Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে ডিস্ট্রিক্ট ৩২ এর ডেমোক্রেটিক প্রাইমারির প্রার্থী হেলাল শেখের নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ভোটারসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন, আগামীতেও লড়াইয়ে থাকার প্রত্যয়

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০১৭

লিখিত বক্তব্যে হেলাল আবু শেখ এ সংবাদ সম্মেলনকে ‘প্রীতি সম্মিলনী’ উল্লেখ করে বলেন, এই আয়োজনের একমাত্র উদ্দেশ্য আপনাদের ধন্যবাদ জানানো; একসাথে কিছুটা ভালো সময় কাটানো।
সংবাদ সম্মেলনে হেলাল শেখ বলেন, বাবা মায়ের হাত ধরে, ১৭ বছর বয়সে, আমি যখন আমেরিকায় এসেছিলাম, তখন আমার দু’চোখ ভরা স্বপ্ন। সেই স্বপ্নের পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে আজ আপনাদের সামনে। আমি বিশ্বাস করি মানুষ তার আশার সমান বড়। তাই আশা নিয়েই আমার পথচলা।

Picture


সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি শিক্ষকতার মতো মহান একটি পেশায় যুক্ত ছিলাম। সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্যে আমাকে অসাধারণ এই কাজটি থেকে সরে আসতে হয়েছে।শিক্ষা জীবনে আমি সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের সিটি কলেজ অব টেকনোলজি থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি শেষ করি। সেখান থেকে ২০০০ সালে কম্পিউটার ইনফরমেশন বিভাগে এই ডিগ্রি দেয়া হয় আমাকে। সাউথ ইস্ট এশিয়ান হিসেবে প্রথমবারের মতো এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্টুডেন্ট গভর্নমেন্ট এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হয়েছিলাম। ২০ হাজার ভোটের মধ্যে আমি পেয়েছিলাম ছয় হাজারের বেশি। এই পদটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ; অনেকটা বাংলাদেশের কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি’র মতো। এ ছাড়া কলেজের মুসলিম এসোসিয়েশন, স্প্যানিশ ক্লাব এবং এশিয়ান ক্লাবের সক্রিয় সদস্য ছিলাম। পরে ব্রুকলিন কলেজ থেকে এডোলেসেন্ট ম্যাথমেটিকস এডুকেশনের উপর মাষ্টার্স ডিগ্রি অর্জন করি।সংবাদ সম্মেলনে হেলাল শেখ বলেন, লেখাপড়া শেষে নিউইয়র্ক সিটি বোর্ডের অধীনে একজন পাবলিক স্কুল টিচার হিসেবে কাজ শুরু করি। সবশেষ আমি ব্রুকলিনের ফ্রাঙ্কলিন কেলিন হাই স্কুলের শিক্ষক ছিলাম। পেশাগত উৎকর্ষ ও মননশীলতা নিয়ে, শিক্ষকতায় আমার আন্তরিক প্রষ্টো ছিল। ছিল আগামী দিনের নাগরিকদের সঠিকভাবে গড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে পেশার প্রতি গভীর ভালোবাসাও।alt
কিন্তু আমার সবসময়ই মনে হয়েছে, শিক্ষক হিসেবে হয়তো আমি শিক্ষার্থীদের জীবন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছি; তবে আরও বড় পরিসরে মানুষকে সেবা দেয়ার চেষ্টাওতো করা যেতে পারে। সবসময়ই মনে হয়েছে, আমার উচিত আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে নিজেকে যুক্ত করা। অনাবিল সম্ভাবনার এই দেশে মূল ধারার রাজনীতিতে খুব বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি আমেরিকানকে যুক্ত হতে দেখি না। অথচ প্রতিনিয়ত সংখ্যায় বেড়ে চলা বাংলাদেশিদের অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে। চাইলে কি অনেক দূর যাওয়া সম্ভব নয়? এই প্রশ্ন যতই মনে বার বার ঘুরপাক খেয়েছে, ততই নিজেকে প্রস্তুত করেছি মনে মনে।alt
হেলাল শেখ তাকে সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, অনেক প্রত্যাশা নিয়ে চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো আমি নিউইয়র্কের সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে ডিস্ট্রিক্ট ৩২ থেকে লড়াই করেছিলাম। আশা ছিল, ১২ সেপ্টেম্বরের সেই ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে বিজয়ী হয়ে, ৭ নভেম্বরের চুড়ান্ত নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীর মুখোমুখি হতে পারবো। জোড়ালোভাবে সেই সম্ভাবনা তৈরিও হয়েছিল। সেক্ষেত্রে হয়তো চুড়ান্ত জয়ের জন্যে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিসেবে, ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব হতো। হয়তো তৈরি হতো নতুন ইতিহাস। হয়তো প্রথমবারের মতো অত্যন্ত মর্যাদার নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিলম্যান হিসেবে একজন বাংলাদেশি আমেরিকানকে দেখা যেত। এ সবক্ষেত্রেই আমি ‘হয়তো’ শব্দটি ব্যবহার করছি। কেননা আপনাদের সবার সর্বাত্মক সহায়তার পরও, ডেমোক্রেটিক প্রাইমারির বাধা আমার পক্ষে পেরুনো সম্ভব হয়নি। এজন্যে আমি আন্তরিকভাবে দু:খিত। তবে এটি আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, আমার চেষ্টার কোন কমতি ছিল না।

alt
কিন্তু এই পরাজয়ের মধ্যেও রয়েছে অনেক আনন্দের উপলক্ষ্য, ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। তিন প্রার্থীর মধ্যে অন্য দু’জন ছিলেন ল্যাটিনো এবং ইতালিয়ান। নির্বাচনী এলাকা ডিস্ট্রিক্ট থার্টি টু’র মধ্যে রয়েছে বেলে হারবার, ব্রিজি পয়েন্ট, বোর্ড চ্যানেল, হেমিলটন বীচ, হাওয়ার্ড বীচ, লিন্ডেন উড, নেপনসিট, ওজন পার্ক, রকওয়ে বীচ, রকওয়ে পার্ক, সাউথ ওজনপার্ক, সাউথ রিচমন্ড হিল এবং উড হ্যাভেন।
তিনি বলেন, আমার এ নির্বাচনী এলাকা কিন্তু একেবারেই বাংলাদেশি অধ্যুষিত নয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা যায়, এসব এলাকায় ৪৪ ভাগ সাদা, ৩৩ ভাগ ল্যাটিনো এবং ১১ ভাগ সাউথ এশিয়ান। বাংলাদেশি মাত্র ২ শতাংশ। তবুও এই এলাকায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে আমি তিনজন প্রার্থীর মধ্যে ৩১ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলাম। এখানে একটি কথা উল্লেখ করতে চাই, নির্বাচনের পরে বর্তমান alt

কাউন্সিলম্যান ও রিপাবলিকান প্রার্থী এরিক উলরিচ আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, তার বিশ্বাস ছিল আমিই বিজয়ী হবো। আর আমি বিজয়ী হলে, তার পক্ষে চূড়ান্ত নির্বাচনে জেতাটা এবার কঠিন হয়ে যেত বলেই তার ধারণা ছিল। হেলাল শেখ বলেন, এই সমীহ থেকেও তো বোঝা যায়, আমার অংশগ্রহণ কতটা প্রভাব ফেলেছিল। এই সংবাদ সম্মেলন থেকে যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন কিংবা যারা দিতে পারেননি, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

alt
বাংলাদেশীসহ ইমিগ্র্যান্টদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুন:ব্যক্ত করে হেলাল শেখ বলেন, ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান ও অন্যান্য প্রতিক্রিয়া থেকে বোঝা যাচ্ছে, ভবিষ্যতের জন্যে আশা আছে। তাই সেই পথে এগিয়ে যেতে চাই। যেহেতু পথে নেমেছি, অনেক দূর হেঁটে যাওয়াই লক্ষ্য। অর্থ্যাৎ আগামীতেও আমি লড়াইয়ে থাকবো। এই পথে সাংবাদিক বন্ধুদের সবসময় পাশে চাই। যেমন পাশে চাই, আমার এলাকার মানুষকে।alt
কমিউনিটির সেবায় নিজকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে হেলাল শেখ বলেন, একজন নিবেদিত প্রাণ চিকিৎসকের স্বামী ও তিনটি ফুটফটে সন্তানের বাবা হিসেবে পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধ আমি কখনোই ভুলে থাকিনি। তেমনি মমতা আর যতœ নিয়ে কাজ করে যেতে চাই সমাজের জন্যে। একজন কমিউনিটি এডভোকেট হিসেবে এই দায়িত্ব আমি মাথায় তুলে নিয়েছি নিজে থেকেই।
alt
হেলাল শেখ বলেন, আমি নিশ্চিতভাবেই জানি, আগেও আপনারা আমার সাথে ছিলেন, এখনো আছেন, ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে পাবো।সংবাদ পাঠিকা শামছুন্নাহার নিম্মির সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে হেলাল শেখের কন্যা মাইশাও বক্তব্য রাখেন। এসময় নির্বাচনী ক্যাম্পেইন টীমের কর্মকর্তারা ছাড়াও বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


বন্যার্তদের মাঝে বাংলাদেশ সোসাইটির ১০ লাখ টাকার ত্রাণ বিতরণ

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্কের মাদার সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশর বন্যা দুর্গত মাঝে ১০ লাখ টাকার ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ করেছে। বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী ও সহ সভাপতি আব্দুল খালেক খায়েরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এই ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ করেন। ত্রাণ বিতরণ করা হয় দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৪৭ পরিবারের মধ্যে।

Picture

এবারের বন্যায় এই এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৪৭টি পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য অর্থ ও নির্মাণ সমাগ্রি প্রদান করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করেন দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার হামিদুল আলম, এএসপি মিজানুর রহমান, এএসপি মাহফুজ্জামান আশরাফসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

alt
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সোসাইটির সহ সভাপতি আব্দুল খালেক খায়ের বলেন, আমরা এই ত্রাণ বিতরণের জন্য নিজ অর্থে বাংলাদেশে গিয়ে দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে সরাসরি নিজ হস্তে এই অর্থ বিতরণ করি। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদের ধন্যবাদ জানান যারা সোসাইটির এই উদ্যোগের সাথে হাত বাড়িয়েছেন। তিনি আরো বলেন, এবারের মত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহযোগিতা পেলে আগামীতে বাংলাদেশের যে কোন দুর্যোগে আমরা এগিয়ে আসবো। আমি মনে করি একজন বাংলাদেশী হিসাবে আমাদের জন্মস্থানের সবার দায়িত্ববোধ থাকা দরকার। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই দেশের টানে আমরা বাংলাদেশে ছুটে গিয়েছিলাম এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। তিনি আরো বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীরা আমাদের যে অর্থ প্রদান করেছেন, আমরা সেই অর্থ শতভাগ দুর্গতদের হাতে তুলে দিয়েছি।

alt
সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশ আমাদের দেশ। আমরা প্রবাসে থাকলেও কখনো বাংলাদেশকে ভুলে যাইনি। আমাদের মধ্যে দেশপ্রেম আছে বলেই আমরা নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশে ছুটে গিয়েছি। ইচ্ছা করলে আমরা এই অর্থ অন্য কোন ফান্ডেও দিয়ে দিতে পারতাম কিন্তু আমরা সেই কাজটি না করে নিজের স্বহস্তে অসহায় মানুষের হাতে অর্থ দিয়েছি। এই অর্থ তাদের জন্য হয়ত এনাফ নয় কিন্তু তার পরেও তাদের মুখে হাসি দেখে আমরা সব ক্লান্তি এবং কষ্ট ভুলে গিয়েছি। ত্রাণ বিতরণের সময় যারা আমাদের সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে কার্যকরী পরিষদ ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই এই কার্যক্রমে তাদের সহযোগিতার জন্য।

alt
সেই সাথে বাংলাদেশ সোসাইটির এই দুই কর্মকর্তা টেকনাফে গিয়ে মায়ারমার থেকে আগত দু:স্থ, সহায়- সম্বলহীন রোহিঙ্গাদের মঝেও ত্রাণ সমাগ্রি বিতরণ করেন।

কার্যকরী কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : এ দিকে বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী কমিটির মাসিক সভা স্থানীয় সময় রবিবার বিকালে বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব কার্যালয়ে সভাপতি কামাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ ছাড়াও সভায় ত্রাণ বিতরণ যারা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানানো হয়। সেই সাথে এই কার্যক্রমে যে সকল প্রবাসী বাংলাদেশী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। সভায় কার্যকরি কমিটির প্রায় সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও সভায় বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাবেক সভাপতি এম আজিজের বড় বোন শামসুন নাহারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয় এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।


জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউএনডিপি’র প্রশাসক ও জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এর সাথে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্র সফররত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ৯ অক্টোবর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজ (Antonio Guterres), ইউএনডিপির প্রশাসক আকিম স্টেইনার (অপযরস ঝঃধরহবৎ) এবং ইউএন-ওএইচআরএলএলএস (Achim Stainer) Ges BDGb-IGBPAviGjGjGm (UN-OHRLLS: UN Office of the High Representative for the Least Developed Countries, Landlocked Developing Countries and Small Island Developing States) এর প্রধান ও জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ্ ফেকিতামইলোয়া কাতোয়া ইউটোইকামানু (Ms. Fekitamoeloa Katoa Utoikamanu) এর সাথে সাক্ষাৎ করেন।

alt
সকালে নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘের সদরদপ্তরে জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয়ে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজের সাথে অর্থমন্ত্রীর সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব কাজী শফিউল আজম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শামসুল আলম ও বাংলাদেশ মিশনের ইকোনমিক মিনিস্টার ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুনসহ ৬ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল।অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতের সময় অর্থমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ অনুযায়ী একটি ‘সেফ জোন’ গঠনসহ এ সঙ্কটের দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে জাতিসংঘের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবকে যতদ্রুত সম্ভব বাংলাদেশ সফরের আহ্বান জানান।alt
রোহিঙ্গা ইস্যুতে মহাসচিব গুতেরেজ জানান, বিষয়টি তিনি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন। অধিক জনসংখ্যার দেশ হয়েও বাংলাদেশ এই বিশাল রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরকে দীর্ঘদিন ধরে মানবিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে যা তাকে মুগ্ধ করছে মর্মে তিনি উল্লেখ করেন। গুতেরেজ এই মানবিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকার এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
মহাসচিব আরও জানান, শরণার্থী বিষয়ক পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বর্তমান রোহিঙ্গা শরনার্থী সম্পর্কে ওয়াকিবহাল এবং এ সঙ্কট সমাধানে জাতিসংঘের যা করণীয় তা তাঁরা করে যাচ্ছেন। তিনি বিশেষ করে এ বিষয়ে তাঁর সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার নিশ্চয়তা দেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনের হাই লেভেল সপ্তাহে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তাঁর আলাপচারিতার কথা তিনি এসময় উল্লেখ করেন।

alt
সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের জন্য আন্তোনিও গুতেরেজকে অভিনন্দন জানান। তিনি বিশ্বব্যাপী চলমান সংকট, সহিংসতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, পরিবেশগত উন্নয়ন এবং মানবিক সহযোগিতা প্রদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বর্তমান মহাসচিবের গতিশীল নেতৃত্বে জাতিসংঘ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অর্থমন্ত্রী জাতিসংঘ সংস্কার কার্যক্রমকে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ উল্লেখ করে এর সাফল্য কামনা করেন। তিনি পর্যায়ক্রমে জাতিসংঘের সংস্কার বাস্তবায়নের পক্ষে মত দেন এবং এ সংস্কার স্বল্পোন্নত দেশসমূহের অগ্রগতি ও উত্তরণের ক্ষেত্রে যাতে সহায়ক হয় তা নিশ্চিত করার জন্য মহাসচিবকে অনুরোধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশসহ এলডিসি থেকে পরবর্তী ধাপে উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলোর প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় অর্থায়নসহ সম্পদের যথাযথ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন গতিধারা সর্ম্পকে আলোকপাত করেন। তিনি জানান, এসডিজি ঘোষিত হওয়ার আগেই এর লক্ষ্যসমূহ নিয়ে বাংলাদেশ নিজস্বভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন করে আসছিল যা এসডিজি’র চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে একধাপ সামনে এগিয়ে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে মর্মে অর্থমন্ত্রী মহাসচিবকে অবহিত করেন।

alt
জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেজ অর্থমন্ত্রীকে ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশকে উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এসডিজি বাস্তবায়ন, ব্যাপকভাবে দারিদ্র্য হ্রাস, দূর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা তৈরিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন সফলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবজনিত কারণে ঝুকিপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে মহসচিব গুতেরেজ জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট দেশসমূহকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানে জাতিসংঘের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে মর্মে অর্থমন্ত্রীকে জানান।alt
বিকালে অর্থমন্ত্রী ইউএনডিপি’র সদরদপ্তরে ইউএনডিপির প্রশাসক আকিম স্টেইনারের সাথে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে ইউএনডিপির প্রশাসক রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের মানবিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন। বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নসহ উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ইউএনডিপি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে মর্মে ইউএনডিপি প্রশাসক অর্থমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
alt
এর আগে অর্থমন্ত্রী জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ইউএন-ওএইচআরএলএলএস এর প্রধান ও জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ্ ফেকিতামইলোয়া কাতোয়া ইউটোইকামানু এর সাথে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশসমূহের পরবর্তী ধাপে উত্তরণের বিষয়সমূহ প্রাধান্য পায়।alt
উল্লেখ্য, আগামীকাল ১০ অক্টোবর অর্থমন্ত্রী স্থানীয় একটি হোটেলে “Towards Sustainable Development: Lessons from MDGs & Pathway for SDGs” শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। একইদিন সন্ধ্যায় তিনি বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দিতে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন।


জিয়া উদ্দিন বাবলু’র সাথে মত বিনিময় জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার

সোমবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ৫ই অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যা ৭ টায় ব্রুকলিন কনি আইল্যান্ড বীচ সংলগ্ন ওপরা ক্যাফে ডাইনিং রুমে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য জিয়া উদ্দিন বাবলু’র সাথে জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি  হাজী আব্দুর রহমান ও পরিচালনা করেন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক  আবু তালেব চৌধুরী চান্দু। সভায়  উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও এফবিসিসিআই আর সহ-সভানেত্রী সালমা হোসেন, জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা গিয়াস মজুমদার, সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য ও সাবেক ছাত্র নেতা জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সহ সভাপতি খন্দকার আলী নাসিম, জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  লুৎফুর রহমান, জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর হাসান সোহাগ, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাজু আহমেদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক শফিক আলম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক আকতার কবির, জাতীয় শ্রমিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবিদুর রহমান, জাতীয় মহিলা পার্টির সভানেত্রী ফাহিম রোজী, সদস্য ডাঃ মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও ডাঃ মুনমুন সেলিম।


প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, মায়ানমার সরকার কর্তৃক রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যা, ধর্ষন ও তাহাদের বাড়ী ঘর নির্বিচারে জ্বালিয়ে দিয়ে তাদেরকে বাংলাদেশে জোর পূর্বক বিতাড়িত করে। পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম ও ঘৃনিত জাতি হিসেবে মায়ানমার সরকার যেভাবে নিরহ মুসলমানদের উপর অমানবিক নির্যাতন নিপিড়ন চালাচ্ছে তার নিন্দা জানার মত ভাষা আমার জানা নাই। আপনারা জাতীয় পার্টি সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে জাতিসংঘের সামনে মানববন্ধন করতে হবে এবং সারা বিশ্বের নেতৃবৃন্দকে জানাতে হবে। আমাদের দেশ বাংলাদেশ এত লোক জায়গা দিয়েছে তাদেদের ফিরে নিতে হবে অতিসত্ত্বর।খবর বাপসনিঊজ।
প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য জিয়া উদ্দিন গত ৭ই অক্টোবর দেশের উদ্দ্যেশে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেন। এই সময় জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


ফোবানা এক্সিকিউটিভ কমিটি ২০১৭-১৮: আতিক চেয়ারম্যান হালিম এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি, ড্রামা সার্কেল ৩৩তম ফোবানার স্বাগতিক সংগঠন

সোমবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৭

শিব্বীর আহমেদ,বাপসনিঊজ- মায়ামী, ফ্লোরিডা: ফেডারেশন অব বাংলাদেশী এসোসিয়েশন ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) ২০১৭-১৮ সালের মেয়াদে চেয়ারম্যান হিসাবে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হয়েছে ফ্লোরিডার অত্যন্ত পরিচিত মুখ সফল ব্যবসায়ী সাংস্কৃতিক কর্মী ফোবানা ভেটারান আতিকুর রহমান আতিক।

৮ অক্টোবর ফ্লোরিডার মায়ামী শহরের হায়াত রিজেন্সী হোটেলে ফোবান এক্সিকিউটিভ কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসাবে ছিলেন ফোবানা এক্সিকিউটিভ কমিটির  সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আজাদুল হক। সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসাবে ছিলেন ফোবানা ভেটারান মাহবুব রেজা রহিম ও মোহাম্মদ আযাদ। নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি হিসাবে নির্বাচিত হন শাহ মোহাম্মদ হালিম এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে বিজয় লাভ করেন জাকারিয়া চৌধুরী। এছাড়া ভোটাভুটির মাধ্যমে বিপুল ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয় লাভ করেন মোহাম্মদ আলমগীর এবং ট্রেজারার পদে মাহফুজ চৌধুরী।

এছাড়া পদাধীকার বলে ফোবানা এক্সিকিউটিভ কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান আজাদুল হক, প্রাক্তন এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি এম মাওলা দিল, ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার এম রহমান জহির, সদস্য সচিব আরিফ আহমেদ আশরাফ এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসাবে নুতন কমিটিতে কাজ করবেন।

alt

এদিকে একই দিন বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় আগামী ২০১৯ সালে ৩৩তম ফোবানা সম্মেলন আয়োজন করার জন্য নির্বাচিত হয়েছে নিউইয়র্কের ড্রামা সার্কেল। প্রবাসের অত্যন্ত পরিচিত মুখ নার্গিস আহমেদ এবং জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব আবির আলমগীর তত্বাবাধানে আগামী ২০১৯ সালে নিউইয়র্কে ড্রামা সার্কেলের আয়োজনে ৩৩তম ফোবানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ৩৩তম ফোবানার স্বাগতিক সংগঠন হবার গৌরব অর্জন করে ড্রামা সার্কেল কর্মকর্তা নার্গিস আহমেদ ও আবীর আলমগীর শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া ২০১৯ সালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানা সম্মেলনে অংশগ্রহন করার জন্য উপস্থিত সবাইকে সাদর আমন্ত্রন জানান।


যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ট ওয়েইন শহরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে উত্তেজনা

সোমবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ফোর্ড ওয়েইন এলাকায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মিয়ানমারের রাখাইনে বিভিন্ন সময় সহিংসতার মুখে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছেন। গত কয়েক বছরে এখানে উল্লেখযোগ্য হারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে। সেখানে বসবাসরত মিয়ানমারের অন্য জাতিগোষ্ঠীর লোকেরা সেখানে রোহিঙ্গাদের চাইছে না। তাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে রাখাইনের সহিংসতা শহরটিতেও শুরু হতে পারে। তবে শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাসহ যে কোনও সম্প্রদায়ের মানুষকে স্বাগত জানানো হবে।

ফোর্ট ওয়েইন এলাকায় সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ থেকে পালিয়ে সিরীয় শরণার্থীদের সংখ্যাগত দিক দিয়ে ছাড়িয়ে গেছে রোহিঙ্গারা। এই মুহূর্তে সেখানে প্রায় দেড় শতাধিক রোহিঙ্গা পরিবার বাস করছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের রোহিঙ্গারা সবচেয়ে বেশি বাস করছে শিকাগো ও মিলওয়াইকি শহরে। এই দুটি শহরে এখানকার চেয়ে অনেক বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে।

ফোর্ট ওয়েইন শহরে দেড় শতাধিক রোহিঙ্গা পরিবার থাকলেও বার্মিজ সম্প্রদায় বিবেচনায় নিলে তাদের সংখ্যা অনেক কম। শহরটিতে মিয়ানমারের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রায় ৬ হাজারের বেশি পরিবার বাস করছে।

ভয়েস অব আমেরিকার এক খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর চেয়ে রোহিঙ্গারা আলাদা ভাষা ও ধর্মের। যে ধর্মীয় সহিংসতায় মিয়ানমার ছেড়ে রোহিঙ্গারা পালিয়ে ফোর্ট ওয়েইনে আশ্রয় নিয়েছে, সেই সংঘাতের উত্তেজনা সেখানেও তাদের পিছু ছাড়ছে না।

Picture

ফোর্ট ওয়েইনে বসবাসরত মিয়ানমারের চিন জাতিগোষ্ঠীর নেতা আব্রাহাম থাং। ১৯৯০ দশকের দিকে তিনি শহরটিতে এসেছিলেন। রোহিঙ্গাদের শহরটি আসা কেন তিনি অপছন্দ করেন- এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, এদের বেশির ভাগ হচ্ছে মুসলিম। তাদের শরীরে মুসলমানের রক্ত, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টানের নয়। তারা অনেক খারাপ কাজ করেছে। তারা সেনাবাহিনী ও পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং হিন্দুদের হত্যা করেছে। এটি ছিল রোহিঙ্গাদের বড় ভুল।

ফোর্ট ওয়েইনে রোহিঙ্গাদের বসবাস নিয়ে ভয়েস আমেরিকার মিয়ানমারের আদিবাসী খ্রিস্টান চার্চের যাজক থাং-ই শুধু কথা বলতে রাজি হয়েছেন। তিনি বলেন, তারা যে ধর্মে বিশ্বাস করে তা পালনের ক্ষেত্রে আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার আপত্তি হলো উগ্রবাদে। বেশির ভাগ সন্ত্রাসীরা আসছে মুসলিম সম্প্রদায় থেকে। ব্যক্তিগতভাবে এটিই আমার বিবেচ্য বিষয়। আমার মত হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের ফোর্ট ওয়েইনে অবস্থান করতে না দেওয়াই ভালো।

মিয়ানমারের অন্য জাতিগোষ্ঠীর মানুষ ফোর্ট ওয়েইনে রোহিঙ্গাদের স্থান দিতে আপত্তি জানালেও শহরটির মেয়র টম হেনরি ভিন্নমত পোষণ করেন। রোহিঙ্গাদের স্থান দিতে আপত্তির বিষয়কে তিনি দুঃখজনক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, আমাদের সমাজে মিয়ানমারের যে কোনও মানুষকে আমি স্বাগত জানাবো।

ডেমোক্র্যাটিক নেতা হেনরি শহরটির আড়াই লাখ বাসিন্দাদের সঙ্গে মিয়ানমারের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের একীভুতকরণের কাজ করে যাচ্ছেন।

হেনরি বলেন, যে কোনও নিপীড়িত সম্প্রদায়ের মানুষকে স্বাগত জানানোর ক্ষেত্রে আমরা গর্ববোধ করি। তারা যদি আমেরিকার নাগরিক হতে চায় আমরা তাদের সহযোগিতা করব। রাখাইনে যে উত্তেজনা ও উদ্বেগের খবর পাচ্ছি তা আমাকে ব্যতিত করছে।

থাং বলেন, ভবিষ্যতে এখানে মিয়ানমারের মানুষ ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে আমরা সংঘাত দেখতে পাব। যা শহরটির মানুষের জন্য কল্যাণকর হবে না।

তবে মেয়র থাংয়ের মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন না। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না এমনটি ঘটবে। আমাদের একটি নিরাপদ কমিউনিটি রয়েছে।

শহরটিতে বসবাসরত রোহিঙ্গা শরণার্থীরা জানিয়েছেন, তারা মনে করেন না মিয়ানমারের অন্য জাতিগোষ্ঠী তাদের আলাদা করে দেখছে বা নিপীড়ন করছে। এখানে বসবাস শুরু করার পর থেকে কেউই কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েননি। ফলে তারা মনে করেন শহরটিতে তাদের স্বাগত জানানো হয়েছে।

২০১৪ সালে মালয়েশিয়া হয়ে ফোর্ট ওয়েইনে গিয়েছেন রোহিঙ্গা শরণার্থী বিবিআশা তাহির। তিনি জানান, এখন অনেক নিরাপদবোধ করছেন পরিবার নিয়ে। তবে এখনও যুক্তরাষ্ট্রের জীবনযাপন পদ্ধতিতে খাপ খাইয়ে নিচ্ছেন তিনি। তবে একেবারে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন সে বিষয়ে নিশ্চিত নন।

বিবিআশা বলেন, ‘নিজেদের দেশেই আমরা শান্তিতে থাকতে পারিনি… এখানে কিভাবে আমরা শান্তি খুঁজে পাব।’ সূত্র : ভয়েজ অব আমেরিকা


নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সম্মেলনে : ‘মানবিকতার ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার ইমেজ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে’

শুক্রবার, ০৬ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : ‘মানবিকতার ক্ষেত্রে জননেত্রী শেখ হাসিনার যে ইমেজ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে, তাকে অটুট রাখতে প্রতিটি মুজিবপ্রেমী তথা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীদের আন্তরিক অর্থে সজাগ থাকতে হবে। তাহলেই জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আত্মা শান্তি পাবে’।
এ অভিমত পোষণ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এডভোকেট আলহাজ্ব মোল্লা মো. আবু কাউসার।

Picture
বুধবার রাতে নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোল্লা কাউসার আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ যে মহানুভবতার প্রমাণ দিয়েছে, সেই ধারাতেই এগিয়ে চলবে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। ’ ‘নম্র, ভদ্র আচরণের মধ্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে যে নির্দেশ জারি করেছেন শেখ হাসিনা, তাকে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে অনুসরণ করতে হবে’।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেছেন, ‘কথায় নয়, কাজের মধ্য দিয়েই আজ জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছেন। শান্তির প্রতিক হিসেবে গণ্য হয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক, যাকে মাদার অব হিউম্যানিটি খেতাব দেয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়। ’
জ্যাকসন হাইটসে পালকি চায়নিজ সেন্টারের এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার। সাধারণ সম্পাদক সুবল দেবনাথের পরিচালনায় এ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাখাওয়াত বিশ্বাস। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন এ সম্মেলনে।


ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোঃ আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা-কে এটর্নী মঈন চৌধুরীর অবিনন্দন

শুক্রবার, ০৬ অক্টোবর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি  আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা ৩রা অক্টোবর ২০১৭ থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি’র দায়িত্ব গ্রহন করায় যুক্তরাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টের এটর্নী এট ল’ জনাব মঈন চৌধুরী তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার অনুপস্থিতিতে সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা।


এক বিবৃতিতে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকান ডেমোক্রেটিক পার্টির মাননীয় ডিষ্ট্রিক লিডার যুক্তরাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টের এটর্নী এট ল’ জনাব মঈন চৌধুরী বলেন, “বিচারপতি মোঃ আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ বিচারক এবং জুরিষ্ট। উনার দক্ষতা, কর্ম অভিজ্ঞতা, বিচক্ষনতা এবং আইন শা¯্রে বিজ্ঞতা দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য সুফল বয়ে আনবে।


যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নিন্দা

শুক্রবার, ০৬ অক্টোবর ২০১৭

Picture

এখানে উল্লেখ্য গত ১৭ই সেপ্টেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক পদার্পন করা থেকে শুরু করে ২রা অক্টোবর ওয়াশিংটন ডালাস এয়ারপোর্ট থেকে বিদায় নেওয়া পর্যন্ত বিএনপি / জামাতের দোসররা ব্যাপক কোন সরকার বিরোধী সমাবেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে কারন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী নেতাকর্মীরা ছিলেন যথেষ্ট সুসংগঠিত এবং পরিকল্পিত। প্রতিক্রিয়াশীল চক্র যতই ষরযন্ত্র করুক না কেন কিন্তু মুজিব আদর্শের সৈনিকরা স্বদেশে এবং এই প্রবাসের মাটিতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে তার সমুচিত জবাব দেবে, সেই সংগে আগামী জাতীয় নির্বাচনের বৈতরনী নির্বিঘেœ পার হতে কাজ করে যাবে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।


জাপা সংসদে বৃটিশ পার্লামেন্টের মতোই বিরোধী দলীয় ভূমিকা পালন করছে : হুইপ সেলিম উদ্দিন

শুক্রবার, ০৬ অক্টোবর ২০১৭
alt

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ সেলিম উদ্দিন এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোহাম্মদ সোলায়মান আলম শেঠ-এর সম্মানে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় যুব সংহতি অয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা দলীয় ঐক্য সুসংহত করে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও দলীয় চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন। বক্তার বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টি রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে মানুষ আওয়ামী শাসনের পরিবর্তন চায় বলেই আগামী নির্বাচনে সংসদের ৩০০ আসনেই প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হবে। জাতীয় পার্টি এককভাবে নির্বাচন করে জনগণের ভোটে বিজয়ী হবে।
উল্লেখ্য, হুইপ সেলিম উদ্দিন সেলিম উদ্দিন সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইর ঘাট) আসন থেকে জাতীয় পার্টির নির্বাচিত এমপি। আর জাতীয় পার্টি নেতা মোহাম্মদ সোলায়মান আলম শেঠ বাংলাদেশস্থ  দি কনস্যুলেট অব দি রিপাবলিকান অব সাউথ আফ্রিকার অনারারী কনসাল-এর দায়িত্ব পালন করছেন।
altসিটির জ্যামাইকাস্থ সাগর চাইনিজ রেস্টেুরেন্টে গত ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় যুব সংহতি নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল কাদের লিপু। সভায় আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি শহীদুর রহমান, ঢাকা জালালাবাদ এসোসিয়েশন-এর সভাপতি তোফায়েল সামী, জালালাবাদ এসোশিয়েশন অব আমেরিকার’র সভাপতি বদরুল হোসেন খান, জাতীয় পার্টির সমন্বয়কারী আব্দুর নুর বড় ভূঁইয়া, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা গিয়াস মজুমদার ও ইসমাইল খান আনসারী, সহ সভাপতি হাজী আব্দুর রহমান, জসিম চৌধুরী, এডভোকেট হারিস উদ্দিন, ও খন্দকার নাসিম, সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দুল খালেক লাল্।ু
alt

সভার শুরুতে দলীয় চেয়ারম্যান এরশাদের সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন নিউইয়র্ক ষ্টেট জাতীয় পার্টির সভাপতি এডভোকেট আব্দুল হানিফ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুব সংহতির সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ রুহেল আহমেদ।
সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি শহীদুর রহমান, জাতীয় পার্টির সমন্বয়কারী আব্দুর নুর বড় ভূঁইয়া, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টি সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, সহ সভাপতি জসিম চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টি ও কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুর নূর, কেন্দ্রীয় যুব সংহতির সদস্য ওয়াহিদ ফেরদৌস ও শাহজাহান সাজু। সভা পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় যুব সংহতি সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুব সংহতির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবিএম খায়রুল আলম।
সভায় হুইপ সেলিম উদ্দিন বলেন, জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে যোগ দেয়ায় এই সরকার মহাজোটের সরকারে পরিণত হয়েছে। জাতীয় পার্টি সংসদে শক্তিশালী বলেই বৃটিশ পার্লামেন্টের মতো বিরোধী দলীয় ভূমিকা পালন করছে। আর তাই সংসদের যেখানে সরকারের সমর্থন করা দরকার সেখানে সমর্থন করছে আর যেখানে সমালোচনা করা দরকার সেখানে সমালোচনা করছে, বিরোধীতা করছে। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি ছাড়া কেউ সরকার গঠন করতে পারবে না।
সেলিম উদ্দিন বলেন, আমি এক সময় প্রবাসী ছিলাম। প্রবাসীদের সমস্যা আমার জানা। আমাদের এক কোটি প্রবাসী বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি। তাই কোন প্রবাসী দেশে গিয়ে কোন সমস্যায় শিকার হলে আমাকে জানালে সাহায্যের হাত এগিয়ে দেবো। প্রবাসী দেশে গিয়ে সংসদের অধিবেশন প্রত্যক্ষ করতে চাইলে তাদের ভিআইপি’র মর্যাদার ব্যবস্থা করবো। তিনি চেয়ারম্যান এরশাদের হাত আর জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করতে প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টিকে আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
alt

সোলায়মান আলম শেঠ বলেন, জাতীয় পার্টি সরকার গঠনের একমাত্র চাবিকাঠি। জাতীয় পার্টি ছাড়া কোন দলই সরকার গঠন করতে পারবে না। কিন্তু আগামীতে জাতীয় পার্টিকে এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, দলের কতিপয় কেন্দ্রীয় নেতার আচার-আচারণ আর স্বার্থপরতার জন্য বিভিন্ন স্থানে দল দূর্বল হচ্ছে, কমিটি দূর্বল হচ্ছে, কোথাও কোথাও বিভক্তিও দেখা যাচ্ছে। কতিপয় নেতার ধান্ধাবাজীর কারণে দলের দুর্নাম হচ্ছে। তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তিনি প্রবাসের দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা নিজের কষ্টার্জিত অর্থ খরচ করে চেয়ারম্যান এরশাদকে ভালোবেসে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করছেন। তাই কেন্দ্রীয় নেতারা নিউইয়র্ক আসলে তাদের এক কাপ চা ছাড়া ‘লাঞ্চ-ডিনার’ করাবেন না, ডাল-ভাত খাওয়াবেন না।
altসভায় কমিউনিটির উল্লেখ্যযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য আলতাফ হোসেন ও মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, মুলধারার রাজনীতিক সেবুল উদ্দিন, নিউইয়র্ক ষ্টেট জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হাসান মিলন, যুক্তরাষ্ট্র সাংস্কৃতিক পার্টির আহ্বায়ক মোহাম্মদ জহিরুল করীম, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় যুব সংহতির সহ সভাপতি রুবেল আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান ও খায়রুল হোসেন মিলু, দপ্তর সম্পাদক রবিউল আহমেদ সহ যুব সংহতির সদস্য মোহাম্মদ রিনিজ মাহমুদ, উজ্জল আলম, লিটন, বাবর হোসেন বাবু, আফজাল হোসেন প্রমুখ।


বাংলাদেশ ’ল সোসাইটি ইউএসএ’র সাধারণ সভা ১৫ অক্টোবর

শুক্রবার, ০৬ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : বাংলাদেশ ’ল সোসাইটি ইউএসএ  সভাপতি এড. মোর্শেদা জামান এবং সাধারণ সম্পাদক এড. আব্দুল ওয়াহিদ জানান,বাংলাদেশ ’ল সোসাইটি ইউএসএ  সাধারণ সভা ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানান, বাংলাদেশ ’ল সোসাইটি ইউএসএ  কার্যকরী কমিটির সকল সম্মানিত সদস্যদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে সংগঠনের ১লা অক্টোবর ২০১৭ , রবিবারের পূর্বনির্ধারিত সাধারণ সভা অনিবার্যকারণ বশত স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছিল। এই সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। সাধারণ সভার নতুন তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১৭ রবিবার। জ্যাকসন হাইটসের পালকি সেন্টারে সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিতব্য উক্ত সভায় সকল সদস্যদের উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।