Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

তারেককে ফেরাতে থেরেসার কাছে যুক্তরাজ্য আ.লীগের চিঠি

বুধবার, ০৭ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র কাছে চিঠি দিয়েছে যুক্তরাজ্য শাখা আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার লন্ডনের স্থানীয় সময় বেলা ২টার দিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘টেন ডাউনিং স্ট্রিট’-এর এক কর্মকর্তার হাতে চিঠি পৌঁছে দেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা।

খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান প্রায় ১০ বছর ধরে পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে আছেন। ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ার পর তারেক রহমান লন্ডনে বসেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিযুক্ত সাংগঠনিক প্যাডে লেখা এ চিঠিতে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, তারেক রহমান বাংলাদেশের আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দুটি মামলায় তার কারাদণ্ডের পাশাপাশি আর্থিক জরিমানা হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাজ্যে অবস্থান করার মাধ্যমে তারেক রহমান তাঁর অপরাধের সাজা এড়িয়ে যাচ্ছেন।

Picture

চিঠিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা যে হামলা চালিয়েছে, সেটি তারেক রহমানের নির্দেশে হয়েছে বলে বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে। তারেক রহমানকে পলাতক আসামি উল্লেখ করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানও জানানো হয় চিঠিতে।

যুক্তরাজ্য শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের নেতৃত্বে এ চিঠি দেওয়া হয়।

সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, তারেক রহমান লন্ডনে বসে বাংলাদেশের শান্তি বিনষ্টে লিপ্ত। তাঁর নির্দেশে লন্ডনের হাইকমিশনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা চাই যুক্তরাজ্য সরকার দ্রুত তারেক রহমানকে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিক।

এক প্রশ্নের জবাবে সাজিদুর রহমান ফারুক বলেন, বাংলাদেশ সরকার তার নিজস্ব গতিতে কাজ করছে। আমরা যুক্তরাজ্যপ্রবাসী হিসেবে তারেক রহমানের বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারকে অবহিত করা দায়িত্ব বলে মনে করি। কারণ দণ্ডিত আসামি তারেক রহমানকে সাজা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি যুক্তরাজ্য যে আইনের শাসনে বিশ্বাস করে তার প্রতি সাংঘর্ষিক।


প্যারিসে সারগাম শিল্পী গোষ্ঠীর বসন্ত উৎসব

বুধবার, ০৭ মার্চ ২০১৮

এনায়েত হোসেন, বাপ্ নিউজ : প্যারিস, ফ্রান্স থেকে : সাংস্কৃতিক পরিবেশনাফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বাংলাদেশি সংগঠন সারগাম শিল্পী গোষ্ঠীর উদ্যোগে বসন্ত উৎসব উদ্‌যাপিত হয়েছে। গত রোববার (৪ মার্চ) স্থানীয় সময় বিকেলে একটি হলে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের ১৩ বৎসর পূর্তি উপলক্ষে এক আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শুরু হয় বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত দিয়ে। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি হাওলাদার মোহাম্মদ শাহাদত।

Picture

প্রধান অতিথি ছিলেন ফ্রান্সের বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব নির্ঝর অধিকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফ্রান্স শাখার সভাপতি বেনজির আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মহসিন উদ্দিন খান, ঢাকা বিভাগ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহজাহান শারু, বরিশাল বিভাগ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব খান, সমাজসেবী এস এইচ হায়দার, সুনাম উদ্দিন, আলতাফ হোসেন, হাসান সিরাজ, আলিমুর রেজা, সুমন খান ও আলী আক্কাস প্রমুখ। বক্তব্য দেন খন্দকার আতাউর রহমান, আজাদ আহমদ, মিরাজুল ইসলাম, মাসুদ হোসেন, রেজাউল খান, মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও রিপন আহমদ।


সাংস্কৃতিক পরিবেশনাযৌথভাবে উপস্থাপনা করেন মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ও শিমুল হাওলাদার।বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ফ্রান্সের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে সারগাম শিল্পী গোষ্ঠী যে শুদ্ধ সংস্কৃতির ধারা অব্যাহত রাখছে তা প্রশংসার দাবি রাখে। তারা এ যাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য আহ্বান জানান।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিল্পী ও সংগঠনের সদস্যরাসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিল্পী ও সংগঠনের সদস্যরা

সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্য, কবিতা, পুথি ও গান পরিবেশিত হয়। অংশগ্রহণ করেন হাওলাদার মুহাম্মদ শাহাদত, এমিল ওয়াহিদ, আতাউর রহমান, মুন্নী খন্দকার, অনামিকা, আজাদ আহমেদ, ঐন্দ্রি, মাইনুল ইসলাম, রিয়াজুল ইসলাম, যারা খান, সোমা দাস, হাছান আহমদ, কাব্য কামরুল, তানভিরুল ওয়ারা, রণজিৎ বড়ুয়া ও শরিফুল ইসলাম।


বাংলাদেশ আইন সমিতি ইউকের ১০ বছর পূর্তি অনষ্ঠান উৎযাপিত

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : গত রোববার বাংলাদেশ আইন সমিতি ইউকের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এক উৎসব অনুষ্ঠান পালিত হয়। এই উৎসব পালিত হয় পূর্ব লন্ডনের স্থানীয় একটি ইভেন্ট হলে। ইউকেতে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের সমন্নয়ে গঠিত এই সমিতির সদস্যগণ যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বিশেষ করে আইনি সহযোগিতা দিয়ে আসছেন।

স্বতঃস্ফূর্ততা, সুগভীর আন্তরিকতা, সীমাহীন ভালোবাসা, নির্মল স্নেহ, নির্লোভ এই জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে উপস্থিতির মধ্যে। বাংলাদেশী কম্যুনিটির ধারণা, বাংলাদেশ আইন সমিতি ইউকের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এক প্রশংসনীয় এবং ঈর্ষণীয় অনুষ্ঠান উপহার দিয়েছে। এই সমিতির সদস্যগণ সুশৃঙ্খল এবং ভাতৃত্ববোধের প্রদর্শন অতুলনীয় যা সত্যিই অন্যান্য বিশেষ করে সামাজিক সংগঠনের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

Picture

অন্যান্যদের মধ্যে অ্যাডভোকেট শিব্বীর আহমেদকে এই সমিতির জন্য বিশেষ অবদান রাখার জন্য ক্রেস প্রদান করা হয়। তিনি প্রথম এই সমিতির জন্য সংবিধান রচনায় জড়িত ছিলেন যা অনুসরণ করা অতি সহজ ও বান্ধব। তাছাড়াও তিনি প্রথম কার্যকরী কমিটির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ছিলেন।
 
অত্যন্ত আনন্দগণ, স্বতঃস্ফূর্ত ও বর্ণিলতার মধ্যে দিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থিত সকলের হাস্যোজ্জ্বল ভাববিনিময়ের মাধ্যমে উদযাপিত হয়ে গেলো বাংলাদেশ আইন সমিতি ইউ কের দশ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানটি। সকলের মুখে মুখে যেনো এই আভা প্রতিফলিত হচ্ছিলো যে, আনন্দ হউক আমাদের নিত্য সঙ্গী, কল্যাণময় প্রগতি হউক আমাদের ব্রত; সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মন নিয়ে উত্তরোত্তর শক্তিশালী হউক প্রবাসে আমাদের এই বন্ধন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারী (রবিবার) ২০১৮, “দ্যা এট্রিয়াম লন্ডন” এ আয়োজিত বাংলাদেশ আইন সমিতি ইউ কের “দশ বছর পূর্তি” অনুষ্ঠানটি স্মরণাতীত সর্বোচ্চ পর্যায়ে সফলতা অর্জনের মাধ্যমে উপস্থিত সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের মাধ্যমে পরিসমাপ্ত হয়।


টরন্টো ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে লড়বেন মহসিন ভূঁইয়া

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

Picture

কমিউনিটির মানুষের সুবিধার্থে টিটিসি’র যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নয়ন সাধন, বিশেষ করে ড্যানফোর্থ এভিনিউ-কিংস্টন-এর তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষ যেন সব সময় টিটিসি সার্ভিস পায় তা তিনি নিশ্চিত করবেন। তিনি বলেন, দিনে দিনে প্রপার্টি ট্যাক্স বেড়ে যাচ্ছে। তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করলে প্রপার্টি ট্যাক্স কমানোর জন্য ব্যবস্থা নিবেন।মহসিন ভূঁইয়া আরও বলেন, কানাডায় এসে তিনি অনেক পরিশ্রম করেছেন। এখন সময় হয়েছে কমিউনিটির মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা। আর এজন্যই তিনি সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হতে যাচ্ছেন।

alt

সভায় তাঁকে শুভেচ্ছা জানান সিবিএন-এর সম্পাদক মাহবুব ওসমানী এবং সিবিএন-এর প্রকাশক সামি খান। মাহবুব ওসমানী তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের কমিউনিটি থেকে কোন প্রতিনিধি কানাডার মেইনস্ট্রিম নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এটি অত্যন্ত সুখের খবর। মহসিন ভূঁইয়ার নির্বাচনী প্রচারে সিবিএন পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি।

alt

আলোচনায় আরও অংশ নেন সাপ্তাহিক বাংলা কাগজ-এর সম্পাদক এম.আর.জাহাঙ্গীর, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী মনির ইসলাম, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী নূর তৌহিদসহ আরও অনেকে। প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্যারিস্টার জয়ন্ত কে সিনহা, এবং ব্যারিস্টার এএসএম তোফাজ্জেল হক-এর করা প্রশ্নের উত্তর দেন মহসিন ভূঁইয়া। সভায় ব্যারিস্টার ওমর হাসান আল জাহিদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন সাজেদুন নাহার।


জাপানের আশিকাগা সিটিতে পিঠা উৎসব

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

Picture

আনুয়ারুল কবির বেলাল, বাপ্ নিউজ : আশিকাগা সিটি, তোছিগি, জাপান থেকে :পিঠা বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ধান কাটা উৎসবে কৃষকের ঘরে যখন নতুন ধান ওঠে, সেই ধান ঢেঁকিতে ভেঙে তৈরি হয় নানারকম পিঠা। অগ্রহায়ণের নতুন চালের পিঠার স্বাদ সত্যিই বর্ণনাতীত। পিঠা খেতে ভালোবাসেন না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

পিঠা উৎসবের একটি দৃশ্যপ্রবাসের কর্মময় জীবনে পিঠা খাওয়ার সুযোগ হয়ে ওঠে না। প্রবাসীদের পিঠা খাওয়ার এই অতৃপ্তি কিছুটা দূর করতে ৪ মার্চ রোববার জাপানের আশিকাগা সিটিতে সুইয়ামা লুবনার উদ্যোগে আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য পিঠা উৎসবের। তাঁকে সার্বিক সহযোগিতা করেন নোমান সৈয়দ, নার্গিস আইরিন ও শফিকুল আলম।
পিঠা উৎসবের স্পনসর ছিলেন মাইনুল ইসলাম, যিনি দিদার কচি নামেই বেশি পরিচিত। বিভিন্ন শহরের ৬০ পরিবারের প্রায় ২৫০ জন সদস্য এই পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। পিঠা উৎসবটি জাপানের কানতো অঞ্চলের বাঙালির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। নারীদের পরনে ছিল বসন্তের শাড়ি ও পুরুষদের পরনে ছিল বাঙালির প্রিয় পোশাক পাঞ্জাবি।
পিঠা উৎসবের একটি দৃশ্যমধ্যাহ্ন ভোজনে ছিল হাতে তৈরি মজাদার ভর্তার সমাহার। উল্লেখযোগ্য ভর্তার মধ্যে ছিল খুরি ভর্তা, নিরা ভর্তা, আলু ভর্তা, ধনিয়া পাতার ভর্তা, চিংড়ি ভর্তা, বেগুন ভর্তা, মিষ্টি কুমড়া ভর্তা, মাছ ভর্তা, ক্যাপসিকাম ভর্তা, ব্রকলি ভর্তা, তিল ভর্তা, চাপা শুঁটকির ভর্তা, ডাল ভর্তা। সঙ্গে আরও ছিল চিংড়ি শুঁটকি রান্না, চপ, চিকেন কোর্মা ও গরুর মাংসের ভুনা।
পিঠা উৎসবের একটি দৃশ্যমধ্যাহ্ন ভোজের পরে ছিল নোমান সৈয়দ ও শফিকুল আলমের পরিচালনায় দ্বিতীয় পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন কাপলস গেমস। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নিত্য শিল্পী পুজার নাচ। পুজার মন মাতানো নাচ সবার মন জয় করে নেয়। অন্যান্যের মধ্যে নার্গিস-শফি জুটি, সুমনা-সোহাগ জুটি, নাইম-ঊষা জুটি, সোমা-শাহিন জুটি, মাচিইয়ামা-ইব্রাহিম মুনা ও শাম্মি-বাবলির গান দর্শকেরা দারুণ উপভোগ করেন। কাপলস গেমসে বউদের টিপ পরানো খেলায় আকর্ষণীয় পুরস্কার তিনটি জিতে নেন রাখী দম্পতি, শাম্মি দম্পতি ও মুন দম্পতি।
পুরস্কার বিতরণীউৎসবের বিশেষ আকর্ষণ পিঠা প্রতিযোগিতায় বিচারকদের রায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন জেসমিন সুলতানা কাকলি। তিনি তৈরি করেন বিবিখানা পিঠা কেক। প্রথম রানারআপ ও দ্বিতীয় রানারআপ নির্বাচিত হন সুইয়ামা লুবনা ও ইওয়াতা রুমি। তাঁরা তৈরি করেন যথাক্রমে হৃদয়হরণ পিঠা ও বিন্ধানি পিঠা। বিচারক প্যানেল ছিলেন জাপানের সবার পরিচিত মুখ দিদার কচি, সর্বজন শ্রদ্ধেয় রেণু আজাদ, লেখক-সাংবাদিক কাজী ইনসানুল হক ও ড্যাফোডিল একাডেমির পরিচালক মাচিইয়ামা ইব্রাহিম মুনা। পিঠা প্রতিযোগিতার বিশেষ তিনটি পুরস্কার জিতে নেন নার্গিস আইরিন, তানজিনা সেবু ও রুমানা সুহান সোমা।
পুরস্কার হাতে তিন বিজয়ীবিকেলে শুরু হয় ৪০ রকমের পিঠা উৎসবের মূল আকর্ষণ পিঠা ভোজন। উল্লেখযোগ্য পিঠার মধ্যে ছিল ভাপা পিঠা, নকশি পিঠা, হৃদয়হরণ পিঠা, পানতোয়া পিঠা, বিবিখানা পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, মুগপাকন নকশি পিঠা, পিঠা, বিন্ধানি পিঠা, দুধ চিতই পিঠা, ফুলঝুড়ি পিঠা, নুনাস পিঠা, চাপা পিঠা, তেলের পিঠা, ক্ষীর পিঠা, কিমা ফুলি পিঠা, নারিকেলের পাকন পিঠা, সেমাই পিঠা, দোল্লা পিঠা ও লস্করা পিঠা। মিষ্টান্নর মধ্যে ছিল সাদা চমচম, ফ্রুট ডেজার্ট ও মিষ্টি দই। ঝাল আইটেমের মধ্যে ছিল ডালপুরি ও হালিম।অনুষ্ঠানে কাজী ইনসানুল হকের নতুন বই ‘দূর পরবাস জাপান’ উপস্থিত সকলের কাছে তুলে ধরেন সানি ভাই।
উৎসবে সবার পক্ষ হতে এত চমৎকার একটি আয়োজনের জন্য সুইয়ামা লুবনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের আয়োজনের অনুরোধ করেন পরম শ্রদ্ধেয় মুনশি আজাদ।


টরন্টোয় বাংলাদেশি তরুণদের এত অকাল মৃত্যু কেন?

মঙ্গলবার, ০৬ মার্চ ২০১৮

ইমাম উদ্দিন,বাপ্ নিউজ : টরন্টো থেকে : একজনের নাম ফাহমি। অন্যজনের ফাহিম। ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোতে পড়তো ফাহমি। ফাহিম পড়তো ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে। ফাহমি আর ফাহিম দু’জনেই সম বয়সী। ফাহমি’র জানাজা হয় গত বছর মার্চে। আর এবার ২রা মার্চ বাঙালি কমিউনিটি জানাজা পড়লো ফাহিমের।
বেচেঁ থাকলে ফাহমির বয়স হতো ২২ বছর। ২৮ ফেব্রুয়ারি মিসিসাগায় ১১ তলার বাসা থেকে পড়ে ফাহিমের মৃত্যু হয়। আর ফাহমির লাশ পাওয়া যায় লেক অন্টারিওতে গত বছর মার্চে। দু’জনের শুধু নাম নয়, অনেক কিছুতেই কি অদ্ভুত মিল।
গত চার/পাঁচ বছরে টরন্টোর বাঙালি কমিউনিটি শুধু এই দুজন তরুণকে নয়, আরও বেশ কয়েকজনকে অকালে হারিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে টরন্টোয় বাংলাদেশি তরুণদের কেন এতো অকাল মৃত্যু? শুধু ফাহমি বা ফাহিম নয়। সাবিদ খোন্দকারসহ আরও অনেকেরই টরন্টোতে এভাবে অকাল মৃত্যু হয়েছে।
তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ২০১৬ সালে পরিচালিত এক গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায় অন্টারিওতে প্রায় ৪৬ শতাংশ শিক্ষার্থী মানসিক সমস্যায় ভোগে। যার মধ্যে ১৩% আত্মহত্যা করে। কানাডিয়ান মেন্টাল হেলথ্ এসোসিয়েশনের মতে কানাডায় ১ থেকে ২৪ বছর বয়সের তরুণদের মধ্যে ১৫ লাখ মানসিক সমস্যায় ভুগছে। বিষয়টি খুবই উদ্বগজনক নিঃসন্দেহে। এটি প্রতিটি পরিবারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

Picture
ফাহিমের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারকে এই দুঃসময়ে বাসায় নিয়ে রেখেছেন টরন্টোর রিয়েলেটর নাইমা নাজারা রহমান। তাঁর ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “এই মৃত্যু আমার জন্য আরেকটি ওয়েক আপ কল”। এই ওয়েক আপ কলটা হওয়া উচিত প্রতিটি পরিবারের জন্য। বিশেষ করে যাঁদের সন্তান আছে।
টরন্টোর হোমিওপ্যাথিক ডা. মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের সন্তানদের ব্যাপারে আরও সচেতন হতে হবে। ছেলে-মেয়েরা একা একা রুমে সময় কাটায়। এটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কোনো মতেই ভাল নয়।” টরন্টোর বাঙালি কমিউনিটি সংগঠন বেঙ্গলি ইনফরমেশন এন্ড এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস (বায়েস) এর গত ২৭ ফ্রেব্রুয়ারি আয়োজিত এক কর্মশালায় বলা হয়, স্নেহ-মমতা ও ভালবাসা দিয়ে মানসিক সমস্যার সমাধান করতে হবে। প্রবাসে সন্তানদের একাকীত্ব দূর করতে হবে।
টরন্টোয় প্রবাসি বাংলাদেশি তরুণদের এভাবে এতো অকাল মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন হতে হবে। সন্তানদের জন্য প্রতিটি ক্ষণই করে তুলতে হবে আনন্দময়। এতে অভিভাবক হিসেবে পিতা-মাতার যেমন দায়িত্ব আছে। একইভাবে সক্রিয় হতে হবে টরন্টোর বাংলাদেশি কমিউনিটির সবাইকে। ফাহমি কিংবা ফাহিমের মতো আমরা আর এমন অকাল মৃত্যু চাই না।


অমর একুশ উপলক্ষে জার্মানির বনে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

শুক্রবার, ০২ মার্চ ২০১৮

Picture

মো. রফিকুল ইসলাম, বাপ্ নিউজ : বন, জার্মানি থেকে : বহির্বিশ্ব ও প্রবাসী নতুন প্রজন্মের কাছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে তুলে ধরার লক্ষ্যে জার্মানির সাবেক রাজধানী বনে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। গত শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গেমাইন্ডেজাল এরলয়জারকিরশে, বাড গডেস বার্গে এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করে।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনাঅনুষ্ঠানের শুরুতে কেন্দ্রের পরিচালক বদরুননেসা হোসনে সুলতানা তার স্বাগত বক্তব্যে আমন্ত্রিত দেশি বিদেশি অতিথিদের সামনে বাংলা ও জার্মান ভাষায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ইতিহাস ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরে ভাষা শহীদদের সম্মানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর মারিনা জোয়ারদারের উপস্থাপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রথমে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সোনামণিরা অংশ নেয়। এ ছাড়া জার্মানির বিভিন্ন শহর থেকে আগত অতিথি শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। এ ছাড়া শিল্পী ডা. তিয়াসা হোসনে আইয়ুবের পরিচালনায় একক ও দলীয় সংগীত, নাচ ও কবিতা পাঠের আয়োজন করা হয়। কবি খুরশীদ হাসান সজীবের স্বরচিত কবিতা আবৃতি ও নাজমুল হক রাসেলের আবৃতি অতিথিদের মুগ্ধ করে।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনাজার্মানির বিভিন্ন শহর থেকে আগত অংশগ্রহণকারীরা এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। কোলন শহর থেকে সপরিবারে আগত কোলন টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা আরন ফিরোজ বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠান নতুন প্রজন্মের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্টুটগার্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য স্নাতকোত্তর করা মাকসুদা আফরোজ উচ্ছ্বাসিত কণ্ঠে বলেন, প্রবাস জীবনে এ ধরনের অনুষ্ঠানের এই প্রথম অভিজ্ঞতা, আমার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। গেলসেনকিরশেন শহর থেকে আসা প্রকৌশলী খোন্দকার আলী প্রবাসীদের মাঝে এ ধরনের অনুষ্ঠান নিয়মিত আয়োজনের দাবি জানান।আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কেন্দ্রের সভাপতি আইয়ুব উদ্দিন চৌধুরী।


আমার সকল ভালোবাসা—এর মোড়ক উন্মোচন

বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হ্যাপি রহমান,বাপ্ নিউজ : সিডনি-অস্ট্রেলিয়া থেকে :আমার সকল ভালোবাসা—শিরোনামের অ্যালবামটি প্রকাশ করেছে জি সিরিজ। এর মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে।জীবন যদি প্রতারণা করে, শিল্প দিবে ঠাঁই—মোহনীয় কথায় মালা গেঁথে আড়ম্বরপূর্ন আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন লেখক,কবি ও চিকিৎসক আবুল হাসনাৎ মিল্টন। উপস্থাপক শুরুতেই বলেন, একজন শিল্পী তাঁর মন থেকে শিল্পচর্চা করেন যা মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করে। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বা শাহনাজ দু'জনই শিল্পের সাধক। শিল্পীরা ঈশ্বর ছুঁতে চায়, মানুষের মনকে ছুঁতে চায়। শাহনাজের এ পথ চলা শিল্পের প্রতি মমত্ববোধ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

Picture


১০টি রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে সাজানো হয়েছে এ অ্যালবাম—'আমার সকল ভালোবাসা'। প্রথম একক অ্যালবাম প্রসঙ্গে শাহনাজ বলেন, রবীন্দ্র সুরের মায়া ছোটবেলা থেকেই আমাকে খুব টানে। এই অ্যালবামটি করার পেছনে আমার পরিবারের আন্তরিক উৎসাহ আমাকে ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।শিল্পানুরাগী শাহনাজ পারভীন পেশায় একজন চিকিৎসক, কর্মক্ষেত্র সিডনি, অস্ট্রেলিয়া। ছোটবেলায় মায়ের আগ্রহে পড়াশুনার পাশাপাশি গান ও নাচ শিখেছেন। পেশাগত ব্যস্ততার জন্য সমান তালে সব কিছু চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠেনি। তবে, আবেগ-অনুরাগ, ভালোলাগা-ভালোবাসা থেকে গান চর্চাটা নিয়মিত করে যাচ্ছেন। তাঁর গানে হাতে-কড়ি কলিম শরাফী, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সাদী মোহাম্মদ এর কাছে। শাহনাজ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তাঁর শিক্ষকবৃন্দের কাছে, শিল্পী শরমিন জাহান, চিকিৎসক আসাদুল কবির চপল, শিল্পী ফয়সাল আহমেদ এবং স্বামী চিকিৎসক রশিদ আহমেদের কাছে অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতার জন্য। তিনি মঞ্চের পাশাপাশি রেডিও-টিভিতেও গান করেছেন।

alt

১০টি রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে সাজানো হয়েছে এ অ্যালবাম। প্রকাশিত অ্যালবামের গানগুলো হলো—'তুমি কোন কাননের ফুল', 'আমার হিয়ার মাঝে', 'চোখের আলোয়', 'একটুকু  ছোঁয়া লাগে','আমার বেলা যে যায়', 'চাঁদের হাসি','আজি এ বসন্তে', 'আমার পরাণ', 'আজ জ্যোৎস্নারাতে', 'মোর বীণা ওঠে'।

মোড়ক উন্মোচন শেষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি আপেল মাহমুদ, চিকিৎসক রশীদ আহমেদ, চিকিৎসক জেসি চৌধুরী ও চিকিৎসক শরীফ উদ্দৌল্লা। শব্দ সঞ্চালনায় নাদিম ও আলোকসজ্জায় ছিলেন চিকিৎসক শাহরিয়ার রানাl আমন্ত্রিত অতিথিদের অনুরুধে
শাহনাজ পারভীন অ্যালবাম থেকে তিনটি গান গেয়ে শোনান—আজি এ বসন্তে, চাঁদের হাসি ও চোখের আলোয়।

কথার ডালি সাজিয়ে আবারও মঞ্চে ফেরেন হাসনাৎ মিল্টন, বঙ্গবন্ধু কে স্মরণ করে তিনি বলেন—বঙ্গবন্ধু কবিদের মতো মানুষের মনকে ছুঁতে পেরেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কথার যাদুতে কবিতার সৃষ্টি হতো, তাই তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে মানুষ এ দেশকে স্বাধীন করেছিল। আপেল মাহমুদ তাঁর সৃষ্টি সুর ও কথায় গানে গানে বাংলার মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধে। তাঁর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আক্ষরিক অর্থেই অর্থবহ হয়ে উঠে।

alt

উপস্থিত শ্রোতা-অতিথিদের অনুরুধে আপেল মাহমুদ গেয়ে শুনান—'কোকিল ডাকলে একুশের কথা মনে পড়ে', মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি', এসময় সুরের মায়াজালে মগ্ন হয়ে গিয়েছিলেন শ্রোতারা।কিন্তু গানটি শেষ করতে পারেননি তিনি, আবেগ-আপ্লূত হয়ে কেঁদে উঠেন। বাইরে সিডনির আকাশও ছিল বৃষ্টিস্নাত, আকস্মিক গুমট হয়ে উঠে অনুষ্ঠানস্থল। তিনি আক্ষেপ করে বলেন—দেশে-বিদেশে এখনও আমার গানগুলো নবীন-প্রবীণ সকল শিল্পীরাই গেয়ে থাকেন, কিন্তু আমার নামটি কেউ উচ্চারন করেন না, আফসোস!

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে আপেল মাহমুদ শুধু একজন কন্ঠ যোদ্ধাই ছিলেন না, তিনি একজন অস্ত্রধারী মুক্তিযোদ্ধাও ছিলেন। অনুষ্ঠানের এ পর্বের পরিসমাপ্তি হয় আপেল মাহমুদের কণ্ঠে গাওয়া আরও দু'টো গান দিয়ে, 'আমার প্রিয়াকে সাজিয়ে দিয়ে', ও 'তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দিব রে'।

অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের নৈশভোজে আপ্যায়িত করা হয়।


টরন্টোর শহিদ মিনারে মানুষের ঢল

মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

বাপ্ নিউজ : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন এবং ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে একুশে ফেব্রুয়ারি’র প্রথম প্রহরে টরন্টোর ড্যানফোর্থে নির্মিত অস্থায়ী শহিদ মিনারে মানুষের ঢল নামে। বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের সদস্যরা রাত ১২ টায় শহিদ বেদিতে ফুল দিতে আসেন।

28342431_1667414983324827_1453025665_o

মেয়র জন টরি এবং সিটি কাউন্সিলর জ্যানেট ডেভিস

শুরুতে রাত ১২টা ১ মিনিটে টরন্টোর মেয়র জন টরি ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানান। এরপর একে একে শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশি অধ্যুষিত স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট এর এমপি বিল ব্লেয়ার, বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক এর এমপি ন্যাথানিয়েল এরিস্কিন-স্মিথ, সাবেক মন্ত্রী মারিয়া মিন্না, বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক এর এমপিপি আর্থার পটস, ওয়ার্ড কাউন্সিলর জ্যানেট ডেভিস। তাঁদের শ্রদ্ধা জানানোর পরই শহিদ মিনারের বেদি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এসময় শহিদ মিনারে মানুষের ঢল নামে।

28343296_1667436239989368_195180868_o

বিল ব্লেয়ার এমপি

28407835_1667427783323547_2121781970_o

ন্যথানিয়েল এরিস্কিন-স্মিথ

28407530_1667427819990210_350657449_o

আর্থার পটস এমপিপি

28343103_1667435819989410_1033516604_o

মারিয়া মিন্না, সাবেক মন্ত্রী

একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানাতে আসেন নন্দন টিভি, জালালাবাদ এসোসিয়েশন, কানাডা বঙ্গবন্ধু পরিষদ, টরন্টো থিয়েটার ফোকস, ওবিসিএস, টাঙ্গাইল জেলা এসোসিয়েশন, টাঙ্গাইল সমিতি কানাডা, লাইট হাউস, বাংলাদেশ সেন্টার এন্ড কমিউনিটি সোসাইটি, হবিগঞ্জ জেলা এসোসিয়েশন, এনডিপি থেকে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট এর এমপিপি নির্বাচনে পদপ্রার্থী ডলি বেগম, মৌলভীবাজার জেলা এসোসিয়েশন, ময়মনসিংহ সমিতি, আবাকান, কানাডা আওয়ামী লীগ, কানাডা বিএনপি, অন্টারিও আওয়ামী লীগ, সিটি আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগ অব কানাডা, কানাডা ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন অব কানাডা ইনক, চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন অব কানাডা, বাংলাদেশ কানাডা হিন্দু কালচারাল সোসাইটি, বাংলাদেশ কানাডা হিন্দু মন্দির, সুনামগঞ্জ জেলা এসোসিয়েশন, বুয়েট এলামনাই এসোসিয়েশন কানাডা, কানাডা মহিলা আওয়ামী লীগ, বৃহত্তর রংপুরবাসী কানাডা, বিয়ানীবাজার সোশাল এন্ড কালচারাল সোসাইটি অব টরন্টো কানাডা ইনক, সাপ্তাহিক আজকাল, বিসিসিবি, নেত্রকোনা সমিতি টরন্টো, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কানাডা, কুয়েট এলামনাই, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী অব কানাডা, এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ফার্মাসিস্ট ইন কানাডা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফোরাম কানাডা, গ্রেটার ফরিদপুর এসোসিয়েশন, টরন্টো ফিল্ম ফোরাম, কিশোরগঞ্জ জেলা এসোসিয়েশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন কানাডা, ঘরোয়া রেস্টুরেন্ট, বাংলাদেশ সোসাইটিসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের সদস্যবৃন্দ। এছাড়া একুশের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন সর্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটির সদস্যরা।

 IMG_9601

ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানানোর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মেয়র জন টরি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, সকল ভাষা-সংস্কৃতির প্রতি সম্মান জানানোর এখনই সময়।

IMG_9651

টরন্টোর টেইলর ক্রিক পার্কে একটি স্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণের জন্য টরন্টো সিটি ইতোমধ্যেই জায়গা অনুমোদন দিয়েছে। গত প্রায় ১০ বছর ধরে সর্বাত্মক প্রচেষ্টার ফসল এই শহিদ মিনারের জন্য টরন্টো সিটির কাছ থেকে অনুমোদন।

28235694_1936292550018994_8905159796336305684_o

এর জন্য তিনি কাউন্সিলর জ্যানেট ডেভিস এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। এসময় তিনি টরন্টোর মেয়র হিসেবে ‘International Mother Language Day Proclamation’ পাঠ করেন।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বিল ব্লেয়ার এমপি, ন্যাথানিয়েল এরিস্কিন-স্মিথ এমপি, আর্থার পটস এমপিপি, সাবেক মন্ত্রী মারিয়া মিন্না, এবং কাউন্সিলর জ্যানেট ডেভিস।

28276350_173124879987984_392709799594328881_n

দিনের অন্য সময় বৃষ্টি থাকলেও ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানানোর ক্ষণটিতে কোন বৃষ্টি না থাকায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন সর্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটি ২০১৮ এর আহ্বায়ক সৈয়দ সামছুল আলম।  তিনি আগত সকলকে ধন্যবাদ জানান।সর্বজনীন একুশ উদযাপন কমিটি ২০১৮ এর প্রধান উপদেষ্টা দারা আবু জুবায়ের সিবিএন’কে বলেন, টরন্টোতে সুশৃঙ্খলভাবে সকলে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। এরকম সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের জাতীয় অনুষ্ঠানগুলো পালন করলে এই কমিউনিটির জন্য ভবিষ্যতেও অনেক কিছু করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।


নেদারল্যান্ডে তৈরি হচ্ছে প্রথম শহীদ মিনার

মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

এদিকে শহীদ মিনার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এনআরবির কাছ থেকে সহযোগিতার আশা ব্যাক্ত করেন নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মোহাম্মদ বেলাল।তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। স্বাধীনতার যাত্রায় ২১শে ফেব্রুয়ারির সব ভাষা শহীদ সার্বক্ষণিকভাবে আমাদের অনুপ্রেরণা যুগিয়ে এসেছে।’

alt

হেগ রবিন বালডয়সিংয়ের ডেপুটি মেয়র বলেন, ‘ভাষা স্মৃতিস্তম্ভটি বাংলা ভাষার আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হলেও বিশ্বের সব ভাষায় অনূদিত করা হয়েছে।’

এই ঐতিহাসিক ঘটনার অংশ হতে পেরে দারুণ আনন্দিত হেগ পৌর কর্তৃপক্ষ। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের দিন আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকা সত্ত্বেও ১০০ জনেরও বেশি মানুষ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

বর্তমানে শহীদ মিনার নির্মাণের ডিজাইন তৈরির কাজ চলছে।


ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছে কানাডা ছাত্রলীগ

মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture
এতে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি খালিদ সাইফুল্লাহ, তানভীর আহমেদ, সালমান ডেভিড, যুগ্ম সম্পাদক সোহেল রানা, দপ্তর সম্পাদক শাকিল আহমেদ, সহ-সম্পাদক শাওন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রুবেল, ত্রান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মেহেদী হাসান সাগর, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাইনুর রশিদ, সহ-শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক নাইজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান দোহা, উপ-প্রচার সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম, রাসেল, ইফতেখার ও কামরুল সহ অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ।