Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

৭২এর সংবিধানে ফিরে যেতে হবে -শাহরিয়ার কবির

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

বাপ্‌স নিউজ :লন্ডন প্রতিনিধিঃন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্টা করতে হলে আমাদের ৭২-এর সংবিধানে ফিরে যেতে হবে, ন্যায় বিচার প্রতিষ্টার জন্যে চারটি আদর্শকে সামনে রেখে একাত্তরে ত্রিশ লক্ষ মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে।  সমাজতন্ত্র-গণতন্ত্র- ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদকে অস্বীকার করলে মুক্তিযুদ্ধ ও ত্রিশলক্ষ ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্টা করতে হলে আমাদের ৭২এর সংবিধানে ফিরে যেতে হবে ————-শাহরিয়ার কবিরশহীদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে। এমন্তব্য ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শাহরিয়ার কবিরের। গতকাল ৮ আগষ্ট বিকেলে ইষ্টলন্ডনের বাংলাটাউনের কাফেগ্রীল রেষ্টুরেন্টে যুক্তরাজ্য ঘাতক-দালাল নিমৃূল কমিটি আয়োজিত ‘‘ মৌলবাদ ও যুদ্ধাপরাধের বিচার : প্রবাসীদের করনীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। শাহরিয়ার কবির বলেন যুদ্ধাপরাধের বিচারকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে স্বাধীনতা বিরুধী শক্তি দেশে-বিদেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এই মৌলবাদী গোষ্টী ধর্মের অপব্যাখা দিয়ে সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এরাই বিভিন্ন সংগঠনের নামে দেশে হত্যাযঙ্গ চালাচ্ছে। মৌলবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। যুক্তরাজ্য নির্মুল কমিটির সহসভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক ইসহাক কাজলের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক সৈয়দ আনাছ পাশার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশে মিশনের প্রেসমিনিষ্টার শহীদের সন্তান সাংবাদিক নাদিম কাদির, নিমুল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সাংবাদিক মানবাধিকার কর্মী আনসার আহমেদ উল্লাহ। আলোচনায় অংশ নেন ইউকে নিমুৃল কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, নির্মুল কমিটির সহসাধারন সম্পাদক জামাল খান, সহকারী ট্রেজারার শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, সহ অর্গেনাইজিং সেক্রেটারী রুবি হক, কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য আনজুমানয়ারা আনজু, নিলুফা ইয়াসমিন হাসান, তোফায়েল আহমদ শাহ, প্রিয়া মোয়াইমিন, কবি মুজিবুল হক মনি, সাইদা খান ও আবুসুফিয়ান প্রমুখ।


চার হাজার বাংলাদেশী খুব ভালো আছেন নিউজিল্যান্ডে

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে জেগে থাকা অপূর্ব দ্বীপরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডে বসবাস প্রায় চার হাজার বাংলাদেশীর। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলীয় শহর অকল্যান্ডেই বসবাস করেন সাড়ে ৩ হাজার। দূরদূরান্তে যেমন রাজধানী ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চ প্রতিটি শহরেই মাত্র ৭০ থেকে ৭৫ জন করে, ডুনেডিনে হাতে গোনা দশ-বারো জন আর বাকি কয়েকশ’ বাংলাদেশী আছেন তাউরাঙ্গা সিটিতে। গত প্রায় বিশ বছর ধরে মূলতঃ অকল্যান্ডকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে লাল-সবুজের বাংলাদেশ কমিউনিটি।

ইউরোপের বহু দেশের চাইতে অনেক অনেক বেশি ‘হাই স্যোশাল সিকিউরিটি’র দেশ নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশীরা অনেকটা ঢালাওভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত এদেশে। প্রায় সবাই বসবাস করছেন পরিবার পরিজন নিয়ে। প্রায় ১২শ’ বাংলাদেশী পরিবার এখন নিউজিল্যান্ডে, যাদের অধিকাংশই যথারীতি অকল্যান্ডে। স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রায় ১৫% ডাক্তার, ১০% ইঞ্জিনিয়ার এবং ৫% বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। শুধু ট্যাক্সি চালিয়ে মাসে গড়পড়তায় ৬ হাজার ডলার (প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ইউরো) আয় করেন এখানকার প্রায় ৩০% বাংলাদেশী, যাঁরা বিভিন্ন ট্যাক্সি কোম্পানির শেয়ার কিনেও অর্থনৈতিকভাবে বাড়তি লাভবান হচ্ছেন।

Picture

নিউজিল্যান্ডে রিয়েলএস্টেট ব্যবসার সাথেও সম্পৃক্ত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী, যাঁরা একসময় ট্যাক্সিক্যাব থেকে পুঁজি তৈরী করতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং এখন নতুন ব্যবসায় আশানুরূপ ভালো করছেন। জমি কিনে বাড়ি বানিয়ে বিক্রি করে ভালো প্রফিট করছেন তাঁরা। শিল্পকারখানায়ও কাজ করেন অনেকে। যে যাই করুক না কেন নিউজিল্যান্ডে, তাঁদের ছেলেমেয়েরা যাদের জন্ম এদেশে, তারা কিন্তু পড়াশোনায় খুব ভালো করেছেন এবং করছেন। অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে ভালো জব পেয়েছেন। বেশ কয়েকজন ল-ইয়ারও হয়েছেন ইতিমধ্যে। উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশে থেকে এসেছেন এমন প্রায় ৫শ’ ছাত্র-ছাত্রী শোভা বর্ধন করেছেন এখানকার বাংলাদেশ কমিউনিটির।

বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহর-নগরের তালিকায় নিউজিল্যান্ডের শহরগুলো অন্যতম। মাত্র ৪ মিলিয়ন জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই দেশেটিতে অপরাধ প্রায় হয় না বললেই চলে, অর্থাৎ ‘ক্রাইম রেট’ খুবই কম। সাগর পথে নেই অবৈধ ইমিগ্রেশন। আগে বিভিন্নভাবে যারা এসেছেন এখানে, তাদের অনেকেই বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বৈধতা পেয়েছিলেন। নতুন অভিবাসীদের যথারীতি ‘যার পর নাই’ বেগ পেতে হয় ‘রেসিডেন্সি’ পেতে। পড়াশোনা শেষ করার পর সরকারী ‘স্কিল্ড’ লিস্টের আলোকে ‘সাবজেক্ট রিলেটেডে জব’ পেতে হয় কঠিন ইমিগ্রেশন পলিসির কারণে। বাংলাদেশ থেকে আসা ‘রিফিউজি’ এখন নেই বললেই চলে। আগে যারা ছিলেন তাদের প্রায় সবাই ইতিমধ্যে ‘রেসিডেন্সি’ পেয়ে গেছেন।

অবাধ ধর্মীয় স্বাধীনতার দেশ নিউজল্যান্ড। শুধু বাংলাদেশীদের দ্বারাই প্রতিষ্ঠিত ৮টি মসজিদ আছে অকল্যান্ডে। ইউরোপের মতো ‘ইসলামিক কালচারাল সেন্টার’ হিসেবে নয়, বরং সরাসরি মসজিদ হিসেবে সরকারী অনুমতি নিয়ে চলে বাইরে মিনার-গম্বুজ সমৃদ্ধ এই মসজিদগুলো। ছুটির দিন রোববারে পরিচালিত হয় একটি বাংলা স্কুল, যার মিশন যথারীতি নতুন প্রজন্মকে বাংলার বন্ধনে বেঁধে রাখা। অরাজনৈতিক দু’টি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন আছে অকল্যান্ডে যদিও একতার বন্ধনে আবদ্ধ তারা। এখানকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ ভাগ বাংলাদেশী মহিলারা জব করেন। বিভিন্ন ডে-কেয়ার সেন্টার, ওল্ড-হোম এবং শপিং সেন্টারগুলোতে তাদের ভালো ‘গুডউইল’। এটাতো গেলো অকল্যান্ডের সাতকাহন। এখান থেকে আড়াই ঘন্টা ড্রাইভে পোঁছা যায় ২শ’ কিলোমিটার দূরের বন্দরনগরী তাউরাঙ্গাতে, যেখানে কয়েকশ’ বাংলাদেশী খুব সুনামের সাথে কর্মরত আছেন কিউই খামারে। অত্যন্ত সুস্বাদু এই ফলের বিশাল অবদান কৃষিপ্রধান দেশ নিউজিল্যান্ডের অর্থনীতিতে।


এমআরপির জন্য সুইজারল্যান্ডে নিবন্ধন শুরু

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

মোজাম্মেল হক মামুন, জেনেভা থেকে :সুইজারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের সংখ্যা অন্যান্য দেশের মতো উল্লেখযোগ্য নয়। সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও ধারণা করা হয় বিভিন্ন শহরে (ক্যান্টন) প্রায় দুই হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করেন। তাদের প্রায় সকলেরই বৈধ ট্রাভেল ডকুমেন্ট হাতে লেখা বাংলাদেশি পাসপোর্ট। আগামী ২৪ নভেম্বরের পর থেকে ভ্রমণের জন্য হাতে লেখা পাসপোর্ট ব্যবহার করা যাবে না। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ব্যবহার করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এমআরপি না পেলে কোনো প্রবাসী নিজ দেশে অথবা অন্য কোনো দেশে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন না।

বাংলাদেশ সরকার এক বছর আগে প্রবাসীদের দূতাবাসের মাধ্যমে অগ্রাধিকারভিত্তিতে এমআরপি দেওয়ার উদ্যোগ ন্য়ে। কিন্তু সুইজারল্যান্ডে প্রবাসী সংখ্যা কম হওয়ায় অগ্রাধিকারের তালিকায় ছিল না। এতে সুইজারল্যান্ড প্রবাসীদের মাঝে এমআরপি পাওয়ার প্রতীক্ষা চাপা উৎকণ্ঠা আর হতাশায় রূপ নেয়। অনেক প্রবাসী এমআরপি না পাওয়ার কারণে সুইজারল্যান্ডের রেসিডেন্ট পারমিট নবায়ন না করা ও নানা প্রতিকূল সমস্যায় ছিল জর্জরিত। দূতাবাসের কনস্যুলেট বিভাগে ফোন করে তারা খোঁজ খবর নিতে থাকেন। দূতাবাসও তাদের সঠিক তথ্য দিতে পারছিল না। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রবাসী সাংবাদিকদের কাছে তাদের অভিযোগ অনুযোগ ছিল অগণিত।

জুরিখপ্রবাসী সংবাদকর্মী বাকী উল্লাহ খান এ বিষয়ের ওপর একাধিক টিভি রিপোর্ট করেন এবং সরকারের দায়িত্বশীল মহলের অবহেলার অভিযোগ তুলে ধরেন বিভিন্ন টিভি টকশোতে। সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শামীম আহসান প্রবাসীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা, কষ্ট আর অভিযোগের বর্ণনা তুলে ধরেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে। দূতাবাসের দায়িত্বশীল কূটনীতিকেরা সরকারের পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন দপ্তরে বিরামহীন লেখালেখি করেন।

Picture

অবশেষে সুইজারল্যান্ড প্রবাসীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। ৭ আগস্ট শুক্রবার বিকেল থেকে সুইজারল্যান্ড প্রবাসীদের এমআরপি দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রদূত এম শামীম আহসান কনস্যুলেট বিভাগে এমআরপির আবেদনপত্র জমা নেওয়া ও নিবন্ধন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন। জেনেভার প্রবীণ প্রবাসী বাংলাদেশি ড. ইফতেখার আহমেদ ও তার স্ত্রী মিসেস আহমেদ দূতাবাসের এই কার্যক্রমে সর্ব প্রথম এমআরপির আবেদনপত্র জমা দিয়ে ডিজিটাল স্বাক্ষর দেন ও ছবি তোলেন।বাংলাদেশের পাসপোর্টদূতাবাস এমআরপির আবেদন সংক্রান্ত সকল তথ্য সুইজারল্যান্ডপ্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে ইতিমধ্যে পাঠানো শুরু করেছে।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের আবেদনের নিয়মাবলি

জেনেভার বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের নবনিযুক্ত কাউন্সিলর তৌফিক ইসলাম লিখিত বার্তায় জানিয়েছেন, এমআরপি আবেদন করার জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সঙ্গে দুই কপি ছবি, পুরোনো পাসপোর্ট ও ব্যাংকে অর্থ জমাদানের রিসিটসহ দূতাবাসে জমা দিতে হবে। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা বাংলাদেশ থেকে ইস্যুকৃত জন্মসনদ (১৭ ডিজিট) আছে তাদের এই সনদ জমা দিতে হবে। যাদের জন্ম সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র নেই (বিশেষত যারা বিদেশে জন্মগ্রহণ করেছেন) তাদের দূতাবাস থেকে জন্ম সনদ গ্রহণ করে এমআরপির জন্য আবেদন করতে হবে। এমআরপি আবেদনের জন্য ফি বাবদ ১০০ সুইস ফ্রাঙ্ক (সাধারণ) ও জরুরি প্রয়োজনে ২০০ সুইস ফ্রাঙ্ক নির্ধারিত ব্যাংকে অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে।

লিখিত বার্তায় আরও বলা হয় পাসপোর্টে কোনো পরিবর্তন, পরিমার্জন কিংবা সংশোধন সম্ভব নয়। এ ছাড়া সন্তানদের ক্ষেত্রে আগের মতো এনডোর্সমেন্ট করা হবে না। বরং পৃথক পাসপোর্ট গ্রহণ করতে হবে।প্রত্যেক আবেদনকারীকে উপস্থিত হয়ে ডিজিটাল ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে হবে। সাক্ষাৎকারের জন্য দূতাবাসে ফোন করে সময় নেওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে কমপ‌ক্ষে ৩০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের ন্যূনতম সময়ে এমআরপি প্রদানের জন্য দূতাবাস সর্বাত্মক ভাবে চেষ্টা করবে।


সিঙ্গাপুরের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবে প্রবাসীরা

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

Picture

বাপসনিঊজ: এককালের জেলে পল্লীখ্যাত বর্তমানের এশিয়ান জায়ান্ট তথা বিশ্বের উন্নত দেশ সিঙ্গাপুরের ৫০ বছর পূর্ণ হলো ৯ আগস্ট রবিবার। শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে সরকারি ছুটি।  চাঁদ তারায় খচিত লাল সাদার টি শার্টে টইটুম্বুর সিঙ্গাপুর। হাতে তাদের সিঙ্গাপুরের জাতীয় নিশান ৫০ তম স্বাধীনতা দিবস। সারা সিঙ্গাপুরে মহা ধুমধামে দিবসটি পালিত হচ্ছে। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হচ্ছে আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক, স্বাধীনতার ঘোষক, স্বাধীনতার জনক লি কুয়ান ইউকে।

সিঙ্গাপুরের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবে প্রবাসীরা

নববধূর সাজে সজ্জিত হয়েছে সিঙ্গাপুর সিটি। রাস্তা, অফিস আদালত, বাসা বাড়িতে শোভা পাচ্ছে জাতীয় পতাকা। আলোয় ঝলমল পুরো শহর।জাতীয় দিবসের মূল অনুষ্ঠান হয় মেরিনা বে তে। আতশবাজির আলোয় আলোকিত হয়েছে সিঙ্গাপুরের আকাশ। হয়েছে ভাসমান মঞ্চে মনমাতানো অনুষ্ঠান। দিনভর ছিল কুচকাওয়াজ ,সন্ধ্যায় ছিল আকাশে বিমান, হেলিকপ্টারের নয়নাভিরাম কসরত।এদিকে, প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার অভিবাসী বাংলাদেশি মিশে গেছে এই আনন্দে। শিশুরা তাদের স্কুল থেকে অংশ নিচ্ছে ডিসপ্লেতে। এর মধ্যে বাংলার কণ্ঠ কালচারাল ফোরাম অংশ নিয়েছে উড ল্যান্ড ও তাই সেং এর দুটি কনসার্টে।

সিঙ্গাপুরের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবে প্রবাসীরা
বাংলাদেশিদের এটিএন নাইটস স্থগিত হলেও বড় একটি আয়োজন বিআইএমটি মিউজিক্যাল নাইট সম্পন্ন হয়েছে।সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি কমিউনিটির সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির (বিআইএমটি) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন। এই সংগঠনের উদ্যোগে ৮ আগস্ট শনিবার আয়োজিত হয় বিআইএমটি মিউজিক্যাল নাইট ২০১৫। এতে বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয় বৃষ্টি, শ্যারন, সাজীন, কৌতুকশিল্পী হারুন কিসিঞ্জার, জাদুশিল্পী শাহেন শাহসহ আরও অনেককে। সিঙ্গাপুর পলিটেকনিকের কনভেনশন সেন্টারে সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে রাত ১১টা পর্যন্ত। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মেরিনা বে, অরচার্ড , বুনলে , জুরং, সেরাঙ্গুনসহ বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠান চলছে।


সিঙ্গাপুরে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশি নিহত

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

বাপসনিঊজ: সিঙ্গাপুরে নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে পড়ে নান্টু (৩৩) নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজীব নামে আরও এক বাংলাদেশি শ্রমিক। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে দেশটির পতন পাছির এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 
নিহত নান্টুর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার চণ্ডিদুয়ার গ্রামে। দুই সন্তানের বাবা নান্টু ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। দূতাবাসের সহায়তায় সোমবার রাতে তার মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছেছে। অন্যদিকে আহত রাজীবের বাড়ি ভৈরব।সিঙ্গাপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত একমাসে নান্টুসহ পাঁচজন বাংলাদেশি দেশটিতে মারা গেছেন। এদের মধ্যে দুর্ঘটনাজনিত কারণে মারা গেছেন দুজন। বাকিদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যেকের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।


নর্থ আমেরিকার মিলিয়ন লোকের মেলায় বাংলাদেশ পেভেলিয়নে উপচেপড়া ভীড়

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৫

বাপসনিঊজ: বাংলাদেশ হেরিটেজ এবং জাতিগত সোসাইটি অব আলবার্টা (BHESA) এর প্রতিনিধিত্বে নর্থ আমেরিকার অন্যতম বড় ফেস্টিভাল এডমন্টন হেরিটেজ ফেস্টিভালে (১-৩ আগষ্ট) উপচেপড়া মানুষের  ভীড়ে উইলিয়াম হাওরিলেক পার্ক যেন পদভারে প্রকম্পিত  হয়েছে. চার মিলিয়ন লোকের সমাগম হয়েছে বলে উদ্যোগক্তাদের ধারনা। বাংলাদেশ প্যাভেলিয়নে ছিলো চোখে পড়ার মতো লোকের ভীড়।

Picture

বাংলাদেশ হেরিটেজ সোসাইটি কমিউনিটির ১৯তম  অংশগ্রহনের বছরে এবার প্রথম  'বাংলাদেশ হেরিটেজ' নামে একটি তথ্যবহুল ম্যাগাজিন ছাপা ও অনলাইনে প্রকাশ করে যা প্রবাসে দেশজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিকাশে ব্যাপক উৎসাহের জন্ম দেয়। প্যাভিলিয়ন চেয়ার ও বেসা সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ এর উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। প্রধান অতিথি ছিলেন ভাষা সৈনিক সিদ্দিক হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডঃ হাফিজুর রহমান,  ঢাকা বারের সাবেক সদস্য এডঃ আহমেদ আলী, ও সণ্মানিত অতিথি ছিলেন ড মুসফিকুর রহমান, ও রেজাউল করিম। প্রধান অতিথি  সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক তাজুল আলী, সদস্য বিকাশ তালুকদার ছাড়াও মু জাকারিয়া, নূরে আলম, সম্পাদক মাসুদ ভুইয়া, নির্বাহী সদস্য টমাল ইসলাম, ভিপি জুলফিকার আহমেদ, ডলি ইসলাম, আনামুর রহমান মিয়া, নূরুল হুদা প্রমুখকে আনুষঠানিক ভাবে  ম্যাগাজিন প্রদান করেন। ম্যাগাজিনটিতে বার্ডের যুগ্ম পরিচালক ও ফ্যাকাল্টি চেয়ার ড.কামরুল হাসান সহ বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের কটি নিবন্ধ রয়েছে।

alt

গত জুলাই ৮, কানাডার টিভি চ্যানেল 'সিটিভি এডমন্টন মর্নিং লাইভ' এ বাংলাদেশ হেরিটেজ এবং জাতিগত সোসাইটি এর   আসন্ন এডমন্টন হেরিটেজ ফেস্টিভালে অংশ গ্রহন উপলক্ষে (সকাল ৮ঃ১৫ মিনিটে) একটি অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। সংগঠনের সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ, উপদেষ্টা ডঃ হাফিজুর রহমান, ও জুলফিকার আহমেদ এতে অংশ নেন। হেরিটেজ উত্সবের মূলভাবকে সমুন্নত করতে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির কথা তুলে ধরে সংগঠনের সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ.

'বাংলাদেশ হেরিটেজ ম্যাগাজিনে কানাডার মহামান্য গভর্নর জেনারেল ডেভিড জনস্টন, প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপার, আলবার্টা প্রদেশের প্রিমিয়ার রাচেল নোটলি, কালচার ও টুরিজম মিনিষ্টার মাননীয় ডেভিড ইগেন, সিটি মেয়র ডন ইভসন 'বাংলাদেশের ঐতিহ্য রক্ষা ও এর সাফল্য কামনা করে বার্তা পাঠান।

alt

বাংলাদেশ কমিউনিটির নারী পুরুষ এমনকি কিশোর কিশোরীদের স্বেচ্ছাশ্রমে পরিবেশিত বাংলাদেশী খাবারের জন্য প্রচন্ড ভীড় ও বিক্রয় ছিলো সকলের চোখে পড়ার মতো। এডমন্টন হেরিটেজ ফেস্টিভালের বিদায়ী নির্বাহী পরিচালক জ্যাক লিটল, এবং নির্বাহীগণ বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতি থেকে অংশগ্রহণকারী সম্প্রদায়ের মধ্যে বাংলাদেশ এবার পথিকৃতের ভুমিকায় এসেছে বলে মন্তব্য করেন এবং কমিউনিটি ও প্যাভিলিয়নের শৃংখলার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

কানাডার আলবার্টায় আগস্টের দীর্ঘ ছুটির দিনে আলবার্টা এর ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য পিতৃদিবস একটি বার্ষিক বেস উপর সংগঠিত হয়. এ উত্সবটি ১৯৭৬ সাল থেকে এডমন্টন হেরিটেজ ফেস্টিভাল এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত হয়ে আসছে. কয়েক মিলিয়ন উত্সব দর্শকদের জন্য নিরাপত্তা এবং স্বস্তি নিশ্চত করতে ব্যাপক কর্মসূচি নেয়া হয় .


কানাডায় মাহিনুর জাহিদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশানের ক্রিকেট টুর্ণাম্যান্ট অনুষ্ঠিত

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৫

Picture

প্রতিযোগিতা উদ্ভোধন করেন বাংলাদেশ  প্রেসক্লাব সেন্টার অব আলবার্টার সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ.কানাডার টরন্টোতে সফল কনসার্ট করে দর্শক মাতানো জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলসের হামিন আহমেদ, সাফিন আহমেদ, ইকবাল আসিফ জুয়েল, সাঈদ জিয়া উর রহমান তুর্য্য এবং বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের বিশিষ্ট সংগঠক ফারুক আহমেদ ও আতার আলী খান মাইলসের  শিল্পীদের নিয়ে এডমোনটনের প্রতিযোগিতা স্থলেআসেন, মত বিনিময় করেন এবং ছবি সেসনে অংশ নেন। এসএইচএস প্রোডাকশান  পরিচালক সৈয়দ হালিম শাহ এর আমন্ত্রনে বাংলাদেশী শিল্পীরা এডমোনটনে কনসার্ট করার জন্য এসেছেন।

alt

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব আলবার্টা দলে খেলোয়ার ছিলেনঃ খাদেমুল ইসলাম (দল প্রধান),  মু ইয়াসিন রাজিব, আদনান কামাল, সুসেন দাশ, রাকিবুল হাসান আদনান (ম্যান অব দি ম্যাচ), মু হাসানুজ্জামান, রায়হান আনসারী, মাসুদ ভুইয়া, রাসেদুল চৌধুরী, ও কাউসার খন্দকার।

alt

মাহিনুর জাহিদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশান  দলে খেলোয়ার ছিলেনঃ আহসান উল্লাহ (দল প্রধান), তানভীর হাসান, সাইফুদ্দিন খালেদ, সাইফুর হাসান, আবরারুল মান্নান শান, খায়রুল রবিন, আহাদ, রনি, নিগার খান, সাব্রী প্রমুখ। খেলার সার্বিক বিবেচনায় ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন  রাকিবুল হাসান আদনান ।সাংবাদিক দেলোয়ার জাহিদ চেম্পিয়ান, রানার্স আপ  এবং ম্যান অব দি ম্যাচ বিজয়ীদের মধ্যে ট্রফি বিতরণ করেন।


ভিয়েনায় শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উদযাপন

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৫

বাপসনিঊজ:বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র ছাত্র-যুব নেতা, ক্রীড়া, নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ কামালের ৬৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ আগস্ট বিকেলে অষ্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার অষ্টেলগাসে এক আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অষ্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের উদ্দোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন। পরিচালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কবির। বক্তব্য রাখেন, সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, অষ্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি রুহি দাস সাহা, বখতিয়ার রানা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইফুল হক, আইন বিষয়ক সম্পাদক মাহবুব খান সামীম প্রমুখ।

Picture
অনুষ্ঠানে এম. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শেখ কামাল বহুমাত্রিক সৃষ্টিশীল প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। ছিলেন তারুণ্যের দীপ্ত প্রতিক। আমৃত্যু তিনি দেশের নান্দনিক ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, বাস্কেটবলসহ দেশীয় সকল খেলার মানোন্নয়নে অক্লান্ত শ্রমদিয়ে অপরিসীম অবদান রেখেগেছেন।’ তিনি বলেন,‘কেবল ক্রীড়া অঙ্গন নয় দেশ ও জাতির কল্যাণে মাত্র ২৬ বছর বয়সে নির্মোহ-নির্লোভ শেখ কামাল ভাইয়ের রেখে যাওয়া উজ্জল ভ’মিকায় আমরা উজ্জীবীত।’


সিডনিতে আর টিভির কার্যালয় উদ্বোধন

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০১৫

সিডনি (অস্ট্রেলিয়া): গত ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় সিডানিতে কেক কেটে বেসরকারি টেলিভিশন আরটিভির অস্ট্রেলিয়া কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করা হয়।শহরের প্রাণকেন্দ্র ২৩৩ ক্যাসেলরো স্ট্রিটের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন তার সহধর্মিনী ইউএনডিপির একসেস ফর ইনফরমেশন এ কর্মরত ও এনটিভির সংবাদ পাঠিকা তানজিনা শারমিন।

‘আজ এবং আগামীর’ স্লোগান নিয়ে ২০০৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর আরটিভি প্রথম যাত্রা শুরু করে। গত ঈদ-উল-ফিতর ২০১৫ এর অনুষ্ঠান মালায় দর্শক জরিপে সব বাংলাদেশি টিভি চানেলের মধ্যে আরটিভি সবার শীর্ষে ছিল।সিডনির কার্যালয় উদ্বোধনকালে সৈয়দ আশিক রহমান সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুদিন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটি নিয়ে আর টিভিতে অনুষ্ঠান সম্প্রচারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবস্থান আরটিভির মাধ্যমে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে এই কার্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

mail.google 

অনুষ্ঠানে বক্তারা সিডনিতে আর টিভির কার্যালয় স্থাপনের জন্য প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, বহুদিন পরে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন হলো।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত লেখক, সাংবাদিক, শিল্পী ও রাজনীতিবিদসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের মিষ্টি পরিবেশন করা হয়।


সিডনী মেলবোর্ন অ্যাডিলেডে স্থায়ী কনস্যুলেট অফিসের পরিকল্পনা

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০১৫

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : বিশাল ভূখন্ড অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বানিজ্য তথা বিগ ভলিউম ট্রেড এন্ড কমার্সের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সিডনী মেলবোর্ন এবং অ্যাডিলেডে স্থায়ী কনস্যুলেট অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা আছে, এমনটাই জানিয়েছেন রাজধানী ক্যানবেরাতে দায়িত্বরত বাংলাদেশের হাইকমিশনার কাজী ইমতিয়াজ হোসেন। পুরো অস্ট্রেলিয়া জুড়ে হাইকমিশনের কার্যক্রম ঢেলে সাজাতে ক্যানবেরাস্থ বাংলাদেশ মিশন কতটা সক্ষম, তা নিয়ে এই প্রতিবেদকের সাথে বিস্তারিত কথা বলছিলেন তিনি।
 
জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক কাজী ইমতিয়াজ হোসেন জানান, “এখানকার বিভিন্ন স্টেটের সাথে পার্টনারশিপ ডেভেলপ করতে আমার যখনই সুযোগ হয় এবং আমি সুযোগ তৈরীও করি সশরীরে গিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করতে। ক্যানবেরা যেহেতু বেসিক্যালি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ক্যাপিটাল এবং ব্যবসা-বানিজ্যের সুযোগ এখানে অনেক কম, তাই আমি মনে করি সিডনী মেলবোর্ন অ্যাডিলেডের মতো বড় শহরগুলোতে স্থায়ী কনস্যুলেট অফিস স্থাপনের মাধ্যমে আমাদের ফিজিক্যাল প্রেজেন্স বাড়ানো প্রয়োজন”।

Picture


 
আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই ‍উক্ত স্থায়ী কনস্যুলেট অফিসগুলো স্থাপনের ব্যাপারে আশাবাদী হাইকমিশনার কাজী ইমতিয়াজ হোসেন। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য এক বিলিয়ন ইউএস ডলারের ওপরে রয়েছে এবং প্রতি বছরই তা আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের রফতানী বানিজ্য ছিল যেখানে মাত্র ১১০ মিলিয়ন ইউএস ডলার, সেখানে সদ্য শেষ হওয়া ২০১৪-১৫ অর্থবছরে লক্ষমাত্রার তুলনায় ২২ ভাগ বেশি অর্জনের মাধ্যমে তা ৬০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার ছাড়িয়ে যায়। একইসময় অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশের আমদানী বানিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার।
 
ব্যবসা-বানিজ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট এক্সপার্টদের মতে, সিডনী মেলবোর্ন এবং অ্যাডিলেডে স্থায়ী কনস্যুলেট অফিস স্থাপিত হলে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা হবার পাশাপাশি সমগ্র অস্ট্রেলিয়া জুড়ে বাংলাদেশী পন্যের আরো ব্যাপক বাজার সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশ যেহেতু ২০০৩ সাল থেকেই অস্ট্রেলিয়ার বাজারে ‘ডিউটি এন্ড কোটা’ ফ্রি বানিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে, তাই চলমান সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ঢাকা থেকেও বিষয়টিকে ‘প্রায়োরিটি’ দেয়া হবে, এই আশাবাদ এখানকার বিভিন্ন শহরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের। তাছাড়া এতে করে অর্থনৈতিক সংকটমুক্ত বিশাল এই ভৌগলিক সীমারেখায় ‘স্কিল্ড এন্ড কোয়ালিফাইয়িড’ বাংলাদেশীদের আগমন আসছে দিনগুলোতে আরো বেশি ত্বরান্বিত হবে।


যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের উদ্যোগে শেখ কামালের ৬৬ তম জন্মবার্ষিকী

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০১৫

যুক্তরাজ্য:যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের ৬৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পূর্ব লন্ডনের মন্টিফিউরী সেন্টারে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব জালাল উদ্দিন। যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাবেক যুব নেতা হাবিবুর রহমান হাবিবের পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে শেখ কামালের জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ শরীফ।তিনি তাঁর বক্তৃতায় শেখ কামাল সম্পর্কে বলতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে যান। তিনি বলেন, অনেক গুণের অধিকারী শেখ কামাল সম্পর্কে যখন ষড়যন্ত্রকারীরা কুৎসা রটনা করে তাদের ধিক্কার জানানো ভাষা আমার জানা নেই। তিনি শেখ কামাল সম্পর্কে জানার জন্য নতুন প্রজন্মের কাছে আহবান জানান।

Picture

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শামসুদ্দিন মাষ্টার, যুগ্ম সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, দপ্তর সম্পাদক শাহ শামীম আহমদ, প্রবাস সম্পাদক আনছারুল হক, ধর্ম সম্পাদক সৈয়দ ছুরুক মিয়া, লন্ডন মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুর রহমান মুজাহিদ, সহসভাপতি সফিক মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক আফসর খান সাদেক, নাছির উদ্দিন, মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুসলিমা শামস বনি, সহসভাপতি হোসনে আরা মতিন, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সদস্য শামীম আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা চন্দন মিয়া, যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক জামাল আহমদ খাঁন, যুবলীগ নেতা মোদ্দাব্বির হোসেন চুন্নু, যুক্তরাজ্য আওয়ামী তরুণলীগের সভাপতি ও যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুবায়ের আহমদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ জয়,যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের সহসভাপতি জাকির আহমদ, সারোয়ার কবির, ছাত্রনেতা জুয়েল প্রমুখ।