Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

বিএনপির বিক্ষোভে ড. ইউনূসের 'যোগদান' নিয়ে বিভ্রান্তি

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ :নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীদের বিক্ষোভে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যোগদান নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।ড. ইউনূস ওই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন দাবি করে কিছু সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তবে বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে ইউনূস সেন্টার।সোমবার ইউনূস সেন্টার থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, বিএনপির বিক্ষোভে ড. ইউনূসের যোগ দেয়ার খবর ‘ভুয়া’।এতে বলা হয়, প্রফেসর ইউনূস ২৭ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে একটি মিটিং শেষ করে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের পাশে একটি সড়ক দিয়ে অপর একটি মিটিংয়ের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাচ্ছিলেন। তার যাবার পথে রাস্তায় তিনি একটি প্রতিবাদ সমাবেশের ভেতর দিয়ে পার হন।


প্রসঙ্গত, গত রোববার দুপুরে নিউ ইয়র্কের হিলটন হোটেলের বলরুমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ।একই সময় ‘কোয়ালিশন অফ বাংলাদেশি অমেরিকান অ্যাসোসিয়েশনের’ ব্যানারে হোটেলের সামনের রাস্তায় বিক্ষোভ করছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি-জামায়াত সমর্থকরা।বিক্ষোভ চলকালে ড. ইউনূস হিলটন হোটেল থেকে বেরিয়ে আসার পর বিক্ষোভরত বিএনপির নেতাকর্মীরা তার সমর্থনে স্লোগান দিতে থাকেন। অনেকে তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ছবি তোলেন।প্রবাসী বিএনপি নেতাদের মাঝখানে নোবেল বিজয়ী ইউনূসের হাস্যোজ্জ্বল ছবি প্রকাশ করে কয়েকটি অনলাইন সংবাদপত্রে লেখা হয়, তিনি ওই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০১১ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা ড. ইউনূসকে সরিয়ে দিলে সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়।


জাতিসংঘ ও সংবর্ধনার স্থলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিক্ষোভ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক: জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে ও  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাগরিক সংবর্ধনার স্থলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে এবং দুপুরে নিউইর্য়ক সিটির হিলটন হোটেলের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক বিএনপির নেতাকর্মী অংশ নেন। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা: মজিবুর রহমান মজুমদারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক মানবাধিকার লংঘন, বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের উপর নির্যাতন, সাংবাদিক, আইনজীবিদের নির্যাতন, গুম, খুন এর চিত্র সম্মিলিত ব্যানার, ফেষ্টুন, লিফলেট হাতে নিয়ে গগণবিদারি শ্লোগানে মুখরিত ছিল প্রতিবাদকারী প্রবাসী বাংলদেশীরা এ দাবী করেন। শ্লোগানের ভাষা ছিল “কিলার হাসিনা গো ব্যাক গো ব্যাক- মেগা কিলার হাসিনা-ডাউন ডাউন হাসিনা-আমার ভাই মরলো কেন হাসিনা জবাব দেয়-অবৈধ সরকার মানিনা মানবো না-রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ কর করতে হবে-জেল-জুলুম হুলিয়া নিতে হবে তুলিয়া-বিরোধীদলীয় সকল নেতাকর্মীর মুক্তি দাও ইত্যাদি”।খবর বাপসনিঊজ:

bnp-USa Rally At UN 1
সমাবেশে ডা: মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘চ্যাম্পিয়র অফ দ্যা আর্থ’ পুরস্কার অবৈধ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা জন্য মানায় না। তিনি গণতন্ত্র হত্যাকারী। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশেবাসী তাকে মানে না। যেখানে ১৫৬ আসনে নির্বাচন হয়নি এবং যে কয়টায় নির্বাচন হয়েছে মাত্র ৫% লোকেও ভোট দেয়নি। মিডিয়ার কল্যাণে অনেক ভোট কেন্দ্র কুকুর হাটতে বিশ্ববাসী দেখেছে । সে নির্বাচনের বিজয়ী প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপি পরিচয় প্রদান করা সত্যিই লজ্জ্বার বিষয়। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশে বিদেশে কেউ সমর্থন করেননি। সুতারাং শেখ হাসিনা দেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতি মেনে নিতে পারেনা।
তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন পরিষদের সভাপতি পারভেজ সাজ্জাদ, বলেন, আওয়ামী লীগের হাতে দেশের মানুষের জান-মাল, ইজ্জ্বত কোনটাই নিরাপদ নয়। সরকার বিরোধী শক্তির নেতাকর্মীদের প্রতিনিয়ত গুম করে হত্যা করা হচ্ছে। দেশে গৃহযুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তিনি বলেন, জেল-জুলুম করে কোনো স্বৈরাচারই ক্ষমতা অটুট রাখতে পারেনি। দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে এ ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন জরুরী।

bnp-USa Rally At UN 2
উল্লেখ্য, সিটির জনবহুল এলাকা হওয়ার বিক্ষোভকারীদের সমাবেশ সম্পর্কে রাস্তার দুই পাশে শতশত আমেরিকান জানতে চায়। তাদের ভাষায় তখন তাদের হাতে বাংলাদেশে মানবাধিকার লংঘনের লিফলেট তুলে দেন এবং বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের কাহিনী বর্ণনা করতে অনেককে দেখা যায়। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র সফররত বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা: রফিক চৌধুরী, সাবেক সাধারন সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু,  যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ইলিয়াস আহমেদ মাষ্টার, আলহাজ্ব সোলাইমান ভূইঁয়া, এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি, আবুল কাসেম, শামসুল ইসলাম মজনু, নুর মোহাম্মদ, সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, আজাদ বাকির, জহিরুল ইসলাম মোল্লা, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, বিএনপি নেতা আব্বাস উদ্দিন দুলাল, এডভোকেট আব্দুল কাইয়ূম, ফারুক হোসেন মজুমদার, ডা: শামীম, নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, যুক্তরাষ্ট্র যুবদল সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমেদ, নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এমএ খালেক আকন্দ, নিউইর্য়ক সিটি সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম সিকদার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি  নূরুল আমিন পলাশ, সাবেক সভাপতি রাফেল তালুকদার, সাধারন সম্পাদক একেএস রফিকুল ইসলাম ডালিম, সিনিয়র যুগ্নসাধারণ সম্পাদক ছাইদুর রহমান ডিউক, যুক্তরাষ্ট্র জাগপা সভাপতি ও আর্ন্তজাতিক সম্পাদক এএসএম রহমত উল্যাহ ভূইঁয়া, বিএনপি নেতা এমলাক হোসেন ফয়সল,একেএম রুহুল কুদ্দুস খোকন, একরামুল হক, ওমর ফারুক, হেলালুর রহমান, শরীফ লস্কর, আমিনুল ইসলাম স্বপন, শেখ হায়দার আলী, সাবেক ছাত্রনেতা মহিদুল হাসান মহিদ, সীতাকুন্ড পৌরসভার সাবেক মেয়র আবুল কালাম, ব্রুকলীন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মাঈন উদ্দিন, কামরুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, শফি উল্লাহ, খায়রুল আম্বিয়া, রাজিব রহমান, শফিউদ্দিন আহমেদ, জুয়েল, আলমগীর হোসেন, জোবায়ের হোসেন, আবু হানিফপ্রমুখ


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের গর্ব: মার্কিন কংগ্রেসওম্যান

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ :মার্কিন কংগ্রেসওম্যান ইভেট ডায়ান ক্লার্ক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্বের গর্ব’ আখ্যায়িত করে বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের উচিত তার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখা।সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়ানস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার প্রাপ্তি উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মার্কিন কংগ্রেসের পরিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি, জনস্বাস্থ্য এবং বাণিজ্যবিষয়ক কমিটির প্রভাবশালী এই নেতা বলেন, ‘শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশিদের গর্ব নয়, তিনি আমাদেরও গর্ব। তিনি সকলের সেরা।

Picture

ক্লার্ক আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অবশ্যই আপনাদের (বাংলাদেশিদের) সমর্থন থাকা উচিত।’জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিষয় মোকাবেলায় বাংলাদেশের সুদূরপ্রসারী উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ এ বছর পরিবেশ সংক্রান্ত সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ানস অব দ্য আর্থ’ প্রদান করেছে। ক্লার্ক বলেন, ‘শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি ও কর্মসূচির জন্যই তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।’নিউইয়র্কের হোটেল হিলটনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি ও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা অংশ নেন।


নিউইয়র্কে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ড. ইউনূস

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। স্থানীয় সময় রোববার এ বিক্ষোভ করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি।
বিক্ষোভে অংশ নেয়া সায়েম চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশন উপলক্ষে নিউইয়র্কে রয়েছেন নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিক্ষোভ চলাকালে জাতিসংঘের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হিলটন হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। এ সময় বিক্ষোভরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা তার কাছে এগিয়ে গিয়ে স্বাগত জানান। তিনিও (ইউনূস) হাসিমুখে অনেকের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ছবি তোলেন। সায়েম চৌধুরী আরও জানান, বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতি দেখে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায় অনেকটা আকস্মিকভাবে উপস্থিত হওয়া নোবেল বিজয়ী এ অর্থনীতিবিদকে।
সকাল থেকেই বিক্ষোভে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট থেকে প্রবাসী বাংলাদেশী ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা জাতিসংঘ অফিসের সামনে অবস্থান নেন। তারা আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল- ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করুন’, ‘শেখ হাসিনাকে না বলুন’ ইত্যাদি।
বিক্ষোভকালে শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বিএনপি নেতারা বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হয়ে জাতিসংঘে অংশ নিন। যেভাবে এখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তাতে আপনি জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নিতে পারেন না। অবিলম্বে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতেও শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানান তারা।
এরপর দুপুর ২টায় ম্যানহাটনের হোটেল হিলটনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত সর্বজনীন নাগরিক সংবর্ধনায় যখন প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখনও সিক্সথ এভিনিউর ফিফটি থার্ড স্ট্রিটে এ হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ করছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা। তারা সেখানেও শেখ হাসিনাকে অনির্বাচিত ও অবৈধ প্রধানমন্ত্রী বলে উল্লেখ করেন। যুক্তরাষ্ট্রে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার আহ্বান জানান। দেশে বর্তমানে খুন, গুম, নির্যাতন, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, মানবাধিকার লংঘনের জন্য সরকারকে দায়ী করেন বিক্ষোভকারীরা। বলেন, ৫ জানুয়ারির অগণতান্ত্রিক ও প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তাই জাতিসংঘে তার ভাষণ দেয়ার কোনো অধিকার নেই। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব জায়গায় শেখ হাসিনাকে প্রতিহত করার হুমকি দেয়া হয়।
হোটেল হিলটনের সামনে আরেক বিক্ষোভে বিএনপি ছাড়াও অংশ নেয় কোয়ালিশন অব বাংলাদেশী আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ আমেরিকান প্রোগ্রেসিভ ফোরাম।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা আবদুল লতীফ সম্রাট, জিল্লুর রহমান জিল্লু, শরাফত হোসেন বাবু, ডা. মুজিবুর রহমান, প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন, গিয়াস আহমেদ, জসীম উদ্দিন ভুইয়া, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, জাকির এইচ চৌধুরী, আবু সাঈদ আহমেদ, মিজানুর রহমান, নূর মোহাম্মদ, কাজী আজম, গোলাম ফারুক, এমএ বাতিন, তোফায়েল লিটন চৌধুরী, রফিকুল মাওলা, আতিকুর রহমান, সাঈদুর রহমান সাঈদ, এমএ খালেক আখন্দ, হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, জাহাঙ্গীর এম আলম, নীরা রাব্বানী আহ্বায়ক, আবদুস সবুর, ভিপি জসিম, মোহাম্মদ হাসান, ওয়াহেদ আলী মণ্ডল নূরে আলম, এবাদ চৌধুরী, ড. নুরুল আমিন পলাশ, সায়েম চৌধুরী প্রমুখ বিক্ষোভে অংশ নেন।


প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা দেবে আ.লীগ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরষ্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ এবং ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ লাভ করায় আগামী ৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমন্ডলীর এক জরুরী সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

Picture
নাসিম বলেন, আগামী ৩ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টায় জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনে যোগদান ও পুরষ্কার দুটি গ্রহণ করে দেশে ফেরার দিন বিমান বন্দরে শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেয়া হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে বাংলার জনগণের পক্ষে বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানানো হবে।
বৈঠকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফকে সংর্বধনা অনুষ্ঠানটি সমন্বয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানটি সফল করতে বুধবার সকাল ১১টায় সহযোগী সংগঠন, ঢাকার এমপি ও আশপাশের জেলার নেতাদের সঙ্গে যৌথসভা ও বিকেল ৩টায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়েছে।


নিউজার্সিতে সংবর্ধিত হলেন এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ :জাতিসংঘের ৭০তম সাধারণ অধিবেশনে যোগদানকারী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী অাওয়ামিলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে নিউজার্সিতে ।গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে প্যাটারসনের ২৩৬ ইউনিয়ন এভিনিউতে আয়োজিত আমেরিকাস্থ  নিউজার্সি বাসীর ব্যানারে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্বে করেন সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক সুজন আহমেদ সাজু  । সদস্য-সচিব সফিক উদ্দিন পরিচালনায় আয়োজিত সভায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ,সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, সাংবাদিক ও  পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন ।

Picture

সভায় সংবর্ধিত বাংলাদেশ অাওয়ামিলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এড.মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ তার বক্তব্যে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানের নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট নিয়ে  কাজ করছেন তাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে । এসময় তিনি আরও বলেন আমার কাজ হল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সূচিত কর্মকান্ডেকে এগিয়ে নেয়ার। গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে, শিক্ষা-চিকিৎসা জীবনব ব্যবস্থার পরিবর্তন উন্নয়নের জন্য আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে ।


সাউথ জার্সিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাপসনিঊজ:যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ জার্সিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।স্থানীয় সময় ২৮ সেপ্টেম্বর সাউথ জার্সি মেট্রো আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রথমে জন্মদিনের কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহীনের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাউথ জার্সি মেট্রো আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহসান হাবিব  ও বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়াশিংটন মেট্রো আওয়ামী লীগের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দস্তগীর জাহাঙ্গীর তুগ্রিল ।

Picture

এ সময় সাউথ জার্সি মেট্রো আওয়ামী লীগের প্রধান উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর হুসেন  ভূঁইয়া, সামসুল ইসলাম শাহজাহান,  সহ সভাপতি শাহজাহান, আব্দুল জামিল, কাঞ্চন বল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজাদ মিঠু, অভিজিত চৌধুরী লিটন, শওকত আলী শিমুল, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শেখ সেলিম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক  বিপ্লব দেব, সদস্য সাব্বির হুসেন  ভূঁইয়া ও মোঃ সহিদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।


জাতিসংঘ অধিবেশনে আজ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলা ভাষায় ভাষণ দেয়ার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলায় তাঁর ভাষণ দেবেন।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম নিয়মিত অধিবেশনে সাধারণ বিতর্কের তৃতীয় দিনে আজ বুধবার ১৪তম বক্তা হিসেবে তিনি তাঁর ভাষণ দেবেন।

সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, নিউইয়র্ক সময় দুপুর ১২টার আগে বা পরে শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।তাঁর ভাষণের খসড়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতিসংঘের মঞ্চ থেকে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্দেশ্যে দেয়া তাঁর ভাষণে বৈশ্বিক নিরাপত্তা, শাসনব্যবস্থা, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য, অভিবাসী শ্রমিক, জলবায়ু পরিবর্তন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ (এমডিজি) এবং নতুন গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ (এসডিজি) গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 


হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভে ডঃ মোহাম্মাদ ইউনুস এবং আমার দায়ভার! - মতিউর রহমান লিটু

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

গতকাল ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০১৫ (রবিবার) দুপুরে নিউইয়র্কে হিল্টন হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ কতৃক আয়োজিত (অ)বৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবর্ধনা চলাকালে সিক্সথ এভিনিউতে চলছিল হাসিনা বিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ কর্মসুচী। কয়েকশত প্রবাসী এই বিক্ষোভে অংশ গ্রহন করেন। বিক্ষোভ কর্মসুচী এতটাই তীব্র ছিল যে হাসিনা বিরোধী শ্লোগানে হোটেল নিরাপত্তা কর্মীরাও সতর্ক অবস্থান নিতে বাধ্য হন। বিক্ষোভ শেষ হয় দুপুর ৩টায়।

নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে নিয়ে মিথ্যাচারট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়ায় বিক্ষোভ স্থলে পৌছাতে আমার একটু দেরী হয়ে যায়। বিক্ষোভ শেষে সবাই যখন চলে যাচ্ছিলেন আমি তখন একা দাড়িয়েছিলাম ৫৪ ষ্ট্রীট আর সিক্সথ এভিনিউর কর্নারে ঠিক হিল্টন হোটেলের সামনে। হঠাত দেখি ডঃ মোহাম্মাদ ইউনুস একজন সাদা আমেরিকানকে সাথে নিয়ে ৫৪ ট্রীট দিয়ে সিক্সথ এভিনিউর দিকে আসছেন। আমি সামনে গিয়ে সালাম দিলাম, হ্যান্ড শেক করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে কুশল বিনিময় করতে লাগলাম তখন দেখলাম সাপ্তাহিক বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক মমিন মজুমদার, টিবিএন টুয়েন্টিফোর টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান, টাইম টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান আমাদের দিকে আসছেন। এদিকে আমি তখনো ডঃ ইউনুস সাহেবের সাথে কথা বলছিলাম।  তিনি আমাকে কোনো প্রকার ছবি করতে বারন করায় আমি আর ছবি করা নিয়ে আগ্রহ দেখাইনি।

আমাদের কুশল বিনিময়ের এই ৫/৬ মিনিটের মধ্যেই ৫৪ ষ্ট্রীটের উত্তর পাশে অবস্থান নেয়া আমার প্রিয় বিএনপি নেতৃবৃন্দরাও এসে হাজির হন এবং ডঃ ইউনুস সাহেবের সাথে কথা বলতে শুরু করেন। টিভি ক্যামেরাম্যানদের  ক্যামেরায় সবকিছুই ভিডিও করা হয়েছে।

আমাদের সাথে কথা বলার সময়ে ডঃ ইউনুস সাহেব বার বার বলছিলেন "আমার একটু তাড়া আছে আপনাদের সাথে পরে কথা হবে।"

কিন্তু আজ সোমবার বাংলাদেশের অনেক পত্রিকা ও সোস্যাল মিডিয়ায় খবর দেখলাম ডঃ ইউনুস সাহেব হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভে সক্রিয় অংশ নিয়েছেন! আমি জানিনা এতে কতটা লাভ বা লোকসান হবে তবে ব্যাপারটা আমার কাছে ভাল লাগেনি। আমি আমার বিবেকের তাড়নায় এই লেখটি দিলাম। আমি যদি ডঃ ইউনুস সাহেবকে দাড় করিয়ে কুশল বিনিময় না করতাম তাহলে কেউ হয়তবা তাকে দেখতেন না বা কারোর ছবিও তোলা হত না!

আজ পক্ষে বিপক্ষে যে প্রচারনাই হোক না কেন সেই সমালোচনা তাকে সহ্য করতে হত না!  বিএনপি সমর্থক হিসাবে আমি তাকে শেখ হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভে দেখতে চাই কিন্তু তাই বলে গতকাল তিনি আমাদের বিক্ষোভে অংশ নিতে এসেছিলেন একথা আমি বলতে পারব না!

 আমার কুশল বিনিময়ের এই সামান্য সময়ের কারনে ডঃ ইউনুস সাহেবকে যদি প্রতিকুল পরিস্থিতির শিকার হতে হয় সেজন্য আমি দায়ী!

আমি আমার দায়ীত্ব স্বীকার করে ডঃ ইউনুস সাহেবের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম।


‘এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর জলবায়ু চুক্তি সহায়ক’

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:ওসমান গনি : বাপ্ নিউজ :আসন্ন প্যারিস সম্মেলনে জলবায়ু চুক্তি কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা (এসডিজি) বাস্তবায়নে জলবায়ু চুক্তি সহায়ক হবে। স্থানীয় সময় রবিবার জাতিসংঘ সদর দফতরে ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন এজেন্ডা গ্রহণের জন্য অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সম্মেলনে দেয়া ভাষণে তিনি এই কথা বলেন।
 
শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের সকল উন্নয়ন কর্মসূচি ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে এবং মানুষের বর্তমান ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তায় নতুন করে জলবায়ু চুক্তি করতে হবে।২০৩০ সালের জন্য একটি গণমুখী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য গ্রহণে অবদানকারী সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের একটি সার্বজনীন উন্নয়ন এজেন্ডা গ্রহণ খুবই জটিল কাজ। এজন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

Picture
 
প্রধানমন্ত্রী মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট এজেন্ডা গ্রহণের সময়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তার উপস্থিতির উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গত ১৫ বছরে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছে।শেখ হাসিনা দারিদ্র্য বিমোচন, শিশু মৃত্যুহার হ্রাস ও সংক্রামক রোগসহ এমডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, এমডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর করতে পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা করেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কিছু সমাধান এবং অভিজ্ঞতা এখন বৈশ্বিক সমাধানের অংশ হয়েছে। এখন আমরা অবশ্যই এজেন্ডা-২০৩০ এবং আদ্দিস আবাবা এ্যাকশন এজেন্ডার পূর্ণ ও কার্যকর বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে আর্থিক, প্রযুক্তি, সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং ঋণ সহায়তা প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক শাসন নিশ্চিত করব।
 
গাম্বিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ব্রাজিল, ভেনেজুয়েলা, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া, কাতার, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর ও সৌদি আরবের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণও বক্তব্য রাখেন।


যেখানে হাসিনা সেখানেই প্রতিরোধে সোচ্চার নেতা-কর্মীরা : কালো পতাকা প্রদর্শন, হাসিনা নিপাত যাক শ্লোগানে মুখরিত এলাকা জেএফকে বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি। জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশ্যে ২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার সন্ধ্যায়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেএফকে বিমানবন্দর অতিক্রমকালে এ বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। বিমানবন্দরের ৭নং টার্মিনালে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের পক্ষের প্রবাসীরা কালো পতাকা প্রদর্শন এবং ‘হাসিনা নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ইত্যাদি ফেস্টুন-প্লেকার্ট প্রদর্শন করে এবং মুহূর্মুহু শ্লোগানের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ধিক্কার জানান। খবর বাপসনিঊজ:
শত শত নেতা-কর্মীর উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশের অন্যতম নেতা, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরাফত হোসেন বাবু সাথে কথা বললে তিনি বলিষ্ঠতার সাথে জানান, বাংলাদেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও ৩৪ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন লাগাতার কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। তিনি বলেন, “যেখানে হাসিনা সেখানেই প্রতিরোধ” কর্মসূচি পালনের লক্ষ্যে আমরা সর্বদা প্রস্তুত। বাবু জানান, আগামী ২৭ শে সেপ্টেম্বর, রোববার দুপুরে ৬ এভিনিউ, ম্যানহাটান, হোটেল হিলটনের সামনে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে এবং ৩০ শে সেপ্টেম্বর, বুধবার, দুপুরে  ৪৭ স্ট্রিট এন্ড ফার্স্ট এভিনিউ, ম্যানহাটান, জাতিসংঘ প্রাঙ্গনে বিশাল  বিক্ষোভ প্রদর্শনের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং ৩৪ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন। শরাফত হোসেন বলেন, আমরা অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর কোন অনুষ্ঠানকে বিক্ষোভ, প্রতিরোধের চ্যালেঞ্জ ছাড়া হতে দেবো না, ইনশাআল্লাহ!
জেএফকে বিমানবন্দরে বিক্ষোভরত অপর নেতা জসীম উদ্দিন ভুইয়ার সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, দিল্লির ক্রীতদাস, গণবিচ্ছিন্ন আওয়ামী বাকশালী সরকার প্রধান, বাংলাদেশে ক্রমাগত খুন, গুম, নির্যাতন, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের নায়িকা এবং অবৈধ সরকার প্রধান স্বৈরাচারের প্রতীক শেখ হাসিনাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিহত করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসীম বলেন, যেখানে হাসিনা সেখানেই যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও ৩৪ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের প্রতিবাদ প্রতিরোধ চলছে এবং চলবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ধিক্কার দিতে দিতে আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিদায় করবো, ইনশাআল্লাহ।
নেতৃদ্বয় জাতীয়তাবাদের পক্ষের সবাইকে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও ৩৪ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ধারাবাহিক প্রতিরোধ, প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহবান জানান।

USA BNP JFK BAPS
জেএফকে বিমানবন্দরে বিক্ষোভ সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- শরাফত হোসেন বাবু- যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, জসীম উদ্দিন ভুইয়া- সাবেক কোষাধ্যক্ষ, কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম- সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি, গোলাম ফারুক শাহীন- সভাপতি যুক্তরাষ্ট্র জাসাস, মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ আতিকুর রহমান আতিক- সভাপতি নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি,  সাইদুর রহমান সাইদ- সাধারণ সম্পাদক, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি, এম এ খালেক আখন্দ- সিনিয়র ভিপি, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি, হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা- সভাপতি, নিউইয়র্ক সিটি বিএনপি, আশরাফ হোসেন- সাধারণ সম্পাদক, নিউইয়র্ক সিটি বিএনপি, রিয়াজ চৌধুরী- সিনিয়র ভিপি যুক্তরাষ্ট্র জাসাস, জাহাঙ্গীর এম আলম- সভাপতি তারেক রহমান আন্তর্জাতিক পরিষদ, রুহুল আমিন নাসির- সাধারণ সম্পাদক তারেক রহমান আন্তর্জাতিক পরিষদ,  নীরা রাব্বানী- আহবায়ক যুক্তরাষ্ট্র মহিলা দল, মাহমুদা শিরিন সুলতানা- যুগ্ম আহবায়ক যুক্তরাষ্ট্র মহিলা দল। সাইফুল ইসলাম লিটন, রইস উদ্দিন, মোর্শেদ আলম, মোস্তাক আহমেদ, শহিদুল ইসলাম শিকদার, আব্দুল মোতাল্লেব, আবুল কালাম সরকার, এস আই ঢালি, আরিফুর রহমান তুহিন, জাকির হোসেন, মোহাম্মদ খালেদ হোসেন, আশিক মাহমুদ, মোহাম্মদ মোহসীন, মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, রুবেল গাজী, শরীফুল ইসলাম পিন্টু, শাহাদাত হোসেন রাজু,  মোহাম্মদ হাসান, সৈয়দ বাহারুজ্জামান, মো: হক কামাল, অর্নব রুবেল, রফিকুদ্দিন বাহার, আবুল কালাম, সাদি সানিম, সালাহউদ্দিন রোমান, মোহাম্মদ রানা, ওয়াহেদ আলী মন্ডল, মোহাম্মদ আখন্দ, হোসেন মেম্বার, শাহিদ খান চৌধুরী, আবুল কালাম আজাদ, নিজাম আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, নূর মোহাম্মদ প্রমুখ।
এখানে উল্লেখ্য যে, শেখ হাসিনাকে প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ভিন্ন ভিন্ন প্লাটফরমের প্রায় সকল সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এক প্লাটফরমে এসে ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মাধ্যমে জেএফকে এলাকা শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত করে এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। বিক্ষোভ-সমাবেশ এতই ব্যাপকতা লাভ করে যে, এয়ারপোর্টের শতাধিক আইন-শৃংখলা বাহিনীর কর্মকর্তারা ব্যতিব্যস্ত ছিলেন।
অন্যান্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আব্দুল লতিফ সম্রাট- সাবেক সভাপতি, আলহাজ্ব সোলায়মান ভুইয়া, প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন, জিল্লুর রহমান জিল্লু, সিরাজ আলম, হেলাল উদ্দিন, রফিকুল মাওলা, মঞ্জুরুল ইসলাম,  আব্দুল বাতেন, মিল্টন ভুইয়া, জাকির এইচ চৌধুরী, আবু সাঈদ, মোহাম্মদ আহাদ, আব্দুস বাসিত, মাহফুজুল মাওলা নান্নু, মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ফারুক মজুমদার, নুরে আলম, ইঞ্জিনিয়ার খালেক সহ আরো বহু সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।