Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

চিটাগাং এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ইনক্ এর নব-নির্বাচিত কার্য্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্‌স নিউজ : চিটাগাং এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ইনক্ এর নব-নির্বাচিত কার্য্যকরী কমিটির সভা ২০শে এপ্রিল সন্ধ্যা ছটায় ব্রুকলীনস্হ চট্টগ্রাম ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি আবদুল হাই জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নব-নির্বাচিত কমিটির সকল সদস্যরা উপস্হিত ছিলেন।

alt

সভায় আগামী ২২শে এপ্রিল বাংলা নুতন সন ১৪২৪ কে বরণ করে নেয়ার লক্ষ্যে বর্নিল কর্মসূচী গ্রহন করা হয়। পাশাপাশি বিগত দিনের কর্মকান্ডের  উপর ও বিশদ আলোচনা করা হয়। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক জনাব মোহাম্মদ সেলিম।


রাজশাহী বিশ্বাবিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ এর সাধারণ সভা

শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

হকিকুল ইসলাম খোকনবাপসনিঊজ:আগামী ১৪ই মে, ২০১৭, রবিবার, সন্ধ্যা ৬টা, জ্যাকসন হাইটস্থ মেজবান রেষ্টুরেন্টে  (৭৪-২৪ ৩৭ এভিনিউ, জ্যাকসন হাইটস, নিউইয়র্ক-১১৩৭২), রাজশাহী বিশ্বাবিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ- এর কার্য্যকরী কমিটি গঠনের  লক্ষ্যে সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়েছে।খবর  বাপসনিঊজ:
উল্লেখ্য  গত ২রা এপ্রিল ২০১৭, বর্তমান কার্যকরী কমিটির সর্বশেষ সভাতে নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে তিন সদস্য বিশিষ্ট বাছাই কমিটি (নির্বাচন কমিশন) গঠন করা হয়েছে। আগামী দিনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন কে গতিশীল ও গঠন মুলক ভ’মিকা রাখতে সকল সদস্যগনকে উক্ত সাধারণ সভায় উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে জানিয়েছেন
সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী রাব্বী,৯১৭-৫০২-৪৮২৮ এবং সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিপ্লব ৬৪৬-৫০৬-৪৩৯১।


নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের সমস্যা নিয়ে সিটির পাবলিক এডভোকেটের সাথে আলোচনা

শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন বিরোধী নানা পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট সন্ত্রস্ত অবস্থা থেকে বাংলাদেশীদের অব্যাহতি প্রদানের পাশাপাশি পারিবারিক দাঙ্গা এবং গৃহায়ন সমস্যার সমাধান নিয়ে প্রাণবন্ত এক আলোচনা হলো নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক এডভোকেট লেটিসা জেমস’র সাথে। মাস দুয়েক আগে বাড়ির মালিকের ছুরিকাঘাতে নিহত বাংলাদেশী জাকির খানের স্ত্রী-সন্তানদের হাউজিং সমস্যা নিয়েও এ সময় বিস্তারিত আলোচনা হয়।

নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং মায়ের ভাষার জন্যে জীবনদানের অবিস্মরণীয় ইতিহাস সংযোজনে সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে একযোগে মাঠে নামার সংকল্প ব্যক্ত করলেন সিটির পাবলিক এডভোকেট লেটিসা জেমস। একইসাথে নানাভাবে নিগৃহিত বাংলাদেশী নারী সমাজের জন্যে সিটি প্রশাসনের সর্বস্তরে বাংলা অনুবাদক রাখার পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাসও দেন অভিবাসীদের বন্ধু হিসেবে পরিচিত লেটিসা জেমস। নাগরিকদের জন্যে সিটির যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার তথ্য আরো বিস্তারিতভাবে জানাতে শীঘ্রই বাংলাদেশ সোসাইটির একটি টাউন হল মিটিংয়ে তিনি অংশ নেবেন বলেও উল্লেখ করেন। ভাড়াটের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে নিহত জাকির খানের পরিবারের দুর্দশা লাঘবেও বিশেষ একটি উদ্যোগের কথা বলেছেন লেটিসা জেমস। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন বিরোধী পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করে পাবলিক এডভোকেট লেটিসা জেমস বলেন, এই সিটিতে অভিবাসীদের মধ্যে যারা কোন অপরাধ করেননি এবং কঠোর শ্রমে নিজের স্বপ্ন গড়ার পাশাপাশি আমেরিকার উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছেন-তাদেরকে কেউ স্পর্শ করতে পারবে না। আমরা বৈধ-অবৈধ নির্বিশেষে সকল অভিবাসীর জন্যে ঢাল হয়ে অবস্থান করছি। কারণ, নিউইয়র্ক হচ্ছে অভিবাসীদের সিটি।

উঠতি কম্যুনিটি হিসেবে বাংলাদেশীদের জন্যে সিটি কী কী করতে পারে তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনার উদ্দেশ্যে ১৭ এপ্রিল সোমবার সকালে নিজের অফিসে প্রাত:রাশের আয়োজন করেছিলেন লেটিসা জেমস। এতে অংশগ্রহণকারি নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন ডেমক্র্যাট মোর্শেদ আলম, মূলধারার রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী আকতার হোসেন বাদল, মূলধারার রাজনীতিক ও আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হওলাদার এবং সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, কম্যুনিটি এ্যাক্টিভিস্ট আব্দুস শহীদ, কাজী আজম ও সিরাজউদ্দিন সোহাগ, জাতীয়তাবাদি ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা এ কে এম রফিকুল আলম, আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জেড চৌধুরী জুয়েল, মামুন’স টিউটোরিয়ালের ডা. নাহিদ খান, নারী সংগঠক রোকেয়া বেগম, এটর্নী সোমা সাঈদ, এটর্নী নাজমুল আলম, কাউন্সিলম্যান নির্বাচনে আগ্রহী শেখ হেলাল প্রমুখ।

alt

ব্রঙ্কসের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী জাকির খান নিহত হবার পর তার শিশু সন্তানসহ স্ত্রীকে সিটির শেল্টারে স্থান দেয়া হলেও এখন তাকে সরে যাবার নোটিশ জারী হয়েছে। কিন্তু কোথায় যাবেন তিনি? কোথায় পাবেন আশ্রয়? এমন প্রসঙ্গের অবতারণা করেন ডা. নাহিদ খান। এরপর ফ্লোর নিয়ে ব্যবসায়ী ও ডেমক্র্যাট আকতার হোসেন বাদল বলেন, আমি সিটির হাউজিং প্রজেক্টে (এইচপিডি) কাজ করছি। তার বাসা আমিও খুঁজে দিতে পারি, যদি সিটি আমাকে সে সুযোগ দেয়। এ সময় পাবলিক এডভোকেট লেটিসা জেমস সাদর আমন্ত্রণ জানিয়ে বাদলের সহায়তা চান অসহায় পরিবারটির বাসা খুঁজে দেয়ার জন্যে। এজন্যে সিটি প্রশাসন তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে বলেও উল্লেখ করেন।

বাদল প্রবাসীদের বহুবিধ সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশ সোসাইটির ব্যানারে টাউন হল মিটিংয়ের প্রস্তাব দিলে সেটিও লুফে নেন লেটিসা। মোহাম্মদ এন মজুমদার সিটির সেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে প্রবাসীদের পরিচিত করার জন্যে বাংলাদেশী মিডিয়ার মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, হাউজিং, ডমেস্টিক ভায়োলেন্স, ইত্যাদির সুবিধা পাওয়া যাবে কীভাবে সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা সম্বলিত প্রচারপত্র নিয়ে মসজিদের সামনে টেবিল বসানো উচিত। কম্যুনিটির বড় বড় ইভেন্টেও অনুবাদকসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত হতে পারেন।

শুরুতেই বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার ফ্লোর নিয়ে সিটির বিভিন্ন সার্ভিস সম্পর্কে প্রবাসীদের সবিস্তারে অবহিত করার অভিপ্রায়ে সোসাইটির নিজস্ব ভবনে টাউন হল মিটিংয়ের প্রস্তাব রেখেছিলেন। সে সময় সোসাইটির সেক্রেটারি রুহুল আমিন সিদ্দিকীও ছিলেন সেখানে। লেটিসা জেমস এ ব্যাপারে বিস্তারিত যোগাযোগের জন্যে তার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। রহিম হাওলাদার এ সংবাদদাতাকে বলেছেন, শীঘ্রই আমরা টাউন হল মিটিংয়ের আয়োজন করছি। সে সময় বাংলায় যাতে সকলেই স্বাচ্ছ্বন্দে কথা বলতে পারেন, সেজন্যে অনুবাদক রাখা হবে। শুধু তাই নয়, সিটি প্রশাসনের সার্ভিসসমূহের বাংলা অনুবাদও করা হবে।


নারায়ণগঞ্জ কালচারাল এন্ড এডুকেশান অব নর্থ আমেরিকার সাধারন সভা ২৪ মে বুধবার

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : সম্প্রতি কানাডার টোরন্টোতে গঠিত নারায়ণগঞ্জ কালচারাল এন্ড এডুকেশন অব নর্থ আমেরিকার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনকল্পে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৪ মে বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় লেজিয়ন হল, ৯ ডয়েজ রোড টরোনন্টোর কানাডাতে । এতে উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত নারায়ণগঞ্জ প্রবাসীদের স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আহবায়ক ও কানাডার মূলধারায় রাজনীতিক সমাজসেবক এবং এক্টিভিষ্ট ফেরদৌস বারী জন ও যৌথ সদস্য সচিব মোস্তফা মোমেন আফজল এবং  মিজানুল খান দিপু।সাধারণ সভায় উন্মুক্ত মতামতের ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে গঠনকরা হবে। এ ব্যাপারে সবাইকে  ৯০৫-৪২৪-৪০৯। যোগাযোগকরার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।খবর বাপসনিঊজ।


নারায়ণগঞ্জ জেলাসহ বাংলাদেশের সর্বত্র সাংস্কৃতিক ও শিক্ষার উন্নয়নে সর্বাত্তক সহযোগিতার জন্য সম্প্রতি কানাডার টরোনন্টোতে উত্তর আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিক , সমাজসেবক ও এক্টিভিষ্ট ফেরদৌস বারী জনকে আহবায়ক এবং মোস্তফা মোমেন আফজাল ও মিজানুল খান দিপুকে যৌথ সদস্য সচিব, হানিফ চৌধুরী, ইসরাত জাহান, আজিউন বারী, রিমা চৌধুরী, ডা. মোহসীন, মোস্তফা কামাল, এম এইচ মামুন, ফরিদা পারভীন, ফরহাদ, আবির ভূইয়া, সারাহ জাহান, স্বর্ণা জাহান, সাপনীক (হিউষ্টন) আবুল আজাদ, রবিন, মলি, এস এম সায়েম মিঠু, মোহাম্মদ নসিম এবং ইসমাইল হোসেন (মন্টিয়েল) কে সদস্য নির্বাচিত করে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এবং সামিউল মিলন, সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, মাসুদ কাদের (বন মন্ত্রনালয়) আসাদুল বারী আসাদ নির্মল পাল, মোহামাদ আলী শাওন (রিয়েলেট), রিয়াজ রশিদ রাজ, মনিরুজ্জামান সেলিম, সহিদ হাসান, রাসেল রহমান ও মনির ইসলামকে উপদেষ্টা নির্বাচিত করা হয়েছে।চীভ করডিনেটর আনিস রহমান।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিভাগ এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারায় পুরস্কার বিজয়ী সিনিয়র সাংবাদিক ও এক্টিভিষ্ট এবং আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি হাকিকুল ইসলাম খোকনকে এই সংগঠনের অন্যতম উপদেষ্ঠা মনোনীত করা হয়েছে।


নিউইয়র্কে জুয়ানা ’র বাংলা বর্ষবরণ

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ: নিউইয়র্ক: ‘মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে সূচি হোক ধরা’, বাঙালির চির আপন এই সুরকথনকে শ্লোগান করে নিউইয়র্কে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (জুয়ানা) উদ্যাপন করেছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়েলা বৈশাখ ১৪২৪। গত ১৬ এপ্রিল, রবিবার লংআইল্যান্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক সিটি ছাড়াও, আশপাশের শহর থেকেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা পরিবার পরিজন নিয়ে এ অনুষ্ঠানে ছুটে আসেন শেকড়ের টানে।

Picture

এ যেন ব্যস্ত প্রবাস বেলায় একদিনের জন্য ফিরে পাওয়া স্মৃতিময় রঙিন ক্যাম্পাস জীবনে। বৈশাখের উচ্ছ্বাসে এলামনাইদের হয়ে ওঠে প্রাণের মিলন উৎসবে। অনুষ্ঠান জুনায়ার সভাপতি মো: মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইলিম মোহাম্মদ নাজমুল হোসেনের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, জুয়ানার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন জুয়ানার সাবেক সভাপতি রানা রায়হান, সাবেক সভাপতি মোজাম্মেল হক দুলাল, সাবেক সভাপতি নাহিদ রায়হান লিখন, সাবেক  সাধারণ সম্পাদক নূরজাহান বেগম মেঘনা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূর এম মিয়াজী কালাম।

alt

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জাবির প্রথম ব্যাচের ছাত্র একরামুল করিম, সংগঠনের সহ-সভাপতি রিয়াজুল কাদের জহির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রাশেদ আল জুনায়েদ জাফরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেরুন নাহার মাজেদা, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়াউল হক, আব্দুল করিম মো: শওকত হোসেন ভূইয়াঁ, আব্দুল মালেক, মো: মাজহারুল ইসলাম মিরন,জোয়েব হাসান ন্যাট, হাসনা হেনা বুলি, সাবিনা ইয়াসমিন বেবী, মালিয়া আহমেদ মিথুন, আলী আহমেদ, সাব্বির আহমেদ, চম্পা, দাউদ ভূইঁয়া, জহিরুর ইসলাম, সুলতান মাহমুদ, আতিকুর রহমান, ফেরদৌসি আক্তার, আবু তাহের ফিরোজ, ইজাজ আহমেদ, মনির হোসেন সহ আরো অনেকে।

alt

এলামনাইরা স্বপরিবারে দুপুর ২টা থেকে রকমারী খাবারসহ অনুষ্ঠান স্থলে আসতে থাকে। খাবারের পরই শুরু হয় আলোচনা সভা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদযাপন কমিটির আহবায়ক ফিরোজার রহমান। এরপর ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিকাণ ৪টা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান একটানা রাত ১০টা পর্যন্ত চলে। গানের ফাঁকে ছিল বাঙ্গালী ঐতিহ্যের হরেক রকম খাবার। যা উপস্থিত সকলে তৃপ্তিসহকারে গ্রহন করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন জাবি এলামনাই সাবিনা ইয়াসমিন বেবী, নূর এম মিয়াজী কালাম, এ প্রজন্মের শিল্পী চেল্সী, অতিথি শিল্পী জামাল মাহমুদ ও তার সহধর্মিনী সোহানী মাহমুদ, বাপ্পি সোম, মমতাজ মিনু (মিনু ভাবী), দিলরুবা আবেদীন, সুকুমার ঘোষ, ইশরাত জাহান ঐশী। দেশীয় ঘরানার খাবার সহযোগে নৈশভোজ শেষে আগত অতিথিরা সমবেত কণ্ঠে “এসো হে বৈশাখ” গান এবং সভাপতি মো: মনিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ইলিম মোহাম্মদ নাজমুল হোসেনের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।


জর্জিয়া স্যোসাল এন্ড কালচারাল অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে বৈশাখী মেলা ১৪২৪ অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : জর্জিয়া থেকে : পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালী জাতির প্রাণের বাঙ্গালী তার নিজস্ব জাতি সত্ত্বার অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য যতগুলো উৎসব পালন করে তার মধ্যে বৈশাখ বরণ অন্যতম । বৈশাখ বরণের সাথে যে অনুষ্ঠানটি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত তা হল বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা।  

alt
জর্জিয়ায় এইরকম এক জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন দেখা গেলো গত ১৬ এপ্রিল রোববার জর্জিয়ার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন জর্জিয়া সোস্যাল এন্ড কালচারাল অর্গানেইজেশনের আয়োজনে  জর্জিয়ায়  অনুষ্ঠিত হল এ যাবত কালের বিশাল বৈশাখী মেলার ।

alt

গত ১৬ এপ্রিল রবিবার হঠাৎ করে কেউ যদি জর্জিয়ার বার্কমার হাই স্কুলে প্রবেশ করতেন, নিশ্চিত একটা ধাঁধায় পরে যেতেন। ভুল করে বাংলাদেশে চলে এসেছি নাকি! । হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশীদের আনন্দচ্ছোল পদচারনা আর আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে গতবারের মতো এবছরও আটলান্টার বার্কমার হাই স্কুল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হল বিশাল বৈশাখী মেলার ।

alt
বাংলার সংস্কৃতি প্রবাসীদের ঘরে পৌঁছে দিবার একটি ছোট্ট প্রয়াস এই বৈশাখী মেলাটি একটি বৃহৎ আকার ধারণ করে উৎসব আকারে পরিণত হতে সক্ষম হয়েছে ৷৷

alt
সবার জন্য উন্মুক্ত এ মেলায় আটলান্টার বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন করতে দেখা যায়।দূর দূরান্ত থেকে প্রবাসীরা ছুটে আসেন এই একটি দিনের আনন্দে শরীক হতে ৷ বিভিন্ন শহর থেকে গাড়ি ভর্তি হয়ে লোকজন এসেছিল ।

alt

কেউ কেউ পরিবার নিয়ে এসেছেন শুধু মাত্র মেলা উপভোগ করার জন্য।মিলন মেলা খ্যাত এই ফেস্টিভ্যাল কে ঘিরে বাংলাদেশ কমিউনিটিতে অন্য রকম বর্ষবরন উৎসবের আমেজ ছিল।এ উৎসবটি উৎযাপন করার জন্য বিপুল সংখ্যক বাঙ্গালী মুখিয়ে ছিল।

alt

 শিশুদের রঙিন সাজ, ছোট ছোট শিশুরা বৈশাখী শাড়ী, মাথায় টিকলী পড়ে হাজির হয় বৈশাখী উৎসবে। আর মেতে ওঠে বৈশাখী আনন্দে।

alt

রঙ্গিন শাড়ী হাতভর্তি চুড়ি, কপালে টিপ, শাড়ি পরিহিতা বাঙালি ললনারা,

alt

পাঞ্জাবি কিংবা ফতুয়া পরা পুরুষ, শিশু-কিশোর, ছেলেরা পায়জামা পাঞ্জাবি পরে আনন্দে মেতেছিলেন দিনমান। এত মানুষ, এত কোলাহল  আর অন্য কোনো সময় একসঙ্গে দেখা যায় না এই প্রবাসে।

alt
এই মেলাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে মেলা কামিটির সবাই প্রাণান্ত পরিশ্রম করেন তাদের মধ্যে - নেহাল মাহমুদ , মোহন জাব্বার , উত্তম দে , জামিল ইমরান,শেখ জামাল,আবু নাসের মিলন , মিনহাজুল ইসলাম বাদল , নুরুল তালুকদার ( নাহিদ ), আবুল হাসেম, ইলিয়াস হাসান, কাইদুজামান,সুহেল হাসান, ভাস্কর চন্দ্র, হাসান খান , আবুল হাসান সহ আরও অনেকে ।

alt

মেলা উপলক্ষ্যে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে আসেন দেশবরেন্য বাক্তি বর্গ লেখক-সাংবাদিক ও সম্পাদকগন ৷

alt

অনুষ্ঠানটিতে পরিচিত মুখের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে -  এদের মধ্যে মুজিব সেনা নিউজের সম্পাদক মণ্ডলির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী হোসেন , ডাঃ রশিদ মালেক , জর্জিয়া বি এন পির সভাপতি নাহিদুল খান শাহেল, DNC মেম্বার শেখ রহমান , গিয়াস উদ্দিন ভুইয়া , দিদারুল আলম গাজী , সলিমুল্লাহ সলি , লিয়াকত হোসেন আবু , মাইনুজাম্মান ঝনটু , নাহিদুল খান শাহেল , ডিউক হাসান , আজাদুর রহমান , মিয়াঁ পিকুল , শুকুর মিন্টু , হান্নান চৌধুরী, ডাঃ আওয়াল – ডি - খান , জেসমিন খান মিলি,  মাইদুর রহমান পারভেজ , জামিল ইমরান , আরিফ আহামেদ , জসিমুদ্দিন, আঃ হক,কামাল আহামেদ , মোঃ আলি সজল, পারভেজ আহামেদ , ডাঃ  শ্যামল আহামেদ , মারুফ ভুইয়া , নবায়েত মজলিশ সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

alt
দুপুর থেকে শুরু হওয়া  মেলায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ থেকে আগতদেশবরেণ্য কন্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ।বরাবরের মত এবারও তিনি প্রবাসীদেরকে মাতিয়ে রাখেন জনপ্রীয় সঙ্গীত দিয়ে।

alt

এ সময় দর্শক শ্রোতারা মুমুহূর্ত করতালি দিয়ে শিল্পীকে অভিনন্দন জানান। পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল উৎসবমুখর। এ ছাড়াও স্থানীয় শিল্পী, সাহিত্যিকদের কবিতা আবৃতি, নাচ , গান , কৌতুক সহ নানাবিধ আয়োজন ছিল ।

alt
ঐতিহ্যবাহী এই “বৈশাখী মেলা” প্রাঙ্গণে চারিদিক ঘিরে ছিল বাঙালী খাবার ও দেশীয় পোশাকের নানাবিধ স্টল।

alt

খাবারের স্টলগুলিতে ছিল নানা ধরনের মুখরোচক দেশীয় খাবার , হালিম, ঝালমুড়ি, চানাচুর, পেয়াজু, কাবাব, চা, পান সহ নানান ধরনের দেশীয় খাবার এ স্টলগুলোতে স্থান পায়।

alt

হরেকরকম বাঙালি খাবারের পসরা-যেন এক টুকরো বাংলাদেশ!  সবাই মিলে উৎসবে  খাওয়ার আনন্দ অনেকদিন পর প্রবাসে বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির কথা উপস্থিত সবাইকে মনে করিয়ে দেয়।

alt

শাড়ি-চুড়ি মনোহরি দ্রব্যের ষ্টল,আর তৈরি পোশাকের স্টল গুলিতে ছিল সালোয়ার কামিজ, জামদানি ও অন্যান্য তাঁতের শাড়ির বিপুল সমাহার।

alt

বৈশাখী মেলা মানে বন্ধুদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ, দেশী খাবারের স্বাদ গ্রহন, বছর ধরে জমে থাকা ক্লান্তি অবসানের সমাপ্তি  আর তাইত রাত হয়ে আসে তবু যেন বাড়ি  ফেরার  কোন তাড়া ছিলনা কারো মাঝে।

alt

মেলা ভাঙ্গা থেকে বাংলাদেশকে বুকে নিয়ে বহুদিন পর দেখা কোন প্রিয়জনের কাছ থেকে বিদায় নেন বুকে সুখ স্মৃতি নিয়ে।


২৩ শে এপ্রিল রবিবার নারায়নগনজ কালচারাল & এডুকেশন অফ নর্থ আমেরিকা ইনক এর কার্যকরী কমিটির সভা

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : আসছে ২৩ শে এপ্রিল রবিবার  নারায়নগনজ কালচারাল & এডুকেশন অফ নর্থ আমেরিকা ইনক  (Registration # 9890999) এর কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে !

স্হান : Red Hot Tandoori
3030 Danforth ave
Toronto
Time : 6:30 pm
যোগাযোগ
আনিস রহমান 647-892-2836
আশরাফুজজামান বাবুল
ফরহাদ  416-220-6468
এ. এইচ মামুন  226-792-3089
মিজানুল খান দিপু 647-210-8897


আমেরিকার মাস্টারশেফ জুনিয়রে বাংলাদেশের আফনান

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : মেয়ে হলে ডাক্তার আর ছেলে হলে ইঞ্জিনিয়ার। এই স্বপ্নে দুনিয়ার সব পিতা-মাতা যখন বিভোর। তখন বাবা-মা’র একমাত্র সন্তান আফনান আহমেদ জুনিয়র শেফ হয়ে আমেরিকার মাস্টারশেফ জুনিয়র ইউএস-এর পঞ্চম আসর মাতিয়েছে।১২ বছর বয়সী এই ছেলে এখন সেরা ১০ মাস্টারশেফ জুনিয়র-এর মধ্যে একজন। প্রতিদিন বড় বড় বিভিন্ন রান্নার অনুষ্ঠান আর টক শো-তে অংশ নিচ্ছে সে। চট্টগ্রামের নাসিরাবাদের ছেলে আফনান মা-বাবার সাথে থাকে ইউএস-এর জর্জিয়ার আটলান্টায়। শখের বসে মা শামীমার কাছে থেকেই রান্নার হাতেখড়ি। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানের পঞ্চম আসর প্রতি বৃহস্পতিবার ফক্স নেটওয়ার্কে প্রচারিত হচ্ছে। বাংলাদেশের দর্শকরা প্রতি রোববার রাত সাড়ে ৯টায় স্টার ওয়ার্ল্ড-এ দেখতে পাবেন অনুষ্ঠানটি।

Picture

আফনান তার পরিবারের সাথে মাঝে মাঝে নিজের দেশ বাংলাদেশে ঘুরতে আসে। বাংলাদেশের একটি স্কুলে আফনান বেশকিছু দিন পড়াশোনাও করেছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি ধনুর্বিদ্যা, বিজ্ঞান এবং শিল্প তার শখ। টিভিতে জুনিয়র মাস্টার শেফ দেখার পাশাপাশি এবিসিস কমেডি শো, দি মিডল ফেমিলি, কোড ব্ল্যাক ইত্যাদি তার প্রিয় অনুষ্ঠান। আমেরিকা সম্পর্কে ছোট্ট আফনান বলে, “আমেরিকা তুমি এখন পর্যন্ত আমার কাছে কিছুই দেখনি। এই মৌসুম খুবই সুন্দর একটা সময়”।

বাঙালি হিসেবে আমাদের সকলের চাওয়া আফনান যেন শেষ পর্যন্ত মাস্টারশেফ জুনিয়র ইউএস-এর পঞ্চম আসরে সেরা মুকুটটা জিতে নিতে পারে। হাজার মাইল দূর থেকে আফনানের জন্য এই শুভ কামনা।


যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিবাদমান গ্রুপের দু’দফা সংঘর্ষ এবং পুলিশের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিবাদমান গ্রুপের দু’দফা সংঘর্ষ এবং নিউইয়র্ক পুলিশের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথমে দ’ুপক্ষের সংঘর্ষ এবং নিউইয়র্ক পুলিশের নির্দেশে আলোচনা সভাটি পন্ড হয়ে যায়।

Picture

স্থানীয় সময় গতকাল ১৭ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় সিটির বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসে নিউ মেজবান পার্টি হলে আওয়ামী লীগের উত্তেজিত বিবদমান গ্রুগুলো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আলোচনা সভাস্থল মেজবান পার্টি হল থেকে নেতা-কর্মীদের একে একে বের করে দেয়। টান টান উত্তেজনার মধ্যে ঘন্টাখানেক পর পূর্বনির্ধারিত মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা আবার শুরু হলেও যুবলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে আবার সংঘর্ষ বাধে। প্রায় আধা ঘন্টা অচলাবস্থার পর পুনরায় সভার কাজ শুরু হয়।
alt
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় নিউ মেজবান পার্টি হলে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে সভা শুরু হলে ইমাম কাজী কাইয়্যূম পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুসহ মুুজিবনগর সরকারের নের্তৃবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। এরপর সবিতা দাস পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার। এরমধ্যেই ড. সিদ্দিকুর রহমান কর্তৃক বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ তাঁর সমর্থকদের নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে ঢোকেন। তিনি দর্শক সাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের কাছে জানতে চান, কেন তাকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।

alt

ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আপনাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাকে বহিস্কারের কোন কাগজ পত্র আছে কিনা প্রশ্ন করেন সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। এভাবে বাদানবাদের এক পর্যায়ে সভা পরিচালনা করার জন্য এগিয়ে যান সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। এসময় দু’গ্রুপ তুমুল ধাক্কা-ধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। শুরু হয় চেয়ার ছোড়াছুড়ি। খুলে ফেলা হয় অনুষ্ঠানের ব্যানার। মুহূর্তে সবকিছু লন্ডভন্ড হয়ে যায়। অবস্থা বেগতিক দেখে সিদ্দিকুর রহমান দ্রুত সভাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। এ সময় সভাস্থল চলে যায় সাজ্জাদুর রহমান গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে এবং চলতে থাকে হট্টগোল। পরিস্থিতি বেকায়দা দেখেপুলিশকে ফোন করা হয়। চারদিকে থেকে সাইরেন বাজিয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় পুরো এলাকায় এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মেজবান পার্টি হলের আশপাশের সড়ক মুহূর্তের মধ্যে খালি হয়ে যায়। পুলিশ উপস্থিতিতে হলে ফিরে ড. সিদ্দিকুর রহমান দলের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী ও আইন সম্পাদক শাহ বখতিয়ারকে দেখিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ সময় অন্য পক্ষ থেকে পুলিশকে পাল্টা বক্তব্য প্রদান করলে পুলিশ সবাইকে ঘটনাস্থল ত্যাগের নির্দেশ দেয়।
alt
ঘন্টাখানেক পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়ে এলে আবার ব্যানার টানিয়ে ড. সিদ্দিকুর রহমান পূর্বনির্ধারিত মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা শুরু করেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের পরিচালনায় এ সময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন, সহ-সভাপতি আকতার হোসেন, সৈয়দ বসারত আলী, মাহবুবুর রহমান, লুৎফুল করিম ও শামসুদ্দিন আজাদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আইরিন পারভিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান ও আব্দুল হাসিব মামুন, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, সেক্রেটারি ইমদাদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কৃষি সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, শিল্প সম্পাদক ফরিদ আলম, বাণিজ্য সম্পাদক সিমবাহ আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক বাহার খন্দকার সবুজ, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মমতাজ শাহনাজ, আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য শাহানারা রহমান, ডেনী চৌধুরী, খোরশেদ খন্দকারসহ সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

এ সময় সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান সজীব ওয়াজেদ জয়ের টেক্সট মেসেজ পাঠ করে সকলকে শোনান। তিনি জানান, টেক্সট মেসেজে স্পষ্টভাবে সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাজ্জাদকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাসপেনশনের কথা রয়েছে।এরপরই সমাবেশের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান এমপি এবং বিশেষ অতিথি জাতীয় সংসদের হুইপ এডভোকেট আবু জাহির এমপি মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। বক্তব্য দেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতারা। নিজাম চৌধুরী বলেন, যারা মুজিবনগর দিবসের সভা বানচালের ষড়যন্ত্র করেছে, তারা কখনোই আওয়ামী লীগের লোক হতে পারে না। তারা খুনী মোশতাকের দোসর, জামাত-শিবিরের এজেন্ট।
alt
এদিকে সভায় ড. সিদ্দিকুর রহমান একপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহ্বায়ক হিসেবে তারিকুল হায়দার চৌধুরীকে পরিচয় করিয়ে দিলে এরপর প্রতিবাদ জানান যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সেবুল মিয়া ও ইফজাল আহমেদ চৌধুরী প্রতিবাদ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তারিকুল যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক। তাদের এই বাদ-প্রতিবাদে যুক্ত হন তরিকুল হায়দার চৌধুরীসহ যুবলীগের বিবাধমান দু’গ্রুপের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। উভয় গ্রুপের নেতা-কর্মীরা চরম মারমুখী হয়ে হাতাহাতিতে লিপ্ত হলে বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বেশ কিছুক্ষণ চলে সংঘর্ষ। alt

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আব্দুল মান্নান এমপি ও সভাপতি ড. সিদ্দিক সহ শীর্ষ নেতারা বারবার তাদের থামতে বললেও তারা তাতে কর্ণপাত করেনি। এক পর্যায়ে ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যুবলীগকে পরিচয় দিতে গিয়ে তারই ভুল হয়েছে উল্লেখ করে সকলকে আসন গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। অন্যথায় আবারও পুলিশ ডেকে সংশ্লিষ্টদের সভাস্থল থেকে বের করে দেয়া হবে। প্রায় আধা ঘন্টা অচলাবস্থার পর পরিস্থিতি শান্ত হলে পুনরায় সভার কাজ শুরু হয়।

alt
এর পর প্রধান অতিথি আব্দুল মান্নান এমপি বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় আব্দুল মান্নান এমপি বলেন, যারা কোন্দল, গ্রুপিংয়ের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে চায়, তাদের দলে থাকার অধিকার নেই। তাদের বিরুদ্ধে দল অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির বিক্ষুব্ধ বেশ ক’জন কর্মকর্তা ঘটনার পর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের অনুষ্ঠানের শুরুতেই মঞ্চ দখল করে বক্তৃতা শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সিনিয়র সম্পাদকবৃন্দ দাড়িয়ে প্রশ্ন করতে চাইলে সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান কর্তৃক অসাংগঠনিক ও স্বৈরাচারী কায়দায় হুমকী ধামকী ও নেতা-কর্মীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করার এক পর্যায়ে তার ভাড়াটে কতিপয় বহিরাগতদের দিয়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিত আক্রমন করে। সিদ্দিকুর রহমান পুলিশ ডেকে সকলকে বের করে দেয় এবং নিজে অনুষ্ঠান স্থল ত্যাগ করেন।
alt
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করার পর থেকে সিদ্দিকুর রহমান বছরের সিংহভাগ সময় বাংলাদেশে অবস্থান করে ব্যবসা-বানিজ্য, তদবির লবিং ও নিজাম চৌধুরীর সাথে ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্ব যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে একটি ভঙ্গ ও অকার্যকর সংগঠনে পরিনত করার ফল আজকের এই বিশৃঙ্খলা। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়, ড. সিদ্দিকুর রহমান প্রটোকল ভেঙ্গে জাতীয় সংসদের হুইপ মোঃ সাহাবউদ্দিন এমপিকে প্রধান অতিথি না করে সিদ্দিকুর রহমানের ভায়রা মোঃ আবদুল মান্নান এমপিকে প্রধান অতিথি করে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিজাম-সিদ্দিকের ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্ব ও স্বার্থ হাসিলের প্রতিযোগীতায় কথায় কথায় নেতা-কর্মীদেরকে বহিঃস্কার, পদন্নোতি, পদায়ন ও ভারপ্রাপ্ত দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ ও দেশ-বিদেশে হাস্যকর করে তুলেছে। শুধু তাই নয় এই নিজাম চৌধুরী ২০১৫ সালের ৬ই ডিসেম্বরের কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিং করার জন্য বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক নেতাকে ইন্ধন দিয়েচিলেন দলকে দুই খন্ড করার জন্য। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতা-কর্মীরা তা প্রতিহত করে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখে। আজ সেই নিজাম চৌধুরীর প্ররোচনায় দলকে আগের সেই বিশৃঙ্খলায় নিয়ে যাচ্ছে। আজকের (১৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠানের বিশৃঙ্খলা ও দলের অভ্যন্তরে গ্রুপিং ও কোন্দলের জন্যে সিদ্দিকুর রহমানকে নেতা-কর্মীদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক কালে সিদ্দিকুর রহমান হাইকমান্ড ও কেন্দের উদ্বৃতি দিয়ে একের পর এক দলের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ করে ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করার উদ্দেশ্যে ৭ বছর মেয়াদোত্ত্বীর্ণ কমিটির সম্মেলন দিতে অস্বীকার করে যাচ্ছেন ও কেন্দ্রের অনুমোদন বহিঃস্কার করে চলেছেন।

alt
অনুষ্ঠান শেষে সিদ্দিকুর রহমান মিথ্যাচার করে দুইজন সম্পাদককে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেন, পুলিশ তা আমলে না নিয়ে সকলকে স্থান ত্যাগ করতে বলে। এঘটনায় নেতা-কর্মীরা সিদ্দিকুর রহমানের উপর প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হন এবং তার যথাযথ জবাব দেয়া হবে বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।
ভবিষ্যতে দলের এই বিভক্তির জন্য সিদ্দিকুর রহমান ও নিজাম চৌধুরীকে দায়-দায়িত্ব নিতে হবে এবং সকল বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নের্তৃবৃন্দকে অচিরেই জানানো হবে বলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নি¤œ স্বাক্ষরকারী নের্তৃবৃন্দ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন। স্বাক্ষরকারী নের্তৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন : আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শাহ মোঃ বখতিয়ার আলী, দপ্তর সম্পাদক প্রকৌঃ মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশাহ ও চন্দন দত্ত, প্রচার সম্পাদক দুলাল মিয়া (হাজী এনাম), জনসংযোগ সম্পাদক কাজী কয়েস, কার্য নির্বাহী সদস্য হিন্দাল কাদির বাপ্পা, শরীফ কামরুল আলম হীরা, হোসেন সোহেল রানা, রুহেল চৌধুরী, কাজী আজিজুল হক খোকন, জুয়েল আহমদ, ইলিয়ার রহমান, মোঃ লিটু গাজী ও মোঃ কায়কোবাদ এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা আব্দুর রহিম।alt
অপরদিকে, ড. সিদ্দিকুর রহমান কর্তৃক বহিষ্কৃত যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ ঘটনার পর এক বিবৃতিতে বলেন, ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উদযাপনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আহুত উম্মুক্ত আলোচনা সভায় অংশগ্রহনের জন্য আমি সেখানে উপস্থিত হই। আমি অনেক দিন পরে আমার প্রাণপ্রিয় সংগঠনের একটি সভায় উপস্থিত হয়েছি দেখে উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মীবৃন্দের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনার ফলশ্রুতিতে আমাকে সহ আরও সাতজনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বহিস্কারাদেশ দিয়েছেন বলে ড. সিদ্দিকুর রহমান প্রচার করেন। আমি আশ্চর্যন্বিত হলেও এটিকে নেত্রীর সিদ্ধান্ত বলে মাথা পেতে নেই এবং নিরবে অবস্থা পর্যবেক্ষন করতে থাকি। কিন্তু সম্প্রতি ড. সিদ্দিকুর রহমান আরেকটি কুটচাল দিয়ে আমি ছাড়া অপর ৭ জনের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছেন বলে প্রচারনা চালান। আমি এতে বিস্মিত হই এবং বিভিন্ন স্থানে খবর নিয়ে জানতে পারি যে, আমাদেরকে বস্কিারাদেশের যে বিজ্ঞপ্তির কথা বলেছিলেন এবং সে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের কথা বলছেন, সেটা আসলে ভূয়া। বিষয়টি সম্পর্কে আমার সন্দেহ হলে আমার দলীয় সহকর্মী ড. সিদ্দিকুর রহমানকে তার সত্যতা জানানোর জন্য কাগজ পত্র আছে কিনা প্রশ্ন করি। কিন্তু তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হলে উপস্থিত নেতা কর্মীরা আমাকে সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সভা পরিচালনা করার জন্য বলেন। তখন ড. সিদ্দিকুর রহমানের নির্দেশে কিছু ভাড়াটে লোক জন আমাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু উপস্থিত নেতা-কর্মীদের বাধার কারণে নিমেষেই তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং সিদ্দিকুর রহমানসহ তার সাথীরা পালিয়ে যান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসাবে আমি অনুষ্ঠান পরিচালনা করি। পরে ড. সিদ্দিকুর রহমান পুলিশ কল করে সভা বন্ধ করে দেন। আমি তখন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সভার কাজ মুলতবি ঘোষণা করি।
সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আছি। বিগত পনের বছর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছি। এক সময় যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী ও সিদ্দিকুর রহমানের ব্যবসায়িক বিরোধ প্রকট আকার ধারন করে। যার ফলশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ দ্বিধা বিভক্ত হয়ে যায়। সঙ্গত কারণেই আমাকে একটি অংশের নেতা হিসাবে চিহ্নিত করে। সাংগঠনিকভাবে আমাকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে জানানো হয়। সংগঠনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি কিছু দিনের জন্য সাংগঠনিক কর্মকান্ড থেকে নিজেকে বিরত রাখি।
সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ তার বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করেন, ড. সিদ্দিকুর রহমান গত মাসে একটি কার্যকরি কমিটির মিটিংয়ে আমাকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদককের কাজ করার জন্য নিশ্চিত করেন, সেই জন্যই ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের সভায় আমি উপস্থিত হই। কিন্তু তিনি সেটা না করে আমার উপস্থিতিতে দুই নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদকে দিয়ে সভা পরিচালনা করার চেষ্টা করেন। তখনই নেতা কর্মীরা সিদ্দিুকর রহমানের এই অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের বিরোধীতা করেন এবং নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে সভাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।


নিউইয়র্কে এক্সিট ফুটবল লীগ ও টুর্নামেন্টের উদ্বোধন : ব্রঙ্কস ইউনাইটেড ও নিউজার্সীর শুভ সূচনা

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকা’র আয়োজনে প্রতি বছরের মতো এবারও ফুটবল লীগ ও টুর্নামেন্ট-২০১৭ মাঠে গড়ালো। এবারের লীগ ও টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড স্পন্সর হচ্ছে ‘এক্সিট কার এন্ড লিমোজিন সার্ভিসেস’। লীগে ৯টি দল অংশ নিচ্ছে। লীগের খেলা শেষে শীর্ষ চার দলের (সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী) সমন্বয়ে টুর্নামেন্টের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। কুইন্স বরোর নিউটাউন অ্যাথলেটিক মাঠে গত ১৬ এপ্রিল রোববার অপরাহ্নে লীগ ও টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন। স্পোর্টস কাউন্সিলের সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, সাবেক এমপি ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম এবং গ্র্যান্ড স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট শমশের আলী। এছাড়াও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ চৌধুরী। এই পর্ব পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসিত খান বুলবুল। খবর ইউএনএ’র।

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ স্পোর্টস কাউন্সিলের এমন উদ্যোগ ও আয়োজনের ভূয়ষী প্রশংসা করেন এবং সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে লীগ ও টুর্নামেন্টের খেলা সম্পন্ন করতে সবাইকে খেলোয়ারী মনোভাব নিয়ে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান। মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশী কমিউনিটির তরুণদের রাজপথ থেকে মাঠে ব্যস্ত রাখতেই স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিবছর লীগ ও টুর্নামেন্টের আয়োজন। মহিউদ্দিন দেওয়ান বলেন, বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার সম্প্রতি নিউইয়র্ক সফরকালীন সময়ে তার সাথে মতবিনিময়কালে লীগ ও টুর্নামেন্ট ছাড়াও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আমাদের সমস্যার কথা শুনেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেয়ার পাশাপাশি এবারের লীগ ও টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় অতিথি হিসেবে যোগ দেয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।এরপর প্রধান অতিথি মাসুদ বিন মোমেন রং বে রং-এর এক গুচ্ছ বেলুল উড়িয়ে এবং ফুটবলে শট মেরে লীগের আনুষ্ঠানিতক উদ্বোধন করেন।

Picture

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ’র সভাপতি মাসুদুল হক সানু ও সাবেক সভাপতি বুরহান উদ্দিন কফিল, স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও উপদেষ্টা আব্দুর রহীম বাদশা, উপদেষ্টা যথাক্রমে ছদরুন নূর, আতাউর রহমান সেলিম, জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী, সহ সভাপতি আব্দুল হাসিম হাসনু ও মিসবা আবদীন, যুগ্ম সম্পাদক জুয়েল আহমদ, কোষাধ্যক্ষ ওয়াহিদ কাজী এলিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি কার্যকরী পরিষদ সদস্য জহির উদ্দিন জুয়েল, সৈয়দ এনায়েত আলী, তোফায়েল ইসলাম, আবু তাহের আছাদ, মফিজুল ইসলাম রুমি, মোহাম্মদ সাদী মিন্টু, জে মোল্লা সানি, আব্দুল কাদির লিপু, রফিকুল ইসলাম ডালিম ও ইয়াকুত, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সাবেক সভাপতি বিলাল চৌধুরী এবং বিভিন্ন দলের খেলোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে নিউইয়র্কে লীগের পাশাপাশি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারের লীগে ৯টি দল অংশ নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দলগুলো হলো: জ্যাকসন হাইটস স্পোর্টিং ক্লাব, ব্রঙ্কস ইউনাইটেড, আইসাব, নিউজার্সী ইউনাইটেড, সোনার বাংলা, ওজনপার্ক এফসি, ব্রঙ্কস স্টার, ওয়ারিয়ার ও ব্রাদার্স অ্যালায়েন্স।

খেলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী: উদ্বোধনী দিনে তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। দিনের প্রথম খেলায় বিগত সাতবারের লীগ চ্যাম্পিয়ন ব্রঙ্কস ইউনাইটেড ২-০ গোলে বাংলাদেশ ব্রাদার্স অ্যালায়েন্সকে পরাজিত করে লীগে শুভ সূচনা করে এবং পূর্ণ পয়েন্ট অর্জন করে। খেলার প্রথমার্ধে একটি এবং দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল হয়। বিজয়ী দলের পক্ষে প্রথমার্ধের ১৭ মিনিটের সময় দলের স্টাইকার কফিল গোল করেন (১-০)। খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ৪৮ মিনিটের সময় দলের পক্ষে সিদ্দিক দ্বিতীয় গোল করেন (২-০)। খেলায় আক্রমন, পাল্টা আক্রমন থাকলেও ছিলো কোন উত্তেজনা। খেলার মাঝপথে বৃষ্টি হওয়ায় মাঠে উপস্থিত দর্শকদের খানিকটা দূর্ভোগ পোহাতে হয়।

ব্রঙ্কস স্টার ও জ্যাকসন হাইটস ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত দিনের দ্বিতীয় খেলা ১-১ গোলে ড্র হয়। এই খেলার প্রথমার্ধ ছিলো গোল শূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের ৩১ মিনিটের সময় জ্যাকসন হাইটস ক্লাবের সোহেল প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। এরপর খেলা শুরু হতে না হতেই সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমন থেকে গোল করেন ব্রঙ্কসের রাফি (১-১)। শেষ পর্যন্ত খেলাটি ড্র থাকে এবং উভয় দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি হয়। এছাড়া দিনের তৃতীয় খেলায় নিউজার্সী ইউনাইটেড ৩-১ গোলে ব্রঙ্কস ওয়ারিয়রকে পরাজিত করে পূর্ণ পয়েন্ট অর্জন করে। খেলায় নিউজার্সীর পক্ষে শোয়েব দু’টি এবং হাফিজ একটি গোল করেন।


জর্জিয়ায় জেসমিন খান মিলির উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উৎযাপিত

বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : জর্জিয়া থেকে : দেশ থেকে বহু দূরে থাকলেও নাড়ির টান কখনো ভুলে যাওয়ার নয়। দূর প্রবাসে থেকেও ভুলে যায়নি বাঙ্গালি সভ্যতা,সংস্কৃতি,যেন মিশে আছে তাদের আষ্টে পিষ্টে,গৌরবের ঐতিহ্যর স্বমহিমায়।

Picture

তাইতো দেশ থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে থেকেও নিজ সংস্কৃতিকে চিত্তে ধারণ করে বাংলার ঐতিহাসিক পহেলা বৈশাখে বাংলা নববর্ষ উৎসবের রং ছড়িয়ে পড়ে জর্জিয়াতেও। তাইতো আনন্দে-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠে জর্জিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

alt

ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সব বয়সের মানুষ একযোগে গাইলেন, জর্জিয়ায়ও রব উঠেছে এসো হে বৈশাখ এসো এসো..সব গ্লানি মুছে নবোদ্যমে শুরু হোকে পথচলা। বাঁধভাঙা প্রাণের উচ্ছ্বাসে বাংলা নতুন বছর ১৪২৪ বরণ করে নিলেন জর্জিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

alt

যান্ত্রিক নাগরিক কোলাহল পেরিয়ে সময়ের একটু ফাঁকে,বহুদিনের লালিত স্বপ্ন, বহু আকাঙ্খার প্রত্যাশিত প্রতিফলনে, জেসমিন খান মিলির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলা নববর্ষ, পয়লা বৈশাখ। বিপুল উৎসাহ,উদ্দিপনার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় এই মিলন মেলা। বিপুলসংখ্যক জর্জিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশি সপরিবারে অংশ গ্রহণ করেন বাংলা নববর্ষের এই জমকালো অনুষ্ঠানে।

alt

জেসমিন খান মিলি , হাইমান্তি বরুয়া, নার্গিস সুলতানা, রেশমা জাকির, রাশিদা বেগম, তামিনা শারমিন, সিমা সমাদ্দেন, বাবুল মিস্ত্রী , মিজান রাহমান, মাসুদ এইচ খান,  নাজরুল খান,খন্দকার এ হক , শাহিদুল আলম, শামিনা শাহিদা, শওকাত জাহান সহ আর অনেকে বাংলা নববর্ষের এই জমকালো অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ,অনুষ্ঠানের আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ ।

alt

সকাল থেকে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অথিতিদের আগমন এবং নানান রঙে,নানান সাঁজে দেশীয় ঐতিয্য পোশাকের প্রাধান্য ছিল চোখে পরার মত।

alt

এমনকি ছোট ছোট কোমল মোদী ছেলে মেয়েদেরকে তাদের দেশীয় সংস্কৃতি থেকে ভুলে যেতে দেয়নি তাদের অভিভাবকরা। দেশীয় পোশাক এবং তাদের কণ্ঠের কবিতায় তার প্রমান মেলে তারা কতটুকু বাংলার ঐতিয্যকে ধারন করে আছে তাদের প্রাণে ।

 alt

এসব অনুষ্ঠানের ছিল হরেক রকমের ভাজি-ভর্তাসহ পান্তা-ইলিশ খাওয়ার উৎসব।রং-বেরংয়ের বাহারি পোশাকে তাদের সদর্প পদচারনায় থিক থিক ভিড়ে অনুষ্ঠানস্থল হয়ে উঠেছিল ক্ষণিকের জন্য একখণ্ড মিনি বাংলাদেশ।

alt

ব্যাপক আনন্দ আর সুখ স্মৃতি নিয়ে জর্জিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজ নিজ ঘরে ফিরে যায় উদ্যোক্তাদের কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদ দিয়ে।