Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, স্বাধীন বাংলার ইশতেহার ঘোষণার পরিকল্পনা ও নিউক্লিয়াস সিরাজুল আলম খান নিউইয়র্কে আসবেন ৮ অক্টোবর শনিবার

মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির, ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,বাপ্ নিউজ : মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, স্বাধীন বাংলার ইশতেহার ঘোষণার পরিকল্পনা ও নিউক্লিয়াস সিরাজুল আলম খান ৮ অক্টোবর শনিবার ভার্জিন এয়ার বাসে লন্ডন থেকে বিকাল ৪টা-৪০মিনিট নিউইয়র্কের জেএফকে আšতর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌছাবেন. এ সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের পক্ষ থেকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি যুক্তরাষ্ট্ররনেতা কর্মীসহ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা সিরাজুল আলম খানকে স্বাদর অভ্যর্থনা জানাবেন। উলেলখ্য, সিরাজুল আলম খান উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন আসেন ৭ সেপ্টম্বর বুধবার ।এখন তিনি নিউইয়র্কে চিকিৎসার জন্য আসছেন। খবর বাপসনিউজ।

alt

সিরাজুল আলম খান মেধাবী ছাত্র হিসেবে শিক্ষাঙ্গণে সুখ্যাতি লাভ করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালীন তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীকালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৩-৬৪ এবং ১৯৬৪-৬৫ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় রাষ্ট্র বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ১৯৬২ সালে গোপন সংগঠন ‘নিউক্লিয়াস’ গঠন করেন।নিউক্লিয়াস স্বাধীন বাংলা বিপলবী পরিষদ নামেও পরিচিত। এই উদ্যোগে তার প্রধান সহযোগী ছিলেন আবদুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ। ১৯৬২-৭১ পর্যšত ছাত্র আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার আন্দোলন, ১১ দফা আন্দোলন পরিকল্পনা ও কৌশল প্রণয়ন করে তৎকালিন নিউক্লিয়াস। আন্দোলনের এক পর্যায়ে গড়ে তোলা হয় নিউক্লিয়াসের রাজনৈতিক উইং ‘বিএলএফ’ এবং সামরিক ‘জয়বাংলা বাহিনী।’ ৬৯-৭০ সালে গণআন্দোলনের চাপে ভেঙ্গে পড়া পাকি¯তান শাসনের সমাšতরালে নিউক্লিয়াস-এর পরিকল্পনা অনুযায়ী সংগঠন করা হয় ছাত্র-বিগ্রেড, কৃষক-বিগ্রেড, সার্জেন্ট জহুর বাহিনী। স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে ‘জয় বাংলাসহ সকল ¯েলাগান নির্ধারণ এবং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বাক্যগুলোর সংযোজনের কৃতিত্ব নিউক্লিয়াসের। এ পরিকল্পনা গ্রহণে সিরাজুল আলম খানের মুখ্য ভূমিকা ছিল।

alt
তিনি প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন দেশে অসুস্থকালিন তার খোজ খবর নেয়ার জন্য। নিউইয়র্ক অবস্থানকালিন তার সাথে যোগাযোগ ৩৪৭-৩২৩-৪৪৭০/৬৪৬-২৬০-৪২১২/৭১৮-৮৬৪-৯৫৪৮-৯১৭-৫৪৪-৭২৭১/৬৪৬-২০৯-৫৮৫১/৭০২-৪২৭-৩০৭৬/৭১৮-৯২৬-৫৩৩৮/৭১৮-৬৭৯-১৪১৭/৯১৭-৮৩৭-৪৭০০ এবং ৯১৭-৪০০-৪০৬০। তিনি একমাস নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন বলে জানাগেছে। বাপসনিউজ।


আমেরিকায় জাজ মাল্টিমিডিয়ার চলচিত্র প্রদর্শনে ভূমিকা রাখবে ডিজিটাল ওয়ান মিডিয়া

রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০১৬

Picture

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিজিটাল ওয়ান মিডিয়ার চেয়ারম্যান এবং নিউইর্য়ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক আজকালের প্রধান সম্পাদক এবং প্রকাশক জাকারিয়া মাসুদ জিকো।

alt
সংবাদ সম্মলেন আব্দুল আজিজ বলেন, বাংলাদেশের চলচিত্রে এখন অনেকটাই ক্রান্তিকাল চলছে। বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে অনেকে চলচিত্র নির্মাণ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। বিষয়টি অনুধাবন করে জাজ মাল্টিমিডিয়া বাংলাদেশের চলচিত্রের বিকাশ এবং ঐতিহ্য ধরে রাখার প্রয়াস হাতে নেই। ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫ টি চলচিত্র নির্মাণ করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া এবং আরো পাঁচটি চলচিত্র নির্মাণাধীন রয়েছে। এর মধ্যে শিকারী নামে চলচিত্রটি ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

alt
আব্দুল আজিজ বলেন, জাজ মাল্টিমিডয়ার এখন সময় এসেছে নির্মিত চলচিত্র আমেরিকায় হলগুলোতে প্রদর্শনের। আর সে পদক্ষেপ নিতে এগিয়ে এসেছে নিউইয়র্কের ডিজিটাল ওয়ান মিডিয়া।

alt

তারা যুক্তরাষ্ট্রে সে কাজটি করবে এবং বাংলা চলচিত্রের ব্যপ্তি ঘটাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষে জাজ মাল্টিমিডিয়া এবং ডিজিটাল ওয়ান মিডিয়ার মধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান আব্দুল আজিজ।

alt
সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়া মাসুদ জিকো বলেন, জাজ মাল্টিমিডয়ার সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমরাও ধন্য। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলা চলচিত্রগুলো আমেরিকার মূলধারার হলগুলোতে প্রদর্শিত হউক সেটা প্রত্যাশা করেছিলাম। জাজ মাল্টিমিডয়ার কারণে এ প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে এবং এতে করে বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক মানের চলচিত্র অব্যাহতভাবে নির্মাণ করতে পারে সেটি দেখবে বিশ্বের চলচিত্রপ্রেমিরা। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন সাপ্তাহিক আজকালের এসোসিয়েট এডিটর হাসানুজ্জামান সাকী।


আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্র সাংবাদিক আবু তাহের খোকনের ছবিগ্রন্থ ‘সাদাকালো’র মোড়ক উম্মোচন

রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,মো:নাসির,ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনউিজ: আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্র সাংবাদিক আবু তাহের খোকনের ছবিগ্রন্থ ‘সাদাকালো’র মোড়ক উম্মোচন হলো যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ইত্যাদি পার্টি হলে প্রবাসে বিভিন্ন খ্যাতিমান ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানে গ্রন্থটির মোড়ক উম্মোচন হয়।

Picture
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আবু তাহের খোকন তার এই গ্রন্থে বাংলাদেশের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সুখ-দুঃখ, তাদের স্বপ্ন ও বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছেন।‘সাদাকালো’র প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জয়িতা প্রকাশনীর কর্ণধার ও খ্যাতনামা আলোকচিত্র সাংবাদিক ইয়াছিন কবীর জয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ‘সাদাকালো’ গ্রন্থের সম্পাদক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট রাজনীতিক নিজাম চৌধুরী, সাপ্তাহিক ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমান, সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমেদ এবং সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা সম্পাদক ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহের।
  alt
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আলোকচিত্র সাংবাদিক আবু তাহের খোকন। এছাড়া ‘সাদাকালো’য় নিয়ে আলোচনা করেন প্রবীণ সাংবাদিক কাজী মন্টু। অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন প্রবাসের জনপ্রিয় ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী।অনুষ্ঠানে আবু তাহের খোকন বলেন, আমাদের দেশে অনেক অগণিত শিশু আছে জীবন যাদের অমলিন, অন্ধকারে আচ্ছন্ন, সাদাকালো।

alt

সুবিধাবঞ্চিত সেই ছেলেমেয়েদের জীবনের আকাশে সাত রঙের ঝলমলানি নেই। জীবনযাপনের পথ তাদের কাটায় ভরা। অবহেলা ও অনাদরে বেড়ে ওঠা এসব শিশুদের রঙিন স্বপ্ন একেবারে অনুপস্থিত। অথচ সব শিশুই সমানাধিকার নিয়ে জন্মায়। সমাজের বিত্তবানরা যাতে এসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ান, এ কারণেই ‘সাদাকালো’ প্রকাশের এই উদ্যোগ।
 alt
উল্লেখ্য, আবু তাহের খোকন ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান আলোকচিত্র সাংবাদিক। প্রায় ৩০ বছর তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। এ পর্যন্ত তিনি ২০টির বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন।


কানাডাস্থ কেমেরুনের কনসাল জেনারেলের সাথে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল

শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজঃ গত ২২ সেপ্টেম্বও বৃহস্পতিবার অপরাহ্ন ২টায় নিউইয়র্কের ম্যানহাটানের ওয়াল্ড অব এষ্টোরিয়া হোটেলে কানাডায় নিযুক্ত কেমেরুনের কনসাল জেনারেল ইয়াসিন জে আরডিম এর সাথে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাঙ্গালীদেও একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্টিত হয়। খবর বাপসনিউজ।

Picture

পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন আমেরিকা-বাংলাদেশ এ্যালান্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্টাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম. ভিওবি সম্পাদক ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি আতাউর রহমান শামীম, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও আওয়ামী লীগের  উপদেষ্ট্রা সাইফুল ইসলাম রহীম।খবর বাপসনিঊজ।

alt
প্রতিনিধি দলের সাথে কনসাল জেনারেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রসংশা করেছেন। সোহার্দ্য পূর্ন আলোচনায় বাংলাদেশ  সফরের আমন্ত্রণ জানালে সুবিধাজনক সময়ে সফর করবেন বলে জানান এবং প্রতিনিধি দলকে ধন্যবাদ জানান ।


প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে প্রবাসী নেতৃবৃন্দ

শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০১৬

Picture

ছবিতে বাথেকে আমেরিকা-বাংলাদেশ এ্যালান্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্টাতা সাধারণ সম্পাদক  এম এ সালাম, ২টায় প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাতিসংঘের ৭১তম সাধারন অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী ডা. দীপু মনির, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা  সাইদুল ইসলাম রহীমকে দেখা য়াচেছ।ছবি:বাপসনিঊজ।


নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা নাকচ

বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ,বাপসনিঊজ::মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা নাকোচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন হতে হবে এমন কোনো পরিবেশ দেশে নেই। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে যোগদান শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় তিনি নিউইয়র্ক সফরের বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরেন। পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোনো সম্ভাবনা নেই।শেখ হাসিনা বলেন, আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সাথেও জাতীয় নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশে পালিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ- কার্যকর করার জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। এজন্য প্রবাসীদের জোরালো ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস আর অপরাজনীতিÑ এসব মোকাবেলা করেই বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, এমন কি সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে যে মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে হবে।

alt
গত বৃহস্পতিবার সকালে এখানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনের খবর কি যমুনা নদীর ¯্রােতে ভেসে এসেছে। এমন কি সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে যে মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এবারে তাঁর সাধারণ পরিষদের ‘৭১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণকে সফল এবং ফলপ্রসু উল্লেখ করে এই অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তিকে আরো উজ্জ্বল করেছে বলেও মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে আমরা বাংলাদেশের এজেন্ডাগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি। বিভিন্ন ফোরামে আমাদের সক্রিয় এবং ফলপ্রসূ অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে বলে আমার বিশ্বাস।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গীরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিলের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন আওয়ামী লীগ একটি বড় রাজনৈতিক দল। তৃণমূলথেকে প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলায় দলের কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেন্দ্রীয় কাউন্সিল (দলের) অনুষ্ঠিত হবে এবং এই কাউন্সিলররা নেতৃত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন সব সময় অনুষ্ঠিত হবে এবং তিনি মনে করেন এ নির্বাচনের সঙ্গে দলের কাউন্সিলের কোন সম্পর্ক নেই। তিনি আরো বলেন, ‘এটা আমাদের রুটিন কাজ এবং প্রতি ৩ বছরে দলীয় কাউন্সিল হয়।’
শেখ হাসিনা বলেন, জরুরি অবস্থায় এবং সামরিক শাসনামলে দলের কাউন্সিল হয়নি। তিনি বলেন, ‘কিন্তু অন্য সময় আমরা নিয়মিত দলীয় কাউন্সিল করার চেষ্টা করেছি এবং আমরা সেই প্রস্তুতই নিচ্ছে।’

alt
সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে বিএনপি ও কতিপয় অন্য দলের বিরোধিতা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধীদলের প্রবণতা হচ্ছে প্রতিটি কাজের বিরোধিতা করা এবং এ ব্যাপারে ভয়ের কিছু নেই।
তিনি আরো বলেন, ‘সংসদে বিরোধীদল যথাযথভাবে তাদের ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু বিশেষ করে যারা সংসদে নেই এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, গত সাধারণ নির্বাচন বানচাল করতে যারা পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেছে, ভোট কেন্দ্রে আগুন দিয়েছে এবং একজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে হত্যা করেছে, বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও ট্রাকে আগুন দিয়েছে, আপনি তাদের কাছ থেকে কোন কিছু আশা করতে পারেন না।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, গত নির্বাচন বানচালের জন্য বিএনপি-জামায়াত জোট এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেছে। কিন্তু গত নির্বাচন বানচালে তারা তাদের প্রচেষ্টায় সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘তারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে এবং যারা মানুষ পুড়িয়ে মারায় বিশ্বাসী তাদের কাছ থেকে আপনি ভালো কিছু আশা করতে পারেন না।’
 জাতিসংঘ ৭১তম সাধারণ অধিবেশন
প্রেস কনফারেন্স বক্তব্য
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলন
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

ঢাকা থেকে আগত এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ,

আসসালামু আলাইকুম।

আপনাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।

alt
শ্রদ্ধা জানাচ্ছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের শহীদদের। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি জাতীয় চার-নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং ২-লাখ নির্যাতিতা মা-বোনকে। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আমার সশ্রদ্ধ সালাম।
গত ১৯ থেকে ২১শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনের বিভিন্ন বৈঠকে আমি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেই।
আমার সফরসঙ্গী হিসেবে মাননীয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী, মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, মাননীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এই অধিবেশনে যোগ দেন।
কয়েকটি কারণে এ বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমত: বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে ইউরোপে চলমান শরণার্থী সঙ্কট ও অভিবাসন সমস্যা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলো থেকে অন্যান্য দেশে লক্ষ লক্ষ আশ্রয় প্রত্যাশীদের সমস্যা সমাধানের বিষয়গুলো এবারের অধিবেশনে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়।
দ্বিতীয়তঃ মধ্যপ্রাচ্যে আইএস-সহ বিশ্বব্যাপী সহিংস জঙ্গি তৎপরতার উত্থান এবং পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে জাতিসংঘের আওতায় আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের মধ্যে মতৈক্য পরিলক্ষিত হয়।
তৃতীয়তঃ এবারের অধিবেশনকালে গত বছরের শেষদিকে প্যারিসে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়া ঐতিহাসিক চধৎরং ঈষরসধঃব উবধষ-টি বাংলাদেশসহ বেশ কিছু সদস্য রাষ্ট্র অনুসমর্থন করে।
চতুর্থতঃ একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিময় বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে গত বছর জাতিসংঘের নেতেৃত্বে ঐতিহাসিক চধৎরং ঈষরসধঃব উবধষ ছাড়াও বেশ কিছু যুগান্তকারী উদ্যোগ গৃহীত হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সংবলিত ২০৩০ অমবহফধ ভড়ৎ ঝঁংঃধরহধনষব উবাবষড়ঢ়সবহঃ-এর চূড়ান্ত অনুমোদন, উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে অফফরং অনধনধ অপঃরড়হ অমবহফধ গ্রহণ, বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনের জন্য ঝবহফধর ঋৎধসবড়িৎশ ভড়ৎ উরংধংঃবৎ জরংশ জবফঁপঃরড়হ অনুমোদন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার জন্য প্রথমবারের মত ডড়ৎষফ ঐঁসধহরঃধৎরধহ ঝঁসসরঃ-এর আয়োজন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে উল্লেখযোগ্য এই উদ্যোগসমূহের বাস্তবায়ন পরিস্থিতি ও প্রারম্ভিক অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা হয়।
১৯ সেপ্টেম্বর আমি “টহরঃবফ ঘধঃরড়হং ঝঁসসরঃ ড়হ জবভঁমববং ধহফ গরমৎধহঃং”-র প্লেনারি সেশনে বক্তব্য রাখি। অভিবাসী ও শরণার্থী ইস্যুতে বংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো আমি তুলে ধরি। অভিবাসন বিষয়ক এষড়নধষ ঈড়সঢ়ধপঃ-এ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলোর যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করার পাশাপাশি শরণার্থী, জলবায়ু উদ্বাস্তু ও অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানাই।
অভিবাসন ও উন্নয়ন সম্পর্কিত বৈশ্বিক ফোরাম (এঋগউ)-এর বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ এই ঈড়সঢ়ধপঃ-এর রূপরেখা প্রণয়নে সক্রিয়, দৃশ্যমান ও নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে যাবে বলে আমি অঙ্গীকার ব্যক্ত করি।
একই সামিটের অংশ হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে আমি সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী মি. স্টেফান লভেন-এর সঙ্গে একটি গোলটেবিল বৈঠকে যৌথ-সভাপতিত্ব করি। বিশ্বব্যাপী সুষ্ঠু, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতকরণে এষড়নধষ ঈড়সঢ়ধপঃ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করি।
আপনারা জানেন, আমার ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় আমর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা হিসেবে বাংলাদেশে তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং বিকাশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে।

alt
তাঁর সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনমূলক চিন্তা-ভাবনার ফলেই বাংলাদেশ এত দ্রুত তথ্য-প্রযুক্তি খাতে সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
“ডিজিটাল বাংলাদেশ” বিনির্মাণে এবং “সুশাসনে তথ্য-প্রযুক্তি” খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অব গভর্নেন্স অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস, প্লান ট্রিফিনিও, গ্লোবাল ফ্যাশন ফর ডেভেলপ্মেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হেভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস সম্মিলিতভাবে তাঁকে সম্মানজনক “আইসিটি ফর ডেভেলপ্মেন্ট” পুরস্কারে ভূষিত করে।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে আমিও উপস্থিত ছিলাম। মা হিসেবে এটা আমার জন্য অনেক গর্বের। আমি আশা করি জয় জাতির পিতার স্বপ্নের “সোনার বাংলাদেশ” গড়ে তোলা এবং “রূপকল্প ২০২১”  ও “রূপকল্প ২০৪১” বাস্তবায়নে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করবে।  
টঘ-ডড়সবহ-এবার আমাকে “চষধহবঃ ৫০-৫০ ঈযধসঢ়রড়হ” এবং এষড়নধষ চধৎঃহবৎংযরঢ় ঋড়ৎঁস-আমাকে তাদের “অমবহঃ ড়ভ ঈযধহমব অধিৎফ” শীর্ষক পুরস্কারে ভূষিত করে। ২১ শে সেপ্টেম্বর আমি এ দুটি পুরস্কার গ্রহণ করি।
নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাঁদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করে জাতিগঠনমূলক কাজে লাগোনোর ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ দু’টি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
২০শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত “ঝড়ঁঃয-ঝড়ঁঃয ধহফ ঞৎরধহমঁষধৎ ঈড়ড়ঢ়বৎধঃরড়হ রহ ঝপধষরহম ঁঢ় ওহহড়াধঃরড়হ রহ চঁনষরপ ঝবৎারপব উবষরাবৎু” শীর্ষক একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলাম। এসময় আমি আমার বক্তব্যে সরকারের “ডিজিটাল বাংলাদেশ” কর্মসূচি ও “এটুআই প্রকল্প”-এর আওতায় বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুততম সময়ে বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরি। একই সঙ্গে, পাবলিক সেক্টরের বিভিন্ন উদ্ভাবনসমূহ এবং সৃজনশীল উদ্যোগ বিনিমিয়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে একটি “ঝড়ঁঃয-ঝড়ঁঃয ঘবঃড়িৎশ ড়ভ চঁনষরপ ঙৎমধহরুধঃরড়হং” প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করি।
২০ সেপ্টেম্বর নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী মিজ্ এরনা সোলবার্গ-এর আমন্ত্রণে আমি ‘ডড়সবহ’ং খবধফবৎংযরঢ় ধহফ এবহফবৎ চবৎংঢ়বপঃরাবং ড়হ চৎবাবহঃরহম ধহফ ঈড়ঁহঃবৎরহম ঠরড়ষবহঃ ঊীঃৎবসরংস’-শীর্ষক বৈঠকে যোগ দেই। এ সময় আমি নারী শিক্ষাকে সহিংস জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ বন্ধের শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করি।
একইদিন বিকেলে আমি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমন্ত্রণে বিশ্বের আরও ৩১ জন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে “খবধফবৎং’ ঝঁসসরঃ ড়হ জবভঁমববং”-শীর্ষক বৈঠকে যোগ দেই। এসময় আমি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে অবস্থান নেওয়া ১০ মিলিয়ন শরণার্থীর বিষয়টি উল্লেখ করি এবং চলমান শরণার্থী সমস্যার সমাধানে বিশ্বনেতাদের তাগিদ দেই। ’৭৫-পরবর্তী সময়ে নিজের শরণার্থী জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বিশ্ব সম্প্রদায়কে শরণার্থীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করার আহ্বান জানাই।
এর পাশাপাশি আমি বাংলাদেশে অবস্থানরত মিয়ানমার শরণার্থী ও অনিবন্ধিত মিয়ানমার নাগরিক সম্পর্কিত সমস্যাটির একটি স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানাই।
২১ শে সেপ্টেম্বর আমি সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী মি. স্টেফান লভেন-এর আমন্ত্রণে সুইডেন সরকার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ওখঙ) এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ঙঊঈউ)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এষড়নধষ উবধষ-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেই।
এই অনুষ্ঠানে আমি টেকসই শিল্পায়ন, শোভন ও যথোচিত কর্ম এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়গুলো তুলে ধরি। ব্যবসাখাতের উন্নয়ন ও প্রসার এবং শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় উৎপাদনকারী, যোগানদার ও ভোক্তা শ্রেণির প্রত্যেককেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই।
একইদিন আমি জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ঐরময-খবাবষ চধহবষ ড়হ ডধঃবৎ-এর একটি বিশেষ বৈঠকে প্যানেলের একজন মনোনীত সদস্য হিসেবে যোগ দেই। ২০৩০ উন্নয়ন এজেন্ডার পানি সম্পদ ও স্যানিটেশন সম্পর্কিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে আমি বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরি। বিকেলে আমি এ বিষয়ে জাতিসংঘ কর্তৃক আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেই।  
একইদিন অস্ট্রেলিয়া সরকার, টঘ-ডড়সবহ, ইরষষ ধহফ গবষরহফধ এধঃবং ঋড়ঁহফধঃরড়হ এবং জাতিসংঘ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “গধশরহম ঊাবৎু ডড়সধহ ধহফ এরৎষ ঈড়ঁহঃ”-শীর্ষক সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দেই।
 এসময় জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নকে আমার রাজনৈতিক দর্শন ও উন্নয়ন ভাবনার অন্যতম মূল বিষয় হিসেবে উল্লেখ করি।
সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক অধিবেশনে বক্তব্য রাখি। প্রতিবারের মত এবারও আমি মাতৃভাষা বাংলায় বক্তব্য দেই।
আমার বক্তব্যে সাম্প্রতিক সময়ের অভিবাসন সঙ্কট, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান জোরালেভাবে তুলে ধরি।
সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস জঙ্গিবাদের প্রতি আমার সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসীদের পরামর্শদাতা, মূল পরিকল্পনাকারী, মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষক, অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহকারী এবং প্রশিক্ষকদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য অর্থায়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরসহ বিভিন্ন খাতে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমূহকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিশ্রুত সহায়তা দেওয়ার জন্য উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকসমূহ:
আমার এ সংক্ষিপ্ত সফরের সময় বেশ কয়েকজন রাষ্ট্র/সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়।
১৯ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী অং সান সুচি’র সঙ্গে আমার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। মিয়ানমারের দীর্ঘমেয়াদী জাতিগত সংঘাত নিরসনে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব মি. কফি আনান-এর নেতৃত্বে “অফারংড়ৎু ঈড়সসরংংরড়হ” গঠনকে স্বাগত জানাই। আমরা প্রতিবেশী দ’ুটি দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিদ্যমান সমস্যাসহ সকল দ্বিপাক্ষিক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের বিষয়ে একমত পোষণ করি। আমি মিসেস সুচিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা সাদরে গ্রহণ করেন।
১৯ সেপ্টেম্বর কমনওয়েলথ-এর মহাসচিব ব্যারোনেস প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড-এর সঙ্গে আমার বৈঠক হয়। সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথমবারের মত মহিলা মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই।
কমনওয়েলথ মহাসচিব নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, তরুণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, পরিবেশ বিপর্যয় রোধ এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সন্ত্রাস ও সহিংস জঙ্গিবাদ দমনে আমাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মি. জিম ইয়ং কিম-এর সঙ্গে আমার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। বৈঠকে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট সংস্থাটির অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি আগামীতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে বাংলাদেশে সহযোগিতা বাড়ানোর আশ্বাস দেন।
২১ সেপ্টেম্বর আমি সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট মি. জোহান ¯েœইডার আম্মান-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করি। সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, পর্যটন, তথ্য-প্রযুক্তি, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি ইত্যাদি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আমরা একমত পোষণ করি।
একইদিন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মি. ডোনাল্ড টাস্ক-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বের হয়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট সম্ভাব্য প্রভাবসমূহ সম্পর্কে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের কাছে জানতে চাই। এছাড়া সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
আজ সকালে ডড়ৎষফ ঊপড়হড়সরপ ঋড়ৎঁস-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান প্রফেসর ক্লস স্কাওয়াব-এর সঙ্গে বৈঠক হয়। প্রফেসর স্কাওয়াব শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং জেন্ডার সমতা অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করেন।   
১৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি সংস্থা ইঁংরহবংং ঈড়ঁহপরষ ভড়ৎ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ টহফবৎংঃধহফরহম (ইঈওট) কর্তৃক আয়োজিত একটি মত-বিনিময় সভায়  যোগদান করি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশকিছু শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির প্রতিনিধিগণ এতে অংশ নেন। আমি তাঁদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের ইতিবাচক পরিবেশ এবং ম্যাক্র-ইকোনমির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাঁদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়টি আবারও তুলে ধরি।
২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করি।
২১ সেপ্টেম্বর প্রবাসী বাঙালিদের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেই ।
সামগ্রিকভাবে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে আমরা বাংলাদেশের এজেন্ডাগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি। বিভিন্ন ফোরামে আমাদের সক্রিয় এবং ফলপ্রসু অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে বলে আমার বিশ্বাস।
আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
খোদা হাফেজ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।


নিউইয়র্কে নজরুল ইসলামের গ্রন্থ “ছোটদের শেখ হাসিনা”র মোড়ক উম্মোচন

মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬

Picture


বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের ৮০ দশকের ছাত্রলীগের সভাপতি ডা. ম কামালের সভাপতিতে¦ এবং সংগঠনের অন্যতম উপদেষ্ট্রা আওয়ামী লীগনেতা আকতার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্টিত “ছোটদের শেখ হাসিনা” গ্রন্থের প্রণেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস উপ সচিব নজরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে গ্রন্থের বিস্তারিত আলোকপাত করেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে ছোটদের শেখ হাসিনা গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ।

alt
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক বিশিষ্ট কলামিষ্ট, লেখক ও টিভি ব্যাত্তিত্ব বেলাল বেগ। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবীন সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদউল্লাহ, সাংবাদিক হাসিমুন নাহার নিনি ওয়াহেদ, বাকসু সাবেক জিএস ও এবিসিডিআই সভাপতি ড. প্রদীপ কর, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বাদশা, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহা সচিব  ওমর ফারুক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাবান মাহমুদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্ট্রা সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,  যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আইরিন পারভীন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহমান বাদশা,  কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুজ্জামান,

alt

শিক্ষা বিষয়ক এমএ করিম জাহাঙ্গীর, প্রবাসী কল্যান বিষয়ক সম্পাদক সোলাইমান আলী,আওয়ামীলীগনেতা কাজী কয়েস,মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার, মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ, এবিসিডিআই সাধারণ সম্পাদক আলী হাসান কিবরিয়া অনু,সংগঠক মোজাহিদ আনসারী, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আওয়ামী লীগনেতা সিরাজউদ্দিন আহমেদ সোহাগ, বাংলাদেশ ল সোসাইটির ইউএসএ সভাপতি মোর্শেদাজামান, নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শাহীন আজমল,সাপ্তাহিক বর্নমালা সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সাপ্তাহিক বাংলাটাইমস সম্পাদক সঞ্জিবন কুমার সরকার, উপদেষ্টা আশাক মাসুক, কাজী লুনা, তরুন প্রজন্মের সিবলী সাদেক প্রমুখ।

alt
নজরুল ইসলাম তার ছোটদের শেখ হাসিনা গ্রন্থে ঐতিহাসিক অনেক গুলো ছবি প্রকাশিত হয়েছে। পরিছন্ন এই গ্রন্থটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিশুকাল থেকে বর্তমান সময়ের ছবি ও তথ্য রয়েছে। গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মজিবকে। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছেন ঢাকার জিনিয়াস পাবলি কেশনের হাবিবুর রহমান। প্রচ্ছদ ভাবনা সেলিম রেজা মেন্টু, স্থিরচিত্র কৃতজ্ঞতা শেখ হাসিনা, গ্রাফিক্্র ফজলুল হক, মুদ্রন জনতা প্রিন্টার্স, মুল্য একশত পঞ্চাশ টাকা।

alt
অনুষ্ঠানে সকল বক্তাই বইটির প্রশংসা করেছেন। সাধারন সম্পাদক দেওয়ান আশরাফুল আলমঅনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্টানে উপস্থিত অতিথিও সুধীজনদের মাঝে গ্রন্থটি উপহার হিসেবে বিতরন করা হয়।অনুষ্ঠানে বক্তারা শেখ হাসিনাকে শিশুবান্ধব প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তাঁর সরকার ভবিষ্যত প্রজন্মের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

alt

বক্তারা লেখককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এটি শেখ হাসিনার ওপর লিখিত একটি সময়োপযোগী বই।তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা সম্পর্কে জানা ও অনুপ্রেরণা লাভে এই বইটি অবশ্যই নতুন প্রজন্মের জন্য অনেক সহায়ক হবে।বক্তারা প্রবাসী বাংলাদেশী ছেলেমেয়েরা যাতে সহজেই এই বইটি পড়তে পারে সেজন্য বইটিকে ইংরেজিতে অনুবাদ করার জন্য লেখকের প্রতি আহ্বান জানান।

alt

বত্রিশ পৃষ্ঠার এই বইটিতে শেখ হাসিনার জীবন ও কর্ম তুলে ধরা হয়েছে। এতে দুর্লভ কিছু ছবিও স্থান পেয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে জিনিয়াস পাবলিকেশন।অনুষ্ঠানে প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


নিউইয়র্কে ‘ছোটদের শেখ হাসিনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক থেকে : প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব নজরুল ইসলাম রচিত ‘ছোটদের শেখ হাসিনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে নিউইয়র্কে।এ উপলক্ষে শনিবার রাতে জেকসন হাইটের ‘খামার বাড়িতে’ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাখার সভাপতি ড. এম কামাল।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বইটির লেখক নজরুল ইসলাম এবং মুখ্য আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট টিভি ব্যক্তিত্ব ও লেখক বেলাল বেগ।
এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব ওমর ফারুক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শাবান মাহমুদ, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহ-সভাপতি বদিউজ্জামান বাদশা, সাংবাদিক নাসিমুন আরা নিনি ও কৃষিবিদ ড. প্রদীপ রঞ্জন কর।

alt

অনুষ্ঠানে বক্তারা শেখ হাসিনাকে শিশুবান্ধব প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তাঁর সরকার ভবিষ্যত প্রজন্মের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।বক্তারা লেখককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এটি শেখ হাসিনার ওপর লিখিত একটি সময়োপযোগী বই।
তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা সম্পর্কে জানা ও অনুপ্রেরণা লাভে এই বইটি অবশ্যই নতুন প্রজন্মের জন্য অনেক সহায়ক হবে।বক্তারা প্রবাসী বাংলাদেশী ছেলেমেয়েরা যাতে সহজেই এই বইটি পড়তে পারে সেজন্য বইটিকে ইংরেজিতে অনুবাদ করার জন্য লেখকের প্রতি আহ্বান জানান।
বত্রিশ পৃষ্ঠার এই বইটিতে শেখ হাসিনার জীবন ও কর্ম তুলে ধরা হয়েছে। এতে দুর্লভ কিছু ছবিও স্থান পেয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে জিনিয়াস পাবলিকেশন। 


ঢাকা-নিউইয়র্ক সাংবাদিকদের আড্ডা

শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,বাপসনিঊজ: ভিন্ন স্বাদের এক আড্ডা। ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা প্রাপ্তি প্রত্যাশার কোনো বিষয় নয়।  মেজাজটা একেবারেই অন্য ধাঁচের। নেই কোনো রাজনৈতিক নেতার বাগ্মিতা। তবে আড্ডায় উঠে এসেছে স্বদেশ-বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ও তার ক্রান্তিকাল। ধ্বংসপ্রাপ্ত-প্রায় সাংবাদিকদের আত্মমর্যাদার জায়গাটি। তোষামোদী সাংবাদিকতার ন্যাক্কারজনক চিত্রটি ফুটে উঠেছে সাংবাদিক নেতাদের মুখ থেকেই। এ লজ্জার দায়ভার তো তাদের বহন করতে হচ্ছেই। দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটটিও বাদ যায়নি বক্তাদের আলোচনায়।

Picture

রোববার রাতে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস্থ খাবার বাড়ির পালকি সেন্টারে বসেছিল ঢাকা ও নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের আড্ডা। প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে তা চলে মধ্যরাত অবধি। আয়োজক ছিলেন ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করেন মুজাহিদ আনসারী, শওকত ওসমান রচি ও বেলাল আহমেদ। খবর বাপসনিঊজ।

alt

সাংবাদিকদের এ আড্ডায় ছিলেন নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী সাংবাদিকরাও। ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম। তিনি ব্যক্তিগত সফরে এখন নিউইয়র্কে রয়েছেন। সাংবাদিকতা পেশায় সক্রিয় আছেন এবং ছিলেন এমন প্রায় ৫০ জন এ আড্ডায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন- বিএফইউজে’র সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, ডিইউজের সভাপতি শাবান মাহমুদ, দৈনিক ইত্তেফাকের স্পেশাল করেসপনডেন্ট আজমল হোসেন ফারাজী, দৈনিক অবজারভারের বিশেষ প্রতিনিধি সেলিম সামাদ, প্রথম আলোর যুক্তরাষ্ট্র ব্যুরো প্রধান হাসান ফেরদৌস,  সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ, টাইম টিভি’র সিইও আবু তাহের, বর্ণমালার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, আজকালের প্রকাশক ও সিইও জাকারিয়া মাসুদ জিকু, সাপ্তাহিক প্রবাসের সম্পাদক আবু সাঈদ, জন্মভূমির সম্পাদক রতন তালুকদার, ঠিকানার নির্বাহী সম্পাদক জাভেদ খসরু, আবুল কাশেম, সাংবাদিক এনামুর রেজা দিপু, মুজাহিদ আনসারি, শওকত ওসমান রচি, ফাহিম রেজা নূর, রেখা আহমেদ, সুমন শাওন, আবু জাফর, আলমগীর হোসেন, বিশ্বজিৎ সাহা, প্রখ্যাত ফটো সাংবাদিক লুৎফর রহমান বিনু, শাহ ফারুক রহমান (চ্যানেল আই), শেখ দীপু (এটিএন বাংলা), সংগ্রাম, টিবিএন-এর শামীম আর আমীন, মঞ্জুরুল ইসলাম, সাবেথ সাথী, ফজলে নোমানী (বাসস), শামসুল আলম লিটন, শামীম আহমেদ (ভোরের কাগজ), ইশতিয়াক বাবর (নিউজ ডট কম)।

alt

আলোচনায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, বাংলাদেশের সংবাদপত্র ও মিডিয়া আজ আত্মমর্যাদার জায়গাটি হারিয়েছে। তুষ্ট নীতির সাংবাদিকতা এ জন্যই দায়ী। সাংবাদিকদের কাছে জনগণের আকাঙক্ষাটিও ধুলিসাৎ হয়েছে।বিএফইউজে’র সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে বেশ কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিকের তোষামোদী-সুলভ প্রশ্ন শুনে বিস্মিত হতে হয়েছে। সাংবাদিকতার দৃষ্টিতে সেটা কোনো সংবাদ সম্মেলন নয়। আর এ জন্য আমাদের সাংবাদিকদের তোষামোদীতাই দায়ী। ডিইউজে’র সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ বলেন, তুষ্টনীতির সাংবাদিকতা জাতিকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। মাহমুদ বলেন, সাংবাদিক অনৈক্যের কারণেই মিডিয়ার মর্যাদা মুখ থুবড়ে পড়েছে। হাসান ফেরদৌস বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধে করণীয়তার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। মাহফুজুর রহমান প্রবাসেও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির উত্থান (প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে) নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। ফরাজী আজমল হোসেন সরকারের রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। জনাব ফারাজী বলেন, সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রীর সামনে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। এসব দেখে লজ্জিত হতে হয়।


তিনবাংলা’র বসন্তবিদায় সাহিত্য সমাবেশ

বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬

Picture
‘কবিতায় রাজনীতির প্রভাব’ বিষয়ে কথা বলেন সাবেক এমপি কবি লিয়াকত আলী। প্রবাসী লেখকদের বই প্রকাশে নতুন পরিকল্পনা মেলে ধরেন প্রীতম পাবলিকেশন্সের কর্ণধার পপি চৌধুরী।  ২৮ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর বিশেষ সংখ্যায় তিনবাংলা’র লেখা ছাপতে চান। অনুষ্ঠানে পঠিত লেখাগুলো প্রকাশে ব্যাপক আগ্রহ দেখান এই বিশিষ্ট লেখক-প্রকাশক।

alt
কুইন্সের পারসন ব্লুবার্ডে বাসা সদ্যপ্রয়াত কবি শহীদ কাদরীর। পাশেই কচিকণ্ঠ মিলনায়তনে আয়োজিত হয় স্মৃতিময় এই অনুষ্ঠানমালা। তিনবাংলা’র এই আয়োজনটি উৎসর্গ করা হয় পরপারে থাকা দুই কৃতবিদ্য ব্যক্তিত্বকে। ২৮ আগস্ট প্রবাসে দেহত্যাগকারী জনপ্রিয় কবি শহীদ কাদরীকে। আর ১৯৮৫ সালে একই মাসে নিহত মার্কিন শান্তিকন্যা সামান্থা স্মিথকে। অনুষ্ঠান সূচনায় শহীদ কাদরীর কবিতা আবৃত্তি করেন নন্দিত বাচিকশিল্পী শুকলা রায়। কিশোরী সামান্থা স্মিথের  শান্তিকামী জীবনপাতা মেলে ধরেন কবি লুবনা কাইজার। ‘সামান্থা স্মিথের জন্যে খোলা চিঠি’ শীর্ষক সালেম সুলেরী’র কবিতাও তিনি আবৃত্তি করেন। পাঠপূর্ব ভূমিকায় বলেন, কবিতাটি সামান্থার মৃত্যুবর্ষ ১৯৮৫তে লেখা, দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত। বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন কর্তৃক পুরষ্কৃত। সে সময়ে ‘যুব ইউনিয়নের’ সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন বর্তমান বস্টন প্রবাসী কবি বদিউজ্জামান নাসিম। এই কবির বস্টনের বাসায় কবি শহীদ কাদরী কিছুদিন বসবাস করেছিলেন।

alt
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ছিলো প্রবাসের কবি-লেখক-সংস্কৃতিসেবীদের আলোকচিত্র ধারণ। প্রবীণ আলোকচিত্রী মুক্তিযোদ্ধা কাজী সফিক তিনবাংলা আর্কাইভ-এর জন্যে সবার ছবি নেন। প্রসঙ্গক্রমে বলেন, সৃষ্টিশীল মানুষদের মুখচ্ছবি তুলতে পারা আমার জন্যে গৌরবের বিষয়। এ ধরণের কাজ প্রবাসে বিরল। তিনবাংলার মিডিয়া সচিব সিনিয়র সাংবাদিক  হাকিকুল ইসলাম খোকন নানা বিষয়ে আলোকপাত করেন। বলেন, সাহিত্য আর মিডিয়ায় সৃষ্টিশীলতা বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে থাকে।প্রায় ১৫ টি সৃষ্টিসফল কবিতা স্বকণ্ঠে পাঠ করেন সমবেত কবিবৃন্দ। ড. বিমল গুহ, সালেম সুলেরী, লিয়াকত আলী, নাসরিন চৌধুরী, ড. স্বপন বসু, আব্দুস শহীদ, রওশন হাসান, ইশতিয়াক রূপু, লুবনা কাইজার, শামিম আরা আফিয়া, স্বপ্ন কুমার, ছন্দা বিনতে সুলতানা, শামসাদ পলাশ, লুৎফা সাহানা, মাকসুদা আহমেদ, এবিএম সালেহউদ্দিন প্রমুখ।

alt
কবিতার কৌশল বিষয়ে আলোকপাত করেন প্রধান আলোচক কবি ড. মাহবুব হাসান। বলেন, শিরদাঁড়া ছাড়া মানুষের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। তেমনি ছন্দের কৌশল ছাড়া কবিতাও দাঁড়াতে পারে না। কালের বিচারে হারিয়ে যায়।সাহিত্য আসরের উদ্বোধক কবি ড. বিমল গুহ-ও ছন্দের পক্ষে অসংখ্য যুক্তি মেলে ধরেন। বলেন, ছন্দ হচ্ছে কবিতার সিঁড়ি। সেটাকে ধারণ করেই এগিয়ে যেতে হয়। ছন্দ না জানলে মুক্তছন্দেও লেখা যায় না। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠিত কবিরা ছন্দের পেছনে ছুটতে যান না। ছন্দই কবিদের অনুসরণ করে। এজন্যে কবিদের অনিবার্যভাবে ছন্দটা জেনে রাখা দরকার। তিনি আরো বলেন, গান কবিতা বাংলার মানুষের মজ্জাগত বিষয়। শুধু বিনোদন নয়, পেশাজীবনেও মাঝি-মাল্লারা গলায় সুর তোলেন। শিল্প-সংস্কৃতি সমাজকে ব্যাপকভাবে উপকৃত করছে। আমেরিকা-কানাডা-ইউরোপে হাসপাতাল, বাথরুমে শিল্পকর্ম টাঙ্গিয়ে রাখা হয়। এ ক্ষেত্রেই বোঝা যায় শিল্প-সংস্কৃতি মানুষের কতোটা কাজে লাগে।
ড. বিমল গুহ কবি-গীতিকারদের গান রচনা নিয়েও কথা বলেন। ছন্দের অনুসরণ না থাকলে শব্দবিন্যাসে বিশৃঙ্খলা থাকতে পারে। তিনি আরো বলেন,  তাল বা বাণী গানের বেলায় টেনে নেওয়া সম্ভব। পাঠের বেলায় তা সম্ভবপর নয়।

alt
কবিদের গান লেখা বিষয়ে বিশ্লেষণমূলক দীর্ঘ বক্তব্য দেন কণ্ঠশিল্পী সেলিম চৌধুরী। বলেন, পঞ্চকবির গানগুলোতে কাঠামো যেন সুনির্দিষ্ট ছিলো। তবে অন্য অনেক কবির গদ্য কবিতাকেও সঙ্গীতের সম্পদ বানানো হয়েছে। জীবনানন্দের ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি’, সুকান্তের ‘রানার’, বা ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’- এগুলো ফ্রী হ্যান্ডে লেখা। এগুলো গান হিসেবে হৃদয়গ্রাহী। জনপ্রিয়তাও পেয়েছে। সুতরাং, গানের বাণী রচনায় কবি-লেখকেরা ফ্রী হ্যান্ডেই লিখতে পারেন।সুস্থ ধারার জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সেলিম চৌধুরী বলেন, রবীন্দ্র-নজরুল শুধু নিজেরাই সফল নন। গান রচনায় কবি শামসুর রাহমান, ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, জাহিদুল হক দৃষ্টান্ত রেখেছেন। তিনি আরো বলেন, পাশ্চাত্যে ‘র‌্যাপ’সঙ্গীতও গানের মর্যাদা পেয়েছে। তাহলে বাংলার পুঁথিপাঠ-কে গানের মর্যাদা দিতে অসুবিধা কোথায়! বৈশিষ্টের দিক থেকে পুঁথিপাঠও আকর্ষণীয় গান। এর মূল্যায়ন করতে তিনবাংলাকেও এগিয়ে আসতে হবে। সঙ্গীত পর্বের উদ্বোধক সেলিম চৌধুরী পটভূমিসহ গান পরিবেশন করেন। রওশন হাসান, শামিম আরা আফিয়া, বাবলী হক, কাজী সফিকও গানে গানে মুখর করেন পরিবেশ।

alt
সভাপতির সমাপণী বক্তব্যে সাহিত্যচর্চা ও সংগঠনের নানাদিক তুলে ধরেন কবি-কথাকার সালেম সুলেরী। ১৭ সেপ্টেম্বর জন্ম গ্রহণ করেছিলেন প্রখ্যাত কবি বিনয় মজুমদার। চিত্রকর মকবুল ফিদা হোসেনও। তিনবাংলা’র পক্ষ থেকে উচ্চারণ করেন বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি। অনুজ কবির পংক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে শুরু করেন বক্তব্য। বলেন ‘আমিও মানুষ তুমিও মানুষ, তফাৎ শুধুই শিরদাঁড়াতে। কবিদের শিরদাঁড়া যদি ছন্দ হয়, তাহলে কবিতার কর্মশালা’র আয়োজন করবে তিনবাংলা। মাত্র দু’দিনেই স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, অরবৃত্ত ছন্দের ব্যবহার শেখানো সম্ভব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে কর্মশালায় যোগদানের আহ্বান জানান তিনি। তিনবাংলার পক্ষে সকলকে ধন্যবাদ জানান সংগঠনের সদস্য সচিব কথাশিল্পী মুনিয়া মাহমুদ।অনুষ্ঠানে শিশু সাহিত্যিক শরীফ মাহবুবুল আলম, কবি রওশন হাসান, কথাশিল্পী মুনিয়া মাহমুদ ও কবি লুবনা কাইজারের মৌলিক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। নৈশকালীন ভোজ দিয়ে শেষ হয় তিনবাংলা’র বসন্তবিদায় সাহিত্য আসর।


জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নেতা-কর্মী স্বাগত জানালেন শেখ হাসিনাকে : বিএনপি-জামাত সরে দাঁড়িয়েছে বিক্ষোভ থেকে

মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন,মো:নাসির,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,বাপস নিউজ,বিশেষ সংবাদদাতা  নিউইয়র্ক থেকে : জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরকালে তিনি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কানাডার মন্ট্রিয়ল থেকে একটি ফ্লাইটে নিউইয়র্কে পৌঁছান শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এয়ার কানাডার ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা) নিউইয়র্কের লা গোর্ডিয়া এয়ারপোর্টে অবতরণ করে।

Picture


বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানান যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।বিমানবন্দর থেকে বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্র সফরকালীন আবাসস্থল নিউইয়র্কের হোটেল ওয়াল্ডোর্ফ অস্টোরিয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়।

alt
এর আগে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে দেশটিতে আয়োজিত ফিফথ রেপ্লেনিশমেন্ট কনফারেন্স অব গ্লোবাল ফান্ডে (জিএফ)  অংশগ্রহণের উদ্দেশে চার দিনের সরকারি সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফর শেষেই তিনি নিউইয়র্কে ।এয়ার কানাডা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে স্থানীয় সময় ১৮ সেপ্টেম্বর রোববার অপরাহ্ন ৩টায় নিউইয়র্ক সিটির লাগোয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্টে অবতরণের পর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এ সময় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরের রাস্তার পাশে শতাধিক নেতা-কর্মী তুমুল স্লোগানে তাকে সাদর অভ্যর্থনা জানান। আগের দিন নিউইয়র্ক সিটিতে বোমা সদৃশ কিছু বিস্ফোরিত হবার ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের কারণে আগের মত শেখ হাসিনা তার গাড়ির গতি কমিয়ে কর্মীদের অভিবাদনের জবাব দিতে পারেননি। তবে, এবার এয়ারপোর্টে বিএনপি এবং তার বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোন নেতা-কর্মীকে দেখা যায়নি। তারা ঘোষণা দিয়েছেন ‘যেখানে শেখ হাসিনা-সেখানেই প্রতিরোধ’ কর্মসূচি পালনের। বিএনপির এমন কর্মসূচির বিরুদ্ধে আওয়ামী পরিবারের পাল্টা ঘোষণা রয়েছে ‘যেখানে বিএনপি-জামাত-সেখানেই প্রতিরোধ’ এর। আর এমনি উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বিএনপি কেন বিক্ষোভ করলো না-তা নিয়ে কৌতুহলের অন্ত নেই।

alt
গত ২০ বছরের ইতিহাসে এবারই ব্যতিক্রম ঘটলো এয়ারপোর্টে প্রধানমন্ত্রীকে কাল পতাকা প্রদর্শসনহ বিক্ষোভের। এ জন্যে পুরো ক্রেডিট নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ আর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা। মহিলা আওয়ামী লীগের অধ শতাধিক নেতা-কর্মীও সোচ্চার ছিলেন বিএনপি-জামাত জোটের যে কোন অপতৎপরতা প্রতিরোধে। তারাও পোস্টার-ব্যানারসহ এয়ারপোর্টে জড়ো হন।

alt
এয়ারপোর্টে গগনবিদারি স্লোগানে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর বক্তব্যের পাশাপাশি স্লোগানে নেতৃত্ব দেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ড. শাহজাহান মাহমুদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ,  যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী,আমেরিকা-বাংলাদেশ এলায়েন্সের চেয়ারপার্সনI সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক সেক্রেটারি সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা- লেখক-সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান ও আব্দুর রহিম বাদশা, আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহ বখতিয়ার, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি আবদুল মুসাব্বির  ও সাধারান সম্পাদক নূরে আলম জিকু, এমপো বা¯তবায়ন ফোরাম বাংলাদেশ ও জাগো নারী ফাউন্ডেশন এর চেয়ারপারসন বিশিষ্ট নারীনেত্রী নূর-উন-নাহার মেরী, মূলধারায় বাংলাদেশী সিটি কাউন্সিলম্যান আবু এ মুসা, শেখ হাসিনা মঞ্চের  সভাপতি জালালউদ্দীন জলিল,সাধারণ সম্পাদক কায়কোবাদ খান, সহ সাধারণ সম্পাদক আশাফ মাসুক, বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ সাধারণ সম্পাদক হারুণ অর রশীদ,নউিইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগরে সভাপতি নুরুন্নবী, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্রস্থ বাংলাদেশ ল’ সোসাইটির সভানেত্রী মোর্শেদা জামান, যুক্তরাষ্ট্রস্থ পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগের সভাপতি আব্দুল কাদির মিয়া, ওয়াশিংটন মেট্র আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি মাহমুদুন্নবী বাকী, লেখক-সাংবাদিক হারুন চৌধুরী,  জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি বদরুল হক খান, যুবলীগের সাবেক সভাপতি মিসবাহ আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক  ফরিদ আলম, যুবলীগের  আহবায়ক তারিকুল হায়দার চৌধুরী, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মমতাজ শাহানা, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী বিউটি, রাশেদা কোরেশী, সবিতা দাস, শ্রমিক লীগ সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন,  I সাধারণ সম্পাদক জুয়ল আহমদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার,  সাধারণ সম্পাদক  সুবল দবনাথ ,মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মাসুদ হোসেন সিরাজি, প্রবাসী কল্যাণ সমিতির সেক্রেটারি দেওয়ান বজলু, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মিয়া এবং সেক্রেটারি শাহীন আজমল প্রমুখ। চৌধুরী,আমেরিকা-বাংলাদেশ এলায়েন্সের চেয়ারপার্সনI সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম বvcmনিউজের এ সংবাদদাতাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে উন্নয়ন-অগ্রগতির যে জোয়ার বাইছে, তার প্রতি এই প্রবাসেও সাধারণ লোকজনের সমর্থন আশাব্যঞ্জকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সে কারণেই বিএনপি-জামাত জোট এয়ারপোর্টের কর্মসূচি থেকে সরে পড়েছে। এ এক বিশাল ঘটনা প্রবাসের রাজনীতিতে। শেষ মুহূর্তে হলেও বিএনপির নেতা-কর্মীদের বোধোদয় ঘটেছে বলে মনে করছি। আশা করছি তারা শেখ হাসিনার প্রতিটি কর্মসূচিতে সমর্থন দিয়ে বিরল এক উদাহরণ সৃষ্টি করবেন।’

alt
এয়ারপোর্ট থেকে শেখ হাসিনা সোজা  ওয়াল্ডর্ফ এস্টোরিয়া হোটেলে চলে যান। সেখানেই অবস্থান করবেন জাতিসংঘের কর্মসূচিতে যোগদানকালিন সময়ে। ২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে ভার্জিনিয়ায় তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়ার কথা শেখ হাসিনার। সেখান থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন বলে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের  স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন জানান। জয়ের বাসায় অবস্থানকালিন সময়ে তিনি কোন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন না বলেও উল্লেখ করেছে দূতাবাসের সূত্র।
এদিকে, জাতিসংঘ সফরের প্রথম দিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের বাসায় তার সফরসঙ্গিসহ ডিনারে যোগদান করেন শেখ হাসিনা। প্রবাসের বিশিষ্টজনেরাও ছিলেন এ ডিনারে।

alt
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে দেশটিতে আয়োজিত ফিফথ রেপ্লেনিশমেন্ট কনফারেন্স অব গ্লোবাল ফান্ডে (জিএফ)  অংশগ্রহণের উদ্দেশে চার দিনের সরকারি সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফর শেষেই তিনি নিউইয়র্কে গেলেন।
তবে, এখানে রোববার পৌঁছালেও প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত কর্মসূচি শুরু হবে সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকে। এদিন প্রথমেই তিনি জাতিসংঘ সদরদফতরে জাতিসংঘ সম্মেলনের একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে শরণার্থী ও অভিবাসীদের বিষয়ে বক্তৃতা করবেন।
এরপর ‘নিরাপদ, নিয়মিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ অভিবাসনের জন্য বৈশ্বিক চুক্তি: টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ সালের এজেন্ডা উপলব্ধি এবং অভিবাসীদের মানবাধিকারের প্রতি পুরোপুরি শ্রদ্ধা অর্জন’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকে কো-চেয়ারের দায়িত্ব পালন করবেন।
এরপর দিন ২০ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কের উদ্বোধনী সেশনে অংশ নেবেন।
পরে তিনি হোটেল মারিওট ইস্টসাইডে সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক আসিয়ান লিডারদের এক সম্মেলনে যোগ দেবেন। এ সম্মেলনের আয়োজক জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনঝো আবে।
জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদরদফতরের ২ নম্বর কনফারেন্স রুমে জাতিসংঘের সাউথ-সাউথ কোঅপারেশন কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ‘জনসেবা প্রদানে সৃজনশীলতা আনুপাতিক হারে বাড়ানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিপাক্ষিক সহযোগিতা’ বিষয়ক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বাংলাদেশ।
এরপর প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন শরণার্থী বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আয়োজিত বিশ্ব নেতৃত্বের সম্মেলনে।
২১ সেপ্টেম্বর সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোভেন আয়োজিত ‘গ্লোবাল ডিল ইনিশিয়েটিভ অন ইনহেনচড সোশ্যাল ডায়লগ ফর ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড ইনক্লুসিভ গ্রোথ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।
এ দিন তিনি জাতিসংঘ সদরদফতরের ৮ নম্বর কনফারেন্স রুমে পানি বিষয়ে উচ্চ-পর্যায়ের পরিষদের বৈঠকে অংশ নেবেন।
এরপর শেখ হাসিনা নিউইয়র্কের হোটেল গ্র্যান্ড হায়াটে বাংলাদেশি কমিউনিটি আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
২২ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা নিউইর্য়কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে পুরো সফর নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণের ফাঁকে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন।
২২ সেপ্টেম্বর তিনি ভার্জিনিয়ার উদ্দেশ্যে নিউইর্য়ক ছেড়ে যাবেন। ২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসির ডালাস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে এমিরেটস এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দেশের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন।
আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর দুবাই হয়ে বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।