Editors

Slideshows

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/455188Hasina__Bangla_BimaN___SaKiL.jpg

দাবি পূরণের আশ্বাস প্রধানমন্ত্

বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে আলোচনা না করে আন্দোলন করার জন্য পাইলটরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। পাইলটদের আন্দোলনের কারণে ফ্লাইটসূচিতে জটিলতা দেখা দেয়ায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/701424image_Luseana___sakil___0.jpg

লুইজিয়ানায় আকাশলীনা‘র বাৎসরিক

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ লুইজিয়ানা থেকে ঃ গত ৩০শে অক্টোবর শনিবার সনধ্যায় লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির ইণ্টারন্যাশনাল কালচারাল সেণ্টারে উদযাপিত হলো আকাশলীনা-র বাৎসরিক বাংলা সাহিত্য ও See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/156699hansen_Clac__.jpg

ইতিহাসের নায়ক মিশিগান থেকে বিজ

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ ইতিহাস সৃষ্টিকারী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরা হাউজের আধিপত্য ধরে রাখতে সক্ষম হলো না। সিনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম হলেও আসন হারিয়েছে কয়েকটি। See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/266829B_N_P___NY___SaKil.jpg

বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিসে পুলি

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ আলাউদ্দিন রেষ্টুরেন্টের সামনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি তাৎক্ষণিক এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এই See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নানান আয়োজন

ঈদ-উল-আযহা উপলখে জেএসডি’র শুভেচ্ছা

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫

2

আয়েশা আকতার রুবি,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি- যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এবং সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন আহমেদ শামীম এক বিবৃতিতে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ ও বিশে^র মুসলমানদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, এ উপলক্ষে পশু কোরবানীকে অর্থবহ করতে হলে প্রত্যেকের মনের হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসা, পরশ্রীকাতরতা ও নারীর প্রতি কুদৃষ্টি সহ সকল পাশবিক বোধকে কোরবানী করতে হবে। নেতৃবৃন্দ কোরবানী উপলক্ষে বিত্তশালীদের দাম্ভিকতা বাদ দিয়ে গরীব দু:খী মানুষকেও এ আনন্দে অংশীদার করার উদ্যোগ গ্রহনের আহবান জানিয়েছেন।

1

আয়েশা আকতার রুবি,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন এক বিবৃতিতে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ ও বিশে^র মুসলমানদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, এ উপলক্ষে পশু কোরবানীকে অর্থবহ করতে হলে প্রত্যেকের মনের হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসা, পরশ্রীকাতরতা ও নারীর প্রতি কুদৃষ্টি সহ সকল পাশবিক বোধকে কোরবানী করতে হবে। নেতৃবৃন্দ কোরবানী উপলক্ষে বিত্তশালীদের দাম্ভিকতা বাদ দিয়ে গরীব দু:খী মানুষকেও এ আনন্দে অংশীদার করার উদ্যোগ গ্রহনের আহবান জানিয়েছেন।


যুক্তরাষ্ট্রে পবিত্র ঈদুল আযহা ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহষ্পতিবার

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপ্ নিউজ: বস্টন বাংলা নিউজ:উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত মুসলিম সম্প্রদায় আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহষ্পতিবার পবিত্র ঈদুল আযহা পালন করবে। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে চলছে নানা আয়োজন ও কোরবানীর প্রস্তুতি।

Eid card 2015  Boston Bangla 5
নিকটস্থ মুসলিম মালিকানাধীন দোকানগুলোতে ব্যবস্থা করা হয়েছে কোরবানীর অর্ডার নেয়ার। এছাড়া অনেকেই কোরবানীর মাঠে ইসলামি শরীয়া মতে কোরবানীর আয়োজন চুড়ান্ত করবেন। উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরের মসজিদে মসজিদে চলছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের আয়োজন। নামাজের সময় সূচীর জন্য নিকটস্থ মসজিদে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বস্টন বাংলা নিউজে পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।


আব্বা মুক্ত থাকলে আমাদের ছিল ডাবল ঈদ - শেখ রেহানা

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫

শেখ রেহানা : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ রেহানা জানাচ্ছেন তাঁর ছেলেবেলার ঈদের স্মৃতি। আব্বা–মা, পাঁচ ভাইবোন মিলে তাঁর ছিল সোনালি শৈশব, বর্ণালী কৈশোর। ছিল হাসি–কান্না, স্বপ্ন–আনন্দভরা দিনরাত্রি। বঙ্গবন্ধু প্রায়ই থাকতেন কারাগারে, কখনো–বা থাকতেন কারাগারের বাইরে। কেমন ছিল বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সেই সময়ের ঈদের দিনগুলো। মর্মস্পর্শী এই স্মৃতিকথায়।

Picture

ছোটবেলায় দেখতাম, আব্বা প্রায়ই থাকতেন জেলখানায়। আমাদের কাছে ঈদ ছিল তখন, যখন আব্বা জেলখানার বাইরে থাকতেন, মুক্ত থাকতেন। আর আব্বাও জেলখানার বাইরে, ঈদও এল—এমন হলে তো কথাই নেই। আমাদের হতো ডাবল ঈদ।
আব্বা জেলে থাকলে ঈদের পরের দিন মা বেশি করে ভালো খাবারদাবার রাঁধতেন। জেলে তো আব্বা একা খাবেন না, অন্য যে নেতারা আছেন, তাজউদ্দীন চাচারা আছেন, আশপাশে যাঁরা আছেন, সবাইকে নিয়ে খাবেন। আব্বার সঙ্গে দেখা করতে আমরা যেতাম জেলখানায়। ১৫ দিনে একবার দেখা করতে যাওয়ার অনুমতি মিলত। সেদিন আমি স্কুলের শেষ দুই পিরিয়ড না করেই চলে আসতাম। রাসেল তো জন্মের পর আব্বাকে বাইরে কমই দেখেছে। ও জেলখানায় গেলে আর ফিরতে চাইত না। বলত, এটা আব্বুর বাড়ি। আমি আমাদের বাড়িতে যাব না। আসো, আমরা আব্বুর বাড়িতেই থাকি। কতই-বা বয়স ছিল তখন। তিন বা চার। ও তো বুঝত না। আমাদের জেলগেট থেকে ফিরে আসতেই হতো। সেই রাতে রাসেল আর ঘুমোতে পারত না। গভীর রাতে সে কাঁদতে শুরু করত। হাছু আপাকে ডাকো, দেনা আপাকে ডাকো, (আমাকে প্রথম প্রথম সে ডাকত দেনা আপা, তারপর রেয়না আপা), বড় ভাইকে ডাকো, ছোট ভাইকে ডাকো। আমরা ছুটে যেতাম। কী হয়েছে! কোনো দিন বলত পেটে ব্যথা, কোনো দিন বলত হাতে ব্যথা, আসলে আব্বার কথা তার মনে পড়েছে, সে ঘুমোতে পারছে না, আমাদের সবাইকে কাছে পেতে চাইছে, আমরা তাকে ঘিরে বসে আছি, সে মায়ের কোলে, ছোট্ট হাত-পা-শরীরের মানুষটা, মায়াভরা মুখ, বড় বড় চোখের পাতা, একটা সময় ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ত।
শেখ রাসেল, বঙ্গবন্ধু, তঁার পেছনে শেখ রেহানা, শেখ জামাল, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও অন্যান্য। তঁারা কখনো একা খেতেন নাআর আব্বা বাসায় থাকলে তো আমাদের ঈদের খুশি। বাড়িতে গমগম করছে মানুষ। কতজন যে আসছেন, কতজন যে খাচ্ছেন, আমরা যা খাই, তা-ই খাচ্ছেন—আলাদা কিছু নয়। রাজনৈতিক পরিবার, যাঁরা আসেন, খান। আমাদের ডাইনিং টেবিলটা ছিল বিশাল বড়। একসঙ্গে ১২ জন ১৬ জনও খেতে বসতে পারত। বাসাভর্তি লোকজন গমগম করছে, রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে—আমরা তো পড়ারও জায়গা পাই না। ছাদে চলে যাই। কিংবা এই ভিড়ের মধ্যেই সব ভাইবোন একখানে গোল হয়ে বসে গুনগুন করে একসঙ্গে পড়ি। সব সামলাতেন আমার মা। আব্বার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে আছে, মাকে বলছেন, তুমি যা ভালো বোঝো, কোরো। কী যে সম্মান করতেন মাকে। নারীর প্রতি, স্ত্রীর প্রতি কী যে তাঁর সম্মানবোধ ছিল। আর আমার মা! তাঁর কথা ভাবি। কত অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছে। মাত্র ৪৪ বছর বয়সে তো তিনি আমাদের ছেড়ে চলেই গেলেন। কত অল্প বয়সে এতগুলো ছেলেমেয়ে নিয়ে তাঁকে জীবন-সংগ্রামে নেমে পড়তে হয়েছিল। আব্বা আগের দিন মন্ত্রী, পরের দিন জেলখানায়, বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে সরকারি বাসা ছেড়ে দিতে হয়েছে, কিন্তু কেউ মাকে বাসাভাড়া দিচ্ছে না। আমার তখনো জন্ম হয়নি, কিন্তু এসব ঘটনা তো শুনেছি, পড়েছি, পরে নিজের চোখে দেখেছি। গ্রামে জন্ম হওয়া একজন সাধারণ নারী আমার মা, ক্লাস ফোর-ফাইভ পর্যন্ত পড়েছেন মিশনারি স্কুলে। কিন্তু কী যে প্রজ্ঞা, কী যে তাঁর ধৈর্য। আমার মায়ের কাছ থেকে আমাদের যে জিনিসটা সবার আগে শেখা উচিত, তা হলো ধৈর্য আর সাহস। সবাইকে এক করে রাখা। এতগুলো লোক বাড়িতে খাচ্ছে-দাচ্ছে, আমাদের গ্রামে কোনো মেয়ে ম্যাট্রিক পাস করেছে, তাকে এনে ঢাকায় কলেজে ভর্তি করে দাও, কাকে বিয়ে দিতে হবে! সব সামলাচ্ছেন। এর মধ্যে আমাদের সকালে কোরআন শরিফ পড়া শেখাতে মৌলভি সাহেব আসছেন, তারপর নাচ শিখছি, সেতার শিখছি, বেহালা শিখছি—সব কিন্তু মায়ের সিদ্ধান্ত। কিন্তু তাঁর নিজের বয়স কত! আমার তো মনে হয়, আমার মা কি কোনো দিন তাঁর শৈশবে কিংবা কৈশোরে একটা ফিতা বা রঙিন চুড়ি চেয়েছেন কারও কাছে! মা-ই তো সব থেকে বঞ্চিত ছিলেন। অথচ তিনি হাসিমুখে সব সামলাচ্ছেন।
আব্বা জেলে থাকলে তো আমাদের ঈদ বিশেষ কিছু ছিল না। কাপড়চোপড়ও তো নতুন তেমন কিছু আসত না।
ঈদের আগে সবচেয়ে ব্যস্ত থাকতে হতো হাসিনা আপাকে, আমাদের এখনকার প্রধানমন্ত্রীকে। আমাদের ছিল সেলাই মেশিন। তখন দরজির কাছে কেউ পোশাক বানাতে যেত না। বাড়িতে জামাকাপড় বানাতে হতো, সেটাই ছিল চল। মা আমাদের কাপড় সেলাই করতেন, তারপরে করতে শুরু করেন হাসু আপা। আমাদের বাড়িতেই কত লোকজন, তার ওপর আশপাশের পড়শিরাও এসে দিয়ে যেত কাপড়। আপা সবার জামা বানিয়ে দিতেন। সবারটা দিচ্ছেন, শুধু আমারটা দিচ্ছেন না। আমি বলি, আপা, আমার জামাটা বানাবে না? বানাও।
আপা বলেন, ‘বানাব রে। একটু মাথা ধরেছে। তুই এক কাজ কর তো। এক কাপ চা বানিয়ে নিয়ে আয়। তোর বানানো চায়ের কোনো তুলনা হয় না।’ চা বানিয়ে আনলাম। খাচ্ছেন। ‘ভালো হয়েছে’ বলে হাসলেন। তারপর আবার আরেকজনের জামা বানাতে শুরু করলেন। আমি বলি, আপা, আমারটা বানাবে না? আমারটা ধরো। তিনি হাসতেন, হয়তো বললেন, ‘যা তো, দেখ তো, কফি কোথায় পাওয়া যায়, একটু কফি খেতে পারলে ভালো হতো।’ আমি অভিমান করতাম, যাও, আমারটা তোমাকে বানাতে হবে না। আমারটা বানাতেন একেবারে চাঁদরাতে। শেষ সময়ে। উফ্। কী যে করতেন! একবার তো শেষ সময়ে তাড়াহুড়ো করে আপা জামা বানিয়ে দিয়েছেন ঈদের আগের রাতে। লুকিয়ে রেখে সকালে পরতে গেছি। দেখি, সেলাই করেছেন কাপড়ের উল্টো দিকে।
শেখ রেহানা। ছবি: সাইফুল ইসলাম কল্লোলরাসেল আব্বাকে জেলখানার বাইরে পেলে কাছছাড়া করতে চাইত না। আব্বার মতো করে কাপড়চোপড় পরত। আব্বার মতো পাঞ্জাবি-পায়জামা, মুজিব কোট, আব্বার মতো শেরওয়ানি। আবার তার একটা ছোট্ট লুঙ্গিও ছিল। আব্বার তো সবচেয়ে প্রিয় পোশাক ছিল লুঙ্গি আর গেঞ্জি। রাসেলও আব্বাকে অনুকরণ করে পোশাক পরত। আব্বার মতো করে হাঁটত। আবার আব্বা হয়তো পাঞ্জাবি-পায়জামার সঙ্গে জুতা পরে বাইরে যাচ্ছেন। রাসেল দৌড়ে গিয়ে স্যান্ডেল-শু এনে দিত। বলত, আব্বা, পায়জামার সঙ্গে জুতা পরতে হয় না। আব্বা বলতেন, কাদা-পানিতে হাঁটতে হবে বাবা। রাসেল বলত, তাহলে আরেক জোড়া সঙ্গে করে নিয়ে যাও।
ঈদের দিন আব্বা, ভাইয়েরা, বাসায় আর যাঁরা যাঁরা আছেন ছেলেরা, সবাই সকালবেলা পায়জামা-পাঞ্জাবি পরে ঈদের নামাজ পড়তে গেল। জামাল ভাই তো পুরো রমজান মাস টুপি পরে থাকতেন। ৩০ রোজা তো করতেনই। আব্বা নামাজ পড়তেন সোবহানবাগ মসজিদ বা ধানমন্ডি মসজিদে। তারপর সোবহানবাগে আমাদের ছোট ফুপু লিলি, সৈয়দ হোসেন ফুপার বাড়িতে গিয়ে সবাই নাশতা করতেন। নাশতা সেরে সেখান থেকে চলে আসতেন বাসায়। ফুপুরাও চলে আসতেন, সবাই মিলে আমাদের বাসাতেই কাটাতেন ঈদের দিনের বাকি সময়টা। আমরাও বিকেলবেলা বেড়াতে বের হতাম। ধানমন্ডি, কলাবাগান, শুক্রাবাদে বন্ধুদের বাসা, লেকের ধার ধরে হাঁটা। মাঠে-বাগানে চষে বেড়ানো। তখন তো সবকিছু খোলামেলা ছিল। দিনের বেলা আমাদের বেড়ানোয় কোনো মানা ছিল না।
আমাদের সময়ে জামা-কাপড়ের সংখ্যা তো কারোরই বেশি ছিল না। কামাল ভাই, জামাল ভাই, কারোরই না। কামাল ভাই খুব শৌখিন ছিলেন। খুব গুছিয়ে রাখতেন সবকিছু। কিন্তু বেশি কিছু চাইতেন না। আমার কাছেই এসে হয়তো কোনো দিন বললেন, দশটা টাকা দিবি। বিড়ি-সিগারেট কোনো দিন খাননি। খরচ তো কিছু ছিল না। কত যে তাঁর গুণ ছিল। আমি তো বলি, আমাদের ছেলেমেয়েরা যদি তাঁদের মামার একটা গুণও পায়, সেও হবে অনেক সৌভাগ্যের ব্যাপার। কামাল ভাই সেতার বাজাতেন। ধরা যাক, বাড়িতে অনেক মানুষ। আমার পরীক্ষা। পড়ব কোথায়? পড়ার জায়গার খোঁজে ছাদে গেছি। গিয়ে দেখি কামাল ভাই। হাতে সেতার। আকাশে চাঁদ। চারদিক থইথই করছে জোছনায়। কামাল ভাই বললেন, পড়তে হবে না আজকে। অত পড়ে কী করবি। আয়, আমার সঙ্গে বস। গান ধর। আমি তাঁর সঙ্গে গান ধরলাম। একজন-দুজন করে এসে বসে পড়ল পাশে। জামাল ভাই এলেন। হাসু আপা এলেন। আমরা গান করছি। আকাশে তখন চাঁদ, নারকেলের পাতার ফাঁকে অকৃপণ আলো বিলাচ্ছে পৃথিবীর কোনায় কোনায়। হাসু আপার কোলে রাসেল, তার ঢুলু ঢুলু চোখে এসে পড়েছে চাঁদের আলো। হাসনাহেনার গন্ধ বয়ে আনছে রাতের বাতাস।
আমাদের বাসাটা তো ছিল খেলাপাগল বাসা। আমাদের নিয়ম ছিল, বিকেল হলে খেলতে যাও, কিন্তু মাগরিবের আজানের সঙ্গে সঙ্গে বাসায় ফিরতে হবে। এসে গোসল করে হাত-মুখ ধুয়ে পড়তে বসো। বাসায়ও নানা রকমের খেলা হতো। ক্যারম খেলার তো টুর্নামেন্ট হতো। মনি ভাই, সেলিম ভাইয়েরাও আসতেন। বাগাডুলি খেলা নিয়ে মজা হতো খুব। একটা ঘর আছে বাগাডুলিতে, এলটিপি, লস্ট টোটাল পয়েন্ট। কেউ একজন বলল, এইবার তোর এলটিপি হবে, তারপর যদি হতো, আমরা সবাই তার ওপরে কপট রাগ ঝাড়তাম, তুমি হলে এলটিপি ভাই, এই যে এলটিপি ভাই এসেছেন। চোর-পুলিশ খেলতাম। লুকোচুরি খেলতাম। বাইরে পেয়ারাগাছের পাতার আড়ালে লুকিয়ে আছি, বড় বড় লাল পিঁপড়া, কালো পিঁপড়া, হাত-পায়ের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে, কিন্তু চুপটি মেরে আছি। আরেকটা খেলা ছিল, ভূত নামিবে খেলা।
পাঁচ ভাইবোন: শেখ রাসেল, শেখ কামাল, শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও শেখ জামালরোববারে ছুটির দিনে মা একটু ভালো রান্না করতেন। হয়তো লুচি বা পরোটা। মা লুচি ভাজছেন। একটা মোড়া নিয়ে আব্বা বসেছেন। তাঁর পাশে আমরা সবাই পিঁড়ি পেতে বসেছি। একটা একটা করে লুচি ভাজা হচ্ছে। আমাদের একেকজনের পাতে পড়ছে। আমাদের চার ভাইবোনের চারটা কাঁসার থালা ছিল। সেই কাঁসার থালায় আমরা খাচ্ছি।
আর আমাদের ছিল গ্রামোফোন। মা যখন গ্রামে ছিলেন, তখন থেকেই তাঁর সঙ্গী ছিল কলের গান। হাত দিয়ে হাতল ঘুরিয়ে হিজ মাস্টার্স ভয়েসের রেকর্ড চালানো হতো। মায়ের প্রিয় ছিল জগন্ময় মিত্র, শচীন দেববর্মণ, সন্ধ্যা-লতা, সুরাইয়া আর আব্বাসউদ্দীন সাহেবের নজরুলসংগীত। আমাদের বাসায় রবীন্দ্রনাথের নিজের হাতে লেখা একটা গান ছিল, মৈত্রেয়ী দেবী আব্বাকে দিয়েছিলেন, রুপার ফ্রেমে বাঁধানো ছিল। ১৯৭৫-এ কী করেছে, রুপার ফ্রেমটা নিয়ে ওই রবীন্দ্রনাথের হাতের লেখা কাগজটা দলা পাকিয়ে নিচে ফেলে রেখেছে। আমরা যখন ঢোকার অনুমতি পেলাম, আমি বহুদিন দোতলায় যাইনি, একদিন গেলাম, গিয়ে দেখি, রবীন্দ্রনাথের হাতের লেখা নিচে পড়ে আছে। আমি সেটা যত্ন করে তুলে রাখলাম। এখন আপার কাছে আছে, প্রথমে ভেবেছিলাম শান্তিনিকেতনে দেব, পরে ভাবলাম, না তা কেন, এটা তো বঙ্গবন্ধু জাদুঘরেই থাকতে পারে। কোন গানটা আছে জানেন? ‘ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে আগুন জ্বালো’।
বাসার মধ্যে আমিই ছিলাম একটু আদুরে, আবদার করতাম। আব্বা বাইরে গেলে আমি তাঁকে এত বড় ফর্দ ধরিয়ে দিতাম। আব্বা বলতেন—হানিফ, কী লিস্ট দেয় নে, রেখে দে, এনে দিস। ফরাশ সাহেব, দেখবেন। আর আব্বা বেশি রাত করে ফিরতেন। আমি তাঁর হাতে খাব। এই জন্য প্রায়ই ভাত খেতাম না। অজুহাত বের করতাম—জামাল ভাই আমার দিকে কটমট করে তাকাল কেন? ও আমার বইটা এখানে না রেখে ওখানে রাখল কেন? আমি ভাত খাব না। আব্বা ফিরতেন বহু রাতে। আমি ভাত খাইনি শুনে আমাকে ঘুম থেকে তুলতেন। একটা ছোট্ট তোয়ালে আমার গলার নিচে বাঁধতেন। তারপর ভাত-তরকারি হোক, দুধ-ভাত হোক, মাখাতেন। আমাকে তুলে তুলে খাওয়াতেন। তারপর তোয়ালে ভিজিয়ে আমার মুখ মুছে দিতেন। আলতো করে শুইয়ে দিতেন। আমি ঘুমের ভান করে পড়ে আছি, শুনছি—এই, তোরা রেহানাকে বকেছিস কেন? সকালবেলায় উঠে আমি হাসতাম, কেমন কাল রাতে বকা খেলে...আব্বা আমার জন্যই কেবল নিউমার্কেটে গেছেন দু-একবার। আমি এটা-ওটা কেনার বায়না ধরতাম।
আব্বা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গোপনে আমাদের টাকা দিয়ে বলতেন—নে, টাকা নে, লুকিয়ে বুড়ির জন্য ভালো শাড়ি কিনে আন। মাকে আদর করে বুড়ি ডাকতেন। আমরা মার্কেটে গিয়ে শাড়ি কিনে এনে গোপনে আব্বার হাতে দিতাম। আব্বা সেটা কোথাও লুকিয়ে রাখলেন। মা দেখলেন, শাড়ির প্যাকেট। আব্বা বলতেন, শাড়িটা কেমন? মা বুঝতেন, এ তো মার্কেটে যাওয়ার লোক নয়। নিশ্চয়ই মেয়েদের দিয়ে আনিয়ে নিয়েছেন।
রেডিও আর বই ছিল আমার সারাক্ষণের সঙ্গী। কামাল ভাই ১৯৭১ সালে যুদ্ধে গেলেন, জামাল ভাই গেলেন। কামাল ভাই যাওয়ার আগে একটা রেডিও উপহার পেয়েছিলেন, একটা সুইডিশ ফ্যামিলি দিয়েছিল। সেটা আমাদের বাসায় জোরে জোরে বাজত। স্বাধীন বাংলা বেতারের গান আমরা জোরে জোরে বাজাতাম। বাইরে পাকিস্তানি সৈন্য। ওরা তো বাংলা বোঝে না। রাসেল সেই গান শুনে শুনে মুখস্থ করে ফেলেছে। কিন্তু যখন ঘরের বাইরে গিয়ে সে গান গাইত, সে গাইত—
জয় জয় জয়
গাছের পাতা হয়...
তখনই সে বুঝেছে, জয় বাংলা বলা যাবে না পাকিস্তানি সৈন্যদের সামনে।
আব্বা তো তখন পাকিস্তানের জেলে বন্দী। রাসেল একা একা ঘরের কোণে বসে কাঁদছে। কী হয়েছে রে? জানি না আপা, আমার চোখ দিয়ে শুধু পানি পড়ে। আমার চোখে কী যেন হয়েছে। স্বীকার করতে চাইত না যে আব্বার জন্য তার মন খারাপ।
আব্বার সঙ্গে শেখ রেহানাকার কী মনে হয় জানি না, আমার শুধু রাসেলের কথাই মনে হয়। ৪০ বছর হয়ে গেল! আপাকে বলি, আপা, মা বেঁচেছিলেন ৪৪ বছর, আমরা তো বেশি বছর বেঁচে গেলাম। জানি না, আমরা দুই বোন কেন বেঁচে আছি। রাসেলেরও তো আমার সঙ্গে জার্মানি যাওয়ার কথা ছিল। অত ছোট ছেলে, মা ছাড়লেন না। ওর জার্মানি যাওয়া হলো না।
আব্বার ডায়েরি পাওয়া গেছে, আব্বা একটা মুরগি নিয়ে লিখেছেন, একটা পাখিকে নিয়ে লিখেছেন। কী তাঁর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, কী যে তাঁর গাছপালা-প্রাণী-প্রকৃতি আর মানুষের জন্য ভালোবাসা।
আজও তো এই আকাশে চাঁদ ওঠে। জোছনায় ভেসে যায় চরাচর। আজও রাতজাগা পাখি গান করে। আমার মনে পড়ে সেই সব দিন। আমরা সবাই ছাদে। কামাল ভাই সেতার বাজাচ্ছেন। আমাকে বললেন, তুই একটা গান ধর। মায়ের পছন্দ জগন্ময় মিত্র। ‘যত লিখে যাই, চিঠি না ফুরায় কথা তো হয় না শেষ...তুমি আজ কত দূরে।’
কিংবা শচীনদেবের গান—
‘নদী যদি হয়রে ভরাট কানায় কানায়
হয়ে গেলে শূন্য হঠাৎ
তাকে কি মানায়।’
আমাদের ভর-ভরন্ত একটা পৃথিবী ছিল। হঠাৎ করে একদিন সব শূন্য হয়ে গেল। আমরা তো আগে কোনো দিন একা একা ভাত খাইনি। এখন একা একা খেতে হয়! জানি না, আল্লাহ কেন আমাদের দুজনকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। আমরা আব্বার ডায়েরি পড়ি, সেগুলো বই হয়ে বেরোবে, সেসব কাজের তদারক করি। হয়তো, আব্বার স্মৃতিরক্ষার এই কাজগুলো করিয়ে নেওয়ার জন্য আল্লাহ আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছেন। আবার ঈদ এসেছে। আমার আবার আব্বার কথা মনে পড়বে, রাসেলের কথা মনে পড়বে। মনে পড়বে মায়ের কথা, ভাইদের কথা, ভাবিদের কথা। এভাবেই তো কেটে গেল ৪০টি বছর।

অনুলিখিত
আলোকচিত্র: সংগৃহীত—মোহাম্মদ আলম, জহিরুল হক। কৃতজ্ঞতা: মাহবুবুল হক শাকিল ও ফোকাস বাংলা।


কোরবানীর জরুরী নিয়মসমূহ!

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫

Picture

আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আসছে পবিত্র ঈদ উল আযহা । ঈদ উল আযহা মুসলমানদের ২য় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। এই দিনে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানী করে থাকি। কোরবানীর নিয়ম ও কোরবানীর পশু নিয়ে নানা জনের নানা প্রশ্ন। তার উত্তর খুজতে গিয়ে আজকের এই আয়োজন।

প্রথমেই একটি জরুরী কথা না বললেই নয়, তা হলো অনেকে কোরবানীর শুভেচ্ছা বিনিময়ে ঈদ মোবারক না বলে হাম্বা মোবারক বলে থাকেন। এই কথাটি বলা চরম গুনাহের একটি কাজ। যেহেতু ঈদ মোবারক শব্দটি একটী ধর্মীয় শব্দ। এর ভাবার্থ আল্লাহ আপনার ঈদকে বরকতময় করুন। বলুন এমন একটি কথাকে কি করে আমরা নষ্ট করে ফেলছি?

কোরবানীর নিয়ম নিয়ে কিছু কথা:

কোরবানীর সময় হলো যিলহজ্বের ১০ তারিখ হতে ১২ তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ তিনদিন দুই রাত।

হুজূর আকরম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বয়ং তাঁর মৃত উম্মতের পক্ষ থেকে কোরবানি করেছেন। তাই এটা তার জন্য সৌভাগ্যের বিষয় হবে যার পক্ষে সম্ভব হুজূরে করীমের জন্য কোরবানি করা।
-[বাহারে শরীয়ত]
গরু, উট দ্বারা কোরবানী করলে নফল হিসেবে একভাগ প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)’র জন্যে কোরবানি দেয়া অনেক উত্তম।

কোরবানির পশুর বয়স :

কোরবানির ছাগল কমপক্ষে একবছর, গরু দুই বছর এবং উট পাঁচ বছর হতে হবে। কোরবানির জন্য সুন্দর ও নিখুঁত পশু বাছাই করা উত্তম। যেসব পশু অন্ধ, খোঁড়া এবং জবেহ করার স্থানে যেতে অক্ষম, লেজ, শিং কিংবা কান কাটা বা ভাঙ্গা বা দুর্বল ইত্যাদি কোরবানীর পশু কোরবানির উপযুক্ত নয়।

কোরবানির মাংস ও ভাগের শরিয়তসম্মত নিয়ম:

কোরবানির মাংস তিনভাগে ভাগ করে এর একভাগ গরীব ও ইয়াতিম-মিসকিনদের দান করা, একভাগ আত্মীয়-স্বজনকে দেয়া এবং অন্য ভাগ নিজে রাখা মুস্তাহাব। তবে ইচ্ছা করলে আপনি পুরো মাংসই খেতে পারেন এতে দোষের কিছু হবেনা। কোরবানির পশু যবেহকারী ও মাংস প্রস্তুতকারীকে কোরবানির পশুর মাংস থেকে পারিশ্রমিক স্বরূপ দেয়া যাবে না।

চামড়া: কোরবানির পশুর চামড়া, রশি ও ফুলের মালা প্রভৃতি সদকা করে দিতে হবে। চামড়া নিজের ব্যবহারের জন্য রাখতে চাইলে রাখতে পারবে, যেমন- জায়নামায, বিছানা, ইত্যাদি বানাতে পারবে। কিন্তু কোরবানির চামড়া বিক্রি করে এর মূল্য নিজ কর্মে ব্যয় করতে পারবে না।

মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কোরবানি:

যদি মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কোরবানি দেয়া হয়, তাহলে মাংস উপরোল্লিখিত নিয়মে বন্টন করা উত্তম।

কোরবানির পশু জবেহ করার নিয়ম:

জবেহ করার নিয়ম জানা থাকলে কোরবানির পশু নিজ হাতে জবেহ করা মুস্তাহাব। যদি নিজে করতে না পারেন তাহলে অন্যের দ্বারা তা সমাধা করা যাবে। তবে জবেহ্’র সময় নিজে সামনে থাকা উত্তম। জবেহ্’র সময় নিম্ন লিখিত রগসমূহ কাটার ব্যাপারে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবেঃ

(ক) শ্বাসনালী (খ) খাদ্যনালী এবং (গ) রক্ত চলাচলের নালীদ্বয়।

বক্ষস্থল হতে গলদেশের মধ্যবর্তী কোন স্থানে জবেহ করা বাঞ্চনীয়। জবেহ’র পূর্বে ছুরি খুব ধারালো করে নিতে হবে। তারপর কোরবানির পশুর মাথা দক্ষিণ এবং পেছনের দিক উত্তর দিকে রেখে কেবলামুখী করে শায়িত করে দোয়া পড়বেন।

দোয়াঃ “ইন্নী ওয়াজ্জাহ্তু ওয়াজহিয়া লিল্লাজি ফাত্বারাস সামাওয়াতী ওয়াল আরদা হানীফাঁও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন, ইন্না সালাতী ওয়ানুসুকী ওয়া মাহ্য়ায়া ওয়ামামা-তী লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়ালাকা বিস্মিল্লাহি আল্লাহু আকবর” বলে কোরবানির পশু জবেহ করার পর পাঠ করবেন- “আল্লাহুম্মা তাক্বাব্বাল মিন্নী (অংশীদার থাকলে- ‘ওয়া মিন’ বলার পর প্রত্যেকের নাম ও বাপের নাম বলবেন) কামা তাক্বাব্বালতা মিন খলীলিকা ইব্রাহীমা আলাইহিস্ সালাম ওয়া হাবীবিকা মুহাম্মদিনিল্ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।”

কোরবানি দিবসে করণীয়:

হাদীস শরীফ: হুজূর আক্বদাস (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঈদুল ফিত্বরের দিন মিষ্টি জাতীয় কিছু আহার করে ঈদগাহে তাশরিফ নিয়ে যেতেন, কিন্তু ঈদুল আযহার দিবসে নামায আদায় না করা পর্যন্ত কিছুই আহার করতেন না। -[তিরমিজী, দারেমী ও ইবনে মাজাহ]

আকিকা :

অনেককেই কোরবানির সাথে আকিকাও আদায় করতে দেখা যায়। আকিকা ছেলে সন্তান হলে কোরবানির পশুতে দুই অংশ আর মেয়ে সন্তান হলে এক অংশ। আকিকার অংশ পিতা-মাতা, দাদা-দাদী সবাই খেতে পারবে; কোন অসুবিধে নেই। আকিকার চামড়ার হুকূম কোরবানির চামড়ার হুকুমের আওতায় পড়বে।আল্লাহ তায়লা হযরত ইব্রাহীম আঃ এর খাতিরে আমাদের কোরবানী কবুল করুন। কোরবানীর নিয়ম মেনে সবাইকে আল্লাহর রাস্তায় কোরবানী দেওয়ার তৌফিক দান করুন।আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইসলামের সকল নিয়ম কানুন মেনে চলার তৌফিক দান করুন। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন
যাদের ওপর কুরবানি ওয়াজিব
 কুরবানি আল্লাহর প্রেমের নির্দশন। যুগে যুগে আল্লাহ প্রত্যেক আম্বিয়া কেরামগণের ওপরেই এই দায়িত্ব ন্যস্ত করেছেন। যার ধারাবাহিকতা এখনও প্রবাহমান। আল্লাহ সামর্থ্যবান মুসলমান আকিল, বালিগ, মুকিম পুরুষ ও নারীর ওপর কুরবানি করাকে ওয়াজিব করেছেন।যাদের ওপর কুরবানি ওয়াজিব তা তুলে ধরা হলো-

যারা কুরবানি করবেন-
১. কুরবানি ওয়াজিব হওয়ার জন্য নেসাব পরিমাণ মাল পূর্ণ এক বছর থাকা জরুরি নয়। অর্থাৎ যে ব্যক্তি ১০ জিলহজ ফজর হতে ১২ জিলহজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকবে, তার ওপর কুরবানি ওয়াজিব।
২. পারিবারিক ব্যয় নির্বাহের জন্য যে পরিমাণ জমি বা ফসলের দরকার তা থেকে অতিরিক্ত জমি বা ফসলের মূল্য অথবা যে কোনো একটির মূল্য যদি নিসাব পরিমাণ সম্পদের মূল্যের সমান হয়। তাহলেও কুরবানি ওয়াজিব।
৩. পরিবারের সব সদস্যের যদি আলাদা-আলাদাভাবে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়, তবে সবার ওপর আলাদাভাবেই কুরবানি ওয়াজিব।
৪. গরিব ব্যক্তি যদি কুরবানির নিয়্যাতে গরুক ক্রয় করে তবে তার  ওপরও কুরবানি ওয়াজিব।
৫. উদ্দেশ্য হাসিলে কুরবানির মান্নত করলে সে উদ্দেশ্য পূর্ণ হলেও কুরবানি করা ওয়াজিব।
৬. নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক যত সম্পদের অধিকারী হোক না কেন তার ওপর একটি কুরবানিই ওয়াজিব। সম্পদ বেশি বলে একাধিক কুরবানি করতে হবে এমন কোনো বিধান নেই। অবশ্য একাধিক কুরবানি করলে অনেক ছাওয়াব লাভ হয়।

এক কথায় যে অবস্থায়, যার ওপর সাদাকায়ে ফিতর ওয়াজিব, সে অবস্থায় ঐ ব্যক্তির ওপর কুরবানিও ওয়াজিব।
অতএব প্রত্যেক স্বাধীন, ধনী, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক নর-নারীর উপর কুরবানি ওয়াজিব।

পরিশেষেৃ
প্রত্যেক সামর্থবান ব্যক্তিকে কুরবানি করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে এগিয়ে আসার তাওফিক দান করুন। আমিন।

 


বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য আরও সহজ হলো যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫

Picture

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া শিথিল এবং উন্নত করা হয়েছে। এতে বহু বাংলাদেশী নাগরিক আমেরিকায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন।এখন থেকে বাংলাদেশী আবেদনকারীরা নতুন নিয়মে অনলাইনে আবেদন করে নিজের পছন্দ অনুযায়ী সাক্ষাৎকারের সময়সূচি ঠিক করে নিতে পারবেন। আবার তাদের তথ্য সুবিধার জন্য কল সেন্টারে ফোন করে বাংলা এবং ইংরেজি উভয় ভাষায় সহায়তাও নিতে পারবেন। কল সেন্টার রবি হতে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন সকাল ৮টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু থাকবে।

নতুন এই পদ্ধতিতে dhaka.usembassy.gov এই ওয়েব ঠিকানায় লগ-ইন করে ভিসা আবদনকারীরা ভিসার জন্য সহযেই আবেদন করতে পারবেন।

সোমবার ঢাকার আমেরিকান সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কনস্যুলার বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব মিশেল থোরেন বন্ড। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা, কনসাল জেনারেল এলিজাবেথ গোল্ড লে ও প্রেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অফিসার মনিকা শাই উপস্থিত ছিলেন।

মিশেল থোরেন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী বাড়ছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য ভিসার আবেদনও বাড়ছে। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ হতে ৭০ হাজার ভিসার আবেদন জমা পড়ে। এরমধ্যে ৩০ হাজার জনের ভিসা অনুমোদন করা হয়। যারমধ্যে আবার প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী। সে কারণে ভিসাপ্রাপ্তি সহজ করার জন্য ভিসা প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন পদ্ধতিতে আবেদনকারীরা সাক্ষাৎকারের সময়সূচি যদি পান তাহলে এইচএসবিসি ব্যাংকের ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম শাখায় ভিসা ফি জমা দিতে পারবেন ও এক বছর মেয়াদি টাকা জমার রসিদ পাবেন।

গত ৩১ আগস্ট হতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ভিসা ফি জমা নেওয়া হচ্ছে না বলে জানানো হয়। তবে যারা এক বছরের কম সময়ের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছেন, তারা সেই টাকা জমার রসিদ ব্যবহার করেও ভিসার আবেদন করতে পারবেন।
এই লিঙ্কে ক্লিক করে ফরম পূরণ করতে পারবেন


জার্মানির বাগানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে যে গাছটি

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ :জার্মানির কোলন শহরের অভিজাত এলাকা রোডেনকির্শেন৷ সেই এলাকারই এক কোণে তৈরি করা হয়েছে ২৬ হেক্টর জমি জুড়ে সুন্দর একটি বাগান৷ সেখানে বিশ্বের ১৪২টি দেশের গাছ লাগানো হয়েছে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে৷ আর এই বাগানে আছে বাংলাদেশের একটি গাছ৷জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানায়, ১৯৮০ সালে ‘ফ্রিডেন্সভাল্ড’ বা শান্তির বাগানটি তৈরি করা হয়। গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে জার্মানির সাথে এই ১৪২টি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক গাঢ় হবে – এমন ভাবনা থেকেই নেয়া হয়েছিল এই উদ্যোগ৷

Picture

যে কোনো ঋতুতেই এখানে প্রচুর লোকজন আসেন বেড়াতে, হাঁটতে বা জগিং করতে৷ গাছগুলো এমনভাবে সাড়ি বেঁধে লাগানো যেন ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়া যায়৷ বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র,আফ্রিকা যে কোনো দেশের গাছেই সে দেশের পতাকা লাগানো আছে৷ কোনো কোনো দেশের আবার একটি নয়, অনেকগুলো গাছ রয়েছে শান্তির প্রতীক হিসেবে৷যান্ত্রিকতা ভুলে একটু শান্তির পরশ পেতে অনেকেই সেই বাগানে ছুটে যান। মনোমুগ্ধকর সে বাগানের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে ডয়চে ভেলে।

দেখে নেয়া যাক সেই ছবিগুলো-

r

s
বাগানের শুরুতেই ১৪২টি দেশের গাছ লাগানো হয়েছে আর ভেতরে দিকে করা হয়েছে একটি বোটানিক্যাল গার্ডেন৷পুরো বাগান হেঁটে ক্লান্ত হয়ে পড়লে সেখানে বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ থাকে।

e
শান্তির বাগানের একটা বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে নানা রং-এর রডোডেনড্রন ফুলের গাছ৷

w

আরও ১৪১টি গাছের পাশাপাশি বাগানে শোভা পাচ্ছে বাংলাদেশের এ গাছটি

e
শান্তির বাগানে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে সবই পরিবর্তন হয়৷ তবে এই সাদা বালির অংশটুকুর কোনো পরিবর্তন হয় না, সব সময় সাদাই থাকে৷ এখানে বাচ্চারা খেলতে খুবই ভালোবাসে৷ বছরের যে কোনো সময়ই তাই দেখা যায় তাদের৷

r
গাছের যত্নের কোনো ত্রুটি নেই৷ অসুস্থ গাছকে সময় মতো কেটে ফেলা হয়৷ তবে একটা গাছ কাটা মানেই কিন্তু আর একটা গাছ লাগানো৷ বলা যায় একেবারে সঙ্গে সঙ্গেই!


আপনার বুড়ো আঙুল আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে কী বলে?

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০১৫

বাপসনিঊজ:আপনি জানেন কি আপনি কোন ধরনের মানুষ এবং আপনার ব্যক্তিত্ব কি ধরণের তা আপনার শারীরিক কিছু বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে পারে? হাতের আঙুলের মাধ্যমেও প্রকাশ পায় আপনার ব্যক্তিত্ব। আপনার হাতের শুধুমাত্র বুড়ো আঙুল আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক তথ্যই প্রকাশ করতে পারে। অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও এটি সত্যি। জানতে চান আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন? চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক- শুধুমাত্র বুড়ো আঙুল দেখে।

Picture

উপরের ছবিটি লক্ষ্য করুন। এই ছবিতে ৩ ধরণের হাতের বুড়ো আঙুলের ভাঁজের লম্বার পার্থক্য দেখানো হয়েছে। A ছবিটিতে বুড়ো আঙুলের উপরের অংশের চাইতে নিচের অংশের দৈর্ঘ্য কম, B ছবিটিতে বুড়ো আঙুলের উপরের অংশ ও নিচের অংশের দৈর্ঘ্য সমান এবং C ছবিটিতে বুড়ো আঙুলের উপরের অংশের চাইতে নিচের অংশের দৈর্ঘ্য বেশী। মূলত এই ৩ ধরণের আঙুলের পার্থক্য দেখা যায় বিভিন্ন মানুষের মধ্যে দেখা যায়। নিজের হাত দেখে মিলিয়ে নিন আপনার বুড়ো আঙুল কোন ধরণের এবং জেনে নিন আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে তা কী বলে।

finger

A ছবিটির মতো হলে অর্থাৎ বুড়ো আঙুলের উপরের অংশের চাইতে নিচের অংশের দৈর্ঘ্য কম হলে আপনি অনেক আত্মবিশ্বাসী এবং জীবনের ব্যাপারে অনেক উৎসাহী একজন মানুষ। আপনি জীবনে অনেক কিছু করতে চান, আপনি চান সকলেই আপনাকে এক নামে চিনুক। আপনি সকল কাজেই অনেক উৎসাহী থাকেন। আপনি যদি কাউকে ভালোবাসেন তাহলে তার জন্য সবকিছু করতে রাজি থাকেন। আপনার ভালোবাসা অবসেশনের পর্যায়ে পড়ে বলতে গেলে। যদি সামান্য কারণেও আপনার ভালোবাসার মানুষটি আপনার থেকে একটু দূরে চলে যান তাহলেই আপনার রাতের ঘুমের বারোটা বেজে যায়।

B ছবিটির মতো হলে অর্থাৎ বুড়ো আঙুলের উপরের অংশ ও নিচের অংশের দৈর্ঘ্য সমান হলে আপনি জীবন নিয়ে অনেক বেশী ভাবেন এবং আগে থেকেই বেশ কিছু ব্যাপারে প্ল্যান করে রাখতে পছন্দ করেন। এই কাজটি আপনাকে জীবনে সাফল্য আনতে অনেক বেশি সাহায্য করে। আপনি অনেক শান্ত একজন মানুষ, যাই ঘটুক না কেন আপনি মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করতে বেশি পছন্দ করেন। ভালোবাসার ক্ষেত্রেও আপনি অনেক বেশী ধীরস্থির। আপনি আবেগের বশবর্তী হয়ে কিছুই করেন না। অনেক পরিকল্পনা রয়েছে আপনার ভালোবাসা নিয়ে। চোখে দেখা ব্যাপারগুলো নিয়েই বিবেচনা করেন তা সেটি জীবনের ক্ষেত্রেই হোক বা ভালোবাসার ক্ষেত্রেই হোক না কেন।

C ছবিটির মতো হলে অর্থাৎ বুড়ো আঙুলের উপরের অংশের চাইতে নিচের অংশের দৈর্ঘ্য বেশী হলে আপনি অনেক বেশী বিশ্বস্ত এবং ভরসাযোগ্য একজন মানুষ। আপনাকে সকলেই বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে জানে এবং আপনি অন্যের কথা গোপন রাখাতেই বিশ্বাসী। সে কারণে সকলে আপনার উপর ভরসা রাখতে পছন্দ করেন। আপনার দৃষ্টি অনেক তীক্ষ্ণ, অর্থাৎ আপনি কোনও একটি ব্যাপার খুবই মনোযোগের সঙ্গে দেখেন এবং ব্যাপারটি নিয়ে চিন্তা করতে পছন্দ করেন। ভালোবাসার ক্ষেত্রেও আপনার আচরণ একইরকম। আপনি প্রথম দেখাতেই প্রেম বিষয়টিতে একেবারেই বিশ্বাসী নন। আপনি অনেক দেখে, বুঝেশুনে সম্পর্কে জড়াতে পছন্দ করেন।


বিরল ছবিতে হাসিনা-পুতুল-জয়

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০১৫

Picture

বাপ্ নিউজ: বস্টন বাংলা নিউজ:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মেয়ে শেখ সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি বিরল ছবি পাওয়া গেছে। ফেসবুকে তওহীদ হোসাইন রনি নামে একজন ছবিটি পোস্ট করেছেন। তবে ছবিটি কখন বা কোথায় তোলা হয়েছে, এ সব বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।


ঈদ মোবারক - বস্টন বাংলা নিউজেরপক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০১৫

বাপ্ নিউজ: বস্টন বাংলা নিউজ:ঈদ মোবারক । ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশির জোয়ার। ঈদ মানে সহমর্মিমতা ও সহযোগিতার অপূর্ব বন্ধন. এই আনন্দ ও উৎসব সবার জীবনে খুশীর বন্যা নিয়ে আসুক, ভুলিয়ে দিক সব বিভেদ- সেই প্রত্যাশায় বস্টন বাংলা নিউ -এর সন্মানিত পাঠক, লেখক এবং শুভাকাংক্ষীদের প্রতি রইল ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ বয়ে আনুক আপনাদের সকলের জীবনে হাসি আনন্দ আর সমৃদ্ধি।
alt
ওসমান গনি : হাকিকুল ইসলাম খোকন:সুহাস বড়ুয়া: আয়েশা আকতার রুবী পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।তারা একযৌথ বিবৃতিতে বলেন, মুসলিম বিশ্ব সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব হলো- ঈদুল ফিতর। রমজানের দীর্ঘ একমাস কঠোর সিয়াম সাধনার পর মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে নেক বান্দাদের জন্য ঈদুল ফিতর হলো পুরস্কার স্বরূপ। তাই সাওয়ালের চাঁদ আমাদের মাঝে নিয়ে আসে খুশি ও আনন্দের ফল্গুধারা।পবিত্র ঈদুল ফিতর-আমাদের ধনী-দরিদ্র, উঁচু-নীচুর ভেদাভেদ ভুলে সকল মানুষকে এক কাতারে দাঁড়ানোর শিক্ষা দান করে। দেশের দুঃস্থ, দরিদ্র ও সঙ্গতিহীন মানুষের প্রতি ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সমাজের বিত্তবান শ্রেণীর জনগণ ঈদের এই আনন্দকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন বলে আশা করছি।মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করে তারা বলেন, ঈদুল ফিতর আমাদের সকলের জন্য শান্তি ও সৌহার্দ্যরে বার্তা নিয়ে আসে। তাই সকল ভেদাভেদ ভুলে সকল মুসলমানের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।

বস্টন বাংলা নিউজেরপক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ৪ দিন বস্টন বাংলা নিউজ বন্ধ থাকবে  ( ১৯,২০,২১,  জুলাই ) বস্টন বাংলা নিউজ প্রকাশিত হবে না।