Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

আটলান্টা সঙ্গীত বিদ্যালয়ের রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন

সোমবার, ২২ মে ২০১৭

বাপ্ নিউজ : জর্জিয়া থেকে : জর্জিয়া  অঙ্গরাজ্যের আটলান্টা শহরে গত ১৪ মে,রবিবার সন্ধ্যায়   আটলান্টা সংগীত বিদ্যালয় ১৫৬তম  রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন করে।

Picture

আটলান্টা শহরের   মন্টে কার্লো বলরুমে  ‘ঋতু’ শিরোনামের এই অনুষ্ঠানে আটলান্টা সংগীত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থিরাসহ শিল্পী ও আবৃত্তিকাররা রবীন্দ্রনাথের গান, আবৃত্তি, নৃত্য ও  ঋতু বৈচিত্র্যের আলেখ্যতে অংশগ্রহন করেন।

alt

আটলান্টা সংগীত বিদ্যালয়ের পরিচালক  রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী চন্দ্রশেখর দত্তের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।এরপর  অনুষ্ঠানে  শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন  সাংবাদিক, লেখক  রুমী কবির ও উচ্চাঙ্গ সংগীত শিল্পী দীপাংক দত্ত। 

alt

 রবীন্দ্র জয়ন্তী   অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন অশোক সরকার, রোকসানা হক, তাহমিদ রহমান, কাজরী মিত্র, সুভদ্র গুপ্ত, দেবারতি দত্ত, অনিন্দ আহসান, দেবাদৃতা গোস্বামী, মাধুরিয়া রুদ্র, ফারাহ মোয়াজ্জেম চৌধুরী ও চন্দ্রশেখর দত্ত।

alt

এছাড়া সমগ্র  অনুষ্ঠানে যন্ত্র সংগীতে যারা সহযোগীতা করেন তারা হলেন বেহালায় অমিতাভ সেন, গিটারে সুরঞ্জিত বন্দ্যোপাধ্যায়, সেতারে এ, এইচ আকমল এবং তবলায় অরূপ ধর ও সুমন রুদ্র অনুষ্ঠানে শিশু- কিশোরদের অংশগ্রহণে সঙ্গীত পরিবেশন করে সুস্মিতা ধর, গোপিকা দাশ, অনন্যা দাশ, মাধুরিয়া রুদ্র প্রমুখ।

alt

অনুষ্ঠানের গ্রন্থনা ও ধারা বর্ণনায় ছিলেন চৈতালি দে ও অশোক কর্মকার।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফারাহ মোয়াজ্জেম চৌধুরী।অনুষ্ঠানের মঞ্চসজ্জায় ছিলেন সত্যব্রত কর, শব্দ নিয়ন্ত্রণে আজিজুল হক ও ভিডিও রেকর্ডিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন লাবনী হক লাবন্য।

alt

এছাড়া অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন দমরন্তী রুদ্র, ডোনা পাল ও অনন্যা দাশ এবং কবিতা আবৃত্তি করেন স্বপন মণ্ডল।রবীন্দ্র প্রেমী  আজিজুল হক, মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া ও মারুফ ভূঁইয়া অনুষ্ঠানের সার্বিক দেখভাল করেন।বিপুল সংখ্যক রবীন্দ্র প্রেমী মনোজ্ঞ  এই অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।


ভারতীয় লেখকের সরল স্বীকারোক্তি = কলকাতা থেকে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বিলুপ্ত হচ্ছে

সোমবার, ২২ মে ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক : পশ্চিমবঙ্গের লেখক ও মানবাধিকার কর্মী ড. পার্থ ব্যানার্জির অকপট স্বীকারোক্তি, বাংলাদেশ যতদিন বিশ্বে সরব থাকবে ততদিনই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বহাল থাকবে। কলকাতা কিংবা সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে বাংলা রক্ষায় আন্তরিকতা তেমন একটি নেই। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডটি হারিয়ে গেলে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির অস্তিত্ব আর থাকবে না। পশ্চিমবঙ্গে আমরা যারা রয়েছি, তারা ক্রমান্বয়ে কর্পোরেট কালচারে ধাবিত হচ্ছি। শেকড়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হচ্ছে দ্রুতগতিতে।

১৮ মে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে জড়ো হওয়া বেশ ক'জন বাংলাদেশি কবি, সাহিত্যিক, লেখক, প্রকাশক এবং সাংবাদিকের সাথে আড্ডায় মাতেন প্রবাসের লেখক-লেখিকারা। সেখানেই কলকাতার সন্তান ড. পার্থ ব্যানার্জি এসব কথা বলেন।  

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছেন ড. পার্থ ব্যানার্জি। 'ঘটিকাহিনী'সহ বেশ ক'টি গ্রন্থ রয়েছে তার। নিউইয়র্ক টাইমসসহ বিখ্যাত পত্রিকায় তার সমসাময়িক লেখাও প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমান নিউইয়র্কে  শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে সজাগ করতে একটি শ্রমিক ইউনিয়ন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন।  

আড্ডায় ঢাকার ক্ষুব্ধ কবি-সাহিত্যিকরাও অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলা হারিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশের খ্যাতনামা কবি-সাহিত্যিক-লেখকদের নাম আনন্দবাজার, দেশসহ বিভিন্ন পত্রিকায় বিকৃতি করে প্রকাশ করা হচ্ছে। কবি শামসুর রাহমানের নাম কখনই শুদ্ধ করে লিখেনি এসব মিডিয়া।

Picture

ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন বলেন, কলকাতায় বাংলা সাহিত্য চর্চা বিশুদ্ধভাবে করার মতো সাহিত্যিক তৈরি হচ্ছে না। ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে কলকাতায় সাহিত্য ও বাংলা সংস্কৃতি চর্চা। অথচ এক সময় অনেকেই কলকাতাকে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির রাজধানী হিসেবেও দাবি করতেন। যদিও কখনই তা সঠিক ছিল না।

নিউইয়র্কে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বাংলা উৎসব ও বইমেলা উপলক্ষে আগত লেখক-লেখিকারা জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে এ আড্ডায় মেতেছিলেন।  

বাংলা উৎসবের আহবায়ক ফেরদৌস সাজেদীন এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা ও নাট্যকার জামাল উদ্দিন হোসেনও ছিলেন এ আড্ডায়। ঢাকার কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে ছিলেন আমিরুল ইসলাম, আহমাদ মাযহার, সাইমন জাকারিয়া, হুমায়ূন কবীর ঢালী, জার্মানীর লেখিকা নাজমুন্নেসা পিয়ারি, জসীম মল্লিক। এছাড়াও ছিলেন অঙ্কুর প্রকাশনীর মেজবাউদ্দিন আহমেদ, প্রথমা প্রকাশনের জাফর আহমেদ রাশেদ, ইত্যাদির জহিরুল আবেদীন জুয়েল, কথাপ্রকাশের মোহাম্মদগ জসীমউদ্দিন, আকাশ প্রকাশনের আলমগীর শিকদার লোটন, স্টুডেন্ট ওয়েজের মোহাম্মদ মাশফিকুল্লাহ তন্ময় প্রমুখ। আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি লাবলু আনসার, নির্বাহী সদস্য কানু দত্ত এবং নির্বাচন কমিশনার ও সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের আহবায়ক রাশেদ আহমেদও আড্ডায় সরব ছিলেন।  

১৯-২১ মে ব্যাপী বাংলা উৎসব চলবে। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান এবং কলকাতার সাহিত্যিক পবিত্র সরকার মেলার উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে। এবারও বাংলা উৎসব উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।


ট্রাম্পের অভিশংসন নিয়ে গুঞ্জন কপাল খুলছে মাইক পেন্সের?

সোমবার, ২২ মে ২০১৭

বাপ্ নিউজ : রাশিয়া ইস্যু ও সদ্য বরখাস্ত এফবিআই পরিচালক জেমস কমি বিতর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসন এখন অনেকটা অনিবার্য হয়ে উঠেছে বলেই মনে হচ্ছে। ট্রাম্প যদি অভিশংসিত হন, এ ক্ষেত্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আসবেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। তবে পেন্স প্রেসিডেন্ট হলে বিষয়টা মন্দ হবে না। ইন্ডিপেনডেন্টের সাংবাদিক শন অ’ গ্রাদি এক নিবন্ধে বলেছেন, ট্রাম্পের তুলনায় পেন্স অনেক সতর্ক, আচরণে রক্ষণশীল এবং শিষ্টাচারসম্পন্ন। স্পষ্টত রিপাবলিকান দলের এলিট রাজনীতিকদের একজন তিনি।প্রত্যেক ভাইস প্রেসিডেন্টই জানেন, দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে যদি কোনো ট্র্যাজেডি ঘটে, তাহলে তিনিই সর্বোচ্চ পদটিতে বসবেন। তবে পেন্স নিজের ক্ষেত্রে ভাবতে পারেন, তিনি এখন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ থেকে আর মাত্র একটা টুইট দূরে রয়েছেন। রাজনীতির ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভুল পদক্ষেপে পরিস্থিতি এখন এতটাই শোচনীয় যে, সেই ধরনের একটা ট্র্যাজেডি যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে। আর পেন্স হয়তো এই বলে শপথপাঠ করবেন, ‘আমি, মাইকেল রিচার্ড পেন্স, শপথ করছি যে, আমি বিশ্বস্ততার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করব এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’ সর্বশেষ ১৯৭৪ সালে এমনটা ঘটেছিল। ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির কারণে মার্কিন রাজনীতি এতটাই ঘোলাটে হয়ে উঠল যে, শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে যেতে হল। কারণ হিসেবে ১৯৭৪ সালের ৮ আগস্ট নিজের পদত্যাগের বক্তব্যে সতর্কতার সঙ্গে বলেন, ‘পরিশেষে আমার বক্তব্য হচ্ছে, ওয়াটারগেট ঘটনার কারণে আমি হয়তো কংগ্রেসের সমর্থন পাব না এবং যেভাবে জাতীয় স্বার্থে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা দরকার সেভাবে হয়তো পালন করতে পারব না।’ তার এ পদত্যাগের তিনি যে অভিশংসন বা কোনো জোরপূর্বক ক্ষমতাচ্যুতির সম্মুখীন হতে চান না সে ব্যাপারে একটা সরাসরি স্বীকারোক্তি ছিল।

ট্রাম্পের ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটতে পারে। কারণ ইতিমধ্যে নিজের রিপাবলিকান দলের মধ্যে অস্থিরতা দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এছাড়া কংগ্রেসে তার খুব বেশি রাজনৈতিক ভিত্তি নেই। তবে এখনও উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন রয়েছে। আর এ কারণেই প্রায়ই ওয়াশিংটন থেকে বের হয়ে এখানে ওখানে বিভিন্ন সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন। ট্রাম্পের এ সমর্থকরা ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পের প্রতি এতটাই আত্মপ্রাণ যে, তারা সময় মতো তাদের মতামত জানান দেবেই। তবে নিক্সনের মতো ট্রাম্পের প্রতি জনগণের ভালোবাসা সত্ত্বেও অভিশংসনের মতো কঠিন প্রক্রিয়া এখন অনিবার্য হয়ে উঠছে। এ ক্ষেত্রে কংগ্রেস সদস্য ও সিনেটররা ট্রাম্পের জায়গায় আরেকজনকে বসানোর ক্ষেত্রে হিসাব-নিকাশ করে দেখছেন।

ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির জেরে নিক্সনের পদত্যাগের পর ১৯৯০-এর দশকে হোয়াইট হাইস ইন্টার্নি মনিকা লিউনোস্কির সঙ্গে অবৈধ প্রেমের সম্পর্কের কারণে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। তবে অভিশংসনের মতো পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়নি তাকে। তবে নিক্সন ও ট্রাম্পের তুলনায় ক্লিনটনের অপরাধ মূলত তুচ্ছই। নিক্সনের মতো ট্রাম্পও ন্যায়বিচারের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির মতো অপরাধ করছেন। অদূর ভভিষ্যতে পেন্সের প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট। তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নিক্সনের উত্তরসূরি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডের মতো প্রেসিডেন্ট পেন্স কি তার পূর্বসূরির কোনো অপরাধ বা সংবিধান লংঘনের কারণে নিঃশর্ত ক্ষমতা মঞ্জুর করবেন কিনা।


নিউইয়র্কে ছাত্র ইউনিয়নের ৬৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

শনিবার, ২০ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হলে প্রত্যেককেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের জন্য কিছু করতে হবে। বিশ্বব্যাপী মৌলবাদের ও সংকীর্ণ জনপ্রিয়তাবাদের উত্থান সত্ত্বেও সমাজ প্রগতির সংগ্রাম শেষ হয়ে যায়নি। একই চিন্তা-চেতনার মানুষেরা একই সংগঠনে  অবস্থান না করেও ছাত্র ইউনিয়নের অসাম্প্রদায়িক গনতান্ত্রিক প্রগতিশীল চেতনার পক্ষে লড়াই চালিয়ে যেতে পারে।গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় ছাত্র ইউনিয়নের ৬৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে  জাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন নেতা, সোনালী ব্যাঙ্কের পরিচালক,বিশিষ্ট লেখক, কলামিষ্ট শেখর দত্ত একথা বলেন।

Picture

সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ছাত্র ইউনিয়নের রংপুর জেলার নেতা সৈয়দ রেজাউল করিম। সভা পরিচালনা করেন ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলার প্রাক্তন নেতা জাকির হোসেন বাচ্চু।

alt
সভায়  বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়নের প্রাক্তন নেতৃবৃন্দ-এর মধ্যে  বীর মুক্তিযোদ্ধা কাশেম আল্,ীশরাফ সরকার,নিনি ওয়াহিদ,আলীম উদ্দিন,গোলাম মর্তুজা,ওবায়দুল্লাহ মামুন, সাংবাদিক ফজলুর রহমান,সামসাদ হুসাম, আভা মন্ডল, মো: হারুন,মোখলেছ মুন্তাসির,লিয়াকত আলী,হিরু চৌধুরী,রহমান,ইঞ্জিনিয়ার  জুলফিকার হোসেন বকুল,মতিন তালুকদার,রবিউল ইসলাম,সবুক্তগীন সাকী, পাইলট আবদুল লতিফ,খোরশেদুল ইসলাম।

alt
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখর দত্ত আরো বলেন, ২০০১ সালে আমেরিকার টুইন টাওয়ারে হামলার পর বিশ্বব্যাপী ক্রমশঃ মৌলবাদের বিস্তার শুরু হয়।এখন সব ধর্মাবলম্বীদের মধ্যেই মৌলবাদীদের ও ধর্মীয় উগ্র পন্থার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। ভারত উপমহাদেশে শুধু পাকিস্তান নয়,ভারত,শ্রীলঙ্কা,মিয়ানমার,বাংলাদেশ সহ সর্বত্রই এটা হয়েছে। ভারতে মোদির নেতৃত্বে দিল্লীতে হিন্দুপন্থীদের যেমন উত্থান হয়েছে তেমনি মায়ানমারে উগ্র বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে।শ্রীলঙ্কায়ও এই সমস্যা চলছে। এই চরম পন্থায় দেশের মধ্যে ধর্মীয় মৌলবাদের রাষ্ট্র সমাজে ব্যাপক প্রভাবের ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা বিঘিœত হওয়ার পর এখন সরকার ও সমাজে এসব মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি হয়েছে এবং সরকার, সিভিল সোসাইটি, মিডিয়া,বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন দেশে গনতন্ত্র,মৌলিক অধিকার,সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা সবাই মানবাধিকার রক্ষা ও দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশেও সকল মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের নিজ নিজ সংগঠনের ও ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে।


যুক্তরাষ্ট্রে নিপা মোনালিসার যৌন হয়রানি এবং অপহরণের অভিযোগে বাংলাদেশী খালেক গ্রেফতার

শনিবার, ২০ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী  নিপা মোনালিসা যৌন হয়রানির ও অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। এই অভিযোগে প্রবাসে বাংলাদেশী কম্যুনিটির সামাজিক এবং প্রবাসী নেতা ৪৭ বছর বয়সী ট্যাক্সি চালক মোহাম্মদ খালেককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। কম্যুনিটিতে সে ইঞ্জিনিয়ার খালেক নামেই পরিচিত। তিনি নিজে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। নিপা মোনালিসার বয়স ২৭ বছর।
নিউইয়র্ক থেকে বাপসনিঊজ  জানায়, নিউইয়র্কের মূলধারার বিভিন্ন টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়াকে নিপা মোনালিসা বলেন, আমি গত ৭ এপ্রিল ব্রঙ্কসে একটি দোকানে কাজ করছিলাম। আগে থেকেই মোহাম্মদ খালেক আমার পরিচিত। কারণ সে আমাদের বাসার উপরের তলায় থাকে। আমার কাজ শেষে ব্রঙ্কসের বাসায় যাওয়ার জন্য স্টোর বের হতেই মোহাম্মদ খালেক আমাকে বলেন, আমার ট্যাক্সিতে আসুন আমি আপনাকে আপনার বাসায় পৌঁছে দেব।
তিনি বলেন, পরিচিত জেনেই আমি তার ট্যাক্সিতে উঠি। ট্যাক্সিতে উঠার পরই সে আমাকে বাসায় না নিয়ে ব্রঙ্কস থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে কানেকটিকাটের নরওয়াকে নিয়ে যায় এবং গাড়ি থামিয়ে বলে, এই ১ হাজার ডলার তোমার, যদি তুমি আমার সাথে সেক্স কর। আর যদি সেক্স করতে না দাও তাহলে তোমাকে যেতে দেব না। এক পর্যায়ে সে আমাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। আমি ৯১১ কল করি কিন্ত পুলিশকে বলতে পারছিলাম না আমি কোথায়। কারণ আমি স্থানটি চিনি না, আমি ইমিগ্র্যান্ট হয়ে মাত্র কিছু দিন আগে আমেরিকায় আসি।

Picture
নিপা বলেন, আমি বার বার ট্যাক্সি থেকে বের হবার চেষ্টা করছিলাম। কিন্ত সে আমাকে গাড়ি থেকে বের হতে দিছলো না। এক পর্যায়ে সুযোগ বুঝে আমি গাড়ি থেকে বের হয়ে পালিয়ে যাই এবং আবারো পুলিশ কল করি। এ দিকে নিপা মোনালিসার অভিযোগে নিউইয়র্ক পুলিশ মোহাম্মদ খালেককে গত ১১ মে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করে। ১২ মে মোহাম্মদ খালেককে কোর্টে তোলা হলে সে জামিনে বেরিয়ে আসে। নিপা জানান, সে বের হওয়ায় আমি আতঙ্কিত। নিপার স্বামী শহীদুল ইসলাম বলেন, সে আমার স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে, এটাই তার অপরাধ। অন্য দিকে মোহাম্মদ খালেকের পরিবার এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি। নো কমেন্টস বলেই মিডিয়া কর্মীদের মুখের সামনেই ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। তবে মোহাম্মদ খালেক বলেছেন, তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ মিথ্যা।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ খালেক এর আগেও পাঁচ বার গ্রেফতার হয়েছিলেন। লাস্ট সামারেও সে একজন মহিলাকে তার ট্যাক্সি তুলে তাকে পর্ণগ্রাফি দেখাচ্ছিলো এবং সেক্সের প্রস্তাব দেয়। সেই অভিযোগে কোর্ট মোহাম্মদ খালেকের ১ হাজার ডলার জরিমানা করে। তারপরেও তার শিক্ষা হয়নি। বর্তমানে মোহাম্মদ খালেকের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। http://abc7ny.com/1986957/


সংঘাতময় পরিস্থিতিতে যুদ্ধ এবং সন্ত্রাসবাদের কৌশল হিসাবে যৌন সহিংসতার ক্রমবর্ধমান প্রবণতার তীব্র নিন্দা জানায় বাংলাদেশ

বুধবার, ১৭ মে ২০১৭

Picture

মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আমাদের মা-বোনদের উপর নজীরবিহীন যৌন সহিংসতার চালানো হয়েছিল। ২ লাখ মা-বোন এই ভয়াবাহ নির্যাতনের শিকার হন”।সন্ত্রাসবাদের সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “ইদানিং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করতে গিয়ে  আমরা সন্ত্রাসী ও সহিংস চরমপন্থীদের মধ্যে একটি নতুন প্রবণতা দেখতে পাচ্ছি।

alt
চরমপন্থিরা সন্ত্রাসী কাজে নারী ও শিশুদের ব্যবহার করছে যার বেশিরভাগই তাদের পরিবারের সদস্য”। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল নারী ও মাকে তাঁদের পরিবারে শান্তির সুরক্ষাকারী হিসেবে এবং সহিংস চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা সামাজিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন”।

alt
বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে ‘যৌন সহিংসতা প্রতিরোধ’ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কাযর্ক্রমের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “আমরা আমাদের শান্তিরক্ষীদের যৌন সহিংসতার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি এবং এ বিষয়ে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা শান্তিরক্ষা কন্টিনজেন্টে নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করছি। স্থানীয় জনগণ ও সিভিল সোসাইটির সদস্যদের সাথে নিয়মিতভাবে যোগাযোগ রেখে সকলে মিলে যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতেও আমাদের শান্তিরক্ষী ও সেক্টর কমান্ডারদের আমরা উৎসাহিত করে থাকি”।নিরাপত্তা পরিষদের চলতি মে মাসের প্রেসিডেন্ট উরুগুয়ে এই উন্মুক্ত বিতর্কের আয়োজন করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, রুশ ফেডারেশন, জার্মানি, ভারত ও জাপানসহ ৬৮টি দেশ এতে অংশগ্রহণ করে।


রবীন্দ্র-নজরুলকে নিয়ে একটি নিরীক্ষামূলক অনুষ্ঠান ২১ মে রবিবার ‘এক হাতে বাজে অগ্নিবীণা কন্ঠে গীতাঞ্জলি’

বুধবার, ১৭ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন , আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিউজ ঃ বিশ্ব কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে নিউইয়র্কে এই প্রথম বারের ন্যায় “একটি নীরিক্ষামূলক অনুষ্ঠান “ এক হাতে বাজে অগ্নিবীণা ক›েঠ গীতাঞ্জলি” অনুষ্ঠিত হবে ২১ মে রবিবার অপরাহ্ন ২টায় পিএস-১৪৯ (৯৩-১১, ৩৪ এভিনিউ, নিউইয়র্ক, এনওয়াই-১১৩৭২)। মিলনায়তনে। খবর বাপসনিউজ। “শতদল” (ট্রাইষ্টেট নিউইয়র্ক- নিউজার্সি-কানেকটিকাট) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, মুক্তিযোদ্ধা ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও ভয়েজ অব আমেরিকার(ভিওএ) বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দ্ার।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনী ও সংগীত শিল্পী অনিন্দিতা কাজী, ভারতের বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী শ্রেয়া গুহঠাকুরতা,জনপ্রিয় নজরুল সংগীত শিল্পী সুজিত মোস্তফা, নতুন প্রজন্মের উদীয়মান নজরুল সংগীত শিল্পী শবনম আবেদী, নজরুল সংগীত শিল্পী উলফাৎ পারভীন রোজি (কানাডা)সহ প্রবাসের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীদের মনোজ্ঞ সংগীত পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে।
সবার জন্য উন্মুক্ত ব্যাতিক্রমধর্মী ও বণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে সকল প্রবাসীদের স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন শতদল আহবায়ক কবির কিরণ ও সদস্য সচিব দেবল গুপ্ত এবং সদস্যবৃন্দ অর্পিতা গুপ্ত, শর্মিলা রহমান পিয়া, ড. ফারুকআজম, এবিএম সালেহউদ্দীন, ড. সাদেক চৌধুরী, মেহের কবির, বিষ্ণ গোপ, সাবিনা আহমেদ রুপা, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, ডানা ইসলাম, মণিকা রায় ও হাকিকুল ইসলাম খোকন।এবং অনুষ্ঠানে প্রবাসের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝে অংশ নিবে বিপা, ইন্ডিয়ান কালচারাল কমিনিটি (আইসিসি), সুরছন্দ ও সৃজনী।মিডিয়া কনট্রিভিউটরঃ বাপসনিউজ,www.bostonbanglanews.com  ও www.katiadinews.com এবং www.deshersomoy.com ।


মে ১৬, ২০১৭
বরাবর
সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, চীফ রিপোর্টার, প্রধান আলোকচিত্র সাংবাদিক, সকল প্রিন্ট,ইলেক্টটনিক ও অন লাইনসহ বিভিন্ন মিডিয়ার প্রতিনিধি বৃন্দ।

বিষয় ঃ এক হাতে বাজে অগ্নিবীণা কস্ঠে গীতাঞ্জলী অনুণ্ঠানের  আমন্ত্রণ।

সুপ্রিয় মহোদয়
শুভেচ্ছা নিবেন। শতদল আয়োজিত বিশ^ কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে একটি নীরিক্ষামূলক অনুষ্ঠান “এক হাতে বাজে অগ্নিবীণা কন্ঠে গীতাঞ্জলী” অনুষ্ঠিত হবে ২১ মে ২০১৭, রবিবার অপরাহ্ন ২টায় পিএস-১৪৯,( ৯৩-১১, ৩৪ এভিনিউ, নিউইয়র্ক, এনওয়াই-১১৩৭২)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, মুক্তিযোদ্ধা ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও ভয়েজ অব আমেরিকার(ভিওএ) বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দ্ার।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনী ও সংগীত শিল্পী অনিন্দিতা কাজী, ভারতের বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী শ্রেয়া গুহঠাকুরতা,জনপ্রিয় নজরুল সংগীত শিল্পী সুজিত মোস্তফা, নতুন প্রজন্মের উদীয়মান নজরুল সংগীত শিল্পী শবনম আবেদী, নজরুল সংগীত শিল্পী উলফাৎ পারভীন রোজি (কানাডা)সহ প্রবাসের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীদের মনোজ্ঞ সংগীত পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে।
 অনুষ্ঠানে প্রবাসের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝে অংশ নিবে বিপা, ইন্ডিয়ান কালচারাল কমিনিটি (আইসিসি), সুরছন্দ ও সৃজনী।মিডিয়া কনট্রিভিউটরঃ বাপসনিউজ,www.bostonbanglanews.com  ও www.katiadinews.com এবং www.deshersomoy.com ।

 উক্ত অনুষ্ঠানে আপনাদের প্রতিষ্ঠানের একজন প্রতিবেদক ও একজন আলোকচিত্র সাংবাদিক এবং একজন চিত্র গ্রাহক পাঠিয়ে অনুষ্ঠানের সংবাদটি প্রকাশ ও প্রচারের ব্যবস্থা করবেন বলে আশাকরি।

উক্ত অনুষ্ঠানে আপনাদের স্বাদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।


নিউইয়র্কে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের ডাইরেক্টরকে সংবর্ধনা

বুধবার, ১৭ মে ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অসাধারণ অবদান রাখছে প্রবাসীরা। উদ্যোক্তা হিসেবে বাংলাদেশে কার্যকর ভূমিকা রাখতে আগ্রহী তারা। তাই বিনিয়োগকে সহজ করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রত্যশা করে প্রবাসীরা। যুক্তরাষ্ট্র সফররত ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্চের ডাইরেক্টর ও বাংলাদেশ এসোসিয়েশন গ্রেটার রিডিংয়ের প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. আতাউর রহমান কুটিকে নিউইয়র্কে দেয়া এক সংবর্ধনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

Picture

স্থানীয় সময় ১৫ মে রাতে নর্থ ব্রঙ্কসের মজা রেষ্টুরেন্টে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মৌলভীবাজার জেলাবাসী। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বাংলাদেশ-আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার। ইউএসএনিউজঅনলাইন

alt

কমিউনিটি এক্টিভিস্ট সৈয়দ সিদ্দিকুল হাসানের সভাপতিত্বে এবং রাজনগর উপজেলা উন্নয়ন পরিষদ ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলমের পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাঙালী কালচারাল এসোসিয়েশনের সভাপতি আনছার হোসাইন চৌধুরী, বাংলাদেশী কমিউনিটি অব নর্থ ব্রঙ্কসের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর চৌধুরী জগলুল, ব্রঙ্কস বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সভাপতি এ ইসলাম মামুন, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আবদুর রউফ, আজমল হোসেন খান, হাজী আবদুল মুসাব্বির, সমেজ আহমেদ চৌধুরী, সামছু মিয়া, আবদুল আলিম, লেবু মিয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।

alt

বাংলাদেশে বেশি বেশি বিনিয়োগের আহবান জানিয়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার নেতা মো. আতাউর রহমান কুটি বলেন, বিনিয়োগকে সহজ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সময় এসেছে। প্রবাসীরা যাতে নির্ভয়ে দেশে বিনিয়োগ করতে পারে সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিনিয়োগে আগ্রহীরা যাতে হতাশ না হয়, সে খেয়ালও রাখতে হবে সরকারকে। প্রবাসীরা একযোগে এগিয়ে আসলে বাংলাদেশ দ্রুত উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত হওয়া সম্ভব।

alt

অনুষ্ঠানে মো. আতাউর রহমান কুটিকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান হয়। তিনি আয়োজকদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সব সময় তার এলাকাসহ বাংলাদেশের দরিদ্র-অসহায়দের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার তার বক্তব্যে নিউইয়র্ক সিটি ও স্টেটের বিভিন্ন আইন-কানুন ও সুযোগ সুবিধার নানা দিক তুলে ধরেন।

alt

অনুষ্ঠানে মৌলভীবাজার প্রবাসীরা জেলার প্রাচীন বিদ্যাপিঠ আজমনি বহুপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়কে মহাবিদ্যালয়ে উন্নীত করার লক্ষে অনুদান সংগ্রহের কথা জানিয়ে প্রবাসীদের অর্থায়নে একটি নতুন ভবণ নির্মাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা এজন্য সংবর্ধিত অতিথিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।


গান মেলা ইউএসএ ২২ মে সোমবার

বুধবার, ১৭ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ ঃ উৎসব ডটকম আয়োজিত  গান মেলা ইউএসএ অনুষ্ঠিত হবে ২২ মে সোমবার নিউইয়র্কের বাঙ্গালী অধ্যুষিত উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে।

এতে দেশ ও প্রবাসের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন। এতে সবাইকে স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।


হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৩১তম ফোবানার কনভেনার এম রহমান জহির

বুধবার, ১৭ মে ২০১৭

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৩১তম ফোবানার কনভেনার এম রহমান জহির

বাপ্ নিউজ : ফ্লোরিডা: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিতব্য ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার এম রহমান জহির। সোমবার দিবাগত রাতে হঠাৎ করেই বুকে ব্যাথা অনুভব করলেই সাথে সাথেই তাকে নিকটস্থ ওয়েষ্টপাম বীচের লেকওয়ার্থ জেএফকে হাসপাতাল স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে প্রাথমিক চেকআপের পরপরই তার বুকে ব্লক সহ বিভিন্ন সমস্যা ধরা পড়লে সাথে সাথেই তাকে সার্জারীর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

বর্তমানে তিনি সুস্থ্য আছেন বলে জানিয়েছেন ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের সভাপতি মোহাম্মদ এমরান, সাধারন সম্পাদক আরিফ আহমেদ ও সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান আতিক। তারা বলেন, গত ১৩ মে নিউইয়র্কে ৩১তম ফোবানার সাংবাদিক সম্মেলনেই কনভেনার এম রহমান জহির বুকের ভিতর ব্যথা অনুভব করেন। বুকের ব্যাথা নিয়েই তিনি সাংবাদিক সম্মেলন শেষে বৈরী আবহাওয়ার মাঝে নিউজার্সীতে একটি সভায় অংশগ্রহন করেন। রবিবার এম রহমান জহির ফ্লোরিডার ফিরে এলেও তিনি চিকিৎসকের শরনাপন্ন না হলে সোমবার দিবাগত তার অবস্থার অবনতী ঘটলে তাকে দ্রুত নিকটস্থ ওয়েষ্টপাম বীচের লেকওয়ার্থ জেএফকে হাসপাতাল স্থানান্তর করা হয়।

বর্তমানে এম রহমান জহিরের অবস্থার উন্নতী হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ৩১তম ফোবানার নেতৃবৃন্দ এবং এম রহমান জহিরের আশুরোগ মুক্তি কামনায় সবার নিকট দোয়া চেয়েছেন।


নিউইয়র্কে সাংবাদিকতার সংকট

বুধবার, ১৭ মে ২০১৭

বর্ণমালা নিউজ (নিউইয়র্ক): নিউইয়র্কের গণমাধ্যমে কর্মরত: সাংবাদিকদের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। এর কারন একই সাংবাদিক যখন তার কর্মস্থলের মিডিয়ায় যখন কোন রিপোর্ট করেন তার মূলকথা বা রিপোর্টিংয়ের ‘ধারা’ যে রকম হয় তার উল্টোটা লিখছেন তিনি যখন বাংলাদেশের মিডিয়াতে সেই একই বিষয়ে রিপোর্ট করেন বা পাঠান। এতে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে একই নিউজ কিভাবে একজন সাংবাদিকের কলমে দুই মতধারায় বা দু‘ভাবে লেখা হয়। আর এই ধরনের সংবাদ লিখে তারা এখানকার দুই ধারার রাজনীতিবিদদের একটি অংশ যারা প্রকৃতপক্ষে যা নন তাদেরকে সেভাবে তুলে ধরার যে প্রক্রিয়া বেছে নিয়েছেন তাকে কোনভাবেই সৎ এবং সুস্থধারার সাংবাদিকতা বলা যায় না। একইভাবে কিছু প্রচারলোভী ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী কাম রাজনীতিবিদ যারা নিজেদের সাফল্যকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তুলে ধরার জন্য কিছু অর্থ ব্যয় করেন তাদেরকেও ’সেবা’ দিয়ে যাচ্ছেন এই শ্রেণীর সাংবাদিকরা। সাংবাদিকতার এই অনৈতিক পরিস্থিতির জন্য দুর্বল আর্থিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় মিডিয়া কর্তৃপক্ষকে যতটা দোষ দেয়া যায়, তার চেয়ে বেশী দোষারোপ করছেন অভিজ্ঞজনরা ঢাকার বিশাল পূঁিজর মিডিয়াগুলোকে। ঢাকার পেশাদারী মিডিয়ায় যখন এরকম ‘ফরমায়েশী’ রিপোর্ট কোন বাছ-বিচার না করে প্রকাশ করে তখন তার দায় তাদের উপরও বর্তায় বলে মনে করেন তারা।

নিউইয়র্কে সাংবাদিকতার সংকট
এমন দ্বিমূখী অনৈতিক রিপোর্টিংয়ের কারনে বিভ্রান্ত হচ্ছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। কারন তাদের নেতারা নিউইয়র্কে সেসব সাংবাদিকদের মিডিয়ায় তাদের দলের আদর্শ বিরোধী অবস্থান থেকে তাদের সংগঠনের সংবাদ প্রচার করেন তাকে তারা কোন গুরুত্ব দেন না- অভিযোগ ক্ষুদ্ধ নেতা-কর্মীদের। নেতারা শুধু গোনায় ধরেন সেই একই সাংবাদিকের ঢাকায় পাঠানো তাদের সংগঠনের সেই বিষয়ের রিপোর্টকে। আর ঢাকায় প্রকাশিত সেসব রিপোর্টে সম্পূর্ণ উল্টো গীত গান এসব সাংবাদিকরা। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ দিক হচ্ছে সেসব প্রতিবেদনে এসব নেতাদের এমন ভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বা সরকারের দায়িত্বশীলদের নজরে আসতে পারেন তারা। এটা ছাড়াও সেসব সাংবাদিকরা এমনভাবে রিপোর্ট লিখেন যেখানে দেখা যায় এসব নেতারা কোন অনুষ্ঠানে যা বলেননি ঢাকার পত্রিকায় সেসব কথা প্রকাশ হচ্ছে। আবার কখনও কখনও এমন হয় হয় নিউইয়র্কের রিপোর্টে যার উপস্থিততির কথা নেই ঢাকার রিপোর্টে ভৌতিকভাবে সেই ব্যক্তির উপস্থিতি দেখানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করলে একটি বড় রাজনৈতিক দলের যুক্তরাষ্ট্র শাখার এক নেতা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, আমার দলের শীর্ষনেতারা নিউইয়র্কের কোন সাপ্তাহিক পত্রিকায় কি লেখা হয় তাদের নিয়ে বা সংগঠন নিয়ে, তাতে মাথা ঘামান না। তারা শুধু চান ঢাকার পত্রিকায় তাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরার জন্য ‘ফরমায়েশী’ রিপোর্ট। আর এজন্য তারা নগদ ডলার খরচ করছেন দেদারছে। আর তাই নিজের মিডিয়ায় তার অথবা ‘পত্রিকার মতাদর্শ’ (যা সম্পূর্ণ বিপরীত) অনুযায়ী রিপোর্ট লেখার পর একই সাংবাদিক ‘ফরমায়েশী’ রিপোর্ট লেখেন যখন তখন তাতে তাদেরকে সাংবাদিকতার চেয়ে পাবলিক রিলেশন্স অফিসারের ভূমিকায় দেখা যায় বেশী করে। পাবলিক রিলেশন্স অফিসারের মত তোষামোদীতে ভরা রিপোর্টগুলো ঢাকায় কিভাবে কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রচার হচ্ছে তা নিয়েও রহস্যের গন্ধ খুঁজে পাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে ঢাকার কোন কোন সাংবাদিক বা সম্পাদক যারা ঘন ঘন বিভিন্ন উপলক্ষ্যে নিউইয়র্ক সফর করেন তাদের মিডিয়াতেই এসব ফরমায়েশী সংবাদ বেশী বেশী ছাপা হ্েচ্ছ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরও অভিযোগ এসব সাংবাদিক ও সম্পাদকরা নিউইয়র্কে আসলে বিভিন্ন সময়ে নানা দামী উপঢৌকন গ্রহন করেন তাদেরকে যারা সংবাদ পাঠায় তাদের কাছ থেকে। আর যেসব নেতাদের ফরমায়েশী সংবাদ ছাপান তারা তাদের কাছ থেকেও তারা উপহার এবং কখনও কখনও প্লেনের রির্টান টিকিটও পেয়ে থাকেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের একটি বড় দলের শাখার সবচেয়ে বড় পদের নেতা তার দলের বিভিন্ন কর্মসূচীর সফলতার জন্য এখন আর কোন নেতাকর্মীর প্রতি তেমন আস্থা রাখেন না বলে জানিয়েছেন সে দলটির ক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, ঢাকার মিডিয়ায় এবং দু‘য়েকটি ওয়েবভিত্তিক সংবাদ পোর্টরালে তার সংবাদ প্রচার হলেই তিনি চরম তুষ্টিতে ভোগেন। এক সময়ে নিউইয়র্কের কোন কোন সাপ্তাহিকের সমর্থন নিয়ে দলে নিজের অবস্থান সংহত করা এই বড় নেতা এখন নিউইয়র্কের ছোট-বড় সব সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন। শুধু নিয়ম রক্ষার জন্য এবং লোক দেখানো মনোভাব থেকে তার দলের সংবাদ সম্মেলনে অথবা কর্মসূচী কভার করতে এই নেতা সাংবাদিকদের আমন্ত্রন করেন বলে বলেছেন দলটির কিছু মধ্যম সারির নেতা।
সাংবাদিকতার এই ক্রান্তিকালে যখন সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা অপসাংবাদিকতাকে রুখে দাঁড়ানোর কথা তখন নিউইয়র্কের দুটি প্রেসক্লাবের একটি ’বাংলাদেশ-আমেরিকা প্রেসক্লাব’ বিভক্ত হয়ে দুটি কমিটি ঘোষণা দিয়ে নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করছে। আর রাজনৈতিক দলের সেইসব নেতা ও ভূঁইফোঁড় ব্যবসায়ীরা বিভক্তির প্রেসক্লাবের দুটি অংশকে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে বিভিন্নভাবে সমর্থন দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিলে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।