Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

ট্রাম্পবিরোধী সমাবেশের আহ্বান গ্রেস মেংয়ের

শনিবার, ০৬ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজঃনিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : ট্রাম্প প্রশাসনের গণবিরোধী পদক্ষেপ রুখে দিতে জনমত গড়ার লক্ষ্যে রবিবার নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। ডেমক্র্যাটিক পার্টির ভাইস চেয়ার কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং এ সমাবেশে সর্বস্তরের লোকজনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সমাবেশ চলবে স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।  কংগ্রেসে দক্ষিণ এশিয়া সম্পর্কিত কমিটির প্রভাবশালী সদস্য মেং বলেছেন, নির্বাচনের পর থেকেই অসংখ্য মানুষ প্রশ্ন, তারা এখন কী করবেন। সে প্রশ্নের জবাব দিতেই এ সমাবেশ। আমরা যারা ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ, এবং যারা প্রকৃত অর্থেই আমেরিকার ইতিহাস-ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে চায়, অস্বস্তিকর পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে চায়, তাদের এক পতাকার নিচে জড়ো হতে হবে।

Picture

এ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন দিয়েছে নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশন, মেইক দ্য রোড নিউইয়র্ক, নিউইয়র্ক ডেমক্র্যাটিক ল’ইয়ার কাউন্সিল, উইমেন্স মার্চ এলায়েন্স, ব্ল্যাক লাইভস মেটার অব গ্রেটার নিউইয়র্ক, আসাল, ইন্ডিভিজিবল এনওয়াই, কোড ব্লু, সুইং লেফট, শোয়িং আর ফর রেসিয়াল জাস্টিস, জুইশ ফর রেসিয়াল অ্যান্ড ইকনোমিক জাস্টিস, মুসলিম ফর প্রগ্রেস, প্রগ্রেসিভ ভয়েস ইউনাইটেড, ভেটারান্স ফর পিচ, ফরেস্ট হিলস হাডেল, ৩৮তম এ্যাসেম্বলী ডিস্ট্রিক্ট ডেমক্র্যাটিক ক্লাব, উইমেন্স এ্যাকশন গ্রুপ অব ফরেস হিলস, ফরেস্ট হিলস এশিয়ান এসোসিয়েশনসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।

 


যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের মে দিবসের সভা প্রতিবাদ সভায় পরিণত ‘অবিলম্বে আওয়ামী লীগের সম্মেলন দাবী’

শনিবার, ০৬ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজঃনিউইয়র্ক: মহান মে দিবস পালন উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা মে দিবসের আলোকে সমাজের সকল স্তরে অধিকার আদায়ের প্রত্যয়ের পাশাপাশি অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দাবী জানিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ হয়ে গেছে। তিন বছরের কমিটি ছয় বছর ধরে চলছে। এটা অগঠনতান্ত্রিক ও অসাংগঠনিক। বক্তারা দল পরিচালনায় আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা ব্যর্থতা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে বলেন, বহি:র্বিশ্বে যদি কোন সংগঠন থাকে তাহলে শ্রমিক লীগই থাকবে। কেননা, প্রবাসে আমরা সবাই শ্রমিক। যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ কোন অনিয়ম বরদাস্ত করবে না। দলের সকল অনিয়ম সাংগঠনিকভাবেই মোকাবেলা করা হবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত মুজিবনগর দিবস পালন অনুষ্ঠানের অপ্রীতিকর ঘটনা এবং দলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপটও বক্তাদের বক্তব্যে উঠে আসায় দৃশ্যত: সভাটি প্রতিবাদ সভায় পরিণত হয়।এদিকে জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ শুকুর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ঢাকা থেকে ফোনে শুভেচ্ছা জানান এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারা সাংগঠনিক নিয়মনীতি মেনে চলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগকে আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

alt
সিটির জ্যাকসন হাইটসস্থ পালকি পার্টি সেন্টারে ১ মে সোমবার রাতে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় জাতীয় শ্রমিক লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম সাংগঠনিক সম্পাদক এবং যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুর রহীম বাদশা। সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র সফররত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সহকারী এটর্নী জেনারেল, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন-এর নব মনোনীত সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের কার্যকরী পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য অ্যাডকেট আব্দুর রকীব মন্টু। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা mvsevw`K হাকিকুল ইসলাম খোকন,উপদেষ্টা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী,প্রচার সম্পাদক দুলাল মিয়া হাজী এনাম,দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ বখতিয়ার, জনসংযোগ সম্পাদক কাজী কয়েস, কার্যকরী সদস্য হিন্দাল কাদির বাপ্পা,শরীফ কামরুল আলম হিরা, ও যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজউদ্দিন আহমেদ সোহাগ।যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আব্দুল মমিন। এরপর ১৮৮৬ সালের ১ মে শিকাগোর হে মার্কেটে নিহত শ্রমিকসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মঞ্জুর চৌধুরী। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ।

alt
সভায় সাপ্তাহিক ঠিকানা’র প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমান ও অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম সহ অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহাদৎ হোসেন,  শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি হোসেন সোহেল রানা, হাসনাত হাসন, আব্দুর রকিব উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন নান্নু, ইলিয়ার রহমান ইলিয়াস, টি মোল্লা, আশ্রাব উদ্দিন, মওলানা বজলুর রহমান ও এম এ আলম বিপ্লব, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সুবল দেবনাথ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সাইকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাফিকুর রহমান তোরণ প্রমুখ।
সভায় কেন্দ্রীয় জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি আলহাজ শুকুর মাহমুদ তার বক্তব্যের শুরুতেই মে দিবসে নিহতদের স্মরণ আর যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেন। পরবর্তীতে স্বাধীনতা বিরোধীতা চক্র তাকে হত্যা করে। আজ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হাটি হাটি পা পা করে বাংলাদেশ স্বনির্ভর হচ্ছে। প্রবাসীদের অর্থে দেশ শক্তিশালী হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের শ্রমিকরা ন্যায্য মুজুরী পাচ্ছে, সরকার শ্রমিকদের নানা সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছেন। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ রোল মডেল। ফলে জাতিসংঘের নানা পুরষ্কার পাচ্ছে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার সরকার শ্রমিক বান্ধব সরকার। দেশের শ্রমিকরাও তার পাশে রয়েছেন। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগকে আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

alt
কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম তার বক্তব্যে হে মার্কেটের ঘটনা স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশের ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ যুক্তরাষ্ট্রে মে দিবস পালন করেছে। এজন্য তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শেখ মুজিব আর শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে প্রবাসেও শ্রমিক লীগ করছেন। প্রসঙ্গত তিনি বলেন, দলের অঙ্গ-সংগঠন সম্পর্কে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য সঠিক নয়। জাতীয় শ্রমিক লীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন। বিশ্বের যেখানেই বাংলার শ্রমিক থাকবে সেখানেই শ্রমিক লীগ থাকবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ শ্রমিক লীগের দেখার বিষয় নয়। শ্রমিক লীগকে তার স্বকিয়তা আর সাংগঠনিক শালিনতা বজায় রেখেই কাজ করতে হবে।
 মুহাম্মদ ফজলুর রহমান বলেন, মে দিবস প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দাবী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিনা জানিনা, তবে শ্রমিকদের অধিকারের চেতনা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মে দিবসের মধ্য দিয়ে শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিকতা রূপ পেয়েছে। এই দিবসের চেতানা মনে প্রাণে আশ্বস্ত আর ধারণ করতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের নেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকায় দেশে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চেতনাকে ধারণ করেই আমাদেরকে আজীবন বেঁচে থাকবে হবে। তিনি শিকাগোর হে মার্কেটে মহান মে দিবস পালন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের প্রতি প্রস্তাব করেন।
 অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম বলেন, অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে নারী শ্রমিকদেরও যথেষ্ট ত্যাগ সহ অবদান রয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নর-নারীর সমতায় বিশ্বাসী ছিলেন। শ্রমিক লীগে নারী সমাজকে সম মর্যাদা আর অধিকার দেয়া উচিৎ।
আব্দুর রহীম বাদশা বলেন, আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে রাজনীতি করি। শ্রমিক লীগ কখনোই কোন অন্যায়, অসাংগঠনিক আর অগঠনতান্ত্রিক কর্মকান্ড মেনে নেবে না। যারা দলবে ব্যবসার স্বার্থে ব্যবহার করেন তাদের ব্যাপারে তিনি সবার প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সজিব ওয়াজেদয়ের
প্রসঙ্গত তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে ঘাপটি মেরে থাকা সুবিধাবাদী একটি চক্র গত ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস পালন অনুষ্ঠানের ঘটনা ভিন্নঘাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ঐদিন আমরা কোন সভা-সমাবেশ প্রতিহত করতে যাইনি। আমরা ঐ ঘটনার নিন্দা জানাই।

alt
 অ্যাডকেট আব্দুর রকীব মন্টু মুজিব সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে দল আর দেশের স্বার্থ বড়। ব্যক্তিগত রাগ-ক্ষোভের কারণে দল যেনো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দলের গঠনতন্ত্র আর অভিভাবকদের মেনে চলতে হবে। প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশে করে নিজেদের মধ্যে কথা কাটাকাটি না করে কারো প্রতি যদি কারো কনো অভিযোগ থাকে তা লিখিতভাবে দায়িত্বশীলদের জানিয়ে সমস্যার সমাধান করতে হবে।
 মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী বলেন, আমরা সকল প্রবাসীই শ্রমিক। আর আমরা যারা মুজিব সৈনিকরা বুলেট প্রুফ। আমারা লোভ, পদ-পদবীর কাছে বিক্রি হবো না। আমরা সুবিধাবাদী নেই। হুমকী-ধুমকী দিয়ে রাজপথের লড়াকু সৈনিকদের স্তব্ধ করা যাবে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ করে বলেন, তারা সুবিধাবাদী লোক, ষড়যন্ত্রকারী। ড. সিদ্দিক কখনো ছাত্রলীগ, যুবলীগ এমনকি মুক্তিযুদ্ধও করেননি। তার কাছে দল নিরাপদ নয়। আর নিজাম চৌধুরী রাজাকার পরিবারের সদস্য। তারা দুজন দলকে ব্যবসায়ীক স্বার্থে ব্যবহার করছেন। তিনি বলেন, দলের কেউ কেউ বলছে যে, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র নেই। তাহলে দলের সভা-সমাবেশ আর আবিষ্কার-বহিষ্কার কিভাবে হয়? তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ কারো লীজ দেয়া হয়নি। তিন বছরের কমিটির ছয় বছর হলো। আমরা সম্মেলনের মাধ্যমে দলের নতুন কমিটি চাই। তিনি দলের ষড়যন্ত্রকারী, সুবিধাবাদীদের প্রতি হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।
 হাজী এনাম বলেন, আমরা ২৫/৩০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী করছি। আমরা উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। দলের ৪/৫জন সিনিয়র নেতার মধ্যে আমিও একজন। আমরা কি হাসিনা-জয়কে মানি না? তিনি বলেন, আমরা দল বা দলের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের বিপক্ষে নই, আমরা দলের নেতাদের অন্যায়, অনিয়ম, অবিচার আর সুবিধাবাধীদের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমিক লীগের সরকার না থাকলে সভাপতি শ্রমিক লীগকে ভেঙ্গে দিতে পারেন। তিনি বলেন, যারা বেশীরভাগ সময় দেশে থাকেন তাদের দিয়ে সঠিকভাবে দল পরিচালিত হতে পারে না।
 অ্যাডভোকেট শাহ বখতিয়ার বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। ছাত্রলীগ, যুবলীগ করে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করিেছ। বিগত ২২ বছর ধরেই আমি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি। অথচ মুবিজনগর দিবসের সভায় আমাদেরকে বিএনপি-জামায়াতী বলা হয়, খন্দকার মোস্তাকের লোক বলা হয়। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ হচ্ছে সকল সংগঠনের অভিবাবক। সকল অঙ্গ আর সহযোগী সংগঠনকে নিয়ে দণলকে শক্তিশালী করাই আওয়ামী লীগের দায়িত্ব। কিন্তু দলের সভাপতি ড. সিদ্দিক তা না করে তার কর্মকান্ডের মাধ্যমে মূলত: জননেত্রী শেখ হাসিনা আর দলের সাথেই বিশ্বাস ঘাতকতা করছেন, সংগঠনকে বিভক্ত, দূর্বল করছেন। তিনি বলেন, আমরা নই ড. সিদ্দিকই খন্দকার মোস্তাকের লোক। আর মুবিনগর দিবসের ঘটনা দলের ব্যর্থ নেতৃত্বই দায়ী।

Picture


কাজী কয়েস বলেন, বহি:বিশ্বে কোন সংগঠন থাকলে হলে শ্রমিক লীগই থাকার যুক্তিকতা রয়েছে। আমরা শ্রমিক শ্রেনীর পক্ষে। আর শ্রমিকদের নিয়েই দলকে ‘জামায়াত-রাজাকার’ মুক্ত করতে চাই। আমরা সকল অসাংগঠনিক, অগঠনতান্ত্রিক, সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে আজ আমরা নির্যাতিত। আমাদের আন্দোলন চলবেই। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে শোষক আর শোষিত রয়েছে। আমরা শোষিতের পক্ষে। তিনি দলের সুবিধাবাধীদের প্রতিরোধ করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী বলেন, আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা শ্রমিক। শ্রমিক লীগকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।
 হিন্দাল কাদির বাপ্পা বলেন, আমরা নতুন আওয়ামী লীগার নই। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৭ সালে টুঙ্গী পাড়ায় ১৫ আগষ্ট ‘জাতির জনক’-এর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে গিয়ে প্রথম গ্রেফতার হই। তিন তিনবার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি, দলের জন্য জেল-জুলুম খেটেছি। তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, ‘যারা বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সৈনিকদের নিয়ে কটাক্ষ করে কথা বলবে তাদের জিভ কেটে ফেলবো। প্রয়োজনে শেখ হাসিনার সামনে জুতাপেটা করবো। কেউ মুজিব সৈনিকদের গায়ে আছড় দিলে তার নখ কেটে ফেলবো’। তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ তো দূরের কথা যারা ছাত্রলীগ-যুবলীগও করেনি তারা আজ দলের নেতা হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের মেয়াদ তিন বছরের জায়গায় ছয় বছর চলছে উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে সম্মেলন দেয়ার জন্য দলের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গঠনতন্ত্র মোতাবেকই আওয়ামী লীগ চলবে।
 সিরাজউদ্দিন আহমেদ সোহাগ বলেন, পৃথিবীতে যতদিন উৎপাদন ব্যবস্থ্যা থাকবে, ততদিন শ্রমিক শ্রেনী থাকবে। দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছাত্র আন্দোলনের পরই শ্রমিক সংগঠনগুলো মূলদলের ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করে চলেছে। তিনি মহান মে দিবসের চেতনায় অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সকল শ্রমিককে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
শাহাদৎ হোসেন দলের পদ-পদবী বিক্রি চলছে। আমাকেও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পদেও লোভ দেয়া হয়েছে। এসব বন্ধ করতে হবে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক সফরে আসার আগেই আমাদের জয় হবেই।
 হোসেন সোহেল রানা বলেন, আমরা দলের গঠনতন্ত্র মেনেই দলের রাজনীতি করতে চাই। দলের মধ্যে কোন অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না। সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবেই। তিনি বলেন, শ্রমিক লীগ সহ দলের সকল অঙ্গ সংগঠন ছাড়া আওয়ামী লীগ ‘সম্পূর্ণ লীগ’ হবে না। তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগকে ‘মাইনাস’ করে নিউজার্সী থেকে নিউইয়র্কে কোন ট্রাক ‘লোড-আনলোড’ করতে পারবে না। দল বা দলের পদ-পদবীকে ব্যবহার করে কাউকে ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধা নিতে দেয়া হবে না। তিনিও মেয়াদ উত্তীর্ণ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে অবিলম্বে সম্মেলন দাবী করেন।
 সেবুল দেবনাথ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে রাজনৈতিক সঙ্কট চলছে। নেতাদের মধ্যে ‘বিচার মানি তাল গাছটা আমার’ আবস্থা বিরাজ করছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সবাই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মানলে দলের মধ্যে বিভক্তি থাকবে কেনো। তিনি সবাইকে গঠনতন্ত্র মেনে চলার আহ্বান জানান।
সভায় অন্যান্য বক্তা বলেন, ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হাতে গড়া জাতীয় শ্রমিক লীগ কারো প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ কারো পকেটের অর্থে চলেনা, কারো তাবেদারী করে না। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে শ্রমিক লীগ আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা চাই দলের মধ্যে গণতন্ত্র, গঠনতন্ত্র মোতাবেক দল চলুক।
 
 
সভাপতির বক্তব্যে খোকন বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমরা কেন্দ্রীয় জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতৃবৃন্দের পরামর্শে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে শ্রমিক লীগ করছি। কেউ শ্রমিক লীগের রাজনীতি বন্ধ করতে পারবে না। এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, আমাদের রিুদ্ধে যারা নিয়েছেন বা নিচ্ছেন তাদের রাজনীতি আর কর্মকান্ডের খবর আমরা জানি। তাদের বিরুদ্ধে ঢাকায় দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রাত সাড়ে ৯টার দিয়ে শুরু হয়ে সভাটি শেষ হয় মধ্য রাত দেড়টায়।


অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত = আমেরিকা-বাংলাদেশী বিজনেস এলায়েন্স’র সেমিনারে আওয়ামী লীগে আমাকে প্রথম নিয়ে আসেন এমএ সালাম

রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : আমেরিকা-বাংলাদেশী বিজনেস এলায়েন্স (এবিবিএ) আয়োজিত সেমিনার “বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রী এবং প্রবাসীদের ভূমিকা ও করনীয়” এর প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন আমাকে প্রথম আওয়ামী লীগে নিয়ে এসেছেন সেমিনারে উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক এমএ সালাম। খবর বাপসনিউজ।

Picture

গত ২৪ এপ্রিল সোমবার, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নিউইয়র্কের উডসাইডস্থ গোলশান টেরেসে (৫৯-১৫, ৩৭ এভিনিউ, উডসাইড, নিউইয়র্ক- ১১৩৭৭)। অনুষ্ঠিত আমেরিকা-বাংলাদেশী বিজনেস এলায়েন্স (এবিবিএ)-এর সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অনুষ্ঠানের আহবায়ক মোস্তফা কামাল এবং সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক প্রফেসার রানা ফেরদৌস চৌধুরী।

alt
মঞ্চে সেমিনারের প্রধান অতিথি অর্থ মন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্ঠা ডা. মাসুদুল হাসান, বিশিষ্ট সমাজসেবক শেলী এ মুবদি।
মঞ্চে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের চেয়ারম্যান সাঈদ রহমান মান্নান, প্রধান সমন্ধয়কারী শাহনেওয়াজ,সদস্য সচিব বিল্লাল চৌধুরী , যুগ্ম আহবায়ক এমএ হোসেন সেলিম, কো-চেয়ারম্যান ফার্মাসিষ্ট সাহাব আহমেদ, জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনের সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ জিকু।

alt
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব বিল্লাল চৌধুরী। “বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিবাসী এবং প্রবাসীদের ভূমিকা ও করনীয়” এর উপর সংগঠনের পক্ষ থেকে আলোকপাত করেন যুগ্ম আহবায়ক তারেক হাসান খান। আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আমেরিকা-বাংলাদেশ এলায়েন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক এমএ সালাম, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ।

alt

উপস্থিত ছিলেন কো-চেয়ারম্যান সালেহ আহমেদ কো-চেয়ারম্যান সরাফ সরকার সিনিয়র কর্ডিনেটর অতিকুল ইসলাম জাকির, কর্ডিনেটর ফাহাদ সোলাইমান, কর্ডিনেটর খায়রুল ইসলাম খোকন, যুগ্ম সদস্য সচিব এএকএম জামান, অভ্যর্থনা কমিটির চেয়ারম্যান এডভোকেট রুবাইয়া রহমান, কো-চেয়ারম্যান সেলিনা সুলতানা, এডভোকেট কামরুজ্জামান বাবু সুভ রায়, লিটন আহমেদ ও রোকসানা ফারুক। এবং উপদেষ্ঠাবৃন্দ।

alt
সেমিনারের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বাংলাদেশের ব্যবসায়ী এবং প্রবাসী ব্যাবসায়ীদের মাঝে সেতুবন্ধনে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি এ ব্যাপারে সর্বাত্তক সহযোগীতার প্রতিশ্রুতি দেন । তিনি আরো বলেন,‘আগামী বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন। সে নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাই করা হবে কর্ম-বিবেচনায়। ঢালাওভাবে প্রার্থী বাছাই করবে না আওয়ামী লীগ’ ।  সোমবার সন্ধায় নিউইয়র্কে ‘আমেরিকা-বাংলাদেশি বিজনেস এলায়েন্স’র এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রবীণ এই রাজনীতিক বলেন, ‘সামনের নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম এবং বাংলাদেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখার স্বার্থেই আওয়ামী লীগকে আবারো জয়ী হতে হবে।

alt

সেজন্যে এখন থেকেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে। জনগণের সাথে সুন্দর সম্পর্ক রয়েছে এবং নিষ্ঠার সাথে সাংগঠনিক দায়িত্ব সম্পাদন করছেন-এমন প্রার্থীরা প্রাধান্য পাবেন। ’গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ’র বসন্তকালিন বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে অংশ নেন অর্থমন্ত্রী। সেখান থেকে ২৩ এপ্রিল নিউইয়র্কে এসেছেন।ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশের একাউন্ট থেকে চুরি চাওয়া অর্থ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সামান্য কিছু অর্থ ছাড়া পুরোটাই ফেরত পাচ্ছে বাংলাদেশ। ওই চুরির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের তদন্ত চলছে। দোষীরা রেহাই পাবে না। ভবিষ্যতে এমন চুরি ঠেকাতেই সকল মহল সোচ্চার রয়েছে এবং বাংলাদেশেও এ নিয়ে কাজ চলছে। ’ অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে যে সাফল্য এসেছে, তা আন্তর্জাতিক মহলেরও স্বীকৃতি পাচ্ছে।

alt

বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারাও সন্তুষ্ট বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন কাজ নিয়ে। নৈশ ভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।


নিউইয়র্কে ব্যান্সের ২৭ আগষ্ট ব্রঙ্কসে পথমেলা

বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:মূলধারা সংগঠন বাংলাদেশী আমেরিকান ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক সোসাইটি ইউএসএ-এর ট্রাষ্টি বোর্ড ও কার্যকরী পরিষদের যৌথ ১ম সভা গত ২৫ শে এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৮টায় ব্রঙ্কসের মামুন টিউটোরিয়ালে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের নব নির্বাচিত সভাপতি, বিশিষ্ট রিয়েলষ্টেট ব্যবসায়ী সোলায়মান আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শামীম মিয়ার পরিচালনায় সর্বসম্মতিক্রমে নি¤œলিখিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


(১) ২৭ শে আগষ্ট রবিবার সকাল ১০ টা থেকে সারাদিনব্যাপী “বাংলাদেশী মিলন মেলা”র মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ, নতুন কমিটির অভিষেক গ্রহণ, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশের মাধ্যমে মূলধারার সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে সেতুবন্ধন। এ উপলক্ষ্যে একটি বিশেষ ম্যাগাজিন প্রকাশিত হবে। সাহিত্য ও প্রচার সম্পাদক হাসান জিলানীকে ম্যাগাজিন প্রকাশের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। পথ মেলাটি সার্থক সুন্দর করার লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট মেলা উপ কমিটি গঠিত হয়। উপ-কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তদের তালিকা যথাক্রমে- (ক) আহ্বায়ক: রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক: (খ) শেখ আল-মামুন, (গ) কফিল চৌধুরী, (ঘ) সদস্য সচিব: শেখ জামাল হুসেইন, ও (ঙ) যুগ্ম সদস্য সচিব-মহব্বত আলী আকন্দ। চার সদস্য বিশিষ্ট একটি স্টল বরাদ্দ কমিটিও গঠিত হয় (ক) তপন সেন আহ্বায়ক, (খ) শামীম আহমেদ সদস্য সচিব, সদস্য: শফিকুর রহমান ও তৌফিকুর রহমান ফারুক।

alt
(২) মূলধারার রাজনৈতিক কর্মকান্ডকে প্রসারিত করার লক্ষ্যে নিউইয়র্কের প্রতিটি বরোতে ব্যান্ডন্সের শাখা কমিটি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মূলধারার সাথে কাজ করতে আগ্রহীগণকে সংগঠনের সভাপতির সাথে ৩৪৭-২৩৬-২৭৩৭ ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে ৩৪৭-৩২০-৮৯৭২। যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


বাংলাদেশী কম্যুউনিটিকে মূলধারার নেতৃবৃন্দের কাছে আর অধিকতর গ্রহণযোগ্য ও দৃশ্যমান করে গড়ে তুলতে বাংলাদেশী কমুউনিটির সম্মিলিত উদ্যোগে সিনেটর রবিন ডিয়াজের জন্য একটি ফান্ড রেজিং করারও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ব্যান্সের ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যান আঃ শহীদ ও বিএসিসি’র প্রেসিডেন্ট মাষ্টার অব ল’-মোঃ এন. মজুমদার এর নেতৃত্বে এই ফান্ড রেজিং করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

alt
প্রতিকূল আবহাওয়া ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেও কার্যকরী কমিটি এবং ট্রাস্টি বোর্ড মেম্বারদের স্বাড়ন্বর উপস্থিতিকে স্বাগত, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে, সংগঠনের প্রতিটি কর্মকান্ডে সকলকে স্বতস্ফূর্ত অংশ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে সভার পরিসমাপ্তি টানেন সভাপতি মোঃ সোলায়মান আলী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যান আঃ শহীদ, ট্রাস্টি বোর্ড মেম্বার এডভোকেট নাসির উদ্দিন, প্রদীপ মালাকার, সহ সভাপতি কফিল চৌধুরী, তপন সেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক শেখ জামাল হুসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মহব্বত আলী আকন্দ, কোষাধ্যক্ষ শামীম আহমেদ, প্রচার সম্পাদক- মোঃ হাসান জিলানী, দপ্তর সম্পাদক:শফিকুর রহমান, সম্মানিত কার্যকরী সদস্য শাহেদ আহমেদ এবং আঃ বাছির খান প্রমুখ।


জেএসডি -যুক্তরাষ্ট্র-এর সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন-এর পিতা প্রবীণ প্রবাসী এমদাদুউললাহ বাচ্চু মিয়া আবারও হাসপাতালে দোয়া প্রার্থী

বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপ্ নিউজ : এনজেবিডিনিউজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন-এর পিতা প্রবীণ প্রবাসী এমদাদুউললাহ বাচ্চু মিয়া গত বছর ১৫ আগস্ট নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের লিংকন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং ১০ দিন পর বাসায় অসেনা। তিনি আবারও হঠাৎ গত শুকরবার অসুস্থতাবোধ করলে ঐদিন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়,তাকে  হাসপাতালে দেখতে গেলেন মুলধারার আইনজীবি ফেড বারগ। উলেলখ্য এমদাদুউললাহ বাচ্চু মিয়া ১৯৫২ সালে তার বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী এমদাদ এর কাছে দেখা করতে যান। ওই সময় তিনি মহান ভাষা আন্দোলনে ১৪৪ ধারা ভঙ্গে অংশ নেয়ার কারণে গ্রেফতার হন। তিনি ১৯৭১ সালের প্রথম দিকে যুক্তরাজ্য প্রবাসী হন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন তিনি লন্ডনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নেন। ১৯৮১ সালে মমতা নামে জাহাজে করে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী হন এবং নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনের ৬ স্ট্রীটে বসবাস করেন। বাংলাদেশের প্রথম রেস্টুরেন্ট কিসমত উদ্বোধন করেন এবং উক্ত রেস্টুরেন্টে কাজ করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি অবসর জীবন যাপন করেন এরং  ১৯৯৪ সালে তিনি স্থায়ীভাবে দেশে চলে যান। তবে ২০০০ সাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পুনরায় নিউইয়র্ক চলে আসেন। তিনি বর্তমানে নিউইয়র্ক ও বাংলাদেশে বসবাস করেন। এমদাদুউললাহ বাচ্চু মিয়া নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটান বুরো আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পাদক  নির্বাচিত হন।

১৯৮২ সালে দেশে সামরিক আইন জারী হলে সৈ¦রশাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট জাসদ সভাপতি আবদুল মোসাব্বির এর সাথে এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালামের নেতৃত্বে জাতিসংঘের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সহ প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নেন। তার আরোগ্য কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে জেএসডি সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন প্রবাসীদের আর্শীবাদ কামনা করেছেন। তার স্ত্রী, ৩ ছেলে, ২ কন্যা এবং অসংখ্যা নাতি নাতনীরা নিউইয়র্কে বসবাস করেন। এমদাদুউললাহ বাচ্চু মিয়ার আরোগ্য কামনা করেন এমএ সালাম,হাসানুর রহমান, আবুল মোসাব্বির, হাকিকুল ইসলাম খোকন, এম জেড ফয়সাল, শামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম, তসলিম উদ্দিন খান , দেওয়ান শাহেদে চীধুরী,নুওে আলম জিকুসহ আরো অনেকে।ছবিতে হাসপাতালে এমদাদুউললাহ বাচ্চু মিয়ার পাশে মুলধারার আইনজীবি ফেড বাগর এবং হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন,ছবি:বাপসনিঊজ ।


জননন্দিত লেখক হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে এবারের নিউইয়র্কে লোক সঙ্গীত সম্মেলন

রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:আন্তর্জাতিক লোক সঙ্গীত সম্মেলন ২০১৭ উদ্যাপন কমিটির প্রস্তুতি সভা গত ১লা এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিট এ সম্মেলন কমিটির অস্থায়ী কার্যালয় জ্যাকসন হাইট্স এ অনুষ্ঠিত হয়। কণ্ঠশিল্পী ও কমিটির প্রচার সেলের চেয়ারম্যান বাবলী হক এর পরিচালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন জয়েন্ট কনভেনার জাপানেতা আবু তালেব চৌধুরী চান্দু। সম্মেলন কমিটির কনভেনার  এম.আমিনউল্লাহর বিশেষ জরুরী কাজ থাকায় তিনি সভায় এসে সংহতি প্রকাশ করে চলে যান।

Picture
লোক সঙ্গীত সম্মেলনের এবারে আমন্ত্রিত প্রধান শিল্পী বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী সেলিম চৌধুরী প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত থেকে সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেন এবং হুমায়ুন আহমেদ এর লোক সংস্কৃতি বিষয়ক কিছু স্মৃতিময় কর্মকান্ড আলোকপাত করেন। সম্মেলনের অগ্রগতি নিয়ে সভায় মতামত তুলে ধরেন বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক ড. মাহবুব হোসেন, কবি ও সাংবাদিক সালেম সুলেরী, কবি কলামিষ্ট এবিএম সালেহউদ্দীন, সংগঠক মোহাম্মদ এ খালেক, সংগঠক হাজী আব্দুর রহমান, কণ্ঠশিল্পী শাহনাজ বেগম, নারীনেত্রী রোকশানা বেগম, সাংস্কৃতিক কর্মী হেলেন আহমেদ, কণ্ঠশিল্পী সুজিতা সরকার, বংশিবাদক  হারুন রশিদ, সংগঠক নুর ইসলাম বর্ষন।

alt

এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন সম্মেলন উদ্যাপন কমিটির কোঃ কনভেনার বিশিষ্ট সংগঠক ফাহাদ সোলায়মান, কণ্ঠশিল্পী সেলিম ইব্রাহিম, ডাঃ নার্গিস রহমান প্রমুখ। প্রখ্যাত লেখক হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে লোক সম্মেলনের অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে উপস্থিত বক্তাগণ সন্তোষ প্রকাশ করেন। সম্মেলন উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকায় লেখা পাঠানোর লক্ষ্যে প্রবাসী লেখকদের কাছে লেখা আহ্বান করেছেন স্মরণিকা সম্পাদক এবিএম সালেহউদ্দীন। সভাপতির বক্তব্যে  আবু তালেব চৌধুরী চান্দু সম্মেলন সফলতায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সম্মেলনের প্রধান শিল্পী সেলিম চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানিয়ে গত  বৎসরের প্রকাশিত স্মরণিকা শিল্পীকে উপহার দেন।


নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির ‘ইফাদ লোক উৎসব ও বৈশাখী মেলা’ 2৩ এপ্রিল নয় ৩০ এপ্রিল

শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :বাংলা নতুন বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবছরও জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটি ইনক মেলা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল রোববার জ্যামাইকার ১৬৮ স্ট্রীট ও ৯০ এভিনিউ সংলগ্ন পার্কিং লটে খোলা মাঠে দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ‘ইফাদ লোক উৎসব ও বৈশাখী মেলা’র সকল প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। মেলায় পান্তা-ইলিশ ভোজন, র্যালী আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও থাকবে বাংলাদেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য তুলে ধরার প্রয়াস।

alt
জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউস্থ স্টার কাবাব রেষ্টুরেন্টে গত ১৬ এপ্রিল রোববার দুপুরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ফ্রেন্ডস সোসাইটির কর্মকর্তারা উপরোক্ত তথ্য জানান। সংগঠনের সভাপতি  সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে মেলা কমিটির আহ্বায়ক  ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার সহ সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. ওয়াজেদ এ খান, রেজাউল করিম চৌধুরী, অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম, ছদরুন নূর ও শাহ নেওয়াজ, সাবেক সভাপতি মনির হোসেন ও বিলাল চৌধুরী, সহ সভাপতি এএফ মিসবাহ উজ্জামান ও শেখ হায়দার আলী মেলা আয়োজন ও প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

Picture

এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফ্রেন্ডস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আজাদ ভুইয়া। সাংবাদিক সম্মেলন পরিচালনা করেন মেলা কমিটির সদস্য সচিব ইফজাল আহমেদ চৌধুরী।এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মেলার অন্যতম উদ্বোধক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, জেবিবিএ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাঈদ রহমান মান্নান। এসময় বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র সাবেক সহ সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

alt
সাংবাদিক সম্মেলনে ফ্রেন্ডস সোসাইটির উপদেষ্টা ফরিদ আলম,এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, ফারুক হোসেন তালুকদার, সহ সভাপতি শেখ আনসার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান বাবু, কোষাধ্যক্ষ সহদেব তালুকদার, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক গোলাম আজম রকি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কবির হোসেন মুন্সী, কার্যকরী সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেবুল মিয়া, কার্যকরী সদস্য আব্দুল মন্নাফ তালুকদার, রিজু মোহাম্মদ, দরুদ মিয়া রনেল, আফরোজা রোজী, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

alt
সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয় যে, দুপুরে জ্যামাইকার হাইল্যান্ড এভিনিউস্থ ক্যাপ্টেন টিলি পার্কে পান্তা-ইলিশ আর ভর্তা-ভাত ভোজন শেষে র্যালী বের করা হবে। র্যালিটি হিলসাইড এভিনিউ হয়ে মেলাস্থলে অর্থাৎ পার্কিং লটে গিয়ে শেষ হবে।

alt
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ফ্রেন্ডস সোসাইটির কর্মকর্তারা জানান, আমাদের মেলায় যে পরিমান প্রবাসী বাংলাদেশীর সমাগম হয় তাতে কোন স্কুল মিলনায়তনে বা হল রুমে মেলার আয়োজন করা সম্ভব নয়। আর নির্ধারিত লোকের চেয়ে কয়েক গুণ বেশী লোকের উপস্থিতির কারণে এখন মেলার জন্য স্কুলও পাওয়া যাচ্ছে না। আর আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিলো যে প্রবাসীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে খোলা মাঠে মেলার আয়োজন করা হবে। তাই এবার জ্যামাইকার পার্কিং লটে খোলা আকাশের নীচে মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

alt
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে নেতৃবৃন্দ বলেন, এবারের মেলার বাজেট হচ্ছে ৪০ হাজার ডলার। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তারাবলেন, মেলায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী কনক চাঁপা সহ দেশ ও প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। এছাড়াও থাকবে দেশীয় নৃত্য।


১২ মে শুক্রবার নিউ ইয়র্কের তিন ছড়াকার এর ছড়ার বইয়ের প্রকাশনা উৎসব

শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :আগামী ১২ মে শুক্রবার সন্ধে ৭:০০টায় নিউ ইয়র্কের তিন ছড়াকার খালেদ সরফুদ্দীন, শামস চৌধুরী রুশো ও মনজুর কাদের এর ছড়ার বইয়ের প্রকাশনা উৎসব।সাথে মুমু আনসারীর পরিচালনায়  তবলার তালে তালে ছড়ার আসর বসবে।

Picture

এতে শিশু কিশোর ও জনপ্রিয় আবৃত্তিকার গন অংশগ্রহণ করবে। শিশু কিশোরদের জন্য বাদ্যের তালে তালে ছড়ার আসর নিউইয়র্কে এটাই প্রথম। সবাইকে তাদের শিশু কিশোর ছেলেমেয়েদের নিয়ে অংশ গ্রহন করার অনুরোধ জানাচ্ছি।


Access right for immigrants During Emergencies held at Brooklyn

শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

Hakikul Islam Khokan,Bapsnews:New York:-On 20th of April 2017 a panel was held in the 165,Cadman Plaza ,Brooklyn new York NYC at  emergency Operation room, The program organized by the new International red cross and NYPD with The collaboration with the assistant Commissioner of New York city mayor  Office. The following Organization who were present were co-sponsored for access Immigrant emergency Program, Community Emergency Planning NYC, Soina Kara In America (SIA) SACO America, NYC Citizen Corps ,NYPD ,NYC Emergency management ,Many other international and Local organization and also  many people who came from many different Borough to be a part of this great moment of unity. The main agenda started at 9:00am with a welcome ceremony and speech by Assistant commissioner NYC mayor Office Then the Keynote address was held by the LT.

Adil Rana, Commanding Officer NYPD community Affairs department .There were various discussions about the efforts of Access Immigrant awareness to the world in regards to Emergency Plan. There were many people and organizations that participated in this event including American Red cross, and President and CEO of South Asian community care organization (SACO) Mr. Mohammad M. Mahab was also present and given speech for this important day long program. Various media outlets including Asia TV representative from New York were also present to document and report the important day. Presenters talked about the individual Community Emergency Plan for local residence including the Making community suffering from Disabilities. Presenters also discussed how to overcome emergency like scariest Situation Due to current Trump administration, especially undocumented people who are living in this great city of New York. As Because Undocumented immigrants have limited access to health insurance, Education, shelter and other medical care, New York red Cross Society specialist Ms Sara Onvani Given speech for the attendants and assured them  If any Undocumented person who are suffering from this kinds of problem  her organization will provide  all kinds of support and will protect them .the Program ended as per schedule.


উদীচীর প্রাণকাড়া বৈশাখী মেলা-অনুষ্ঠান ও মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ: লোকে বলে উদীচীর বৈশাখী মেলা প্রবাসে বটমূলের অনুষ্ঠান। আসলে তারই প্রতিচ্ছবি ছিল উদীচীর বৈশাখী মেলায়।সকাল সাড়ে এগারোটায় ছিল মঙ্গল শোভাযাত্র। ঠিক ঢাকার চারম্নকলার আদতে। বিরাট একটি বাঘের প্রতিকৃতি। সাথে নানা জীবজন্তুর মুখোশ। বক সহ নানা পাখির চবি। পেস্নকার্ডে শোভিত নানা শেস্নাগান। শোভাযাত্রার শুরম্ন ৩৪ এভিনিউ স্কুলের কোনা থেকে।

অত্যন্ত্ম সুশৃঙ্খল সারিবদ্ধ শোভাযাত্রা। প্রতিটি সারিতে চারজন করে লাইন। সামনে ছিল ছয়টি ছোট্ট মেয়ের গলায় শুভ নববর্ষের ছয়টি অÿরে শোভিত একটি লাইন। তারপর এসো হে বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা খচিত বেনার। তাতে ছিল বাংলাদেশের গ্রাম বাংলা, আউল-বাউল ও বাংলা নৃত্যের সুশোভিত মনোরম দৃর্শাবলী। এর পর পর ছিল শিশুদের লাইন।

সবাই বৈশাখী পোশাকে সজ্জিত। তারপর লাল শাড়ী পরিহিত ৭/৮ জনের একদল কিশোরী নৃত্য শিল্পী। এরপর জীবন বিশ্বাসের পরিচালনায় উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর গানের স্কোয়াড। তারপরে পর্যায়ক্রমে মহিলা ও পুরম্নষদের চারজন করে লাইন। শোভাযাত্রায় ছিলেন উদীচীর শুভানুধ্যায়ী প্রবাসের গণ্যমান্য সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ। সাংবাদিক ও টিভির আলোকচিত্র শিল্পীরা। ছিল ঢাকের বাদক। ছিল পহেলা বৈশাখ নববর্ষকে আবাহন ও উদীচীর মঙ্গল কামনা করে মুহুমূহু শেস্নাগান। ঢাকের শব্দ আর শেস্নাগানে পহেলা বৈশাখের আমেজকে আরো গভীর থেকে গভীরতর করে তুলছিল।


সামনে দিক নির্দেশনা দিয়ে চলছিল একটি পুলিশের গাড়ী। পেছনে শান্ত্ম, ধীর, শৃঙ্খলাবদ্ধ শোভাযাত্রা। দর্শকবৃন্দ সবাই অভিভূত। এমন সুন্দর ও সুশৃঙ্খল মিছিল অথবা মঙ্গল শোভাযাত্রা নিউইয়র্ক আগে কখনো দেখেনি। পুলিশ কর্মকর্তারও অনুরূপ প্রশংসা। মিছিল যখন এগুচ্ছিল আশ পাশে জনগণ হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিল। ছবি তুলছিল।


৩৪ এভিনিউ থেকে ৭৩ স্টীট হয়ে শোভাযাত্রাটি ভাবগম্ভীর পরিবেশে এগিয়ে ৩৭ এভিনিউতে পৌছে। সেখানে দাঁড়িয়ে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী পহেলা বৈশাখের গান পরিবেশন করে। আবার ৩৭ এভিনিউ হয়ে ৭৪ স্ট্রীটে ফিরে আসার পথে মোড় নেয়। সেই মোড়ে একই ভাবে আবার স্ট্রীটের ওপরে দাঁড়িয়ে গান পরিবেশন করা হয়। তারপর আবার ধীর অথচ স্বাভাবিক গতিতে শোভাযাত্রা এগিয়ে যায় মূল অনুষ্ঠানের গন্ত্মব্যস্থল উদীচী স্কুলে। স্কুলে প্রবেশের আগে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জীবন বিশ্বাস সবার উদ্দেশ্যে সংÿিপ্ত বক্তব্য রাখেন। সকলকে শুভনববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশে মৌলবাদের সাথে সরকারের আপস সখ্যতার তীব্র নিন্দা জানান। বলেন, সরকার ভোটের রাজনীতির নেশায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চরিত্র বিসর্জন দিয়ে বাঙালি কৃষ্টি-সংস্কৃতিকে সঙ্কোচিত করে মৌলবাদের সাথে আপস করেছে। জনগণকে সরকারের এই অপরিনামদর্শী পদÿেপের বিরম্নদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে।


ঠিক সাড়ে বারোটায় উদ্বোধন করা হয় পিঠা অনুষ্ঠান। তারপর ঠিক দেড়টায় শুরম্ন হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উদ্বোধন করেন উদীচীর সভাপতি ড. মোহাম্মদ আব্দুলস্নাহ ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধ ড. মোমেন। পাশে উপস্থিত ছিলেন কনসাল জেনারেল জনাব শামীম আহসান। তারা উভয়ে উদীচী এবং উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংÿিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

alt
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরম্নতে জীবন বিশ্বাসের পরিচালনায় এসো হে বৈশাখ ও উদীচী সংগঠনের নিজস্ব গান সহ ৪টি গান পরিবেশিত হয়। এতে ছিল স্কুলের সকল ছাত্রছাত্রী ও উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সমবেত গান। তারপর পর্যায়ক্রমে ছিল স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের গান, তবলার লহর, নৃত্য, শহীদ উদ্দীনের কৌতুক, বড়দের সম্মিলিত গান। ছিল ছাত্রছাত্রীদের বাঙালি কৃষ্টি-সংস্কৃতির আলোকে যেমন খুশী সাজো-এর পরিবেশনা। সবশেষে দর্শক শ্রোতাদের বিমুগ্ধ করেছে ছাত্র-ছাত্রী-শিÿক-শিÿিকা ও অভিভাবকদের মিলিত বিভিন্ন সাজে একটি কৌতুকপূর্ণ নৃত্য। তারপর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


৪ ঘটিকায় পরিবেশিত হয় প্রতিবারের ন্যায় উদীচী পরিবারের ঘরে তৈরি ইলিশ, ভর্তা সহ বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার। অত্যন্ত্ম সুশৃঙ্খল ভাবে প্রায় সাড়ে ছয় শত লোককে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে খাবার পরিবেশন করা হয়। ছিলনা কারো কোন অনুযোগ ও অভিযোগ। শোভাযাত্রা থেকে শুরম্ন করে অনুষ্ঠান এবং খাবার পরিবেশনে শৃঙ্খলায় সকলে বিমুগ্ধ হয়ে উদীচীর ভূয়শী প্রশংসা করেছেন।


অনুষ্ঠান উপলÿে ছিল শাড়ী ও অলংকারাধীর নানান পশরা স্টল। ছিল বাঙালি পানের দোকান। হল এবং প্রবেশ পথ ও ওয়েটিং এরিয়ায় সাজানো ছিল নানা লেখায় শোভিত শেস্নাগান ও পোস্টার। মঞ্চ ও শোভাযাত্রার বাঘ, মুখোশ ও বটগাছ তৈরি করেন শিল্পী টিপু আলম। মঞ্চ সজ্জায় ছিলেন জেবু চৌধুরী ও তুষার রায়। সহযোগিতায় ছিলেন আলীম উদ্দীন, মোহিত আচার্য সুলেখা রায়। খাবার ও অন্যান্য দায়িত্বে ছিলেন সমীর মন্ডল, অশোক রায়, মোঃ আলম নিউমুন, শফি চৌধুরী হারম্নন, মোঃ হারম্নন ও আরো অনেকে। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ফারম্নক ফয়সল, সাবিনা হাই উর্বি ও জীবন বিশ্বাস। সাউন্ডে ুমঞ্জু। আপ্পায়ন ও নিরাপত্তায় মোঃ এ কে সরকার। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সুব্রত বিশ্বাস।


গান, নৃত্য, তবলা সহ বিভিন্ন অংশে অংশগ্রহনকারী শিল্পীরা হলেন-সাবিনা হাই উর্বি, সুদৃতা পাল সুলেখা, জয়ন্ত্মী ভট্টাচার্য্য, অনামিকা মজুমদার, রাবেয়া আখতার, নাজনীন সুলতানা, সাহানা আক্তার, নুপুর, সুক্তি বিশ্বাস, মিতা দেবনাথ, সংগীতা চক্রবতী, অমৃতা রায় মিষ্টি, দিব্য রায়, উদিতা তন্বী, তৃষা মন্ডল, স্মারনিকা চক্রাবর্তী, নাভিয়ানা চৌধুরী, সায়বা উদ্দিন, লামিয়া তালকদার রাত্রি, বাধন কর্মকার, প্রিয়াঙ্কা সরকার, এনি দাস, অনন্নপূর্ণা দত্ত, নিশাত হাসান, নাদিয়া হাসান রাবেয়া বাসরী, দিপ্ত রায়, ইশতিয়াক সামিন, রামিসা, অর্জুন মলিস্নক, অনিক মন্ডল, অনির্বাণ রায়, প্রমিত মহান আচার্য, লামিয়া তালুকদার রাত্রি, অনুপম চৌধুরী, নিশাত হাসান, সিতাব উদ্দীন, অচিন্ত্ম্য রায়, দুর্জয় রায় সৃজয় রায়, নামিরা মালেক, নবনীতা চন্দা, নাশাত হোসাইন, মোঃ আদনান মাহির কাসাব, বৈভব রায়, অশোক ধর, দেবস্মিতা দেবনাথ, ফারহান মাহিন অর্ণব, প্রতীক মোদক, নুজাইমা ইশরাত সারা, রাজদীপ বণিক, রাজু হোসাইন, ফারহান খান, সিন্থিয়া আইরিণ রিয়া, তাফান্নুম বিনতে করিম নূহা, নাজমুন্নাহার কাকলী এবং মিতা দেবনাথ।


হাজী ফৈয়াজ আলীকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দোয়া-মাহফিল

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ: নিউইয়র্ক থেকে : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী ফৈয়াজ আলীর অষ্টম মৃত্যুবাষিকী উপলক্ষে ১৬ এপ্রিল রোববার রাতে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জ্যাকসন হাইটসে হাটবাজার পার্টি হলে এ মাহফিলের শুরুতেই বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের নেতা মাওলানা সাইফুল আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে।মরহুমের কন্যা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম যুগ্ম সম্পাদিক আইরিন পারভিন কর্তৃক বাবার স্মৃতিচারণের পর অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।

alt
একাত্তরে সিলেট অঞ্চলে মুক্তিডেযাদ্ধাদের ক্যাম্প পরিচালনায় অনন্য ভূমিকা পালনকারী হাজী ফৈয়াজ আলী জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিবেদিত ছিলেন বলে উল্লেখ করে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ শাহাবউদ্দিন এমপি, এম এ মান্নান এমপি, ফেণী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ড. জাফরউল্লাহ,প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম,ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতা মোর্শেদ আলম, হাঊী শভিকুল আলম,ডা.মাসুদুল হাসান, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সৈয়দ বসারত আলী ও শামসুদ্দিন আজাদ, ও লুতভুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিঊদিদন দওয়ান ও ফারুক আহমেদ, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মিসবাহ আহমেদ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, বাংলাদেশী আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক লীগের প্রেসিডেন্ট খোরশেদ খন্দকার প্রমুখ।


বক্তারা সকলেই গভীর শ্রদ্ধায় ফৈয়াজ আলীকে স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মধ্য দিয়ে শুরু রাজনৈতিক জীবনে হাজী ফৈয়াজ আলী কখনোই দলীয় আদর্শ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে আপস করেননি। যুক্তরাষ্ট্রে এসেও একই প্রত্যয়ে উজ্জীবিত ছিলেন।বক্তারা উল্লেখ করেন, আশির দশকে ওজনপার্কে এই ফৈয়াজ আলীর ঘরে বসেই শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের শাখা গঠিত হয়। সে সময় আজকের যুগ্ম সম্পাদিকাও ছিলেন সক্রিয়। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পথচলায় ফৈয়াজ ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।


সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে ড. সিদ্দিকুর রহমান আলহাজ্ব ফৈয়াজ আলীসহ অপর মৃত্যুবরণকারি নেতাদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দলের জন্যে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের কথা আমাদের অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে। এবং সকলকেই একই চেতনায় উজ্জীবিত থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার চলমান কার্যক্রমে এই প্রবাস থেকেও সকলকে অতন্দ্র প্রহরীর ভ’মিকায় অবতীর্ণ থাকতে হবে।


মাহফিলে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ তার পরিবারের শাহাদৎ বরণকারি অপর সদস্যগণের আত্মার মাগফেরাত কামণা করা হয়। একইসাথে সাম্প্রতিক সময়ে মারা যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের অন্য সকলেরও আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন মোনাজাতে অংশগ্রহণকারিরা। এতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ছিলেন।

সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।