Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

২০১৯ সালে নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র আ: লীগ শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে কার্যকরী সভায সিদ্ধান্ত

বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ,আব্দুল হামিদ :বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক :-গত ২২ জানুয়ারী রবিবার নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টার এ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির অনু্ষ্ঠিত হয় । উক্ত সভায সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ডক্টর সিদ্দিকুর রহমান এবং সভা সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ. সভায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয ।

alt

সভার শুরুতে দিক নির্দশনা মুলক ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডক্টর সিদ্দিকুর রহমান. তিনি বলেন… যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ একটি বড পরিবার ভুল বুঝাবুঁঝি হতে পারে এটাই স্বাভাবিক ঘটনা . আজ থেকে আমরা সবকিঁছু ভুলে কি ভাবে ২০১৯ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করা যায সেই বিষয নিয়ে আমাদের আলোচনা করার দরকার ।তিনি আরো বলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বা কোন সহযোগী সংগঠনের কোন নেতা যদি ফেইসবুক ও মিডিয়ায সংগঁঠন বিরোধী কোন কাজ করেন অথবা কেউ গালি দেয় তাহলে তাকে দল থেকে বের করে দেওয়া হবে।

alt

আমি কোন ভেদাভেদ দেখতে চাই না । তিনি বলেন আমি মানুষ ভুল আমারো হতে পারে । সেই দিকে লক্ষ্য রেঁখে সব ভুলে আসুন আমরা সবাই মিলে জননেত্রীর হাত কে শক্তিশালী করি । সভাপতির বক্তব্যের পর একে একে সবাই বক্তব্য রাখেন। সভায বক্তারা সভাপতি কে ধন্যবাদ দেন । কার্যকরী কমিটির মিটিং আহবান করার জন্য ।

alt

সভায সবার মতামতের ভিত্তিতে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন । সিদ্ধান্ত গুলি হল …….২০১৯ সালে জাতীয নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে কার্যকরী সভায সকলের ঐক্যমতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা করেন। পাশাপাশি সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রচার-প্রচারনা চালানোর জন্য একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল গঠনের লক্ষ্যে সবাই কে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় ।

alt

এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ কে আরো কিভাবে শক্তিশালী করা যায এই লক্ষে বিভিন্ন কর্মসুচী গ্রহন করা করেন। এবং অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন ঐক্যবদ্ধ করে সম্মলন মাধ্যমে নতুন কমিটি করা । সভায কার্যকরী কমিটির সবাই দলের ঐক্যের উপর বেশী গুরুত্ব দিয়ে জননেত্রীর শেখ হাসিনা হাত কে শক্তিশালী করে আবারো প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান।


নরসিংদী জেলা সমিতি ইউএসএ’র নতুন কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক

মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসের অন্যতম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন “নরসিংদী জেলা সমিতি ইউএসএ’র ২০১৭-২০১৮ সালের নবনির্বাচিত কমিটির আনুষ্টানিকভাবে দায়িত্ব নিয়েছেন। খবর বাপসনিউজ। গত ১৫ জানুয়ারী, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নিউইয়র্কেও এষ্টোরিয়ার ক্লাব সনম(৩৫-১৫, ৩৬ এভিনিউ)। এর মিলনায়তনে বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানে নতুন কমিটি অভিসিক্ত হয়।

alt

বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। প্রথম পর্বের শপথ অনুষ্ঠানে বিদায়ী সভাপতি আজহারুল ইসহাক খোকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তাদের শপথবাক্য পাঠ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সামসুল আলম খোকন।

Picture


২য় পর্বে নবনির্বাচিত সভাপতি জাহিদুল হক খান অরুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অভিষেক, আলোচনা সভা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন নরসিংদী জেলা সমিতি ইউএসএ’র ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যান আবুল কালাম খান ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মোল্লা মুনিরুজ্জামান, এসাল সভাপতি মুলধারার শ্রমিকনেতা মাফ মেসবাহউদ্দিন, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র, সহ-সভাপতি আব্দুল রহীম হাওলাদার, নরসিংদী জেলা সমিতি ইউএসএ’র ট্রাষ্টি বোর্ডেও সদস্য আবু সাইদ পন্ডিত, ডা. নাজমুল এইচ খান, ইঞ্জিনিয়ার আহসানুল হক বিদায়ী সভাপতি আজহারুল ইসহাক খোকা।

alt
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জসিম ঊদদীন খন্দকার, নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতি জে মোল্লা সানি, আহসান হাবীব, আনোয়ার হোসেন, শাহীন সিকদার, আসাদুজ্জামান প্রমুখ। ৩য় পর্বে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় ও সুপরিচিত সংগীত শিল্পী শাহ মাহবুব, রোকসানা মির্জা, বাপ্পী সুমন ও পলাশী খন্দকার প্রমুখ। শাহ মাহবুব, রোকসানা মির্জা এবং বাপ্পী সুমন এককভাবে অনেক গুলি গান পরিবেশন করে হল ভর্তি দর্শক শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। এ সময় দর্শক শ্রোতারা বিপুল করতালি দিয়ে ও শিল্পীদের অভিনন্দন জানান।

alt
জনপ্রিয় দুই শিল্পী শাহ মাহবুব ও রোকসান্ ামির্জা দৈত কন্ঠে তাদের তিনটি সংগীত পরিবেশন করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

alt
অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করে ছোট মনি তাসনিম রশিদ শ্নেহা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারু ভাবে পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন  নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি হারুন অর রশীদ ॥

alt
অনুষ্ঠানে অতিথিদের মাঝে পরিচয় পরিচয় করিয়েদেন আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বাপসনিউজ এডিটর হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান,জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক আয়েশা আক্তার রুবিসহ আরো অনেকেই। অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

alt
শেষ পর্বে ছিল রকোমারী আয়োজনে সুস্বাদু নৈশভোজে আপ্যায়ন। অভিষেক উপলক্ষে বিশিষ্ট রিয়েলেটর ও সংগঠনের অন্যতম সদস্য বেলাল হোসেন এর সম্পাদনায় চাররঙ্গা সদৃশ্য ২৪ পাতার একটি মনোরম স্বরনিকা প্রকাশ করা হয়। এই স্বরনিকাটি উপস্থিত সবার মাঝে বিতরণ করা হয়।

alt

নরসিংদী জেলা সমিতি ইউএসএ’র নতুন কমিটির নবনির্বাচিত কর্মকর্তারা হলেন সভাপতি জাহিদুল হক খান অরুণ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জে মোল্লা সানি,সহ-সভাপতি আবুৃল হোসেন, আহসান হাবীব ও হারুন-অর-রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ-সাধ্রাণ সম্পাদক শাহীন সিকদার, কোষাদক্ষ তরিকুল ইসলাম তুহিন,সাংগঠনিক সম্পাদক এহসানুল হক বাবুল, সাংস্কৃতিক সম্প্দাক আমজাদ হোসেন, প্রচার সম্পাদক হাসিবুর রহমান, আন্তজার্তিক সম্পাদক সাইফুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক কামরুজ্জামান ভূঞা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইকবাল ভূঞা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা রাশেদা সুলতানা রেখা, সদস্যবৃন্দ আজাহার ইসহাক খোকা, আনোয়ার হোসেন, জসিম উদ্দিন খন্দকার, শহিদুল ইসলাম ভূঞা, ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হক, বেলাল হোসন, তাজুল ইসলাম কামাল, ইকবাল কবির, মাসুদ ভূঞা, সালাহ উদ্দিন খান তুহিন, ওবায়দুর রহমান ভূইয়া ইমন ও মাহাবুবুর রহমান মুকুল, বোর্ড অব ট্রাষ্টি হলেন চেয়ারম্যান আবুল কালাম খান, সদস্যবৃন্দ আবু সাইদ পন্ডিত, ডা. নাজমূল এইচ খান, কুতুবুদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার আহসানুল হক, জাকির হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হক, আসাদুজ্জামান ও আঞ্জুমান এ আবিদ।

alt
নির্বাচন কমিশন হলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সামসুল আলম খোকন, নির্বাচন কমিশনার শামসুল হকও ওয়াহিদ জামান।

alt
নরসিংদী জেলা সমিতি ইউএসএ’র নতুন কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক উদযাপন কমিটির আহবায়ক আবুল হোসেন , সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম তুহিন, সমন্বয়কারী জে মোল্লা সানি, যুগ্ম আহবায়ক হারুন অর রশীদ, সদস্যবৃন্দ। ভূইয়া মাসুদ এবং এহসানুল হক বাবুল, আনোয়ার হোসেন, বেলাল হোসেন, ইকবাল কবির, শাহীন সিকদার, আমজাদ হোসেন কামরুজ্জামান এবং হাসিবুর রহমান।


সাংবাদিক ও এক্টিভিষ্ট এ্যাওয়ার্ড পেলেন হাকিকুল ইসলাম খোকন

বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৭

alt

বাপসনিউজ : আহাম্মদ হোসেন ১৬ ড্রিম ফাউন্ডেশন নিউইয়র্কের উদ্যোগে গত ৯ জানুয়ারী সোমবার, রাত সাড়ে ৭টায় নিউইয়র্কেও বাঙ্গালী অধ্যাষিত জ্যাকসন হাইটসের জুইস কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও গুণীজন সম্মানণা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। খবর বাপসনিউজ।

alt

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আলী হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রধান অতিথি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা আনিসুজ্জামান খোকন এর কাছ থেকে মুলধারায় সাংবাদিকতা ও এক্টিভিজম গুনীজন সম্মাণনা এ্যাওয়ার্ড নিচ্ছেন  আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বাপসনিউজ এডিটর হাকিকুল ইসলাম খোকন । ছবি ঃ বাপসনিউজ।


বিজয় দিবস ও নববর্ষ উদযাপনে ড্রিম ফাউন্ডেশনের বিজয় দিবস ও নববর্ষ উদযাপন এবং গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ: নিউইয়র্কে বিজয় দিবস ও নববর্ষ উদযাপন করলো আহমদ হোসেন ১৬ ড্রিম ফাউন্ডেশন । জ্যাকসন হাইটস্থ জুইশ সেন্টারে ৯ জানুয়ারি আয়োজিত হয় গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ।

alt
সংগঠন সভাপতি আলী হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক এমপি ও রুপসী বাংলা মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা আনিসুজ্জামান খোকন।নন্দিত লেখক-সাংবাদিক কবি সালেম সুলেরী কথা ও কবিতা দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন  বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রগ্রাহক কাজী শফিকুল হক, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার ও মানবাধিকার কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনার্দন চৌধুরী।

alt
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুজ্জামান খোকন বলেন, আমরা সবাই কি পচে গেছি! আজ স্বাধীনতা নিয়ে বেচা কেনা হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা নিয়েও বেচাকেনার নানান প্রকল্প। ভাতা, কোটা, ঋণ, পদায়ন- ইত্যাদির মোহজালে বন্দি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা। অথচ একাত্তুরে এসব স্বার্থের কথা ভেবে মুক্তিযুদ্ধে যাইনি। সার্টিফিকেটও নেইনি। বাংলা মায়ের মুক্তির জন্যে লড়েছি। স্বাধীনতার আগেই ঢাকার জিন্নাহ কলেজকে শহীদ তিতুমির কলেজ ঘোষণা করেছি। দেশীয় পদ্ধতিতেই অস্ত্র বানিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করেছি। কিন্তু রক্ত দেওয়া সেই স্বাধীনতা এখন হুমকির মুখে।

alt
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিলো জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনা। বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী হাফিজুর রহমান হাফিজ ও বাবলী হক এতে নেতৃত্ব দেন। প্রবাসে নানামুখী অবদানের জন্যে প্রায় ২২ জনকে প্রদান করা হয় গুণীজন সম্মাননা।
অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে কবি-কথাকার সালেম সুলেরী বলেন, প্রবাস আর পিছিয়ে নেই। জাতীয় দিবস উদযাপনে এবং গুণীদের মূল্যায়নে প্রবাসের সংগঠনগুলো দৃষ্টান্ত রাখছে। এখন দেখতে হবে স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য স্বনির্ভরতা, গণতন্ত্র, ও উন্নয়ন বহাল থাকছে কী না। তিনি বলেন, দেশকে অন্য দেশের ‘আশ্রিত রাষ্ট্র’ বানানোর নীরব ষড়যন্ত্র চলছে। বিলম্বে হলেও চলমান সরকার বিষয়টি আঁচ করতে পেরেছে। এখন উচিৎ এই ইস্যুতে সরকার ও সচেতন মহলকে সহযোগিতা করা।

alt
কবি সালেম সুলেরী তার বহুল আলোচিত ‘দুই বাঙালিই রাষ্ট্রপতি’ শীর্ষক কবিতা পাঠ করেন। প্রসঙ্গক্রমে বলেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদে একজন বাঙালির পদায়ন স্বাভাবিক ঘটনা। তবে ভারতে বিষয়টি সুদূর পরাহত। জন্মের ৬৫ বছর পর ২০১২ সালে ভারতে প্রথম একজন বাঙালি রাজনীতিক রাষ্ট্রপতি হন। তিনি বাংলাদেশের জামাই বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ প্রণব মুখার্জী। অন্যদিকে স্পিকার থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ। তিনি তৃণমূল থেকে সরল্পনা রাজনীতি উপহার দিয়ে শীর্ষ পদে আসীন হয়েছেন। ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ পদে যুগপৎ বাঙালির পদায়ন এক ঐতিহাসিক ঘটনা। ইতিহাসটিকে ধরে রাখার জন্যে আমি এই কবিতাটি লিখেছিলাম। তাতে সম্মান ও সাড়াও পেয়েছি। রাষ্ট্রপতি হামিদের ৭১ তম জন্মদিনে বঙ্গভবনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। সেবার শুধুমাত্র আমার একক কবিতা দিয়ে রাষ্ট্রপতির জন্ম-জয়ন্তী উদযাপিত হয়। আজ সেই আলোচিত পদ্যটিই নিবেদন করছি অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধনীতে।
alt
বিশেষ অতিথি মুক্তিযোদ্ধা-আলোকচিত্রী কাজী শফিকুল হক বলেন, ভাষাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ ভাষা থেকেই স্বাধীনতা। প্রবাসে অনেক ব্যানার আমন্ত্রণপত্রে বানানকে বিকৃত করা হয়। বিষয়টি লজ্জাস্কর। বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার বলেন, নতুন প্রজন্ম পুরোটা জানেনা। দেশ ও প্রবাসে ভাষা-স্বাধীনতা-শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ প্রকল্প প্রয়োজন। মানবাধিকার কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনার্দন চৌধুরী বলেন, আমরা নতুন কিছু উপহার দিচ্ছি। স্বাধীনতা সুরক্ষা ও সুষ্ঠু চর্চায় মানবাধিকার একটি মহা-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রবাসীদের কল্যাণেও এখন কমিশন কাজের দরোজা খুলে দিয়েছে।

alt
অনুষ্ঠান সভাপতি আলী হোসেন বলেন, ড্রিম ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিবার থেকে শুরু। পিতা আহমদ হোসেনের নাম কেন্দ্রিভূত থাকলেও এটি একটি সার্বজনীন প্রতিষ্ঠান। নিজেদের তহবিলেই এর কার্যক্রম চলে।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী হাফিজুর রহমান হাফিজ। সম্মাননা প্রাপ্তদের কর্মকান্ড মেলে ধরেন সভাপতি আলী হোসেন স্বয়ং। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মুক্তিযোদ্ধা আনিসুজ্জামান খোকন ও উদ্বোধক কবি সালেম সুলেরীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে এই দুই বরেণ্য অতিথি গুণীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

alt

এক্ষেত্রে সরাসরি সম্মাননা গ্রহণ করেন, সংগঠক আব্দুর রহিম হাওলাদার, গাঙ্গচিল, জাদুকর খান শওকত, মানবাধিকার কমিশনের পক্ষে জনার্দন চৌধুরী,নন্দিত সাংবাদিক-লেখক-gzjaviv  নিউইয়র্ক প্রেসক্লাব সদস্য হাকিকুল ইসলাম খোকন, , মুক্তিযোদ্ধা মেয্বাহউজ্জামান, সংস্কৃতিসেবী মিনা ইসলাম, রাজনীতিক-সংগঠক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু,কবি-সমাজসেবিকা মাকসুদা আহমেদ, কথাশিল্পী-সাংবাদিক শামিম আল আমিন, কণ্ঠশিল্পী হাফিজুর রহমান হাফিজ, সংগঠক লিটন চৌধুরী, সমাজ সেবিকা মাজেদা উদ্দিন প্রমুখ। মানবাধিকার কমিশন, নিউইয়র্কও বিশেষ সম্মাননা অর্জন করে। পরবর্তী ধাপের জন্যেও সম্মাননা প্রাপ্তদের নাম ঘোষিত হয়। এক্ষেত্রে রয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি কবি লিয়াকত আলী, কণ্ঠশিল্পী কাবেরী দাশ, রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ, সংস্কৃতিসেবী জাবেদ ইকবাল, উপস্থাপন আশরাফুল হাসান বুলবুল, আবৃত্তিশিল্পী গোপন সাহা প্রমুখ।সম্মাননা প্রদান বিষয়ে উদ্যোক্তারা বলেন, সেবামূলক কর্মসূচির আলোকে এটি একটি ধারাবাহিক কর্মসূচি। এক্ষেত্রে অন্য কারো পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই নিজ দায়িত্বে সংগঠন এই মহতী কাজটি করছে। পরিশেষে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়।


নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’র বর্ণাঢ্য অভিষেক : বাংলাদেশের কল্যাণে প্রবাসীদেরকে ঐক্যবদ্ধ করার সংকল্প

বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ: নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে : বাংলাদেশের সামগ্রিক কল্যাণে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করার সংকল্পে শপথ নিলেন নিউইয়র্ক অঞ্চলে ৩ লক্ষাধিক প্রবাসীর প্রতিনিধিত্বকারি ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’র কর্মকর্তারা।

alt

দু’বছর মেয়াদি এ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন যথাক্রমে কামাল আহমেদ এবং রুহুল আমিন সিদ্দিকী। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্বেও বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর বর্ণাঢ্য অংশগ্রহণের এ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।
 
alt
৮ জানুয়ারি রোববার রাতে কুইন্সের একটি মিলনায়তনে সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি আজমল হোসেন কুনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশ পরিচালনা করেন বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার। স্বাগত বক্তব্য দেন বিদায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান এবং অতিথিগণকে অভ্যর্থনা জানিয়ে বক্তব্য দেন এ সমাবেশের জন্যে গঠিত কমিটির সমন্বয়কারি ও সোসাইটির সহকারি সম্পাদক ওসমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান ডা. মইনুল ইসলাম মিয়া, সাবেক সভাপতি এম আজিজ, নির্বাচন কমিশনের সদস্য জামান তপন, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জামাল আহমেদ জনি, সমাবেশের প্রধান সমন্বয়কারি ফারুক হোসেন মজুমদার প্রমুখ।

alt
৪১ বছর বয়েসী এই সোসাইটির দু’বছর মেয়াদি কমিটির জন্যে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে। ১৮ হাজারের অধিক ভোটার এতে অংশ নেন। শপথ গ্রহণের পর নয়া কমিটির কর্মকর্তারা দৃপ্ত প্রত্যয়ে ঘোষণা দেন যে, প্রবাসীদের কল্যাণের পাশাপাশি প্রিয় মাতৃভ’মির সার্বিক মঙ্গলেও সকল প্রবাসীকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সচেষ্ট থাকবেন। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত রাখতে একযোগে কাজ করবেন কার্যকরী কমিটির সকলকে নিয়ে।

alt
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, ‘মার্কিন রাজনীতিকদের সাথে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্পর্কোন্নয়নের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বিশেষ অবদান রাখতে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ সোসাইটির ভ’মিকা অপরিসীম। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতেও এ সোসাইটি অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ, এই সোসাইটির সিংহভাগ সদস্য-কর্মকর্তাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন’। রাষ্ট্রদূত মাসুদ উল্লেখ করেন, ‘নবাগত বাংলাদেশীদের কাজ ও উচ্চ শিক্ষার পথ প্রদর্শকের ভ’মিকা রাখতে পারে এই সংগঠন। বিশেষ করে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় যারা নানা সমস্যা-সংকটে রয়েছেন, তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হলে প্রকারান্তরে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ই পূরণ হবে।’

alt
নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘মূলধারার সাথে প্রবাসীদের সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজের পাশাপাশি প্রবাসীদের সমস্যায় আরো বেশী মনোযোগ দিতে হবে এই সংগঠনকে’। ‘প্রবাসীদের যে কোন প্রয়োজনে গৃহিত পদক্ষেপের সাথে থাকবে কন্স্যুলেট’-এ অঙ্গিকারও করেন কন্সাল জেনারেল।

alt
বিপুল করতালির মধ্যে শপথ অনুষ্ঠিত হয় সোসাইটির বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান ডা. মঈনুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে। নয়া কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তারা হলেন সভাপতি-কামাল আহমেদ, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি-আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহ-সভাপতি-আব্দুল খালেক খায়ের, সাধারণ সম্পাদক-রুহুল আমিন সিদ্দিকী, সহকারি সম্পাদক-সাঈদ এম কে জামান, কোষাধ্যক্ষ-মোহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক-আবুল কালাম ভ’ইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা-মণিকা রায়, প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক-রিজু আহমেদ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাদির এ আ্ইয়ুব, সাহিত্য সম্পাদক-নাসির উদ্দিন আহমেদ, ক্রীড়া ও বিনোদন সম্পাদক নওশাদ হোসেন, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক-আহসান হাবীব। এবং নির্বাহী সদস্যরা হলেন ফারহানা চৌধুরী, মাইনুলউদ্দিন মাহবুব, আযাদ বাকির, সাদী মিন্টু, আবুল কাশেম চৌধুরী এবং সরোয়ার খান বাবু।


নিউইয়র্কে মেগা ষ্টারের থার্টি ফাষ্ট নাইট উদযাপন

সোমবার, ০২ জানুয়ারী ২০১৭

alt

হাকিকুল ইসলাম খোকন, আয়েশা আক্তার রুবি বাপসনিউজ ঃ প্রবাসের সুপরিচিত সাংস্কৃতিক ও বিনোদন সংগঠন “মেগা ষ্টার নাইট”-এর উদ্যোগে থার্টি ফাষ্ট নাইট উদযাপিত হয় ৩১ ডিসেম্বর শনিবার রাত ৮টায় নিউইয়র্কের ১৪৮-১৫ হিলসাইট এভিনিউ, নিউইয়র্ক, এন ওয়াই  ১১৪৩২-এর ষ্টার পার্টি হলে । খবর বাপসনিঊ।

alt
মেগাষ্টার –এর অন্যতম সংগঠক লিটন চৌধুরীর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।

alt
মেগাষ্টারের সংগঠক বৃন্দের মাঝে লিটন চৌধুরী ,সংগীত শিল্পী হাফিজুর রহমান হাফিজ, সংগীত শিল্পী সেলিম ইব্রাহিম এবং হেলালুর রহমান হেলালের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী চন্দন চৌধুরী এবং প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীদের মাঝে কামরুজ্জামান বকুল শামীম সিদ্দিকী,চন্দ্রা রায়, আবজল হোসেন ,কনক,মৌ,শুভ,প্রিন্স,রুবি, শিল্পী দম্পত্তি সেলিম ইব্রাহিম ও রুবিনা শিল্পী এবং হাফিজুর রহমান হাফিজ প্রমুখ।

alt

অতিথিদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ইমিগ্রেশন আইনজীবি প্রবাসের বিশিষ্ট সমাজসেবক নাসরিন আহমেদ ।

alt

অতিথিদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, বোষ্টনবাংলানিউজ.কম, কটিয়াদিনিউজ.কম প্রধান সম্পাদক, বাপসনিউজ এডিটর এবং যুক্তরাষ্ট্রের মুলধারায় পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক এবং এক্টিভিষ্ট আয়েশা আক্তার রুবি ।

alt

সংগীত শিল্পীদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জিনাত রেহানা রতœা ও রিনা চৌধুরী , সাহিত্যিক সাংবাদিক লেখক সহ প্রবাসের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ডিজে অপন-এর মিউজিকের তালে তালে নিত্য ও সংগীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে ভোর রাত ৪টায় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

alt
অনুষ্ঠানে রকোমারি আয়োজনে নৈশ্য ভোজে সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।


যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাংবাদিক,কবি ও প্রাবন্ধিক খোকন এবং সালেহ সম্মানিত হলেন কবি সংসদ বাংলাদেশ-এর জাতীয় সম্মেলনে

শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : কবি সংসদ বাংলাদেশ জাতীয় কবি সম্মেলন ২০১৬ গত ২৫ নভেম্বর ,শক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরী, শওকত ওসমান মিলনায়তন ঢাকায়।খবর বাপসনিঊজ।
alt
কবি সংসদ বাংলাদেশ সভাপতি কবি রাজু আলীম-এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম কনকের উপস্থাপনায় অনুষ্টিত জাতীয় কবি সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই সাংবাদিক, কবি ও প্রাবন্ধিক হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং এবিএম সালেহ উদ্দীন সম্মনীত অতিথি হিসেবে অংশ নেন।
alt
জাতীয় কবি সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কবি ও প্রাবন্ধিক এবিএম সালেহ উদ্দীনকে সম্মানীত অতিথির উত্তরীয় পরিয়ে দেন সভাপতি কবি রাজু আলীম এবং সাংবাদিক, কবি ও প্রাবন্ধিক হাকিকুল ইসলাম খোকনকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন সম্মেলনের অন্যতম অতিথি প্রবীন শিশু ও কথা সাহিত্যিক আসলাম সানী। এবিএম সালেহ উদ্দীন এবং হাকিকুল ইসলাম খোকনকে দেশ ও প্রবাসে বাংলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিতে অভাবনীয় অবদানের জন্য সম্মাননা সাইটেশন প্রদান করা হয়।

alt

উল্লেখ্য, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, বোষ্টনবাংলানিউজ.কম, কটিয়াদিনিউজ.কম প্রধান সম্পাদক, বাপসনিউজ এডিটর এবং যুক্তরাষ্ট্রের মুলধারায় পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং কবি ও প্রাবন্ধিক এবিএম সালেহ উদ্দীন ৩০ নভেম¦র কুয়েত, ৩ নভেম্বর ঢাকা, ১৫ নভেম্বর কুয়ালালামপুর ১৬ ও ১৭ নভেম্বর সিংগাপুর ,১৮-২০ নভেম্বর কুয়ালালামপুর এর আয়েবা সম্মেলনে অতিথি হিসেবে অংশ নেন।


২৮ নভেম্বর কবি সংসদ বাংলাদেশ আয়োজিত চায়ের আড্ডায় কবিতায় অতিথি হিসেবে অংশ নেন। ছবিতে জাতীয় কবি সম্মেলনে মঞ্চে বাথেকে উত্তরীয় পরিহিত যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই সাংবাদিক, কবি ও প্রাবন্ধিক হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং এবিএম সালেহ উদ্দীন সহ মঞ্চের অতিথিদের দেখা যাচ্ছে। ছবি ঃ বাপসনিউজ।


বাপসনিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা

শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬

বিদায় নিবে অনেক ঘটনা বহুল ২০১৬ । শুরু হবে আর একটি নতুন বছর – ২০১৭। যাক ভেসে যাক জীর্ণ পুরাতন……..নতুনের আবাহনে জেগে ওঠুক চারদিক………অতীতের সব গ্লানি মুছে দিয়ে আগামী বছরে নতুন সাফল্যে উদ্ভাসিত হউক সবার জীবন।

alt

কটিয়াদিনিউজ ডটকম সম্পাদক, শিক্ষাবিদ ও এক্টিভিষ্ট আয়েশা আক্তার রুবি এবং আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, বাপসনিউজ এডিটর , বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম প্রধান সম্পাদক ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন দেশে ও প্রবাসে সবাইকে ইংরেজি নতুন বর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।


জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল বোষ্টনবাংলানিউজ, কমের সম্পাদক এবং নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক সুহাস বড়–য়ার মা নমিতা বড়ুয়ার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের শোক প্রকাশ

শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ : যুক্তরাষ্ট্রে’র বোষ্টন শহর থেকে প্রকাশিত সর্বপ্রথম এবং একমাত্র বিশ^ব্যাপী সমাদৃত ও জনপ্রিয় দৈনিক নিউজপোর্টাল এবং নিউজ এজেন্সি “বোষ্টনবাংলানিউজ.কম সম্পাদক এবং নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক  সুহাস বড়ুয়ার মা নমিতা বড়–য়া(৮৬) গত ২৬ ডিসেম্বর সোমবার বোষ্টনের স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ৪০মিনিট বোষ্টন মেডিকেল সেন্টারে নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেছেন।

alt

মৃত্যুকালে তিনি ৭ পুত্র ,অসংখ্য নাতী-নাতনী সহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন মরহুমা নমিতা বড়ুয়ার মৃত্যুতে  যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সমতপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেনযুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবনধু পরিষদসভাপতি ড,নুরান নবী ও সাধারণ সম্পাদক শিতাংশু গুহ,আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম, যুক্তরাষ্ট্র জেনোসাইড ৭১ ফাউন্ডেশন সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা ড.প্রদীপ রঞ্জন কর,সংগঠক আবু তালেব, লেখক আলী রিয়াজ, যুক্তরাষ্ট্রস্থ সোহরাওয়ার্দী স¥ৃতি পরিষদের সভাপতি শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গণি ও সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া,যুক্তরাষ্ট্র; আওয়ামী লীগ নেতা হাজী শফিকুল আলম,  সাবেক ছাএনেতা ও সাংবাদিক শরীফ শাহাবুদ্দিন,  আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন  সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন I সাধারন সম্পাদক হেলাল মাহমুদ, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মিরাজ খান মিরাজ, মুক্তিযোদ্ধা কমাঃ নূরুন নবী, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ড আহবায়ক  ডা:আঃ বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা কামরুল হাসান চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবলু I সাধারন সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল –জাসদ সভাপতি আবদুল মোসাবির,সহ সভাপতি দেওয়ান শাহেদ চেীরুরী ও সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম জিকু, ইকবাল হায়দার, ডা: মুরাদখান ঠাকুর, ডা: আমিন, ডা: আতিকুজ্জামান, ডা: জিলুøর রহমান খান, মোয়াজ্জেন ইসলাম এবং সেন্টাল ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান মিলন ও সাধারন সম্পাদক আলো আহমেদ, আওয়ামী লীগ নেতা  ইঞ্জি: আশরাফুল হক, ডাঃ মাসদুল হাসান, রমেশ নাথ, চন্দন দত্ত ও আব্দুর রহিম বাদশা, আখতার হোসেন, kvহীন আজমল, আলী আক্কাস, সাধারন সম্পাদক জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন সাধারন সম্পাদক জেএইচ আরজু, মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্জের সাধারন সম্পাদক শরাফ সরকার, শেখ হাসিনা মঞ্চ যুক্তরাষ্টেi সভাপতি-জালালউদ্দিন জলিল ও সাধারন সম্পাদক-কায়কোবাদ খান, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, ডা: টমাস দুলু রায়, ডাঃ খালেক,  ডাঃ কামাল, এমদাদ চৌধূরী,  যুক্তুরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারন সম্পাদক-শিতাংশু গুহ, মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর আলী নন্টু, স্বাধীনতা চেতনা মঞ্জের সাধারন সম্পাদক-হেলাল মাহমুদ, চলচিএ ব্যাক্তি কাজল আরিফিন, মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, ইঞ্জি: মিজানুল হাসান,এবিসিডিআই এর সাধারন সম্পাদক-আলী হাসান কিবরিয়া অনু, সাবেক ছাএনেতা সাইদুর রহমান বেনু, সুবল দেবনাথ, খলিলুর রহমান, সাহাদত হোসেন, আশাফ মাসুক, এ্যাডভোকেট নিজামউদ্দিন, আঃ লতিফ বিশ্বাস, মঞ্জুর চৌধুরী, প্রবীর গুন, শেখ নাসির উদ্দিন, সাংস্কৃতিক কর্মী  জলি কর, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী আইনজীবি পরিষদ নেতা এ্যাডভোকেট মোর্শেদা আশরাফ, কবি নিখীল রায়, আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব নুরে আজম বাবু, নাজমুল ইসলাম চৌধূরী, রেজাউল করিম চৌধূরী, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা অবিনাশ আচার্য, লুৎফর রহমান খান, আব্দুস শাকুর ফারুক, আশরাফ হোসেন, মিঃ হারুন, মিঃ মোস্তফা, মিঃ শফিক, একে চৌধুরী, শেখ হাসিনা মঞ্চ সহ সভাপতি- টি মোল্লা,  মিসেস সিসিলিয়া আরজু, মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা-বদরুল হোসেন খান, তোফায়েল আহমদ চৌধুরী, কামাল উদ্দিন, মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ, রাফায়েতউল্লা চৌধুরী, আলহাজ্ব আব্দুস সহিদ দুদু, শেখ হাসিনা মঞ্চ নেএী-বিলকিস মোল্লা, আবু নকিব খান, সিরাজুল ইসলাম সরকার, আঃ গোলাম কুদ্দুস,  তাজু মিয়া, জহিরুল ইসলাম,  আলতাফ মিয়া, মুকতাদির চৌধুরী, ইঞ্জি: খন্দকার গিয়াস উদ্দিন, বজলুল রহমান, ওয়ালী হোসvBন, শিমুল আহমদ, ভুইয়া আহসান হাবিব, মজিবুর রহমান বিপ্লব, খলিলুর রহমান, দেলোয়ার মোল্ল্যা, এমএ ইসলাম মানিক, সালাউদ্দিন বিপ্লব, ফয়েজ আহমদ জিন্দাপীর, মোতাহার হোসেন, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কোহিনুর আকতার চৌধুরী, মাষ্টার আবু মোতাহার হোসেন,আলতাফ মিয়া, আবুল খায়ের, এমএ আলম বিপ্লব,  উলফত মোল্যা, মিথুন জুবেরী কোকো, হাসান আহমেদ, লস্কর মফিজুর রহমান জুয়েল, সেকান্দার হোসেন, এমএসালাম, হাজী সানাউল্লা,বি জামান, আনোয়ার হক ভূঞা, গোলাম ছরোয়ার দিদার, আবদুস ছালাম, জয়নাল আবেদীন দুলাল, ওয়াদুদ তালুকদার, ছলিমুল্লা খান, আলী আকবর, ফিরোজ মাহমুদ, আমিরুল মারুফ, হেলাল উদ্দিন শাহ, বোরহান উদ্দিন, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী খসরু, ফয়েজ আহমদ, সুজন আহমদ সাজু,শফিক আহমদ, খলিলুর রহমান খোকন, গোলাম রাব্বানী চৌধুরী, জাইন উদ্দিন জাইন ও হাসান জিলানী,ফিরোজ মাহমুদ,এমএ করিম জাহাংগীর,নুরুল ইসলাম বাংগালী,ইসলাম ঊদিদন পংকি,জাহাংগীর কবির,ফিরোজ আহমদ কলেলাল,বোস্টনবাংলানিউজ ডটকম সহযোগী সম্পাদক আয়েশা আকতার রুবি,ইউএসএবাংলানিউজ-এর সম্পাদক আবু সাঈদ রতন, কবি ও সঙ্গীত শিল্পী শামীমআরা আফিয়া, কবি আব্দুল আজিজ, ফিরোজ মাহমুদ ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক শামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম ,

alt

জনপ্রিয় দৈনিক নিউজপোর্টাল এবং নিউজ এজেন্সি “বোষ্টনবাংলানিউজ.কম সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি ওসমান গণি, প্রধান সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকন, সহযোগী সম্পাদকবৃন্দ বিশ^জিৎ সাহা, নাসিম পারভীন পারু, সামসুল আলম ও আয়েশা আক্তার রুবি প্রমুখ সহ আরো অনেকে |


কবি জুলি রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে সাক্ষাৎকার

বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ : ৩১ ডিসেম্বর শনিবার, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী চারণ কবি, গল্পকার সুরকার এবং প্রাবন্ধিক কবি জুলি রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম এর পক্ষ থেকে মুখোমুখি আড্ডায় কবির সাথে আলাপচারিতা সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সুপরিচিত টিভি এ্যাংকর ও সাংবাদিক দিমা নেফারতিতি। নি¤েœ সাক্ষাৎকারটি দেওয়া হলো।

মুখোমুখি আড্ডায় কবির সাথে আলাপচারিতা


‘বাংলার মাটি, বাংলার জল আমাকে প্রতিনিয়ত প্রাণিত করে অবিরাম শব্দের ফুল ফোটাঁতে’ - জুলি রহমান

কবি জুলি রহমান সাহিত্যচর্চা করছেন তিন যুগের অধিককাল ধরে। কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প - সাহিত্যের এসকল উল্লেখযোগ্য শাখাতেই রেখেছেন মুন্সিয়ানার স্বাক্ষর, পেয়েছেন পাঠকপ্রিয়তা। ২০১৭’র একুশে’র বইমেলায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তার রচনাকৃত পায় তিন’শ গানের বিশেষ সংকলন ‘জুলি গীত’। সম্প্রতি জুলি রহমান মুখোমুখি আড্ডায় বসেছিলেন সাংবাদিক, টিভি উপস্থাপক, অনুবাদক, আবৃত্তিকার দিমা নেফারতিতি’র সাথে। সেই আলাপচারিতা উদ্ধৃত হলো প্রিয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে।

দিমা নেফারতিতি: প্রথমেই জানতে চাইব সদ্য প্রয়াত কবি শহীদ কাদরী সম্পর্কে কবি জুলি রহমানের মূল্যায়ন। কবি শহীদ কাদরীকে আপনি কোন দৃষ্টিতে, কোন ভঙ্গিতে দেখেন, কিভাবে মূল্যায়ন করেন?

জুলি রহমান: কবি শহীদ কাদরীর কথা বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হবে, তিনি একজন বিরল প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব। কবিতা যদি সর্বোচ্চাঙ্গের আর্ট হয়, তবে আমি মনে করি কবি শহীদ কাদরী সেই আর্টের তুলি এবং ক্যানভাস। কবিতায় ছন্দ এক কল্পনা রঙিন পরিবেশ তৈরী করে। শুধু তাই নয়, কাব্যের গভীরে থাকে বোধের অতলতা। একজন কবির বোধ, সাধারণের বোধের চেয়ে অনেক বেশি ঊর্ধ্বে বিরাজ করে। কবি শহীদ কাদরী সেই উচ্চবোধসম্পন্ন মানব। কবি শহীদ কাদরীর সাহিত্য আসর ‘একটি কবিতা সন্ধ্যা’য় আমি বহুবার গেছি। ‘একটি কবিতা সন্ধ্যা’র শুরুর দিনগুলি থেকেই আমি এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। সেসময় খুব কাছে থেকে কবি শহীদ কাদরীকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। সেই কাছে থেকে দেখা অভিজ্ঞতায় আমি জেনেছি, একজন কবিকে অবশ্যই রোমান্টিক হতে হয়। কবি শহীদ কাদরী ছিলেন রোমান্টিক কবি। রোমান্টিকতার দ্যোতনায় আচ্ছাদিত ছিল তার কাব্য মানস এবং তার কবিতা। কবি শহীদ কাদরীর বিউটি বোর্ডিং নিয়ে কাব্যালাপ থেকে, তার বিভিন্ন সময়ের স্মৃতিচারণ থেকে, তাকে নিয়ে তার বন্ধু-স্বজনদের আড্ডার স্মৃতিচারণ থেকে কবি শহীদ কাদরীর রোমান্টিক সত্তার স্পষ্টতা প্রতিভাত হয়।
দ্বিতীয়ত কবিকে হতে হয় একজন সাচ্চা মানুষ। কবি শহীদ কাদরীকে খুব কাছে থেকে দেখে, তার সান্নিধ্যের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে, এটাই উপলব্ধি করেছি বারবার, যে কবি শহীদ কাদরী একজন সাচ্চা মানুষ, সত্যিকার অর্থে একজন নিখাদ মানুষ। সেইসাথে আমি বলব কবি শহীদ কাদরী নি:সন্দেহে একজন বিরল প্রতিভার মানুষ। তুলনামূলকভাবে তার রচনার সংখ্যা নিতান্তই অল্প। হাতে গোনা। কিন্তু সেই অল্পসংখ্যক রচনা দিয়েই তিনি বাংলা সাহিত্যে শক্ত আসন করে নিয়েছেন। এই যে জায়গা করে নেওয়ার বিষয়, এক্ষেত্রে বিশ্ব বরেণ্য চিত্রশিল্পী পিকাসোর কথা মনে পড়ছে। পিকাসো যখন রংতুলি দিয়ে ছবি আঁকতেন, নিন্দুকেরা বলতেন - এসব কি হচ্ছে, নেহায়েত আঁকিবুকি, শুধু কাকের ঠ্যাং আর বকের ঠ্যাং। কিন্তু দেখুন কালের পরিক্রমায় পিকাসোর শিল্পকর্ম জগৎজোড়া খ্যাতি পেল। আমি মনে করি, লেখার এবং তাবড় সৃষ্টিকর্মের, শিল্পকর্মের বিস্তার নয় - স্বল্পতা নয় - সংখ্যা নয়, কেবল গুনগত মান শিল্পকে - সৃষ্টিকে - কবিতাকে টিকিয়ে রাখে। সেই গুনগত মানের বিবেচনায় কবি শহীদ কাদরী বিরল ক্ষমতাসম্পন্ন একজন কবি এবং বাংলা ভাষার অন্যতম মহান কবি, শ্রেষ্ঠ কবি।



দিমা নেফারতিতি: আপনি অনেকদিন যাবত প্রবাসে লেখালেখি করছেন। প্রবাসে বসে লেখালেখি করবার সুবিধা এবং অসুবিধা কি কি অনুভব করেছেন ?

জুলি রহমান: দেখুন আমাকে অনেকেই বলে যে প্রবাসী কবি, একথাটিতে আমার খুব আপত্তি। কারণ কবির কোন স্থান, কাল নেই। তিনি যেখানেই থাকুন না কেন, সেখানেই তার লেখার পরিবেশ এবং আবহ  তৈরী হয়ে যায়। আমি যখন মধ্যপ্রাচ্যে ছিলাম তখন মধ্যপ্রাচ্যের সমাজ ব্যবস্থার আনুষঙ্গিকতা নিয়ে আমার লেখা তৈরী হত। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আছি, এখানকার আবহ, এখানকার সংস্কৃতি, এখানকার জীবন বাস্তবতা আমার লেখায় প্রতিবিম্বিত হয়। তাই প্রবাস/নিবাস বলে আমার কাছে কিছু নেই। কিন্তু তারপরেও যখন আমরা বইমেলায় যাই তখন দেখি দু’টা সারি, একটাতে প্রবাসী লেখকদের বই আরেকটাতে বাংলাদেশী লেখকদের বই। তখন আমি খুব পীড়িত হই, ভাবি কেন এই বিভেদ? মাঝখানে এই দেয়ালটা কেন থাকবে। তাছাড়া আমি বাংলাদেশে সাহিত্য চর্চা করেছি অনেকদিন। তারপর মধ্যপ্রাচ্যে চলে গেলাম। সেখান থেকে ফিরে বাংলাদেশে আবার চুটিয়ে সাহিত্য চর্চা করেছি। আল-মাহমুদ, নির্মলেন্দু গুন্, কাজী জাকির,  জুবাইদা গুলশানআরা, রুবি রহমান, কাজী রোজি  এদের সাথে সাহিত্য চর্চায় দুর্দান্ত সময় কাটানোর সৌভাগ্য আমার হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সাহিত্য চর্চা করেছি। তখন আমি দেখেছি আমরা যারা প্রবাসে বসে সাহিত্য চর্চা করি, তাদের লেখাত, দেশে বসে যারা সাহিত্য চর্চা করে তাদের চেয়ে ফেলনা নয় - তাহলে এই বিভেদ টেনে দেওয়া কেন?
নানা কারণে আমরা দেশে থাকতে পারিনি। বাস্তবতার খাতিরে প্রবাসী হয়েছি। কিন্তু তাই বলে এই বিভেদ কেন? একবার কবি রবীন্দ্র গোপ আমাকে বলেছিলেন, ‘আপনারটা প্রবাসে থাকেন, আপনাদের লেখায় কি দেশের সংঘাত, সংকট এসব ফুটে ওঠে?’ উত্তরে আমি বলেছিলাম, ‘তাহলে আমরা কি প্রবাসে বসে কেবল চাঁদ, ফুল, লতাপাতা নিয়েই লিখি? এরপরপরই দেশের রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে আমার একটি লেখা কবিতা আমি যখন কোন এক সাহিত্যের আসরে পড়েছিলাম, উনি প্রশংসাসূচক মন্তব্যে বলেছিলেন, জুলি আপনার কবিতা যেন কাঁচা লঙ্কা, ভীষণ ঝাঁঝ আছে ভিতরে।’
আসলে প্রবাসী হওয়ার বড় ব্যাথা হলো, যখন আমরা বই বের করতে যাই তখন ভীষণ বঞ্চনা এবং বৈষম্যের শিকার হই। আমি আজ দীর্ঘ ৩৬ বছর যাবৎ সাহিত্য চর্চা করছি।  আমি যদি দেশে থাকতাম তাহলে আমার গ্রন্থের সংখ্যা আরো বেশি হতে পারত বলে আমি মনে করি। আজকে আমার অগণিত পান্ডুলিপি ঘরে পড়ে আছে। আমার উপন্যাস যুদ্ধ ও নারীসহ অজস্র পান্ডুলিপি ঘরে পরে আছে। সমস্যাটা হলো প্রকাশকদেও কাছ থেকে সহযোগিতার অভাব। তারা যখন শোনে প্রবাসী লেখক, তখন তারা হা করে থাকে পয়সার জন্য। আজ যদি আমি দেশে বসে সাহিত্য চর্চা করতাম তাহলে আমার গ্রন্থের সংখ্যা যেমন বেশি থাকত, তেমনি আমি রয়্যালটি পেতাম। আরেকটা জিনিস উল্লেখ করার মত, প্রবাসে মোটামুটি সবাই লেখে, সবাই কবি। কিন্তু লাইনের পর লাইন লিখলেই, কবি হওয়া যায়না। সত্যিকারের কবি স্বত্তার উম্মেষ যার ভিতরে নেই, তিনি হাজার লিখলেও কবি হতে পারবেন না। কালের বিচারে, যোগ্যতার মাপকাঠিতে, গুণগত প্রকাশের মানদন্ডে যার  সাহিত্য উত্তীর্ন হবে, তিনি সত্যিকারের কবি, সত্যিকারের গল্পকার। তা তিনি দেশি হন আর প্রবাসী হন। আজ আমরা কিটসের কবিতা পড়ি, শেক্সপিয়ারের কবিতা পড়ি, রবীন্দ্রনাথের, জীবনানন্দের কবিতা পড়ি। কেন পড়ি? সেসব কালের পরিক্রমায় উত্তীর্ন তাই। সুতরাং ভুঁইফোড়, সৌখিন কবিদের  ভিড়ে সত্যিকারের কবিরা হারিয়ে যাবে, এটা আমি বিশ্বাস করিনা।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
দিমা নেফারতিতি: আপনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোট গল্পকার। আবার আপনি একজন গীতিকার। অজস্র গান লিখেছেন আপনি। এবিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই।

জুলি রহমান: সত্যিকার অর্থে গান  দিয়েই আমার লেখা শুরু। ৩৬ বছরের লেখালেখির জীবনে আমার গানের সংখ্যা ঠিক কত আমি জানিনা। আমার গান লেখার সবচেয়ে বড় ক্যানভাস প্রকৃতি । আমি গান লিখেছি আমার কৈশোর থেকে। আমার গ্রামের নাম চাপিল। সেই গ্রামের মাঠ, ঘাট, পথ, প্রান্তর, নদী এসবই আমার গান রচনার নেপথ্যে নাটাই ঘুড়িয়েছিল। বর্তমানে দীর্ঘদিনধরে বাস করছি যুক্তরাষ্ট্রে। এখানে আমি দুটো সময় ঘর থেকে বের হই। যখন পাতা ঝরে, যখন ফুলে কুড়ি আসে। এই দুটো সময় আমার হাজবেন্ডকে বলি আমাকে একটা আনলিমিটেড ট্রাভেল কার্ড দাও। তিনি দেন। তখন আমি ঘরে থাকতে পারিনা। এদেশে পাতা ঝরে অক্টোবর মাসে, আর ফুলে কুড়ি আসে এপ্রিল মাসে। এইদুটো মাস আমি ঘরে থাকতে পারিনা। তখন আপনমনে ঘুরি।  আমি যতটা চিনি এই নিউ ইয়র্ক শহরকে, আমার মনে হয় যারা গাড়ি চালান তারাও বোধহয় নিয়ে ইয়র্ককে এতটা চেনেন না। প্রকৃতিকে দেখার জন্য আমি কখনো বাসে চেপে, কখনো পায়ে হেঁটে এশহরে ঘুড়ি।  আমার সাথে তখন কেউ থাকেনা।  আমি রাখিনা সাথে। তখন আমি কথা বলি নিজের সাথে।  আমি গান করি, আমার গানে সুর করি ওই পথে পথেই। যেমন সেদিন ঝরা পাতার উপর যখন হাঁটছিলাম, পাতারা মচমচ করছিলো, মনে হচ্ছিলো যেন আমি পাতার কান্নার শব্দ শুনছি, কিংবা আমি বাঁশির শব্দ শুনছি। মনে হচ্ছিলো যেন ঝরে পড়া পাতারা আমার সাথে কথা বলছে। আমার সেই অনুভব নিয়ে সাথে সাথে আমি গান রচনা করলাম, তারপর ঘরে ফিরে তা লিখে ফেললাম। এই ৩৬ বছরের সাহিত্য চর্চার জীবনে এ পর্যন্ত অজস্র গান লিখেছি কিন্তু সবগুলো সংগ্রহ করা হয়নি। আজ সেজন্য ক্ষানিকটা অনুতাপ হচ্ছে। এই যেমন সেদিন আমার ঘরের কাছে ক্যাসল হিল পেরিয়ে আমি জেরিগাতে হাঁটছিলাম। সেখানে অপার্থিব নিস্তব্ধতার মধ্যে পথজুড়ে ঝরা পাতার স্তুপ দেখে আমার মনে হলো পাতারা কাঁদছে, এরপর লিখলাম - ‘ঝরাপাতা বলে কথা’ গানটি। এভাবে ঝরা পাতা, তুষারপাত, ঝলমলে রোদ্দুর, কিংবা মুষলধারায় বৃষ্টি - অর্থাৎ প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গের সাথে মিলে জন্ম নেয় আমার গান, আমার কবিতা। ওয়েচেস্টারে ওয়াটার এভিনিউতে একবার আমি গেলাম, তখন খুব বরফ পড়ছিলো, তখন জন্ম নিলো একটা কবিতা। সেটা আমার চার’শ কবিতা সম্বলিত ‘জুলি রহমানের কাব্যগ্রš’’তে আছে। সেই কবিতায় একটা লাইন ছিল এমন - 'পরিব্রাজক পাখিদের কথা।' এখানে অনেকে এটা পড়ে বললেন, শীতের মধ্যে জুলি এত পাখি পেলেন কোথায়? আসলে এটাত সিম্বলিক ওয়ার্ডে লেখা। সাহিত্যের ভাষায় যাকে রূপক বলা হয়। পরিব্রাজক পাখি বলতে এই কবিতায় আমি নানা দেশের মানুষদেও কথা বুঝিয়েছি। তাই সাহিত্য তখনি সত্যিকারের পূর্ণতা পাবে যখন তা সত্যিকারের সমঝদারের কাছে পৌঁছাবে।

দিমা নেফারতিতি: একটি সাংস্কৃতিক আবহমন্ডিত পরিবারে আপনার জন্ম। কবি জুলি রহমানের বেড়ে ওঠায় সেই পারিবারিক আবহ কতটা ভূমিকা রেখেছে?

জুলি রহমান: আমার মা ছিলেন চিত্রশিল্পে ভীষণ পারদর্শী। বাবা পুঁথিতে। একমাত্র মামা ছিলেন ইত্তেফাকের নিয়মিত কলামিস্ট। ফুপাত ভাই নিজাম উদ্দিন মুখে মুখে গীতিকবিতা রচনা করতেন। অনেক ছোটবেলা থেকে তার সেই সুর আমাকে সারাদিন আবিষ্ট করে রাখত। বড়ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারা সেই সাথে কবি।তার কবিতা চুপে চুপে পড়েছি। আমার মেঝু ভাই বাউল চিত্তের ছিলেন ।বই গান এ সবেই ডুবে থাকতেন উনি।বই কেনাই ছিলো তাঁর নেশা।বাড়িতে মা পারিবাড়িক গ্রন্থাগার।আমার ভাইদের কমর্।হরেক রকম বইয়ে সমৃদ্ধ তার লাইব্রেরি। ছোটবেলা থেকেই  ভাই এর বই এর বাগানের আমি ছিলাম নিয়মিত প্রজাপতি। মামাতো ভাই মাসুদ আহমেদ সতীনাথকে চিরতরে কণ্ঠে ধারণ করে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত  প্রথিতযশা গল্পকার। আমার মা মরহুম ফাতেমা খাতুন ছিলে একজন নিভৃত মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরে যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের তিনি রেঁধে খাওয়াতেন। তারপর রাতের আধাঁরে মুক্তিযোদ্ধারা চলে গেলে তাদের অস্ত্র হাতের ছবি এঁেক রাখতেন তার নিজের হাতের বানানো মাটির কলসের গায়ে। মা’র ছিল মাটির পটারি বানাবার ঝোঁক। আমাদের গ্রামে বিয়ে শাদীসহ যেকোন পরব - অনুষ্ঠানে আমার মা নানারকম পটারি বানিয়ে সেসবের গায়ে ছবি একেঁ দিতেন। আমার স্বামী ফজলুর রহমান নন্দী এমন একজনা মানুষ, বিয়ের পর থেকে আজ পর্যন্ত আমাকে নীরবে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে গেছেন। আমি ছোটবেলা থেকেই ভীষণ পড়তাম।  বিয়ের পর যখন শশুরবাড়িতে গেলাম সেখানে রানু নামে আমার এক ভাগ্নি আমাকে শেক্সপিয়ারের বই এনে দিত, বাংলা সাহিত্যের এবং বিশ্ব সাহিত্যের নানান বই এনে দিত। বিয়ের পর পর আমার শাশুড়ি খুব অবাক হয়েছিলেন যে, নতুন বৌ ঘরের দরজায় খিল এটেঁ কবিতা লেখে। তারপর উনি আমাকে অনেক বোঝাতেন, বলতেন, "দেখো তোমাকেত আমি এনেছি আমার ছেলের সংসার দেখবার জন্য। সংসারটা ঠিকমত সামলাও। কবিতা লিখে সময় নষ্ট করে কি হবে। কবিতা লিখেত আর পয়সা পাবেনা ।সেসময় আমি কবিতা লিখেছিলাম, ‘বৌ কেন কবি’ শিরোনামে। তারপর অনেক চেষ্টায় আমি ওনাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলাম যে, স্কুলের শিক্ষকতার পাশাপাশি সব কর্তব্য ঠিকঠাক পালন করেই আমি কবিতা লিখছি। তাই ওনার চিন্তিত হবার কারণ নেই। একসময় উনি নতি স্বীকার করলেন আমার কবিতারূপী প্রেমিকের কাছে। এরপর নিজেই আত্মীয়-পরিজনদের বলতেন, "আমার বৌমা একজন কবি।"

দিমা নেফারতিতি: আপনার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা কত? নতুন বই কবে প্রকাশিত হবে?

জুলি রহমান: আমার প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৮০ সালে, উপন্যাস রক্তচোষা। এরপর ব্যবধান, বহে রক্তধারা, কাগজের বৌ, ফাতেমার জীবন, শেষের পান্ডুলিপি, ধান পাতা বাঁশি, একজন দলিলুর রহমান, ভূ -গোলক সহ বহু পান্ডুলিপি গ।ন ,প্রবন্ধ নিবন্ধ ,গীতি কাব্য সহ কিছু পুঁথি।এ গুলো সব প্রকাশিতব্য।র্রক্তচোষা করার বিশ বছর আবার করি কাব্য ময়ূরী সময়।বই বের না করলেও অনেক সাহিত্য পত্রের সম্পাদনা ও নিয়মিত লেখালেখি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছেলেখা প্রতিনিয়ত। জলপ্রপাত ,অনিবাস রৌদ্দুর রাইটাসর্ ,সত্যের আলো পত্রিকায় জুলি রহমানের পাতা।  সে সব এখন পীড়া দেয়।
মাঝের এই লেখালেখির সময়টা ছিলো আমার জীবনের চরম দুবর্োদ্ধ সময়।পড়াশোনা বিয়ে চাকুরী লেখালেখি ভীষণ একটা কঠিন সময়ের চড়াই উৎরাই আমার জীবনের।তারপর ও যে লেখাটাকে নিয়মিত পাশে রাখতে পারার আনন্দ ও অনেক নিরানন্দকে  মাটি চাপা দেয়।
১২টি বই প্রকাশিত হয়েছে। আরো অসংখ্য পান্ডুলিপি রয়েছে প্রকাশের অপেক্ষায়। আসছে একুশের বইমেলায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে প্রায় ৩০০ গান এর বিশেষ সংকলন ‘জুলি-গীত।’

দিমা নেফারতিতি: কবি জুলি রহমানের কাছে কবিতার সংজ্ঞা কি?

জুলি রহমান: আমি যখন জীবনের রুঢ়তায় বিধস্ত হই, কবিতা তখন রসের ফল্গুধারার মতই সকল শোকসন্তাপকে ধুয়ে মুছে সাফসুতরো করে দেয়। কবিতা যেমন দুর্বোধ্য আড়াল। জীবনের বাকঁ তেমনি কঠিন মোড়কে আবৃত। আবার জীবন সুখ ও শান্তিময়। নিরন্তর ভাবনার বিস্তার কবিতার শরীর। সৃষ্টির  নোদনায় নান্দনিক কবিতার অবয়ব।

দিমা নেফারতিতি: সবশেষে জানতে চাইব, এই দূর পরবাসে নেই বাংলার মাটি, বাংলার জল। কবি জুলি রহমান দেশকে কোথায় কিভাবে ধারণ করেন?

জুলি রহমান: স্থান কালের সীমারেখায় কবি আবদ্ধ নন। আমি যখন হাডসন নদীর তীর ধরে হাঁটি, তখন হাডসন নয়, আমি অবলোকন করি আমার গ্রামের, আমার শৈশবের চাপিল নদীকে। সেই চাপিল নদীর স্রোতের কলতান নিরন্তর বেজে চলে আমার চেতনার গহবরে। বাংলার মাটি, বাংলার জল আন্দোলিত হয় আমার হৃৎপিন্ডের স্পন্দনে। আমার চোখের তারায় অনুরণিত হয় বাংলার আকাশের নীল আর সবুজ প্রান্তরের সবুজাভ দ্যোতনা। নিভৃতে বাংলার মাটি, বাংলার জল আমাকে প্রতিনিয়ত প্রাণিত করে অবিরাম শব্দের ফুল ফোঁটাতে।


প্রবাসী কবি জুলি রহমানের জস্মদিন ৩১ ডিসেম্বর

বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬

alt
হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ ঃ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী চারণ কবি, গল্পকার সুরকার এবংপ্রাবন্ধিক জুলি রহমানের জন্মদিন ৩১ ডিসেম্বর শনিবার।খবর বাপসনিঊজ।জুলি রহমানের জন্মদিনে অফুরন্ত প্রীতি ও শুভেচ্ছা বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম,কটিয়াদিনিউজ ডটকম, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন, শিরি শিশু সাহিত্য কেন্দ্র এবং বনলতা-শিল্পী-সাহিত্যক সাংবাদিক গোষ্ঠী নিউইয়র্ক।