তাদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই এক্্রটেনশন করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের রাষ্ট্রসমূহ থেকে যারা বিদেশী ডিগ্রিধারী আছেন তাদের ডিগ্রিসমূহ ইভেলুয়েশন করে নিতে পারেন।খবর বাপসনিঊজ।
উল্লেখ্য, এইচ-ওয়ান বি ভিসার আবেদনকারীকে ন্যূনতম আমেরিকার ব্যাচেলর সমতুল্য ডিগ্রিধারী হতে হবে। এখানে আরো উল্লেখ্য ,বাংলাদেশসহ বহু রাষ্ট্রের মাষ্টার্স ডিগ্রিধারী যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাচেলর ডিগ্রির মর্যাদা পান। আসছে  বছর ৬৫ হাজার ভিসা বিশ্বব্যাপী আবেদনকারীদের জন্য রয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে যারা মাষ্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন তাদের জন্য রয়েছে আরো অতিরিক্ত ২০ হাজার ভিসা । আপনি এইচ-ওয়ান বি ভিসার জন্য যোগ্য কিনা, তাছাড়া ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত আরো তথ্যের জন্য আইনজীবিদর সাথে যোগাযোগ করুন।


বাংলাদেশ সোসাইটির উদ্যোগে ২৯ নভেম্বর রোববার সাহিত্য সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হবে

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:২৯ নভেম্বর, রবিবার ,সন্ধ্যা ৫টায় বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব ভবনে (৮৬-২৪ হুইটনি এভিনিউ, এলমহাস্ট, নিউইয়র্ক-১১৩৭৩) এক সাহিত্য সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত সাহিত্য সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে কমিউনিটির কবি, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক শিল্পীদেরকে সোসাইটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনিকা রায় (ফোন -৩৪৭-৪৫৯-৮৯৯৮) এবং সাহিত্য সম্পাদক ওয়াহিদ কাজী এলিন (ফোন -৭১৮-৮৬৪-৭৬৪৭) উভয়ের সাথে তাদের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী পরিষদের পক্ষ থেকে উক্ত অনুষ্ঠানে সবাইকে উপস্থিত থেকে সাহিত্য সভা ও সাংস্কতৃতিক সন্ধ্যা উপভোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।


আটলান্টিক সিটিতে মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ বোরহানউদদীনের জানাজা সম্পন্ন

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫

বাপসনিঊজ:আটলান্টিক সিটি থেকে : গত ২৪শে নভেম্বর মঙ্গলবার জোহরের নামাজ শেষে আটলান্টিক সিটির আল হেরা মসজিদে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও সাউথ জার্সি মেট্রো আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মরহুম আলহাজ বোরহানউদদীন এর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আল হেরা মসজিদে তাঁর মরদেহ এসে পৌঁছলে সেখানে এক বেদনাবিধুর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।মরহুমের জানাযায় সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী অংশগ্রহন করে।জানাজা শেষে আলহেরা মসজিদ প্রাঙ্গণে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে তাঁর কফিনে পুস্পস্তবক প্রদানের মাধ্যমে মরহুমের প্রতি সন্মান্ প্রদর্শন করা হয়।

Picture

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে মুক্তিযোদ্ধারা কফিনের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকেন।এই সময় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা জনাব জাহাঙ্গির হোসেন ভূঁইয়া। এরপর তাঁর লাশ নিয়ে যাওয়া হয় নিউইয়র্ক এর ব্রুকলিনে। সেখানে বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টারে বাদ এশা দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।এরপর মরহুমের লাশ দাফনের জন্য বাংলাদেশে নেওয়া হবে।

alt

উল্লেখ্য মরহুম আলহাজ বোরহানউদদীন গত ২২শে নভেম্বর, রবিবার সন্ধ্যা সাতটায় যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন( ইন্নালিল্লাহে ওয়াইন্নাইলাহী রাজীউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ঊনষাট বছর।মৃত্যুর পূর্বে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে , এক মেয়ে , এক নাতি ও এক নাতনি রেখে গেছেন।প্রায় কুড়ি বছর ধরে তিনি আটলান্টিক সিটিতে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি ছিলেন সদালাপী, বন্ধুবৎসল , সজ্জন এক ব্যক্তিত্ব । মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি আটলান্টিক সিটির বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আটলান্টিক সিটির বাংলাদেশ কমিউনিটিতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫

বাপসনিঊজ:জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে এই পরিচয়পত্র পেশ করেন।

মাসুদ বিন মোমেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের চতুর্দশ স্থায়ী প্রতিনিধি। তিনি বিদায়ী স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেনের স্থলাভিষিক্ত হলেন। এর আগে সর্বশেষ মাসুদ মোমেন জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরিচয়পত্র পেশকালে স্থায়ী প্রতিনিধি জাতিসংঘ মহাসচিবের নিকট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জাতিসংঘ মহাসচিব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যেরও প্রশংসা করেন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ অর্জনেও বাংলাদেশ আরো বেশি সফল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন বান কি মুন।

জাতিসংঘের উদ্যোগে আগামী বছরের সাধারণ পরিষদ বৈঠকের অব্যবহিত পূর্বে অনুষ্ঠিতব্য অভিবাসন সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। বাংলাদেশ ২০১৬ সালে ‘গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন এন্ড ডেভলপমেন্ট’ এর সভাপতি হিসেবে অভিবাসন ও উন্নয়নে নেতৃত্ব প্রদান করবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ 

১৯৭২ সাল থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশের সঙ্গে তার নিজ দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন প্রক্রিয়া এবং পরবর্তীতে জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে বাংলাদেশে তার বিভিন্ন কর্মকা্ল তুলে ধরেন বান কি মুন।

নবনিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি আগামী বছর ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যানেটারিয়ান সামিট’ আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করায় মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান। তিনি জাতিসংঘে এলডিসি গ্রুপের সভাপতি, শান্তিরক্ষা, পিস বিল্ডিংসহ টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ মোমেন অটিজম সচেতনতা সৃষ্টি ও এর প্রতিরোধে মিসেস বান কি মুনের আগ্রহের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আগামী বছর বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উদযাপন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানান।

পরিচয়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে স্থায়ী প্রতিনিধির পত্নী ফাহমিদা জেবীন, মিশনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সাদিয়া ফয়জুননেসা এবং জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মিরেশ্লাভ জেনকা উপস্থিত ছিলেন। পরিচয়পত্র পেশকালে মিসেস বান কি মুনও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।


সাকা চেীধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের ফাঁসী কার্য্যকর করায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক তাৎক্ষনিক “আনন্দ উল্লাস”

মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: মানবতাবিরোধী অপরাধী সাকা চেীধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের ফাঁসী কার্য্যকর করায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক তাৎক্ষনিক “আনন্দ উল্লাস” কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। গত ২২ নভেম্বর,রবিবার, ৩৭-০৭, ৭৩ ষ্ট্রীট জ্যাকসন হাইটস, নিউইয়র্ক, এনওয়াই- ১১৩৭ ইং এর ইত্যাদি গার্ডেনের দুতলায় অনুিষ্ঠত হবে।খবর বাপসনিঊজ:

Picture

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ বসারত আলী এবং সভা পরিচালনা করেন অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক আইরীন পারভীন। কুখ্যাত রাজাকার ঘাতক, ধর্ষক ও দাম্ভীক মানবতাবিরোধী অপরাধী রাজাকার শিরোমনী জামাতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোঃ মুজাহিদ ও সাকা চেীধুরীর ফাঁসী কার্য্যকর করায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একে অপরকে মিষ্টি মূখ করিয়ে আনন্দ উল্লাস প্রকাশ উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

alt

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি আবুল কাশেম, সামছুদ্দীন আজাদ, লুৎফুল করিম সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ, আব্দুর রহিম বাদশা, আইন বিষয়ক সম্পদক এ্যাড. শাহ মোঃ বখতিয়ার আলী, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক সোলেয়মান আলী, কোষাধ্যক্ষ আবুল মনসুর খান, উপ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক, কার্যকরী সদস্য শরীফ কামরুল আলম হীরা, হোসেন সোহেল রানা, আশাফ মাসুক, জহিরুল ইসলাম, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান মিয়া, সহ সভাপতি শেখ আতিক, নিউইযর্ক সিটি আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এ.কে.এম. আলমগীর, উপদেষ্টা বিএম জাকির হোসেন হিরু ভুইয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আশরাফ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সবল দেব নাথ, সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন নান্নু, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মততাজ শাহনাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুমানা আক্তার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুনাহার গিনি, সাস্কৃতিক সম্পাদক সবিতা দাস, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেড এ জয়, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন আকন, পাভেল খান, হায়দার আলী, ফাহিম আহমেদ, সজিব মোর্শেদ, আরিফুল হক, সৈযদ আতিকুর রহমান প্রমূখ।

alt

সভার সভাপতি তার বক্তব্যে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী কার্য্যকর করায় ধন্যবাদ জানান এবং বলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহস, কমিটমেন্ট ও দৃঢ়চেতা নেতৃত্ব আজ একাত্তরের খুনী ধর্ষক ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে তার সাজা কার্য্যকর করলেন। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে তার দীর্ঘায়ু ও সূস্বাস্থ কামনা করেন।আবুল কাশেম সকলকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহন করার জন্যে ধন্যবাদ জানান এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে দলের যারা “লায়াবিলিটি” তাদেরকে বাদ দিয়ে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে চালাতে হবে। সামছুদ্দীন আজাদ তার বক্তব্যে বলেন ন্যূরেমবার্গ ট্রায়ালের চেয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহীমূলক টাইবুনালের মাধ্যমে যে বিচার করা হচ্ছে তা চ্যালেঞ্জ করার সূযোগ নাই। খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করে সন্ত্রাসবাদও যুদ্ধপরাধীদের পৃষ্টপোষকতার অপরাধে বিচার করার দাবী জানান তিনি।

alt

ফারুক আহমেদ বলেন যারা সংগঠনকে দ্বিধাবিভক্ত করে গঠনতন্ত্রের ধারা ভঙ্গ করে সভা সমাবেশ ও অপকর্ম করেছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।পরে সকলকে মিষ্টিমুখ করিয়ে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সভায় আনন্দ উল্লাস করে ডিনার খেয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।


মৃত্যুদন্ড কার্যকর করায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ উল্লাস

মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজনে ৭১ এর যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মোজাহিদ এর ফাঁসি কার্য্যকর হওয়ায় নিউ ইয়র্কস্ত জ্যাকসন হাইটস এর ডাইভার সিটি প্লাজায় আনন্দ উল্লাস করেন ।

Picture

উপস্হিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আশরাফ উদ্দিন, ও সাধারণ সম্পাদক সুবল দেবনাথ সিনিয়র সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, আব্দুল হামিদ, এস ইসলাম মামুন, হাসান জিলানী, কবির আলী, জাফর আহম্মেদ, এবাদুল হক, অতুল প্রসাদ রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট, কামাল হোসেন রাকিব, সোহেল কতোয়াল, দপ্তর সম্পাদক গোলাম মুস্তফা, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক সুবল দেবনাথের সহধর্মিনী অজন্তা ভৌমিক সহ অন্যান্য প্রগতিশীল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

alt


যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির উদ্যোগে প্রতিবাদ সভায় বক্তারা - সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী রাজনৈতিক হত্যার দায়ে বাংলার মাটিতে হাসিনার বিচার হবে

মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৫

বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ জাতীযতাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য  সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী হত্যার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, সালাউদ্দিন কাদের সহ সকল হত্যাকান্ডের বিচার বাংলার মাটিতে দেশপ্রেমিক জনতা করবে ইনশাল্লাহ। নব্যস্বৈরশাসক হাসিনার মিথ্যা প্রহসনের বিচারিক হত্যাকান্ড, গুম ও খুন, মিথ্যা মামলা, জেল-জুলুম ও হুলিয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করা হয সভায়।খবর বাপসনিঊজ।
সিটির ব্রুকলিনস্থ পান্জাব রেস্টুরেন্ট পার্টি হলে ২২শে নভেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার। সভায় বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সহ সভাপতি ইলিয়াস আহমেদ মাস্টার, মনজুর আহমেদ চৌধুরী, সামসুল ইসলাম মজনু, আনোয়ার হোসেন, নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, আবুল কাশেম, মমিনুল হক, এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি, ও এমদাদুল হক কামাল ছাঢ়াও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা বাকির আজাদ, ডা. জাহিদ দেওয়ন শামীম প্রমুখ।
  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত ও শাহাদাত কামানায় দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। সভা পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা ড. গিয়াস মজুমদার।
সভায় বক্তারা বলেন, ইসলামি মুল্যবোধ ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শ ধংস করে দেশে এক ব্যক্তির শাসন কায়েম করার জন্য সরকারি ষড়যন্ত্র ও নীলনকশার অংশ হিসেবেই এই বরেণ্য প্রতিভাবান রাজনীতিক ও জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগই কল্পিত ও বানোয়াট। রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। মূলত বিএনপি ও বিরোধী দলকে নেতৃত্ব শুন্য করে সরকার অবৈধ ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতেই একজন বরেণ্য জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা করেননি। একজন মু’মিন কখনো কোন মানুষের কাছে প্রাণভিক্ষার প্রশ্নই ওঠে না। তার পরিবারের পক্ষেও প্রাণভিক্ষার বিষয়টি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। মূলত সরকার শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আপোষহীন চেতনা ও ঈমানী দৃঢ়তাকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালিয়েছে। কিন্তু এতে সরকার সফল হয়নি। সভাপতির বক্তব্যে ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী হত্যাকান্ডকে পুর্ব পরিকল্পিত উল্লেখ করে বলেন এই হত্যার জন্য অবৈধ হাসিনার বিচার করা হবে। সকল দেশপ্রেমিক জনতা ইসলামি মুল্যবোধ ও জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সব ধরনের জাতিঘাতী এবং রাষ্ট্রঘাতী অপকৌশলের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে এবং হাসিনার একদলীয় শাসনের পতন ঘটাতে হবে।
সভায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে মাহমুদুর রহমান চৌধুরী, খাইরুল বাশার, নাজমুল হাসান মানিক, শাজাহান শেখ, জাফর তালুকদার, সফি আলম লাল, সৈয়দুল হক, শাজাহান শেখ, জাফর তালুকদার, ডা. তারেক, সুরুজ্জামান, ফারুক হোসেন মজুমদার, আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. মাহবুবুর রহমান লিপন, পারভেজ সাজ্জাদ, বদরুল হক আজাদ, শরীফ চৌধুরী, নাসির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের সন্তোষ প্রকাশ

মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:বাংলাদেশের আন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-৭১এর শীর্ষ দুই যুদ্ধাপরাধী ও মানবতার বিরোধী অপরাধী ৭১এর আলবদর বাহিনী প্রধান আলী আহসান মুজাহিদ ও বিএনপি’র নেতা সাকা চৌধুরী ফাঁসি কার্যকর করায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড সন্তোষ প্রকাশ করে। এর ফাঁসি মধ্য দিয়ে বাঙালী জাতি মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদের ঋণ কিছুটা হলেও ভারমুক্ত হলো। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সরকারের নিকট দাবী জানাচ্ছে যেন বাকি যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধী অপরাধীদের-যে দলেই লুকিয়ে থাকুক না কেন-খুজে বের করে সাজা আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সেই সাথে ট্রাইবুন্যালের সংখ্যা বর্তমানে এক থেকে বৃদ্ধি কওে একাধিক ট্যাইবুন্যালের মাধ্যমে দ্রুত বিচার কার্য সম্পন্ন কওে জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে ঘৃনীত অপরাধের বিচার সম্পন্ন করার দাবী জানানো হয়।খবর বাপসনিঊজ:
বিবৃতি দাতাগণঃ আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল কাদির, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম সরকার, মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা শরীফ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল হোসেন মৃধা, মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আলী আহমদ, সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগকারী মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এ এস এম মাসুদ ভূঁইয়া, মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবীর, মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহিদুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনসুর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াছ আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মিছবাহ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা  কেএইচএম মঞ্জুর আলী ননতু, মুক্তিযোদ্ধা আমানতউল্লাহ ,মুক্তিযোদ্ধা মলিন চন্দ্র সাহা, মুক্তিযোদ্ধা দেবেন্দ্র চন্দ্র দাস, মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলী, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, মুক্তিযোদ্ধা কাজী শফিকুল হক, মুক্তিযোদ্ধা আলেয়া শরীফ, মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার, মুক্তিযোদ্ধা আমীর আলী, মুক্তিযোদ্ধা জাফর আলী খান, মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা কাজী শফিকুল হক, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, মুক্তিযোদ্ধা  ইমদাদুল হক, মুক্তিযোদ্ধা  রুহুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা মোবারক হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা এম রহমান খুররম, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক ইসলাম।


জেবিবিএ’র নির্বাচন-২০১৫ : মনোনয়নপত্র গ্রহণ ২০-২১ নভেম্বর

সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ :নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সর্ববৃহৎ সংগঠন জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (জেবিবিএ) নিউইয়র্ক-এর দ্বি-বার্ষিক (২০১৬-২০১৭) নির্বাচন জমে উঠছে। আগামী ২০ ডিসেম্বর এই নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল মোতাবেক সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। জেবিবিএ’র আহ্বায়ক কমিটি/নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা মোতাবেক এই নির্বাচন প্যানেল ভিত্তিক না বলা হলেও দৃশ্যত: দু’টি প্যানেলেই নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এখন চলছে দুই প্যানেলের প্রার্থী চুড়ান্তকরণ প্রক্রিয়া। চলছে দুই প্যানেলের কর্মকর্তাদের বৈঠক। এদিকে প্যানেল ভিত্তিক নির্বাচনের সিদ্ধান্তে জেবিবিএ’র সদস্য বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। উল্লেখ্য, জেবিবিএ’র আসন্ন নিবার্চনের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ২০-২১ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ২৪ নভেম্বর, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ২৭ নভেম্বর এবং নির্বাচন ২০ ডিসেম্বর, রোববার। খবর বাপসনিঊজ’র।

Picture

জেবিবিএ’র আহ্বায়ক কমিটি/নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল মোতাবেক ১৩-১৪ নভেম্বর যথাক্রমে শুক্র-শনিবার ছিলো মনোনয়নপত্র বিতরণ। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সম্ভাব্য দুই প্যানেল ‘জিকু-তারেক’ ও ‘দিদার-কামরুল’-এর  পক্ষ থেকেই জেবিবিএ’র ১৫ সদস্যের কার্যকরী পরিষদের জন্য একাধিক মনোনয়নপত্র ক্রয় করা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই প্যানেল দু’টির মধ্যে ‘জিকু-তারেক’ প্যানেল থেকে বিভক্ত জেবিবিএ’র একাংশের সাবেক সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ জিকু সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারেক খান সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন। অপরদিকে ‘দিদার-কামরুল’ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম প্রার্থী হচ্ছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে বাহবুবুর রহমান টুকু  একক প্রার্থী হচ্ছেন।
জানা গেছে, ‘জিকু-তারেক’ প্যানেলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে সহ সভাপতি পদে শাহ নেওয়াজ ও মোললা মাসুদ এবং কোষাধ্যক্ষ পদে জাকির মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে ‘দিদার-কামরুল’ প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদের তালিকায় রয়েছেন শাহ নেওয়াজ ও মনজুর চৌধুরী এবং কোষাধ্যক্ষ পদে লড়বেন সেলিম হারুন। এছাড়াও এই প্যানেল থেকে সাজ্জাদ হোসাইন সাংগঠনিক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানা গেছে।
নির্বাচন বিষয়ে জাকারিয়া মাসুদ জিকু বলেন, নির্বাচনী তফসিলের নিয়ম-কানুন মেনেই আমরা ঐক্যবদ্ধভাবেই নির্বাচন করতে চাই। তিনি বলেন, জেবিবিএ’র সকল পদেই আমরা প্রার্থী দেবো। এতে সর্ব¯তরের ব্যবসায়ীদের প্রতিফলন থাকবে।
আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম বলেন, আমরা সবার সাথে পরামর্শ করেই প্রতিনিধিত্বশীল প্রার্থী মনোনয়ন দেবো। আমরা সকল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের নিয়ে জেবিবিএ-কে আরো শক্তিশালী করতে চাই।এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেবিবিএ’র একাধিক সদস্য বাপসনিঊজ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে বলেন, জেবিবিএ’র নির্বাচন প্যানেল ভিত্তিক নাকি এককভাবেই হবে তানিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনেকের মধ্যেই ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অন্যান্য নির্বাচনের মতো জেবিবিএ’র নির্বাচন প্যানেল ভিত্তিক হলেই ভালো হতো। তাদের মতে যদি নির্বাচনে এক মতের, এক প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হন বা সংখ্যাগষ্ঠি পদে জয়লাভ করেন তাহলে সংগঠন পরিচালনা সহজতর হয়। তারা জেবিবিএ’র বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের সকল নিয়মাবলী প্রার্থীরা মেনে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে আহ্বায়ক কমিটি/নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবেন এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।  
আরো উলেলখ্য, ৫ সদস্য বিশিষ্ট্য জেবিবিএ’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন- সাঈদ রহমান মান্নান, এম এম রহমান, কাজী পারভেজ, মাহবুব চৌধুরী এবং কাজী মন্টু।