Editors

Slideshows

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/455188Hasina__Bangla_BimaN___SaKiL.jpg

দাবি পূরণের আশ্বাস প্রধানমন্ত্

বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে আলোচনা না করে আন্দোলন করার জন্য পাইলটরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। পাইলটদের আন্দোলনের কারণে ফ্লাইটসূচিতে জটিলতা দেখা দেয়ায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/701424image_Luseana___sakil___0.jpg

লুইজিয়ানায় আকাশলীনা‘র বাৎসরিক

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ লুইজিয়ানা থেকে ঃ গত ৩০শে অক্টোবর শনিবার সনধ্যায় লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির ইণ্টারন্যাশনাল কালচারাল সেণ্টারে উদযাপিত হলো আকাশলীনা-র বাৎসরিক বাংলা সাহিত্য ও See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/156699hansen_Clac__.jpg

ইতিহাসের নায়ক মিশিগান থেকে বিজ

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ ইতিহাস সৃষ্টিকারী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরা হাউজের আধিপত্য ধরে রাখতে সক্ষম হলো না। সিনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম হলেও আসন হারিয়েছে কয়েকটি। See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/266829B_N_P___NY___SaKil.jpg

বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিসে পুলি

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ আলাউদ্দিন রেষ্টুরেন্টের সামনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি তাৎক্ষণিক এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এই See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

"গানের ছোঁয়ায় কবিতা" র বিষ্ময়কর অষ্টম আয়োজন

বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭

২০১০ সালে কাব্যপ্রেমী দস্তগীর জাহাঙ্গীর তুঘ্রিল ও ফারুখ আহমেদ , দুজনে মিলে, মঙ্গল প্রদীপ জ্বেলে ও শাঁখের ধ্বনিতে, প্রথম "গানের ছোঁয়ায় কবিতা"র আগমনী আয়োজন করেন। সেদিন "গানের ছোঁয়ায় কবিতা" র আঁতুড় ঘরে অন্যান্যদের মাঝে ছিলেন সরকার কবিরুদ্দিন, দিলারা হাশেম, আনিস আহমেদ, সন্তোষ বড়ুয়া, জসিম উদ্দিন (বর্তমানে গ্রীসে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রদূত ও তৎকালীন উপ-প্রধান বাংলাদেশ দুতাবাস ওয়াশিংটন ডিসি ), হুমায়রা হায়দার ও মেজর ফজলুর চৌধুরী। সে কবিতা সন্ধ্যায় আলো আধারিতে গানের ছোঁয়া দিয়েছিলেন শারমিন জাহাঙ্গীর দিনার। সেই থেকে কবিতা ও গানের এই প্রেমের দুর্বার যাত্রা। তারই ধারাবাহিকতায় আজ "গানের ছোঁয়ায় কবিতা" ষষ্ঠ বর্ষে প্রবেশ ও ৮ম আয়োজনের সফল সমাপ্তিতে পর্যভূষিত।

alt
এবারের অনুষ্ঠান মালায় ছিল বরারবরের মতই প্রথমে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে উদ্বোধন ও শুধু কবিতার জন্য এই জন্ম, শুধু কবিতার জন্য কিছু খেলা, শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধ্যে বেলা - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতা ও সমবেত গান।মঙ্গল প্রদীপ হাতে নিয়ে এপর্বে অংশ গ্রহন করেন মানাল আমিন, রুবা, ফারজান, সানিকা, আদৃতা ও অদিতি। সমবেত কণ্ঠে মেরিনা রহমান, দিনার মনি, ডরথী বোস, কামাল মুস্তফা, আদিতি সাদিয়া রহমান ও ডোরা গমেজ অংশ নেন। "শুধু কবিতার জন্য" কবিতাটি সরকার কবিরুদ্দিনের কন্ঠে বর্ষিত হয়। আলো আধারিতে এক কাব্যময় পরিবেশের সৃষ্টি হয় তখন।
মাতৃভাষার তরে যারা দিয়েছেন প্রান ৫২নের এই মা্সে, সেই মহান শহীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনে করে, মেরিনা রহমান, দিনারমনি, ডরথী বোস, কামাল মুস্তফা, আদিতি সাদিয়া রহমান ও ডোরা গমেজের সমবেত কন্ঠে গাওয়া হয় \

alt
“ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি
ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু ঝরা এ ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি
আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি”।
“গানের ছোঁয়ায় কবিতা” অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত সঞ্চালনায় প্রানবন্ত সঞ্চালনা করেন বিসিসিডিআই এর প্রাক্তন সভাপতি ও বাংলা স্কুলের বাংলার শিক্ষক আতিয়া মাহজাবীন নিতু।
"গানের ছোঁয়ায় কবিতা" র অষ্টম আয়োজনে কিছু কথা কিছু স্মৃতি তুলে ধরলেন ভয়েস অফ আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার (রোকেয়া আপা)।
কবিতার বৃষ্টি নামে নতুন প্রজন্মের আরিয়ানা সানিকা রহমান কন্ঠে শান্তনু ব্যানার্জ্জীর বিদ্রুপ মুলক কবিতা “ বাংলাটা ঠিক আসেনা” পাঠের মধ্যদিয়ে।
প্রথম পর্বে কবিদের কবিতার আসর "কবিতা বেলা "অনুষ্ঠিত হয়। স্বরচিত কবিতা পাঠে অংশ নেন
শফি দেলোয়ার কাজল, আসিফ এন্তাজ রবি,সামিনা আমিন,আহসান জামান, দস্তগীর জাহাঙ্গীর ও আনোয়ার ইকবাল কচি।
অনুষ্ঠানের মূল পর্ব "গানের ছোঁয়ায় কবিতায়" য় অংশগ্রহন করেন প্রতিষ্ঠিত আবৃত্তি ও গুনী কণ্ঠশিল্পীরা।

alt
কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন আতিয়া মাহজাবীন নিতু শামিম চৌধুরী, ইকবাল বাহার চৌধুরী , কাফি খান অদিতি সাদিয়া রহমান, সরকার কবিরুদ্দিন, সাওকত খান দিপু ও ডঃ নাকিব ,সকলকে আমাদের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।কবিতার ও গানের মাঝে সম্পৃক্তির ছোঁয়ায় আনন্দলোকের আনন্দ নহর যারা বহিয়েছেন তারা হলেন এই অঞ্চলের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পীগন ম্যরিনা রহমান, শারমীন জাহাংগীর দিনার ( দিনার মনি), ডরথী বোস রিমি, ও কামাল মুস্তফা।কন্ঠে গানের সাথে সাথে তবলার তালের মুর্ছনায় আমাদের কণ্ঠশিল্পীদের কে সংগত করেছেন প্যাট্রীক গমেজ। সাথে কী বোর্ড বাজিয়েছেন হিরণ চৌধুরী। গিটারে ছিলেন ডেভিড রানা।কবিদের কবিতার দ্বিতীয় আসর "কবিতা বেলা "অনুষ্ঠিত হয়। তাতে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি মাহবুব হাসান সালেহ, ফাতিমা সিদ্দিকা, মোস্তফা তানিম, মিজানুর ভুঁইয়া ও সাইফুল ইসলাম।

alt
"গানের ছোঁয়ায় কবিতা" ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যানারটি বানিয়ে দিয়েছেন সাব্রিনা চৌধুরী ডনা।
ধন্যবাদ পত্রের আর্ট ও আল্পনা দুটি একে দিয়েছেন সামিনা আমীন।
ডিজিটাল কাজ সম্পাদনার দায়িত্তে ছিলেন আতিয়া মাহজাবিন নিতু।
ফেইস বুকে ইভেন্ট পেইজ এর জন্য আর্টটি ব্যবহার করতে দেয়ায় নুহা তালুকদারকে অশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়।
সার্বিক ব্যবস্থাপনার সহযোগী ছিলেন জীবক কুমার বড়ুয়া সভাপতি আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশন, দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয় সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা বিষয়ক পরিচালক আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশন, মিজানুর রহমান ভুইয়া প্রাক্তন সভাপতি বিসিসিডিআই ও বর্তমান কার্যকরি সদস্য -( বাই), মোস্তাফিজুর রহমান কার্যকরি পরিচালক আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশন ও মোঃ আলতাফ হোসেন, প্রচার ও গবেষণা বিষয়ক পরিচালক আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশন ও ওসমান খান পরিচালক আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশন।
 শব্দ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনায় ডঃ আরিফুর রহমান ও শব্দ নিয়ন্ত্রনে ছিলেন , মুস্তফা কামাল ও ডেভিড রানা ।
"ধ্রুপদ" "গানের ছোঁয়ায় কবিতা" র সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় সহযোগিতা করে।
প্রতিবারের মত এবারো আমাদের মিডিয়া পার্টনার ছিলেন নিউজ বাংলা।
মুমেন্টস ফটোগ্রাফীর রাজীব বড়ুয়া ধারন করেন সকল স্থির চিত্র।

alt
তা ছাড়া বই মেলায় ২১শের বই মেলার আয়োজন করা হয়, বই মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মানাল আমিন ও আদ্রিতা ক্যাথেরিন জাহাঙ্গীর।
অনুষ্ঠানটি গ্রন্থনা পরিচালনা সহকারী ছিলেন সামিনা আমিন ও আতিয়া মাহজাবীন নিতু।
"গানের ছোঁয়ায় কবিতা অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিচালনা করেন কবিতা কর্মী দস্তগীর জাহাঙ্গীর তুঘ্রিল।
আগামীতে আবারো এমন এক্তি সুন্দর সন্ধ্যার প্রতিশ্রুতি ও রাতের খাবারের আয়োজনে শেষ হয় এবারের কাব্য বৃষ্টি স্নাত সুন্দর হিমেল সন্ধ্যা।
আয়োজকদের সুনিপুণ পরিকল্পনায় কোন বাহুল্যতা ছাড়া পিনপতন নীরবতায় কখন সময় গড়িয়ে শেষ হয়ে যায় এমন সুন্দর সন্ধ্যা, যখন তিন আয়োজক একত্রে উপস্থিত হয়ে বলে উঠেন শেষ হল আমাদের এবারের "গানের ছোঁয়ায় কবিতা", শ্রোতাদের মনে হল
" শেষ হয়ে ও হইলনা শেষ।


ASAAL brooklyn Chapter News 2017

বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭

Bapsnews: NY : On Saturday Feb, 25th, 2017 (ASAAL) Brooklyn Chapter meeting was held on Saturday 25th Located at Khan’s Tutorial, 188 Dahill Road Brooklyn, NY 11218. It was organized by Alliance of South Asian American Labor (ASAAL) Brooklyn Chapter Executive Council Committee. Beginning of the program giving one minute Silence to Respect the Late Al-Hajj Zakir Khan (44) of Parkchester Bronx, Who was stabbed and killed.

alt

The Chapter Program started per schedule 6:30 PM right after the welcome remarks by the president of Brooklyn Chapter Engr. M Ahsanul Haque .The main Host of the program was Mohammad Mahab, National Vice president of ASAAL and Executive Director of the Brooklyn Chapter. Opinion and feed Back given by the Brooklyn Chapter Secretary Mr. Khair Ul Hossain ,at the meting discussion was held about Job Seminar , the Challenges of Recent Memorandum issued by President Trumps administration and also discussed how to overcome this Situation, including Immigration related matters and significance of ASAAL creation. leaders given Speech regarding 2016 presidential Votes also Brooklyn Chapters activity and future program under the Banner of ASAAL,Collecting membership etc. Dr. Mojibur Rahman Majumder was the keynote speaker and Brooklyn Assemblyman Hon. Felix Ortiz's Chief of Staff Maruf Alam was the special guest. They both spoke on the needs of organizing the community under ASAAL banner! They thanked our Founder and National President Maf Mesbah Uddin for starting such an organization in 2008 where the needs of organizing for the community is more than ever before in 2017 due to the Trumps Presidency.

alt

The Audience presented their views and Criticized Trump Administration and his policies. Present at the Chapter Meeting as chief guest Maf Mesbah Uddin National President of ASAAL, Engineer M. Faroqe and Mrs. Faroque, Founder member of ASAAL National Vice President Mr. Haider ASAAL, Vice President Mr. Mostaque Ali, Vice President Of Brooklyn Chapter Mr. Nazmul Hassan ,Mr. Mansur Ali , National Correspondence Secretary Mr. Jed Matalan, National Secretary Mr. Karim Choudhury, Staten Island ASAAL chapter Secretary Mr Manzoor Shekh Chapter’s President’s including many ASAAL Brooklyn Chapter Designated Members , came to the ASAAL Chapters Meeting and gave a speech on behalf of ASAAL formation and its activity. The Fonder of ASAAL Maf Misbah Uddin during his Speech, stated that Our community everywhere must come together and work together under ASAAL leadership so that we are respected and recognized by those who are in power".President Uddin said .Over sixty of people attended and enjoyed the program.


আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন সভাপতি মোহাম্মদ সাঈদ, সা. সম্পাদক শওকত ওসমান রচি

বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক থেকে :আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সভাপতি হয়েছেন নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত প্রবাস পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আজকাল পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক শওকত ওসমান রচি। ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অপরাপর কর্মকর্তারা হলেন সহ-সভাপতি দর্পণ কবীর (এটিএন বাংলা), সহ-সম্পাদক মনজুরুল হক (টিবিএন-২৪ টিভি), কোষাধ্যক্ষ মশিউর রহমান মজুমদার (সাপ্তাহিক বর্ণমালা) এবং নির্বাহী সদস্য নাজমুল আহসান (সম্পাদক-পরিচয়), সৈয়দ ওয়ালী উল আলম (প্রবাস), এবিএম সিদ্দিক (আজকাল) ও রফিকুল ইসলাম রফিক (টিবিএন ২৪টিভি)।

alt

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের জরুরি সাধারণ সভায় উপস্থিত সাধারণ সদস্যদের কণ্ঠভোটে এই কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির মেয়াদ বহাল থাকবে ২০১৮ সাল পর্যন্ত। এদিন ক্লাবের জরুরি সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি নাজমুল আহসান এবং সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক দর্পণ কবীর।

Picture

সভায় উপস্থিত অধিকাংশ  সদস্য কমিটি গঠনের দাবি উত্থাপন করেন। তারা বলেন, ক্লাব গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত সাধারণ সভায় কণ্ঠভোটে কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়েছে। আজকের সভায়ও কমিটি গঠন করার গঠনতান্ত্রিক বিধি রয়েছে। সদস্যদের কণ্ঠভোটে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। একইসঙ্গে ক্লাবের স্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ড এবং শৃঙ্খলা নষ্ট করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৩জন ক্লাব সদস্যের প্রাথমিক সদস্য পদ বাতিল করা হয় সদস্যদের সম্মতিতে।

alt

তারা হলেন কাজী শামসুল হক, রাশেদ আহমেদ ও আকবর হায়দার কিরণ। তারা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত থেকে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় তাদের সদস্য পদ বাতিল করা হয়। এ সভায় বক্তব্য রাখেন আজকাল পত্রিকার প্রধান সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ জিকো, সৈয়দ ওয়ালি উল আলম, নাজমুল আহসান, দর্পণ কবীর, শওকত ওসমান রচি, জনতার কণ্ঠের সম্পাদক শামসুল আলম, শামছুল আলম লিটন, তোফাজ্জল লিটন, এবিএম সিদ্দিক, জাকির হোসেন জাহিদ প্রমুখ।


আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি : সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক রচি

মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সভাপতি হয়েছেন নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত প্রবাস পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আজকাল পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক শওকত ওসমান রচি।

Picture

৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অপরাপর কর্মকর্তারা হলেন সহ-সভাপতি দর্পণ কবীর (এটিএন বাংলা), সহ-সম্পাদক মনজুরুল হক (টিবিএন-২৪ টিভি), কোষাধ্যক্ষ মশিউর রহমান মজুমদার (সাপ্তাহিক বর্ণমালা) এবং নির্বাহী সদস্য নাজমুল আহসান (সম্পাদক-পরিচয়), সৈয়দ ওয়ালী উল আলম (প্রবাস), এবিএম সিদ্দিক (আজকাল) ও রফিকুল ইসলাম রফিক (টিবিএন ২৪টিভি)।

alt

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের জরুরি সাধারণ সভায় উপস্থিত সাধারণ সদস্যদের কণ্ঠভোটে এই কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির মেয়াদ বহাল থাকবে ২০১৮ সাল পর্যন্ত। এদিন ক্লাবের জরুরি সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি নাজমুল আহসান এবং সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক দর্পণ কবীর। সভায় উপস্থিত অধিকাংশ  সদস্য কমিটি গঠনের দাবি উত্থাপন করেন। তারা বলেন, ক্লাব গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত সাধারণ সভায় কণ্ঠভোটে কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়েছে। আজকের সভায়ও কমিটি গঠন করার গঠনতান্ত্রিক বিধি রয়েছে। সদস্যদের কণ্ঠভোটে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। একইসঙ্গে ক্লাবের স্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ড এবং শৃঙ্খলা নষ্ট করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৩জন ক্লাব সদস্যের প্রাথমিক সদস্য পদ বাতিল করা হয় সদস্যদের সম্মতিতে।

alt

তারা হলেন কাজী শামসুল হক, রাশেদ আহমেদ ও আকবর হায়দার কিরণ। তারা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত থেকে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় তাদের সদস্য পদ বাতিল করা হয়। এ সভায় বক্তব্য রাখেন আজকাল পত্রিকার প্রধান সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ জিকো, সৈয়দ ওয়ালি উল আলম, নাজমুল আহসান, দর্পণ কবীর, শওকত ওসমান রচি, জনতার কণ্ঠের সম্পাদক শামসুল আলম, শামছুল আলম লিটন, তোফাজ্জল লিটন, এবিএম সিদ্দিক, জাকির হোসেন জাহিদ প্রমুখ।


আট দিনেই হোয়াইট হাউস থেকে পদত্যাগ বাংলাদেশি রুমানার

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির, ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিউজ :'আমি হিজাব পরা একজন মুসলমান নারী। মার্কিন প্রশাসনের ওয়েস্ট উইংয়ে আমিই একমাত্র হিজাব পরা কর্মকর্তা ছিলাম। ওবামা প্রশাসন আমাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং সর্বদা কাজে উৎসাহ জুগিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরও দেশের জন্য কাজ করতে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে (এনএসসি) থেকে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মাত্র ৮ দিন কাজ করতে পেরেছি। '

alt

কথাগুলো বলছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ নেওয়ার ৮ দিনের মাথায় দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (এনএসসি) থেকে পদত্যাগ করা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুমানা আহমেদ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিকে বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত একটি কলামে খবরটি জানিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই মার্কিন নারী। ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসে নিযুক্ত হয়েছিলেন রুমানা আহমেদ। ১২ বছর বয়স থেকে তিনি নিয়মিত হিজাব পরেন।

alt

ওবামার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশের সেবায় ট্রাম্পের প্রশাসনে থেকে যাওয়ার মনস্থির করেছিলেন তিনি। তার আশা ছিল, নতুন প্রেসিডেন্ট ও তার সহযোগীরা ইসলাম এবং আমেরিকার মুসলিম নাগরিকদের বেলায় খুব একটা পার্থক্য হয়ে দাঁড়াবেন না। কিন্তু তার সেই আশায় গুড়েবালি!

কলামে রুমানা আহমেদ লিখেছেন, ‘আমার বেশ কয়েকজন আমেরিকান মুসলিম সহকর্মীর মতো আমিও গত বছরের বেশিরভাগ সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে আমাদের গোষ্ঠীর মানহানি করেছেন তা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।এসব সত্ত্বেও কিংবা হয়তো এ কারণেই ভেবেছিলাম জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কর্মী হিসেবে ট্রাম্পের প্রশাসনে থাকার চেষ্টা করে দেখি।’ কিন্তু রুমানা আহমেদ টিকতে পেরেছেন মাত্র আট দিন। গত ২৭ জানুয়ারি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অস্থায়ীভাবে ও সিরীয় শরণার্থীদের স্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প সই করার কারণেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।

altমার্কিন রাজনীতিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য হিলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে হোয়াইট হাউসে নিয়োগ পান রুমানা। তখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা। তাকে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হোয়াইট হাউসে নিয়োগ দেয়া হয়। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরও তিনি হোয়াইট হাউসে থেকে যেতে চেয়েছিলেন।

এ ক্ষেত্রে তিনি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন, নতুন প্রেসিডেন্ট ও তার সহযোগীদের ইসলাম ও আমেরিকার মুসলিম নাগরিকদের সম্পর্কে আরও সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে পরিচিত করাতেই তিনি নতুন প্রশাসনে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র ৮ দিনের মাথায় তিনি রণেভঙ্গ দিতে বাধ্য হন।

রুমানা আহমেদ লিখেছেন, 'বেশির ভাগ আমেরিকান মুসলিমের মতো আমিও ২০১৬ সালজুড়ে দেখেছি কীভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প আমাদের সম্প্রদায়কে হেয় করেছেন। এটি সত্ত্বেও, অথবা হয়ত এর কারণেই, আমি ভেবেছি আমার উচিত ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে থেকে যাওয়া। 'কিন্তু ২৭ জানুয়ারি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর নাগরিকদের নিষিদ্ধ করে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ প্রণয়নের পর আর হোয়াইট হাউসে থাকা সম্ভব বলে তার মনে হয়নি।

রুমানা বলেন, 'আমি জেনে গেলাম আমি আর এই প্রশাসনে থাকতে পারব না বা কাজ করতে পারব না, যে প্রশাসন আমাকে ও আমার মতো মানুষকে নাগরিক হিসেবে দেখে না, দেখে হুমকি হিসেবে। 'তিনি আরও বলেন, মুসলিমদের প্রতি এই প্রশাসন যে ধরনের আচরণ করছে তা ইরাক ও সিরিয়ায় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের জন্য উপকারী হবে। কারণ, এর ফলে এ জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা আরও বিশ্বাসযোগ্য হবে।

রুমানা আহমেদ নিবন্ধে লিখেছেন, ‘এই প্রশাসন যেভাবে সহিংস চরমপন্থা মোকাবিলা প্রোগ্রামে শুধু মুসলিমদের ওপর নজর দিচ্ছে ও 'উগ্র ইসলামী সন্ত্রাসবাদ' এর মতো শব্দ ব্যবহার করছে, তা আইএসের প্রোপাগান্ডাকেই শক্ত করবে। দেশজুড়ে শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদের উত্থান ঘটাবে। তিনি আরও লেখেন, জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করেন এমন কর্মকর্তারা নতুন প্রশাসনে ভালো অবস্থানে নেই। জানা গেছে, ১৯৭৮ সালে রুমানা আহমেদের বাবা-মা বাংলাদেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।

রুমানা আহমেদের বাবা-মা ছিলেন বাংলাদেশি। ১৯৭৮ সালে তারা যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। সেখানে তার মা কাজ করতেন ক্যাশিয়ার হিসেবে।পরে ডে-কেয়ার ব্যবসা শুরু করেন তিনি। বাবা কর্মরত ছিলেন ব্যাংক অব আমেরিকায়।ব্যাংকটির সদর দফতরে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও পদোন্নতি পান তিনি।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ১৯৯৫ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় বাবাকে হারান রুমানা।

কলামে বাবার স্মৃতি রোমন্থন করে রুমানা আহমেদ লিখেছেন, “বাবা আমাকে প্রায়ই ইসলামি মতাদর্শে অনুপ্রাণিত একটি বাংলা প্রবাদ বলতেন। তা হলো— ‘কোনো মানুষ তোমাকে ফেলে দিলে নিজের চেষ্টায় উঠে তার দিকে হাত বাড়িয়ে তাকে ভাই বলে সম্বোধন করো’।

Picture

আমেরিকার ইতিহাসও যে হোঁচট খায়নি তা নয়। তবে এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, সংগ্রাম ও সহানুভূতির মাধ্যমে হাত ধরে এই জাতি আরও সমৃদ্ধ হতে পারে।এজন্যই আমার বাবা-মা এখানে এসেছিলেন। তাই পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় সহপাঠীদের বলতাম, এই দেশটা আমার মা-বাবার মতো অভিবাসীদের ছাড়া এগোতে পারতো না।’

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে মুসলিম হিসেবে আমেরিকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেন রুমানা আহমেদ।তখন থেকে চারপাশের লোকজন তাকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ উল্লেখ করে নানান প্রশ্নবাণে জর্জরিত করতো।তবে স্নাতক সম্পন্ন করার পর বারাক ওবামায় অনুপ্রাণিত হয়ে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল) হয়ে কাজ শুরু করেন তিনি।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রুমানা আহমেদের কলামের বিষয়ে হোয়াইট হাউস কোনও মন্তব্য করেনি। 


পেনসিলভেনিয়াতে ২১ শে ফেব্রুয়ারী উদযাপিত

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : গত সোমবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে পেনসিলভেনিয়া, ফিলাডেলফিয়া শহরের শেরনহিলে অস্থায়ী শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হল মহান ২১ শে ফেব্রুয়ারী। এই অস্থায়ী শহীদ মিনারটি গত ছয়-সাত বৎসর থেকে বাংলাদেশ আর্ট গ্যালারীর প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন চিত্রশিল্পী আবু ফজল এই অস্থায়ী শহীদ মিনারটি পেনসিলভেনিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য নির্মাণ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশীদের জন্য এই অস্থায়ী শহীদ মিনারটি তৈরি করে বাঙালি চেতনাকে আরও বেশি জাগ্রত করেছেন। শত শত প্রবাসী বাংলাদেশি এই শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এসেছিলেন।এছাড়াও বাংলাদেশ সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়া এবং বাংলাদেশ আর্ট গ্যালারী পৃথক পৃথক ভাবে দুইটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন।বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি জনাব ইফতেখার হোসেন ফরহাদ এবং সাধারণ সম্পাদক মনসুর আলী মিঠু আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। বাংলাদেশ সোসাইটির বক্তাদের মাঝ থেকে ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারীর বিভিন্ন দিক উঠে আসে।


পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর নিহত হবার পরে খাজা নাজিম উদ্দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। ২৬ জানুয়ারি পূর্ব বাংলার ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে এক জনসভায় খাজা নাজিম উদ্দিন ঘোষণা দেন- “উর্দু এবং উর্দুই” হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা। তখনই পূর্ব বাংলার জাগ্রত জনতা ক্ষোভে ফেটে পরে এবং রাষ্ট্র ভাষা “বাংলা চাই, বাংলা চাই”বলে আন্দোলন শুরু করে। রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দের প্রতি তৎকালীন ২১ ফেব্রুয়ারী পূর্ব বাংলার ব্যাবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিনে ভাষা দিবস পালনের জন্য আহ্বান জানান। নাজিম উদ্দিন সরকার পূর্ব বাংলায় সেদিন (২১ ফেব্রুয়ারী) ১৪৪ ধারা জারি করেন। কিন্তু ২০ ফেব্রুয়ারী গভীর রাতে ভাষা সৈনিক গাজিউল হক সহ ১১ জন ছাত্র নেতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেদিন যারা শহীদ হয়েছিলেন তাদের মধ্যে স্মরণীয় হয়ে আছেন- রফিক, সালাম, বরকত এবং শফিক।
তাছাড়া বাংলাদেশ সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়ার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন সংগীত শিল্পী স্বপন দাস, নাদিরা মনসুর, মোহাম্মদ মনসুর।


অভিজিত রায়ের স্মরণে নিউইয়র্কে প্রদীপ প্রজ্বলন

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির, ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ: গত ২৬ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জ্যাকসন হাইটস্-এর ডাইভারসিটি প্লাজায় যুক্তি, বিজ্ঞান ও মানবতাবাদী লেখক মৃত্যুঞ্জয়ী অভিজিত রায়ের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়।নিউইয়র্ক গণজাগরণ মঞ্চ আয়োজিত বিক্ষোভ  সমাবেশের শুরুতেই অভিজিত স্মরণে কিছুক্ষন নিরবতা পালন করা হয়। এরপর সম্মিলিত সাংস্কৃতিজ জোটের সভাপতি মিথুন আহমেদের সঞ্চালনায় প্রথমে সাংস্কৃতিক কর্র্মী তাহমিনা শহীদের নেতৃত্বে উপস্থিত সবাই ‘এ আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে’ গানটি পরিবেশন করার সাথে সাথে প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়।

Picture

অভিজিত রায়ের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন সাংস্কৃতিক কর্মী মিনহাজ আহমেদ শাম্বু।বক্তব্য করেন সাপ্তাহিক ঠিকানার প্রধান সম্পাদক  মুহাম্মদ ফজলুর রহমান, কলামিষ্ট শিতাংশু গুহ,নাট্যকর্মী লুৎফুন্নাহার লতা,রাজনীতিক মুজাহিদ আনসারী, ড.প্রদীপ রঞ্চন কর,সাংবাদিক সনজীবন কুমার,মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেন,ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিকৃতি বড়ৃয়া, সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কর্মী গোপাল স্যানাল, সাংস্কৃতিক কর্মী শুভ রায়, জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম জিকু, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহ বখতিয়ার, সাংবাদিক হেলাল মাহমুদ প্রমূখ।

alt
সমাবেশ থেকে বক্তরা অবিলম্বে অভিজিত রায়ের ঘাতকদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে বলেন, অভিজিতের আদর্শ ও চেতনাকে কোন দিন নিঃশেষ করা যাবে না। যতদিন বাংলাদেশ ও বাঙালী জাতি থাকবে, ততদিন অভিজিতের লালিত চেতনা দেশের মানুষকে মুক্ত চিন্তায় গড়ে তোলায়  সমৃদ্ধ করবে।মুক্ত চিন্তা আন্দোলনের কলমযোদ্ধা অভিজিতকে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী  ঢাকায় একুশে বইমেলা থেকে বের হওয়ার সময়, ধর্মান্ধ মৌলবাদী সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে হত্যা ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাকে আহত করে।তিনি বাংলাদেশে সরকারের সেন্সরশিপ এবং ব্লগারদের কারাদন্ডের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদের সমন্বয়ক ছিলেন। তিনি পেশায় একজন প্রকৌশলী হলেও মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও লেখালেখির জন্য অধিক পরিচিত ছিলেন।


‘নেসেসিটি অব ভাসানী ইন আওয়ার মুভমেন্ট ফর জাস্টিস এন্ড লিবারেশন’ শীর্ষক সেমিনার ২৬ ফেব্রুয়ারী

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক: মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে ‘নেসেসিটি অব ভাসানী ইন আওয়ার মুভমেন্ট ফর জাস্টিস এন্ড লিবারেশন’ শীর্ষক সেমিনার ২৬ ফেব্রুয়ারী রোববার সন্ধ্যা ৬টায় জ্যাকসন হাইটস্থ বাবাব কিং রেষ্টুরেন্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারে মূল বক্তব্য রাখবেন ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে মওলানা ভাসানীর জীবন-দর্শনের উপর পিএইচডি ডিগ্রীধারী ড. লাইলি উদ্দিন। সেমিনারে মডারেটর থাকবেন ব্রুকলীন ল’ স্কুলের প্রফেসর এটর্নী সমতলি হক।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, বিশিষ্ট দার্শনিক, ভাষা সৈনিক ও মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর উপর অনুষ্ঠিত সেমিনারটি সফল করতে ফাউন্ডেশনের সভাপতি সৈয়দ টিপু সুলতান ও সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।


মহান শহীদ দিবস হোয়াইট হাউস এর সামনে পালন করল " আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশন

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির, ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ:বাংলাদেশি ইন্টারেস্ট গ্রুপ এবং ভার্জিনিয়া, ডিসি ও ম্যারীলান্ড আওয়ামী পরিবার...জাগরণের গান, কবিতা আবৃত্তি ও বক্তৃতা আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি ভাব গম্ভীর পরিবেশে উজ্জাপিত হয়।মেট্রো ওয়াশিংটন এলাকার জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী দিনার মনি, অসিম রানা ও ক্ষুদে শিল্পী অপ্সরা বণিক সাথে উপস্থিত সকলে মিলে " আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি" সালাম সালাম হাজার সালাম, তীরহারা এই ঢেও এর সাগর পাড়ি দিবরে , ধনধান্য পুস্পে ভরা " গান পরিবেশন করেন।

alt
হোয়াইট হাউসের সামনে এটা দ্বিতীয় বারের মত শহীদ দিবসের এই আয়োজন। প্রথমবার গত ২০১৬ সালে স্থানীয় বাঙ্গালীদের মাঝে অমর ইসলাম, জীবক বড়ুয়া দস্তগীর জাহাঙ্গীর, দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয় প্রমুখের নেতৃত্ত্বে হোয়াইট হাউসের সামনে দিবসটি পালন করা হয়। যা বিশ্ব বাঙ্গালীর কাছে সমাদৃত হয়েছিল।

২০শে ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টা থেকে বাঙালীর পদচারনায় ভরে উঠে হোয়াইট হাউসের সম্মুখ অঙ্গন। আর গানে ও কবিতায় বিকেল ৪টা পর্যন্ত গড়ায় এই আয়োজন।হোয়াইট হাউসের সম্মুখে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই আয়োজনে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখে যথাক্রমে আদ্রীতা জাহাঙ্গীর, অনামিত্রা বড়ুয়া, ও অর্নব বড়ুয়া।

alt
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উজ্জাপনের এই আয়োজনে অনেক আমেরিকানগন উপস্থিত হয়ে শহীদ বেদীতে পুস্পমাল্য অর্পন করেন।আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশন বাঙ্গালীর গৌরবের, বাঙ্গালীর রক্তে কেনা মাতৃভাষা দিবসকে মার্কিন মুল্লুকের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত হোয়াইট হাউসের সম্মুখে পালন করে ইতিহাস সৃষ্টি করে।এখন থেকে প্রতিবারেই এভাবে হোয়াইট হাউসের সামনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের উজ্জাপন আয়োজন করা হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন একদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সকল বাঙ্গালী ও বাংলাদেশীদের সরব পদচারনায় ভরে উঠবে হোয়াইট হাউসের এই প্রাঙ্গন।


অনান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ভার্জিনিয়া ডিসি ও ম্যারীলান্ড ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মীর রাফিকুল ইসলাম, আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশনের কার্যকরি সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান, বৃহত্তর ওয়াশিংটন আওয়ামী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও এজাইল ওয়ান টেকের সিইও জাহিদ হুসেন, বৃহত্তর ওয়াশিংটন আওয়ামী যুবলীগের সহ সভাপতি রুপক বড়ুয়া , ভার্জিনিয়া আওয়ামিলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক উসমান খাঁন , আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয় আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ আমান উল্লাহ, আমরা বাঙ্গালী ফাউন্ডেশনের তথ্য, প্রচার ও গবেষণা সম্পাদক মো: আলতাফ হোসেন, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামিলীগের সাবেক সভাপতি ও পটুয়াখালি জেলা আওয়ামীলিগের সভাপতি জনাব আলাউদ্দিন আহমেদ, ম্যারিল্যান্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব শেখ সেলিম , ভার্জিনিয়া আওয়ামিলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব এ এফ এম আনোয়ারুল আজিম, আমরা বাঙালি ফাউন্ডেশন এর সভাপতি জনাব জিবক কুমার বড়ুয়া, আমরা বাঙালি ফাউন্ডেশন এর উপদেস্টহা ও এমেরিকান-বাংলাদেশি ইন্টারেস্ট গ্রুপ এর প্রধান এডঃ অমর ইসলাম। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন আমরা বাঙালি ফাউন্ডেশন এর সাধারন সম্পাদক জনাব দস্তগীর জাহাঙ্গীর। । 


প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ: নিউইয়র্ক, গত ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সদরদপ্তরে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হয়। জাতিসংঘে বাংলাদেশ, হাঙ্গেরি, মারিসাস, পেরু ও ভানুয়াতু স্থায়ী মিশনের এবং জাতিসংঘ সদরদপ্তর, নিউইয়র্কস্থ ইউনেস্কো অফিস ও নিউইয়র্ক সিটি’র মেয়র অফিসের যৌথ উদ্যোগে স্থানীয় সময় সন্ধ্যে সাড়ে ৬টায় জাতিসংঘ সদরদপ্তরের কনফারেন্স রুম-৪ এ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Picture
আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-এই দুই পর্বে বিভক্ত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এ আয়োজনের শুরুতেই স্বাগত ভাষণ দেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।
আলোচনা পর্বে আলোচকগণ পৃথিবীর প্রতিটি ভাষার সংরক্ষণ ও সুরক্ষা, বহুভাষিক শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়া এবং ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্রকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বাহন হিসেবে গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
স্বাগত ভাষণে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণীর অংশবিশেষ, “সারা বিশ্বের সকল নাগরিকের সত্য ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রেরণার উৎস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বিশ্বের সকল ভাষা সংক্রান্ত গবেষণা এবং ভাষা সংরক্ষণের জন্য আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি” উদ্বৃত করেন।

alt
স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “বিভেদ সংকুল পৃথিবীতে বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে শ্রদ্ধা ও সম্প্রতি বাড়াতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে মাতৃভাষার বৈচিত্র সমুন্নত রাখার মাধ্যমে আমারা সকল ধরনের কুসংস্কার ও জাতিগত বিদ্বেষ পরিহার এবং শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে পারি”।
তিনি আরও বলেন, “ভাষা ও সংস্কৃতিগত বৈচিত্রই আমাদের শক্তি”। ভাষা বৈচিত্রের এই শক্তি ধরে রাখতে তিনি জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানান।
altরাষ্ট্রদূত মোমেন তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রাজপথে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির বেদনাদায়ক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন যা পৃথিবীর ইতিহাসে ভাষার জন্য শহীদ হওয়ার একমাত্র ঘটনা।   
হাঙ্গেরির স্থায়ী প্রতিনিধি কাতালিন এ্যানামারিয়া বোগায়া (কধঃধষরহ অহহধসপ্সৎরধ ইড়মুধু)  বলেন, “মাতৃভাষা সংরক্ষণের মাধ্যমে আমরা আমাদের সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে সংরক্ষণ করতে পারি। মাতৃভাষা শিক্ষা, অভিব্যাক্তির প্রকাশ এবং পারস্পারিক আদান প্রদানের জন্য অপরিহার্য”। তিনি জানান হাঙ্গেরিতে ১৩টি ভাষা রয়েছে। তারা এই ভাষাগুলোকে সংরক্ষণের জন্য কাজ করছে।
মারিসাসের স্থায়ী প্রতিনিধি জগদিস ধর্মচান্দ কজুল (ঔধমফরংয উযধৎধসপযধহফ কড়ড়লঁষ) বলেন, “মাতৃভাষা সংহতি ও সহিষ্ণুতা শিক্ষা দেয়। এই দিবস উদ্্যাপনের মাধ্যমে আমরা যেন আমাদের বৈচিত্রের একতাকেই উদ্্যাপন করছি”। তিনি মহান ২১শে ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা ব্যক্ত করেন।
পেরুর স্থায়ী প্রতিনিধি গোসটাভো মেজা কোয়াদ্রা (এঁংঃধাড় গবুধ-ঈঁধফৎধ) বলেন, “মাতৃভাষা সংরক্ষণ হচ্ছে কোন দেশের শিকড়কে সংরক্ষণ করা। সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ করা- যার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব”।  
দেড় শতাধিক স্থানীয় ভাষা সমৃদ্ধ বিশ্বের অন্যতম সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের দেশ ভানুয়াতুর স্থায়ী প্রতিনিধি ওডো ট্যাভি (ঙফড় ঞবার) বলেন, “সফল গণতন্ত্রের জন্য ভাষা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বহুভাষাবাদ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র গ্রহণের মাধ্যমে আমরা প্রাজ্ঞ ও প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণ করতে পারি”।
জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক ইনফরমেশনের প্রধান ক্রিস্টিনা গ্যালাক বলেন, “পারস্পারিক সম্পর্ক, শ্রদ্ধা, সহিষ্ণুতা ও সংলাপ বৃদ্ধিতে জাতিসংঘ বহুভাষাবাদের প্রচারকে আরও তরান্বিত করছে”। তিনি বলেন, মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা ৫০০টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। ইউএন রেডিও ৬০টি ভাষায় জাতিসংঘের কর্মকান্ড সারা বিশ্বে তুলে ধরছে।
জেনারেল এসেম্বিলী, কনফারেন্স ম্যানেজমেন্ট এবং ওয়াইড কো-অর্ডিনেটর ফর মাল্টিলিঙ্গুয়ালিজম বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ ক্যাথরিন পোলার্ড মাতৃভাষার উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বছর জুড়ে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মাতৃভাষাকে স্ব স্ব সংস্কৃতির হৃদয় বলে উল্লেখ করেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানটিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পিটার থমসন, ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ও নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের বাণী পড়ে শোনানো হয়।
বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পর্বের সুচনায় যুক্তরাষ্ট্রের শ্রী চিন্ময় গ্রুপ ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ নিয়ে মনোমুগ্ধকর থিম সঙ্গীত এবং শ্রী চিন্ময় এর ইংরেজি ভাষায় রচিত একটি কবিতা বিভিন্ন ভাষায় আবৃত্তি করেন। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক স্কুলের শিক্ষার্থীগণ, ইউএন লারর্নিং সেন্টার ফর মাল্টিলিংগুয়ালিজম এন্ড ক্যারিয়ার ডিভোলোপমেন্ট এর শিক্ষকগণ, জাতিসংঘের জেনারেল এসেম্বিলি ও কনফারেন্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগে কর্মরত ভাষা কর্মীগণ গান, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন বৈচিত্রময় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা তুলে ধরেন।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম এবং জাতিসংঘে নিযুক্ত সদস্য দেশগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধিগণ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাঙালি ও মিডিয়া প্রতিনিধিগণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


“সব কিছুতেই একটা কম”-ও প্রকাশনা উৎসব ১১ মার্চ শনিবার

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ ঃ নজরুল একাডেমী নিউইয়র্কের সাধারন সম্পাদক ও নিউইয়র্ক প্রবাসী ছড়াকার, কবি এবং সংগঠক শাহ আলম রচিত প্রথম ছড়াকাব্য “সব কিছুতেই একটা কম’র প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে ১১ মার্চ- ২০১৭, শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় জুইস সেন্টার, ৩৭-০৬, ৭৭ ষ্ট্রীট জ্যাকসন হাইটস, নিউইয়র্ক, এনওয়াই-১১৩৭২।

alt

উক্ত প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রবাসের কবি, সাংবাদিক সাহিত্যিক, শিল্পী-কলাকুশলী সহ সকল প্রবাসীদের স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আয়োজকবৃন্দ।