Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

বুধবার, ২৯ মার্চ ২০১৭

Picture

উক্ত আলোচনা সভায় স্বাধীনতা দিবস ও ২৬ মার্চের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন সুইজারল্যান্ড -বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আমেনা ইসলাম রুকু ও সুইস বাংলাদেশ মহিলা সমিতির মহাসচিব কান্তা হোসেন, স্থানীয় ২১ ফেরুয়ারি উদযাপন কমিটির সহকারী সচিব নিশাত রহমান, ২৬ মার্চ উদযাপন কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক মেহনাজ পারভিন মুক্তি প্রমুখ। ওয়ার্ল্ড বড়ুয়া ওর্গেনাইজেশন জেনেভা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।


সৌদি আরবে সবচেয়ে বড় বাংলাদেশি পতাকা দেখালো মদিনা বাংলা স্কুল

বুধবার, ২৯ মার্চ ২০১৭

মোহাম্মদ আল-আমীন, বাপ্ নিউজ : সৌদি আরব:সৌদি আরবের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করার রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মদীনা শাখা। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে সৌদি আরবের মধ্যে সবচেয়ে বড় জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করা হয়েছে। এর আগে দিবসকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।  

Picture

স্কুলের প্রধান শিক্ষক টিএম শহিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাসের ইকোনোমিক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আবুল হাসান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। স্কুল পরিচালনা কমিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুছা আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, স্কুল পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ডা. আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অভিভাবকদের মধ্য হতে রবিউল ইসলাম রবি ও ফায়েজুল ইসলাম।
 
মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র এইচ এম ফখরুদ্দিন খান মাদানীর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। স্কুলের ছাত্রছাত্রী অভিভাবক ও উপস্থিত সকলের পরিবেশনায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধান অতিথি ড. আবুল হাসান ও অন্যান্য মেহমানবৃন্দ। । এরপরই ছাত্র ছাত্রীদের অংশগ্রহণে সৌদি আরবের মধ্যে সর্ববৃহৎ জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করা হয়।


"বঙ্গবন্ধুর ভাষণটিকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষন" এডমন্টনে গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় জাহিদ

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : এডমন্টন (কানাডা) থেকে : মার্চ ২৫, ২০১৭: বাংলাদেশ হেরিটেজ সোসাইটি অব আলবার্টা  প্রবাসে বাঙ্গালি সংস্কৃতির বিকাশ ও স্বাধীনতার মর্মবাণীকে  পৌছে  দেয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ও প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশে গণহত্যা স্মরণ এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে উদযাপন করেছে ।বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কানাডা,এর নির্বাহী ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব আলবার্টা সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ প্রধান অতিথি  হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন. সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মাসুদ ভুইয়া।

Picture

আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের দাবি ও যৌক্তিকতা তুলে ধরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কানাডা,এর নির্বাহী দেলোয়ার জাহিদ বলেন, ২৫মার্চ ১৯৭১ এর সার্চলাইট অপারেশন থেকে শুরু করে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী  নির্বিচার হত্যা, জ্বালাও-পোড়াও করে স্বাধীনতাকামী বাঙালির কণ্ঠকে বুলেট দিয়ে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছে কিন্তু তারা সফল হয়নি কারন আপামর জনতা এর বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছে।  স্বসস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে.সভায়  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষনটি  এ প্রজন্মের শিশু কিশোরদের বাজিয়ে শুনানো হয়।  ভাষনটির উপর  পর্যালোচনা করেন সভার প্রধান অথিতি। তিনি বঙ্গবন্ধুর ভাষণটিকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষন আখ্যা দেন, এবং একে বাঙ্গালীর উদ্দিপনের যাদুমন্ত্র বলে বর্ননা করেন। এতে ভাবাবেগ ছাড়াও রাজনৈতিক মহাত্ম্যের যে কারুকাজ রয়েছে সে পূর্ণতার চিত্র তুলে ধরেন।

alt

প্রধান অথিতি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে খুজে পেতে কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র,পুলিশ ও  সিপাহী,-জনতার কৃতিত্বগুলোকে তৃণমুলে থেকে অনুস্ধান করতে বলেন.  বর্ণাঢ্য কারুকাজ ওশৈল্পিক বিন্যাসে  হেরিটেজ সোসাইটির সহ সভাপতি ফয়সল ভুইয়ার ছবি প্রদর্শনীকে তিনি ভুয়সী প্রশংসা করেন।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের নাম পাঠ, কোরান তেলোয়াত ও আলোচনা করে  কিশোর আনাস আইহাম, ও আনবের আইহাম এবং শামসুর রহমানের কবিতা পাঠ করেন ফারহানা কাদের। মনোজ্ঞ আলোচনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক রুহুল আমীন। সভার সভাপতি বলেন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষনা ও বাঙ্গালী জাতিকে অনুপ্রানিত করেছিলো। যার যার অবদান ইতিহাসে তার নিজস্ব স্থান দখল করে আছে।


পর্তুগালে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

নাঈম হাসান পাভেল, বাপ্ নিউজ : সিনত্রা (পর্তুগাল) থেকে : যথাযোগ্য মর্যাদায় পর্তুগালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।স্থানীয় সময় রোববার সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপনের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

Picture

জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী।দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব ও দূতালয় প্রধান হাসান আব্দুল্লাহ তৌহিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

alt

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।এর আগে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি সম্মান জানান উপস্থিত অতিথিরা।পরে দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী।

alt

এ সময় পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল আলম জসিম, সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান, পর্তুগাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফোরামের সভাপতি রানা তসলিম উদ্দিন, পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মিয়া ফরহাদ, দেলোয়ার হোসেন, পর্তু নর্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদক কাজল আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।অনুষ্ঠান শেষে একাত্তরে আত্মাত্যাগী শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের সহকারী কনস্যুলার কর্মকর্তা নুর উদ্দিন।


মালয়েশিয়ায় স্বাধীনতা দিবসের সভা ও মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : মালয়েশিয়া প্রতিনিধি : মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ও দেশটিতে বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা জানানো হয়েছে।রোববার রাতে রাজধানী কুয়ালালামপুরের হোটেল সায়েদ বিস্ট্র বলরুমে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এম রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে এবং সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মিনহাজ উদ্দিন মিরানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার শক্তি আর বাঙালি জাতীয়তাবোধের চেতনাকে লালন করে স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরও আমরা স্বপ্ন পূরণ করতে পারিনি। দেশবিরোধী কুচক্রী মহলের কর্মকাণ্ড, দলতন্ত্র, সামরিকতন্ত্র ও সুশাসনের অভাব আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ও সোনার বাংলা গড়ায় বড় বাধা।

সমাপনী বক্তব্যে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এম রেজাউল করিম রেজা বলেন, বাঙালি জাতিকে একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্থপতি এবং স্বপ্নস্রষ্টা।

Picture

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মালয়েশিয়া ক্রাইম প্রিভেনশন ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক দাতু ফুয়াদ বিন হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সহসভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা জসীম উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সহসভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হামিদ জাকারিয়া, যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক এ কামাল হোসেন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা দাতু আমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ বাদল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহতাব খন্দকার, সাংবাদিক গৌতম রায়, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হুমায়ূন কবির, নুর মোহাম্মদ ভুইয়া, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল বাতেন, আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদ রানা, শ্রমিক লীগের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল বিন রানা, ক্লাং শাখা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা অধীর সেন, পিজে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন, হাংতুয়া আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমন, চেরাস উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোল্লা মো. স্বপন, সহসভাপতি সাফায়াত হোসেন, রাওাং শাখা আওয়ামী লীগের সমন্বয়ক আমিরুল ইসলাম, বাতু কেভ শাখা আওয়ামী লীগের সমন্বয়ক রাহাদুজ্জামান, আওয়ামী লীগ নেতা সামসুল ইসলাম ও ছাত্রলীগ নেতা রাজন হাসান, অর্নিবান ও নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে  আরও উপস্থিত ছিলেন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, লিটন দেওয়ান, শউকত আলী তিনু, প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, হুমায়ূন কবির আমির বাকী মিয়া, ক্লাং  শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.  সোহাগ , পিজে শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাশেম, বাংসার শাখা আওয়ামী লীগের সমন্বয়ক কিরন, মালেয়শিয়া যুবলীগের সদস্য সাইফুল আলম চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা এস এম সুমন, নজরুল ইসলাম, মঞ্জুরুল,তাহির, ,ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।


গণহত্যা দিবসে প্যারিসে আলোর মিছিল

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭

Picture

মুক্তিযুদ্ধা আব্দুন নূর শিকদার  বলেন, "বাঙালি জাতিকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে যে গণহত্যা চালিয়েছিল, তা বিশ্বের সকল গণমাধ্যমেই গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছিল। " পাকিস্তানকে আগামী প্রজন্ম ঘৃণা করবে বলেও প্রত্যাশা জানান তিনি।


গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি ডেনমার্ক প্রবাসীদের

শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কোপেনহেগেন ডেনমার্ক থেকে : ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছে ডেনমার্ক প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শনিবার (২৫ মার্চ) ড্যানিশ পার্লামেন্টের সামনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারা। এছাড়া ‘গণহত্যা দিবস’কে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে ড্যানিশ পার্লামেন্টের সচিবের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মোমবাতি প্রজ্জলন শেষে বক্তারা বলেন, ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের প্রতি জাতির চিরন্তন শ্রদ্ধার স্মারক এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন ১৯৭৩ প্রণয়ন করেছিল। অনেকের বিচার সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি এবং বিচারকাজ বন্ধ করে দেন।

Picture

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, জাহাঙ্গীর আলম, ডেনমার্ক যুবলীগ সভাপতি জামিল আখতার কামরুল, সাধারণ সম্পাদক আমির জীবন, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া, ডেনমার্ক ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের হিল্লোল বড়ুয়া, মোহাম্মদ ইউসুফ, আবদুল আল জাহিদ, শোয়েব আহমেদ, রিয়াদ হোসেন, ফয়সাল হোসেন, জামশেদ রহমান, ইমরান হোসেন, সুবীর, শাওন, কোহিনূর, মুকুল, সাগর, তানভীর শুভ, সুকান্ত দে, আসিফ মুস্তারিন, সুমন বিশ্বাসসহ ডেনমার্কের সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলাদেশ দূতাবাস ব্যাংককে গণহত্যা দিবস পালিত

শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসনিম বলেছেন, বাঙালি জাতিসত্বাকে সুপরিকল্পিতভাবে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রে পাকিস্তানি সশস্ত্র হানাদার বাহিনী যে বর্বরতম ও ঘৃণিত হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল তা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি রাখে।
 
শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ দূতাবাস ব্যাংককে ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
 
রাষ্ট্রদূত ২৫ মার্চের কালোরাত্রে বাঙালি জাতির ওপর সংঘটিত নৃসংশ গণহত্যার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন এবং এই দিবসটিকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতিষ্ঠানিক পরিসরে স্বীকৃতি আদায়ের পক্ষে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রীপরিষদ কর্তৃক ২৫ মার্চকে জাতীয় ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দানের ঘটনাকে ঐতিহাসিক বলে সাধুবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন যে, যুগোস্লাভিয়া, রাওয়ান্ডা, কম্বোডিয়াসহ সাম্প্রতিক গণহত্যাগুলোর মতো ২৫ মার্চ জাতিগত বাঙালিদের গণহত্যার ঘৃনিত ইতিহাসও উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাস থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ায় সেমিনারের আয়োজন করে গণসচেতনতা সৃষ্টি করবে।

বাংলাদেশ দূতাবাস ব্যাংককে গণহত্যা দিবস পালিত


 
মুনা আরো বলেন, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে একদিকে যেমন ২৫ মার্চ এবং মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত নির্দেশিত এবং পরিকল্পিত গণহত্যা সম্পর্কে বাংলাদেশে এবং প্রবাসে নতুন প্রজন্ম অবগত হবে অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহলে এই গণহত্যার স্বীকৃতি আদায়ে সচেতনতা তৈরি করতে সাহায্য করবে।
 
রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন, জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন এবং পূর্ববর্তী ঐতিহাসক গণহত্যাগুলোর পাবলিক ক্যাম্পেইন স্ট্র্যাটেজির আলোকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিসরেও ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়ে থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার বিভিন্ন মিডিয়া, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং মানবিক সংস্থার আঞ্চলিক দপ্তরগুলোর সাথে এ বিষয়ে কাজ করে যাবার দৃঢ় পত্যয় ব্যাক্ত করেন।
 
রাষ্ট্রদূত  মুনা উপস্থিত প্রবাসীদের ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’-কে স্বীকৃতির পক্ষে থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ায় জনমত সৃষ্টির জন্য দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দূতাবাসের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাওয়ার জন্যে আহ্বান জানান।
 
অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গ এবং ২৫ মার্চের কালরাত্রে গণহত্যার শিকার ও মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কোরআন তেলাওয়াত ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আলোচনা সভার শুরুতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞে নিহত শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। তাছাড়া ৭১’র গণহত্যার উপর নির্মিত ‘৭১’র গণহত্যা ও বধ্যভূমি’ শীর্ষক একটি বিশেষ ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করা হয়।


গণহত্যা স্মরণ ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এম,জে,এম,এফ এর ফুটবল টুর্নাম্যান্ট অনুষ্ঠিত

শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০১৭

মাহিনুর জাহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন (এম,জে,এম,এফ বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাব) এর উদ্যোগে ২৫শে মার্চ ৭১ এর  গণহত্যাকে স্মরণ এবং ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এডমন্টন শহরের কিলার্নি বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে  একটি ফুটবল টুর্নাম্যান্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।তিনটি স্থানীয় ফুটবল দল  এম,জে,এম,এফ  বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাব,  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব আলবার্টা  ( বিপিসিএ) ও বাংলাদেশ হেরিটেজ মিউজিয়াম টুর্নামেন্ট এ খেলায় অংশ নেয়। চূড়ান্ত খেলায় 2-2 গোলে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ানশীপ অর্জন করে  বিপিসিএ  ও এম,জে,এম,এফ .বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কানাডা,এর নির্বাহী ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব আলবার্টা   সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ  প্রধান অতিথি  হিসেবে ট্রফি  বিতরণ করেন. অনুষ্ঠানে এম,জে,এম,এফ বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাব সভাপতি আহসান উল্লা সভাপতিত্ব করেন।

Picture

ট্রফি বিতরণ কালে মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ বলেন, বিশ্বে হত্যা, সন্ত্রাস এবং উগ্রবাদিতা  ক্রমেই বেড়ে   চলেছে। ১৯৭১ এ স্বাধীনতার জন্য লক্ষ লক্ষ বাঙ্গালীকে জীবন দিতে হয়েছে.  ২৫শে মার্চের কালরাতে শুরু হওয়া হত্যাযজ্ঞে শহীদদের আমরা স্বশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি। স্বশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সহ সকল শহীদদের. আগামী প্রজন্মকে শান্তির জন্য প্রয়োজনে যুদ্ধ  করার আহ্বান জানান তিনি.

alt

তরুণদের প্রতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত ও সম্প্রদায়ের সামাজিক পরিবর্তনের জন্য  আহ্বান জানান  প্রধান অতিথি.

 অংশ গ্রহনকারী খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন রনি, শান, নিগার, রবিন, জুয়েল, তানভির, বাশার, সিফাত, আহাদ, রকি, রুবেল,  রাসেল,  জাবেদ, সালা, সাব্রী প্রমুখ।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানকালীন সময়ে সভাপতি আহসান উল্লাহ একুশে যুব পুরস্কার  ২০১৭ প্রাপ্ত রবিন এবং সালাকে পরিচয় করিয়ে দেন।

মাহিনুর জাহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন (MJMF) বর্তমানে এম,জে,এম,এফ বাংলাদেশ ক্রীড়া ক্লাব নামকরণ করা হয়েছে, এডমন্টন  ভিত্তিক একটি অরাজনৈতিক এবং অলাভজনক সংস্থা, যা বাংলাদেশী -কানাডিয়ানদের তাদের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রম  সম্প্রসারন করে চলেছে।

ছবিতে:  মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ  ট্রফি ও পুষ্ককবিতরন করছেন  এবং বক্তব্য রাখছেন.


সিডনিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাঙ্গার পুষ্পমাল্য অর্পন

শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : অষ্ট্রেলিয়া থেকে : এলজিআরডি ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সংসদ সদস্যসহ ৯ সদস্যের বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল অষ্ট্রেলিয়ার সিডনিতে সিটি কাউন্সিল পরিদর্শন করেন। মেয়র ও কাউন্সিলদের সাথে তাদের নাগরিক সেবা, কর্মপরিধি ও ভবিষ্যত কর্ম-পরিকল্পনা নিয়ে এক আলোচনা সভায় মিলিত হন। এর আগে প্রতিনিধি দলটি ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি অব সিডনিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

Picture
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের ‘রূপকল্প ২০২১’ সফল বাসত্মবায়ন এবং সপ্তম পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন লড়্গ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে স্থানীয় সরকার বিভাগ কাজ করছে। ‘উন্নয়নের গণতন্ত্র, শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র’ এ দর্শনকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি সত্মরে সুষ্ঠু ও শান্ত্মিপূর্ণ উপায়ে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখা হয়েছে। অষ্ট্রেলিয়াকে বিশ্বের গণতান্ত্রিক মডেল রাষ্ট্র হিসেবে উলেস্নখ করে তাদের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও সিটি কাউন্সিলসমূহের নাগরিকবান্ধব কর্মকান্ড কিভাবে বাংলাদেশে কাজে লাগানো যায়, সেজন্য পারস্পরিক সফর ও প্রশিড়্গণ বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সিডনি সিটি কাউন্সিল মেয়র ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন, নিজস্ব ওয়েব সাইট খোলা ও নতুন প্রজন্মকে তথ্য প্রযুক্তি জ্ঞান সমৃদ্ধ করার উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের নগর ব্যবস্থা কার্যক্রম আরো আধুনিক ও নাগরিক বান্ধব করতে সহায়তার আশ্বাস দেন।


গণহত্যা দিবসে ডেনমার্ক অা.লীগের কর্মসূচি

শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক থেকে : বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যেই ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস পালন করার জন্য বিল পাস করা হয়েছে। অার সে সূত্র ধরে ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি প্রদানের জন্য নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ।

ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার পিয়া কারসগার্ড বরাবর স্মরকলিপি প্রদান এবং গণহত্যায় নিহত সব শহীদের স্মরণে পার্লামেন্ট ভবনের সামনে ২৫ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় মোমবাতি প্রজ্জলন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

Picture

এই মহতী উদ্যোগটি এসেছে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পক্ষ থেকে। ২৫ মার্চকে ঘিরে ডেনমার্ক প্রবাসী বাংলাদেশিরা গ্রহণ করেছেন বিভিন্ন কর্মসূচির।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ২৫ মার্চ শহীদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ডেনমার্কে বসবাসরত বাংলাদেশিদের অনুরোধ জানিয়েছেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিবৃতিদাতারা হলেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, ডেনমার্ক যুবলীগ সভাপতি জামিল আখতার কামরু, সাধারণ সম্পাদক আমির জীবন, ডেনমার্ক ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ডেনমার্ক শাখার সদস্য সচিব মোতালেব ভূঁইয়া প্রমুখ।