Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

বাপসনিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা

শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬

বিদায় নিবে অনেক ঘটনা বহুল ২০১৬ । শুরু হবে আর একটি নতুন বছর – ২০১৭। যাক ভেসে যাক জীর্ণ পুরাতন……..নতুনের আবাহনে জেগে ওঠুক চারদিক………অতীতের সব গ্লানি মুছে দিয়ে আগামী বছরে নতুন সাফল্যে উদ্ভাসিত হউক সবার জীবন।

alt

কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক, শিক্ষাবিদ ও এক্টিভিষ্ট আয়েশা আক্তার রুবি এবং আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, বাপসনিউজ এডিটর , বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম প্রধান সম্পাদক ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন দেশে ও প্রবাসে সবাইকে ইংরেজি নতুন বর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।


জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল বোষ্টনবাংলানিউজ, কমের সম্পাদক এবং নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক সুহাস বড়–য়ার মা নমিতা বড়ুয়ার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের শোক প্রকাশ

শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ : যুক্তরাষ্ট্রে’র বোষ্টন শহর থেকে প্রকাশিত সর্বপ্রথম এবং একমাত্র বিশ^ব্যাপী সমাদৃত ও জনপ্রিয় দৈনিক নিউজপোর্টাল এবং নিউজ এজেন্সি “বোষ্টনবাংলানিউজ.কম সম্পাদক এবং নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক  সুহাস বড়ুয়ার মা নমিতা বড়–য়া(৮৬) গত ২৬ ডিসেম্বর সোমবার বোষ্টনের স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ৪০মিনিট বোষ্টন মেডিকেল সেন্টারে নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেছেন।

alt

মৃত্যুকালে তিনি ৭ পুত্র ,অসংখ্য নাতী-নাতনী সহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন মরহুমা নমিতা বড়ুয়ার মৃত্যুতে  যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সমতপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেনযুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবনধু পরিষদসভাপতি ড,নুরান নবী ও সাধারণ সম্পাদক শিতাংশু গুহ,আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম, যুক্তরাষ্ট্র জেনোসাইড ৭১ ফাউন্ডেশন সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা ড.প্রদীপ রঞ্জন কর,সংগঠক আবু তালেব, লেখক আলী রিয়াজ, যুক্তরাষ্ট্রস্থ সোহরাওয়ার্দী স¥ৃতি পরিষদের সভাপতি শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গণি ও সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া,যুক্তরাষ্ট্র; আওয়ামী লীগ নেতা হাজী শফিকুল আলম,  সাবেক ছাএনেতা ও সাংবাদিক শরীফ শাহাবুদ্দিন,  আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন  সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন I সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদ, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মিরাজ খান মিরাজ, মুক্তিযোদ্ধা কমাঃ নূরুন নবী, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ড আহবায়ক  ডা:আঃ বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা কামরুল হাসান চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবলু I সাধারন সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল –জাসদ সভাপতি আবদুল মোসাবির,সহ সভাপতি দেওয়ান শাহেদ চেীরুরী ও সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম জিকু, ইকবাল হায়দার, ডা: মুরাদখান ঠাকুর, ডা: আমিন, ডা: আতিকুজ্জামান, ডা: জিলুøর রহমান খান, মোয়াজ্জেন ইসলাম এবং সেন্টাল ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান মিলন ও সাধারন সম্পাদক আলো আহমেদ, আওয়ামী লীগ নেতা  ইঞ্জি: আশরাফুল হক, ডাঃ মাসদুল হাসান, রমেশ নাথ, চন্দন দত্ত ও আব্দুর রহিম বাদশা, আখতার হোসেন, kvহীন আজমল, আলী আক্কাস, সাধারন সম্পাদক জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন সাধারন সম্পাদক জেএইচ আরজু, মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্জের সাধারন সম্পাদক শরাফ সরকার, শেখ হাসিনা মঞ্চ যুক্তরাষ্টেi সভাপতি-জালালউদ্দিন জলিল ও সাধারন সম্পাদক-কায়কোবাদ খান, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, ডা: টমাস দুলু রায়, ডাঃ খালেক,  ডাঃ কামাল, এমদাদ চৌধূরী,  যুক্তুরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারন সম্পাদক-শিতাংশু গুহ, মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর আলী নন্টু, স্বাধীনতা চেতনা মঞ্জের সাধারন সম্পাদক-হেলাল মাহমুদ, চলচিএ ব্যাক্তি কাজল আরিফিন, মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, ইঞ্জি: মিজানুল হাসান,এবিসিডিআই এর সাধারন সম্পাদক-আলী হাসান কিবরিয়া অনু, সাবেক ছাএনেতা সাইদুর রহমান বেনু, সুবল দেবনাথ, খলিলুর রহমান, সাহাদত হোসেন, আশাফ মাসুক, এ্যাডভোকেট নিজামউদ্দিন, আঃ লতিফ বিশ্বাস, মঞ্জুর চৌধুরী, প্রবীর গুন, শেখ নাসির উদ্দিন, সাংস্কৃতিক কর্মী  জলি কর, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী আইনজীবি পরিষদ নেতা এ্যাডভোকেট মোর্শেদা আশরাফ, কবি নিখীল রায়, আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব নুরে আজম বাবু, নাজমুল ইসলাম চৌধূরী, রেজাউল করিম চৌধূরী, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা অবিনাশ আচার্য, লুৎফর রহমান খান, আব্দুস শাকুর ফারুক, আশরাফ হোসেন, মিঃ হারুন, মিঃ মোস্তফা, মিঃ শফিক, একে চৌধুরী, শেখ হাসিনা মঞ্চ সহ সভাপতি- টি মোল্লা,  মিসেস সিসিলিয়া আরজু, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা-বদরুল হোসেন খান, তোফায়েল আহমদ চৌধুরী, কামাল উদ্দিন, মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ, রাফায়েতউল্লা চৌধুরী, আলহাজ্ব আব্দুস সহিদ দুদু, শেখ হাসিনা মঞ্চ নেএী-বিলকিস মোল্লা, আবু নকিব খান, সিরাজুল ইসলাম সরকার, আঃ গোলাম কুদ্দুস,  তাজু মিয়া, জহিরুল ইসলাম,  আলতাফ মিয়া, মুকতাদির চৌধুরী, ইঞ্জি: খন্দকার গিয়াস উদ্দিন, বজলুল রহমান, ওয়ালী হোসvBন, শিমুল আহমদ, ভুইয়া আহসান হাবিব, মজিবুর রহমান বিপ্লব, খলিলুর রহমান, দেলোয়ার মোল্ল্যা, এমএ ইসলাম মানিক, সালাউদ্দিন বিপ্লব, ফয়েজ আহমদ জিন্দাপীর, মোতাহার হোসেন, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কোহিনুর আকতার চৌধুরী, মাষ্টার আবু মোতাহার হোসেন,আলতাফ মিয়া, আবুল খায়ের, এমএ আলম বিপ্লব,  উলফত মোল্যা, মিথুন জুবেরী কোকো, হাসান আহমেদ, লস্কর মফিজুর রহমান জুয়েল, সেকান্দার হোসেন, এমএসালাম, হাজী সানাউল্লা,বি জামান, আনোয়ার হক ভূঞা, গোলাম ছরোয়ার দিদার, আবদুস ছালাম, জয়নাল আবেদীন দুলাল, ওয়াদুদ তালুকদার, ছলিমুল্লা খান, আলী আকবর, ফিরোজ মাহমুদ, আমিরুল মারুফ, হেলাল উদ্দিন শাহ, বোরহান উদ্দিন, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী খসরু, ফয়েজ আহমদ, সুজন আহমদ সাজু,শফিক আহমদ, খলিলুর রহমান খোকন, গোলাম রাব্বানী চৌধুরী, জাইন উদ্দিন জাইন ও হাসান জিলানী,ফিরোজ মাহমুদ,এমএ করিম জাহাংগীর,নুরুল ইসলাম বাংগালী,ইসলাম ঊদিদন পংকি,জাহাংগীর কবির,ফিরোজ আহমদ কলেলাল,বোস্টনবাংলানিউজ ডটকম সহযোগী সম্পাদক আয়েশা আকতার রুবি,ইউএসএবাংলানিউজ-এর সম্পাদক আবু সাঈদ রতন, কবি ও সঙ্গীত শিল্পী শামীমআরা আফিয়া, কবি আব্দুল আজিজ, ফিরোজ মাহমুদ ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক শামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম ,

alt

জনপ্রিয় দৈনিক নিউজপোর্টাল এবং নিউজ এজেন্সি “বোষ্টনবাংলানিউজ.কম সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি ওসমান গণি, প্রধান সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকন, সহযোগী সম্পাদকবৃন্দ বিশ^জিৎ সাহা, নাসিম পারভীন পারু, সামসুল আলম ও আয়েশা আক্তার রুবি প্রমুখ সহ আরো অনেকে |


কবি জুলি রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে সাক্ষাৎকার

বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ : ৩১ ডিসেম্বর শনিবার, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী চারণ কবি, গল্পকার সুরকার এবং প্রাবন্ধিক কবি জুলি রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম এর পক্ষ থেকে মুখোমুখি আড্ডায় কবির সাথে আলাপচারিতা সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সুপরিচিত টিভি এ্যাংকর ও সাংবাদিক দিমা নেফারতিতি। নি¤েœ সাক্ষাৎকারটি দেওয়া হলো।

মুখোমুখি আড্ডায় কবির সাথে আলাপচারিতা


‘বাংলার মাটি, বাংলার জল আমাকে প্রতিনিয়ত প্রাণিত করে অবিরাম শব্দের ফুল ফোটাঁতে’ - জুলি রহমান

কবি জুলি রহমান সাহিত্যচর্চা করছেন তিন যুগের অধিককাল ধরে। কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প - সাহিত্যের এসকল উল্লেখযোগ্য শাখাতেই রেখেছেন মুন্সিয়ানার স্বাক্ষর, পেয়েছেন পাঠকপ্রিয়তা। ২০১৭’র একুশে’র বইমেলায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তার রচনাকৃত পায় তিন’শ গানের বিশেষ সংকলন ‘জুলি গীত’। সম্প্রতি জুলি রহমান মুখোমুখি আড্ডায় বসেছিলেন সাংবাদিক, টিভি উপস্থাপক, অনুবাদক, আবৃত্তিকার দিমা নেফারতিতি’র সাথে। সেই আলাপচারিতা উদ্ধৃত হলো প্রিয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে।

দিমা নেফারতিতি: প্রথমেই জানতে চাইব সদ্য প্রয়াত কবি শহীদ কাদরী সম্পর্কে কবি জুলি রহমানের মূল্যায়ন। কবি শহীদ কাদরীকে আপনি কোন দৃষ্টিতে, কোন ভঙ্গিতে দেখেন, কিভাবে মূল্যায়ন করেন?

জুলি রহমান: কবি শহীদ কাদরীর কথা বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হবে, তিনি একজন বিরল প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব। কবিতা যদি সর্বোচ্চাঙ্গের আর্ট হয়, তবে আমি মনে করি কবি শহীদ কাদরী সেই আর্টের তুলি এবং ক্যানভাস। কবিতায় ছন্দ এক কল্পনা রঙিন পরিবেশ তৈরী করে। শুধু তাই নয়, কাব্যের গভীরে থাকে বোধের অতলতা। একজন কবির বোধ, সাধারণের বোধের চেয়ে অনেক বেশি ঊর্ধ্বে বিরাজ করে। কবি শহীদ কাদরী সেই উচ্চবোধসম্পন্ন মানব। কবি শহীদ কাদরীর সাহিত্য আসর ‘একটি কবিতা সন্ধ্যা’য় আমি বহুবার গেছি। ‘একটি কবিতা সন্ধ্যা’র শুরুর দিনগুলি থেকেই আমি এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। সেসময় খুব কাছে থেকে কবি শহীদ কাদরীকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। সেই কাছে থেকে দেখা অভিজ্ঞতায় আমি জেনেছি, একজন কবিকে অবশ্যই রোমান্টিক হতে হয়। কবি শহীদ কাদরী ছিলেন রোমান্টিক কবি। রোমান্টিকতার দ্যোতনায় আচ্ছাদিত ছিল তার কাব্য মানস এবং তার কবিতা। কবি শহীদ কাদরীর বিউটি বোর্ডিং নিয়ে কাব্যালাপ থেকে, তার বিভিন্ন সময়ের স্মৃতিচারণ থেকে, তাকে নিয়ে তার বন্ধু-স্বজনদের আড্ডার স্মৃতিচারণ থেকে কবি শহীদ কাদরীর রোমান্টিক সত্তার স্পষ্টতা প্রতিভাত হয়।
দ্বিতীয়ত কবিকে হতে হয় একজন সাচ্চা মানুষ। কবি শহীদ কাদরীকে খুব কাছে থেকে দেখে, তার সান্নিধ্যের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে, এটাই উপলব্ধি করেছি বারবার, যে কবি শহীদ কাদরী একজন সাচ্চা মানুষ, সত্যিকার অর্থে একজন নিখাদ মানুষ। সেইসাথে আমি বলব কবি শহীদ কাদরী নি:সন্দেহে একজন বিরল প্রতিভার মানুষ। তুলনামূলকভাবে তার রচনার সংখ্যা নিতান্তই অল্প। হাতে গোনা। কিন্তু সেই অল্পসংখ্যক রচনা দিয়েই তিনি বাংলা সাহিত্যে শক্ত আসন করে নিয়েছেন। এই যে জায়গা করে নেওয়ার বিষয়, এক্ষেত্রে বিশ্ব বরেণ্য চিত্রশিল্পী পিকাসোর কথা মনে পড়ছে। পিকাসো যখন রংতুলি দিয়ে ছবি আঁকতেন, নিন্দুকেরা বলতেন - এসব কি হচ্ছে, নেহায়েত আঁকিবুকি, শুধু কাকের ঠ্যাং আর বকের ঠ্যাং। কিন্তু দেখুন কালের পরিক্রমায় পিকাসোর শিল্পকর্ম জগৎজোড়া খ্যাতি পেল। আমি মনে করি, লেখার এবং তাবড় সৃষ্টিকর্মের, শিল্পকর্মের বিস্তার নয় - স্বল্পতা নয় - সংখ্যা নয়, কেবল গুনগত মান শিল্পকে - সৃষ্টিকে - কবিতাকে টিকিয়ে রাখে। সেই গুনগত মানের বিবেচনায় কবি শহীদ কাদরী বিরল ক্ষমতাসম্পন্ন একজন কবি এবং বাংলা ভাষার অন্যতম মহান কবি, শ্রেষ্ঠ কবি।



দিমা নেফারতিতি: আপনি অনেকদিন যাবত প্রবাসে লেখালেখি করছেন। প্রবাসে বসে লেখালেখি করবার সুবিধা এবং অসুবিধা কি কি অনুভব করেছেন ?

জুলি রহমান: দেখুন আমাকে অনেকেই বলে যে প্রবাসী কবি, একথাটিতে আমার খুব আপত্তি। কারণ কবির কোন স্থান, কাল নেই। তিনি যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানেই তার লেখার পরিবেশ এবং আবহ  তৈরী হয়ে যায়। আমি যখন মধ্যপ্রাচ্যে ছিলাম তখন মধ্যপ্রাচ্যের সমাজ ব্যবস্থার আনুষঙ্গিকতা নিয়ে আমার লেখা তৈরী হত। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আছি, এখানকার আবহ, এখানকার সংস্কৃতি, এখানকার জীবন বাস্তবতা আমার লেখায় প্রতিবিম্বিত হয়। তাই প্রবাস/নিবাস বলে আমার কাছে কিছু নেই। কিন্তু তারপরেও যখন আমরা বইমেলায় যাই তখন দেখি দু’টা সারি, একটাতে প্রবাসী লেখকদের বই আরেকটাতে বাংলাদেশী লেখকদের বই। তখন আমি খুব পীড়িত হই, ভাবি কেন এই বিভেদ? মাঝখানে এই দেয়ালটা কেন থাকবে। তাছাড়া আমি বাংলাদেশে সাহিত্য চর্চা করেছি অনেকদিন। তারপর মধ্যপ্রাচ্যে চলে গেলাম। সেখান থেকে ফিরে বাংলাদেশে আবার চুটিয়ে সাহিত্য চর্চা করেছি। আল-মাহমুদ, নির্মলেন্দু গুন্, কাজী জাকির,  জুবাইদা গুলশানআরা, রুবি রহমান, কাজী রোজি  এদের সাথে সাহিত্য চর্চায় দুর্দান্ত সময় কাটানোর সৌভাগ্য আমার হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সাহিত্য চর্চা করেছি। তখন আমি দেখেছি আমরা যারা প্রবাসে বসে সাহিত্য চর্চা করি, তাদের লেখাত, দেশে বসে যারা সাহিত্য চর্চা করে তাদের চেয়ে ফেলনা নয় - তাহলে এই বিভেদ টেনে দেওয়া কেন?
নানা কারণে আমরা দেশে থাকতে পারিনি। বাস্তবতার খাতিরে প্রবাসী হয়েছি। কিন্তু তাই বলে এই বিভেদ কেন? একবার কবি রবীন্দ্র গোপ আমাকে বলেছিলেন, ‘আপনারটা প্রবাসে থাকেন, আপনাদের লেখায় কি দেশের সংঘাত, সংকট এসব ফুটে ওঠে?’ উত্তরে আমি বলেছিলাম, ‘তাহলে আমরা কি প্রবাসে বসে কেবল চাঁদ, ফুল, লতাপাতা নিয়েই লিখি? এরপরপরই দেশের রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে আমার একটি লেখা কবিতা আমি যখন কোন এক সাহিত্যের আসরে পড়েছিলাম, উনি প্রশংসাসূচক মন্তব্যে বলেছিলেন, জুলি আপনার কবিতা যেন কাঁচা লঙ্কা, ভীষণ ঝাঁঝ আছে ভিতরে।’
আসলে প্রবাসী হওয়ার বড় ব্যাথা হলো, যখন আমরা বই বের করতে যাই তখন ভীষণ বঞ্চনা এবং বৈষম্যের শিকার হই। আমি আজ দীর্ঘ ৩৬ বছর যাবৎ সাহিত্য চর্চা করছি।  আমি যদি দেশে থাকতাম তাহলে আমার গ্রন্থের সংখ্যা আরো বেশি হতে পারত বলে আমি মনে করি। আজকে আমার অগণিত পান্ডুলিপি ঘরে পড়ে আছে। আমার উপন্যাস যুদ্ধ ও নারীসহ অজস্র পান্ডুলিপি ঘরে পরে আছে। সমস্যাটা হলো প্রকাশকদেও কাছ থেকে সহযোগিতার অভাব। তারা যখন শোনে প্রবাসী লেখক, তখন তারা হা করে থাকে পয়সার জন্য। আজ যদি আমি দেশে বসে সাহিত্য চর্চা করতাম তাহলে আমার গ্রন্থের সংখ্যা যেমন বেশি থাকত, তেমনি আমি রয়্যালটি পেতাম। আরেকটা জিনিস উল্লেখ করার মত, প্রবাসে মোটামুটি সবাই লেখে, সবাই কবি। কিন্তু লাইনের পর লাইন লিখলেই, কবি হওয়া যায়না। সত্যিকারের কবি স্বত্তার উম্মেষ যার ভিতরে নেই, তিনি হাজার লিখলেও কবি হতে পারবেন না। কালের বিচারে, যোগ্যতার মাপকাঠিতে, গুণগত প্রকাশের মানদন্ডে যার  সাহিত্য উত্তীর্ন হবে, তিনি সত্যিকারের কবি, সত্যিকারের গল্পকার। তা তিনি দেশি হন আর প্রবাসী হন। আজ আমরা কিটসের কবিতা পড়ি, শেক্সপিয়ারের কবিতা পড়ি, রবীন্দ্রনাথের, জীবনানন্দের কবিতা পড়ি। কেন পড়ি? সেসব কালের পরিক্রমায় উত্তীর্ন তাই। সুতরাং ভুঁইফোড়, সৌখিন কবিদের  ভিড়ে সত্যিকারের কবিরা হারিয়ে যাবে, এটা আমি বিশ্বাস করিনা।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
দিমা নেফারতিতি: আপনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোট গল্পকার। আবার আপনি একজন গীতিকার। অজস্র গান লিখেছেন আপনি। এবিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই।

জুলি রহমান: সত্যিকার অর্থে গান  দিয়েই আমার লেখা শুরু। ৩৬ বছরের লেখালেখির জীবনে আমার গানের সংখ্যা ঠিক কত আমি জানিনা। আমার গান লেখার সবচেয়ে বড় ক্যানভাস প্রকৃতি । আমি গান লিখেছি আমার কৈশোর থেকে। আমার গ্রামের নাম চাপিল। সেই গ্রামের মাঠ, ঘাট, পথ, প্রান্তর, নদী এসবই আমার গান রচনার নেপথ্যে নাটাই ঘুড়িয়েছিল। বর্তমানে দীর্ঘদিনধরে বাস করছি যুক্তরাষ্ট্রে। এখানে আমি দুটো সময় ঘর থেকে বের হই। যখন পাতা ঝরে, যখন ফুলে কুড়ি আসে। এই দুটো সময় আমার হাজবেন্ডকে বলি আমাকে একটা আনলিমিটেড ট্রাভেল কার্ড দাও। তিনি দেন। তখন আমি ঘরে থাকতে পারিনা। এদেশে পাতা ঝরে অক্টোবর মাসে, আর ফুলে কুড়ি আসে এপ্রিল মাসে। এইদুটো মাস আমি ঘরে থাকতে পারিনা। তখন আপনমনে ঘুরি।  আমি যতটা চিনি এই নিউ ইয়র্ক শহরকে, আমার মনে হয় যারা গাড়ি চালান তারাও বোধহয় নিয়ে ইয়র্ককে এতটা চেনেন না। প্রকৃতিকে দেখার জন্য আমি কখনো বাসে চেপে, কখনো পায়ে হেঁটে এশহরে ঘুড়ি।  আমার সাথে তখন কেউ থাকেনা।  আমি রাখিনা সাথে। তখন আমি কথা বলি নিজের সাথে।  আমি গান করি, আমার গানে সুর করি ওই পথে পথেই। যেমন সেদিন ঝরা পাতার উপর যখন হাঁটছিলাম, পাতারা মচমচ করছিলো, মনে হচ্ছিলো যেন আমি পাতার কান্নার শব্দ শুনছি, কিংবা আমি বাঁশির শব্দ শুনছি। মনে হচ্ছিলো যেন ঝরে পড়া পাতারা আমার সাথে কথা বলছে। আমার সেই অনুভব নিয়ে সাথে সাথে আমি গান রচনা করলাম, তারপর ঘরে ফিরে তা লিখে ফেললাম। এই ৩৬ বছরের সাহিত্য চর্চার জীবনে এ পর্যন্ত অজস্র গান লিখেছি কিন্তু সবগুলো সংগ্রহ করা হয়নি। আজ সেজন্য ক্ষানিকটা অনুতাপ হচ্ছে। এই যেমন সেদিন আমার ঘরের কাছে ক্যাসল হিল পেরিয়ে আমি জেরিগাতে হাঁটছিলাম। সেখানে অপার্থিব নিস্তব্ধতার মধ্যে পথজুড়ে ঝরা পাতার স্তুপ দেখে আমার মনে হলো পাতারা কাঁদছে, এরপর লিখলাম - ‘ঝরাপাতা বলে কথা’ গানটি। এভাবে ঝরা পাতা, তুষারপাত, ঝলমলে রোদ্দুর, কিংবা মুষলধারায় বৃষ্টি - অর্থাৎ প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গের সাথে মিলে জন্ম নেয় আমার গান, আমার কবিতা। ওয়েচেস্টারে ওয়াটার এভিনিউতে একবার আমি গেলাম, তখন খুব বরফ পড়ছিলো, তখন জন্ম নিলো একটা কবিতা। সেটা আমার চার’শ কবিতা সম্বলিত ‘জুলি রহমানের কাব্যগ্রš’’তে আছে। সেই কবিতায় একটা লাইন ছিল এমন - 'পরিব্রাজক পাখিদের কথা।' এখানে অনেকে এটা পড়ে বললেন, শীতের মধ্যে জুলি এত পাখি পেলেন কোথায়? আসলে এটাত সিম্বলিক ওয়ার্ডে লেখা। সাহিত্যের ভাষায় যাকে রূপক বলা হয়। পরিব্রাজক পাখি বলতে এই কবিতায় আমি নানা দেশের মানুষদেও কথা বুঝিয়েছি। তাই সাহিত্য তখনি সত্যিকারের পূর্ণতা পাবে যখন তা সত্যিকারের সমঝদারের কাছে পৌঁছাবে।

দিমা নেফারতিতি: একটি সাংস্কৃতিক আবহমন্ডিত পরিবারে আপনার জন্ম। কবি জুলি রহমানের বেড়ে ওঠায় সেই পারিবারিক আবহ কতটা ভূমিকা রেখেছে?

জুলি রহমান: আমার মা ছিলেন চিত্রশিল্পে ভীষণ পারদর্শী। বাবা পুঁথিতে। একমাত্র মামা ছিলেন ইত্তেফাকের নিয়মিত কলামিস্ট। ফুপাত ভাই নিজাম উদ্দিন মুখে মুখে গীতিকবিতা রচনা করতেন। অনেক ছোটবেলা থেকে তার সেই সুর আমাকে সারাদিন আবিষ্ট করে রাখত। বড়ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারা সেই সাথে কবি।তার কবিতা চুপে চুপে পড়েছি। আমার মেঝু ভাই বাউল চিত্তের ছিলেন ।বই গান এ সবেই ডুবে থাকতেন উনি।বই কেনাই ছিলো তাঁর নেশা।বাড়িতে মা পারিবাড়িক গ্রন্থাগার।আমার ভাইদের কমর্।হরেক রকম বইয়ে সমৃদ্ধ তার লাইব্রেরি। ছোটবেলা থেকেই  ভাই এর বই এর বাগানের আমি ছিলাম নিয়মিত প্রজাপতি। মামাতো ভাই মাসুদ আহমেদ সতীনাথকে চিরতরে কণ্ঠে ধারণ করে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত  প্রথিতযশা গল্পকার। আমার মা মরহুম ফাতেমা খাতুন ছিলে একজন নিভৃত মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরে যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের তিনি রেঁধে খাওয়াতেন। তারপর রাতের আধাঁরে মুক্তিযোদ্ধারা চলে গেলে তাদের অস্ত্র হাতের ছবি এঁেক রাখতেন তার নিজের হাতের বানানো মাটির কলসের গায়ে। মা’র ছিল মাটির পটারি বানাবার ঝোঁক। আমাদের গ্রামে বিয়ে শাদীসহ যেকোন পরব - অনুষ্ঠানে আমার মা নানারকম পটারি বানিয়ে সেসবের গায়ে ছবি একেঁ দিতেন। আমার স্বামী ফজলুর রহমান নন্দী এমন একজনা মানুষ, বিয়ের পর থেকে আজ পর্যন্ত আমাকে নীরবে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে গেছেন। আমি ছোটবেলা থেকেই ভীষণ পড়তাম।  বিয়ের পর যখন শশুরবাড়িতে গেলাম সেখানে রানু নামে আমার এক ভাগ্নি আমাকে শেক্সপিয়ারের বই এনে দিত, বাংলা সাহিত্যের এবং বিশ্ব সাহিত্যের নানান বই এনে দিত। বিয়ের পর পর আমার শাশুড়ি খুব অবাক হয়েছিলেন যে, নতুন বৌ ঘরের দরজায় খিল এটেঁ কবিতা লেখে। তারপর উনি আমাকে অনেক বোঝাতেন, বলতেন, "দেখো তোমাকেত আমি এনেছি আমার ছেলের সংসার দেখবার জন্য। সংসারটা ঠিকমত সামলাও। কবিতা লিখে সময় নষ্ট করে কি হবে। কবিতা লিখেত আর পয়সা পাবেনা ।সেসময় আমি কবিতা লিখেছিলাম, ‘বৌ কেন কবি’ শিরোনামে। তারপর অনেক চেষ্টায় আমি ওনাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলাম যে, স্কুলের শিক্ষকতার পাশাপাশি সব কর্তব্য ঠিকঠাক পালন করেই আমি কবিতা লিখছি। তাই ওনার চিন্তিত হবার কারণ নেই। একসময় উনি নতি স্বীকার করলেন আমার কবিতারূপী প্রেমিকের কাছে। এরপর নিজেই আত্মীয়-পরিজনদের বলতেন, "আমার বৌমা একজন কবি।"

দিমা নেফারতিতি: আপনার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা কত? নতুন বই কবে প্রকাশিত হবে?

জুলি রহমান: আমার প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৮০ সালে, উপন্যাস রক্তচোষা। এরপর ব্যবধান, বহে রক্তধারা, কাগজের বৌ, ফাতেমার জীবন, শেষের পান্ডুলিপি, ধান পাতা বাঁশি, একজন দলিলুর রহমান, ভূ -গোলক সহ বহু পান্ডুলিপি গ।ন ,প্রবন্ধ নিবন্ধ ,গীতি কাব্য সহ কিছু পুঁথি।এ গুলো সব প্রকাশিতব্য।র্রক্তচোষা করার বিশ বছর আবার করি কাব্য ময়ূরী সময়।বই বের না করলেও অনেক সাহিত্য পত্রের সম্পাদনা ও নিয়মিত লেখালেখি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছেলেখা প্রতিনিয়ত। জলপ্রপাত ,অনিবাস রৌদ্দুর রাইটাসর্ ,সত্যের আলো পত্রিকায় জুলি রহমানের পাতা।  সে সব এখন পীড়া দেয়।
মাঝের এই লেখালেখির সময়টা ছিলো আমার জীবনের চরম দুবর্োদ্ধ সময়।পড়াশোনা বিয়ে চাকুরী লেখালেখি ভীষণ একটা কঠিন সময়ের চড়াই উৎরাই আমার জীবনের।তারপর ও যে লেখাটাকে নিয়মিত পাশে রাখতে পারার আনন্দ ও অনেক নিরানন্দকে  মাটি চাপা দেয়।
১২টি বই প্রকাশিত হয়েছে। আরো অসংখ্য পান্ডুলিপি রয়েছে প্রকাশের অপেক্ষায়। আসছে একুশের বইমেলায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে প্রায় ৩০০ গান এর বিশেষ সংকলন ‘জুলি-গীত।’

দিমা নেফারতিতি: কবি জুলি রহমানের কাছে কবিতার সংজ্ঞা কি?

জুলি রহমান: আমি যখন জীবনের রুঢ়তায় বিধস্ত হই, কবিতা তখন রসের ফল্গুধারার মতই সকল শোকসন্তাপকে ধুয়ে মুছে সাফসুতরো করে দেয়। কবিতা যেমন দুর্বোধ্য আড়াল। জীবনের বাকঁ তেমনি কঠিন মোড়কে আবৃত। আবার জীবন সুখ ও শান্তিময়। নিরন্তর ভাবনার বিস্তার কবিতার শরীর। সৃষ্টির  নোদনায় নান্দনিক কবিতার অবয়ব।

দিমা নেফারতিতি: সবশেষে জানতে চাইব, এই দূর পরবাসে নেই বাংলার মাটি, বাংলার জল। কবি জুলি রহমান দেশকে কোথায় কিভাবে ধারণ করেন?

জুলি রহমান: স্থান কালের সীমারেখায় কবি আবদ্ধ নন। আমি যখন হাডসন নদীর তীর ধরে হাঁটি, তখন হাডসন নয়, আমি অবলোকন করি আমার গ্রামের, আমার শৈশবের চাপিল নদীকে। সেই চাপিল নদীর স্রোতের কলতান নিরন্তর বেজে চলে আমার চেতনার গহবরে। বাংলার মাটি, বাংলার জল আন্দোলিত হয় আমার হৃৎপিন্ডের স্পন্দনে। আমার চোখের তারায় অনুরণিত হয় বাংলার আকাশের নীল আর সবুজ প্রান্তরের সবুজাভ দ্যোতনা। নিভৃতে বাংলার মাটি, বাংলার জল আমাকে প্রতিনিয়ত প্রাণিত করে অবিরাম শব্দের ফুল ফোঁটাতে।


প্রবাসী কবি জুলি রহমানের জস্মদিন ৩১ ডিসেম্বর

বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬

alt
হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ ঃ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী চারণ কবি, গল্পকার সুরকার এবংপ্রাবন্ধিক জুলি রহমানের জন্মদিন ৩১ ডিসেম্বর শনিবার।খবর বাপসনিঊজ।জুলি রহমানের জন্মদিনে অফুরন্ত প্রীতি ও শুভেচ্ছা বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম,কটিয়াদিনিউজ ডটকম, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন, শিরি শিশু সাহিত্য কেন্দ্র এবং বনলতা-শিল্পী-সাহিত্যক সাংবাদিক গোষ্ঠী নিউইয়র্ক।


নিউইয়র্ক ইমিগ্রান্টদের জন্য স্যাংচুয়ারি সিটি

সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ : নিউইয়র্ক সিটি আগের মতোই ইমিগ্রান্টদের জন্য স্যাংচুয়ারি সিটি বা নিরাপদ সিটি থাকবে। এই মর্মে সিটি কাউন্সিল স্পিকার মেলিসা মার্ক-ভিভেরিটো, কাউন্সিলম্যান ব্র্যান্ড- ল্যান্ডার ও কাউন্সিলম্যান কার্লোস মেনচাকা উত্থাপিত ১৩২১ রেজোল্যুশান পুনরায় পাশের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্ক সিটিকে ইমিগ্রান্টদের জন্য নিরাপদ সিটি হিসাবে বহাল রাখা হলো। বিলটি পাশ হয় মঙ্গলবার ৬ ডিসেম্বর।খবর বাপসনিঊজ।উল্লেখ্য কাউন্সিলম্যান কার্লোস মেনচাকা নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের কমিটি অন ইমিগ্রেশনের চেয়ার।
alt
ছবি:ক্যাপশান :ছবিতে বাথেকে নিউইয়র্ক  সিটি কাউন্সিল স্পিকার মেলিসা মার্ক-ভিভেরিটো, কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক, শিক্ষাবিদ ও এক্টিভিষ্ট আয়েশা আক্তার রুবি এবং আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, বাপসনিউজ এডিটর , বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম প্রধান সম্পাদক ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন।
পুনরায় পাশ হওয়া এই রেজোল্যুশন স্যাংচুয়ারি সিটি পাশ হওয়ায় কর্লোস মেনচাকার নেতৃত্বে নিউইয়র্ক সিটির ইমিগ্রেশন এডভোকেসি গ্রুপসমূহ, ইমিগ্রেশন ও এডুকেশন সার্ভিস প্রোভাইডাররা ট্রাম্প টাওয়ারের সামনে র‌্যালি করে। এই র‌্যালির উদ্দেশ্য ইমিগ্রান্ট বিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্যাংচুয়ারি সিটির রেজোল্যুশনটি পাশের খবরটি জানানো। এই রেজোল্যুশনটি পাশের আগে কাউন্সিল ইমিগ্রেশন কমিটি ২২টি গ্রুপের সমর্থন পায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এ্যাটলাস ডিআইওয়াই, ড্রিম এ্যাকশন কোয়ালিশন, মেক দ্য রোড নিউইয়র্ক, নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশন। তারা ট্রাম্প টাওয়ারের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই রেজোল্যুশন পাশের তথ্যটি সাংবাদিকদের জানান। এ সময় বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলম্যান কার্লোস মেনচাকা, নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশনের টিফ্যানি হুইল্যান্ড, ড্রিম এ্যাকশন কোয়ালিশনের সিজার ভারগাস, মেক দ্য রোড নিউইয়র্কের ভাইসেন্তে মেয়ের্গা। রেজোল্যুশন ১৩২১ এর মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘নিউইয়র্ক সিটি ইমিগ্রান্টদের পরিত্যাগ করবে না বরং তাদের অধিকারকে সমর্থনসহ সুরক্ষা দেবে।(New York City will not abandon immigrant new Yorkers and that it will support and defend their righta)


প্রবাসীরা হারাবেন সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার

সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির:  প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন পাস হলে প্রবাসীরা সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হারাবেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। গত ১লা ফেব্রুয়ারি ‘বাংলাদেশ নাগরিকত্ব আইন-২০১৬’-এর  খসড়া মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত  বৈঠকে অনুমোদন লাভ করে। প্রস্তাবিত এ খসড়া আইন কোনো ব্যক্তির বাংলাদেশের নাগিরকত্ব লাভ, নাগরিকত্ব পেতে যোগ্যতা, অযোগ্যতা, নাগরিকত্ব বাতিল এবং তা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রথমবারের মতো প্রণীত পূর্ণাঙ্গ আইন। ইতিপূর্বে বাংলাদেশে নাগরিকত্ববিষয়ক বিধি-বিধান নিয়ন্ত্রিত হতো ‘দি সিটিজেনশিপ অ্যাক্ট ১৯৫১ এবং ‘দি বাংলাদেশ সিটিজেনশিপ টেম্পোরারি প্রভিশন্স অর্ডার-১৯৭২’র মাধ্যমে। প্রস্তাবিত আইনটি বাংলাদেশ নাগরিকত্ব অধ্যাদেশ, ১৯৭২ এবং আইন কমিশনের ২০০৫ ও ২০১২ সালের সুপারিশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ আইনে ৬ অধ্যায় ও  ২৮টি ধারা রয়েছে। খসড়া আইনটি এখনো জাতীয় সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করা হয়নি।image1.jpeg
>> প্রস্তাবিত এ আইনে প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক, দ্বৈত নাগরিকত্ব অর্জনকারী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশে অবস্থানকারী অভিবাসীদের নাগরিকত্ব অর্জনের বিধানের সমালোচনা করছেন আইনজ্ঞ, অভিবাসী বিশেষজ্ঞ, মানবাধিকার নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ আইন কার্যকর হলে যারা প্রবাসী নাগরিক তারা বেশকিছু সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হারাবেন। তাদের মতে, আইনটি কার্যকর হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত হবেন। একই সঙ্গে প্রবাসে বসবাসরত দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জনের পথ রুদ্ধ করে দেয়া হবে এ আইনের মাধ্যমে। তাই আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার আগে এ নিয়ে আরো পর্যালোচনা ও বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন আইনজীবী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।  

alt
>> প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইনের ৬ ধারায় প্রবাসীগণের নাগরিকত্ব বিষয়ে বলা হয়েছে, বিদেশে বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্তে সরকারের কাছে তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ করতে পারবেন, যদি তার পিতা বা মাতা বা পিতামহ বা মাতামহ তিনি বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণের পূর্বে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন এভাবে শর্ত সাপেক্ষে কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব লাভের সিদ্ধান্ত যেমন সময়সাপেক্ষ তেমনি তা আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কবলে পড়তে পারে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে এটি ব্যবহৃত হতে পারে বলে মনে করেন তারা। আইনের ৭ নং ধারায় প্রবাসী নাগরিকদের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতার কথা বলা হয়েছে। যেমন ধারা ৬ এর অধীন নাগরিকত্ব প্রদান এবং বহাল রাখার ক্ষেত্রে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোনো শর্ত আরোপ করতে পারবে। প্রস্তাবিত আইনের ৭ এর (২) উপধারা অনুযায়ী ধারা ৬-এর অধীন নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হারাবেন। যেমন জাতীয় সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন, প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারকসহ প্রজাতন্ত্রের কোন কর্মে নিয়োগ লাভ, স্থানীয় সরকারসহ যে কোনো পদে নির্বাচন এবং কোনো রাজনৈতিক সংগঠন করা। ৮ ধারার ১ উপধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, জাতীয় সংসদ সদস্য বা সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত, শৃঙ্খলা বাহিনীতে বা প্রজাতন্ত্রের অসামরিক কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি তাহার কর্মে বা পদে নিয়োজিত থাকাকালিন সময়ে দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন না। প্রস্তাবিত আইন বিশ্লেষণ করে অভিবাসন ও আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ আইন দ্বারা প্রবাসের তৃতীয়, চতুর্থ  প্রজন্মকে বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দ্বৈত নাগরিকত্ব যাদের থাকবে তারা সরকারি চাকরি, সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনসহ সরকারি নানা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। এছাড়া  দ্বৈত নাগরিকত্ব, বংশসূত্রে ও সম্মানসূচক নাগরিকত্বসহ বৈবাহিক সূত্রে নাগরিকত্ব যারা গ্রহণ করবেন, তারা বিভিন্ন সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন এই আইনের মাধ্যমে। এতে করে সংবিধানের ২৭, ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করা হবে বলে মনে করেন তারা।   
>> সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক মানবজমিনকে বলেন, এটি এখনো খসড়া আইন। তবে, এ আইনে অনেকগুলো অগ্রহণযোগ্য দিক আছে। এতে বিভিন্ন কারণে নাগরিকত্ব বাতিলের ব্যবস্থা আছে। যেটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি। তিনি বলেন, সার্কভুক্ত দেশ ছাড়া অন্য দেশের নাগরিক হওয়া যাবে বলে খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। এটি হলে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে অবন্ধুসুলভ আচরণ করা হবে। আর দ্বৈত নাগরিকত্ব, বংশসূত্রে, বৈবাহিক সূত্রে নাগরিকত্বের বেলায় বৈষম্য করা হবে এই আইনে। আগে যারা বাংলাদেশি ছিল তাদের অনেকেই এখন পশ্চিমা দেশের নাগরিক হয়ে গেছে। তাদের ব্যাপারে এই আইন নিশ্চুপ। তাছাড়া, নাগরিক হয়ে গেলে তার সঙ্গে তো আর বৈষম্য করা যায় না। নাগরিকত্ব আইন এভাবে হতে  পারে না উল্লেখ করে আইনের খসড়া জনসম্মুখে উপস্থাপন করে এ বিষয়ে আরো পর্যালোচনার জন্য সরকারকে আহ্বান জানান ড. শাহদীন মালিক।
>> সুপ্রিম কোর্টের একজন খ্যাতনামা আইনজীবী আলাপকালে মানবজমিনকে বলেন, বাংলাদেশিরা অনেকেই বিদেশে গিয়ে সেখানকার পার্লামেন্ট, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এখন ওই বাংলাদেশি বিদেশে গিয়ে নানা সুবিধা নিতে পারবে, কিন্তু যেসব বাংলাদেশি বিদেশে গিয়ে বড় হয়েছে, লেখাপড়া শিখেছে তারা এদেশের কোন সাংবিধানিক ও নাগরিক সুবিধাই পাবে না,  এটি বৈষম্যমূলক।   
>> বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) অনারারি নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন মানবজমিনকে বলেন, প্রস্তাবিত এই খসড়া আইনটির সংজ্ঞা ও বিধান অস্পষ্ট। প্রবাসী এবং অভিবাসী হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যারা আছেন তারা এবং যারা বিবাহিত হয়ে বিদেশে গেছেন তারা এ আইনের মাধ্যমে যে কেউ বিপদে পড়তে পারেন। তিনি বলেন, প্রবাসীরা এই দেশের জন্য অনেক কিছু করছেন। তাদের মাধ্যমে প্রচুর রেমিটেন্স আসছে। এতে করে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে। অনেক প্রবাসীই নানা ভাবে বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। এখন এই আইন কার্যকর হলে আমরা কি তাদের বলতে পারবো-তোমাদের চিনি না, জানি না? ব্যারিস্টার সারা হোসেন আরো বলেন, এই আইন কার্যকর হলে দ্বৈত নাগরিকরা সংবিধান অনুযায়ী বিভিন্ন সুবিধা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। এটিও বৈষম্যমূলক। আমরা আশা করবো সরকার এই আইনটি পর্যালোচনা ও বিবেচনা করবে।   
>> এ বিষয়ে একজন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ মানবজমিনকে বলেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, বৃটেন সহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলো তাদের নিজের দেশের উন্নয়নের স্বার্থে অন্য দেশের মেধাবী ও পরিশ্রমী নাগরিকদের বিভিন্ন শর্তে নাগরিকত্ব দিচ্ছে। এতে অর্থনৈতিকসহ অন্যভাবেও দেশগুলো উপকৃত হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের নাগরিকরাও মর্যাদার সঙ্গে যেমন ওইসব দেশে বসবাস করছেন তেমনি আয়ের একটি অংশ পাঠাচ্ছেন এই দেশে। এখন নতুন আইন কার্যকর হলে ওইসব প্রবাসীরা বাংলাদেশের প্রতি উৎসাহ হারিয়ে ফেলবেন। একটি সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে এটি বাংলাদেশের জন্য শোভনীয় হবে না। ওই বিশেষজ্ঞ আরো বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উঁচুস্থানে উপস্থাপন করাচ্ছেন। দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনছেন। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স দিয়ে বাংলাদেশ অর্থনীতিতে সমৃদ্ধশালী হচ্ছে। এখন এধরনের আইন হলে তাদের শৃঙ্খল পরানো হবে। সঙ্গতকারণেই প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি সরকারের দেখভালের প্রয়োজন রয়েছে।  
>> অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য রাইটস অব বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্টসের (ওয়েরবি) চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুল হক মানবজমিনকে বলেন, সরকারি হিসেবে বিশ্বের ১৬৯টি দেশে বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছেন। কিন্তু সব দেশে বাংলাদেশি হাইকমিশন বা কনস্যুলেট নেই। এখন এসব দেশে রেজিস্ট্রেশন কিভাবে হবে বা আদৌ তা সম্ভব হবে কিনা সে বিষয়টি আইনে স্পষ্ট নয়। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে জন্ম নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় বা নিয়ম মানা হয় না। কিন্তু অন্য দেশে নাগরিকত্ব পেতে দুই বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক- এটি অযৌক্তিক। সৈয়দ সাইফুল হক বলেন, আইন দ্বারা একজন উন্নয়নের অংশীদারকে আটকে দেয়া উচিত হবে কিনা, সেটি সরকারকে ভেবে দেখতে হবে।  


ডা. হেলেন ও ডা. টমাস রায় দম্পতির বড়দিন উদযাপন

রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, আয়েশ আক্তার রুবি, বাপসনিউজ : উদয়ন শিল্পী গোষ্ঠী নিউইয়র্কের সভাপতি ডা. টমাস দুলু রায় এবং ডা. হেলেন রায় দম্পতির উদ্যোগে গত ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নিউইয়র্কের বাঙ্গালী অধ্যাষিত জ্যামাইকার পানসি রেষ্টুরেন্টে বড়দিন উদযাপন করা হয়। খবর বাপসনিউজ।বড়দিন উদযাপন অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডা-টমাস দুলু রায়।

alt

বিশিষ্ট তবলা শিল্পী পিনাক পানি গোসামীর তবলায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন এবং কবিতা আবৃত্তি করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক,সংগীত শিল্পী শরফুজজামান মুকুল, ডা ও টমাস দুলু রায়। বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাসুদুল হাসান ও বিশিষ্ট রিয়েলেটর ও কমিউনিটি এক্টিভিষ্ট নাসির আলী খান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহীম বাদশা, জ্যামাইকা ফেনড সোসাইটির সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার , সাবেক সভাপতি মেসবাহ উজ্জামান, সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল ইসলাম, সভাপতি বিল্লাল চৌধুরী,শেখ কিশোরগঞ্জ ডিষ্টিক এসোসিয়েসন ইউএসএর সাবেক সভাপতি এবিএম ওসমান গণি,শেখ হায়দার আলী প্রমুখ।অন্যাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট রিয়েলেটর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা সরাফ সরকার , সাপ্তাহিক পত্রিকা সম্পাদক নাজমুল আহসান , নিউজ পোর্টাল মুক্তিবাতা ২৪ ডটকম. সম্পাদক সাহাবউদ্দিন সাগর, লেখক ফাহিম রেজা নূর, চ্যানেল আই প্রতিনিধি মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমদ , এটিএনবাংলা প্রতিনিধি কানু দত্ত , টিভিএন ২৪ প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম রফিক , নারী নেত্রী সপ্না খান, রোজী , মিসেস নূর, মিসেস ওসমানগণি এবং কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক আয়েশা আক্তার রুবি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বড়দিনের প্রার্থনা করেন বেথল ব্যাপটিটে চার্চের রেভায়েন্ড ডেভিট অধিকারী । তিনি বলেন, যিশুর বাণী সবাইকে ছড়িয়ে দিতে হবে।

alt

সব ধরনের সহিংসতা থেকে নিজেকে দূরে রেখে পবিত্র আতœায় ঈশ^রকে স্বরণ করতে হবে। তিনি আমেরিকা যাতে সব ধর্মের মানুষের নিরাপদ বাসযোগ্য হয় এবং ধর্ম নিয়ে যাতে কেউ রাজনীতি না করেন সে আহবান জানান।ডা. টমাস দুলু রায় বলেন, নিউইয়র্কের সহ¯্রাধিক বাঙ্গালী খ্রিষ্টান রয়েছে। কুইন্সের উডসাইড এবং জ্যামাইকা মিলে চারটি বাঙ্গালী পরিচালনাধীন চার্চ রয়েছে। এসব চার্চে বড়দিনের উৎসব চলছে। তিনি বলেন, “ধর্ম যার যার –কিন্তুু উৎসব সবার। সে চিন্তা করেই আমরা প্রতিবছর বড়দিনের আগে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করি । এবার ও তার ব্যাতিক্রম হয়নি।

alt
অনুষ্ঠানে সঙ্গীতানুষ্ঠানের পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তি ,কৌতুক পরিবেশন করেন নাসির আলী খান পল, মেসবাহউজ্জামান, এবিএম ওসমানগণি, সরাফ সরকার প্রমুখ।

alt
অনুষ্ঠানে কবিতা, গান আর কৌতুক উপভোগ্য হয়ে ওঠে এবং রাত বাজার সঙ্গে সর্বজনীন মিলন মেলায় পরিণত হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার মাঝে বড়দিনের উপহার বিতরণ করেন। রেভারেন্ট অধিকারী এবং রকমারী আয়োজনে সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ণ করা হয়।


শেখ হাসিনা মঞ্চ যুক্তরাষ্ট্রের মহান বিজয় দিবস উদযাপিত জাতির পিতার স্বপ্ন পূরনে আরও অবদান রাখার অঙ্গীকার

বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ : সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার অঙ্গীকার পূরণে আরও অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি প্রদানের মধ্য দিয়ে গত ১৯ ডিসেম্বর সোমবার, রাত ৭টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের খাবার বাড়ী চাইনিজ রেষ্ঠুরেন্টে জাতির পিতার নেতৃত্বে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ব্যাপক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ করণীয়ের ওপর শেখ হাসিনা মঞ্চ যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে মহান বিজয়ের  ৪৫তম বার্ষিকীর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। খবর বাপসনিউজ।

alt

জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিবসের সুচনা করা হয়।শেখ হাসিনা মঞ্চ যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিলের সভাপতিত্ত্বে ও সাধারন সম্পাদক কায়কোবাদ খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। প্রধান বক্তা ছিলেন  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি লুৎফুল করিম।

alt
বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা মঞ্চ যুক্তরাষ্ট্রের ডাঃ মাসুদুল হাসান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা মঞ্চ যুক্তরাষ্ট্রের উপদেষ্ঠা সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন , যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ-এর দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,  মুক্তিযোদ্ধা আলী আক্কাস, খন্দকার আলী আক্কাস, ফারুক হোসাইন, মৌলভী বাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সিদ্দিকুল হাসান, নূরে আজম বাবু, জাহিদুল ইসলাম আকতার হোসেন,গোলাম কুদ্দুস, যুক্তরাষ্ট্র  মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক মমতাজ শাহনাজ,আমরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন-এর সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের আহবায়ক গোলাম এম খাঁন লিপটন , সৈয়দ ইকবাল হোসেন, আসাফ মাসুক, প্রকৌশলী মিজানুল হাসান, জেসমিন আক্তার কোহিনূর, এনায়েত হোসেন , আইয়ুব  আলী, শরীফ কামরুল আলম হিরা, মাহবুব লস্কর , টি মোল্লা , নূরুল হক খান, নজরুল হক চৌধুরী, সৈয়দ ইকবাল হোসেন, জাকির হোসেন, এস এম আর মামুন, খাইরুল ইসলাম, সেলিম চৌধুরী,জাতীয় শ্রমিক লীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন ও সাধারন সম্পাদক জুয়েল আহমদ।

alt
অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মান জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সর্বস্তরের প্রবাসী বাঙালিদের ব্যাপক সমাগমে মুখরিত এ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্বে ব্যাপক সুনাম অর্জন  করেছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ অর্জনের পর এখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো অর্জনেও বাংলাদেশ বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে।

alt
প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বহুমুখী সাফল্যের জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা তাঁকে পুরস্কৃত করেছে। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জাতিসংঘেও বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, প্রবাসীরাও বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন এবং জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পুরোপুরি বাস্তবায়নে সকল প্রবাসী বাঙালিকে আরও অবদান রাখার আহবান জানান।


প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ সকল প্রবাসীকে তাঁদের নিজ গ্রামে ও শিক্ষাঙ্গনে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে খেলাধুলা ও আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজনের আহবান জানান। এর মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আরও গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ হবে। ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় ব্যাপক অবদান রাখতে সমর্থ হবে।
 alt
 
সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।
 


চায়ের আড্ডায় কবিতায় প্রবাসীকুটুম এবিএম সালেহ উদ্দীন ও হাকিকুল ইসলাম খোকন সম্মানীত

বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৬

alt

আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিউজ ঃ কবিসংসদ বাংলাদেশ আয়োজিত চায়ের আড্ডায় কবিতায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সুপরিচিত দুই কবি ও প্রাবন্ধিক এবং সাংবাদিক এবিএম সালেহ উদ্দীন ও হাকিকুল ইসলাম খোকন সম্মানীত হলেন গত ২৮ নভেম্বর সোমবার , সন্ধ্যা ৭টায় ১০ কবি জসিম উদ্দীন রোড, কমলাপুর ঢাকাস্থ কবি বাড়িতে। খবর বাপসনিউজ।

alt
কবিসংসদ বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম কনক-এর সুচারু উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত চায়ের আড্ডায় কবিতানুষ্ঠানে আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, বাপসনিউজ এডিটর , বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম প্রধান সম্পাদক, কবি ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,কবি ও প্রাবন্ধিক এবিএম সালেহ উদ্দীন এবং কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক আয়েশা আক্তার রুবিকে কবি বাড়িতে কবিসংসদ বাংলাদেশ- এর পক্ষ খেকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাদর অভ্যর্থনা জানানো হয়।

alt
আড্ডাজনে আলোকপাত করেন কবিসংসদ বাংলাদেশের স্থায়ী পরিষদ সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুল, সহ-সভাপতি ও পল্লি কবি জসিম উদ্দীন তনয় খুরশীদ আনোয়ার জসীম উদ্দীন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক পান্না রানী রায়, লেখক কল্যান সম্পাদক অথই নূরুল আমিন, আন্তজার্তিক সম্পাদক সেতু পারভেজ, প্রকাশনা সম্পাদক বাপ্পী রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী সাহা, কবি ফারুক প্রধান ,কবি মিয়া আসলাম,কবি হোসনে আরা হিরা,ছডাকার মালেক মাহমুদ,কবি আবদুল গনি মিয়া,কবি রুবেল আহমেদ,কবি খাদেমুল ইসলাম প্রমুখ।

alt
আড্ডায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এবিএম সালেহ উদ্দীন এবং হাকিকুল ইসলাম খোকন বাঙ্গালী সাংস্কৃতি, সাহিত্যে অসামান্য অবদান রাখায় কবিসংসদ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এবিএম সালেহ উদ্দীন ও হাকিকুল ইসলাম খোকনকে সম্মাননা সাইটেশন প্রদান করা হয়।

alt
কবি ও কলামিষ্ট এবিএম সালেহ উদ্দীন এবং সাংবাদিক ও কবি হাকিকুল ইসলাম খোকন কবিসংসদ বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান তাদেরকে সম্মাননা দেওয়ার জন্য। তারা বলেন যুক্তরাষ্টে বাঙ্গালী সংস্কৃতি এখন শক্তিশালী।

alt

কমিউনিটি বড় হচ্ছে পাশাপাশি বাঙ্গালী সাংস্কৃতিক বড় হচ্ছে। প্রবাসে বাঙ্গালী সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে আমরা গর্ববোধ করতে পারি। অনুষ্ঠান শেষে চা চক্রের মাধ্যমে সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।


জাতিসংঘের সামনে নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কয়ালিশনের র‌্যালিতে খোকন-এর যোগদান

মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৬

alt
আয়েশা আক্তার রুবি, বাপসনিউজ : গত ১৮ ডিসেম্বর রবিবার, জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে ৪৭ ষ্ট্রীট ২ এভিনিউতে নিউইয়র্ক কয়ালিশনের উদ্যোগে অপরাহ্ন ১২টায় এক বর্ণাঢ্য ইমিগ্রেশন র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

alt

উক্ত র‌্যালিতে বিশে^র বিভিন দেশের কমিউনিটির নেতৃবৃন্দসহ সহ¯্রাধিক লোকের সমাবেশ ঘটে। এতে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেস এবং নিউইয়র্ক ষ্টেট ও সিটিসহ মুলধারর নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

alt

উক্ত র‌্যালিতে বাংলাদেশ কমিউনিটি আমন্ত্রিত অতিথি বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন অংশ নেন। ছবিঃ বাপসনিউজ।


বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএস’র মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্য বদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যথাযথ মর্যদার সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ উদ্যোগে ৪৫তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়। গত ১‘৮ ডিসেম্বর, রবিবার, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নিউইয়র্কের এষ্টোরিয়ার বৈশাখী রেষ্ঠুরেন্টে সংগঠনের সহ-সভাপতি আব্দুল বাসার মিলনের সভাপতিত্ত্বে ও সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশীদ-এর সুচারু উপস্থাপনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। প্রধান বক্তা ছিলেন  বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ প্রধান উপদেষ্টা , যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ-এর উপদেষ্টা  এবিসিডিআই সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপরঞ্জন কর।

alt
বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ উপদেষ্ঠা সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ উপদেষ্ঠা ও মুক্তিযোদ্ধা ডা. টমাস দুলু রায়, ষ্ট্যাডিং কমিটির সদস্য কাজল আরেফীন , এমাদ চৌধুরী, শওকত আকবর রিচি,আ:লীগনেতা রফিকুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা উলফৎ আলী মোল্লা ,নিউইয়র্ক ষ্টেঠ আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শাহীন আজমল , যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মমতাজ শাহনাজ,সাবেক ছাত্রনেতা আক্তার হোসেন , মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল খান আনসারী, বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ উপদেষ্ঠা টি মোল্লা, আ:লীগনেতাশাহদৎ হোসেন ,আওয়ামীলীগ নেতা আবদুল হামিদ, এমএন জিননাত, জাকির হোসেন বাচচ, আ:লীগ নেতা এম আর সেলিম, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির সাবেক সভাপতি কাজী জামান মিঠু  । অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন আজহারুল ইসহাক খোকা, এমএস জিননা প্রমুখ।

alt
বিজয় দিবস উপলক্ষে একটি উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়। আহবায়ক আজহারুল ইসহাক খোকা, যুগ্ম-আহবায়ক নজরুল ইসলাম, কাজী সফিকুল ইসলাম সফিক ও শহীদুল ইসলাম শহীদ, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান, যুগ্ম-সদস্য সচিব আব্দুল হক ও শরিয়ত উল্লাহ, প্রধান সমন্বয়কারী ফারুক হোসাইন, সমন্বয়কারী আবুল হাবিব ও আনোয়ার হোসাইন, মাইন উদ্দীন মঈন, আবুল বাশার মিলন, মাওলানা সাইফুল আলম সিদ্দিকী, সহিদুল ইসলাম সহিদ, এহসানুল হক বাবুল , রফিকুল ইসলাম , আবুল কালাম, আজাদ , সারোয়ার হোসাইন , জোহাউজ্জামান জোহা, নীলুফার রশীদ, মনিরুল হুদা, বাবু শান্তী রঞ্জন, গাজী নান্টু, কানিজ আ্য়শা।

alt
২য় পবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রবাসের বিশিষ্ঠ শিল্পীদের মাঝে সংঙ্গীত পরিবেশন করেন সবিতা দাস, কৃষœা সরকার,আবুল হাবিব, মেহেরবা ইসলাম জুই,তপন দেওয়ান,সাইমা জামান পারভিন,কানিজ আয়শা, নিলুফার রশিদ ও কামরুজ্জামান প্রমুখ এবং স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং কবিতা আবৃত্তি করেন মেহেরবা ইসলাম জুই,এমএম তিথি এবং আ;হক।

alt
 বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সহ-সভাপতি মাওলানা সাইফুল আলম সিদ্দিকী ও গীতা পাঠ করেন শান্তি রঞ্জন এবং সবিতা দাসের নেতৃত্বে সমবেত কন্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ও আমেরিকার ন্যাশনাল এন্তাম পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।

alt
উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে উঠে আসে জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে সূদীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, বাঙালির বিজয় অর্জনের ইতিহাস, দেশের ব্যাপক উন্নয়ন এবং রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সর্বস্তরের প্রবাসী বাঙালিদের সমাগমে মুখরিত এ আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্বে ব্যাপক সুনাম অর্জন  করেছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ অর্জনের পর এখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো অর্জনেও বাংলাদেশ বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে।

alt
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বহুমুখী সাফল্যের জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা তাঁকে পুরস্কৃত করেছে। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জাতিসংঘেও বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, প্রবাসীরাও বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন এবং জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পুরোপুরি বাস্তবায়নে সকল প্রবাসী বাঙালিকে আরও অবদান রাখার আহবান জানান।

alt
তিনি সকল প্রবাসীকে তাঁদের নিজ গ্রামে ও শিক্ষাঙ্গনে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে খেলাধুলা ও আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজনের আহবান জানান। এর মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আরও গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ হবে। ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় ব্যাপক অবদান রাখতে সমর্থ হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে আরও এগিয়ে নিতে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের মূখ্য আলোচক বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ প্রধান উপদেষ্টা ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ-এর উপদেষ্টা এবং এবিসিডিআই সভাপতি  মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপরঞ্জন করলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁর স্মৃতি তুলে ধরে বলেন, “জাতির পিতা অত্যন্ত সুনিপুনভাবে, ধীরে ধীরে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন”। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী নেতৃত্বই ছিল বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশে বাঙালি জাতিকে উদ্বুদ্ধ করার মূলমন্ত্র। বাংলাদেশের অসামান্য অর্জনের পিছনে প্রধানমন্ত্রীর সাহসী, দূরদর্শী ও জনমূখী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরে তিনি প্রবাসী বাঙালিদের দেশ ও জাতির উন্নয়নে আরও বেশী অবদান রাখার আহ্বান জানান। উপদেষ্টা নতুন প্রজন্মকে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আরও ব্যাপকভাবে জানতে এবং এরই আলোকে ভবিষৎ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতে উদ্বুদ্ধ করেন।  

alt
সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।