Editors

Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

কানাডার অটোয়ায় ৪৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করলো বাংলাদেশ হাইকমিশন

বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০১৭

Picture

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে ২৮শে মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর ঐতিহ্যবাহী ফেয়ারমন্ট শ্যাতো লরিয়ার হোটেলের এডাম হলে এক আনুষ্ঠানিক সম্বর্ধনার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত পার্লামেন্টারী সেক্রেটারী, জেনারেল এন্ড্রু লেসলি এমপি। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দকে স্বাগত জানান কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাই কমিশনার মিজানুর রহমান, তাঁর সহধর্মিনী মিসেস নিশাত রহমান ও দূতাবাসের মিনিস্টার নাইম উদ্দিন আহমেদ। সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে কানাডার সংসদ সদস্য ও সিনেটরগণ, গ্লোবাল এ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ, অটোয়ায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধাগণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, নেতৃস্থানীয় কানাডীয় সমাজকর্মীবৃন্দ, শিল্পী-সাহিত্যিকগণ, বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রী গবেষক এবং চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সরকারী চাকুরীজীবী ও উদ্যোক্তাসহ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিশিষ্ট কানাডীয় নাগরিকগণ যোগদান করেন।

alt

স্বাগত বক্তব্যে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় কানাডার অকুণ্ঠ সহযোগিতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক সেই সম্পর্কের বন্ধন আজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। সারা বিশ্বে তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ হচ্ছে কানাডার দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহের উৎসহ। অন্যদিকে, কানাডার সাস্কাচুয়ান ও এ্যালবার্টা প্রদেশ হতে প্রচুর পরিমাণে মসুর ডাল, ক্যানোলা তেল এবং পটাশ সার আমদানী করছে বাংলাদেশ। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বর্তমানে ২.৪ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। ঢাকা-টরন্টো বিমান চলাচল চুক্তি সম্পাদনের জন্য উভয় দেশ কাজ করছে। একটি বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তির বিষয়টিও আলোচনাধীন রয়েছে। এছাড়াও দু'দেশের পররাষ্ট্র বিভাগের মধ্যে নিয়িমত আলোচনার জন্য ফরেন অফিস কন্সালটেশনের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রচেষ্টা চলমান। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনের লক্ষে মাননীয় প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার কাজ করে চলেছে। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক কানাডা সফর এবং তার পরের মাসেই মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.এইচ. মাহমুদ আলীর সফরের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে।  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য আত্মদানকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে হাই কমিশনার বলেন, লাখো শহীদের আত্মত্যাগের সেই মহান মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বিজয় তখনই অর্থবহ হয়ে উঠবে যখন আমরা প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় একটি শক্তিশালী অর্থনীতির উপর দাঁড়াতে পারবো। সেজন্য তিনি কানাডা সরকার, কানাডীয় কোম্পানীসমূহ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের বাংলাদেশে অধিকতর বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।কানাডায় বসবাসকারী এক লক্ষাধিক বাংলাদেশী, যাঁরা দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে কানাডার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন, তাঁদের প্রশংসা করে এদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলতর করার ক্ষেত্রে কাজ করার জন্য আহবান জানান বাংলাদেশের হাইকমিশনার।

alt

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত পার্লামেন্টারী সেক্রেটারী এন্ড্রু লেসলি এমপি এম.পি. বলেন, কানাডার কাছে বাংলাদেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। দু'দেশের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমবর্ধিঞ্চু। এমন প্রেক্ষাপটে গত বছর বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দু'দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। জনাব এন্ড্রু লেসলি বলেন, তাঁর কাছে বাংলাদেশের একটি বিশেষ আবেদন রয়েছে এজন্যই যে তাঁর নির্বাচনী এলাকা অরলিন্স -এর বিপুল সংখ্যক ভোটার হচ্ছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত কানাডীয়ান, যাঁরা সাফল্যের সাথে কানাডার উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করে যাবেন তিনি। সেই সাথে কানাডা-বাংলাদেশ দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক যাতে আরও জোরদার হয় এবং উভয় দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা যাতে আরও বাড়ে সে লক্ষ্যে তাঁর পক্ষ থেকে সব রকম সহযোগিতা থাকবে বলে তিনি জানান। তাঁকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান জেনারেল এন্ড্রু লেসলি এমপি। কানাডা-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক কূটেনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার উল্লেখ করে এন্ড্রু লেসলি বলেন, আগামী দিনগুলোতে এ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।

আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পর বাংলাদেশের হাইকমিশনার, মিসেস নিশাত রহমান এবং প্রধান অতিথি এন্ড্রু লেসলী বাংলাদেশ-কানাডা দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বপুর্ণ সুসম্পর্ক কামনা করে টোস্ট করেন। এরপর উভয় দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক অঙ্কিত কেক একত্রে কেটে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসকে উদযাপন করেন হাইকমিশনার মিজানুর রহমান, তাঁর সহধর্মিনী মিসেস নিশাত রহমান এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেনারেল এন্ড্রু লেসলী এমপি।

সম্বর্ধনা শেষ অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। বাংলা-ইংরেজি-ফরাসী ত্রিভাষিক উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের ঘোষণা করেন প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদ। সার্বিক সমন্বয়ে ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মিনিস্টার নাইম উদ্দিন আহমেদ ও প্রথম সচিব আলাউদ্দিন ভুঁইয়া। অতিথি সমন্বয় ও সংযোগ করেন প্রথম সচিব অপর্ণা রাণী পাল ও প্রথম সচিব মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। হাই কমিশনের সকল কূটনীতিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ তাঁদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অভ্যাগত অতিথিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।


কাতারে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ৭০ দেশের কূটনীতিক

বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০১৭

Picture

অনুষ্ঠানের শুরুতে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ, শ্রম কাউন্সিলর ড. সিরাজুল ইসলাম, কাউন্সিলর কাজী জাবেদ ইকবাল, প্রথম শ্রম সচিব রবিউল ইসলাম, দ্বিতীয় শ্রম সচিব মো. আজগর হোসেন আমন্ত্রিত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান।ভারত, পাকিস্তান, আলজেরিয়া, ওমান, আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা, লিবিয়া, জর্ডান, আমেরিকা, তিউনিশিয়া, সুদান, ইরাক, যুক্তরাজ্য, জাপান, চীন, দুই কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনেই, মিশর, থাইল্যান্ড, নেপাল, ব্রাজিল, গ্রীসসহ ৭০টি দেশের বিভিন্ন মিশনের রাষ্ট্রদূত ও কাউন্সিলররা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।বাংলাদেশ ও কাতারের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

alt

এরপর রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ তার বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য সবার সামনে তুলে ধরেন। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার অভিমতও ব্যক্ত করেন তিনি।এরপর কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ অনুষ্ঠানের অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন। পরে রাষ্ট্রদূত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং নৈশভোজের ব্যবস্থা করেন।

alt

তারপর কাতারে বাংলাদেশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়ী সংগঠন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

বুধবার, ২৯ মার্চ ২০১৭

Picture

উক্ত আলোচনা সভায় স্বাধীনতা দিবস ও ২৬ মার্চের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন সুইজারল্যান্ড -বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আমেনা ইসলাম রুকু ও সুইস বাংলাদেশ মহিলা সমিতির মহাসচিব কান্তা হোসেন, স্থানীয় ২১ ফেরুয়ারি উদযাপন কমিটির সহকারী সচিব নিশাত রহমান, ২৬ মার্চ উদযাপন কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক মেহনাজ পারভিন মুক্তি প্রমুখ। ওয়ার্ল্ড বড়ুয়া ওর্গেনাইজেশন জেনেভা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।


সৌদি আরবে সবচেয়ে বড় বাংলাদেশি পতাকা দেখালো মদিনা বাংলা স্কুল

বুধবার, ২৯ মার্চ ২০১৭

মোহাম্মদ আল-আমীন, বাপ্ নিউজ : সৌদি আরব:সৌদি আরবের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করার রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মদীনা শাখা। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে সৌদি আরবের মধ্যে সবচেয়ে বড় জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করা হয়েছে। এর আগে দিবসকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।  

Picture

স্কুলের প্রধান শিক্ষক টিএম শহিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাসের ইকোনোমিক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আবুল হাসান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। স্কুল পরিচালনা কমিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুছা আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, স্কুল পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ডা. আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অভিভাবকদের মধ্য হতে রবিউল ইসলাম রবি ও ফায়েজুল ইসলাম।
 
মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র এইচ এম ফখরুদ্দিন খান মাদানীর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। স্কুলের ছাত্রছাত্রী অভিভাবক ও উপস্থিত সকলের পরিবেশনায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধান অতিথি ড. আবুল হাসান ও অন্যান্য মেহমানবৃন্দ। । এরপরই ছাত্র ছাত্রীদের অংশগ্রহণে সৌদি আরবের মধ্যে সর্ববৃহৎ জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করা হয়।


"বঙ্গবন্ধুর ভাষণটিকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষন" এডমন্টনে গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় জাহিদ

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : এডমন্টন (কানাডা) থেকে : মার্চ ২৫, ২০১৭: বাংলাদেশ হেরিটেজ সোসাইটি অব আলবার্টা  প্রবাসে বাঙ্গালি সংস্কৃতির বিকাশ ও স্বাধীনতার মর্মবাণীকে  পৌছে  দেয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ও প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশে গণহত্যা স্মরণ এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে উদযাপন করেছে ।বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কানাডা,এর নির্বাহী ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব আলবার্টা সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ প্রধান অতিথি  হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন. সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মাসুদ ভুইয়া।

Picture

আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের দাবি ও যৌক্তিকতা তুলে ধরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কানাডা,এর নির্বাহী দেলোয়ার জাহিদ বলেন, ২৫মার্চ ১৯৭১ এর সার্চলাইট অপারেশন থেকে শুরু করে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী  নির্বিচার হত্যা, জ্বালাও-পোড়াও করে স্বাধীনতাকামী বাঙালির কণ্ঠকে বুলেট দিয়ে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছে কিন্তু তারা সফল হয়নি কারন আপামর জনতা এর বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছে।  স্বসস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে.সভায়  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষনটি  এ প্রজন্মের শিশু কিশোরদের বাজিয়ে শুনানো হয়।  ভাষনটির উপর  পর্যালোচনা করেন সভার প্রধান অথিতি। তিনি বঙ্গবন্ধুর ভাষণটিকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষন আখ্যা দেন, এবং একে বাঙ্গালীর উদ্দিপনের যাদুমন্ত্র বলে বর্ননা করেন। এতে ভাবাবেগ ছাড়াও রাজনৈতিক মহাত্ম্যের যে কারুকাজ রয়েছে সে পূর্ণতার চিত্র তুলে ধরেন।

alt

প্রধান অথিতি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে খুজে পেতে কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র,পুলিশ ও  সিপাহী,-জনতার কৃতিত্বগুলোকে তৃণমুলে থেকে অনুস্ধান করতে বলেন.  বর্ণাঢ্য কারুকাজ ওশৈল্পিক বিন্যাসে  হেরিটেজ সোসাইটির সহ সভাপতি ফয়সল ভুইয়ার ছবি প্রদর্শনীকে তিনি ভুয়সী প্রশংসা করেন।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের নাম পাঠ, কোরান তেলোয়াত ও আলোচনা করে  কিশোর আনাস আইহাম, ও আনবের আইহাম এবং শামসুর রহমানের কবিতা পাঠ করেন ফারহানা কাদের। মনোজ্ঞ আলোচনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক রুহুল আমীন। সভার সভাপতি বলেন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষনা ও বাঙ্গালী জাতিকে অনুপ্রানিত করেছিলো। যার যার অবদান ইতিহাসে তার নিজস্ব স্থান দখল করে আছে।


পর্তুগালে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

নাঈম হাসান পাভেল, বাপ্ নিউজ : সিনত্রা (পর্তুগাল) থেকে : যথাযোগ্য মর্যাদায় পর্তুগালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।স্থানীয় সময় রোববার সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপনের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

Picture

জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী।দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব ও দূতালয় প্রধান হাসান আব্দুল্লাহ তৌহিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

alt

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।এর আগে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি সম্মান জানান উপস্থিত অতিথিরা।পরে দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী।

alt

এ সময় পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল আলম জসিম, সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান, পর্তুগাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফোরামের সভাপতি রানা তসলিম উদ্দিন, পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মিয়া ফরহাদ, দেলোয়ার হোসেন, পর্তু নর্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদক কাজল আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।অনুষ্ঠান শেষে একাত্তরে আত্মাত্যাগী শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের সহকারী কনস্যুলার কর্মকর্তা নুর উদ্দিন।


মালয়েশিয়ায় স্বাধীনতা দিবসের সভা ও মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : মালয়েশিয়া প্রতিনিধি : মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ও দেশটিতে বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা জানানো হয়েছে।রোববার রাতে রাজধানী কুয়ালালামপুরের হোটেল সায়েদ বিস্ট্র বলরুমে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এম রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে এবং সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মিনহাজ উদ্দিন মিরানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার শক্তি আর বাঙালি জাতীয়তাবোধের চেতনাকে লালন করে স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরও আমরা স্বপ্ন পূরণ করতে পারিনি। দেশবিরোধী কুচক্রী মহলের কর্মকাণ্ড, দলতন্ত্র, সামরিকতন্ত্র ও সুশাসনের অভাব আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ও সোনার বাংলা গড়ায় বড় বাধা।

সমাপনী বক্তব্যে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এম রেজাউল করিম রেজা বলেন, বাঙালি জাতিকে একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্থপতি এবং স্বপ্নস্রষ্টা।

Picture

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মালয়েশিয়া ক্রাইম প্রিভেনশন ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক দাতু ফুয়াদ বিন হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সহসভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা জসীম উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সহসভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হামিদ জাকারিয়া, যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক এ কামাল হোসেন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা দাতু আমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ বাদল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহতাব খন্দকার, সাংবাদিক গৌতম রায়, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হুমায়ূন কবির, নুর মোহাম্মদ ভুইয়া, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল বাতেন, আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদ রানা, শ্রমিক লীগের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল বিন রানা, ক্লাং শাখা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা অধীর সেন, পিজে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন, হাংতুয়া আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমন, চেরাস উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোল্লা মো. স্বপন, সহসভাপতি সাফায়াত হোসেন, রাওাং শাখা আওয়ামী লীগের সমন্বয়ক আমিরুল ইসলাম, বাতু কেভ শাখা আওয়ামী লীগের সমন্বয়ক রাহাদুজ্জামান, আওয়ামী লীগ নেতা সামসুল ইসলাম ও ছাত্রলীগ নেতা রাজন হাসান, অর্নিবান ও নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে  আরও উপস্থিত ছিলেন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, লিটন দেওয়ান, শউকত আলী তিনু, প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, হুমায়ূন কবির আমির বাকী মিয়া, ক্লাং  শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.  সোহাগ , পিজে শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাশেম, বাংসার শাখা আওয়ামী লীগের সমন্বয়ক কিরন, মালেয়শিয়া যুবলীগের সদস্য সাইফুল আলম চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা এস এম সুমন, নজরুল ইসলাম, মঞ্জুরুল,তাহির, ,ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।


গণহত্যা দিবসে প্যারিসে আলোর মিছিল

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

Picture

মুক্তিযুদ্ধা আব্দুন নূর শিকদার  বলেন, "বাঙালি জাতিকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে যে গণহত্যা চালিয়েছিল, তা বিশ্বের সকল গণমাধ্যমেই গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছিল। " পাকিস্তানকে আগামী প্রজন্ম ঘৃণা করবে বলেও প্রত্যাশা জানান তিনি।


গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি ডেনমার্ক প্রবাসীদের

শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কোপেনহেগেন ডেনমার্ক থেকে : ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছে ডেনমার্ক প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শনিবার (২৫ মার্চ) ড্যানিশ পার্লামেন্টের সামনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারা। এছাড়া ‘গণহত্যা দিবস’কে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে ড্যানিশ পার্লামেন্টের সচিবের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মোমবাতি প্রজ্জলন শেষে বক্তারা বলেন, ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের প্রতি জাতির চিরন্তন শ্রদ্ধার স্মারক এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন ১৯৭৩ প্রণয়ন করেছিল। অনেকের বিচার সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি এবং বিচারকাজ বন্ধ করে দেন।

Picture

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, জাহাঙ্গীর আলম, ডেনমার্ক যুবলীগ সভাপতি জামিল আখতার কামরুল, সাধারণ সম্পাদক আমির জীবন, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া, ডেনমার্ক ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের হিল্লোল বড়ুয়া, মোহাম্মদ ইউসুফ, আবদুল আল জাহিদ, শোয়েব আহমেদ, রিয়াদ হোসেন, ফয়সাল হোসেন, জামশেদ রহমান, ইমরান হোসেন, সুবীর, শাওন, কোহিনূর, মুকুল, সাগর, তানভীর শুভ, সুকান্ত দে, আসিফ মুস্তারিন, সুমন বিশ্বাসসহ ডেনমার্কের সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলাদেশ দূতাবাস ব্যাংককে গণহত্যা দিবস পালিত

শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসনিম বলেছেন, বাঙালি জাতিসত্বাকে সুপরিকল্পিতভাবে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রে পাকিস্তানি সশস্ত্র হানাদার বাহিনী যে বর্বরতম ও ঘৃণিত হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল তা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি রাখে।
 
শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ দূতাবাস ব্যাংককে ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
 
রাষ্ট্রদূত ২৫ মার্চের কালোরাত্রে বাঙালি জাতির ওপর সংঘটিত নৃসংশ গণহত্যার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন এবং এই দিবসটিকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতিষ্ঠানিক পরিসরে স্বীকৃতি আদায়ের পক্ষে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রীপরিষদ কর্তৃক ২৫ মার্চকে জাতীয় ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দানের ঘটনাকে ঐতিহাসিক বলে সাধুবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন যে, যুগোস্লাভিয়া, রাওয়ান্ডা, কম্বোডিয়াসহ সাম্প্রতিক গণহত্যাগুলোর মতো ২৫ মার্চ জাতিগত বাঙালিদের গণহত্যার ঘৃনিত ইতিহাসও উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাস থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ায় সেমিনারের আয়োজন করে গণসচেতনতা সৃষ্টি করবে।

বাংলাদেশ দূতাবাস ব্যাংককে গণহত্যা দিবস পালিত


 
মুনা আরো বলেন, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে একদিকে যেমন ২৫ মার্চ এবং মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত নির্দেশিত এবং পরিকল্পিত গণহত্যা সম্পর্কে বাংলাদেশে এবং প্রবাসে নতুন প্রজন্ম অবগত হবে অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহলে এই গণহত্যার স্বীকৃতি আদায়ে সচেতনতা তৈরি করতে সাহায্য করবে।
 
রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন, জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন এবং পূর্ববর্তী ঐতিহাসক গণহত্যাগুলোর পাবলিক ক্যাম্পেইন স্ট্র্যাটেজির আলোকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিসরেও ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়ে থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার বিভিন্ন মিডিয়া, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং মানবিক সংস্থার আঞ্চলিক দপ্তরগুলোর সাথে এ বিষয়ে কাজ করে যাবার দৃঢ় পত্যয় ব্যাক্ত করেন।
 
রাষ্ট্রদূত  মুনা উপস্থিত প্রবাসীদের ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’-কে স্বীকৃতির পক্ষে থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ায় জনমত সৃষ্টির জন্য দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দূতাবাসের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাওয়ার জন্যে আহ্বান জানান।
 
অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গ এবং ২৫ মার্চের কালরাত্রে গণহত্যার শিকার ও মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কোরআন তেলাওয়াত ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আলোচনা সভার শুরুতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞে নিহত শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। তাছাড়া ৭১’র গণহত্যার উপর নির্মিত ‘৭১’র গণহত্যা ও বধ্যভূমি’ শীর্ষক একটি বিশেষ ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করা হয়।


গণহত্যা স্মরণ ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এম,জে,এম,এফ এর ফুটবল টুর্নাম্যান্ট অনুষ্ঠিত

শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০১৭

মাহিনুর জাহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন (এম,জে,এম,এফ বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাব) এর উদ্যোগে ২৫শে মার্চ ৭১ এর  গণহত্যাকে স্মরণ এবং ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এডমন্টন শহরের কিলার্নি বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে  একটি ফুটবল টুর্নাম্যান্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।তিনটি স্থানীয় ফুটবল দল  এম,জে,এম,এফ  বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাব,  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব আলবার্টা  ( বিপিসিএ) ও বাংলাদেশ হেরিটেজ মিউজিয়াম টুর্নামেন্ট এ খেলায় অংশ নেয়। চূড়ান্ত খেলায় 2-2 গোলে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ানশীপ অর্জন করে  বিপিসিএ  ও এম,জে,এম,এফ .বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কানাডা,এর নির্বাহী ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব আলবার্টা   সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ  প্রধান অতিথি  হিসেবে ট্রফি  বিতরণ করেন. অনুষ্ঠানে এম,জে,এম,এফ বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাব সভাপতি আহসান উল্লা সভাপতিত্ব করেন।

Picture

ট্রফি বিতরণ কালে মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ বলেন, বিশ্বে হত্যা, সন্ত্রাস এবং উগ্রবাদিতা  ক্রমেই বেড়ে   চলেছে। ১৯৭১ এ স্বাধীনতার জন্য লক্ষ লক্ষ বাঙ্গালীকে জীবন দিতে হয়েছে.  ২৫শে মার্চের কালরাতে শুরু হওয়া হত্যাযজ্ঞে শহীদদের আমরা স্বশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি। স্বশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সহ সকল শহীদদের. আগামী প্রজন্মকে শান্তির জন্য প্রয়োজনে যুদ্ধ  করার আহ্বান জানান তিনি.

alt

তরুণদের প্রতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত ও সম্প্রদায়ের সামাজিক পরিবর্তনের জন্য  আহ্বান জানান  প্রধান অতিথি.

 অংশ গ্রহনকারী খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন রনি, শান, নিগার, রবিন, জুয়েল, তানভির, বাশার, সিফাত, আহাদ, রকি, রুবেল,  রাসেল,  জাবেদ, সালা, সাব্রী প্রমুখ।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানকালীন সময়ে সভাপতি আহসান উল্লাহ একুশে যুব পুরস্কার  ২০১৭ প্রাপ্ত রবিন এবং সালাকে পরিচয় করিয়ে দেন।

মাহিনুর জাহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন (MJMF) বর্তমানে এম,জে,এম,এফ বাংলাদেশ ক্রীড়া ক্লাব নামকরণ করা হয়েছে, এডমন্টন  ভিত্তিক একটি অরাজনৈতিক এবং অলাভজনক সংস্থা, যা বাংলাদেশী -কানাডিয়ানদের তাদের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রম  সম্প্রসারন করে চলেছে।

ছবিতে:  মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ  ট্রফি ও পুষ্ককবিতরন করছেন  এবং বক্তব্য রাখছেন.