Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

নিউইয়র্কে যাত্রা শুরু নয়া সংগঠন আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ’র : পথমেলা ২৪ সেপ্টেম্বর

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: নিউইয়র্কে ইফতার ও দোয়া মাহফিল দিয়ে যাত্রা শুরু করলো আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন নামের একটি নতুন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন। ব্রঙ্কসের বাঙালী অধ্যুষিত স্টারলিং-বাংলাবাজার এলাকার আল আকসা রেস্টুরেন্টে গত ২২ জুন বৃহস্পতিবার আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় সংগঠনটির প্রথম ইফতার মাহফিল। অনুষ্ঠানে সংগঠনটির ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন এর কর্মকর্তারা হলেন  সভাপতি আবদুস শহীদ, সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও এডভোকেট নাসির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জামাল হুসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল রেজা স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ সফিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক সৈয়দ লোকমান এবং দপ্তর সম্পাদক  শরীফ হোসেন। আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন-এর প্রেসিডেন্ট আবদুস শহীদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জামাল হুসেন ও সহ সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল রেজা স্বপনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসেম্বলীম্যান লুইস সেপুলভেদা ও নিউইয়র্ক সিটির সাবেক পুলিশ কমিশনার জো রামোস।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রোলারের চীফ অব স্টাফ মারিয়েল ডি লা ক্রুজ, অয়েল কেয়ার হেলথ প্ল্যানের সিনিয়ার ম্যানেজার সালেহ আহমেদ, বাফার প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমিন, মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের সাবেক সভাপতি মাহবুব আলম ও সভাপতি সাহেদ আহমদ, আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন সহ সভাপতি এডভোকেট নাসির উদ্দিন ও রফিকুল ইসলাম, পার্কচেস্টার জামে মসজিদের সাবেক সভাপতি ময়েজ উদ্দিন লুলু, আরবান হেলথ প্ল্যানের সিনিয়ার কর্মকর্তা মেহেরুন্নেসা জোবাইদা, পার্কচেস্টার ব্রঙ্কস রিয়েলিটির প্রেসিডেন্ট সালেহ উদ্দিন সাল, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল বাছির খান, পার্কচেস্টার ফ্যামেলি ফার্মেসীর কর্ণধার গৌরব কোঠারিসহ মূলধারা ও কমিউনিটির আরো অনেকে।


সভাপতি আবদুস শহীদ বলেন, মূলধারার সহযোগী সংগঠন হিসেবে নতুন প্রজন্ম ও মূলধারায় বাংলাদেশকে তুলে ধরাসহ বাংলাদেশে আত্মমানবতার সেবায় কাজ করবে নয়া এ সংগঠনটি। তিনি বলেন, সংগঠনটি দেশে ও প্রবাসে মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। প্রবাশে দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতেও প্রয়াস চালাবে তারা। এ লক্ষে সংগঠনটি আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর বাঙালী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসে পথমেলার আয়োজন করবে।এসেম্বলীম্যান লুইস সেপুলভেদা ও নিউইয়র্ক সিটির সাবেক পুলিশ কমিশনার জো রামোস তাদের বক্তব্যে সংগঠনটির সাফল্য কামনা করেন।ইফতার মাহফিলে কমিউনিটি, দেশ, জাতি ও বিশ্ব মানবতার শান্তি কামনা করে দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা আবু কায়সার চিশতী। অনুষ্ঠানের স্পন্সর ছিল পার্কচেস্টার ফ্যামেলি ফার্মেসী, অয়েল কেয়ার হেলথ প্ল্যান, আরবান হেলথ প্ল্যান, পার্কচেস্টার ব্রঙ্কস রিয়েলিটি, আল আকসা রেস্টুরেন্ট ও আল আকসা সুপার মার্কেট ।উল্লেখ্য, অতি সম্প্রতি আবদুস শহীদকে সভাপতি এবং জামাল হুসেনকে সাধারণ সস্পাদক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠনের মাধ্যমে আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ইনক’র আত্ম প্রকাশ ঘটে।


বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিলে বাংলাদেশি কমিউনিটির ঢল

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :মাত্র ছয় বছরের ছোট্ট বালিকা রুমাইসা মঞ্চে উঠে পবিত্র কোরান থেকে তেলাওয়াত শুরু করলো। ছোট্ট এই শিশুর সুমধুর কণ্ঠে তেলাওয়াত শুনে পুরো হলভর্তি মুসল্লিরা যেন আপ্লুত হয়ে পড়েন।

Picture

রুমাইসার মত ৩২জন শিশু-কিশোর একে একে কোরান তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়। প্রবাসে তাদের এ সুযোগটি করে দিয়েছিল প্রবাসের আমব্রেলা সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি ইন্ক। 

alt

বাংলাদেশ সোসাইটির আয়োজনে এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজন ছিল এবারই প্রথম। এ আয়োজনটি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় সময রবিবার সন্ধ্যায় জ্যামাইকার হিলসাইড অ্যাভিনিউর তাজমহল পার্টি হলে আয়োজন করা হয় শিশু-কিশোরদের ক্বিরাত প্রতিযোগিতা এবং ইফতার ও দোয়া মাহফিলের। বাংলাদেশি কমিউনিটির বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ইফতার 

alt

মাহফিলে বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক খায়ের, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক এবং ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ নওশেদ হোসেন এবং সদস্য সচিব ও প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ। 

alt

ক্বিরাত প্রতিযোগিতার সহ-আয়োজক ছিল আইটিভি ইউএসএ। ক্বিরাত প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছারছিনা শরীফের পীরে কামেল শাহ্ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ছিদ্দিকী এবং বিচারক হিসেবে ছিলেন মিশর আল-আজহার ইউনির্ভাসিটির অধ্যাপক ড. মাহমুদ আমের, ইমাম আতাউর রহমান

alt

খান ও ইমাম মানজুরুল কারিম। এসময় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ, মাওলানা আব্দুল মুকিত, মুফতি মোহাম্মদ ইসমাইল, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মনোয়ার পাঠান প্রমুখ। ক্বিরাত প্রতিযোগিতা পর্বে ছেলেদের গ্রুপে রাইন আহসান ১ম, মিরান খান ২য়, মির্জা আবু হুরাইরা বেগ ৩য়, মেয়েদের গ্রুপে রুমাইসা আনসারী ১ম, জুনাইরা রাওদা ২য়, হাসিবা ইসমাঈল ৩য় স্থান অর্জন করে। তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ। 

alt

ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীর মাঝে সনদ ও ইসলামী গিফ্ট আইটেম তুলে দেওয়া হয় স্কুল ও শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিবের সৌজন্যে। ক্বিরাত প্রতিযোগিতা আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে আইটিভি ইউএসএকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক রুহুল 

alt

আমীন সিদ্দিকী, কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আলী, ইফতার কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নওশেদ হোসেন ও সদস্য সচিব রিজু মোহাম্মদ। আইটিভি ইউএসর পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করে প্রধান নিবাহী মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবদেরও বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়। 

alt

এদিকে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম. আজিজ, ট্রাস্ট্রি সদস্য অ্যাডভোকেট কামাল আহমদ জনি, কাজী আজহারুল হক মিলন, প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন, আজিমুর রহমান বোরহান, মফিজুর রহমান, ওয়াসি চৌধুরী, এমদাদুল হক কামাল, শরাফ সরকার, আবুল হাশিম হাসনু প্রমুখ।

alt

বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এম কে জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম ভূঁইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনিকা রায়, সাহিত্য সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমেদ, স্কুল ও শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব, কার্যকরী সদস্য ফারহানা চৌধুরী, মো. আজাদ বাকির, মোহাম্মদ সাদী মিন্টু, আবুল কাশেম চৌধুরী ও সারোয়ার খান বাবু। 

alt

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুহুল আমীন সিদ্দিকী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটি আইটিভির সহযোগিতায় এই প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কে কোরান তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এই আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। 

alt

জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ইমাম ও খতিব মির্জা আবু জাফর বেগ পবিত্র মাহে রমজানের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটি ও আইটিভি ক্বিরাত প্রতিযোগিতার উদ্যোগ আমি এই ২৫ বৎসরের মধ্যে প্রথম দেখলাম। তিনি সকলকে পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার আহ্বান জানান। 

alt

মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ ছিদ্দিকী বলেন, প্রবাসে পবিত্র কোরআন চর্চার এই আয়োজন দেখে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি দোয়া করি, বাংলাদেশ সোসাইটি ও আইটিভি ইউএসএ যেন কোরআনের খেদমতে ভবিষ্যতেও এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখে।

alt

ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম. আজিজ দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যক্রমে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শরীক হওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যতে সোসাইটির কার্যক্রমে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। 

alt

কনসাল জেনারেল মো. শামীম আহসান তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটি সবার সংগঠন। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে ক্বিরাত প্রতিযোগিতার আয়োজন করায় সত্যিই বাংলাদেশ সোসাইটি প্রশংসার দাবীদার। বাংলাদেশের উন্নয়নে বাংলাদেশ সোসাইটি তার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

alt

ইফতারের আগে দেশ ও মুসলিম উম্মার কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন আইটিভি ইউএসএ’র প্রধান নির্বাহী মাওলানা মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্।এর আগে অনুষ্ঠানে ইসলামী সংগীত উপস্থাপন করেন আরিয়ানা মাহমুদ, লাবিবা মুকিত, হাসিবা ইসমাঈল, হুমাইরা মুকিত প্রমুখ।


আসাল-এর অন্তর্বিরোধ প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে ন্যাশনাল ভাইস-প্রেসিডেন্ট খান শওকত বলেন:- "আসাল" এবং "সেফেষ্ট"কে পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছেন মাফ মিসবাহ উদ্দিন

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:মূলধারায় দ: এশিয়ার ৮ দেশীয় প্রবাসীদের সংগঠন: এ্যালায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার (আসাল) -নিয়ে অন্তর্বিরোধ এখন চরমে। ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দিনের সাথে ন্যাশনাল ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং কুইন্স চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট খান শওকতের এ বিরোধ নিয়ে বাংলাদেশী কমিউনিটি সহ অন্যান্য কমিউনিটিতে এখন আলোচনার ঝড়। এরইমধ্যে গত ২০ জুন  খান শওকত সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন: আসাল-এর ন্যাশনাল ভাইস-প্রেসিডেন্ট এহসান রহমান। তিনি উপস্থিত দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। ফোনে একাত্ততা জানান আসাল-এর ন্যাশনাল ভাইস-প্রেসিডেন্ট মো: আলী সিদ্দীকী এবং কুইন্স চ্যাপ্টারের সাবেক প্রেসিডেন্ট মো: তুহীন। সংবাদ সম্মেলনে খান শওকত বলেন:  

alt
সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ,
এ্যালায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার (আসাল)-এ গুরুত্বপূর্ণ ৩টি পদে দায়িত্ব পালন করছি আমি। গত ৮ বৎসর যাবৎ ন্যাশনাল কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, এবং গত ১ বৎসর যাবৎ: ন্যাশনাল কমিটির জব সেমিনার কমিটির পরিচালক এবং কুইন্স চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট (সম্মেলন ম্যাগাজিন গুলোতে প্রমান আছে)। মাফ মিসবাহ ভাইয়ের সাথে আমার কোন ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব নেই। সাংগঠনিক দ্বন্দ্বটি শুরু হয় গত সম্মেলনে। আসাল প্রতিষ্ঠিত হয় আমেরিকান সাংগঠনিক পদ্ধতিতে। তাই বাংলাদেশী সংগঠনের মতো কেন্দ্রীয় কমিটিতে ‘জেনারেল সেক্রেটারী’ নামক পদ গঠনতন্ত্রে রাখা হয়নি প্রথম থেকে। এভাবেই ৮টি বছর সংগঠনটি চলে ঝামেলাহীন ভাবে। ২০১৬-র সম্মেলনে কোন চ্যাপ্টারকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করে ন্যাশনাল কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক নামক নতুন একটি পদ সৃষ্টি করে মাত্র ৩ মাস আগে সদস্য হওয়া ষ্ট্যাটেন আইল্যান্ডের মো: করীম চৌধুরী-কে ঐপদের দায়িত্ব দেন মাফ মিসবাহ উদ্দিন। তাহলে গত ৮/৯ বছর যাবৎ যারা কাজ করে আসাল-কে আজ এই পর্যায়ে নিয়ে এলেন তাদের কাজের মূল্যায়ন কি ? আরো শুনা গেলো যেহেতু করীম চৌধুরী সম্মেলন ম্যাগাজিনের জন্য ১০ হাজার ডলারের বিজ্ঞাপন এবং সদস্য ও অনুদান বাবদ আরো প্রায় ৫ হাজার (মোট ১৫,০০০) ডলার সংগ্রহ করেছেন, এই অর্থের বিনিময়ে তিনি ঐ পদটি চেয়ে নিয়েছেন। তখনই সবার মধ্যে প্রশ্ন তৈরী হলো অর্থের বিনিময়ে পদ-পদবী বিক্রয় বিষয়ে। ৯ বছর আগে মূলধারায় দ: এশিয়ার ৮ দেশীয় (বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, আফগানিস্তান, নেপাল, ভূটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ) প্রবাসীদের সংগঠন হিসেবে আসাল গঠিত হবার পর ৮ দেশীয় বহু নেতৃবৃন্দ এই সংগঠনে যুক্ত হয়েছিলেন। মূলধারার নেতৃবৃন্দের সাথে এসংগঠনের সখ্যতা আছে, বিষয়টিতে অনেকে আকৃষ্ট হয়েছিলেন। সঠিক নেতৃত্বে পরিচালিত হলে সংগঠনটি অনেক উপরে উঠতে পারতো এবং এবছরের সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে আসাল প্রার্থী দিতে পারতো। কিন্তু এক ব্যক্তির জন্য এসংগঠনের বহু সদস্য বেরিয়ে গেছেন। গত ৯ বছর যাবৎ কোন সদস্যকে টাকা আদায়ের রশিদ দেননা মাফ মিসবাহ উদ্দিন। তিনি একাই সকল অর্থ তার পকেটে নিয়ে রাখেন, কোন চ্যাপ্টারকে কোন ডকুমেন্ট দেন না, অর্থ দেন না, কোন চ্যাপ্টারের কাছে কোন হিসাব রাখতেও দেন না। কারন যদি কেউ তার সিদ্ধান্তের সাথে দ্বিমত পোষন করে, সঙ্গে সঙ্গে তিনি বলে বসেন: উনি আামাদের সদস্য নন। তিনি সদস্যদের আবেদনের (সদস্যপদের) ফটোকপিও কোন চ্যাপ্টারকে দেন না। তাই শত চেষ্টাতেও প্রমান করা যায় না ঐ ব্যক্তি সত্যিই সদস্য নাকি সদস্য নন। তিনি ব্যাঙ্ক এ্যাকউন্টের সাথেও কাউকে রাখেন না। যারা আছেন তারা তার পরিবারের সদস্য। আসাল হচ্ছে পলিটিক্যাল লবিং সংগঠন। এধরনের সংগঠনের নামে বড় অংকের অনুদান দিলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তদন্তে পড়তে পারেন। কারন ঐসব প্রার্থীর নির্বাচনে আসাল ক্যাম্পেইন করায় এই অর্থ দেয়া হয়েছে বলা হতে পারে। তাই সকলের পরামর্শে ‘সেফেষ্ট’ নামে একটি নতুন অলাভ-জনক (শিক্ষা ও প্রশিক্ষন মূলক, ৫০১ সি-৩) সংগঠন রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। সিদ্ধান্ত হয়: সেফেষ্ট এর নামে অর্থ আনা হবে এবং সেই টাকায় আসাল চলবে। সকলের অনেক চেষ্টার পর সেফেষ্ট যখনই অর্থ পাবার যোগ্যতা অর্জন করলো, তখনই নাটকীয়ভাবে সংগঠনটিকে আলাদা করে সেফেষ্ট-কে তুলে দিলেন তার স্ত্রী বেগম মাজেদা উদ্দীনের হাতে। এভাবেই আসাল এবং সেফেষ্টকে তিনি নিজের পরিবারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছেন।
ইউ উইল বি থ্রোন আউট !


আমি চেয়েছিলাম এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে। তাই গত ১টি বছর নিউইয়র্ক ও নিউজার্সীর প্রত্যেকটি চ্যাপ্টারে আমি মাফ মিসবাহ ভাইয়ের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করেছি এবং প্রতিমাসে জব সেমিনার করে আসাল-কে আরও গ্রহনযোগ্য করার চেষ্টা করেছি। মাফ মিসবাহ উদ্দিন সব সময় বলেন: গত ৯ বছরে প্রায় ১ হাজার সদস্য হয়েছেন কুইন্সে। আমি বারবার বলেছি, ঐ ১ হাজার সদস্যের আবেদন পত্রের ১ সেট ফটো কপি দিতে। যাতে সকলকে নিয়ে কুইন্সে একটি সম্মেলন করে সবার পরামর্শে এবছর বিভিন্ন এলাকার সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে আমরা প্রার্থী দাড় করাতে পারি। হারি বা জিতি আসাল থেকে প্রার্থী দাড় করানো শুরুতো করি। আপনারা জানেন, লন্ডনে টিউলিপ সিদ্দীকি যে আসনে জিতেছেন সেখানে মাত্র ৫% বাঙালী ভোট, আর আমাদের এখানে বহু আসনে ৩০% এশিয়ান ভোট আছে। শুধুমাত্র মুলধারার নির্বাচনে প্রার্থী হবার পদ্ধতি আমাদের জানা না থাকায় এ কম্যুনিটি মূলধারায় এগুতে পারছেনা। আমি চাচ্ছিলাম এটা অন্তত: শুরু করি। অদ্যাবদি সদস্যদের আবেদনপত্রের ফটোকপি তিনি আমাদেরকে দেন নাই। সংগঠনের অর্থ বিষয়ক হিসাব নিয়ে কথা তুললে তিনি বলেন: এটা চ্যাপ্টারে নয় ন্যাশনাল-এ আলোচনা হবে। ন্যাশনাল (ডিসি-৩৭ ভবনে)-এ বলতে গেলে তিনি বলেন ওঠেন: এটা আজকের এজেন্ডায় নাই। প্রতিবাদী হয়ে কিছু বলতে গেলে তিনি বলে ওঠেন : ইউ উইল বি থ্রোন আউট। তার এধরনের আচরনের জন্য বছর দেড়েক আগে কুইন্স চ্যাপ্টারের সাবেক সভাপতি মো: তুহীন, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মিলন রহমান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: আলী সিদ্দীকী, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর দিলিপ নাথ, আবুল বাশার, এহসান রহমান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এ্যাড: আলী নাজমি, সাংবাদিক মইনূদ্দীন নাসের, মূলধারার নেতা মোর্শেদ আলম, ব্রঙ্কস চ্যাপ্টারের বর্তমান সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবু সাকুর সহ অনেক নেতৃবৃন্দকে আমরা ধরে রাখতে পারিনি। এতকষ্ট করে কুইন্স চ্যাপ্টার দাড় করানোর পর সেই একই রকম অগঠনতান্ত্রিক আচরণ করলেন তিনি আমার সাথেও।


বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা!
মূলধারার নেতৃবৃন্দ যখন নির্বাচনে প্রার্থী হন, আসাল এর ব্যানারে তাদের জন্য আমরা জানপ্রান উজাড় করে ক্যাম্পেইন করি। যখন তারা বিজয়ী হন, বিভিন্ন কমিটিতে আসাল থেকে ২/১ জনকে নিয়োগ দেয়া হয়। সেই নিয়োগগুলো তিনি আর আসাল কমিটির কাউকে দেননা। সেসব পদগুলো তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা নিয়ে নেন। যেমন: সিটির নির্বাচন কমিশনার করেছেন তার স্ত্রী মাজেদা উদ্দীনকে, ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচনী টিমে বসিয়েছেন তার মেয়ে জামিলা উদ্দীনকে, নিজে ঢুকেছেন জামাইকার হসপিটাল কমিটিতে, ছেলেকেও ঢুকিয়েছেন কয়েকটি পদে। আপনারা হয়তো জানেন, রানা প্লাজা ধ্বংসের পর বাংলাদেশের জি.এস.পি কোটা যেন আর নবায়ন করা না হয় এবিষয়ে ড্যান মজিনা এবং জো ক্রাউলী-র অনুষ্ঠানে সেফেষ্ট-এর ফ্লায়ার বিলির মূহুর্তে প্রবাসীদের বাধার মুখে কয়েকবার অপদস্থ হয়েছেন তিনি এবং তার স্ত্রী মাজেদা উদ্দীন। এদের বাংলাদেশ বিষয়ক রাজনৈতিক সমর্থন ও বিশ্বাস নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। মাত্র কয়েকমাস আগে জুইস সেন্টারে একটি অনুষ্ঠানে অতিথী হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে আসেন বেগম মাজেদা উদ্দীন। অনুষ্ঠানে আমেরিকান জাতীয় সঙ্গীতের সময় তিনি উঠে দাড়িয়ে যথারিতি সম্মান দেখালেন, কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের সময় তিনি বসে পড়লেন। সবাই তাকিয়ে থাকলে তিনি তাচ্ছিল্যের সাথে বললেন, বাংলাদেশ একটি দেশ তার আবার জাতীয় সঙ্গীতের সময় দাড়িয়ে সম্মান! তিনি বসেই থাকলেন। এই মাজেদা উদ্দীন ইডেন কলেজের সাবেক শিবির কর্মী। সাপ্তাহিক বাঙালী-র প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম বলে উঠলেন, বাংলাদেশকে যদি সম্মান করতে আপত্তি থাকে তাহলে মূলধারায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন কেন? তিনি বসেই থাকলেন। শহীদুল বললেন: জাতীয় সঙ্গীতের সময় আপনি যদি বসে থাকেন তাহলে ছবি তুলে পত্রিকায় ছেপে দেবো। এরপর তিনি উঠে দাড়িয়েই দ্রুত বেরিয়ে গেলেন। এই হলো এদের দেশপ্রেম।
আনুমানিক ১ মিলিয়ন ডলার লেনদেন হয়েছে!
আসাল বা সেফেষ্ট এধরনের সংগঠনে ১,০০০ ডলার অনিয়ম হলে সেটা ফেলোনী ক্রাইম। প্রতিবছর ৭টা শাখা থেকে, কেন্দ্র থেকে এবং অনলাইনে সদস্য সংগ্রহ চলে। প্রত্যেক শাখার প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা মিলে মাসে যদি ১০ জন করে নতুন সদস্য করে তাহলে কমপক্ষে ১,০০০ সদস্য হয় অর্থাৎ বার্ষিক আয় ২০,০০০ ডলার। আমেরিকা এবং কানাডার যে কোন ষ্টেট থেকে আসাল এর সদস্য হওয়া যায়। এই ২০,০০০ হচ্ছে ছোট আয়। বার্ষিক সম্মেলনটা হচ্ছে প্রকৃত ব্যবসা। মাফ মিসবাহ ডিসি-৩৭ এর কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এবং লোকাল-১৪০৭ এর প্রেসিডেন্ট, উভয় লোকালের সকল কর্মকতা উপস্থিত থাকেন সম্মেলনে। ডিসি-৩৭ ভবনের অডিটোরিয়ামটি এই লোকাল থেকেই প্রোভাইড করা হয়। রেজিষ্ট্রেশন টেবিলে তিনি বসিয়ে দেন ডিসি-৩৭ এর কয়েকজন অফ্রিকান-আমেরিকান মহিলাকে। তারা রেজিষ্ট্রেশন ফি ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেননা। সাধারণ সদস্য ২০ ডলার, আজীবন ৩০০ ডলার। ৩টি লেবার ইউনিয়ন এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির ডেলিগেট হবার সুবাদে তার পরিচয় আছে আমেরিকান রাজনৈতিক নেতাদের সাথে। তারা এসেও ফরম পূরন করে সম্মেলনে প্রবেশ করেন। তারা আজীবন সদস্য হন। এরপর আছে স্মরনিকার জন্য দেশী-বিদেশী বিজ্ঞাপন। প্রোক্লেমেশান, সাইটেশান এবং ক্রেষ্ট বিক্রয় তো আছেই। সবমিলিয়ে প্রতিবছর সম্মেলন থেকে আনুমানিক ১ লাখ ডলারের বেশী আয় হয়। কোন চ্যাপ্টারকে এটুকুও তিনি জানতে দেন না যে, কতজন নতুন সদস্য হয়েছেন কোন চ্যাপ্টারের এলাকা থেকে। গত ৯ বছরে আনুমানিক ১ মিলিয়ন ডলার লেনদেন হয়েছে এসংগঠনে। যেহেতু আসাল বা সেফেষ্ট-এর সাথে সিটি, ষ্টেট ও ফেডারেল এমপ্লয়ীদের নাম জড়িত, এভাবে বিনা রশিদে তাদের অর্থ আদায় এবং আদায়কৃত অর্থের পরিমান বা হিসাব নিয়ে অনিয়ম কাম্য নয়। এক ব্যক্তির স্বৈরাচারী আচরনে পরিচালিত এ সংগঠনটি বাংলাদেশ ছাড়া দ: এশিয়ার বাকি ৭ দেশীয় (পাকিস্তান, ভারত, আফগানিস্তান, নেপাল, ভূটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ) কম্যুনিটিতে প্রশংসা নয় ধিককার অর্জন করেছে। তাদের কম্যুনিটির মিডিয়া এখন আর মাফ মিসবাহ বা আসাল নামক এই ব্যবসায়িক সাংগঠনটির কোন কভারেজ দেয়না।
কুইন্স চ্যাপ্টারে কি ঘটেছিল সেদিন ?

alt
গত মে ১৪  আসাল-এর কুইন্স চ্যাপ্টারের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। আমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি পরিচালনা করেন কুইন্স চ্যাপ্টারের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সাবুল উদ্দিন। সভায় অনেক নতুন মুখ দেখে আমি সকলকে অভিনন্দন জানাই এবং নেতৃত্বের বিকাশে আসাল কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন এর কথা তুলি। সঙ্গে সঙ্গে মাফ মিসবাহ উদ্দীন রেগে যান, এবং একটি নতুন কমিটির তালিকা সকলের মধ্যে বিতরন করে বলেন: আজ কুইন্স চ্যাপ্টারের নতুন কমিটি ঘোষিত হবে। এই নতুন কমিটিকে আপনারা নির্বাচিত করবেন। আমি এবং সাবুল উদ্দীন জানতে চাই ইনারা তো সদস্য নন, ইনারা কি করে ভোট দেবেন? মাফ মিসবাহ বলেন ইনারা সবাই পেইড সদস্য। তাদের কাছে সদস্য পদের প্রমান দেখতে চাওয়া হলে ঝগড়া শুরু হয়। তাদের কথা: আসাল-এ মাফ মিসবাহ যেটা বলবেন সেটাই চূড়ান্ত, যারা দ্বিমত পোষন করবে তাদেরকে বের করে দেয়া হবে। এই পর্যায়ে ব্রুকলীন চ্যাপ্টারের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো: মাহাব প্রতিবাদ জানান এবং সাংবিধানিক নিয়মে সংগঠন পরিচালনার আহ্বান জানান। মাহাব আরো বলেন: গতমাসে ব্রুকলীন চ্যাপ্টারেও একইভাবে সমস্যা তৈরীর চেষ্টা করেছিলেন এই মাফ মিসবাহ উদ্দীন এবং করিম চৌধুরী। আমরা জানতে চাই সবার অজ্ঞাতে হঠাৎ করে কখন কিভাবে করিম চৌধুরী আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির ‘জেনারেল সেক্রেটারী’ হলেন। আমরা যারা ৭/৮ বছর যাবৎ আসাল-এ কাজ করছি তাদেরকে ডিঙ্গীয়ে মাত্র ৩ মাস পূর্বে যোগ দেয়া ব্যক্তিটি কোন যোগ্যতায় ‘জেনারেল সেক্রেটারী’ হয়ে গেলেন ? তিনি আরও বলেন শোনা যাচ্ছে প্রত্যেক চ্যাপ্টারে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিচ্ছেন মাফ মিসবাহ উদ্দীন। এটা কি সত্য? বলার সঙ্গে সঙ্গে করিম চৌধুরী চিৎকার করে বলতে থাকেন: আই উইল কিক ইউ আউট, আই উইল থ্রো ইউ আইট। করিমের সাথে যোগ দেন মাফ মিসবাহ উদ্দীন এবং তার সঙ্গীরা। সভায় যখন দেখলাম সংগঠনের সদস্য নন এমনসব ব্যক্তিদেরকে নিয়ে এসেছেন মাফ মিসবাহ এবং করিম চৌধুরী, যে কোনভাবেই হোক চর দখলের মতো নতুন সভাপতি তারা বানাবেনই। তখন মিটিং এ আমি বিনয়ের সঙ্গে (৩৯ জনের সামনে) বললাম: সংবিধানে যেহেতু নতুন কমিটি গঠন বিষয়ক কোন ডেডলাইন নাই, অন্যান্য চ্যাপ্টারে যেহেতু ৬ বছরেও নির্বাচন হয়না, আজ যেহেতু পূর্ব ঘোষিত নতুন কমিটি গঠন বা নির্বাচনও নয়, সভাপতি পদে থাকার জন্য সংবিধানেও যেহেতু কোন টাইম লিমিট নেই, আমাদের কুইন্স চ্যাপ্টারে যেহেতু কোন সাংগঠনিক অশান্তিও নেই এবং যেহেতু রমজানও সমাগত: আসন্ন ঈদের পর আসুন উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন করি। এপ্রস্তাবে সকলে সম্মতি দেন। মিটিং শেষে সবার বিদায়ের মূহুর্তে ৩জন ব্যক্তি ফরম পূরন করে (সদস্য হবার জন্য) মাফ মিসবাহ উদ্দীনের কাছে জমা দেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে জানতে চাই একটু আগে আপনি পরিচয় করিয়ে দিলেন এরা সবাই পেইড সদস্য, আপনার কথা যদি সত্য হয় তাহলে এখন তারা সদস্য পদের জন্য আবেদন ও ফিস দিচ্ছেন কেন? মাফ মিসবাহ চুপ থাকেন। আজ যাদেরকে ভোট দেবার জন্য এনেছেন তাদের সবার সদস্য পদের প্রমান আমাকে দেখান, অন্যথায় এটা সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ড হিসেবে বিবেচিত হবে। মাফ মিসবাহ চুপ থাকেন। তার কাছে সাংবিধানিক প্রশ্ন করি: সভাপতি বিষয়ে। মাফ মিসবাহ বলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি বা চ্যাপ্টারের সভাপতি অনির্দিষ্টকালের জন্য নিজ পদে থাকতে পারেন তাতে কোন সাংবিধানিক বাঁধা নেই। এরপর তাকে বলা হয়, গত ১টি বছর যাবৎ আপনার নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি, যদি আপনি হঠাৎ করে নতুন কাউকে সভাপতি বানাতে চান বা নতুন কমিটি গঠন করতে চান, আমাদের সাথে আলোচনা না করে একক সিদ্ধান্ত নিলেন কেন? তিনি চুপ থাকেন। এরপর কুইন্স এবং ব্রুকলীন চ্যাপ্টার থেকে দাবী তোলা হয়: (১) অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন দিতে হবে। (২) কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচনের পর চ্যাপ্টার সমূহের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। (৩) সকল চ্যাপ্টারের সদস্যদের আবেদন পত্রের ফটো কপি এবং নবায়নকৃত সদস্যদের প্রমানাদি সংশ্লিষ্ট চ্যাপ্টারকে প্রদান করতে হবে। (৪) করিম চৌধুরীকে কেন্দ্রীয় কমিটির ‘জেনারেল সেক্রেটারী’ পদ থেকে সরাতে হবে। (৫) গত ৯ বছর যাবৎ বিভিন্ন চ্যাপ্টার থেকে আয়কৃত অর্থের হিসাব, অডিট এবং অর্থ সংশ্লিষ্ট চ্যাপ্টারকে প্রদান করতে হবে। মাফ মিসবাহ উদ্দীন ভয় পেয়ে যান, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে যদি তার অপছন্দের কেউ বিজয়ী হয়ে যান, তাহলে তো তার ডিক্টেটরশীপ বাধাগ্রস্ত হবে। তাই, মাফ মিসবাহ আমার বিরুদ্ধে পত্রিকায় লিখলেন: আমি নাকি বকাবকি করে গত ৫/১৪/১৭ তারিখের মিটিং থেকে বেরিয়ে যাই। সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমি যদি ঐদিন মিটিং থেকে বেরিয়ে যেতাম তাহলে ঐদিনই তারা কমিটি গঠন করে ফেলতেন। মিটিং-এ শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আমি উপস্থিত ছিলাম। মাফ মিসবাহ উদ্দীন ভয় পেয়ে যান, তাই তাড়াহুড়ো করে গত ২২ মে তারিখে মাত্র ৯ জনে বসে কমিটি গঠন করেন। ৯ জনের মধ্যে ৪ জনই সদস্য নন এবং ২জন কেন্দ্রীয় কমিটির, অর্থাৎ মাত্র ৩ জন মিলে ৫৫ সদস্যের কমিটি করলেন। আমি ৫৫ জনেরই টেলিফোন নং তালিকা আপনাদের হাতে দিলাম। যোগাযোগ করে দেখুন প্রায় ৪০ জনই এই কমিটি গঠনে অবগত নন। যেমন: নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সদস্য জসীম খন্দকার বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন ১ মাস পূর্বে তাকে সাধারণ সম্পাদক থাকার প্রস্তাব করা হলেও কোন পদে তিনি থাকতে রাজী হয়ণি। তার অনুমতি ছাড়া কমিটিতে সহ সভাপতি পদে তার নাম দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন। নিবেদিতা চন্দ্রাপ্পা এবং তনভির খান বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন অনুমতি ছাড়া কমিটিতে তাদের নাম কেন ?
এ্যাটর্নী জেনারেল এর চ্যারিটি ব্যুরোতে আর্থিক দূর্নীতির অভিযোগ:
আপনারা জানেন, সংগঠন পরিচালিত হয় গঠনতান্ত্রিক নিয়মে। আসাল-এ কোন গঠনতান্ত্রিক নিয়ম মানা হয়না। গত ১টি বছর ধরে আমি অনেক চেষ্টা করেছি পরিবর্তন ঘটাতে, পারলাম না। ভবিষ্যতে কোন তদন্ত হলে আমি কুইন্স চ্যাপ্টারের সভাপতি (২০১৬-১৭) হিসেবে "লায়াবল" থাকবো। তাই, কুইন্স ডিষ্ট্রিক এটর্নীর কাছে গত ৫/১৫/২০১৭ তাং প্রথম অভিযোগ দাখিল করি। এতে ক্ষুব্দ হয়ে মাফ মিসবাহ এবং তার কয়েকজন সমর্থক মিলে গত ৫/২২/১৭ তাং এ আসাল কুইন্স চ্যাপ্টার ভেঙ্গে দেয়। সদস্যদের অজান্তে এমন ন্যাককার জনক অসাংগঠনিক কাজের জন্য পরদিন ৫/২৩/১৭ তাং এ কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্ট, কুইন্স ডি.এ এবং ইউ.এস লেবার ম্যানেজমেন্ট-এ অভিযোগ দাখিল করি। গত ৫/৩১/১৭ তাং ডি.এ কুইন্স অফিস থেকে অভিযোগটি এ্যাটর্নী জেনারেল এর চ্যারিটি ব্যুরোতে প্রেরণ করা হয় (অভিযোগ নং-১৭-সি.এইচ.এন-০২৬৫, তাং ৬-০৬-২০১৭, ফোন নং ২১২-৪১৬-৮৪০০)। এরপর গত ৬/১২/১৭ তাং-এ আই.আর.এস-এ অভিযোগ দাখিল করি। এটা আইনী বিষয়। তদন্তে সবই জানা যাবে।
ব্রুকলীন চ্যাপ্টার অশান্ত!
গত ৬/১৮/১৭ তাং-এ ব্রুকলীন চ্যাপ্টারের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। চ্যাপ্টারের সভাপতি আহসানুল হক -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি পরিচালনা করেন সেক্রেটারী খায়রুল হোসেন। এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো: মাহাব বলেন: আমরা জানতে চাই গত ৫/১৪/১৭ তারিখে কুইন্স চ্যাপ্টারের মিটিং-এ কোন যোগ্যতায় জেনারেল সেক্রেটারী করিম চৌধুরী আমাকে বললেন: আই উইল কিক ইউ আউট, আই উইল থ্রো ইউ আইট। সেক্রেটারী খায়রুল হোসেন বলেন: কুইন্স চ্যাপ্টারে খান শওকতের সাথে যে অগঠনতান্ত্রিক আচরণ করলেন এটা অন্যায়। মাফ মিসবাহ উদ্দীন এবং করিম চৌধুরী কোন উত্তর দিতে পারেননী, তারা চুপ থাকেন।
অবশেষে রশিদ বই ছাপাচ্ছেন মাফ মিসবাহ উদ্দীন
আসাল-এর ন্যাশনাল সভাপতি মাফ মিসবাহ উদ্দীনের আর্থিক দূর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ দাখিল করার খবর মাফ মিসবাহ উদ্দীনও পেয়ে যান। তিনি শরনাপন্ন হন তার এটর্নীর। ঘটনা শুনে এ্যাটর্নীতো অবাক! লেবার অর্গানাইজেশান বা নন-প্রফিট অর্গানাইজেশান এ বিনা রশিদে অর্থ আদায় এবং আদায়কৃত অর্থের পরিমান বা হিসাব নিয়ে অনিয়ম শাস্তি-যোগ্য অপরাধ। একথা শুনে ঘাবড়ে যান মাফ মিসবাহ এবং করীম চৌধুরী। চলমান তদন্ত এবং সম্ভাব্য শাস্তির হাত থেকে বাঁচার জন্য তারা দ্রুতভাবে অর্থ আদায়ের রশিদ বই ছাপানোর সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন এবং জ্যাকসন হাইটসের একটি প্রিটিং প্রতিষ্ঠান থেকে (৩৫ এভিন্যু) রশিদ বই ছাপাচ্ছেন। ধারনা করা হচ্ছে, তারা কোন কোন সদস্যকে ব্যাক-ডেট -এ রশিদ দিয়েছেন এমন ভূয়া প্রমানও দাড় করাতে পারেন। তাই যারা অর্থ দিয়ে কখনো রশিদ পান নাই তাদেরকে আমার সাথে ৯১৭-৮৩৪-৮৫৬৬ নং এ যোগাযোগের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
হুমকী আর ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন মাফ মিসবাহ উদ্দীন
আপনারা জানেন, মানুষের কল্যানেই পরিচালিত হয় কম্যুনিটির প্রতিটি সংগঠন। একইভাবে দ: এশিয়ার ৮ দেশীয় প্রবাসীদের কল্যানে ৯ বছর আগে গঠিত হয়েছিল আসাল। প্রথমদিকে এটি খুবই আলোড়িত সংগঠন হিসেবে সমাদৃত ছিলো সর্বত্র। কিন্তু শুধুমাত্র এক ব্যক্তির অস্বচ্ছ্বতা, আর্থিক অনিয়ম এবং অসাংবিধানিক আচরনে অনেক সদস্য চলে গেছেন। তিনি অনেকের ট্যাক্স ফাইলিং করেন। সঙ্গত কারনে তার কাছে অনেকের নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখ ও সোশ্যাল সিকিউরিটি নং আছে। কোন সদস্যের সঙ্গে সংগঠনে দ্বিমত সৃষ্টি হলে তার বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশান বিভাগেও অভিযোগ জানানোর মত চরম অমানবিক কাজটিও করতে কুণ্ঠাবোধ করেন না তিনি। যেমন: গত ১১ই জুন ৬:১৫ মি:-এ তার (৯১৭)-৫৫৮-০৯৬৬ ফোন নং থেকে এক সদস্যকে একটি টেক্সট মেসেজ পাঠান। তাতে তিনি লেখেন:"Many people already reported that, you collected money from them too over the years.IRS is waiting” সম্প্রতি সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক ইমিগ্রেশান কর্তৃপক্ষের হাতে গ্রেফতারের সঙ্গে সঙ্গে গত ২রা জুন ৫:২৬ মি:-এ (৬৪৬)-৩৯৯-৯৭৮৯ ফোন নং থেকে আসাল এর শতাধিক সদস্যের কাছে একটি টেক্সট মেসেজ পাঠান। তাতে লেখেন: "That news editor is in federal custody. You may already know, ASAAL is a part of AFSCME, the world’s largest labor organization. Many culprits try to bias ASAAL through fake news, when they find themselves standing on the welfare lines in the morning and pretend to help communities in the afternoon.” অর্থাৎ আসাল এর বিরুদ্ধে যারা লাগবে তারা এভাবে গ্রেফতার হবে। ঐ ফোন নং (৬৪৬-৩৯৯-৯৭৮৯) থেকে গত ৬/৮/২০১৭ তাং ৬:৪৭ মি:-এ একজন সদস্যকে লেখা হয় "You are under Investigation for enclosing Fraudulent information in your Immigration paper work”| গত ৬/৯/২০১৭ তারিখ ৬৪৬-৩৯৯-৯৭৮৯ থেকে ১২:৩২ মি:-এ আরেক সদস্যকে লেখা হয় "ঈযধৎমবং ধৎব নবরহম পঁৎৎবহঃষু ড়িৎশবফ ড়হ”-এভাবে সদস্যদের কাছে মেসেজ পাঠিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে আসাল সম্পর্কে মুখ খুলতে বাধা দেয়া হচ্ছে। ঐ ফোন থেকে আমাকেও হুমকী দেয়া হয়েছে। অজানা ফোন থেকেও হুমকী দেয়া হচ্ছে। এমনটা কাম্য নয়। আমি কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে রেখেছি, আপনাদেরকেও জানালাম। আসাল এ চলমান দূর্নীতি নিয়ে মাননীয় এ্যাটর্নী জেনারেল অফিসের চ্যারিটি ব্যুরোতে অভিযোগ গ্রহন করেছে (অভিযোগ নং- ১৭ সি.এইচ.এন-০২৬৫, তারিখ ৬/৬/২০১৭)। তদন্তে দোষী-নির্দোষী যেটাই প্রমানিত হোক এটা আইনী বিষয়, কিন্তু সাংগঠনিক বিষয়ে দ্বিমত পোষনকারীদেরকে যে ব্যক্তি ইমিগ্রেশানে ধরিয়ে দেবার মত অমানবিক কাজে নামতে পারেন, এমন ব্যক্তিকে কোন সামাজিক সংগঠনে স্থান দেয়া উচিত কিনা আপনারাই বলুন।
বিভিন্ন চ্যাপ্টারের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের নং দিলাম:
কুইন্স চ্যাপ্টারের সাবেক সভাপতি মো: তুহীন ৭১৮-৩১০-০৪১৩, মিলন রহমান ৩৪৭-৬১২-৩১৩০, আওয়ামী লীগ নেতা মো: আলী সিদ্দীকী ৩৪৭-৮৩৭-৫৯৩৭, বিএনপি নেতা গিয়াস আহম্মেদ ৯১৭-৭৪৪-৭৩০৮, এহসান রহমান ৬৪৬-৫৪৫-১৮২৬, দিলিপ নাথ ৯১৭-৮৩৬-০৭৬২, মূলধারার নেতা মোর্শেদ আলম ৯১৭-২০৮-০২৯৫, ব্রঙ্কস চ্যাপ্টারের বর্তমান সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবু সাকুর ৬৪৬-৩৬১-১২৪৮, কুইন্স: সাবুল উদ্দীন ৭১৮-৫৭৭-৮৬৬৫, স্বপন বসু ৩৪৭-৮৩৪-৬৫১৫, বেলাল হোসেন ৩৪৭-৪৬৮-০৯৮১, এ.কাশেম ৩৪৭-৭৫০-৯৫৭৯, মো: সাদেক ৯১৭-৬০৫-৭৫১৫, মুস্তাফিজুর রহমান ৫১৬-৪৩০-৩০১০, মো: শাহ ৮৩৪-৭৯৮-৭২৫৮, জহিরুল ইসলাম ৩৪৭-৮৬০-১১৫৩ এবং আহমেদ আলী ২১২-৮৩১-৩৯২৪। ব্রঙ্কস: মোজাম্মেল ৩৪৭-৫৫৩-৬১৫৮, আবু সাকুর ৬৪৬-৩৬১-১২৪৮। ব্রুকলীন: আহসানুল হক ৯১৭-৯৭৫-১৮৩১, খায়রুল হোসেন ৭১৮-৯৩৮-৬২৪৯, মো: মাহাব ৩৪৭-৪৮১-৮৩৯৬। আটলান্টিক সিটি: ফারুখ হোসেন ৬০৯-২৭১-৪৬০৩, সিতুভাই প্যাটেল ৬০৯-৫৭৬-৯৯৬২, মোজাম্মেল হোসেন ৩৪৭-৫৫৩-৬১৫৮। ষ্ট্যাটেন আইল্যান্ড: নিথি আনন্দ চ্যাটার্জী ৬৪৬-৭৩৯-৯০৮৬। ম্যানহাটান: মো: চৌধুরী


পেনসেলভেনিয়ার সকল কাউন্টিতে ঈদ-উলফিতর উদযাপিত

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

এম এ কালাম শরীফ : বাপ্ নিউজ : রবিবার, ২৫ জুন ২০১৭ পেনসেলভেনিয়ার বাঙ্গালীদের প্রাণকেন্দ্র আপারডার্বির মদিনা মসজিদ সংলগ্ন কার্ডিংটন প্লে-গ্রাউন্ডে বাঙ্গালীদের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
তাছাড়া ল্যান্সডেল জামে মসজিদ, নর্থ-ইস্ট ইসলামিক সেন্টার, বেনসেলাম ইসলামিক সেন্টার, মরিছভিউল, হেডফিল, কসবিল, হ্যাভার টাউন, মিডিয়া এবং আরও অন্যান্য কাউন্টি গুলোতে একইভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেকটি মসজিদে ফোন করে জানা যায়, ঈদ-উল ফিতরের জামাত খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। আরও জানা যায়, সব গুলো জামাত সকাল ৮ থেকে শুরু করে ৯ টার মাঝে অনুষ্ঠিত হয়। আপারডার্বি মদিনা মসজিদের বৃহত্তর জামাতটিতে ইমামতি করেন- হাফেজ মাওলানা হিফজুর রহমান। মসজিদ সভাপতি কামাল রহমান বলেন, বিগত আট দশ বৎসরের ঈদের জামাতের তুলনায় এবারের ঈদের জামাতের অংশগ্রহণ ছিল অনেক বেশী। মেয়েদের জামাতের বিশেষ ব্যাবস্থা থাকায় উপস্থিতিও ছিল অনেক বেশী। তাছাড়া নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোর এবং বয়োজ্যৈষ্ঠদেরও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পরার মত। সভাপতি জনাব কামাল বলেন, গত এক বৎসর যাবত পেনসেলভেনিয়া স্টেটে মদিনা মসজিদের অধীনে আপারডার্বিতে  নিউইয়র্কের দারুল উলুম মাদরাসা তত্ত্বাবধায়নে হাফেজিয়া মাদরাসা চালু করা হয়েছে। আপারডার্বির এই মাদরাসায় যদি কোন ছেলে-মেয়ে কুরআনে হাফেজ অথবা হোম স্কুল করতে আগ্রহী ছেলে মেয়েদের পিতা-মাতাকে অনুরোধ করা যাচ্ছে। প্রত্যেক পিতা-মাতার দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি তাদের সন্তানদের উক্ত মাদরাসায় ভর্তি হবার জন্য উৎসাহ প্রদান করতে বলেন। সম্মানিত সভাপতি পেনসেলভেনিয়া, ডেলোয়ার, নিউজার্সি ট্রাই-ষ্টেটের বাংলাদেশী পিতা-মাতাকে এই মাদরাসা এবং হোম স্কুলে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে তাদের সন্তানদের উদ্বুদ্ধ করেন।
পরিশেষে তিনি উপস্থিত সবাইকে আবারও ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং এই আনন্দ যাতে সবার মাঝে সারা বছর বিরাজ করে সেই আহ্বান জানান।


“বাংলাদেশ সরকারকেই হিন্দুদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে” নিউইয়র্ক হিন্দু কম্যুনিটি আয়োজিত সম্বর্ধনায় কংগ্রেসওমেন তুলসী গ্যাবার্ড

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্কঃ ২৪শে জুন শনিবার কংগ্রেসওমেন তুলসী গ্যাবার্ড এর সম্মানে এক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নিউইয়র্ক হিন্দু কম্যুনিটি। রিচমণ্ডহীলের রিচি রীচ পার্টি হলে এই সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক বাঙ্গালী হিন্দু উপস্থিত থেকে মার্কিন আইন পরিষদে নির্বাচিত কংগ্রেসওমেন এর প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।

আমেরিকান বাঙ্গালী হিন্দু ফাউন্ডেশন ও মহামায়া মন্দিরের প্রেসিডেন্ট শ্যামল চক্রবর্তী কর্তৃক শ্রীমদভাগবত গীতার শ্লোক উচ্চারন ও প্রার্থনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। অতঃপর নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি দেবরাজ নাথ এর নেতৃত্বে সকলে দাঁড়িয়ে বুকে হাত রেখে মার্কিন পতাকার প্রতি সম্মান স্বরূপ প্লেজ অফ এলিজেন্স বাক্যপাঠ করেন। সেই সাথে আমেরিকান বাঙ্গালী হিন্দু ফাউন্ডেশন ও মহামায়া মন্দিরের জেনারেল সেক্রেটারি প্রদীপ দাস বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর চলমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হামলা ও তাদের জীবনের নানান দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেন। একই সাথে তিনি বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক নির্যাতনের বিরুদ্ধে কংগ্রেসওমেন তুলসী গ্যাবার্ড এর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ও কংগ্রেসে এই বিষয়ে তার পূর্বাপর ভুমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ জানান। দীপা নাথ এবং আলপনা চক্রবর্তী কংগ্রেসওমেন এর গলায় মালা পড়িয়ে স্বাগতম জানান।

alt

এই সময় নিউ আমেরিকান ভোটার এসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট ও আমেরিকান বাঙ্গালী হিন্দু ফাউন্ডেশন ও মহামায়া মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের মেম্বার সেক্রেটারি ডঃ দিলীপ নাথ মার্কিন কংগ্রেসের একমাত্র হিন্দু প্রতিনিধিকে সকলের মাঝে উপস্থাপন করেন এবং তার জীবন ও রাজনৈতিক উত্থানের উপর বিস্তারিত আলোকপাত করেন। এ পর্যায়ে উপস্থিত সকলে আগামী ২০২০ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসওমেন তুলসীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ড্রাফ্‌ট তুলসী স্লোগান আর মুহুর্মুহু করতালি দিতে থাকেন।

কংগ্রেসওমেন তুলসী তার বক্তব্যের শুরুতেই গীতার কর্মযোগের অবতারনা করেন এবং বলেন একুশ বছর বয়সে যখন আমি স্টেট এসেম্বলিতে নির্বাচন করি তখন আমাকে অনেকেই বলতো তুমি জীবন উপভোগ করো, এখনই রাজনীতির বয়স তোমার হয়নি। কিন্তু আমি কর্মে বিশ্বাসী, দেশ ও জনগনের সেবা করাই আমার ধ্যান ও জ্ঞান। এরপর তিনি মার্কিন আভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, সেখানকার হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুরা ক্রমাগত নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার। সৈন্য পাঠিয়ে বা যুদ্ধ করে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। যে আদর্শের কারনে মৌলবাদী ওয়াহাবি-সালাফিরা বিশ্বব্যাপী এই জঘন্য সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে সেই আইডিওলজিকে আঘাত করতে হবে। প্রগতিশীল সকল শক্তির সমন্বয়ে এই অশুভ চক্রকে উৎখাত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের। সরকারকে মানবতার বিরুদ্ধশক্তির দমনে অবশ্যই তৎপর হতে হবে। এরপর তিনি দর্শকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহন করেন সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদ এর প্রেসিডেন্ট প্রবীর রায় ও আরও কয়েকজন মূলধারার রাজনীতিবিদ।

alt

প্রবীর রায় বাংলাদেশের সংখ্যালগুদের অবস্থা তুলে ধরে কংগ্রেসওমেনকে আরও তৎপর হবার আহবান জানান। কিংস কাউন্টি থেকে নির্বাচিত স্টেট সিনেটর রক্সেন পারসদ বলেন, ড্রাফ্‌ট তুলসী মুভমেন্টের সাথে এখনই সকলে যুক্ত হয়ে দেখিয়ে দিন দক্ষিন এশিয়ান আমেরিকান নাগরিকরাও এদেশকে নেতৃত্ব দিতে পারে। বিনোদন পর্বে, একক ও যৌথ নৃত্য পরিবেশন করেন প্রীতু সাহা, সূচনা ও সেঁজুতি দে, মেঘা দাস এবং রশ্মিকা চক্রবর্তী। তারপর উপস্থিত সকলকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়। পরিবারবর্গ সহ বিশিষ্টজনদের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান বাঙ্গালী হিন্দু ফাউন্ডেশন ও মহামায়া মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য প্রনবেন্দু চক্রবর্তী ও তাপস দে, সুজিত সাহা, বাংলাদেশ পূজা সমিতির বিষ্ণু গোপ, এটর্নি অশোক কর্মকার, মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক সদস্য কুমার রঞ্জন সাহা, সেনাবাহিনীর সদস্য জয় চক্রবর্তী, বেদান্ত এসোসিয়েশন অফ নিউ ইয়র্কের পীযূষ বর্ধন, রাধা-মাধব মন্দিরের রমেশ নাথ, আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন দত্ত, কম্যুনিটি নেতা সুভাষ মজুমদার, এবং মূলধারার রাজনিতিবিদ, ইউনিয়ন নেতা, মোহাম্মদ হক, জার্নাল সিং ও বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি । পরিশেষে, ডঃ দিলীপ নাথ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সমন্বয় ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডঃ দিলীপ নাথ এবং সহযোগিতায় ছিলেন রোকেয়া আক্তার। সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রদীপ দাস।


ব্রুকলিনের চার্চ মেকডোনাল্ডে খোলা মাঠে ঈদুল ফিতরের সর্ববৃহৎ জামাত

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

Bapsnews:New York:- on Sunday June 25th ,2017 McDonald avenue.  There was a huge gathering on Kensington for Muslims and CMBBA owners attending the Eid prayer which was organized by the Baitul Zannah avenue C mosque. Imam for the prayer was Ulama and Qari Asharafulllah. The CMBBA mela committee 2017 member secretary and the President of SACO had attended the Eid Prayer too.


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

আব্দুল হামিদ , বাপ্ নিউজ : নিউইযর্ক ।। যুক্তরাষ্ট্রে সফররত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী  ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার বিশ্বের ১৮ নারী রাষ্ট্রনায়কের মধ্যে ৬ তম স্থান অধিকার জনকল্যাণমূলক কর্মের স্বীকৃতির প্রতিচ্ছবি ঘটাতে মার্কিন লেখক-মানবাধিকার কর্মী এবং শিক্ষাবিদের গ্রন্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উচ্ছ্বসিত প্রশংসার হওযায শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন , ৩০ জুন শুক্রবার এক বিবৃতিতে ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ বলেন বলেন , এর মধ্য দিয়ে আরো একবার প্রমানিত হলো বিশ্বশাস্তির অগ্রদূত জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের বহি:প্রকাশ ঘটলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। এবং বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্যে এটি অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ।’‘উইমেন প্রেসিডেন্টস এ্যান্ড প্রাইম মিনিস্টার্স’ শীর্ষক এই গ্রন্থে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে ভিন্ন মাত্রায এক রাজনীতিক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শেখ হাসিনার সংগ্রাম ও অর্জনকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। এ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব হবে আগামী মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসিতে। বাংলাদেশকে যখন আমি দারিদ্র্য মুক্ত দেশ, ক্ষুধামুক্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবো, সম্ভবত: তখোনই আমি বলতে পারবো যে, আমি গর্বিত’ (“When I have been able to establish Bangladesh as a poverty-free country, a hunger-free country, perhaps then I may say I am proud,” Sheikh Hasina.) – শেখ হাসিনার এই সংকল্প উদ্ধৃত করা হয়েছে এই গ্রন্থে। শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠক, শিক্ষাবিদ এবং লেখক রিচার্ড ও’ব্রিয়েন-এর এই গ্রন্থের প্রচ্ছদে ৭ নারী নেতার ছবি স্থান পেয়েছে। এরমধ্যে শেখ হাসিনাও রয়েছেন। গ্রন্থটির প্রকাশনা উৎসব হবে আসছে মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসিতে। ‘উইমেন্স ন্যাশনাল ডেমক্র্যাটিক ক্লাব’ এই প্রকাশনা উৎসবের আয়োজন করেছে। অংশ নেবেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ক’টনীতিক এবং নারী ব্যক্তিত্বরা।

alt

ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ প্রধানমন্ত্রী হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা মার্কিন লেখকের গ্রন্থে প্রকাশিত হওয়ায গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন । উল্লেখ ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে সুইডেন গিয়েছিলেন , পরে তিনি সেখান থেকে একান্ত ব্যাক্তিগত সফরে গত ২৩ জুন সুইডেন, লন্ডন , ডুবাই হয়ে নিউইযর্কে আসেন এবং তিনি তার পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিউইযর্কে ঈদ উদযাপন করেন।


আহলে সুন্নাতের কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিজ: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ইউ এস এর কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে গত  ২৩শে জুন ১৮ই রমাদান বরিবার নর্থ ব্রংকসের ইসলামিক সেন্টারে আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সংগঠনের কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিল সন্মানিত সভাপতি আল্লামা সৈয়দ জুবায়ের আহমেদের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মাওলানা মোস্তফা কামালের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা আবদুর রহীম মাহমুদ ও না‘ত শরীফ পাঠ করেন মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, মুহাম্মদ ইস্কান্দর মিয়া ও মুহাম্মদ শাহ আলম প্রমূখ। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্যবৃন্দ, সহ-সভাপতিবৃন্দ ও সম্পাদক মন্ডলী। সমাপনী বক্তব্য রাখেন মহাসচিব আলহাজ্ব মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

alt

মাহফিলে তকরীর করেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নর্থ ব্রংকসের ইসলামিক সেন্টারের সন্মানিত খতিব মাওলানা মাশহুদ ইকবাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা শাহেন শাহ, হাফেজ মাওলানা আবদুর রহীম মাহমুদ ও হাফেজ মাওলানা ওয়াসিম সিদ্দিকী। ওলামাবৃন্দ কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে রমাদান ও লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা করে বলেন আমরা আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে রাসুলে পাকের (দ:) কারণেই রমাদান ও লাইলাতুল ক্বদর ও পবিত্র কোরআন পেয়েছি। তাই ঈমানসম্মতভাবে সঠিক ইসলামের ধারায় থেকেইে রমাদান ও লায়লাতুল ক্বদরের প্রকৃত সুফল নিতে হবে। ওলামাবৃন্দ আরো বলেন, নবীপ্রেমই ঈমান যা সকল আমল কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত। সমাপনী তকরীরে সংগঠনের সভাপতি আল্লামা সৈয়দ জুবায়ের আহমেদ সাবাইকে ইসলামের সঠিক ধারায়  ঐক্যবদ্ধ হয়ে দ্বীন মিল্লাতের খেদমত করার আহবান জানান। বিশ্বমানবতার দোজাহানের প্রকৃত মুিক্ত কামনায় বিশেষ মুনাজাত পাঠ করেন মাওলানা মাশহুদ ইকবাল। সালাতু সালাম তথা মিলাদ ক্বিয়াম মুনাজাত ও ইফতার পরিবেশনের মাধ্যমে ইফতার মাহফিল সমাপ্ত হয়।


নিউইয়র্কে চাঁদ রাত মেহেদী মেলা : নতুন প্রজন্মসহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের উপচেপড়া ভীড়

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :নিউইয়র্কে ব্রঙ্কসের স্টারলিং-বাংলাবাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য চাঁদ রাত মেহেদী মেলা। স্থানীয় সময় ঈদের আগের দিন ২৪ জুন শনিবার রাতে ব্রঙ্কসের স্টারলিং-বাংলাবাজার এলাকায় এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুল এবং আল আকসা রেষ্টুরেন্টের সামনে জমজমাট এ মেহেদী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিপুল সংখ্যক নতুন প্রজন্মসহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের উপচেপড়া ভীড় ছিল এ মেলা উৎসবে। গভীর রাত পর্যন্ত চলা বর্ণিল এ মেহেদী উৎসবে মেতে ওঠেন তারা।

alt
এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুলের সামনে তানিয়া বিউটি সেলুনের আয়োজনে চাঁদ রাত মেহেদী মেলা ২০১৭ শনিবার বিকাল চারটা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত চলে। এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুলের সহযোগিতায় এ মেলায় ছিল মেহেদী, জামা-কাপড়, গহনা আর মুখরোচক খাবার স্টল। ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও। এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুলের কর্ণধার এস আর লিংকন মেলা উৎসবে আগতদের স্বাগত জানান। এসময় শুভেচ্ছা জানান, আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ইনকের প্রেসিডেন্ট আবদুস শহীদ, বাফার প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ। মেলায় মেহেদী শিল্পীরা নতুন প্রজন্মসহ বিপুল সংখ্যক নারীকে মেহেদী রংয়ে রাঙায় মনের মাধুরী মিশিয়ে। তানিয়া বিউটি সেলুনের কর্ণধার তানিয়া বলেন, এটি তাদের প্রথম আয়োজন। মেলা উৎসবে বিপুল সাড়ায় তিনি অভিভূত বলে জানান।


আল আকসা রেষ্টুরেন্টের সামনে জমজমাট চাঁদ রাত মেহেদী উৎসব
কমিউনিটি এক্টিভিস্ট মাকসুদা আহমদের উদ্যোগে আল আকসা রেষ্টুরেন্টের সামনে জমজমাট চাঁদ রাত মেহেদী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। মাকসুদা আহমদ তার কয়েকজন বন্ধু নিয়ে চতুর্থবারের মত এ মেহেদী উৎসব আয়োজন করে। শনিবার রাত ৯টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত এ মেহেদী উৎসবে মেহেদী ছাড়া অন্যান্য স্টলও ছিল। মাকসুদা আহমদ জানান, ১২ জন মেহেদী শিল্পী নতুন প্রজন্মসহ প্রায় ২শ জনকে বর্ণিল মেহেদী সাজে সাজায়।
এদিকে, মেলা উৎসবে অংশ নেয়া অনেকেই আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজনের  মাধ্যমে প্রবাসে জন্ম নেয়া ও বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহি কৃষ্টি কালচারকে জানতে ও লালন করতে সক্ষম হবে।


শেখ হাসিনাকে-জর্জিয়া আওয়ামী লীগের “প্রাণঢালা অভিন্দন”

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

Picture

বাপ্ নিউজ : জর্জিয়া থেকে : গত ২৭ জুন ২০১৭, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সি তে ‘নারী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী’ শীর্ষক’ প্রকাশিত একটি গ্রন্থে, লেখক বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড ও’ব্রাইয়েন, বিশ্বের ১৮ জন নারী জাতীয় নেতার তালিকায়-বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে- বিশেষভাবে মূল্যায়ন ও উপস্থাপন করায় এবং বইয়ের (গ্রন্থটি’র ) প্রচ্ছদে বিশ্বের আরও ছয়জন শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অন্যতম বিশ্বনেতা জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবিও স্থান করে নেওয়ায়-তাঁকে ‘প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন,জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী হোসেন , সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান ও জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দ । পাশাপাশা-গ্রন্থটি’র লেখক বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড ও’ব্রাইয়েনকেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

alt

সংগঠনের নেতারা বলেন,এর মধ্য দিয়ে আরো একবার প্রমানিত হলো বিশ্বশাস্তির অগ্রদূত জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের বহি:প্রকাশ ঘটলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। এবং বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্যে এটি অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ।’‘উইমেন প্রেসিডেন্টস এ্যান্ড প্রাইম মিনিস্টার্স’ শীর্ষক এই গ্রন্থে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে ভিন্ন মাত্রায এক রাজনীতিক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শেখ হাসিনার সংগ্রাম ও অর্জনকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার এই অর্জন তাঁর সুকীর্তিরই প্রতিফলন। শেখ হাসিনা জাতির গর্ব ও ভালোবাসা। বিশ্বের অন্যতম এই নেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে- তাঁর সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


খালেদা জিয়ার সেই উপদেষ্টার কারাদণ্ড মার্কিন আদালতে

শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা জাহিদ সরদার সাদী ওরফে সর্দার ফারুককে (৪২) চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন মার্কিন আদালত। মঙ্গলবার ফ্লোরিডার মিডল ডিসট্রিক্ট ফেডারেল কোর্টের বিচারপতি গ্রেগরী প্রেসনেল এ রায় দেন। একইসাথে সাদীকে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতিও প্রদান করা হয়েছে।

ফেডারেল কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, এটি ছিল সাদীর ২৮তম গ্রেফতার। চেক জালিয়াতি, ব্যাংকের সাথে প্রতারণা, বিভিন্ন জনের সাথে ঠকবাজি ইত্যাদি মামলায় এর আগে ২০০৯ সালের ৫ মার্চ একই আদালতে সাদীর ৪০ মাসের কারাদণ্ড হয়। এই দণ্ডভোগের পর তাকে ৫ বছরের সুপারভাইজড রিলিজের (কর্তৃপক্ষের নজরদারি) তথা প্রবেশনে থাকার অনুমোদন দেন আদালত।

সর্বশেষ মামলায় প্রবেশনের বিধি চরমভাবে লঙ্ঘনের জন্যে সাদীকে গত ১৭ মে গ্রেফতার করা হয়। ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাপিটাল হিলে বিএনপির পক্ষে দেন-দরবার করতে যাবার সময় এফবিআই তাকে গ্রেফতার করে।

২০১৫ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ৬ কংগ্রেসম্যানের স্বাক্ষর জাল করে বিএনপির পক্ষে ভুয়া বিবৃতি তৈরির ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর বিএনপি নেতাদের চাপে সাদীসহ দুজনকে চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং বিদেশ বিষয়ক বিশেষ দূতের পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

মামলার বিবরণে আরো জানা গেছে, ২০০৯ সালের মার্চে ৪০ মাসের দণ্ডসহ সাদীকে ২ লাখ ৩৪ হাজার ২২৯ ডলার ৭৫ সেন্ট জরিমানা করা হয়। বিভিন্ন ব্যাংকের সাথে প্রতারণার মাধ্যমে এই অর্থ সাদী আত্মসাত করেন বলে আদালতে স্বীকার করেন তিনি। সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়ার নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু গত ৬ বছরের মধ্যে সাড়ে ৩ বছরের মত তিনি জেলে ছিলেন। এরপর প্রবেশন ভঙ্গ করে নিউইয়র্কে বিএনপির মিটিং-মিছিলের সময় অতিবাহিত করায় ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে সক্ষম হননি। তাই কোন কাজও করতে পারেননি বলে আদালতের অবজার্ভেশন রয়েছে। তাই সেই অর্থ সাদী কীভাবে পরিশোধ করবেন সেটি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে সর্বশেষ মন্তব্যে মাননীয় আদালত উল্লেখ করেছেন।

শহিদুল হক

আদালতের তথ্য অনুযায়ী, সাদী যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন ১৯৯৬ সালে। এরপরই ফ্লোরিডার অরলান্ডোতে বসতি গড়েন। সেখানেই তিনি মার্সিয়া পবেলকে বিয়ে করেছেন। তাদের একটি কন্যা রয়েছে। তার নাম সারাহ পবেল ফারুক।

২০০১ সাল থেকেই মার্সিয়ার সাথে বনিবনা হচ্ছিল না সাদীর। এরপর ২০০৮ সালে তালাক হয় তাদের। সে সময় থেকেই সাদীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়। কারণ, তার বৈধ স্ট্যাটাস নেই। সে অনুযায়ী, ২০০৯ সালের মার্চে প্রদত্ত দণ্ডভোগের পর ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্টরা তাকে বহিষ্কারের বিষয়টি হাতে নিলেও সে সময় ‘জাতিসংঘ কনভেনশন এগেইনস্ট টর্চার’র আওতায় ইমিগ্রেশন কোর্ট তার এসাইলাম মঞ্জুর করে। তবে ২০১২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে সাদী ওই দণ্ডভোগের পর মুক্তি পাবার সাথে সাথে তাকে আইসের তত্ত্বাবধানে প্রবেশনে দেয়া হয়। সে সময় সাদী থাকতেন ফ্লোরিডার ফোর্ট মায়ার্সে। এরপর ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাদী কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি এড়িয়ে নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় বসতি গড়েন বলেও আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়। এ জন্যেই তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি হয়েছিল। এটি কার্যকর করা হয় গত ১৭ মে। সেই থেকে সাদীকে কারাগারে রাখা হয়েছে।