Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বাংলাদেশের খবর

জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করুন : প্রধানমন্ত্রী

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:ঢাকা থেকে :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কল-কারখানায় উৎপাদনশীলতা ও কর্মদক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করার জন্য বেসরকারি খাতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি বলেন, কল-কারখানায় উৎপাদনশীলতা এবং জনগণের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়। দেশকে আরো এগিয়ে নিতে আপনাদেরকে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেও নজর দিতে হবে।

আজ সন্ধ্যায় গণভবনে ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বিএবি)’র নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদানের চেক হস্তান্তর করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন বলেন, বিএবি’র অধীনস্থ বেসরকারি খাতের ৩৪টি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন।

Picture

শেখ হাসিনা দেশকে আরো এগিয়ে নিতে সরকারের সঙ্গে এক সাথে কাজ করার জন্য বেসরকারি খাতের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বেসরকারি খাত যদি সরকারের সঙ্গে এক সাথে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নেয়া কঠিন হবে না। চেক গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ অনুদানের অর্থ দুস্থ ও গরিব জনগণের সহায়তায় ব্যয় করা হবে। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে রানা প্লাজা ও তাজরিন গার্মেন্টস কারখানায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক এবং বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের শিকারদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্বশীলতা কর্মসূচিতে আরো ব্যয় করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে মূলত সমাজের সুবিধাবঞ্চিতরাই লাভবান হবে।
শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের প্রতি আরো সংবেদনশীল হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, তাঁর সরকার প্রতিবন্ধী শিশুদের কাউন্সেলিং করতে এলাকাভিত্তিক মনোবিজ্ঞানী নিয়োগ দেবে।প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক হাজার কোটি টাকার শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড সম্পর্কে বলেন, এই ফান্ড থেকে সারাদেশের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

alt

তিনি সরকারের মিড-ডে মিল (দুপুরের খাবার) কর্মসূচিতে সহায়তা প্রদানের জন্য বেসরকারি খাতসহ সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে দেশ ‘সেঞ্চুরি’ করেছে। স্বল্প সময়ে বাংলাদেশ এ ধরনের অগ্রগতি অর্জন করবে কেউ তা কল্পনাও করতে পারেনি।
ব্যাংকগুলোর ওপর থেকে মোট ৫ শতাংশ কর্পোরেট ট্যাক্স প্রত্যাহারের জন্য বিএবি নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।এর আগে তারা বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিবেশ পদক চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ এবং আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান। এ উপলক্ষে বিএবি নেতৃবৃন্দ কেকও কাটেন।


বাংলাদেশে ২৯টি অসম্ভব সুন্দর জায়গা ! আপনার বিশ্বাস হবেনা এরকম সুন্দর স্থান বাংলাদেশেও আছে !

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০১৫

এই ছবিগুলোর কোনটিই আমাদের নিজেদের তোলা নয়। প্রতিটি ছবির ফটোগ্রাফারের নাম আমরা ছবির নিচে ম্যানশন করে দিয়েছি। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এসব ছবি আমাদের সামনে তুলে এনেছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

১. সাজেক ভ্যালি, রাঙ্গামাটি

Sajek Valley...

Photo by Afzal Nazim

  ২. সাজেক ভ্যালিSajek Valley
Photo by Tareq Mahmud  

৩. রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালির পাহাড়ের উপরের দৃশ্য।

//www.flickr.com/photos/98355565@N03/20423818312/" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="Beautiful Bangladesh">Beautiful BangladeshPhoto by Imran Bin Mazhar 

৪. বান্দরবান

I wanna climb the hills because I wanna vanish in clouds and their music
Photo by Md. Abdullah Mahmud 

৫. কাপ্তাই লেক, রাঙ্গামাটি

//www.flickr.com/photos/46506096@N07/17316949074/" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="Kaptai lake">Kaptai lakePhoto by Sheikh Mehedi Morshed Taef  

৬. শুকনাছড়া ফলস, রাঙ্গামাটি

The Shuknachara Falls
Photo by MD. Saiful Islam 

৭. রাইখং লেক, পুকুয়ারপাড়া, রাঙ্গামাটি

Raikhong LakePhoto by Tuheen BD 

৮. রাইখং ফলস, পুকুয়ারপাড়া, রাঙ্গামাটি

Waterfalls
Photo by Tuheen BD

৯. নীলগিরি রিসোর্ট, বান্দরবান

//www.flickr.com/photos/52512974@N06/4839265513/" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="Nilgiri Resort @ Bandarban">Nilgiri Resort @ Bandarban

১০. নীলগিরি বান্দরবান থেকে সূর্যাস্ত

//www.flickr.com/photos/54297265@N04/6978412431" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="sunrise at Nilgiri, Bandarban">sunrise at Nilgiri, BandarbanPhoto by Ishtiaque Ovee 

১১. সাঙ্গু নদী, বান্দরবান

//www.flickr.com/photos/128898649@N02/15780322620/" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="Shangu, Bandarban">Shangu, Bandarban
Photo by Exploring Bangladesh 

১২. কিউক্রাডং এর চূড়া থেকে

Goodmorning KeokaradangPhoto by Faisal Akram 

১৩. বান্দরবানের বগা লেকের কাছ থেকে মিষ্টি পাহাড়

Morning at Bandarban 2Photo by D.M Hasan-Uz- Zaman

১৪. বান্দরবানের বগা লেক

Boga Lake
Photo by Anwar Hussain

১৫. বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়

//www.flickr.com/photos/44068969@N05/6459999739/in/photolist-aQRbRR-8TTKhV-7vTUDh-xN9mws-9N1e8w-8Zx3gM-hohkeH-LuUnw-cQgnXh-bedmzt-feWL1c-4EBmSw-6nGci4-9miYSg-9hzXHF-9sg5cR-ACyNo-4EBmSh-9Dq5ze-8DbREz-63vht9-ahLTW6-6Js7rP-b6xc7D-4EBmSs-8WfoE2-5v5vcx-6Dy2MW-6g19m2-7ZrciU-8Sgk5z-8X11VU-aRKpy8-6fo41p-5qgcYm-5nHXND-9fv7Sn-9cidgi-9cidez-9cmj4Q-yZwBe-5ELPww-otcjq-7n46MB-6p7zM5-4GuZFS-7zECig-6nVQ4p-5uD9Uk-feHCZq" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="Bandarban Chimbuk Range Hill View From Nilgiri">Bandarban Chimbuk Range Hill View From NilgiriPhoto by Sharif Ripon 

১৬. জাদিপাই পাড়া, বান্দরবান

Jadipai Para
Photo by Shahadat Rahman Shemul 

১৭. জাদিপাই ফল, বান্দরবান

Jadipai Fall, Bandorban, BangladeshPhoto by Roy Udoy 

১৮. নাফাখুম ফল, বান্দরবান

Nafakhum, BandarbanPhoto by Razequl Zibon 

১৯. থানচি, বান্দরবান

//www.flickr.com/photos/126083431@N08/15519574452/" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="Pan Thanchi 1">Pan Thanchi 1
Photo by Sabbir Khan

২০. আমিয়াখুম ফল, বান্দরবান

Amiakhum WaterfallPhoto by Md. Rasedul Hasan 

২১. রিজুক ফল, বান্দরবান

Rijuk falls ((Bandarban).............

Photo by Khondoker Jannatul Ferdous  

২২. তাজিংডন, বান্দরবান

Tajingdong
Photo by Dr. Muntasir Moin  

২৩. রাতারগুল জলাভূমির বন, সিলেট

Ratargul
Photo by Wild Priest 

২৪.  সিলেটের রাতারগুল জলাভূমির বনের আরেকটি দৃশ্য

//www.flickr.com/photos/127580945@N07/16134919323" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="04">04Photo by Arefin Chisty  

২৫.  সিলেটের রাতারগুল জলাভূমির বন

//www.flickr.com/photos/52199451@N08/7943829568" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="A Refreshing Moment at Ratargul Swamp Forest II">A Refreshing Moment at Ratargul Swamp Forest II
Photo by Abdullah Al Mamun Chowdhury 

২৬. জাফলং, সিলেট

JaflongPhoto by  Neerod 

২৭. বিছনাকান্দি, সিলেট

//www.flickr.com/photos/77177033@N04/15309262609" style="padding: 0px; margin: 0px; outline: none; list-style: none; border: 0px none; color: rgb(68, 68, 68); text-decoration: none; transition: all 0.2s ease-in-out;" title="Bichana Kandi _ sYlhet">Bichana Kandi _ sYlhet
Photo by Nilesh Rony 

২৮. আরণ্যক রিসোর্ট, রাঙ্গামাটি

Rangamati, Bangladesh

Aronnk Resort, Rangamati

২৯. পানতুমাই, সিলেট

Sylhet

বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর গ্রাম পানতুমাই

বাংলাদেশের এরকম অসাধারণ আরো ৪০ টি জায়গা আছে না দেখলে মিস করবেন ।

আমাদের প্যাকেজসমূহ :

Tour.com.bd


দেশে আইন-শৃংখলা ও দায়িত্ববোধের চরম অধ:পতন ঘটেছে .........জেএসডি

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবি,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন এক বিবৃতিতে বলেছেন, দেশের আইন শৃংখলা ও কর্তা ব্যক্তিদের  দায়িত্ববোধের চরম অধ:পতন ঘটেছে। সম্প্রতি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এমপি কর্তৃক হেলা-খেলার মত বিনা কারনে এক কিশোরের পায়ে গুলি বর্ষন, টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে ছেলের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন এবং এর বিরুদ্ধে বিক্ষুব্দ জনতার উপর গুলিবর্ষন করে চারজনকে হত্যা, অসংখ্য গ্রেপ্তার ও শত শত মানুষকে আসামী করে মামলা দায়ের,  পর পর দুইজন বিদেশী নাগরিককে   গুলি করে হত্যা, হত্যার জন্য কারা দায়ী – এ প্রশ্নে সরকারের কর্তা ব্যক্তিদের তদন্তে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারক বক্তব্য-বিবৃতি, র‌্যাব এর হাতে গ্রেপ্তারকৃত ইউজিসি অফিসারের মৃত্যু এবং মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী ও নতুন প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহনের দাবীতে আন্দোলনরত ছাত্র - অভিভাবকদের পুলিশ কর্তৃক চরমভাবে লাঠিপেটা ও গ্রেপ্তার দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতির সুস্পষ্ট লক্ষন। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে মানব পাচারের মাধ্যমে তাদেরকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া, বৌদ্ধদের উপর হামলা, হিন্দুদের বাড়ী-ঘর-সম্পত্তি দখল, সারা দেশে হত্যা, খুন, ধর্ষন, অপহরন, দখলবাজী চলছে অব্যাহত গতিতে। খবর বাপসনিঊজ;
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন সেজন্য আমরা তাঁকে অভিনন্দন জানাই। কিšু‘ তিনি যখন পুরস্কার আনতে যান তখন ঢাকা শহরে নৌকা চলাচলের মত অবস্থা। প্রতি বছরের মত এবারও নদী ভাঙ্গনে হাজার হাজার মানুষ গৃহ হারা হলো। সরকার এ সবের কারন নির্ধারন করে তা সমাধানের উদ্যোগ নিলে প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার গ্রহন জনগনের কাছে আরো আনন্দের বিষয়ে পরিনত হতো এবং জনগন সরকারের দায়িত্বশীলতার পরিচয় পেতো।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে ভোটার বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকার ক্ষমতায় থাকার কারনেই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। জনগনের  গনতান্ত্রিক ও মৌলিক মানবাধিকার এবং অবাধে মিছিল-মিটিং সহ সকল ধরনের রাজনৈতিক কর্মকান্ড করার সুযোগ থাকলে সন্ত্রাসবাদের বিস্তার  হতোনা এবং জীবন দিতে হতোনা বিদেশী দুই নাগরিককে। দেশে অব্যাহত গতিতে বৃদ্ধি পেতোনা হত্যা, খুন, লুটপাট, হাইজ্যাক, ধর্ষন ও অপহরনের মত ঘটনা। এ সব থেকে জাতিকে মুক্ত করার জন্য আজ প্রয়োজন -১,জনগণের ভোটাধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকার এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।২,দেশে ৯টি প্রদেশ, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট, স্ব-শাসিত উপজেলা পরিষদ গঠন এবং প্রতিটি উপজেলায় শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলে প্রবাসী বাঙালীদের বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।৩,‘দ্বি-কক্ষ পার্লামেন্ট’ গঠন করে এর ‘উচ্চ কক্ষ’ থেকে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের বিধান করা।৪,বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটানের সাথে চীন ও বার্মাকে যুক্ত করে উপআঞ্চলিক সহযোগীতা জোটকে পূর্ণতা প্রদান করা এবং সমগ্র উপঅঞ্চল ব্যাপী কানেকটিভিটি গড়ে তোলে-ট্রান্সপোর্ট ইকোনমি শক্তিশালী করা।৫,সংবিধানের যুগোপযোগী সংস্কার সাধনসহ জেএসডি’র ১০ দফা বাস্তবায়ন করা।
প্রয়োজন উপরোক্ত পাঁচ দফার আলোকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক-বাহক সকল গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবি ও সুশীল সমাজের সংগঠনসমূহের প্রতিনিধিদের নিয়ে দুই জোটের বিকল্প হিসেবে ‘তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি’ গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের পথ প্রশস্ত করা।


এম. জসীম উদ্দিন “দি আমেরিকান ড্রিম” (ইংরেজী ও বাংলা ভাষা) চলচ্চিত্রের মিট দ্যা প্রেস সভা অনুষ্ঠিত

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০১৫

Picture

আয়েশা আকতার রুবি বিশেষ সংবাদদাতা, বাপ্‌স নিউজ::“দি আমেরিকান ড্রিম” (ইংরেজী ও বাংলা ভাষা) চলচ্চিত্রের মিট দ্যা প্রেস সভা অনুষ্ঠিত হয় গত  ৩রা অক্টোবর, ২০১৫ ইং,শনিবার বিকাল ৫.৩০ মিনিটে বাংলাদেশ ফ্লিম ডেভোলপমেন্ট কর্পোরেশন  (বিএফডিসি) এর জহির কালার ল্যাব ভিআইপি প্রজেকশন রুমে ।

alt
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  ড. প্রফেসর মিজানুর রহমান। উলেলখ্য যে, দি আমেরিকান ড্রিম  উপন্যাস টি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহম্মদ এরশাদকে উৎসর্গকৃত। খবর বাপসনিঊজ।গত ২৬ শে ফেব্রুয়ারী সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহম্মদ  এরশাদ বনানী নিজ কার্যালয়ে এই উপন্যাসটির মোড়ক উন্মোচন করেছিলেন। আগামী ডিসেম্বর মাসে আমেরিকায় ইন্ডিয়ানা স্টেট এর “এক্স লিবির্স পাবলিকেশন কোম্পানী” বইটি ইংরেজীতে প্রকাশ করতে যাচ্ছেন।

alt
 আমেরিকান মূল ধারায় ইংরেজী ভার্সনে নিউইয়র্ক সিটি মেয়র’স্ অফিস এর  ফ্লিম এন্ড মিডিয়া ডিপার্টমেন্ট এর সহযোগীতায় নির্মিত হবে “দি আমেরিকান ড্রিম” । চলচ্চিত্রটি এম. জসীম উদ্দিন এর উপন্যাস “দি আমেরিকান ড্রিম”  থেকে নেওয়া।  এই চলচ্চিত্রে বাংলাদেশ থেকে  অভিনয় করবেন চিত্র নায়িকা পপি, কলকাতা থেকে একজন উদিয়মান নায়িকা , সায়মন সিদ্দিক,  নুতন মুখ ওপেল হাসান, অভিনেতা সাদেক বাচ্চু সহ  একঝাক থিয়েটার কর্মী। আমেরিকার হলিউড  থেকে  তিন জন অভিনেতা অংশ গ্রহন করবেন। এই প্রথম কোন বাংলাদেশীআমেরিকান আমেরিকার মূল ধারার চলচ্চিত্রে ইংরেজী ছবি নির্মানের উদ্যেগ নিয়েছেন।এই ছবিটির পরিচালনা থেকে শুরু করে চিত্রনাট্য, সংলাপ, গান,  শিল্প নির্দেশনা সকল দায়িত্ব পরিচালক এম. জসীম উদ্দিন নিজেই পালন করিবেন।


সব অর্জন বাংলার জনগণকে উৎসর্গ করলাম: প্রধানমন্ত্রী

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:ঢাকা থেকে :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর জীবনে পাওয়া সকল পুরস্কার ও ভালোবাসা বাংলার জনগণের জন্য উৎসর্গ করেছেন। এসব পুরস্কারের একমাত্র দাবিদার বাংলার মানুষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ ও দেশের প্রয়োজনে তিনি যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছেন।জাতিসংঘ পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ ও তথ্য প্রযুক্তিতে অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ ‘আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ পুরস্কার অর্জন করায় তাঁকে দেয়া নাগরিক সংবর্ধনায় তিনি এ কথা বলেন।জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও উত্তর সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে এ সংবর্ধনার আয়োজন করে।এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এমিরিটাস অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তৃতা দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন।

Picture


শিশুদের জন্য বাসযোগ্য আবাসভূমি গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সুজলা-সুফলা বাংলাদেশ গড়ে তুলবোÑ এটাই আজকের দিনে আমার প্রতিজ্ঞা’।
‘লাখো শহীদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেবো না’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ ও জাতিকে বিশ্বে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে।শেখ হাসিনা বলেন, লাখো শহীদের এ বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলা হবে। দেশের সবাই যেন উন্নত জীবন পায় সে লক্ষ্যে তাঁর সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার তাই করা হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি নাগরিকের উন্নত জীবন নিশ্চিত করতেই তাঁর সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষকে ভালবেসেছিলেন। দেশের মানুষকে ভালোবেসেই তাদের মুখে হাসি ফোঁটাতে এবং সুখী ও সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলা গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কুচক্রী মহল তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে।তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতেই ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন। পিতার কাছ থেকে শেখা ভালোবাসা দিয়েই তিনি বাংলার মানুষকে ভালোবেসে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে চলেছেন।জাতির পিতা স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ নিয়ে অনেক চক্রান্ত হয়েছে। সকল চক্রান্ত নস্যাৎ করে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলছে।তিনি বলেন, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মধ্যে ১৬ কোটি মানুষের জন্য সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে তাঁর সরকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে কাজ করে চলেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি মানুষের জীবন রক্ষা করতেও তাঁর সরকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করে চলেছে।

alt
তিনি বলেন, নিজেদের সীমিত সম্পদ দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া মোকাবেলা করছে তাঁর সরকার। পাশাপাশি দেশের উন্নয়নের জন্য গবেষণার মাধ্যমে লবণাক্ত পানিতে ধান উৎপাদনেও তাঁর সরকার উদ্যোগ নেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ যাতে পুষ্টি পায় সে লক্ষ্যে তাঁর সরকার মাছ, মুরগীসহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে। জলাধার স্বাভাবিক রাখতে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধিতে ড্রেজিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে যা যা করা দরকার তাঁর সরকার সবই করবে।

alt
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল-মাল আব্দুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গওহর রিজভী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ৪টা ২৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত হলে ঢাকার দুই মেয়র তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলরে...’ গানটি মাইকে বাজতে থাকে।
উৎসবকে বর্ণিল করতে ওয়ার্দা রিহাবের কোরিওগ্রাফিতে ‘আর্থ প্যারেড’ শিরোনামে একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। এতে প্রায় ১ হাজার শিল্পী অংশগ্রহণ করে।
দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলার জনগণের সংগ্রাম, শেখ হাসিনার সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপ ও প্রধানমন্ত্রী পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার গ্রহণ করার ওপর নির্মিত একটি প্রামান্যচিত্র অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়। শ্রেষ্ঠা ও গ্রহণ নামের দুই শিশু শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে ‘সম্মাননাপত্র’ পাঠ করে শোনান। পরে এই সম্মাননাপত্র প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হয়। এ সময় দুই মেয়র ‘প্রকৃতি বৃক্ষ’ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।


শেখ হাসিনার ২৭টি আšতর্জাতিক পুরস্কার ও পদক লাভ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক পুরষ্কার ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ লাভের একদিন পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ২৭টি পুরস্কার ও পদক অর্জন করেছেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ পুরষ্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ লাভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালে জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনে তাঁর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেয়া হয়েছে।

নোবেল পুরস্কার যে ছয়টি বিষয়ে দেয়া হয়, সেখানে পরিবেশ নেই। তবে জাতিসংঘের পরিবেশ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ আখ্যা পেয়ে থাকে পরিবেশের নোবেল হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বছর পরিবেশ বিষয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেই পুরস্কার পেয়েছেন।

Picture

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পর্যন্ত যতগুলো পুরস্কার পেয়েছেন তার বিবরণ দিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।

এর আগে এই বছর শেখ হাসিনা রাজনীতিতে নারী পুরুষের বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালনের জন্য ডব্লিউআইপি (ওম্যান ইন পার্লামেন্ট) গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ২৫ মার্চ ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় তাঁকে এই পুরস্কার দেয়া হয় ।

২০১৪ সালে নারী ও শিশু শিক্ষা উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘শান্তিবৃক্ষ পদক’ পুরস্কারে ভূষিত করে। খাদ্য উত্পাদন ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটি প্রধানমন্ত্রীকে এই সম্মাননা সার্টিফিকেট প্রদান করে।

২০১৩ সালে খাদ্য নিরাপত্তা এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন, ‘একটি বাড়ি ও একটি খামার প্রকল্প’ ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত তথ্যপ্রযুক্তি মেলায় সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক ‘মান্থন এওয়ার্ড’ এবং জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দারিদ্র্যতা, অপুষ্টি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় ‘ডিপ্লোমা এওয়ার্ড’ পদকে ভূষিত করে শেখ হাসিনাকে।

এর আগে ২০১২ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিশেষ অবদানের জন্য আইএনইএসসিও ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীকে কালচারাল ডাইভারসিটি পদকে ভূষিত করে।

২০১১সালের ২৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের হাউস অব কমন্সের স্পিকার জন ব্রেক্রো এমপি প্রধানমন্ত্রীকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশাসন, মানবাধিকার রক্ষা, আঞ্চলিক শান্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনবদ্য অবদানের জন্য গ্লোবাল ডাইভারসিটি এ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।

এ ছাড়াও একই বছর সাউথ সাউথ এ্যাওয়ার্ড, স্বাস্থ্যখাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নারী ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) সাউথ সাউথ নিউজ এবং জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাউথ সাউথ এ্যাওয়ার্ড-২০১১: ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট হেলথ এই পুরস্কারে ভূষিত করে ।

শিশুমৃত্যু হ্রাস সংক্রান্ত এমডিজি-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল এ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।

একই বছরের ২৩ নভেম্বর আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য এসটি. পিটার্সবার্গ ইউনিভার্সিটি প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করে। ১২ জানুয়ারি বিশ্বখ্যাত ‘ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক-২০০৯’-এ ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী।

২০০৫ সালের জুন মাসে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির পক্ষে অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অব রাশিয়া।

শেখ হাসিনার ২৭টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও পদক লাভ

২০০০ সালে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকন ওমেনস কলেজ ‘পার্ল এস বাক পদক’ প্রদান করে। একই বছর ৪ ফেব্রুয়ারি ব্রাসেলসের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় ডক্টর অনারিয়াস কসা এবং ৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটের ‘ইউনিভার্সিটি অব বার্ডিগ্রেপোট’ বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নে অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে ‘ডক্টরর্স অব হিউম্যান লেটার্স’ প্রদান করে।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ১৯৯৯ সালের ২০ অক্টোবর ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি এবং ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ এফএও কর্তৃক ‘সেরেস পদক’ লাভ করেন শেখ হাসিনা।

১৯৯৮ সালে নরওয়ের রাজধানী অসলোয় মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এম কে গান্ধী ’ পুরস্কারে ভূষিত করে। একই বছরের এপ্রিলে নিখিল ভারত শান্তি পরিষদ শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে ‘মাদার তেরেসা পদক’ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখার জন্য ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে ‘ফেলিঙ্ হুফে বইনি’’ শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে।

একই বছর ২৮ জানুয়ারী শান্তি নিকেতনের বিশ্বভারতী এক আড়ম্বরপূর্ণ বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মানমূচক ‘দেশিকোত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করে।

১৯৯৭ সালে লায়ন্স ক্লাবসমূহের আন্তর্জাতিক এ্যাসোসিয়েশন কতৃক ‘রাষ্ট্রপ্রধান পদক’ প্রদান এবং রোটারী ইন্টারন্যাশনালের রোটারী ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে ‘পল হ্যারিস ফেলো’ নির্বাচন এবং ১৯৯৬-১৯৯৭ সালের সম্মাননা মেডেল প্রদান করে।

এ ছাড়াও নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি শান্তি, গণতন্ত্র ও উপমাহদেশের দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্য স্থাপনে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে ‘নেতাজী মেমোরিয়াল পদক ১৯৯৭’ প্রদান করে। ২৫ অক্টোবর গ্রেট বৃটেনের ডান্ডি অ্যাবার্তে বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘ডক্টর অব লিবারেল আর্টস’ ডিগ্রি, ১৫ জুলাই জাপানের বিখ্যাত ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সম্মাণসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি এবং ৬ ফেব্রুয়ারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ উপাধি প্রদান করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসব আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও পদক লাভকে জাতির জন্য গর্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। তিনি বলেন, জাতিসংঘসহ বিশ্বের খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর দেয়া এ ধরনের পুরস্কার গোটা জাতির জন্য গর্বের বিষয়।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআআইএসএস)-এর চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, এই পুরস্কার ও স্বীকৃতি বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছে। খবর বাপসনিঊজ।


শেখ হাসিনার ২৭টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও পদক লাভ

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০১৫

বাপসনিঊজ:পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক পুরষ্কার ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ লাভের একদিন পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ২৭টি পুরস্কার ও পদক অর্জন করেছেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ পুরষ্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ লাভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালে জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনে তাঁর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেয়া হয়েছে।

নোবেল পুরস্কার যে ছয়টি বিষয়ে দেয়া হয়, সেখানে পরিবেশ নেই। তবে জাতিসংঘের পরিবেশ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ আখ্যা পেয়ে থাকে পরিবেশের নোবেল হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বছর পরিবেশ বিষয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেই পুরস্কার পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পর্যন্ত যতগুলো পুরস্কার পেয়েছেন তার বিবরণ দিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন।

Picture

এর আগে এই বছর শেখ হাসিনা রাজনীতিতে নারী পুরুষের বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালনের জন্য ডব্লিউআইপি (ওম্যান ইন পার্লামেন্ট) গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ২৫ মার্চ ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় তাঁকে এই পুরস্কার দেয়া হয় ।

২০১৪ সালে নারী ও শিশু শিক্ষা উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘শান্তিবৃক্ষ পদক’ পুরস্কারে ভূষিত করে। খাদ্য উত্পাদন ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটি প্রধানমন্ত্রীকে এই সম্মাননা সার্টিফিকেট প্রদান করে।

২০১৩ সালে খাদ্য নিরাপত্তা এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন, ‘একটি বাড়ি ও একটি খামার প্রকল্প’ ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত তথ্যপ্রযুক্তি মেলায় সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক ‘মান্থন এওয়ার্ড’ এবং জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দারিদ্র্যতা, অপুষ্টি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় ‘ডিপ্লোমা এওয়ার্ড’ পদকে ভূষিত করে শেখ হাসিনাকে।

এর আগে ২০১২ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিশেষ অবদানের জন্য আইএনইএসসিও ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীকে কালচারাল ডাইভারসিটি পদকে ভূষিত করে।

শেখ হাসিনার ২৭টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও পদক লাভ

২০১১সালের ২৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের হাউস অব কমন্সের স্পিকার জন ব্রেক্রো এমপি প্রধানমন্ত্রীকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশাসন, মানবাধিকার রক্ষা, আঞ্চলিক শান্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনবদ্য অবদানের জন্য গ্লোবাল ডাইভারসিটি এ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।

এ ছাড়াও একই বছর সাউথ সাউথ এ্যাওয়ার্ড, স্বাস্থ্যখাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নারী ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) সাউথ সাউথ নিউজ এবং জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাউথ সাউথ এ্যাওয়ার্ড-২০১১: ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট হেলথ এই পুরস্কারে ভূষিত করে ।

শিশুমৃত্যু হ্রাস সংক্রান্ত এমডিজি-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল এ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।

একই বছরের ২৩ নভেম্বর আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য এসটি. পিটার্সবার্গ ইউনিভার্সিটি প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করে। ১২ জানুয়ারি বিশ্বখ্যাত ‘ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক-২০০৯’-এ ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী।

২০০৫ সালের জুন মাসে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির পক্ষে অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অব রাশিয়া।

২০০০ সালে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকন ওমেনস কলেজ ‘পার্ল এস বাক পদক’ প্রদান করে। একই বছর ৪ ফেব্রুয়ারি ব্রাসেলসের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় ডক্টর অনারিয়াস কসা এবং ৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটের ‘ইউনিভার্সিটি অব বার্ডিগ্রেপোট’ বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নে অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে ‘ডক্টরর্স অব হিউম্যান লেটার্স’ প্রদান করে।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ১৯৯৯ সালের ২০ অক্টোবর ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি এবং ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ এফএও কর্তৃক ‘সেরেস পদক’ লাভ করেন শেখ হাসিনা।

১৯৯৮ সালে নরওয়ের রাজধানী অসলোয় মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এম কে গান্ধী ’ পুরস্কারে ভূষিত করে। একই বছরের এপ্রিলে নিখিল ভারত শান্তি পরিষদ শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে ‘মাদার তেরেসা পদক’ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখার জন্য ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে ‘ফেলিঙ্ হুফে বইনি’’ শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে।

একই বছর ২৮ জানুয়ারী শান্তি নিকেতনের বিশ্বভারতী এক আড়ম্বরপূর্ণ বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মানমূচক ‘দেশিকোত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করে।

১৯৯৭ সালে লায়ন্স ক্লাবসমূহের আন্তর্জাতিক এ্যাসোসিয়েশন কতৃক ‘রাষ্ট্রপ্রধান পদক’ প্রদান এবং রোটারী ইন্টারন্যাশনালের রোটারী ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে ‘পল হ্যারিস ফেলো’ নির্বাচন এবং ১৯৯৬-১৯৯৭ সালের সম্মাননা মেডেল প্রদান করে।

এ ছাড়াও নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি শান্তি, গণতন্ত্র ও উপমাহদেশের দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্য স্থাপনে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে ‘নেতাজী মেমোরিয়াল পদক ১৯৯৭’ প্রদান করে। ২৫ অক্টোবর গ্রেট বৃটেনের ডান্ডি অ্যাবার্তে বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘ডক্টর অব লিবারেল আর্টস’ ডিগ্রি, ১৫ জুলাই জাপানের বিখ্যাত ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সম্মাণসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি এবং ৬ ফেব্রুয়ারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ উপাধি প্রদান করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসব আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও পদক লাভকে জাতির জন্য গর্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। তিনি বলেন, জাতিসংঘসহ বিশ্বের খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর দেয়া এ ধরনের পুরস্কার গোটা জাতির জন্য গর্বের বিষয়।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআআইএসএস)-এর চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, এই পুরস্কার ও স্বীকৃতি বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছে। খবর বাসসের।Â


দেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

Picture

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ: চারটি জেলা নিয়ে দেশের অষ্টম বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করা হলো ময়মনসিংহের নাম। জেলা চারটি হলো- ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা।
সচিবালয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির (নিকার) সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সোমবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে কয়েক মাস আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন বিভাগ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে বিভাগ ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু করে নিকার।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে নতুন বিভাগ হিসেবে ময়মনসিংহের নাম অনুমোদন করা হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ঢাকা বিভাগকে ভেঙে ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে নতুন এই বিভাগ গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হলো আজ। নতুন এই বিভাগের লোকসংখ্যা প্রায় এক কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার প্রায়।
পর্যায়ক্রমে ঢাকা বিভাগকে ভেঙে আবারো ফরিদপুর বিভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সচিব।
এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি নতুন এই বিভাগের বিষয়ে মন্ত্রিসভায় নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। আজ নিকারের বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হলো। এ ছাড়া নোয়াখালী ও কুমিল্লাকে নিয়ে আরো একটি বিভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান সচিব।


জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপ্ নিউজ: বস্টন বাংলা নিউজ:জাতিসংঘের চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে তার নেয়া বলিষ্ঠ পদক্ষেপই তাকে এ পুরষ্কারের অন্যতম দাবিদার করেছে।চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মান। পরিবেশ বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালনকারী ব্যাক্তিকে এ পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়।

পুরষ্কারটির আয়োজন করে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রমেন্টাল পোগ্রাম (ইউএনইপি)। পরিবেশের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ এমন সব মানুষ যাদের উদ্যোগের ফলে পারিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, তাদেরকেই এ পুরষ্কারের জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়।

জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউএনইপি’র ওয়েবসাইটে শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে এ খবর দিয়ে পরিবেশ বিষয়ে তার অবদানর উল্লেখ করা হয়েছে।

Picture

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুটি খুব ভালোভাবে সামাল দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় দফায় ২০০৯ সালে তার সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পরও জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে তাঁর চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘণবসতিপূর্ণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকা দেশগুলোর মধ্যেও বাংলাদেশ অন্যতম। ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন, বন্যা, খরা এসব বাংলাদেশে নিয়মিত ঘটনা। শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরের লক্ষ্যমাত্রায় কাজ করে যাচ্ছেন।

উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশই প্রথম জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে ‘দ্য বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্রেটেজি এন্ড অ্যাকশন প্ল্যান অব ২০০৯’ একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরী করেছে। শুধু তাই নয়। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবলিয়ায় প্রথম কোন দেশ হিসেবে বাংলাদেশই নিজস্ব অর্থায়নে একটি ট্রাষ্ট ফান্ড গঠন করেছে। ২০০৯-২০১২ সাল পর্যন্ত এ ফান্ডে নিজস্ব উৎস থেকে ৩০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবলিায় শেখ হাসিনার সরকার মোট বাজেটের ৬-৭ শথতাংশ বরাদ্দ রেখেছে। এছাড়া প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় আরো পদক্ষেপ হিসেবে ২০১১ সালে সংবিধান সংশোধন করা হয়।


সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী আর নেই

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপ্ নিউজ: বস্টন বাংলা নিউজ:মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী আর নেই। সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সৈয়দ মহসিন আলীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পৃথক বিবৃতিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। 

Mohosin Ali 0
 
এদিকে আজ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়।নিউমোনিয়া, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে চিকৎসা দেয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ৫ সেপ্টেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে মারা যান তিনি।
Picture
 
সৈয়দ মহসিন আলী ১৯৪৮ সালের ১২ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জন্মগ্রহণ করেন। রাজনীতি করার আগে তিনি পেশায় আইনজীবী ছিলেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১২ জানুয়ারি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

জাতিসংঘে বক্তব্য দেবে রিকশাচালকের মেয়ে মনি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপ্ নিউজ: বস্টন বাংলা নিউজ:মনির বাবা এক-সময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু বয়স বেড়ে যাওয়ায় এখন আর রিকশা চালাতে পারেন না। থমকে যায় পরিবার, অভাব অনটনের কারণে মনির বড় দুই ভাই তাহির (২৩) ও পারুল (২১) লেখাপড়া ছেড়ে হাল ধরেন পরিবারের। দৈনিক তিনশ টাকা মজুরীতে স্থানীয় রবিরবাজারের ফার্নিচার দোকানের রংয়ের কাজ করেন। আর এই তিনশ টাকায় চলে এখন মনিদের ৫ সদস্যদের পরিবার। মনি ৫ম শ্রেণী পাশ করার পর পরিবারের লোকজন লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়ানোর কথা চিন্তুা করলেও মনির দীপ্ত মনোবলের কারণে পারেন নি। স্থানীয়দের সহযোগীতায় মনি লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে।

মনি বেগম মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের ঘড়গাঁও গ্রামের মরম মিয়া ও হাওয়া বেগম দম্পত্তির কনিষ্ঠ সন্তান। মনির বড় বোনের ইতি মধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে। বর্তমানে সে সুলতাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণীতে বানিজ্য বিভাগে লেখাপড়া করছে।
জাতিসংঘের ৭০তম সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হয়ে মনি বেগম সেভ দ্যা চিলড্রেন পোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশের একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে যোগদানের জন্য চিঠি পায়। সেখানে সে শিশুর অধিকার নিয়ে বক্তব্য রাখবে। আর এ খবর চাউর হওয়ার পর থেকে এলাকায় শুরু হয় আনন্দের বন্যা। অনেকে মনিকে একনজর দেখার জন্য ছুটে যাচ্ছেন বাড়িতে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ রানা আব্বাছ জানান, আমরা এ খবর শুনে কতটা আনন্দিত হয়েছি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। মনির পিতা মরম মিয়া এক-সময় রিকশা চালাত। এখন সে সিলেটে একটি বাসায় কেয়ারটেকাদের দায়িত্বে রয়েছে। তিনি আরও জানান, মনি পরিবার এতো দরিদ্র জাতিসংঘের অধিবেশনে যাবে সে পোশাকটুকুও কিনে দিতে পারছে না। আমরা এলাকার বিত্তবানদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে ১০হাজার টাকার কাপড় কিনে দিয়েছি।
সুলতানপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু জাবেদ পাপ্পু মনি বেগমের জাতিসংঘের অধিবেশনে বক্তব্য রাখার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রোববার তাকে নিয়ে রাতের ট্রেনে ঢাকা যাব। যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে ঢাকায় তিন দিন বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
 এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে মনি বেগম জানায়, কখনও ভাবিনি রাজধানী ঢাকায় যেতে পারব, সেখানে আমি আপনাদের দোয়ায় আজ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে জাতিসংঘে যাচ্ছি। আমি কখনও কল্পনাও করিনি এমনটি কোনোদিন ঘটতে পারে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ জানান, আমরা অনেক আনন্দিত, আমাদের মনি এ এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে। সে অতিদরিদ্র এক দিনমজুরের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও প্রমাণ করে দিয়েছে মেধা আর ইচ্ছাশক্তি থাকলে অনেক কিছুই সম্ভব।

Picture

দিনমজুরের মেয়ে মনি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী

জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনের শিশু অধিকার সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার এক দিনমজুরের মেয়ে মনি বেগম (১৬)। এ খবরে জেলার প্রত্যেক স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বইছে আনন্দের বন্যা। মেয়ের এমন সাফল্যে মা-বাবার চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে আনন্দের অশ্রু।

বাংলাদেশ থেকে একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে এ সুযোগ পেল মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী মনি বেগম। ক্যাম্পেইনে সারা দেশের মধ্যে মনি নিজের মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হয়েছে।

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের এ অধিবেশনে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৬০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা উপস্থিত থাকবেন। অধিবেশনে মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু ও বাল্যবিয়েসহ চারটি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করবে কুলাউড়ার মনি। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক পৌঁছার কথা রয়েছে তার।