Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

মিস্ নেপাল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী ফ্যাশন ডিজাইনার রুনি’র বর্ণাঢ্য ফ্যাশন শো

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ২২শে আগস্ট শনিবার সন্ধ্যা ৮টায় ম্যানহাটানের এক সু-বিশাল অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মিস্্ নেপাল ইউ এস ২০১৫ প্রতিযোগিতা।

Runis Desire 1
আয়োজকদের বিশেষ অনুরোধে ফ্যাশন ডিজাইনার রুনি ২৬ জন মডেলদের সমন্বয়ে এক মনোমুগ্ধকর ফ্যাশন শো উপস্থাপন করেন, যা উপস্থিত দর্শকদের ভুয়সী প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়। দর্শক সাড়িতে আমেরিকান সহ সব দেশীয়দের উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়।খবর বাপসনিঊজ:

alt
নেপালের প্রধানমন্ত্রী, বলিউড সুপারস্টার মনিসা কইরালা, সুনিল থাপা সহ অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন উক্ত অনুষ্ঠানে।

alt
ফ্যাশন ডিজাইনার রুনির মডেলদের মধ্যে এমেরিকান, বাংলাদেশী, পাকিস্তান, (মিস্টার পাকিস্তানসহ) ভারতীয়, ব্যাংকক, রাশিয়া ও নেপালের মডেল ছিলেন।

alt

মডেলদের  অনবদ্য পারফরমেন্স সবাইকে মুগ্ধ করে, দর্শকদের উচ্ছাস ও করতালির মাধ্যমে তা প্রকাশ পাচ্ছিল বার বার। ডিজাইনার রুনির এই পরিবেশনায় ঊনাকে সহযোগিতা করেছেন মিসেস সুম্বুল আহমেদ।

alt

মিউজিকে ছিলেন তরুন সুরকার ও গীতিকার রাজিব রহমান। ফটোগ্রাফিতে ছিলেন নিহার সিদ্দিকী এবং ফায়সাল ফটোগ্রাফি। কাস্টিং ডিরেক্টর সানি। মুল আয়োজক অমিত শাহ।

alt
অনুষ্ঠান শেষে বলিউড সুপারস্টার মনিসা কইরালা ডিজাইনার রুনির ডিজাইনকৃত পোশাকের ভুয়সী প্রশংসা করেন এবং বোম্বের ফিল্মে আসার আমন্ত্রন জানান। এটা নিঃসন্দেহে ডিজাইনার রুনির ক্যারিয়ারের ইতিবাচক দিক বলে পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন।


মন্ত্রী মোশারফ ও সাংসদ দবিরুলের জমি দখলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গতকাল ২২শে আগষ্ট নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটস-এর বাংলাদেশ প্লাজার কনফারেন্স রুমে প্রবাসের কবি-সাহিত্যিক-লেখক-সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের উদ্যোগে সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার, ব্লগার ও শিশু হত্যা এবং মন্ত্রী মোশারফ ও সাংসদ দবিরুল ইসলামের সংখ্যালঘু সম্পত্তি জবরদখলের প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
 সংবাদ সম্মেলনে দু’টি লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন যথাক্রমে লেখক সাংবাদিক শিতাংশু গুহ ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মিথুন আহমেদ। সভা সঞ্চালনা করেন উদীচীর সিনিয়র সহ সভাপতি সুব্রত বিশ^াস।
002
সংবাদ সম্মেলনে বিভিনন পশন ঊওরদেন অধুনালুপত প্রবাসী পত্রিকার সম্পাদক ও প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ, একুশের পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট  নাট্যকার জামাল উদ্দিন আহমেদ, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক কবীর আনোয়ার, বিশিষ্ট লোকগীতি শিল্পী দুলাল ভৌমিক,  মুজাহিদ আনসারী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নেতা অধ্যাপক নবেন্দু দত্ত, ডা:টমাস দুলু রায়, চন্দন সেনগুপ্ত, রবীন্দ্র সরকার, প্রবীর গুন, শংকর দেবনাথ, শুভ রায় প্রমুখ। খবর বাপসনিঊজ:
কবীর আনোয়ার বলেন, মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার কোন সুযোগ নেই দেশে। নেই বলেই মুক্তমনা লেখক প্রবীর সিকদারকে মন্ত্রী মোশারফের সংখ্যালঘু সম্পত্তি দখলের বিরুদ্ধে লেখায় মন্ত্রীর প্রতিশোধের শিকার হয়ে চরম অন্যায় ভাবে জেলে যেতে হয়েছে। তিনি অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে মন্ত্রী মোশারফের অন্যায় কর্মকান্ড বন্ধের আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, যত তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা গৃহীত গ্রহন করা হবে তত মঙ্গল,  না হলে দুর্গন্ধ বেরুতেই থাকবে।
  সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, তালিকা প্রকাশ করে একের পর এক ব্লগার হত্যা করা হচ্ছে। আজ পর্যন্ত সরকার একটি হত্যাকান্ডের বিচার করেনি। এ ব্যাপারে সরকার ও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কথাবার্তা ও আচরণ খুনী ও মৌলবাদীদের আশকারা বৃদ্ধির ইন্ধন যোগাচ্ছে। মৌলবাদের  বিরুদ্ধে বিরাট শক্তি হিসেবে গড়ে ওঠা গণজাগরন মঞ্চকে ভেঙ্গে দিয়ে সরকার মৌলবাদীদের উৎসাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
জামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, মৌলবাদের প্রতি সরকারের দুর্বলতার কারণে দেশে ধর্মনিরপেক্ষ সম্প্রীতি আজ হুমকির সম্মূখীন। উদ্বেগজনক হারে শিশু নির্যাতন, নারী নির্যাতন, হত্যা দেশে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটেছে।
সভায় সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের মামলা প্রত্যাহার, মন্ত্রী মোশারফের পদত্যাগ, মুক্তিযোদ্ধা মনজ মুখার্জি সহ মন্ত্রীর প্রতিশোধ স্পৃহার শিকার হয়ে ফরিদপুরে যেসব ব্যক্তিবর্গ জেলে আছেন অবিলম্বে তাদের মুক্তি, মন্ত্রী মোশারফ ও সাংসদ দবিরুল ইসলামের সংখ্যালঘু জমি দখলের বিরুদ্ধে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে সুষ্ঠু তদন্ত করা এবং দখলকৃত জমি পূর্বোক্ত মালিক অরুণ গুহ মজুমদার ও সাওতালদের কাছে ফেরত দেওয়া সহ বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয়। এতদ্ব্যতীত মন্ত্রী মোশারফ ও দবিরুল ইসলামের জমি দখল সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ ও দলিল সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।
 003
সংবাদ সম্মেলনে  লিখিত বক্তব্য  সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মিথুন আহমেদ বলেন,
 প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা, দেশ নি¤œ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে বলে আমরা খুশীতে ঢোল পেটাচ্ছি। অবশ্যই এটা খুশির খবর। যদিও পরিসংখ্যান বলছে এখনও পাঁচ কোটিরও অধিক জনসংখ্যা নি¤œ আয়ের পর্যায় রয়েছেন। অন্যদিকে আমরা কি দেখছি। দেশব্যাপী নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন ও হত্যা বীভৎস আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি দু’জন মহিলা এসিডের শিকার হয়েছেন। একজনের মুখের ভেতর এসিড ঢেলে দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিয়ত মহিলারা যৌতুকের শিকার হচ্ছেন। শিশু হত্যা আশঙ্কজনক হারে বেড়েছে। মানুষ মানুষকে পেটাচ্ছে, অসহায় শিশুকে হাত পা বেঁধে নির্দয়ভাবে পেটানো হচ্ছে। আর একদল অমানুষ চারপাশে দাঁড়িয়ে এসব অমানবিক করুণ দৃশ্য দেখে দেখে উপভোগ করছে। সিলেটে রাজন হত্যার বর্বর দৃশ্য সেই কথারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এরূপ ঘটনা ও দৃশ্য সুদূর অতীতেও ঘটতে দেখা যায়নি। রাজন সহ শিশু হত্যাকান্ডগুলো সমাজ ও জাতির চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে সমাজের মূল্যবোধ কতটা নীচে নেমে গেলে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে।
অপরদিকে মুক্তমনা, মুক্তচিন্তা ও  মুক্তবুদ্ধির মানুষের ওপর ঘটে চলেছে একের এক আক্রমণ এবং হত্যাকান্ড। গত বছর দেড়েক সময়ের মধ্যে রাজীব, ওয়াশিকুর রহমান, অভিজিৎ, অনন্ত, নিলাদ্রী সহ দশজন মুক্তচিন্তার ব্লগারকে হত্যা করা হয়েছে। এসব ঘটনা ঘটার আগে মৌলবাদী গোষ্ঠী ৮৪ জন প্রগতিশীল লেখক-সাহিত্যিক ও মুক্তচিন্তার ব্লগার হত্যার একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। ইতিমধ্যে যারা হত্যার শিকার হয়েছেন তাদের বেশিরভাগই ঐ তালিকার অন্তর্ভুক্ত নন। আইন শৃৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব তালিকা প্রকাশকারীদের উৎস খুঁজে বের করা। হুমকির মুখে যারা আছেন তাদের জীবনের নিশ্চয়তা বিধান করা। পুলিশ সে কাজগুলো করেনি। অধিকন্তু পুলিশ নিরাপত্ত বিধান না করে বিদেশে চলে যাবার পরামর্শ দেয়। ইতিমধ্যে যারা খুন হয়েছেন দুঃখজনক হলেও সত্য তাদের একজনেরও বিচার হয়নি। অথচ উচিত ছিল দ্রুত বিচার আইনে এসব হত্যাকান্ডের বিচার করা। বিচার, তদন্ত ও গ্রেফতারে বিলম্বের কারণে খুনীরা আশকারা পাচ্ছে। নতুন নতুন খুনে আগ্রহ ও উৎসাহ যোগাচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রেক্ষিতে সরকার ও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা খুনীদের প্রতি কঠোর না হয়ে ব্লগার বা আক্রান্তকারীদের প্রতি তাদের বক্তব্য, কথাবার্তা ও আচরণ খুনীদের আশকারা বৃদ্ধিতে ইন্ধন যোগাচ্ছে।
প্রসঙ্গত ২১শে আগষ্টের ন্যায় বর্বর হত্যাকান্ডের বিচার চারদলীয় সরকারের কথা বাদ দিলে বর্তমান সরকারের ৭ বছরেও সম্পন্ন করতে পারেনি। পহেলা বৈশাখ নারী নির্যাতনের ঘটনায় সমদ্র জাতি ক্ষোব্দ। অথচ আজ পর্যন্ত একজন আসামী ধরা পড়েনি। অধিকন্তু যারা বিচারের দাবী নিয়ে আন্দোলন করছে সরকার ও প্রশাসন তাদের ওপর চড়াও হচ্ছে। যুদ্ধপরাধী মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে জাতির অভূতপূর্ব ঐক্যমঞ্চ ’গণজাগরন মঞ্চ’ গড়ে উঠেছিল। যে মঞ্চ মৌলবাদী শক্তি মোকাবেলায় শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। সেটিকে ভেঙ্গে  দিয়ে মৌলবাদীদের আশকারা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভোটের ও ক্ষমতার প্রয়োজনে ধর্মকে ব্যবহার করার অশুভ ইঙ্গিত আমরা লক্ষ্য করছি। একই উদ্দেশ্যে মৌলবাদী গোষ্ঠীর প্রতি দুর্বলতা ও আপোষের ঘটনাও আমরা লক্ষ্য করছি। এসব দুর্বলতা ও অশুভ সম্পর্কের প্রকাশ সম্প্রতি দলের অঙ্গ সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত ও পরিচালিত ওলামা লীগের কর্মকান্ড চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল, হাইকোর্ট, সুপ্রীম কোর্ট একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দেওয়ার পরও কোর্টে দায়েরকৃত একটি ঠুনকো মামলার অজুহাত দেখিয়ে দলটি নিষিদ্ধ করার সমগ্র জাতির দাবিকে চরমভাবে উপেক্ষা করা হচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীদের ুদ্রুত বিচার ও রায় কার্যকর করার ক্ষেত্রেও চলছে দীর্ঘসূত্রিতার টালবাহানা।
  অপরদিকে ব্যাপক হারে জামাত-শিবিরকে দলভুক্ত করা হচ্ছে। তাদের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের মামলা প্রত্যাহারে সহযোগিতা করা হচ্ছে। শিবির ক্যাডারদের চাকুরী ও ব্যবসার সযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। পত্রপত্রিকার খবর অনুসারে এযাবৎ ১৭ হাজার জামাত-শিবিরকে দলভুক্ত করা হয়েছে। এসব ঘটনার পাশাপাশি দলের অভ্যন্তরে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির কোন্দল ইতিমধ্যে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে। সরকার এসব বন্ধ করতে কঠোর অবস্থান থেকে ক্রস ফায়ারের মাধ্যমে হত্যার পথ বেঁচে নিয়েছে বলে আমাদের ধারনা। আমরা চাই অপরাধীরা শাস্তি পাক। কিন্তু সরকার যে পথ অবলম্বন করছে সেটি কোন সঠিক পথ হতে পারেনা।
আমরা মনে করি দেশে ও সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বিচারাধীন সকল মামলা দ্রুত নিস্পত্তি করতে হবে। মৌলবাদীদের প্রতি কোন প্রকার দুর্বলতার সংশ্রব না রেখে জামাতে ইসলামী দল নিষিদ্ধ করতে হবে। তাদের সকল অর্থের উৎস পথ বন্ধ করতে হবে। তাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে হবে। সন্ত্রাসের উৎস পথ বন্ধ করতে হলে কওমী মাদ্রাসাগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে। আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি দীর্ঘদিন থেকে জাতি এ দাবিগুলো করে আসা সত্বে সরকার কোন প্রকার ভ্রক্ষেপ করছে না। ফলে ক্রমান্বয়ে অবস্থার অবনতি ঘটছে। এখানেই আমাদের উদ্বেগ আশঙ্কার কারণ। আমাদের এই উদ্বেগ ও আশঙ্কার কথা জানাতেই আজ আমরা এখানে আপনাদের আহ্বান জানিয়েছি। সকলকে ধন্যবাদ

001

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ:
সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রী-সাংসদদের হিন্দু সম্পত্তি দখল এবং পঙ্গু সাংবাদিক প্রবীর শিকদারের গ্রেফতার ঘটনায় দেশে ও প্রবাসে বাংলাদেশের মানুষ যথেস্ট সোচ্চার। সবার সন্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রবীর শিকদার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তার মুক্তির পেছনে সরকারের সর্বচ্চো মহল এবং সাংবাদিকদের প্রচেষ্টার জন্যে আমি তাদের এবং অন্যান্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন একজন সাংবাদিককে অকারণে অযথা হয়রানী এবং গ্রেফতার? একজন মানুষ যখন কাৱো হুমকীৱ কাৱনে জীবণাশঙ্কা বোধ করেন এবং থানায় অভিযোগ করে প্রতিকাৱ না পেয়ে ফেসবুকে পোষ্ট করেন, সেক্ষেত্রে তাৱ অভিযোগেৱ তদন্ত না করে তাৱই বিরূদ্ধে কেন মামলা হয়? এর পেছনে কে এবং তাদের উদ্দেশ্য কি? আপনারা সবাই জানেন যে, প্রবীর শিকদার তিনজনের বিরুদ্ধে লিখেছেন, এরমধ্যে একজন মন্ত্রী এবং তার বিরুদ্ধে  প্রায় ৭০ কোটি টাকার হিন্দু সম্পত্তি 'দয়াময়ী ভবন' দখলের অভিযোগ উঠেছে। এই মন্ত্রীই প্রবীর শিকদার গ্রেফতার নাটকের পেছনে।
প্রসিকিউটর ও ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত সম্প্রতি এক প্রেস-কনফারেন্সে মন্ত্রী ও সাংসদদের বিরুদ্ধে হিন্দু সম্পত্তি দখলের যে অভিযোগ তুলেছেন তাতে এলজিআরডি মন্ত্রী, সাংসদ দবিরুল ইসলাম, মাহবুব আরা গিনি, প্রমুখের নাম উল্লেখ আছে। মন্ত্রী এতে বেজায় ক্ষেপেছেন এবং এ সময়ে রানা দাশগুপ্তের পেছনে লেগেছেন। তাকে ২৩শে আগস্ট ফরিদপুরে এডিসি রেভিনিউ'র অফিসে হাজিরা দিতে নোটিশ জারী হয়েছে, যদিও তিনি প্রসিকিউশনের কাজে ব্যস্ত থাকবেন বলে যেতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
দয়াময়ী ভবন দখলে যারাই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গেছেন, মন্ত্রী ও তার বাহিনী ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হয়রানী, মারধর করে চুপ করিয়ে দিয়েছেন বা দেয়ার চেষ্টা করছেন। মন্ত্রীর সর্বশেষ শিকার সাংবাদিক প্রবীর শিকদার। তারপর রানা দাশগুপ্ত। মানবাধিকার কর্মী সুপ্রিমকোর্টের এডভোকেট রবীন্দ্র ঘোষ গিয়েছিলেন দয়াময়ী ভবন তদন্ত করতে। মন্ত্রী ৮ই আগস্ট সকাল দশটায় রবীন্দ্রবাবুকে নিজে ফোন করে জানতে চান, কেন তিনি ওই ভবনে গিয়েছিলেন এবং কার অনুমতি নিয়ে গিয়েছিলেন। একইদিন ডিবি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার  তাকে ডেকে পাঠান এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
মন্ত্রীর এপিএস সত্যজিত মুখার্জী। তিনি দয়াময়ী ভবন দখলের বিষয়টির প্রতিবাদ করেন। ফলে ১৬এপ্রিল তার চাকুরী যায়। ১৭ এপ্রিল জেলা ছাত্রলীগ কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব পাঠায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে, কেন্দ্র দেয়নি। ২৪ মে তাই জেলা ছাত্রলীগ কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়। এপ্রিল-মে এই সময়ে তার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়। ১লা মে মন্ত্রী তার বাসায় শতাধিক কর্মীর সামনে প্রকাশ্যে সত্যজিতের বিরুদ্ধে আইনবিরুদ্ধ হুমকি দেন। সদ্য সত্যজিতবাবুর সম্পত্তির হিসাব চেয়েছে দুদক। বুঝতে কারো অসুবিধা হবার কথা নয়, এর পেছনে মন্ত্রী এবং এভাবেই তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। সত্যজিত মুখার্জীর বাবা মানস মুখার্জী। একজন মুক্তিযোদ্ধা। শিক্ষক। শুধুমাত্র বাবা হবার অপরাধে ৭০ বছরের এই বৃদ্ধকেও পুত্রের মামলায় জড়ানো হয় এবং গ্রেফতার করা হয়। ৯ই আগস্ট একটি মিডিয়ায় হেডিং এসেছে, 'কারাগারই মুক্তিযোদ্ধা মানস মুখার্জীর ঘরবাড়ী'। সত্যজিতের মা মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছিলেন। একইদিন মন্ত্রীর একজন সহকারী পাল্টা ফোনে জানান, সত্যজিত সারেন্ডার করলেই সবঠিক হয়ে যাবে। থানাও একই কথা বলেছে।
শুধু সত্যজিত নয়, যারাই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গেছেন কেউই ছাড়া পাননি। সত্যজিতের স্ত্রী শুমিকা মজুমদারের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। মানসবাবুকে থানায় খাবার দিতে গেলে রূপক সাহা নামে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং অকথ্য নির্যাতন করে। সত্যজিতের পক্ষ অবলম্বন করায় জেলা আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দিয়ে তাকে জেলহাজতে পাঠান হয়। জেলা ছাত্রলীগের নীতিশ সাহা, মোখলেসুর রহমান, বিটিভি'র ফরিদপুর প্রতিনিধি বিপুল খান, ইয়াসিন কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি মামুন খান, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আলিম হায়দার তুহিন, অপু সাহা কেউই রক্ষা পায়নি। প্রথম আলোর ফরিদপুর প্রতিনিধিকে প্রকাশ্য দিবালোকে সিসি ক্যামেরার সামনে পিটিয়ে আধামরা করলেও পুলিশ অপরাধীদের ধরতে পারেনি। সত্যজিতের বন্ধু মোকাররম হোসেন বাবু-কে পুলিশ অনেক নির্যাতন করেছে। এরা ছিলো জনপ্রিয় নেতা কিন্তু মন্ত্রীর আক্রোশে এখন রাতারাতি ক্রিমিনালে পরিনত হয়েছে।
এখানেই ক্ষান্ত দেননি মন্ত্রী। একজন পঙ্গু, যার এক হাত অকেজো, এক পা নেই , তাকে রাতারাতি নিজের এলাকায় নিয়ে যান যাতে প্রতিশোধ নিতে পারেন। ফরিদপুরে ওই মানুষটার পক্ষে একজন উকিলকে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। তার আত্মীয়দের দেখা করতে দেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এথেকে স্পস্ট যে, মন্ত্রী ফরিদপুরে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন! প্রিয়.কম) জানিয়েছে, মন্ত্রী মোশাররফের ‘বদান্যতা’ নয়, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপেই জামিনে মুক্ত হয়েছেন একাত্তরের শহীদ পরিবারের সন্তান, সাংবাদিক প্রবীর সিকদার। মন্ত্রী  দাবি করেছিলেন প্রবীর শিকদারের স্ত্রী তারকাছে ফোন করে সাহায্য চ্য়েয়েছেন, এই দাবি অস্বীকার করেছেন প্রবীরের স্ত্রী। আর প্রিয়.কম-এর নিজস্ব অনুসন্ধানে জানা গেছে, আদতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের কারণেই মুক্ত হয়েছেন প্রবীর। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি বিশেষ সূত্র প্রিয়.কমকে খবরটি নিশ্চিত করেছে। আমরা আজ এখান থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এজন্যে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
মন্ত্রী এসবই করছেন তার অবৈধভাবে দখলকৃত বাড়িটি রক্ষার জন্যে। একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে প্রায় ৭০ কোটি টাকা মূল্যের হিন্দু সম্পত্তি দখলের অভিযোগ তদন্ত করার জন্যে আমরা সরকারের কাছে আহবান জানাচ্ছি। মন্ত্রী-এমপি-রা যখন হিন্দু সম্পত্তি গায়ের জোরে দখল করেন, তখন সাধারণ মানুষ তাতে উত্সাহিত হয়। প্রবীর শিকদার গ্রেফতার, সত্যজিত বা মানস মুখার্জী পরিবারের ওপর অত্যাচার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাচ্ছে, কেন হিন্দুরা দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়। সম্প্রতি দেশে সরকারের উচ্চমহল বেশ জোরের সাথেই বলেছেন, ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দিলে বিচার হবে। এলজিআরডি মন্ত্রী অরুণ বাবুর বাড়ী দখলের প্রথম দিনেই প্রায় ১০০ বছরের পুরানো কালী মন্দিরটি ভেঙ্গে ফেলেছেন। এতে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত লেগেছে। আমরা এর বিচার চাই।
আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে জোর করে সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল করার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গড়ল বাংলাদেশ সরকার। তবে এই কমিটি নেহাতই লোক দেখানো বলে সমালোচনা উঠেছে। পাঁচ দিনের মধ্যে এই কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তবে অভিযোগকারী সংগঠনের এক নেতার কথায়, ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সকলেই মোশারফের নিজের লোক। মন্ত্রীকে নিষ্কলুষ প্রমাণ করতেই এই কমিটি গড়া হয়েছে। আমরাও তাই মনে করি।
১৯৭১ সালে নুরু রাজাকার ফরিদপুরে যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো, তারই পুত্র আজ সেই একই কায়দায় পুরো ফরিদপুরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। এতকাল ওই বাড়ীর পাশ দিয়ে যাবার সময় লোকে বলতো,'নুরু রাজাকারের বাড়ী'-এখন বলে মন্ত্রীর বাড়ী! ওই মন্ত্রী ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। ফরিদ্পুরকে ত্রাসের নগরী বানিয়েছেন। বিদেশে দেশের ভাবমুর্ক্তি নষ্ট করেছেন। সরকারের মধ্যে সরকার চালাচ্ছেন।  আত্মীয়তার দোহাই দিয়ে তিনি সরকার প্রধানকে ব্ল্যাকমেইল করছেন বলে শোনা যায়। জননেত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রী পরিষদে তার জায়গা হওয়া উচিত নয়।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ দবিরুলের বিরুদ্ধেও সংখ্যালঘুর প্রায় ২৭৫ বিঘা সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং জনগণ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তারপরও ওই সাংসদের কিছু হয়না! এরসঙ্গে সম্পত্তি দখলের আরো কিছু নমুনা নীচে যোগ করছি, যা দেশের মিডিয়া থেকে নেয়া এবং প্রয়োজনে বিস্তারিত দেয়া যাবে।
আজ এখান থেকে আমরা সরকারের কাছে আমরা দাবি জানাচ্ছি যে, সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের বিরুদ্ধে মামলা অবিলম্বে তুলে নেয়া হোক।
ফরিদপুরের তদন্ত কমিটি বাতিল করে ঢাকায় সুপ্রিম কোর্টের কোন বিচারপতির নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হউক এবং তদন্তের স্বার্থে মন্ত্রীকে অপসারণ করা হউক।
মন্ত্রীর আক্রোশের শিকার সকলকে নিরাপত্তা দেয়া হোক।
দয়াময়ী ভবনের মালিককে সসন্মানে দেশে ফিরিয়ে এনে তার সম্পত্তি তাকে ফিরিয়ে দেয়া হোক।
Minister’s ex-APS who is hiding now, wrote:
দাদা আমার নিজের একটি ঘটণা বলি:
ফেসবুক এ বিষয়টি নিয়ে খুব হৈ চৈ হয়েছে অনেক দেশের হিন্দু নেতৃবৃন্দ অনেক বিবৃতি প্রদান করেছেন ৷ ফরিদপুরে একটি বাড়ীকে কেন্দ্র করে দয়াময়ি আশ্রম ৷ যা ফরিদপুর পৌরসভার প্রথম নিবর্াচিত মেয়র এর নিজের বাড়ী ৷ তার সন্তান অরূণ মজুমদার থাকেন ৷ তার পরে ও অদৃশ্য কারনে তা শত্রু সম্পত্তির তালিকা ভুক্ত হয় ৷ ঐ বাড়ীটি বতর্ মান ফরিদপুর সদরের এম. পি এবং মন্ত্রী প্রবাসি কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দ্বায়িত্বে নিয়জিত তার বাবার বাড়ী লাগোয়া ৷ মাঝে শুধু একটি দেওয়াল ৷ বাড়ীটিতে পূবের্ অনেকে জাল দলিল করে বিগত বি. এন. পি আমলে দখলের পায়তারা করেছিল কিন্তু ফরিদপুরবাসীর প্রতিরোধের মুখে সফল হতে পারে নাই ৷ জায়গা প্রায় ২৭৫ শতাংশ যার বাজার মূল্য ২৫ লক্ষ টাকা শতাংশ হিসাবে ৬৮ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা ৷ এই শত্রু সম্পত্তি প্রত্যাপন আইন অনুযায়ি আদালতে মামলা করে আঈনজীবি হন এ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা ৷ মামলা শেষ মুহূতের্ মন্ত্রীকে বলেন লামছাম দামে কিনে নেওয়ার জন্য ৷ তিনি সেটা করেদেবেন মমের্ অঙ্গকারাবদ্ধ হন ৷ সে অনুযায়ী দাম নিধার্ রণ হয় ২ কোটি টাকা ৷ ২৫ লক্ষ টাকা বায়না ৷ যা আমাদের অগোচরে ঘটে ৷ আমার দৃষ্টি গোচর হয় যখন বাড়ীটি হস্তানাতর প্রকৃয়া শুরু হবে সে মুহূতের্ ৷ কারণ অরুণ বাবুকে এ্যাডভোকেট সাহেব বুঝিয়েছিলেন মন্ত্রীর নামে লিখে দিয়ে অন্য জাল দলিল গুলোর মামলা সহজে সমাধা করা যাবে ৷ কিন্তু বাড়ীর দখল নিতে যেয়ে অরূণ বাবু বাড়ী ছাড়তে রাজি না ৷ শুরু হয় মাস্তান এবং পুলিশের যৌথ অত্যাচার ৷ প্রাণ ভয়ে প্রথমে অরূণ বাবু উঠেন তার আইনজীবীর বাড়িতে ১৩ এপ্রিল ২০১৫ তে ৷ মন্ত্রীর প্রথম পযর্ায়ের কাজের যবনিকা পাত ঘটে ৷ তিনি তার কাজে বিজয়ি হন ৷
তার পরে ঐ রাতেই ঐ বাড়ীতে ছিল একটি কালী মন্দির তা ভাঙ্গা হয় ৷ প্রণব মুখাজীর্ ফরিদপুরের বিশিষ্ট ক্রীড়া সংঘঠক তার ক্রয়কৃত জায়গা ছিল ৫.৭৫ শতাংশ ৩০ বছর যাবৎ তিনি ১ তলা একটি বাড়ি করে থাকতেন কিন্তু সু সম্পকের্র ও অথর্ অভাবে তিনি ঐ জায়গাটি দলিল করে নিতে পারেন নাই ৷ তাকে ও ঐ খান থেকে উচ্ছেদ করা হয় ৷
আমি মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব এর দ্বায়িত্ব পালন করি ৷ বিষয়টি নিয়ে আমি প্রতিবাদ করি ৷ আমার কথা না শোনায় আমি মাননীয় মন্ত্রীর ডিউটিতে যাওয়া বন্ধকরি ৷ ১৬/৪/১৫ তারিখে মন্ত্রী আমাকে অব্যাহতিদেন তার সহকারী একান্ত সচিবের পদ হতে ৷ ১৭ তারিখে আমার ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ হতে অব্যাহতি প্রদানের জন্য জেলা থেকে প্রস্তাব পাঠায় যদিও কেন্দ্র তা গ্রহণ করে নাই ৷ তখন আমার কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে নুতন কমিটি ঘোষণা করায় ২৪/৫/১৫ ৷
১৭ তারিখ হতে পযর্ায়ক্রমে আমার নামে ১৫ টি মামলা দায়ের করে ৷ ১৪ টি চাদাবাজীর ১ টি ধষর্ণের ৷
ঘটণা নিয়ে আমি কেন্দ্রীয় হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতৃবিন্দ দ্বীপেন চ্যাঠাজীর্, নীম চন্দ্র ভৌমিক, নিমর্ল চ্যাঠাজীর্, কাজল দেবনাথ বাবুর সাথে কথা বলি ৷ নিমর্ ল চ্যাঠাজীর্ মানব বন্ধনের প্রস্তাব দিলে অন্যরা তাতে একমত পোষণ করেন নাই ৷
প্রতে্যকেই প্রধানমন্ত্রী এর বিয়েই বলে ভীত এ কথা বলেন ৷ তবে ২৮ এপ্রিল সিটি কপোরেশন (ঢাকা-চট্রোগ্রাম) নিবর্াচন এর পরে ৪/৫/১৫ মন্ত্রীর কাছে যাবে বলে কথাদেয় ৷ কিন্তু সেটা ও করেনি তারা ৷ তাদের কাছে আমি বলি যে ঢাকা এবং ফরিদপুরে হিন্দু ব্যাবসায়ীদের চাপ দেওয়া হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার জন্য ৷
১ মে ২০১৫ সকালে মন্ত্রী তার বাসায় শতাধিক নেতার সামনে ঘোষণা দেয় সত্যজিৎ কে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে হত্যা করবা আর তার দায় দ্বায়িত্ব আমি বহন করব ৷ ফরিদপুর জেলার এস. পি জামিল হাসান এক ধাপ এগিয়ে বলে স্যার দ্বায়িত্বটা আমাকে দিলে স্যার লাশ ও পাওয়া যাবে না ৷ মন্ত্রী তখন বলেন আমি চাই তার লাশ তোমাদের সকলের ওপর ই দ্বায়িত্ব থাকল ৷
৪/৫/১৫ তারিখে আমার বাবা মানষ কুমার মুখাজীর্ বয়স ৭০ বছর বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক তাকে ফরিদপূরের বাড়ী থেকে কোতয়ালী থানা থেকে গ্রফতার করে থানায় নিয়ে যায় বাসায় বলে যায় সত্যজিৎ সারেণ্ডার করলে উনি ছাড়া পাবেন ৷ অথবা মন্ত্রীর সাথে কথা বলেন ৷ মা মন্ত্রীকে ফোনদেয় মন্ত্রী কে বাবাকে গ্রেফতারের কথা জানালে সে বলে আমি তো কিছু জানিনা তবে আপনার ছেলে আমার বুকে ছুরি মেরেছে তাকে ধরা দিতে বলেন বলে ফোন কেটে দেয় ৷ একটু পরে তার নুতন সহকারী একান্ত সচিব মা কে ফোন করে বলে আপনার ছেলে কে ফেসবুক লিখতে না করেন কাকাবাবু ছাড়া পেয়ে যাবেন আর ওকে ধরা দিতে বলেন ৷ আমি সারেণাডার না করায় পরের দিন বিকালে বাবা ২ নং আসামী আমি ১ নং আসামী করে এবং আরো ২ জন যাদের কে আমার বিরুদ্ধে মামলা দিতে বলেছিল রাজী হয়নি বলে তাদের কে ও এ মামলার আসামী করা হয় ৷
আমার বাবাকে থানায় খাবার দিতে গিয়েছিল একটি ছেলে রূপক সাহা তাকে ও গ্রপ্তার করে এবং অসহ্য নিযার্তন করে ৷ পরের দিন তাকে ওএকটি চাদাবাজীর মামলা দিয়ে কারাগারে প্রেরন করে ৷
জহিরুল ইসলাম লিটন শুধূ আমার লোক এই অপরাধে তাকে ও একটি চাদাবাজীর মামলায় কারাগারে প্ররণ করে ৷ কিন্তু প্রশাসন এবং আমার শোভাকাংখি যারা তারা আমাকে দেশত্যাগের পরামশর্দেয় ৷
এর পূবের্ই আমার স্ত্রী (শুমিকা মজুমদার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানি ষ্টাডিজ মাষ্টাসর্ ১ম সেমিষ্টারের ছাত্রী নামে ও একটি চাদাবাজির মামলা দায়ের করে ৷ গত ৫/৫/১৫ তারিখে আমি দেশত্যাগে বাধ্য হই অবৈধ পথে ৷ আমার স্ত্রী ১ ছেলে নাসর্ারীর ছাত্র, মেয়ে ৩ বছর কে নিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যত এর পথে পা বাড়াই ৷
বিগত ১/৬/১৫ তারিখে আমার বাবা ,রূপক, লিটন জজ কোটর্ হতে জামিনে মুক্তি পায় ৷ সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে ফরিদপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পায় ৷
৩ দিন পরে ৪/৬/১৫ তারিখে আবার কোতয়ালী থানা থেকে পুলিশ এসে ও. সি সাহেব কথা বলবেন বলে বাসা থেকে নিয়ে যায় এবং ঐ দিনই আরেকটি চাদা বাজীর মামলা দিয়ে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে ৷ আমার লোক ওসি সাহেব কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন এস. পি এবং মন্ত্রীর যৌথ নিদের্শ ৷ আগে তো ৩ দিন বাইরে ছিলেন এখন জেল গেট থেকে তাকে নুতন মামলা দিয়ে আবারো গ্রেপ্তারের নিদের্শ আছে ৷ সত্যজিৎ ধরা না দেওয়া পযর্ ন্ত ওনার মুক্তি নাই ৷
এখানে উল্লেখ্য যে এস পি প্রচণ্ড হিন্দু বিদে্যষি লোক ৷
আমার পক্ষ অবলম্বন করায় জেলা আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কে ৬ টি মামলা দিয়ে ৫ টি চাদাবাজি ১ টি ধষর্ণ মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করে ৷
জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক নিতিষ সাহা সদস্য মোকলেছুর রহমান , বিটিভি ফরিদপুর প্রতিনিধি বিপুল খান, সরকারী ইয়াসিন কলেজ ছাত্রলীগের সভিপতি মামুন খান, জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আলিম হায়দার তুহিন, অপু সাহা এদের বিরুদ্ধে ও চাদা বাজীর মামলা দেওয়া হয়েছে ৷ শুধু আমার পক্ষে কথা বলেছে বলে ৷
দয়াময়ী ভবন নিয়ে নিউজ করার কারণে প্রথম আলো ফরিদপুর প্রতিনিধি পান্না বালা কে প্রকাশে্য মারধোর করে যে খানে পুলিশের সিসি ক্যামেরা বসানো আছে ৷ তার পরেও অপরিধীরা ধরা পরে না ৷ পান্না বালা কারো নাম দিয়ে মামলা করার ও সাহস পায় নাই ৷
Mother of APS wrote to the Honorable PM
for the security of her son!
বরাবর,
জননেত্রী শেখ হাসিনা
মানণীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ৷
ও সভানেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ৷

বিষয়: ফরিদপুরের একটি পরিবার কে ক্ষমতা দ্বারা নিযাতন এবং নিষ্পেষন এর হাত থেকে বাচানোর আবেদন ৷

মানণীয় প্রধাণমন্ত্রী মহোদয়,
আমি তাপসী মুখাজী স্বামী : মানস কুমার মুখাজী , কালীদাস ভবন (হাউজিং এষ্টেট সংলগ্ন পশ্চিম পাশ) , পোষ্ট: শ্রী অঙ্গণ-৭৮০৪, গোয়ালচামট, ফরিদপুর ৷ আমি ৩ সন্তান এর মা, আমার বড় ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ম্যানেজমেণ্টে মাষ্টাস করে, লণ্ডণ থেকে এম. বি.এ করে এখন ঢাকাতে একটা কোম্পাণীতে চাকুরী করে, মেজ ছেলে এ্যাডভোকেট সত্যজিৎ মুখাজী ত্রিপল মাষ্টাস, ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছিল, রাজেন্দ্র বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জি,এস) ছিল ৷ ছোট ছেলে সেনা বাহিনী তে মেজর হিসাবে কমরত ৷

আমার বিয়ে হয় ১৯৭১ সালের ১১ ই মাচ স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তাল দিন গুলোর মধে্য ৷ আমার বিয়ের এক মাসের মধে্যই জাতীর জনকের ডাকে আমার কারা অন্তরীণ স্বামী মানস কুমার মুখাজী আমার বাবার বাড়ী বালিয়াকান্দি থানার গোসাইগোবিন্দপুর ( স্বগীয় গৌর মোহন চ্যাঠাজী আমার দাদা হয়ত বা চিনবেন তাকে ) তার বাড়ীতে রেখে দেশ মাতৃকার টানে ভারতে টে্রনিং নিয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিল ৷ সে দিন যদি যুদ্ধ প্রলম্বিত হত আমার স্বামী যুদ্ধক্ষেত্রে শহীদ হতো তাতেই মনে হয় ভাল হতো ৷ তা হলে হয়ত বৃদ্ধ বয়সে তাকে এতো কষ্ট সহ্য করতে হতো না ৷ আমার জীবনটা হয়ত দু:বিসহ বৈধব্য নিয়ে সারা জীবন অতিবাহিত করতে হতো কিন্তু আমার ৬৭ বছর বয়সে আমার স্বামীর কারা ফটকের সামনে যেয়ে মিথ্যা একের পর এক মিথ্যা মামলায় কারা অন্তরীন স্বামীর অপেক্ষায় বসে থাকতে হতো না ৷

আমাদের অপরাধ আমার মেজ ছেলে এ্যাডভোকেট সত্যজিৎ মুখাজী মানণীয় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী মহোদয়ের সহকারী একান্ত সচিব হিসাবে ১৬/৪/২০১৫ পূবাহ্ন পযন্ত কমরত ছিল ৷ মানণীয় মন্ত্রী মহোদয় এবং আমার ছেলে তখন ফরিদপুরে ৷ তখন মানণীয় মন্ত্রী মহোদয় সাথে কোন বিষয়ে মত পাথক্যর কারণে সে ১৫/৪/২০১৫ তারিখ সকালে মন্ত্রী মহোদয়ের যে গাড়ীটি আমার ছেলের ডিউটি করতো তা মন্ত্রোনালয় হতে প্রত্যাহার করে নেয় ফলে সত্যজিৎ তার কমস্থলে আর যায় না ৷ ১৬/৪/১৫ তে মন্ত্রী মহোদয় সত্যজিৎ কে অব্যাহতি দেয় ৷

এরপর ই শুরু হয় আমাদের প্রতি অত্যাচারের পালা ৷ আমার ছেলে কে ১৭/৪/১৫ তারিখে তাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কারের প্রস্তাব আনায় জেলা ছাত্রলীগ থেকে এবং সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ১৪ টি চাদাবাজির মামলা এবং একটি ধষনের মামলা দায়ের করে ৷ আমার মেজ ছেলে বউ শুমিকা মজুমদার তার বিরুদ্ধে ও একটি চাদাবাজীর মামলা দায়ের করেছে ৷ আমার মেজ ছেলে তার স্ত্রী ১ ছেলে (৪বছর ৭ মাস ), ১ মেয়ে (৩) নিয়ে পালাতক জীবন অতিবাহিত করছে ৷

সত্যজিৎ কে না পেয়ে আমার বৃদ্ধ স্বামী ৭০ বছর বয়স্ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসর প্রাপ্ত হাইস্কুল শিক্ষক মানস কুমার মুখাজী কে ৫/৫/১৫ তারিখে এস, পি কথা বলবেন বলে ফরিদপুরের বাসা থেকে সকাল ১০ টায় নাস্তা করা অবস্থায় ৮/৯ জন পুলিশ এসে নিয়ে যায় ৷ দুপুরে তার খাবার পাঠাই আমাদের পাশের বাসার একটি ছেলে রূপক কুমার সাহা কে দিয়ে, আমার স্বামীকে সে খাবার না দিয়ে বরংচ ঐ ছেলেটাকে ও গ্রেফতার করে ৷ আমি শুনে থানায় যাই ও খান থেকে বলা হয় উপরের নিদেশে তাকে গ্রফতার করা হয়েছে কি করা হবে সে সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয় নাই ৷ তবে সত্যজিৎ দা ধরা দিলে হয়ত কাকা কে ছেড়ে দেওয়া হবে সত্যজিৎ দা কে ধরা দিতে বলেন ৷ আমি উপর থেকে কে বলেছে বললে ও সে সম্ভন্ধে কিছু বলল না ৷ আমি থানা থেকে বের হয়ে কিছুদুর আসলে একজন লোক খুবদ্রুত আমার পাশ দিয়ে হেটে যেতে যেতে বলে কাকি মা আমি পুলিশের লোক সত্যজিৎ দাকে ধরা দিতে না করেন এস.পি স্যার দাদার উপর খুব রাগ ধরতে পারলে খুব টচার করবে ৷ আপনি মন্ত্রীর সাথে কথা বলেন, বলেই তিনি চলে গেলেন ৷

বাসায় এসে আমি মন্ত্রী মহোদয় এর কাছে ফোন করে বিষয়টি জানাই ৷ তিনি বলেন কে ধরেছে, আর আপনার ছেলে আমার পিঠে ছোরা মেরেছে বলে ফোন কেটে দেয় ৷ কিছুক্ষন পরে মন্ত্রী মহোদয়ের নুতন এ.পি.এস আমাকে ফোন করে জানায় যে আপনার ছেলে কে ফেসবুকে " আমাকে পরিকল্পিত ভাবে দুণীতিবাজ বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে " শিরোনাম যা লিখছে তা বন্ধ করতে বলেন সব ঠিক হয়ে যাবে ৷ আমি ছেলেকে ঐ লেখা বন্ধ করতে বললাম সে লেখা বন্ধ ও করল কিন্তু পরদিন সন্ধ্যায় সেলিম নামে একজন কে দিয়ে মামলা করায় চাদাবাজীর মামলা সত্যজিৎ ১ নং আসামী তার পিতা মানস কুমার মুখাজী ২ নং আসামী, ফরিদপুর প্রেস ক্লাব নিবাচনে সভাপতি প্রাথী আ.জ.ম আমীর আলী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি তার ছেলে সুজন, মোকলেছ ও কে সত্যজিৎ এর বিরুদ্ধে মামলার বাদী হতে বলেছিল কিন্তু হয় নাই বলে তাকে ও এ মামলার আসামি করা হয় ৷ এ মামলায় আমার স্বামীকে পুলিশ ৭ দিনের রিমাণ্ড চায় আদালত ১ দিন মজ্ঞুর করে ৷ গত ০১/৬/১৫ তারিখ জজকোট তার জামিন মজ্ঞুর করে ৷ সন্ধ্যা ৭.২২ মিনিটে আমার স্বামী জেল থেকে মুক্তি পায় ৷

আবার ০৫/৬/১৫ তারিখ শুক্রবার সকাল ১০ টায় পুলিশ বাসায় এসে বলে ও,সি সাহেব কাকাবাবুর সাথে কথা বলবে নিয়ে যেতে বলেছেন ৷ আর আপনার মোবাইল ফোনটি দেন ৷ আমার স্বামীকে নিয়ে যায় আবার একটি চাদাবিজীর মামলা দিয়ে জেলে প্রেরণ করে ৷ পরের দিন আমি থানায় গেলে বলে জামিন হলে আরো মামলা হবে ৷

আমার শ্বাশুরী ৯২ বছর বয়স তিনি তার সন্তানের চিন্তায় শয্যাশায়ী ৷ মানণীয় প্রধানমন্ত্রী আপনী বঙ্গবন্ধু কন্যা আপনীই আওয়ামীলীগের শেষ আশ্রয়স্থল ৷ ১/১১ সরকারের মত একের পর এক মামলাদিয়ে আমার পরিবার কে নিশ্চহ্ন করে দেওয়ার যে চেষ্টা করছে তার হাত থেকে আপনি ছাড়া রক্ষা করার কেউ নাই ৷

সুতরাং মানণীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ছাড়া আমাদের এই বিপযয় থেকে কেউই রক্ষা করতে পারবে না ৷ আপনি নিরপেক্ষ তদন্ত করে এই পরিবারটিকে রক্ষার যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলে আশাকরি ৷

বিণীত
তাপসী মুখাজী
কালিদাস ভবন, ( হাউজিং এষ্টট সংলগ্ন পশ্চিম পাশ )
গোয়ালচামট, ফরিদপুর ৷

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই পরিবারটিকে বাঁচান
আপনি ছাড়া এদের বাংলাদেশে বাঁচাতে পারে এমন কেউ নেই
বাড়িটা ফারিদপুরের ঝিলটুলিতে রাজেন্দ্র কলেজ হিন্দু হোস্টেলের বিপরীতে অবস্থিত যা প্রবাস কল্যাণমন্ত্রী মোশারফ হোসেন-র বাড়ীর সাথে লাগোয়া। অনেকদিন আগে এরাই মোশারফ পরিবারকে বাড়ি করতে জায়গা দিয়ে ছিল। ওই বাড়ীটির নাম দয়াময়ী আশ্রম যা ভাজনডাঙার জমিদার সতিশচন্দ্র গুহ মজুমদার-এর, যিনি রাজন্দ্র কলেজের উদ্যোক্তাদের  অন্যতম।  
উক্ত জমিদার পরিবারের একমাত্র সদস্য অরুণ গুহ মজুমদারের পরিবার এবং একমাত্র মেয়ে তুলি মজুমদার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছে। অরুণবাবু-মোশারফরা বাল্যবন্ধু! বাড়িটি বর্তমানে অর্পিত সম্পত্তি, যা অনেক আগেই মোশারফ সাহেব নিজেই করিয়ে রেখেছিলেন। বর্তমান অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যাবর্তন আইন আংশিক কার্যকর হবার কারণে বাড়িটি আরুন বাবু পেতে যাচ্ছেন। বাড়িটি প্রায় ৩ একর জায়গা জুড়ে যার বর্তমান দাম কয়েক কোটি টাকা, যাতে একটি দ্বিতল পুরাতন ভবন আর একটি পুরান মন্দির রয়েছে। বাড়িটিতে সরকারি নিষেধাগ্গা থাকায় অনেকদিন কোন সংস্কার হয়নি এবং  মোশারফসাহেবই ডিসি-কে দিয়ে ওটা করিয়েছিলেন।

গত ক'দিন আগে উকিল অরুণ বাবুর কাছ থেকে জোর করে মোশারফ সাহেবের নামে করা একটা বায়নানামা দলিলে সাক্ষর করিয়ে নেয়,  আদালত প্রাঙ্গনেই এবং সবার সামনে, কেউ কিছু বলার সাহস পায়নি।  গত ১৩ এপ্রিল সকালে মোশারফ সাহেব নিজে তার দলবল নিয়ে এসে আরুনবাবু কে বাড়ি ছেড়ে যেতে বললে সে অনেক কান্নকাটি করে কিন্তু তবুও তার পরিবারের সবাইকে জোর করে মোশারফ সাহেবের এর পুরান পৈত্রিক বাড়ির পাশে  আর একটা হিন্দু বাড়িতে, যে বাড়ির সদস্যদের কদিন আগে তাড়িয়ে দিয়ে ওই বাড়িটি দখল করে নিয়েছেন, সেখানে রেখেছেন। অরুণ বাবুকে বাড়ি থেকে বের করার সময়ই তার সামনে মোশারফ সাহেবের লোকজন মন্দিরটি ভেঙ্গে ফেলে। এখন অরুণ বাবু ও  তার পরিবার ভাজনডাঙা তে অবস্থান করছেন।

অরুণ গুহ বাবুর পরিবার টি কে মশারফ  ফরিদপুরের ভাজন্দাঙ্গার মশারফ এর আদি বাড়ির পাশে একটা হিন্দু বাড়িতে গৃহ বন্দী করে রেখে তার নিজের গুন্ডা পাণ্ডা দিয়ে ঘিরে রেখেছে এমন কি ফোনেও কথা বলতে গেলে তার লোক এসে দাড়িয়ে থেকে কার সাথে কি বলছে টা মনিটরিং করছে। ওনার বয়স্ক মেয়েটা কেও বের হতে দিচ্ছে না , মোশারফ সাহেব কি করতে চাইছে তাও জানতে পারছে না । বিষয়টি গোপনীয়, ওদের ভয়, যদি মোশারফ সাহেব জানতে পারেন, বা ঘটনা জানাজানি হলে, তিনি অরুণবাবুর সর্বনাশ করতে পিছপা হবেন না। সম্ভবত: বাড়িটার আইনি প্রক্রিয়ার জন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে। এরপর অরুণবাবুর কি হবে তা কেহই জানে না।
মোশারফ সাহেব সম্ভবত বলতে চাইবে আরুনবাবু তার কাছে বাড়ি বিক্রি করে চলে গেছে। অরুনবাবু কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেননি। যখন আরুন বাবু কান্না কাটি করে বাড়ি ছাড়তে চাইছিল না তখন মোশারফ সাহেব বলেছিলেন, আমাকে যত ভাল মনে কর আমি তত ভাল না। ২৩ শে এপ্রিল ২০১৫ এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু কোন সাঁড়া পাওয়া যায়নি।
ঐক্য পরিষদের বিবৃতি: মন্ত্রীর হিন্দু বাড়ী দখলের নিন্দা-প্রতিবাদ
৩১শে মে ২০১৫, নিউইয়র্ক। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ রাইটস ওয়াচ ইন্টারন্যাশানাল, বাংলাদেশ মাইনরিটি ফোরাম, ও বাংলাদেশ হিন্দু ফোরাম এবং আরো কিছু সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে প্রবাস কল্যাণমন্ত্রী মোশারফ হোসেন তার পাশের হিন্দু বাড়িটি জোর করে দখল করে নিয়েছেন বলে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও ইন্টারনেটে প্রকাশিত একটি খবরে গভীর দু:খ প্রকাশ করে এব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, মোশারফ হোসেন একইভাবে ফরিদপুরে অনেকগুলো হিন্দু বাড়ী জবর দখল করেছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। নেতৃবৃন্দ একই সাথে অভিযোগ করেন, মোশারফ হোসেন ফরিদপুরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। তারা অবরুদ্ধ পরিবারটিকে বাচানোর জন্যে আহবান জানান।
উল্লেখ্য, ইন্টারনেট ও কনফারেন্স কলে এসব স্বাক্ষর নেয়া হয়। বাংলাদেশের অনেকে এতে স্বাক্ষর করেছেন, কিন্তু নিরাপত্তার খাতিরে তাদের নামগুলো বাদ দেয়া হয়েছে, কারণ মোশারফ সাহেবের হাত অনেক লম্বা। সামাজিক মাধ্যমে হিন্দু বাড়ী জবরদখলের এই সংবাদ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এবং কানাডার শুধুমাত্র একজনের ফেসবুকে ৫৫০-এর বেশি শেয়ার হয়েছে। এতকিছুর পরও সরকার বা সংশ্লিস্ট মন্ত্রীর পক্ষ থেকে কিছু বলা হচ্ছেনা। অথচ দুইবার এই আবেদন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। এমনকি মন্ত্রী মোশাররফ সাহেবের কাছেও পাঠানো হয়েছে ।
বিব্র্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, শিতাংশু গুহ, যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদ; তরুণ চৌধুরী, সভাপতি, ইউরোপীয় ঐক্য পরিষদ; উদয়ন বড়ুয়া, সভাপতি,  ইউরোপীয় ঐক্য পরিষদ; অরুণ বড়ুয়া, বাংলাদেশ মাইনরিটি ফোরাম, জেনেভা; চিত্রা পাল, হিন্দু ফোরাম, সুইডেন; দিলীপ কর্মকার, ঐক্য পরিষদ, কানাডা; স্বদেশ বড়ুয়া, সভাপতি, ফ্রান্স ঐক্য পরিষদ; ড: সান্তায়ন কবিরাজ, বাংলাদেশ রাইটস ওয়াচ ইন্টারন্যাশানাল, লন্ডন; ড: মোহিত রয়, ক্যাম্ব, কলকাতা; রবিন গুহ, রাশিয়া; ডাক্তার রবীন্দ্রনাথ দাশ, মরিশাস; কার্তিক ঘোষ, ইতালী; মৃনাল মজুমদার, জার্মানি; পুস্পিতা গুপ্ত, লন্ডন, তুষার কান্তি সরকার, ফিনল্যান্ড; সুরঞ্জিত গুপ্ত, লোকনাথ মিশন, লন্ডন; প্রবীর মৈত্র, সভাপতি, অস্ট্রেলিয়ান ফোরাম ফর মায়নরিটিজ ইন বাংলাদেশ; মানস রয়, ক্যালিফোর্নিয়া; পবিত্র চৌধুরী, নিউইয়র্ক; সুভাষ রায়, নয়াদিল্লী; কবিতা চাকমা, অস্ট্রেলিয়া, শশাঙ্ক দাশগুপ্ত, আমেরিকা, শিবাজী রায় ও ভবানী কাশ্যপ, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কাউন্সিল ওয়ার্ল্ড চ্যাপ্টার, তুলসী রায়, বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ পরিষদ, ফ্রান্স; দূর্গা ভট্টাচায্য, আমেরিকা; যয়েল কর্মকার প্রমুখ।
খবরটি নিন্মরূপ: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই পরিবারটিকে বাঁচান .
http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1007532.bdnews
হিন্দুদের ‘জমি দখলে’ মন্ত্রী-এমপিরাও
নিজস্ব প্রতিবেদক  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2015-08-06
 
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি, সম্পত্তি দখল এবং ভয়-ভীতি দেখিয়ে, নির্যাতন চালিয়ে উচ্ছেদের ঘটনায় সরকারের মন্ত্রী ও এমপিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরা হয়, যাতে লিখিত বক্তব্য পড়েন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত। সংবাদ সম্মেলনে সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের সংখ্যালঘু সেল গঠনসহ অধিকার রক্ষায় কয়েকটি দাবিও তুলে ধরা হয়।
হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, “সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে দুর্বৃত্তরা ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট, জায়গা-জমি, দেবোত্তর সম্পত্তি, গির্জা ও বিহারের সম্পত্তি জবরদখলের উন্মত্ততায় মেতে উঠেছে। “এ জবরদখলের সঙ্গে সরকারি দলের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী পরিষদের প্রভাবশালী সদস্যের নামও বেরিয়ে আসছে।”
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জাতীয় সংসদের হুইপ মাহবুব আরা গিনি, ঠাকুরগাঁওয়ের আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম, পিরোজপুরের আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য এম এ আউয়ালের নাম আসে সংবাদ সম্মেলনে।  ইতোপূর্বে সংখ্যালঘুদের ঘর-বাড়িতে আগুন, তাদের স্থাপনা দখল ও অন্যান্য নির্যাতনের জন্য জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির দিকে অভিযোগ তুললেও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে বৃহস্পতিবার করা সংবাদ সম্মেলন ছিল ব্যতিক্রম।
প্রায় ছয় পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্যের পুরো অংশজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু, বৌদ্ধ ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখলের ফর্দে মূলত অভিযোগ ছিল ধর্ম নিরপেক্ষ দল হিসেবে দাবি করা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে।  এই অবস্থার অবসানে যে দাবিগুলো তুলে ধরেছে সংগঠনটি, তার মধ্যে রয়েছে- মার্কিন কংগ্রেসের আহ্বানের আলোকে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, সরকারি দলসহ সব রাজনৈতিক দলে অবস্থানকারী সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী, উসকানিদাতা, লুটেরা ও জমিদখলকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে, সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের সংখ্যালঘু সেল গঠন করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন পরিষদের নেতা সুব্রত চৌধুরী, কাজল দেবনাথ, পদ্মাবতী দেবী প্রমুখ।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ঠাকুরগাঁওয়ে দবিরুল ইসলাম ও তার ছেলে মাজহারুল ইসলাম বালিয়াডাঙ্গা উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি ইউনিয়নে জনৈক ব্যবসায়ীর দোকান দখলের অভিযোগ করেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
মাহবুব আরা গিনির বিরুদ্ধে গাইবান্ধার রামগঞ্জ মিশন ও আশ্রমের জমি দখল ও গাছ কাটার অভিযোগ এসেছে।
ফরিদপুরের ভাজনডাঙার জমিদার সতীশ চন্দ্র গুহ মজুমদারের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের তিন একর জমি দখল করে এর ওপর স্থাপিত স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে। জমির বর্তমান মালিক অরুণ কুমারের কাছ থেকে বায়নানামায় জোর করে সই নেওয়ার অভিযোগ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তবে মন্ত্রী মোশাররফের দাবি, তিনি ওই জমি কিনে নিয়েছেন।
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের দাসপাড়ার ৮০টি ঋষি পরিবার ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মতিয়ার সরদার ও তার বাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে আছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। তাদের সহায়তার অভিযোগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে।
কক্সবাজার সদর উপজেলার পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বৌদ্ধপল্লীর লোকজন চিহ্নিত জাবেদ কায়সার নোবেলের অমানসিক নির্যাতনের স্বীকার আভিযোগ করে রানা দাশগুপ্ত বলেন, “তার বাহিনী বৌদ্ধ বসতির জায়গা জমি দখল করে নিচ্ছে।”
লক্ষ্মীপুরে সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে সাবেক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে ২২ জনের একটি চক্র দালালবাজারের জমিদারবাড়ির ৩৬ একর জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের। বিভিন্ন সংগঠন ও প্রকল্পের নামে সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখলের অভিযোগও করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
Press Conference pointed finger towards LGRD Minister for Hindu Land Grabbing: BHBCOP (Bangladesh Hindu Boudda Christian Oikkya Parishad) had organized a press conference in Dhaka on 6th August 2015 and had pointed finger that the LGRD minister had grabbed a Hindu property recently in Faridpur worth 9 million dollars. The news had been printed in various newspapers in  Bangladesh on 7 and 8th August 2015.

Follow up: Adv. Rabindra Ghosh of Bangladesh Minority Watch (BDMW) posted in Facebook that on 8th Aug 2015 LGRD Minister called Mr. Ghosh at 10am and asked explanation, why he had visited ‘Faridpur House’ recently and why he did not take permission from him? Minister also directed the police to look into it and Deputy Police Commissioner (DB, north) had interrogated on the same day.
স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর বিরুদ্ধে হিন্দুদের জমি দখলের অভিযোগ তদন্তের দাবি বিএনপির
Daily Sangbad, 8th August, 2015: নিজস্ব বার্তা পরিবেশক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি দখলের অভিযোগের তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান দলটির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন।আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের তিন সাংসদের বিরুদ্ধে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি, সম্পত্তি দখল এবং ভয়-ভীতি দেখিয়ে, নির্যাতন চালিয়ে উচ্ছেদের অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে। এ ধরনের মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে যখন ব্যক্তিগত অভিযোগ আসে, তখন সরকারের অবশ্যই উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখা, তদন্ত করা।

Victims of LGRD Minister
1. Arun Guha Mujumder: Evicted from his house and captured for long time until the house was registered and then was thrown out. He was forced to quit the country. His house costs around 9million US dollars. His family faced the same fate. Hi daughter stood first class first from JNU and had fled to India with parents.
2. Advocate Satyajit Mukherjee was minister’s APS, but protested the Hindu house illegal occupation. So he was fired and 15 cases were filed against him. He is hiding now.
3. Sumika Mujumder, wife of Satyajit Mukherjee, a case has been filed against her.
4. Manas Mukherjee, 70 a retired high school teacher and a freedom fighter. He is in jail and his only fault was that he is the father of Satyajit Mukherjee. Cases have been filed against him.
5. Monojit Mukherjee also forced to be under ground as the minister ordered to find him out.
6. Panna Bala, a journalist was beaten mercilessly
7. Rupok Saha was beaten by police and cases were filed against him. His fault was that he went to police station to deliver food for Mr. Manas Mukherjee.
8. Sports organizer Mr. Pranab Mukherjee of Faridpur was also forced out from his home of 30 years, because his house was on the land of Arun Guha Mujumder.
9. Mokaram Hossain Babu, an Awami League was tortured by police and was in jail. 5/6 cases were filed against him. .
10. Nitish Saha, AGS Faridpur District SL.
11. Mokhlesur Rahman, member of District SL.
12. Bipul khan, Representative of BTV (Bangladesh Television), Faridpur.
13. President of Faridpur Yasin College SL.
14. Mamun khan, Vice President, Faridpur District SL.
15. Alim Haydar Tuhin, Apu Saha, Jahirul Islam liton have also been forced to leave Faridpur AL politics by implicating them in several extortion cases along with Satyajit Mukherjee.
16. Advocate Rabindra Ghosh, BDMW. A human rights activist. The minister called him and asked why he had gone to Arun Guha’s hose without his (minister’s) permission. This happened on 8th August 2015 and on the same day Deputy Police commissioner, BD called upon Mr. Ghosh and questioned him.
17. Rana Dasgupta, Secretary, BHBCOP disclosed minister’s illegal occupation of Hindu property on 6th Aug 2015 and now he is under pressure.
18. The latest victim is Journalist Prabir Sikder.

http://surjobarta24.com/details/2015/08/175104.php
মন্ত্রীর হিন্দুবাড়ী দখল এবং প্রাসঙ্গিকতা

শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর এক রাজনৈতিক উপদেষ্টার নাম ছিলো সমর গুহ, তিনি আমার আত্মীয় ছিলেন না। অবশ্য কেউ জিজ্ঞাসা করলে ঠাট্টা করে কখনো-সখনো বলতাম, হ্যা, কাকা। একইভাবে ফরিদপুরের ভজনডাঙার বাড়ী নিয়ে যে হইচই চলছে, সেই বাড়ীর মালিকের নাম অরুণ গুহ মজুমদার, গুহ হলেও উনি আমার আত্মীয় নন, পরমাত্মীয়। কারণ, ওনার বাড়ী নিয়ে যা ঘটছে, তা বাংলাদেশে হিন্দুদের জমিজমা দখলের একটি নিত্য-নৈমত্যিক চিত্র। এবার ব্যতিক্রম এই যে, মানুষ এখন জানছে হিন্দুর বাড়ী সবাই দখল করে, মন্ত্রীও। কিছুদিন আগে গাফফার চৌধুরী নিউইয়র্ক এসেছিলেন তখন তাকে এঘটনা বলেছিলাম, তিনি হেসে বলেন, 'হিন্দুর সম্পত্তিতো গনিমতের মাল'।

মন্ত্রী বা এমপি-দের হিন্দু সম্পত্তি দখলের একটি হিসাব দিয়েছেন রানা দাশগুপ্ত। ঐক্য পরিষদের এক সাংবাদিক সন্মেলনে তিনি যে তালিকা দিয়েছেন, তাতে ওই মন্ত্রীর দখলিকৃত সম্পত্তিও আছে। যদিও ড: আবুল বারাকাত তার বইতে বলেছেন, বাংলাদেশে হিন্দুর সম্পত্তির প্রায় ৭০ ভাগ আওয়ামী লীগারদের দখলে, তবুও ফরিদপুর হিন্দু বাড়ী ঘটনায় আমি আওয়ামী লীগকে দায়ী করতে চাইনা, যদিও তিনি আওয়ামী লীগের মন্ত্রী। এর কারণ হলো, উনি আওয়ামী লীগে নবাগত এবং লোকে বলে, জননেত্রী চাপের মুখেই তাকে মন্ত্রী বানিয়েছেন। মন্ত্রী অবশ্য ২০০৮-এর আগে কোন দল করতেন তা আমার জানা নাই, তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলেও তিনি যে সরকারী দলে থাকবেন বা সম্পত্তি রক্ষার খাতিরে থাকতে হবে তা বলা বাহুল্য।

এ বছর জানুয়ারিতে ঢাকা গিয়েছিলাম। আমার জিগীরী দোস্ত সুইডেন প্রবাসী সেলিমও তখন ঢাকায়। এপ্রিলের প্রথমে ফরিদপুর হিন্দু বাড়ীর ঘটনাটি আমার কাছে আসে। বাড়ীর মালিকের এক আত্মীয় জানান, পারলে যেন কিছু করি, কারণ বাংলাদেশে কেউ কিছু করতে অপারগ। এও জানালেন, ফরিদপুরে যারাই কথা বলতে চেয়েছেন, তাদের সবাইকে জেলে পুরে রাখা হয়েছে অথবা মেরে ঠ্যাং ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। ঐসময় প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি নিউজ করি, যার হেডিং ছিলো, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই পরিবারটিকে বাঁচান"। দেশে-প্রবাসে অন্তত: হাজার দুই মিডিয়া, সাংবাদিক, বুদ্দিজীবী, সামাজিক মাধ্যমে তা প্রচার হয়। দেশের কোন পত্রিকায় তা ছাপা হয়েছে বলে শুনিনি। তবে বিদেশে এবং ওয়েবে তা ব্যাপক প্রচার পায়। ফেইসবুকে অগণিত  শেয়ার হয়।

ওই নিউজটি ছিলো আসলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি আবেদন। কারণ, যেকেউ বুঝবে, প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ওই মন্ত্রীকে ঠেকানো কারো সাধ্যি নেই। ২৩শে এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ ঘটনা পাঠানো হয়। ধারণা করি ওটা তার হাতে পৌছেনি। কারণ, মন্ত্রীর লোক সর্বত্র। সামাজিক মাধ্যমে নিউজটি দেখে এপ্রিলের প্রায় শেষদিকে আমার বন্ধু সেলিম সুইডেন থেকে ফোন করে প্রথমেই জানতে চায়, এ ঘটনা জানলাম কি করে? সেলিম বললো, সে ওই এলাকায় কারো বাড়ীতে সপ্তাহ খানেক অতিথি ছিলো এবং তখনই সব ঘটনা শুনে এসেছে। সবই সত্য। এও বললো, 'দোস্ত, কোন কাজ হবেনা। পুরো ফরিদপুরে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মুখ খোলার ক্ষমতা কারো নেই; বিএনপিও নয়, প্রশাসন তো ওনার কথায় ওঠেবসে'।

যাহোক, প্রথম  রিপোর্টে মুখ্যত তিনটি বিষয় স্পস্ট ছিলো, তা হলো: অরুণ বাবুর কাছ থেকে জোর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে, তাকে বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করে মন্ত্রীর আর একটি বাড়ীতে একরকম বন্দী করে রাখা হয়েছে এবং বাইরের সাথে যাতে কোনরকম যোগাযোগ তিনি রাখতে না পারেন তত্জন্যে সার্বক্ষনিক প্রহরা রাখা হয়েছে। তাছাড়া মন্ত্রী যেদিন বাড়িটি দখল নেন, সেদিন বাড়ীর মন্দিরটি গুড়িয়ে দেন। বাংলাদেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলোও প্রতিবেদনটি পাওয়ার কথা। এ রিপোর্ট পেয়ে বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের এডভোকেট রবীদ্র ঘোষ তদন্ত করতে গিয়েছিলেন ফরিদপুর, সংশ্লিস্ট থানার পুলিশ তাকে বলেছে, 'ওই বাড়িতে গেলে তারা তার নিরাপত্তার দাযিত্ব নিতে পারবেন না'।

আজ রোববার শ্রী ঘোষের সাথে কথা হয়েছে। তিনি জানালেন মন্ত্রী তাকে কল দিয়েছিলেন ৮ই আগস্ট এবং জানতে চেয়েছেন, কেন তিনি ওই বাড়ীতে গিয়েছিলেন এবং যাওয়ার আগে অনুমতি নেননি কেন? তিনি ফোন নম্বরও দিয়েছেন। একইদিন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ডিবি নর্থ, রবিনবাবুকে তলব করেন এবং একই বিষয়ে জানতে চান। দুপুরে জানতে পারলাম, সমকালের পঙ্গু (!) সাংবাদিক প্রবীর শিকদারকে পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে গেছে। তিনচার দিন আগে তার সাথে আমার কথা হয়েছিলো। ফেইসবুকে তিনি স্পষ্টত: লিখেছেন, আমার মৃত্যুর জন্যে তিনজন মানুষ দায়ী থাকবেন, এরমধ্যে একজন ওই মন্ত্রী। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, কেন তিনি মৃত্যুর কথা ভাবছেন? উত্তরে তিনি বলেছেন, সমকালে মন্ত্রী ও অন্য দুই রাজাকারের বিরুদ্ধে তিনি লিখেছেন, তারপর থেকে হুমকি-ধামকী চলছে।

এবার আসা যাক, মন্ত্রীর এপিএস সত্যজিত মুখার্জীর কথা। সদ্য সত্যজিতবাবুর সম্পত্তির হিসাব চেয়েছে দুদক। বুঝতে কারো অসুবিধা হবার কথা নয়, কেন দুদক একজন ছাপোষা কেরানীর সম্পত্তির হিসাব চায়! এপিএস সত্যজিত দয়াময়ী ভবন দখলের বিষয়টির প্রতিবাদ করেন। ফলে ১৬এপ্রিল তার চাকুরী যায়। ১৭ এপ্রিল জেলা ছাত্রলীগ কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব পাঠায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে, কেন্দ্র দেয়নি। ২৪ মে তাই জেলা ছাত্রলীগ কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়। এপ্রিল-মে এই সময়ে তার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়। ১লা মে মন্ত্রী তার বাসায় শতাধিক কর্মীর সামনে যে ভাষণ দেন, তা মন্ত্রী কেন একজন সাধারণ নাগরিকও দিতে কুন্ঠা বোধ করবেন, প্রাপ্ত সংবাদে দেখা যায়, তাতে স্পষ্টত: সত্যজিতের বিরুদ্ধে আইনবিরুদ্ধ হুমকি ছিলো!

সত্যজিত মুখার্জীর বাবা মানস মুখার্জী। একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাতে কি! বাবা হবার অপরাধে ৭০ বছরের এই বৃদ্ধকেও পুত্রের মামলায় জড়ানো হয় এবং গ্রেফতার করা হয়। ৯ই আগস্ট একটি মিডিয়ায় হেডিং দেখলাম, 'কারাগারই মুক্তিযোদ্ধা মানস মুখার্জীর ঘরবাড়ী'। সত্যজিতের মা মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছিলেন। তারপর একইদিন মন্ত্রীর একজন সহকারী পাল্টা ফোনে জানান, সত্যজিত সারেন্ডার করলেই সবঠিক হয়ে যাবে। থানাও একই কথা বলেছে। সত্যজিতকে মেরে ফেলার হুমকী আছে, বেচারা সারেন্ডার করে কি করে? মন্ত্রীর এপিএস সত্যজিত নিশ্চয় আগে ক্রিমিনাল ছিলেন না, তাহলে মন্ত্রী তাকে এপিএস করতেন না, কেউ তা করেনা। তাযদি হয় তাহলে বরখাস্তের দুইমাসের মধ্যে যখন সত্যজিত জীবন নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তখন হটাত কি করে তিনি এতবড় অপরাধী হয়ে উঠলেন ক্যামনে?   

আর শুধু কি সত্যজিত? না, যারাই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গেছেন কেউই ছাড়া পাননি। সত্যজিতের স্ত্রী শুমিকা মজুমদারের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। মানসবাবুকে থানায় খাবার দিতে গেলে রূপক সাহা নামে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং অকথ্য নির্যাতন করে। সত্যজিতের পক্ষ অবলম্বন করায় জেলা আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দিয়ে তাকে জেলহাজতে পাঠান হয়। জেলা ছাত্রলীগের নীতিশ সাহা, মোখলেসুর রহমান, বিটিভি'র ফরিদপুর প্রতিনিধি বিপুল খান, ইয়াসিন কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি মামুন খান, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আলিম হায়দার তুহিন, অপু সাহা কেউই রক্ষা পায়নি। প্রথম আলোর ফরিদপুর প্রতিনিধিকে প্রকাশ্য দিবালোকে সিসি ক্যামেরার সামনে পিটিয়ে আধামরা করলেও পুলিশ অপরাধীদের ধরতে পারেনি। সত্যজিত ধরা পড়ে নাই, কিন্তু তার বন্ধু মোকাররম হোসেন বাবু-কে পুলিশ অনেক নির্যাতন করেছে। অথচ এই দু'জন মন্ত্রীকে এপর্যন্ত আসতে সাহায্য করেছেন। তাকে এমপি করতে জীবন উত্সর্গ করেছেন। এ দু'জন শুনেছি ফরিপুরের আওয়ামীপন্থীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। অথচ মন্ত্রীর আক্রোশে এখন রাতারাতি এরা ক্রিমিনালে পরিনত হয়েছে। অর্থাৎ মন্ত্রীর সাথে থাকলে সাধু আর না থাকলে ক্রিমিনাল!

সত্যজিতের মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদ ২৩শে এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। বিএনপি প্রেস কনফারেন্স করেছে। প্রথম আলোর একটি সাংবাদিক দল সরজমিনে গেছেন। শোনা যাচ্ছে, রিপোর্টটি যাতে আলোর মুখ না দেখে তাই তাদের ওপর চাপ আছে। দু'একটি মানবাধিকার সংস্থাও এনিয়ে কাজ করতে চাচ্ছে, কিন্তু প্রবল মন্ত্রীর প্রবলতম চাপ উপেক্ষা করা কারো পক্ষেই সম্ভব হচ্ছেনা। মন্ত্রীর হাত সর্বত্র প্রসারিত। যুক্তরাস্ট্রের ক'টি সংগঠন চিন্তা করছে, দেশে না পারলেও এদেশে তার বিরুদ্ধে কিছু করা যায় কিনা। এই মন্ত্রী যাতে আমেরিকায় ঢুকতে না পারেন সেইলক্ষ্যে একটি আবেদন হচ্ছে। এমনকি এখানে একটি মামলা করার বিষয়টিও বিবেচনাধীন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও সরকারী দফতরে এসব অভিযোগ পেশ হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ফরিদপুরের বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও নেতৃবৃন্দের একটি বিবৃতি ৭ আগস্ট মিডিয়ায় এসেছে। এতে বলা হয়েছে, 'মন্ত্রীর চরিত্র ফুলের মত পবিত্র'। মন্ত্রী যে এদের জোর করে বিবৃতি দিয়েছেন বা সভা করিয়েছেন তা বুঝতে পিএইচডি'র  দরকার হয়না। এরআগে ১৪জুন একটি মেসেজ বিভিন্ন মিডিয়ায় এসেছিলো, সেটি হচ্ছে: ফরিদপুরের শ্রীঅঙ্গণ এর সাধু, রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ বৃন্দ, ইস্কন মন্দিরের সাধুদের এবং ফরিদপুরের হিন্দু নেতৃবৃন্দদেরকে ডেকে ১৩ই জুন ২০১৫ রাতে মন্ত্রীর ফরিদপুরের বাসভবনে ধমক দিয়ে দয়াময়ী ভবণ নিয়ে সারা পৃথিবীর হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ সহ হিন্দু নেতৃবৃন্দ কর্তৃক দেওয়া বিবৃতি তারা করিয়েছে বলে মন্ত্রী তাদের মা-বাবা তুলে গালিগালাজ করেন। এই ধরণের কোন ঘটণা ফরিদপুরে ঘটে নাই এই মর্মে বিবৃতি দেওয়ার জন্য চাপ দেন৷ নাহলে মন্ত্রী ধরে নেবেন যে সারা পৃথিবীর ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ যে বিবৃতি দিয়েছেন তা ঐ সাধু এবং ফরিদপুরের হিন্দু নেতৃবৃন্দ করিয়েছেন, এবং এজন্যে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে৷"   

মন্ত্রী অবশ্য নিজেও একটি স্টেটমেন্ট দিয়েছেন এবং আদ্যোপান্ত কল্পকাহিনী বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, অন্যের উপকার করতে গিয়ে কিনা বিপদে তিনি পড়েছেন! আহা, মন্ত্রীর জন্যে আমার সত্যি দু:খ হয়, বেচারা! অবশ্য এমন কথা আমরা আগেও অনেকের মুখে শুনেছি, হিন্দুর কাছে এটা নুতন কিছু নয়। ৭০ কোটি টাকার সম্পত্তি উনি যদি ২কোটি টাকা দিয়ে কিনেও থাকেন, তাতে তার তো দু:খ হবারই কথা, কারণ এসব ঝামেলা নাহলে বিনামূল্যেই তা পেতেন। বিভিন্ন রিপোর্টে জানা যায়, মন্ত্রীর পিতৃপুরুষ এই বাড়িতে আশ্রিত ছিলেন, আমার জানতে ইচ্ছে করে স্বাধীন বাংলাদেশে উনি কতটাকা ট্যাষ্ক দিয়েছেন। এও জানতে ইচ্ছে করে অরুনবাবুর কাছ থেকে উনি যে ২কোটি টাকা দিয়ে কিনেছেন, সেই অর্থ তিনি কিভাবে পরিশোধ করেছেন!

শুনেছি জুলাইতে ওটা রেজিস্ট্রী হয়েছে। অরুনবাবু তখনও তার বন্দী। মন্ত্রী মহোদয় এসব লেনদেনের নথিপত্র প্রকাশ করে দেন না কেন? ২কোটি টাকা লেনদেনের বিষয়টি সরকারেরও জানার অধিকার আছে, কোন অনিয়ম দেখার দাযিত্ব সরকারের। ভুক্তভুগী আমরা ব্যাঙ্কের লেনদেন দেখতে চাই, স্ট্যাম্পে সই নয়, কারণ আগেই রিপোর্ট হয়েছে, অরুনবাবুর কাছ থেকে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। হিন্দুদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আছে, কেউ কেউ এক সম্পত্তি একাধিকবার বিক্রি করেছেন! অরুনবাবু যদি ৭০ কোটি সম্পত্তি ২কোটি টাকায় বিক্রী করতে বাধ্য হন, তাহলে তিনি ন্যায্যমূল্য পেতে আরো অন্তত: ৩৪জনের কাছে একই মূল্যে বিক্রি করতে পারতেন! অরুনবাবুর ঘটনাটি আসলে কিভাবে একজন হিন্দু সম্পত্তি হারায় এবং দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়, এর চমত্কার দৃষ্টান্ত!

প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, দয়াময়ী ভবনের মালিক অরুনবাবু ও তার পরিবার এখন কোথায়? মন্ত্রী অসম্ভব দয়ালু, অরুনবাবুদের বাড়ী থেকে জোরজবরদস্তী উচ্ছেদ করে তারই অন্য একটি বাড়িতে আশ্রয় দেন এবং রেজিস্ট্রী হয়ে গেলে ভারতে পাঠিয়ে দেন। অরুনবাবুর চৌদ্দপুরুষের ভাগ্য যে তিনি গুম হননি। জানা যায়, অরুনবাবু এখন কোলকাতায় একমাত্র মেয়েকে নিয়ে চলে আসতে পেরেছেন, সেই আনন্দে আনন্দিত। অবশ্য এও শুনছি, বিপদে পরে মন্ত্রী এখন আবার তাকে খুজছেন, এবং তাকে এনে কোনভাবে সাংবাদিকদের সাথে কথাটথা বলিয়ে এ যাত্রায় রক্ষা পেতে চাচ্ছেন। আরো শুনছি, কোলকাতায় তাকে দিয়ে সব ঘটনা খুলে বলার জন্যে কিছুলোক চেস্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু তিনি সাহস পাচ্ছেন না, একমাত্র মেয়ের ভবিষ্যত নিয়েই তিনি এখন ব্যস্ত।

মানস মুখার্জী পরিবারের আত্মীয়-স্বজন অনেককে আমি চিনি, জানি। এরা সম্ভ্রান্ত। ৭০ বছরের মানস মুখার্জীর রাস্তায় চাদাবাজির প্রয়োজন পড়ার কথা নয়। আর শিক্ষাদীক্ষা? ওকথা বলে মন্ত্রীকে লজ্জা দিতে চাইনা। ভাবছি, একজন মন্ত্রীর কারণে এতগুলো মানুষ ভুগছে, কেউ কি নাই এর একটা বিহিত ব্যবস্থা করতে পারে? হায়রে দেশ, মন্ত্রীর লম্বা হাত থেকে একজন পঙ্গু সাংবাদিকেরও রেহাই নেই? সভ্য দেশে হলে মন্ত্রী তো দুরের কথা, এতদিনে সরকার নিয়ে টানাটানি পরে যেত!

শিতাংশু গুহ, কলাম লেখক।
নিউইয়র্ক। ১৬ আগস্ট ২০১৫।

http://www.bhorerkagoj.net/print-edition/2015/08/21/47822.php
প্রবীর সিকদারের মুক্তি স্বস্তি এনেছে
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০১৫
প্রবীর সিকদার মুক্তি পেয়েছেন। ভালো সংবাদ। শুনে সবাই খুশি। কথায় বলে ‘শেষ ভালো যার, সব ভালো তার’। শেষ পর্যন্ত সবাই আশ্বস্ত। সত্য জয়ী হয়েছে। মুক্তির পরে একই কথা বলেছেন প্রবীর সিকদার, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায় জয়ী হয়েছে’। কিন্তু সমস্যার পূর্ণ সমাধান এখনো হয়নি। জামিন হয়েছে। অযথা হয়রানি থামেনি। মামলা প্রত্যাহার হয়নি। সেটাও হওয়া প্রয়োজন। যারা এই গ্রেপ্তার নাটকের পেছনে তাদের মুখোশ উন্মোচন হওয়াটাও জরুরি। গণতন্ত্র, প্রগতিশীলতার স্বার্থেই তা দরকার।
পঙ্গু সাংবাদিক প্রবীর সিকদার গ্রেপ্তারে ক্ষমতার পেছনে ঘাপটি মেরে থাকা ‘রাজাকার শক্তি’ জয়ী হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি জয়ী হয়। মন্ত্রীর চেয়েও শক্তিশালী কেউ এই মুক্তির পেছনে তা বলা বাহুল্য। বিশ্বাসের এই জায়গাটি এখনো অটুট আছে বলেই প্রগতিশীল শক্তি বারবার হোঁচট খেলেও মাথা উঁচু করেই দাঁড়িয়ে আছে এবং থাকবে। জাতীয় শোক দিবসে বিটিভিতে জাতির পিতার সামনে দাঁড়িয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার সেই অঙ্গীকারটি দেখছিলাম, যেখানে তিনি বলছেন, ‘জীবন গেলেও তোমার অসম্পূর্ণ কাজ আমি সম্পন্ন করব’। এটাই বিশ্বাস, এখানেই আমাদের আস্থা।
শহীদ পরিবারের সন্তান শাহরিয়ার কবির গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বিএনপি আমলে। পঙ্গু সাংবাদিক প্রবীর সিকদার গ্রেপ্তার হলেন আওয়ামী লীগ আমলে। তিনি শহীদ পরিবারের সন্তান। তার পরিবারে বাবাসহ ১৪ জন ১৯৭১ সালে নিহত হয়েছেন। রাজাকারের বিরুদ্ধে লেখনি ধরে তিনি গ্রেপ্তার হলেন। তিনি পঙ্গু। বিএনপি আমলে একই কারণে তিনি মার খেয়ে পঙ্গু হয়েছেন। শুধু দেশে নয়, বিদেশেও এ ঘটনায় ব্যাপক হৈচৈ পড়ে যায়। চেঞ্জ ডট অর্গ-এ প্রবীর সিকদারের মুক্তির দাবিতে একটি পিটিশন দিলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১ হাজার স্বাক্ষর পড়ে। প্রবীর বাবুর মুক্তির পরও তা চলতে থাকে। স্টেট ডিপার্টমেন্টসহ বিশ্বের বিভিন্ন সরকার এবং মানবাধিকার সংস্থার কাছে আবেদন পৌঁছায়। তার মুক্তির দাবিতে বিশ্ব নড়েচড়ে বসে। ঠিক সেই মুহ‚র্তে তাকে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্তটি অভিনন্দনযোগ্য।
প্রবীর সিকদার গ্রেপ্তার নাটকের পেছনে ক্ষমতাধর কে আছেন, তা এখন আর অস্পষ্ট নয় কারো কাছেই। প্রবীর বাবুর মুক্তিতে তিনি হেরেছেন। জনগণ জিতেছে। সাংবাদিকরা জিতেছেন। আওয়ামী লীগ জিতেছে। পঙ্গু সাংবাদিক প্রবীর সিকদার গ্রেপ্তার কেসটি একটু পর্যালোচনা করা যাক। তিনি গ্রেপ্তার হন সন্ধ্যা ৬টায়। রাত ১১টায় ফরিদপুরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। মামলাটি আইসিটি অ্যাক্ট-এ। রাতেই বন্দিকে তড়িঘড়ি ফরিদপুর নিয়ে যাওয়া হয়। সকালে কোর্টে হাজিরা। ভাবতে অবাক লাগে আমাদের পুলিশ এত দক্ষ হয়ে গেল কবে থেকে?
এখানে দুটি বিষয় বিবেচ্য- এক. এত দ্রুততার সঙ্গে তাকে ফরিদপুর নেয়ার প্রয়োজন পড়ল কেন? দুই. মন্ত্রী নিজে মামলা না করে একজন হিন্দু স্বপন পালকে দিয়ে মামলা করালেন কেন? দুটো প্রশ্নের একটিই উত্তর, ফরিদপুর ক্ষমতাধর এক মন্ত্রীর রাজত্ব, মন্ত্রীর অঙ্গুলি হেলনে সেখানে সবকিছু হয়। রাজনীতি, প্রশাসন, সবই তার নিয়ন্ত্রণে। তদুপরি, স্বপন পালকে দিয়ে মামলা করানোর অভিসন্ধি হয়তো ‘হিন্দুর বিরুদ্ধে হিন্দু’ পলিসি। যদিও বাদী মামলা করেছেন পূজা পরিষদের নেতা হিসেবে, কিন্তু এ তথ্যও মিডিয়ায় এসেছে যে, তিনি এপিপি, এসিস্টেন্ট পাবলিক প্রসিকিউটর। প্রশাসনের লোক। তবে কি স্বপন পাল মামলা করতে বাধ্য হয়েছেন?
যিনি এ নাটক ঘটিয়েছেন তার এখানে একটু ভুল হয়ে গিয়েছিল। তিনি একজন সাংবাদিকের গায়ে হাত দিয়েছেন। আমরা ভুলে যাই, সামান্য একজন সাংবাদিক পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিধর মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের পতন ঘটিয়েছিলেন। কে জানে সামান্য সাংবাদিক প্রবীর সিকদার গ্রেপ্তার নাটকের মধ্য দিয়ে মন্ত্রীর পতন প্রক্রিয়া শুরু হলো কিনা! এখন কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরুতেও পারে! প্রবীর সিকদার গ্রেপ্তারে দেশের সাংবাদিক সমাজ বিগড়ে যায়। সরকারের একটি অংশ প্রমাদ গোনে। এই অংশটিই এগিয়ে এসে সমস্যার সমাধান করে। এদের সাধুবাদ জানাতে হয়। প্রথমে তিনি গ্রেপ্তার হলেন আইসিটি আইনে। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, তা নয়, তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগে। এতে বোঝা গেল সরকারের ওপরের মহল সজাগ। কারণ আইসিটি আইনে মামলা হলে জামিন হতো না, কাজেই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এল। আবার রিমান্ড হলো তিনদিনের জন্য, একদিন পরই পুলিশ জানাল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ। কে বলে আমাদের পুলিশ অদক্ষ? গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্পষ্টত বোঝা যাচ্ছিল পুলিশ তাদের শিকার উগড়ে ফেলতে চাইছে, দক্ষতার কারণ সেটাই।
সাংবাদিকদের বিশাল ভূমিকা এতে স্পষ্ট। গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গে মনজুরুল আহসান বুলবুলের ফেসবুক পোস্টিং, ‘তিনি মুক্তি পাচ্ছেন’ ইঙ্গিত করে যে সাংবাদিকরা বসেছিলেন না। বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিকদের ভূমিকাও চমৎকার। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের কথা, ‘আর বসে থাকা যায় না’- সঠিক সময়ে সঠিক বক্তব্য। সাকা চৌধুরীর ফাঁসির নির্দেশের পর দেশব্যাপী নতুন করে যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল, এই গ্রেপ্তার তাকে ঘনীভূত করে। কিন্তু মুক্তিতে অচিরেই সেটা দূরীভূত হয়। আমার একটি ঘটনা সব সময় মনে পড়ে, তাহলো, বঙ্গবন্ধুর বৃদ্ধ পিতা মারা যাওয়ার পর টিভিতে আমরা মোশতাককে যত কাঁদতে দেখেছি, জাতির পিতাও ততটা কাঁদেননি। আমাদের ভয়টা সেখানেই। কথায় বলে, ‘অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ’।
প্রবীর সিকদারের মুক্তিতে ‘মহাক্ষমতাধর ব্যক্তিটি’ হোঁচট খেয়েছেন। শিকার তিনি ধরে রাখতে পারলেন না। সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হলো, ফরিদপুরের প্রশাসন, রাজনীতিক বা সাধারণ মানুষ জানলো, ‘বাঘের ওপরে টাগ আছে’। হয়তো ফরিদপুরে এখন অনেকে কথা বলতে সাহস পাবেন। দেশের সাংবাদিক মহল তার ওপর নজর রাখলেও রাখতে পারেন। দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো এগিয়ে আসতে পারেন। প্রবীর সিকদার গ্রেপ্তার ঘটনায় দেশের ভাবমূর্তি আর একবার ক্ষুণœ হলো। কার কারণে এটা হলো তা এখন পরিষ্কার। প্রবীর সিকদার দাগি আসামি নন যে তাকে চোরের মতো গ্রেপ্তার করতে হবে। এতে সরকারের কট্টর সমর্থকরাও ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছেন। এটা ক্ষমতার অপব্যবহার। মিডিয়ায় তাই এসেছে, সরকার কি ক্ষমতায় থাকতে চান না? একটু ঘুরিয়ে বললে এভাবে বলা যায়, সরকারের মধ্যেই কি কেউ চান না এই সরকার ক্ষমতায় থাকুক? মোশতাক কিন্তু ক্ষমতাতেই ছিল। এই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র জাসদের সভাপতি আব্দুল মুসাব্বির ফোন করে খুব দুঃখের সঙ্গেই বললেন, ‘দাদা, বঙ্গবন্ধুকে হারিয়েছি, নেত্রীকে হারাতে চাই না’। বাতাসে গুঞ্জন আছে, আত্মীয়তার সুবাদে কেউ কেউ সরকার প্রধানকে ব্লু্যাকমেইল করতে চাইছেন।

নিউইয়র্ক, ১৯ আগস্ট ২০১৫।
শিতাংশু গুহ : কলাম লেখক।
কারাগারই মুক্তিযোদ্ধা মানস মুখার্জির ঘরবাড়ি
স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর বিরুদ্ধে হিন্দুদের জমি দখলের অভিযোগ তদন্তের দাবি বিএনপির
 প্রিন্ট সংস্করণ,
১০ বছরে দেশত্যাগ ৫০০ পরিবারের: নানা বঞ্চনায় উত্তরাঞ্চলের আদিবাসীরা
০৯ আগস্ট ২০১৫ সৌরভ হাবিব, রাজশাহী ব্যুরো: ভালো নেই উত্তরাঞ্চলের ১৬ লাখ সমতলের আদিবাসী। তাদের মধ্যে অর্ধেকই সাঁওতাল সম্প্রদায়ের। অন্যরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি-গোষ্ঠীর। বাড়িঘর দখল, নির্যাতন ও হুমকির কারণে গত ১০ বছরে এই অঞ্চলের কমপক্ষে ৫০০ আদিবাসী পরিবার দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।
 
রবিবার ;  ০২ আগস্ট, ২০১৫
উদিসা ইসলাম॥ সবার ওপরে দেশ। অথচ এক শ্রেণির প্রভাবশালীর দাপটে সেই দেশেও শান্তিতে থাকার উপায় নেই। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা যায় না; বিচার চাইলে মেলে না, মামলা দিলেও নিতে চায় না পুলিশ। সারাক্ষণ শুধু নিরাপত্তাহীনতা আর সব হারাবার ভয়। এমন অস্থির পরিস্থিতিতে থাকতে না পেরে খুব নীরবেই দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন এদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অনেকেই।
সরকারের লোকজনই হিন্দুর সম্পত্তি গ্রাস করছে
যখন যে সরকার আসছে তখন সেই সরকারের লোকজনই হিন্দুর সম্পত্তি গ্রাস করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী বাবুল কুমার ঘোষ।  
জামালগঞ্জে মন্দিরের জমি দখলের পায়তারা
http://www.sylhettoday24.com/news/details/Sylhet/6322
জামালগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজারে মন্দিরের কোটি টাকা মূল্যের জমিকে সরকারী জমি দেখিয়ে দখলের পায়তারা চালাচ্ছে একটি মহল। ভূল তথ্য দিয়ে এ জমিটি বন্দোবস্ত নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে এই মহল। এই দখল প্রক্রিয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী চক্র জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নীলফামারিতে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা প্রতিমা ভাংচুর
Janakantha, রবিবার ২১ জুন ২০১৫ | স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ ষোল শতক বিরোধপূর্ণ জমির বাঁশ কাটতে বাধা দেয়ায় এক সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষ মতিয়ার রহমান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এ ঘটনায় সংখ্যালঘু পরিবারের নারীসহ তিনজন আহত হয়েছে।
‘মোবাইলে হুমকির পর’ হিন্দু বাড়িতে আগুন  মাগুরা প্রতিনিধি,  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, Published: 2015-06-21: মোবাইল ফোনে উচ্ছেদের হুমকির পর মাগুরা সদর উপজেলায় এক হিন্দু বাড়ির গোয়ালঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গাইবান্ধায় সংখ্যালঘু পরিবারের ২২ বিঘা জমি ভূমিদস্যুদের দখলে :  
হিন্দুর সম্পত্তি দখলের জন্য হত্যা করা হল রমেন্দ্রনাথকে
 মতামত
সংখ্যালঘু ও আদিবাসী: উচ্ছেদের ঘণ্টাধ্বনি
মোল্লাহাটে মন্দিরে আগুন প্রতিমা ভাঙচুর, জমি দখলচেষ্টার অভিযোগে মামলা
দীঘিনালার সেই আদিবাসী গ্রাম এখন বিজিবি'র সদর দপ্তর।। উচ্ছেদকৃত ২১ পরিবারের মানবেতর জীবন-যাপন
adibashibarta.com|By আদিবাসী বার্তা
কেশবপুরে সংখ্যালঘু পরিবারকে বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা
কেশবপুর পৌরসভার মধ্যকুল সাহাপাড়ার মৃত গোলক রঞ্জণ সাহার ছেলে কালীপদ সাহা জমি জবর দখল প্রচেষ্টাকারী জামায়ত নেতা কর্র্তৃক নির্যাতিত হয়ে শুক্রবার বিকেলে কেশবপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। 1newsbd.com
বরগুনায় হিন্দু পরিবার উচ্ছেদে আন্তর্জাতিক তদন্ত চেয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া
যুবলীগে সন্ত্রাসীরা বরগুনার তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের চন্দনতলা গ্রামের ১৪টি হিন্দু পরিবারকে এসব বসতবাড়ি ও ফসলি জমি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়. দিনকাল রিপোর্ট : আওয়ামী সন্ত্রাসের ছ্ত্রছায়ায় বরগুনার তালতলী উপজেলার চন্দনতলা গ্রামের ১৪টি হিন্দু পরিবারের ওপর নির্যাতন ও উচ্ছেদের ঘটনায় প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়েছেন ২০ দলীয় জোট নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ওই ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসন উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানান।
 
 


নিউইয়র্কে ‘হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ গাইবেন প্রবাসীরা

রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :দেশের সীমানা পেরিয়ে এবার প্রবাসে ‘হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ গাইবেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। বিদেশের মাটিতে ‘হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ গেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ার এই উদ্যোগ নিয়েছে নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলাদেশি মালিকানাধীন আইপি টিভি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান টোটাল ক্যাবল। নিউইয়র্কের কুইন্স, ব্রুকলিন ও ব্রঙ্কসে পৃথক দিনে একসঙ্গে হাজারো বাংলাদেশিরা সমবেত কণ্ঠে গাইবেন জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’।আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টারে অনুষ্ঠানের দিন ধার্য হলেও কুইন্স ও ব্রুকলিনের তারিখ পরে জানানো হবে। বাংলাদেশিদের আকৃষ্ট করতে পথমেলার আদলে ওইদিন অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ মেলা।

BD   Pro 0
শুক্রবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন টোটাল ক্যাবলের সিইও আহমদুল বারভূঁইয়া পুলক।মূলধারার সংগঠন বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিল এবং বাংলাদেশি আমেরিকান ফ্রেন্ডস সোসাইটি এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা দেবে।জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সবাইকে নিয়ে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে এই উদ্যোগের শুভ সূচনা করেন নিউইয়র্ক প্রবাসী স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায়।

BD   Pro 1

এর আগে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সর্ম্পকে টোটাল ক্যাবলের সিইও আহমদুল বারভূঁইয়া পুলক বলেন, প্রবাসে প্রায় সকল কমিউনিটি তাদের মাতৃভাষায় কথা বলে। কিন্তু আমরা বাংলাদেশিরা এ ব্যাপারে পিছিয়ে পড়ছি। প্রবাসে নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে আমরা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ উদ্যোগ নিয়েছি।তিনি বলেন, টোটাল ক্যাবল প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে ‘আমরা বাংলায় কথা বলি’ স্লোগান নিয়ে পথ চলছে। এই স্লোগান আমরা প্রবাসে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে চাই।তিনি জানান, প্রবাসে নিজ দেশের জাতীয় সঙ্গীত একসঙ্গে হাজারো কণ্ঠে এর আগে কোনো জাতি গেয়েছে বলে জানা নেই। এ কারণেই এটি বিশ্বরেকর্ড গড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Picture

সংবাদ সম্মেলনে আহমদুল বারভূঁইয়া পুলক আরো জানান, হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা গাওয়ার এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দেবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসান। এ উদ্যোগ সফল করতে তিনি সবার সহযোগিতা চান।সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসান, বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিটি লিডার আইনজীবী মোহাম্মদ এন. মজুমদার, বাংলাদেশি আমেরিকান ফ্রেন্ডস সোসাইটির সেক্রেটারি মাকসুদুল হক চৌধুরী, টোটাল ক্যাবলের চিফ ইনফরমেশন অফিসার রনি আহমেদ, প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী শামীম সিদ্দিকী।

BD   Pro 3

ব্রঙ্কসের আয়োজক বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিটি লিডার আইনজীবী মোহাম্মদ এন. মজুমদার জানান, এর আগে ব্রঙ্কসের সকল আয়োজন সফল হয়েছে। হাজারো কণ্ঠের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার এ উদ্যোগও সফল হবে। শুধু হাজার নয়, হাজার হাজার মানুষ এ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মাধ্যমে প্রবাসে বাংলা ভাষা আরো সমৃদ্ধ হবে।সংবাদ সম্মেলনের সঞ্চালক করেন টোটাল ক্যাবল ও টোটাল ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্কের পরামর্শক হাসানুজ্জামান সাকী।


আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে রাজনৈতিক সাংবাদিক : কামরুল

রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ:জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে রাজনৈতিক ও সাংবাদিক। তিনি বলেন, এনায়েত উললাহ খানের ভাষায় সাংবাদিকতায় আভিজাত্য বজায় রাখতে হলে পেশাদারিত্বের বিকল্প নেই। তেমনি জাতীয় প্রেসক্লাবেও যে ‘বিভাজন রেখা’ এতদিন দৃষ্টিসীমায় ছিল, ভবিষ্যতে সেটা আর দেখা যাবে না। প্রেসক্লাবের বহুল আলোচিত কমিটি গঠনের ব্যাপারে বললেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের ইতিহাসে এই প্রথম সমঝোতার কমিটি হয়। আগেও হয়েছে।

Picture

 

হালিডের এনায়েত উললাহ খান বা ইত্তেফাকের আনোয়ার হোসেন মঞ্জুও সমঝোতায় সভাপতি হয়েছিলেন। গেল ১৭ আগস্ট সোমবার জ্যাকসন হাইটসের মামুন টিউটোরিয়ালে অনুষ্ঠিত ঢাকা-নিউইয়র্ক সাংবাদিক আড্ডায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি একথা বলেন। নিউইয়র্ক প্রবাসী সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও মনোয়ারুল ইসলামের উদ্যোগে আয়োজিত আড্ডায় মঞ্চে ছিলেন ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমান, নিনি ওয়াহেদ। একমাত্র বক্তা অতিথি কামরুল ইসলাম চৌধুরী উপস্থিত প্রবাসী সংবাদকর্মীদের জন্য ঘোষণা দিয়ে বলেন, আপনারা বাংলাদেশে গেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা যাতে উপভোগ করতে পারেন সেই দায়িত্ব আমি নিচ্ছি। তবে সদস্য পদ আমাদের গঠনতন্ত্র সংশোধন ছাড়া সম্ভব নয়।খবর বাপসনিঊজ:

alt
প্রেসক্লাবের সমঝোতার কমিটি গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন যখন অনিশ্চিতের পথে তখন গত ডিসেম্বর দুই ফোরামের ১০ জনের সমন্বয়ে সমঝোতা চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী গোলাম সারওয়ার সভাপতি ও রুহুল আমিন গাজী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনয়ন পান। কিন্তুু সাধারণ সদস্যদের বিরোধিতা এবং গোলাম সারওয়ারের অপারগতার মুখে এ কমিটি গঠন আর সম্ভব হয়নি। কাকতালীয়ভাবে সভাপতি হিসেবে  শফিকুর রহমান ও সম্পাদক হিসেবে আমার নাম আসে। আমরা দুজনের কেউ একদিন আগেও জানতাম না আমরা সভাপতি-সম্পাদক হচ্ছি। আমরাও চাই জাতীয় এই প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। কিন্তুু নির্বাচনের পথ যখন রুদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন অতীতের মতই এবারও সমঝোতায় কমিটি গঠন করা হয়েছে দু’পক্ষের সম্মতিতে। ১৫ আগস্ট প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর মুরাল স্থাপনও হয়েছে দু’পক্ষের সমঝোতা চুক্তির আওতায়। প্রেসক্লাবে অতীতে সদস্য পদ নিয়ে নানা অনিয়মের তথ্য তুলে ধরে কামরুল ইসলাম চৌধুরী বললেন, প্রকৃত পেশাদাররা যাতে প্রেসক্লাবের সদস্য পদ পান, সে ধারাই আমরা চালু করতে চাই।উলেলখ্য ১১ আগস্ট কামরুল ইসলাম চৌধুরী আমেরিকা সফরে আসেন। ২৫ আগস্ট তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন। তিনি এসেই গত সপ্তাহে আজকাল এর সাথে বিশেষ সাক্ষাৎ দিয়েছেন।


মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সিরাজুল আলম খান নিউইয়র্কে আসছন ২৮ আগষ্ট

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০১৫

Picture

সিরাজুল আলম খান মেধাবী ছাত্র হিসেবে শিক্ষাঙ্গণে সুখ্যাতি লাভ করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালীন তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীকালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৩-৬৪ এবং ১৯৬৪-৬৫ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় রাষ্ট্র বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ১৯৬২ সালে গোপন সংগঠন ‘নিউক্লিয়াস’ গঠন করেন। নিউক্লিয়াস স্বাধীন বাংলা বিপলবী পরিষদ নামেও পরিচিত। এই উদ্যোগে তার প্রধান সহযোগী ছিলেন আবদুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ। ১৯৬২-৭১ পর্যšত ছাত্র আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার আন্দোলন, ১১ দফা আন্দোলন পরিকল্পনা ও কৌশল প্রণয়ন করে তৎকালিন নিউক্লিয়াস।

আন্দোলনের এক পর্যায়ে গড়ে তোলা হয় নিউক্লিয়াসের রাজনৈতিক উইং ‘বিএলএফ’ এবং সামরিক ‘জয়বাংলা বাহিনী।’ ৬৯-৭০ সালে গণআন্দোলনের চাপে ভেঙ্গে পড়া পাকি¯তান শাসনের সমাšতরালে নিউক্লিয়াস-এর পরিকল্পনা অনুযায়ী সংগঠন করা হয় ছাত্র-বিগ্রেড, কৃষক-বিগ্রেড, সার্জেন্ট জহুর বাহিনী। স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে ‘জয় বাংলাসহ সকল স্লোগান নির্ধারণ এবং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বাক্যগুলোর সংযোজনের কৃতিত্ব নিউক্লিয়াসের। এ পরিকল্পনা গ্রহণে সিরাজুল আলম খানের মুখ্য ভূমিকা ছিল।
তিনি প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন দেশে অসুস্থকালিন তার খোুজ খবর নেয়ার জন্য। নিউইয়র্ক অবস্থানকালিন তার সাথে যোগাযোগ ৩৪৭-৩২৩-৪৪৭০ এবং ৯১৭-৪০০-৪০৬০। তিনি একমাস নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন বলে জানান।


নিউইয়র্কে সার্বজনীন ভাবে পালিত হলো “জাতীয় শোক দিবস”

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন:হেলাল মাহমুদ:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :১৫ ই আগস্ট, ২০১৫; নিউইয়কের বাঙ্গালী বসতী এলাকা জ্যাকসন হাইস্টস এর জুইস সেণ্টারে সার্বজনীনভাবে পালিত হলো জাতির জনকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০ তম মৃর্ত্যু বার্ষিকী “জাতীয় শোক দিবস”।সমাজের সকল স্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ বিশেষ করে নারী-শিশু কিশোর ও সাংবাদিক, রাজনীতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেএীবৃন্দ ।

alt

রাএি বারোটা এক মিনিটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে প্রবাসের বিশিস্ট শিল্পী জলি কর উব্দোধনী সঙ্গীত, স্বনামধন্য শিল্পী শহীদ হাসান ও শাহ মাহবুব বঙ্গবন্ধুর নিয়ে সঙ্গীত পরিবেশনা করেন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা আবৃওি করেন কবি গোপন সাহা ও মুমু আনসারী।

alt

এ অনুন্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন জিএইচ আরজু। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে শ্রতিচারন করেন মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ বাতেন । বঙ্গবন্ধুর জীবন ও দশন এবং তাঁর হত্যার তাৎপয নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন বিশিস্ট লেখক ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেলিন ও জাতিসংঘ বাংলাদেশের রাস্ট্রদূত ডঃ আবদুল মোমেন, নাট্যকার জামাল উদ্দ্দীন হোসেন, সাহিত্যিক ডঃ যতি প্রকাশ বসু ও বিশিস্ট সাংবাদিক নিনি ওয়াহিদ। এ অনুন্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন শরাফ সরকার । আলোচনা অনুন্ঠানে সভাপতিত্ত্ব করেন অনুন্ঠানের অন্যতম আয়োজক মুক্তিযোদ্ধা ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর।

alt
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন সহ বিভিন্ন কমসূচি অংশগ্রহন করেন- মুক্তিযোদ্ধা সায়দুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, মুক্তিযোদ্ধা আর আমীন , মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক খসরু, মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর আলী নন্টু্‌, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা শহিদুর রহমান, পূরবী বসু, কামাল আহমেদ, আধ্যাপক হোসনে আরা, সুব্রত বিশ্সব, আকতার আহমেদ রাশা, সাংবাদিক সাহাবউদ্দিন কিসলু, সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম, দিলীপ নাথ, হীরু ভূইয়া, রমেশ নাথ,ডা: টমাস দুলু রায়, মোহমদ আলী সিদ্দীকি, শাহিন আজমল, মোঃ আতিক, কৃষিবিদ আবদুর রহমান, আজিজুল হক খোকন, কৃষিবিদ আসরাফুজ্জামান, সোলাইমান আলী,  এ্যাডভোকেট মোর্শেদা জামান, শিতাংশু গুহ, শাহনাজ মমতাজ, মিস ফরিদা, সবিতা দাস, হেলাল মাহমুদ, মিথুন আহমেদ, মিনহাজ আহমেদ সাম্মু, ইঞ্জি: মিজানুল হাসান, আলী হাসান কিবরিয়া অনু, আলী আক্কাস, আবুল খায়ের, শিকৃতি বড়ুয়া, সাইদুর রহমান বেনু, হারুনর রসিদ,শফি আনসারী, মোঃ খলিলুর রহমান, সাহাদত হোসেন, জিন্দাপীর, প্রবীর গুন, মো: রেজাউল করিম, শফিক, এ কে চৌধুরী, উলফৎ মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, একেএম শফিকুল ইসলাম,  এমএন বিপ্লব প্রমুখ।


বঙ্গবন্ধুকে ঘাতকরা ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছে ---ড. প্রদীপ রঞ্জন কর

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০১৫

alt
বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ সভাপতি মনির আহমেদ মুস্তাকীর সভাপত্তিত্বে ও সাধারন সম্পাদক হারুন- অর রশীদ এর সুন্দর ও সাবলীল পরিচালনায় অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবসের সভায় প্রধান অতিথি মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ রঞ্জন কর। বিশেষ অতিথি মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, উদয়ন শিল্পগোষ্ঠী নিউইয়র্কের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডা: টমাস দুলু রায়, লেখক ও সাংবাদিক নাসিমুন নাহার নিনি ওয়াহেদ, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদ, সংগঠনের উপদেষ্টা টি মোল্লা, আক্তার হোসেন ও জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারন সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু সংগঠনের স্ট্যাডিং কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, বিএম জাকির হোসেন হিরু ভূইয়া, উলফৎ মোল্লা, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদ, সংগঠনের উপদেষ্টা টি মোল্লা, আক্তার হোসেন ,সবিতা দাস এবং কবিতা পাঠ করেন জিএইচ আরজু।

alt
সভায় অন্যান্যদের সাথে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা এমএন জিননাত,এম আর সেলিম,জলি কর,সংগঠনের সহ সভাপতি মাইন ঊদিদহ মাইন, আবুল বাশার মিলন,নজরুল ইসলাম,সহিদুল ইসলাম শহীদ,আমিনুল ইসলাম আমিন,য়ুগমম সাধারন সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদ,সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসাইন,নিলুফার রশিদ,রফিকুল ইসলাম,আবদুল হক,আবদুল হাসিব,আনোয়ার হোসেন ,এহসানুল হক প্রমুখ।সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।শেষে নৈশভোজে সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।


১৫ই আগষ্টে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের পুস্পস্তবক অর্পন

রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডীর তাঁর চিরচেনা ৩২ নম্বর বাড়ীতে স্বপরিবারে নৃশংসভাবে নিহত হন। এই দিনটিকে যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে রাত ১২:০১ মিনিটে জ্যাক্সন হাইটসের জুইস সেন্টারে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের নেতৃবিন্দ।

alt

পুস্পস্তবক অর্পনে অংশগ্রহন করেন নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, সহসভাপতি যথাক্রমে কামাল আহমদ, শেখ আতিকুল ইসলাম, মহি উদ্দিন, সৈয়দ আতিকুর রহমান, কোষাধক্ষ্য এম এইচ মতিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেম ভুঁইয়া , শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক স্বীকৃতি বড়ুয়া ও মূলধারায় পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন


জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্কে জাতীয় শোক দিবস পালিত

রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৫

Picture

এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।  বিকেলে মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা ও সেই কালরাত্রিতে স্বাধীনতা বিরোধী গোষ্ঠীর হাতে নৃশংসভাবে নিহত তাঁর পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন ও মোনাজাত করা হয়।খবর বাপসনিঊজ:অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষ্যে দেয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

alt

অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কে সফররত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন মূল বক্তব্য প্রদান করেন।নূহ-উল-আলম লেনিন বলেন, জাতির পিতা একটি বাঙালি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে প্রস্তুত করেন। দৃঢ়সংকল্প বাঙালি জনগোষ্ঠী জাতির পিতার নির্দেশে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। পরাজিত শত্রুদের জন্য এটা ছিল রাজনৈতিক, সামরিক ও নৈতিক পরাজয়। যা বিশ্ব ইতিহাসে অম্লান হয়ে আছে।তিনি বলেন, এই পরাজিত শত্রুরা জাতির পিতাকে নৃশংসভাবে হত্যার মাধ্যমে বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের চারটি মূল স্তম্ভকে বদলে ফেলতে চেয়েছিল। পাকিস্তানী ধ্যান-ধারণায় ফিরে যেতে চেয়েছিল। তাই তারা মার্শাল ল’ জারি করে অবৈধ পন্থায় সংবিধান সংশোধন করে। যা ছিল বেআইনী ও সংবিধান পরিপন্থী।

alt
জনাব লেনিন বলেন, সেই আওয়ামী লীগ বিশাল বিজয়ের মাধ্যমে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে সংবিধানে থাকা এসব অবৈধ পরিবর্তন বাতিল করে। জাতির পিতার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার চার মূলনীতি পুনঃপ্রবর্তন করে।তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে সেই অপশক্তি আবার পরাজিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাঙালি জাতি সেই অপশক্তির অপকর্মের প্রতিশোধ নিয়েছে। বাঙালি জাতি তার মূল চেতনায় ফিরে এসেছে। ফলে দেশ এখন অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে দ্রুত উন্নতি লাভ করছে।বেলাল বেগ বলেন, জাতির পিতা বাঙালি জাতিকে ঘুম থেকে জাগিয়ে ঐক্যবদ্ধ করে দুর্বার আন্দোলনের চেতনায় উজ্জীবীত করেন। ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে তিনি জাতিকে স্বাধীনতার লক্ষ্যে শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেন। শত্রুকে পরাজিত করার এটাই ছিল বাঙালি জাতির প্রেরণা ও শক্তি।

alt
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে দেয়া ভাষণের ভিডিও দেখানো হয়। তাঁর একান্ত প্রচেষ্টায়ই বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে।জাতির পিতার এই ভাষণের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে ড. মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ গোটা বিশ্বের জন্য আজও কার্যকর। ভাষণে উপস্থাপিত তাঁর ইস্যুগুলো এখনও জাতিসংঘে আলোচিত হচ্ছে।অনুষ্ঠানে জাতির জনকের উপর রচিত কবিতা ও প্রবন্ধ পাঠ করা হয়।


নিউইয়র্কে লেনিন - ৭৫’র পাপের পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না

রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ:গত ১৪ আগস্ট,যুক্তরাষ্ট্র সফররত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল- আলম লেনিন বলেছেন, ‘৭৫-এ আমরা পাপ করেছি। বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে পারিনি। তাই আরেকটা পাপের পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না।জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে শুক্রবার রাতে শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।খবর বাপসবনঊজ:জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুক্তিযুদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি, নিউইয়র্ক।

alt
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু দুষ্ট লোকের কারণে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাধাগ্র¯ত করছে।’তিনি বলেন, ‘শিশুকে পিটিয়ে হত্যা, মায়ের পেটে শিশুকন্যার গুলিবিদ্ধের খবর আমরা দেখতে চাই না। এসব করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়।’

alt
মুক্তিযুদ্ধা ড. .প্রদীপ করের সাগত বক্তব্য রাখেন ও মুক্তিযুদ্ধা সরাফ সরকারের সঞ্চলনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ড.জুতি প্রকাশ দতত, সাংবাদিক ও লেখক নাসিমুন নাহার নিনি ওয়াহেদ, নাট্যজন জামাল উদ্দিন হোসেন,ড,আবদুল বাতেন প্রমুখএবং কবিতা পাঠ করেন জি এইচ আরজু,মুমু আনসারী, গোপন সাহা ও রেজাঊল করিম চেীধুরী এবং গান পরিবেশন করেন সহিদ হাসান,জলি কর ও শাহ মাহবুব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ১৫ আগস্ট দিনের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে সভাস্থলে স্থাপিত অস্থায়ী প্রতীকী ছবি প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

alt
এদিকে, একই দিনে ব্রুকলীনের বাংলাদেশী অধ্যুষিত চার্চ ম্যাকডোনাল্ডসের রাঁধুনি রেস্টুরেন্টে জাতীয় শোক দিবস ও ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগ আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, রাষ্ট্রদূত ড. একে আবদুল মোমেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা।অন্যদিকে, ১৫ আগস্ট শনিবার জাতিসংঘ মিশনে বিকেল ৩টায় এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট নিউইয়র্ক কার্যালয়ে বিকেল ৬টায় জাতীয় শোক দিবস ও ১৫ আগস্টের উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


আ স ম রব ও তানিয়া ফেরদৌসী রব এর নিউইয়র্ক ত্যাগ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

alt

তারা দেশে ফেরার পথে জার্মানীর নিউনিকো প্রবাসী বাঙ্গালী ও জেএসডি সমর্ধক ফোরাম- এর মতবিনিময় সভায় অংশ নিবেন। উল্লেখ্য আ স ম আব্দুল রব ১৬ জুলাই বিকালে তার্কিস এয়ারলাইন্স যোগে নিউইয়র্ক আসেন স্বপরিবারে তার হৃদরোগের রোটিন চেক- আপের জন্য ৩১ জুলাই ডাক্তারের সাথে সাক্ষাত করেন এবং সকল পরিক্ষা- নিরাক্ষা রিপোর্ট সম্পন্ন করেন। আ স ম আব্দুল রব প্রবাসীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তাদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করার জন্য। ছবিতে জেএফকে বিমান বন্দরে  মাঋে আ স ম আব্দুল রব  ও  তানিয়া ফেরদৌসী রব সহ সংগঠক প্রবাসী নেতৃবৃন্দক দেখা য়াচেছ,ছবি:বাপসনিঊজ ।