Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

ঢালিউড এওয়ার্ড ১৭ এপ্রিল আটলান্টিক সিটি, ২২ এপ্রিল নিউইয়র্কে

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

Picture

২৬ মার্চ সোমবার নিউইয়র্কে ‘মিট দ্য প্রেস’-এ এ তথ্য জানান সংস্থাটির প্রধান আলমগীর খান আলম। গত ১৬ বছর এ এওয়ার্ড বিতরণের অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটি সিটিতে হলেও এবার তার ব্যতিক্রম। ১৭ এপ্রিল বিশ্বখ্যাত ক্যাসিনো অধ্যুষিত আটলান্টিক সিটিতে এবং ২২ এপ্রিল নিউইয়র্ক সিটিতে এই আসর বসবে। আলম জানান, আগের মতো এবারও অনলাইনে ভোট নেয়া হচ্ছে বিভিন্ন ক্যাটাগড়িতে পুরস্কার প্রদানের জন্যে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র এবং টিভি জগতের খ্যাতনামা শিল্পী-অভিনেতা-অভিনেত্রীরা আসবেন। থাকবে চমক সারা জাগানো শিল্পী-অভিনেতাদের।  এ সময় নিউইয়র্ক ইন্স্যুরেন্স এর সিইও ও প্রেসিডেন্ট শাহনেওয়াজ সেখানে ছিলেন এবং এওয়ার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের সর্বাঙ্গিন সাফল্য কামনা করেন।


সাজুফতা সাহিত্য ক্লাব নিউইয়র্ক’র স্বাধীনতার কবিতানুষ্ঠান

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :নিউইয়র্কের অন্যতম সাহিত্য সংগঠন সাজুফতা সাহিত্য ক্লাব নিউইয়র্ক স্বাধীনতার কবিতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপন করেছে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস। স্থানীয় সময় ২৫শে মার্চ রোববার স্বাধীনতার কবিতা অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয় প্রয়াত কবি রফিক আজাদকে।

Picture

সাজুফতা সাহিত্য ক্লাব নিউইয়র্ক’র সভাপতি কবি জুলি রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে ভিন্ন আমেজের এ অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন কবি এবি এম সালেহ উদ্দিন। প্রথমে কবি শহীদ কাদরীর কবিতা পাঠ করেন নীরা কাদরী। একাধারে স্বরচিত কবিতায় থাকেন কবি রওশন হাসান, হাবীব ফয়েজী, মেহের চৌধুরী, কামরুন্নাহার রীতা, সাধন সিকদার, মাকসুদা আহমদ, মাসুম আহমদ, ড. দলিলুর রহমান, জুলি রহমান, ছন্দা বিনতে সুলতানা।

alt

আবৃত্তি শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন নিউইয়র্কের বলিষ্ঠ কন্ঠ গোপন সাহা, লুবনা কাইজার, মোঃ ইলিয়াস হোসেন এবং নতুন প্রজন্মের জনম।

alt  

 বাচিক শিল্পীগণ রফিক আজাদের কবিতা কন্ঠে ধারণ করেন এবং তাদের বলিষ্ঠ কন্ঠে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে অনন্য প্রাঞ্জল। সর্বশেষ আকর্ষণ জুলি রহমানের গীতি কাব্য। ঘরের ইঁদুর কাটে দাওয়া নাম যে রাজাকার। এতে তবলায় সংগত করেন আরিফ এবং গানে আহমদ বাবলা সহ জুলি রহমান ও মেহের চৌধুরী।অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম এবং সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ’র সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, কথাশিল্পী নাসরীন চৌধুরী। কমিউনিটি নেতা আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদারের বক্তব্যে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে টেলিকনফারেন্সে যোগ দেন কবি জুলি রহমানের বড় ভাই কবি ড. দলিলুর রহমান। তিনিও অসাধারণ আবৃত্তি করেন টেলিকনফারেন্সে।

altalt
অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় কবি জুলি রহমানের আবাসস্থলে। অনুষ্ঠানটির বিশেষ বিশেষ অংশ ‘ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম’ এর ফেইসবুকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।


উন্নয়ন-অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে প্রবাসীদের ঐক্য’র আহবানে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনতা দিবস পালিত

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

Picture

সমাবেশসমূহে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি বেঁচে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করাও হয়। ২৫ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’র স্বীকৃতি আদায়ে জাতিসংঘে দেন-দরবার অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

alt

জ্যাকসন হাইটসে মেজবান পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সমাবেশে সংগঠনের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘বিশেষ এক বার্তা নিয়ে এবার মহান স্বাধীনতা দিবস সমাগত। এদিন শপথ নিতে হবে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা রচনায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার। সামনের নির্বাচনে আবারো আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করতেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। তাহলেই ৩০ লাখ রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল বাঙালির ঘরে উঠানো সম্ভব হবে।’

alt

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যে শেখ হাসিনার সরকার সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়েছেন। একারণে অনেক রাজাকারও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। ভ’য়া মুক্তিযোদ্ধাদের কারণে প্রকৃত যোদ্ধারা সরকার প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা থেকে চরমভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন। এবারের স্বাধীনতা দিবসে সকলের সংকল্প হওয়া উচিত সকল ভ’য়া মুক্তিযোদ্ধাকে চিহ্নিত করার।’

alt

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এ আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন মাহবুবুর রহমান, সৈয়দ বসারত আলী, লুৎফুল করিম, আব্দুস সামাদ আজাদ, মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান, আবুল হাসিব মামুন, হাজী এনাম, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক সোলায়মান আলী, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মিসবাহ আহমেদ, বাণিজ্য সম্পাদক ফরিদ আলম, উপ-দপ্তর সম্পাদক এম এ মালেক, উপ-প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি, নির্বাহী সদস্য খোরশেদ খন্দকার প্রমুখ।

alt


নিউইয়র্কে, যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের স্বাধীনতা দিবস পালিত

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

Picture

‘এবারের স্বাধীনতার মাসে জাতিরপিতার সেই অবিস্মরণীয় ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নের পথে অনেক বড় একটি ধাপ অগ্রসর হবার সুসংবাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শিতাপূর্ণ নেতৃত্ব অটুট রাখতে সামনের নির্বাচনেও নৌকা মার্কার প্রার্থীদের বিরাট বিজয় দিতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে’-উল্লেখ করেন ফরিদা ইয়াসমীন।
২৬ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে বর্ণাঢ্য এ সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয় নতুন প্রজন্মের কন্ঠে ‘আমার সোনার বাংলা’ গানের মধ্য দিয়ে।

alt

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন কাদেরিয়া বাহিনীর থার্ড ইন কমান্ড, বিজ্ঞানী ও সিটি কাউন্সিলম্যান ড. নূরন্নবী। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আলোকে বক্তব্য উপস্থাপন করে নতুন প্রজন্মের সুদীপ। উপস্থিত সকলে বিপুল করতালিতে সুদীপকে অভিবাদন জানায় এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা রাখায় সুদীপকে লাল গোলাপ প্রদান করেন ড. সিদ্দিকুর রহমান।

alt
সমাবেশ স্থলে স্থাপিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে প্রবাসের মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে বাংলাদেশ কন্স্যুলেট, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ, সিরাজগঞ্জ সমিতি, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম প্রভৃতি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন আব্দুস সামাদ আজাদ, হাজী এনাম, জাকারিয়া চৌধুরী, আবুল হুসেন, নূরল আমিন বাবু, হাজী আব্দুল কাদের মিয়া, মাসুদ হুসেন সিরাজি, নান্টু মিয়া, সবিতা দাস প্রমুখ।
আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক নূরল আমিন বাবু এবং নির্বাহী সদস্য সোলায়মান আলী। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ।
ফোরামের কর্মকর্তাদের মধ্যে আরো ছিলেন সেক্রেটারি রেজাউল বারি, সহ-সভাপতি কণ্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান, নির্বাহী সদস্য মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, শুভ রায়, কানু দত্ত, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

শেষে বহ্নিশিখা সঙ্গীত নিকেতনের শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে দেশের গান পরিবেশন করেন।


জ্যাকসন হাইটস যেভাবে বাংলাদেশিদের হলো

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

ইতালিয়ান, আইরিশ, গ্রিক, চায়নিজ, ভারতীয় অভিবাসীদের মতো নানা ক্ষেত্রে আমাদের উত্থান আজ চোখে পড়ার মতো। চায়না টাউন আমেরিকার যেকোনো বড় নগরীর এক পরিচিত নাম। তেমনি নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশিদের পরিচয়ে এক পরিচিত নাম। শুধু বাংলাদেশি নয়, দক্ষিণ এশীয়দের টাইম স্কয়ার বলা হয় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজাকে। খোদ নগরীর মেয়র বলেছেন, আগামী ১০ বছরে জ্যাকসন হাইটস হয়ে উঠবে দক্ষিণ এশীয়দের পরিচয়ে পরিচিত একটি নাম। এর কতটা এখন বাংলাদেশিদের দখলে, তা হয়তো এখনই বলা যাবে না। তবে নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের নিত্য কোলাহলে জ্যাকসন হাইটসই এখন পর্যন্ত প্রাণ কেন্দ্রেই। নির্ঘুম নিউইয়র্কের মধ্যে নির্ঘুম জ্যাকসন হাইটস জেগে থাকে বাংলাদেশিদের প্রাণচাঞ্চল্যে।

Picture
জ্যাকসন হাইটসে ৩৭ অ্যাভিনিউ এই তো সেদিন খুলে গেল চোখ ধাঁধানো একটি রেস্টুরেন্ট, সাগর চায়নিজ। মাস না পেরোতেই সেখানে পা ফেলাই দুষ্কর হয় প্রতি সন্ধ্যায়, বিশেষ করে ছুটির দিনে। সাগর চায়নিজের উল্টো দিকেই মেঘনা বাজার অ্যান্ড হালাল মিট নামের একটি সুপার সপ, যার প্রতিষ্ঠা ১৯৯১ সালে। সর্বশেষ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান আর সর্বপ্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মাঝে চলে গেছে প্রায় ২৭ বছর। এই প্রায় তিন দশকে, জ্যাকসন হাইটস এখন মূলত নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের ঠিকানা, যার ঠিকানা তৈরিতে ব্যবসায়ীদের কঠোর পরিশ্রম আর ঝুঁকি ছিল অনেক। 

জ্যাকসন হাইটসে অনেকগুলো জাতিভিত্তিক ব্যবসার কেন্দ্র আছে, তার মধ্যে ৭৩ নম্বর স্ট্রিটের পুরোটা, ৭৪ নম্বর স্ট্রিটের ৪ ভাগের ১ ভাগ, আর ৩৭ অ্যাভিনিউর অনেকখানি মিলে এখন এই জ্যাকসন হাইটসে প্রায় তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক বাংলাদেশিরা। এই তিন দশকের কম সময়ে ভারতীয় আর চায়নিজদের সরিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এই যে এগিয়ে চলা, তা এখন জ্যাকসন হাইটসকেন্দ্রিক কেবল নয়, নিউইয়র্কজুড়ে বেশ কয়েকটি জায়গায় তৈরি হচ্ছে একেকটি জ্যাকসন হাইটস।
মেঘনা গ্রোসারির প্রতিষ্ঠাতা এম এ রউফ (রশীদ) বলছিলেন, ‘আমি যখন ১৯৯১ সালে জ্যাকসন হাইটসে মেঘনা গ্রোসারি করি তখন এই এলাকায় ভারতীয় ও চায়নিজদের প্রাধান্য ছিল বেশি। এখনকার মেঘনা গ্রোসারির জায়গায় দানাঘর নামে একটি প্রতিষ্ঠান ছিল। এই বিশাল পরিসর যখন ভাড়া নিয়েছিলাম তখন অনেকেই “আমি বড় ঝুঁকি নিয়েছি” বলে কথা বলেছিলেন। এই ঝুঁকিটা নিতে পেরেছিলাম। অ্যাস্টোরিয়াতে আমি ১৯৮৩ সাল থেকেই ব্যবসা করে আসছিলাম। তো, জ্যাকসন হাইটসে আমরা একটু আধটু বাংলাদেশি ও আমাদের সাউথ এশিয়ান পণ্য ওঠাতে শুরু করি। ওটা ছিল মূলত একটি ছোটখাটো সুপার সপ। সেই সপে ২-১০ করে যাতায়াত শুরু করলেন। পরে ৭৩ স্ট্রিটে সাঈদ মান্নান (সদ্য প্রয়াত) ভাই খুললেন মান্নান গ্রোসারি। এর পরেরটা তো আপনারা দেখছেন।’

alt
জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজার মুখে একেবারে প্রবেশদ্বারের কাবাব কিং ভবনটির বেশির ভাগ নিয়ে ইত্যাদি গ্রোসারি এবং রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করছেন আবু নোমান। আবার ব্রডওয়ের গা ঘেঁষে গড়ে তুলেছেন বেলাজিনো নামের বিশাল এক অত্যাধুনিক ব্যাংকুয়েট হল। তিনি ১৯৯৪ সালে অ্যাস্টোরিয়াতে প্রতিষ্ঠা করেন ইত্যাদি গ্রোসারি। কিন্তু তখনো জ্যাকসন হাইটসে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো জনবল উপস্থিতি দেখেননি এখানে।
আবু নোমান বলছিলেন, ‘১৯৯৪ সালে তখনো জ্যাকসন হাইটস এমনটা হয়নি। বাঙালি কমিউনিটির জন্য তখন অ্যাস্টোরিয়ার নামডাক ছিল। সেখানে আগে থেকেই পুরো মাত্রায় মেঘনা গ্রোসারি ব্যবসা করে আসছিল। তবে সেখানে মেঘনার আগে ছোট আকারে বাংলা বাজার নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল, সেখানে মূলত ভিডিও ক্যাসেট, কিছু চাল, ডাল পাওয়া যেত। কিন্তু এরপর, অ্যাস্টোরিয়ায় বেশি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ওই সময় জ্যাকসন হাইটসে মেঘনা গ্রোসারি প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পরে, মান্নান সাহেব ১৯৯৬ সালে জ্যাকসন হাইটসে একটি হালাল মিট এবং ছোট আকারে গ্রোসারির দোকান দেন। এরপর সেখানে মানুষের যাতায়াত বাড়তে থাকে। এভাবে আস্তে আস্তে বাংলাদেশিরা আসতে শুরু করেন জ্যাকসন হাইটসে।’
তিনি আরও যোগ করলেন, ‘আমি যখন ২০০৪ সালে জ্যাকসন হাইটসে ইত্যাদির শোরুম খুলি, তখন মানুষ ছিল সব মিলিয়ে হয়তো ৫০ হাজার। এখন তো ১০ লাখ মানুষ হবে কমপক্ষে। এই বিশালসংখ্যক মানুষের চাহিদাও তো বিশাল, সে কারণেই প্রতিদিন বাড়ছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। এখন শুধু দোকান ভাড়াই নিচ্ছেন না বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। নিজস্ব প্রপার্টিজ কিনছেন। যেমন বাংলাদেশ প্লাজা এবং এখনকার আপনা বাজার ও সবজি মন্ডি ভবনের মালিক বাংলাদেশি। আমি যে, বেলাজিনো করেছি সেটারও মালিক একজন বাংলাদেশি। সব মিলিয়ে এখানে আমাদের আধিপত্য বাড়ছে। তবে জ্যাকসন হাইটসে আর বাংলাদেশি বাণিজ্যের সম্প্রসারণের জায়গা কম। এটা এখন অনেক দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। যেমন: ব্রঙ্কসের বাংলাবাজার, জ্যামাইকার হিলসাইড অ্যাভিনিউ, ব্রুকলিনের ওজোন পার্ক, চার্লস ম্যাকডোনাল্ডস। এর প্রতিটি এখন একেকটি জ্যাকসন হাইটস হিসেবে গড়ে উঠছে।’

alt
জ্যাকসন হাইটসে জনবসতি ২০১০ সালের শুমারি অনুযায়ী প্রায় সোয়া ১০ লাখ। এর বেশির ভাগ এখনো হিসপ্যানিক আমেরিকান। অবশ্য, অন্য সব জাতিগোষ্ঠীরও প্রতিনিধিত্ব আছে এখানে। বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত ৭২, ৭৩, ৭৪-এ কিছু কিছু করে, ৭৬ স্ট্রিট পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ, ৩৭ এবং ৩৫ অ্যাভিনিউ অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশিরা। সেখানে গ্রোসারির ব্যবসার সঙ্গে ট্যাক্স, বুক কিপিং, ইমিগ্রেশন সার্ভিসের ফরম পূরণ—এগুলোর শুরু হয় মান্নান ও মেঘনা গ্রোসারির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে। ৩৫ অ্যাভিনিউতে ২০০৫ এ ইনস্যুরেন্স ব্যবসা শুরু করেন বণিক সমিতির শীর্ষ নেতা এনওয়াই ইনস্যুরেন্স এর স্বত্বাধিকারী শাহ নেওয়াজ। তিনি মনে করেন, জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিকাশ এখন দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
শাহ নেওয়াজ বলছিলেন, ‘এখনো বাংলাদেশিরা দ্রুত বাড়ছে কিনা আমি জানি না। কিন্তু বাইরে থেকে নেপালিদের বিকাশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তারা কিনে নিচ্ছে। ঠিক ২৫-৩০ বছর আগে যেভাবে চায়নিজ ও ভারতীয়দের কাছ থেকে বাংলাদেশিরা কিনতেন। এটার দুটি কারণ আছে। প্রথমত, নেপালিরা সংঘবদ্ধভাবে একেকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করছে। সবাই মিলে, একজনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে চেষ্টা করছে। দ্বিতীয়ত, জ্যাকসন হাইটসের দোকান ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সাধারণ ব্যবসায়ীদের আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে। এটার কারণে ব্রঙ্কস, জ্যামাইকা, ওজোন পার্কসহ বেশ কয়েকটি মিনি জ্যাকসন হাইটস তৈরি হচ্ছে।’
এই দোকানভাড়া এবং জ্যাকসন হাইটসের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশীয়দের লাগামহীন প্রতিযোগিতায় কথা জানা গেল নতুন শুরু করা ব্যবসায়ীদের কথাতেও। এই প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে একসময়ের অ্যাস্টোরিয়া ছেড়ে দিয়ে এসেছেন বাংলাদেশিরা। এখন জ্যাকসন হাইটস ছেড়ে না দিয়ে, কীভাবে ব্যবসার পরিসর আশপাশের বাঙালি-অধ্যুষিত এলাকায় বাড়ানো যায় সেই চেষ্টাই করছেন এই ব্যবসায়ীরা।


জ্যাকসন হাইটস যেভাবে বাংলাদেশিদের হলো

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

ইতালিয়ান, আইরিশ, গ্রিক, চায়নিজ, ভারতীয় অভিবাসীদের মতো নানা ক্ষেত্রে আমাদের উত্থান আজ চোখে পড়ার মতো। চায়না টাউন আমেরিকার যেকোনো বড় নগরীর এক পরিচিত নাম। তেমনি নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশিদের পরিচয়ে এক পরিচিত নাম। শুধু বাংলাদেশি নয়, দক্ষিণ এশীয়দের টাইম স্কয়ার বলা হয় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজাকে। খোদ নগরীর মেয়র বলেছেন, আগামী ১০ বছরে জ্যাকসন হাইটস হয়ে উঠবে দক্ষিণ এশীয়দের পরিচয়ে পরিচিত একটি নাম। এর কতটা এখন বাংলাদেশিদের দখলে, তা হয়তো এখনই বলা যাবে না। তবে নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের নিত্য কোলাহলে জ্যাকসন হাইটসই এখন পর্যন্ত প্রাণ কেন্দ্রেই। নির্ঘুম নিউইয়র্কের মধ্যে নির্ঘুম জ্যাকসন হাইটস জেগে থাকে বাংলাদেশিদের প্রাণচাঞ্চল্যে।

Picture
জ্যাকসন হাইটসে ৩৭ অ্যাভিনিউ এই তো সেদিন খুলে গেল চোখ ধাঁধানো একটি রেস্টুরেন্ট, সাগর চায়নিজ। মাস না পেরোতেই সেখানে পা ফেলাই দুষ্কর হয় প্রতি সন্ধ্যায়, বিশেষ করে ছুটির দিনে। সাগর চায়নিজের উল্টো দিকেই মেঘনা বাজার অ্যান্ড হালাল মিট নামের একটি সুপার সপ, যার প্রতিষ্ঠা ১৯৯১ সালে। সর্বশেষ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান আর সর্বপ্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মাঝে চলে গেছে প্রায় ২৭ বছর।

এই প্রায় তিন দশকে, জ্যাকসন হাইটস এখন মূলত নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের ঠিকানা, যার ঠিকানা তৈরিতে ব্যবসায়ীদের কঠোর পরিশ্রম আর ঝুঁকি ছিল অনেক। জ্যাকসন হাইটসে অনেকগুলো জাতিভিত্তিক ব্যবসার কেন্দ্র আছে, তার মধ্যে ৭৩ নম্বর স্ট্রিটের পুরোটা, ৭৪ নম্বর স্ট্রিটের ৪ ভাগের ১ ভাগ, আর ৩৭ অ্যাভিনিউর অনেকখানি মিলে এখন এই জ্যাকসন হাইটসে প্রায় তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক বাংলাদেশিরা। এই তিন দশকের কম সময়ে ভারতীয় আর চায়নিজদের সরিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এই যে এগিয়ে চলা, তা এখন জ্যাকসন হাইটসকেন্দ্রিক কেবল নয়, নিউইয়র্কজুড়ে বেশ কয়েকটি জায়গায় তৈরি হচ্ছে একেকটি জ্যাকসন হাইটস।

alt
মেঘনা গ্রোসারির প্রতিষ্ঠাতা এম এ রউফ (রশীদ) বলছিলেন, ‘আমি যখন ১৯৯১ সালে জ্যাকসন হাইটসে মেঘনা গ্রোসারি করি তখন এই এলাকায় ভারতীয় ও চায়নিজদের প্রাধান্য ছিল বেশি। এখনকার মেঘনা গ্রোসারির জায়গায় দানাঘর নামে একটি প্রতিষ্ঠান ছিল। এই বিশাল পরিসর যখন ভাড়া নিয়েছিলাম তখন অনেকেই “আমি বড় ঝুঁকি নিয়েছি” বলে কথা বলেছিলেন। এই ঝুঁকিটা নিতে পেরেছিলাম। অ্যাস্টোরিয়াতে আমি ১৯৮৩ সাল থেকেই ব্যবসা করে আসছিলাম। তো, জ্যাকসন হাইটসে আমরা একটু আধটু বাংলাদেশি ও আমাদের সাউথ এশিয়ান পণ্য ওঠাতে শুরু করি। ওটা ছিল মূলত একটি ছোটখাটো সুপার সপ। সেই সপে ২-১০ করে যাতায়াত শুরু করলেন। পরে ৭৩ স্ট্রিটে সাঈদ মান্নান (সদ্য প্রয়াত) ভাই খুললেন মান্নান গ্রোসারি। এর পরেরটা তো আপনারা দেখছেন।’
জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজার মুখে একেবারে প্রবেশদ্বারের কাবাব কিং ভবনটির বেশির ভাগ নিয়ে ইত্যাদি গ্রোসারি এবং রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করছেন আবু নোমান। আবার ব্রডওয়ের গা ঘেঁষে গড়ে তুলেছেন বেলাজিনো নামের বিশাল এক অত্যাধুনিক ব্যাংকুয়েট হল। তিনি ১৯৯৪ সালে অ্যাস্টোরিয়াতে প্রতিষ্ঠা করেন ইত্যাদি গ্রোসারি। কিন্তু তখনো জ্যাকসন হাইটসে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো জনবল উপস্থিতি দেখেননি এখানে।
আবু নোমান বলছিলেন, ‘১৯৯৪ সালে তখনো জ্যাকসন হাইটস এমনটা হয়নি। বাঙালি কমিউনিটির জন্য তখন অ্যাস্টোরিয়ার নামডাক ছিল। সেখানে আগে থেকেই পুরো মাত্রায় মেঘনা গ্রোসারি ব্যবসা করে আসছিল। তবে সেখানে মেঘনার আগে ছোট আকারে বাংলা বাজার নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল, সেখানে মূলত ভিডিও ক্যাসেট, কিছু চাল, ডাল পাওয়া যেত। কিন্তু এরপর, অ্যাস্টোরিয়ায় বেশি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ওই সময় জ্যাকসন হাইটসে মেঘনা গ্রোসারি প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পরে, মান্নান সাহেব ১৯৯৬ সালে জ্যাকসন হাইটসে একটি হালাল মিট এবং ছোট আকারে গ্রোসারির দোকান দেন। এরপর সেখানে মানুষের যাতায়াত বাড়তে থাকে। এভাবে আস্তে আস্তে বাংলাদেশিরা আসতে শুরু করেন জ্যাকসন হাইটসে।’
তিনি আরও যোগ করলেন, ‘আমি যখন ২০০৪ সালে জ্যাকসন হাইটসে ইত্যাদির শোরুম খুলি, তখন মানুষ ছিল সব মিলিয়ে হয়তো ৫০ হাজার। এখন তো ১০ লাখ মানুষ হবে কমপক্ষে। এই বিশালসংখ্যক মানুষের চাহিদাও তো বিশাল, সে কারণেই প্রতিদিন বাড়ছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। এখন শুধু দোকান ভাড়াই নিচ্ছেন না বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। নিজস্ব প্রপার্টিজ কিনছেন। যেমন বাংলাদেশ প্লাজা এবং এখনকার আপনা বাজার ও সবজি মন্ডি ভবনের মালিক বাংলাদেশি। আমি যে, বেলাজিনো করেছি সেটারও মালিক একজন বাংলাদেশি। সব মিলিয়ে এখানে আমাদের আধিপত্য বাড়ছে। তবে জ্যাকসন হাইটসে আর বাংলাদেশি বাণিজ্যের সম্প্রসারণের জায়গা কম। এটা এখন অনেক দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। যেমন: ব্রঙ্কসের বাংলাবাজার, জ্যামাইকার হিলসাইড অ্যাভিনিউ, ব্রুকলিনের ওজোন পার্ক, চার্লস ম্যাকডোনাল্ডস। এর প্রতিটি এখন একেকটি জ্যাকসন হাইটস হিসেবে গড়ে উঠছে।’

alt
জ্যাকসন হাইটসে জনবসতি ২০১০ সালের শুমারি অনুযায়ী প্রায় সোয়া ১০ লাখ। এর বেশির ভাগ এখনো হিসপ্যানিক আমেরিকান। অবশ্য, অন্য সব জাতিগোষ্ঠীরও প্রতিনিধিত্ব আছে এখানে। বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত ৭২, ৭৩, ৭৪-এ কিছু কিছু করে, ৭৬ স্ট্রিট পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ, ৩৭ এবং ৩৫ অ্যাভিনিউ অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশিরা। সেখানে গ্রোসারির ব্যবসার সঙ্গে ট্যাক্স, বুক কিপিং, ইমিগ্রেশন সার্ভিসের ফরম পূরণ—এগুলোর শুরু হয় মান্নান ও মেঘনা গ্রোসারির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে। ৩৫ অ্যাভিনিউতে ২০০৫ এ ইনস্যুরেন্স ব্যবসা শুরু করেন বণিক সমিতির শীর্ষ নেতা এনওয়াই ইনস্যুরেন্স এর স্বত্বাধিকারী শাহ নেওয়াজ। তিনি মনে করেন, জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিকাশ এখন দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
শাহ নেওয়াজ বলছিলেন, ‘এখনো বাংলাদেশিরা দ্রুত বাড়ছে কিনা আমি জানি না। কিন্তু বাইরে থেকে নেপালিদের বিকাশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তারা কিনে নিচ্ছে। ঠিক ২৫-৩০ বছর আগে যেভাবে চায়নিজ ও ভারতীয়দের কাছ থেকে বাংলাদেশিরা কিনতেন। এটার দুটি কারণ আছে। প্রথমত, নেপালিরা সংঘবদ্ধভাবে একেকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করছে। সবাই মিলে, একজনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে চেষ্টা করছে। দ্বিতীয়ত, জ্যাকসন হাইটসের দোকান ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সাধারণ ব্যবসায়ীদের আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে। এটার কারণে ব্রঙ্কস, জ্যামাইকা, ওজোন পার্কসহ বেশ কয়েকটি মিনি জ্যাকসন হাইটস তৈরি হচ্ছে।’
এই দোকানভাড়া এবং জ্যাকসন হাইটসের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশীয়দের লাগামহীন প্রতিযোগিতায় কথা জানা গেল নতুন শুরু করা ব্যবসায়ীদের কথাতেও। এই প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে একসময়ের অ্যাস্টোরিয়া ছেড়ে দিয়ে এসেছেন বাংলাদেশিরা। এখন জ্যাকসন হাইটস ছেড়ে না দিয়ে, কীভাবে ব্যবসার পরিসর আশপাশের বাঙালি-অধ্যুষিত এলাকায় বাড়ানো যায় সেই চেষ্টাই করছেন এই ব্যবসায়ীরা।


জ্যাকসন হাইটস যেভাবে বাংলাদেশিদের হলো

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

ইতালিয়ান, আইরিশ, গ্রিক, চায়নিজ, ভারতীয় অভিবাসীদের মতো নানা ক্ষেত্রে আমাদের উত্থান আজ চোখে পড়ার মতো। চায়না টাউন আমেরিকার যেকোনো বড় নগরীর এক পরিচিত নাম। তেমনি নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশিদের পরিচয়ে এক পরিচিত নাম। শুধু বাংলাদেশি নয়, দক্ষিণ এশীয়দের টাইম স্কয়ার বলা হয় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজাকে। খোদ নগরীর মেয়র বলেছেন, আগামী ১০ বছরে জ্যাকসন হাইটস হয়ে উঠবে দক্ষিণ এশীয়দের পরিচয়ে পরিচিত একটি নাম। এর কতটা এখন বাংলাদেশিদের দখলে, তা হয়তো এখনই বলা যাবে না। তবে নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের নিত্য কোলাহলে জ্যাকসন হাইটসই এখন পর্যন্ত প্রাণ কেন্দ্রেই। নির্ঘুম নিউইয়র্কের মধ্যে নির্ঘুম জ্যাকসন হাইটস জেগে থাকে বাংলাদেশিদের প্রাণচাঞ্চল্যে।

Picture
জ্যাকসন হাইটসে ৩৭ অ্যাভিনিউ এই তো সেদিন খুলে গেল চোখ ধাঁধানো একটি রেস্টুরেন্ট, সাগর চায়নিজ। মাস না পেরোতেই সেখানে পা ফেলাই দুষ্কর হয় প্রতি সন্ধ্যায়, বিশেষ করে ছুটির দিনে। সাগর চায়নিজের উল্টো দিকেই মেঘনা বাজার অ্যান্ড হালাল মিট নামের একটি সুপার সপ, যার প্রতিষ্ঠা ১৯৯১ সালে। সর্বশেষ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান আর সর্বপ্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মাঝে চলে গেছে প্রায় ২৭ বছর।

এই প্রায় তিন দশকে, জ্যাকসন হাইটস এখন মূলত নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের ঠিকানা, যার ঠিকানা তৈরিতে ব্যবসায়ীদের কঠোর পরিশ্রম আর ঝুঁকি ছিল অনেক। জ্যাকসন হাইটসে অনেকগুলো জাতিভিত্তিক ব্যবসার কেন্দ্র আছে, তার মধ্যে ৭৩ নম্বর স্ট্রিটের পুরোটা, ৭৪ নম্বর স্ট্রিটের ৪ ভাগের ১ ভাগ, আর ৩৭ অ্যাভিনিউর অনেকখানি মিলে এখন এই জ্যাকসন হাইটসে প্রায় তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক বাংলাদেশিরা। এই তিন দশকের কম সময়ে ভারতীয় আর চায়নিজদের সরিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এই যে এগিয়ে চলা, তা এখন জ্যাকসন হাইটসকেন্দ্রিক কেবল নয়, নিউইয়র্কজুড়ে বেশ কয়েকটি জায়গায় তৈরি হচ্ছে একেকটি জ্যাকসন হাইটস।

alt
মেঘনা গ্রোসারির প্রতিষ্ঠাতা এম এ রউফ (রশীদ) বলছিলেন, ‘আমি যখন ১৯৯১ সালে জ্যাকসন হাইটসে মেঘনা গ্রোসারি করি তখন এই এলাকায় ভারতীয় ও চায়নিজদের প্রাধান্য ছিল বেশি। এখনকার মেঘনা গ্রোসারির জায়গায় দানাঘর নামে একটি প্রতিষ্ঠান ছিল। এই বিশাল পরিসর যখন ভাড়া নিয়েছিলাম তখন অনেকেই “আমি বড় ঝুঁকি নিয়েছি” বলে কথা বলেছিলেন। এই ঝুঁকিটা নিতে পেরেছিলাম। অ্যাস্টোরিয়াতে আমি ১৯৮৩ সাল থেকেই ব্যবসা করে আসছিলাম। তো, জ্যাকসন হাইটসে আমরা একটু আধটু বাংলাদেশি ও আমাদের সাউথ এশিয়ান পণ্য ওঠাতে শুরু করি। ওটা ছিল মূলত একটি ছোটখাটো সুপার সপ। সেই সপে ২-১০ করে যাতায়াত শুরু করলেন। পরে ৭৩ স্ট্রিটে সাঈদ মান্নান (সদ্য প্রয়াত) ভাই খুললেন মান্নান গ্রোসারি। এর পরেরটা তো আপনারা দেখছেন।’
জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজার মুখে একেবারে প্রবেশদ্বারের কাবাব কিং ভবনটির বেশির ভাগ নিয়ে ইত্যাদি গ্রোসারি এবং রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করছেন আবু নোমান। আবার ব্রডওয়ের গা ঘেঁষে গড়ে তুলেছেন বেলাজিনো নামের বিশাল এক অত্যাধুনিক ব্যাংকুয়েট হল। তিনি ১৯৯৪ সালে অ্যাস্টোরিয়াতে প্রতিষ্ঠা করেন ইত্যাদি গ্রোসারি। কিন্তু তখনো জ্যাকসন হাইটসে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো জনবল উপস্থিতি দেখেননি এখানে।
আবু নোমান বলছিলেন, ‘১৯৯৪ সালে তখনো জ্যাকসন হাইটস এমনটা হয়নি। বাঙালি কমিউনিটির জন্য তখন অ্যাস্টোরিয়ার নামডাক ছিল। সেখানে আগে থেকেই পুরো মাত্রায় মেঘনা গ্রোসারি ব্যবসা করে আসছিল। তবে সেখানে মেঘনার আগে ছোট আকারে বাংলা বাজার নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল, সেখানে মূলত ভিডিও ক্যাসেট, কিছু চাল, ডাল পাওয়া যেত। কিন্তু এরপর, অ্যাস্টোরিয়ায় বেশি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ওই সময় জ্যাকসন হাইটসে মেঘনা গ্রোসারি প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পরে, মান্নান সাহেব ১৯৯৬ সালে জ্যাকসন হাইটসে একটি হালাল মিট এবং ছোট আকারে গ্রোসারির দোকান দেন। এরপর সেখানে মানুষের যাতায়াত বাড়তে থাকে। এভাবে আস্তে আস্তে বাংলাদেশিরা আসতে শুরু করেন জ্যাকসন হাইটসে।’
তিনি আরও যোগ করলেন, ‘আমি যখন ২০০৪ সালে জ্যাকসন হাইটসে ইত্যাদির শোরুম খুলি, তখন মানুষ ছিল সব মিলিয়ে হয়তো ৫০ হাজার। এখন তো ১০ লাখ মানুষ হবে কমপক্ষে। এই বিশালসংখ্যক মানুষের চাহিদাও তো বিশাল, সে কারণেই প্রতিদিন বাড়ছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। এখন শুধু দোকান ভাড়াই নিচ্ছেন না বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। নিজস্ব প্রপার্টিজ কিনছেন। যেমন বাংলাদেশ প্লাজা এবং এখনকার আপনা বাজার ও সবজি মন্ডি ভবনের মালিক বাংলাদেশি। আমি যে, বেলাজিনো করেছি সেটারও মালিক একজন বাংলাদেশি। সব মিলিয়ে এখানে আমাদের আধিপত্য বাড়ছে। তবে জ্যাকসন হাইটসে আর বাংলাদেশি বাণিজ্যের সম্প্রসারণের জায়গা কম। এটা এখন অনেক দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। যেমন: ব্রঙ্কসের বাংলাবাজার, জ্যামাইকার হিলসাইড অ্যাভিনিউ, ব্রুকলিনের ওজোন পার্ক, চার্লস ম্যাকডোনাল্ডস। এর প্রতিটি এখন একেকটি জ্যাকসন হাইটস হিসেবে গড়ে উঠছে।’

alt
জ্যাকসন হাইটসে জনবসতি ২০১০ সালের শুমারি অনুযায়ী প্রায় সোয়া ১০ লাখ। এর বেশির ভাগ এখনো হিসপ্যানিক আমেরিকান। অবশ্য, অন্য সব জাতিগোষ্ঠীরও প্রতিনিধিত্ব আছে এখানে। বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত ৭২, ৭৩, ৭৪-এ কিছু কিছু করে, ৭৬ স্ট্রিট পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ, ৩৭ এবং ৩৫ অ্যাভিনিউ অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশিরা। সেখানে গ্রোসারির ব্যবসার সঙ্গে ট্যাক্স, বুক কিপিং, ইমিগ্রেশন সার্ভিসের ফরম পূরণ—এগুলোর শুরু হয় মান্নান ও মেঘনা গ্রোসারির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে। ৩৫ অ্যাভিনিউতে ২০০৫ এ ইনস্যুরেন্স ব্যবসা শুরু করেন বণিক সমিতির শীর্ষ নেতা এনওয়াই ইনস্যুরেন্স এর স্বত্বাধিকারী শাহ নেওয়াজ। তিনি মনে করেন, জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিকাশ এখন দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
শাহ নেওয়াজ বলছিলেন, ‘এখনো বাংলাদেশিরা দ্রুত বাড়ছে কিনা আমি জানি না। কিন্তু বাইরে থেকে নেপালিদের বিকাশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তারা কিনে নিচ্ছে। ঠিক ২৫-৩০ বছর আগে যেভাবে চায়নিজ ও ভারতীয়দের কাছ থেকে বাংলাদেশিরা কিনতেন। এটার দুটি কারণ আছে। প্রথমত, নেপালিরা সংঘবদ্ধভাবে একেকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করছে। সবাই মিলে, একজনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে চেষ্টা করছে। দ্বিতীয়ত, জ্যাকসন হাইটসের দোকান ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সাধারণ ব্যবসায়ীদের আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে। এটার কারণে ব্রঙ্কস, জ্যামাইকা, ওজোন পার্কসহ বেশ কয়েকটি মিনি জ্যাকসন হাইটস তৈরি হচ্ছে।’
এই দোকানভাড়া এবং জ্যাকসন হাইটসের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশীয়দের লাগামহীন প্রতিযোগিতায় কথা জানা গেল নতুন শুরু করা ব্যবসায়ীদের কথাতেও। এই প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে একসময়ের অ্যাস্টোরিয়া ছেড়ে দিয়ে এসেছেন বাংলাদেশিরা। এখন জ্যাকসন হাইটস ছেড়ে না দিয়ে, কীভাবে ব্যবসার পরিসর আশপাশের বাঙালি-অধ্যুষিত এলাকায় বাড়ানো যায় সেই চেষ্টাই করছেন এই ব্যবসায়ীরা।


ড. মোহীত উল আলমের আমেরিকা আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা

শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮

Picture

মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর শাহনেওয়াজ ডিকেন্স ও মিসেস মোহীত উল আলম। সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ নঈমীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাবিনা শারমিন নিহারের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

alt

অনুষ্ঠানের শুরুতে ফুল দিয়ে অতিথিবৃন্দকে বরণ করে নেন - অধ্যাপক স্বপন দাস, বিষ্ণু গোপ এবং অধ্যাপক নওয়াব মিয়া।এছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র -ছাত্রীদের পক্ষ থেকেও ফুল দিয়ে প্রফেসর ড. মোহীত উল আলমকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম ব্যক্তিগত সফরে আমেরিকা এসেছেন। তাঁর আগমন উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় এলামনাই এসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটির সদস্য ছাড়াও ইংরেজি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র -ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন প্রিয় শিক্ষকের বক্তব্য শোনার জন্য। প্রফেসর ড. মোহীত উল আলমও তাঁর চমৎকার বক্তব্য দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মোহিত করে রেখেছিলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমেরিকায় বাংলাদেশ একটি ছোট বাংলাদেশ নয়, বড় বাংলাদেশ। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন প্রচুর বাঙালি দেখছেন। আমেরিকার মতো একটি বড় দেশের সিটিজেন হয়েও আপনারা বাংলাদেশকে ভুলেন নাই। তিনি বলেন, দেশ এবং প্রবাসের মধ্যে একটি সম্পর্ক সবসময় আছে এবং থাকবে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যে সব বাঁধার প্রাচীর আছে সেগুলোকে ভাঙতে হবে। তিনি তাঁর বক্তব্যে জীবন সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরে বলেন, জীবনে সবসময় ইজি এ্যাটিচুয়েড ডেভেলপ করতে হবে। জীবনের একটি বড় সত্য মৃত্যু, তাই প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে হবে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। আমাদের আরো সাহসী হতে হবে। বক্তব্য শেষ হওয়ার পর ছাত্র-ছাত্রীদের অনুরোধে তিনি দুটো স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন।

alt
ড. মোহীত উল আলমের পর বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর ড. আশরাফ উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন - সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর শাহনেওয়াজ ডিকেন্স, মিসেস মোহীত উল আলম, সংগঠনের সাবেক সভাপতি পারভেজ কাজী, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক স্বপন দাস, সাবেক সভাপতি বিষ্ণু গোপ, সাবেক ছাত্রনেতা মাহমুদ আহমেদ, চট্টগ্রাম সরকারী কমার্স কলেজের সাবেক ভিপি কামাল হোসেন মিঠু, বাংলাদেশ সোসাইটির শিক্ষা ও স্কুল সম্পাদক আহসান হাবিব, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, পরেশ সাহা, শিবলী ছাদেক, ছন্দা বিনতে সুলতান, শংকর নাথ, মুশফিকুন্নেসা, সলিল চৌধুরী, আব্দুল ওয়াদুদ, মুনমুন, শামীম, কাওসার ও সৌমেন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন - এস. এম. ইকবাল ফারুক, শাহেদ আলী, আবুল কাসেম ও আমিনুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন - সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামশুদ্দীন আজাদ, মাসুদ উল আলম প্রমুখ।


জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন কার্যালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং আজারবাইজানের স্থায়ী প্রতিনিধির সাথে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক

শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮

Picture

জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের সাথে একাত্মতা পোষণ করেন এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশের জনগণ বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। মহাসচিব জানান বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সাথে নিজ বাসভূমিতে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এর সমাধানে তিনি নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন মর্মে প্রতিমন্ত্রীকে আশ্বাস দেন। দ্রুততার সাথে বিশেষ দূত নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে বলেও প্রতিমন্ত্রীকে জানান মহাসচিব। তিনি বাংলাদেশের অসামান্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেরও প্রশংসা করেন।

alt
আন্তর্জাতিক পানি দশকের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে ধন্যবাদ জানান এবং এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নানামূখী পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।

জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন কার্যালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এর সাথে বৈঠক

alt

জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন কার্যালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ভøাদিমির ভরনকভের সাথেও বৈঠক করেন প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম। বৈঠককালে জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন সংস্থা বাংলাদেশকে জোরালো যে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে, সেজন্য আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ভøাদিমির ভরনকভ -কে ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার সন্ত্রাস প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে মর্মেও জানান প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ভøাদিমির ভরনকভ বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন বিভাগের সহযোগিতাকে ‘উদাহরণ সৃষ্টিকারী’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি সন্ত্রাস দমন বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

আজারবাইজানের স্থায়ী প্রতিনিধির সাথে বৈঠক

এছাড়া, প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জাতিসংঘে নিযুক্ত আজারবাইজানের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ইয়াসার টি. আলিয়েভ এর সাথে দ্বি-পাক্ষিক ও বহু-পাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বৈঠক করেন।


নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের ‘স্বাধীনতা প্যারেড’ সোমবার

শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউ ইয়র্কে ২৬শে মার্চকে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডে ঘোষণা করেছেন নিউইয়র্ক সিটির গভর্নর এন্ড্রু কুমো। গত ২৬শে মার্চ মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এবং বাঙালি চেতনা মঞ্চ আয়োজিত মহান স্বাধীনতা দিবসের শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভায় নিউ ইয়র্ক সিটির গভর্নর এন্ড্রু কুমোর প্রতিনিধি হ্যাসকে প্যারেক গভর্নরের এই ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। ঘোষণা পত্রে গভর্নর এন্ড্রু কুমো নিউ ইয়র্কে ২৬শে মার্চ বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডন্ট যে ঘোষণা করেন। হ্যাসকে প্যারেক গভর্নরের এই ঘোষণা পত্রটি শোভাযাত্রার আহবায়ক একুশে পুরস্কারপ্রাপ্ত নাট্যকার জামাল উদ্দিন হোসেনের হাতে হস্তান্তর করেন।

সেমন্তী ওয়াহেদ এবং রানু ফেরদৌসের পরিচালনায় শোভা যাত্রায় গ্র্যান্ড মার্শাল ছিলেন নিউইয়র্ক সিটির কম্পোট্রোলার।  স্কট এম স্ট্রিঙ্গার। মার্শাল ছিলেন পাবলিক এডভোকেট ল্যাটিসিয়া জেমস,  নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের ইমিগ্রেশন এফেয়ার্স এর কমিশনার নিশা আগরওয়াল, নিউইয়র্ক স্টেট সেনেটর হোজে প্যারাল্টা, নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কন্স্যুলেটের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও আমেরিকার মূলধারার কাউন্সিলম্যান ড. নূরন নবী, জ্যাকসন হাইটস পুলিশ প্রিসেক্টের কমান্ডার ইন চীফ ব্রায়ান সি হ্যানেসি।

Picture
গ্র্যান্ড মার্শাল সিটি কম্পেট্রোলার স্কট স্ট্রিঙ্গাল বলেন, নিউইয়র্ক সিটিতে বাংলাদেশী কম্যুনিটি দিন দিন বাড়ছে এবং তারা সততার সাথে কাজ করে সিটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, এই সিটিতে প্রায় ২০০ দেশের অভিভাসী রয়েছেন এবং প্রায় ১৭৮টির মত ভাষা রয়েছে। আজকে বাংলাদেশের ৪৫তম স্বাধীনতা দিবসের বার্ষিকীতে আমি বাংলাদেশের সকল মানুষকে অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানাই। তিনি নিউইয়র্ক সিটির পক্ষ মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের কর্ণধার বিশ্বজিত সাহার কাছে একটি সাইটেশন হস্তান্তর করেন। বিশ্বজিত সাহা এই স্বীকৃতিকে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের উৎসর্গ করেন।
পাবলিক এডভোকেট ল্যাটিশিয়া জেমস বলেন, আমি বাংলাদেশে যেতে চাই। তিনি বলেন, এই সিটিতে দক্ষিণ এশিয়ানদের মধ্যে বাংলাদেশীদের অবস্থান পঞ্চম।
স্টেট সিনেটর হোজে প্যারাল্টা স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশীদের মূলধারার রাজনীতি করার আহবান জানান।
হ্যান্সেকে প্যারেক তার বক্তব্যের শুরুতেই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। তিনি বলেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশীরা দিন দিন বাড়ছে। আর এই সব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা তাদের ইতিহাস, ঐতিহ্যকে আমাদের মধ্যে উপস্থাপন করে আমাদের কালচারকেও সমৃদ্ধ করছে। তিনি তার বক্তব্য শেষে গভর্ণরের ঘোষণা পত্রটি পাঠ করেন।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং মাথায় ও বুকে ধারণ করে শোভাযাত্রাটি বিকেল সাড়ে ৫টায় শুরু হয় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার সিটি প্লাজা থেকে। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত এই স্লোগানটি কয়েক ব্লক দূরে আলোচনা সভাস্থল ৬৯ স্কুলের অডিটোরিয়ামে এসে শেষ হয়। এই প্যারেডে নিউইয়র্কের বিভিন্ন সংগঠনসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশীরা অংশগ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন বাঙালি চেতনা মঞ্চের চেয়াম্যান আব্দুর রহিম বাদশা, চেতনা মঞ্চের কর্মকর্তা শাখাওয়াত আলী, সাংবাদিক হাসান ফেরদৌস, নিনি ওয়াহেদ, সাহিত্যিক ফেরদৌস সাজেদীন প্রমুখ। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা জানানো হয় এবং বিভিন্ন পর্বে কবিতা পাঠ করেন প্রবাসের কবি এবং সাহিত্যিকরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পী তাজুল ইমামসহ প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা।


সিএসডব্লিউ এর ৬২ তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সাইড ইভেন্ট

শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮

Picture

প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উক্তি “জলবায়ু পরিবর্তন ভবিষ্যতের কোন সমস্যা নয় এটি আমাদের জীবদ্দশায়ই ঘটছে এবং তা আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। কাজেই এ বিষয়ে আজই ব্যবস্থা নিতে হবে”।
একজন প্যানেলিস্ট হিসেবে প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের বৈরি প্রভাব এবং এর সংবেদনশীলতার বিষয়ে ইভেন্টটিতে নানা তথ্য তুলে ধরেন। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের সুদৃঢ় প্রতিশ্রুতি, পদক্ষেপ এবং সার্বিক প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু-ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ‘আশ্রয়ণ’ ও ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ এর মতো প্রকল্পসহ নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

alt
দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতিতে খাপ খেয়ে চলা এবং পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য সরকার বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।তিনি বলেন, “ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকায় নিরাপদ পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও নিরাপদ পানি সরবরাহ করার লক্ষ্যে আমার মন্ত্রণালয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নারী ও শিশুদের জন্য প্রকল্প বাস্তাবায়ন করছে”।

alt
‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ’ পুরস্কার বিজয়ী এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা বিষয়ক প্রবক্তা  হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার এক্ষেত্রে আইনগত বিষয়াদি হালনাগাদ করা এবং প্রয়োজনীয় নতুন আইন তৈরীর কাজ করে যাচ্ছে”।

alt
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আইন ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষেত্রে লিঙ্গ সংবেদনশীলতার বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে মর্মে উল্লেখ করেন।জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব এবং দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও এবং বেসরকারি খাতের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন।ইভেন্টটির প্যানেলিষ্ট, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং ইউএন উইমেন এর নির্বাহী পরিচালক মিজ ফুমজিলে ম্যালাম্বে-নগোচুকা (চযঁসুরষব গষধসনড়-ঘমপঁশধ) তাঁর সাম্প্রতিক বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের উদাহরণ টেনে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশ সরকার ও এর জনগণ যে স্বত:স্ফুর্ততা ও আন্তরিকতা দেখিয়েছেন তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

alt
এই সঙ্কট মোকাবিলায় বাংলাদেশের নারীদের সহিষ্ণুতার ও সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বিশেষভাবে প্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে মর্মে প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ উল্লেখ করেন।সকল প্যানেলিস্ট বাংলাদেশের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন। জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিকূলতা মোকাবিলা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের নারীদের ধৈর্য ও সক্ষমতারও ভূয়সী প্রশংসা করেন তাঁরা।

alt
অন্যান্যদের মাঝে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম এনডিসি, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার নিউইয়র্কের লিয়াজোঁ অফিসের পরিচালক মিজ কারলা মুকাভি (ঈধৎষধ গঁপধার), ‘ওপেন দ্যা ডোর’ এর কো-ফাউন্ডার মিজ মলি গার্কে (গড়ষষু এবৎশব) এবং মাইগ্রেশন এর থিমেটিক বিশেষজ্ঞ মিজ মারিয়াম তরাওরে চাজালনোয়েল (গধৎরধস ঞৎধড়ৎব ঈযধুধষহড়বষ)। ইভেন্টটির মডারেটর ছিলেন এনজিও কমিটি অন মাইগ্রেশন এর প্রতিনিধি মিজ তেরেসা ব্লুম্যানস্টেইন (ঞবৎবংধ ইষঁসবহংঃবরহ)।

alt
সংসদ সদস্য কাজী রোজীসহ চলতি সিএসডব্লিউ অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ ডেলিগেশন এর সদস্যগণ সাইড ইভেন্টটিতে যোগ দেন। এছাড়া অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, জাতিসংঘের কর্মকর্তা এবং সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিগণ ইভেন্টটিতে অংশগ্রহণ করেন।