Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

জাতিসংঘ ‘চ্যাম্পিয়নন্স অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায়-জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে জর্জিয়া আওয়ামী লীগ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপসনিঊজ: জর্জিয়া থেকে ইতিহাসের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু’ ও ‘বঙ্গমাতা’র কন্যা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কান্ডারী, দারিদ্র বিমোচনের প্রতীক, নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক, বিশ্বশান্তির মডেলের রুপকার, দেশরত্ন-জননেত্রী শেখ হাসিনাকে, জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায় সুদুরপ্রসাসী পদক্ষেপের স্বীকৃতিস্বরুপ ‘চ্যাম্পিয়নন্স অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত করায়-তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান ও  জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দ।

Picture
শুভেচ্ছা বার্তায়-জর্জিয়া আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, আরো বলেন, ‘বঙ্গকন্যা’ জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সুকীর্তিতেই তিনি একের পর এক বিভন্ন আর্ন্তজাতিক পুরস্কার ও সুনাম অর্জনে সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি উজ্জল করেই চলেছেন। আবারও আর্ন্তজাতিক মর্যাদাসম্পন্ন প্রাপ্ত ‘চ্যাম্পিয়নন্স অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারই এর দৃষ্টান্ত।‘শান্তিতে জোলিও কুরি’র মুজিবের যোগ্য উত্তরসুরী শেখ হাসিনাই যে পারে, সর্বদা বিশ্বেরবুকে দেশের ভাবমুর্তি উজ্জল ও অক্ষুন্ন রাখতে-ইহাও আরেক বার প্রমাণিত হলো। তিনি সমগ্র জাতিকে করে চলেছেন, গৌরাম্বিত ও মহিমাম্বিত। তাই আমরা এই ‘মহিয়সী নারী নেত্রী’র কাছে চিরকৃতজ্ঞ ও চিরঋণী। এবং আমরা সর্বদা জননেত্রী শেখ হাসিনার সু-স্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।


টোটাল ক্যাবলের উদ্যোগে নিউইয়র্কে গাইলেন শিল্পীরা

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :‘হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ গাইলেন কয়েক হাজার মানুষ। বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্থানীয় সময় রবিবার বিকেলে প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি নারী-পুরুষ সপরিবারে জড়ো হন নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের বাংলাবাজার খ্যাত স্টারলিং অ্যাভিনিউ সংলগ্ন পার্ডি স্ট্রিটে। তাদের মধ্যে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। এসব বাংলাদেশির মাথায় ছিল লাল সবুজের পট্টি, হাতে ছিলো বাংলাদেশের পতাকা আর প্রায় সবার পরনে ছিল লাল-সবুজ রঙের পোশাক।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসানের নেতৃত্বে শতাধিক সংগীত শিল্পী এতে কণ্ঠ মেলান। উত্তর আমেরিকায় টিভি সংযোগ বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান টোটাল ক্যাবলের উদ্যেগে ব্রঙ্কসের বাংলাদেশী আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিল হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাইবার আয়োজন করে। নিউইয়র্কে হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা গাইবার ধারাবাহিক আয়োজনের এটি ছিলো প্রথম আয়োজন। এটি ধারাবাহিকভাবে নিউইয়র্কের বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা এবং ব্রুকলিনেও হবে।

‘হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ আয়োজনে সাড়া দিয়ে বিপুল বাংলাদেশী দুপুর থেকেই জড়ো হন ব্রঙ্কসে। বিকেল ৪টা নাগাদ পুরো পার্ডি স্ট্রিট লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশী একসঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে সকালে সেখানে বিশাল মঞ্চ স্থাপন করা হয়। ‘হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা’র সঙ্গে আয়োজন করা হয় মেলাও। এ উপলক্ষে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন স্টল দিয়ে।

টোটাল ক্যাবলের উদ্যোগে নিউইয়র্কে গাইলেন শিল্পীরা 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন, নিউইয়র্ক স্টেট এসেম্বলিম্যান লুইস সেপুলভেদা, অনুষ্ঠানের গ্রান্ড স্পন্সর রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর মো. আনোয়ার হোসেন, এটর্নি পেরি ডি. সিলভা, মামুন’স টিউটোরিয়ালের প্রিন্সিপ্যাল শেখ আল মামুন, হাজারো কন্ঠে সোনার বাংলা আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা টোটাল ক্যাবলের সিইও আহমেদুল বারোভুঁইয়া পুলক এবং আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এন মজুমদার। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন সাংবাদিক আশরাফুল হাসান বুলবুল ও হাসানুজ্জামান সাকী।

অনুষ্ঠানে স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, সারা বিশ্বে আজ মারামারি ও হানাহানি চলছে। কিন্তু আমরা তা চাই না। আমরা শান্তিময় বিশ্ব চাই। তিনি বলেন, মানুষে মানুষে হিংসা বিদ্বেষ বেড়েছে। একজন অন্যজনকে সহ্য করতে পারে না। এগুলোই আমাদের শান্তি দিতে চায় না। এজন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতিসংঘে কালচারাল পিস নামে একটা প্রস্তাব তুলেছিলাম। বিশ্বের ১৯৩টি দেশে তাতে সমর্থন দিয়েছে। তাই আমরা বিশ্বের সকল মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই আপনারা সুন্দর পৃথিবী গড়তে এগিয়ে আসুন। 

ড. মোমেন হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা আয়োজনের ভুয়সী প্রসংশা করে বলেন, এ ধরনের আয়োজন এ প্রজম্মের ছেলে মেয়েদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতি গভীর মমতা সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আয়োজনের উদ্যোক্তা টোটাল ক্যাবলের সিইও আহমেদুল বারোভূঁইয়া পুলক বলেন, আমরা পেরেছি। সকল ষড়যন্ত্র আর চক্রান্তের জাল ভেদ করে আমরা আমাদের জাতীয় সঙ্গীতকে এ প্রজম্মের ছেলে মেয়েদের কণ্ঠে তুলে দিতে পেরেছি। এটাই আমাদের সার্থকতা। এ অন্যরকম এক ভাল লাগার মুহূর্ত। এটা এখন ইতিহাস। আমরা এখন বলতে পারি আমরা প্রবাসেও আমাদের জাতিসত্তার চেতনাকে সফলভাবে ছড়িয়ে দিতে শুরু করেছি।

আয়োজক সংগঠক বাংলাদেশী আমেরিকার কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এন মজুমদার বলেন, যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা এ মহৎ উদ্যোগ নিয়েছিলাম তা এখন আর কথার কথা নয়, সত্যি। এই সত্যিকে সঙ্গে নিয়ে হাজারো কণ্ঠে সোনার বাংলা লক্ষ্য কণ্ঠ, কোটি কণ্ঠে ছড়িয়ে যাবে গোটা বিশ্বে। বাংলাদেশীদের মন ও মননে এবং অস্থি ও অস্থিমজ্জায়। 

অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত ছাড়াও ‘ওরা আমার মায়ের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’ এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কী ভুলিতে পারি’ গান দুটি সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়। জাতীয় সঙ্গীত গাইবার সময় সবাই বাংলাদেশের পতাকা নেড়ে জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। পরে বাংলাদেশের এ প্রজম্মের জনপ্রিয় শিল্পী রবি চৌধুরী, নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী তানভীর তারেক, ইলিয়াস হোসেন ও পড়শি গান গেয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন।


লস এঞ্জেলেসে ফিরোজা বেগমের স্মরণসভা

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপসনিঊজ: নজরুল সঙ্গীতশিল্পী ফিরোজা বেগমের প্রথম প্রয়াণ দিবস ছিল গত বুধবার। এ উপলক্ষে দেশে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মরণসভার আয়োজন করে। দেশের বাইরেও আয়োজনের কমতি ছিল না। লস এঞ্জেলেসের বসবাসরত বাঙালীরাও স্মরণসভার আয়োজন করে।alt 

ফ্রেন্ডস ক্লাব আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন ফিরোজা বেগমের পুত্র ও সংগীতশিল্পী হামিন আহমেদ। এসময় জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলসসহ আরো কয়েকটি ব্র্যান্ডদলের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ফিরোজা বেগমকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন তার শুভাকাঙ্খীরা। প্রবাসে নজরুল সংগীত প্রচার নিয়েও আলোচনা করা হয়। গুণী এই সঙ্গীত শিল্পীর জন্ম ১৯৩৪ সালের ২৮ জুলাই, ফরিদপুরের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে। তাঁর বাবা খান বাহাদুর মোহাম্মদ ইসমাইল এবং মা বেগম কওকাবুন্নেসা। স্বামী আরেক সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব কমল দাশগুপ্ত। ফিরোজা বেগমের তিন সন্তান তাহসিন আহমেদ, হামিন আহমেদ ও শাফিন আহমেদ। তিনি স্বয়ং কবি কাজী নজরুল ইসলামের সান্নিধ্য পেয়েছেন।

alt  নজরুলসঙ্গীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশে-বিদেশে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র পুরস্কার, সত্যজিৎ রায় পুরস্কার, নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী স্বর্ণপদক, সেরা নজরুলসংগীতশিল্পী পুরস্কার, নজরুল আকাদেমি পদক, চুরুলিয়া স্বর্ণপদক, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডিলিট সম্মানের ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও জাপানের অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিবিএস থেকে পেয়েছেন গোল্ড ডিস্ক। 


সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী এর মৃত্যুতে জর্জিয়া আওয়ামী লীগের শোক প্রকাশ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

Picture

বাপসনিঊজ: জর্জিয়া থেকে :বীর মুক্তিযোদ্ধা, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি..............রাজিউন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী এর মৃত্যুতে জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান ও  জর্জিয়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন।  জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। বিবৃতিতে তারা আরো উল্লেখ করেন , মহসীন আলী ছিলেন একজন ত্যাগী ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও যুদ্ধ সংগ্রামে তার অবদান ছিলো অবিস্মরণীয়। তার মৃত্যুতে দেশ একজন জনপ্রিয় নেতাকে হারালো। এটা জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। দেশমাতৃকার প্রতি তার মমত্ববোধের তাড়ণায় ঝাঁপিয়ে পড়েন মহান মুক্তিযুদ্ধে। সম্মুখসমরে যুদ্ধচলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন সৈয়দ মহসিন আলী। তিনি সিলেট বিভাগে সিএনসি স্পেশাল ব্যাচের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল ফুটবল: ব্রঙ্কস ইউনাইটেড চ্যাম্পিয়ন

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকা আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে ব্রঙ্কস ইউনাইটেড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। ফাইনালে তারা ৩-০ গোলে ওজনপার্ক যুব সংঘকে হারিয়েছে। এ নিয়ে ছয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো ব্রঙ্কস ইউনাইটেড।স্থানীয় সময় রবিবার নিউইয়র্কের কুইন্সের নিউটাউন অ্যাথলেটিক মাঠে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল ফুটবল: ব্রঙ্কস ইউনাইটেড চ্যাম্পিয়ন 

বৃষ্টিভেজা মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলার প্রথমার্ধে একটি এবং দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গোল হয়। প্রথমার্ধের ৩৪ মিনিটের সময় চ্যাম্পিয়ন দলের কৃতি খেলোয়ার কফিল সংঘবদ্ধ আক্রমণ থেকে পাওয়া বলে ডি বক্সের কাছ থেকে দর্শনীয় শর্টে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান (১-০)। জমে উঠে খেলা। এই অর্ধে উভয় দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চালালেও আর কোন গোল হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধের ৪৪ মিনিটের সময় বিজয়ী দলের অপর কৃতি খেলোয়ার সিদ্দিক চমৎকার শটে দলের পক্ষে দ্বিতীয় গোল করেন (২-০)। এরপর খেলার ৭৮ মিনিটের সময় চ্যাম্পিয়ন দলের মারুফ আরো একটি করে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন (২-০)। খেলায় উভয় দল একাধিক গোলের সুযোগ নষ্ট করে। বিশেষ করে যুব সংঘের ফ্রি কিক থেকে গোল করার সুযোগ দর্শকদের ব্যথিত করে।



টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন ব্রঙ্কস ইউনাইটেডের পক্ষে চারজন এবং রানারআপ ওজন পার্ক যুবসংঘের পক্ষে তিনজন বিদেশি খেলোয়াড় অংশ নেন। ব্রঙ্কস ইউনাইটেডের পক্ষে খেলেন ফয়েজ, সাদিক, সামি ও রাজ। অন্যদিকে যুবসংঘের পক্ষে খেলেন সাকিল, আবু ও নবী।ব্রঙ্কস ইউনাইটেড: মিনহাজ, মারুফ, রাসেল, সিদ্দিক, রাজু, পিপলু, হাসান, ফয়েজ, সাদিক, সামি ও ফয়সাল। অতিরিক্ত: কফিল, সামি, সুমন, মাহিদ, রুমেল, কামাল ও নবিন।যুব সংঘ: সাইফ, নবি, রামির, আবু, সাবলু, সুহেল, আশরাফ, বাবলু, সাকিল, ফারহান, শরিফ। অতিরিক্ত: জাহিদ, রুমেল, মুরাদ, অ্যাশ, অপু, জুবের, সাব্বির ও ইকবাল।


এর আগে ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. শামীম আহসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিলের সভাপতি ও বাংলাদেশের জাতীয় ক্রীড়াবিদ মহিউদ্দিন দেওয়ান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপদেষ্টা মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী, পৃষ্ঠপোষক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সামসুল আবদীন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার প্রমুখ।উদ্বোধনী ও পুরস্কার পরিচালনা করেন স্পোর্টস কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসিত খান বুলবুল।অনুষ্ঠানে স্পোর্টস কাউন্সিলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন খান মিঠু’র অকাল মৃত্যুতে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকা আয়োজিত ফুটবল লিগ ও টুর্নামেন্ট উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবছরও ‘ফুটবল লীগ’ শীর্ষক একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করা হয়।


শেখ হাসিনার আগমনে যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভা

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:১১ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনার “কেমন দেখতে চাই পরবর্তী বিশ্ব” শীর্ষক জাতি সংঘের সম্মেলনে যোগদানের উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের করণীয় সম্পর্কে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপিকা মোমতাজ শাহনাজ ও পরিচালনা করেন যৌথভাবে সাধারণ সম্পাদিক - ফরিদা ইয়াসমিন ও সহ সাঃ সম্পাদিক রুমানা আক্তার স্বপ্না।সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত করেন সামিহা বিনতে আলি, গীতা পাঠ করেন সবিতা দাস।

Picture

সাভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ-এর আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহ মোঃ বখতিয়ার, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ-এর প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক সোলাইমান আলী,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ কার্যকরী সদস্য শরীফ কামরুল আলম হিরা, বিপ্লব আলম, গোলাম সোহেল রানা, সহ-সভাপতি সেলিনা আজাদ, জাহানারা আক্তার রানু, আফরোজা হাসমত- সাংগঠনিক সম্পাদিকা ঢাকা মহানগর উত্তর, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ, মোঃ আজিজুল হক খোকন সভাপতি জাতীয় শ্রমিক লীগ, জুয়েল আহমেদ সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় শ্রমিক লীগ, রফিকুল ইসলাম সহ-সভাপতি স্টেট আওয়ামী লীগ, রফিকুল ইসলাম (রফিক) সহ-সভাপতি সিটি আওয়ামী লীগ, টি মোল্লা- সহ-সভাপতি গোপালগঞ্জ সমিতি।

alt
এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন- সবিতা দাস সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, হালিমা আলী স্বপ্না, আয়েশা খাতুন শেলী, সাহিদা আক্তার হ্যাপী, হামিদা, মোশাররফ মনিয়া, শিরিন হারুন, হাসান জিলানী, তাজনিন জান্নাত নিপা, বেলা আলম প্রমূখ।সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত করেন সামিহা বিনতে আলি, গীতা পাঠ করেন সবিতা দাস। বঙ্গবন্ধু পরিবার সহ স্বাধীনতা যুদ্ধে ও গণতন্ত্র রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন তাদের আত্মার শান্তির জন্য ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

alt

উপস্থিত ছিলেন- সুবল দেব নাথ সাধারণ সম্পাদক- যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জাহানারা আক্তার সাকি রুমা ইসলাম, শবনম বেগম, রেখা চৌধুরী লিয়া, শিরিন বেগম, জেসমিন আক্তার, মেরলীন হায়দার নাহার, রিক্তা সিকদার, সামিহা বিনতে আলী, বিলকিস আক্তার, জুনায়েদ নাসিদ সানি, রাইসা বেগম, সৈয়দা রওশন আরা, মুক্তা বেগম, মহসিনা বেগম, ইলা, মৌসুমী চৌধুরী, সীমা আক্তার,প্রমূখ।সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


ওয়াশিংটনে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের জন্য আবেদন করলেন সাদেক খান

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপসনিঊজ: ওয়াশিংটন:(যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : মেট্র ওয়াশিংটন সহ বৃহত্তর ওয়াশিংটনে আওয়ামী লীগের সকল কমিটির মেয়াদউত্তীর্ন হওয়া সম্মেলন করে নুতন কমিটি প্রদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ বরাবরে আবেদন জানিয়েছেন মেট্র ওয়াশিংটন সিনিয়র সহ সভাপতি সাদেক এম খান। গত ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ ও যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী বরাবরে ওয়াশিংটনে সম্মেলন চেয়ে চিঠি প্রদান করেন সাদেক খান।

ওয়াশিংটনে সম্মেলন চেয়ে চিঠি হস্তান্তরের সময় মেট্র ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদেক খান বলেন, ওয়াশিংটনে আওয়ামী লীগের সকল কমিটির মেয়াদউত্তীর্ন হয়ে গেছে। ওয়াশিংটনের আওয়ামী রাজনীতিতে নুতন রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনে আওয়ামী রাজনীতিতে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই নানা অভিযোগ এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। কিছু রাজনৈতিক নেতার আচার আচরনে ওয়াশিংটনের আওয়ামী পরিবার ক্ষুব্দ হয়ে আছে। কিছু কিছু নেতার অনৈতিক কার্যকলাপ আর গাল মন্দে ওয়াশিংটনের ভদ্র সমাজ ওয়াশিংটনের আওয়ামী রাজনীতিতে আসতে ভয় পায়।

Picture

সাদেক খান আরো বলেন, ওয়াশিংটনের কিছু কিছু রাজনৈতিক নেতা তাদের ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধারের জন্য বেআইনী কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন, দলের ভিতরে অনুপ্রবেশকারীদেরকে নিয়ে ওয়াশিংটনের মত জায়গায় শক্তির মহড়া দিচ্ছেন যা সত্যি অনভিপ্রেত। তিনি বলেন, বর্তমান ওয়াশিংটন আওয়ামী পরিবারে হাতে গোনা কিছু লোককে দিয়ে তিনটি কমিটি গঠন করে একটি কমিটিকে আরেকটি কমিটির বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে দেয়া হচ্ছে। ভার্জিনিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগ ও মেরিল্যান্ড ষ্টেট আওয়ামী লীগ কমিটি গঠনের পর ওয়াশিংটন ডিসিকে নিয়ে আরেকটি সংগঠন তৈরি করে ”গোদের উপর বিষফোঁড়া” তৈরি করা হয়েছে। এই বিষফোাঁড়ার অবসান হওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, তিন বছর পূর্বে ওয়াশিংটনে কমিটি গঠনের সময় সজিব ওয়াজেদ জয়ের কড়া নির্দেশ ছিল যে ওয়াশিংটনের সকল কমিটি মুলধারার নেতৃবৃন্দের সাথে কাজ করবে। কিন্তু গত তিন বছরে ওয়াশিংটনের তিনটি কমিটি শুধুমাত্র দেশ থেকে আসা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের তল্পীবাহক হিসাবে সভা সর্ম্বধনা নিয়ে নিজেদের ভিতরে ঝগড়াঝাটি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে।

সম্মেলন চেয়ে সাদেক খান বলেন, ওয়াশিংটনের বাংলাদেশী সমাজে অনেক আওয়ামী সমর্থক রয়েছেন যারা বর্তমান আওয়ামী নেতৃত্বের কারনে আওয়ামী লীগের সভা সমাবেশে আসতে ভয়। কাকে কে কখন গালিগালাজ আর হামলা করবে এই আতংকে এখন ওয়াশিংটন আওয়ামী রাজনীতিতে স্থবীরতা বিরাজ করছে। সম্মেলনের মাধ্যমে অচিরেই ওয়াশিংটন এলাকায় আওয়ামী রাজনীতির সুনাম ফিরিয়ে আনা জরুরি হয়ে পড়েছে। এই ব্যাপারে তিনি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, তা নাহলে অচিরেই ওয়াশিংটনের আওয়ামী গালবাজদের নেতাদের স্বার্থের কারনে অনেক অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়বে এবং দূতাবাসে মারামারির মত আরো অনেক ঘটনা ঘটবে।


শুভ সংবাদের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কের আলবেনীতে ‘বাফা’র যাত্রা শুরু

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

আলবেনী’তে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যানমুখী কর্মপন্থা প্রনয়ন, নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১২ সেপ্টেম্বর কেনেকটিডির লানউড রিফর্ম চার্চে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখানে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীদের উক্ত আলোচনা সভায় অংশগ্রহনের করে তাদের মূল্যবান মতামত প্রদানের জন্য আহব্বান জানিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, আলবানীতে সহস্রাধিক বাঙালিদের বসবাস। স্থানীয় প্রবাসী বাঙালিদের মাঝে পারস্পরিক আন্তরিকতা, সম্মান ও সৌহার্দবোধ বজায় রাখে ও পুরো মিউনিটিকে একত্রিকরণের লক্ষ্যেই আয়োজকদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস বলে তারা উল্লেখ করেন।

Picture

এদিকে অনুষ্ঠানে ডা: ধীরাজ শাহের শুভ সংবাদ’টি সবাইকে আনন্দে উদ্বেলিত করে। এলমা হোসেন মাত্র ১৫ মাস বয়সী বাংলাদেশী শিশু। হার্টের ছিদ্র ও অন্যান্য জটিল সমস্যায় ভুগছিল। অপারেশন করা ছিল একটি ঝুকিপূর্ণ জটিল কাজ। অবশেষে ডা: ধীরাজ শাহ’র সহযোগিতায় আলবেনী মেডিক্যাল সেন্টার এ জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অপরেশন হয় এবং শিশুটি বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। এলমা হোসেনর জন্য একটি ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠান আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর হবে বলেও ডা. ধীরাজ উল্লেখ করেন। এদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর বাফা’র অনুষ্ঠানেই শিশু এলমা’র জন্য ১০৫০ ডলার সংগৃহিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অনুষ্ঠানে কর্মকর্তাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন রতন এম. হুদা, হাসিবুল হোসেন খান, আব্দুল্লাহ খান তুষার, আতাউর রহমান বাবুল, হুমায়ুন কবীর, ডা. আবুল কালাম আজাদ, মোদাসের হোসেন, ডা. কবীর হোসেন, ডা. ধীরাজ শাহ, মিজানুর রহমান প্রধান, জেসমিন সিদ্দিকা, জাবেদ মণির, সঞ্জয় সিকদার প্রমুখ। কর্মকর্তাদের মধ্যে সোহেল আহমেদ বাংলাদেশে থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।

নব গঠিত সংগঠন বাফা ইতিপূর্বে যে সমস্ত অনুষ্ঠান কোন সাংগঠনিক প্লাট ফর্ম ছাড়াই করেছিল সেসব অনুষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের একটি হিসাবও সকলের অবগতির জন্য তুলে ধরা হয়। একদিকে গতকালই বাফা ৮২ জন সদস্য পেয়েছে বলে উদ্যেক্তারা জানান। প্রবাসী বাংলাদেশীরা যারা অত্র অঞ্চলে বসবাস করেন তারা যে কেউই ১০ ডলার বাৎসরিক চাঁদার দিয়ে ‘বাফা’র সদস্য পদ গ্রহণ করতে পারেন বলে নব গঠিত সংগঠনের কর্মকর্তরা জানিয়েছেন। তবে সদস্য পদ ছাড়াও যে কোন বাংলাদেশী যেকোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে পারবেন। সদস্য পদ শুধুমাত্র ট্রাস্টি বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্বাচিত করার জন্য ভোট প্রদানের কাজে ব্যবহৃত হবে বলে জানা গেছে।

আয়োজকরা প্রবাসী বাংলাদেশীদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সব ধরনের কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করার জন্য উদাত্ত্ব আহ্বান জানান। আয়োজকরা অনুষ্ঠানের শুরুতে স্ন্যাকস ও সভা শেষে নৈশভোজের ব্যবস্থা করেন।


বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কাছে আবেদন করলেন জি আই রাসেল

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপসনিঊজ:যুক্তরাষ্ট্র থেকে :আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ বরাবরে আবেদন করেছেন ভার্জিনিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগ নেতা জি আই রাসেল। গত ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ এবং যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরীর বরাবরে আবেদন পত্র হস্তান্তর করেন জি আই রাসেল। এ সময় জি আই রাসেল এর সাথে উপস্থিত ছিলেন মেট্র ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ সিনিয়র সভাপতি সাদেক খান।

Picture

আবেদন পত্রে জি আই রাসেল দূতাবাসে অনুষ্ঠিত ঘটনার ভুক্তভোগী উল্লেখ করে বলেন অনিভিপ্রেত ঘটনার সামলাতে গিয়ে এখন আমি নিজেই ঘটনার ভুক্তভোগী হয়েছি। আবেদন পত্রে জি আই রাসেল বলেন, জন্ম থেকে তিনি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত এবং ওয়াশিংটনে আওয়ামী লীগের প্রচার প্রসার ও সম্প্রসারনে প্রায় পঁচিশ বছরের বেশি সময় ধরে অগ্রনী ভুমীকা পালন করে আসছেন।এদিকে জি আই রাসেল এর আবেদন পত্র গ্রহনকালে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ এবং যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরীর বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারে সর্বাতœক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন এবং খুব শিঘ্রই ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের প্রানপুরুষ জি আই রাসেল এর বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। বিজ্ঞপ্তি।


যুক্তরাষ্ট্রে পাটের বাজার অন্বেষণে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মাননীয় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জনাব মুহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক,এমপি এর উপস্থিতিতে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। কনস্যুলেট ভবনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী-আমেরিকান ব্যবসায়ী ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নাইন-ইলেভেন এ নিহতদের স্বরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

Picture

মন্ত্রী পাটের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও অর্থনীতিতে পাটের অবদান সম্পর্কে আলোকপাত করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার পাটের বাজার সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জনাব ইমাজ উদ্দিন ব্যবসায়ীদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রে পাটজাত দ্রব্যের বাজার অন্বেষণের আহবান জানান। বাংলাদেশের পাটজাত দ্রব্য আন্তর্জাতিক মানের উল্লেখ করে তিনি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের কাছে পাটজাত দ্রব্যের বিপণনের জন্য ব্যাপক প্রচার অভিযান পরিচালনারও আহবান জানান। তিনি আরও বলেন যে, ক্রেতাদের মাঝে পরিবেশ দূষণ হ্রাসে পাটজাত পণ্যের কার্যকারীতা তুলে ধরতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রে পাটজাত দ্রব্যের বাজার সৃষ্টির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।  

alt

মতবিনিময় সভায় সরকারের পাট ও পাটজাত দ্রব্যের রপ্তানি বাজার অন্বেষণের বিষয়ে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের ব্যাপক আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে তিনি পাটের তৈরী মনোগ্রাহী পণ্য উপস্থিত ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিতরণ করেন। প্রশ্নোত্তর পর্বের মধ্যে দিয়ে সভার পরিসমাপ্তি হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও মিশনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। কনসাল জেনারেল জনাব শামীম আহসান, এনডিসি, সভা পরিচালনা করেন।সভায় উপস্থিত অতিথীগণকে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে আপ্যায়িত করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে বাজার অন্বেষণের আহ্বান পাটমন্ত্রীর

উল্লেখ্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জনাব মুহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক,এমপি পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর পরে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।


সিলেটকে ‘সিস্টার সিটি’ করতে চান পেটারসন সিটি মেয়র হোযে টরেস

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্‌স নিউজ : সিলেট সিটির সাথে ব্যবসায়িক সুসম্পর্ক আরো জোরদারে আগ্রহী নিউজার্সীর বাংলাদেশী অধ্যুষিত পেটারসন সিটি। পেটারসন সিটির মেয়র হোযে টরেস বলেছেন, ‘সিলেটকে পেটারসন সিটির সিস্টার সিটি হিসেবে আগের মেয়র একটি পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেও তার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেননি। আমি সেটি করতে চাই ঘটা করে। একইসাথে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটির সাথেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রচনা করতে চাই।’ খবর বাপসনিঊজ।

Picture


 সিলেট সিটির সাথে ব্যবসায়িক সুসম্পর্ক আরো জোরদারে আগ্রহী নিউজার্সীর বাংলাদেশী অধ্যুষিত পেটারসন সিটি। পেটারসন সিটির মেয়র হোযে টরেস বলেছেন, ‘সিলেটকে পেটারসন সিটির সিস্টার সিটি হিসেবে আগের মেয়র একটি পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেও তার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেননি। আমি সেটি করতে চাই ঘটা করে। একইসাথে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটির সাথেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রচনা করতে চাই।’ ‘আমেরিকা-বাংলাদেশ এলায়েন্স’-এর প্রেসিডেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম গত শুক্রবার মেয়রের সাথে এ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। নিউইয়র্ক সিটির সন্নিকটে অবিস্থত পেটারসন সিটিতে ২০ হাজারেরও অধিক বাংলাদেশী বাস করছেন। এই সিটি কাউন্সিলের নির্বাচিতদের মধ্যে বাংলাদেশী মোহাম্মদ আকতারউজ্জামানও রয়েছেন। জালালাবাদ মসজিদ সংলগ্ন রাস্তাকে ‘জালালাবাদ স্ট্রিট’ ঘোষণা করা হয়েছে। কেনেডি হাই স্কুল সংলগ্ন পার্কে নির্মাণ করা হয়েছে স্থায়ী একটি শহীদ মিনার। শুধু তাই নয়, বাঙালিদের বিজয়ের দিন ১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে এই সিটি হলের সামনে আমেরিকার জাতীয় পতাকার পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করা হচ্ছে গত ক’বছর যাবত। অর্থাৎ বাংলাদেশীরা ক্রমাগতভাবে মূলধারার রাজনীতিতে জোরালো ভ’মিকায় অবতীর্ণ হওয়ায় এই সিটিতে বাংলাদেশও সমাদৃত হচ্ছে। এম এ সালামকে মেয়র বিশেষভাবে অনুরোধ জানান ঐ ৩ সিটি মেয়রের সাথে যোগাযোগ করে এ ব্যাপারে যথাশীঘ্র সম্ভব একটি সময় ধার্র্যের জন্যে। ‘সে সময়টি যদি বিজয় দিবসের সময় হয় তাহলে অতি উত্তম হবে। একইসাথে আমরা ‘সিস্টার সিটি’ কার্যক্রমও উৎসবমুখর পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করতে পারবো’-প্রত্যাশা মেয়র টরেসের। ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যেকার বিদ্যমান দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক আরো কার্যকর করতে চাই আমি’-বলেন মেয়র।
এ সময় বাংলাদেশের নারী ক্ষমতায়ন এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠত্বের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন এম এ সালাম। নানা প্রতিকূলতা সত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে সগৌরবে-উল্লেখ করে এম এ সালাম মেয়রকে অবহিত করেন যে, ‘বাংলাদেশের জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কন্যা শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান সন্ত্রাস নির্মূল যুদ্ধের সক্রিয় অংশিদার। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনা দৃঢ়ভাবে অঙ্গিকারাবদ্ধ।’ সালাম উল্লে­খ করেন, ‘বাঙালিরা কখনোই জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের ঠাঁই দেয় না। বাঙালিরা কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের চেষ্টা করছে। এই সিটিতে আমরা যারা বাস করছি তারাও শান্তিপ্রিয় মানুষ এবং আমেরিকান স্বপ্ন পূরণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেষ্ট রয়েছি। তবে আমরা কেউই বাঙালি চেতনা ও মূল্যবোধ বির্সর্জন দেইনি।’ এসব কথা জেনে মেয়র টরেস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের সমৃদ্ধি কামনা করেন।