Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

বিএমএস-এর বার্ষিক নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শ্রোতা-দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করলেন সাবিনা ইয়াসমিন

রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

হ্যাপি রহমান : সিডনি, অস্ট্রেলিয়া : হারানো দিনের বাংলা চলচ্চিত্রের গান গেয়ে শ্রোতা-দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করলেন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। বাংলাদেশ মেডিক্যাল সোসাইটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস (বিএমএস) এর বার্ষিক নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে 'এই মন তোমাকে দিলাম' শিরোনামে জনপ্রিয় এই শিল্পীর একক সঙ্গীতানুষ্ঠানটির আয়োজন করে উক্ত সংগঠন। গত ৭ এপ্রিল ২০১৮ শনিবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের ওরিয়ন ফাংশন সেন্টারে আয়োজন করা হয়েছিলো এ অনুষ্ঠানটির।

alt

নৈশভোজের পর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। সংগঠনের সমাজকল্যাণ ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ডাঃ শায়েক খান শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সূচনা করেন। উপস্থাপনা করেন ডাঃ আয়েশা আবেদিন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বে সাজানো হয়েছিল। প্রথম পর্বে ছিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ মতিউর রহমান ও  ডাঃ মীরজাহান মাজুর বক্তব্য। পরবর্তীতে সংগঠনের কর্মকাণ্ডে অবদান রাখার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সম্মাননামূলক ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং সংগঠনটির বাৎসরিক ম্যাগাজিন 'প্রতিধ্বনি'র দ্বিতীয় সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রকাশনা সম্পাদক ডাঃ ফখরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে 'প্রতিধ্বনি'র সকল কলাকুশলী, লেখক, পাঠক, ডিজাইনার ও পৃষ্ঠপোষকদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়াও উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন সংগঠনটির কল্যানে অবদান রাখার জন্য কোষাধ্যক্ষ ডাঃ জেসমিন শফিককে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় এসময়।   

alt

দ্বিতীয় পর্বে শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন দর্শকের মাঝে সুরের আবেশ ছড়িয়ে দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশাত্মবোধক গান 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' গেয়ে আসর শুরু করেন শিল্পী।  এরপর একে একে গায়লেন সুন্দর সুবর্ণ তারুন্য লাবন্য অপূর্ব রূপসী, মাঝি নাও ছাইড়া দে, চিঠি দিও জনপ্রিয় গানগুলো। সংক্ষিপ্ত সময়ের বিরতিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয় - ডিএসআই বর্তমানে বাংলাদেশের অভাবগ্রস্থ শিশুদের সার্বিক সহযোগীতায় কাজ করে আসছে। তারা শিক্ষার মাধ্যমে অভাবি- সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আলোর পথ দেখাতে এবং সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত কারার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এটি একটি সেবামূলক সংগঠন, ডিএসআই এর প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ এহসানকে এসময় মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। ডাঃ এহসান তৎক্ষণাৎ তাঁর বক্তব্যে প্রবাসীদের সবাইকে ডিএসআই এর উদ্দেশ্যকে সফল করতে এক যোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, সাবিনা ইয়াসমিন ডিএসআই-এর একজন শুভেচ্ছা দূত। বাংলাদেশের অভাবি শিশুদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসার আশা ব্যক্ত করেন সাবিনা ইয়াসমিন।

alt

মধ্য বিরতির পর অসংখ্য কালজয়ী গানের শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন বাংলা চলচ্চিত্রের গানের ডালি সাজিয়ে তুলেন সুর আর ছন্দে। নিজস্ব তালিকা ছাড়াও দর্শকদের অনুরোধে ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, ‘ইশরায় শিষ দিয়ে’, ‘একটুস খানিক বল ভালোবেসে বউ বলে ডাকো’সহ একে একে প্রায় ২০টি গান গেয়ে শোনান তিনি।বাংলা সঙ্গীতের ধারাকে এক অন্য মাত্রায় যারা নিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিন অন্যতম। অসম্ভব জনপ্রিয় এই শিল্পীর ভক্ত শ্রোতা অনেক। প্লেব্যাকে কণ্ঠ দেয়া এই শিল্পীর হাজারো গান চিরদিন শ্রোতা হৃদয়ে সুরের ঝড় তুলবে এমনই মধুর-গুঞ্জনে স্মরণীয় হয়ে রইলো সেদিনের আরাধ্য সন্ধ্যাটি।

alt

সবশেষে বিএমএস-এর পক্ষে শিল্পী, কলাকুশলী ও আগত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান ডাঃ মতিউর রহমান। সাবিনা ইয়াসমিন এবং তাঁর সাথে আগত যন্ত্রশিল্পীদের উপহার তুলে দিয়ে অভিনন্দন জানান সংগঠনের কর্মকর্তাগণ। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মতিউর রহমান, ডাঃ মীর জাহান মাজু, ডাঃ শায়েখ খান, ডাঃ জেসি চৌধুরী, ডাঃ শায়লা ইসলাম, ডাঃ জেসমিন শফিক, ডাঃ ফাহিমা সাত্তার প্রমুখ।


প্রধানমন্ত্রীর আগমনে সরব ইউরোপ আ.লীগের নেতারা

রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

বাপ্ নিউজ : ইতালি থেকে : ২৫তম কমনওয়েলথ সম্মেলন শুরু হয়েছে। ৫২ দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করেছেন। বেলা ১১টার দিকে লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টার এবি এর সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।পরবর্তীতে বিকেলে মঙ্গলবার লন্ডনে ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে (ওডিআই) সেমিনারে বাংলাদেশের উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন।

Picture

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও মানবিক বিষয় নিয়ে কর্মরত ওডিআই বিশ্বের নেতৃস্থানীয় থিংক ট্যাঙ্ক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট স্টোরি : পলিসি, প্রগেস অ্যান্ড প্রসপেক্টস’ শীর্ষক সেমিনারের সঞ্চালনা করেন ওডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক অ্যালেক্স থিয়ের।

এ সময় লন্ডনের সম্মেলন কেন্দ্রের বাইরে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ ও ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

London-2

এছাড়া উপদেষ্টা জালাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, মারুফ চৌধুরী, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগ-এর সভাপতি তামিম আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত জয় প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ- এর সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, ফ্রান্স আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুজ্জামান নেতারও উপস্থিত ছিলেন।

পরে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হোটেল ক্লারিজে-এর স্যুটে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি সুলতান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, উপদেষ্টা শামসুদ্দিন খান, জালাল উদ্দিন, ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, ফ্রান্স আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি বেনজির আহমেদ সেলিম, সহ-সভাপতি এম এ কাশেম, ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ-এর সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, স্পেন আওয়ামী লীগ সভাপতি আখতার হোসেন, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনজুরুল হাসান চৌধুরী, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সাধারণ সম্পাদক ডাল্টন তালুকদার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ওয়েস্টমিনিস্টার পার্লামেন্টের সামনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের অভ্যর্থনা

Picture

বাপ্ নিউজ : বালাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন। তিনি রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ নারী ফোরামের ‘এডুকেট টু এম্পাওয়ার: মেকিং ইকুইটেবল এন্ড কোয়ালিটি প্রাইমারী এডুকেশন এন্ড সেকেন্ডারী এডুকেশন এ রিয়েলিটি ফর গার্লস এক্রোস দ্য কমনওয়েলথ’ শীর্ষক অধিবেশন ছাড়াও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকের (সিএইচওজিএম) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগদান করছেন।

এদিকে বুধবার (আজ) যুক্তরাজ্য আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফয়েজ খান তৌহিদের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীরা  ওয়েস্টমিনিস্টার পার্লামেন্টের সামনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জানান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল ইসলাম বাচ্চু , তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জুবের আহমদ, সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিপন আহমেদ, শাহ শহীদ আলী, আল মামুন ফকির, মুস্তাফিজ, আমজাদ হোসেন প্রমুখ। অভ্যর্থনার পুরো প্রক্রিয়া সমন্বয় করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান শরীফ, প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ শামছ উদ্দিন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান  চৌধুরী।


কেনিয়ায় নববর্ষের আনন্দে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

শারমিনা নাসরীন: বাপ্ নিউজ : নাইরোবি, কেনিয়া : অনুষ্ঠানে বৈশাখী সাজে নারীরাদক্ষিণ এশিয়ার সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশ আর সুদূর আফ্রিকা মহাদেশে ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ কেনিয়া-হাজার মাইলের ভৌগোলিক দূরত্বে অবস্থিত বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রকৃতি ও ভিন্ন সংস্কৃতির দুটি দেশ।

Picture

জীবিকা ও পেশাগত দায়িত্বের প্রয়োজনে এ দেশের রাজধানী নাইরোবি ও অন্যান্য স্থানে ছোট একটি বাংলাদেশি কমিউনিটি বসবাস করে। একাকী প্রবাসজীবনে পরিবার, আত্মীয়-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব থেকে দূরে থাকা এবং দেশীয় স্বাদ ও আমেজের জন্য সারা বছর হা-হুতাশ করা এই বাংলাদেশি পরিবারগুলো হাজার মাইলের দূরত্ব আর সাংস্কৃতিক ভিন্নতর কষ্ট ভুলে যায় প্রতিবছর ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিনটিতে।

অনুষ্ঠানে বৈশাখী সাজে নারীরা

বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ। দৈনন্দিন হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও বছরে এই দিনটি পালন না করলে প্রবাসী বাঙালিদের জন্য একটা অসম্পূর্ণতা ও অতৃপ্তি থেকেই যায়। দিনটি এ বছর কেনিয়ার সরকারি ছুটির দিনে পড়ায় সকলের স্বতঃস্ফূর্ত সম্মিলিত অংশগ্রহণে দিবসটি পালনের আনন্দ অন্য সময়ের চেয়ে এবার অনেক বেশি অনুভূত হয়েছে। ছোট আর বড়দের রং-বেরঙের বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশীয় পোশাক, সাজসজ্জা, ভোজনরসিক বাঙালির প্রিয় পিঠা-পায়েস, পান্তার আয়োজন আর দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কেনিয়ার হাইকমিশন প্রাঙ্গণটি হয়ে ওঠে আনন্দমুখর একটি ক্ষুদ্র বাংলাদেশ। সকলে মিলে লাল-সাদা শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে দেশীয় আমেজে বাংলা বর্ষবরণ প্রবাসীদের জন্য একটি অন্যতম উৎসব-আনন্দের দিনে পরিণত হয়েছে। দেশের সীমানা পেরিয়ে সুদূর বিদেশের মাটিতে নিজস্ব সংস্কৃতি তুলে ধরার এ প্রয়াস দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ এবং দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্বেরই উদ্‌যাপন।বৈশাখী সংগীত পরিবেশনাঅনুষ্ঠানে বৈশাখী সাজে নারীরাকেনিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে এবং রাজধানী নাইরোবি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে গত কয়েক বছর ধরে সাড়ম্বরে বাংলা নববর্ষ পালিত হয়ে আসছে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গত রোববার (১৫ এপ্রিল) হাইকমিশন চত্বরে বরণ করা হলো বাংলা নববর্ষ ১৪২৫। এ বছর নববর্ষ পালনের আনন্দের সঙ্গে কেনিয়ার বাংলাদেশিদের জন্য যুক্ত হলো আরও দুটি প্রাপ্তি। উদ্বোধন করা হলো বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাংলা ও ইংরেজি ওয়েবসাইটটি পুনরায় নতুনরূপে চালু করা হলো।
হাইকমিশনার, তার সহধর্মিণী ও বাংলাদেশিরাহাইকমিশনার, তার সহধর্মিণী ও বাংলাদেশিরাকেনিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ হ‌ুমায়ূন কবির ও তার সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট তানজিনা আজিজ অনুষ্ঠানে আগত সকলকে শুভেচ্ছা জানান। নববর্ষ পালনের দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নজরকাড়া ফ্যাশন শো, ছোট ও বড়দের জন্য দেশীয় খেলাধুলা ও বিভিন্ন দেশীয় খাবারের আয়োজন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আমিনুল ইসলাম সজল। রুমানা নকিবের আঁকা আবহমান গ্রাম বাংলার মঞ্চসজ্জা সকলের নজর কেড়ে নেয়। এষা মাহমুদের উপস্থাপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয় জেইডেন, এইসন ও সুদীপ্তর কিবোর্ড ও বেহালার অপূর্ব সুরে জাতীয় সংগীত দিয়ে। ছোট্টমণি স্মিতার নাচ, রাইয়ান, রায়িদ, সায়ের, জুনায়েদ ও গালিবের কবিতা আবৃত্তি, রিমঝিমের গান সকলের মন ভরিয়ে দেয়। অনুষ্ঠানে একঝাঁক ছোট্ট শিশু তাজিন, হিবা, রোজালিন, আরিয়ান, আরহাম, জাহিন, রাইকা, মুনজারা, মুনতাহা ও রাশনিয়া উপস্থাপন করে বাংলার গ্রামীণ ও শহুরে জীবনযাত্রার নানা বৈচিত্র্যপূর্ণ ছবি।
ছোট্ট স্মিতার নাচনাইরোবির বাঙালি শিল্পীদের কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’ গান, মনমাতানো নানা বাংলা ফোক ও আধুনিক গানের সুর, কৌতুক ও যুগল-দম্পতিদের বাঙালি পোশাকের ওপর ফ্যাশন শোও ছিল মনোমুগ্ধকর। দুপুরে নানারকম মজার মজার খাবারের আয়োজন করেছিল হাইকমিশন। আর এই আয়োজনে সহযোগিতা করেন বাঙালি কমিউনিটির খাদ্য কমিটির সদস্যরা। পান্তা, বিভিন্ন রকম ভর্তা, ভাজি, মাছ, মাংস থেকে শুরু করে চটপটি, পিঠা-পুলি, পায়েস, মিষ্টি, হালুয়া কিছুই বাদ যায়নি। দুপুরের ভোজনের পর বৈশাখী আয়োজনের মধ্যে আরও ছিল এম এ হান্নান ও মো. দাউদের পরিচালনায় মহিলাদের বালিশ খেলা, বাচ্চাদের চকলেট দৌড়, মোরগ লড়াই, ছেলেদের ডার্টসহ নানা খেলাধুলা প্রতিযোগিতা। যা ছোট-বড় সকলে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করে।
বৈশাখী সাজে ছোট্টমণি হিবা ও তার বাবানাইরোবির এবারের নববর্ষ পালন আরও আনন্দঘন ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ‘বাংলাভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র’ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে। কেনিয়ায় বাংলাদেশি ছাড়াও ভারতের পশ্চিম বাংলার বেশ কিছু বাংলাভাষী রয়েছেন। তবে বাংলা ভাষাভাষীদের সংখ্যা স্বল্প হওয়ায় এখানে বাংলা মাধ্যমে কোনো স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বৈশাখী নৃত্য এ ছাড়া প্রবাসী বাঙালিরা বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করায় নিয়মিত যোগাযোগের অভাবে বাংলা ভাষা চর্চা করার সুযোগ এখানে অত্যন্ত কম। বাংলাদেশি ছেলেমেয়েরা যাতে নিজের মাতৃভাষা বাংলা ভুলে না যায় ও নিজের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, সে লক্ষ্যে স্থানীয় বাংলাদেশিরা সন্তানদের বাংলা ভাষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ সৃষ্টির জন্য দীর্ঘদিন ধরে ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছিলেন।
ফ্যাশন শোসম্প্রতি বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে আবুল কালাম মোহাম্মদ হ‌ুমায়ূন কবীরের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার ঐকান্তিক আগ্রহ ও পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সকলের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ‘বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র’ নামে একটি বাংলা চর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। হাইকমিশনার এবারের পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে এই চর্চা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। কেন্দ্রে পাক্ষিক ভিত্তিতে মাসে দুদিন স্থানীয় বাঙালিদের স্বেচ্ছা অংশগ্রহণের ভিত্তিতে শিশুদের বাংলা বর্ণমালা ও সহজ ভাষা শিক্ষা দেওয়া হবে এবং পাশাপাশি সংগীত, আবৃত্তি ও শুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ শেখানো হবে।

ফ্যাশন শোবৈশাখী সংগীত পরিবেশনা১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে আমাদের সাহসী পূর্ব-পুরুষেরা মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার যে মহান উদ্দেশ্যে আত্মত্যাগ করেছিলেন, সেই লক্ষ্য পূরণের প্রচেষ্টা হিসেবে এই ভাষা ও সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রবাসে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মরা বাংলা ভাষাকে হৃদয়ে ধারণ করবে ও দেশের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে আগ্রহী হবে-সেই আশাবাদ ব্যক্ত করে অনুষ্ঠান শেষ করা হয় পুরস্কার বিতরণ আর হাইকমিশনারের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে।


বিদেশি বন্ধুদের নিয়ে জাপানে ‘বাংলা নববর্ষ’

রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

Picture

জাপানও এর ব্যতিক্রম নয়। ১৪২৫ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে গতকাল (২০ এপ্রিল) শুক্রবার জাপানের বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশ হাউসে বিদেশি বন্ধুদের সম্মানে নববর্ষ উদ্‌যাপন ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে।

মেহেদি রাঙানোঅনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির মধ্যে ছিলেন জাপানের পার্লামেন্টের কয়েকজন সাংসদ, জাপানে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, জাপান সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়য়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন। অতিথিদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। তিনি তাঁদের উত্তরীয় দিয়ে বরণ করে নেন।
রাষ্ট্রদূত টিপ পরিয়ে দিচ্ছেনবাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস ভবনকে বাংলার ঐতিহ্যবাহী সাজে সাজিয়ে তোলা হয়। মনের মাধুরী মেশানো আলপনার রঙ্গে রাঙিয়ে দেওয়া হয় অতিথিদের আগমন ও অভ্যর্থনা স্থান। দূতাবাসের দেয়ালে দেয়ালে শোভা পায় আবহমান বাংলায় নববর্ষ উদ্‌যাপনের অনন্য উপাদান নানান রঙের মুখোশ। রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আনন্দঘন পরিবেশে এই সাজসজ্জায় অংশ নেন। এ ছাড়া মেহেদি রঙ্গে বিদেশি বন্ধুদের হাত রঙিন করার ব্যবস্থা ছিল। অনেক বিদেশি বন্ধু তাঁদের হাতে বাংলাদেশি মেহেদি দিয়ে আলপনা করিয়েছেন পরম আনন্দে। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের নারী অতিথিদের চুরি ও টিপ পরিয়ে দেন রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।অতিথিদের একাংশআগত অতিথিরা বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও আকর্ষণীয় এই সাজে তাঁদের মুগ্ধতা ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁদের চোখে ছিল আনন্দ আর তৃপ্তির ঝিলিক।
নকশিকাঁথার প্রদর্শনীঅনুষ্ঠানে বিদেশি বন্ধুদের বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী ও বাঙালিয়ানা খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। বিভিন্ন রকমের খাবারের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের ইলিশ, পোলাও, গরু ভুনা, জিলাপি, ক্ষীরমোহন, চমচম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশি খাবারএ ছাড়া দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে বাংলাদেশের তৈরি নকশিকাঁথা ও অন্যান্য সামগ্রীর সমাহার নিয়ে একটি প্রদর্শনীও আয়োজন করা হয়।


অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলা উদ্‌যাপিত

রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

Picture

জাতিসত্তার আনন্দঘন আত্মপ্রকাশে অস্ট্রেলিয়ার শিকড়সন্ধানী প্রবাসী বাঙালিরাও একই সুরে মেতে উঠেছেন বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় উৎসব পয়লা বৈশাখে।

alt

গত ২৬ বছরের ধারাবাহিকতায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এবারও হয়ে গেল দেশটির সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলার। আজ শনিবার পয়লা বৈশাখ এ দেশটিতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায় মেলায় আগত দর্শকদের। সিডনির বিখ্যাত এএনজেড অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয় বাংলা বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা।

মেলায় দর্শকসিডনির রোদ ঝলমল দুপুরে মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ বর্ষবরণ উৎসবের। ঢোলের তালে-তালে মুখ-মুখোশের প্রকাশে শুভ বোধকে বরণ করে নিতে ঐতিহ্যবাহী এ শোভাযাত্রায় শত শত বাঙালি বৈশাখী সাজে অংশ নেন। লাল সাদা আর বর্ণিল পোশাকে উৎসবমুখর হয়ে উঠতে শুরু করে সিডনির অলিম্পিক পার্কসংলগ্ন রাস্তাঘাট। এবারের মেলার প্রচারণায় সিডনির প্রধান সড়কে বাংলা ও ইংরেজিতে নিমন্ত্রণ জানিয়ে স্থাপন করা হয়েছিল বিলবোর্ড। দুপুর গড়িয়ে বিকেলের আগেই মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলা উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল বিশেষ বাণী প্রদান করেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ প্রবাসী বাঙালিদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী টার্নবুল তার বাণীতে প্রবাসী বাঙালিদের স্বদেশি সংস্কৃতি ধারণের জন্য সাধুবাদ জানান।
মেলায় দর্শকবৈশাখী মেলা উপলক্ষে মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নতুন আর পুরোনো প্রজন্মের মিশেলে ব্যতিক্রমী ফ্যাশন আর নাচে-গানে হাজার হাজার দর্শক সরব হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে পথ প্রোডাকশনস শিল্পীদের তাক লাগানো পরিবেশনা প্রশংসা কুড়ায় মুহুর্মুহু হাত তালিতে। অনুষ্ঠানে এবার শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে মঞ্চনাটক ‘চেরাগবিহীন খুদে আলাদিন’ পরিবেশনা প্রাণবন্ত করে তোলে মেলা প্রাঙ্গণ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ‘রুপালি পর্দার স্বর্ণালি গান’ সংগীত পরিবেশনা মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন সকলে। এবারের মেলায় আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশের শিল্পী কিরণ চন্দ্র রায় ও চন্দনা মজুমদার। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় লোকসংগীত পরিবেশন করেন তারা।

মেলায় স্টল
প্রবাস জীবনে ব্যস্ত সময়ের ফাঁকে আসা মানুষগুলো মেতে ওঠেন আড্ডা-খুনসুটিতে। চটপটি-ফুচকার সঙ্গে জিলাপি ঝালমুড়ির স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি উপভোগ করেছেন দেশীয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। মেলা সামগ্রী নিয়ে বসা বৈশাখী মেলার বিভিন্ন স্টলে ভিড় জমান মেলায় আগত দর্শকেরা। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রতিবারের মতো এবারেও জমকালো আতশবাজির চোখধাঁধানো আয়োজনের মধ্য দিয়ে মেলার ইতি টানা হয়।

মেলায় স্টলদীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সুবিশাল এ মেলার আয়োজন করে আসছে বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া। মেলায় প্রবাসী বাঙালিদের পাশাপাশি ভিন্ন জাতির মানুষের অংশগ্রহণও নজরে পড়ে। এ ছাড়া মেলায় রাজ্য ও ফেডারেল সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।সাংস্কৃতিক পরিবেশনাঅস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি ও বিরোধী দলীয় নেতার প্রতিনিধিসহ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রিমিয়ার গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান।সাংস্কৃতিক পরিবেশনামেলার আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শেখ শামীম মেলায় আগত সকলকেই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দেশীয় সংস্কৃতির লালন ও নতুন প্রজন্মের কাছে এ ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ মেলার যথার্থ আয়োজন করা হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।


স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লন্ডন হাই কমিশনের ডিপ্লোমেটিক রিসিপশন

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

Picture

বাপ্ নিউজ : লন্ডন: লন্ডন বাংলাদেশ হাই কমিশন ব্রিটেনের মন্ত্রী, এমপি, কূটনীতিক ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে।বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্রিটিশ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিল্পী, ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এ উপলক্ষে হাই কমিশন আয়োজন করে এক রিসিপশন অনুষ্ঠান।
C7D25699-AA1B-4629-BE82-83217778B2BA

ব্রিটিশ মন্ত্রী লর্ড আহমেদ অব উইম্বল্ডন এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক সিলেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান স্টিফেন টুইগ এমপি, লিজ ম্যাকিনিজ এমপি, পল স্কালি এমপি, জিম ফিটজ্প্যট্রিক এমপি, লর্ড শেখ, লর্ড বিলিমোরিয়া ও Marshall of Her Majesty।

01D9B4F6-4549-41CC-80CF-585B7E5A1CB0

হাই কমিশনার মো: নাজমুল কাউনাইন আগত অতিথিদের অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান।হাই কমিশনার বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ সামাজিক উন্নয়নের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন তাঁর বক্তৃতায়। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে উঠা বাংলাদেশ আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানিকীকরণ নিশ্চিত করে উন্নয়নের মহাসড়কে আরোহন করেছে। গত ১৫ মার্চ বাংলাদেশ-ব্রিটেনের মধ্যে কৌশলগত সংলাপ (Strategic Dialogue) অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে হাই কমিশনার বলেন, এর মাধ্যমে দু‘দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীরতর, দৃশ্যমান ও উষ্ণতর হয়েছে।

862592CA-DF98-49EC-9706-C38549164F6A

ব্রিটিশ মন্ত্রী লর্ড আহমেদ অব উইম্বল্ডন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাস ও মৌলবাদ মোকাবেলায় দৃঢ় অংগীকারের প্রশংসা করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সাহসী ও মানবিক ভূমিকায় ধন্যবাদ জানান। মন্ত্রী লর্ড আহমেদ সম্প্রতি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী বরিস জনসন ও তাঁর নিজের ঢাকা সফরের বিষয় তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে ব্রিটেন অভিভূত। তিনি ব্রিটেনে কর্মরত বাংলাদেশী কমিউনিটির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।


‘শত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন সিডনি প্রবাসীরা

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : সিডনিতে বাংলাদেশি সংগঠনগুলোর আয়োজনে ‘শত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত’ নামে এক অনন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সম্প্রতি এ আয়োজনে জড়ো হয় শ’ খানেক প্রবাসী বাংলাদেশি। সিডনির ওয়াইলি পার্কে শনিবার বিকেল ৬টায় সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছেন উপস্থিত সবাই।

Austrella-2

নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের আত্মদান, নারীর সম্ভ্রম আর বিপুল ক্ষয়-ক্ষতির মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।

Austrella-2

স্থানীয় শিল্পীদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে সবাই গাইলেন জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’।

Picture

শিশু থেকে শুরু করে প্রবীনরাও গানে গানে স্মরণ করেন, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলার স্বাধীনতাকে। বক্তারা স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করতে তরুণ -প্রজন্মকে আহ্বান জানান।


স্বাধীনতা দিবসে রাশিয়া আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

অন্যদিকে বাংলাদেশকে বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতিসহ দেশের সকল অর্জনের জন্য বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাশিয়া আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। আলোচনা সভায় বলা হয়, গণহত্যা দিবস পালনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ইতিহাসের জঘন্যতম এই হত্যাযজ্ঞের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করা। আর এজন্য বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আর এই স্বীকৃতি অর্জনের মাধ্যমেই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন পরিপূর্ণতা পাবে।

Picture

আলোচনা সভায় একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত ও তৎকালিন সোভিয়েত ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা বাংলাদেশকে বারবার পিছনে নিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। রাজাকার আল-বদর ও তাদের সহযোগীরা এখনও সক্রিয় রয়েছে দাবি করে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদেরকে পরাজিত করার অঙ্গীকার করা হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাশিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মোতালিব পাটওয়ারী বাহার। সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মো. হাসিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. মনোয়ার হোসেন সিআইপি, সহ-সভাপতি ড. শেখ হাবিবুর রহমান, প্রবীর কুমার সরকার, বিশিষ্ট নেতা প্রেমানন্দ দেবনাথ, যুগ্ম-সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুর সেলিম, সাকিল আহমেদ টিটু, মস্কোর গণমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক বারেক কায়সার, রাশিয়া আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সম্পাদক মো. রফিক আহমেদ, মো. শাহরুল ইসলাম, মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী, রাশিয়া ছাত্রলীগ নেতা মো. সাইফুল ইসলাম, মো. এমরান প্রমুখ।#


সুইজারল্যান্ডে গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভা

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

alt

বিশেষ অতিথি জাতীয় সংসদের হুইপ আ.স.এম ফিরোজ এমপি তার বক্তব্যে বলেন, “বীর বাঙালি ৩০ লাখ মানুষের জীবন বিসর্জন ও দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বিজয় ছিনিয়ে আনে। আর তাই আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক।” বিশেষ অতিথি আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ বলেন,  “গণহত্যা দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ইতিহাসের জঘণ্যতম এই হত্যাযজ্ঞের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করা। আর এজন্য সরকার এবং বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসসমূহ কাজ করে যাচ্ছে। আর এই স্বীকৃতি অর্জনের মাধ্যমেই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন পরিপূর্ণতা পাবে।”

Picture

সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শ্যামল খানের উপস্থাপনায় বক্তব্য দেন অধ্যাপক হাবিবে মিল্লাত, সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিদ্যুৎ বড়ুয়া, সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ ব্যাপারী ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট অমি রহমান পিয়াল।


বার্লিনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিশু সমাবেশ

বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

বিটু বড়ুয়া, বাপ্ নিউজ : বার্লিন, জার্মানি থেকে :বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিশুদের উপস্থিতিতে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে পালিত হয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশুদিবস।

Picture

এ উপলক্ষে গত শনিবার বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ছাড়াও অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, এক মিনিট নীরবতা পালন, বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও দোয়া মাহফিলসহ নানা আয়োজন।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুরাআলোচনা অনুষ্ঠানে জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, শিশুরাই দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। আর এদের মধ্যে থেকেই আমরা পাব দেশ গড়ার নতুন কারিগর। তাই আমরা পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন প্রত্যেক বাবা-মায়ের উচিত সন্তানকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ ও দেশের আবহমান অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতিকে বুকে লালন করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সুশিক্ষিত করে তোলা।
পরে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার দৃশ্যএর আগে রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের জার্মান শাখার সাবেক সভাপতি মিজানুল হক খান, সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, দলের বার্লিন শাখার সভাপতি মাসুদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নূর-ই-আলম সিদ্দিকি, সাংগঠনিক সম্পাদক রানা ভূঁইয়াসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।


ব্রাজিলে ছাত্র-ছাত্রীরা নাঁচে-গানে উদযাপন করলো বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী

সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

Picture

গতানুগতিক উদযাপনের বাইরে গিয়ে ব্রাজিলে বাংলাদেশ দূতাবাস এবার বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করে ব্রাসিলিয়ার সুবিধাবন্চিত শিশুদের একটি স্কুলে। বঙ্গবন্ধু সব শিশুদেরকেই ভালোবাসতেন। তবে সমাজের প্রান্তিকে থাকা বাচ্চাদের জন্য তাঁর বিশেষ ভালোবাসা সর্বজনবিদিত। সেই দৃষ্টান্ত আর অনুপ্রেরণা থেকেই এবারের এ আয়োজন। বঙ্গবন্ধুকে এই শিশুগুলো কিছুটা জেনেছে, ভালোও বেসেছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাদের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা যেন জ্বলজ্বল করছিল এই শিশুদের চোখেমুখে।

সারাসপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের ইতিহাস আর সংস্কৃতি নিয়ে পড়াশুনা করেছে এই শিশুগুলো। আজ উৎসবের দিনে তারা পরম মমতা আর আন্তরিকতায় পরিবেশন করেছে বাংলাদেশের গান এর নাঁচ। এমনকি বাংলার মানুষের আতিথেয়তা আর খাওয়াদাওয়া নিয়ে তারা ছোট একটা নাটিকাও মন্চস্হ করেছিল। যে কোন বাঙালীই এই সুদুর বিদেশে বিদেশী বাচ্চাদের এইসব মনকাড়া পরিবেশনা দেখে অভিভুত না হয়ে পারবেন না।

alt

বাংলাদেশের পতাকার রং লাল আর সবুজ ছাড়াও নীল সমুদ্র আর হলুদ শর্ষেক্ষেতের রংয়ে সেজেছিল আজকে স্কুলটি—এবং সব শিশুরা। চার রংয়ের চার দলে ভাগ হয়ে পুরো সাংস্কৃতিক পরিবেশনাটির আড়ালে আয়োজন করা হয়েছিল একটি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতারও। প্রত্যেকটি দলই একাধিক পরিবেশনা করে। অনুষ্ঠানের শেষে ব্রাজিলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ জুলফিকার রহমান জয়ী তিনটি দলকে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রতিযোগীদের সবাইকে রাষ্ট্রদূত সনদ দেন।

alt

এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সবচেয়ে উল্লেখ্য বিষয় ছিল যে, স্কুলের দেড়শত শিশুর সবাই স্টেজে পারফরম্যান্স করেছে! সারাক্ষণ তাদের আনন্দ আর হৈ হুল্লোড় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের উৎসবকে সত্যিকার নির্মল আনন্দে আনন্দময় করে তুলেছিল। পুরো স্কুলটাই যেন এক টুকরো বাংলাদেশ হয়ে উঠেছিল!!অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত শিশুদের উদ্দেশ্যে তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলার নানান কাহিনী মজা করে বর্ণনা করেন। বঙ্গবন্ধু শিশুদের কত ভালোবাসতেন এবং বাংলাদেশের শিশুদের ভাল মানুষ হয়ে গড়ে ওঠার লক্ষ্যে তাঁর অবদানের কথাও বলেন। রাষ্ট্রদূত শিশুদেরকে ভাল মানুষ হয়ে গড়ে ওঠার জন্য বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিতে বলেন। তিনি আরো বলেন যে, কেবলমাত্র একটি সুশিক্ষিত যুবসমাজ, যারা আগামী দিনগুলোতে পৃথিবীর নেতৃত্ব দিবে, সুন্দর একটি শান্তিময় বিশ্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে।