Editors

Slideshows

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/455188Hasina__Bangla_BimaN___SaKiL.jpg

দাবি পূরণের আশ্বাস প্রধানমন্ত্

বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে আলোচনা না করে আন্দোলন করার জন্য পাইলটরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। পাইলটদের আন্দোলনের কারণে ফ্লাইটসূচিতে জটিলতা দেখা দেয়ায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/701424image_Luseana___sakil___0.jpg

লুইজিয়ানায় আকাশলীনা‘র বাৎসরিক

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ লুইজিয়ানা থেকে ঃ গত ৩০শে অক্টোবর শনিবার সনধ্যায় লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির ইণ্টারন্যাশনাল কালচারাল সেণ্টারে উদযাপিত হলো আকাশলীনা-র বাৎসরিক বাংলা সাহিত্য ও See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/156699hansen_Clac__.jpg

ইতিহাসের নায়ক মিশিগান থেকে বিজ

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ ইতিহাস সৃষ্টিকারী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরা হাউজের আধিপত্য ধরে রাখতে সক্ষম হলো না। সিনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম হলেও আসন হারিয়েছে কয়েকটি। See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/266829B_N_P___NY___SaKil.jpg

বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিসে পুলি

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ আলাউদ্দিন রেষ্টুরেন্টের সামনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি তাৎক্ষণিক এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এই See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

হাসানুর রহমান সম্মানিত

বুধবার, ০৮ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ : গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক মহা নগরীর জ্যাকসন হাইটসের মেজবান রেস্তোঁরায় প্রবাসের অন্যতম বৃহত্তর আঞ্চলিক সংগঠন নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে শিশু সাহিত্যে অবদানের জন্যে নিউইয়র্ক প্রবাসী প্রবীণ শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমানের হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দিয়ে সম্মানিত করা হয়। একই অনুষ্ঠানে প্রবাসে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্যে আরও ক’জন বিশিষ্ট ব্যক্তি সম্মাননা গ্রহণ করেন। খবর বাপসনিউজ।

alt
উল্লেখ্য, শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ১৯৪৬ সনের ২২ আগষ্ট উত্তরবঙ্গের নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার অন্তর্গত লালোর গ্রামের সুপরিচিত শিরি পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ষাটের দশক ছিল শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমানের  লেখালেখির সোনালী যুগ। এই দশকের পুরোটা সময় তিনি শিশু-কিশোরদের জন্যে এ ন্তার লেখালেখি করেন তখনকার সময়ের বিবিধ মাসিক, সাপ্তাহিকী ও সাময়িকীর পাতায়। শিশু সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘শিরি শিশু সাহিত্য কেন্দ্রে’র তিনি প্রতিষ্ঠাতা।একজন সাংবাদিক হিসেবে ও হাসানুর রহমানের অনন্য ভূমিকা রয়েছে, যা অনেকেরই অজানা। ১৯৬২-৬৪ সনে কুষ্টিয়ায় থাকাকালীন তিনি কুষ্টিয়ার তৎকালীন সাপ্তাহিক ‘যোগাযোগ’ পত্রিকার শহর সংবাদদাতা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা করেছেন তৎকালীন ঢাকার কয়েকটি সংবাদপত্রে। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ঢাকার অধুনালুপÍ দৈনিক ‘সমাজ’- এ সাব এডিটর হিসেবে কিছুদিন কাজ করেন। ১৯৯৬ সনের আগষ্ট মাসে নিউইয়র্ক প্রবাসী হন। শিশু-কিশোরদের জন্যে লেখা তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৩ ( তেরো )টি। সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ এ যাবত পেয়েছেন বেশ কয়েকটি সম্মননা এ্যাওয়ার্ড ও পুরস্কার।


আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন-এর সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদ পূর্ন নির্বাচিত

মঙ্গলবার, ০৭ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন এর সভা গত ৩১ ডিসেম্বর, শনিবার নিউইয়র্কের কুইন্সের একটি রেষ্ঠুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয় । খবর বাপসনিউজ। আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সর্ব সম্মতি ক্রমে আন্তজার্তিক বার্তা সংস্থা বাপসনিউজ এডিটর, বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম ও কটিয়াদিনিউজ ডটকম, প্রদান সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকনকে ও এনওয়াইবিডিনিউজ ও বোষ্টনবাংলাানউজ ডটকম কন্টিবিউটিংন এডিটর এবং সাপ্তাহিক মুক্তকন্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হেলাল মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক পূর্ননির্বাচিত করা হয় এবং বাপসনিউজ চেয়ারম্যান প্রবীন শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমানকে প্রধান উপদেষ্ঠা নির্বাচিত করা হয়।


হাকিকুল ইসলাম খোকনকে সভাপতি ও হেলাল মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক এবং হাসানুর রহমানকে প্রধান উপদেষ্টা করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী পূনর্গ কমিটি চার বছরের জন্য (২০১৭-২০২০) গঠন করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন প্রতিষ্ঠা করা হয়।আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন এর সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ এবং প্রধান উপদেষ্টা হাসানুর রহমান সহ পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে প্রবাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কবি, সাংবাদিক, লেখক, শিল্পী-কলাকুশলী সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ অভিনন্দন জানিয়েছেন ।


১৯৭০’র ২২ ফেব্রুয়ারী স্মরণে নিউইয়র্কে সভা অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ০২ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির, ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক ১৯৭০’র ২২ ফেব্রুয়ারী স্মরণে নিউইয়র্কে আয়োজিত এক সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিনটি ঐতিহাসিক দিন। কেননা, এদিন ঢাকার ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে ছাত্র ইউনিয়নের জনসভায় ১১ দফা কর্মসূচী সম্বলিত প্রচারপত্রে ‘স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা’ ঘোষণা দেয়া হয়। ছাত্র সমাজের যে ঘোষণা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভূমিকা রাখে।

alt

বক্তারা বলেন, ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধই স্বাধীনতার ইতিহাস প্রকৃত ইতিহাস নয়। মূলত: ১৯৪৭ সালের পর থেকেই বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৭১-এর বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। আর দেশের স্বাধীনতার আন্দোলনের নেপথ্যের মূল রূপকার মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। তিনিই সর্বপ্রথম ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে স্বায়াত্তশাসনের কথা বলেন, স্বাধীনতার কথা বলেন।

alt

বক্তারা বলেন, সহনশীলতার মাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়েই দেশের স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস রচনা করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে প্রকৃত বাংলাদেশকে তুলে ধরতে হবে। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিলো এটা যেমন সত্য, তেমনী মওলানা ভাসানী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক পিতা এটাও ইতিহাসের সত্য। পাশাপাশি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাও সত্য। আর ভাসানী-মুজিবের সম্পর্ক ছিলো পিতা-পুত্রের মতো। ইতিহাসের যার যার প্রাপ্য সম্মান তাঁকে দিতে হবে।সচেতন প্রবাসী বাংলাদেশী সমাজ-এর ব্যানারে ১৯৭০-এর ২২ ফেব্রুয়ারী উদযাপন কমিটি গত ২৫ ফেব্রুয়ারী শনিবার সন্ধ্যায় উক্ত সভার আয়োজন করে। নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ কাবাব কিং রেষ্টুরেন্টের পার্টি হলে আয়োজিত সভার শুরুতে সকল শহীদ স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। খবর বাপসনিঊজ’র।

alt

প্রবীণ সাংবাদিক, সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও শিক্ষাবীদ অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। সভায় মূল আলোচক ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা, তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু। সভায় আলোচনায় অংশ নেন গিয়াস আহমদ, সাংবাদিক ও কলামিষ্ট মঈনুদ্দীন নাসের, সাবেক ছাত্রনেতা লুৎফর রহমান হেলাল, বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক ড. মাহবুব হোসেন, বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক নিউইয়র্কের সাবেক সহ সভাপতি আজহারুল হক মিলন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, ২২ ফেব্রুয়ারী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন। সভা পরিচালনা করেন কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট মাকসুদুল হক চৌধুরী। উল্লেখ্য, আতিকুর রহমান সালু পরবর্তীকালে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের পর্যায়ক্রমে সাধারণ সম্পাদক (১৯৭০-১৯৭১) ও সভাপতি (১৯৭২-১৯৭৩) ছিলেন।

alt

অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী রেখা আহমদ সহ ডীনা মাহবুব, নূরুল হক ও লুবনা কাইজার। সবশেষে প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী স্বপ্না কাওসার সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এসময় তলায় সঙ্গত করেন কাওসার হোসেন মন্টু।সভায় আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু তার দীর্ঘ স্মৃতিচারণ করে বলেন, আজ থেকে ৪৭ বছর আগে ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে লক্ষাধিক লোকের সমাবেশ থেকে স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা প্রতিষ্ঠার ডাক দেয়া হয়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন গ্রুপ)-এর উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও ১১ দফা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার। বক্তব্য রাখেন ১৯৬২-এর আইয়ুবের সামরিক শাসন ও শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বিরোধী আন্দোলনের নেতা এবং তৎকালীন শ্রমিক নেতা কাজী জাফর আহমেদ (মরহুম সাবেক প্রধানমন্ত্রী), ডাকসু’র সাবেক ভিপি ও তৎকালীন উদীয়মান কৃষক নেতা রাশেদ খান মেনন (বিমান ও পরিবহন মন্ত্রী) এবং ছাত্র ইউনিয়নের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও ১১ দফা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাহবুবউল্লা (ড. মাহবুবউল্লা)।ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ২২ ফেব্রুয়ারীর জনসভার শুরুতে স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলার (কর্মসূচী) প্রস্তাবনা পাঠ করার সুযোগ হওয়ার কথা উল্লেখ করে আতিকুর রহমান সালু বলেন, ঐ সভায় স্বাধীন বাংলার পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য সামরিক আদালতে কাজী জাফর আহমেদ ও রাশেদ খান মেননকে তাদের অনুপস্থিতিতে ইয়াহিয়ার সামরিক সরকার ৭ বছর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। এছাড়া মোস্তফা জামাল হায়দার ও মাহবুবউল্লাকে এক বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। আমাকে (সালু) পুলিশ হন্য হয়ে খুজে। তিনি বলেন, ২২ ফেব্রুয়ারী পল্টনের জনসভা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক।

alt
আতিকুর রহমান সালু বলেন, তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়ন ছিলো ছাত্র আন্দোলনের ‘নেইম ও ফেইম’। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন ‘ভ্যান গার্ড’-এর ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন, তৎকালীন বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃস্থানীয়দের মধ্যে আবদুল্লাহ আল নোমান (সাবেক মন্ত্রী), সাদেক হোসেন খোকা (সাবেক মন্ত্রী ও মেয়র), জসিম উদ্দিন আহমেদ (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি), শিল্পী ফকির আলমগীর, কাজী সিরাজ (সাংবাদিক) প্রমুখ অংশ নেন। তিনি বলেন, ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে আমরাই প্রথম জনসভা করে প্রকাশ্যে স্বাধীনতার ডাক দেই।সালু বলেন, ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা তথা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মূল সুর ও আকঙ্খা ছিলো সর্বক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তন, সকল বৈষম্যের অবসান এবং শোষনমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজো বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি বলেন, সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারী আমাদের জাতীয় জীবনের অনন্য দিন, ইতিহাসের বাতিঘর। দেশের চলমান রাজনীতির মত পার্থক্য ও কলুষ রাজনীতি দিয়ে সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারীকে বিচার করলে চলবে না। ২২ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিতহাসের ‘মাইল ফলক’। তাই স্বাধীনতার লক্ষ্য বাস্তবায়নে ২২ ফেব্রুয়ারী চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে।
 alt
সভায় ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস এতো বড় যে, তা লিখে শেষ করা যাবে না। তারপরও দেশের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে, জানাতে হবে। তিনি বলেন, কোন সরকারই সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারীকে স্মরণ করবে না। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও প্রবাস থেকে আমাদের সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।মঈনুদ্দীন নাসের বলেন, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ‘আসসালাুম আলাইকুম’-এর পর সত্তরের ২২ ফেব্রুয়ারীর জনসভার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেয়া হয়। এটা ইতিহাস। আমাদেরকে সঠিক ইতিহাস জানতে হবে, নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। তিনি বলেন, মওলানা ভাসানীর সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কথা সেদিন অনেকই বুঝতে না পারায় দেশের রাজনীতিতে অনেক ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, মওলানা ভাসানীর ছিলেন দূরদর্শী নেতা। সত্তুরের নির্বাচনের পর শেখ মুজিব যে ক্ষমতা পাবেন না, তা ভাসানী আগেই বুঝেছিলেন। প্রসঙ্গত তিনি আরো বলেন, শেখ মুজিব নিজেকে কখনো স্বাধীনতার ঘোষক দাবী করেননি। তিনি বলেন, উলফা নেতাদের হস্তান্তর করে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করা যাবে না। আমরা সচেতন না হলে, দেশ প্রেমিক না হলে বহিশত্রুদের আক্রমন থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করা যাবে না।

alt
লুৎফর রহমান হেলাল বলেন, সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারী অস্বীকার করলে একাত্তুরকেই অস্বীকার করা হবে। তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিকদের চারিত্রিক পরিবর্তন, ক্ষমতার মোহ জাতির স্বপ্ন পূরণ করতে পারছে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে ছাত্র ইউনিয়ন ছিলো, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ছিলো না। আর স্বাধীনতার পর পূর্ব বাংলা ছাত্র ইউনিয়ন ‘বাংলাদেশ বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন’ নাম নেয়।ড. মাহবুব হাসান বলেন, মওলা ভাসানী কত বড় মাপের নেতা ছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিব মওলানা ভাসানীকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে শ্রদ্ধা জানাতেন। তিনি শুধু শেখ মজিবের নয়, আওয়ামী লীগেরও রাজনৈতিক পিতা ছিলেন। তিনি বলেন, সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারীর ইতিহাসকে জানতে হবে। ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত দেশের ইতিহাস নিয়ে গবেষনা করতে হবে, সত্যকে তুলে ধরতে হবে।মনজুর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে যত তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনা হবে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস ততই বেড়িয়ে আসবে। কিন্তু আমাদের দূর্ভাগ্য হচ্ছে যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দল তাদের মত করে স্বাধীনতার কথা বলে। আর দেশের ইতিহানবীরা ইতিহাস নয়, রাজনৈতিক কলাম লেখে। তিনি বলেন, ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ এর রিত রূপই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের সাক্ষাৎ নিয়ে ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক বাংলায় প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরকার তা অস্বীকার করেনি। তিনি বলেন, আমরা আমাদের দেশ, দেশের স্বাধীনতার সার্বিক ও সঠিক ইতিহাস চাই।

alt
সত্তুরের ২২ ফেব্রুয়ারী স্মরণে ‘বাইশে ফেব্রুয়ারী ১৯৭০’ শীর্ষক একটি তথ্যবহুল স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়। প্রবীণ সাংবাদিক মঈনুদ্দীন নাসের সম্পাদিত এতে রাশেদ খান মেনন, মোস্তফা জামাল হায়দার, আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু, মনজুর আহমেদ, প্রফেসর জসীম উদ্দিন, আলী ইমাম, ড. লাইলী উদ্দিন প্রমুখের লেখা প্রকাশিত হয়।


নিউইয়র্কে প্রথম শহীদ মিনারের নির্মাতা শিল্পী খুরশীদ আলম সেলিম

বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ : বর্তমানে প্রবাসে একুশে উপলক্ষে একাধিক শহীদ মিনার র্নির্মিত হলেও নিউইয়র্কে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। সে সময় নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড সিটির মাঝে পার্কে বাংলাদেশ লীগ অব আমেরিকার উদ্যোগে এই শহীদ মিনারটি নির্মিত হয়। এটি নির্মাণ করেছিলেন বর্তমানে নিউইয়র্কে বসবাসরত আন্তজার্তিক খ্যাতি সম্পন্ন শিল্পী খুরশীদ আলম সেলিম। যিনি গত বছর নিউইয়র্ক সিটিতে একুশে উপলক্ষে অস্থায়ীভাবে নির্মিত একুশের ভাস্কর্যটির মূল নকশা তৈরী করেন। তারই নকশায় বাংলাদেশ থেকে ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়। এখানে এনে অস্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়েছিল।

Picture

এ বছরও বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত একুশের অনুষ্ঠানের জন্য নির্মিত শহীদ মিনারটি তিনিই নির্মাণ করেছেন। যা ২০ ফেব্রুয়ারী সোমবার দিবাগত রাতে গুলশান ট্যারেস (সাবেক ঢাকা ক্লাবে) স্থাপন করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে শিল্পী খুরশীদ আলম সেলিম বলেন, ‘আমার খুব ভাল লাগছে যে, নিউইয়র্কের প্রথম শহীদ মিনার আমার হাতেই ১৯৮৮ সালে নির্মিত হয়। গত বছর ম্যানহাটনে মুক্তধারার ব্যবস্থাপনায় একুশে উপলক্ষে যে ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিল সেটির নকশাও আমিই করেছিলাম। পরে তা নানা কারণে ঢাকা থেকে তৈরী করে আনা হয়।

alt
এবার বাংলাদেশ সোসাইটির অনুষ্ঠানে শহীদ মিনারটি স্থাপন করা হয়েছিল সেটিও একুশের মূল শহীদ মিনারকে উপজীব্য রেখে নির্মাণ করা হচ্ছে। আশা করি সেটাও সকলের ভাল লেগেছিল।শিল্পী খুরশীদ আলম সেলিম বলেন, ১৯৮৮ সালে লীগ অব আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন লাকী ইনাম এবং সেক্রেটারী ছিলেন  সাপ্তাহিক ঠিকানার সাবেক সম্পাদক এম এম শাহীন।

alt

তাদেরই অনুরোধে শহীদ মিনারটি মারো পার্কে নির্মিত হয় এবং প্রচন্ড ঠান্ডা উপেক্ষা করে অমরা সকলেই ‘প্রভাত ফেরী’তে অংশ নেই। সে সময় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয় ভোরবেলায়। রাতের প্রথম প্রহরে নয়। সেই অনুষ্ঠানে অনেকের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন মরহুম ডাঃ আলমগীর, বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বেদারুল ইসলাম বাবলা, রানী কবির, কৌশিক আহমেদসহ আরও অনেকে।লীগ অব আমেরিকার সাবেক সভাপতি বেদারুল ইসলাম বলেন, আমিও সেই প্রভাত ফেরীতে অংশ নিয়েছিলাম। আমার মনে আছে, প্রচন্ড ঠান্ডা উপেক্ষা করেও আমরা প্রভাত ফেরীতে অংশ নেই। আর সেটাই নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথম শহীদ মিনার এবং প্রভাত ফেরী।


নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল-এ “শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” পালিত

বুধবার, ০১ মার্চ ২০১৭

Picture

কনস্যুলেট জেনারেল মিলনায়তনে ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ সন্ধ্যায় একটি আলোচনা সভা ও বহুভাষিক একটি বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতেই দিবসটির উপরে একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। কনসাল জেনারেল  শামীম আহসান,এনডিসি তার বক্তৃতায় বলেন যে দিবসটি সারা বিশ্বে ভাষার বৈচিত্র্য উদ্যাপনের একটি প্রেক্ষাপট তৈরী করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি মহান ভাষা আন্দোলনে ভাষা শহীদ ছাড়াও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অবদান তুলে ধরার সাথে সাথে ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে তাঁর বাংলায় বক্তব্য প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ করেন। ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরো বলেন যে এই আন্দোলনের ধারাবাহিক অর্জনই বাংলাদেশের স্বাধীনতা।  

alt

অনুষ্ঠানের মুখ্যবক্তা প্রখ্যাত থিংকট্যাংক (কবুহড়ঃব ঝঢ়বধশবৎ) এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল (ঝওখ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ) এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রধান এবং বিশিষ্ট ভাষা বিশেষজ্ঞ  রবার্ট জেমস থার, (গৎ. জড়নবৎঃ ঔধসবং ঞযধৎ), স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ফোর্ডহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর  কামরুল হায়দার এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব জামালউদ্দিন হোসেন অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে বিশ্বসম্প্রদায়ের মধ্যে ভাষাগত বন্ধনের একটি অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।  বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কনস্যুলেট ও স্থায়ী মিশনের পরিবার, কমিউনিটি এবং বিদেশী শিল্পীরা (বেলারুশ, চিলি, চীন, ভারত, লিথুনিয়া, নেপাল এবং প্যারাগুয়ে) অংশ গ্রহণ করেন। মার্কিন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কনসাল জেনারেল সহ কূটনীতিকবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

Bangladesh Consulate General in New York observes “Martyrs’ Day and International Mother Language Day”

Hakikul Islam khokan,Aysha Akter Ruby,bapsnews:Bangladesh Consulate General in New York observed “Martyrs’ Day and International Mother Language Day” in a befitting manner. The national flag was hoisted at half-mast in the morning of February 21, 2017 in the premises of the Consulate General. Messages from the Hon’ble President, Hon’ble Prime Minister, Hon’ble Foreign Minister and Hon’ble State Minister for Foreign Affairs were read out. A special prayer was offered for the salvation of the departed souls of those who laid down their lives during the language movement in 1952 and War of Independence in 1971 and also seeking divine blessings for the continued peace, progress and prosperity of the country. One minute silence was also observed as a respect to the martyrs.

alt
A discussion meeting was organized in the Auditorium of the Consulate General on Friday (24 February,2017) which was  followed by a multilingual cultural show. A documentary on the International Mother Language Day was screened at the beginning. At the discussion segment, while paying rich tribute to the language martyrs, Consul General Mr. Md. Shameem Ahsan,ndc  in his  remarks said  that  International Mother Language Day has now become a day of celebration of linguistic diversity around the world. In this context, he recalled the contribution of martyrs including role of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman in the historic language movement as well as his speech in Bangla at the UNGA in 1974. He also underlined the significance of the language movement in the evolution of the national history culminating into the independence of Bangladesh.

alt
Other speakers included keynote speaker Mr. Robert James Thar, Language Expert and Head, International Relations Team, SIL International, a prominent think-tank, Washington DC, Mr. Quamrul Haider, Recipient of “Swadhinata Padak” & Professor at Fordham University, New York and Mr. Jamaluddin Hussain, Recipient of “Ekusey Padak” and a cultural personality.     
The discussants spoke about the spirit of oneness in the celebration of the International Mother Language Day which they described as a powerful and inspirational manifestation of unity.
The discussion was rounded off with a colorful multicultural function. The stellar performance by the artists from the Consulate and Permanent Mission family, community and foreign countries (Belarus, Chile, China, India, Lithuania, Nepal and Paraguay) enthralled the audience and manifested a unique harmony of the nations for the protection of cultural diversity. US Officials and guests, Consuls General, diplomats, representatives from social and cultural organizations, and a large number of the members of the Diaspora attended alongwith their families.
The guests were served with traditional Bangladeshi cuisine.


‘তারার আলো’ উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র সাধারণ সভা - নতুন কমিটি গঠন মীনা ইসলাম-সভাপতি ও পর্ণা ইয়াসমিন-সাধারণ সম্পাদক

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক নারীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইনজীবি এন মজুমদার। মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডিমা নেফারতিতির পরিচালনায় সভার শুরুতে শুভেচ্ছা জানান ডাঃ নার্গিস রহমান। তারপর দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

alt

এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জ্ঞাপনের জন্য উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা কাজী শফিকুল হককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তারার আলো’র সভাপতি মীনা ইসলাম।খবর বাপসনিঊজ।

alt

তারার আলো উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র শিল্পীদের সমবেত কন্ঠে সঙ্গীত পরিবেশন করেন । তারার আলো  উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক পর্ণা ইয়াসমিন সংক্ষিপ্তভাবে তারার আলোর প্রতিষ্ঠাতা ও  সভাপতি মীনা ইসলামের পরিচিতি এবং তারার আলো গঠনের উদ্দেশ্য ও কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা করেন।

alt

মীনা ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, তারার আলো উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র যদিও নারীদের সংগঠন কিন্তুু আমরা নারী-পুরুষ মিলে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ করবো। তিনি আরও বলেন, তারার আলোর সদস্যগণ দেশে ও বিদেশে একযোগে জাতির কল্যাণে কাজ করবে। এই সংগঠনে রয়েছে নানাবিধ মেধা সম্পন্ন যোগ্য নেতৃত্ব। এদের মেধা কাজে লাগিয়ে সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত নারীদের সেবা প্রদান করা হবে।

alt
 প্রধান অতিথি এন মজুমদার বলেন, মীনা ইসলামের উদ্যোগে আজ এই প্রবাসের এত নারী এক সাথে মিলিত হয়েছে । এই ঐক্য কাজে লাগিয়ে সমাজের অনেক কল্যাণ করা সম্ভব।

alt
তারার আলো উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র  সদস্যদের মধ্য থেকে আরও বক্তব্য রাখেন ডাঃ নার্গিস রহমান, শাহনাজ বেগম, শামীম আরা আফিয়া, ইসমত জাহান পলি , ফাতিমা খাতুন, জীবন পলি, সালমা আলম, সুলতানা খানম, শাহনাজ আলম লিপি প্রমুখ। সাধারন সভায় তারার আলো উইমেন্স ইঊনিটি ইউএসএ’র নতুন কমিটির ১৬ জনের নাম ঘোষণা করা হয়।

alt

তারা হলেন মীনা ইসলাম-সভাপতি, পর্ণা ইয়াসমিন-সাধারণ সম্পাদক, শাহনাজ বেগম-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ইসমত জাহান পলি-সাংগঠনিক সম্পাদক, সালমা আলম-কোষাধক্ষ্য, নার্গিস রহমান- সাংস্কৃতিক সম্পাদক, পপি চৌধুরী-সাহিত্য সম্পাদক, ফাতিমা খাতুন-যুগ্ম সাহিত্য সম্পাদক, শামীম আরা আফিয়া-সদস্য সচিব, জীবন পলি-প্রচার সম্পাদক, ইয়াছমিন আরা মুন্নি-যুগ্ম প্রচার সম্পাদক, দিমা নেফারতিতি-মিডিয়া সম্পাদক, লাভলী চৌধুরী আঁখি-ক্রীড়া সম্পাদক, সুলতানা খানম-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক, নাহিদা ইয়াসমিন-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, সুপ্তি ফারজানা-আন্তর্জাতিক সম্পাদক।

alt
বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাংস্কৃতিক সম্পাদিক মনিকা রায়, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জনার্ধন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান চৌধুরী,মনি হোম কেয়ারের মনি আহমেদ, রেক্্েরানা মজুমদার, কানিজ আয়েশা, মাকসুদা আহমেদ,খান শওকত, ট্যালেন্ট টেক এর কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান সুমন, এম জামান, ডাঃ শাহ আলম, মাজেদা উদ্দিন ও বাবলী হক প্রমুখ।


প্রধানমন্ত্রীসহ ৫০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে : ইউনাইটেড স্টেট পোস্টাল সার্ভিস কর্তৃক ‘অমর একুশে’র অনন্য স্বীকৃতি

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির, ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের অমর একুশের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভের দ্বিতীয় বারের মত যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগ নিউইয়র্কের জ্যাকসন হ্টাসের পোস্ট অফিসে গত একুশে ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টায় একটি স্মারক সিলমোহর চালু করেছে। আমেরিকার ডাক বিভাগ এ উপলক্ষ্যে একুশে ফেব্রুয়ারি ২০১৭ শীর্ষক একটি বিশেষ সিলমোহর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যবহার করবে। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত সাহার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের ডাকবিভাগ এই বিশেষ সিলমোহর ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ট্রাই স্টেট পোস্টাল সার্ভিস কর্তৃক (নিউইয়র্ক, নিউজার্সী ও কানেকটিকাট) কর্তৃক আয়োজিত পোস্টাল স্মারক উদ্বোধন করেন নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী, সংস্কৃতি মন্ত্রীসহ ৫০ জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিকে একুশ উপলক্ষে প্রকাশিত বিশেষ স্মারক ডাকটিকেট ও সীলমোহরসহ মুক্তধারা ফাউন্ডেশন থেকে চিঠি পাঠানো হয়।

alt
২১শে ফেব্রুয়ারিকে ইউনেস্কো, জাতিসংঘ ও নিউইয়র্ক স্টেট কর্তৃক আন্তর্জাতিক মতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির পর ইউনাইটেড স্টেট পোস্টাল সার্ভিস স্মারক কর্তৃক এই ডাক টিকেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে দিনটিকে আরো গৌরবান্বিত করলো বলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জ্যাকসন হাইটস পোস্ট অফিসের কর্মকর্তা প্যাট্রিসিয়া তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন। বসাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ এর সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধক শামীম আহসান বলেন, আন্তর্জাতিক বলয়ে একুশকে তুলে ধরার জন্য মুক্তধারা ও বাঙালির চেতনা মঞ্চ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে।

alt

এ সকল কার্যক্রম বিদেশে দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্বল থেকে উজ্বলতর করে। এটিকে সাধুবাদ জানাতেই হয়। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত সাহা বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসটিকে প্রতি বছরই নতুন নতুনভাবে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে আমরা চেষ্টা করে চলেছি। বাঙালীর চেতনা মঞ্চের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাদশা বলেন, বাঙালির চেনাকে সমুন্নত রাখতে আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে। একুশের প্রত্যেকটি অনুষ্ঠান সফল কওে তোলার জন্য তিনি সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। উল্লেখ্য, স্মারক সিলমোহরটির ডিজাইন করেছেন নিউইয়র্ক প্রবাসী শিল্পী কে সি মং।

alt
১৯৯২ থেকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের সামেন অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে অভিবাসী বাঙালিরা প্রতি বছর অমর একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করে থাকে। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালির চেতনা মঞ্চের যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সর্বশেষ কর্মসূচী ছিল আজ। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী একুশের গ্রন্থমেলা। ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয জাতিসংঘের সামনে নির্মিত শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ। উক্ত অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম , জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুন বিন মমীন ও কনসাল জেনারেল শামীম আহসানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যোগ দেন। বাংলাদেশের ডাচবাংলা ব্যাংকের সহযোগিতায় মুক্তধারা ফাউন্ডেশন গত বছর জাতিসংঘের সামনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ভাস্কর্য প্রদর্শণের পর এবার ইউনাইটেড পোস্টাল সার্ভিস কর্তৃক স্মারক সীলমোহর প্রকাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নতুন মাত্রা যোগ হলো বলে বিভিন্ পর্বে আলোচকরা মতামত ব্যক্ত করেছেন। 


জাকির খান নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতে নিহত

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিউজ: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কমিউনিটির পরিচিত মুখ, ব্যবসায়ী জাকির খান ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। নিউইয়র্ক সময় ২২ ফেব্রুয়ারি সাড়ে ছয়টার দিকে তাকে ব্রঙ্কসের নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন) প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে জাকির খানের বাড়িওয়ালাই তাকে ছুরিকাহত করেন। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

alt

জাকির খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কমিউনিটির অপর পরিচিতমুখ সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন  ও  রুনি ডিজাইয়ারের সত্ত্বাধিকারী,সাংবাধিক ও এক্টিভিষ্ট নিসার জামিল শুড্ডু বাপসনিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতের সঙ্গে অপর ঘনিষ্ঠ বাংলাদেশ একাডেমী অব ফাইন আর্টস (বাফা)’র প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমীন বাপসনিউজকে জানান, যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন জাকির খান সেই বাড়িওয়ালাই তাকে ছুরিকাহত করেন। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জাকির খানের বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে। তিনি ছিলেন রিয়েলস্টেড ব্যবসায়ী। তার বয়স হয়েছিলো ৪৪ বছর। তিনি স্ত্রী ও তিন ছেলে মেয়েসহ আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য রেখে গেছেন।

alt

ব্রঙ্কস পুলিশের বরাত দিয়ে নিউইয়র্কের একটি সংবাদপত্র জানাচ্ছে, বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়া দ্বন্দ্বের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড পুলিশ জানায় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ৯১১ এ কল পাওয়ার পর তারা ব্রঙ্কসের থ্রঙ্গস নেক সেকশনের বাড়িটিতে যায়। সেখানে তারা দেখতে পায় জাকির খানের শরীরে বেশ কয়েকটি ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। দ্রুত তাকে জ্যাকোবি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
৫১ বছর বয়সী ওই বাড়িওয়ালাকে পুলিশ এরই মধ্যে আটক করে কাস্টডিতে নিয়েছে বলেও খবরে জানানো হয়েছে।

alt

বাংলাদেশ কমিউনিটির পরিচিত মুখ, ব্যবসায়ী জাকির খান মৃত্যুতে গভীর শোক

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিঊ : বাংলাদেশ কমিউনিটির পরিচিত মুখ, ব্যবসায়ী জাকির খান ছুরিকাঘাতে মৃত্যুতে গভীর শোক ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ কমিউনিটির পরিচিত মুখ, ব্যবসায়ী জাকির খান সদালাপী ও দক্ষ সংগঠক । যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংকৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ কমিউনিটির পরিচিত মুখ, ব্যবসায়ী জাকির খান  মৃত্যুতে গভীর শোক ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাং¯কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেনষ্টেট এ্যাসেম্বলির এ্যাসেম্বলিম্যান মুলধারার রাজনীতিক লুইস সিপুলভেদা, আমেরিকা- বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম, যুক্তরাষ্ট্র সোহরাওয়ার্দী স¥তি পরিষদের সভাপতি শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,রুনি ডিজাইয়ারের সত্ত্বাধিকারী,সাংবাধিক ও এক্টিভিষ্ট নিসার জামিল শুড্ডু,বাংলাদেশ একাডেমী অব ফাইন আর্টস (বাফা)’র প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমীন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন,নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গণি ও সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া, সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহামন মিলন ও সাধারণ সম্পাদক আলো আহমেদ, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন  সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ,ইউএসএ বাংলানিউজ এর সম্পাদক আবু সাঈদ রতন , যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুলধারার রাজনীতিক আবদুর রহীম বাদশা,  কবি জুলি রহমান, গল্পকার ও লেখক নাসরিন চৌধুরী আবৃতি শিল্পী আনোয়ারুল হক, লাভলু, ডাঃ শাহানারা আলী রেনু আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সাহিত্য একাডেমীর সভাপতি মোশারফ হোসেন, বাফার আবদুল মুকিত চৌধুরী এবং এস এ লিংকন ও ফিরোজ মাহমুদ,বাফার শামীম আরা বেগম,ফারজানা ইয়াসমীন, রনজিত কুমার দাস, মোঃ নাসির উল্লাহ, অনুপ কুমার দাস, মামুন আহমেদ এবং আব্দুল মুকিত চৌধুরী প্ প্রমুখ।

 


বাংলাদেশ একাডেমী অব ফাইন আর্টস (বাফা)’র উদ্যোগে ব্রঙ্কসে প্রথম বারের মত প্রভাত ফেরির মধ্য দিয়ে আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিউজ: নিউইয়র্ক শহরের ব্রঙ্কসে এই প্রথম বারের মত মহান শহীদ দিবস এবং আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হয়। খবর বাপসনিউজ। গত ২১ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশ একাডেমী অব ফাইন আর্টস (বাফা)’র উদ্যোগে ১৪৫৪ ওলমষ্টেড এভিনিউ, ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক-- এনওয়াই-১০৪৬২ এর অপ্টিমাম টিউটোরিয়াল এর সম্মুখ থেকে প্রভাত ফেরির সূচনা করা হয়।

alt

সংগঠনের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, লেখক, কবি ,সাহিত্যিক, রাজনীতিক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ মুলধারার নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে প্রভাত ফেরি, শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করা হয়।

alt

ব্রঙ্কসের বাঙ্গালী অধ্যুষিত ষ্টারলিং- বাংলাবাজার – ওলমষ্টেড এভিনিউর বাফার কার্যালয়ের সামনে থেকে বিশাল প্রভাত ফেরিটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে ওই এলাকার এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুলের দেয়ালে এসএ লিংকনের চিত্রায়িত শহীদ মিনারের সামনে নির্মিত বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পন করা হয়।

alt

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী-আমি কি ভুলিতে পারি গান গেয়ে ফুলের তোড়া হাতে প্রথমে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রভাত ফেরির উদ্যোক্তা বাংলাদেশ একাডেমী অব ফাইন আর্টস (বাফা)’র প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমীনের নের্তৃত্ত্বে বাফার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ।

unnamed

এরপর এক এক করে শহীদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পন করেন নতুন প্রজন্ম, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষ।

alt

দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের প্রবাসীরা প্রভাতফেরিসহ একুশের অনুষ্ঠান মালায় অংশ নেন। বাফার এই আয়োজনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত হন ব্রঙ্কস থেকে নির্বাচিত নিউইয়র্ক ষ্টেট এ্যাসেম্বলির এ্যাসেম্বলিম্যান মুলধারার রাজনীতিক লুইস সিপুলভেদা।

alt

বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহকারী সাধারন  সম্পাদক ব্রঙ্কস প্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি এক্টিভিষ্ট সিরাজ উদ্দিন আহমদ সোহাগের সুচারু সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন  বাংলাদেশ একাডেমী অব ফাইন আর্টস (বাফা)’র প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমীন, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন  বাংলাদেশ একাডেমী অব ফাইন আর্টস (বাফা)’র শামীম আরা বেগম।

alt
অতিথিদের মাঝে বক্তব্য রাখেন মুলধারার রাজনীতিক ও আইনজীবি মোহাম্মদ এন মজুমদার, মুলধারার রাজনীতিক ও রিয়েলেট জাকির এইচ খান, কবি পতœী ও সাহিত্যিক নিরা কাদরী, মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমদ চৌধুরী, রুনি ডিজাইয়ারের সত্ত্বাধিকারী,সাংবাধিক ও এক্টিভিষ্ট নিসার জামিল শুড্ডু ,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুলধারার রাজনীতিক আবদুর রহীম বাদশা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, বাপসনিউজ এডিটর, মুলধারার রাজনীতিক ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,  কবি জুলি রহমান, গল্পকার ও লেখক নাসরিন চৌধুরী আবৃতি শিল্পী আনোয়ারুল হক, লাভলু, ডাঃ শাহানারা আলী রেনু আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সাহিত্য একাডেমীর সভাপতি মোশারফ হোসেন, বাফার আবদুল মুকিত চৌধুরী এবং এস এ লিংকন।

alt
অনুষ্ঠানের বিশেষ সহযোগীতায় ছিলেন বাফার শামীম আরা বেগম,ফারজানা ইয়াসমীন, রনজিত কুমার দাস, মোঃ নাসির উল্লাহ, অনুপ কুমার দাস, মামুন আহমেদ এবং আব্দুল মুকিত চৌধুরী প্রমুখ।

alt
সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন অপ্টিমাম টিউটোরিয়াল, ব্রঙ্কস বাংলাদেশ উইমেন’স এসোসিয়েশন এবং ড্রাইভিং স্কুলপ্রমুখ।সবশেষে বাফার শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এবং অতিথিদের প্রাতঃরাশে আপ্যায়ন করা হয়।

alt

প্রভাত ফেরির প্রধান আকর্ষণ নিউইয়র্ক ষ্টেট এ্যাসেম্বলির এ্যাসেম্বলিম্যান মুলধারার রাজনীতিক লুইস সিপুলভেদা বলেন পৃথিবীর কোথাও ভাষার জন্য প্রাণ দেয় তা আমার জানা নেই। আমি বাংলাদেশের বন্ধু।বাংলা ভাষাকে আমি ভালবাসী।এবং প্রভাত ফেরীতে উপস্থিত হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। তিনি বাফার কর্মকান্ডের ভূষসী প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে ভাষা শহীদদের স্বরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

 


জেনারেল এমএজি ওসমানীর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন করেছে বালাগঞ্জ ওসমানী নগর প্রবাসী কল্যান সমিতি যুক্তরাষ্ট্র

বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজঃ বালাগঞ্জ ওসমানী নগর প্রবাসী কল্যান সমিতি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে এবং বঙ্গবীর এমএজি ওসমানী স্মৃতি পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগীতায় মুক্তি বাহিনীর সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল (অব ঃ) এমএজি ওসমানীর ৩৩তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ১৯ ফেব্রুয়ারী রবিবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ইত্যাদি পার্টি হলে। খবর বাপসনিউজ।

alt

সংগঠনের সভাপতি আজিজ আহমদ সালিক এর সভাপতিত্ত্বে ও অন্যতম উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আকতার আহমদ চৌধুরীর সুচারু পরিচালনা ও উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সভাপতি বদরুল হোসেন খান।

unnamed 22

প্রধান বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও সংগঠনের অন্যতম উপদেষ্ঠা এম এ সালাম।

alt

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, সিলেট এমসি গভমেন্ট কলেজ বিশ^বিদ্যালয় এলামনই এসোসিয়েশনের সভাপতি বেলাল উদ্দিন, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট .সংগঠক  আব্দুল বাসিত, জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী আব্দুর রহমান, সাধারন সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, জাতীয় ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন, ওসমানী নগর  ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিয়া মোঃ আনছার, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম, সংগঠনের উপদেষ্টা আব্দুল কাদির , আব্দুল মান্নান, আখতার আহমেদ চৌধুরী, কাজী ওয়াদুদ আহমেদ। হবিগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি শফি উদ্দিন তালুকদার।

alt

বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মদিনা মসজিদের সাবেক সাধারন সম্পাদক হাফিজ জুলফিফল চৌধুরী।


চিটাগাং এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার আসন্ন নির্বাচন এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয়ে চট্রগ্রাম নাগরিক ঐক্য’র সংবাদ সম্মেলন

বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিউজ ঃ গত ১৯ ফেব্রুয়ারী রবিবার সন্ধ্যা সাতটায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পালকি সেন্টারের চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে চিটাগাং এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার আসন্ন নির্বাচন এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয়ে চট্রগ্রাম নাগরিক ঐক্য’র ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। খবর বাপসনিউজ। চট্রগ্রাম সমিতি অব নর্থ আমেরিকার সাধারন সদস্যদের পক্ষ থেকে এই সাংবাদিক  সম্মেলনে বিপুল সংখ্যক চট্রগ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক  সম্মেলনে মুল বক্তব্য পাঠ করেন সাবেক ছাত্রনেতা বিশিষ্ট সংগঠক কামাল হোসেন মিঠু।
তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন.

বাঁচাও চট্টগ্রাম সমিতি
সম্মানিত প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,
আস্সালুমাআলাইকুম এবং আদাব। আপনাদের সবাইকে অশেষ ধন্যবাদ আজকের এই মত-বিনিময় সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য।
১৯৮৯ সালের কোন এক সন্ধ্যায় করোনার একটি বাড়ীতে প্রবাসের কয়েকজন চট্টগ্রামবাসী মিলে চট্টগ্রাম সমিতি গঠন করেছিলেন, চট্টগ্রামবাসীর কল্যাণ এবং সমৃদ্ধির আশায় সেদিন যারা সেই স্বপ্নবীজ বুনে ছিলেন তারা অনেকেই আজো চট্টগ্রাম সমিতির সাথে জড়িত আছেন এবং নিশ্চিতভাবে বলতে পারি সেই স্বপ্নচারী যুবকেরা আজ কোন না কোন ভাবে আশাহত। দীর্ঘ ২৮ বছরের পথ পরিক্রমায় আমাদের অনেক অর্জনের পাশাপাশি আমাদের ব্যর্থতার দায়ভার কম নয়।
আপনারা অবগত আছেন, আগামী ২রা এপ্রিল, ২০১৭ চট্টগ্রাম সমিতির নির্বাচন ঘোষনা করা হয়েছে। যা ইতিমধ্যেই নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করেছে। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিলো গত সেপ্টেম্বর/অক্টোবর মাসে। দীর্ঘ সূত্রিতা সত্ত্বেও আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। তার পাশাপাশি অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য এক শ্রেণীর লোক, যারা চট্টগ্রাম অধিবাসী কিনা আমাদের সাথে সন্দেহ রয়েছে তারা সমিতির ভাবমূর্তিকে নষ্ট করার অপ্রপ্রয়াস চালাচ্ছে।


সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমনাত্বক বক্তব্য রেখে চলেছেন, নির্বাচন আসে, নির্বাচন যায় কিন্তু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ ধরনের আচরণ মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চট্টগ্রাম সমিতির সাধারণ সদস্যদের পক্ষ থেকে এই ধরনের কার্য্যকলাপের সাথে জড়িত আছেন, তাদের বয়কট করায় জোর দাবী জানাচ্ছি।
এবার আমি বর্তমান কার্য্যকরী কমিটির কার্যক্রম এবং তাদের ভূমিকা প্রসঙ্গে। নির্বাচনের আজ যে দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টি হয়েছে, বর্তমান কমিটি তার দায়ভার কোনভাবেই এড়াতে পারেন না। নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হয়ে বর্তমান কমিটি শুধুমাত্র যে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন তা নয়। তাদের এই ব্যর্থতার ফলশ্রুতিতে চট্টগ্রাম সমিতি আর্থিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বর্তমান কার্যকরী কমিটি তাদের নিজস্ব স্বার্থ সিদ্ধির জন্য চট্টগ্রাম সমিতিকে ব্যবহার করেছেন। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য তারা চট্টগ্রাম সমিতির সম্মানিত, ব্যক্তিবর্গের সম্মান হানি করেছেন। ভোটে নির্বাচিত একটি কমিটির কাছে চট্টগ্রাম বাসীর এমন প্রত্যাশা ছিলো না। বিশেষ করে ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কমিটির ভানুমতির খেল চট্টগ্রামবাসী স্বচক্ষে দেখেছেন।
এবার আসি, চট্টগ্রাম সমিতির আর্থিক অনিয়মের প্রসঙ্গে। ২০১২ সালের নির্বাচিত কমিটি অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে তাদের মেয়াদের শেষার্ধে চট্টগ্রাম সমিতির ভবনের ঋণকৃত সমস্ত টাকা শুধুমাত্র একটি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করেন। আমরা সমিতির সাধারণ সদস্যরা সেদিন আশান্বিত হয়েছিলাম এই ভেবে, এইবার চট্টগ্রাম সমিতির আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতার মুখ দেখবে। কিন্তু বিধিবাম। ৪০,০০০ হাজার ডলার হাতে নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পরেও বর্তমান কার্য্যকরী কমিটি চট্টগ্রাম সমিতিকে একটি দেওলিয়া প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। ৩০ মাসের ক্ষমতায় থাকাকালে মাসে ঘরভাড়া বাবৎ শুধুমাত্র আয় হয়েছে ২,১৬,০০০ ডলার। এছাড়া ও সমিতির প্রতিটি ইভেন্টে সমিতির দাতা এবং সাধারণ সদস্যরা সবসময় কন্ট্রিবিউট করেছেন। আজ অবধি সমিতির প্রধান দায়িত্বে থাকা সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক/কোষাধ্যক্ষ চট্টগ্রাম বাসীর কাছে হিসাব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
আমাদের কাছে এই মর্মে তথ্য প্রমান আছে যে, সমিতির বর্তমান সভাপতি এবং কোষাধ্যক্ষ চট্টগ্রাম সমিতির ব্যাংক একাউন্ড নিয়ে যথেচ্ছাচার করেছেন। সমিতির ভাড়া সংগ্রহ করা হয়েছে নগদ টাকায় যা নজীরবিহীন। চট্টগ্রাম সমিতির ব্যাংক হিসাব নং ৪৩০৬২৮০৪৫৭ থেকে বারই সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে কোষাধ্যক্ষ মোক্তাদির বিল্লাহ $১১৪৯০.০০ ডলার নগদে উত্তোলন করেছেন খাত হিসেবে দেখানো হয়েছে ঈড়হংঃৎঁপঃরড়হ ধহফ ঊঈ সভাপতি মহোদয় এই চেকে সই করেছেন। আমাদের প্রশ্ন একটি অলাভজনক (৫০৪) প্রতিষ্ঠানে কেমন করে এতো বড় অংকের টাকা নগদে লেনদেন হলো? কাদেরকে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে ঊঈ, ঊঈ র মানে কি? ঊষবপরঃড়হ ঈড়সসরংড়হ নাকি অন্য কিছু?
এই ধরনের আরো ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের খবর আছে আমাদের কাছে। দীর্ঘ ২৮ বছর পেরিয়ে চট্টগ্রাম সমিতি যখন এই প্রবাসে অগ্রগণ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হবার কথা, তখন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এবং মিডিয়ার চট্টগ্রাম সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার মতো সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমরা প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীরা চাই চট্টগ্রাম সমিতি তার হৃত গৌরব ফিরে পাক।
আমরা চট্টগ্রামবাসীরা চাই, ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক, আমরা  চাই সচল চট্টগ্রাম সমিতি, সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম সমিতি। যারা আর্থিক দূর্নীতি এবং অনিয়মের সাথে জড়িত হয়েছেন, তাদেরকে আগামী দিনের যে কোন ধরনের নেতৃত্বে দেখতে চাই না। আমরা চাই সৎ এবং যোগ্য নেতৃত্ব, যারা চট্টগ্রাম সমিতির পবিত্রতা রক্ষা করবেন।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং প্রতিদ্বন্ধিতা একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার জন্য যারা মিশনে নেমেছেন তাদের কাছ থেকে সর্তক থাকার জন্য চট্টগ্রাম বাসীকে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।  সেই সাথে এ যাবত কালের সমস্ত আর্থিক অনিয়মের শ্বেতপত্র প্রকাশের ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
সকলকে ধন্যবাদ।
নাগরিক ঐক্য, চট্টগ্রাম প্রবাসী, নিউইয়র্ক।

সাংবাদিক সম্মেলনে ধন্যবাদ জানান হেলাল মাহমুদ। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, চট্রগ্রাম সমিতির কর্মকর্তাদের দুর্নীতির সঠিক হিসাব না দিলে তাদের বিরুদ্ধে সাধারন সদস্যগত আইনি ব্যবস্থা নিবেন। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরদেন এবং অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, সৈয়দ এম রেজা, মফজল আহমেদ চৌধুরী, মোঃ হারুন, আব্দুল করিম, নবী হোসেন, নাজিম উদ্দিন, এম এ লতিফ নয়ন, মতিউর রহমান, আরশাদ ওয়ারেশ, সাহাবউদ্দিন চৌধুরী লিটন, মীর কাদের বাশল, গিয়াস উদ্দিন, সাধন ধর, সামসুল আলম, মোঃ ইসহাক, আবদুর রহীম, মোহাম্মদ হারুন সেলিম, আইয়ুব আনসারী, দিলীপ বড়–য়া এবং নাজিম উদ্দিন সহ অর্ধশতাধিক সাধারন সদস্যবৃন্দ। সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সাবেক সভাপতি, উপদেষ্টা এবং সাবেক বিভিন্ন কর্মকর্তাগন।
সংবাদ সম্মেলনে শেষে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।