Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বাংলাদেশের খবর

লক্ষ্মীপুরে জেএসডি’র সমাবেশ ও মানববন্ধন জঙ্গী-সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করার শপথ

সোমবার, ১৮ জুলাই ২০১৬

বাপ্ নিউজ : সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ ও গুপ্তহত্যার বিরুদ্ধে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি, লক্ষ্মীপুর শাখার উদ্যোগে ১৪ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় লক্ষ্মীপুর টাউন হলের সম্মুখে আয়োজিত সমাবেশে লক্ষ্মীপুর জেলা জে এস ডি সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মোঃ মনছুরুল হক সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় জে এস ডি সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল।

alt

বক্তব্য রাখেন জেলা জে এস ডি কার্যকরী সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল মোতালেব, জেলা জেএসডি নেতা সিরাজুল ইসলাম চৌপল্লী, আলহাজ্ব আকবর হোসেন, সাংবাদিক আবু ছায়েদ মোহন, শাহাদাত হোসেন নিরব, সাংবাদিক ইব্রাহীম, ডাঃ আবদুর রশিদ, হাজী মাহফুজুর রহমান লাতু, জিল্লুর রহিম, আবু তাহের, যুব নেতা জাকির হোসেন নান্টু, মারফত উল্যা মিঞা, আবদুল লতিফ সরকার, আবদুল বাতেন বাবুল মুন্সী, সাইফুল্যা মিয়া, ডাঃ আব্দুল বাতেন, আবুদল ওহাব প্রমুখ। প্রধান বক্তা এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল বলেন, স্বাধীন দেশের উপযোগী আইন-কানুন, বিধি-কাঠামো, রাজনীতি ও গণতন্ত্র না থাকার কারণেই সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ ভিত্তিক অপরাজনীতি-অপশক্তি গড়ে উঠেছে। অবিলম্বে জাতীয় কনভেনশন ডেকে জঙ্গী বিরোধী লৌহ কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

alt
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মনছুরুল হক বলেন, দেশের গণতন্ত্রহীন পরিবেশ, জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের কারণেই জঙ্গীদের কর্মকান্ড বিস্তারে সহায়ক হয়েছে। জাতীয় দূর্যোগ, সহিংসতা, জঙ্গী-সন্ত্রাসী কর্মকান্ড মোকাবেলায় তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য “জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল” গঠন করতে হবে। মানববন্ধনে নেতাকর্মীরা জঙ্গী-সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ ও প্রতিহত করার প্রত্যয়ে শপথ বাক্য পাঠ করেন।


ঐক্যবদ্ধভাবেই সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ নির্মূল করা সম্ভব ....... আ স ম আবদুর রব

শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০১৬

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি জনাব আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ঐক্যবদ্ধভাবেই সন্ত্রাসÑজঙ্গীবাদ নির্মূল করা সম্ভব। সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ-ধর্মান্ধ-ফ্যাসীবাদ-সা¤্রাজ্যবাদ-দলবাজ ও এক কেন্দ্রিক ক্ষমতা দখলকারী এরা সবাই একই ধারা ও গোত্রের অন্তর্ভূক্ত। একক দল বা সরকারের প্রশাসনিক শক্তি দিয়ে জাতিকে এর মোকাবেলা সম্ভব নয়Ñ এটি ইতিমধ্যেই প্রমানিত হয়েছে। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে স্বাধীন দেশের উপযোগী রাজনীতি ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনা গড়ে না তোলা এবং দুই জোটের ক্ষমতার লড়াইয়ের ফলেই বর্তমান সংকট ও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাই এদের পক্ষে এ সংকট থেকে জাতিকে মুক্ত করা সম্ভব নয়। এ জন্যই আমরা জাতীয় কনভেনশন ডাকার  আহবান জানিয়েছিলাম। যার মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠতে পারতো।

alt
জনাব রব বলেন, ৬৯-৭১ এ আমরা গ্রামে গ্রামে জনগনকে সাথে নিয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ন নির্বিশেষে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেছিলাম। আজকে শুধুমাত্র সরকারী দল বা সরকারের আহবানে সরকার সমর্থক বা দলীয় কমিটি হবে, সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি গড়ে উঠবেনা। জনাব রব আরো বলেন, বাংলাদেশ আফগানিস্তান বা ইরাক নয়। এ জাতি সমগ্র জনগনকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এক নায়ক ও উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করে লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জনকারী জাতি। আজও জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করলে আমরাই আমাদের এ সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম। এখানে বিদেশীদের আসার প্রয়োজন নাই। সন্ত্রাস- জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে অপরিহার্য ‘ জাতীয় ঐক্য ’ না করলে জাতি ভয়াবহ সংকটে পড়বে।জেএসডি সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেন, জাতীয় রাজনীতিতে আদর্শিক শুন্যতার সুযোগ নিয়ে ধর্মান্ধ মৌলবাদী গোষ্ঠী যুব সমাজের একটি অংশকে জঙ্গীবাদে উদ্বুদ্ধ করছে। এ সন্ত্রাস – জঙ্গীবাদ দমনের জন্য আজ যুব সমাজের আকাংখা পুরনের উপযোগী রাজনৈতিক আদর্শ ও ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ একান্ত অপরিহার্য।

alt
বিকেল ৪টায়  সারাদেশে সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ বিরোধী সমাবেশ-মিছিলের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এ সকল কথা বলেন। জেএসডি সভাপতি জনাব আ স ম আবদুর রব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিছিলপুর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলের সাধারন সম্পাদক জনাব আবদুল মালেক রতন, এম এ গোফরান, আতাউল করিম ফারুক, মো: সিরাজ মিয়া, মিসেস তানিয়া ফেরদৌসী, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, আবদুর রাজ্জাক রাজা প্রমুখ।
এ পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী চট্টগ্রাম, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, বি বাড়ীয়া, সিলেট, কিশোর গঞ্জ, জামালপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, নাটোর, গাইবান্ধা, রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, যশোর, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, ঝালকাঠি, বরিশাল, পাংশা, নারায়নগঞ্জে কর্মসূচী পালিত হচ্ছে। এখনও খবর আসছে।


আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে ই.ইউ আওয়ামী লীগের মত বিনিময়

বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই ২০১৬

বাপ্ নিউজ : ঢাকা থেকে : সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক , পরিশ্রমী সংগঠক জনাব এম , এ গনির নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান আওয়ামী  লীগের  বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব) ফারুক খান এর সাথে এক মত বিনিময় সভা গত বুধবার তার বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপ এর বিভিন্ন দেশের  আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম তুলে ধরেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম এ গনি।  জনাব ফারুক খান বিভিন্ন দেশের সাংগঠনিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি সাংগঠনিক ভাবে আরো শক্তিশালী করণে পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি বলেন ,জঙ্গি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সকল এক সাথে কাজ করার আহবান জানান। নেতারা বলেন সবাই এক সাথে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের জন্য কাজ করলে কোন অপশক্তি দেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারবে না। ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক ডাঃ বিদ্যুৎ বড়ুয়া  ডেনমার্কের  বিখ্যাত "লিটল মারমেইড " এর রেপ্লিকা শুভেচ্ছা  স্মারক হিসাবে  জনাব ফারুক খান কে প্রদান করেন।

Picture

আবার বুধবার সন্ধ্যায়   সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ  ঢাকায়  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর কার্যালয়ে সভাপতি  মণ্ডলীর সদস্য, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়েদুল কাদেরের সাথে মতবিনিময় করেছেন । এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক জনাব আব্দুস সোবহান গোলাপ ,সদস্য এস এম কামাল হোসেন সহ কেন্দ্রিয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন ।   সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জননেতা এম এ গনির নেতৃত্বে  এ মতবিনিময় সভায় তিনি  ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দকে পরিচয় করিয়ে দেন। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ইউরোপের প্রবীণ নেতা জনাব এম এ গনি  এর সাংগঠনিক সক্ষমতা এর কথা উল্লেখ করে প্রবাসে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী করণে তার ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।  বঙ্গ বনধু এর আদর্শের  ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বাংলাদেশে  সন্ত্রাস  ও  জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য আহবান জানান  কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আহবান জানান । এছাড়া ১/১১ পরবর্তী শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে প্রবাসী আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এর  কথা স্মরণ করেন।
সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম , এ, গনি ছাড়াও এসময় উপস্থিত ছিলেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া , সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন মিঠু ,হিল্লোল বড়ুয়া ,সুইডেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ড. ফরহাদ আলী খান , নরওয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন মজুমদার , স্পেন আওয়ামী লীগের রিজভী আলম , হল্যান্ড আওয়ামী লীগের শাহাদাত হোসেন  তপন ,ফ্রান্স আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান , দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের  কাজী শাহ আলম , সুইডেন আওয়ামী লীগের শাহ  আলম।  ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক ডাঃ বিদ্যুৎ বড়ুয়া  ডেনমার্কের  বিখ্যাত "লিটল মারমেইড " এর রেপ্লিকা শুভেচ্ছা  স্মারক হিসাবে  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর কেন্দ্রীয় অফিসের জন্য জনাব ওবায়দুল  কাদের এর কাছে  প্রদান করেন।


প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিরাট সমাবেশ

বুধবার, ১৩ জুলাই ২০১৬

বাপ্ নিউজ : শ্রমিক, কর্মচারী, পেশাজীবী মুক্তিযোদ্দা সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে গুলশান, শোলাকিয়ায় ঈদুল ফিতরের দিনে হত্যাযজ্ঞ সহ জঙ্গি কার্যকলাপের প্রতিবাদে আজ সকাল 11 টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিরাট সমাবেশে যোগদান, আরও উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি, সংগঠনের নেতা ইসমত কাদিরগামা, আলাউদ্দিন মিয়া অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম, শ্রমিক নেতা আব্দুল কাশেম, মুক্তিযোদ্দা বিষ্ণু জালাল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এই মুহু‌র্তের অশ‌নি সং‌কেত থে‌কে বাঁচার পথ হ‌তে পা‌রে আওয়ামীলীগ কে একা‌ডে‌মিক চিন্তার মহাসড়‌কে তু‌লে দেওয়া ।প্রায় সবাই বলছেন নতুন করে জেগে উঠতে হবে নতুন চিন্তা চেতনায় নতুন একটা ভালোবাসার পৃথিবী  গড়তে হবে আওয়ামীলীগ কে ।এরকম নতুন সুত্রের আমি ঘোর বিরোধী ।

alt
আওয়ামীলীগ কে ঐতিয্যের একাডেমিক  অবকাঠামোতে ফেরত আনুন । যেখানে আছে ভাইয়ের বন্ধন ,সাম্যবাদ , সহনশীলতা , পারস্পারিক  সন্মান সহ ভালোবাসার সাম্রাজ্যের উর্বর ভূমি ।আমাদের আছে গর্ব করার মতো হোসেন শহীদ সরওয়ারদি , মাওলানা ভাসানি ,বঙ্গবন্ধু , রবীন্দ্রনাথ , নজরুল , আবদুল আলীম ,জসীম উদ্দিন সহ লালন বাউলের আলোকিত ইতিহাস ।আমি দেখেছি , মিশেছি এবং কথা বলেছি ওদের সাথে যারা আমাদের অজর পাড়াগাঁয়ে তৃণমুলে মানবেতর জীবনযাপন কারী আওয়ামীলীগের অতি সাধারণ সদ্যস্য, যাঁদের একটা সাধারণ চাকুরী নেই সেই চিন্তা করে না কিন্তু জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে ওরা জেগে উঠে ,এখনো মুষ্টি হাতে দাঁড়িয়ে যায় । ওরা আমাদের মিছিল মিটিং আলোকিত করে রাখে ।

alt
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল দের সম্মান করুন , যারা আওয়ামীলীগ কে বুকের মধ্যে লালন করে বংশপরম্পরায় ।হাইব্রিড সম্প্রদায় কে নিয়ে অনেক বসবাস হয়েছে , ভালোবাসা হয়েছে । এবার একটু তৃণমূলে নজর দিন । ভালোবাসা দিন যারা শত বাধা বিপত্তির  পরও আওয়ামীলীগের একাডেমিক  অবকাঠামোকে শক্ত ভাবে ধরে দিনাতিপাত করছে তাঁদের । পাড়ায় মহল্লায়  সেমিনারের বন্দোবস্ত করতে বলুন । মাসে অন্তত একবার দেশের প্রতিটি প্রাইমারী স্কুলে পাঠচক্রের ব্যবস্তা করতে বলুন । প্রত্যেক পাড়া মহল্লায় অনেক মেধাবী ছাত্র ছাত্রী আছে ওদের কথা বলতে দিন , নেতারা অনেক কথা বলেছে ওদের দর্শক সারিতে বসে থাকতে বলুন । ওদের কে একদিন একজন কে বক্তব্য রাখতে বলুন । উৎসাহিত করুন রবীন্দ্রনাথ , নজরুল , বঙ্গবন্ধু , লালন কে নিয়ে কথা বলতে ।
alt
যা করার এক্ষুনি শুরু করুন , এখনই সময় । সময় বসে থাকে না , সময় বসে থাকবে না ।গুলশান থেকে শোলাকিয়া  কিংবা মানারাত থেকে নর্থসাউথ । বাংলাদেশের জন্য একটা অশনি সংকেত ।ভয়ের মধ্যে আছি কখন ওরা বন্ধ করে দেয়  বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে সমাজ বিজ্ঞান , লোকপ্রশাসন ,পালি , সংস্কৃত কিম্বা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মতো বিষয় গুলোকে মানুষের সৃষ্টির ফ‌তোয়া দি‌য়ে ।
alt
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার নিছে যারা আছে ওদের দিয়ে কোন কাজ হবে না  ,তাছাড়া মানুষ ওদের কে আর বিশ্বাস করে না ভয় করে । বিশ্বাস আর ভয় একসুত্রে আসে না ।তৃণমুলের বিশ্বাস কে সম্মান করতে হলে শেকড় সন্ধানী  কাজগুলো এই মুহূর্তে খুব খুব জরুরী ।


হোটেলে দেশী-বিদেশী লোকদের জিম্মী করার মত সন্ত্রাসী ঘটনা জাতীয় সংলাপ ও ঐক্য অনিবার্য করে তুলেছে ......জেএসডি

শনিবার, ০২ জুলাই ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি  আ স ম আবদুর রব ও সাধারন সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন এক বিবৃতিতে বলেন, গুলশান কুটনৈতিক পাড়ার মত নিরাপত্তা প্রহরাধীন এলাকার একটি হোটেলে দেশী- বিদেশী লোকদের জিম্মী ও হত্যা করার মত বর্বরোচিত ঘটনা দেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ভুলে জাতীয় সংলাপ, ঐক্য, জনগণের ভোটাধিকার এবং একটি অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন  অনিবার্য করে তুলেছে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জঙ্গীদের দ্বারা যারা নিহত হয়েছেন তাদের প্রতি গভীর শোক ও যারা আহত হয়েছেন তাদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ যারা জিম্মীকারীদের অপচেষ্টাকে সম্পূর্ন প্রতিহত করে দিতে নির্ভিক ভুমিকা পালন করেছেন সেই সকল কমান্ডো বাহিনীর সদস্যসহ এ অভিযানে অংশগহনকারী সকল বাহিনীর সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে জঙ্গীবাদ নেই, আইএস নেই- এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত হয়ে জঙ্গীবাদ বিরোধী জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠান ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহনের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।


জনগণের সাথে প্রতারণা না করে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন

সোমবার, ২৭ জুন ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক  জেএসডি যুক্ত রাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন , জেএসডি যুক্ত রাষ্ট্র শাখা র সাধারণ সম্পাদক  সামসুদ্দিন আহমেদ শামীম  , সাংগঠনিক সম্পাদক তসলিম উদ্দিন খান এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন -
আমরা বর্তমানে বাংলাদেশে যে চিত্র দেখছি তা সামাজিক অবক্ষয়ের এক বাস্তব প্রতিফলনের চিত্র। আজকে আমাদের দেশে কোনো কিছুই নিরাপদ নয়। জীবন নিরাপদ নয়, অর্থসম্পদ নিরাপদ নয়। ব্যাংকে টাকা থাকলে সেটা লোপাট হয়ে যাচ্ছে। বিদেশি দুর্বৃত্তরা দেশি লোকজনের সহায়তায় লোপাট করছে। আবার সার্বিক নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে এত সহিংসতা আগে কখনো দেখা যায়নি। ছয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে প্রায় ১১৫ জনের উপরে মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শত শত।

 বিবৃতিতে   জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি   নেতারা  বলেন -
ভিন্নমত বা আদর্শ দেখলেই তাকে দমন কর, হয়রানি কর। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর জেলে রাখ, নিপীড়ন কর। কিন্তু নিজ অন্যায় অপকর্মের সংশোধনের জন্য মনোযোগ দেওয়া হয় না। এ এক করুণ চিত্র আমাদের সর্বদা গ্রাস করছে। গণতন্ত্রের কথা বলি কিন্তু গণতন্ত্রের সংস্কৃতি মানি না, ধার ধারি না। নিজ স্বার্থে গণতন্ত্রকে ব্যবহার করি। গণতন্ত্রের সাইনবোর্ডটাকে সামনে নিয়ে আসি। আবার গণতন্ত্রের সীমিত চর্চার কথা বলে উন্নয়নের কথা বলি।  রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এক লাখ কোটি টাকার ঋণখেলাপিদের আইনের আওতায় না এনে বরং ৩৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ অবলোপন করা হয়েছে। মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে রোল মডেল হিসেবে টেনে আনি। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, উন্নয়নের নামে যদি হয় মানুষের নিরাপত্তাহীনতা, উন্নয়নের নামে যদি হয় একটি মতাদর্শ ছাড়া অন্য আদর্শের মানুষ থাকবে না, উন্নয়নের নামে যদি হয় ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ রাজকোষের হাজার হাজার টাকা চুরি, উন্নয়নের নামে যদি হয় সহিংস নির্বাচনের মাধ্যমে শত মানুষ নিধন ও একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন যদি হয় সত্য প্রকাশে গণমাধ্যমের অধিকার হরণ তাহলে তো তাকে কোনোভাবেই উন্নয়ন বলা যাবে না। ব্যাংকিং খাতে লুটপাটের মহোত্সব হয়েছে। সোনালী, বেসিক ও জনতাসহ সমস্ত ব্যাংকে চলছে লুটপাট। তাহলে আপনার নৈতিক দায়িত্ব নেই?


 তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের বিপদ উল্লেখ করে বিবৃতিতে  জে এস ডি নেতারা  বলেন -
যুক্তরাজ্য ইইউ থেকে বেরিয়ে আসায় বাংলাদেশের রফতানি খাতের সবচেয়ে বড় স্তম্ভ তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের ধাক্কা আসবে।ইইউর শরিক দেশ হিসেবে এতদিন যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে অস্ত্র ছাড়া সব ধরনের পণ্য রফতানিতে বিশেষ জিএসপি সুবিধা দিয়ে এসেছে। তৈরি পোশাক খাত হচ্ছে এসব রফতানি পণ্যের অন্যতম। এখন দেশটির প্রদেয় এ সুবিধা হারানোরও আশংকা করছেন রফতানিকারকরা। তারা বলছেন, যুক্তরাজ্য পণ্য আমদানিতে জিএসপি সুবিধা তুলে নিলে চাপে পড়বে বাংলাদেশের রফতানি খাতে। এর ফলে শুধু তৈরি পোশাক শিল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, এর সঙ্গে সাব-কন্ট্রাক্টিং সবক’টি উপখাতও বাজার হারাবে।

সরকারি বেসরকারি ব্যাংক গুলো র জীর্ণ অবস্থায় আছে দাবি করে  বিবৃতিতে  জে এস ডি নেতারা  বলেন -
বাংলাদেশের মানুষ এখন ব্যাংকে টাকা রাখতে ভয় পাচ্ছে। সরকারি বেসরকারি ব্যাংক গুলো লাখ লাখ কোটি টাকা লুটপাটের পর মৃত প্রায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয়ে সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিনকে প্রধান করে এ বছরের ১৫ মার্চ সরকার তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।
চুরির সপ্তাহ দুয়েক পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাকেশ আস্তানাকে ডেকে আনা হয়। তার নির্দেশনার মোতাবেকই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব কম্পিউটারে নতুন নিরাপত্তার সফটওয়্যার ইনস্টল করা হয়। এরপর ঘটনাটির তদন্তভার দেয়া হয় রাকেশের প্রতিষ্ঠিত ফায়ারআই নামের কোম্পানিকে।
রিজার্ভ চুরি তদন্তে ভারতীয় নাগরিকের মালিকানাধীন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ফায়ারআইয়ের ঘণ্টায় ৪০০ মার্কিন ডলার পারিশ্রমিক হিসেবে চুক্তির ২ লাখ ৮০ হাজার ডলার পরিশোধ করা হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে প্রায় ২২ কোটি টাকা দিতে হয়েছে ভারতীয় নাগরিককে

 ব্যাংক খাতে এখন ক্যান্সার অবস্থা বিরাজ করছে। এই সংসদেই অর্থমন্ত্রী অকপটে স্বীকার করে বলেছেন-সাগর চুরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় গভর্নর নৈতিক দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন। তাহলে ব্যাংকিং খাতে যে হাজার-হাজার কোটি টাকা লুটপাট হল, শেয়ার বাজার ধসের ঘটনায় সাধারণ মানুষ পথে বসল, তার দায় স্বীকার করে অর্থমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন না কেন?



বাংলাদেশের  মতপ্রকাশের  প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জেএসডি নেতারা  বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পরে  বিরোধী দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম, খুন, অপহরণ ও গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের নামে মানুষ হত্যাকে একটি দৈনন্দিন আতঙ্কের বিষয় হয়ে গেছে। সাংবাদিক হত্যা এবং অসংখ্য সাংবাদিককে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন সরকারের স্বভাবে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও মত প্রকাশের স্বাধীনতা স্তব্ধ করে দেয়ার জন্য একের পর এক সংবাদপত্র, টেলিভিশন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, যাতে বিরোধীদের কণ্ঠ শোনা না যায়।

সুন্দরবনের সন্নিকটে রামপালে ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে বাংলাদেশ সরকার।‘এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সুন্দরবনের ইউনেস্কো ঘোষিত হেরিটেজ নষ্ট করে   বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ডেকে আনবে। ভারতের মাঠিতে  ‘এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে দেয়নি ভারতের আদালত এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে পরিবেশগত ছাড়পত্র দেয়া হয়নি।

দেশের সার্বিক অবস্থার ভয়াবহতা তুলে ধরে বিবৃতিতে  জে এস ডি নেতারা  বলেন -
দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর সব গুপ্তহত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে বলা হয় এটি বিরোধী দলের কাজ। বিপরীতে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বলা হয় তাদের দমন করতে এ হত্যাকাণ্ড সরকার ঘটিয়েছে। উভয়পক্ষের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে নিম্ন পর্যায় পর্যন্ত এ ধরনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য আমরা প্রত্যক্ষ করছি। ৮ জুন বুধবার গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত গুপ্তহত্যা ও টার্গেট কিলিং হত্যা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ‘গুপ্তহত্যার বিষয়ে আমার কাছে অনেক তথ্য আছে। একটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না আমি হেড অব দ্য গভর্নমেন্ট। সরকারপ্রধান হিসেবে বিভিন্ন সংস্থার তথ্য আমার কাছে আসে। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু বলতে পারি না। তবে গুপ্তহত্যাকারী ও সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এদের কেউ ছাড় পাবে না।’ তিনি বলেন, ‘এদের হত্যা করার প্রক্রিয়া একই রকম। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট এবং দেশের অগ্রগতি বিনষ্ট করার জন্য এগুলো ঘটানো হচ্ছে। এমনকি বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, এতে তাদের মদদ রয়েছে। তারা যখন মানুষ পুড়িয়ে মারছিল তখন দেশবাসী যেভাবে জেগে উঠেছিল, ঠিক সেভাবেই আবার জেগে উঠতে হবে। একই বক্তব্য দিচ্ছেন সরকারের মন্ত্রীরাও। যদিও ৫ জানুয়ারির নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সহিংস ঘটনায় সরকারের বিশেষ সংস্থার হাত রয়েছে দাবি করে বিএনপি সে সময় এক বিবৃতি দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের একদিন পর মুখ খোলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক আলোচিত সব গুম-খুনের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা জড়িত। তাদের গ্রেফতার করলেই সত্য বেরিয়ে আসবে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এসপির স্ত্রী হত্যায় কারা জড়িত তা এখন কেন বের করা গেল না? হাসিনার সঙ্গে যারা আছেন তারাই হলেন গুম-খুনের ওস্তাদ। পেট্রলবোমার আবিষ্কারক।’ অতঃপর জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শুরু হয় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান। এ অভিযান চলে সাতদিন।  সাতদিনে গ্রেফতার হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ । পুলিশ সদর দফতরের হিসাব মতে, সাতদিনে ১৯৪ জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাতদিনে জঙ্গিবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে সফলতা খুব কম, উল্টা সাধারণ মানুষকে হয়রানি আর গ্রেফতার বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ক্রসফায়ারে জঙ্গি নির্মূল সম্ভব নয়। এজন্য রাজনীতিবিদ ধর্মীয় নেতা, সাংস্কৃতিক কর্মী ও বাম রাজনীতিবিদদের এক হতে হবে।  

 দৃঢ়তার সাথে জে এসডি নেতারা  বলেন, মানবিকবোধে উদ্বুদ্ধ বিশ্বের সকল গণতন্ত্রকামী মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমেই নিষ্ঠুর নির্যাতনকারী মহল ও স্বৈরশাসককে পরাস্ত করা সম্ভব।নির্যাতনের বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে এখন একটি সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। নির্যাতনের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দায়মুক্তির সংস্কৃতি চালু থাকা এবং নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন ২০১৩-এর বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হেফাজতে নির্যাতন ও অমানবিক আচরণের ঘটনাগুলো ঘটছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো জনপদ রক্তে সিক্ত হচ্ছে। এই সব বন্ধ করতে হবে।


বঙ্গবন্ধু হত্যার জন্য আওয়ামী লীগই দায়ী-আ স ম আবদুর রব

মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০১৬


জাসদ প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বক্তব্যের প্রতিবাদ
আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আ স ম আবদুর রব গণমাধ্যমে প্রকাশিত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জাসদ প্রসঙ্গে বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য-অন্যায্য ও অনভিপ্রেত। বঙ্গবন্ধু হত্যার জন্য আওয়ামী লীগই দায়ী। আওয়ামী লীগের দলীয় ভুল রাজনীতি বঙ্গবন্ধুকে দলীয় আবর্তে বন্দী করে, উপনিবেশিক শাসনের বেড়াজালে আবদ্ধ করে-জনগণ থেকে ক্রমাগত বিচ্ছিন্ন করে, মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আওয়ামী লীগই সরকার গঠন করে। ৩২ নং ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর লাশ রেখে আওয়ামী লীগ নেতারাই মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে। আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশেই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয় এবং সেই সরকারই দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করে। এসব সত্য এবং ভুল রাজনীতি আওয়ামী লীগের স্বীকার না করাই হবে অতিমাত্রায় ভন্ডামী।

alt
জনাব রব বিবৃতিতে বলেন, সশস্ত্র যুদ্ধের পর ‘বিপ্লবী সরকার’গঠন না করে শুধু আওয়ামী দলীয় সরকারের কারণে ৭১’ এ গড়ে উঠা জাতির লৌহ কঠিন ঐক্যকে ভেঙ্গে দেয়া হয়। রাজনৈতিক সংকটকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা না করে রক্ষী বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনী দিয়ে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করে রাজনৈতিক সংকটকে তীব্র করা হয়। রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ, সংসদের মেয়াদ বৃদ্ধির মত অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ ও একদলীয় বাক্শাল গঠন করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলো।
জাসদ গঠন প্রসঙ্গে জনাব রব বলেন, রক্ত আর আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর পরই যখন বৃটিশ-পাকিস্তানী প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সমাজ ব্যবস্থাকে পূনর্বহাল করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হচ্ছিল, ঠিক তখনই স্বাধীনতা সংগ্রাম-মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক মূলধারার রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংগঠনের ঐতিহাসিক প্রয়োজনীয়তা থেকেই জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল গঠন করা হয়। সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে ‘শোষনহীন সমাজ ব্যবস্থা’ কায়েম করে মুক্তি-সংগ্রামের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে এ দলের যাত্রা শুরু হয়েছিলো এবং তা আজও অব্যাহত আছে। এ রাজনীতির কারনে হাজার হাজার নেতা-কর্মীর রক্তে স্বপ্নের বাংলাদেশের সবুজ মাটি রক্তাক্ত হয়ে আছে। কারাগারে নিপীড়নে অসংখ্য সাথী’র সোনালী জীবন-যৌবন বিপন্ন হয়েছে। হাজার হাজার সাথী দেশান্তরী হয়েছে। আর সকল সময়ই রাষ্ট্র পক্ষ আর বিভিন্ন অপশক্তির আগ্রাসী শিকারে পরিনত হয়েছে।
জাসদ সম্পর্কে অহেতুক-অযৌক্তিক বক্তব্য না দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মান করার সংগ্রাম গড়ে তোলার জন্য জনাব রব আহ্বান জানান।


ডিভি লটারিতে কোটা পূরণ হয়েছে বাংলাদেশিদের

মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০১৬

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী নাগরিকত্বের জন্য লটারির মাধ্যমে ডাইভার্সিটি ভিসা (ডিভি) প্রোগ্রামে বাংলাদেশের কোটা পূরণ হয়ে গেছে। তাই বাংলাদেশিদের জন্য এই মুহূর্তে ডিভি লটারির কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের কনসাল জেনারেল এলিজাবেথ গোর্লে।মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে আমেরিকান ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরেও এই সুযোগ আসার সম্ভাবনা নেই। এমনকি ভবিষ্যতে আর কখনো এই সুযোগ নাও আসতে পারে।
alt
দূতাবাসের সংবাদ সম্মেলনে ভিসা জালিয়াত সম্পর্কে সবাইকে অবগত করতে একটি ভিডিও দেখানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘ভিসার আবেদনের সময় যা সত্য, তা-ই বলুন। কোনো প্রশ্ন থাকলে দূতাবাসে যোগাযোগ করুন।’বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশিদের ডিভি লটারি নিয়ে প্রতারণার ফাঁদে পা না দেয়ার ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছর বাংলাদেশ থেকে ৪৪ হাজার ভিসার আবেদন পড়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হওয়ার জন্য ২৪ হাজার আবেদন পড়েছে। আর ডিভি প্রোগ্রাম বাংলাদেশিদের জন্য ২০১২ সাল থেকে বন্ধ আছে।


সাভার পৌরসভার ১২৩ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

সোমবার, ১৩ জুন ২০১৬

আক্তার হোসন,বাপসনিঊজ: নিজস্ব প্রতিনিধি,সাভার থেকে: ঢাকা-১৯ আসন, সাভারের সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান দলমত নির্বিশেষে সাভার পৌরসভাকে জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করার আহবান জানান। এসময় তিনি সাভার পৌরসভার মেয়রকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সাভার পৌরবাসী আপনাকে মেয়র নির্বাচিত করে পৌর পিতার আসনে বসিয়েছে। আপনি তাদের অভিভাবক হয়ে পৌরবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাবেন। এতো কোন বাধাবিঘœ ঘটলে এই পৌরবাসীকে নিয়ে আমরা সকলে মিলে তা প্রতিহত করবো। সাভার পৌরসভা যেন দলীয়ভাবে পরিচালনা না হয় সেদিকে মেয়রকে লক্ষ্য রাখতে হবে এমপি এনামুর রহমান বলেন। সাভার পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল গণি বলেন, সাভার পৌরবাসীর মৌলিক নাগরিক সুযোগ সুবিধাগুলো নিশ্চিত করাই আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। তিনি আরো বলেন, আর্থিক সঙ্গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সে দায়িত্ব কতটুকু ন্যায় বিচার, স্বচ্ছতা এবং সততার সাথে পালন করতে পারছি তা মূল্যায়নের ভার পৌবাসীর উপর তুলে দিলাম। তিনি আরও বলেন, সাভার পৌরবাসী আমাকে মেয়র নির্বাচিত করে পৌর আসনে বসিয়েছেন এ জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি যতদিন এই চেয়ারে বসে থাকবো, ততদিনই পৌরবাসীর জন্য কাজ করে যাব। গতকাল সোমবার সকালে সাভার পৌরসভায় ২৬তম বাজেট অধিবেশনে ডা: এনামুর রহমান এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে ও সাভার পৌর মেয়র  হাজী আব্দুল গণি বাজেট বক্তেব্যে একথা বলেছেন। সাভঅর পৌরসভার মেয়র হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম বাজেট পেশ।সাভার পৌরসভা ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার পৌর ভবন প্রাঙ্গণে পৌর সভার মেয়র হাজী আবদুল গণি জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে এ বাজেট ঘোষণা করেন। তিনি ১২৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৫১ হাজার ১ শত ৪৮ টাকা বাজেট ঘোষণা করেন তিনি। এ বাজেটে মোট ব্যয় দেখান হয়েছে ১২২ কোটি ৫৬ লক্ষ ৬ হাজার ৭ শত ১৩ টাকা। উদ্বৃত্ত দেখান হয়েছে ৭৬ লক্ষ ৪৪ হাজার ৪ শত ৩৫ টাকা।বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ সদস্য ডা: এনামুর রহমান এনাম এমপি। এসময় অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মানিক মোল্লা, ১নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিনহাজ্ব উদ্দিন মোল্লা, ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সানজিদা সারমিন মুক্তা, ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূরে আলম নিউটন, ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল আব্দুস সাত্তার মিয়া, ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্বাস আলী, ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আয়নাল হক, সাভার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শরফউদ্দিন আহামদ চৌধুরী, নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইমাম, প্রধান হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা ছামছুদ্দিন আহমেদ, সচিব সিকাদার মো: আব্দুর রবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি এ বাজেটে উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ করেছেন। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, সাভার পৌর এলাকায় বিভিন্ন রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট ৪৫ কোটি টাকা। ড্রেন/কালভার্ট নির্মাণের জন্য ৩৮ কোটি টাকা। রাস্তা/ড্রোণ মেরামত/ সংস্কারের জন্য ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা। পৌর সুপার মার্কেট নির্মাণ করার জন্য ৩ কোটি টাকা। বাস টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা। পার্ক নির্মাণের জন্য ৮০ লক্ষ টাকা। সড়কবাতি কাজের জন্য ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। নর্দমা/নালা পরিষ্কাররে জন্য ১ কোটি টাকা। ময়লা আর্বজনা পরিষ্কারের জন্য ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা। যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা। ডাম্পিং প্লেস-এর জমি ক্রয়ের জন্য ৩ কোটি টাকা প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ করবেন।এসময় সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি তার বাজেট পেশে ২০১৬-১৭ প্রস্তাবিত বাজেটে আয়-ব্যয়ে হিসাব নিকাশ তুলে ধরেন। এতে দেখা যায়, রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১৯ কোটি ১৬ লক্ষ ৬ হাজার ৭শ’ ১৩ টাকা। উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ১০৩ কোটি ৮২ লক্ষ ৮০ হাজার ৮ শ’ ৮০ টাকা। মোট আয় ধরা হয়েছে ১২৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৫১ হাজার ১শত ৪৮ টাকা। এক্ষেত্রে এ টাকা ব্যয় হবে রাজস্ব খাতে ১৪ কোটি ৩৮ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। উন্নয়ন কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৮ কোটি ১৭ লক্ষ ৭৬ হাজার ৭শ’ ১৩ টাকা। মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১২২ কোটি ৫৬ লক্ষ ৬ হাজার ৭ শ’ ১৩ টাকা। আর সমাপনী ব্যয় হিসেবে ৭৬ লক্ষ ৪৪ হাজার ৪শ’ ৩৫ টাকা খরচ ধরা হয়েছে।বাজেট বক্তৃতায় পৌর মেয়র হাজী আবদুল গণি বলেন, পৌর নির্বাচনের পূর্বে আমি ঘোষণা করেছিলাম আমি পৌর মেয়র নির্বাচিত হতে পারলে সাভার পৌরবাসীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাস উপযোগী মডেল পৌরসভায রূপান্তর করবো। কিন্তু অবহেলিত রাস্তা, ড্রেন, সোয়ারেজ লাইন ও জলাবদ্ধতা নিরসন আমার একার পক্ষে কোন ক্রমেই সম্ভব নয়। এ জন্য পৌরসভার সর্বস্তরের জনসাধারণের সার্বিক  সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি বলেন, পৌরবাসীর সহযোগিতা পেলে আগামীদিনে সাভার পৌরসভাকে সারা দেশের মধ্যে দৃষ্টান্ত দেয়ার মত মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবো।পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আব্দুল গণি বাজেট বক্তৃতায় বলেন, দায়িত্ব পেয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দানের জন্য সর্ব প্রথমে মহান আল্লাহর নিকট কোটি কোটি শুকরিয়া আদায় করছি। আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট যিনি আমাকে মনোনয়ন দিয়ে নৌকা প্রতিকে নির্বাচন করার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমাকে মেয়র হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য সমর্থন দেয়ায় ঢাকা-১৯ আসনের মাননীয় সংসদ ডাঃ মোঃ এনামুর রহমানসহ আওয়ামীলীগ এর অন্যান্য নেতৃবৃন্দের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাকে ভোট দিয়ে সাভার পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত করায় সাভার পৌরবাসাীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।সাভার পৌরসভার ২৬তম বাজেট অনুষ্ঠানে আপনাদের সহৃদয় উপস্থিতির জন্য আমার তথা পৌর-পরিষদের পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।তিনি আরও বলেন, বিগত অর্থ বছরের আর্থিক বিষয়াদি পর্যালোচনা এবং আগামী অর্থ বছরে আপনাদের এই প্রতিষ্ঠান কি কি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে তার খাত ওয়ারী সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের একটি খতিয়ান আপনাদের সামনে উপস্থাপন করবো।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, বিস্তারিত বাজেট উপস্থাপনের পূর্বে বিগত পঁচিশ বছরে আপনাদের এই প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি এবং এই বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের দুই একটা বিষয়ে কিছু কথা বলতে চাই।তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠান আপনাদের। গত ৩০-১২-২০১৫ খ্রিঃ তারিখ  আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারী-২০১৬ খ্রিঃ তারিখ আমি এবং আমার পরিষদ বিপুল দেনা নিয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করি । এ বিপুল দেনা থাকা সত্বেও আমরা পৌরসভার কল্যাণে ব্যাপক কাজ শুরু করেছি। আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করার পর পাঁচ মাসে পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তা, ড্রেন, কালভার্ট ইত্যাদিসহ বেশ কিছু পূর্ত কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছি। আগামী অর্থ বছরে এর চেয়েও অধিক উন্নয়ন কাজ করতে পারবো বলে দৃঢ়ভাবে আশা করছি। এছাড়াও সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন তহবিল হতে সত্তর লক্ষ টাকা এবং পৌরসভার নিজস্ব তহবিল হতে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তা, ড্রেন ইত্যাদি নির্মাণ ও মেরামতের কাজ করা হয়েছে। আগামী অর্থ বছরে নিজস্ব তহবিল হতে প্রায় ছয় কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে পৌরসভার উন্নয়ন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। শুধু তাই নয় সাভার পৌরসভাকে বিশেষ শ্রেণীতে উন্নীতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। আশা করছি স্বল্পতম সময়ে আমরা এই পৌরসভাকে বিশেষ শ্রেণীর পৌরসভার মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে পারবো, ইনশাল্লাহ্।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, আপনাদের মৌলিক নাগরিক সুযোগ সুবিধাগুলো নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আর্থিক সঙ্গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সেই দায়িত্ব কতটুকু ন্যায় বিচার, স্বচ্ছতা এবং সততার সাথে পালন করতে পারছি তা মূল্যায়নের ভার আপনাদের উপর। আপনারা দেখেছেন সাভার পৌর এলাকার সমস্ত বড় বড় রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপোযোগী ছিল। অধিকাংশ রাস্তা বছরের বেশীরভাগ সময় পানির নিচে থাকতো। রাস্তার অবস্থা এতই করুণ ছিল যে,যানবাহন চলাতো দূরের কথা পৌরবাসী পায়ে হেটে চলাচল করতে পারতোনা। জনগণের চলাচলের দুরবস্থা দূর করে সাভার পৌর এলাকার বড় বড় রাস্তা এবং ড্রেণগুলো চলার উপযোগী করেছি। আপনাদের অবগতির জন্য অবকাঠামোগত যে সমস্ত রাস্তা ও ড্রেনের কাজ শেষ করে চলাচলের উপযোগী করেছি তার কয়েকটি তথ্য উপস্থাপন করছি।১। সাভার থানা বাসস্ট্যান্ড হতে সাভার মডেল থানা হয়ে নামা বাজার পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেণ উন্নয়ন কাজ ২। সাভার বাসষ্ট্যান্ড হতে নামা বাজার পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন কাজ ৩। সাভার বাজার রোড আব্দুল কাদের সাহেবের বাড়ী হতে নামা বাজার বংশী নদী পর্যন্ত ড্রেন উন্নয়ন কাজ ৪। আড়াপাড়া বেনিয়ান ট্রি হতে সাভার উত্তর বাজার কেয়ার ব্রিজ ড্রেন উন্নয়ন কাজ ৫। রেডিও কলোনী বাসস্ট্যান্ড হতে সাভার নামা বাজার কেয়ার ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন কাজ ৬। সাভার বাসস্ট্যান্ড হতে রাজাসন  ভিশন গার্মেন্টস পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেন উন্নয়ন কাজ ৭। পাকিজা টেক্সটাইল মিল হতে শাহীবাগ চৌরাস্তা হয়ে ইসহাক সাহেবের বাড়ী হয়ে ইমান্দিপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেন উন্নয়ন কাজ ৮। নামা গেন্ডা আব্দুস সাত্তার মোল্ল্যা মার্কেট হতে বাহাদুরের বাড়ী হয়ে চান মিয়া ব্রিক ফিল্ড পর্যন্ত ড্রেণ উন্নয়ন কাজ । এ সমস্ত রাস্তা এবং ড্রেনের কাজগুলো সমাপ্ত হওয়ার ফলে পৌর এলাকায় জনদূর্ভোগ অনেকটা লাগব হয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করে।

alt

উক্ত কাজগুলো নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের (ঈজউচ) আর্থিক সহায়তায় প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ২য় ও ৩য় পর্যায়ে আরোও প্রায় ৭০-৮০ কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন হবে ।তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ নগর অঞ্চল প্রকল্প এর আর্থিক সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তার জন্য প্রায় ৩কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। উক্ত প্রকল্পের আওতায় ১। জালেশর তিন রাস্তার মোড় হতে জামসিং ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন কাজ  ২। কর্ণপাড়া বাসস্ট্যান্ড হতে পৌরসভার শেষ সীমানা সাদাপুর কালভার্ট পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন কাজ ৩। রাবেয়া ক্লিনিক হতে রেডিও কলোনী আমতলা মোড় পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেণ উন্নয়ন কাজগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্প হতে আগামী অর্থ বছরে আরো পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্ধ প্রদান চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ টাকা পাওয়া গেলে আরোও অনেক রাস্তা,ড্রেণের কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।হাজী আব্দুল গণি, আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ প্রকল্প (টএওওচ-৩) নামে আরেকটি প্রকল্পের কাজ সাভার পৌরসভায় শুরু হওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পৌরসভা হতে ১২টি পৌরসভাকে এ প্রকল্পে অন্তভর্’ক্ত করা হবে। গত জুলাই-২০১৫ হতে প্রকল্পের চাহিদানুযায়ী বিভিন্ন তথ্য প্রেরন করা হচ্ছে। প্রেরিত তথ্য অনুয়ায়ী অন্যান্য পৌরসভার চেয়ে সাভার পৌরসভা ভাল অবস্থানে রয়েছে। আশা করছি আগামী জুলাই-২০১৬ খ্রিঃ মাসের দিকে সাভার পৌরসভা উক্ত প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত হবে। এ প্রকল্পের আওতায় ৩০-৪০ কোটি টাকার ব্যয়ে রাস্তা এবং ড্রেনের কাজ সম্পাদিত হবে।বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভোলপমেন্ট ফান্ড তথা ইগউঋ এর আর্থিক সহায়তায় আগামী অর্থ বছরে আরো প্রায় ২০(বিশ) কোটি টাকা বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। উক্ত কাজের অনুমোদন পাওয়া গেলে পৌর এলাকার অধিক গুরুত্বপূর্ন রাস্তা এবং ড্রেণগুলোর কাজ বাস্তবায়ন করতে পারবো বলে আশা করছি।তিনি বলেন, সকল সরকারী অনুদান এবং প্রকল্প সহায়তা পাওয়ার জন্য কঠিন শর্ত হচ্ছে হোল্ডিং ট্যাক্স অত্যন্ত পক্ষে ৮০% আদায় করতে হবে এবং কাজের গুনগতমান ও অগ্রগতি দাতা সংস্থার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। আর তা সম্ভব হলেই অন্যান্য বিশেষ কাজ যেমন সুপার মার্কেট, বাস টার্মিনাল নির্মাণ, ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য জমি কেনাসহ ইত্যাদি বড় বড় কাজ এ সব প্রকল্প হতে করা সম্ভব হবে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আগামী দিনে আপনাদের প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা কতটা প্রয়োজন। এই সমস্ত উন্নয়মূলক কাজে আপনাদের সম্পৃক্ততার জন্য ইতোমধ্যে শহর সমন্বয় কমিটি(ঞখঈঈ) এবং ওয়ার্ড কমিটি(ডখঈঈ) গঠন করা হয়েছে। এই বিষয়ে আর কি কি কার্যক্রম গ্রহণ করা যায় সে সম্পর্কে আপনাদের তথা পৌরবাসীর মূল্যবান পরামর্শ আশা করছি। কেননা আমাদের লক্ষ্য পৌরসভার সকল কাজে আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ এবং সার্বিক অংশগ্রহণ, সেবা প্রদান ও পৌরসভার উন্নয়ন।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, আপনারা অবগত আছেন রানা প্লাজা ট্রাজেডীর কারনে সাভার পৌরসভার প্লান অনুমোদন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এতে পৌরবাসীকে স্থাপনার প্লান অনুমোদন করানোর জন্য নানাবিধ হয়রানীর স্বীকার হতে হয়েছে। পৌরবাসীর ভোগান্তি হতে পরিত্রান পাওয়ার লক্ষ্যে মাননীয় এমপি মহোদয় একাধিকবার মন্ত্রণালয়ে সংল্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন। যার ফলশ্রুতিতে সাভার পৌরসভা প্লান অনুমোদনের ক্ষমতা ফিরে পায়। প্লান অনুমোদনের ক্ষমতা ফিরে পেয়ে প্লান অনুমোদনের কার্যক্রম শুরু করেছি। তাই আপনাদের মাধ্যমে পৌরবাসীকে অনুরোধ করবো, তারা যেন পৌরসভার ভিতরে যে কোন ধরণের ইমারত অর্থাৎ বাড়ি, মার্কেট, দোকানঘর মিল-কারখানা, সীমানা প্রাচীর দেওয়াল ইত্যাদি নির্মাণের পূর্বে পৌরসভা থেকে নক্সা অনুমোদন এর বিষয়ে পৌরসভায় যোগাযোগ করে। আগামী প্রজন্মের কাছে এই পৌরসভাকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। অপরিকল্পিত ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাড়ি-ঘর, মিল-কারখানা করার ফলে রাস্তা, ড্রেন, নির্মাণসহ নাগরিকদের চলাচলে দারুন অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ি-ঘর নির্মাণের পূর্বে রাস্তা থেকে জায়গা ছাড়ার বিষয়টি আপনাদের স্বার্থেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন অনেক বাড়ি-ঘর নির্মিত হচ্ছে, যেখানে পানি এবং পয়ঃনিস্কাশনের ড্রেন নির্মাণ দূরের কথা বিপদের মূহূর্তে একটি এ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী যাওয়ার ব্যবস্থাও নেই। ইমারত নির্মাণের পূর্বে রাস্তা এবং ড্রেন নির্মাণের জন্য জায়গা ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে পৌরবাসীর স্বার্থ রক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ইমারত নির্মাণ করার পূর্বে পৌরসভা হতে ইমারত নির্মাণের  নক্সা অনুমোদন নেয়ার জন্য আপনাদের মাধ্যমে সকল পৌরবাসীকে অনুরোধ করছি।পৌর মেয়র আরও বলেন, পৌরসভায় একটি স্বাস্থ্য,পরিবার পরিকল্পনা ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ আছে। এ বিভাগ হতে পৌরবাসীকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা বিশেষ করে ছেলে-মেয়েদেরকে বিভিন্ন ধরণের টিকা এবং জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন করা হয়ে থাকে। শিশুর জন্মের পরপরই পৌরসভায় শিশুর জন্ম এবং মৃত্যু ব্যক্তির নিবন্ধন করার জন্য আমি আপনাদের মাধ্যমে পৌরবাসীকে অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে পৌরসভা শিশুর জন্ম সনদসহ অন্যান্য সনদ সহজেই দিতে পারবে, যা ভবিষ্যতে নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রয়োজন হবে।পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, পৌরসভায় প্রতি পাঁচ বছর পর পর পৌরসভার বিভিন্ন হোল্ডিং এর পৌরকর পুনঃ ধার্য করা হয়ে থাকে। গত ১৮-০৪-২০১৬ খ্রিঃ তারিখ হতে সাভার পৌরসভা ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী কর নির্ধারনের কাজ শুরু করেছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে পৌরকর নির্ধারনের জন্য একটি করে টিম করা হয়েছে। উক্ত টিম পর্যায়ক্রমে প্রতিটি হোল্ডিং এ যাবে। আপনাদের মাধ্যমে পৌরবাসীকে অনুরোধ করছি, হোল্ডিং এর মালিক যেন পৌরকর নির্ধারনের জন্য গঠিত টিমকে সহযোগিতা করেন। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমরা সঠিকভাবে পৌরকর র্নিধারন করতে পারবো বলে আশা করছি।তিনি বলেন, সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারই আলোকে সাভার পৌরসভাও বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে সাভার এর আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌরসভার উদ্যেগ গ্রহণ করেছি। আমরা ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ওয়ার্ড আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটি গঠনের কার্যক্রম শুরু করেছি। আইনশৃঙ্খলা উন্নতির লক্ষ্যে আমি এবং আমার পৌরপরিষদ অত্যন্ত আন্তরিক। এ বিষয়ে আপনাদের সকলের অন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, চলতি ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেট এবং আগামী ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট চূড়ান্তভাবে প্রণয়নের পূর্বে সাভার পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে খসড়া বাজেটের বিভিন্ন বিষয়ে টিএলসিসি এর মিটিং এ আলোচনা করা হয়েছে। তাদের আলোচনা এবং মতামতকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে তাদের সুপারিশ এ বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পৌরপরিষদ এ বাজেট অনুমোদন করেছে।তিনি বলেন, আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আগামী ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে জন্য রাজস্ব এবং উন্নয়ন খাত মিলে প্রায় ১২৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৫১ হাজার ১৪৮ টাকা বাজেট পৌর-পরিষদ অনুমোদন করেছেন। যা সাভার পৌরসভার ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট।তিনি আরও বলেন, এ পৌরসভা আপনাদেরই। আমি এবং আমাদের পরিষদ আপনাদের দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। বিগত দিনে যতটুকু সফলতা আনতে পেরেছি তার মূল্যায়নের ভার আপনাদের উপর রইল। পৌরপরিষদের সকল সদস্য এবং পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে আমরা যাতে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সাভার পৌরবাসীর অধিকতর সেবা দিতে পারি এবং পৌরসভার সকল নাগরিককে সাথে নিয়ে পৌরসভাকে একটি আদর্শ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে পারি সে জন্য আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং মূল্যবান পরামর্শ একান্তভাবে কামনা করছি। ক্ষেত্র বিশেষে অনিচ্ছাকৃত ভুল হলেও হতে পারে, এক্ষেত্রে আপনাদের সুপরামর্শ সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করি।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, সাভার পৌরসভার নির্বাচনের পূর্বে অঙ্গীকার করেছিলাম আমাকে পৌর মেয়র নির্বাচিত করা হলে সাভার পৌরসভাকে একটি আধূনিক,পরিচ্ছন্ন ও বাস উপযোগী মডেল পৌরসভায় রূপান্তর করবো। অবহেলিত রাস্তা,ড্রেণ,সোয়ারেজ লাইন ও জলাবদ্ধতা নিরসন আমার একার পক্ষে কোন ক্রমেই করা সম্ভব নয়। আমাকে আপনারা ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার জন্য পৌর মেয়র নির্বাচিত করেছেন। আমি সাভার পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আগামী দিনে সাভার পৌরসভাকে সারা বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত  দেবার মত মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।পৌর মেয়র আরও বলেন, সাভারের বিভিন্ন এলাকা হতে কষ্ট করে এ বাজেট অনুষ্ঠানে  আসার জন্য আমি তথা আমার পৌরপরিষদের পক্ষ হতে আপনাদের সকলকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।


জেএসডি ষ্টিয়ারিং কমিটি’র সভার প্র¯তাব ঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট সকল গুপ্ত হত্যার তথ্য থাকলে এত লোক হত্যা হলো কিভাবে

রবিবার, ১২ জুন ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিউজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি ষ্টিয়ারিং কমিটির সভার প্র¯তাবে বলা হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন সকল গুপ্ত হত্যার তথ্য আছে তাহলে তাদের আগে থেকেই গ্রেপ্তার না করে এত লোক হত্যার সুযোগ করে দেয়া হলো কেন তা জনগণের নিকট দুর্বোধ্য। সুপ্রীম কোর্টের রায় মোতাবেক বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার না করা এবং যেনতেনভাবে রিমান্ডে না নেয়ার আদেশ দেয়ার পরও গত দুই দিনে ৩ হাজারেরও বেশী মানুষ গ্রেপ্তার করা হলো কিভাবে? আমরা জঙ্গী, সন্ত্রাসী ও খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার চাই তবে তা অবশ্যই আইন ও হাইকোর্ট-সুপ্রীম কোর্টের রায় মোতাবেক হতে হবে।খবর বাপসনিঊজ ।
গত ১২ জুন বিকেল ৪টায় দলের সভাপতির উত্তরাস্থ বাসভবনে অনুষ্ঠিত সভায় এ প্র¯তাব গ্রহণ করা হয়। জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন, সিনিয়র সহ-সভাপতি  এম এ গোফরান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউল করিম ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  সিরাজ মিয়া, সহ-সভাপতি মিসেস তানিয়া ফেরদৌসী, সাংগঠনিক সম্পাদক  এস এম আনছার উদ্দিন।


প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ( ২০১৬-১৭) এর উপর জেএসডির তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া

বৃহস্পতিবার, ০২ জুন ২০১৬

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি জনাব আ স ম আবদুর রব ও সাধারন সম্পাদক জনাব আবদুল মালেক রতন অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ( ২০১৬-১৭) এর উপর এক তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, উপনিবেশিক ধাঁচের প্রথম ধারার রাজনীতি ভিত্তিক আইন-কানুন, রাষ্ট্র ব্যাবস্থাপনা ও অনির্বাচিত সরকার বহাল রেখে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট ও অনেক সংখ্যক মেঘা প্রকল্প গ্রহন উন্নয়নের চাইতে দুুর্নীতি, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচারই অধিক  বৃদ্ধি করবে। বিনিয়োগ ও কর্ম সংস্থানের জন্য অনুকল পরিবেশ, উপজেলা ভিত্তিক শিল্পাঞ্চল স্থাপন এবং উপ আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি ও যোগাযোগ-পরিবহন অর্থনীতি শক্তিশালী করা ছাড়া ৭% এর অধিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাও টেকসই উন্নয়নের সুচকে পরিনত হবেনা।