Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বাংলাদেশের খবর

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জেএসডি’র পুষ্পস্তবক অর্পন

মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ সকাল ৮.৩০মিনিটে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি জনাব আ স ম আবদুর রব ও সাধারন সম্পাদক জনাব আবদুল মালেক রতন এর নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতা-কর্মী বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

আগামীকাল জেএসডি’র আলোচনা সভা

আগামীকাল ১৫ই ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় জেএসডি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ঐতিহাসিক ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের সভাপতি জনাব আ স ম আবদুর রব ও সাধারন সম্পাদক জনাব আবদুল মালেক রতন সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন। ১৬ই ডিসেম্বর সকাল ৭টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পন।


শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ঐতিহাসিক ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে জেএসডি’র কেন্দ্রীয় কর্মসুচী

সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫

আয়েশা আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:এ বছর জেএসডি স্বৈরাচার, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি ও জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ঐতিহাসিক ১৬ই ডিসেম্বর পালন করবে। এ লক্ষ্যে জেএসডি কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির কর্মসুচী নি¤œরূপ (১)১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীঁবী দিবস উপলক্ষে সকাল ৭টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ও সকাল ৯টায় রায়ের বাজার বধ্যভুমিতে পুষ্প স্তবক অর্পন(২)১৫ই ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ঐতিহাসিক ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে আলোচনা সভা।

Picture

এতে দলের সভাপতি জনাব আ স ম আবদুর রব ও সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন(৩) ১৬ই ডিসেম্বর সকাল ৭টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পন।জেএসডি কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন দিবস সমুহ যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালনের জন্য দলের সকল শাখা কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন।


কাল বিপিও সামিটের উদ্বোধন করবেন জয়

বুধবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:ঢাকা থেকে :আগামীকাল বিজনেস প্রসেসিং আউটসোর্সিং (বিপিও) সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। দুইদিন ব্যাপী এই সম্মেলনের আসর বসছে হোটেল সোনারগাঁও এ। আউটসোর্সিং খাতে তরুণ-তরুণীদের উৎসাহিত করতে দেশে প্রথম বারের মত এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বিপিও সম্মেলনের আয়োজক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)।

Picture

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, ওয়াল্ড ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সের সভাপতি স্যানটিয়াগো গুটিয়ারেজ এবং বাক্য সভাপতি আহমেদুল হক সহ দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিদগণ।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, সকাল পৌঁনে ১০ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত দেশ-বিদেশী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে প্যানেল ডিসকাশন এবং সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। দুইদিনের এই সম্মেলনে সবমিলিয়ে ১৩ টি সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।


জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদ রোধে রাজনৈতিক সমঝোতার প্রয়োজন ......আ স ম আবদুর রব

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫

আয়েশা আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী  আ স ম আবদুর রব বলেছেন, প্যারিস এবং লেবাননের মর্মান্তিক রক্তাক্ত অধ্যায়ের মধ্যদিয়ে অভ্যন্তরীণ ও বিশ্ব রাজনীতির প্রশ্নে অনেক বেশী রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, বাস্তবতাকে গভীরভাবে অনুধাবন ও দক্ষতার সাথে মোকাবেলায় উন্নত রাজনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশ এর আগে আত্মঘাতী বোমা হামলা প্রত্যক্ষ করেছে-অনেকে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রশ্নে আমাদেরকে অবশ্যই করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। জঙ্গীবাদ নেই বা আছে বা বাংলাদেশের মাটিতে শিকড় গাড়তে পারেনা-সরকারের এসব হুংকার এ সমস্যার মূল উদঘাটন করবেনা। এ ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক সংকটের মূল প্রশ্নে রাজনৈতিক jsd-rongpureসমঝোতা জাতীয় প্রয়োজনেই জরুরী। জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে রাজনৈতিক সমঝোতা-ভিন্ন মত ও পথের রাজনৈতিক দলের সাথে সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে বৃহত্তর সমঝোতা গড়ে তুলতে হবে, গণতন্ত্র-সমাজ ও রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে। একলা চলো নীতি-দমন পীড়ন-রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ সন্ত্রাসবাদকে আরো উৎসাহ দেবে। জনগণের সম্পৃক্তি জনগণের শক্তিকে সংকট মোকাবেলায় প্রয়োগ করার রাজনৈতিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন করতে হবে-যা আমাদের ১০ দফায় উল্লেখ আছে। আজ ২৫ নভেম্বও সকাল ১১টায় রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী হলে জেএসডি রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটির যৌথ কাউন্সিল অনুষ্ঠানের উম্মুক্ত অধিবেশনে এবং বিকেল ৩ টায় হারাগাছ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ’জেএসডি’ হারাগাছ শাখা কর্তৃক আয়োজিত শ্রমিক জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দানকালে জনাব রব এসকল কথা বলেন।খবর বাপসনিঊজ।
কাউন্সিল ও জনভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেএসডি সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেন,  দেশে যে গভীর সংকট চলছে কোন বিশেষ গোষ্ঠী বা দলের  একার পক্ষে তা থেকে উত্তরন সম্ভব নয়।  এ জন্য প্রয়োজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক-বাহক সকল গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবি ও সুশীল সমাজের সংগঠনসমূহের প্রতিনিধিদের নিয়ে দুই জোটের বিকল্প হিসেবে ‘তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি’ গড়ে তোলা এবং জাতীয় সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের পথ প্রশস্ত করা। প্রয়োজন দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট গঠন , উচ্চ কক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান করে অবিলম্বে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।   
 
 আমিন উদ্দিন বিএসসি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল ও  শরীফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জন সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাদেকুর রহমান, এবিএম মশিউর রহমান, ওয়াজেদ আলী সরকার, লাসেন খান রিন্টু, হুমায়ুন কবির খান মিলন, ইজাবুল হক প্রমুখ।
কাউন্সিলে  আমিন উদ্দিন বিএসসিকে সভাপতি ও সাদেকুর রহমান জেহাদীকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করে জেএসডি রংপুর জেলা কমিটি এবং  সাদেকুর রহমানকে সভাপতি ও এবিএম মশিউর রহমানকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করে জেএসডি রংপুর মহানগর কমিটি গঠন করা হয়।


জনগণের ঐক্য সংকট মোকাবেলার চূড়ান্ত শক্তি ........আ স ম আবদুর রব

রবিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী জনাব আ স ম আবদুর রব বলেছেন, বাংলাদেশ ক্রমাগতভাবে সহিংস-নৃশংস হয়ে যাচ্ছে। অপশক্তি-অগণতান্ত্রিক শক্তি-প্রগতিশীল বিরোধী শক্তি যেভাবে সহিংসতার বিস্তার ঘটাচ্ছে, হত্যা-ভয়ভীতি-নিপীড়ন যেভাবে জনজীবনকে হুমকীতে ফেলে দিচ্ছে তা শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ বা অতিরিক্তি শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যাবেনা। আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট, বিশ্ব রাজনীতির উপযোগী রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজন জাতীয় রাজনীতির পুনর্গঠন ও নতুন রাজনীতির উদ্ভাবন। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল ও সামাজিক শক্তি সমূহের মাঝে ঐক্য গড়ে তোলা জরুরী। অব্যাহত গণতান্ত্রিক চর্চা-ভিন্ন মত ও পথের সহাবস্থান, জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতির পুনর্গঠন করলে জনগণের মাঝে যে শক্তি গড়ে উঠবে তা যে কোন সংকট মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।
asm rob-www.jatirkhantha.com.bd
জনাব রব আরো বলেন, জাতীয় রাজনীতির গতি প্রকৃতি-আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রবাহ সবকিছুকে বিবেচনায় না নিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে যেমন সংহত করা যাবেনা তেমনি দেশের সংকট আরো জটিল আকার ধারণ করবে-যা কারো কাম্য হতে পারেনা। আজ সকাল ১১ টায় যশোর প্রেসক্লাবের হল রুমে, যশোর জেলা জেএসডি কর্তৃক আয়োজিত কাউন্সিল অনুষ্ঠানের উন্মুক্ত অধিবেশনে প্রধান অতিথির ভাষণ দানকালে জনাব রব এসকল কথা বলেন। জনাব আবদুস সালাম এর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক জনাব আবদুল মালেক রতন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি এম এ গোফরান, সৈয়দ বিপ্লব আজাদ, এস এম শামসুল আলম নিক্সন, ফকির শওকত, এ্যাড. এম এ মান্নান, জহিরুল হাবিব উজ্জল, আবু মুসা প্রমুখ। কাউন্সিলে জনাব আবদুস সালামকে সভাপতি, সৈয়দ বিপ্লব আজাদকে সাধারন সম্পাদক ও জহিরুল হাবিব উজ্জলকে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট যশোর জেলা কমিটি গঠন করা হয়।


গুলি করার নির্দেশেই বিদ্যমান সংকটের সমাধান হবেনা ......আ স ম আবদুর রব

রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৫

আয়েশা আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আ স ম আবদুর রব বলেছেন, মিছিলে গুলি-দেখামাত্র গুলি-আত্মরক্ষায় গুলির যত নির্দেশনাই দেয়া হোক দেশকে স্থিতিশীল করা যাবেনা-জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবেনা। কারণ দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তা শক্তি প্রয়োগে নিয়ন্ত্রণ করা যাবেনা। অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ-বল প্রয়োগ ক্রমাগতভাবেই রাষ্ট্রকে ঝুঁকিতে ফেলবে। গণতান্ত্রিক রাজনীতি, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন, আইনের শাসন ও জনগণের সম্মতি-সমর্থনের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আর কোন বিকল্প নেই। রাষ্ট্র নির্মিত হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে-কারো খেয়াল খুশী মত নয়। গত ৭ই নভেম্বও,শনিবার, সকাল ১১ ঘটিকায় বাগেরহাট ‘জেলা সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশন হলে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি কর্তৃক আয়োজিত সম্মেলনের উন্মুক্ত অধিবেশন ও সিপাহী জনতা গণঅভ্যূত্থান দিবস এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দানকালে জনাব রব এসকল কথা বলেন।খবর বাপসনিঊজ।

asm rob-www.jatirkhantha.com.bd
জনাব রব আরো বলেন, সরকার জনগণের উপর আস্থা হারিয়ে পুলিশের উপর আস্থা স্থাপন করেছে-যা ভয়ংকর ও ভয়াবহ। বিদ্যমান ক্ষমতাকেন্দ্রীক রাজনীতির বলয় থেকে জাতিকে উদ্ধার করার জন্য প্রয়োজন ‘তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি’র উত্থান। জনাব আবদুল লতিফ খানের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এম এ গোফরান, অসিত কুমার দেবনাথ, শেখ নজরুল ইসলাম, এ কে এম মুজিবুর রহমান প্রমুখ।


৭ই নভেম্বরে জেএসডি গণতান্ত্রিক জাতীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিল .....আবদুল মালেক রতন

রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৫

আয়েশা আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেছেন,৭ই নভেম্বরে জেএসডি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে গনতান্ত্রিক জাতীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিল। এ ডাকে সবাই এগিয়ে আসলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো, জাতিকে বার বার সংকটে পড়তে হতোনা। কিন্তু জিয়াউর রহমান ৭ই নভেম্বরের মুল লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে সামরিক শসিন জারী করেছিলেন। এ দিয়ে সেদিন সংকটের সমাধান হয়নি। আজও দেশে যে সংকট ও অনিশ্চয়তা বিদ্যমান, সন্ত্রাস- জঙ্গীবাদ যেভাবে বার বার মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে তাতে জাতীয় ঐক্য, অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া এ সংকট নিরসন ও সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ নির্মূল করা সম্ভব নয়। আবদুল মালেক রতন বলেন, এ লক্ষ্যে সরকারকে অবিলম্বে সর্বদলীয় সংলাপ শুরু করতে হবে। আজ বিকেল ৪টায় ৭ই নভেম্বর সিপাহী গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জেএসডি আয়োজিত আলোচনা সভায়  সভাপতির বক্তব্যে আবদুল  মালেক রতন এ সকল কথা বলেন।খবর বাপসনিঊজ।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  সিরাজ মিয়া, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, মোশারফ হোসেন, আবদুর রাজ্জাক রাজা প্রমুখ।


জেএসডি’র ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলখে আলোচনা সভা

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৫

আয়েশা আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:জেএসডি’র ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ৩০ অক্টোবর ২০১৫, শুক্রবার, বিকেল ৩ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দলের শহীদ, প্রয়াত ও সাবেক নেতা/সংগঠকদের অবদানের স্মরণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।খবর বাপসনিঊজ।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন জেএসডি সভাপতিআ স ম আবদুর রব। আলোচনায় অংশগ্রহন করবেন কমরেড খালেকুজ্জামান, ডা: জাফরুললাহ চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব:), ড. বদিউল আলম মজুমদার, অধ্যাপক ড. মাহবুব উললাহ, আবদুল মালেক রতন, মোস্তফা মহসীন মন্টু, এস এম আকরাম, সুলতান মো: মনসুর আহমদ প্রমুখ।


দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সরকার ব্যর্থ ...... আ স ম আবদুর রব

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৫

আয়েশা আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন,দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সরকার ব্যর্থ। গত কয়েক দিনের মধ্যে দুইজন বিদেশী হত্যা, পীর হত্যা,খৃষ্টান ধর্মযাজক হত্যার চেষ্টা, ঘরের ভিতর স্বামী-স্ত্রীকে জবাই করে  হত্যা, পুলিশের এস আই হত্যা, শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে বোমা হামলা সহ অসংখ্য হত্যাই সরকারের নিয়ন্ত্রনহীনতার পরিচায়ক। কোন গণ বিচ্ছিন্ন সরকারই আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা। এ সরকারও পারছেনা। এ থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো জনগনের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ গঠন করে সেখান থেকে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রদান করা।খবর বাপসনিঊজ।  
জনাব রব তাঁর বক্তব্যে, আগামী ৩০ অক্টোবর ২০১৫, শুক্রবার, জাতীয় প্রেসক্লাব মিলতায়তনে অনুষ্ঠিতব্য জেএসডি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস, স্বাধিকার ও স্ব^াধীনতা আন্দোলন এবং জেএসডি’র প্রতিষ্ঠা থেকে এ পর্যন্ত  আন্দোলন সংগ্রামের পথ পরিক্রমায় সকল শহীদ ও প্রয়াত নেতা সংগঠকদের পরিবারবর্গ, দলের সাবেক নেতা সংগঠক সহ সর্বস্তরের জনগনকে অংশগ্রহনের আহবান জানিয়েছেন।  
আজ ২৪ অক্টোবর,শনিবার, বিকেল ৪টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জেএসডি’র ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভায় জনাব রব এ সকল কথা বলেন। জেএসডি সাধারন সম্পাদক ও  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহবায়ক জনাব আবদুল মালেক রতন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন এম এ গোফরান,্রএস এম আনছার উদ্দিন, মোশারফ হোসেন, আবদুর রাজ্জাক রাজা, কাজী আবদুস সাত্তার, জাহাঙ্গীর আলম,এস এম রানা চৌধুরী প্রমুখ।


“প্রধানমন্ত্রীর ৭০তম জন্ম বার্ষিকীতে ১৭ কোটি জনতার পক্ষ থেকে খোলা চিঠি”

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০১৫

মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা:  প্রিয় জননেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আপনার ৭০তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশবাসী সহ সকলের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গ্রহন করুন। আজ থেকে ৭০ বছর আগে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ছায়ানিবীড় গ্রামে আপনি পৃথিবীকে আলোকিত করে ভূমিষ্ঠ হন। সেদিন বাবা-মায়ের বড় কণ্যা হিসেবে আদর করে আপনার ডাক নাম রেখেছিল হাসু। সেদিনের হাসু আজকের শেখ হাসিনা বাংলার জনগনের শক্তিধর প্রধানমন্ত্রী। জাতীয়- আর্ন্তজাতিকভাবে অনেক পুরস্কারে পুরস্কিত হয়ে আমাদের করেছেন গর্বিত। আমরা আপনার শতায়ু কামনা করি। আমরা বিশ্বাস করতে চাই আপনার পিতা যিনি জাতির জন্য, স্বাধীনতার জন্য, সার্বোভৌমত্বের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। সেই মহান পিতার কন্যা হয়ে আপনার কাছে জাতির অনেক প্রত্যাশা। কিন্তু যখন দেখি প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তির খাতা শুন্য কোঠায় তখন একরাশ বিস্ময় ও কষ্ট নিয়ে ১৭ কোটি জনতার পক্ষ থেকে আপনার কাছে আমাদের এই খোলা চিঠি। আপনি এখন সুদূর নিউওয়ার্কে রয়েছেন। এবার ঈদও সেখানে উৎযাপন করেছেন।

hasina_PM_utPM1

৭০তম জন্মদিনে প্রিয় মুহুর্তুটুকুও সেখানে কাটালেন। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাবার মত আপনি এবার বাংলায় বক্তব্য রেখে আমাদেরকে ধন্য করবেন। আশাকরছি আপনি আপনার বক্তব্যে, দেশপ্রেম, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার করে আসবেন। আপনার বক্তেব্য বাংলাদেশের ১৭ কোটি সাধারন মানুষকে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করবেন। গুম, খুন, গণধর্ষন, টেন্ডাবাজী, চাঁদাবাজী মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আপনি জাতিকে আপনার শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে ঐতিহাসিক ঘোষণা দিবেন। যে ঘোষনার মধ্য দিয়ে মৃত গণতন্ত্র আবার পুনঃরায় জেগে উঠবে। প্রিয় জননেত্রী, দেখতে দেখতে ৭০ টি বছর পার হয়ে গেল। এর মধ্যে আপনার জীবনে অনেক চড়াই উৎরাই মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বিরোধীদলের নেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে ভাষন দিতে নিউওয়ার্কে গেছেন। আপনার দিকে আমরা তাকিয়ে আছি। কিন্তু যখন দেখি আপনার সোনার ছেলেরা আপনার বাবার শাহাদৎ বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আধিপত্য রক্ষার জন্য রক্তে লাল হয় ঠিক তেমনি আপনার জন্মদিন পালন করতে গিয়েও নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে রক্তে রঞ্জিত হয় তখন একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে কষ্ট পাই। যখন দেখি আপনার সোনার ছেলেরা ধর্ষনের সেঞ্চুরী করে উৎসব করে তার কোন বিচার হয় না তখন নিজের সন্তানকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করার জন্য ফরম ফিলাপ করতেও ভয় পাই। কারণ আমিও একজন কন্যার বাবা।

প্রিয় নেত্রী, যখন দেখি মাগুড়ায় মায়ের পেটে সন্তান নিরাপদ নয়, ছেলের সামনে মা লাঞ্চিত হয়, ভাইয়ের সামনে বোন ধর্ষিত হয়, শিশু রাকিবকে মলধারে বাতাস ঢুকিয়ে নাড়িভুড়ি তছনছ করে নির্মমভাবে হত্যা করে, রাকিবকে প্রকাশ্যে হত্যা করে ফেসবুকে সেই ছবি আপলোড করে ঠিক তখনই আপনি আর্ন্তজাতিকভাবে যখন পুরস্কৃত হন তখন দেশের একজন নাগরিক হিসেবে আনন্দিত হলেও তাদের দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠলে জল রাখতে পারি না। তখন আনন্দের অনুভূতি বেদনায় নীল হয়ে যায়। আমরা আর কত রক্ত দেখব? আর কত শিশু হত্যা দেখব? আর কত মায়ের কান্না দেখব? আপনার একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত জাতিকে মুক্ত করতে পারে। অন্ধকার অমানিষা থেকে আমরা আলোয় আলোকিত হতে চাই। আর সেই ঐতিহাসিক মহেন্দ্রক্ষণ আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে হতে পারে। আপনার একটি বক্তব্য ১৭ কোটি মানুষ এক সাথে জেগে উঠতে পারে। বলতে পারে যোগ্য পিতার যোগ্য কণ্যা যথাযথ জায়গায় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তাবেদার ও তোষামদকারীদেরকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে গণতন্ত্রের জন্য নতুন দিগন্ত উম্মচন করেছে। অতীতের সবকিছু ভূলে গিয়ে বাংলাদেশে সাধারন মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির কথা চিন্তা করে আপনার ঐতিহাসিক বাংলা ভাষনে একটি অংশে জুড়ে দিলেই ইতিহাসের পাতায় গণতন্ত্রের খাতায় আপনার নাম চির স্মরনীয় ও বরনীয় হয়ে থাকবে। আশাকরছি আপনি সেই মহান কাজটি করবেন। বাংলাদেশের সাধারন মানুষের আশা আকঙ্খার প্রতিফলন ঘটিয়ে সকল দলের অংশ গ্রহনে একটি অবাধ, সুষ্ঠ, সুন্দর, অর্থবহ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অঙ্গীকার করে আসবেন। যেই নির্বাচনে বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল আনন্দ চিত্তে নির্বিঘ্নে অংশ গ্রহন করতে পারে। আল্লাহ্ আপনার ও আপনার পরিবারের মঙ্গল কামনা করুক।


জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করুন : প্রধানমন্ত্রী

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:ঢাকা থেকে :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কল-কারখানায় উৎপাদনশীলতা ও কর্মদক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করার জন্য বেসরকারি খাতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি বলেন, কল-কারখানায় উৎপাদনশীলতা এবং জনগণের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়। দেশকে আরো এগিয়ে নিতে আপনাদেরকে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেও নজর দিতে হবে।

আজ সন্ধ্যায় গণভবনে ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বিএবি)’র নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদানের চেক হস্তান্তর করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন বলেন, বিএবি’র অধীনস্থ বেসরকারি খাতের ৩৪টি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন।

Picture

শেখ হাসিনা দেশকে আরো এগিয়ে নিতে সরকারের সঙ্গে এক সাথে কাজ করার জন্য বেসরকারি খাতের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বেসরকারি খাত যদি সরকারের সঙ্গে এক সাথে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নেয়া কঠিন হবে না। চেক গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ অনুদানের অর্থ দুস্থ ও গরিব জনগণের সহায়তায় ব্যয় করা হবে। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে রানা প্লাজা ও তাজরিন গার্মেন্টস কারখানায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক এবং বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের শিকারদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্বশীলতা কর্মসূচিতে আরো ব্যয় করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে মূলত সমাজের সুবিধাবঞ্চিতরাই লাভবান হবে।
শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের প্রতি আরো সংবেদনশীল হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, তাঁর সরকার প্রতিবন্ধী শিশুদের কাউন্সেলিং করতে এলাকাভিত্তিক মনোবিজ্ঞানী নিয়োগ দেবে।প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক হাজার কোটি টাকার শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড সম্পর্কে বলেন, এই ফান্ড থেকে সারাদেশের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

alt

তিনি সরকারের মিড-ডে মিল (দুপুরের খাবার) কর্মসূচিতে সহায়তা প্রদানের জন্য বেসরকারি খাতসহ সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে দেশ ‘সেঞ্চুরি’ করেছে। স্বল্প সময়ে বাংলাদেশ এ ধরনের অগ্রগতি অর্জন করবে কেউ তা কল্পনাও করতে পারেনি।
ব্যাংকগুলোর ওপর থেকে মোট ৫ শতাংশ কর্পোরেট ট্যাক্স প্রত্যাহারের জন্য বিএবি নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।এর আগে তারা বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিবেশ পদক চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ এবং আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান। এ উপলক্ষে বিএবি নেতৃবৃন্দ কেকও কাটেন।