Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

ব্রঙ্কসের পার্ক চেষ্টারে ফ্রি মেমোগ্রাম সেবা

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

Picture

বাংলাদেশ-আমেরিকান ওম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি রেক্সোনা মজুমদার জানান, শনিবার বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলা ফ্রি মেমোগ্রাম সেবা নেন কমিউনিটির বিপুল সংখ্যক মহিলা। মোহাম্মদ এন মজুমদারও ফ্রি মেমোগ্রাম সেবা কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, ৪০ বছর ও তদুর্ধ বয়সী মহিলাদের ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য এ পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


এপ্রিলে উড়বে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ এসব তথ্য জানিয়েছেন।
শাহজাহান মাহমুদ জানান, প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই স্যাটেলাইট প্রকল্পের উদ্বোধনকে জাতীয়ভাবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার আর প্রসারে সরকার মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস নামের প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে এই স্যাটেলাইট নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে। বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তরও করা হয়েছে। এখন সেটি রাখা আছে ফ্রান্সে। কয়েক দিনের মধ্য সেটি বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নেওয়া হবে।
এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য রকেট নির্মাণ করেছে বিশ্ববিখ্যাত গাড়ি প্রস্তুতকারক টেলসলার প্রধান নির্বাহী অ্যালেন মস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজিস কর্প। ফ্যালকন-৯ নামক একটি রকেট দিয়ে এটির উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।
এপ্রিলের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে এটির উৎক্ষেপণ করা হবে। বিটিআরসির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, দিন তারিখ ঠিক হওয়ার মাত্র ১৫ দিন আগে আমাদের জানানো হবে।

Picture
এই স্যাটেলাইটটি ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে উৎক্ষেপণের দিন ধার্য ছিল। তবে, স্পেস এক্স-এর রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে আগুন ধরে প্যাড ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিলম্ব হলো বলে জানানো হয় ব্রিফিংয়ে।
স্যাটেলাইটটি সঠিকভাবে মহাকাশে পাঠানো গেলে ৮ দিন পর এটি মহাকাশে বরাদ্দ পাওয়া ১১৯.১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছাবে। সেখান থেকে নজরদারি চালাতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে, বাংলাদেশের প্রায় ৩৭টি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল যারা এখন বিদেশের স্যাটেলাইট নির্ভর ফ্রিকোয়েন্সিতে প্রচারণা চালাচ্ছে, তাদের কাছে ফ্রিকোয়েন্সি বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১২৫ কোটি ডলার আয় করা যাবে। তবে, এই টিভি চ্যানেলগুলি এখনকার প্রচলিত ক্যাবল ভিত্তিক প্রচারণার পরিবর্তে ছোট ছোট ডিস অ্যানটেনার ডাইরেক্ট টিভি সিগনাল পাবে। সেই সিগনাল ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দের দায়িত্ব থাকবে দুটি প্রতিষ্ঠান। বেক্সিমকো গ্রুপ এবং বায়ার মিডিয়া এই পুরো টিভি চ্যানেল ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ এবং সিগন্যাল বিকিকিনির পুরো ব্যবসায়িক দিকটি উপভোগ করবে। এদের ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানি এখানে ডিটিএস প্রযুক্তির ব্যবসায় নামতে পারবে না বলে জানানো হয়েছে।
কোন পন্থায় মাত্র দুটি কোম্পানিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান বিটিআরসির চেয়ারম্যান। তিনি জানান, ‘এটি তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। এটা স্পর্শকাতর একটি বিষয়, আমার কাছে সঠিক উত্তর নেই’।
বাংলাদেশের গাজীপুরে প্রায় ১৩ একর জায়গার ৫ একর জুড়ে এই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেখানে বিদেশি স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার কাজ করছে। প্রায় ১৫ জনের দলে একমাত্র বাংলাদেশি ছিলেন তাসনিয় তাহমিদ নামের একজন।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে, যার ২০টি বাংলাদেশ ব্যবহার করবে। বাকি ২০টি বিদেশি বা প্রতিবেশী দেশের কাছে ভাড়া দিতে পারবে। উৎক্ষেপণের পর পরবর্তী ১ বছর পর্যন্ত এর তদারকি করবে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান। এটি আগামী ১৮ বছর পর্যন্ত মহাকাশে থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি এবং কাজ করতে পারবে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দীন আহমেদ, জাতিসংঘে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, কনসাল জেনারেল শামীম আহমেদ এনডিসি, বিটিআরসি রেগুলেটরি কমিশনের সচিব মোহাম্মদ সারোয়ার আলম আর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্পের কনস্যালট্যান্সি প্রতিষ্ঠান, স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনালের (এসপিআই) ম্যানেজিং পার্টনার শফিক এ চৌধুরী প্রমুখ ।


ওবায়দুল কাদেরের মাতৃবিয়োগ যুক্তরাষ্ট্র আ. লীগের দোয়া মাহফিল

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

Picture

মিলাদ মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি ড.সিদ্দিকুর রহমান ও সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। মাওলানা মীর্জা জাফর বেগ- মিলাদ মাহ্ফিল, দোয়া এবং বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন। মিলাদ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সকলের জন্য বিশেষ দোয়া করেন।

alt

উক্ত দোয়া মাহ্ফিলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সামসুদ্দিন আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, প্রচার সম্পাদক-হাজী এনাম, কোষাধ্যক্ষ-আবুল মনসুর খান, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক-হাজী মোজাহিদুল ইসলাম, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক-জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ-সোলায়মান আলী, মানবাধিকার সম্পাদক-মিছবাহ্ আহমদ, উপ-দপ্তর-আব্দুল মালেক,সদস্য-মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুল মাওলা, জহিরুল ইসলাম, সামসুল আবেদিন, নুরে আজম বাবু,আনিসুর রহমান, সহ-আন্তর্জাতিক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাখায়াত বিশ্বাস, কফিল চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, জামাল হোসেন, সেবুল মিয়া, সিবলী সাদিক, মাহফুজ হায়দার, সুমন, শ্যামল কান্তি, চন্দন, নিজাম উদ্দিন ভুঞা, আবু কায়ছার, সভাপতি-শ্রমিকলীগ আজিজুল ইসলাম খোকন,সহ সভাপতি টি মোল্লা প্রমুখ।

alt

দোয়া মাহফিলে উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে সহ সভাপতি মহবুবুর রহমান ও সামসুদ্দীন আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মাজাহিদুল ইসলাম, আবুল মনসুর খান, প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক সোলেমান আলী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পদক মিসবাহ, উপ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক ও কার্যকরী পরিষদ সদস্য সামসুল আবদীন, জহিরুল ইসলাম, মজিবুল মওলা সহ নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম বাবু, যুবলীগ নেতা শেখ জমাল হোসেন, সেবুল মিয়া, আনিসুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাখাওয়াত বিশ্বাস, আলমগীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


দশম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দলের চীফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী এক সফরে এখন যুক্তরাষ্ট্রে

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : গত ২৮ই ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার ইত্তেহাত এয়ার যোগে দশম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ তাজুল ইসলাম স্বপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে আগমন করেন। যুক্তরাষ্ট্রে আগমন উপলক্ষে জেএফকে এয়ারপোর্টে জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়।

alt

শুভেচ্ছা জানান জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাজী আব্দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আবু তালেব চৌধুরী চান্দু দলের পক্ষে শুভেচ্ছা প্রদান করেন। এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কনসুলেটের ভাইস কনস্যুলার আসিফ আহমেদ। তাজুল ইসলাম ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসেন। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান কালে জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সকল কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করবেন এবং প্রবাসী সকল বাংলাদেশী ভাই বোনদেরকে জাতীয় পার্টির সম্মানিত চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ সাহেবের সালার পৌছান এবং নিজের রোগ মুক্তি কামনার জন্য সকলের প্রতি দোয়া চান।


ওবায়দুল কাদেরের মাতার মৃত্যুতে নিউইয়র্কে আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

Picture

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মাতার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের বিশেষ দোয়া মাহফিল জ্যাকসন হাইট্সের পালকী পার্টি হলে ১লা মার্চ বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের আয়োজনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেবের মাতা মরহুমা ফজিলাতুন্নেছার মৃত্যুতে মিলাদ মাহ্ফিল ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। মিলাদ মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি ডঃ সিদ্দিকুর রহমান। দোয়া অনুষ্ঠানে সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। মাওলানা মীর্জা জাফর বেগ- মিলাদ মাহ্ফিল, দোয়া এবং বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন। মিলাদ শেষে প্রধানমন্ত্রী-জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সকলের জন্য বিশেষ দোয়া করেন। উক্ত দোয়া মাহ্ফিলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এরা হলেন- যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সহসভাপতি জনাব মাহবুবুর রহমান, সামসুদ্দিন আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, প্রচার সম্পাদক-হাজী এনাম, কোষাধ্যÿ-আবুল মনসুর খান, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক-হাজী মোজাহিদুল ইসলাম, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক-জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ-সোলায়মান আলী, মানবাধিকার সম্পাদক-মিছবাহ্ আহমদ, উপ-দপ্তর-আব্দুল মালেক। আরো উপস্থিত ছিলেন সদস্য-মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুল মাওলা, জহিরুল ইসলাম, সামসুল আবেদিন, নুরে আজম বাবু, মোঃ আনিসুর রহমান, সহ-আন্তর্জাতিক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাখায়াত বিশ্বাস, কফিল চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, জামাল হোসেন, সেবুল মিয়া, সিবলী সাদিক, মাহফুজ হায়দার, সুমন, শ্যামল কান্তি, চন্দন, নিজাম উদ্দিন ভুঞা, আবু কায়ছার, আজিজুল ইসলাম খোকন সভাপতি-শ্রমিকলীগ, টি মোলøা সহ-সভাপতি শ্রমিকলীগ প্রমুখ।


ড. জাফর ইকবালের উপর হামলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ সমাবেশ

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভ সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয় গত ৩ মার্চ (নিউইয়র্ক সময়) সন্ধ্যায় বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায়। সম্মিলিত সংস্কৃতিক জোট উত্তর আমেরিকার আহবায়ক মিথুন আহমেদের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখার সহ সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস, সাংবাদিক নিনি ওয়াহিদ, মুজাহিদ আনসারী, ঐক্য পরিষদ নেতা শিতাশু গুহ, মুক্তিযোদ্ধা ড. এম বাতেন, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল বারী, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ফাহিম রেজা নূর, গণজারণ মঞ্চের প্রতিনিধি গোপাল স্যান্যাল, শুভ রায় প্রমুখ।

alt
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মহি উদ্দিন দেওয়ান, স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, আওয়ামী লীগ নেতা সোলায়মান আলী, সেক্টর কামান্ডার্স ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি রাশেদ আহমেদ, জাসদ নেতা নূরে আলম জিকো, নজরুল ইসলাম, সরাফ সরকার, সুশীল সাহা, আলি আহসান কিবরিয়া অনু, স্বীকৃতি বড়–য়া, গোপন সাহা প্রমুখ।

Picture
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা এই নগ্ন হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে এই নগ্ন হামলার সাথে যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। তারা ক্ষোভের সাথে বলেন, স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি এখন ক্ষমতায়, তারপরেও প্রগতিশীলদের উপর একের পর এক হামলা চলছে। তারা বলেন, এই ধর্মান্ধ শক্তিকে বাংলার মাটিকে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে উৎখাত করতে হবে। তা না হলে এভাবে হামলা চলতেই থাকবে। কোন কোন বক্তা বলেন, পুলিশি উপস্থিতিতে কীভাবে এই হামলা হলো? এর দায় রাষ্ট্র কোনভাবেই এড়াতে পারে না।যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, একাত্তরের রাজাকারদের শেখ হাসিনার সরকারই বিচার করেছে। সুতরাং আমাদের শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখতে হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের রুখতে আমাদের ঐব্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।


১১ই মার্চ জর্জিয়া আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

Picture

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সম্মানিত  সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এর  সিদ্ধান্তের আলোকে  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ডাঃ মুহাম্মদ আলী মানিক সহ জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি যথাক্রমে সর্ব জনাব মিন্টু রহমান, দিদারুল আলম গাজী, এম মাওলা দিলু এর সমন্বিত যৌথ উদ্যোগে  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আগামী ১১ই মার্চ ২০১৮ তারিখ আটলান্টা  মহানগরীর হাইওয়ে ৮৫ স্যালোফোর্ড এক্সিটে "কোয়ালিটি ইন" এ   জর্জিয়া আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে I   

যুক্তরাষ্ট্র  আওয়ামী লীগের সম্মানিত  সভাপতি  ড. সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উক্ত সম্মেলনে উপস্থিতিত থেকে সম্মেলনকে আলোকিত করে তুলবেন I

Picture

অতিসম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একই আদলে আরেকটি ভিন্ন সম্মেলন আয়োজনের খবর আমার গোচরীভূত হয়েছে যা আমাকে বিস্মিত করেছে । এরূপ কোনো ভিন্ন সম্মেলনের আয়োজনের কাল্পনিক ঘোষণা অথবা  আয়োজকদের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নাই I আমার অনুমতি ব্যতিরেকে ভবিষ্যতে এরূপ অনাকাঙ্খিত  কাল্পনিক প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সবিনয়ে অনুরোধ করছি I

আসুন, নিজেদের মধ্যে সকল ভেদাভেদ দূরীভূত করে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে  আমরা যুক্তরাষ্ট্র  আওয়ামী লীগের  সম্মানিত  সভাপতি  ড. সিদ্দিকুর রহমান এর সম্মতিতে আয়োজিত  ১১ই মার্চ ২০১৮ তারিখ আটলান্টা মহানগরীর  হাইওয়ে ৮৫ স্যালোফোর্ড এক্সিটে "কোয়ালিটি ইন" এ  জর্জিয়া আওয়ামী লীগের আসন্ন ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে সম্মেলনকে সাফল্য মন্ডিত করে তুলি।

মোহাম্মদ আলী হোসেন
সভাপতি
জর্জিয়া আওয়ামী লীগ
ফোন: ৬৭৮ ৮৮৭ ৮৭৫২

 


ঠিকানা’র ২৮তম বর্ষপূূর্তি ও ২৯ বছরে পদার্পণ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রবাসের সুধীজনরা

শুক্রবার, ০২ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ রিপোর্ট : একুশের চেতনায় ঋদ্ধ, পাঠকনন্দিত এবং কমিউনিটি-বান্ধব পত্রিকা ঠিকানা’র ২৮ বছর পূর্তি ও ২৯ বছরে পদার্পণ দিবসটি যথাযোগ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক উৎসবের পাশাপাশি ছিলো ‘ঠিকানা পুরস্কার-২০১৭’ প্রদান। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ কৃতিত্বের অধিকারী প্রবাসী ৭ বিশিষ্টজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। খবর বাপসনিঊজ।
এ উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটসের পিএস-৬৯-এ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, সন্ধ্যায় বসেছিল ‘দেবে আর নেবে’র এক মহামিলন । দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্ত মানুষের ঢলে উপচে পড়ে স্কুলের অডিটোরিয়াম। এ মহামিলনে যোগ দিয়েছিলেন প্রবাসী সুধীজন, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও যোগ দেন ঠিকানা’র সম্মানিত বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী, অগণিত পাঠক, পৃষ্ঠপোষক ও বিভিন্ন সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। তাদের সরব উপস্থিতি ঠিকানা পরিবারের আয়োজনকে সাফল্যমন্ডিত করে তোলে। ভালবাসায় সিক্ত হয়ে উঠে ঠিকানা পরিবার। নিউইয়র্ক ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকেও অতিথিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রাণভরে অনুষ্ঠানমালা উপভোগ করেন।
ঠিকানাÑ সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ২৮ বছর আগে, ১৯৯০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জন্ম নিয়েছিলো, তারাই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামী দিনেও এগিয়ে যাবে। কোন শক্তিই ঠিকানাকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যূত করতে পারবে নাÑ এ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শুরু হয় অনুষ্ঠান। শুরুতেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক নজরুল কবীর ও ফাতেমা রুমা আগত অতিথেদের ঠিকানার আজকের এ আনন্দ-উৎসব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান। এরপর পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত ও তরজমা করেন ড. বিন আল রশিদ, পবিত্র বাইবেল পাঠ করেন ডা. টমাস দুলু রায়, পবিত্র গীতা পাঠ করেন সুশীল কুমার সাহা ও ত্রিপিটক পাঠ করেন সুরীত বড়ুয়া।
এরপর ছিলো শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্ব। এ পর্বে ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
ঠিকানার অনুষ্ঠানটি এ পর্যায়ের অনুষ্ঠান পাঁচ পর্বে বিভক্ত ছিলো। প্রথম পর্বে ছিলো উদ্বোধনী সাংস্কৃতিক  অনুষ্ঠান। দ্বিতীয় পর্বেÑ বক্তব্য প্রদান; তৃতীয় পর্বেÑ ঠিকানার নতুন ওয়েব সাইট উদ্বোধন; চতুর্থ পর্বেÑ অ্যাওয়ার্ড প্রদান কমিটির বিচারকমন্ডলীর পরিচয় ও পুরস্কার বিতরণী এবং পঞ্চম ও শেষ পর্বে আবারও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে ফটোসেশন ও অ্যাপায়ন পর্ব।  
ঠিকানার অনুষ্ঠানের সূচনা সাংস্কৃতিক পর্বে ছিল শ্রীচিন্ময় সেন্টার ও শতদলের পরিবেশনা । সূচনা সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন শ্রীচিন্ময় সেন্টারের শিল্পীবৃন্দ। এরপর তারা পরিবেশন করেন আমেরিকান ন্যাশনাল অ্যানথেম ও শ্রীচিন্ময় রচিত ঠিকানার গান। দু’দেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সময় অতিথিরা সবাই দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান। শ্রীচিন্ময় সেন্টারের পরিবেশনায় যারা অংশ নেন, এর মধ্যে ছিলেনÑ রঞ্জনা কে ঘোষ, নীলিমা, অঞ্জলি, নেমি, সমহিতা, সালেহা, হিল্লোল, সুরেশ্রি, অর্পণ, ঋষাকেতু, কানন প্রমুখ।
এরপর শতদলের পরিবেশেনায় গীতি আলেখ্যানুষ্ঠান সবার প্রশংসা কাড়ে। কবীর কিরণ এ পর্বের অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। শতদলের যে সব শিল্পীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন এরমধ্যে ছিলেন, মতিউর রহমান, পারভেজ সাইফুল্লা, নিপা জামান, ছন্দা বিনতে সুলতান, সম্পা চৌধুরী, রুবেল, রাবেয়া, বসরী, মাইসা ইফাত, নায়লা অভিষেক, তৃনা, ঋষিকা, প্রীতি, দুরাত, আয়শা, উষি, গোধলী প্রমুখ।

alt

দ্বিতীয় পর্বে ছিল বক্তব্য প্রদান। আগত অতিথিদেরকে ঠিকানার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঠিকানার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান। তিনি অনুষ্ঠানে আগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, ঠিকানার পথচলা দীর্ঘ ২৮ বছর। এই ২৮ বছরের ইতিাহাস কিছুটা আমার জানা। কিছুটা আপনাদের। তবে যেটা আমরা সবাই জানি, সেটা হচ্ছে একুশের জাতক ঠিকানা সাংবাদিকতার মৌল আদর্শে বিশ্বাসী। সে অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। কোন রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না।
তিনি আরো বলেন, এ বিশ্বে মানুষের পায়ে দুটি শৃঙ্খল আছে। একটি দাসত্বের, আর অন্যটি ভালবাসার শৃঙ্খল। ঠিকানার পায়ে রয়েছে কম্যুনিটির মানুষের ভালোবাসার শৃংখল।
ফজলুর রহমান বলেন, সব কিছু উজার করে দিয়ে ঠিকানার জন্ম দিয়েছেন দূরদর্শী এমএম শাহীন। আর একে মেধা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের গুণাবলী দিয়ে যৌবনদীপ্ত করে মানুষের নির্ভরতার প্রতীকরূপে গড়ে তুলেছেন তারই অগ্রজ সাঈদ-উর-রব। এখন আমরা সবাই তারই ফল ভোগ করছি। আশা করছি আপনাদের ভালবাসা নিয়ে ঠিকানা ভবিষ্যতেও তার লক্ষ্যে অটল থেকে এগিয়ে যাবে। তিনি গভীর আন্তরিকতায় তার সহকর্মীদের সহযোগিতা কথাও স্মরণ করেন।
এরপর মূল বক্তব্য রাখেন ঠিকানার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ও সাবেক এমপি এমএম শাহীন।
এমএম শাহীন বলেন, মূলত প্রবাসে বাংলা ভাষাকে এগিয়ে নেয়া এবং কম্যুনিটির মানুষের মধ্যে বাংলাকে টিকিয়ে রাখতেই ঠিকানা পত্রিকা প্রকাশ করা হয়। প্রবাসের মানুষের সঙ্গে সেতুবন্ধ রচনায় ঠিকানা ভূমিকা রাখবেÑ সেটাও প্রত্যাশা ছিলো। সেই ভূমিকা ঠিকানা সব সময় রেখে এসেছে, এখনো রাখছে।
তিনি আরো বলেন, ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছিল সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে। সেই ধারাবাহিকতা আজও আমরা ধরে রেখেছি। আগামীদিনগুলোতেও আমরা আপনাদের সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।
এ সময় তিনি ঠিকানার জন্ম থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলার গল্প বলেন।
এমএম শাহীন বলেন, প্রবাসের লেখক, কবি, সাহিত্যিক, প্রবন্ধকারসহ বিভিন্ন সেক্টরের লেখকদের মধ্যে একটি ঠিকানা তৈরি করে দিতেই প্রকাশ করেন ঠিকানা। তিনি ঠিকানা প্রকাশের প্রেক্ষিত উল্লেখ করে কম্যুনিটির জন্য ঠিকানা যেসব ভূমিকা রেখে চলেছে তা তুলে ধরেন।
তিনি অনুষ্ঠানে আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি সম্মানিত বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং পাঠকদের প্রতি সেই সঙ্গে ঠিকানার পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন অংশে ঠিকানার থিম সং বাজানো হয়।  
অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে ঠিকানার ওয়েব সাইট (িি.িঃযরশধহধ.ঁং.পড়স) উদ্বোধন করেন ঠিকানার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ও সাবেক এমপি এমএম শাহীন। তিনি জানান, ওয়েবসাইটটি পূর্ণাঙ্গকরণের কাজ চলছে। অচিরেই তা শেষ করা হবে। ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছেন রুহিন হোসেনের পরিচালনাধীন প্রতিষ্ঠান আইটিল্যান্ডার্স।
এর আগে শিল্পী তাজুল ইমাম ঠিকানার বর্ষপূর্তির কভারের প্রচ্ছদের চিত্রকর্মটি এঁকে তা উপহার দেন ঠিকানা পরিবারকে। ঠিকানাকে দেয়া শিল্পকর্মটির মোড়ক উন্মোচন করেন এমএম শাহীন। এরপর ঠিকানার ২৮ বছর পূূর্তি ও ২৯ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ঠিকানা পরিবারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম ও টাইম টিভির পক্ষ পরিচালক মেরী জুবাইদা।
সমাপনী বক্তব্য রাখেন ঠিকানার বার্তা সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়কারী মিজানুর রহমান। তিনি ঠিকানার পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এরপর ছিল অনুষ্ঠানের চতুর্থ পর্ব পুরস্কার প্রদান। ঠিকানার সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ পর্ব পরিচালনা করেন ফাতেমা রুমা ও নজরুল।
ঠিকানার পুরস্কার নিয়ে বলতে গিয়ে রুমা ও নজরুল বলেন, প্রবাস কম্যুনিটিকে যাঁরা নিজেদের মেধা, প্রজ্ঞা, পা-িত্য ও কৃতিত্ব দিয়ে আলোকিত করছেন; যাঁদের কলমে, তুলিতে, গানে এবং নৃত্যে বাংলার শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রবাসে নতুন আভায় উদ্ভাসিত হচ্ছে, তেমন ৭জন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী, লেখক, সাহিত্যিক, সঙ্গীত শিল্পী ও একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে ঠিকানা পুরস্কার-২০১৭ প্রদান করে আমরা বিশেষভাবে সম্মানিত বোধ করছি। বিজ্ঞ বিচারক প্যানেল এঁদের নির্বাচিত করেছেন। এ প্যানেলে ছিলেনÑ বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট দেওয়ান শামসুল আরেফিন, বিশিষ্ট কবি ও শিক্ষক শামস আল মমীন এবং ঔপন্যাসিক মুনিয়া মাহমুদ।
যাঁরা পুরস্কার পেলেন: এরপর পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন। ঠিকানার পক্ষ থেকে এ বছরে ছয় বিশিষ্টজন এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেনÑ চিত্রশিল্পী তাজুল ইমাম; গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক ফেরদৌস সাজেদীন; বিশিষ্ট কবি তমিজ উদ্্দীন লোদী; প্রাবন্ধিক শামসাদ হুসাম; কণ্ঠশিল্পী কাবেরী দাশ; ঔপন্যাসিক ডা. সিনহা আবুল মনসুর এবং প্রবাসের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস (বিপা)।
পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে এ্যাওয়ার্ড তুলে দেন ঠিকানার চেয়ারম্যান এমএম শাহীন। হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন ঠিকানার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান। পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তাদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত পড়ে শোনানো হয়।
শেষে মঞ্চে ডেকে পুরস্কার প্রদান কমিটির বিচারকমন্ডলীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। যাঁদের বিচারে সাতজনকে পুরস্কৃত প্রদান করা হয়, তারা হলেনÑ দেওয়ান শামসুল আরেফীন, শামস আলীম মমীন ও মুনিয়া মাহমুদ। ঠিকানা পুরস্কারের সময় মঞ্চে বিশেষ লাইটের ব্যবস্থা করা হয়।

alt
এরপর অনুষ্ঠানের স্পন্সরদের মঞ্চে ডেকে নেয়া হয়। তাদেরকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ অনুষ্ঠানের স্পন্সর ছিলেন বিশিষ্ট রিয়েলটর মইনুল ইসলাম, বিশিষ্ট রিয়েলটর আনোয়ার হোসেন, ব্যবসায়ী একেএম কামাল, সেলিম, সালেহ আহমেদ ওয়েল কেয়ার, এটর্নি এন মজুমদার ও এর্টনি মঈন চৌধুরী । এছাড়াও থিম সংয়ের গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক সুফের মামাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।  
পুরস্কার প্রদান শেষে ঠিকানার থিম সংয়ের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে বিপার একদল নৃত্য শিল্পী ও ঠিকানার থিম সংয়ে লিপসিং করেন শতদলের শিল্পীরা। এই সময়ে একঝাঁক তরুণ-তরুণী তাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এরপর আয়োজন হয় ফটোসেশন। এ সময় ঠিকানার এম এম শাহীন ঠিকানা পরিবারের সবাইকে মঞ্চে ডেকে নেন এবং তারাও ফটোসেশনে অংশ নেন। নৃত্যপরিবেশনের সময় ঠিকানা পত্রিকা হাতে নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন।  
এরপর আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠানের পঞ্চম ও শেষ পর্ব। এ পর্বে বিপার শিল্পীরা পরিবেশন করে কবিতা আবৃত্তি, গান ও নৃত্য।  বিপার শিল্পীবৃন্দের টানা আধঘন্টার পরিবেশনা সবাইকে মুগ্ধ করে। বিপার শিল্পীবৃন্দের টানা আধঘন্টার পরিবেশনা সবাইকে মুগ্ধ করে। এ্যানী ফেরদৌসীর পরিচালনায় বিপার নৃত্যে অংশ নেন -আজমেরী মৌসুমী, ফিরোজা জ্যোতি, আপিয়া জাহান, তানজিলা নেওয়াজ, নামিয়া আমিন, শায়ান শারমিন, নিহাল রহমান, জেরিন ইসলাম, নাহরীন ইসলাম, সুমাইয়া আলম, নাবিলা হামিদ,  মুন হাই, লিওনা মুহিত, রিতিকা দেব, মুনিরা আহমেদ, সামিয়া ইসলাম, মাহিমা খান, নওশীন, সেহনুম, এলমা, কামিলা ও দিয়া। সঙ্গীতে সেলিমা আশরাফ, নিলোফার জাহান, পারভীন সুলতানা, আকলিমা চৌধুরী, সাদাত তাসিন, দিদাত আহমেদ, জিনাতুন নাহার, মোহম্মদ ইউসুফ বিটুল, আসিফুল ইসলাম, আবৃত্তি করেছেন মৃদুল আহমেদ। আরও ছিলেন, ফারুজানা সুলতানা, সবিতা পাল, ম. জসীম, উর্মি রোজারিও, জেরিন মাইশা, নিশাত চৌধুরী, রুশমিকা নাবিহা প্রমুখ।
এরপর মঞ্চে আসেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তনিমা হাদী ও শাহ মাহবুব। তারা দু’জনে একক দুটি করে এবং ডুয়েট দুটি গান পরিবেশেন করেন। তাদের গান দর্শক শ্রোতাদের বিমোহিত করে।
সবশেষে রাত ১১টার কিছুক্ষণ আগে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সমাপ্তি টানেন ঠিকানা পরিবারের সদস্য নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী। এর আগে অনুষ্ঠানে শেষ সময় পর্যন্ত যারা ছিলেন তাদেরকে নিয়ে ফটোসেশন করা হয়। ফটোসেশনে অংশ নেন সমবেত সুধীর একাংশ। অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিদের জন্য ডিনারের ব্যবস্থা করা হয়।
ঠিকানার অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য যারা ভলানটিয়ার হিসাবে কাজ করেছেন শাহ রবের নেতৃত্বাধীন একাধিক টিম। তাদেরকে ধন্যবাদ জানানো হয় ও মঞ্চে ডেকে নিয়ে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। যারা অনুষ্ঠানকে সফল করতে কাজ করেন এরমধ্যে ছিলেন, সামিউর রব, শাহ রব, জাহিন, তাহমিদ, জেমিমা, রাফিদ, তাসফিয়া, তানিফা, ওমর, আরিবা, ইকরা, শাহ। তারা অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদেরে অভ্যর্থনা জানানো ও সেই সঙ্গে তাদের অ্যাপায়নের দায়িত্বে ছিলেন। অনুষ্ঠানের সাউন্ডে ছিলেন নিবীর খান ও আরিফ। অনুষ্ঠানের ভিডিওগ্রাফিতে ছিলেন আমজাদ হোসেন। বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন রিড ও তার দল। অনুষ্ঠানের মঞ্চ ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন মঞ্জুর হোসেন ও নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান, কলামিস্ট মাহমুদ রেজা চৌধুরী,  দেওয়ান শামসুল আরেফিন, জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক খান, ড. শওকত আলী, ড. দলিলুর রহমান, ডা. সরওয়ারুল হাসান চৌধুরী, বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিরিন বকুল, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এম আজিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, বাংলাদেশ লীগ অব আমেরিকার সভাপতি ্েবদরুল ইসলাম বাবলা, সাবেক সভাপতি এমাদ চৌধুরী, প্রভাষক নিপ্পন চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম লিটন, আবু তাহের, কম্যুনিটি নেতা নবেন্দু বিকাশ দত্ত, আব্দুল কাদের চৌধুরী শাহীন, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা মণিকা রায়, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব, কার্যনির্বাহী সদস্য সাদী মিন্টু, সাবেক কর্মকর্তা কাজী আজহারুল হক মিলন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান সেলিম, বিশিষ্ট আইনজীবী ও মূলধারার রাজনীতিবিদ এন. মজুমদার, মূলধারার রাজনীতিবিদ হাসান আলী, কম্যুনিটি লিডার নাসির আলী খান পল, তোফাজ্জল করিম, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, আলী ইমাম শিকদার, আহবাব চৌধুরী খোকন, মূলধারার রাজনীতিবিদ মাফ মিসবাহ, মাজেদা উদ্দিন, শো টাইম মিউজিকের প্রেসিডেন্ট আলমগীর খান আলম, কবি শামস আল মমীন, লেখক এবিএম সালেহ আহমেদ, কবি লাভলু, শিশুক সেলিম, ছন্দা বিনতে সুলতান, আবু রায়হান, ড. ফারুক আজম, তপন জামান, দলিলুর রহমান, বিশিষ্ট অভিনেত্রী রেখা আহমেদ, কবি মামু আনসারী, মাকসুদা আহমেদ, নাসরিন চৌধুরী, রওশন হাসান, গীতিকার মেহফেজুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি গিয়াস আহমেদ, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষযক সম্পাদক এমএ বাতিন, বিএনপি নেতা কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি জিয়া হাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি স্বপ্ন বড়–য়া, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন খান, তাজুল ইসলাম, শামসুদ্দিন, আজকালের প্রধান সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ জিকো, সম্পাদক মনজুর আহমেদ, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভির ডিরেক্টর ম্যারি জুবায়েদা, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ. খান, সাপ্তাহিক প্রবাসের সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, মিলিনিয়াম টিভির প্রেসিডেন্ট নূর মোহাম্মদ, ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক জাকিয়া খান, সাপ্তাহিক সন্ধানের সম্পাদক সঞ্জীবন কুমার, আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস, সময় টিভির যুক্তরাষ্ট্র নির্বাহী সিহাবুদ্দিন কিসলু, এনটিভির আবীর আলমগীর ও পুলক মাহমুদ, এটিএন বাংলার যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি কানু দত্ত, সাংবাদিক আব্দুল মালেক, সাহেদ আলম, দৈনিক নয়া দিগন্তের যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি ইমরান আনসারী, প্রথম আলোর প্রতিনিধি ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন, অধ্যাপিকা হুসনে আরা, সাপ্তাহিক আজকালের নির্বাহী সম্পাদক শাবাবুদ্দিন সাগর, প্রতিনিধি স্বপন হাই, টিভিএন২৪-এর প্রেসিডেন্ট আহমেদুল বারী ভূঁইয়া পুলক, প্রতিনিধি শামীম আল আমিন, রফিক উদ্দিন, এএফএম মিবাউজ্জামান, সাপ্তাহিক বাংলাদেশের প্রতিনিধি সোলায়মান আলী, সাংবাদিক মনিজা রহমান, সুনামগঞ্জ সমিতির সভাপতি জোসেফ চৌধুরী, ওসমানী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট আইনজীবী প্যারি ডি. সিলভার, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তা ফারুক হোসেন মজুমদার, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসানুজ্জামান হাসান, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, সুরছন্দের প্রিন্সিপাল এমদাদুল হক, জাফর ফেরদৌস, বিএনপি নেতা  শাহজাহান শেখ, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি বদরুন নাহার খান মিতা, যুক্তরাষ্ট্র জাসদের সাধারণ সম্পাদক সাহান, পরেশ সাহা, রীনা সাহা, ওয়েল কেয়ারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সালেহ আহমেদ, এফবিসিসিআই’র কর্মকর্তা শেকিল আহমেদ চৌধুরী, পিপল এন টেকের প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপ, মূলধারার রাজনীতিবিদ হেলাল শেখ, জেবিবিএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম, এনওয়াই ইন্স্যুরেন্সের প্রেসিডেন্ট ও জেবিবিএ’র সাবেক সহ-সভাপতি শাহ নেওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, ছাত্রদলের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম জনি,কম্যুনিটি লিডার শাহাদাৎ হোসেন রাজু, মজিবুর রহমান, সাহিত্য একাডেমির পরিচালক মোশাররফ হোসেন, জেবিবিএ’র সাবেক কর্মকর্তা হাসান জিলানী, মূলধারার রাজনীতিবিদ মজিবর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পলাশ পিপলু, বিয়ানীবাজার সমিতির উপদেষ্টা গৌস খান, ড্রামের নির্বাহী কাজী ফৌজিয়া, জাতীয়তাবাদী ফোরামের নেতা অধ্যক্ষ নূরুল আমিন পলাশ, ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাছিম আহমেদ, সাইদুর খান ডিউক, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, শেখ হায়দার আলী, আনোয়ার হোসেন, কামরুজ্জামান, কুইন্স লাইব্রেরির সেলিনা শারমিন, শিল্পী নাসরিন সৈয়দ, শিল্পী ওয়াহিদ, কম্যুনিটি লিডার কামাল হোসেন মিঠু, লেখক মোস্তাক আহমেদ, গোলাপগঞ্জ সোসাইটির সাবেক সভাপতি বেলাল উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জন ফাহিম, রফিকুল ইসলাম ডলার, কম্যুনিটি লিডার খন্দকার ফরহাদ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান, কলামিস্ট শিতাশু গুহ, কুলাউড়া এসোসিয়েশনের সভাপতি আশরাফ আহমেদ ইকবাল, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ, নবাবগঞ্জ এসোসিয়েশনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী আজিজুল হক মুন্না, নিউজার্সি বিএনপির সভাপতি সৈয়দ জুবায়ের আলী, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা নূর ইসলাম বর্ষণ, এটর্নি সোমা সাঈদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান, কম্যুনিটি লিডার আব্দুল মুসাব্বির, মদিনা মসজিদের সভাপতি এডভোকেট নাসির উদ্দিন, রাশেদ আল মোসাইদ প্রমুখ।


নিউইয়র্কে বৃহত্তম লাকশাম ফাউন্ডেশনের অভিষেক দলমতের উর্ধে থেকে ঐক্যের আহবান

শুক্রবার, ০২ মার্চ ২০১৮

এসএম সোলায়মান : বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :কবি নজরুল, শচীন দেব বর্মন, নওয়াব ফয়জুন্নেচ্ছার স্মৃতি বিজরিত কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় দেশ ও প্রবাসের কুমিল্লাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন দেশ বরন্য সাংবাদিক বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম। ২৪ ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে বৃহত্তম লাকসাম ফাউন্ডেশন ইউএসএ ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠানে গেষ্ট অব অনার সাংবাদিক নঈম নিজাম কুমিল্লার শিক্ষা ও সাংস্কৃতি রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার  আহবান জানান। তিনি বলেন, দেশ ও বিদেশ শিক্ষা দীক্ষায় কুমিল্লার সুনাম রয়েছে। ব্যাংক ও ট্যাংকের শহর কুমিল্লা, কবি সাহিত্যিকের কুমিল্লা, জাতীয় কবি নজরুল, শচীন দেব বর্মনের কুমিল্লা।

Picture

দেশের যেকোন জেলার থেকে কুমিল্লা কোন অংশেই পিছিয়ে নেই। প্রয়োজন শুধু দেশ ও প্রবাসের সবাইকে কুমিল্লার উন্নয়নে এগিয়ে আসা। এলাকার উন্নয়ন করতে পদ লাগেনা। একজন মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী নিউইয়র্কে টেক্সি চালিয়ে নিজ এলাকায় কুমিল্লার ব্রাম্মনপাড়ায় ৫ টি স্কুল কলেজ করেছে। ইচ্ছা থাকতে হবে।বৃহত্তম লাকসাম ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের অভিনিন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, নওয়াব ফয়জুন্নেছার স্মৃতি বিজরিত বৃহত্তর লাকসামের সন্তান হিসেবে নিজেকে গর্ববোধ করি। প্রবাসে লাকসামবাসীর মিলন মেলায় আমি অভিভূত। এলাকার যেকোন প্রয়োজনে আমি পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ। অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাত নামা বাংলাদেশী আইটি ট্রেনিং সেন্টার পিপল এন টেক’র প্রেসিডেন্ট বৃহত্তর লাকসামের কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপ। ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপ বলেন, বৃহত্তর লাকশামের একজন সন্তান হিসেবে আজকের অভিষেক অনুষ্ঠানে নিজেকে ধন্য মনে করছি। প্রবাসী বৃহত্তম লাকশামবাসীর আইটিসহ প্রশিক্ষন দিয়ে কর্মসংস্থানে সার্বিক সহায়তা করবো। তিনি বলেন, পিপল এন টেক বাংলাদেশীদের স্কিল ডেভেলপমেন্টে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। লাকশাম উন্নয়নে আমি সবসময় পাশে থাকবো 

ইনশাল্লাহ।  বিশেষ অতিথি জেবিবিএ সভাপতি  শাহনেওয়াজ বলেন, প্রবাসী লাকসামবাসীর সাথে জেবিবিএ সার্বিক সহায়তা করে যাবো। এত লোকের আয়োজেন বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশনের অভিষেকে আমি অভিভূত।ফাউন্ডেশনের বিদায়ী সভাপতি ও বাংলাদেশ সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বন্যাঢ্য এই অভিষেক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদায়ী সেক্রেটারি নুরে আলম। আবুল কালাম ভূইয়া বলেন,বৃহত্তর  লাকশাম ফাউন্ডেশন দলমতের উর্ধে থেকে কাজ করে যাবে।

নতুন কমিটির অগ্রযাত্রায় সকলের সহায়তা চান নবনির্বাচিত সভাপতি আবদুল জলিল তিতুমীর ও সেক্রেটারি ওমর ফারুক রিপন। বৃহত্তর লাকসাম ফাউন্ডেশনের নব নির্বাচিত সভাপতি আবদুল জলিল তিতুমীর, সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ মশিউর রহমান মজুমদার, সেক্রেটারি মোঃ ওমর ফারুক রিপনসহ ২৫ জনের কার্যকরি কমিটিকে শপথ পাঠ করান নির্বাচন কমিশনার সাইফুল আলম শাহিন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন.বিশিষ্ট আইনজীবি এন মজুমদার, জেবিবি এ সভাপতি শাহ নেওয়াজ , ব্রহত্তর কুমিল্লা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খবির ভইয়া . সেক্রেটারি জাহাগীর সরকার . কুমিল্লা সমিতির সভাপতি  আমিনুল ইসলাম চৌ . কুমিল্লা সোসাইটির সভাপতি আবুল খায়ের অকনদ .কমিউনিটি নেতা জয় চৌ . উপস্তিত উপদেষ্টা লাকসাম ফাউ : শামছু উদিদন শামিম . প্রফেসার . সাফায়েত উল্ল্যাহ মজু: ইনজি : সিরাজুল ইসলাম তালুকদার . ফাউনডার মেম্বার কামাল উিিদুন . নির্বাচন কমিশন সদস্য সাইফুল আলম শাহিন . মাগুরা জেলা সভাপতি শাহ জালাল .বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক মোমিন উল্লাহ মজু: ইনজি ফরিদ হোসেন সুজন . নৃর হোসেন সাবেক সভাপতি জাতীয়তাবাী ফোরাম নুরল আমিন পলাশ . শাহদাৎ হোসেন রাজু নিউ ইয়কঁ সাহিত্য একাডেমি পরচালক মোশারফ হোসেন. চট্টগাম সমিতি সাবেক সভাপতি কাজী আজম ।অভিষেক শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন কৃষনা তিথিসহ দেশ ও প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীগন। সাংস্কৃতিক পর্ব পরিচালনা করেন কবি পলি শাহিনা ও  সাংগঠনিক রবিউল হোসেন।শপথ পরবর্তী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নব নির্বাচিত সেক্রেটারি ওমর ফারুক রিপন।


নিউ ইয়র্কে নিখোঁজ সেই বাংলাদেশি ছাত্রের সন্ধান মিলেছে : বা-মা’র শুকরিয়া আদায়

শুক্রবার, ০২ মার্চ ২০১৮

Picture


কমিউনিটির পরিচিত মুখ, কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির সদস্য ও সম্মিলিত বরিশাল বিভাগীয় সমিতি ইউএসএ’র সভাপতি এবং তানভীর হোসেন রাব্বীর পিতা আলতাফ হোসেন বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদককে জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ জানায় যে রাব্বীর খোঁজ পাওয়া গেছে এবং সে ম্যানহাটানের প্রেসব্রেটেরিয়ান হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছে। খবর পেয়ে সাথে সাথে হাসপাতালে গিয়ে তাকে চিকিৎসাধীন এবং ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। রাব্বীকে কোথায়, কিভাবে পাওয়া যায় এব্যাপারে আলতাফ হোসেন জানান, হাসপাতাল কর্তৃপÿ বলেছে যে, রাব্বীকে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ওয়াল স্ট্রীট এলাকায় তাকে পাওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু নিখোঁজ হওয়ার পর গত ৪দিন কোথায়, কিভাবে, কি খেয়ে ছিলো সে ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। তিনি জানান, হাসপাতালে প্রাথমিক নিরীÿা-পরীÿার পর রাব্বীকে ছেড়ে দেয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাসায় ফিরেছি। রাব্বী যে পোশাক পড়ে বাসা থেকে নিখোঁজ হয়েছিলো, সেই পোশাকেই তাকে পাওয়া গেছে। বাসায় ফিরে রাব্বী ঘুমুচ্ছে বলে আলতাফ হোসেন জানান।

alt
আলতাফ হোসেন তার পুত্রকে ফিরে পাওয়ায় মহান সৃষ্টিকর্তা আলøাহতায়ালার কাছে শুকরিয়া আদায়ের পাশাপাশি টাইম টেলিভিশন সহ সকল মিডিয়া প্রতিনিধির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আরো উলেøখ্য, তানভীর হোসেন রাব্বী নিখোঁজ হওয়ার পর এনওয়াইপিডি’র পÿ থেকে লিফলেট ও হ্যান্ড বিল বিতরণ করা হয়। তার নিখোঁজের খবরটি গত ২৭ ফেব্রæয়ারী মঙ্গলবার টাইম টেলিভিশনের রাত ১০ খবরে প্রধান শিরোনাম হিসেবে প্রচার করা হয়।
গত ২৫ ফেব্রæয়ারী রোববার অপরাহ্নে থেকে তানভীর হোসেন রাব্বী নিখোঁজ ছিলো। ঐদিন দুপুুরে বাবার সাথে তাদের বাসার অদুরেই সেলুনে তার চুল কাটার কথা ছিলো। কিন্তু কি মনে করে জেনো যে চুল কাটতে রাজী না হওয়ায় বাবা আলতাফ হোসেনকে সেলুনে রেখেই বাসায় চলে আসে। বাবাও পুত্রের কথায় তাকে (রাব্বী) বাসায় যেতে বলে। পরবর্তীতে আলতাফ হোসেন বাসায় ফিরে দেখেন রাব্বী বাসায় ফিরেনি। চলতে থাকে খোঁজাখুজি। মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত রাব্বীর কোন খোঁজ না পেয়ে রাব্বীর পরিবারের পÿ থেকে ৯১১-এ কল করে পুলিশকে ঘটনা জানানো হয়। তানভীর হোসেন রাব্বী ব্রঙ্কসের ডিষ্ট্রিক্ট ৭৫-এর লুইস এন্ড ক্লার্ক স্কুলের ইলেভেন গ্রেডের ছাত্র। তার জন্ম বাংলাদেশের বরিশালে। ছোট বেলায় বাবা-মা’র হাত ধরে সে যুক্তরাষ্ট্রে আসে। সিটির ব্রঙ্কেসর ব্রীক্স এভিউনিতে তাদের বসবাস।
জানা গেছে, কয়েক বছর আগে রাব্বীর আগের স্কুলের দুই গ্রæপের মারামারি ঘটনার পর তানভীর হোসেন রাব্বী মানসিকভাবে বিপর্যন্ত হয়ে পড়ে এবং তারপর থেকেই কম কথা বলতে থাকে। এজন্য তার চিকিৎসা চলছে। ব্যক্তিগতভাবে রাব্বী কোন অঘটনের সাথে জড়িত ছিলো না এবং বাসা আর স্কুল ছাড়া বাইরে খুব একটা সময় কাটাতো না। তবে মানসিকভাবে বিপর্যন্ত হওয়ার পর রাব্বী মাঝে মধ্যে বাইরে গেলে একটু দেরী করে বাসায় ফিরতো।


মেরিল্যান্ড এবং ভার্জিনিয়াতে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ আমেরিকা সেমিনার অনুষ্ঠিত

শুক্রবার, ০২ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্র থেকে :ফেব্রুয়ারী চতুর্থ  তারিখে ডি.সি., মেরিল্যান্ড এবং ভার্জিনিয়াতে  এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ আমেরিকা  দ্বারা এই সেমিনারটি আয়োজন করা হয়েছিল,  সেমিনারে আলোচনা মূলত আমেরিকান সোসাইটির উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ-আমেরিকান সম্প্রদায়কে উত্সাহিত করার জন্য মূলত ছিল। সেমিনারটি দুপুরের জন্য মূলত "ব্রিড টু ম্যানস্ট্রেম আমেরিকা" নামে পরিচিত ছিল। জনাব জেফ ম্যাককে যিনি লি এ জেলা সুপারভাইজার ছিলেন। বিশিষ্ট স্পিকারগণ ছিলেন ডঃ মোহসীন সিদ্দিকের সম্পাদক , সিটিজেন . যিনি তার বক্তৃতায় প্রত্যেকের কাছে বার্তা পাঠিয়েছিলেন যে, অন্যান্য জাতিসত্তার সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বন্ডের প্রয়োজন হলে তা গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশীদের প্রতি অন্যান্য জাতি থেকে সম্মান সেমিনারে পরের বক্তব্যে জনাব প্যাট্রিক কেল্লীকে সম্মানিত করা হয়েছিল যিনি এআরপিতে সামাজিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। তিনি বেশিরভাগ প্রবিধান এবং বেনিফিট নিয়ে কথা বলেন যা AARP সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান করে এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ।

উদ্যোক্তা আবুবকর হানিপকে সেমিনারে কথা বলতে বলা হয়। তার ভাষ্য ছিল মূলত বাংলাদেশি প্রতিভাধরদের সম্পর্কে যা উচ্চতর কর্পোরেট চাকরি ও সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।রকফেলার ফাউন্ডেশন-অ্যাস্পন ইনস্টিটিউট ডাইসপোরা বিশ্লেষণ অনুসারে, বাংলাদেশিরা সাধারণ মার্কিন জনসংখ্যার চাইতে উন্নততর শিক্ষা লাভের প্রবণতা এবং এশিয়ার অন্যান্য সম্প্রদায়ের তুলনায় উচ্চতর বাড়ির আয়কর রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, তারা শিকাগোর তিনটি রাস্তার নামগুলি পুনর্বিন্যস্ত করতে সফল হয়েছে, ডঃ ফজলুর রহমান খানের সম্মানে সিরের টাওয়ার (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার) এর পাদদেশে অবস্থিত, যা "উচ্চমানের ভবন নির্মাণের পিতা" নামে পরিচিত।

লস এঞ্জেলেসে, বাংলাদেশী সম্প্রদায় লিটল কোরিয়া এলাকা থেকে একটি বিভাগ তৈরি করেছে এবং এটিকে "লিটল বাংলাদেশ" নামে অভিহিত করেছে। সালমান খান-খান একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা এবং জাভেদ করিম-ইউটিউব কো-প্রতিষ্ঠাতা। আরেকটি নাম ড। কালি প্রডিপ চৌধুরী, যিনি মূলধারার আমেরিকাতে অবদান রেখেছেন এবং বাংলাদেশে 14২ টি সংরক্ষিত ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন।

Picture

পেশাগতভাবে, আমেরিকার একুশ তম শতাব্দীতে বাংলাদেশী ছিটমহল প্রায় আত্মনির্ভরশীল সম্প্রদায় । আমরা এখন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ডাক্তার, প্রকৌশলী, কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা, প্রোগ্রামার্স, ওয়েব ডিজাইনার, আইনজীবি, হিসাবরক্ষক, ভোটাধিকার মালিক, অধ্যাপক, গবেষণা বিজ্ঞানীরা, ফার্মাসিস্ট, নার্স, বিনিয়োগ ব্যাংকার, বীমা কোম্পানী, ব্যবস্থাপনা পরামর্শদাতা, কবি, লেখক, কলামিস্ট, সাংবাদিকদের গর্ব করতে পারি। ,

আজ প্রযুক্তি শিল্পের উত্থানের মধ্যে বাংলাদেশিদের একটি শক্তিশালী কর্মশক্তি রয়েছে। মাইক্রোসফ্ট, গুগল, ওরাকলের মত বড় সংস্থাগুলির উচ্চতা পর্যন্ত তাদের কাছে একটি প্রযুক্তিগত প্রারম্ভ কোম্পানিও রয়েছে। তিনি বলেন, সমাজের প্রতি টেকসই পদ্ধতি অবশ্যই আমাদের  প্রিয় আমেরিকার মূলধারার উন্নয়নে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী সম্প্রদায় একটি সমেত, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে। বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের সংগঠন মার্কিন স্থানীয় এবং ফেডারেল সহযোগী কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করছে।বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের সংগঠনগুলি তাদের ভিন্ন ভাষা, সাংস্কৃতিক এবং আকর্ষক ঘটনাগুলির মাধ্যমে চরমপন্থার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে।

alt

 হানিপ বলেছেন যে নিজেকে শিক্ষিত করা এবং আমাদের সন্তানদের সর্বোত্তম বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রেরণ করা অত্যাবশ্যক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখানে অবদান রাখার ক্ষেত্রে আরো কীভাবে জড়িত হবে সে সম্পর্কে ধারণা করার জন্য মুদ্রা রূপান্তরের একটি উদাহরণ তিনি দিয়েছেন। আমেরিকাতে আমরা এখানে বাংলাদেশী টাক ব্যবহার করতে পারছি না তাই আমাদেরকে ডলারে রূপান্তর করতে হবে। অতএব এখানে বাংলাদেশি রাজনীতির প্রবর্তন অপ্রাসঙ্গিক নয় বরং বাংলাদেশিদের আমেরিকান প্রধান স্ট্রিম রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। আসুন মূলধারার আমেরিকাতে একত্রিত করি।

 পরের বক্তা ছিলেন আরেক, যিনি আমেরিকাতে প্রধান স্ট্রীম রাজনীতির অংশ, তিনি আইনী সহকারী এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির জন্য কাজ করেন এবং তার নাম সুহান খন্দকার।  ছিলেন মিসেস অশির কিবরিয়া যিনি সিনেটর মার্ক ওয়ার্নারের কার্যালয়ে নিযুক্ত ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য ছিলেন, তার বক্তব্য ছিল প্রত্যেক নেতার একজন নেতার হওয়ার সম্ভাব্যতা ছিল প্রত্যেকটি বাংলাদেশিদের সাথে কিন্তু অল্পবয়সী থেকে এটিকে উত্সাহিত করতে হবে , এক্সপোজার থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হতে পারে।

alt

February 4, 2018, it was a Super Bowl Sunday where Philadelphia Eagles and New England Patriots played against each other and the Eagles won. On a great night like this there was another special event before the game began. It was a seminar but much like a gathering of Great minds from the Bangladesh community in D.C., Maryland and Virginia. The seminar was held by Bangladesh Association of America Inc. which commenced at 3:00 PM EST. The facility was in Loisdale court, Springfield Virginia and even though it was raining hard outside everybody who were invited managed to make it to the seminar. The discussion in the seminar was basically on encouraging Bangladesh-American community toward greater involvement in American Society hence the seminar was called “BRIDGE TO MAINSTREAM AMERICA” the keynote speaker for the afternoon was Mr. Jeff McKay who is the District Supervisor at the Lee. Among the Distinguished Speakers were Dr. Mohsin Siddique who is the Editor from The Citizen (Nagorik) who conveyed the message to everyone during his speech that it is necessary to adapt and bond with the cultures of other ethnicity if it is necessary to receive the same respect from other ethnicity towards Bangladeshis. The next speaker at the seminar was esteemed Mr. Patrick Kelley who is the Social Security Expert at the AARP. He mostly spoke about the regulations and benefits that AARP provides with social security and why is it important. As the afternoon turned into evening we were indulged with the presence of more esteemed speakers that contributes to the society vastly, and the Entrepreneur of PeopleNTech Mr. AbuBokor Hanip was called upon to speak in the seminar. His speech was basically regarding the Bangladeshi talents that are not being able to reach out to the high end corporate jobs and community. He states that getting a good pay job should not be set as the ultimate goal but only as a stepping stone in order to achieve definitive goal which contributes to the society and community by providing jobs to many or any other way. Our next speaker was another who is a part of the Main Stream politics in America, she is the legislative Assistant and works for the Democratic Party and her name is Ms. Suha Khandker. The immediate speaker was Ms. Arshi Kibria who is also part of the Democratic Party she is interning at Senator Mark Warner’s office, her speech was on the potential to be a leader is with every individual Bangladeshis but it needs to be nurtured from an early age, having the exposure can be a vital role.