Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

লন্ডন প্রবাসী বাঙালী ক্ষুদে সাংবাদিক জাইম রাকিবের প্রশংসায় অক্ষয় কুমার

সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ব্রিটেন ছাড়িয়ে বলিউডের খ্যাতিমান তারকাদের হ্নদয় জয় করে নিয়েছে লন্ডন প্রবাসী বাঙালী ক্ষুদে সাংবাদিক জাইম রাকিব ।বিক্ষুব্ধ, হতাশা, দুঃখ, শংকা আর উদ্বেগ যখন ব্রিটিশ সমাজকে আকড়ে ধরেছে, এই বুঝি কেউ একজন অ্যাসিড ছুড়ে মারলো, কিংবা ছুরি বিদ্ধ করলো, অথবা হিজাব ধরে টান মারলো, কিংবা ঘুমিয়ে আছেন- এমন সময় আগুনে পুড়ে সব কিছু শেষ করে ফেললো, ঠিক তারই বিপরীতে কিছু আশার আলোর ঝলকানি, ক্ষনিক নয়, বহুকালের জন্য আশার আলোর নিশানা হয়ে হ্নদয় মন আন্দোলিত করে আলোক বর্তিকা- যা দ্যুতি হয়ে ছড়াচ্ছে চারদিকে- নাম তার জাইম রাকিব। সাংবাদিক পরিবারে জন্ম নেয়া এই ক্ষুদে সাংবাদিক ব্রিটেন ছাড়িয়ে বলিউডের খ্যাতিমান তারকাদের হ্নদয় জয় করে বাঙালির নয়া অহংকারের জন্ম দিতে চলেছে।

Picture
সেদিন ছিলো বলিউড ফিল্ম ‘টয়লেট’ এর মিডিয়া কনফারেন্স। ইতোমধ্যেই অক্ষয় কুমারের ‘টয়লেট’ ছবি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। টয়লেট এর মিডিয়া কনফারেন্সে ক্ষুদে সাংবাদিক জাইম মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সোজা মঞ্চে- অ্যাকসয় কুমার, ভুমি পদ্মিনীকর, অনুপম খেরের সামনে। অনুপেম খের ও অক্ষয় কুমার রীতিমতো তাজ্জব বনে যান। মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলেন। জীবনে অনেক আজব ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন- এমন আজব ক্ষুদে সাংবাদিক এই প্রথম দর্শন। শক্তিমান ও গুনী অভিনেতার তাই গুনী কাজ- জাইমের পা ছুয়ে সালাম। অক্ষয় জাইমকে নিয়ে মঞ্চ থেকে অভিনন্দন আর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করলেন।

alt
জাইমের প্রশংসা আর শুভেচ্ছা দিয়েই ক্ষান্ত হননি, নিজের সোসাল মিডিয়ায় সাইটে সেই ভিডিও আপলোড করে হ্নদয়ের সবটুকু দরদ দিয়ে প্রশংসাও করেন, যা ইতোমধ্যেই 6 লক্ষের উপরে দেখা হয়ে গেছে। উল্লেখ্য জাইমের বাবা রাকিব রুহেল, মা লাবনী হোসেইন দুজনেই সাংবাদিক । লন্ডন থেকে প্রচারিত জিবি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কমের যথাক্রমে চেয়ারপার্সন ও সম্পাদক।
 London:   Indian cinema heavyweights Akshay Kumar (Airlift, Rustom), Bhumi Pednekar (Dum Laga Ke Haisha), Anupam Kher (Bend It Like Beckham), producer Neeraj Pandey (Baby, Special 26, M.S Dhoni), were in London for the International Media Conference for TOILET: EK PREM KATHA (Toilet: A Love Story), as anticipation for the film’s release on the 11th August truly begins to surge.

Media from around the globe descended on London, as the leading stars of the film took part in the first and official media conference and Q&A, with quirk and style – complete with model toilets and selfie boards.

Set against the backdrop of Indian Prime Minister Narendra Modi’s initiative to improve sanitation across India, ‘Swachh Bharat Abhiyan’ (‘Clean India Movement’), TOILET: EK PREM KATHA is a satirical and light-hearted take on open-air defecation in India, and the fundamental need to provide households across the nation with a functioning toilet. Viacom18 Motion Pictures, KriArj Entertainment and Neeraj Pandey, in association with Plan C Studios and Cape of Good Films LLP present TOILET: EK PREM KATHA, which is directed by Shree Narayan Singh, best known for his work editing smash hits such as Baby (2015), M.S Dhoni: The Untold Story (2016) and Rustom (2016).

alt

TOILET: EK PREM KATHA’s first international media conference received staggering interest from the audience, which comprised of international and national journalists and reporters, with the cast members providing insights into the complex issues that the film is based on and how the film addresses this.

One memorable moment saw Akshay Kumar answer questions from what could possibly be Britain’s youngest and most eager journalist.

Speaking about the importance of the issues raised in the film at the media Conference, the film’s lead and global cinema icon Akshay Kumar said, “Last year the government made around 300,000 toilets. The problem is not about infrastructure, but that people themselves don’t want to use them, because of their mind-set; they feel the freedom lies in them defecating in the open.” Kumar added, “This is a special film for me.”

Talking about performing a scene where the lead actress Bhumi Pednekar had to enact defecation in the open, something millions of women experience daily, said, “Personally, the toughest scene that I have ever shot in my career was when I had to actually perform the scene where I was defecating in the open and I just couldn’t do it. There were hundreds of people in front of me and even though I was acting, as a girl it took such a big toll on my self-respect, I felt violated.” Speaking about the film, Pednekar said “Toilet EPK is an extremely important film for us and whenever you watch it I hope you like it.”

Speaking about the social messaging the film offers, internationally renowned actor Anupam Kher said, “This movie is an effort to make people aware that the act of open-defecation should not happen. It should be the people’s constitutional right, it should be the birth-right for a child to be able to have a toilet.”

The film’s producer Neeraj Pandey spoke about the role of filmmakers in making films with social messages, saying, “I believe that as story tellers it is imperative that we talk about issues and things that leave an impression…with TOILET: Ek Prem Katha, we have tried to leave an impression and leave something for the audience to talk and think about.”

Ahead of the conference, Akshay Kumar in his inimitable, impromptu style, took his co-stars Bhumi Pedneker and Anupam Kher on a special tour of London in an iconic black cab, where Akshay Kumar gave his fans a special Facebook live show.

A range of one-to-one interviews followed the media conference with the stars addressing questions from media across the world.

A revolution in the making, TOILET: EK PREM KATHA uses humour to educate the world and bring to light the issues surrounding sanitation and women safety in India. Not to be missed, be sure to catch the film’s release internationally in cinemas on 11th August by Reliance Entertainment and KriArj Entertainment. And remember, don’t forget to flush!


নিউহাম কাউন্সিল নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন বাঙালী রাহিমা খান

সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ২০১৮ সালের নিউহাম কাউন্সিল নির্বাচনে, নির্বাহী মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন বাঙালী মেয়ে রাহিমা খান। তিনি সম্প্রতি কনজারভেটিভ পার্টি থেকে চুড়ান্ত মনোনয়ন লাভ করেছেন। ২০১৮ সালের ৩রা মে নিউহ্যাম কাউন্সিলের মেয়র এবং কাউন্সিলর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সম্পুর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাকে মনোনীত করা হয় বলে কনজারভেটিভ পার্টির ওয়েব সাইটে নিশ্চিত করা হয়েছে।

যদিও এই কাউন্সিলটি দীর্ঘদিন যাবত লেবার দলের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। লেবার পার্টির স্যার রবিন ওয়েলস মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বেশ দৃঢ়তার সাথে। ২০০২ সাল থেকে নিউহ্যামের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। লেবার নিয়ন্ত্রিত নিউহ্যামে সব কাউন্সিলরও লেবারের।

Picture

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত মেয়র ও কাউন্সিল নির্বাচনে টোরি পার্টির পক্ষ থেকে নিউহ্যামে মেয়র প্রার্থীসহ সব ক’টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী দিয়েছিল টোরি। ওই নির্বাচনে টোরির মেয়র প্রার্থী স্টেফান ম্রুজিনোস্কি ১৩ হাজার ৯শ ৭৬ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হন। আর লেবার প্রার্থী স্যার রবিন ৪৭ হাজার ৯৫ ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন।
জানাগেছে রাহিমা খান গত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে নিউহ্যামে বসবাস করেন। শিক্ষক এবং কোচ হিসাবে কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।


ফ্রাঙ্কফুর্টে জার্মান আওয়ামীলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে : জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে জার্মান আওয়ামীলীগ এর কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। জার্মানি আওয়ামীলীগ এর ভাপতি জনাব আনোয়ারুল ইসলাম রতন এর সভাপতিত্বে , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবারক আলী ভূঁইয়া বকুলের পরিচালনায় জার্মানির মিউনিখ , বন, কোলন, বার্লিন , হামবুর্গ সহ বিভিন্ন প্রদেশের শতাধিক নেতাকর্মীরা কর্মীসভায় অংশ নেন ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জার্মান আওয়ামীলীগ এর সহ সভাপতি মাসুম মিয়া, সিনিয়র সহ সভাপতি বিএম ফরিদ আহম্মেদ, সহ সভাপতি মো, সাহাবউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাবু জাফর স্বপন , মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আমেনা সুইটি , জার্মান মহিলা আওয়ামীলীগ এর সভানেত্রী রোকেয়া রোথে ।

Picture

প্রধান অতিথি হিসেবে নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দেন জার্মান আওয়ামীলীগ এর প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল কবির । নেতাকর্মীদের আলোচনা , প্রস্তাব ও সমর্থনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ এর আগামী সংসদ নির্বাচনে সবার অবস্থান থেকে কাজ করার অঙ্গীকার করেন । দলের শূন্য পদ পূর্ণ করা হয় । নেতা কর্মীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সভাপতি ঘোষণা দেন , আগামী তিন মাসের মধ্যে সম্মেলন দেয়া হবে ।

অন্যদিকে যারা জার্মান আওয়ামীলীগ নেতৃত্বে থেকে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরূপ মতামত দেন ও পাশাপাশি গ্রুপিং রাজনীতির সাথে জড়িত , তাদের বহিষ্কার করেন দল থেকে সর্বসম্মতিক্রমে । আগামী দিনে ঐক্যবদ্ধভাব কাজ করার অঙ্গীকার করেন ।


কাতারে বেড়েছে বাংলাদেশি সবজির চাহিদা

বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০১৭

Picture

১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশি সবজি আমদানির প্রতিষ্ঠান হীরা ফুড স্টাফের ব্যবস্থাপক নাজিম উদ্দীন জানান, আগে গড়ে প্রতিদিন তিন হাজার কেজি সবজি ও কাঁচামাল বাংলাদেশ থেকে কাতারে আসত। এখন এক মাস ধরে গড়ে পাঁচ হাজার কেজি আসছে। সপ্তাহের পাঁচ দিন কাতার এয়ারওয়েজ ও বাংলাদেশ বিমানে এসব সবজি আসছে। বিশেষ করে পটল, কাকরোল, বরবটি, করলা, চিচিঙ্গা, কলা লতি, লম্বা বেগুন, লেবু, আলু, কাঁচা মরিচ ইত্যাদির চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে।

আর বাংলাদেশি ক্রেতা রাজিব রাজ জানান, বাংলাদেশি সবজি স্বাদে ও মানে সেরা। এ কারণে ক্রেতারা বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশি সবজির দিকে।

কেন্দ্রীয় বাজারে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন একেকজন ব্যবসায়ী ১০ টন করে পণ্য আনতে চান। কিন্তু ফ্লাইটে জায়গা সংকুলন না হওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে পর্যাপ্ত চাহিদার পরও অনেকটাই কম আসছে বলে দাবি তাদের।


ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ ফ্রান্সের বনভোজন অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০১৭

সকালে প্যারিসের লা শাপেল  থেকে ৬০ জন সদস্যকে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় বনভোজনের। শুরুতেই সংগঠনের প্রধান উদ্যেক্তা জয় শিকদার শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হাসান হাওলাদার,শাহীন মোল্লা,শামসুল কবির।

Picture

এরপর প্যারিসের অদূরে সাগর আর পাহাড় আচ্ছাদিত প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম তিতরাতে এ যাত্রা শুরু হয়। এরপর হাসান কবিরের মনোমুগ্ধকর রসাত্বক বচনে পুরো বাসযাত্রায় অন্যরকম আনন্দ উপভোগ করে সবাই। পথিমধ্যে সবাইকে সকালের নাস্তা পরিবেশন করা হয়। বেলা সাড়ে ১২ টায় বাস পৌঁছে যায় ফ্রেন্ডশিপ গ্রূপ ফ্রান্সের গন্তব্য স্থানে।এরপর দুপুরের খাবার শেষে সবাই অবলোকন করতে থাকেন  ইতরা সমুদ্র  বিচের প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম।দল বেঁধে সমুদ্র স্নান ,সাঁতার খেলা,বেলাভূমিতে ফুটবল খেলা চলতে থাকে।

20031945_1389664354448580_7061848362436413754_n

বিকেল ৫টায় হা‌বিবুর রহমা‌নের প‌রিচালনায়  শুরু হয় মনো মুগ্ধকর বিভিন্ন ধরণের খেলা।  পরে বনভোজনে আগত সকলকে নিয়ে শুরু হয় আকর্ষণীয় রাফেল ড্র। এতে সৌভাগ্যবান বিজয়ীরা আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেন। পরে সংগঠনের  উদ্যেক্তা  হাসান হাওলাদার, শাহীন মোল্লা,শামসুল কবিরের যৌথ পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উদ্যেক্তা হাবিবুর রহমান,সাইদুল ইসলাম, সোহাগ মোহাম্মদ,মামুন ঢালী, শামীম আহমদ মোল্লা, কাওছার।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  মনির হোসেন, সাজু সরকার, রাজন মোড়ল প্রমুখ। পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে যারা গত বছর বৃদ্ব্যাশ্র‌মে , এতিমখানায়,পথ শিশুদের বস্ত্র ও আহার দান সহ বিভিন্ন কার্যক্রমে ও  সমাজসেবামূলক কাজে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন    তাদেরকে এবং  পিকনিকের বিভিন্ন খেলায় বিজয়ীদের মধ্যে অতিথিরা পুরস্কার প্রদান করেন।


সম্ভাবনার বাংলাদেশঃপ্রবাসীদের অংশ গ্রহণে সামনের দিকে এগিয়ে নিবে

বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

লন্ডনঃ বাপ্ নিউজ : বিলেতে বাংলা চ্যানেলের প্রতিষ্ঠাতা, বাংলা টিভি ইউকে ও বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান সৈয়দ সামাদুল হক ও  ইষ্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ফাউন্ডার ট্রাস্টি, জাতি সংঘের ফুড এন্ড এগ্রিকালচারাল অর্গেনাইজেশনের ইকোনোমিষ্ট এবং গভর্ণিং কাউন্সিল মেম্বার ডঃ সাইদুর রহমান লস্কর – যিনি জুট ইকোনোমিষ্ট হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত- এই দুই  অতিথির সাথে কানেক্ট বাংলাদেশের মতবিনিময় অনুষ্টিত হয়।

alt

সৈয়দ সামাদুল হকের সঙ্গে বাংলা টিভি ইউকের অফিসে গত ৯ই জুলাই  এবং ডঃ সাইদুর রহমান লষ্করের সঙ্গে গত ১০ই জুলাই  কানেক্ট বাংলাদেশ ইউকের  মতবিনিময়কালে  এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং প্রবাসীদের বিভিন্ন দাবি দাওয়া, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।এর মধ্যে প্রবাসীদের চিহ্নিত  সমস্যা এবং  বাংলাদেশে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ  সংক্রান্ত  বিষয়াসি আলোচনায় স্থান পায়।তাছাড়াও প্রবাসীরা বিভিন্ন উন্নত দেশে শিক্ষা দীক্ষা, চাকরি বাকরি, জ্ঞান- বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে যাবতীয় অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের ফলে  নিজ দেশে প্রবাসীরা ও  যোগ্য এবং মেধাবী সন্তানদের  মেধাভিত্তিক বিনিয়োগ কিভাবে কাজে লাগানো যায়-  সে  বিষয়ে  আলোচনা হয়।

alt

মতবিনিময়কালে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৭০ হাজার  মেধা সম্পন্ন দক্ষ কর্মী বাংলাদেশে রয়েছে, যারা বাংলাদেশের দক্ষকর্মীদের বিপরীতে প্রায় দেড়কোটি  কর্মজীবীদের বেতন নিয়ে যাচ্ছে।এক হিসেবে যা  দশ বিলিয়ন ডলার এর সমমানের।অথচ তাদের স্থানে আমাদের প্রবাসী দক্ষ মেধাবী কর্মী যারা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে দেশের জন্যে কাজ করতে চায়,তাদেরকে কিভাবে দেশের উন্নয়নে অন্তর্ভূক্ত  করা যায়, সে বিষয়ে  আলোচনা হয়।একথা আবশ্যক যে, আমরা প্রবাসীরা যেহেতু দ্বৈত নাগরিক, আমাদের সন্তানরাও যদি দেশের কর্মক্ষেত্রে সুযোগ যায়, তাহলে তাদের অর্জিত বেতন বাংলাদেশেই পূণঃবিনিয়োগের প্রচুর সম্ভাবনা থাকে।সম্মানিত অতিথিদ্বয় কানেক্ট বাংলাদেশের এইসব লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও কর্মসূচীকে  এগিয়ে নেয়া ও বেগবান করার জন্য সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

alt

কানেক্ট বাংলাদেশের এই যুগোপযোগি মহতী উদ্যোগের  ভুয়সী প্রশংসাও করেন অতিথিদ্বয়।তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে  তারাও এবিষয়ে চিন্তা ভাবনা ও  স্ব স্ব ক্ষেত্রে কাজ করে আসছেন।আগামীতেও তারা সম্মিলিয়ভাবে  প্রবাসীদের ঐক্য ও  বিপুল সম্ভাবনাকে দেশের কাজে লাগানোর  জন্য আপ্রান চেষ্টা  করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।কো-অর্ডিনেটর নূরুল আমীনের সভাপতিত্বে সৈয়দ সামাদুল হকের সাথে  মতবিনিময় সভায়  অংশ গ্রহণ করেন  কো-অর্ডিনেটর যথাক্রমে  এডভোকেট শিব্বির আহমেদ, ডাঃ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, কবি বাবুল তালুকদার প্রমুখ।ডঃ সাইদুর রহমান লষ্করের সাথে মত বিনিময় সভায়  সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্জ্ব ছমির উদ্দিন। অন্যান্যের মধ্যে  উপস্থিত ছিলেন  এডভোকেট শিব্বির আহমেদ, ডাঃ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, নূরুল আমিন, কবি বাবুল তালুকদার, ইফতেখার ভুইয়া, মো আনসারুজ্জামান, মো আনহার মিয়া প্রমুখ।


প্রবাসে দলীয় রাজনীতি বাংলাদেশিদের জন্য ক্ষতিকর

বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতা নূরুল আমিন ৩৭ বছরের প্রবাস জীবনের ৩৫ বছরই ছিলেন ইতালিতে। বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ইতালি দিয়েই তার প্রবাস জীবন শুরু। প্রায় দুই বছর ধরে স্বপরিবারে বসবাস করছেন যুক্তরাজ্যে। তিনি অবশ্য ‘ইতালি আমিন’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। এমনকি রোমে রাঙ্গালীদের প্রথম প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। সে প্রতিষ্ঠানটি এখন পরিচালনা করেন তার ভাইয়ের ছেলেরা।

17198351_10212056858837964_390392576_n

উল্লেখ্য, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তার পরিবারের প্রায় একশ’ সদস্য বসবাস করছেন।এখন প্রবাসে রয়েছে তাদের তৃতীয় প্রজন্ম। প্রবাসী হিসেবে কেমন আছেন-এ প্রশ্নের উত্তরে নূরুল আমিন বলেন, নিজের দেশে প্রবাসী; আর অন্যের দেশে বিদেশী। এমন পরিচয় কষ্ট হয়। এ ছাড়া প্রবাসীদের দেশে-প্রবাসে অনেক সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। এর সঙ্গে নতুন নাগরিকত্ব আইনেও বেশ কিছু বৈষম্য রাখা হয়েছে। যা কোন অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন নূরুল আমিন। তিনি বলেন, দেশ ত্যাগ না করেও প্রবাসে থাকার কারণে প্রবাসীদের দ্বৈত নাগরিক হতে হচ্ছে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কেন প্রবাসীরা প্রেসিডেন্ট ও সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করতে পারবে না? প্রস্তাবিত আইনেই প্রবাসীদের বৈষম্যের মুখে ঠেলে দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নূরুল আমিন জানান, বিচ্ছিন্ন কিছু সমস্যা ছাড়া প্রবাসে বাঙ্গালীরা সুনামের সঙ্গে আছেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হিসেবে বেশ সুনাম আছে প্রবাসীদের। ৩৭ বছরের প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে নূরুল আমিন বলেন, প্রবাসীরা যে দেশেই থাকুন না কেন সেই দেশের সংস্কৃতির প্রতি বেশি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত সবার।


যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি মেয়ের সফলতার গল্প

বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ফারজানা রহমান। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলসে পিএইচডি করছেন ‘কম্পিউটেশনাল বায়োলজি’ নিয়ে। কাজ করছেন উদ্ভিদ ও প্রাণীতে বিষক্রিয়া ছড়ায় এমন ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীবের উৎপত্তি এবং বিকাশের বিভিন্ন দিক নিয়ে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি এই মেয়ে ২০১৮ সালের জন্য স্টুডেন্ট কাউন্সিল ফর কম্পিউটেশনাল বায়োলজির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এটি সারাবিশ্বের কম্পিউটেশনাল বায়োলজি নিয়ে কাজ করাদের সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কম্পিউটেশনাল বায়োলজি বা আইএসসিবি-এর একটি শাখা সংস্থা।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ থেকে ২০০১ সালে এসএসসি এবং ২০০৩ সালে এইচএসসি পাস করেন ফারজানা রহমান। পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলসে স্নাতক শেষ করেন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিষয়ে। স্নাতক পড়ার সময়ই শিক্ষানবিশ গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন ‘বশ ইঞ্জিনিয়ারিং’ কোম্পানির যুক্তরাজ্য শাখায়। পেয়ে যান ওই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষাবৃত্তি।

২০১১ সালে ফুজিৎসু ল্যাবরেটরিস ইউরোপের বৃত্তি নিয়ে প্রফেসর ডেনিস মারফির তত্ত্বাবধানে পিএইচডি গবেষণা শুরু করেন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলসে। পিএইচডির পাশাপাশি ২০১১ সাল থেকে খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছেন তিনি। জানা যায়, বিশ্বের ৩১টির বেশি দেশে আইএসসিবি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের কার্যক্রম রয়েছে। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ও যুক্তরাজ্যের ওয়েলসে, ২০১৫ সালে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন ও যুক্তরাজ্যের নরউইচে শিক্ষার্থী সম্মেলনে অংশগ্রহণসহ ফারজানা রহমান গত পাঁচ বছর ধরে অংশ নিয়েছেন নানা উদ্যোগের সঙ্গে।

Picture

দেশে ফিরে ফারজানা রহমান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠন করতে চান আইএসসিবি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের জন্য ‘রিজওনাল স্টুডেন্ট গ্রুপ’ বা আরএসজি। এই সংগঠন দেশের শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ছোঁয়ার পথ সহজ করে দেবে।

ফারজানা বলেন, আমি এই নতুন দায়িত্ব নিতে পেরে রোমাঞ্চিত। আমি বিশ্বজুড়ে তরুণ বিজ্ঞানীদের কমিউনিটিকে শক্তিশালী করতে মুখিয়ে আছি। পিএইচডি গবেষণা নিয়ে তিনি বলেন, আমার গবেষণা দেশের কৃষি খাতে কাজে আসবে। আমার গবেষণার সাফল্যের ওপর নির্ভর করে আমাদের দেশের ফসল, খাদ্য ও কৃষি খাতের গবেষণায় ভালো কিছু করা সম্ভব।

ফারজানার পিএইচডি সুপারভাইজর প্রফেসর ডেনিস মারফি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে ফারজানা আইএসসিবি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে বৈজ্ঞানিক প্রচার কর্মকাণ্ডে অনুকরণীয় অবদান রেখেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একজন দারুণ দূত হিসেবে তিনি ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা মান বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছেন।

স্টুডেন্ট কাউন্সিলের ২০১৬-১৭ চেয়ারম্যান আন্টওয়েরপ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. পিটার মেজম্যান বলেন, ‘ফারজানাকে পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে পেয়ে আমি খুবই খুশি হয়েছি। স্টুডেন্ট কাউন্সিলের মধ্যে তার ক্যারিয়ারের জন্য এটিই হলো পরবর্তী যৌক্তিক ধাপ। স্টুডেন্ট কাউন্সিলের যা প্রয়োজন, তিনি হলেন ঠিক তা-ই। আমি তাকে ও তার দলকে অভিনন্দন জানাই।


বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরীকে বহিষ্কারের দাবিতে টরন্টোতে মানববন্ধন

মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কানাডা থেকে : বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে কানাডা থেকে বহিষ্কারের দাবিতে টরন্টোর বাঙালী অধ্যূষিত ডেনফোর্থে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে এই খুনিকে কানাডা থেকে বের করে দেওয়ার দাবির সমর্থনে নাগরিকদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়।রবিবার বিকাল ৪টা থেকে কানাডা আওয়ামী লীগ, অন্টারিও আওয়ামী লীগ, সিটি আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং আওয়ামী লীগ অব কানাডার নেতৃবৃন্দ ডেনফোর্থ এলাকায় স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি স্বতঃস্ফূর্তভাবে কানাডা থেকে খুনিকে বহিষ্কারের দাবির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে স্বাক্ষর করেন। আয়োজকরা জানান, গণস্বাক্ষর সম্বলিত দাবিনামা বাঙালি অধ্যূষিত এলাকার এমপির মাধ্যমে কানাডা সরকারের কাছে পাঠানো হবে। পরে সন্ধ্যায় খুনি নূর চৌধুরীকে বহিষ্কারের দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধন করা হয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছাড়াও শহরের সাংস্কৃতিক কর্মীসহ প্রগতিশীল প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই মানববন্ধনে অংশ নেন।

Picture

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আলী আকবর, মোস্তফা কামাল, জামাল উদ্দিন, হৃষিকেশ সরকার, গোলাম সরওয়ার, তুতিউর রহমান, ফারুক হোসেন খান, ফায়জুল করিম, আবদুল কাদির মিলু, মুজাহিদুল ইসলাম, ইমরুল ইসলাম, বেলাল সামসুল, মাহবুব চৌধুরী, কানতি মাহমুদ,  দেলোয়ার হোসেন, হেলাল উদ্দিন, ফারহানা শান্তা, মনির হোসেন, সাবু শাহ, নিরু চাকলাদার, ফারহানা খান, আবদুল হাই সুমন, ডাক্তার আরিফ শক্তি দেব, শংকর দেব, রিংকু সোম, মোহাম্মদ হাসান, খান মোহাম্মদ, ফখরুল ইসলাম চৌধুরী মিলন প্রমুখ।


বৃটেনে ৬ মাসে ৪শ’ এসিড হামলা বাংলাদেশিরাও আতঙ্কে

মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : বৃটেনে অব্যাহত এসিড হামলার ঘটনায় মুসলিম বিশেষত বাংলাদেশ কমিউনিটির ঘরে ঘরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি, বার্তা পাঠিয়ে হামলার ভয়াবহতার বিষয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বৃটিশ নাগরিকদের একে অন্যকে সতর্ক করছেন। দেশে থাকা স্বজনদের কাছেও তারা সচিত্র বার্তা পাঠাচ্ছেন। বিষয়টি লন্ডন, ম্যানচেষ্টার ও বার্মিংহামস্থ বাংলাদেশ মিশনে কর্মরত কূটনীতিকদেরও ভাবিয়ে তুলেছে। তবে এটি একান্তই বৃটেনের অভ্যন্তরীণ এবং দেশটির নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় বাংলাদেশি কূটনীতিকরা অত্যন্ত সতর্ক এবং ঘনিষ্ঠভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

বৃটিশ পুলিশের বরাতে বিবিসি বাংলার রিপোর্টে জানানো হয়, গত ৬ মাসে (চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত) ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে ৪০০টি এসিড হামলার ঘটনা রেকর্ড হয়েছে। ২০১২ সাল থেকে ২০১৬-১৭ সাল পর্যন্ত ৫ বছরে এ ধরনের হামলা দ্বিগুণ আকার ধারণ করেছে। এর বেশিরভাগ ঘটনাই ঘটছে রাজধানী লন্ডনে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার নর্থ-ইস্ট লন্ডনে ৫ জনকে লক্ষ্য করে এসিড হামলা চালানো হয়। গত মাসে পূর্ব লন্ডনের রাস্তায় গাড়ির জানালা দিয়ে এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত বৃটিশ তরুণী রেশাম খান এবং তার সহযাত্রী জামিল মুখতার। এপ্রিল মাসে ইস্ট লন্ডনে এসিড হামলায় অন্তত ২০ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে বিবিসি’র রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। বৃটেনের ন্যাশনাল পুলিশ চিফ কাউন্সিলের তথ্যে চলতি বছরে প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাজ্য এবং ওয়েলসে পৃথকভাবে ৪০০টি এসিড হামলার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এসব হামলায় অভিযুক্তদের অধিকাংশই তরুণ। তাদের বয়স ১৮ এর মধ্যে। বৃহস্পতিবারের ঘটনায় একজন ১৬ বছর বয়সী কিশোরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লন্ডনের সাংবাদিক মুনজের আহমদ চৌধুরী দেশটিতে এসিডের সহজলভ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এসিড হামলার অনেক ঘটনা ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ এবং ইসলামের নামে উগ্রপন্থিদের বিভিন্ন হামলার পাল্টা হামলা হিসেবে ঘটছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। মুসলিম নারী ও তরুণীরা এসিড হামলার বেশির ভাগ ঘটনায় ভুক্তভোগী (ভিকটিম) বলে জানান চ্যানেল আই ইউকে’র বার্তা সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা ওই প্রবাসী সাংবাদিক। তবে পুরুষরাও আক্রান্ত হচ্ছে। বিবিসি বাংলার রিপোর্টে গত নভেম্বরে ইস্ট লন্ডনে এসিড হামলার শিকার রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী ইমরান খানের করুণ চিত্র প্রকাশ পেয়েছে।

Picture

সেখানে এসিডে মুখ ঝলসে যাওয়া ইমরান খান বলেন, একদল তরুণ তার সঙ্গে বর্ণবাদী আচরণ করে এবং অর্থ ও খাবার দাবি করে। এরপর গাড়ির ভেতর তার মুখের ওপর তরল পদার্থ ঢেলে দেয় তারা। ইমরানের আশঙ্কা তিনি হয়তো পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যাবেন। পূর্ব লন্ডনে স্কুলপড়ুয়া দুই মেয়ে নিয়ে বসবাস করেন সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার জলডুপ গ্রামের মুমতাহিনা জান্নাত (সাজু)। ইস্ট লন্ডন মসজিদ লাগোয়া একটি বাড়িতে থাকেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ওই নারী। মানবজমিনের সঙ্গে আলাপে সমপ্রতি পূর্ব লন্ডনে ঘটে যাওয়া একাধিক এসিড হামলার সিসিটিভি ফুটেজ শেয়ার করে তিনি বলেন, এসিড হামলার ঘটনাগুলো খুবই বীভৎস। অনেক নারী ও তরুণী এরইমধ্যে এর শিকার হয়েছে। তারা এখন জীবন যন্ত্রণায় ভুগছেন।

বর্বর এসব ঘটনায় বাঙালি পরিবারগুলোতে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে জানিয়ে তিনি তার নিজের উদাহরণ দেন। বলেন, ‘আমার দু’টি মেয়ে রয়েছে। তারা স্কুলে যায়। ইসলামী শিক্ষা ক্লাস করতে ইস্ট লন্ডন মসজিদেও (মক্তব) যায়। তাদের আমি দিয়ে আসি। ফেরার সময় অনেক দিনই পরিচিত ভাবীরা (মেয়েদের সহপাঠীদের মায়েরা) ঘরে পৌঁছে দিয়ে যান। এত বছর এভাবেই চলছিলাম। কিন্তু এখন আর পারি না। মেয়েদের চিন্তায় তাদের নিয়ে যাই, আবার নিজেই নিয়ে আসি। রাস্তার পুরোটা সময় আতঙ্কে কাটাই। লন্ডনে প্রকাশ্যে এসিড কেনাবেচায় তেমন বিধি-নিষেধ নেই। তবে সামপ্রতিক এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশেষত উগ্রপন্থিদের হাতে হাতে এসিড থাকায় বেচাকেনা সংক্রান্ত আইন কঠোর করার জোর দাবি উঠেছে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়তে থাকায় এসিড হামলার মতো গুরুতর অপরাধের বিচার পদ্ধতি নিয়ে বৃটিশ প্রশাসন বিস্তারিত পর্যালোচনা করছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আম্বার রাড।

এ বিষয়ে অপরাধ বিশেষজ্ঞ ডক্টর সিমোন হার্ডিং বিবিসিকে বলেন- এটা এক ধরনের সহজলভ্য অস্ত্র হিসেবে পরিণত হয়েছে। তার মতে, এসিড নিক্ষেপ আধিপত্য, ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের দাপট দেখানোর উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর মধ্য দিয়ে বিভিন্ন গ্যাং ত্রাস সৃষ্টি করে থাকে। তার মতে, সরকারকে এ বিষয়ে তিনটি উদ্যোগ নিতে হবে। প্রথমত, এসিডের সহজলভ্যতা কমানো, দ্বিতীয়ত, কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং তৃতীয়ত, মানুষের মধ্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। লন্ডনের দাতব্য প্রতিষ্ঠান এসিড সারভাইভার্স ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল-এর জাফর শাহ বলেন, এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়।

তবে সামপ্রতিক হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক। তার মতে, বিশ্বে সম্ভবত বৃটেনেই এখনো সবচেয়ে এসিড হামলার ঘটনা ঘটছে। এদিকে লন্ডনের সানডে টাইমস জানিয়েছে, এসিড হামলার বিষয়ে কঠোর আইন প্রণয়নের চিন্তাভাবনা করছে বৃটিশ সরকার। তাছাড়া এসিড বিক্রির ওপর কড়া নজরদারি আরোপের ভাবনাও রয়েছে প্রশাসনের। কেবল আইন কঠোর করাই নয়, পুলিশের দায়িত্ব এবং কিভাবে এসিডের মতো ক্ষতিকারক পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং এসিড হামলার শিকারদের কিভাবে সাহায্য করা যায় তা নিয়েও আলোচনা চলছে বৃটিশ প্রশাসনে। বৃটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সানডে টাইমসকে বলেন, অপরাধীরা যেন আইনের শক্তি পূর্ণমাত্রায় অনুভব করতে পারে সেটাই আমরা চাইছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসিড আক্রমণে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের জীবনযাত্রা কঠোর হয়ে যায়। সোমবার হাউস অব কমন্সে বর্বর এসিড হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এমপিরা।


লন্ডন থেকে সাইকেলে হজে যাচ্ছেন তিন বাংলাদেশি!

রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : সিরিয়ার যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের সাহায্যার্থে এ বছর সাইকেলযোগে আট ব্রিটিশ নাগরিক হজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মাধ্যমে এক মিলিয়ন পাউন্ড সংগ্রহ করতে চান দাতব্য সংস্থা হিউম্যান এইডের এসব সদস্য। ওই আট যুবকের মধ্যে আছেন বাংলাদেশের তিন বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ।এরইমধ্যে যাত্রা শুরু করে দিয়েছেন ওই আট যুবক। আটটি দেশের মোট ২০০০ মাইল পাড়ি দিতে তাদের সময় লাগতে পারে ছয় সপ্তাহ। আগস্টে ঠিক সময়ের মধ্যেই তারা সৌদি আরব পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Picture

ব্রিটেন থেকে শুরু করে তারা সাইকেলে ভ্রমণ করবেন ফ্রান্স, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ইতালি, গ্রিস। এর পর গ্রিস থেকে জাহাজে করে মিশর এবং সেখান থেকে সৌদি আরব। যদিও তারা তুরস্ক, সিরিয়া ও জর্ডান হয়ে সৌদি আরব যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে তাদের সে পরিকল্পনা বাদ দিতে হয়েছে।