Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

৩০ অক্টোবর জে এসডির ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জে এসডির ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা।
স্থান - মেজবান রেস্টুরেন্ট ,
জেকসন হাইটস , নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
তারিখ - ৩০ অক্টোবর,২০১৬
সময় - সন্ধ্যা ৭ ঘটিকা।
আয়োজনে - জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জে এসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখা।

উক্ত আলোচনা সভায় সবাইকে আমন্ত্রণ।
আমন্ত্রণে ---

হাজি আনোয়ার হোসেন লিটন
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জে এসডি কেন্দীয় কমিটি।
ও সভাপতি , জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জে এসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখা।

সামসুদ্দিন আহমদ শামীম
সাধারণ সম্পাদক
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জে এসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখা।

তসলিম উদ্দিন খান
সাংগঠনিক সম্পাদক
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জে এসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখা।

alt


হিউম্যান রাইটস ইউএস চ্যাপ্টারের কনভেশন অনুষ্টিত

বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৬

alt

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ : দেশ ও প্রবাসে মানুষের বিভিন্ন সমস্যা এবং মানবকল্যানে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস কমিশন ইউএসএ’র বাৎসরিক কনভেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

alt

গত ২৫ সেপ্টেম্বর রবিবার, নিউইয়র্কের বাঙ্গালী অধ্যাষিত জ্যাকসন হাইটসের মেজবান রেষ্টুরেন্ট পার্টি হলে অনুষ্টিত  কনভেনশনে সভাপতিত্ব করেন হিউম্যান রাইটস ইউএসএ সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী এবং কমিউনিটি  এক্টিভিষ্ট শরীফ লস্করএবং  সাধারন সম্পাদক কাউসার উদ্দিন চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত  কনভেনশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা থেকে আগত বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস কমিশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী কাজী রেজাউল মোস্তফা।

alt

প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস কমিশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক ড. সাইদুল ইসলাম দিলদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন এক্্িরকিউটিভ প্রেসিডেন্সিয়াল গ্রেটার মিরপুর রিজিওনাল হিউম্যানিষ্ট মাহবুবুল ইসলাম চৌধুরী এবং সংগঠনের ফ্লোরিডার গর্ভনর শিকদার আলী আফজাল।

alt
সম্মানীত অতিথি হিসেবে প্রবাসী মিডিয়ার পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন।অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন কবিও প্রাবন্ধিক এবিএম সালেহউদ্দিন, তপন চৌধুরী, জুনেদ চৌধুরী, মেহের চৌধুরী, মিনা ইসলাম, শামীম আরা আফিয়া, কাওসার চৌধুরী, সুলতানা খানম, আনিসুর রহমান, জসিম উদ্দিন ভিপি, শাহ মোয়াল্লেম, সানাউল্লাহ বাবুল, এনামুল হক বাবুল, আমিনুল হক, এলিনা আক্তার মুক্তা, ডাঃ নার্গিস রহমান, পর্না ইসলাম, সৈয়দ রফিকুর রহমান, প্রকৌশলী আব্দুর রশীদ, খায়রুল ইসলাম খোকন, কায়সার আহমেদ প্রমুখ। পরিচালনায় সহযোগিতা করেন মিনা ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ভিপি জসীম উদ্দিন এবং গীতা পাঠ করেন জনার্দ্দন চৌধুরী।

alt

অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধা, ৯/১১ সহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত সকল শহীদদের প্রতি দাঁড়িয়ে এক মিনিটকাল নীরবতা পাপলন কতরা হয়। বাজানো হয় বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত ।

alt

এরপর সংগঠনের মনোনীত সঙ্গীত শিল্পীরা ভ’পেন হাজারিকার বিখ্যাত গান “মানুষ মানুৃষের জন্য” পরিবেশন করেন। কনভেনশনে হিউম্যান রাইটস কমিশন ইউএসএ চ্যাপ্টারের কর্মকর্তাদের পরিচয় পত্র, সার্টিফিকেট এবং বিশেষ ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। উপস্থিত সবাইকে সংগঠনের লগো সমেত পিন উপহার হিসেবে অতিথিবৃন্দ পরিয়ে দেন। শেষে সবাইকে প্রীতি ভোজে আপ্যায়ণ করা হয়।


নিউইয়র্ক মাতিয়ে গেল পৌষ মাসের পিরিত

মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : নিউইয়র্কের মুভি থিয়েটারে মাঝেমাঝে বাংলা ছবির প্রদর্শনী হলে মন্দ হয় না। যারা দীর্ঘদিন এইসব ছবি দেখার সুযোগ পান না তারা ছুটে যান। কখনো উপভোগ করেন কখনো হতাশ হন।

alt

পর্দার নায়ক টনি ডায়েস নিজের প্রচেষ্টায় ছবি এনে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করে নিউইয়র্কের সংস্কৃতিপ্রেমী প্রবাসীদের কাছে প্রশংসিত হলেন। তিনি বললেন, চেষ্টা করলে সফলতা আসবেই। তিনি ধন্যবাদ জানান ড্রামা সার্কেলের নেতৃবৃন্দকে শো আয়োজনে সহযোগিতার জন্য।ষবর বাপসনিঊজ।

alt
গত ৯ অক্টোবর রোববার সকাল থেকেই ঝির ঝির বৃষ্টি সত্ত্বেও সংস্কৃতিপ্রেমীরা ভিড় করেছিলেন জ্যামাইকা এভিনিউয়ের মাল্টিপ্লেক্্র সিনেমা হলে। ‘পৌষ মাসের পিরিত’ ছবির প্রিমিয়ার। সাজ সাজ রব। ঢাকা থেকে উপস্থিত ছবিটির পরিচালক, জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী নার্গিস আক্তার,নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান,ড্রামা সার্কেলের নার্গিস আহমেদ, ড. দেলোয়ার হোসেন ও আবীর আলমগীর , অভিনেতা খুরশীদুজ্জামান উৎপল, নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব নাদিম আহমেদ, বিশিষ্ট সংস্কৃতিক,মডেল ও মিডিয়া সংগঠক নিসার জামিল শুড্ডু, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড কাউন্সিলের আহবায়ক আব্দুল মুকিত চৌধুরী, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি সিনিয়র সাংবনদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,  রাজনীতিক জাকারিয়া চৌধুরী, ব্যবসায়ী শিবলী, বাংলাভিশনের প্রোগ্রাম হেড শামীম সাহেদ প্রমুখ সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবগ  এবং আরো অনেকেই।

alt

এ যেন সংস্কৃতিপ্রেমীদের মিলন মেলা। প্রথমে সিদ্ধান্ত ছিল ২৫০ আসনের হলে ছবিটি প্রদর্শন হবে। আগাম টিকেট বিক্রির তথ্য ও শোর আগে দর্শক উপস্থিতি কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য করে। ৫শ আসনের হলে ছবিটি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হয় শেষ পর্যন্ত।

alt

হল কানায় কানায় ভর্তি না হলেও আয়োজকরা পেয়েছেন আশাতীত সাড়া। সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের বিভিন্ন হলে মুক্তি পাওয়া ‘পৌষ মাসের পিরিত’ শুরুর আগে সম্মাননা জানানো হয় ছবির পরিচালক নার্গিস আক্তারকে।

alt

প্রায় হল ভর্তি প্রবাসীদের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের আগে পরিচালক নার্গিস আক্তারের হাতে সম্মাননা তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথি নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, ছবির নায়ক টনি ডায়েস, আয়োজক ড্রামা সার্কেলের নার্গিস আহমেদ, ড. দেলোয়ার হোসেন ও আবীর আলমগীর। 

alt

১৬ অক্টোবর রবিবার ডালাসের রিচার্ডসন শহরে প্রদশিত হয়েছে ফান এশিয়া থিয়েটারে।

alt

ছবির পরিচালক নার্গিস আক্তার এবং অভিনেতা টনি ডায়েস সেখানে উপস্থিত ছিলেন।


শেখ হাসিনা সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় আমেরিক-বাংলাদেশ এলাইন্স অভিনন্দন

মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন , বাপসনিউজ ঃ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টানা অষ্টমবারের মতো উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে পূননির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রথমবারের মতো দলের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সভাপতি মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

alt

সভাপতি মন্ডলীর সদস্য হয়েছে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ শামীম, কাজী জাফরুল্লাহ, এডভোকেট সাহারা খাতুন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, নূরুল ইসলাম নাহিদ, ড. আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান, আবুল মান্নান খান, রমেন চন্দ্র সেন ও পিযুষ ভট্রাচার্য। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান, ডা. দীপু মনি, মাহাবুবুল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নালক এবং কোষাধক্ষ্য এইচ এম আশিকুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জানান আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম ।


নিউইয়র্ক প্রবাসী রকিবুল আলম দেশে এ্কই গ্রামের মুরসেদা আহমেদকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিয়ে করেছিলেন

রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন , মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিউজ ঃ নিউইয়র্ক প্রবাসী রকিবুল আলম, পিতা রফিকউদ্দিন এবং মাতা সেতারা বেগম বাড়ী নং ২৯৬, লক্ষীপুর ভাটাপাড়া, রাজশাহী, জন্ম ডিসেম্বও ১২, ১৯৮৫ইং। এবং মুরসেদা আহমেদ, পিতা সাদ মনির আহমেদ, মাতা লাইলী বেগম, ৩১২ ভাটাপাড়া, রাজশাহী, জন্ম এপ্রিল ২৮, ১৯৮৩।

alt

রকিবুল আলম অভিবাসী হিসেবে নিউইয়র্কেও ১১০ আটলান্টিক এভিনিউ, কুইন্সে বসবাস করেন। তিনি বিবাহিত হলে ও একই এলাকার মুরশেদা আহমেদকে মিথ্যা প্রলোভনে তার সাথে ভালবাসার অভিনয় করে তাকে বিয়ে করেন জুলাই, ২০১৫।  খবর বাপসনিঊজ। বিয়ের কিছুদিন পর রকিবুল আলমের আসল চেহারা প্রকাশ পেয়ে যায়।
মোরশেদা আহমেদ সম্প্রতি টেলিফোনে এ প্রতিনিধিকে বলেন।
 alt
আমি মুরসেদা আহমেদ, পিতাঃ মৃতঃ সাদমনির আহমেদ আমরা ৪ বোন, ১ ভাই, ছোট ভাই বো বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি দুই বোন এর সংসার করচে আর আমি পড়াশুনা শেষ করছি। এভাবে চলছিল হঠাৎ বাবা মারা যাবার পর ২০১২ হতে আমার জীবনটা পাল্টে যায়। বাস্তবতা জীবনটা চলার জন্য চাকুরী নেই একটা ছোট ব্যাংকে, রাজশাহীতে কোট এলাকায় আমাদের বাড়ী আছে। বাবা সরকারী চাকুরি করতেন। আমার বাবার মৃত্যুর আগ হতে পরিচয় আমার স্বামীর সাথে বাবা মারা যাবার পর তাঁদের বাড়ী ভাড়া নিতে গিয়ে ছিলাম আমার বোন এর জন্য তাঁদের পাড়াটা আমাদের পাড়া হতে একটুদূরে,এভাবে পরিচয় আর ও গভীরতা নেয় সংসার করার মত হয়। চিন্তা করলাম এমএসি পাশ।
alt
দুই বোন বিয়ে করছে আমার ও দরকার বিয়ে করলাম ২০১৪ সালে ২ শে জুলাই। রোজার ঈদে বিয়ে করলাম বাসা থেকে কেউ মানবেনা কারণ চেলে চাকুরি করে না বেকার ভাবলাম একজন তো দরকার জীবনে জন্য তাহলে উনি কেন নয় সবার অম৩ে বন্ধ নিয়ে বিয়ে করি কাজি অফিসে।
alt
পরে আমার বাসায় সবাই মেনে নেয় কারণ আমার বয়স ৩২ বাবা, ভাই নাই। বিয়ের ১ মাস ১০ দিন পর ভারতে যাবার নাম করে আমেরিকা চলে যান। আমার বাসার লোকজন খোজ নেওয়ার পর জানতে পারেন যে, তার প্রথম স্ত্রী আমেরিকা তে থাকে ভিসা পেয়ে পালিয়ে গেছে এবং গ্রামে আর ও বিয়ে করছে আমি ৪র্থ নম্বার। অনেক খোজ নেয়ার  পর নভেম্বর ২০১৪ তিনি স্বীকার করেন তার স্ত্রী সন্তান আছে।
alt
আমি মেনে নেয় কারন আমার সময় হয়ে আসছে ডেলিভারির,আমি বলি আপনি আসেন,তিনি বলেন আসব,কিনতু তিনি আর আসেহনা,  ফোনও করেননা, খোজ খবরও নেয় না, যখন ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে আমি মামলা দেয় তখন ফোন করে হুমকী দেয় তার স্ত্রী, স্ত্রীর ভাই ও তিনি মামলা তুলে নেবার জন্য। আমার চাচারা আমেরিকাতে থাকে তারা খোজ নিয়েছেন, সে শশুর বাড়ী নিউইয়াকে জামাইকতে থাকে। তাদের হুমকী কারনে আজ বাসায় থাকতে ভয় পায় আমি, ওরা বড়লোরক আমরা মধ্য বৃত্ত পরিবারের। মিথ্যা টাকার লোভ দেখিয়ে কত মেয়ের যে ইজ্জত নষ্ট করছে তা একমাত্র তিনি জানেন। চাপাইনবাবগঞ্জে সবাই তানাকে চিনেন। তিনি বলেন কেস করে কি করবা, দেশে আসবেনা তোর দেন মোহরও দিবনা। ভালোবেসে বিয়ে করে এতবড় চিটার এর পাল্লায় পড়তে হবে ভাবিনি আজ আমার সন্তান ও বাবার স্বামীর প্রতারনা শিকার এবং আমি স্বামীর  প্রতারনা শিকার ।

alt
মুরসেদা আহমেদ আরো বলেন,জীবনটা নরক করে দিয়ে। আর আমার মত কেউ প্রবাসী প্রতারকের পাল্লাতে না পড়ে এর জন্য বিশ্ব বিদ্যালয়ে যে জীবন অর্জন করতে পারিনি আজ এই প্রতারক এর কাজ থেকে শিক্ষা নিলাম। আমি এমএসি পাস করি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, আর তিনি এসএসসি পাস করেননি া আমার নামে বদনাম ছড়াছে তার দলবলের লোকেরা বলে বড়ায় আমি নাকি টাকার জন্য বিয়ে করছি। আজ ২ বছর ধরে যে যন্ত্রনা ভোগ করছি তার শেষ নাই। আর যেন কোন মেয়ের এরকম প্রতারনার শিকার না হয় আমেরিকা এক স্ত্রী আবার বাংলাদেশের আর এক স্ত্রী।
 alt
রকিবুল আলমের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দেয়া হয়েছে। অসহায় মোরশেদা আহমেদ এখন মানুষের ধারে ধাওে ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন। তিনি সুবিচার চান। চতুরি মিথ্যাবাদী স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেও সুবিচার পাচ্ছেন না।মোরশেদা আহমেদ বলেন, কোন মেয়েই যেন আমেরিকা, ইউরোপ অথবা প্রবাসী হলেই সঠিক তথ্য না জেনে বিয়ে না করার আহবান জানান।




 


জেএসডি’র ৪৪তম প্রতিষ্টা বার্ষিকীতে আনোয়ার হোসেন লিটনের শুভেচ্ছা

শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ,বাপসনিউজ ঃ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি’র ৪৪তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী ৩১ অক্টোবর সোমবার।

এ উপলক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি’র যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির প্রবাসী কল্যান বিষয়ক সম্পাদক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন তার বিবৃতিতে সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং এ উপলক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি’র যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত ৩০ অক্টোবর রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নিউইয়র্কেও জ্যাকসন হাইটসের ৭২ ষ্ট্রীট এবং বিটুইন ৩৭ এভিনিউ ও ব্রডওয়েতে এক আলোচনা সভায় প্রবাসীদের স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।


মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সিরাজুল আলম খান দাদা ভাইয়ের সাথে প্রবাসীদের সাক্ষাৎ

বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিউজ ঃ মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক , রাষ্ট্রীয় চিন্তাবিদ সিরাজুল আলম খান দাদা ভাইয়ের সাথে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে তার সাথে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গত ১৭ অক্টোবর সোমবার, সন্ধ্যা ৬টায় সাক্ষাৎ করেন।

alt

প্রতিনিধি দলে ছিলেন নিউক্লিয়াসের সর্বকনিষ্ট সদস্য মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল খান আনসারী, মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর ভূইয়া, বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি,সিনিয়র সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল - জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক শামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম। প্রবাসী নেতৃবৃন্দ দাদা ভাইয়ের সাথে প্রায় তিন ঘন্টার বৈঠকে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, উন্নয়ন এবং প্রবাসীদেও ভূমিকা নিয়ে খোলামেলা আলোকপাত করেন।

alt

দাদাভাই বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের সর্বোত্তম সহযোগীতার আহবান জানান। দাদাভাই প্রবাসীদেও বলেছেন নতুন প্রজন্ম এবং প্রবাসীরা বাংলাদেশের উন্নয়নে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে। খবর বাপসনিঊজ।

alt
প্রবাসী নেতৃবৃন্দ দাদাভাইয়ের স্বাস্থ্যেও খবরাখবর নিয়েছেন। উল্লেখ্য, দাদাভাই গত ৮ অক্টোবর শনিবার লন্ডন থেকে নিউইয়র্কের এসেছেন তার নিয়মিত চিকিৎসার জন্য। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একমাস অবস্থান করবেন। দাদার সাথে প্রতিদিনই প্রবাসীরা সাক্ষাৎ করছেন এবং তার সাথে সাক্ষাৎ করে স্বাস্থ্যেও খোঁজ খবর নিয়েছেন এজন্য দাদা ভাই প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।


আবেগ-কবিতা-স্মৃতি-মূল্যায়নে শেখ রাসেলের ৫২ তম জন্মদিন নিউইয়র্কে উদযাপিত

বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৬

Picture

বাঁধভাঙ্গা আবেগ দিয়ে নিউইয়র্কে পালিত হলো শেখ রাসেলের জন্মদিন। ১৮ অক্টোবর ছিলো সেই মায়াবী কিশোরের ৫২তম জন্মতিথি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট পিতা শেখ মুজিবের সঙ্গে ঘটেছিলো অস্বাভাবিক মৃত্যু। ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে কনিষ্ঠ সহোদরের স্মৃতিচারণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দু’চোখ ভরে উছলে উঠেছিলো ক্রন্দন-জল। নিউইয়র্কের আয়োজনেও উচ্চারিত হয় আবেগ মথিত কথামালা। কবি-কথাকার সালেম সুলেরীর নিবেদিত কবিতা সবার হৃদয়ে তোলে অনুরণন। কাছ থেকে দেখা শেখ রাসেলকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন প্রবাস ব্যক্তিত্ব নাঈমা খান। ব্যক্তিগতভাবে তিনি শেখ রেহানার স্কুলবন্ধু। পড়–য়া কিশোর তরুণদের প্রতিষ্ঠান খানস টিউটোরিয়ালের চেয়ারপারসন। একদল ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন আরেক শিক্ষাব্রতী। স্কলাসটিকা টিউটোরিয়ালের কর্ণধার রেজা রশীদ।খবর বাপসনিঊজ।

alt
স্মতিময় অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিলো যুক্তরাষ্ট্র শাখা রাসেল পরিষদ। সংগঠনের পুরো নাম শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ। আহ্বায়ক গোলাম এম খান লিপটন এতে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম। প্রধান আলোচক হিসেবে  বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রায় ১২ কর্মকর্তা আলোচনায় অংশ নেন।প্রধান অতিথি, আলোচকসহ বক্তাবৃন্দ বলেন, কোনো যুক্তিতেই শিশু শেখ রাসেলের হত্যাকান্ড মেনে নেওয়া যায়না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু পুত্র হিসেবে তার প্রয়োজন যুগে যুগে অনুভূত হবে। ঘাতকচক্র জেনে বুঝেই এই নির্মম কাজটি করেছে। দেশকে নেতৃত্বহীন করার প্রয়াস চালিয়েছে। কিন্তু মহান সৃষ্টিকর্তা ও জনগণ সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে। দেশরতœ শেখ হাসিনার মতো সুযোগ্য নেতৃত্বের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছে। আজ ৫২ বছরের শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে জনগণ আরো পরিতৃপ্ত থাকতো।

alt
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ রাসেল পরিষদের প্রশংসা করেন। বলেন এই শাখাটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ভিত্তিক সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, আজকের নিবেদিত কবিতাটি সুলিখিত যা সর্বত্র পুনঃপ্রকাশ ও ব্যাপকভাবে প্রচার করা প্রয়োজন। প্রবাসে অনুবাদের মাধ্যমেও নতুন প্রজন্মের মাঝে বিতরণের কথা বলেন। তিনি কবি-সাংবাদিক সালেম সুলেরীকে ধন্যবাদ জানান কবিতাটি রচনা ও আবৃত্তির জন্যে।অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিবের একটি শুভেচ্চা বক্তব্য পঠিত হয়। বিশিষ্ট শিল্পপতি ও আওয়ামী লীগের এমপি মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী এটি পাঠিয়েছেন। তিনি সিলেট-৩ এর নির্বাচিত এমপি ও জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পিকার। মহাসচিব জনাব চৌধুরীর এই আবেগভরা বার্তাটি পাঠ করেন লেখিকা-প্রকাশক পপি চৌধুরী। নতুন প্রজন্মের কিশোর-তরুণেরাও শেখ রাসেল বিষয়ে আবেগভরা বক্তব্য রাখেন। জন্মদিনের কেক কাটার পর্বে নেতৃত্ব দেয় ১১ জন ছাত্র-ছাত্রী। উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে ১৮ অক্টোবর জন্ম নেওয়া রাসেল প্রাণ হারান ১১ বছর বয়েসে। অনুষ্ঠান সভাপতি গোলাম লিপটন কিশোরদের নিয়ে কার্যক্রম ঘোষনা করেন। বলেন, শেখ রাসেলের অতীত ও কিশোরদের ভবিষ্যতে করণীয় বিষয়ে বক্তৃতা প্রতিযোগিতা আয়োজিত হচ্ছে।

alt
অনুষ্ঠানে সংগঠকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাখাওয়াত বিশ্বাস, কাজী কয়েস, হেলাল মাহমুদ,  নুরুজ্জামান, মাহবুবুর রহমান টুকু,  দুরূল হুদা রনেল, রফিকুর রহমান, আলী আকবর, মনিরুল আলম দিপু, আফরোজা হাসমত, রেজাউল করিম কিরন প্রমুখ। সার্বিক সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগনেএী মিনা ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন আলী আকবর। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জুনেদ আহমেদ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান, কথাসাহিত্যিক সিরাজুল ইসলাম সরকার, শেখ কামাল হাসান, শাহ রহিম শ্যামল, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় নিউইয়র্কের বাঙালিপাড়া খ্যাত জ্যাকসন হাইটসে। মেজবান পার্টি হলে নৈশভোজেরও ব্যবস্থা ছিল। অনুষ্ঠানে পঠিত নিবেদিত কবিতাটি নি¤œরূপঃ

alt
যে শিশুরা রাসেল হবে
সালেম সুলেরী

স’-দিয়ে হয় সবুজ এবং স’-য়ে স্বাধীনতা,
বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক বিষন্নতা।
ব’ দিয়ে হয় বাংলা এবং দ’দিয়ে ঠিক দেশ,
দ’য়ে ব’য়ে মিলিয়ে হয় হিংসুটে বিদ্বেষ।
র’দিয়ে হয় রাসেল এবং র’দিয়ে ঠিক রাত,
র’দিয়ে হায় রক্ত এবং তুমুল রক্তপাত।

ম’ দিয়ে হয় মহা-মুজিব, ম’-এ আছেন মা,
আগস্ট মাসের পনেরোতে শিউরে ওঠে গা।
গা ছমছম হত্যা খেলা, পরদেশীদের চরÑ
শোক সাগরে ভাসিয়ে দিলো বাংলা মায়ের ঘর
রক্ত দিলেন মহা-মুজিব, সপরিবার খুন,
গর্ভে’ভরা বাঙালিদের মুখে কালি চুন।
যে দিয়েছে স্বাধীনতা, যে বোঝালো দেশ,
তারই সাথে নফরমানী, হিংসা ও বিদ্বেষ!

জ’ দিয়ে হয় জাতির জনক, শ’দিয়ে হয় শেখ,
সরে অ’তে অরুণিমা, অ’তে অভিষেক।
অ দিয়ে হয় অক্টোবরও, জন্মদিনের মাস,
আঠেরোতে শেখ রাসেলের বাঁধভাঙ্গা উচ্ছাস
কী বারতা জন্মদিনের, বেলুন কেকে’র দিন,
বঙ্গরাজ্যের সঙ্গশিশু, উৎসবে উড্ডীন।
হাসলে রাসেল বাংলা হাসে, টোল পড়া গোল-গাল
শৈশবে আর কৈশোরে ভর, জীবনটা উত্তাল।

ইশকুলে যায়, পড়ায় লেখায় ধাপের পরে ধাপ,
রাসেল ছিলো খুব সাধারণ, মেধাবী নিষ্পাপ।
স্বপ্ন ছিলো মানুষ হ’বার, দীপ্ত দ্যুতিময়,
কণ্ঠ ছিলো মন-ভেজানো, দারুণ শ্রুতিময়।
রাসেল ছিলো সম্ভাবনা, দেশের ভবিষ্যৎ,
দেশ-বিরোধী ঘাতকেরা তাই হেনেছে ক্ষত।

ব’-দিয়ে সেই বঙ্গ এবং ব’-দিয়ে বিশ্বাস,
ন’-দিয়ে হায় নির্মমতা, নির্মমে নিঃশ্বাস।
কী অপরাধ ঐ শিশুটির, স্বপ্নচারী বালক,
রাসেল মানেই বাংলা শিশুর মুগ্ধ হাসি, আলোক,
সেই হাসিটা অন্ধকারে, জ্বলবে আবার তাই,
বলবে হেসে দেশ-বিদেশে লক্ষ রাসেল চাই।

রাসেল মানে আর ভীতি নয়, এবার প্রতিবাদ,
সংগঠনে সংগঠিত, মিডিয়া সংবাদÑ
দেশের পাশে বিদেশ বুকে মুষ্টি ধরা হাত,
আর পাবেনা উদার সুযোগ আনতে কালো রাত
এখন কেবল সূর্য সেনা, ঘুরছে অবিরাম,
সবার বুকে মুখে মুখে শেখ রাসেলের নাম।


নিউইয়র্কে প্রধান বিচারপতি : ‘আইনের মাধ্যমে মার্শাল ল’র কবর রচিত হয়েছে’

মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক থেকে : বাংলাদেশের মানবাধিকার ও বিচার বিভাগের ভূমিকা’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনায় বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বলেছেন, ‘আগে সকলেই বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক সরকারের অঙ্গ হিসেবে মনে করতেন। প্রকৃত অর্থে বিচার বিভাগ হচ্ছে রাষ্ট্রের অঙ্গ এবং এখন হান্ড্রেড পার্সেন্ট স্বাধীনতা নিয়ে বিচার বিভাগ কাজ করছে।’

alt

১৬ অক্টোবর রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময় সামবার সকাল) নিউইয়র্ক সিটির এস্টোরিয়ায় ক্লাব সনমে প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা উপলক্ষে এ আলোচনার আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশী-আমেরিকান আইনজীবীদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি’। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এডভোকেট মোর্শেদা জামান –Gi সভাপতিত্ব করেন এবং পরিচালনা করেন সংগঠনের নেতা এডভোকেট শাহ বখতিয়ার। শুরুতে ল’ সোসাইটির সেক্রেটারি এডভোকেট এমএ ওয়াহিদের নেতৃত্বে অইনজীবীরা প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

Picture

এ সময় বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্যে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটির পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতিকে ক্রেস্ট প্রদান করেন এডভোকেট মোর্শেদা জামান। উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণেই প্রধান বিচারপতি সংক্ষিপ্ত এক সফরে নিউইয়র্কে এসেছেন ১৫ অক্টোবর শনিবার সকালে। এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন এবং মঞ্চে উপবেশন করেন সংসদ সদস্য ওয়ারেস হাসান খান বেলাল, বিচারপতি আবুল তারেক, বিচারপতি এম আর হাসান,জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান সহকারী এর্টনী জনারল আবদুর রকীব মনটু,এটর্নী অশোক কর্মকার, এটর্নী মঈন চৌধুরী, ‘বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি এসএম ফরদস,জাকির হুসইন প্রমুখ।

alt

বিষয়ভিত্তিক এ আলোচনায় প্রধান বিচারপতি সিনহা বলেন,‘সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী সরকার গঠন ও পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরী হয়েছে বাংলাদেশে। বিচার বিভাগ সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন বলেই মার্শাল ল’ আর কখনোই বাংলাদেশের মানুষের ওপর চেপে বসার সুযোগ পাবে না। বাংলাদেশের আইন বিভাগ মার্শাল ল’কে চিরতরে কবর দিতে সক্ষম হয়েছে।’প্রধান বিচারপতি উল্লেখ করেন, ‘বিভিন্ন সেক্টরের মত বিচার বিভাগেও কিছু দুর্নীতি এখনও রয়েছে। এটি অস্বীকারের ওপায় নেই। তবে তার অবসানে আমরা সকলে আন্তরিক অর্থেই সচেষ্ট রয়েছি।’ এস কে সিনহা বলেন, ‘বিচারের জট খুলতে আমি শুরু থেকেই তৎপর। সে কারণে অনেকটা কমেছে। ক্রমান্বয়ে বিচার নিয়ে বিলম্ব ঘটার বিড়ম্বনা একেবারেই কমে যাবে।’ ‘বিচার বিভাগ যথাযথভাবে পরিচালনার জন্যে সুনির্দিষ্ট ফাউন্ডেশন তৈরী হয়েছে এখন। সুতরাং পরবর্তীতে যারা কাজ করবেন, তাদের বড় ধরনের সমস্যা হবে না। এখন থেকে সবকিছু আইন অনুযায়ী চালাতেও কারো মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না।’ অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এস কে সিনহা বলেন, ‘আমার বিচার বিভাগ এখন হান্ড্রেড পার্সেন্ট স্বাধীন। সরকারের কোন পর্যায় থেকেই কোন ধরনের হস্তক্ষেপের ঘটনা নেই। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধসহ স্পর্শ কাতর সকল মামলা পরিচালিত হচ্ছে আইন অনুযায়ী। রাজনৈতিক কারণে অনেকে বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের অবতারণা করছেন। যদিও সেই রাজনীতিকরাও পুরো সুবিধা পাচ্ছেন নিজেদের মামলাতেও। এটি সর্বজনবিদিত। আর এভাবেই বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার সুরক্ষায় বিচার বিভাগ তার ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করছে।’ ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ এখন একযোগে কাজ করছে’-বলেন প্রধান বিচারপতি।

alt

বাংলাদেশের মিডিয়াগুলোর সহযোগিতার প্রসঙ্গ টেনে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এখন কোন কিছুই চেপে রাখা সম্ভব নয়। মিডিয়া সোচ্চার থাকায় আমরাও সঠিকভাবে কাজে তৃপ্তি পাচ্ছি।’সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে এডভোকেট মোর্শেদা জামান বলেন, ‘বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বহুমুখী কার্যক্রম চলছে। ইতিমধ্যেই জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যাকারিদের বিচার সম্পন্ন হয়েছে, একাত্তরের মানবতাবিরোধীদের বিচার চলছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে জ্বালাও-পোড়াও সহ জঙ্গিবাদের মদদদাতাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এসব পথ বেয়েই বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির সামগ্রিক উন্নতি ঘটছে।’ মোর্শেদা জামান বলেন, ‘মানবতা এবং গণতন্ত্রে আদৌ বিশ্বাসী নয়-এমন কতক মহলের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। দেশপ্রেমিক প্রতিটি প্রবাসীকে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।’

alt

মুক্ত আলোচনা আয়োজনে সার্বিক সমন্বয় করছেন এটর্নী অশোক কর্মকার, এডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবুল, এডভোকেট মজিবর রহমান প্রমুখ।।এদিকে, প্রধান বিচারপতির স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত) জেএফকে এয়ারপোর্টে অবতরণের পর বিশিষ্ট প্রবাসীরা তারা স্বাগত জানান। অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, কন্সাল জেনারেল শামীম আহসানসহ বাংলাদেশ ল’ সোসাইটির নেতৃবৃন্দ এয়ারপোর্টে ছিলেন। ১৯ অক্টোবর তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগের আগে বস্টনে তার স্বজনদের সাথে মিলিত হবেন।
 


এবিবিএ’র সেমিনারে অর্থমন্ত্রী মুহিত = পৃথিবীর সকল দেশ যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ আর রাশিয়া ছাড়া

রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, মো:নাসির, ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ: যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রসংশা  করছে অথচ জিএসপি সুবিধা দিচ্ছে না কেনা তা জানিনা। তিনি বলেন, পৃথিবীর সকল দেশ যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি সুবিধা পেলেও শুধুমাত্র দু’টি দেশ বাংলাদেশ ও রাশিয়া এই সুবিধা পাচ্ছে না।

alt

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পণ্য সহজেই রপ্তানী করতে দেশেই গভীর সমুদ্রবন্দর (ডিপ সী পোর্ট) করার চিন্তাভাবনা চলছে। এজন্য কক্সবাজারের মহেশখালী আর কুতুবদিয়ায় প্রস্তাব সরকার বিবেচনা করে দেখছে। তিনি বাংলাদেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেন, দেশে উন্নয়নের যে জোয়ার বইছে তার অংশীদের দেশবাসী সহ সকল প্রবাসী বাংলাদেশী। বাংলাদেশী বিজনেস অ্যালায়েন্স (এবিবিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং প্রবাসীদের অংশগ্রহণ ও করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী মুহিত উপরোক্ত কথা বলেন।

Picture

গত ২ অক্টোবর রোববার সিটির উডসাইডস্থ গুলশান ট্যারেসে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারের কনভেনর সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেমোক্রেটিক জাতীয় কমিটির ভাইস চেয়ার কংগ্রেসম্যান গ্রেস মেং। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন ও নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ নিযুক্ত কনসাল জেনারেল শামীম আহসান।

alt

সেমিনারের কী নোট স্পীকার ছিলেন বেসরকারী সংগঠন সীমান্তিক-এর চেয়ারম্যান ও রূপালী ব্যাংক লি: এর সাবেক চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ ড. আহমেদ আল কবীর।অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রধান বাঁধা মৌলবাদ, সন্ত্রাস আর জঙ্গীবাদ। এনিয়ে অনেকেই চিন্তিত। কিন্তু দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সরকার শক্ত হাতে দমন করেছে। বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের কোন স্থান নেই। তিনি বলেন, মৌলবাদ, সন্ত্রাস আর জঙ্গীবাদের শংকা-সন্দেহ দূর করতে না পারলে দেশের উন্নয়নের উর্ধ্বগতির ধারা ধরে রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আমরা ঋণগ্রস্থ দেশ হিসেবে থাকতে চাই না। এজন্য আগে থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

alt
অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, বাংলাদেশ নি¤œ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে চলেছে। আমার বিশ্বাস বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির আর ৭ শতাংশের নীচে যাবে না। তিনি বলেন, সরকার ‘লং টার্ম আর মধ্যম মেয়াদী’ লক্ষ্য নিয়ে উন্নয়ন কর্মকান্ড এগিয়ে নিচ্ছে।

alt

বাংলাদেশীদের উদ্দেশ্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের জন্য যা কল্যাণকর সরকার তাই করবে। বাংলাদেশী-আমেরিকানরাও দেশে ট্যাক্স পে করতে পারেন। তারা যক্তরাষ্ট্রে প্রদত্ত  ট্যাক্স প্রদানের ডকুমেন্ট দেখালে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে তারা ট্যাক্সসেস সুবিধা পাবেন। এব্যাপারে কোন সমস্যা থাকলে তানিয়ে তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলারও আশ্বাস দেন।alt

অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, অভিভাবকদের ছেলে-মেয়েদের সুসম্পর্ক জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমাদের যুব সমাজই বাংলাদেশের বড় ভাবনার বিষয়। তাদেরকে ড্রাগমুক্ত রাখতে না পারলে দেশের সমস্যার সমাধান হবে না, দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে না, তা ধরে রাখা যাবে না।

alt
এছাড়া সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ সোসাইটি ইন্ক’র ট্রাষ্টি সদস্য এটর্নী মঈন চৌধুরী, কো-কনভেনর আব্দুস শহীদ ও আইটি বিশেষজ্ঞ সাঈদ তারেক মাহমুদ। এরআগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেমিনার আয়োজক কমিটির মেম্বার সেক্রেটারী বিলাল চৌধুরী এবং সেমিনারের আয়োজনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন চীফ কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ ফকরুল ইসলাম দেলোয়ার। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন এবিবিএ’র প্রধান উপদেষ্টা ডা. মাসুদুল হাসান ও কো-কোর্ডিনেটর শাহ নেওয়াজ। এছাড়া অর্থমন্ত্রী মুহিতকে নিয়ে লেখা স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন এবিবিএ’র কো-চেয়ার রেজাউল করীম চৌধুরী।

alt
অতিথি ও বক্তগণের সাথে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন এবিবিএ’র চেয়ারম্যান সৈয়দ রহমান মান্নান, উপদেষ্টা মোস্তফা কামাল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কমিউনিটির পরিচিতি মুখ রিয়াজ কামরানকে বিশেষ প্ল্যাক প্রদান করা হয়। অর্থমন্ত্রী মুহিতের কাছ থেকে তিনি তার প্ল্যাক গ্রহণ করেন। এসময় এবিবিএ’র কর্মকর্তারা তাদের পাশে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান পরিচালনায় আশরাফুলহাসান বুলবুল এবং অনুষ্ঠান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন সেমিনার কমিটির জয়েন্ট মেম্বার সেক্রেটারী এএফ মিসবাহউজ্জামান।
সেমিনারের মূল বক্তব্যে ড. আহমেদ আল কবীর বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের ভূমিকা ও অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, সরকারের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার জন্যই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, নানা সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ৭২১টি রপ্তানীযোগ্য পণ্যের মধ্যে মাত্র ৭টি পণ্য রপ্তানী হচ্ছে। এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ উন্নয়ন-অগ্রগতির বাধা। এসব বাংলাদেশেরও সমস্যা।

অনুষ্ঠানে কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে  সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী কমিউনিটির অনেক ‘সাকেসেস স্টোরি’ রয়েছে। নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশী কমিউনিটি স্ট্রং কমিউনিটি।
অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


বাংলাদেশ সোসাইটি হবে প্রবাসীর আস্থার প্ল্যাটফর্ম : ডা: শাহনাজ আলম = নির্বাচনে সদস্য পদে আলোচিত প্রার্থী

শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৬




হাকিকুল ইসলাম খোকন , ,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ,বাপসনিউজঃ  বাংলাদেশ সোসাইটি ২৩ অক্টোবর নির্বাচনে প্রথম বারের মতো প্রার্থী হয়েছেন প্রবাসের সুপরিচিত সঙ্গীত শিল্পী, সংগঠক, সমাজসেবক এবং এক্টিভিষ্ট ডা. শাহনাজ আলম লিপি। ডা. শাহনাজ আলম লিপি উত্তর আমেরিকায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্টান সহ সকল ক্ষেত্রে বিচরণের কারনে প্রবাসীরা তাকে সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে আহবান জানান। এবং মনে মনে প্রস্তুুতি ও নিয়েছিলেন। সোসাইটি যেহেতু সার্বজনীন সংগঠন তাই তিনি গ্রাসরুট থেকে কাজ করতে চান। তিনি বাপসনিউজকে জানান নারীনেতৃত্বের ব্যাপক অংশ গ্রহণই আমাদের কমিউনিটি শক্তিশালী হবে।

alt
উল্লেখ্য, ডা. শাহনাজ আলম লিপি পড়েছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানে। স্বামী আলম ও পেশায় চিকিৎসক। সমাজসেবক, সংগঠক ও সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে লিপি কমিউনিটিতে বিশেষভাবে পরিচিত ও সমাদৃত। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিমুখ দিনাজপুর জেলায় পৈতৃকবাস। পিতৃপক্ষ নিউইয়র্কের, জ্যামাইকা এলাকায় প্রতিষ্ঠিত সাগর রেষ্টুরেন্ট-এর কর্নধার। ডা. ডাঃ শাহনাজ আলম লিপি সেবা আর সঙ্গীত চর্চার মধ্যেই যেন সতত নিবেদিত।
কুনু- আজম প্যানেল থেকে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন নিউইয়র্ক প্রবাসী জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ডা.  শাহনাজ altআলম লিপি। তিনি সকল প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
সৃজনশীল, যোগ্য, সৎ, গতিশীল ও নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশায় ‘কুনু-আজম’ পরিষদের কার্যনিবার্হি সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ডা: শাহনাজ আলম লিপি। মেধাবী ও প্রতিভাবান ছাত্রী হিসেবে কৈশোর থেকেই বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তার মেধা ও সম্ভাবনাময় সৃজনশীল প্রতিভার ছাপ পরিলক্ষিত হয়। সোসাইটি প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম কোন মহিলা ডাক্তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দিনাজপুর জেলা অধিবাসী ডা: শাহনাজ আলমের পিতা ডাক্তার শামসুল আলম একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক। তার স্বামী ডা: জাহাঙ্গীর আলম লং আইল্যান্ড ষ্ট্রোনিবুক ইউনিভার্সিটি হসপিটালের কর্মরত এবং যুক্তরাষ্ট্রস্থ বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন অফ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট।
তিন সন্তানের জননী ডাক্তার শাহনাজ আলম ঢাকা সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করার পর যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। খেলাপড়ার প্রতি অগাধ আগ্রহ থাকায় তিনি সংসার জীবনের পাশাপাশি নিউইয়র্কে এম.ডি শেষ করে এখন রেসিডেন্সি অপেক্ষায়। এছাড়াও ডা: শাহনাজ আলম বাংলাদেশে নজরুল একাডেমি থেকে সঙ্গীতে তালিম নিয়ে প্রবাসে একজন জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী।
 
altবাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আধুনিক সমাজে নারীরা অসহায় একথা মোটেই ঠিক নয়। নিজস্ব সত্তাকে পুরোপুরি অক্ষুন্ন রেখে পুরুষের পাশাপাশি একজন নারী কমিউনিটির উন্নয়নের বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এক্ষেত্রে মন থাকতে হবে উদার। আমরা সমাজ কল্যাণমূলক কাজ করতে সংকীর্ণমনতার পরিচয় দিয়ে থাকি। দলের উর্ধে উঠতে পারি না। কোন রাজনীতি দল না করেও সমাজের কল্যাণ করা সম্ভব যদি ইচ্ছা থাকে।
তিনি বলেন, সামাজিক সংগঠনের মূল চালিকা শক্তি সদস্য বা জনশক্তি। সদস্য বিহীন সংগঠনের কোন মূল্য থাকে না। সংগঠন সর্বদাই পরিকল্পনার আলোকে সুনিদিষ্ট লক্ষ্য কাজ করে। বাংলাদেশ সোসাইটি এর ব্যতিত্রুম নয়। প্রবাসে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ, সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি সৃষ্টির লক্ষ্যে সোসাইটির ভূমিকা বরাবরই অগ্রগণ্য। এর মধ্যে বাংলাদেশ সোসাইটি প্রবাসী বাংলাদেশীদের আমব্রেলা সংগঠন হিসেবে খ্যাতি অজর্ন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অদ্যবধি কমিউনিটির কল্যাণে এ সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে ঠিকই কিন্তু বাংলাদেশী কমিউনিটির তুলনায় অনেক কম। এটা শুধু পরিকল্পনার অভাব। আসন্ন নির্বাচনে কমিউনিটির উন্নয়নে কুনু-আজম পরিষদ যুগোযুপি ইস্তেহার পেশ করেছে। এ বার নির্বাচনে কুনু-আজমের নেতৃত্বাধীন পরিষদ নির্বাচিত হলে সোসাইটি প্রবাসী বাংলাদেশীদের আস্থার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরী হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
ডা: শাহনাজ ২৩ অক্টোবরের নির্বাচনে কার্যকরী সদস্য পদে নিজের ভোটের পাশাপাশি কুনু-আজম প্যানেলকে বিজয়ী করার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।