Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

নিউইয়র্কে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি -এর হাতে প্রবাস-মেলা পত্রিকা

রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

Picture

বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী, আমন্ত্রিত বিদেশী অতিথি এবং স্থায়ী মিশন ও কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারিগণের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিউইয়র্কের যৌথ আয়োজনে এই আনন্দঘন মূহুর্ত উদযাপন শেষে কনস্যুলেট জেনারেল মিলনায়তনে তার হাতে পত্রিকার সৌজন্য কপি তুলে দেন । খবর বাপসনিউজ। এ সময় অন্যান্যদের মাঝে কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

alt

ছবিতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি -এর হাতে পাক্ষিক প্রবাস-মেলা কপি তুলে দিচেছন সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন।ছবি বাপসনিউজ। পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দেশের প্রথম এবং একমাত্র পাক্ষিক ম্যাগাজিন। প্রবাসীদের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়মিতভাবে পত্রিকাটিতে তুলে ধরা হচ্ছে। প্রবাসীরা প্রবাস জীবনের অনুভ’তি অভিজ্ঞতা নিয়ে যে কোন লেখা পাঠাতে পারেন ( এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে। )।


নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ও অ্যাসেম্বলি হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

Picture

নিউইয়র্ক অ্যাসেম্বলি ও স্টেট সিনেটে বাংলাদেশের ৪৭ তম স্বাধীনতা দিবসের ওপর পৃথকভাবে রেজুলেশন গ্রহণ করা হয়। স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান লুইস সেপুলভেদা ও স্টেট সিনেটর জামাল টি. বেইলী স্টেট অ্যাসেম্বলি ও সিনেট হাউজে এসংক্রান্ত প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন। স্টেট সিনেট ও এসেম্বলী অধিবেশনের রেজুলেশন দু’টিতে তুলে ধরা হয় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। সিনেট এবং এসেম্বলি গ্যালারি এদিন পুরোটাই সংরক্ষিত ছিল শুধু বাংলাদেশীদের জন্য। উভয় হাউজে শোভা পেল বাংলাদেশের পতাকা। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন ১২০ জন বাংলাদেশী।
alt
এ্যাসেম্বলী হাউজের অধিবেশন চলাকালে ‘বাংলাদেশ ডে’র প্রস্তাবনাটি প্রথমে গৃহীত হয়। এদিন স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠের পর পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ্যাসেম্বলী অধিবেশন শুরু হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মাসহুদ ইকবাল। এর পর এ্যাসেম্বলী হাউজে প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে ‘লুইস ভাই’ হিসেবে খ্যাত এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস সিপুলভেদা উত্থাপিত বাংলাদেশ ডে প্রস্তাবনাটি পাঠ করে শুনানো হয়। এতে বলা হয়, তৎকালীন পাকিস্তান সামরিক সরকার বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে গণহত্যা চালিয়েছিল। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয় ৩০ লাখ মানুষ। সম্ভ্রমহানি হয় ২ লাখ মা-বোনের।

alt

রেজুলেশনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রহমানের নাম উল্লেখ করে তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়। এর সমর্থনে বেশ ক’জন এ্যাসেম্বলীম্যান সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ ডে রেজুলেশন গ্রহণকালে এ্যাসেম্বলী ফ্লোরে উপস্থিত থাকেন ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশা, লেখক-বিজ্ঞানী ও সিটি কাউন্সিল মেম্বার মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরান নবী, কমিউনিটি লীডার এডভোকেট নাসির উদ্দিন, নজরুল হক, আবদুল মুসাব্বির,  শামীম মিয়া, এ ইসলাম মামুন, আহবাব হোসেন চৌধুরী, জামাল হোসেন ও কামাল উদ্দিন। এসময় অন্যান্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা হাউজ কক্ষের গ্যালারীতে উপবিষ্ট ছিলে।

alt
এদিন দুপুর ৪টায় স্টেট সিনেটের অধিবেশনে ‘বাংলাদেশ ডে’র রেজুলেশন গ্রহণ অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মাসহুদ ইকবাল। এরপর সিনেটর জামাল টি বেইলি উত্থাপিত বাংলাদেশ ডে প্রস্তাবনাটি পাঠ করে শুনানোর পর ৫ জন সিনেটর এর সমর্থনে জোরালে বক্তব্য রাখেন। এখানেও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস স্থান পায়। পরে সিনেট হাইজে রেজুলেশনটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। বাংলাদেশ ডে রেজুলেশন উপস্থাপনকালে সিনেট ফ্লোরে উপস্থিত ছিলেন ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিটির মুখপাত্র আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার, লেখক-বিজ্ঞানী ও সিটি কাউন্সিল মেম্বার মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরান নবী, কমিউনিটি লীডার সোলেমান আলী ও মাহবুব আলম। হাউজ কক্ষের গ্যালারীতে উপবিষ্ট ছিলেন অন্যান্য প্রবাসী বাংলাদেশীর।স্টেট এ্যাসেম্বলী হাউজ ও সিনেট হাউজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্টেট সিনেটর জামাল টি বেইলি ও এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস সিপুলভেদা আলবেনী হলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে এক অভ্যর্থনা পার্টির আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ডে কমিটির কাছে এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস সিপুলভেদা ও সিনেটর জামাল টি বেইলি হাউজ দু’টিতে পাসকৃত রেজুলেশনের কপি হস্তান্তর করেন। এছাড়া এসময় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ ডে কমিটিকে প্রক্লেমেশন প্রদান করা হয়।
 alt
‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিউনিটি চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশার সভাপতিত্বে এবং কমিটির মুখপাত্র আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্টেট সিনেটর জামাল টি বেইলি ও এসেম্বেলীম্যান লুইস সিপুলভেদা ছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অন্যান্য স্টেট সিনেটর ও এসেম্বেলীম্যানগণ। তারা ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশী কমিউনিটির ভূয়শী প্রশংসা করেন। তুলে ধরেন নানা ক্ষেত্রে তাদের অবদানের কথাও।এসময় এ ঐতিহাসিক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে অ্যাসেম্বলিমেন লুইস সেপুলভেদা ও স্টেট সিনেটর জামাল টি বেইলিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।এদিকে, আলবেনী হলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে এ অভ্যর্থনা পার্টির ব্যানারে ‘বাংলাদেশ ডে’র স্থলে ‘বেঙ্গলী ডে’ হওয়ায় এসেম্বেলীম্যান লুইস সিপুলভেদা দু:খ প্রকাশ করেন।
 alt
প্রক্লেমেশন প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন : ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিউনিটি চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশা, বাফা প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমিন, কমিউনিটি লীডার আবদুস সহীদ, ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিউনিটি মেম্বার সেক্রেটারী শাহেদ আহমদ, মামুন’স টিউটরিয়ালের প্রিন্সিপাল শেখ আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, কমিউনিটি লীডার মোহাম্মদ দলা মিয়া, আল আকসা গ্রুপের কর্ণধার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হক শাহীন (আল আকসা গ্রুপের পক্ষে প্রক্লেমেশন গ্রহণ করেন ম্যানেজার মো. আলী, খলিল বিরিয়ানী হাউজের স্বত্ত্বাধিকারী রন্ধন শিল্পী,খলিলুর রহমান এবং কমিউনিটি লীডার রেক্সোনা মজুমদার।
 alt
এছাড়া আয়োজক সংগঠন গুলোকেও প্রক্লেমেশন প্রদান করা হয়। সংগঠন গুলোকে হচ্ছে : বাংলাদেশ-আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিল, বাংলাদেশ সোসাইটি অব বঙ্কস, বঙ্কস বাংলাদেশ সোসাইটি, বাংলাদেশী আমেরিকান কালচারাল এসোসিয়েশন, বাংলাদেশী-আমেরিকান ডেমোক্রেটিক সোসাইটি, আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন, বঙ্কস বাংলাদেশ এসোসিয়েশন, নর্থ বঙ্কস বাংলাদেশএসোসিয়েশন, বাঙালী চেতনা মঞ্চ, বঙ্কস বাংলাদেশ উইম্যান’স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ আমেরিকান উইম্যান’স এসোসিয়েশন, ফেঞ্চুগঞ্জ অর্গেনাইজেশন অব আমেরিকা , গ্রেটার লাকসাম ফাউন্ডেশন অব ইউএসএ , বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব নর্থ আমেরিকা, কংগ্রেস অব বাংলাদেশ আমেরিকান , বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন অব নর্থ আমেরিকা, নজাবত আলী ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব নিউজার্সী।
 alt
এর আগে ২৭ মার্চ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় ব্রঙ্কস থেকে দু’টি বাসযোগে প্রায় ১২০ জন বাংলাদেশী বাংলাদেশ ডে অনুষ্ঠানমালায় যোগ দিতে আলবেনিতে সমবেত হন। বিকেল সাড়ে ৫টায় বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠান শেষ হয়। । অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুপুরের খাবার পরিবেশন করে ব্রঙ্কসের স্বনামখ্যাত খলিল বিরিয়ানী হাউজ।এদিকে, ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগদানকারী প্রবাসী বাঙালীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বাপসনিউজকে বলেন, নিউইয়র্ক অ্যাসেম্বলি ও স্টেট সেনেট হাউজে বাংলাদেশকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে, তা অসাধারণ। অনন্য।  ভাষায় ব্যক্ত করার মত নয়। যা অংশগ্রহনকারী সকলে গর্বের সাথে উপভোগ করেন। তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট সিনেট ও এ্যাসেম্বলীতে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযানের এ আনন্দ, এ গর্ব শুধু প্রবাসীদের নয়, এ আনন্দ গোটা বাংলাদেশে। এর আগে দিবসটি যথাযথভাবে উদযাপনের জন্য গত ১২ মার্চ গঠন করা হয় ১৫ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি। কমিটির সদস্যরা হলেন : চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশা, মেম্বার সেক্রেটারী শাহেদ আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মনজুর চৌধুরী জগলুল, সহ কোষাধ্যক্ষ শামীম আহমেদ, সদস্য মোহাম্মদ এন মজুমদার, আবদুস শহীদ, মাহবুবুল আলম, শামীম মিয়া, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী, আহবাব চৌধুরী, তৌফিকুর রহমান ফারুক, এ ইসলাম মামুন, ফরিদা ইয়াসমিন, রেক্সোনা মজুমদার এবং বুরহান উদ্দিন। অন্যতম সদস্য আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার এ কমিটির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
 alt
উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক বাংলাদেশ ডে বিলটি পাশ হয় ২০১২ সালের ২৪ মার্চ। এই ঐতিহাসিক উদ্যোগটির প্রধান রূপকার ছিলেন ব্রঙ্কস থেকে নির্বাচিত সাবেক সিনেটর বর্তমান কাউন্সিলম্যান রুবিন ডিয়াজ। তাকে রেজুলেশন তৈরিতে সহযোগীতা করেন প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে ‘লুইস ভাই’ হিসেবে পরিচিত এটর্নী লুইস সিপুলভেদা (বর্তমান এসেম্বলিম্যান)। তাদের সহযোগীতা করেন ব্রঙ্কস প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউন িটির নের্তৃবৃন্।ওই সময় বিলটি সিনেটে উত্থাপিত হলে সিনেটর রুবিন ডিয়াজ সিনেটে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি ১৯৭১ সালের মার্চে অপারেশন সার্চ লাইটের নামে গণহত্যা, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে বাংলাদেশীদের আত্মত্যাগ এবং পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে বাংলাদেশী মা-বোনদের সম্ভ্রমহানির কথা সবিস্তারে তুলে ধরেন। সেদিন মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে এই ঐতিহাসিক বিলটি সর্বসম্মতভাবে সিনেটে পাশ হয়।
 alt
‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপনের প্রথম আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন মোহাম্মদ এন মজুমদার এবং মেম্বার সেক্রেটারী ছিলেন মরহুম জাকির খান। নিউইয়র্ক সিটিসহ বিভিন্ন স্থান থেকে জড়ো হওয়া প্রবাসী বাঙালিদের বিশেষভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয় সিনেট ও এ্যাসেম্বলী হলে। মার্কিন মুল্লুকে বাংলাদেশ ও বাঙালিদের বিশেষ সম্মান জানানোর এ অনুষ্ঠান ২৭ মার্চ মঙ্গলবার নিউইয়র্কের রাজধানী আলবেনীতে অনুষ্ঠিত হয়। নিউইয়র্ক সিটি থেকে দেড়শত মাইল দূর আলবেনীর এ অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন।।খবর বাপসনিঊজ


এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব সাফল্য আনন্দমূখর পরিবেশে উদযাপিত হল নিউইয়র্কে

শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক : গত ২২ মার্চ নিউইয়র্কে জাতীয় উদযাপনের সাথে মিল রেখে এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব সাফল্য আনন্দমূখর পরিবেশে উদযাপন করা হল। বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী, আমন্ত্রিত বিদেশী অতিথি এবং স্থায়ী মিশন ও কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারিগণের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিউইয়র্কের যৌথ আয়োজনে এই আনন্দঘন মূহুর্ত উদযাপন করা হয়।খবর বাপসনিঊজ।

Picture

কনস্যুলেট জেনারেল মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের দু’টি ইভেন্টে যোগদান উপলক্ষে নিউইয়র্ক সফররত বাংলাদেশের দু’টি পৃথক ডেলিগেশনের প্রধান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ এমপি। আমন্ত্রিত বিদেশী অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘কমিটি ফর ডেভোলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)’ এর সিনিয়র ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স অফিসার ম্যাথিয়াস ব্রুকনার; জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি), ভূ-বেষ্টিত স্বল্পোন্নত দেশ (এলএলডিসি) ও উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রসমূহ (সিডস্) সংক্রান্ত কার্যালয়ের পরিচালক মিজ্ হেইডি ফক্স, জাতিসংঘের মূলধন উন্নয়ন তহবিলের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি জেভিয়ার মিসিয়ন।

alt

উদযাপন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান এনডিসি। আনন্দঘন এই মূহুর্ত উদযাপনে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের  উন্নয়ন পরিক্রমায় এটি একটি মাইলফলক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার সমাজের সকলকে সাথে নিয়ে অগ্রমূখী যে উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে, এই অর্জন তারই প্রতিফলন”।একে এক মঞ্চে আসেন আমন্ত্রিত বিদেশী অতিথি ম্যাথিয়াস ব্রুকনার, হেইডি ফক্স ও জেভিয়ার মিসিয়ন। বিদেশী অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার কথা তুলে ধরেন।

alt
জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি), ভূ-বেষ্টিত স্বল্পোন্নত দেশ (এলএলডিসি) ও উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রসমূহ (সিডস্) সংক্রান্ত কার্যালয়ের পরিচালক মিজ্ হেইডি ফক্স বলেন, “এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দ বোধ করছি। এলডিসি থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তিনটি ক্যাটাগরিতেই বিপুল মার্জিন নিয়ে উর্ত্তীর্ণ হয়েছে। এতে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত খাতসহ বিভিন্ন খাতে অসামান্য অগ্রগতি সাধন করেছে। বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত প্রতিঘাত ও প্রতিকুলতা মোকাবিলা করে এ যেন ঘুরে দাঁড়ানোর এক সাফল্যগাঁথা”।
জাতিসংঘের মূলধন উন্নয়ন তহবিলের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি জেভিয়ার মিসিয়ন বলেন, “বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এলডিসিতে যোগ দিয়েছিল। সেই দিন আর আজকের মধ্যে ব্যাপক ব্যবধান। এই দেশটি সত্যিকারভাবে বিস্ময়কর অগ্রগতি সাধন করেছে। যা বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় আয়, মাথাপিছু আয়, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সংবেদনশীলতার মধ্যে দৃশ্যমান”।

alt
আমন্ত্রিত সকল বিদেশী বক্তাই উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ সফলতার সাথে মোকাবিলা করে বাংলাদেশ উন্নয়নকে টেকসই ও স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হবে মর্মে আশা প্রকাশ করেন। এক্ষত্রে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলেও তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি এ অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে আরও ২০ বছর আগেই বাংলাদেশ উন্নত দেশ হতো। আজ এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণে।

alt
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি তাঁদের বক্তৃতার শুরুতেই বাংলাদেশের এই অসমান্য অর্জনের মাহেন্দ্রক্ষণে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করেন।

alt
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, “যুদ্ধ বিধ্বস্ত সেই বাংলাদেশ হতে আজকের এই এলডিসি ক্যাটাগরি উত্তরণ -যার জন্য বাংলাদেশকে পাড়ি দিতে হয়েছে বহু চড়াই উৎরাই। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নদর্শী নেতৃত্বে, সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সাহসী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে। আর অর্জনের এই উপাখ্যানে মিশে আছে উন্নত ভবিষ্যত ও সমৃদ্ধি অর্জনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের অদম্য স্পৃহা যার পরতে পরতে রয়েছে জাতির পিতার প্রদর্শিত পথ এবং তাঁরই স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে আমাদের দৃঢ় প্রত্যয়”।
প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমডিজি অর্জন ও এসডিজি বাস্তবায়নসহ উন্নয়নের প্রতিটি সেক্টরে প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের এই অবস্থানে আসার পিছনে প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকদের অবদানের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের এই উত্তরণকে টেকসই করতে প্রবাসীগণ স্ব স্ব অবস্থানে থেকে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবেন মর্মে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
নিষ্ঠুরভাবে সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যহত ও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল মর্মে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ এমপি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। জাতির পিতাকে হত্যার পর নেতৃত্ব শূণ্য বাংলাদেশের হাল ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে উন্নয়নের বিস্ময়ে পরিণত করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ।

alt
এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে বাংলাদেশের এই উত্তরণে দেশের নারীদের অসামাণ্য ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, “এই অর্জনের অভ্যন্তরের কাহিনীতে রয়েছে বাংলাদেশের নারীরা, এবং অবশ্যই তারা আগামীদিনের অর্জনেও মূল দৃশ্যপটে সামনে থাকবে”।
বাংলাদেশের জনগণ আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে সরকারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে মর্মে উভয় প্রতিমন্ত্রী তাঁদের প্রত্যাশার কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রীদ্বয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকা মেট্রোরেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পসমূহের কথা তুলে ধরেন। উঠে আসে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, গ্রামীণ উন্নয়ন, অবকাঠামো, তথ্য-প্রযুক্তি, যুব উন্নয়ন, নারী উন্নয়ন ও বৈদেশিক সম্পর্কসহ উন্নয়নের বিভিন্ন খাতের সাফল্যের কথা।
প্রতিমন্ত্রীদ্বয় বলেন, সকলকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ সরকার উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স- এ জানুয়ারি ২০১৮ এর তালিকায় বাংলাদেশ ৩৪তম অবস্থানে উন্নীত হয়েছে যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শীর্ষস্থান। বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রীদ্বয়।
অনুষ্ঠানটিতে কাজী রোজী এমপি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম এনডিসি, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব কাজী মাফরূহা সুলতানাসহ চলতি সিএসডব্লিউ’র ৬২তম অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ ডেলিগেশনের অন্যান্য সদসগণ উপস্থিত ছিলেন।


জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন পালন করেছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ

বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ১৮ই মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস এবং জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষনা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জ্ঞপন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, অংগ সংগঠন ও প্রবাসের স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ। উক্ত অনুষ্ঠানে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র স্টেট আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগ ও অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শিশু কিশোরদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর পতিকৃতির উপর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন এবং বিজয়ী শিশুদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন করেন।উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ।
প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপিঅনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাজী রোজী এমপি, আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম, জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চান্দু, উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আবদুল জলিল ।

77
অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন আজ বঙ্গবন্ধুর অসম্পন্ন কাজ তার সুযোগ্য কন্যা  শেখ হাসিনা সম্পন্ন করিতেছেন সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন আজ বঙ্গবন্ধুর অসম্পন্ন কাজ তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা সম্পন্ন করিতেছেন তাই জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নীল রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষনা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু কন্যা, দেশ নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান।খবর বাপসনিঊজ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আখতার হোসেন, সৈয়দ বসারত আলী, মাহবুবুর রহমান, সামছুদ্দিন আজাদ, লুৎফুল করিম, যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান, আবদুল হাসিব মামুন, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, মানবাধিকার সম্পাদক মেসবাহ আহমেদ, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ফরিদ আলম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আশ্রাফুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আবুল মনসুর খান, প্রবাসী কল্যান সম্পাদক সোলায়মান আলী, ত্রান ও পূর্নভাসন বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন , ইমিগ্রেশন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান মামুন, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুকু, উপ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক, উপ প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি সদস্য শাহানারা রহমান।

alt

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডেনী চৌধুরী, সামসুল আবেদীন, আমিনুল ইসলাম কলিন্স, আলী হোসেন গজনবী, আসাদ, আবদুল হামিদ, মুক্তিযোদ্ধা মুজিব মাওলা, নুরুল আবসার সেন্টু, খোরশেদ খন্দকার,সাপ্তাহিক ঠিকানার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান, অধ্যাপিকা হোসনে আরা বেগম। স্টেট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শেখ আতিক, রফিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু আইনজীবি  পরিষদেরসভাপতি মোরশেদা জামান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শিবলী সাদিক, প্রধান উপদেষ্টা নুরুল আমিন, মাহফুজ, সুমন, আলমগীর, কফিল চৌধুরী, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহনাজ মমতাজ, সহ সভাপতি সেলিনা আজাদ, রওশন আরা বেগম, কানিজ ফাতেমা, যুবলীগের জামাল হোসেন, সেবুল মিয়া, হুমায়ুন চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাখাওয়াত বিশ্বস, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবির আলী, সহ সভাপতি আশরাফ উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক কিবরিয়া জামান, রাকিবুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম দিপু, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, নুরে আজম বাবু, হিরু ভূইয়া, নান্টু মিয়া ও আরো অনেকে।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন প্রধামন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য আজ দেশের সর্বস্তরে নারীর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহন ভেরেছে।

alt

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর পতিকৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান নেতৃত্বে উপস্থিত সকলে পুষ্পার্ঘ অর্পন করে শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞপন করেন এবং কেক কেটে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন। প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়ায়াত করেন কারী রহমত আলী ও গীতা পাঠ করেন সবিতা দাস। কারী রহমাত উল্লাহ প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারে উন্নয়ন ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং ইউএস বাংলা বিমান বিধ্বস্থে নিহতদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং আহতদের সুস্থ্যতা কামনা করে মুনাজাত করেন।প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত সবার দের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


প্রোগ্রেসিভ ফোরামের আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

Picture

সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আলীম উদ্দিনের সঞ্চালনায় সভায় প্রথমেইবাংলাদেশের সাহসী নারী ওয়াসফিয়া নাজরীনের সাতটি মহাদেশের ৭ টি সর্বোচ্চশৃঙ্গ জয়ের উপর একটি ডকুমেন্টারি দেখান সৈয়দ ফজলুর রহমান।২০১৮ সালের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য 'প্রেস ফর প্রোগ্রেস'বা'প্রগতিকে দাও গতি’ ।

alt

নারী দিবসের মূল আলোচনায় অংশ নেনপ্রধান অতিথি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও পাবনা জেলার সাধারনসম্পাদকনেন মিস কামরুন্নাহার জলি,বিশেষ অতিথি সাইকিয়াট্রিষ্ট, শিশু ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ,ডাক্তার তানভিরা ইসলাম,সাপ্তাহিক বাঙ্গালী সম্পাদক কৌশিক আহমদ,সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক কিউনিI প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ সৈয়দ আবদুল হাদীর সুযোগ্য কন্যাপ্রফেসর ডক্টর সৈয়দা তানিমা হাদী ,জাতিসংঘের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ নজরুল ইসলাম।

alt

ইঞ্জিনিয়ার জীবন বিশ্বাসের নেতৃত্বে নিউইয়র্ক উদীচী জাতীয় সংগীত,উদ্বোধনী সংগীত ওকয়েকটি উদ্দীপনামূলক সঙ্গীত পরিবেশন করেন। তারপর  সাংবাদিকশামসাদ হুসামের পরিচালনায় নতুন প্রজন্মের ভাবনায় ‘গান ভায়োলেন্স’ এর উপরআলোচনায় অংশনেন নতুন প্রজন্মের মাশাবা রহমান,ইরতিজা চৌধুরী,ফাইজা দিল আফরোজ এবং রিয়া আখতার।

alt

নারী দিবসের আলোচনায় অংশ নেন নারী ম্যাগাজিনের সম্পাদক পপি চৌধুরী।আবৃত্তি করেন গোপন সাহা।শোক প্রস্তাব পাঠ করেন ফোরাম সহ সভাপতিওবায়দুল্লাহ মামুন।মূল প্রস্তাব পাঠ করেন প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ হারুন।ফোরামের কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন বাচ্চুর মাতা সেতারা বেগম, ভাস্করফেরদৌসি প্রিয়ভাষিনী ও ফ্লোরিডায় নিহত স্কুল ছাত্রদের স্মরণে ১ মিনিটনীরবতা পালন করা হয়।

alt
আলোচনায় বক্তারা বলেন গত একবছরে সারাবিশ্বে নারীদের উপর নির্যাতন,নিপীড়নও যৌন হয়রানীর বিরুদ্ধে সেলিব্রেটি নারীরা সর্বপ্রথম মুখ খোলেন,হেশটেড‘মি টু’ ও ‘টাইমস আপ ‘এর মাধ্যমে। পরবর্তিতে হাজার হাজার নারী সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে মুখ খুলতে শুরু করেন। এখন চরিত্রহীন এবং মুখুশধারীহর্তাকর্তা বড় ও শক্তিশালী পুরুষদের মুখোশ খুলে পড়ছে। নারী জাতির শত শত বছরের নীরবতার সংস্কৃতি যেন এবার সরব হয়ে সব তোলপাড় করে দিচ্ছে।বৈষম্য্ ওবঞ্চনার সংস্কৃতি যেন পরিবর্তন হতে শুরু করেছে।বাংলাদেশেও নারীরা শত সহস্র সামাজিক,ধর্মীয়,রাজনৈতিক বাধা বিপত্তি কাটিয়ে,এমন কোন পেশা নেইযেখানে তাদের পদধবনি পড়ছেনা।বিমান বাহিনী,নৌবাহিনীর আকাশে সাগরে,শান্তিরক্ষায় সব খানেই নারীদের সফল পদচারণা।বক্তারা আরো বলেন,ইতিহাসে পুরুষরাজা বাদশাহদের মাঝে নারীদের অনুপস্থিতি এযুগের নারীদের চিন্তা চেতনায়বিকাশে ক্ষতিগ্রস্থ করে। বিশ্বে এখনো তিনভাগের একভাগ নারী নির্যাতনেরশিকার।বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের হার বিশ্বে এখনো প্রায় সর্বোচ্চ।

alt

কিন্তুপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়েরা ছেলেদের সমান হারে যাচ্ছে। কিন্তু বাল্য বিয়েরকারনে উচ্চ শিক্ষায় নারীরা হারিয়ে যাচ্ছে।তাই ভবিষ্যতে নারীদের এগিয়েনেয়ার জন্য আরো অনেক কিছুই করার রয়েছে। এসবের মধ্যে নারীদের উচ্চ শিক্ষায়সব বাধা দূর করা এবং তাদেরকে স্বাবলম্বী নারী হিসেবে এগুতে সাহায্য করা।পৈত্রিক ও মাতার সম্পত্তিতে মেয়েরা যেন ছেলেদের সমান সম্পত্তি পায় তারজন্য আইন প্রনয়ন সহ সামাজিক ও ধর্মীয় আন্দোলন গড়ে তোলা।সভায় সংসদের তিনভাগের এক ভাগ আসনে নারীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত করার বিধান চালুকরার দাবী জানানো হয়।

alt
প্রোগ্রেসিভ ফোরাম আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস২০১৮ এর সভার প্রস্তাবাবলী
১।সম্পত্তিতে সমঅধিকারঃ এই সভা হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খৃষ্টান যেকোন ধর্ম ও
জাতি উপজাতি নির্বিশেষে পৈত্রিক ও মাতৃসম্পত্তিতে কন্যা সন্তানদের সমান
অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবী জানাচ্ছে।

alt
২। এই সভা অফিস আদালতে সরকারি বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে,শিল্প
কারখানা,ক্ষেত খামারে সমান কাজে নারীদের পুরুষের সমান মজুরী প্রদানের
দাবী জানাচ্ছে।এই সভা সকল ধরনের মজুরি বৈষম্যের অবসানের দাবী জানাচ্ছে।

alt
৩।বাল্যবিয়েঃ এই সভা বাল্যবিয়ে এবং ছাত্রীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক
বিয়ের বিরুদ্ধে নিজ নিজ স্কুল কলেজে ও মাদ্রাসায় দলবদ্ধভাবে ছাত্র ও
ছাত্রীদের সচেতন ও সংগঠিত হওয়ার আহবান জানাচ্ছে।এতে সচেতন
শিক্ষক,অভিভাবক,প্রশাসন, এবং এলাকাবাসীদের রাখা প্রয়োজন। বাল্যবিয়ে পড়ানো
কাজী ও মৌলবীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানাচ্ছে।

alt
৪।নারীর আর্থিক স্বাবলম্বীতাঃ এই সভা মনে করে যে মেয়েদের শিক্ষার সাথে
সাথে উপার্জনের সাথে যুক্ত না হলে কোনভাবেই পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহনে
নিজের সম্মানজনক ভূমিকা প্রতিষ্ঠা করা কঠিন।আর পারিবারিক সিদ্ধান্ত
গ্রহনে যতক্ষন নারী পিছিয়ে থাকবেন ততক্ষন সন্তানদের বিশেষত
কন্যাসন্তানদের উচ্চশিক্ষা,পেশা বাছাই,বিবাহ,ইত্যাদি ক্ষেত্রে মায়ের ও
কন্যার সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে তারা বিশেষ কোন ভূমিকা পালন করতে
পারেননা। এমনকি গৃহবধূরা যত উচ্চশিক্ষিত হননা কেন নিজের বিষয়েও
স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননা।তাই এইসভা সন্তানের লালন পালনে যত
সমস্যা থাকুকনা কেন নিজেদের পেশা বা উপার্জন থেকে স্থায়ীভাবে সরে যাওয়া
খুবই ক্ষতিকর এবং তা তাদের ভবিষ্যতকে অনিরাপদ করে তোলে।এক্ষেত্রে এলাকায়
নিজেরা ডে কেয়ার সেন্টার চালু করা,এজন্য সামাজিক উদ্যোগ নেয়া,সরকারের উপর
ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগী হতে চাপ দেয়া প্রয়োজন।

alt
 ৫। পারিবারিক সহিংসতাঃ এই সভা গৃহ বিবাদ, পারিবারিক সহিংসতা, যৌতুক,যৌন
হয়রাণী ইত্যাদিতে নিরব না থেকে এলাকায় অন্যান্য নারীদেরদের নিয়ে সোচ্চার
ও সংগঠিত হওয়ার এবং স্বামীদের প্রবাসে কাউন্সেলিং এবং দেশে সালিশএর
মাধ্যমে ক্রমশ এই কুপ্রথা থেকে বের হয়ে আসার জন্য উদ্যোগী হওয়ার আহবান
জানাচ্ছে। সাথে সাথে এই সভা নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে যেকোন মামলায় তদন্ত
কর্মকর্তা হিসেবে মহিলা পুলিসদের দিয়ে তদন্ত ও মামলা পরিচালনার জন্য
প্রত্যেক থানা ও উপজেলায় কমপক্ষে ৩ জন নারী কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্যোগ
নেয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছে। দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা
কমানোর লক্ষ্যে নারীদেরও উচ্চ শিক্ষা নেয়ার পর পুলিশ সার্ভিসে ব্যাপকভাবে
যোগদানের আহবান জানাচ্ছে।

alt
৬। মা ও শিশুর অপুষ্টিঃ  এই সভা গর্ভবতী,প্রসূতি ও নবজাতক থেকে ৫ বছর
পর্যন্ত শিশুদের অধিকাংশের অপুষ্টির বিরুদ্ধে এলাকায় নারীদের সোচ্চার ও
সংগঠিত হওয়ার এবং স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সকল গর্ভবতী ও
প্রসূতিদের সন্তানের ৩ বছর বয়স পর্যন্ত চিকিৎসা সেবা,মা ও শিশুর পুষ্টিকর
খাদ্য গ্রহনের জন্য  মাসিকভাতা প্রদানের জোর দাবী জানাচ্ছে। শুধুমাত্র
দুটি সন্তানের জন্য এই মাসিক ভাতা দিতে হবে। এসব দম্পতিকে পরবর্তীতে
স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহনে আগ্রহী করে তুলতে হবে। এই সভা শিশু
অপুষ্টি দূর করার লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল
প্রদান বাধ্যতামূলক করার দাবি করছে।

alt
৭। নারীর রাজনীতিতে অংশগ্রহনঃ  বাংলাদেশের রাজনীতিতে
সন্ত্রাস,পেশিশক্তি,অস্ত্রের ও কালো টাকার ব্যবহার যেভাবে বাড়ছে তা
কোনভাবেই নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহনের অনুকূল নয়।  নারীদিবসের এই সভা
নারীদের জন্য অনুকূল সামাজিক রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টির জোর দাবী জানাচ্ছে।
সাথে সাথে এই সভা রাজনৈতিক দল গুলোর দলীয় কাজে ১/৩ অংশ নারীদের দ্বারা
পূরণের যে অঙ্গীকার সব দল করেছিল তা পূরণের আহবান জানাচ্ছে এবং ইউ পি
থেকে সংসদ পর্যন্ত সকল পর্যায়ে ১/৩ বা এক তৃতীয়াংশ আসনে নারীদের, সরাসরি
ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের জন্য জোর দাবী জানাচ্ছে।


নিউইয়র্কে বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদের হাতে প্রবাস-মেলা পত্রিকা

বুধবার, ০৭ মার্চ ২০১৮

alt

গত ৩ মার্চ শনিবার নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনসুলেট কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর উৎক্ষেপন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে তার হাতে পত্রিকার সৌজন্য কপি তুলে দেন।এ সময় অন্যান্যদের মাঝে কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আবু তাহের, কমিউনিষ্ঠ নেতা  হাসানুজ্জামান হাসান  ও বাংলাদেশ টেলিকমিউকেসন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) সচিব সারওয়ার আলমসহ  বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Picture

ছবিতে ড. শাহজাহান মাহমুদের হাতে পাক্ষিক প্রবাস-মেলা কপি তুলে দিচেছন ডান থেকে ২য় সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন। বা খেকে হাসানুজ্জামান হাসান,আবু তাহের, কনসাল জেনারেল শামীম আহসান ও সর্বডানে সারোয়ার আলমকে দেখা যাচ্ছে। ছবি বাপসনিউজ। পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দেশের প্রথম এবং একমাত্র পাক্ষিক ম্যাগাজিন। প্রবাসীদের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়মিতভাবে পত্রিকাটিতে তুলে ধরা হচ্ছে। প্রবাসীরা প্রবাস জীবনের অনুভ’তি অভিজ্ঞতা নিয়ে যে কোন লেখা পাঠাতে পারেন ( এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে। )|


অনৈতিকভাবে খমতায় থাকা এবং যাওয়া এই দুই যাঁতাকলে পড়ে দেশের মানুষ দিশেহারা ও প্রবাসীরা উদ্বিগ্ন -----এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল

মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্‌স নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং এর থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার উদ্যোগে গত ১১ ফেব্রুয়ারী রবিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের টক অব দি টাঊনে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান  অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন  জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি কেন্দীয় কমিটির সাংগটনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল।

alt

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন আমেরিকান প্রেসক্লাব  অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বাপ্‌সনিউজ এডিটর হাকিকুল ইসলাম খোকন, আইঅন বাংলাদশ টিভি পরিচালক রিমন ইসলাম,আওয়ামী লীগনেতা  জাহাঙ্গীর  কবির ও লক্ষীপুর জেলা সমিতির সাবেক সভাপতি সেলিম ভুইয়া। খবর বাপসনিঊজ।

alt

নেতৃবৃন্দের মধ্যে  জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সহ-সভাপতি সুভাষ মজুমদার , সহ-সাধারণ সম্পাদক রফিক উল্লাহ ,সাংগঠনিক সম্পাদক তছলিম উদ্দিন খান ।

alt
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি কেন্দীয় কমিটির সাংগটনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল  বলেন- দেশ গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। বারাবারি, কাটাকাটি, হানাহানি। দুই বড় দলই কেবল ক্ষমতার জন্য দেশ ও দেশের মানুষকে জিম্মিকরে রাজনীতি করছে। স্বাধীনতাত্তোর স্বাধীন দেশের উপযোগী রাষ্ট্র কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ, স্বাধীন দেশের অনুকূলীয় প্রশাসন গড়ে তুলতে ব্যর্থ, বৃটিশ ও পাকিস্তানী রাষ্ট্র কাঠামোয় দেশ পরিচালিত হওয়ার কারনে গত ৪৬ বছরে আমরা এ দূরাবস্থায় পৌছেছি। আমরা ৪৬ বছরে শুধু সুশাসন, সুবিচারের দাবিই জানিয়ে গেলাম, প্রতিষ্ঠা করতে পারলাম না। আমরা বাহ্যিক স্বাধীনতা পেলেও এখনও অভ্যন্তরীন পরাধীনতার মধ্যেই বসবাস করছি। স্বাধীন দেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা আজও  অনুপস্থিত। মুক্তিযুদ্ধের সরিষার ভূত ছিল বলেই সম্ভবত স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই আমরা অভ্যন্তরীনভাবে পরাধীনই থেকে গেলাম।  

alt
সব দলের দিকে তাকালেই দেখা যায় কোথাও গণতন্ত্র নেই। দলে গণতন্ত্র থাকলে দেশ পরিচালনাতেও গণতন্ত্র কাজ করে। এছাড়া সংবিধান ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অনুকূল নয়। সরকার প্রধানকে এতটাই একচেটে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, তা স্বৈরাচারে পরিনত হতে উৎসাহিত করে। গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তন হওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে। একটি কেন্দ্র থেকে ১৬ কোটির মতো মানুষকে সুশাসন দেয়া ও সেবা করা সম্ভব নয়। তাই ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরন করতে হবে।

alt
বিএনপি, আওয়ামীলীগ ও জামায়াত শিবিরকে বাংলাদেশের জন্য রাহু উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, এই রাহু থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়। তাই এই মুহুর্তে তৃতীয় শক্তির উথ্থান জরুরী। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, বিচার ব্যবস্থা এবং স্বাধীনভাবে ভোটদানের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

alt

আগামী নির্বাচনের জন্য সকল দলের মধ্যে আলোচনা, সংলাপ ও সমজোতা অত্যাবশ্যক।এডভোকেট সৈয়দ  বেলায়েত হোসেন বেলাল এর যুক্তরাষ্ট্রে আগমনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার নৈশভোজে অনুষ্ঠানের সবাইকে বিপুল আয়োজনে আপ্যায়িত করা হয়। সভার শুরুতে  ৭১ এর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, ৫২’র মহান ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের স্মরনে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

alt
উল্লেখ্য জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল ৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার রাত ১০টায় নিউইয়র্কের জেএফকে বিমান বন্দরে রাত ১০টায় ডেলটা এয়ারযোগে এসে পৌঁছেন।এ সময় তাকে জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতৃবৃন্দ এবং লক্ষীপুর জেলা প্রবাসীরা তাকে জেএফকেতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। উএডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল উমরা পালনের উদ্দেশ্যে সৌদিআরব গিয়েছিলেন ডিসেম্বরে। পরে তিনি সৌদি প্রবাসী লক্ষীপুর জেলাবাসী ও জেএসডি নেতাকর্মিদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি কানাডা আসেন ১৮ জানুয়ারী। কানাডায় অবস্থানকালে তিনি জেএসডি নেতাকর্মীদের এবং লক্ষীপুর জেলা প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

alt

যুক্তরাষ্ট্রে জেএসডি ও প্রবাসী লক্ষীপুর জেলাবাসীসহ প্রবাসের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে ও মতবিনীময় করেন এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে অংশ নেন। তিনি ১৮ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেন। এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল লক্ষীপুর-৩ জাতীয় সংসদ আসনে আগামী নির্বাচনে জেএসডি’র প্রাথী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।


সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক দম্পতি রুবি খোকন এর প্রথম পুত্র সন্তান লাভ

বৃহস্পতিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাপসনিউজ',বিশেষ প্রতিনিধি: সুপরিচিত সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক দম্পতি, নিউজ পোর্টাল জার্নালিষ্ট আয়েশা আক্তার রুবি ও আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, বাপসনিউজ এডিটর, বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম প্রধান সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন এর প্রথম পুত্র সন্তান এফকে আরম্যান (FK Armaan) গত ৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভোর ১২:২৫ মিনিট সময় নিউইর্য়কের ম্যানহাটনস্থ ঐতিহ্যবাহী মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে জন্ম হয়। ''খবর বাপসনিউজ''

নবজাতক শিশু ও মা সুস্থ রয়েছেন। আয়েশা আক্তার রুবি ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন এর প্রথম পুত্র সন্তান জন্ম হওয়ায় প্রবাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগটনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, লেখক, কবি, শিল্পী,সাহিত্যিক ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গসহ সকলই অভিনন্দন জানিয়েছেন।

alt
উল্লেখ্য, আয়েশা আক্তার রুবি ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন বিয়ে হয়েছিল ২০১৪ সালের ১৬ মে, সোসাল মিডিয়া স্কাইপিতে। তাদের দুজনের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বন্দুত্ব হয়েছিল ২০১২ সালের ডিসেম্বরে। সামাজিক যোগাযোগের পরিচয় থেকে পরিনয়, তাদের আলোচিত বিয়ে সবাই প্রসংসা করেছিল।

আয়েশা আক্তার রুবি ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রর নিউইর্য়কে স্থায়ীভাবে অভিবাসী হয়ে স্বামীর সাথে একত্রে বসবাসের জন্য চলে আসে। আয়েশা আক্তার রুবি ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিভিন্ন ভাবে যারা নবজাতক এফকে আরম্যান অভিন্দন ও সহযোগিতা করেছেন।


সাহিত্য একাডেমি'র নিয়মিত মাসিক ৮৬-তম সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

রবিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নতুন বছরে প্রথম মাসে সাহিত্য একাডেমির নিয়মিত মাসিক ৮৬-তম সাহিত্য আসর। জমজমাট অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় ছিলেন ' সাহিত্য একাডেমি, নিউইয়র্ক 'এর পরিচালক মোশাররফ হোসেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতেই সদ্য প্রয়াত কথা সাহিত্যিক শওকত আলীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। সাহিত্য একাডেমির এবারের পুরো আসরে ঘুরেফিরে সবার কথায় গভীর ভালোবাসায় উঠে এসেছেন শওকত আলী।শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের এই পর্বে কবি তমিজ উদ্দীন লোদী বলেন, ' কথা সাহিত্যে হাতে গোণা কয়েকজনের নাম বলতে গেলে শওকত আলীর নাম উল্লেখযোগ্য। তিনি প্রান্তিক মানুষের কথা বলতেন।

alt

নিপীড়িত, নিষ্পেষিত মানুষের সুখ, দু:খ, আশা, নিরাশা, বেঁচে থাকার সংগ্রামের কথা বলতেন। সাদা চোখে তিনি জীবনকে দেখেছেন বাস্তবতার কঠিন নিরিখে। শওকত আলী ছিলেন নিভৃতচারী, অন্তর্মুখী। খুব ধীরেসুস্থে কথা বলতেন। বাংলা একাডেমি ও একুশে পদক প্রাপ্ত এই গুণীজন তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকবেন মানুষের হৃদয়ে। 'সবাইকে শওকত আলীর লেখা পড়ার আহবান জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

alt
লেখা পাঠের মাঝেমাঝে আলোচনায় যাঁরা অংশগ্রহণ করেন তাঁরা হলেন ফেরদৌস সাজেদীন, মোহাম্মদ ফজলুর রহমান, হুসাইন কবির, সাদিয়া চৌধুরী পরাগ,নীরা কাদরী।, কাজী আতীক, হুসনেয়ারা বেগম প্রমুখ।এবারের আসরে নিজেদের লেখা কবিতা, ছড়া পাঠ করেন সোনিয়া কাদের, মঞ্জুর কাদের, লিয়াকত আলী,কবি বিএম সালেহ উদ্দীন, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক হাকিকুল ইসলাম খোকন , শাহ আলম দুলাল, মনিজা রহমান, শাহীন ইবনে দেলওয়ার, পলি শাহীনা, সুরিত বড়ুয়া, রিমি রুম্মান, মাকসুদা আহমেদ, মোহাম্মদ আলী বাবুল, উইলি মুক্তি, ওয়াহেদ হোসেন, কামরুন নাহার রীতা, সবিতা দাস, আবু সায়িদ রতন, আহম্মেদ হোসেন বাবু, সালেহীন সাজু, আবুল বাশার, আলম সিদ্দিকী, আল আমিন বাবু, জাকির হোসেন মিয়া, লুৎফা শাহানা, আনোয়ার সেলিম, জুঁই ইসলাম প্রমুখ।

alt
আরো উপস্থিত ছিলেন ফরিদা ইয়াসমীন, শিল্পী শহীদ উদ্দীন, রাহাত কাজী শিউলি, শামস চৌধুরী, সৈয়দ আহমেদ জুয়েদ, মোহাম্মদ নাসিরউল্লাহ, পারভীন পিয়া, দিপু, ফজলে রাব্বী প্রমুখ। কথা সাহিত্যিক ফেরদৌস সাজেদীন উপস্থিত সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন,গল্প, কবিতায় সাহিত্য একাডেমির ঘরটি পবিত্র থেকে পবিত্রতর হয়ে উঠেছে।

এমন একটি সুন্দর সন্ধ্যা উপহার দেয়ার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ভিনদেশে রবীন্দ্রনাথকে তুলে ধরে কাস্টমারের কাছে আত্মপরিচয় দেওয়া সহ তাঁর জীবনের বাস্তব দুটি ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন ভবিষ্যৎতে সাহিত্য একাডেমির মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশীরা গর্ব সহকারে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। 'সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন বলেন ' সম্পূর্ণ পিন পতন নীরবতায় যেন মনোমুগ্ধকর একটি অনুষ্ঠান উপভোগ করছি।'

সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন, ' নেশা দ্রব্যের প্রতি কোন টান ছিলনা কিন্তু এখন সাহিত্য একাডেমিকে মনে হয় একটি নেশা দ্রব্য। সাহিত্য একাডেমির প্রতি প্রবল টান অনুভব করি। শওকত আলীকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন তাঁর বাড়ীতে আলোচনার সময় শওকত আলী নিজের লেখা নিয়ে কোন কথা বলেন নি। তাঁর আলোচনায় উঠে এসেছে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষদের কথা। যারা নিজেদের কথা বলতে পারেন না, দাবী আদায় করতে পারেন না। লেখকদের উচিৎ তাঁদের কথা লেখা। '

alt

কবি কাজী আতীক তাঁর লেখা পাঠ করার আগে বলেন, সাহিত্য একাডেমি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অচিরেই পরিকল্পনাগুলোর কথা জানিয়ে দেয়া হবে।অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম বলেন, ' সাহিত্য রচনা করতে না পারলেও সাহিত্য প্রেমিকদের ভালোবাসি,তাই বারবার পরিচালকের আহ্বানে সাহিত্য একাডেমিতে চলে আসি।'কবি হোসাইন কবির সংখ্যা উল্লেখ করে বলেন, ' ৩৬ জনের পড়া শুনেছি, ৪ জনের বক্তব্য শুনে মনে হলো এটি একটি বড় কর্মযজ্ঞের জায়গা।

alt
ভবিষ্যৎতে সাহিত্য একাডেমির সাথে কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।'দার্শনিক দেওয়ান আজরাফের কন্যা সাদিয়া চোধুরী পরাগ শওকত আলীকে স্মরণ করে বলেন, ' উত্তরের ক্ষেপ ' বারবার কাঁদায়, বারবার ভাবায়। তাঁর সাথে তাঁদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল।এছাড়াও আসরে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন প্রাসঙ্গিক ভাবে কথা বলেন।কবি সোনিয়া কাদির বলেন, ' এই শহরের অগণিত অনুষ্ঠানের মাঝে সাহিত্য একাডেমি নিজস্ব আলোয় আলোকিত এক জ্বলন্ত আলোকশিখা।'ছড়াকার মঞ্জুর কাদের বলেন, ' সাহিত্য একাডেমি দিনদিন বেশ যুবক হয়ে উঠছে। 'আবু সায়িদ রতন বলেন, ' সাহিত্য একাডেমির যে কোন নতুন পরিকল্পনার সাথেই আমরা থাকবো।'

কবি আনোয়ার সেলিম বলেন, ' সাহিত্য একাডেমিতে না আসলে লেখালিখি হতোনা। 'লিয়াকত আলী বলেন, ' প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার যেন কবিতার জন্মদিন। 'প্রথমবারের মত এসে লেখক কামাল হোসেন মিঠু বলেন, ' সাহিত্য একাডেমির কথা বহুবার শুনেছি, এসে ভাল লাগছে। ভবিষ্যৎতে নিয়মিত আসার চেষ্টা করবো। 'কবি মোহাম্মদ আলী বাবুল বলেন, ' সাহিত্য একাডেমি একটি ফুলের বাগান। একেকটি ফুল তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সুবাস বিলায়, আমরা সে সুবাস গ্রহণ করি।

গীতিকার ইসতিয়াক রুপু জানান, ' প্রথম আলোতে প্রকাশিত সাহিত্য একাডেমির অনুষ্ঠানসূচী দেখে অনেকেই অনুষ্ঠানে আসেন।' তাঁর কথার রেষ ধরে পরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, 'অন্যান্য প্রচার মাধ্যমগুলোও যদি সাহিত্য একাডেমির অনুষ্ঠানের ঘোষণাটি প্রকাশ করেন তাহলে আরো অনেকেই সাহিত্য একাডেমির অনুষ্ঠানে আসতে পারবেন।'


আসরে চমৎকার আবৃত্তি করে শুনান কবি আহমেদ হোসেন বাবু এবং আবৃত্তিকার পারভীন সুলতানা।প্রাবন্ধিক শামসাদ হুসাম অন্য কবির একটি কবিতা পাঠ করেন।

এছাড়াও বুদ্ধদেব বসুর উপরে কবি শহীদ কাদরীরলেখা অত্যন্ত তথ্যমূলক একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন কবি পত্নী নীরা কাদরী।

সবাইকে ধন্যবাদ এবং আগামী আসরের আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রায় আড়াই ঘন্টার অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


জন্মদিনে প্রিয়জনের ভালোবাসায় সিক্ত কবি কামাল চৌধুরী যেখানেই থাকিনা কেন দেশ আমার সঙ্গেই থাকে

বৃহস্পতিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ::নিউইয়র্কে বরেণ্য কবি কামাল চৌধুরীর জন্মদিন পালিত হলো। হৃদয়ের গভীর আবেগ আর ভালোবাসায় কথা,কবিতা,গানে প্রিয়জনকে সিক্ত করলেন প্রবাসীরা। কবির প্রতি বিনম্র মমতা এবং আর কবিসত্ত্বাকে সম্মান জানাতে বন্ধু, শুভানুধ্যায়ী, কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী মিলিত হন এক মিলন মেলায়।  আমি বাংলা ভাষার কবি , আমার দেশ আছে, আমার মানচিত্র আছে, আমার নিজস্ব ভুগোল আছে। আমি যেখানেই থাকিনা কেন দেশ সব সময় আমার সঙ্গে থাকে।

এই মুহূর্তে আমি নিউ ইয়র্কে আছি এবং এখানকার কবিবন্ধু, লেখক, পাঠক ও সতীর্থরামিলে আমাকে ঘিরে যে আয়োজন করেছেন তাতে আমি খুবই আনন্দিত। এর মাধ্যমে আমি দেশের বাইরেও বৃহত্তর পাঠক সমাজ ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে আমাদের কবিতা এবং লেখালেখির বিষয়ে মতামত বিনিময়ের সুযোগ পেলাম। দেশ, মাটি এবং মানুষের প্রতি সবসময় দায়বদ্ধ আমার কবিতা। ২৮ জানুয়ারি নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে চ্যানেল আই ও মুক্তধারা নিউইয়র্কের সহযোগিতায় সাউথ এশিয়ান রাইটার্স এন্ড জারনালিস্টস ফোরাম আয়োজিত কবি, লেখক সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের এক বিশেষ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান সময়কার অন্যতম প্রধান কবি কামাল চৌধুরী এই কথাগুলো বলেন।
 
তিনি আরও বলেন, আসলে একজন কবিতো বিচ্ছিন্ন কোন মানুষ নন। একজন কবি তাঁর সময়, তাঁর পরিবেশ তাঁর চতুরপার্শ্ব, তাঁর অভিজ্ঞতা , জীবন, স্বপ্ন, আকাংখা, হতাশা , আনন্দ , সবকিছু মিলিয়েইতো একজন কবি বেড়ে ওঠেন। সেই জন্যেই আমরা বলি আমরা যে পথে হাটি, যা কিছু দেখি সেটাই আমাদের অভিজ্ঞতা। আমরা দেশে যে উত্থান, পতন, উল্লাস প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ দেখি সবকিছু মিলিয়েই কিন্তু একজন কবিকে প্রস্তুত হতে হয়।
 
একেবারে ভিন্ন সাধের এই অনুষ্ঠানের মুল আয়োজক ছিলেন কবির আশৈশব ঘনিষ্ঠ বন্ধু, বর্তমানে নিউইয়র্ক প্রবাসী  সাংবাদিক ও কলামিস্ট আকবর হায়দার কিরন। তিনি কবিকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান প্রবাসের অনেক বিশিষ্টজন সহ। কবি কামাল চৌধুরীকে সভাস্থলে নিয়ে আসেন তাঁর বিশেষ প্রিয়ভাজন এবং নিউইয়র্কে নিযুক্ত সন্মানিত কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। অনেকেরই জানা ছিলো ২৮ জানুয়ারি কবির জন্মদিন। তাই হৃদয়ভরা ভালোবাসা, কথামালা, আবৃত্তি ও গান দিয়ে কবিকে সিক্ত করেছেন সমবেত সবাই।

কবি কামাল চৌধুরীকে ঘিরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান যেন পরিনত হয় এক মিলন মেলায়। চ্যানেল আই এর পক্ষে ফুলের তোড়া দিয়ে কবিকে অভিনন্দিত করেন এর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি রাশেদ আহমেদ। সাউথ এশিয়ান রাইটার্স এন্ড জারনালিস্টস ফোরামের পক্ষ থেকে কবিকে পরিয়ে দেয়া হয় বিশেষ উত্তরীয়। পাশাপাশি ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে ভালোবাসা জানান আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে কোন সভাপতি কিংবা প্রধান অতিথি ছিলেননা। আকবর হায়দার কিরন তাঁকে নিয়ে কনসাল জেনারেল শামীম আহসান সহ শিল্পী রাগিব আহসান ও শিল্পীমং এর তৈরি অসাধারন ব্যাকড্রপের সামনে রাখা চেয়ারে আসন গ্রহন করেন।
 alt
শুরুতেই কবির কয়েক যুগের চেনা বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট উত্তর আমেরিকার সভাপতি মিথুন আহমেদ অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভঙ্গিমায় কথা ও কবিতায় তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানান। কবি কামাল চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু কবি মাহবুব হাসান, শিল্পী রাগিব আহসান ও কবি ফখ্রুল রচি অল্প কথায় কবির প্রতি তাঁদের ভালোবাসা জানান। নিউইয়র্ক প্রবাসী কবিদের ভেতর মাইক হাতে নিয়ে কবির উদ্দেশ্যে কথা বলেন কবি ফকির ইলিয়াস, কবি শামস আল মমিন ও কবি হাসান আল আব্দুল্লাহ। কনসাল জেনারেল শামীম আহসান সভাস্থলে বসে কবিকে নিয়ে লেখা একটি দারুন ছড়া পড়ে সবাইকে চমৎকৃত করেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট ডঃ সিদ্দিকুর রহমান তাঁর স্ত্রী শাহানারা রহমান এবং সংগঠনের ঊর্ধ্বতন সব কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠানে এসে কবিকে কামাল চৌধুরীকে জন্মদিনের আনতরিক অভিনন্দন জানান।
 
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ডঃ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রধান মুখ্য সচিব এর পদ থেকে বিদায় নিয়ে অবসর গ্রহনের পর কবি ফেসবুকের মাধ্যমে এ অসাধারন কথাগুলো লিখেছেন তা আমাকে অভিভুত করেছে। তিনি অত্যন্ত সমাজ ও রাজনীতি সচেতন এই বিশিষ্ট কবির লেখা সবসময় খুব আগ্রহের সাথে পড়েন বলে জানান। ডঃ সিদ্দিক কবিকে জননেত্রীর খুব কাছে দেখেছেন বহুদিন ধরে। সত্তর দশকের শেষের দিকে কবি কামাল চৌধুরীর লেখা কবিতা দিয়েই যে ছাত্রলীগের দলীয় সংগীত রচিত হয় সেই খবরও তিনি ভালোবাবেই রাখেন।


প্রবাসের আরেকজন  আবৃত্তিকার গোপন সাহা ১৯৭৮ সালে ঢাকার কাছে আদমজীনগরে রচিত কবি কামাল চৌধুরীর একটি বিখ্যাত কবিতা পড়েন গভীর আবেগ দিয়ে। আনান্দধনির অর্ঘ্য সারথি দাস কবির জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানান ‘আগুনের পরশমণি ছোয়াও প্রানে’গেয়ে। এ সময় মিলনায়তনে সমবেত সবাই তার সাথে কণ্ঠ মেলান। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশিষ্ট লেখক ফেরদৌস সাজেদিন তাঁদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের একই কক্ষে স্বাধীনতার আগে ও পরে আবাসনের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে এক প্রশ্নের উত্তরে কবি মজা করে বলেন, যদিও হলের রুমটি আমার নামে ছিল কিন্তু তার দখলদার ছিল আমার দুই প্রিয় বন্ধু আকবর হায়দার কিরন ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ। কবির স্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব ইফফাত আরা পলীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। কবি প্যারিসে রচিত এবং এখনো অপ্রকাশিত একটি কবিতা তাঁর নোটবুক থেকে পড়ে শোনান। ।কবিকে ঘিরে দারুন এক সন্ধ্যা উপভোগ করেন আগত অতিথিরা।


 কবির কাছে নানা প্রশ্ন রাখেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। জানতে চান, তার শৈশব, কৈশরসহ জীবনের সাতকাহন। কবি উত্তর দেন। তিনি জানান, মেট্রিক (এসএসসি) পরীক্ষার সময় সবাই যখন পড়া নিয়ে ব্যস্ত সেই সময় কবিতা লেখার নেশা চেপে বসে তার মাথায়। ছেলের হাবভাব ভালো না দেখে চিন্তায় পড়ে যান তার বাবা। কিন্তু পরীক্ষায় তিনি যখন ফাষ্ট ডিভিশন পান তখন বাবা বুঝতে তিনি যা ভেবেছিলেন ছেলে তার চেয়ে অনেক বেশি মেধাবী। ঢাকা কলেজে ভর্তি হবার পর জাফর ওয়াজেদসহ বাঘা বাঘা কবিদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয় বলে জানান তিনি। বাদ দেননি প্রেম প্রসঙ্গও। বলেন, মাত্র বিসিএস দিয়েছি। প্রেমে পড়ে যাই তখন। কিন্তু পরিবার রাজি না থাকায় বেশ কিছুটা অসুবিধায় পড়তে হয় বৈকি। তখন সবে প্রথম কাব্যগ্রন্থ বেরিয়েছে। তাই কিছুদিন ছেদ পড়ে যায়


মুক্তিযোদ্ধা ও কলামিষ্ট আবু জাফর মাহমুদের শয্যা পাশে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ

সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন , বাপসনিউজ : বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যান সমিতির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান, আন্তজার্তিক রাজনীতি বিশ্লেষক, বিশিষ্ট কলামিষ্ট ও মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদ গত ২৪ জানুয়ারী বুধবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যাথা অনুভব করলে জরুরী এষ্টোরিয়ার মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে একদিন চিকিৎসার পর ২৫ জানুয়ারী বৃহষ্পতিবার রাতে ম্যানহাটানস্থ মাউন্ট সিনাই প্রধান হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে। মাউন্ট সিনাই হার্ট শাখায় ২০৬ নাম্বার রুমে তার চিকিৎসা করা হচ্ছে।খবর বাপসনিঊজ।


ছবির ক্যাপশন ঃ আবু জাফর মাহমুদ মাঝে হাসপাতালে হাকিকুল ইসলাম খোকন ও জনাব সারোয়ারকে দেখা যাচ্ছে। ছবি বাপসনিউজ।

আবু জাফর মাহমুদকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন কমিউনিটির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। গত ২৫ জানুয়ারী মাইন্ড সিনাই হাসপাতালে তার শয্যা পাশে আমেরিকান প্রেসক্লাব অব  বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বাপসনিউজ এডিটর সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সিপিএ জনাব সারোয়ারসহ অন্যান্য কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ আবু জাফর মাহমুদকে দেখতে হাসপাতালে যান এবং চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।

তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সকলের প্রতি যারা হাতপাতালে গিয়ে দেখা করেছেন এবং টেলিফোনসহ বিভিন্নভাবে তার খোঁজখবর নিয়েছেন। তার পুরোপুরি সুস্থ হতে আরো বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। তার সাথে যোগাযোগ ৬৪৬-৪১২-৮৭৪২।