Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

রিয়াদে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সমাবেশ ও কমিটি গঠন

বুধবার, ১৫ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : সৌদি আরব প্রতিনিধি : সৌদি আরবের রিয়াদের একটি অভিজাত হোটেলের বলরুমে সানাইয়া-আরবাইন-ফয়সালিয়া শাখা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে মইবুল ইসলাম মিন্টুকে আহ্বায়ক ও আবুল কালাম দেওয়ানকে সদস্য সচিব করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ও ৪ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।বাদল মোল্লার সভাপতিত্বে ও মেহেদী হাসান পাপনের সঞ্চানালায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রিয়াদ মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মুহাম্মদ ইউসুফ খাঁন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এম.মুনিরুল ইসলাম, শাওন মহসীন খাঁন।

Picture

এ সময় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন কে.এম. রানা, দুলাল খা্ঁন, আশরাফ জিতু, মো. মিন্টু খাঁন, মো. হারুন আর রশীদ, সরদার লিটন ও আব্দুর রশিদসহ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যগণ।


মালয়েশিয়ায় এক বাংলাদেশি ক্ষতি পূরন পেলো একলাখ রিঙ্গিত

বুধবার, ১৫ মার্চ ২০১৭

আহমাদুল কবির, বাপ্ নিউজ : মালয়েশিয়া থেকে : মালয়েশিয়ার আদালতের রায়ে এক বাংলাদেশি ক্ষতি পূরন পেলো একলাখ রিঙ্গিত। সোমবার মালয়েশিয়ার ইপু পেরাকের সেশন কোর্টের জর্জ পোয়ান সুনিতা কাউর এ রায় দিয়েছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর বাতু গাজা পেরাকে ফিরোজুর রহমান ও দিদার হোসেন নামের দুইজন বাংলাদেশি মোটর সাইকেলে ট্রাফিক পয়েন্ট পার হওয়ার সময় একটি লরি তাদের চাপা দিলে দিদার হোসেনের পা ভেঙ্গে যায়। পরে ট্রাফিক পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়েরে করেন। মামলা নং এএ-এ ৫৩ কেজি-৪৪৬-১১/২০১৬ পর দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত এ রায় দেন। আসামি পক্ষের আইনজীবি ছিলেন মি: বালদীপশিং।

Picture

কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন এ প্রবাসী কর্মী দিদার হোসেনকে আইনী সহায়তা দিয়েছে। আদালতের মাধ্যমে ক্ষতিপূরন আদায়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন “িার হোসেন।এ বিষয়ে দূতাবাসের কল্যাণ সহকারি মোকসেদ আলী জানান, আদালত থেকে মিশনে চিঠি পাওয়ার পর কাউন্সেলর আমাকে পাঠান ইপু পেরাকে। “িার হোসেনেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হয় মিশন থেকে।

কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের শ্রম কাউন্সেলর সায়েদুল ইসলাম জানান, ‘আমরা মালয়েশিয়ার আদালতের সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ আদালত ও দেশটির সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাইকমিশনে প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীরা এসে যাতে কোনো হয়রানির শিকার না হয় তার জন্য সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে।


দুবাইয়ে বসন্ত উৎসব

শনিবার, ১১ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আমিরাত প্রতিনিধি : প্রবাসী বাংলাদেশির আয়োজনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে বসন্ত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (১০ মার্চ) দুবাইয়ের ক্রিক পার্কে বাসন্তী রঙে রঙিন হয়ে ওঠে চারপাশ। প্রায় ২ শতাধিক পরিবার অংশ নেয় এ উৎসবে।মরুর দেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে থাকে নানা ধরনের প্রতিযোগিতা। পুরুষের জন্য প্রেমপত্র লেখা এবং নারীদের ফ্যাশন শো ছিলো চোখে পড়ার মতো।অনুষ্ঠানে দুবাই প্রবাসী লুৎফুর রহমান রচিত একাত্তরের গণহত্যা নিয়ে লাল সবুজের ছড়ার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল এস বদিরুজ্জামান।

Picture

আয়োজক নওশের আলী জানান, প্রবাসেও বাংলাদেশকে খুঁজে পেতে এই আয়োজন। বিশেষ করে এখানে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করাতে এমন উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।


সুইডেনে ৭ মার্চ পালন

শনিবার, ১১ মার্চ ২০১৭

Picture
সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন আফসার খান। এরপর দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান হয়।বক্তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর আলোচনা করেন। তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সেই অগ্নিঝরা ভাষণের মধ্য দিয়ে সমগ্র বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ছিল এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
ভায় উল্লেখযোগ্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাইফুল ইসলাম, কাজী আকরামুজ্জামান, মুজাহেদুল ইসলাম, আফছার খান, মণির ভূঁইয়া, দিদার শরিফ, আশরাফ খান, কাজী তুষার, ফয়সাল আহমেদ, কাজী নুরুল আলম ও আনোয়ারুল আলম প্রমুখ।


৭ মার্চ উপলক্ষে কুয়েত আ.লীগের আলোচনা সভা

শনিবার, ১১ মার্চ ২০১৭

Picture

এছাড়াও কুয়েতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনে নেতৃবৃন্দসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ সর্ম্পকে ব্যাপক আলোচনা করেন বক্তারা। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে কুয়েত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান শহিদ ইসলাম পাপুল।


অমিতের চলে যাওয়ার গল্প!

শনিবার, ১১ মার্চ ২০১৭

সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করার দরকার অনুভব করছি, অমিতের গল্পটা আমি বলতে চাই। পৃথিবীর বুক থেকে জলজ্যান্ত সদা হাস্যমাণ একটা ছেলে চলে গেলো, এইটা কিছুতেই কেনো জানি মানতে পারছি না। তাই লম্বা কিছু বলার আছে অমিতের চলে যাওয়া নিয়ে, কিছু জিনিশ আমাদের জানা দরকার, আমাদের কিছু একটা করা দরকার।

যারা আমিত কে চিনেন না তাদের জন্য। অমিত খুবই ব্রিলিয়ান্ট, শার্প একটা ছেলে, খেলাধুলা , পড়াশোনা সব কিছুতেই কাপিয়ে বেরানো একটা ছেলে। ২০০৮ এ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পাস করে বের হবার সাথে সাথেই চাকরি হয়ে যায় ইউনিলিভার বাংলাদেশে। নিজের যোগ্যতায় ক্রমাগত প্রমোশন পেয়ে ২০১৪ তে ইউনিলিভার এর টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেসন এর ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেয় অমিত। কর্পোরেট এ সাবলীল ক্যারিয়ার থাকলেও অমিতের বরাবরই ইচ্ছা ছিলো নিজের স্বপ্নের বিষয় নিয়ে পড়ার। বন্ধুদেরকে প্রায়ই বলতো , তোরা immigration নিয়ে করছিস চাকরি, আর আমি দেশে চাকরি করে টাকা জমাচ্ছি যাতে তোদের ওইখানে যেয়ে পরতে পারি। mechanical , robotics , artificial intelligence ওকে খুব টানতও । ২০১৬ তে চাকরি বাকরি ছেড়ে দিয়ে বউ মৌরি, আর ১ বছরে মাত্র পা দেয়া অনীশ কে নিয়ে আমিত চলে আসে টরন্টোতে immigration নিয়ে। আমাদের মতো অন্যান্য immigrant দের মত , যারা আসার পরপরেই চাকরি যুদ্ধে নেমে পরি তাদের মত ছিলোনা অমিত। দেখা হলেই বলতো , চাকরি বাকরি তো অনেক করলাম ভাই, আমি এখন পরতে চাই। ২০১৬ তে অমিত পেয়ে গেলো তার স্বপ্নের সাবজেক্ট mehcatronics , রায়ারসন ইউনিভার্সিটি তে। ভালোই চলছিলো সব, পড়াশোনা, বন্ধুদের সাথে খেলা, রাতের বেলা হুট হাট করে বন্ধুদের বাসায় হামলে পড়া, অনীশকে নিয়ে খেলা।

অমিত খেলতে ভালবাসে, অমিত দৌড়াতে পছন্দ করে, মাঝে মাঝেই ট্র্যাক স্যুট পড়ে ৭-৮ কিলো দৌড়িয়ে বন্ধুদের বাসায় চলে যায়। ধমক দিয়ে বন্ধুদের আসতে বলে “ এম্নে বসে বসে থাকলে শরিরে মেদ জমে কবে যে হার্ট অ্যাটাক করবি, চল বেটা দৌড় দিয়ে আসি। “ বন্ধুরা বের হয়, কিন্তু অমিতের সাথে পেড়ে উঠে না। এই সেইদিনও ব্যাডমিন্টনের ডাবলসে অমিতের সাথে খেলছিলাম। খেলা শুরুর আগেই অমিত আমাকে বলল “ ভাই আমি ব্যাডমিন্টন ভালো খেলি না, কিন্তু দৌড়াইতে পারি, আপনি চাপ মারবেন আর আমি দউরাবো সারা কোর্ট, অপনেন্ট দেখবেন ভয় পেয়ে গেসে” ।

কয়েকদিন ধরেই অমিতের বুকে একটু ব্যাথা হয়। ২৭ তারিখ ব্যথাটা এতই বাড়ে যে অমিত ইস্ট ইয়র্ক জেনারেল হাসপাতালের ইমেরজেন্সি তে যায়। যারা এখানে ইমেরজেন্সিতে গিয়েছেন তারা জানেন ব্যাপারটা কি পরিমান পেইনফুল। যাই হোক ট্র্যায়াযে আমিতের বিবরণ শুনল অপারেটর , ঠিক হার্ট এর পাশেই ব্যাথা। প্রেশার মেপে দেখা গেলো ১১০-১৫০। কাজেই ভয়ের কিছু ব্যাপার আসে জেনে অমিতকে আগে আগেই ভিতরে পাঠানো হলো। কিন্তু এইটাতো মাত্র একটি স্টেপ। যথারীতি অমিতকে ঘণ্টার মতো বসতে হোল ডিউটি ডাক্তার কে দেখানোর জন্য। ডিউটি ডাক্তার করতে দিল ইসিজি। আবারো সেই ঘণ্টা খানেকের জন্য বসে থাকা। অবশেষে রিপোর্ট আসার পর ডাক্তার বলে “ ok, you have high blood pressure and there are some irregularities in your heart, but I am not that much worry about that”
অমিত বলল “ but I have chest pain’
ডাক্তারের উত্তর,
the chest pain might be from cold, take some rest and if the pain is too much take some advil, you will be fine, and if you like you can follow up with your family doctor”
অমিতের যেহেতু এর আগে তেমন কিছু ছিলো না কাজেই তার কোন ফ্যামিলি ডাক্তারও ছিলো না। ডিউটি ডাক্তারকে এটা বলার পর , ডাক্তার বলল “ ok then you have to come to emergency” . এই বলে ছেড়ে দিলো অমিতকে।
কার না ভালো লাগে হসপিটালে থাকতে, অমিত চলে আসে বাসায়।

Picture

বাসায় আসার পর অমিতের একটু জ্বর আসে পরের দিন। কিন্তু আবার চলেও যায়। তাও অমিত আর তার বউ মিলে ঠিক করে ইমেরজেন্সিতে আবার যাবে। কিন্তু আমিতের একটা পরিক্ষা বৃহস্পতিবার দিন। পরিক্ষার আগের দিন কে চায় ৪-৫ ঘন্টা সুধু শুধু ইমেরজেন্সিতে বসে থাকতে? কাজেই অমিত আর মৌরি মিলে ঠিক করে পরিক্ষা দিয়েই আবার ইমেরজেন্সিতে যাবে। আর ডাক্তারতো ভালো জানে, আগের বারের কথা শুনে তো মনে হইনি কিছু সিরিয়াস।
১লা মার্চ , বুধবার আর অন্যান্য দিনের মতোই অমিত বাসাতেই ছিলো, পড়াশোনা নিয়ে ব্যাস্ত। সন্ধ্যার পর নিজের ২০তালার এপার্টমেন্ট থেকে ৫তালার এক ছোট ভাই অর্ণবের এপার্টমেন্টে আসে অমিত গল্প করার জন্য।
ওরা দুজন বারান্দায় গল্প করছিল। হঠাত করেই অর্ণবের মনে হয় অমিত রেলিং এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে টলোমলো পায়ে , মনে হচ্ছে হয়তো পড়েই যাবে, যেয়ে ধরতে ধরতেই অমিত পড়ে যায় মাটিতে। মুখ থেকে ফ্যানা উঠা শুরু করে। অর্ণব সাথে সাথেই কল করে ৯১১ এ। বুঝতে পারে নিঃশ্বাস ছোট হয়ে আসছে অমিতের। ৯১১ এ অপেরাটর ক্রমাগতও বলে যায় অর্ণব কে কিভাবে সিপিআর দিতে হবে। অর্ণবও যথাসাধ্য চেষ্টা চালায়, কিন্তু অর্ণব বুঝতে পারে নিঃসাড় হয়ে আসছে অমিত। ১৫মিনিটের মধ্যে চলে আসে প্যারামেডিক এর টিম। চেষ্টা চালায় সব দিয়ে। এরপর হাসপাতালে নিয়ে যায় অমিতকে। তখন বাজে রাত ১১টা। সব টেস্ট করে ডাক্তার বলে “ he is not with us anymore” . আমরা বড় ভাই , ছোট ভাই , বন্ধুরা ততক্ষনে হাসপাতালে , কি হচ্ছে কিছুই বুঝছিনা। মৌরি কাঁদছে না, পাঁথরের মত শুন্য দৃষ্টিতে বসে আছে, দেড় বছরের অনীশ ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে, অনীশের চোখে প্রচণ্ড ভয়। কোনও এক অজানা কারনে এত ছোট বাচ্চাও টের পায় বড় কিছু একটা হয়েছে। আমরা কেউ কারো চোখে তাকানোর মতো সাহস পাচ্ছি না। ডাক্তার এর কথা শুনে অনিকের সবচেয়ে কাছের বন্ধু নাহিন বলল “ভাই, আমি নামাজে দারালাম” , প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে নাহিন হয়তো এইটাই দোয়া করসে “ আল্লাহ এই খবর যাতে সত্যি না হয়” । বাতাস যে কি পরিমান ভারি হতে পারে সেইদিন আমরা হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। নিঃশ্বাস নিতে গেলে গলা বুক সব জরিয়ে আসছে। বাতাসে কিছু কি মেশানো ছিলো? অনীশ ঘুমাচ্ছে না, পালা করে করে lullaby শোনানো হচ্ছে। এক ফাকে অনীশকে নিলাম , কানের কাছে আস্তে আস্তে বললাম “ ঘুমাও বাবা, কিছু হইনি, “ অনীশ আমার দিকে শুন্য দৃষ্টিতে তাকালো তারপর কাধে মাথা রাখল। সব কিছু এমন ভেঙ্গে চুরে যাচ্ছে কেন? সব এতো এলোমেলো লাগছে কেন? অমিতের খালা থেমে থেমে আহাজারি করছে, “ ওর আম্মাকে আমি কি বলবো?” । মৌরি উদ্ভ্রান্ত কিন্তু নিশ্ছুপ। এর মাঝে পুলিশ, করনেস, ডাক্তাররা এসে এসে মৌরিকে কি কি করতে হবে তার বর্ণনা দিচ্ছে। মৌরি শুন্য দৃষ্টিতে শুনছে। এতক্ষন চেষ্টা করার পর অনীশ অনিকের কোলে ঘুমাচ্ছে, দিপু তার জানা মতে যত দোয়া ছিলো সব আউরে যাচ্ছে। দোয়েলকে অমিতের খালা বিরবিরিয়ে বলছে “ বাবা সব শেষ হয়ে গেলো” । হ্যাঁ এইভাবেই কিছু বুঝার আগে চলে গেলো অমিত।

এখন আসল কথায় আসি, ওইদিন ওইখানে থাকা সবার মানি একি প্রশ্ন । এই নিয়তির জন্নই কি আমরা মা , বাবা ভাই বোন সব ছেড়ে এই দেশে আসছি? এইভাবেই কি মেনে নিতে হবে জিবনের শেষ অংশটুকু ? প্রতিবার দেশে গেলেই ত বা মা বলে “ হয়েছে তো অনেক, চলে আয় না” । দাত মুখ চেপে তাও আবার আমরা রওনা দেই এই দেশে কামলা দিতে। আমিত তো খারাপ ছিলো না, আমরা কেউই ত খারাপ ছিলাম না দেশে। এই দেশে শুনলাম চিকিৎসা ব্যাবস্থা কতো ভালো। অথচ তারপরেও মেনে নিতে হবে এইধরনের মৃত্যুকে?

ঘটনার পর আমরা বার বার শুনেছি মৌরির কাছে, কি হয়েছিলো আগের দিন। যতবারই শুনি ততবারই মনে হয় “ না বড় কিছু একটা সমস্যা আছে’ । আমরা অভিবাসী দেখে কি আমাদের বেপারগুলো গুরুত্তসহকারে নেয়া হয় না? একজন রোগীর কিভাবে জানবে তার অবস্থা গুরুতর যদি না ডাক্তার শুধু প্রসেদিউর ফলো করে বলে , চিন্তার কিছু নেই?কেন সেইদিন ছেড়ে দেয়া হলো অমিতকে যদি ধারনাই করা হয় কিছু সমস্যা আছে। এই দেশের চিকিৎসাও ত ফ্রী না, আমরা কারি কারি ট্যাক্স দিয়েই তো সেবা নিচ্ছি। তারপরেও কেনো এতো অবহেলা।

এতো বড় লিখা লিখার মুল উদ্দেশ্য হলো একটা জনমত তৈরি করা। যথাযথ করতিপক্ষকে জানানো “ there is something wrong, you guys can’t just treat us like that, we deserve better than this” হয় ওদের পুরো সিস্টেম এই ভুল আছে , নাহলে আমাদের জন্য ইচ্ছাকৃত ভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না।

এই মুহূর্তে আমরা ঠিক করেছি আমরা এই বিষয় নিয়ে আগাবো। আপনাদের মতামত শুনবো। আমাদের কি লিগাল একশনে যাওয়া উচিৎ হবে? সেই ক্ষেত্রে কে আমাদের সাহায্য করতে পারবে? আমাদের কি করা উচিৎ? একটা জনমত করে করতিপক্ষএর কাছে আমরা চিঠি দিতে চাই। আমি নিশ্চিত এই গ্রুপের অনেকেরেই চিকিৎসা ব্যাবস্থা নিয়ে খারাপ খারাপ অভিজ্ঞতা আছে , আমরা সেইটাও শুনতে চাই। কানাডা সরকারকে বুঝাতে চাই, “ there is a voice of Bengali, and they have to treat us well”
আজকে যে ঘটনা অমিতের জীবনে হয়েছে তা আমাদের জীবনে যে কোন মুহূর্তে হতে পারে। কিন্তু এই দেশতো থেমে থাকে না, জীবিকার সন্ধানে আমরা সব ভুলে যাই। অমিত মারা যাওয়ার পরের দিন ঠিকি সবার অফিস এ জেতে হয়েছে। অফিসে সারাদিন আগের রাতের সৃতি গুলো তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। ঘোর ভাঙল আমার বন্ধু আবেদিনের ফোন পেয়ে “ কিরে অফিসে? ‘ “ হ্যাঁ রে কি করবো, কিছুতেই তো কাজ করতে পারছি না” ।। “ সেইটাই , চিন্তা করিস না তুই মারা গেলেও পরের দিন আমারও অফিস করতে হবে। “ কাজ করি , ট্যাক্স দেই ।। এইতো জীবন।

এতো বড় মেসেজের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের পরামর্শ আমাদের একান্ত কাম্য।


প্যারিসে পাকিস্তানি দূতাবাসের সামনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিক্ষোভ

বৃহস্পতিবার, ০৯ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ফ্রান্স থেকে : পাকিস্তানি লেখক জুনায়েদ আহমেদের লেখা ‘ক্রিয়েশনস অফ বাংলাদেশ : মিথস এক্সপ্লোডেড’ বইয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতভাবে উপস্থাপন ও পাকিস্তান পার্লামেন্টে বাংলাদেশের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের পক্ষে শোক প্রস্তাবের প্রতিবাদে ফ্রান্সে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার স্থানীয় সময় বিকাল চারটায় প্যারিসের পাকিস্তান দূতাবাসের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি’ নামে এক প্রবাসী সংগঠন।

Picture

বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে শত শত প্রবাসীরা এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ফেস্টুন নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে প্যারিসের পাকিস্তান দূতাবাস চত্বর। মানববন্ধনে ফ্রান্স আওয়ামীলীগ, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সংহতি প্রকাশ করে।
 alt
এ সময়  বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বেনজির আহমদ সেলিম, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের ছোটভাই নাজিম উদ্দিন আহমেদ, ফ্রান্স আওয়ামীলীগের  সভাপতি এম এ কাশেম, হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ইউরোপের সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া, স্বদেশ বড়ুয়া,  রজত রায়, সুব্রত ভট্টাচার্য শুভ, রানা চৌধুরী, তাপস বড়ুয়া রিপন, মিজান চৌধুরীসহ আরো অনেকে । মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পাকিস্তানি লেখক জুনায়েদ আহমেদ ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে স্বাধীনতা ও গণহত্যাসহ  সবকিছু নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। তারা নতুন করে লেখালেখির মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার পায়তারা করছে। বক্তারা অবিলম্বে পাকিস্তানি লেখকের বই বাংলাদেশে বাজেয়াপ্ত করার জোর দাবি জানান।


ইতালিতে ৭ মার্চের ভাষণের ওপর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা

বৃহস্পতিবার, ০৯ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ইতালি থেকে : ইতালিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইতালি আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলী আহম্মদ ঢালীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হাসান ইকবালের পরিচালনায় রোমে তরপিনাত্তারায় কমুনের হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কে.এম লোকমান হোসেন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক জি.এম কিবরিয়া।

Picture

সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর সেই ৭ মার্চের বজ্র কণ্ঠ ভাষণ শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধে নয়, আজও বাঙালি জাতিকে উদ্দীপ্ত, উজ্জীবিত এবং অনুপ্রাণিত করে রেখেছে। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন ইতালি আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হাবীব চৌধুরী, জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী, আব্দুর রউফ ফকির, জসিম উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম.এ রব মিন্টু, শোয়েব দেওয়ান, আবু তাহেরসহ রোম মহানগর আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ ও সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।


ফ্রান্সে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন

বৃহস্পতিবার, ০৯ মার্চ ২০১৭

Picture

ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সভাপতি এম,এ কাশেমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজির আহম্মদ সেলিম, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিমুদ্দিন আহম্মদ, সামাজিক উপদেষ্টা চেয়ারম্যান মিজান চৌধুরী মিন্টু, সহ সভাপতি শাহজাহান শাহী, উপদেষ্টা আকাশ, যুগ্ম সাধারণ কবি মস্তুফা হাসান,মাসুদ হায়দার,ফয়সল উদ্দিন, এমদাদুল হক স্বপন,সাংগঠনিক সম্পাদক খালেকুজ্জামান,প্রচার সম্পাদক আমিন খাঁন হাজারী , সহ প্রচার সম্পাদক সোহেল আহমদ, সহ বাণিজ্য সম্পাদক ছায়েদ আহমদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রচার সম্পাদক শরীফুল ইসলাম স্বপন, ইব্রাহীম, রনি প্রমুখ ।


ভিয়েনায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপন

বুধবার, ০৮ মার্চ ২০১৭

এম. নজরুল ইসলাম :বাপ্ নিউজ : অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনা থেকে : অষ্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার সিটি গেইট হলে ৭ মার্চ বিকালে “বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ” শীর্ষক এক আলোচনা  সভা অনুষ্ঠিত হয়। অষ্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের উদ্দোগে আয়োজিত উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম।

Picture

পরিচালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কবির।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, অষ্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম। অষ্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন, শামছুল ইসলাম, রুহী দাস সাহা,  সিরাজ চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহ কামাল, অষ্ট্রিয়া আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক ইয়াসিম মিয়া বাবু, আতিক মন্ডল, সেলিম মন্ডল, সওকত হোসেন প্রমুখ

alt

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের উপর আলোচনা করতে গিয়ে এম. নজরুল ইসলাম বলেন,  ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি ছিল একটি সাহসী জাতির প্রত্যয়ী  উচ্চারণ। তাঁর প্রতিটি কথা দূরবিস্তারি অনুরণন তুলেছিল সেদিন রেসকোর্সের মাঠে। বাঙালিদের আন্দোলিত করেছিল, উদ্বেলিত করেছিল, উজ্জীবিত করেছিল। পৌঁছে দিয়েছিল প্রত্যয়ের একটি চ’ড়ায়। বঙ্গবন্ধুর সুঠাম বাক্যের সেই জাদুময় ভাষণ সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঝেড়ে ফেলে বাঙালিদের এক একজন রণ সৈনিকে পরিণত করেছিল।’

alt

খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, ৭ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার রেসর্কোস ময়দানে ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ ঐ দিন বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালি দলমত-ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে স্বাধীনতার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।সাইফুল ইসলাম কবির বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর ঐ কালজয়ী ভাষণে। তিনি দেশে অপশক্তির বর্তমান হত্যা-সন্ত্রাস নিমূলে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের আলোকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।


৭ মার্চ উপলক্ষে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের অালোচনা সভা

বুধবার, ০৮ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ডেনমার্ক থেকে : ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে মঙ্গলবার ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনের একটি হলে আলোচনা সভার অায়োজন করে ডেনমার্ক অাওয়ামী লীগ।ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন মিঠু`র সভাপতিত্বতে ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের (ঢামেকসু) সাবেক ভিপি ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া`র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে টেলিকনফারেন্সে যোগ দেন সর্ব-ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম এ গনি। বক্তব্যে এম এ গণি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুধু একটি বক্তৃতাই নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে বর্তমান সময় পর্যন্ত একজন অবিস্মরণীয় জাতীয় নেতা কর্তৃক একটি জাতির মুক্তি ও জাগরণের শ্রেষ্ঠ কাব্য। অন্য সবার মতই আমিও বলি, এই ভাষণটি একটি জাতির মুক্তি সংগ্রামের জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ।

Picture

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহিদ চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম, মোতালেব ভূঁইয়া, হিল্লোল বড়ুয়া, মোহাম্মদ ইউসুফ, আবদুল আল জাহিদ, ডেনমার্ক যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আমির জীবন ও ডেনমার্ক ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট।এছাড়াও অারো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ ইউসুফ, ফাহমিদ আল মাহিদ, আবুল্লা আল জাহিদ, আসাদুসজ্জামান, রেজাউল করিম, শোয়েব আহমেদ, রিয়াদ হোসেন, ফয়সাল হোসেন, জামশেদ রহমান, ইমরান হোসেন, সুবীর, শাওন, কোহিনূর মুকুল, সাগর, তানভীর শুভ, সুকান্ত দে, আসিফ মুস্তারিন সহ ডেনমার্ক অাওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জনসভায় লাখো জনতার সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তির বাণী শোনান- ‘এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম’। এরই মধ্য দিয়েই স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন ইতিহাসের এ মহানায়ক।৭ মার্চের সেই উত্তাল দিনটিতে ঢাকা পরিণত হয়েছিল মিছিলের শহরে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মানুষ হেঁটে, বাস-লঞ্চে কিংবা ট্রেনে চেপে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে সমবেত হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ শুনতে লাখ লাখ মানুষ সমবেত হয়েছিলেন সেদিন।