Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী বঙ্গবন্ধুর নাতনী টিউলিপ সিদ্দিক

শুক্রবার, ০৯ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী হয়েছেন বঙ্গবন্ধুর নাতনী ও শেখ রেহানার কন্যা টিউলিপ সিদ্দিকী। ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তিনি।যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্ন আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ান তিনি।

Picture

গতবারও যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ওই আসন থেকে লড়েছিলেন এবং জয়লাভ করেছিলেন তিনি। গতবার টিউলিপ এই আসন থেকে জিতেছিলেন এক হাজার ১৩৮ ভোটের ব্যবধানে।

ব্রেক্সিট ইস্যুতে আয়োজিত গণভোটে ব্রিটিশ জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে রায় দিলে পদত্যাগ করেন ডেভিড ক্যামেরন। এরপর টেরেসা মে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসেন।

আগাম নির্বাচনের বিরুদ্ধে বারবার বক্তব্য দিয়ে আসলেও ১৮ এপ্রিল আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে।


বিশাল ব্যবধানে রুশনারা আলীর 'হ্যাটট্রিক'

শুক্রবার, ০৯ জুন ২০১৭

Picture

বাপ্ নিউজ : বৃটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে ৩৫ হাজার ৩৯৩ ভোটের বিশাল ব্যবধানে তৃতীয় মেয়াদে হ্যাটট্রিক জয় পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী। বেথনাল অ্যান্ড গ্রীন বো আসনের প্রার্থী ছিলেন তিনি।এর আগে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অপর দুই প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক দ্বিতীয় মেয়াদে ও রূপা হকও তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন।


কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্ট বঙ্গবন্ধুর খুনী নূর চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর জোরালো দাবী উত্থাপন

শুক্রবার, ০৯ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কানাডা থেকে।। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং গণতন্ত্র, নারী উন্নয়ন ও মানবাধিকার সংরক্ষণে বাংলাদেশ-কানাডা সর্বাত্মক সহযোগিতার পাশাপাশি কানাডায় পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী নুর চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর জোর দাবী উত্থাপিত হয়েছে কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্ট ভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায়। ১৯ জন প্রভাবশালী এমপির অংশগ্রহণে ৫ই জুন ২০১৭ (সোমবার) অনুষ্ঠিত এক নৈশভোজ-কর্মসভায় এ দাবী উত্থাপন করেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মিজানুর রহমান। কানাডার সরকার ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে অব্যাহত আলাপ-আলোচনার অংশ হিসেবে এ নৈশভোজ-কর্মসভার আয়োজন করে অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।সংসদ ভবনের সেন্টার ব্লকে অবস্থিত পার্লামেন্টারী রেস্টুরেন্টে  আয়োজিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন কানাডা পার্লামেন্টের সরকারী হিসাব সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান কেভিন সোরেনসন এমপি (ব্যাটল রিভার-ক্রফোর্ড, এ্যালবার্টা থেকে নির্বাচিত); অটোয়ার বার হেভেন-নেপিয়েন থেকে নির্বাচিত  চন্দ্রা আরিয়া এমপি; ব্রোসার্ড-সেন্ট ল্যাম্বার্ট, কুইবেক থেকে নির্বাচিত এমপি আলেকজান্ড্রা মেনডেস; ইউনিপেগ সাউথ থেকে নির্বাচিত এবং নারী অধিকার বিষয়ক পার্লামেন্টারী সেক্রেটারী - টেরি ডুগুইড এমপি; টরন্টোর বাঙালী অধ্যুষিত বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক থেকে নির্বাচিত এবং কানাডা-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারী ফ্রেন্ডশীপ গ্রুপের চেয়ারম্যান নাথানিয়েল এরস্কাইন স্মিথ এমপি; বৃটিশ কলাম্বিয়ার ভ্যাংকুভার-কোয়াড্রা থেকে নির্বাচিত জয়েস মুররে এমপি; 

Picture

অন্টারিও'র কিচেনার থেকে নির্বাচিত কনজারভেটিভ নেতা হ্যারল্ড অলব্রখট্ এমপি;  উইনিপেগ সেন্টার থেকে নির্বাচিত রবার্ট ফ্যালকন উলেট এমপি; কুইবেকের ভিমি থেকে নির্বাচিত ইভা নাসিফ এমপি; সাস্কাচুয়ান ওয়েস্ট থেকে নির্বাচিত এনডিপি নেত্রী শেরি বেনসন এমপি; অন্টারিওর মিসিসাগা এরিন মিলস থেকে নির্বাচিত ইকরা খালিদ এমপি; টরন্টোর স্ক্যারবোরো সেন্টার থেকে নির্বাচিত সালমা জাহিদ এমপি; মন্ট্রিয়লের ডোরভাল-লাসাল থেকে নির্বাচিত অঞ্জু ধিলন এমপি; সাস্কাচুয়ানের শেরউড পার্ক ফোর্ট থেকে নির্বাচিত গারনেট জিনাস এমপি; অন্টারিও'র ব্র্যাম্পটন থেকে নির্বাচিত রমেশ সাংঘা এমপি; রিচমন্ড হিল থেকে নির্বাচিত মাজিদ জৌহারী এমপি; স্ক্যারবোরো নর্থ থেকে নির্বাচিত শন চেন এমপি; টরন্টোর ডন ভ্যালী ইন্ট থেকে নির্বাচিত ইয়াসমিন রতনসী এমপি এবং কুইবেকের শ্যাতোগে-ল্যাকোল থেকে নির্বাচিত ব্রেন্ডা শ্যানাহান এমপি। বাংলাদেশ হাই কমিশনের মিনিস্টার নাঈম উদ্দিন আহমেদ,প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদ, প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) মোঃ আলাউদ্দিন ভুঁইয়া এবং প্রথম সচিব (কন্সুলার) অপর্ণা রাণী পাল সভায় উপস্থিত ছিলেন এবংঅতিথিবৃন্দের সাথে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মতবিনিময় করেন। 

alt

সভার শুরুতেই বাংলাদেশ-কানাডা সামগ্রিক দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের উপর এক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর হাই কমিশনার মিজানুর রহমান। তিনি বিগত দশক জুড়ে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জিত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি; জাতিসংঘের এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাফল্য; নারী ক্ষমতায়ন ও অধিকার রক্ষা; বিদ্যুত, জ্বালানী খাতে অগ্রগতি; সড়ক-বন্দর ও অন্যান্য অবকাঠামো খাতে উন্নয়ন এবং সর্বপোরি অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনে রূপকল্প ২০১২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের দ্বারা বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলায় সরকারের নানামুখী উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন গত ১০ বছর ধরে অব্যাহতভাবে ৬ শাতংশের উপর প্রবৃদ্ধি অর্জনের দ্বারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল যা জাতিসংঘসহ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ও প্রসংশিত।আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের অনুসৃত নীতিমালার উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রহণযোগ্য ও প্রচলিত আইনে প্রকাশ্যে ট্রায়ালের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছেবাংলাদেশে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত খুনী নূর চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে কানাডায় অবস্থান করছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে জোর দাবী উত্থাপন করে তিনি এ বিষয়ে সভায় উপস্থিত কানাডীয় পার্লামেন্টারিয়ানদের সমর্থন কামনা করেন। তিনি বলেন, কানাডা বা পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রই একটি দেশের জাতির পিতার খুনীর জন্য সেফ হেভেন হতে পারে না । খুনী নূর চৌধুরীর ক্ষেত্রে তার অপরাধের ভয়াবহতাকে আমলে নিয়ে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে কানাডীয় সরকারের ইতিবাচক অবস্থান প্রত্যাশা করে তিনি কানাডায় বসবাসরত লক্ষাধিক বাংলাদেশী, যাঁরা ভোট দিয়ে মাননীয় এমপিদের ফেডারেল পার্লামেন্টে নির্বাচিত করেছেন, তাঁদের ঐকান্তিক দাবীর প্রতি সম্মান জানিয়ে এই ভয়ংকর খুনীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণের উদাত্ত আহ্বন জানান। 

alt

এরপর বক্তব্য রাখেন কানাডার সরকারী হিসাব সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়রম্যান কেভিন সোরেনসন এমপি; বার-হেভেন নেপিয়েনের চন্দ্রা আরিয়া এমপি; নারী অধিকার বিষয়ক পার্লামেন্টারী সেক্রেটারী টেরি ডুগুইড এমিপ; জয়েসমুররে এমপি; আলেকজান্ড্রা মেনডেস এমপি এবং কানাডা-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারী ফ্রেন্ডশীপ গ্রুপের চেয়ারম্যান নাথানিয়েল এরস্কাইন স্মিথ এমপি। তাঁরা সকলেই এ নৈশঃভোজ-কর্মসভা আয়োজনের জন্য বাংলাদেশেরহাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, কানাডা বাংলাদেশ দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে। বঙ্গবন্ধুর খুনীকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বিশদ আলোচনার জন্য তাঁরা হাইকমিশনারের উদ্যোগকে স্বাগত জানানএবং এ বিষয়ে তাঁদের সচেতনতা আরও সমৃদ্ধ হয়েছে মর্মে মন্তব্য করেন। আইনের মধ্যে থেকে তাঁরা এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে জানান। 

কানাডীয় পার্লামেন্টরীয়ানদের বক্তব্যের পর প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থাপিত প্রবন্ধের উপর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন হাই কমিশনার মিজানুর রহমান এবং দূতাবাসের মিনিস্টার নাঈম উদ্দিন আহমেদ।

এরপর বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের সুযোগ সংক্রান্ত এক সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদ। প্রবন্ধে বাংলাদেশে চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ ২২টি বিশেষ ইকনোমিকজোনে বিনিয়োগে কানাডীয় কোম্পানীসমূহকে উদ্বুদ্ধকরণের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। 


ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে আবারও রুপা হক নির্বাচিত

শুক্রবার, ০৯ জুন ২০১৭

লেবার প্রার্থী রূপা হক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৭। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ দলের প্রার্থী জয় মোরিসির প্রাপ্ত ভোট  ১৯ হাজার ২৩০ । গতবার মাত্র ২৭৪ ভোটে জয় পাওয়া রূপা এবার জিতেছেন ১৩ হাজার ৮০৭ ভোটের ব্যবধানে। ২০১৫ সালে রূপা হক প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে হঠাৎ করে মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘোষণা দেওয়ায় রূপা হককে দুই বছরের মাথায় আসনটি ধরে রাখার লড়াইয়ে নামতে হয়।

Picture

লন্ডনের মধ্যে এবার রুপার আসনটি এবার সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনে রুপা গতবার মাত্র ২৭৪ ভোটের ব্যবধানে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হন। এ আসনে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের প্রার্থী জয় মোরিসের বিজয় ঠেকাতে এবার পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টি কোনো প্রার্থী দেয়নি।

কিংসটন ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞানের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক রূপা লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশে তার আদি বাড়ি পাবনায়।

এ আসনে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের প্রার্থী জয় মোরিসের বিজয় ঠেকাতে এবার পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টি কোনো প্রার্থী দেয়নি। তারা লেবার প্রার্থী রুপাকেই সমর্থন দিয়েছে। অন্যদিকে ডানপন্থী ইউকে ইন্ডিপেনডেন্ট পার্টি (ইউকিপ) কনজারভেটিভ প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে এ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। মাত্র তিনজন প্রার্থী এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করেন। অপর প্রার্থী হলেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটস দলের জন বল।


ব্রিটিশ পার্লামেন্টে যেতে লড়ছেন ১৫ বাংলাদেশি

সোমবার, ০৫ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ব্রেক্সিট তথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়া জোরদার করতে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা আরো নিরঙ্কুশ করতে গত ১৮ এপ্রিল অনেকটা আচমকাই আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে।আগামী ৮ জুন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ব্রিটেনের মধ্যবর্তী নির্বাচন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের দৌড়ে এবার যোগ দিয়েছেন ১৫ জন ব্রিটিশ বাংলাদেশি।ব্রেক্সিট, স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন, আবাসন কিংবা রাষ্ট্রীয় কল্যাণ সেবাসহ নানা কিছু এবারের নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশিরাও স্বাভাবিক কারণে জাতীয় এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন।২০১৫ সালের নির্বাচনে বাঙালি প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১১ জন। ওইবার বাংলাদেশি অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনেরুশনারা আলী, সেন্ট্রাল লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনে টিউলিপ সিদ্দিক এবং ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনে রুপা হক এমপি নির্বাচিত হন। এরা তিনজনই লেবার দলীয় রাজনীতিক। বাঙালি এই তিনকন্যা এবারও লেবার দলেরপক্ষে নিজ নিজ আসন ধরে রাখার লড়াইয়ে নেমেছেন।

Picture

ভোটের লড়াইয়ে অংশ নেয়া ১৫ জনের মধ্যে নয়জন লড়ছেন প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির হয়ে। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, লিবারেল ডেমোক্রেট ও ফ্রেন্ডস পার্টির হয়ে লড়ছেন একজন করে। ৮ জুন বৃহস্পতিবার এই ভোট হবে।নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বাঙালি প্রার্থীরা হলেন— রুশনারা আলী (লেবার, বেথনাল গ্রীন অ্যান্ড বো আসন), টিউলিপ রেজওয়ান সিদ্দিক (লেবার, হ্যাম্পস্টেট অ্যান্ড কিলবার্ন), রূপা হক (লেবার, ইলিং সেন্ট্রাল ও একটন), আনোয়ার বাবুল মিয়া (লেবার, ওয়েলউইন অ্যান্ড হ্যাটফিলড), মেরিনা আহমদ (লেবার, বেকেনহাম), রওশন আরা (লেবার, সাউথ থেনেট), ফয়সল চৌধুরী এমবিই (লেবার, স্কইল্যান্ডের এডিনবারা সাউথ ওয়েস্ট), আবদুল্লাহ রুমেল খান (লেবার, পোর্টসমাউথ নর্থ), জুয়েল মিয়া ( লেবার লাফবরা)

সাজু মিয়া (লিবডেম, ওয়াইর ফরেস্ট), আজমল মাশরুর (স্বতন্ত্র, বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো), ওলিউর রহমান (স্বতন্ত্র, পপলার এন্ড লাইম হাউজ), আবু নওশাদ (স্বতন্ত্র, ইয়ার্ডলি, বার্মিংহাম), ব্যারিস্টার মির্জা জিল্লুর (স্বতন্ত্র, ইস্টহাম), আফজল চৌধুরী (ফ্রেন্ডস পার্টি, ইস্টহ্যাম)

এর বাইরে ও লুটন সাউথ এলাকা থেকে আশুক আহমেদ নামে আরেক বাংলাদেশিকে মনোনয়ন দিয়েছিল লিবারেল ডেমোক্রেটিক দল। তবে ইহুদি-বিদ্বেষী মন্তব্য করায় সম্প্রতি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।উল্লেখ্য, ৬৫০ আসনের পার্লামেন্টের ৩৩১টিতে জয়ী হয়ে গতবার সরকার গঠন করেছিল কনজারভেটিভরা। ২০১৫ সালের ওই নির্বাচনে লেবার পার্টির হয়ে লড়েছিলেন পাঁচজন ব্রিটিশ বাংলাদেশি, যাদের তিনজনই জয়ী হন।


রাশিয়ায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

সোমবার, ০৫ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : রাশিয়া , মস্কো থেকে :বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাশিয়া। রবিবার মস্কো বিমানবন্দরে এই অভ্যর্থনা দেয়া হয়। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাশিয়ার সভাপতি মো. সালাউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওহাব লিটন, সহ-সভাপতি খান মো. টিপু, আতিক উল্যা, যুগ্মসম্পাদক সোরাব হোসেন, উপ-প্রচার সম্পাদক আবু তালহা। এ ছাড়া রাশিয়া ছাত্রলীগের রেজা সাকিন, সবুজ রনি, রিয়াজ ভুঁইয়াসহ আরো অনেক ছাত্র ও প্রবাসী বাঙ্গালিরা উপস্থিত ছিলেন।

Picture
 
রাশিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওহাব লিটন বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশ-রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো একধাপ এগিয়ে গেল। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য রপ্তানি পণ্য রাশিয়ায় সহজ সর্তে প্রবেশ করতে এই সফরের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। বাংলাদেশ শুল্ক মুক্ত সুবিধা চায় রাশিয়া সরকারের কাছে। রাশিয়া আমাদের মিত্র রাষ্ট্র। আর এই সম্পর্ককে বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারলে ভবিষ্যতে রাশিয়ার বিশাল বাজারে আমাদের পণ্য বাজার দখল করতে পারবে।


মালয়েশিয়ায় গিয়ে তুলির জীবনে নেমে এলো ঝড়

সোমবার, ০৫ জুন ২০১৭

আহমাদুল কবির, বাপ্ নিউজ : মালয়েশিয়া থেকে : তুলি, মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী বাংলাদেশি তরুণী। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে চলে আসেন মালয়েশিয়ায়। এরপর থেকে তার ওপর অত্যাচার শুরু হয়। মেয়ের ওপর এ অত্যাচার সইতে না পেরে তার বাবা স্ট্রোক করে মারা যান। এরপর থেকেই তার জীবনে নেমে আসে বড় ঝড়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অর্থাভাবে না পারছে চিকিৎসা নিতে, না পারছে টিকিট কেটে দেশে ফিরে যেতে।

তুলির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় তাকে নিয়ে আসা হয়েছিল পড়ালেখা করানোর কথা বলে। গত ২৩ মে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে এক কর্মকর্তার কক্ষে বসে তুলির জীবনে ঘটে যাওয়া ঝড়ের এ গল্প যেন শেষ হচ্ছিল না। ঢাকার দক্ষিণ খানের (রাজলক্ষ্মী মুন্সি মার্কেট) জলিল মোল্লার ছেলে মো. মোস্তফা কামালের স্ত্রী ও মুন্সিগঞ্জের ফুলতলার আমিনুল হকের মেয়ে তুলি (২০)। সবার পছন্দে পারিবারিকভাবেই ২০১৫ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় তুলি আকতার ও মোস্তফা কামাল।

বিয়ের এক সপ্তাহ পর মালয়েশিয়ায় চলে আসে মোস্তফা কামাল। মেয়ে তুলে নেয়ার আগ পর্যন্ত তার বাবার বাড়িতে থেকে পড়ালেখার সুযোগ দেয়া হবে, বিয়ের আগে এমন কথা থাকলেও শ্বশুরবাড়ি থেকেই পড়ালেখা চালাতে হয় তুলিকে। সব খরচ তুলির বাবাই বহন করতেন। স্বামীর সঙ্গে বিদেশ আসার পর নানা অত্যাচার ও তুলির কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এসব যন্ত্রণা আর নিষ্ঠুরতা মেনে নিয়েই চলতে থাকে তুলির সংসার। এর মধ্যে তার স্বামী কামাল দেশে চলে যায়। তুলির বাবাও যৌতুক দেয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা ম্যানেজ করেন। পরে একমাত্র মেয়ের অত্যাচারের কথা সইতে না পেরে স্ট্রোক করে হাসপাতালেই মারা যান তিনি। যৌতুকের টাকা আর দেয়া হয়নি।

Picture

তুলির জীবনের এ গল্পের বাকিটা শুনি তুলির মুখ থেকেই। ‘হাসপাতালে শয্যাশায়িত আমার বাবার হাতে হাত রেখে সে (কামাল) ওয়াদা করে যে, আপনার মেয়েকে আমি মালয়েশিয়া নিয়ে যাচ্ছি, সেখানে সে পড়ালেখা করবে, আমি তার যত্ন নেব। সবার ইচ্ছামতো আমি ওর সাথে গত ২৪ শে ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ায় আসি। এই নতুন পরিবেশে সে ব্যবসায়িক কাজের কথা বলে ওই দিনই আমাকে একা ফেলে অন্য একটা শহরে চলে গিয়েছিল। কাপড় গোছাতে যেয়ে তার আলমারিতে মেয়ের দুইটা ড্রেস পাই। দুইদিন পর বাসায় ফেরে কামাল। মেয়ের ড্রেসের ব্যাপারে জানতে চাইলে আমাকে বলে, এখানে এক মালয় মেয়েকে বিয়ে করেছে সে। এমন কথা শোনার পর আমার চারদিক অন্ধকার হয়ে আসে। মাথায় যেন আমার আকাশ ভেঙে পড়ে।’

এরপর থেকেই নানাভাবে অত্যাচার শুরু হয় তুলির ওপর। কামাল তাকে গলা টিপেও ধরেছিল কয়েকবার। মালয়েশিয়ার দুটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাও নিতে হয়েছে তাকে। একপর্যায়ে কামাল তুলিকে ডিভোর্স দিয়ে দেশে চলে যেতে বলছে। না গেলে হত্যার হুমকি দিয়েছে কামাল।

এসব ঘটনার পর তুলি অন্য বাংলাদেশিদের আশ্রয়ে যায়। তাদের মাধ্যমে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সবযোগিতায় আইনের আশ্রয় নেয় তুলি। ইতোমধ্যে একটি থানাতে ও আকামা ইসলামে অভিযোগ দায়ের করেছে তুলি। এর আগে, মারধরের অভিযোগে একবার আটক হয়েছিল কামাল, পরে জামিনে মুক্তি পায় সে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, আকামা ইসলাম এ ব্যাপারে তদন্ত করছে।

এসব প্রসঙ্গে তুলি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার বাবার মৃত্যুর সময় তার পাশে থাকতে পারিনি। কামালকে এমন শাস্তি দেয়া হোক যাতে আর কোনো মেয়েকে তার স্বামীর লোভের শিকার না হতে হয়, নিষ্ঠুরতার রোলে যেন আর কাউকে পিষ্ট হতে না হয়। আমার ক্ষতিপূরণসহ সে আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিক আমি দেশে চলে যাব।’

এসব নির্মমতার পরও তুলির জীবনে নেমে এলো আরও বড় ঝড়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অর্থ অভাবে না পারছে চিকিৎসা নিতে, না পারছে টিকিট কেটে দেশে ফিরে যেতে। তার এ দূরবস্থায় কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে তার পাশে দাঁড়াবে এমনটাই প্রত্যাশা তুলির।

সার্বিক বিষয়ে জানতে মোস্তাফা কামালের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।


কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির যাত্রা শুরু

শনিবার, ০৩ জুন ২০১৭

Picture
“কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি”  (CBPAC ) ইতি মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবীতে “মুভমেন্ট ফর ডিপোটেশন অব নূর চৌধুরী” টরোন্টোর ড্যানফরথে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করে। কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (CBPAC ) কানাডার ৬জন ( আইন প্রণেতা ) সংসদ সদস্যদের সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ১০১ সদস্যোর পরিচালনা পর্সদ নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই সংগঠনটি বাংলাদেশে সরকারের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং বাংলাদেশের গণমানুষের সার্বিক কল্যাণে কাজ করবে বলে এর প্রেসিডেন্ট, সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা ফেরদৌস বারী  জন বাপসনিউজকে জানান।

alt
কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (CBPAC )-এর অন্যতম শীর্ষ পরিচালক ও উপদেষ্টা নির্বাচিত করা হয়েছে যুক্তরাষ্টের মূলধারার রাজনীতিক, মানবাধিকার কমি.এক্টিভিষ্ট, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার হু হজ হো, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল, ফোবানাসহ অসংখ্যাক পুরস্কার বিজয়ী সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকনকে।
উল্লেখ্য, আমেরিকান ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি ( AIPAC ) বিশ^ব্যাপী সবচেয়ে শক্তিশালী জুইসদের লবিং অর্গানাইজেশন হিসেবে পরিচিত। এরই আদলে “কানাডিয়ান-বাংলাদেশী পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (CBPAC ) বিশ^ব্যাপী বাঙ্গারীদের শক্তিশালী লবিং অর্গানাইজেশন হিসেবে কাজ করবে।


ব্রিটেন পার্লামেন্ট নির্বাচনে এবার ১৪ বাংলাদেশি প্রার্থী

শনিবার, ০৩ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ব্রেক্সিট তথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়া জোরদার করতে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা আরও নিরঙ্কুশ করতে গত ১৮ এপ্রিল আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে। এই নির্বাচনে বিভিন্ন দলের হয়ে ১৪ জন ব্রিটিশ বাংলাদেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানা গেছে।

এদের আটজন লড়ছেন প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির হয়ে। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, লিবারেল ডেমোক্রেট ও ফ্রেন্ডস পার্টির হয়ে লড়ছেন একজন করে। আগামী ৮ জুন বৃহস্পতিবার এই ভোট হবে।  

Picture

৬৫০ আসনের পার্লামেন্টের ৩৩১টিতে জয়ী হয়ে গতবার সরকার গঠন করেছিল কনজারভেটিভরা। ২০১৫ সালের ওই নির্বাচনে লেবার পার্টির হয়ে লড়েছিলেন পাঁচজন ব্রিটিশ বাংলাদেশি, যাদের তিনজনই জয়ী হন। তবে কনজারভেটিভ দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী একমাত্র ব্রিটিশ বাংলাদেশি পরাজিত হয়েছিলেন।

গতবারের বিজয়ী রুশনারা আলী, টিউলিপ সিদ্দিক ও রুপা হক এবারও লেবারের টিকেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের সঙ্গে এই দল থেকে প্রার্থী হয়েছেন আনোয়ার বাবুল মিয়া, মেরিনা আহমদ, রওশন আরা, ফয়সল চৌধুরী এমবিই  ও আবদুল্লাহ রুমেল খান।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাজু মিয়া; ফ্রেন্ডস পার্টির হয়ে লড়ছেন আফজল চৌধুরী। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন আজমল মাশরুর, অলিউর রহমান, আবু নওশাদ ও ব্যারিস্টার মির্জা জিল্লুর।

লুটন সাউথ এলাকা থেকে আশুক আহমেদ নামে আরেক বাংলাদেশিকে মনোনয়ন দিয়েছিল লিবারেল ডেমোক্রেটিক দল। তবে ইহুদিবিদ্বেষী মন্তব্য করায় সম্প্রতি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।


ওভালে এক টুকরো বাংলাদেশ

শুক্রবার, ০২ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিজ দেশ থেকে অনেক দূরে। তারপরেও কমতি নেই উচ্ছ্বাসের। বাঙ্গালি নৃত্যে সেটিই জানান দিচ্ছেন প্রবাসীরা। লাল-সবুজের দেশকে উপস্থাপন করছেন বিশ্ব দরবারে। উপলক্ষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। বাংলাদেশকে দিয়েই সূচনা হয় এই টুর্নামেন্টের। কেনিংটন ওভালে বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে তিনটায় ম্যাচটি শুরু হয়। তার আগে ওভালের রাস্তায় লাল শাড়ি পরে নেচে নেচে বাংলাদেশকে স্বাগত জানান তরুণীরা।

Picture

২০০৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সবশেষ খেলেছিল বাংলাদেশ। সেবার ১০ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বকাপের পর আইসিসির দ্বিতীয় সেরার মর্যাদা পাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। মাঝে ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ২০১৩ সালে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির সপ্তম ও অষ্টম আসরে খেলার সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ। ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সেরা আট দল খেলার সুযোগ পাবে- আইসিসির এমন নিয়মের কারণে ওই দুই আসরে খেলতে পারেনি। তবে নবম আসরে র্যা ঙ্কিংয়ের সেরা আট দলের একটি হয়ে বাংলাদেশ (র‌্যাঙ্কিং ছয়) যোগ্যতা পূরণ করেই আবারো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলছে বাংলাদেশ। https://www.youtube.com/watch?v=onZh9QFQMyo


ফিনল্যান্ডে জিয়াউর রহমানের স্মরণে আলোচনা সভা

বৃহস্পতিবার, ০১ জুন ২০১৭

বাপ্‌স নিউজ : নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে বিএনপির ফিনল্যান্ড শাখা।সোমবার সন্ধ্যায় হেলসিংকির কনতুলায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা। এছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতির আত্মার শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠিত হয় মিলাদ মাহফিল।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ফিনল্যান্ড বিএনপির সক্রিয় নেতা জামান সরকার। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন মবিন মোহাম্মদ।১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনীর একদল সদস্যের হাতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

সামছুল গাজীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোকলেসুর রহমান চপল, বদরুম মনির ফেরদৌস, এজাজুল হক ভূঁইয়া রুবেল, মিজানুর রহমান মিঠু, প্রদীপ কুমার সাহা, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, আবদুল্লাহ আল আরিফ, তাপস খান, মোস্তাক সরকার, মোহাম্মদ সাহিন ও আবুল কালাম আজাদ।

বক্তারা দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিতে দেশপ্রেমিক প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা  ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।জামান সরকার বলেন, “দেশে আজ গণ আছে তবে তন্ত্র নেই, নীতি নেই। সরকারি দলের নেতাকর্মীরা নিজেদের ভাগবাটোয়ারায় ব্যস্ত। এভাবে চলতে থাকলে দেশ নিয়ে গর্ব করার মতো কিছু আর থাকবে না। প্রবাসে আমরা মুখ দেখাতে পারবো না।”

পদ্মাসেতুতে বিপুল ব্যয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “পাশের দেশেও অনেক কম খরচে বিশাল সেতু তৈরি হয়। আর আমরা নিজেরা কীভাবে লাভবান হবো সেই চিন্তা করে দুর্নীতির মহড়া দেখাচ্ছি।”

জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে ন্যায়ের পথে দেশ গড়তে প্রবাসী নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান জামান সরকার।অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হুদা মনি, মীর সেলিম, সুমন, তাজুল ইসলাম, মো. আনোয়ার হোসেন, আরিফ বাবু, নাজমুল হাসান, মো. সাইফুর রহমান সাইফ, ফাহমিদ উস সালেহীন, মনোয়ার পারভেজ, ইব্রাহিম খলিল, মো. সালাহউদ্দিন, জনি খান, মো. সামিউল আরেফিন, জাভেদ ইকবাল, মোয়াজ্জেম ভূঁইয়া, মোহাম্মদ জুয়েল, হাজি সুলাইমান, মনিরুল ইসলাম, সবুজ খান, মো. শিপন, মুকুল হোসেন, আহসান হাবিব সজল, সুকান্ত, মোহাম্মদ ইসমাইল, মোহাম্মদ তানিম, আজহার, মো. আশরাফ আহমেদ, ফাহিম শাহরিয়ার, সামি-উর রাশেদীন, মীর ইসমাইল প্রমুখ।