Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

‘বাংলাদেশের পণ্যের শুল্ক-কোটামুক্ত প্রবেশের যৌক্তিকতা রয়েছে’

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :প্রভাবশালী মার্কিন কংগ্রেসওম্যান এবং বাংলাদেশ ককাসের সদস্য ক্যারোলিন বি. মেলোনি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশের দীর্ঘদিনের দাবির যথার্থতা সমর্থন করেছেন। তিনি উগ্র ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে  বর্তমান সরকারের লড়াই এবং বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে নারীর ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন।ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন স্থানীয় সময় সোমবার নিউইর্য়র্কের ম্যানহাটনে কংগ্রেসওম্যানের অফিসে ক্যারোলিন মেলোনির সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। এসময় মেলোনি বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। বর্তমানে যখন দেশটি সন্ত্রাসবাদ এবং ধর্মীয় উগ্রতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে তখন কেন তারা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে না? তিনি আশ্বাস দেন ককাসের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে একযোগে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তুলে ধরবেন এবং যাতে বাংলাদেশ বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা পেতে পারে।

প্রায় ৩০ মিনিট স্থায়ী বৈঠকে রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, নারীর ক্ষমতায়ন, দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বহুমুখী সহযোগিতাসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মেলোনিকে অবহিত করেন। 

 

‘বাংলাদেশের পণ্যের শুল্ক-কোটামুক্ত প্রবেশের যৌক্তিকতা রয়েছে’ 

রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে এখন শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে এবং দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ এমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার দোরগোড়ায় উপস্থিত। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে যা চূড়ান্তভাবে নারীর ক্ষমতায়নের অবদান রাখবে।  রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বর্তমানে ঢাকা এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসারিত ও গভীর হচ্ছে এবং পার্টনারশিপ ডায়লগ, সিকিউরিটি ডায়ালগ এবং টিকফা বাস্তবায়নে দু’দেশের সম্পর্ক আরও প্রসারিত করছে। রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার সকল ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স কার্যক্রম গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, জামায়াত এবং অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠী যাদের অনেকেই আফগান যুদ্ধে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে তারাই এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ  বেশ কিছু বন্ধুভাবাপন্ন দেশ এই সন্ত্রসী কার্যক্রম নির্মূলে সহযোগিতা করে আসছে।

কংগ্রেসওম্যান মেলোনি জানতে চান কেন বাংলাদেশ সরকার এই সকল ধর্মীয় উগ্রবাদী দলগুলোকে পরিহার করছে না-  উত্তরে রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন বলেন যে সরকার এই ব্যাপারে সক্রিয় চিন্তাভাবনা করছে।রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সংগঠিত ইতিহাসের কলঙ্কজনক হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কংগ্রেসওম্যান মেলোনিকে অবহিত করেন।তিনি বলেন, ঐ কালরাতে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা করা হয়। কংগ্রেসওম্যান মেলোনি এই মর্মান্তিক ঘটনা শোনার পর বাহ্যত অভিভূত হয়ে পড়েন এবং বলেন ‘কি মর্মান্তিক ঘটনা’। তিনি আসন্ন জাতিসংঘ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।  কংগ্রেসওম্যান মেলোনি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। 


যুক্তরাষ্ট্রে সাকিব-শিশির

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে দুই সপ্তাহের ছুটি পেয়েছেন টাইগাররা। তাই স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উড়াল দিলেন সাকিব আল হাসান।টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জয়। টেস্টেও ভালো খেলছে টাইগাররা। খুশির জোয়ারে ভাসছে পুরো বাংলাদেশ। আর এই খুশির একজন মহানায়ক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।ব্যক্তিগত জীবনেও পাচ্ছেন সবচেয়ে বড় খুশির সংবাদ। সব ঠিক থাকলে আগামি নভেম্বরেই বাবা হচ্ছেন এই বিশ্বসেরা তারকা। অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার সাথে খেলা থাকার কারণে স্ত্রী শিশিরকে তেমন সময় দিতে পারবেন না সাকিব। তাই এই ছুটিতে পুরো সময়টা স্ত্রীকে দেবার জন্য পাড়ি জমাচ্ছেন সুদূর আমেরিকায়।

Picture

যাওয়ার আগে নিজেদের একটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে আপলোড করেন সাকিব। আর ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন ‘অফ টু ইউএসএ’। দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে সিরিজ চলাকালে হঠাৎ চারদিকে গুজব ছড়িয়ে পড়ে বাবা হচ্ছেন সাকিব। তারপর নিজেও এর সত্যতা স্বীকার করেন। কয়েকদিন আগে নিজের রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন করার সময় জানান সন্তানের নামও ঠিক করে ফেলেছেন তারা। এখন শুধু অপেক্ষা অনাগত সন্তানের আগমনের।


যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জাসাস নেতা জানেন না তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে সজিব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার হুমকি কারনে

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতি সংস্থার (জাসাস) নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার খবর প্রবাসীদের সবার কানে পৌঁছলেও আসামী নিজ কিছুই জানেন না। গত সোমবার রাতে ঢাকার পল্টন থানায় মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) এক কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি-দক্ষিণ) পরিদর্শক ফজলুর রহমান- সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে তিনি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতি সংস্থার (জাসাস) নেতা মোহাম্মদ উলালহ মামুনের নাম উলেলখ করা হয়েছে। মোহাম্মদ উললাহ মামুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে কারাভোগকারী রিজভী আহমেদ সিজারের বাবা।

mamunগত মঙ্গলবার দুপুরে এ মামলার ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের ড্যানবুরির বাসিন্দা জাসাস নেতা মোহাম্মদ উললাহ মামুন বার্তা সংস্থা বাংলা বাপসনিজকে বলেন, তিনি এ মামলার ব্যাপারে কিছুই জানেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে কোন প্রকার অপহরণের চেষ্টা কিংবা হত্যার হুমকি দেওয়া হয়নি। এতদিন পর যিনি এ মামলা দায়ের করেছেন তিনি জয়ের মঙ্গল চান না। কারন কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে পড়বে এটা নিশ্চিত জেনেই এ মামলা করা হয়েছে। মোহাম্মদ উললাহ মামুন আরও বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার হুমকি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে তাঁর ব্যাংক একাউন্টে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ খোঁজার চেষ্টা চলছিল। এটা জেনেও যাদের নির্দেশে এ মামলা করা হয়েছে তারা কখনই জয় বা তাঁর পরিবারের ভালো চান না। তারা জয় ও তার পরিবারকে আরো বিপদে ফেলবেন।
উলেলখ্য, বিএনপির কেন্দ্রিয় কমিটির উচ্চ পর্যায়ের এক নেতার নির্দেশে য্ক্তুরাষ্ট্র প্রবাসী বিএনপির নেতার ছেলে রিজভি আহমেদ সিজার এফবিআইয়ের স্পেশাল এজেন্টকে ঘুষ দিয়েছিল। তাদের এ কাজে সহায়তা করেন একজন মার্কিন নাগরিক। তবে বিএনপির কেদ্রিয় কমিটির উচ্চ পর্যায়ের একজন নেতার (নাম প্রকাশ না করে) নির্দেশে এবং তত্বাবধানে তাঁর ছেলে রিজভি এ কাজে হাত দিয়েছিল। কিন্তু পরে ওই নেতা বেঈমানী করেছে। তিনি বলেন, বিএনপির ঐ নেতাকে সবাই চেনেন, তিনি বর্তমানে আওয়ামীলীগের হয়ে কাজ করছেন। সময় এলে তিনি বিএনপির ওই নেতার নাম ফাঁস করে দেবেন বলে উলেলখ করেন মোহাম্মদ উললাহ মামুন।


এদিকে, এফবিআইএর এক এজেন্টকে ঘুষ দিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়ে তাঁর ক্ষতি করার চেষ্টা মামলায় দু’ব্যক্তিকে কারাদন্ড দিয়েছে মার্কিন আদালত। দন্ডিত এই দুই ব্যক্তি হচ্ছেন বাংলাদেশী-বংশোদ্ভূত রিজভি আহমেদ এবং জোহানেস থেলার। তারা দু’জনেই কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা। মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ‘বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তির’ ক্ষতি করার জন্যই তার সম্পর্কে গোপন তথ্য বের করার পরিকল্পনা করেছিলেন রিজভি আহমেদ এবং জোহানেস থেলার। ইউএস জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে এই মামলা সংক্রান্ত সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম উলেলখ করা হয়নি। মার্কিন বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, রিজভি আহমেদকে ৪২ মাসের কারাদন্ড এবং জোহানেস খেলারকে ৩০ মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। রিজভি আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি-সমর্থক জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থার একজন নেতা। রিজভি ও থেলার পরস্পরের পরিচিত ছিলেন এবং নিউইর্য়েকের হোয়াইট পেইন্সএ এফবিআইয়ের একজন সাবেক বিশেষ এজেন্ট রবার্ট লাস্টিক ছিলেন থেলারের একজন বন্ধু। ২০১৪ সালেই ঘুষ দেয়া এবং দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের কথা স্বীকার করেন এই দুজন। তারা বলেন যে লাস্টিক – রিজভি আহমেদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে এফবিআইয়ের ভেতর থেকে গোপন তথ্য বের করে তাকে দিতে রাজী হয়েছিলেন। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১২ সালের মার্চ পর্যন্ত লাস্টিক ও খেলারের মধ্যে টেক্সট মেসেজ বিনিময় হয়। এতে তারা কি ভাবে রিজভি আহমেদের কাছ থেকে আরো টাকা নেয়া যায় তা নিয়ে কথা বলেন। লাস্টিকও এই মামলায় বিচারাধীন । তিনি দোষ স্বীকার করেছেন এবং ৩০শে এপ্রিল তার দন্ড ঘোষণা করা হয়।


নিউইয়র্কে এইচ টি ইমাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর পরই দেশের প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ শুরু করে

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

Picture

 এইচ টি ইমাম বলেন, জাতির পিতা ১৯৪৮ সাল থেকে সব আন্দোলন-সংগ্রামে বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব দেন। গোটা জাতিকে ধাপে ধাপে বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করেন। এভাবে ১৯৬৬, ’৬৮, ’৬৯  -এর পথ বেয়ে সত্তরের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ বিজয় অর্জন করে। এইচ টি ইমাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর পরই দেশের প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ শুরু করে। তখনকার বাঙালি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের বিষয়ে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।এইচ টি ইমাম তাঁর লেখা দুটি বই - বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১ এবং বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১-১৯৭৫ এর বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেন। তখনকার প্রশাসনিক কর্মকা- পরিচালনার বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। যা ইপিআরের ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে প্রচারিত হয়।
 এইচ টি ইমাম বলেন, জাতির পিতার স্বাধীনতা ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র জারির মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করেন। জাতির পিতাকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি করে সরকার গঠিত হয়। স্বাধীনতার এই ঘোষণাপত্র ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ থেকে কার্যকর দেখানো হয়। এই সরকারই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন।

alt
 এইচ টি ইমাম জাতির পিতার নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠন এবং কৃষি ও শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থা সচল করার ক্ষেত্রে সরকারের কর্মকা-ের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন। জাতিসং  ঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন।


জর্জিয়া যুবলীগের আহবায়ক কমিটিই বৈধ- কেন্দ্রীয় কমিটিঃ তবুও কেন পাল্টা কমিটিকে সমর্থন?

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

বাপসনিঊজ: অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাবেক কমিটির সভাপতি মেজবাহ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আলমকে দল থেকে বহিস্কারের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিটি  জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমানের ফেস বুকের মাধ্যমে  জনসমক্ষে প্রচারিত হল। কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান ওমর ফারুখ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ স্বাক্ষরিত এই ঘোষণার কপিটি হাতে আসার পরই জর্জিয়া আওয়ামীলীগ দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাহিদকে দল থেকে অব্যাহতিও প্রদান করলো দলের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি, অসাংগঠনিক কার্যকলাপে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তি বিনষ্টসহ দলের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণের কারণে।

স্মরণ করা যেতে পারে, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের তারেকুল হায়দার চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আহবায়ক কমিটিই যে কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদিত কমিটি, সেই বিষয়টি নিশ্চিত হয়েই সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় আটলান্টায় মেজবাহ’র অনুসারী জর্জিয়া যুবলীগের নাহিদের নেতৃত্বাধীন কমিটির ইফতার পার্টিতে যোগদান থেকে বিরত ছিলেন এবং ঐ সময় জর্জিয়া আওয়ামীলীগের ইফতার পার্টিতে জর্জিয়া যুবলীগ আহবায়ক কমিটির আহবায়ক মোশারফ ও সদস্য সচিব সুমনকে ফুলেল শুভেচ্ছাও জানান। একইভাবে উপমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে নিউ ইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ  তারেকুল হায়দার চৌধুরীর আহবায়ক কমিটির  মত বিনিময় সভাতেও প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। অবশ্য এর আগে একইদিনে তিনি মেজবাহ’র অনুসারীর সভাতে গিয়েও মাননীয় উপমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান ওমর ফারুখ চৌধুরীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহবান জানিয়েছেন।

Picture

অথচ এরপরও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সিনিয়র কোন কোন নেতা ওমর ফারুখ চৌধুরীর  ঐ নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সেটিকে তোয়াক্কা না করে আজও কেন মেজবাহ’র নেতৃত্বাধীন কমিটিকে সমর্থন দেয়াসহ সেই কমিটির আওতায় অন্যান্য রাজ্যের আহুত সভাগুলিতে অতিথি হিসেবে নির্দ্বিধায় যোগদান করে যাচ্ছেন, এই প্রশ্নের কোন উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অনুসারী প্রবাসীরা।

এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি ২০১৩ সালের ১৫ জুন তারিখের নির্দেশনা অনুযায়ী মেজবাহ’র কমিটিকে বিলুপ্ত করাসহ মেজবাহ ও ফরিদকে বহিস্কার করা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ তার এক বছর পর গত ১৪ সেপেম্বর তারিখে আবারও মেজবাহ ও ফরিদের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের কার্যক্রম চালিয়ে নেয়ার জন্যে কেনই বা ওমর ফারুখ চৌধুরীর কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল এই বিষয়টিও অনেকের কাছে  আজও প্রশ্নবোধক হয়েই থমকে রয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের কোন কোন সিনিয়র নেতা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের অনুমতিতেই মেজবাহ’র পুরনো কমিটি কাজ করে যাচ্ছে এবং কমিটির এই সিদ্ধান্তকে মেনে চলা সকলেরই উচিত বলেও মন্তব্য করছেন। ফলে এই সমান্তরাল পাল্টা কমিটির অব্যাহত প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ প্রবাসীরা আজ সত্যিকার অর্থেই  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের এই দ্বৈত নির্দেশনার ধুম্রজালে আচ্ছাদিত ও বিস্মিত।


নিউইয়র্কে অসুস্থ সাংবাদিক পীর হাবিব

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

Peerhabib

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলাম লেখক পীর হাবিবুর রহমান গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন। সম্প্রতি নিউইয়র্কে ব্যক্তিগত সফরে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন গুণী এই সাংবাদিক। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় স্বজনরা তাকে প্রথমে কিংস হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অবস্থা জটিল হওয়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ রেফার করেন স্পেশালাইজড হৃদরোগ হাসপাতাল লং আই ল্যান্ড জুইস মেডিকেল সেন্টারে।ওই হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করার পর চিকিৎসক কার্ডিওলজিষ্ট আলেকজান্ডার লি জানান, পীর হাবিবের হার্টে বাংলাদেশে লাগানো দুটি রিং ঠিক আছে। হার্ট এটাক হয়নি কার্ডিয়াক এনজাইনা হয়েছে।
ইতোমধ্যে পীর হাবিবকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে নিউইয়র্কে স্বজনের বাসায় আছেন এবং খানিকটা সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।বরেণ্য সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে পত্রিকাটিকে খুব অল্প সময়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষস্থানে তোলেন। পরবর্তীতে তিনি কয়েক মাস আগে দৈনিক মানবকন্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন।


নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশ কনভেনশনের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে : ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ম্যানহাটানের ‘দ্য প্যান প্লাজা প্যাভেলিয়নে’ ২৯তম এনএবিসি সম্মেলন

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :আমেরিকায় বাংলাভাষা ও বাঙ্গালীর হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে নিরন্তর প্রয়াসে লিপ্ত নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশ কনভেনশন। তারই ধারাবাহিকতায় এবার নিউইয়র্কে বসছে নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশ কনভেনশন (এনএবিসি)-এর উনত্রিশতম আসর। আগামী ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর দুই দিন অনুষ্ঠিত হতে হবে ২৯তম নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশ কনভেনশন।এবারের আসরের মূল শ্লোগান হচ্ছে ‘ নতুন প্রজন্মে বাংলাভাষা ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়া এবং মূলধারার সাথে কমিউনিটিকে আরো বেশি সম্পৃক্ত করা।’ একটি সার্থক এনএবিসি কনভেনশন আয়োজনের জন্য বিশ্বের বাণিজ্যিক রাজধানী নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের অভিজাত পেনসিলভেনিয়া হোটেলের ‘দ্য প্যান প্লাজা প্যাভেলিয়নে’। হৃদয় কাঁড়া এই কনভেনশনকে সফল করতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সাংষ্কৃতিক আয়োজনকে সফল করার লক্ষ্যে গত ২২ জুলাই জ্যাকসন হাইটসের পালকি সেন্টারে এনএবিসি ২০১৫ এর সাংস্কৃতিক উপকমিটির প্রথম সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় যোগ দিয়েছিলেন নিউইয়র্কের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একঝাঁক তারকা শিল্পী ও সংগঠক। নিউইয়র্কের পনেরটি সাংস্কৃতিক স্কুলের কর্মকর্তারা এ সভায় অংশ নেন। এনএবিসি ২০১৫ কালচারাল কমিটি চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউইয়র্কের সাংষ্কৃতিক সম্পাদিকা মনিকা রায়ের পরিচালনায়
প্রায় ৪ ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সম্মেলনকে সার্থক রূপায়নে সম্মেলনের দুটি দিনে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করে নিউইয়র্কের প্রায় সকল কালচারাল সংগঠন সংগীত শিল্পিরাও সংগীত স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা আলোচনায় অংশ নেন। পুরো অনুষ্ঠানটি আনন্দে মুখরিত হয়ে ওঠে। কনভেনর রফিক আহমেদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর আলোচনায় অংশ নেন মেম্বার সেক্রেটারি দিদারুল ইসলাম, সিনিয়র কো অর্ডিনেটর হারুন ভূঁইয়া, সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক ও চ্যানেল আইয়ের নিউইয়র্ক প্রতিনিধি রাশেদ আহমেদ।

নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশ কনভেনশনের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে : ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ম্যানহাটানের ‘দ্য প্যান প্লাজা প্যাভেলিয়নে’ ২৯তম এনএবিসি সম্মেলন  

দুই দিনের এই সম্মেলনকে সার্থক করে তুলতে প্রবাসের সংগীত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষিকাসহ সকল শিল্পী সহযোগিতায় বদ্ধপরিকর। কালচারাল স্কুলগুলোর মধ্যে রয়েছে সদারঙ স্কুল অব মিউজিক, সংগীত পরিষদ, সুরবাহার, হিন্দোল সঙ্গীতালয়, বহ্নিশিখা সংগীত নিকেতন, স্মরলিপি স্কুল অব মিউজিক, প্রিয়া ডান্স স্কুল, নজরুল একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি ইউএসএ, বাংলাদেশি অর্গেনাইজেশন, ম্যানহাটন বাংলা ও সাংস্কৃতিক স্কুল, পণ্ডিত কৃষাণ মাহারাজ তাল তরঙ্গ ইনস্টিটিউট, ওস্তাদ খুরশীদ খান ইনস্টিটিউট, হাবিবা এক্সপ্রেস। প্রবাসে এই প্রথম নিউইয়র্কের কালচারাল স্কুলের কর্মকর্তাদের এক সাথে সম্মান জানিয়ে মঞ্চে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, এডভোকেট মুজিবুর রহমান ফাহাদ সোলেমান, মীনা ইসলাম, ওস্তাদ তপন বৈদ্য স্বপ্না কাওসার, ফটিক চৌধুরী, মনিকা চৌধুরী, সবিতা দাস, উৎপল চৌধুরী, বাবলী হক, তপন মোদক। দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে যে সকল প্রবাসী শিল্পীরা অংশগ্রহণ করবেন তারা হলেন স্বপ্ন কাওসার, জিনাত রেহানা, রতœা, কামরুজ্জামান, বকুল, তানভীর, শাহীন, বীনা বর্মন, রিনা চৌধুরী শাহ মাহবুব, ফারজানা পপি, করিম হাওলাদার, নাঈমা লাবনী, শম্পা হক, শাহরীন সুলতান দেলোয়ার হোসেন, জিল্লুর রহমান, বাবলী হক, আলেয়া ফেরদৌসী, কণিকা দাস, অপর্ণা দাস, গোপাল দাস, ইরাপাল, এরিনা করিম, রুবিনা শিল্পী, সেলিম ইব্রাহীম, রুনা রায়, লিটন ফিলিপস, সৌরভ, হাফিজ, কাউসার আলমগীর, মিজানুর রহমান মিজান, কামাল, সুমন, চন্দ্রা রায়, ফরহাদ, ফেরদৌসী ইকরাম, জুয়েল বৈদ্য, মিলন কুমার, ফারজানা এনী, মুক্তি সরকার, লেমন চৌধুরী, শাহানাজ আলম, শাহানাজ বেগম, মনিরুজ্জামান মনির, সুরভী ইসলাম, রওশন হাসান, আব্দুল আলীম, রাজেশ শাহা, ডালিয়া রহমান, কৌশলী ঈমা, মনিকা রায়, চমন আফরোজ, মনিকা দাস, আঞ্জুয়ারা মনিকা, শারমীন, স্মৃতি হাওলাদার, কানিজ আয়েশা, সালমা জামান, জামান বিটু, রিফাত ইসলাম, কামরুজ্জামান, অপু বিশ্বাস, আনিকা ইসলাম রোজ, মালিয়া, কৃষ্ণা তিথি, শামীম সিদ্দিকী, সুরভী ইসলামসহ আরো অনেক, যন্ত্র সংগীতে রয়েছেন তপন মোদক, রাকেশ ব্যানার্জী, পার্থগুপ্ত, রিচার্ড, রীড ও খুশবু আলম। এনএবিসি-২০১৫ এর কালচারাল চেয়ারম্যান মনিকা রায় বলেন, আয়োজক কমিটি একটি পরিচ্ছন্ন মতাদর্শের কমিটি। প্রবাসের আঞ্চলিক ও পেশাজীবি সকল সংগঠনকে এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রবাসী শিল্পীরাই আমাদের গর্ব স্বপ্নের এই সম্মেলনকে সার্থক রূপায়নে এ প্রজন্মের প্রবাসী ছেলে মেয়েদেরকে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান। মেম্বার সেক্রেটারি দিদারুল ইসলাম বলেন, প্রবাসী শিল্পী ও কালচারাল স্কুলকে এ সম্মেলনে প্রাধান্য দেয়া আমাদের লক্ষ্য। প্রবাসী শিল্পীরাই আমাদের কালচারাল এরিয়াকে আরো ৗধডদ করে তুলছেন। তাদের সম্মান রক্ষা ও শ্রদ্ধাবোধ আমাদের লক্ষ্য। প্রবাসী শিল্পী সমাজের ঐক্যকে অটুট রাখার অঙ্গীকার এ সম্মেলনে। গুরু তপন বৈদ্য বলেন, নতুন প্রজন্মে সংস্কৃতির কর্মকান্ডে উজ্জীবিত হবে এনএবিসি ২০১৫। এনএবিসি-২০১৫ দিয়েই প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক জগৎ সৃষ্টি হবে। সমবেত কণ্ঠে সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।


স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব -এর যুক্তরাষ্ট্রে কমসুচী

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,আয়েশা আকতার রুবি,বাপসনিজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি গত ১৬ জুলাই ভোরে তার্কিস এয়ারলাইন্স যোগে স্বপরিবারে তাঁর হৃদরোগের রুটিন ‘চেক-আপের’ জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে একই দিন ইফতারের পূর্বে নিউইয়র্ক পৌছান এবং প্রবাসী বাঙালী কামিইনিটি ব্রোসেল্স এর এক ইফতার পার্টিতে যোগ দিয়ে মতবিনিময় করেন। খবর বাপসনিঊজ:
১৭ জুলাই ২০১৫ সকালে ‘কুইন্স ইড সাইডে’ ঈদের জামাতে নামাজ আদায় করেন। সন্ধ্যয় বাঙালী অধ্যুষিত ‘জেকসন আইর্টের’ খাবার বাড়ীতে প্রবাসী বাঙালীদের সাথে মতবিনিময় ও জনাব রবের রাজনৈতিক সচিব বাংলাদেশের লোক গীতির বিশিষ্ট গীতিকার  শহীদুল¬াহ ফরায়জীর জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

১৮ ও ১৯ জুলাই জনাব রব স্থানীয় ‘মিলিনিয়াম টিভিএন২৪ টিভি এম ও টাইমস টিভি সাথে সাক্ষাৎকার ও টকশোতে অংশগ্রহণ করেন।
২২ জুলাই বোষ্টন গমন করেন এবং প্রবাসী কমিউনিটির সাথে মত বিনিময় ও  ‘জেএসডি’ সমর্থক ফোরামের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করে কমিটি পূর্নগঠন করে নাহিদ সিতারাকে সভাপতি, মো ঃ বেলালকে সাধারণ সম্পাদক,  আনোয়ার হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও  নজরুল ইসলামকে দপ্তর সম্পাদক করে দুই বছরের জন্য (২০১৫-১৬) কমিটি পূর্নগঠন করেন।
২৫-২৬ জুলাই মেডিসিনের ডাক্তারের সাথে সাক্ষাৎকার সম্পন্ন করেন। ২৭ জুলাই ও ৩০ জুলাই সকালে কার্ডিওলজি, নিউরোলজি, অর্থপেডিক্স ডাক্তারের সাথে সাক্ষাৎকার শেষ করেন।

২৭ জুলাই সোমবার,সন্ধ্যায় নিঊইয়কের  জেকসন হাইটস এর জুইস সেন্টারে প্রবাসী বাঙালী সমাজ কর্তৃক আয়োজিত সার্বজনিন মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসে অবস্থানরত বিভিন্ন দলের সাবেক সংসদস্য বৃন্দ,বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতির সংগঠন, পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইলেক্টনিক মিডিয়া ও প্রেস মিডিয়ার সংবাদিক ও বুদ্ধিজীবিগণ বক্তব্য রাখেন।

৩১ জুলাই পূন:রায় সকল পরীক্ষা-নিরিক্ষার রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারের সাথে সাক্ষাৎকার শেষ করেন।
১লা আগষ্ঠ জেকসন হাইট এ প্রবাসী  লক্ষ্মীপুর জেলা সমিতি ইঊএসএ-র পক্ষ থেকে এবং ২রা আগষ্ঠ ‘ব্রুকলেনের কুইন্স’ পার্কে প্রবাসী  নিউক্লার্ক ফ্রেন্ড এন্ড ফ্যামেলীর পক্ষ থেকে সমবর্ধনায় অংশগ্রহণ করবেন।

দেশে ফেরার পথে জার্মানির ‘মিউনিকে’ প্রবাসী বাঙালী ও ‘জেএসডি’ সমর্থক ফোরাম এর আমন্ত্রণে মত বিনিময় সভায় অংশগ্রহণ ও প্যারিসে (ফ্রান্স) জেএসডি সমর্থক ফোরামের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল ও প্যারিসে অবস্থানরত প্রবাসী নোয়াখালী সমিতির সম্বর্ধনায় অংশগ্রহনের কথা রয়েছে। 


বাংলাদেশ ট্রেড ফেয়ার নিউইয়র্ক ২০১৫

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :আর্টিষ্টরান নিয়মিত ভাবে চিত্র প্রদশণীসহ বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজন করে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৮, ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ এস্টোরিয়ার সাউন্ড ভিউ সেন্টারে (এনটিভি ভবন) আয়োজন করা হচ্ছে বাংলাদেশ ট্রেড ফেয়ার , নিউইয়র্ক,২০১৫। আর্টিষ্টরানের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের প্রথম সারির উদ্যোক্তা ও রপ্তানীকারকদের অংশ গ্রহনের মাধ্যমে নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশী পন্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানী বাজার। তৈরী পোষাকের পাশাপাশি নীটওয়ার, চিংড়ি, হিমায়িত মাছ ও কৃষি ভিত্তিক পন্য, হস্তশিল্প প্রভৃতি পন্যের চাহিদা রয়েছে। এ মেলায় বাংলাদেশী পন্যকে ক্রেতাদের সাথে পরিচয় এবং তার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী কমিউনিটির কাছাকাছি নিয়ে আসবে। ক্রেতাদের সুবিধার্থে মেলায় পন্য বিক্রয় এর ব্যবস্থা থাকবে। তিন দিন ব্যাপী মেলা চলাকালীন সময়ের বিভিন্ন পর্যায়ে চমকপ্রদ অনুষ্ঠান ও সেমিনার আয়োজন করা হবে।
ট্রেড ফেয়ারে অংশ গ্রহনকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের রপ্তানী প্রসারের প্রয়াসে স্থানীয় চেম্বার অব কমার্স, স্টেট ও ফেডারেল এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশ গ্রহন থাকবে। মেলায় যে সব পন্য প্রদর্শিত হবে – হোম টেক্সটাইল, ফ্রোজেন ও প্রসেস খাবার, চামড়া ও চামড়াজাত পন্য, পাটজাত সামগ্রী, হস্তশিল্প, প্রসাধনী, আইটি পন্য, শাড়ী ফ্যাশন হাউস, বুটিক, রিয়েল ষ্টেট।

বাংলাদেশ ট্রেড ফেয়ার নিউইয়র্ক ২০১৫  আর্টিষ্টরান বরাবরই তাদের প্রতিটি আয়োজনে আধুনিক ও নতুনত্বের ছাপ নিয়ে আসে। সেই সাফল্যের পথ ধরে আয়োজকরা একটি ব্যতিক্রম ও সফল ইভেন্টর প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন।
বানিজ্য মেলায় ৩০-৩৫ টি স্টল থাকবে। বিভিন্ন চেম্বার অব কমার্স ও অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সমূহ মেলায় সহযোগীতা করছে। নিউইয়র্কের এবং বাংলাদেশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এবং নির্বাচিত জন প্রতিনিধি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকবেন। ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশী কমিউনিটিতে বাংলাদেশীয় পন্যের ব্যাপক চাহিদার বিষয় বিবেচনায় রেখে মেলায় পন্য বিক্রয়ের ব্যবস্থা থাকছে।
বানিজ্য মেলার উদ্দেশ্য:
১. বাংলাদেশী পন্য বিশ্ববানিজ্য বাজারে সম্প্রসারন।
২. বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তথা বিশ্ব বাজারের সংযোগ এবং বিশ্ববানিজ্য সংস্কৃতির সাথে বাংলাদেশের সেতু বন্ধন।
৩. যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের সাথে বাংলাদেশের উৎকৃষ্ট মানের পন্যের মার্কেট সৃষ্টি করার ব্যবস্থা করা।
৪. বাংলাদেশের পন্য রপ্তানী কারক ব্যবসায়ীদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড কোম্পানী এবং আমদানী কারকদের সাথে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা। বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সংস্থা এবং নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্রের আমদানী রপ্তানী কারক সংস্থা গুলোর সাথে সমন্বয় তৈরীতে সহযোগিতা করা।
৫. যুক্তরাষ্ট্র তথা নিউইয়র্কে অবস্থানরত বাংলাদেশী পন্য সরবরাহকারী ব্যবসায়ীদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে মূলধারার ব্যবসায়ীদের সংযোগ তৈরীতে সহযোগিতা করা।
৬. বাংলাদেশের তৈরী উৎকৃষ্টমানের সেরা মার্কেট কে বিশ্ব বাজারের দ্বারে পৌছানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা।
৭. যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে দেশী পন্যের আগ্রহ বৃদ্ধি।
মেলার বিস্তারিত পাওয়া যাবে। www.bdtfny.com


জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জে এসডি সমর্থক ফোরাম যুক্তরাষ্টে কর্মী সমাবেশ ৮ আগষ্ট শনিবার

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল যুক্তরাষ্ট শাখা (সমর্থক ফোরাম ) ৮ই আগষ্ট শনিবার ২০১৫ সন্ধা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে নিউইয়র্কের বাঙ্গালী JSD BAPSঅধ্যাষিত জ্যাকসন হাইটেসে  সন্ধা ৭টায় (৩৬-০৬,৭২ ষ্ট্রীটূ) খবর বাপসনিউজ জেএস ডি যুক্তরাষ্ট্র সমর্থক গোষ্ঠী কর্মীসভা । সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জেএসডি কেন্দ্রিয় সভাপতি আ স ম আব্দুর রব এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রিয় সদস্য ও বিশ্ব বাঙ্গালী ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট তানিয়া ফেরদৌসী রব । উক্ত কর্মী সভায় প্রবাসের সাংবাদিক,লেখক ও বুদ্দিজীবি সহ সকল প্রবাসীদের স্বাদর আমন্ত্রন জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ও সাধারন সম্পাদক সামসুদ্দিন আহম্মেদ শামীম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মীর তসলীম উদ্দিন খান ,ফোন; ৩৪৭-৩২৩-৪৪৭০ ও ৬৪৬-২৬০-৪২১২, উক্ত কর্মী সভায় সভাপতিত্ব  করিবেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি এর সভাপতি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ও পরিচালনা করিবন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারন সম্পাদক শামসুদ্দিন আহমেদ শামীম এবং  স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন সাংগঠনি সম্পাদক তসলিম উদ্দিন খান।


BROOKLYN Borough president awarded Directors of Bangla Center

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০১৫

Hakikulislam Khokan : Bapsnews N Y : Brooklyn Borough President awarded Directors of Bangla Center on Monday August 3rd 2015. The event was organized by Bangla Center USA Inc, which is a not-for-profit organization. It was held in the heart of the Bangladeshi Community in Brooklyn New York. Bangla Center arranged a discussion on behalf of the magazine opening and award ceremony at Radhuni Restaurant which is located at 483 McDonalds Ave.

BROOKLYN  Baps

The program was opened by the Director of the Bangla Center USA Inc, Mohammad Moinul Alam Bappi. Honorable NYC councilman Mathieu Eugene was the chief guest at the opening ceremony. Afterwards; Ms. Shireen Ullah, editor of the Prottoy Magazine introduced herself and describe the magazine's first edition. Mohammad Mahab who is director of the Bangla center stated his mission and vision to the audience. A special speech was given by the Director Kazi Rashid; he highlighted the center’s program. Before ending the Program Director Dr. Sheikh Hassan gave a special speech on behalf of the opening ceremony of the Magazine.

BROOKLYN  Baps 2

Towards the end of the program a citation was received from Brooklyn Borough president and was happily handed over to the 5 Directors of Bangla center USA, Inc. Those who received citations from The Brooklyn Borough President at the ceremony were Dr. Shaikh Hassan MD, Director Shireen Ullah, Director Ashiqul Saiyed, Director Moinul Alam, and Director Mohammad M Mahab. They received citations because of their hard work and community services; especially services regarding immigrant issues and teaching English. After the ceremony ended, dinner was served to everyone present. Many other Bangladeshi community leaders and electronic media personal participated and enjoyed the program including Arfin Juli  Mohammad Islam, Mehdi Hassan, Eng Ahsanul Haque, Ms. Shelley Rezwana, Nasreen Malik, Ms. Farzeen Rakiba, Akter Khondoker (JugLu), Hea Malik, Azim Uddin Ovi (Special Correspondence Representative) from Bangla Vision, Belal Ahmed Editor Bortoman Bangla .