Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় ছিনিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ হোন: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আবুল হোসেন শীকদার

রবিবার, ০২ এপ্রিল ২০১৭

শিব্বীর আহমেদ,বাপ্ নিউজ : ওয়াশিংটন: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় ছিনিয়ে আনার জন্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানালেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আবুল হোসেন শীকদার। ৩১ মার্চ শুক্রবার ভার্জিনিয়ার ষ্টার্লিং শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষনে তিনি এ কথা বলেন।মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজনে এবং মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী পরিবারের সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত এই সভা পরিচালনা করেন দলের সাধারন সম্পাদক খিজির আহমেদ টিটু।

alt

সভায় বক্তব্য রাখেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সহ সভাপতি নুরুল আমিন, আজম আযাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নারায়ন দেবনাথ, কামাল হোসেন,শাহেদা লিপি, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি রবিউল ইসলাম রাজু, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী মহিলা লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফারজানা নবী, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি উত্তম মন্ডল, সহ সভাপতি মোহাম্মদ এস হক, সহ সভাপতি জাহিদ কাদের, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহাবুবুল আলম সোহেল, জিয়াউদ্দীন খান প্রমুখ।

alt

আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে দলের নেতাকর্মীদের এখনই কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়ে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আবুল হোসেন শীকদার বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে মাত্র দেড় বছর হাতে আছে। নেতাকর্মীদের কথা কম বলে বেশি কাজ করতে হবে। এখন থেকে সকল ভেদাভেদ আর মতপার্থক্য ভুলে দলের স্বার্থে সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে একযোগে কাজ করতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে। সভায় বক্তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ মুক্ত একটি আধুনিক উন্নত রাষ্ট্র বিনির্মান ও মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনা সমুন্নত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান শেষে রাতের খাবার ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।


হোয়াইট হাউজের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণ প্রকাশ

রবিবার, ০২ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :হোয়াইট হাউজের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লাখ লাখ মার্কিন ডলার সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা এবং তার স্বামী জ্যারেড কুশনারের মোট সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ২৪০ এবং ৭৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ট্রাম্প প্রশাসনের উর্ধ্বতন কমকর্তাদের বর্তমান বেতনসহ আর্থিক বিবরণ সংক্রান্ত কাগজপত্র শুক্রবার (৩১ মার্চ) রাতে প্রকাশ করা হয়। হোয়াইট হাউজে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্পত্তির বিবরণ প্রকাশ করা মার্কিন সরকারের নিয়মানুযায়ী বৈধ।

প্রশাসনে কর্মজীবন শুরু করার সাথে সাথে আয় এবং সম্পত্তির পরিমাণ প্রকাশ করা হয় তাদের কর্মের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য। তবে এই বিবরণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিংবা ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের সম্পদের পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি। কর্মকর্তাদের সম্পদের আর্থিক বিবরণ মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের অনলাইনগুলোতে প্রকাশ করা হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের ২৫ শতাংশ হোয়াইট হাউজ কর্মী অত্যন্ত ধনী। তারা আগের প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চাইতেও কয়েকগুন বেশি ধনী বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমগুলো।

Â


অটিজম চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়-সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে জর্জিয়া আওয়ামী লীগের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

রবিবার, ০২ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : জর্জিয়া থেকে : সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বশান্তির অগ্রদূত, জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য তনয়া-সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে-বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা, দক্ষিন-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের অটিজম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করায়-তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি  বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান ও  জর্জিয়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এক অভিনন্দন বার্তায় তারা বলেন, আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে তিনি সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন তার সুযোগ্য নাতিরা শুধু দেশে নয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও মানবতার উপকারে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন. আমরা প্রবাসী বাঙালিরা খুবই আনন্দিত এবং গর্বিত।

Picture
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এর পূর্বেও ‘ইউনেস্কো-অ্যামির জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহ পুরস্কার’-এর আন্তর্জাতিক জুরিবোর্ডের চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হওয়াসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। নেতারা আরও বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল দীর্ঘ দিন যাবত শুধু নিজ দেশে নয়, বিশ্বের অসহায় প্রতিবন্ধীদের জীবনমান উন্নয়নে অসামান্য অবদান অব্যাহত রেখেছেন। এবং সে সবসময় আন্তর্জাতিক ভাবে সুনাম অর্জন ও অক্ষুন্ন রাখছেন। এইসবই সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রজ্ঞা ও তাঁর সুকীর্তিরই প্রতিফলন। সায়মা ওয়াজেদ পুতুল জাতির গর্ব। সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ তার সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।


বাংলাদেশ ডে’ পালিত নিউইয়র্ক রাজ্য পার্লামেন্টে ‘ মার্চকে ‘বাংলাদেশ হেরিটেজ মান্থ’ ঘোষণা

শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ, নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : ষষ্ঠবারের মত নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন বসলো। এবারের অধিবেশনে পুরো মার্চ মাসকেই ‘বাংলাদেশী হেরিটেজ মান্থ’ হিসেবে ঘোষণার পাশাপাশি ২৬ মার্চকে ‘বাংলাদেশ ডে’ হিসেবে রেজ্যুলেশন করা হয়। 

Picture

নিউইয়র্ক সিটিসহ বিভিন্ন স্থান থেকে জড়ো হওয়া প্রবাসী বাঙালিদের বিশেষভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয় সিনেট ও এ্যাসেম্বলী হলে। মার্কিন মুল্লুকে বাংলাদেশ ও বাঙালিদের বিশেষ সম্মান জানানোর এ অনুষ্ঠান ২৮ মার্চ মঙ্গলবার নিউইয়র্কের রাজধানী আলবেনীতে অনুষ্ঠিত হয়। নিউইয়র্ক সিটি থেকে দেড়শত মাইল দূর আলবেনীর এ অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন।

alt
বাঙালিদের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে পরিচিত স্টেট সিনেটর রুবিন দিয়াজ এবং স্টেট এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস সেপুলভেদারের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলেও ৪ সিনেটর বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করেন। এ সময় তারা উল্লেখ করেন, মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। একাত্তরের ২৫ মার্চ পাক হানাদারদের বর্বরতা ও নৃশংসতার তথ্যও বাদ যায়নি এ সময়। সেই যুদ্ধে শহীদদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানায় অঙ্গরাজ্য পার্লামেন্ট।

alt
পবিত্র কোরআন  থেকে তেলাওয়াতের পর দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ৬ বিশিষ্ট বাংলাদেশীকে অঙ্গরাজ্য পার্লামেন্ট থেকে ‘প্রক্লেমশন’ প্রদান করা হয়। সমাজকর্মে বিশেষ অবদানের পাশাপাশি মার্কিন মুল্লুকে বাঙালি সংস্কৃতির লালন ও বিকাশে নিরন্তরভাবে সক্রিয় থাকায় এ ‘প্রক্লেমেশন’ প্রদান করা হয় কম্যুনিটি লিডার মোহাম্মদ এন মজুমদার, সমাজকর্মে  ‘পিপল এ্যান টেক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি’র প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফকে।  

alt
স্টেট সিনেটর রুবিন দিয়াজ এবং এ্যাসেম্বলীম্যান লেুইস সেপুলভেদা এসব প্রক্লেমেশন হস্তান্তর করেন বিপুল করতালির মধ্যে। অপর ৪ বাংলাদেশী হচ্ছেন মোবাশ্বর হাশমী, সালেহউদ্দিন, মাহবুব আলম এবং ইঞ্জিনিয়ার এম এ  খালেক।

alt

এছাড়া, বাংলা ভাষা, সংস্কৃতির আদলে প্রবাসে বিভিন্নভাবে সক্রিয় থাকা ১৩টি সংগঠনকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত ৬ বছর যাবত এমন আয়োজন করার জন্যে অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান অঙ্গরাজ্য পার্লামেন্টের সকল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান ।


উত্তর আমেরিকায় যাত্রা শুরু করেছে প্রথম আলো

শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০১৭

Picture

বর্তমান বাস্তবতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা ছাপা সংস্করনের উদ্বোধন করতে গিয়ে ট্রান্সকম গ্রুপ এবং মিডিয়াস্টারের চেয়ারম্যান ও সিইও লতিফুর রহমান বলেছেন, আজ আমাদের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। বাংলাদেশের প্রথম কোন পত্রিকা নিউইয়র্ক থেকে ছাপা হয়ে পাঠকদের কাছে পৌঁছবে। এটি প্রথম আলোর জন্য আনন্দের বিষয় তেমনি বাংলাভাসীদের কাছেও গর্বের।

alt
বাংলাদেশে স্বাধীনতা দিবসের দিনে  প্রথম আলো নর্থ আমেরিকা যাত্রা শুরু অনুষ্ঠানে গ্রেস ম্যাং এবং লতিফুর রহমান এসব কথা বলেছেন। প্রথম আলো যাত্রা শুরুর এ ঐতিহাসিক আয়োজন বসেছিল নিউইয়র্কের ইর্য়ক কলেজ অডিটরিয়ামে।  যাত্রা শুরুর দিনই পাঠকেদর জন্য হাজির হয়েছে কাগজে ছাপা প্রথম আলো। দূয়ার খোলে দিয়েছে যা কিছু ভালো তার সঙ্গে চলার। এই পথ চলার ঘোষনা অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কে বসেছিল বাংলা ভাষাবাসীদের মিলন মেলা।

alt

সব মত আর পথ ভুলে ইয়র্ক কলেজ অডিটোরিয়ামে জড়ো হয়েছিলেন শত শত মানুষ। প্রথম আলোর প্রতি ভালোবাস আর  চোখে মুখে উচ্ছাস নিয়ে এসেছিল আমেরিকায় বেড়ে উঠা তরুণ  প্রজন্ম, মধ্য বয়সী নারী, পুরুষ আর সিনিয়র সিটেজেনরা। আকাশ আর সড়ক পথে বিভিন্ন রাজ্য থেকেও এসেছিলেন প্রথম আলোর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। অনুষ্ঠানকে ঘিরে ইয়র্ক কলেজ অডিটোরিয়ামকে সাজানো হয়েছিল নববধুুর সাজে। সন্ধ্যার পর পরই দলে দলে লোকজন আসতে থাকে অনুষ্ঠানে। কয়েক ঘন্টার মধ্যে প্রায় পনেরোশ দর্শক আসনের ইয়র্ক কলেজ অডিটোরিয়াম পূর্ন হতে শুরু করে। দৃষ্টি নন্দন লাইটিং আর এলইডির আলো ঝলকানি, গান আর নাচে মুগ্ধ হন দর্শক শ্রোতারা। বক্তব্য আর সাংস্কৃতিক পর্বে প্রাধান্য পায় বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ।

alt

প্রথম আলোর উদ্বোধনের সময় বাংলাদেশ আর প্রথম আলোর পতাকায় সৃষ্টি হয় এক অন্য রকম আবহের। লাল সবুজের পতাকা হাতে দর্শকদের দেখে অনেকেই মন্তব্য করেছেন এ আরেক বাংলাদেশ।  সন্ধ্যা গড়ালেই যাত্রা শুরু অনুুুষ্ঠানের প্রারম্ভিকতা। বাংলাদেশ এবং আমেরিকার জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এর পর প্রথম আলো নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়।  এ পর্বের উপস্থাপনা করেন নিম্মি নাহার। পরে প্রথম আলোর উত্তর আমেরিকার থিম সং নিয়ে মঞ্চে আসে বিপা। বিপার শিশু শিল্পীরা থিম স্যং এর সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নর্দাণ লাইটস মিডিয়ার সিইও সাইফুল সিদ্দিক। তিনি বলেন, এতদিন প্রথম আলো দেশের কথা বলেছে এখন থেকে প্রবাসীদের কথাও সমানভাবে উচ্চারিত। প্রথম আলোর উত্তর আমেরিকায় সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার ক্ষেত্রে নিজে সম্পৃক্ত থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি হাসান ফেরদৌস।

alt

এ পর্ব উপস্থাপনা করেন টনি ডায়েস। পরে মঞ্চে আসেন প্রথম আলোর সহেযাগি সম্পাদক আনিসুল হক। তিনি প্রথম আলো নিয়ে ধারনা দেন। এ সময় গর্বিত প্রজন্ম ফারাজ হোসনকে নিয়ে প্রদর্শিত হয় একটি প্রামাণ্য চিত্র। এটি প্রদর্শনের সময় হলভর্তি দর্শকদের মাঝে পিন পতন শব্দ ছিল না। হলের নিয়ন আলো নেভানোর পর সৃষ্টি অন্ধকার যে ফারাজের শোকে আরো বেশি ঘাড় হয়ে উঠে। মঞ্চে আমন্ত্রন জানানো হয় ফারাজের মা স্কাইফ ফার্মাসিটিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সিমিন হোসেন এবং নানা ট্রান্সকম গ্রপ এবং মিডিয়া স্টার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সিইও লতিফুর রহমানকে। এ সময় বাংলাদেশি আমেরিকান তরুণ প্রজন্ম ফারাজের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে বলেন, ফারাজের মা আমাদের সহস্রাব্দ প্রজন্মের গর্বিত মা।

alt

আসুন আমরা তাকে সালাম জানাই। এসময় সবাই দাঁড়িয়ে ফারাজে মাকে সম্মান প্রদর্শন করেন। পরে সিমিন হোসেন এবং লতিফুর রহমানের হাতে নর্দাণ লাইটস মিডিয়ার সিইও সাইফুল সিদ্দিক এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ইকবাল আনোয়ার সম্মাননা তুলে দেন। এসময় আনিসুল হককে হাতেও দেয়া হয় সম্মাননা। এর পর বক্তব্য রাখেন ট্রান্সকম গ্রপ এবং মিডিয়া স্টার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সিইও লতিফুর রহমান। এর আগে তিনি প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা ছাপা সংস্করণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এসময় অডিটোরিয়ামজুড়ে চলে মুহুমুহ করতালি। স্কীনে ভেসে উঠে যাত্রা শুরু হওয়া প্রথম আলোর ছাপা সংস্করণের। বেজে উঠে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার থিম সং। সবাই দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ এবং প্রথম আলোর পতাকা নেড়ে উৎসব উদযাপন করে। একে একে মঞ্চে আসেন আমেরিকার মূল ধারা রাজনীতিকরা। বক্তব্য শেষে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয় সম্মাননা। এ পর্ব পরিচালনা করেন আশরাফুল হাসান। এর পর মঞ্চে আসে নিউজার্সির সৃষ্টি একাডেমি অব পারফর্মিং। পরে আবারো মঞ্চে আসে বিপা। তারা গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবশেন করে। এর আগে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, প্রথম আলোর এ যাত্রা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি ইতিবাচক দিক। তিনি প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সমৃদ্ধি কামনা করেন।

alt
আলোচনা এবং নৃতের পর মঞ্চে আসেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুর বন্যা। হলভর্তি দর্শক রবীন্দ্র সঙ্গীতের মন্ত্রে মুগ্ধ হন। মঞ্চে আসেন সেলিম  চৌধুরী । অনুষ্ঠিত হয় র্যাফেল ড্র। র্যাফেল ড্র পরিচালনা করেন প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা টিমের, ইব্রাহীম চৌধুরী শাহাব উদ্দিন সাগর, নিম্মি নাহার । সর্বশেষ মঞ্চে আসে ফুয়াদ। তার দলে ছিলেন পূণম এবং কৃষা তিথি। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক ঢাকা নিউইয়র্ক বিমান টিকেট পান মনির হোসাইন। অন্য ৯ টি পুরস্কারও পান ভাগ্যবানরা। অনুষ্ঠানে সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানান প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার ইব্রাহীম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে ঝকঝকে ছাপার প্রথম আলো তুলে দেয়া

alt
প্রতি শুক্রবার নিউইয়র্কসহ আশপাশের অঙ্গরাজ্যগুলোতে পাওয়া যাবে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার ছাপা সংস্করণ। গ্রাহক হওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে হবে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা অফিস, ১৫০-৪৭ হিলসাইড এভিনিউ , জ্যামাইকা, নিউইয়র্ক ১১৪৩২ ফোন ৭১৮৩৬২৮২২৩ অথবা এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।


নিউইয়র্কে তুমুল প্রতিবাদে পন্ড হয়ে গেল বাংলাদেশ সম্পর্কিত কথিত সেমিনার

শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির, ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিউজ, নিউইয়র্ক  : দর্শক-শ্রোতাদের তুমুল প্রতিবাদের মুখে পন্ড হয়ে গেল ‘বাংলাদেশ ডেমক্র্যাসী কনফারেন্স’। ২৯ মার্চ বুধবার রাতে নিউইয়র্ক সিটির বার্নার্ড কলেজের মিলনায়তনে ‘আর্চার ব্লাড সেন্টার ফর ডেমক্র্যাসী’ (ধৎপযবৎ নষড়ড়ফ পবহঃবৎ ভড়ৎ ফবসড়পৎধপু) এবং ‘ক্লাব বাংলা’র যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন, মানবাধিকার ও শ্রমিক অধিকার, সংখ্যালঘু নিরাপত্তা, রাজনৈতিক উগ্রবাদ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয়ে এই কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।

alt

আলোচকদের মধ্যে ছিলেন হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো লিসা কার্টিস, মানবাধিকার বিষয়ক এটর্নী সমÍলী হক, ভারতের অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ড. জয়ীতা ভট্টাচার্য এবং বাংলাদেশের ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. দীনা সিদ্দিকী। হোস্ট সংগঠন ‘আর্চার ব্লাড সেন্টার ফর ডেমক্র্যাসী’র প্রেসিডেন্ট হিসেবেও পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় ড. দীনা সিদ্দিকীকে। আর্চার ব্লাড সেন্টার ফর ডেমক্র্যাসীর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দাবি করে এ আলোচনার সূত্রপাত ঘটান কাউসার মুমিন। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক হুমায়ূন কবীরকে ‘লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স’র দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রচারপত্র ও আমন্ত্রণ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছিল। তিনি যথাসময়ে নিউইয়র্কে আগমণ করা সত্বেও অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। এ প্রসঙ্গে কাউসার মুমিন সূচনা বক্তব্যেই উল্লেখ করেন যে, ‘হুমায়ূন কবীর বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের লোক হওয়ায় শেষ মুহূর্তে আমরা তাকে বাদ দিয়েছি’। উল্লেখ্য, এই হুমায়ূন কবীর যে বিএনপির নেতা এবং লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের উপদেষ্টা, লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিক্সের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ নন-এ ব্যাপারটি পূর্বাহ্নেই আয়োজকরা জানা সত্বেও গোপন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আলোচনা হবার কথা বার্ণার্ড কলেজের হেল্ড লেকচার হলে সন্ধ্যা ৭ থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। নির্দিষ্ট সময়ে ঐ লেকচার হলে কাউকে পাওয়া যায়নি। এক পর্যায়ে সোয়া ৭টায় ‘ক্লাব বাংলার’র কো-প্রেসিডেন্ট আলেমা বেগম সেখানে উপস্থিত হয়ে ঐ লেকচার হলের দরজায় একটি নোটিশ লাগান। সেখানে বলা হয় যে, অনুষ্ঠানের স্থান ও সময় পরিবর্তিত হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার স্থলে রাত ৯টায় শুরু হবে এবং ভেন্যু হচ্ছে ‘মেথম্যাটিক্স বিল্ডিং-এর ৩১২ নম্বর কক্ষে।

এ আলোচনা হচ্ছে বার্ণার্ড কলেজে, অথচ আগে প্রচার করা হয়েছে ‘কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসেবে। বার্নার্ড কলেজ হচ্ছে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত শুধুমাত্র মহিলাদের জন্যে কলেজ। শুধু তাই নয়, ‘আর্চার ব্লাড সেন্টার ফর ডেমক্র্যাসী’ নামক কোন থিঙ্কট্যাংকেরও অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। ‘অস্তিত্বহীন থিঙ্কট্যাংকের নামে বিশেষ মতাদর্শের লোকজনকে নিয়ে বিশেষ রাজনৈতিক দলের পারপাস সার্ভের চেষ্টা করা হচ্ছে’-এমন অভিযোগ করেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী। ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের সমাবেশে জাকারিয়া কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে এ অভিযোগের পর ঐ সমাবেশের প্রধান অতিথি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান দলীয় নেতা-কর্মীদের সজাগ থাকতে বলেছিলেন। সে আহবানে সাড়া দিয়েই অর্ধ শতাধিক নেতা-কর্মী জড়ো হন কথিত এই থিঙ্কট্যাংকের আলোচনা সভা তথা সেমিনারে। আওয়ামী লীগের বাইরে ছিলেন বিএনপির ৭/৮ জন, ঐক্য পরিষদের দু’জন। দল-নিরপেক্ষ ৫ জন। অর্থাৎ পুরো অডিটরিয়াম আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দখলে ছিল।

আলোচকরা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নাম-নিশানা নেই, যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে বিরোধী দলীয় নেতাদের ফাঁসি দেয়া হচ্ছে, জঙ্গি দমনের নামে বিরোধী রাজনীতিকদের খতম করা হচ্ছে, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নামে বাংলাদেশের পরিবেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে সরকার, বাংলাদেশের মিডিয়া সঠিক সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারে সক্ষম হচ্ছে না, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিরাপত্তায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে সরকার সীমাহীন কৃপণতা প্রকাশ করছে ইত্যাদি অভিযোগ করতে থাকেন। এ অবস্থায় দর্শকের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করার সুযোগ চাইলে আয়োজকরা জানান যে, প্যানেলিস্টদের আলোচনা শেষে প্রশ্নের সুযোগ দেয়া হবে। সে অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, যুবলীগ নেতা জামালউদ্দিনসহ কয়েকজন প্যানেলিস্টদের কাছে প্রশ্ন করে জানতে চান যে, তারা কেন সত্যিকারের পরিস্থিতি গোপন করেছেন। এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মাসুদুল হাসান দাঁড়িয়ে নিজের ফিরিস্তি দিতে থাকলে আয়োজকরা তাকে থামতে বলার পরই সকলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এবং আলোচনাটি পন্ড হয়ে যায় তুমুল বাদ-বিতন্ডার মধ্যে। এক পর্যায়ে পুলিশ ডাকাও হয়েছিল।

alt

অনুসন্ধানকালে জানা যায়, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় মার্কিন কন্স্যুলার ছিলেন আর্চার ব্লাড। পাক হায়েনাদের নৃশংসতার বিস্তারিত তথ্য তিনি ওয়াশিংটন প্রশাসনকে অবহিত করেছেন। তেমন একজন ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে যে থিঙ্কট্যাংকের কথা বলা হচ্ছে তার কোন অস্তিত্ব নেই জেনে এ সংবাদদাতার পক্ষ থেকে কাউসার মুমিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি লিখিতাকারে জানান, ‘এটি এ বছরের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম, এবং ট্র্যান্সপারেন্সী ইন্টারন্যাশনালের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন সভাপতি ফ্রাঙ্ক ভোগল। বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে রয়েছেন ডক্টর দীনা সিদ্দিকী এবং নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কাউসার মুমিন।’ কথিত এই থিঙ্কট্যাংকের কার্যক্রম সম্পর্কে কাউসার মুমিন আরো উল্লেখ করেছেন, ‘আর্চার ব্লাড সেন্টার ফর ডেমক্র্যাসী মূলত: জাতিসংঘের ‘ইন্টারন্যাশনাল কোভিনেন্ট অন সিভিল এন্ড পলিটিক্যাল রাইটস’ বাস্তবায়নে দক্ষিণ এশীয় গণতন্ত্রগুলোর অবস্থান ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করে। এছাড়া গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মানবাধিকার বাস্তবায়নে জাতিসংঘের থার্ড কমিটির প্রস্তাবনার নিরিখে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আহবান জানায়। সংগঠনের ওয়েবসাইটের কাজ চলছে এবং আমরা আশা করছি আমাদের আগামী (এই )অনুষ্ঠানের কার্যক্রম দিয়েই আমরা ওয়েবসাইটটি উম্মুক্ত করতে পারবো।’ কাউসার মুমিন আরো উল্লেখ করেছিলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর আগামী মার্চের ২৯ তারিখে (আজ) কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠেয় সেমিনারটিই হবে প্রথম আয়োজন’। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ই-মেইল, টেলিফোন এবং স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারনা চালানো হয় এই অনুষ্ঠানের। যদিও মঞ্চের পেছনে কোন ব্যানার দেখা যায়নি। এমনকি শ্রেণীকক্ষের বোর্ডটিও ছিল এ্যলজাবরায় পরিপূর্ণ।

২০১৪ সালের শেষার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৬ কংগ্রেসম্যানের স্বাক্ষর জাল করে তারেক রহমান তথা বিএনপির পক্ষে একটি ভ’য়া বিবৃতি তৈরীর পর তা বিভিন্ন মিডিয়ায় বিতরণ করেছিলেন লন্ডনে বসবাসরত বিএনপি নেতা হুমায়ূন কবীর। এতদসত্বেও তাকে কেন লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিক্সের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমন্ত্রণ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি জানতে চাইলে কাউসার মুমিন এbAviwe সংবাদদতাকে লিখিতাকারে জানান, ‘আমাদের একজন প্যানেলিস্ট হুমায়ূন কবীরের রাজনৈতিক পরিচয়টি তার কাছেই জিজ্ঞাসা করতে পারেন। সেটিই উত্তম। তবে আমরা তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষজ্ঞ হিসেবেই। তিনি যদি কোন রাজনৈতিক দলের লোক হয়েও থাকেন, তা এখানে বিবেচ্য নয়।’ লন্ডন থেকে তিনি এসেছেন এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জনে। তবে তাকে শেষ মুহূর্তে নিষেধ করা হয় সেখানে উপস্থিত না হতে।

alt

অনুসন্ধানকালে আরো জানা গেছে, কাউসার মুমিন বিএনপি আমলে পররাষ্ট্র সচিব শমসের মোবিন চৌধুরী বীরবিক্রমের নিয়োজিত স্টাফ ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। সেখান থেকে তাকে ২০০৪ সালে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনে প্রেরণ করা হয়। ২০০৯ সালে তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রকাশ ঘটে যে, তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের ক্যাডার ছিলেন এবং জাতিসংঘ মিশনের স্টাফ হিসেবে তাদের পারপাসই সার্ভ করেছেন। এ অবস্থায় তাকে ঢাকায় বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি ঢাকায় না গিয়ে নিউইয়র্কেই অবস্থান করছেন। এ বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে আরেকটি সেমিনার হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ করে এবং সেই ঘটনাকে ‘বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংক ডাকাতি’ উল্লেখ করে। সরকারের শীর্ষপর্যায়ের লোকজন জড়িত বলেও কথিত সেই সেমিনার থেকে উল্লেখ করা হয়। সেই সেমিনারের হোস্ট ছিল ‘ইন্টারন্যাশনাল কমিটি এগেইনস্ট ফিনান্যান্সিয়াল ক্রাইমস’ (আইসিএএফসি)। আর এই আইসিএএফসি’রও পরিচালক এবং মুখপাত্র হিসেবে সেই সেমিনার পরিচালনা করেছেন এই কাউসার মুমিন। বদলি করার পর বাংলাদেশে ফিরে না যাওয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাউসার মুমিনকে ‘পলাতক’ হিসেবে নথিভুক্ত করা আছে বলে জাতিসংঘে বাংলাদেশের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) নূরএলাহি মিনা এ সংবাদদতাকে জানান।

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ক্লাব বাংলা’র সদস্য সংখ্যা শতাধিক। তবে এ অনুষ্ঠানে ছিলেন মাত্র ৩ জন। কো-প্রেসিডেন্ট আলেমা বেগম এ সংবাদদাতাকে জানান যে, ‘কাউসার মুমিন তার আত্মীয়। তার অনুরোধেই তিনি তার ক্লাবকে কো-হোস্ট হিসেবে সম্পৃক্ত করেছেন, এর বেশী কিছু জানেন না। বাংলাদেশের রাজনীতির ব্যাপারে তার কোন ধারণা নেই।এদিকে, রাজনৈতিক মতলব হাসিলের জন্যে বাংলাদেশের ইমেজ বিনষ্ট হয়, এমন যে কোন অপতৎপরতা রুখে দিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবার বদ্ধ পরিকর বলে উল্লেখ করেছেন সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী সেমিনার পন্ড হবার পর এ সংবাদদাতাকে বলেন, ‘৬ কংগ্রেসম্যানের স্বাক্ষর জালিয়াতির পর সেই একই চক্র বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের ষড়যন্ত্র এবং পরবর্তীতে নিউইয়র্কস্থ একটি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে ইসরাইলি নাগরিক মেন্দি সাফাদির সাথে জয়ের কাল্পনিক বৈঠকের অপপ্রচার চালানো হয়। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে লাগাতার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই কলম্বিয়ার মত বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে জামাত-শিবিরের পারপাস সার্ভের আরেকটি প্লট করা হয়েছিল। কিন্তু সচেতন প্রবাসীরা তা রুখে দিলেন।

জামাত-শিবিরের পারপার্স সার্ভের অভিপ্রায়ে ভূইফোঁড় সংগঠনের ব্যানারে এমন আলোচনার এ অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশী আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক লীগের সভাপতি খোরশেদ খন্দকার, আওয়ামী লীগ নেত্রী শাহানারা রহমান, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী ও সদস্য সচিব বাহার খন্দকার সবুজ প্রমুখ। অপরদিকে, বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন গোলাম ফারুক শাহীন, পারভেজ সাজ্জাদ এবং মতিউর রহমান লিটু। বিএনপির এই নেতারা অবশ্য এ সংবাদদাতাকে বলেন, ‘এই প্রবাসেও আওয়ামী লীগের লোকজন অগণতান্ত্রিক আচরণ করলেন।’ অপরদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানবাধিকার এটর্নী অশোক কর্মকার এ সংবাদদাতাকে বলেন, ‘দর্শকদের মধ্য থেকে প্রচন্ড আপত্তির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি পন্ড হয়ে গেছে।’ পরিস্থিতি সম্পর্কে কাউসার মুমিনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয় কিন্তু স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোর রাত একটা পর্যন্ত (এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত) তাকে পাওয়া যায়নি।


অটিজম সচেতনতায় বিশ্বে রোল মডেল বাংলাদেশ- জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন

শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০১৭

Picture

বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশ এ অঞ্চলের গুটিকয়েক দেশের মধ্যে অন্যতম, যে দেশ শুধু প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সংক্রান্ত কনভেনশনই নয়, এ সংক্রান্ত অপশনাল প্রটোকলও অনুস্বাক্ষর করেছে। তাছাড়া জাতীয় ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০১৬-২০২১) বাংলাদেশ সরকার অটিজম, নিউরো ডেভোলপমেন্ট ডিজঅর্ডার ও প্রতিবন্ধী বিষয়ক ইস্যুগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছে”।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা প্যানেলের সদস্য, বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা হোসেনের অটিজম সংক্রান্ত অবদানের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন, “বিভিন্ন ধরনের সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমে নিরলসভাবে অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত রাখার জন্য তিনি আজ পৃথিবীর অসংখ্য মানুষের কাছে অনুপ্রেরণাদায়ক ব্যাক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। ‘ঢাকা ডিক্লারেশন’ এবং ‘সাউথ এশিয়ান অটিজম নেটওয়ার্ক’ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাঁর প্রচেষ্টা অটিজম বিষয়টিকে শুধু আমাদের অঞ্চলেই নয়, বিশ্বের সামনে পুরোভাগে এনে দিয়েছে”। স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, “অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডারস্্ ও অন্যান্য ডেভোলাপমেন্ট ডিজঅ্যাবিলিটি নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও আর্থ-সামাজিক প্রয়োজনীয়তার উপর ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদ গৃহীত প্রথম রেজুলেশন ৬৭/৮২ গ্রহণের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিয়েছিল”। বাংলাদেশ, ভুটান ও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাকে নিয়ে ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে এবছর ১৯-২১ এপ্রিল অটিজম ও নিউরোডেভোলাপমেন্ট ডিজঅর্ডার বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনের আয়োজন করছে মর্মে স্থায়ী প্রতিনিধি জানান।
    রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন, “আমি আশা করি, অটিজম ও ডেভোলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটি আক্রান্ত অভিবাসীগণ যে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে তা নিরসনে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আজকের এই ইভেন্ট আমাদের অনন্য সুযোগ এনে দিবে। আমার বিশ্বাস, অটিজম ও ডেভোলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটি আক্রান্ত অভিবাসীগণ বিশেষভাবে বৈশ্বিক মনোযোগ পাওয়ার অধিকারী এবং টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০, যেখানে ‘কেউ পিছনে থাকবে না’ মর্মে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে সেখানেও তারা সমান সুযোগ পাবে”।

alt
 ইভেন্টির মডারেটর ছিলেন সিবিএস নিউজ এর জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি পামেলা ফক্। জাতিসংঘের  কমিউনিকেশন এন্ড পাবলিক ইনফরমেশন বিভাগের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাহের নাসের জাতিসংঘ মহাসচিবের বক্তব্য পড়ে শোনান। এছাড়া কাতার, ইন্ডিয়া, বুলগেরিয়া, চীন ও তুরস্কের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং অটিজম স্পিকস্ গ্লোবালি’র প্রেসিডেন্ট উদ্বোধনী অংশে বক্তব্য রাখেন। প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ওয়েরনার ওবারমেয়ের (ডবৎহবৎ ঙনবৎসবুবৎ), আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থার প্রতিনিধি মিজ্ সুজানে শেলডন (ঝুঁধহহব ঝযবষফড়হ), এ গ্লোবাল ভয়েস ফর অটিজম এর প্রতিনিধি মেলিসা ডায়মন্ড (গবষরংংধ উরধসড়হফ), টাফ্টস্ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেস ডোনাল্ট ইরট্লিয়েব (উড়হধষফ ডবৎঃষরবন)  এবং অটিজম ইউরোপ এর প্রতিনিধি সুসসানা সিলভ্যাসি (তংুঁংধহহধ ঝুরষাধংু)।
 এর আগে আজ সকালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্টের চলতি দায়িত্ব থাকা রাষ্ট্রদূত মোমেন জাতিসংঘের পাবলিক ইনফরমেশন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়াবলী বিভাগের আয়োজনে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আরেকটি সাইড ইভেন্ট ‘ঞড়ধিৎফ অঁঃড়হড়সু ধহফ ঝবষভ-উবঃবৎসরহধঃরড়হ’ -এ সভাপতিত্ব করেন। বািংলাদেশ এই ইভেন্টটিও কো-স্পন্সর করে।

Bangladesh is the Role Model for Autism Awareness in the world- Ambassador Masud Bin Momen at UN.

Hakikul Islam Khokan,Bapsnews: “Bangladesh, under the leadership of Prime Minister Sheikh Hasina is working relentlessly for the last eight years to ensure the rights and well-being of persons with disabilities, including those affected by autism and other neuro-developmental disorders, thus made our country a role model for Autism Awareness in the world” says Permanent Representative (PR) of Bangladesh to the UN Ambassador Masud Bin Momen at a High-Level side event of UN World Autism Awareness Day, held today at the UN Headquarters. The event entitled “Populations in Movement: Addressing the Opportunities and Challenges to Ensure Care and Services to Migrants with Autism and Developmental Disabilities”, co-hosted by Bangladesh Mission with Mission of Quatar and Autism Speaks Globally, co-sponsored by the Permanent Missions of Chaina, India and Turkey.
In his statement, the Permanent Representative of Bangladesh stated, “Bangladesh is among the few countries in our region that have not only ratified the Convention on the Rights of Persons with Disabilities, but have also ratified the Optional Protocol. Bangladesh has also included autism, neurodevelopment disorders and disabilities related issues with the National 7th Five Year Plan for 2016-2021”.
Underscoring the contribution of Ms. Saima Hossain, Member WHO's Expert Advisory Panel on Mental Health, Chairperson of National Advisory Committee on Autism of Bangladesh and daughter of Prime Minister Sheikh Hasina, the Ambassador said, “She has been the inspirational figure for many for her relentless and innovative works for the wellbeing of the persons with autism. Her efforts in adopting Dhaka Declaration and formation of the South Asian Autism Network (SAAN) brought autism to the forefront in our region and beyond”. “Bangladesh also took lead in the adoption of the first UN General Assembly Resolution 67/82 on ‘Addressing the Socioeconomic Needs of Individuals, Families and Societies living with Autism Spectrum Disorders and other Developmental Disabilities’ on 12 December 2012” – the PR stated further.
The Ambassador informed that Bangladesh, in collaboration with Bhutan and WHO, is arranging International Conference on Autism and Neurodevelopmental Disorders from 19-21 April, 2017 in Thimpu, Bhutan.

alt
Permanent Representative Masud Bin Momen said, “Today's event gives us a unique opportunity to raise awareness of the challenges faced by the Migrants with Autism and Developmental Disabilities, probably one of the most vulnerable group of people in the world. We believe the migrants with autism and developmental disabilities deserve especial global attention, specially under the auspices of the Agenda 2030 for Sustainable Development which commits to realizing the overarching objective of leaving ‘no one behind’”.
 The event was moderated by Pamela Falk, CBS News, UN Resident Correspondent while Maher Nasser, Assistant Secretary General for Communications and Public Information, UN, read out the statement of Secretary General and the Permanent Representatives of Qatar, India, Bulgeria, Chaina, Turkey and President of Autism Speaks Globally also made their valuable remarks at the high level opening segment of this event. Werner Obermeyer from WHO, Ms. Suzanne Sheldon from IOM, Professor Donald Wertlieb from Tufts University, Melissa Diamond from ‘A global Voice for Autism’ and Zsuzsanna Szilvasy from Autism-Europe also made valuable remarks as the Expert Panelists.
 Earlier today, in the morning, Ambassador Momen attended and made his remarks as an acting President of General Assembly at a side event on ‘Toward Autonomy and Self-Determination’ of World Autism Awareness Day at UN Headquarters which was organized by Department of Public Information and Department of Economic and Social Affairs of UN. Bangladesh was a co-sponsor of this event also.


লস অ্যাঞ্জেলসে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের অভ্যর্থনা

শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : লস অ্যাঞ্জেলস, যুক্তরাষ্ট্র থেকে : মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের অভ্যর্থনা জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।গত বুধবার সন্ধ্যায় লস অ্যাঞ্জেলসের একটি হোটেলে এই অভ্যর্থনা জানানো হয়।

Picture

বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহা ও তার স্ত্রী স্নিগ্ধা রায় বিদেশি কূটনীতিকদের অভ্যর্থনা জানান।প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কনসাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহা ১৯৭১ সালে নিরীহ বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি সেনাদের বর্বর হামলা ও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস তুলে ধরেন।

alt

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কনস্যুলেটের ডেপুটি কনসাল জেনারেল কাজী আনার কলি, সাবেক ভাইস কনসাল শামীম আহমেদ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহমুদা আলম, প্রকৌশলী জলিল খান, কমিউনিটি নেতা মোমিনুল হক বাচ্চু, স্থানীয় আওয়ামী লীগ সভাপতি শফিকুর রহমান, সাংবাদিক লস্কর আল মামুন ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বক্তৃতা করেন।


মেলানিয়া ট্রাম্পের হাত থেকে ‘সাহসী নারী’ পুরস্কার নিলেন ঝালকাঠির শারমিন [ ভিডিও ] সহ

বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০১৭

Picture

চলতি বছর শারমিনের সঙ্গে আরও যে ১২ নারীকে সাহসিকতার স্বীকৃতির পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে তারা হলেন বতসোয়ানার মালিবোগো মালেফে, কলম্বিয়ার নাতালিয়া পনসে দে লিয়ো, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রেবেকা কাবুঘো, ইরাকের জান্নাত আল গাজি, নাইজারের আইশাতু ওসমান ইসাকা, পাপুয়া নিউগিনির ভেরোনিকা সিমোগুন, পেরুর সিন্ডি আর্লেট কন্ট্রেরাস বৌতিস্তা, শ্রীলঙ্কার সন্ধ্যা একনেলিগোদা, সিরিয়ার ক্যারোলিন তাহান ফাচাখ, তুরস্কর সাদেত ওজকান, ভিয়েতনামের নগুয়েন গক নু কুইন এবং ইয়েমেনের ফাদিয়া নাজিব থাবেত।

alt

সারা বিশ্বে শান্তি ন্যায় বিচার, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে কাজ করার স্বীকৃতি হিসাবে শারমিন ছাড়াও এ বছর আরও বারোটি দেশের বারো জন নারীকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এদের মধ্যে রয়েছেন মানবাধিকার কর্মী, এনজিও কর্মী, রাজনীতিবিদ, ব্লগার থেকে শুরু করে সৈনিক পর্যন্ত।শারমিন আলোচনায় এসেছিলেন গত বছর নভেম্বর মাসে। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় মাত্র পনেরো বছর বয়সে শারমিনের মা তাকে বিয়ে দেয়ার আয়োজন করেছিল। স্কুলের বন্ধু, সাংবাদিক এবং থানা পুলিশের সহায়তা নিয়ে শারমিন আকতার মায়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন।

alt

বিয়েতে রাজী না হওয়ায় তার মা তাকে পাত্রের সঙ্গে কয়েকদিন একটি কক্ষে আটকে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এক পর্যায়ে বন্দী দশা থেকে পালিয়ে এসে মায়ের বিরুদ্ধেই মামলা ঠুকে দেন শারমিন।এ ব্যাপারে শারমিন আক্তার বলেছেন, ‘আমি বিয়ের জন্য উপযুক্ত বয়সে ছিলাম না। এই কিশোরী বয়সে একজন বয়স্ক লোকের সাথে আমার সংসার করা সম্ভব ছিল না। তখন আমাকে আটকিয়ে রেখে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। কিন্তু আমি এই পরিস্থিতি থেকে আমার জীবনকে বাঁচাতে মায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম।’

alt

শারমিনের দায়ের করা মামলায় তার মা এবং কথিত পাত্রকে পুলিশ গ্রেফতার করে। শারমিন এখন রাজাপুর পাইলট স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তিনি বড় হয়ে আইনজীবী হতে চান এবং বাল্য বিয়ের বিরুদ্ধে তার প্রচারণা অব্যাহত রাখতে চান।

alt

বিশ্বব্যাপী শান্তি, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, লৈঙ্গিক সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে জোরালো ভূমিকা ও সাহসী পদক্ষেপের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রর পররাষ্ট্র দপ্তর। এ পর্যন্ত বিশ্বের ৬০টি দেশের সাহসী শতাধিক নারীকে এ সম্মাননা দিয়েছে তারা। গত বছর বাংলাদেশের আইনজীবী সারা হোসেন এ সম্মাননা পেয়েছিলেন। ২০১৫ সালে পেয়েছিলেন বাংলাদেশি সাংবাদিক নাদিয়া শারমীন। ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দলের কর্মীদের হামলায় আহত হন নাদিয়া। সে সময় একুশে টেলিভিশনের প্রতিবেদক ছিলেন তিনি।

ভিডিও লিংক: - https://www.youtube.com/watch?v=OVPLyPd286k


নিউইয়র্কে প্রযুক্তিনির্ভর নকল শেখানো হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের! নেপথ্যে বাংলাদেশি ‘রিং লিডার’ নাঈম আহসান

বুধবার, ২৯ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে আরকিউএম টিউটোরিয়ালের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্পেলাইজড স্কুলে ভর্তির গ্যারান্টি দিলেও গত কয়েক বছর ধরে আরকিউএম-এর ছাত্র-ছাত্রীরা স্পেলাইজড স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে না। অথচ নিউইয়র্কের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খানস টিউটোরিয়াল, মামুনস টিউটোরিয়াল, তারেক অ্যান্ড ববি লার্নিং সেন্টারসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা স্পেশালাইজড স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে। এসব টিউটোরিয়ালে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে এবং বিস্তৃত হচ্ছে টিউটোরিয়ালগুলোর শাখা।

আরকিউএম টিউটোরিয়ালের এই ব্যর্থতার অনুসন্ধানে করতে গিয়ে কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে এসেছে। জানা গেছে, আরকিউএম টিউটোরিয়ালে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ছাত্র-ছাত্রীদের বিকল্প পদ্ধতিতে পড়াশোনা শেখানো হয়। অর্থাৎ একজন ছাত্র-ছাত্রী পুঁথিগত বিদ্যার বাইরে প্রতারণার মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় কিভাবে ভাল ফলাফল করতে পারে তা শেখানো হয়। কিন্তু তাতে কোনো ভাল ফল আসেনি।

Picture
আরকিউএম টিউটোরিয়ালের একাধিক ছাত্র-ছাত্রী বাসায় অভিভাবকদের কাছে অভিযোগ করেছেন, তাদের আরকিউএম টিউটোরিয়ালে প্রযুক্তিনির্ভর নকল করা শেখানো হয়। অর্থাৎ প্রযুক্তির ব্যবহার করে ভর্তি পরীক্ষায় কিভাবে প্রশ্নের উত্তর লেখা যাবে। কিন্তু অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী তা আয়ত্ত্ব করতে পারছে না। ফলে ভর্তি পরীক্ষায় তারা উত্তীর্ণ হতে পারছেন না। অভিভাবকদের কেউ কেউ এ বিষয়ে আরকিউএম টিউটোরিয়ালের কর্ণধার কাজী রেশমা হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের সন্তানদের টিউশন ফি’র অর্থ ফেরত দেন এবং এ বিষয়ে মুচলেকা নিয়ে নেন।একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, নিউইয়র্কের স্পেশালাইজড স্কুল স্টাইভেসান্ট থেকে নকল করা ও জালিয়াতির দায়ে বহিস্কার হওয়া ছাত্র নাঈম আহসান বর্তমানে আরকিউএম টিউটোরিয়ালের চিফ অপারেটিং অফিসারের (সিওও) দায়িত্ব পালন করছেন। এই নাঈম আহসান আরকিউএম টিউটোলিলের প্রেসিডেন্ট কাজী রেশমা হকের আত্মীয় এবং নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক নাজমুল আহসানের একমাত্র ছেলে।
জানা গেছে, সিওও-এর দায়িত্ব পাওয়ার পর নাঈম আহসান প্রথম কয়েক মাস ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত শিক্ষা দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু এর কিছুদিন পর ছাত্র-ছাত্রীদের শেখানো হয় স্মার্টফোনের মাধ্যমে কিভাবে নকল করে সহজ উপায়ে পাস করা যায়। অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী এই ডিজিটাল নকল পদ্ধতি বুঝতে সক্ষম হলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী নতুন এই পাঠদান আয়ত্ত্ব করতে পারছে না। প্রথম প্রথম তারা চুপ থাকলেও পরে তারা তাদের অভিভাবকদের বিষয়টি অবহিত করে। অনেকে নাঈম আহসানের অতীত কর্মকা- জানার পর আরকিউএম টিউটোরিয়াল থেকে সন্তানতে প্রত্যাহার করে নিয়ে অন্য টিউটোরিয়ালে ভর্তি করিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক জানান, নাঈম আহসান স্টাইভেসান্টের সেই বহিস্কৃত ছাত্র তা আগে জানলে আমার সন্তানকে কখনো আরকিউএম-এ পাঠাতাম না। তিনি বলেন, শুধু লেখাপড়া শিখে মানুষ হলেই চলবে না, একজন সন্তানকে সামাজিকভাবে গড়ে তুলতে হবে। যখন একজন ছাত্র বা ছাত্রী জানতে যে তার শিক্ষক নকল ও জালিয়াতি করে পরীক্ষায় পাস করেছেন এবং এই অভিযোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বহিস্কার হয়েছেন, তখন তার মনে নানান প্রশ্ন জাগবে। হয় তার মনে ঘৃণার জন্ম নেবে, না হয় তা প্রভাব ফেলবে। এটা অবশ্যই উদ্বেগের ব্যাপার।

alt
ওই অভিভাবক আরো বলেন, নাঈম আহসানের কুকীর্তির খবর নিউইয়র্ক টাইমস, নিউইয়র্ক পোস্ট, ডেইলি নিউজসহ মূলধারার অধিকাংশ পত্রিকায় ফলাও করে প্রকাশিত হয়েছিল। তখন তা ছিল বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য লজ্জার। আমরা ভেবেছিলামÑ নাঈম আহসান তার ভুল শুধরে সঠিক পথে চলবে। কিন্তু সে যে নতুন করে আরো জালিয়াতি আশ্রয় নেবে এবং তা অন্য ছাত্র-ছাত্রীদের শেখাবে তা কল্পনাও করতে পারিনি।
এ ব্যাপারে আরকিউএম টিউটোরিয়ালের প্রেসিডেন্ট কাজী রেশমা হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি প্রথমে বিষটি এড়িয়ে যান। পরে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, নাঈম আহসান সিওও হিসাবে যোগদানের পর আমাদের প্রতিষ্ঠান আর এগোতে পারছে না, বরং তা দিন দিন অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, নাঈম আহসানের অতীতের কর্মকা-ের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজন এখনো আমাদের প্রতিষ্ঠানে আসেন। তার সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে এখন ভাবার সময় এসছে। এ ব্যাপার আমরা খুব শিগগির সিদ্ধান্ত নেবো। তিনি বলেন, নাঈম আহসানের ব্যক্তিগত কোনো অপকর্মের দায় আরকিউএম টিউটোরিয়াল নেবে না।

নাঈম আহসানের অপকীর্তির খবর মূলধরার মিডিয়ায় ফলাও করে প্রকাশিত হয়। যেখানে তাকে ‘রিং লিডার’ হিসারে সম্মোচন করা হয়। কিছু নিউজ লিঙ্ক এখানে তুলে ধরা হলো-

http://nypost.com/2012/06/27/stuy-cheat-kids-dad-son-had-cause-to-crib/

http://www.nytimes.com/2013/08/31/nyregion/stuyvesant-principal-now-retired-mishandled-cheating-case-report-says.html

http://www.nytimes.com/2012/09/26/education/stuyvesant-high-school-students-describe-rationale-for-cheating.html

http://www.nydailynews.com/new-york/education/stuyvesant-high-school-caught-cheating-scandal-regents-exams-student-banned-cell-phone-distribute-answers-classmates-article-1.1102124

http://www.newsday.com/news/new-york/stuyvesant-students-surprised-their-peers-allegedly-cheated-on-tests-1.3806886

https://www.change.org/p/attn-principal-teitel-reinstate-nayeem-ahsan-as-a-student-at-stuyvesant

http://nymag.com/news/features/cheating-2012-9/

http://www.huffingtonpost.com/2012/06/26/stuy-cheating-scandal_n_1628434.html

http://nypost.com/2013/09/29/after-cheating-scandal-is-stuyvesant-still-the-best-high-school/

http://www.chalkbeat.org/posts/ny/2012/09/17/ny-mag-looks-at-stuyvesant-culture-in-light-of-cheating-scandal/

http://www.chalkbeat.org/posts/ny/2013/08/30/report-faults-former-stuyvesant-principal-in-cheating-scandal/

http://newyork.cbslocal.com/2012/06/26/students-return-to-class-after-news-of-alleged-cheating-scandal-at-stuyvesant-high-school/

http://www.nydailynews.com/new-york/education/students-caught-stuyvesant-high-school-regents-cheating-scandal-received-light-punishment-article-1.1102901


২৫শে মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য জাতিসংঘের প্রতি নিউজার্সী আওয়ামী লীগের আহবান

বুধবার, ২৯ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউজার্সি : ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ নিরস্ত্র বাঙালির উপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনী যে নৃশংস হত্যা চালিয়েছিল তা ছিল মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ২৫ মার্চ রাতে বাঙালির উপর চালানো হত্যার ঘটনা পৃথিবীতে বিরল যা ভিয়েতনামের যুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতাকেও হার মানায়। এই নারকীয় হত্যার ঘৃণা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। পৃথিবীতে মানুষকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করে তা আমাদের জানা ছিল না। ২৫ মার্চ শনিবার সন্ধ্যায় নিউজার্সীর প্যাটারসন শহরের জাকির বেকারীতে ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস ও ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নিউজার্সি আওয়ামীলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তাগণ এসব কথা বলেন।

Picture

সভায় ২৫ মার্চ কালো রাতে নিহত সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এ দিনটিকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য জাতিসংঘসহ বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানানো হয়। এ ছাড়া ভবিষ্যতে মানবজাতির উপর যেন এভাবে আর কোন বর্বর হামলার ঘটনা না ঘটে সেজন্যও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানানো হয়। নিউজার্সি আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মালিক চুন্নুর সভাপতিত্ব ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদের পরিচালনায় অনুষ্টিত ওই সভায় অন্যানদের মধ্য বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান বজলু, অর্থমন্ত্রীর আবুল মাল মুহিতের এ পি এস যাবেদ সিরাজ ,নিউজার্সি আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মোক্তাদির তোফায়েল, সহসভাপতি রেজাউল করিম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক বিশ্বজিৎ দে বাবলু , নিউজার্সি যুবলীগের সভাপতি নুরুজ্জামান সোহেল, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজান শাহ ,নৃপেন্দ্র পাল। আর নিউজার্সি আওয়ামীলীগর ওই সভায় নিউজার্সি আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি নিউজার্সি যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিপুল সংখক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন ।