Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

ওয়ার্ল্ড হিউমান রাইটস ডিভেলপমেন্ট এর রোহিঙ্গা বিষয়ক সেমিনার

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

নিউইয়র্কের উডসাইডস্থ গুলশান টেরাস মিলনায়তনে ১৮ই ডিসেম্বর সোমবার সমাজের বুধদ্ধিজীবী মহলসহ আমেরিকান মানবিধিকার কর্মী ও নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, মেয়র অফিসের কর্মকর্তা ও বিপুল সংখক দেশ প্রেমিক মানবাধিকার কর্মীর উপস্থিতিতে সকলে উপরোক্ত বক্তব্যের আলোকে একমত প্রকাশ করেন I

alt
সেমিনারের শুরুতে ৯ / ১১ সহ সকল সন্ত্রাসবাদের যাঁতাকলে যে সকল জীবন পিষ্ট হয়েছেন তাদের সম্মান জানিয়ে এক নীরবতা পালন করে রোহিঙ্গ্যা ট্রাজেডি বিষয়ে সেমিনারের কর্মসূচি শুরু হয় I
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে রোহিঙ্গ্যা বিষয় বিশদ আলোচনা করেন জাতিসংঘে নিয়োজিত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন I ওয়ার্ল্ড হিউমান রাইটস ডিভেলপমেন্ট এর রোহিঙ্গা বিষয়ক সেমিনারে'র শুরুতে সংগঠনের সভাপতি শাহ শহিদুল হোক আগত অতিথিদের উদ্দশ্যে স্বাগত বক্তব্য পেশ করেন I তিনি তার নাতিদীর্ঘ বক্তব্যে সংগঠনের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ কর্মকান্ড উপস্থাপন করেন I তিনি বলেন আজকের এই সেমিনার'ই ইতিহাসের মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে I আমরা অতীতে বাংলাদেশের সমস্ত দুর্গত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন সিডর, পুরান ঢাকার নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিদগ্ধ পরিবারের প্রতি আর্থিক সাহায্য, রানা প্লাজা'র শ্রমিকদের মধ্যে নিহত এবং আহত পরিবারে সদস্যদের অনুদান  মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নিউইয়র্কস্থ কনসুলেট জেনারেলের মাধ্যমে প্রেরণ করি I ওয়ার্ল্ড  হিউমান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ১৯৯৪ সালে আর্ত মানবতার সেবায় এত্ত নিয়োগ করবার প্রত্যয় অঙ্গীকার করে আত্ম প্রকাশ করেছে I

Picture
আমরা রোহিংগাদের স্বাধীনতা আদায়ের জন্য ইতোপূর্বে তিনটি বিক্ষভ সমাবেশ করেছি I আজ আমরা তাদের পক্ষ্যে সেমিনার করছি I আন্তর্জাতিক মহলসহ জাতিসংঘের শান্তি মিশনকে ন্যায্য হিস্যার জন্য সকল স্থায়ী সমাধান চাই I তিনি বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইতিপূর্বে দুই লক্ষ রোহিংগাদের পুনর্বাসন করেছেন I বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন I সেজন্য এই দরিদ্র দেশের বোঝা লাঘব করার জন্য বাংলাদেশের সকল জনগণসহ প্রবাসী মহলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে I তিনি বাংলাদেশী আমেরিকানদের নিজ নিজ এলাকার কংগ্রেসম্যান এবং সিনেটরদেরকে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি অবলোকন করবার জন্য যোগাযোগ এবং প্রতিবাদ করবার জন্য অনুরোধ করেন I তিনি বলেন মায়ানমার সরকারের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র রোহিংগাদের মদ্ধে সীমিত নয় I তাদের স্থল, জলহস্তী এবং যুদ্ধ বিমান, বাংলাদেশের আকাশ সীমা লঙ্ঘন করে আন্তর্জাতিক আইন কানুন অবজ্ঞাসহ যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে, যেখানে চীন এবং ভারত তাদের সর্বাত্মক সাহায্য জোরে আসছে I তিনি রোহিঙ্গ্যা জনগোষ্ঠীকে সর্বাত্মক  নিরাপত্তাসহ জানমালের অধিকার রক্ষ্যার্থে নারী ও শিশুদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখার সুপারিশ করেন, যাতে তার বিপথগামী না হতে পারেন I
শাহ শহিদুল হক বলেন, " আমরা বলেছি, আমরা বলবো এবং আমাদের সংগ্রাম চলবে I তিনি বলেন জাস্টিস ডেলয়েড, জাস্টিস ডিনাইড I  আওয়ার ডিমান্ড ইস রিহ্যাবিলিটেশন উইথ একাউন্টেবিলিটি I
তিনি মাননীয় রাষ্ট্রদূতসহ সকল বক্তা ও আগত অতিথিমহলসহ যারা আমাদের আদর্শ ও উদ্দেশ্য সহ যারা আমাদের আদর্শ ও উদ্দেশ্যসহ যারা আমাদের আদর্শ ও উদ্দেশ্যকে প্রাণবন্ত করেছেন, তাদের সকলকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন I

alt
সেমিনারে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আকিকুর রহমান  সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তার বক্তব্যে  বলেন "  ভালো কাজ, মানবিক কাজে  ওয়ার্ল্ড হিউমান রাইটস ডিভেলপমেন্ট সবসময় আর্ত মানবতার জন্য  কাজ করে যাচ্ছে I
আরাকানবাসীরা এখন বাংলাদেশে শরণার্থী I আমরা চাইবো বাংলাদেশ সরকার যেন তাদের সমস্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন I সম্প্রতি নিউইয়র্ক সহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেন I তিনি আরো বলেন গত ১১ই ডিসেম্বর নিউইয়র্ক এর ম্যানহাটান টাইম স্কয়ারে এ আকায়েদুল্লাহ 'র ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা ও টেলিভশন যেভাবে সংবাদ পরিবেশন করছে তা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে এবং প্রবাসী বাঙালিরা ভীত সন্ত্রস্থ I তিনি প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য জোর দাবি জানান আকায়েদ উল্লাহ'র ঘটনা অন্যান্য ঘটনার মতো একটি সন্ত্রাসী ঘটনা I এর  জন্য কোনো দেশের সকলের প্রতি যেন অঙ্গুলি নির্দেশ না করা হয় I
দেশে বা প্রবাসে যখনি কোনো অনিয়ম ঘটে সেখানে ওয়ার্ল্ড হিউমান রাইটস ডিভেলপমেন্ট প্রতিবাদ জানায়, অধিকারের কথা বলে I
প্রধান অতিথি রাষ্ট্রদূত জনাব মাসুদ বিন মোমেন ওয়ার্ল্ড হিউমান রাইটস ডিভেলপমেন্ট'কে এ ধরণের সেমিনার আয়োজন করবার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন রোহিঙ্গা ক্রাইসিস  দ্বিপাক্ষিক বিষয়  হলেও এর সমাধানের জন্য জাতিসংঘ সহ বিশ্বের সকল নেতৃবৃন্দকে এগিয়ে আসতে হবে I
প্রধান অতিথি মাসুদ বিন মোমেন সকলকে একসাথে কাজ করবার অনুরোধ করেন I তিনি আরো জানান রোহিঙ্গ্যা ট্রাজেডি সমাধান একটি বা দুটি দেশের পক্ষে করা সম্ভব না I এর সমাধানের জন্য যেমন দরকার আন্তর্জাতিক শক্তি ও উন্নত দেশগুলোর সহযোগিতা ঠিক তেমনি দরকার দীর্ঘ সময়ের  I রাষ্ট্রদূত মোমেন রোহিংগাদের বর্তমান সমস্যাগুলো সকলের কাছে বিস্তারিত তথ্যসহ উপস্থাপন করেন যা সকলের  হৃদয় স্পর্শ করে I
কিনোট স্পিকার আদম ক্যারোল বলেন রোহিঙ্গারা নির্যাতিত নিপীড়িত I সেখানে পরিকল্পিত ভাবে জেনোসাইড হচ্ছে I পৃথিবীর নানা দেশের সংবাদ সংস্থা ও অবজারভার সংগঠনগুলো এর প্রমান পেয়েছে কিন্তু মায়ানমার সরকার তা শিকার করছে না I তিনি এর প্রতিকারের জন্য গোটা বিশ্বকে আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন I
 
আমেরিকান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি'র প্রেসিডেন্ট জনাব গোলাম মেরাজ বলেন' আমরা এর প্রতিকার স্বরূপ আন্তর্জাতিক মহলে কাজ করে যাচ্ছি I
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এটর্নি মঈন চৌধুরী, নিউ ইয়র্ক ইন্সুরেন্স ব্রোকারেজ কোম্পানির প্রেসিডেন্ট শাহ নেওয়াজ, সৈয়দ খাজা উমায়ের হাসান, সৈয়দা উম্মে ফাতেমা, I
সেমিনার শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি মাননীয় রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন'কে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয় I এর পর বিভিন্ন অঙ্গনে অবদান রাখার জন্য এটর্নি মেরি এস পনিস, রানো নেওয়াজ, মনি হোম কেয়ার, আসিফ বারি, সৈয়দ খাজা উমাইর হাসান ও সৈয়দা উম্মে ফাতেমাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় I অনুষ্ঠান নৈশ ভোজ ও সভাপতি শাহ শহিদুল হকের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সমাপ্তি হয় I


নিউ ইয়র্কে জয় বাংলা ধ্বনিতে আনন্দ-শোভাযাত্রা

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিউইয়র্ক এর কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণকে পটভূমিতে রেখে তার উপর লাল-সবুজের উড্ডীন জাতীয় পতাকা অঙ্কিত ব্যানার, জাতীয় পতাকা, ফেস্টুন, বেলুন শোভা পায় এ কর্মসূচিতে। শোভাযাত্রার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীগণ, নিরাপত্তাকর্মী অনেকেই থমকে দাঁড়ায়। তারা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানান।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি বজায় রাখতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ -জাতিসংঘে মাসুদ বিন মোমেন

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ :নিউইয়র্ক, ২০ ডিসেম্বর“প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি বজায় রাখতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ” -আজ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংরক্ষণ : আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার সমসাময়িক জটিল চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলা’ বিষয়ক এক উন্মুক্ত বিতর্কে অংশ নিয়ে একথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।
জাতিসংঘে ১৯৭৪ সালে প্রদত্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, “জাতির পিতার ভাষণে উদ্বৃত ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ মর্মবাণীকে আমরা আমাদের পররাষ্ট্র নীতির মূলে স্থান দিয়েছি”।

Picture
শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জাতীয় প্রেক্ষাপটের আলোকে রাষ্ট্রদূত মাসুদ তাঁর বক্তৃতায় বলেন, “দ্বন্দ্ব ও সংঘাত প্রতিরোধকে আমরা আমাদের প্রথম ও সর্বোচ্চ প্রাধিকারভুক্ত জাতীয় দায়িত্ব বলে মনে করি। সংঘাত সৃষ্টিকারী সম্ভাব্য উপাদান ও বিধ্বংসী অপতৎপরতা নির্মূল করতে আমাদের সরকার নারী ও যুবসম্প্রদায়সহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে”।
সংঘাতের প্রাথমিক লক্ষণসমূহ চিহ্নিত করার প্রতি বিশেষভাবে জোর দিয়ে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, “এটি অনুধাবনে ব্যর্থতা বা সীমাবদ্ধতার কারণেই হয়তোবা বার বার সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে এবং আমরা সকলেই এ বছর আগস্ট মাসে মিয়ামারের রাখাইন প্রদেশে ‘জাতিগত নিধনের টেক্সবুক উদাহরণ’ -এর মত নির্মমতার স্বাক্ষী হয়েছি”।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর অন্যতম বৃহৎ একটি দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “জাতিসংঘের ‘সংঘাত মোকাবিলা কৌশল’গুলোকে রাজনৈতিক সমাধানের বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে আসতে হবে”।
নিরাপত্তা পরিষদের চলতি মাসের সভাপতি জাপান এ উন্মুক্ত বিতর্কের আয়োজন করে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেজ অনুষ্ঠানটিতে বক্তব্য রাখেন।

alt
“Bangladesh will continue to work towards realizing our Prime Minister Sheikh Hasina’s vision for regional and international peace” –said Ambassador Masud Bin Momen, Permanent Representative (PR) of Bangladesh to the UN, today, at an open debate on “Maintenance of international peace and security: addressing complex contemporary challenges to international peace and security” at the UN Security Council.
Referring to the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman’s speech at the UN on 25th September 1974, Ambassador Masud said, “Imbued by our Father of the Nation’s maiden pronouncement here at the UN in 1974 “Friendship to all, malice to none” we are pursuing our foreign policy imperatives”.

alt
From Bangladesh’s national perspective, Ambassador Masud added, “We consider conflict prevention to be the first and foremost national responsibility. Our government has ensured active participation of all segments of the society, including women and youth in mitigating the potential drivers of conflict as well as elements with a propensity to act as ‘spoilers’”.
Ambassador Masud emphasized on deciphering the early warning signs of conflict. He said, “The failure or limitation in doing so was perhaps evident once again in the ‘text book case of ethnic cleansing’ we witnessed in Myanmar’s Rakhine State in August this year”.
Highlighting Bangladesh position as one of the highest troop contributors to the UN peacekeeping operations, the PR said, “The UN’s conflict response strategies need to be situated within the broader framework for political solution to conflicts.
The Open Debate was organised by the Japan, President of the Security Council for the month of December. UN Secretary-General António Guterres also delivered his statement at the event.


নিউইয়র্কে বাসায় ঢুকে বাংলাদেশিকে গুলি

রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশি–অধ্যুষিত এলাকা এস্টোরিয়ায় মহিবুল ইসলাম (৫২) নামের এক প্রবাসী নিজের বাসায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁর পায়ে গুলি লাগায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন। ২১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মহিবুল ইসলাম এস্টোরিয়ার ২৪ স্ট্রিটে নিজ অ্যাপার্টমেন্টে গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে স্থানীয় মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Picture


এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি বাসার দরজায় নক করার পর মহিবুল তাঁর পরিচয় জানতে চান। এ সময় ওই ব্যক্তি ইউপিএসের লোক বলে পরিচয় দেন। তখন মহিবুল দরজা খুলে দিলে ওই ব্যক্তি তাঁর মাথা লক্ষ্য করে পিস্তল তাক করেন। তিনি পিস্তলটি ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে গুলিটি লক্ষ্যভেদ করে তাঁর পায়ে লাগে। এ সময় আরও একজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে দরজার বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

ঘটনার পরপরই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যান এবং ৯১১-এর কল দিলে পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স গিয়ে মুহিবুলকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাঁর অবস্থা শঙ্কামুক্ত ।

আহত মহিবুলের বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজনগর বলে জানা গেছে। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে নিউইয়র্কে বসবাস করছেন।

দুর্বৃত্তকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ ২,৫০০ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

প্রকাশ্য দিবালোকে বাসায় ঢুকে মহিবুলকে গুলি করার ঘটনায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এমন হামলার কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আক্রমণকারী ছিনতাই বা কিছু নিয়ে যাওয়ার জন্য হামলা করেননি। বিষয়টি ‘বিদ্বেষপূর্ণ অপরাধ’ কি না, তাও বোঝা যাচ্ছে না।

দুর্বৃত্তকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে ২ হাজার ৫০০ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। প্রচারপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। প্রচারপত্রে সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সংগৃহীত দুর্বৃত্তের চারটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।


বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড আয়োজিত “বিজয় উল্লাস”

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে পর পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী, ১১ জন সেক্টর কমান্ডার, মুজিব বাহিনীর চার সেক্টর কমান্ডার সহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল সহযোদ্ধা ও স্বাধীনতা অর্জনে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর তাঁদের বিদেহী আত্মার alt

সভায় প্রধান অতিথি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ও বিশেষ অতিথি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুল জেনারেল শামীম আহসান রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেক মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পরই তাঁদেরকে সংগে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের মুক্তিযোদ্ধাগণ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেনস। সভা চলাকালীন সময়ে মুক্তিযুদ্ধের শ্লোগান “জয় বাংলা” ও “জয় বঙ্গবন্ধু” বারবার প্রতিধ্বনীত হয়।সভায় বক্তাগণ স্বাধীনতার মূলমন্ত্র- “সোনার বাংলা” গড়ার স্বপ্ন নিয়ে বিজয় অর্জনে ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সকল বাংলাদেশে,র নাগরিককে কাজ করার আহবান জানান। আজকের বাংলাদেশকে দূর্নীতি মুক্ত ও শোষন মুক্ত করার লক্ষ্যে জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান- তবেই হবে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান প্রদর্শন। “মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার – বারবার দরকার”।

alt

সভায় বক্তাগণ বলেন, প্রবাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যায়- কেউ কেউ নিজেরা মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও, নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলে পরিচয় দিতে কুণ্ঠাবোধ করেন না। অথচ বিগত ৪৬ বছরে নিজ নিজ এলাকায় প্রণিত মুক্তিযোদ্ধার কোন তালিকায় তাদের নাম নেই। এতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অপমান বোধ করেন। এই ধরনের অপকর্ম রোধ করার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। বাংলাদেশ সরকার যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে থানা ওয়ারী ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও সরকারী গেজেট সহ বিভিন্ন তালিকা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইট www.molwa.gob.bd -তে প্রকাশ করেছেন। তাই যারাই মুক্তিযোদ্ধা দাবী করবেন, তাদেরকে চিহ্নিত করার জন্য উক্ত ওয়েব সাইটে সন্ধান করার অনুরোধ ব্যক্ত করা হয়। প্রধান অতিথি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন তাঁর বক্তব্যে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক মূল্যায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ অতিথি কনস্যুল জেনারেল শামীম আহসান তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে প্রবাসীদের দায়িত্ব ও তার অফিস থেকে প্রদত্ব বিভিন্ন কার্যক্রমের বর্ননা দেন। সভায় উপস্থিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শণ করেন প্রবীন সাংবাদিক নিউইয়র্ক প্রেস ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি জনাব মাহবুবুর রহমান। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে সার্বিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন এটর্নী মঈন চৌধুরী।alt

সভায় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আমানত উল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম সরকার, মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুর ইসলাম মৃধা, মুক্তিযোদ্ধা এসএম রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কাজী শফিকুল হক, মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন সরদার, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মেহরাজ, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল হাই মঞ্জু, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আমিনুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মতিউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মলিন চন্দ্র সাহা, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমীন, মুক্তিযোদ্ধা আবু মোঃ সাব্বির রহমান মতি, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গির খান, মুক্তিযোদ্ধা আলেয়া শরীফ, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা প্রিতী রঞ্জন সাহা, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইব্রাহিম মিয়া। বিজয় উল্লাসে মামিল হন – মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল কাদির, মুক্তিযোদ্ধা এ এস এম মাসুদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম আজিম, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মিসবাহউদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা ডা: আলী আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা শরীফ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কে এইচ এম মঞ্জুর আলী (ননতু), মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহেদুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা বাদল কান্তি দে সরকার, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল আজীজ, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মইনুল রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল আবসার, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াজেদ আলী, মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা হাজী শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।


‘বাই’-এর আজীবন সদস্য পদ পেলেন পিপল এন টেক’র সিইও ইঞ্জিনিয়ার হানিফ এবং প্রেসিডেন্ট ফারহানা

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশান অব আমেরিকা (বাই )এর বিজয় দিবস এর আয়োজনে আজীবন সদস্যপদ পেলেন পিপল এন টেক এর সিইও আবু বকর হানিপ এবং ফারহানা হানিপ ।গত সতের ডিসেম্বর ভারজিনিয়ায় এই অনুস্থানে ডঃ ফাইযুল ইসলাম,শফি দেলয়ার,রজিনা আক্তার,ওয়াহেদ হুসাইনি,ডঃ সুলতান আহামেদ,কাম্রুল খান প্রমুখ আজীবন সদস্যপদ পান।

Picture

উক্ত অনুস্থানে পিপল এন টেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে বাই এর মাধ্যমে মেধাবি ছাত্রী আল শারকিয়াকে ৪০০০  ডলার মূল্যমানের ফুল স্কলারশিপ প্রদান করা হয় এবং পরবর্তী সময় এর জন্য বাই এর মাধ্যমে বাছাইকৃত আরও  দুই জন মেধাবি ছাত্রকে আরও ৪০০০ ডলার স্কলারশিপ প্রদান করা হয় ।

alt
আবু বকর হানিপ জানান শুরু থেকে এই পর্যন্ত অনেক মেধাবি অসচ্ছল স্টুডেন্টদেরকে পিপল এন টেক সাহায্য করে যাচ্ছে যা ভবিষ্যতেও করবে।শিক্ষার মাধ্যমে পিপল এন টেক কমিনিউনিটিতে  ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চায়।বিজয় দিবস উপলক্ষে এই অনুস্থানে পরে নাটিক,গান ও কবিতা পরিবেশিত হয় যা ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পরিপূর্ণ ।


জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশ ও উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষায় প্রবাসীদের অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তাগণ।জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৬ ডিসেম্বর ৪৭তম বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়।

Picture

সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপনের শুভ সূচনা হয়। এসময় মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।alt

সন্ধ্যার অনুষ্ঠান শুরু হয় মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে। আলোচনা অনুষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবি প্রবাসী বাঙালিদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে উঠে আসে জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে সূদীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, বাঙালির বিজয় অর্জনের ইতিহাস, দেশের ব্যাপক উন্নয়ন এবং রূপকল্প ২০২১ ও alt

রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক।অনুষ্ঠানের শুরুতেই দিবসটি উপলক্ষে দেয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

alt

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সর্বস্তরের প্রবাসী বাঙালিদের সমাগমে মুখরিত এ আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। রাষ্ট্রদূত মোমেন তাঁর বক্তব্যে বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি মহান স্বাধীনতার চেতনা বিকাশ ও ধর্মান্ধ-উগ্রপন্থীদের প্রতিরোধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, “ধর্মীয় সংকীর্ণতাকে পূঁজি করে উগ্রবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যাতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে না পারে সেদিকে প্রবাসীদেরকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে”। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ইউনোস্কো কর্তৃক স্বীকৃতির বিষয় উল্লেখ করে বলেন, “বীর বাঙালিরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো ৭ মার্চের ভাষণের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল”।alt

 এসময় উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাসহ সুধীগণ ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে বাংলাদেশ মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন প্রকম্পিত করে তোলে। রাষ্ট্রদূত ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রবাসী বাঙালিদেরর স্ব স্ব ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানী মিলিটারি যে নির্মম গণহত্যা চালিয়েছিল তার বিচার হলে এবং আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি স্বীকৃত হলে তা বিশ্বে গণহত্যা বন্ধে ভূমিকা রাখবে”। রাষ্ট্রদূত মাসুদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূবদর্শী নেতৃত্বে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করেন। সফলতার সাথে এমডিজি বাস্তবায়ন এবং এসডিজির বাস্তবায়ন দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা প্রবাসীদের জানান রাষ্ট্রদূত মাসুদ। তিনি বর্তমান সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে প্রবাসীদের দেশে রেমিটেন্স প্রেরণসহ আরও ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “দেশের মানুষের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের বিস্ময়”। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করতে পারে সেজন্য আগামী নির্বাচনেও তিনি আবারও শেখ হাসিনার সরকারকে বিজয়ী করতে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

alt

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ; জেনোসাইড-৭১ ফাউন্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র এর সভাপতি ড. প্রদীপ রঞ্জন কর; মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, যুদ্ধাহত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য ডা: মাসুদুল হাসান, বিশিষ্ট প্রবাসী বাঙালি ড. গুলশান আরা। বক্তাগণ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসে বাংলাদেশের ভূমিকা সমুজ্জ্বল করার মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ ও জাতির উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিতে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

alt

সভাপতির বক্তব্যের আগে গত ১০ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিজয় দিবস টেবিল টেনিস টুর্ণামেন্টের বিজয়ীদের মাঝে ‘বিজয় দিবস টেবিল টেনিস ক্রেস্ট’ পুরস্কার প্রদান করা হয়।উন্মুক্ত আলোচনা শেষে জাতির পিতা, জাতীয় চার নেতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ৩০ লাখ শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং বাংলাদেশের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করে দোয়া করা হয়।


নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগের মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও কার্যকরী কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষ্যে নিষ্ক্রিয় কর্মকর্তাদের স্থলে নিন্মোক্তদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়সহসভাপতি নুরুল আমিন, সহসভাপতি শাহীন ইবনে দিলওয়ার, সহসভাপতি সাইকুল ইসলাম, সহসভাপতি ফারুকুল হক। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-মোঃ শিমুল হাসান, দরুদ মিয়া রনেল, সৈয়দ ইলিয়াস খসরু। সাংগঠনিক সম্পাদক-মোঃ রশীদ রানা, আকবর হোসেন স্বপন। প্রচার সম্পাদক-মইনুর রহমান সোয়েব।পরবর্তীতে নিষ্ক্রিয় অন্যান্য কর্মকর্তাদের স্থলে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যক্রমে সামিল হতে আগ্রহীদের অন্তর্ভূক্ত করা হবে।বিজয় দিবস উদযাপনের কর্মসূচী শুরু হয় বাংলাদেশ ও ইউএসএর জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। এরপর সকল স্বাধীকার আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

alt

এই অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহসভাপতি আব্দুস শাকুর খান মাখন ও সঞ্চালনায় ছিলেন বিজয় দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিমুল হাসান। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগ নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামীলীগ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে বিজয় দিবসের আলোচনা স্মৃতিচারণে মুখরিত হয়ে ওঠে বিজয় উৎসব। বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সবাই তাদের মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাঁথা শুনতে পেরে উদ্বুদ্ধ হোন। সভায় বক্তারা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ কর্তৃক অতীতে বহিস্কৃত জাকারিয়া চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের কতিপয় নেতৃবৃন্দের পৃষ্ঠপোষকতার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

alt

সভায় উপস্থিত  ও বক্তব্য রাখেনঃ বিজয় দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, প্রধান অতিথি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ড.মনসুর আলী, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা ডাঃ মাসুদুল হাসান, ড.প্রদীপ কর, সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ রহিম বাদশা, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, জনসংযোগ সম্পাদক কাজী কয়েস, আইন সম্পাদক এড. শাহ বকতিয়ার, নির্বাহী সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা শংকর সরকার, রেজাউল করিম চৌধুরী, শরীফ কামরুল হীরা,মোজাহিদ আনসার, নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন আজমল, যুক্তরাষ্ট্র যুবকর্মীদের আহবায়ক তরিকুল হায়দার চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি, দরুদ মিয়া রনেল, সাধারণ সম্পাদক সুবল দেব নাথ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতিবৃন্দ, নুরুল আমিন, শাহীন ইবনে দিলওয়ার, সাইকুল ইসলাম ও ফারুকুল হক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, সাংগঠনিক সম্পাদক রশীদ রানা, প্রচার সম্পাদক মইনুর রহমান সোয়েব, ব্রুকলীন আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম নজরুল, চার্চম্যাকডোনান্ড ইউনিট কমিটির সভাপতি ইসমত হক খোকন।


খালেদাকে গ্রেফতার চায় প্রবাসীরা

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের  অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক নূরল আমিন বাবুর সঞ্চালনায় এ সমাবেশের প্রধান অতিথি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এবারের বিজয় দিবসের প্রেক্ষাপট একেবারেই ভিন্ন। সামনের বছরের জাতীয় নির্বাচনে আবারো শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোটকে ক্ষমতায় বসাতে এখন থেকেই সকলকে কাজ করতে হবে। ষড়যন্ত্র করে বিএনপি-জামাত জোট যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে সে ব্যাপারেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে অতন্দ্র প্রহরীর ভ’মিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।’

alt

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি লুৎফুল করিম এবং শামসুদ্দিন আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান এবং আবুল হাসিব মামুন, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, ত্রাণ সম্পাদক জাহাঙ্গির হোসেন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুজ্জামান। আলোচনায় আরো অংশ নেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাসুদ হোসেন সিরাজি, মোর্শেদা জামান এবং আলহাজ্ব আব্দুল কাদের মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নান্টু মিয়া, ম্যানহাটান বরো আওয়ামী লীগের নেতা আবুল কাশেম, ওজোনপার্কের নেতা এলডি কামাল, মুক্তিযোদ্ধা খোরশিদ আনোয়ার বাবলু প্রমুখ। সমাবেশে কুইন্স, ব্রুকলীন, ম্যানহাটান, ব্রঙ্কস বরোর বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দও সরব ছিলেন। উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী নিউইয়র্কে অবস্থান করা সত্বেও সমাবেশে উপস্থিত না হওয়ায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ সমাবেশের প্রারম্ভে সদ্য প্রয়াত মন্ত্রী ছায়েদুল হক এবং চট্টলার নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


নিউজার্সির প্যাটারসন সিটি হলের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার সঙ্গে উড়ছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

কাউন্সিলম্যান শাহীন খালিক-এর সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। তেলাওয়াত করেন বিশিষ্ট কমিউনিটি এ্যাকটিভিষ্ট সৈয়দ জুবায়ের আলী। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। কানায় কানায় পূর্ণ সিটি কাউন্সিল হলে উপস্থিত সবাই জাতীয় সঙ্গীতে গলা মেলান। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্ল্যাগ স্যালুটেশনে ছিলেন ইউ এস আর্মিতে কর্মরত বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আব্দুল হালিম।এরপর অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিসহ আগত অতিতিবৃন্দ বাংলাদেশের ৪৬তম বিজোয়ৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।পরে মেয়র জেন উইলিয়ামস বাংলাদেশ কন্স্যুলেট এর মাননীয় কন্সাল জেনারেল জনাব শামীম আহসানের হাতে প্রক্লেমেশন হস্তান্তর করেন। এসময় ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (উত্তর)এর প্যানেল মেয়র নারীনেত্রী ডেইজি সারোয়া কে ও বিশিষ্ট ব্যাক্তি হিসেবে সাইটেশন প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পর্বে নৃত্য পরিবেশন করে প্যাটারসনে বসবাসরত ক্ষুদে নৃত্যশিল্পী পুষ্পা পাল । সাউথ জার্সি থেকে আগত সৃষ্টি এ্যাকাডেমীর ছাত্র ছাত্রীদের পরিবেশিত গীতি নৃত্য নাট্যটি উপস্থিত দর্শকদের আবেগে আপ্লুত করে। এসময় দর্শকদেরকে চোখ মুছতে দেখা যায়। চমৎকার এ গীতি নাট্যটি পরিচালনা ও নির্দেশনায় ছিলেন সৃষ্টি এ্যাকাডেমীর কর্ণধার সূবর্ণা মেনন খান।

alt

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলার লাউতা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ জলিল, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের প্রতিষ্টাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম, , হেলডন বোর্ড অব ইউটিলিটি কমিশনার দেওয়ান বজলু চৌধুরী, নিউজার্সি আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মালিক চুন্নু , সাধারণ সম্পাদক শামিম আহমেদ, নিউজার্সি আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মুক্তাদির তোফায়েল, আওয়ামীলীগ নেতা সেলিম আহমেদ চৌধুরী, এ কে মজুমদার, রেজাউল করিম. নিউইয়র্ক থেকে আগত ডাক্তার মোহাম্মেদ মাহফুয হায়দার, নিউজার্সি স্টেট বি এন পি সভাপতি সৈয়দ জুবায়ের আলী, বি এন পি নেতা আনহার মিয়া, মিনহাজ আহমেদ, মুহাম্মদ মহসিন। কমিউনিটি এক্টিবিস্ট তাজ উদ্দিন, সাইদুর রহমান দাদা ভাই , রেখা বেগম,আবু সুফিয়ান, ফয়জুর রহমান ফটিক, আব্দুল হক , আব্দুর রাব্বানী, সফিউল আলম বাবলু, আব্দুল হেলিম, দিপু আহমেদ, মুহাম্মদ মাসনুন আহমেদ , আমিনুল ইসলাম, ওয়াজিদ আলী,ময়েজ আহমেদ সহ অনেকে। নিউজার্সি আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি নুরুজ্জামান সুহেল, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হাফিজ , যুবলীগ নেতা ফয়েজ আহমেদ, মাহফুজুর রহমান রুমন, ইমরান হোসাইন, শাজাহান হান্নান সাজু, সায়েক হোসাইন ,দীপ্ত রায়, মিন্টু আলী, ফয়েজ আলী. আলমগীর আলী।জালালাবাদ ট্রাভেলস এর প্রেসিডেন্ট ও নিরাপদ সড়ক চাই নিউজার্সি শাখার সদস্য সচিব মাশুক আহমেদ, প্যাটারসন পাবলিক স্কুলের শিক্ষক মুহম্মদ ফরিদউদ্দিন, প্যাটারসন পাবলিক স্কুলের স্পেশাল প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর গিলমান চৌধুরী,ও উত্তর আমেরিকা থেকে প্রকাশিত নিউজ ম্যাগাজিন ‘দিনবদল‘-এর সম্পাদক বিশ্বজিৎ দে বাবলু ।

alt

বাংলাদেশ ডে ২০১৭ উপSলক্ষে প্যাটারসন সিটিতে বসবাসকারী অভিবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে যারা ক্রিড়া, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য তেমন তিনজন ব্যক্তিকে এ বছর সিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে সাইটেশন অভ হনর প্রদান করা হয়েছে। সাইটেশন পাপ্তরা হলেন ক্রিড়ায় ক্রিকেটার হাবীব কাইস চৌধুরী , শিক্ষায় পাবলিক স্কুলের শিক্ষক জিয়ায়াউল করিম ও সাংস্কৃতিকে ইভেন্ট ইউ এস এর পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী।


পেনসিলভেনিয়া ষ্টেট আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উদযাপন

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি ড: সিদ্দিকুর রহমান, প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্জিত বিজয়ের সফলতা পরিপূর্ণ সার্থক হবে যদি বর্তমান সরকারের সার্বিক উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে আগামী নির্বাচনে জনগনের ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় আনা সম্ভব হয় । প্রধান বক্তা আব্দুস সামাদ আজাদ বলেন বহি;বিশ্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হচ্ছে সবচাইতে শক্তিশালী এবং সুসংগঠিত রাজনৈতিক সংগঠন। তিনি বলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগে নেতৃত্বের প্রতিযেগিতা থাকবে কিন্তু তার বহি:প্রকাশ মূল্যায়িত হবে একজন আদর্শিক কর্মি হিসেবে ।

alt

সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ বলেন মুক্তিযুদ্ধ, মহান স্বাধীনতা এবং জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন একই সূএে গাঁথা ।তিনি বলেন,বাংগালী জাতির সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান স্বাধীনতা যার চুড়ান্ত এবং সঠিক দিক নির্দেশনা ছিল ৭ই মার্চের ভাষনে ।সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল হাই মিয়অ বলেন, ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষনটি ইউনেস্কোর “Memory of the world international register “এ অন্তর্ভূক্ত করায় আবারও প্রমানিত হল ,স্বাধিনতার মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিশ্বে একজন অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন ,যার বজ্রকন্ঠে ছিল পৃথিবির নির্যাতিত ,নিপিরিত,শোষিত মানুষের পক্ষে । অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে গুরুতপূর্ন বক্তব্য রাখেন, সাধারন সম্পাদক হারুন নুর রশিদ, উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য ড: আশিষ রায়,এডভোকেট মতিউর রহমান,সহসভাপতি নিনা নাজনিন খান, মিজানুর রহমান,শান্তিপদ দত্ত ,লোকমান হোসেন রাজু,সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব কে রায়,প্রচার সম্পাদক সেলিম রেজা । সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন পেনসিলভেনিয়া ষ্টেট আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক আবু সাইদ খান ।