Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

নিউইয়র্কে ‘হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ গাইবেন প্রবাসীরা

রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :দেশের সীমানা পেরিয়ে এবার প্রবাসে ‘হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ গাইবেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। বিদেশের মাটিতে ‘হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ গেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ার এই উদ্যোগ নিয়েছে নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলাদেশি মালিকানাধীন আইপি টিভি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান টোটাল ক্যাবল। নিউইয়র্কের কুইন্স, ব্রুকলিন ও ব্রঙ্কসে পৃথক দিনে একসঙ্গে হাজারো বাংলাদেশিরা সমবেত কণ্ঠে গাইবেন জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’।আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টারে অনুষ্ঠানের দিন ধার্য হলেও কুইন্স ও ব্রুকলিনের তারিখ পরে জানানো হবে। বাংলাদেশিদের আকৃষ্ট করতে পথমেলার আদলে ওইদিন অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ মেলা।

BD   Pro 0
শুক্রবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন টোটাল ক্যাবলের সিইও আহমদুল বারভূঁইয়া পুলক।মূলধারার সংগঠন বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিল এবং বাংলাদেশি আমেরিকান ফ্রেন্ডস সোসাইটি এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা দেবে।জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সবাইকে নিয়ে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে এই উদ্যোগের শুভ সূচনা করেন নিউইয়র্ক প্রবাসী স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায়।

BD   Pro 1

এর আগে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সর্ম্পকে টোটাল ক্যাবলের সিইও আহমদুল বারভূঁইয়া পুলক বলেন, প্রবাসে প্রায় সকল কমিউনিটি তাদের মাতৃভাষায় কথা বলে। কিন্তু আমরা বাংলাদেশিরা এ ব্যাপারে পিছিয়ে পড়ছি। প্রবাসে নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে আমরা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ উদ্যোগ নিয়েছি।তিনি বলেন, টোটাল ক্যাবল প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে ‘আমরা বাংলায় কথা বলি’ স্লোগান নিয়ে পথ চলছে। এই স্লোগান আমরা প্রবাসে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে চাই।তিনি জানান, প্রবাসে নিজ দেশের জাতীয় সঙ্গীত একসঙ্গে হাজারো কণ্ঠে এর আগে কোনো জাতি গেয়েছে বলে জানা নেই। এ কারণেই এটি বিশ্বরেকর্ড গড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Picture

সংবাদ সম্মেলনে আহমদুল বারভূঁইয়া পুলক আরো জানান, হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা গাওয়ার এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দেবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসান। এ উদ্যোগ সফল করতে তিনি সবার সহযোগিতা চান।সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসান, বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিটি লিডার আইনজীবী মোহাম্মদ এন. মজুমদার, বাংলাদেশি আমেরিকান ফ্রেন্ডস সোসাইটির সেক্রেটারি মাকসুদুল হক চৌধুরী, টোটাল ক্যাবলের চিফ ইনফরমেশন অফিসার রনি আহমেদ, প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী শামীম সিদ্দিকী।

BD   Pro 3

ব্রঙ্কসের আয়োজক বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিটি লিডার আইনজীবী মোহাম্মদ এন. মজুমদার জানান, এর আগে ব্রঙ্কসের সকল আয়োজন সফল হয়েছে। হাজারো কণ্ঠের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার এ উদ্যোগও সফল হবে। শুধু হাজার নয়, হাজার হাজার মানুষ এ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মাধ্যমে প্রবাসে বাংলা ভাষা আরো সমৃদ্ধ হবে।সংবাদ সম্মেলনের সঞ্চালক করেন টোটাল ক্যাবল ও টোটাল ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্কের পরামর্শক হাসানুজ্জামান সাকী।


আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে রাজনৈতিক সাংবাদিক : কামরুল

রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ:জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে রাজনৈতিক ও সাংবাদিক। তিনি বলেন, এনায়েত উললাহ খানের ভাষায় সাংবাদিকতায় আভিজাত্য বজায় রাখতে হলে পেশাদারিত্বের বিকল্প নেই। তেমনি জাতীয় প্রেসক্লাবেও যে ‘বিভাজন রেখা’ এতদিন দৃষ্টিসীমায় ছিল, ভবিষ্যতে সেটা আর দেখা যাবে না। প্রেসক্লাবের বহুল আলোচিত কমিটি গঠনের ব্যাপারে বললেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের ইতিহাসে এই প্রথম সমঝোতার কমিটি হয়। আগেও হয়েছে।

Picture

 

হালিডের এনায়েত উললাহ খান বা ইত্তেফাকের আনোয়ার হোসেন মঞ্জুও সমঝোতায় সভাপতি হয়েছিলেন। গেল ১৭ আগস্ট সোমবার জ্যাকসন হাইটসের মামুন টিউটোরিয়ালে অনুষ্ঠিত ঢাকা-নিউইয়র্ক সাংবাদিক আড্ডায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি একথা বলেন। নিউইয়র্ক প্রবাসী সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও মনোয়ারুল ইসলামের উদ্যোগে আয়োজিত আড্ডায় মঞ্চে ছিলেন ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমান, নিনি ওয়াহেদ। একমাত্র বক্তা অতিথি কামরুল ইসলাম চৌধুরী উপস্থিত প্রবাসী সংবাদকর্মীদের জন্য ঘোষণা দিয়ে বলেন, আপনারা বাংলাদেশে গেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা যাতে উপভোগ করতে পারেন সেই দায়িত্ব আমি নিচ্ছি। তবে সদস্য পদ আমাদের গঠনতন্ত্র সংশোধন ছাড়া সম্ভব নয়।খবর বাপসনিঊজ:

alt
প্রেসক্লাবের সমঝোতার কমিটি গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন যখন অনিশ্চিতের পথে তখন গত ডিসেম্বর দুই ফোরামের ১০ জনের সমন্বয়ে সমঝোতা চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী গোলাম সারওয়ার সভাপতি ও রুহুল আমিন গাজী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনয়ন পান। কিন্তুু সাধারণ সদস্যদের বিরোধিতা এবং গোলাম সারওয়ারের অপারগতার মুখে এ কমিটি গঠন আর সম্ভব হয়নি। কাকতালীয়ভাবে সভাপতি হিসেবে  শফিকুর রহমান ও সম্পাদক হিসেবে আমার নাম আসে। আমরা দুজনের কেউ একদিন আগেও জানতাম না আমরা সভাপতি-সম্পাদক হচ্ছি। আমরাও চাই জাতীয় এই প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। কিন্তুু নির্বাচনের পথ যখন রুদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন অতীতের মতই এবারও সমঝোতায় কমিটি গঠন করা হয়েছে দু’পক্ষের সম্মতিতে। ১৫ আগস্ট প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর মুরাল স্থাপনও হয়েছে দু’পক্ষের সমঝোতা চুক্তির আওতায়। প্রেসক্লাবে অতীতে সদস্য পদ নিয়ে নানা অনিয়মের তথ্য তুলে ধরে কামরুল ইসলাম চৌধুরী বললেন, প্রকৃত পেশাদাররা যাতে প্রেসক্লাবের সদস্য পদ পান, সে ধারাই আমরা চালু করতে চাই।উলেলখ্য ১১ আগস্ট কামরুল ইসলাম চৌধুরী আমেরিকা সফরে আসেন। ২৫ আগস্ট তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন। তিনি এসেই গত সপ্তাহে আজকাল এর সাথে বিশেষ সাক্ষাৎ দিয়েছেন।


মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সিরাজুল আলম খান নিউইয়র্কে আসছন ২৮ আগষ্ট

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০১৫

Picture

সিরাজুল আলম খান মেধাবী ছাত্র হিসেবে শিক্ষাঙ্গণে সুখ্যাতি লাভ করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালীন তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীকালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৩-৬৪ এবং ১৯৬৪-৬৫ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় রাষ্ট্র বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ১৯৬২ সালে গোপন সংগঠন ‘নিউক্লিয়াস’ গঠন করেন। নিউক্লিয়াস স্বাধীন বাংলা বিপলবী পরিষদ নামেও পরিচিত। এই উদ্যোগে তার প্রধান সহযোগী ছিলেন আবদুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ। ১৯৬২-৭১ পর্যšত ছাত্র আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার আন্দোলন, ১১ দফা আন্দোলন পরিকল্পনা ও কৌশল প্রণয়ন করে তৎকালিন নিউক্লিয়াস।

আন্দোলনের এক পর্যায়ে গড়ে তোলা হয় নিউক্লিয়াসের রাজনৈতিক উইং ‘বিএলএফ’ এবং সামরিক ‘জয়বাংলা বাহিনী।’ ৬৯-৭০ সালে গণআন্দোলনের চাপে ভেঙ্গে পড়া পাকি¯তান শাসনের সমাšতরালে নিউক্লিয়াস-এর পরিকল্পনা অনুযায়ী সংগঠন করা হয় ছাত্র-বিগ্রেড, কৃষক-বিগ্রেড, সার্জেন্ট জহুর বাহিনী। স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে ‘জয় বাংলাসহ সকল স্লোগান নির্ধারণ এবং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বাক্যগুলোর সংযোজনের কৃতিত্ব নিউক্লিয়াসের। এ পরিকল্পনা গ্রহণে সিরাজুল আলম খানের মুখ্য ভূমিকা ছিল।
তিনি প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন দেশে অসুস্থকালিন তার খোুজ খবর নেয়ার জন্য। নিউইয়র্ক অবস্থানকালিন তার সাথে যোগাযোগ ৩৪৭-৩২৩-৪৪৭০ এবং ৯১৭-৪০০-৪০৬০। তিনি একমাস নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন বলে জানান।


নিউইয়র্কে সার্বজনীন ভাবে পালিত হলো “জাতীয় শোক দিবস”

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন:হেলাল মাহমুদ:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :১৫ ই আগস্ট, ২০১৫; নিউইয়কের বাঙ্গালী বসতী এলাকা জ্যাকসন হাইস্টস এর জুইস সেণ্টারে সার্বজনীনভাবে পালিত হলো জাতির জনকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০ তম মৃর্ত্যু বার্ষিকী “জাতীয় শোক দিবস”।সমাজের সকল স্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ বিশেষ করে নারী-শিশু কিশোর ও সাংবাদিক, রাজনীতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেএীবৃন্দ ।

alt

রাএি বারোটা এক মিনিটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে প্রবাসের বিশিস্ট শিল্পী জলি কর উব্দোধনী সঙ্গীত, স্বনামধন্য শিল্পী শহীদ হাসান ও শাহ মাহবুব বঙ্গবন্ধুর নিয়ে সঙ্গীত পরিবেশনা করেন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা আবৃওি করেন কবি গোপন সাহা ও মুমু আনসারী।

alt

এ অনুন্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন জিএইচ আরজু। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে শ্রতিচারন করেন মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ বাতেন । বঙ্গবন্ধুর জীবন ও দশন এবং তাঁর হত্যার তাৎপয নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন বিশিস্ট লেখক ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেলিন ও জাতিসংঘ বাংলাদেশের রাস্ট্রদূত ডঃ আবদুল মোমেন, নাট্যকার জামাল উদ্দ্দীন হোসেন, সাহিত্যিক ডঃ যতি প্রকাশ বসু ও বিশিস্ট সাংবাদিক নিনি ওয়াহিদ। এ অনুন্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন শরাফ সরকার । আলোচনা অনুন্ঠানে সভাপতিত্ত্ব করেন অনুন্ঠানের অন্যতম আয়োজক মুক্তিযোদ্ধা ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর।

alt
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন সহ বিভিন্ন কমসূচি অংশগ্রহন করেন- মুক্তিযোদ্ধা সায়দুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, মুক্তিযোদ্ধা আর আমীন , মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক খসরু, মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর আলী নন্টু্‌, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা শহিদুর রহমান, পূরবী বসু, কামাল আহমেদ, আধ্যাপক হোসনে আরা, সুব্রত বিশ্সব, আকতার আহমেদ রাশা, সাংবাদিক সাহাবউদ্দিন কিসলু, সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম, দিলীপ নাথ, হীরু ভূইয়া, রমেশ নাথ,ডা: টমাস দুলু রায়, মোহমদ আলী সিদ্দীকি, শাহিন আজমল, মোঃ আতিক, কৃষিবিদ আবদুর রহমান, আজিজুল হক খোকন, কৃষিবিদ আসরাফুজ্জামান, সোলাইমান আলী,  এ্যাডভোকেট মোর্শেদা জামান, শিতাংশু গুহ, শাহনাজ মমতাজ, মিস ফরিদা, সবিতা দাস, হেলাল মাহমুদ, মিথুন আহমেদ, মিনহাজ আহমেদ সাম্মু, ইঞ্জি: মিজানুল হাসান, আলী হাসান কিবরিয়া অনু, আলী আক্কাস, আবুল খায়ের, শিকৃতি বড়ুয়া, সাইদুর রহমান বেনু, হারুনর রসিদ,শফি আনসারী, মোঃ খলিলুর রহমান, সাহাদত হোসেন, জিন্দাপীর, প্রবীর গুন, মো: রেজাউল করিম, শফিক, এ কে চৌধুরী, উলফৎ মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, একেএম শফিকুল ইসলাম,  এমএন বিপ্লব প্রমুখ।


বঙ্গবন্ধুকে ঘাতকরা ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছে ---ড. প্রদীপ রঞ্জন কর

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০১৫

alt
বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ সভাপতি মনির আহমেদ মুস্তাকীর সভাপত্তিত্বে ও সাধারন সম্পাদক হারুন- অর রশীদ এর সুন্দর ও সাবলীল পরিচালনায় অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবসের সভায় প্রধান অতিথি মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ রঞ্জন কর। বিশেষ অতিথি মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, উদয়ন শিল্পগোষ্ঠী নিউইয়র্কের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডা: টমাস দুলু রায়, লেখক ও সাংবাদিক নাসিমুন নাহার নিনি ওয়াহেদ, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদ, সংগঠনের উপদেষ্টা টি মোল্লা, আক্তার হোসেন ও জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারন সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু সংগঠনের স্ট্যাডিং কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, বিএম জাকির হোসেন হিরু ভূইয়া, উলফৎ মোল্লা, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদ, সংগঠনের উপদেষ্টা টি মোল্লা, আক্তার হোসেন ,সবিতা দাস এবং কবিতা পাঠ করেন জিএইচ আরজু।

alt
সভায় অন্যান্যদের সাথে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা এমএন জিননাত,এম আর সেলিম,জলি কর,সংগঠনের সহ সভাপতি মাইন ঊদিদহ মাইন, আবুল বাশার মিলন,নজরুল ইসলাম,সহিদুল ইসলাম শহীদ,আমিনুল ইসলাম আমিন,য়ুগমম সাধারন সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদ,সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসাইন,নিলুফার রশিদ,রফিকুল ইসলাম,আবদুল হক,আবদুল হাসিব,আনোয়ার হোসেন ,এহসানুল হক প্রমুখ।সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।শেষে নৈশভোজে সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।


১৫ই আগষ্টে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের পুস্পস্তবক অর্পন

রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডীর তাঁর চিরচেনা ৩২ নম্বর বাড়ীতে স্বপরিবারে নৃশংসভাবে নিহত হন। এই দিনটিকে যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে রাত ১২:০১ মিনিটে জ্যাক্সন হাইটসের জুইস সেন্টারে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের নেতৃবিন্দ।

alt

পুস্পস্তবক অর্পনে অংশগ্রহন করেন নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, সহসভাপতি যথাক্রমে কামাল আহমদ, শেখ আতিকুল ইসলাম, মহি উদ্দিন, সৈয়দ আতিকুর রহমান, কোষাধক্ষ্য এম এইচ মতিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেম ভুঁইয়া , শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক স্বীকৃতি বড়ুয়া ও মূলধারায় পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন


জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্কে জাতীয় শোক দিবস পালিত

রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৫

Picture

এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।  বিকেলে মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা ও সেই কালরাত্রিতে স্বাধীনতা বিরোধী গোষ্ঠীর হাতে নৃশংসভাবে নিহত তাঁর পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন ও মোনাজাত করা হয়।খবর বাপসনিঊজ:অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষ্যে দেয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

alt

অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কে সফররত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন মূল বক্তব্য প্রদান করেন।নূহ-উল-আলম লেনিন বলেন, জাতির পিতা একটি বাঙালি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে প্রস্তুত করেন। দৃঢ়সংকল্প বাঙালি জনগোষ্ঠী জাতির পিতার নির্দেশে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। পরাজিত শত্রুদের জন্য এটা ছিল রাজনৈতিক, সামরিক ও নৈতিক পরাজয়। যা বিশ্ব ইতিহাসে অম্লান হয়ে আছে।তিনি বলেন, এই পরাজিত শত্রুরা জাতির পিতাকে নৃশংসভাবে হত্যার মাধ্যমে বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের চারটি মূল স্তম্ভকে বদলে ফেলতে চেয়েছিল। পাকিস্তানী ধ্যান-ধারণায় ফিরে যেতে চেয়েছিল। তাই তারা মার্শাল ল’ জারি করে অবৈধ পন্থায় সংবিধান সংশোধন করে। যা ছিল বেআইনী ও সংবিধান পরিপন্থী।

alt
জনাব লেনিন বলেন, সেই আওয়ামী লীগ বিশাল বিজয়ের মাধ্যমে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে সংবিধানে থাকা এসব অবৈধ পরিবর্তন বাতিল করে। জাতির পিতার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার চার মূলনীতি পুনঃপ্রবর্তন করে।তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে সেই অপশক্তি আবার পরাজিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাঙালি জাতি সেই অপশক্তির অপকর্মের প্রতিশোধ নিয়েছে। বাঙালি জাতি তার মূল চেতনায় ফিরে এসেছে। ফলে দেশ এখন অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে দ্রুত উন্নতি লাভ করছে।বেলাল বেগ বলেন, জাতির পিতা বাঙালি জাতিকে ঘুম থেকে জাগিয়ে ঐক্যবদ্ধ করে দুর্বার আন্দোলনের চেতনায় উজ্জীবীত করেন। ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে তিনি জাতিকে স্বাধীনতার লক্ষ্যে শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেন। শত্রুকে পরাজিত করার এটাই ছিল বাঙালি জাতির প্রেরণা ও শক্তি।

alt
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে দেয়া ভাষণের ভিডিও দেখানো হয়। তাঁর একান্ত প্রচেষ্টায়ই বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে।জাতির পিতার এই ভাষণের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ গোটা বিশ্বের জন্য আজও কার্যকর। ভাষণে উপস্থাপিত তাঁর ইস্যুগুলো এখনও জাতিসংঘে আলোচিত হচ্ছে।অনুষ্ঠানে জাতির জনকের উপর রচিত কবিতা ও প্রবন্ধ পাঠ করা হয়।


নিউইয়র্কে লেনিন - ৭৫’র পাপের পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না

রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ:গত ১৪ আগস্ট,যুক্তরাষ্ট্র সফররত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল- আলম লেনিন বলেছেন, ‘৭৫-এ আমরা পাপ করেছি। বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে পারিনি। তাই আরেকটা পাপের পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না।জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে শুক্রবার রাতে শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।খবর বাপসবনঊজ:জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুক্তিযুদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি, নিউইয়র্ক।

alt
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু দুষ্ট লোকের কারণে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাধাগ্র¯ত করছে।’তিনি বলেন, ‘শিশুকে পিটিয়ে হত্যা, মায়ের পেটে শিশুকন্যার গুলিবিদ্ধের খবর আমরা দেখতে চাই না। এসব করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়।’

alt
মুক্তিযুদ্ধা ড. .প্রদীপ করের সাগত বক্তব্য রাখেন ও মুক্তিযুদ্ধা সরাফ সরকারের সঞ্চলনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ড.জুতি প্রকাশ দতত, সাংবাদিক ও লেখক নাসিমুন নাহার নিনি ওয়াহেদ, নাট্যজন জামাল উদ্দিন হোসেন,ড,আবদুল বাতেন প্রমুখএবং কবিতা পাঠ করেন জি এইচ আরজু,মুমু আনসারী, গোপন সাহা ও রেজাঊল করিম চেীধুরী এবং গান পরিবেশন করেন সহিদ হাসান,জলি কর ও শাহ মাহবুব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ১৫ আগস্ট দিনের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে সভাস্থলে স্থাপিত অস্থায়ী প্রতীকী ছবি প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

alt
এদিকে, একই দিনে ব্রুকলীনের বাংলাদেশী অধ্যুষিত চার্চ ম্যাকডোনাল্ডসের রাঁধুনি রেস্টুরেন্টে জাতীয় শোক দিবস ও ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগ আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, রাষ্ট্রদূত ড. একে আবদুল মোমেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা।অন্যদিকে, ১৫ আগস্ট শনিবার জাতিসংঘ মিশনে বিকেল ৩টায় এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট নিউইয়র্ক কার্যালয়ে বিকেল ৬টায় জাতীয় শোক দিবস ও ১৫ আগস্টের উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


আ স ম রব ও তানিয়া ফেরদৌসী রব এর নিউইয়র্ক ত্যাগ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

alt

তারা দেশে ফেরার পথে জার্মানীর নিউনিকো প্রবাসী বাঙ্গালী ও জেএসডি সমর্ধক ফোরাম- এর মতবিনিময় সভায় অংশ নিবেন। উল্লেখ্য আ স ম আব্দুল রব ১৬ জুলাই বিকালে তার্কিস এয়ারলাইন্স যোগে নিউইয়র্ক আসেন স্বপরিবারে তার হৃদরোগের রোটিন চেক- আপের জন্য ৩১ জুলাই ডাক্তারের সাথে সাক্ষাত করেন এবং সকল পরিক্ষা- নিরাক্ষা রিপোর্ট সম্পন্ন করেন। আ স ম আব্দুল রব প্রবাসীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তাদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করার জন্য। ছবিতে জেএফকে বিমান বন্দরে  মাঋে আ স ম আব্দুল রব  ও  তানিয়া ফেরদৌসী রব সহ সংগঠক প্রবাসী নেতৃবৃন্দক দেখা য়াচেছ,ছবি:বাপসনিঊজ ।


গণতন্ত্র চর্চার অভাবে বাংলাদেশ হুমকিতে পড়ছে -আ স ম আবদুর রব

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন বাংলানিউজ ঃ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জে এস ডি সমর্থক ফোরাম যুক্তরাষ্ট কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় গত ৮ই আগষ্ট শনিবার ২০১৫,সন্ধা ৭টায় নিউইয়র্কের বাঙ্গালী অধ্যাষিত জ্যাকসন হাইটেসে (৩৬-০৬,৭২ ষ্ট্রীট)তে খবর বাপসনিউজ। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র সমর্থক গোষ্ঠী কর্মীসভা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জে এস ডি কেন্দ্রীয় সভাপতি আ স ম আবদুর রব এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সুরকার, গীতিকার ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জে এস ডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব- এর রাজনৈতিক সচিব শহিদুল্লাহ ফরায়জী। 


উক্ত কর্মীসভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জে এস ডি সমর্থক ফোরাম যুক্তরাষ্ট সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ও পরিচালনা করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জে এস ডি সমর্থক ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন আহমেদ শামীম এবং স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক তসলিম উদ্দিন খান। অতিথি ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জে এস ডি কেন্দ্রীয় সদস্য সারওয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা এমজি সারওয়ার, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জে এস ডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার উপদেষ্টা পনির ভুইয়া, উপদেষ্টা আহসান মাসুদ, উপদেষ্টা আনোয়ার হোসন বাবুল, সাংবাদিক জেড এম ফয়সল, উপদেষ্টা এডভোকেট জসিম উদ্দিন, জাসদনেতা জাফর চেীধুরীু, উপদেষ্টা আবুল কালাম মাষ্টার, উপদেষ্টা এম এ মান্নান, উপদেষ্টা দুলাল মাহমুদ, নোয়াখালী সমিতির সাবেক সভাপতি বেলাল হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জে এস ডি-এর যুক্তরাষ্ট্র শাখার সিহিয়র সহ-সভাপতি দিলীপ দেব সহ-সভাপতি সুভাস মজুমদার ও হেলাল উদ্দিনসহ আরোও অনেকে।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল যুক্তরাষ্ট শাখা (সমর্থক ফোরাম ) কর্মী সমাবেশে বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক উন্নতির কথাও বলেছেন।


সাবেক মন্ত্রী আ স ম আবদুর রব। তিনি আরোও বলেন, গণতন্ত্র চর্চার অভাবে বাংলাদেশ হুমকিতে পড়ছে। ভিন্ন মত, পথ ও মুক্ত চিন্তা রুদ্ধ করার ফলে রাষ্ট্র ও সমাজ বন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে- আইন শৃংখলা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। বিচার হীনতার সংস্কৃতি ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে। এ শ্বাস রুদ্ধকর অবস্থা থেকে পরিত্রাণের একমাত্র পথ গণতন্ত্র চর্চার অবাধ পরিবেশ নিশ্চিত করা- জনগণের ভোটাধিকার পূণঃপ্রতিষ্ঠা করা, জনগণের সম্মতি ও সমর্থন নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা। রাষ্ট্র ক্ষমতায় জনগণের অংশগ্রহণ ব্যতিরেকে কোন সমাজ বিকশিত হতে পারে না। উন্নয়নের পূর্বশর্ত গণতন্ত্র। গণতন্ত্র বিসর্জন দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতান বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। ভুল রাজনীতি রাষ্ট্রের জন্য ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনবে। সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ বিনির্মানে ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন ধরনের রাজনীতি চর্চা করতে হবে, রাজনৈতিক বিকল্পশক্তি গড়ে তুলতে হবে।


সভায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আ স ম আবদুর রব বলেন, “এই প্রবাসে রাজনীতি অথবা আন্দোলন করে বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তন করা যাবে না। সেটি কখনোই সম্ভব নয়। তবে দেশের উন্নতি চাইলে, প্রবাসীদের উচিত হবে প্রবাসের অভিজ্ঞতা প্রিয় মাতৃভূমির স্বার্থে ব্যবহার করা।”
1তিনি মত প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ থেকে রাজনীতিকরা প্রবাসে এসে সুযোগ পেলেই নেতিবাচক তথ্য, হতাশাব্যঞ্জক কথা বলেন। তার মতে এটা ঠিক নয়। “বাংলাদেশের মানুষের জীবনমানের অনেক উন্নতি ঘটেছে এবং বাংলাদেশ অনেক সম্ভাবনাময় একটি দেশ এ সত্য উল্লেখ করা উচিত”, বলেন তিনি। বাংলাদেশের এসব সম্ভাবনা বা¯তবায়ন করবে পরবর্তী প্রজন্ম- এ প্রত্যাশা তার।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী আ স ম রব আরও উল্লেখ করেন, “এটি দু:খজনক হলেও সত্য যে, বাংলাদেশে আমরা যারা রাজনীতি বা রাষ্ট্র পরিচালনা করি, তারা কখনোই জনগণের মতামতের তোয়াক্কা করি না। এটি হচ্ছে বাংলাদেশের জন্যে বড় একটি দুর্ভাগ্যের ঘটনা।”
আ স ম আবদুর রবের মতে বাংলাদেশে বর্তমানে সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র বিরাজ করলেও বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। “তবে উন্নয়নের গতি আরো ১০০ গুণ বৃদ্ধি পেত যদি জনগণকে প্রকৃত অর্থে রাষ্ট্র ক্ষমতার মালিক বলে মনে করা হতো’- এমন অভিমত পোষণ করেন তিনি।


জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জে এস ডি সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আ স ম আবদুর রব আরোও বলেন,
প্রবাসে থেকেও দেশকে হৃদয়ে ধারণ ও দেশের উন্নয়ন আগ্রগতিতে ব্যাপক অবদান রাখার উদ্যোগী বাংলাদেশী, বাঙালী, ভাই-বোনদের সাথে ঈদ উদযাপন ও মিলিত হতে পেরে আমি আনন্দিত এবং ঈদেও তাদের আন্তরিকতায় আমি কৃতজ্ঞ। এছাড়া ঈদের রাত থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানগুলোর পজেটিভ নিউজ করার জন্যও সকল মিডিয়াকে জানাই ধন্যবাদ।

আমার নিউইয়র্ক আসার উদ্দেশ্য হলো হার্টসহ শারীরিক আনুসাঙ্গিক রুটিন চেক আপ সম্ভবত: আগামী ৬ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সর্বশেষ চেক আপটা শেষ হলে ১০ আগস্ট মিউনিক (জার্মানী)-এর প্রবাসী বাঙালীদের আমন্ত্রণে একটি গেট-টুগেদার এবং সেখান থেকে প্যারিস (ফ্রান্স)-এ দুটি অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে দেশে ফিরে যাবো।

ইতোমধ্যে সকলের অনুরোধে  ৪ আগষ্ট মিডিয়ার সাথে মিলিত হয়েছি।
আমার জীবনে ফুলটাইম পলিটিক্স ছাড়া বৈষয়িক স্বার্থে আমি কোন ব্যবসা-বানিজ্য-শিল্প কারখানা করাতো দুরের কথা-চিন্তাও করিনি।

বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি, স্ত্রীর খামার ও একটি রাবার ফার্ম দিয়ে সংসার চেলে। নেতা-কর্মীদের অনুদান ও শুভাকাঙ্খীদের সাহায্য-সহযোগীতায় দল চলে। আমার মত ফুলটাইম রাজনীতিবিদ বর্তমানে বেঁচে আছে হাতগোনা কয়েকজন মাত্র। বাকী জীবন জনগণের জন্যই কাটিয়ে দিতে চাই।
রাজনীতিকে বলা হয় আর্ট অব পসিবিলিটি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্বপ্ন ছিল, একটি স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
প্রয়োজনে তার জন্য জীবন দেয় যে রাষ্ট্রে প্রশাসন, বিচার বিভাগে উপনিবেশিক কাঠামোর পরিবর্তন ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও জনগণকে রাষ্ট্রের মালিক এবঙ জনগণের নিকট সরকারের জবাবদিহিতা।
 বাংলাদেশে গণতন্ত্রের মাথা খুব মোটা। শরীরে কোন পুষ্টি নেই। তাই চিরস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষমতার লিপ্সাই প্রধান। এক একটা খাই খাই রোগ
 , জনগণকে বাদ দিয়ে দল বা জোট দিয়ে পাওয়ার চেঞ্জ করা যাবে, সমাজ ও রাষ্ট্র কাঠামোতে কোন পরিবর্তন আসবে না।
 ওদের দেখতে হাতির মত মনে হলেও চোখ দুটি ছোট। ওরা উপনিবেশায়িত রাষ্ট্র। সমাজ, সংসদ, সংবিধান, প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও পুঁজিবাদী সমাজ দেখিনা। তারা সবসময় এ প্রসঙ্গগুলোকে চাপা দিতে2 চায়।  এরা ভূয়া অপ্রয়োজনীয় কিছু ইস্যু সৃষ্টি করে। পক্ষ-বিপক্ষ সৃষ্টি করে জনগণকে মাতিয়ে রাখতে চায়।এই ইডিয়ট বক্স এ যে ঢুকে, সেও নির্বোধ হয়ে যায়। তাই জনগণের মধ্যে রাজনীতি নিয়ে হতাশা বিদ্যমান। একদল সব ব্যর্থতার দায়িত্ব অন্যদলের ঘাড়ে তুলে দিতে চায়।  এরা কামারের মত-দা, খন্তা, কুড়াল বানাতে পারে। কিন্তু স্বর্ণালংকার বানাতে পারে না। গণতন্ত্র কখনো একপায়ে হাঁটতে পারেনা। সংসদে বিরোধী দল নেই।ডেমোক্রেসী ইজ এ প্র্যাকটিস। চর্চায় এটা সমৃদ্ধ হয়। আজ ১৬ কোটি মানুষের বাকরূদ্ধ। জনগণের সাংবিধানিক, রাজনৈতিক, নাগরিক, মৌলিক অধিকার নিয়ন্ত্রিত। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত ও চুরি হচ্ছে।মুক্তিযুদ্ধেও চেতনার ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হলে এ অবস্থা হতো না।  দেশ একব্যক্তির শাসন ব্যবস্থার অধীন। এটা জনগণের ভোটাধিকারহরণ করা, এক ধরনের রাজতন্ত্র বা তথাকথিত পার্লামেন্টারী স্বৈরাচার ,জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যই হলো স্বাধীনতা। গতন্ত্র চর্চার অভাবে ভিন্নমত ও পথকে ধ্বংস করার রাজনীতি দেশকে দীর্ঘস্থায়ী সংকটে ফেলবে। উপনিবেশিক পদ্ধতির রাজনীতির মাধ্যমে, সমস্ত মুক্তিযুদ্ধের অর্জিত দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে দেয়া যাবে না। এ অবস্থা চলতে দেয়া যায় না। রাজনৈতিক শূণ্যতার কারণে সংঘাত-সংকট সমগ্রজাতির জন্য হুমকী হয়ে পড়ছেÑজন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে। জনগণ শংকিত ও উদ্বিগ্ন। ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল/অকেজো। জনগণের ক্ষমতায়ন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ঘুষ, দুর্নীতি, নিয়োগ ও ভর্তি বানিজ্য, দখলীকরণ, রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি-সম্পদ লুট, ব্যাপক-স্টক এক্সচেঞ্জের টাকা লুট ও পাচার-বিদেশে বাড়ী ক্রয় ও পাচার, রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন চুক্তি ও বিনিয়োগে মিলিয়ন-বিলিয়ন ডলারের কমিশন বানিজ্য এবং আগমী ৫০ বছরের আকাশ-মাটির উপরে ও মাটির নীচের সকল ব্যবসা বিক্রি চুক্তির বিনাশ্রমের অর্থ মানুষকে-অমানুষে রূপান্তরিত করেছে।  বর্তমান সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন উপযোগী নহে। এ সংবিধানের উপনিবেশিক আমলাতান্ত্রিক প্রশাসন গণমুখী রাষ্ট্রের অন্তরায়।  স্ব-শাষিত স্থানীয় সরকার হচ্ছে-মুক্তিযুদ্ধেও চেতনা বাস্তবায়নের কর্মসূচী। আজকের এই গুমোট-নিস্তব্দ-নির্বাক অবস্থা থেকে মুক্তির পথ অবশ্যই আছে, তবে সেটা দলীয় ভিত্তিতে নয়; জাতীয় ঐক্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, একবিংশ শতাব্দীর ভিশন-এর ভিত্তিতে এগুতে হবে।
যেমন:
ক). দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট (১মাথা ২ ভোট। স্থানীয় ও পেশাভিত্তিক)খ). ফেডারেল পদ্ধতির সরকার (দ্বি-কক্ষ মিলে সংসদ)গ). বাংলাদেশে ৮-৯টি প্রদেশ, প্রাদেশিক সরকার ও সংসদ ঘ). ১০-২০ বছরের জন্য জাতীয় ঐকমত্যেও (ন্যাশনাল কনসার্ন- সাব-গভ.)ঙ). ন্যাশনাল ইকোনোমিক কাউন্সিলচ). বিক্রয়লব্ধ শিক্ষা চালু করা/ আউট সোর্সিং ইনকামের বিস্তৃতি ঘটাতে হবে।ছ). উচ্চকক্ষ থেকে নির্বাচনের পূর্বে ও অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন করে অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। জ). স্বাধীন-নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। ঝ). উচ্চকক্ষে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ১০ জন প্রতিনিধি নিতে হবে।
ঞ). প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিমান থেকে অবতরণকালীন বিশেষ মর্যাদা (ভিআইপি-সিআইপি), বিমান বন্দর  থেকে তাদের বাড়ী পর্য্যন্ত-নিরাপত্তার ওয়াচ, অবজার্ভ এবং পুনরায় ফেরা পর্য্যন্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।ট). কৃষকদের জাতীয় চাহিদা ও রফতানীর জন্য উৎপাদনকৃত জমির পরিমাণ নির্দিষ্টকরণ এবং উৎপাদিত পণ্য ১০-২০% উচ্চমূল্যে রাষ্ট্রকে কিনে নিতে হবে।ঠ). শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। ঢ). বিচার বিভাগীয় কাউন্সিল ও সাংবিধানিক আদালত গঠন করতেহবে। সকল মানুষের সম-অধিকার দিতে হবে। তাহলে দেশ মাথা উচুঁ করে শুধু মধ্য আয়ের নয়- উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হবে।আসুন দেশে-বিদেশে আমরা যারাই আছি-সকলে মিলে বাংলাদেশকে সুখী-সমৃদ্ধ -সাম্যের দেশ হিসেবে গড়ে তুলি।

alt

সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি যুক্তরাষ্ট শাখা (সমর্থক ফোরাম ) কর্মী সমাবেশের সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশে জনগনের জন্য সরকারে নিকট বিভিন্ন দাবি জানান। জেএসডি ঘোষিত দাবিগুলোর সাথে ফেডারেল পদ্ধতি কেন্দ্রিয় সরকার গঠনে এই দাবী জানান,(১)নি¤œ কক্ষ, উচ্চ কক্ষ- ২ কক্ষ বিশিস্ট জাতীয় সংসদ(২)জাতীয় ঐক্যমত সরকার গঠন(৩)বাংলাদেশকে ৯ টি প্রদেশে বিভক্ত করন(৪)তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন(৫)রাষ্ট্রপতি ও উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন(৬)উভয় কক্ষ থেকে সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ কমিটি গঠন(৭)জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন(৮)সাংবিধানিক আদালত গঠন(৯)জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল গঠন(১০)স্খায়ী বিচার বিভাগীয় কাউন্সিল গঠন।অনুষ্ঠানের সার্বিক সমন্বয়ক ছিলেন জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তাসলিম উদ্দিন খান। সভার প্রারম্ভে “৫২- মহান ভাষা আন্দোলন” ৭১- মুক্তিযুদ্ধে আজ পর্যন্ত সকল গণতান্্িরতক আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিটকাল নিরবতা পালন করা হয়।


জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল - জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব- এর সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল - জেএসডি সভাপতি ও স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক আ সম আব্দুর রব- এর যুক্তরাষ্ট্র আগমন উপলক্ষ্যে গত ৪ আগষ্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে সাপ্তাহিক দেশবাংলা, সাপ্তাহিক বাংলাটাইন্স এবং বাংলাটাইমন্স ডটকম আয়োজিত সাপ্তাহিক দেশবাংলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। খবর বাপসনিউ। সাংবাদিক সম্মেলনে ্সবাগত বক্তব্য রাখেন উক্ত মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী ও সম্পাদক ডা. চৌধুরী সারওয়ারুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক বাংলাটাইমস সম্পাদক তাসের মাহমুদ, নির্বাহী সম্পাদক আলমগীর হোসেন সরকার জুয়েল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জে এসডি- কেন্দ্রিয় প্রবাস বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মজিবুর রহমান ,যুক্তরাষ্ট্র শাখার উপদেষ্টা আহসান মাসুদ,  সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, সাধারন সম্পাদক সামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর তসলিম উদ্দিন খান ও জাসদ নেতা জাফর চৌধুরী।

সাংবাদিক সম্মেলনে মূল বক্তব্য পাঠ করেন  আ স ম আব্দুর রব। তিনি বলেন,
প্রিয়,
নিউইয়র্কের ইলেক্ট্রনিক, প্রেস ও অনলাইন মিডিয়ার প্রিয় সাংবাদিক, চিত্র সাংবাদিক বন্ধুরা

আজকের এই সাংবাদিক সম্মেলনে সাড়া দিয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
প্রবাসে থেকেও দেশকে হৃদয়ে ধারণ ও দেশের উন্নয়ন আগ্রগতিতে ব্যাপক অবদান রাখার উদ্যোগী বাংলাদেশী, বাঙালী, ভাই-বোনদের সাথে ঈদ উদযাপন ও মিলিত হতে পেরে আমি আনন্দিত এবং ঈদেও তাদের আন্তরিকতায় আমি কৃতজ্ঞ। এছাড়া ঈদের রাত থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানগুলোর পজেটিভ নিউজ করার জন্যও আপনাদেরকে ধন্যবাদ।

আমার নিউইয়র্ক আসার উদ্দেশ্য হলো হার্টসহ শারীরিক আনুসাঙ্গিক রুটিন চেক আপ সম্ভবত: আগামী ৬ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সর্বশেষ চেক আপটা শেষ হলে ১০ আগস্ট মিউনিক (জার্মানী)-এর প্রবাসী বাঙালীদের আমন্ত্রণে একটি গেট-টুগেদার এবং সেখান থেকে প্যারিস (ফ্রান্স)-এ দুটি অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে দেশে ফিরে যাবো।

Picture

ইতোমধ্যে সকলের অনুরোধে আজ আপনাদের  সাথে মিলিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।আমার জীবনে ফুলটাইম পলিটিক্স ছাড়া বৈষয়িক স্বার্থে আমি কোন ব্যবসা-বানিজ্য-শিল্প কারখানা করাতো দুরের কথা-চিন্তাও করিনি। বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি, স্ত্রীর খামার ও একটি রাবার ফার্ম দিয়ে সংসার চেলে। নেতা-কর্মীদের অনুদান ও শুভাকাঙ্খীদের সাহায্য-সহযোগীতায় দল চলে। আমার মত ফুলটাইম রাজনীতিবিদ বর্তমানে বেঁচে আছে হাতগোনা কয়েকজন মাত্র। বাকী জীবন জনগণের জন্যই কাটিয়ে দিতে চাই।
রাজনীতিকে বলা হয় আর্ট অব পসিবিলিটি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্বপ্ন ছিল, একটি স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
প্রয়োজনে তার জন্য জীবন দেয়॥ যে রাষ্ট্রে প্রশাসন, বিচার বিভাগে উপনিবেশিক কাঠামোর পরিবর্তন ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও জনগণকে রাষ্ট্রের মালিক এবঙ জনগণের নিকট সরকারের জবাবদিহিতা।
** বাংলাদেশে গণতন্ত্রের মাথা খুব মোটা। শরীরে কোন পুষ্টি নেই। তাই চিরস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষমতার লিপ্সাই প্রধান। এক একটা খাই খাই রোগ
 ** জনগণকে বাদ দিয়ে দল বা জোট দিয়ে পাওয়ার চেঞ্জ করা যাবে, সমাজ ও রাষ্ট্র কাঠামোতে কোন পরিবর্তন আসবে না।
** ওদের দেখতে হাতির মত মনে হলেও চোখ দুটি ছোট। ওরা উপনিবেশায়িত রাষ্ট্র। সমাজ, সংসদ, সংবিধান, প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও পুঁজিবাদী সমাজ দেখিনা। তারা সবসময় এ প্রসঙ্গগুলোকে চাপা দিতে চায়।
** এরা ভূয়া অপ্রয়োজনীয় কিছু ইস্যু সৃষ্টি করে। পক্ষ-বিপক্ষ সৃষ্টি করে জনগণকে মাতিয়ে রাখতে চায়।
**এই ইডিয়ট বক্স এ যে ঢুকে, সেও নির্বোধ হয়ে যায়। তাই জনগণের মধ্যে রাজনীতি নিয়ে হতাশা বিদ্যমান। একদল সব ব্যর্থতার দায়িত্ব অন্যদলের ঘাড়ে তুলে দিতে চায়।  এরা কামারের মত-দা, খন্তা, কুড়াল বানাতে পারে। কিন্তু স্বর্ণালংকার বানাতে পারে না।
** গণতন্ত্র কখনো একপায়ে হাঁটতে পারেনা। সংসদে বিরোধী দল নেই।
** ডেমোক্রেসী ইজ এ প্র্যাকটিস। চর্চায় এটা সমৃদ্ধ হয়।
** আজ ১৬ কোটি মানুষের বাকরূদ্ধ। জনগণের সাংবিধানিক, রাজনৈতিক, নাগরিক, মৌলিক অধিকার নিয়ন্ত্রিত।
** মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত ও চুরি হচ্ছে।
** মুক্তিযুদ্ধেও চেতনার ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হলে এ অবস্থা হতো না।
** দেশ একব্যক্তির শাসন ব্যবস্থার অধীন।
** এটা জনগণের ভোটাধিকারহরণ করা, এক ধরনের রাজতন্ত্র বা তথাকথিত পার্লামেন্টারী স্বৈরাচার
** জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যই হলো স্বাধীনতা।
** গতন্ত্র চর্চার অভাবে ভিন্নমত ও পথকে ধ্বংস করার রাজনীতি দেশকে দীর্ঘস্থায়ী সংকটে ফেলবে।
** উপনিবেশিক পদ্ধতির রাজনীতির মাধ্যমে, সমস্ত মুক্তিযুদ্ধের অর্জিত দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে দেয়া যাবে না।
** এ অবস্থা চলতে দেয়া যায় না।
** রাজনৈতিক শূণ্যতার কারণে সংঘাত-সংকট সমগ্রজাতির জন্য হুমকী হয়ে পড়ছেÑজন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে। জনগণ শংকিত ও উদ্বিগ্ন।
 ** ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল/অকেজো। জনগণের ক্ষমতায়ন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
** ঘুষ, দুর্নীতি, নিয়োগ ও ভর্তি বানিজ্য, দখলীকরণ, রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি-সম্পদ লুট, ব্যাপক-স্টক এক্সচেঞ্জের টাকা লুট ও পাচার-বিদেশে বাড়ী ক্রয় ও পাচার, রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন চুক্তি ও বিনিয়োগে মিলিয়ন-বিলিয়ন ডলারের কমিশন বানিজ্য এবং আগমী ৫০ বছরের আকাশ-মাটির উপরে ও মাটির নীচের সকল ব্যবসা বিক্রি চুক্তির বিনাশ্রমের অর্থ মানুষকে-অমানুষে রূপান্তরিত করেছে।
** বর্তমান সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন উপযোগী নহে।
** এ সংবিধানের উপনিবেশিক আমলাতান্ত্রিক প্রশাসন গণমুখী রাষ্ট্রের অন্তরায়।
** স্ব-শাষিত স্থানীয় সরকার হচ্ছে-মুক্তিযুদ্ধেও চেতনা বাস্তবায়নের কর্মসূচী।
আজকের এই গুমোট-নিস্তব্দ-নির্বাক অবস্থা থেকে মুক্তির পথ অবশ্যই আছে, তবে সেটা দলীয় ভিত্তিতে নয়; জাতীয় ঐক্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, একবিংশ শতাব্দীর ভিশন-এর ভিত্তিতে এগুতে হবে।
 যেমন:
ক). দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট (১মাথা ২ ভোট। স্থানীয় ও পেশাভিত্তিক)
খ). ফেডারেল পদ্ধতির সরকার (দ্বি-কক্ষ মিলে সংসদ)
গ). বাংলাদেশে ৮-৯টি প্রদেশ, প্রাদেশিক সরকার ও সংসদ
ঘ). ১০-২০ বছরের জন্য জাতীয় ঐকমত্যেও (ন্যাশনাল কনসার্ন- সাব-গভ.)
ঙ). ন্যাশনাল ইকোনোমিক কাউন্সিল
চ). বিক্রয়লব্ধ শিক্ষা চালু করা/ আউট সোর্সিং ইনকামের বিস্তৃতি ঘটাতে হবে।
ছ). উচ্চকক্ষ থেকে নির্বাচনের পূর্বে ও অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন করে অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।
জ). স্বাধীন-নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।
ঝ). উচ্চকক্ষে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ১০ জন প্রতিনিধি নিতে হবে।
ঞ). প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিমান থেকে অবতরণকালীন বিশেষ মর্যাদা (ভিআইপি-সিআইপি), বিমান বন্দর  থেকে তাদের বাড়ী পর্য্যন্ত-নিরাপত্তার ওয়াচ, অবজার্ভ এবং পুনরায় ফেরা পর্য্যন্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।
ট). কৃষকদের জাতীয় চাহিদা ও রফতানীর জন্য উৎপাদনকৃত জমির পরিমাণ নির্দিষ্টকরণ এবং উৎপাদিত পণ্য ১০-২০% উচ্চমূল্যে রাষ্ট্রকে কিনে নিতে হবে।
ঠ). শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।
ঢ). বিচার বিভাগীয় কাউন্সিল ও সাংবিধানিক আদালত গঠন করতে হবে। সকল মানুষের সম-অধিকার দিতে হবে।
তাহলে দেশ মাথা উচুঁ করে শুধু মধ্য আয়ের নয়- উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হবে।
আসুন দেশে-বিদেশে আমরা যারাই আছি-সকলে মিলে বাংলাদেশকে সুখী-সমৃদ্ধ -সাম্যের দেশ হিসেবে গড়ে তুলি।