Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক শফিকুৃল হক হীরার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাবেক জাতীয় খেলোয়ার ও সাংবাদিকদের মত বিনিময়

শুক্রবার, ০৩ নভেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ :নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ শফিকুৃল হক হীরার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাবেক জাতীয় খেলোয়ার ও সাংবাদিকদের মত বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে গত ২২শে অক্টোবর রোববার অপরাহ্নে সাবেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খেলোয়ারদের সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন অব নর্থ আমেরিকা এ মত বিনিময় সভার আয়োজন করে।বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন অব নর্থ আমেরিকা’র সভাপতি ও বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম ফেরদৌসের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক জাতীয় খেলোয়ার অলিম্পিয়ান সাইদুর রহমান ডন, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকার উপদেষ্টা মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ লীগ অব আমেরিকার সাবেক সভাপতি এমাদ চৌধুরী, সাবেক জাতীয় খেলোয়ার সৈয়দ এনায়েত আলী, ক্রিকেটার তৈয়বুর রহমান টনি, ফুটবলার রফিকুল ইসলাম, সাবেক রেডিও-টিভি ভাষ্যকার মারুফ আহমেদ সুকর্ণ, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট জাভেদ উদ্দিন প্রমুখ।
alt

সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক বর্ণমালা সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম সম্পাদক ও টিভি উপস্থাপক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, সাপ্তাহিক ঠিকানার বার্তা সম্পাদক ও এনা সম্পাদক মিজানুর রহমান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির সাবেক স্পোর্টস রিপোর্টার মনিজা রহমান প্রমুখ।
alt

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক ঠিকানার নির্বাহী সম্পাদক জাবেদ খসরু, এটিএন বাংলা ইউএসএ’র বার্তা সম্পাদক কানু দত্ত, সিনিয়ার ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী, টাইম টিভির সিনিয়র রিপোর্টার আলমগীর হোসেন, বক্সার সেলিম উদ্দিন, সংগঠক বশিরুল ইসলাম বাবলু, এডভোকেট আবদুর রব, এমদাদ তরফদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সদ্য প্রয়াত বঙ্গবন্ধুর একান্ত সচিব ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এ এম নূরুল ইসলাম অনু ও বাংলাদেশের কৃতি খেলোয়ার হায়দার আলী আবুর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন ইমাম কাজী কায়্যূম।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন অব নর্থ আমেরিকা, বাপাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের প্ক্ষ থেকে ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব শফিকুৃল হক হীরাকে উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।
শফিকুৃল হক হীরা তার বক্তব্যে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাস এবং নিজের বর্ণাঢ্য ক্রিকেট ক্যারিয়ারের নানাদিক তুলে ধরেন। বাংলাদেশের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। ক্রিকেট নিয়ে বিভিন্ন দেশ সফরের অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেন এ সত বিনিময় সভায়।

alt

শফিকুৃল হক হীরা বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট অনেক এগিয়ে গেলেও আরো উন্নতির জন্য শুধু সরকার নয় বেসরকারী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকেও এগিয়ে আসতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ক্রিকেটকে সাফল্যের সর্বোচ্চ চূড়ায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।শফিকুৃল হক হীরা তার সম্মানে এ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন অব নর্থ আমেরিকার কর্মকর্তাদের বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।বক্তারা তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, যে ক্রিকেট আজ বিশ্বে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে সেই ক্রিকেটের ভীত রচনাকারীদের অন্যতম একজন হচ্ছেন কৃতি ক্রিকেটার শফিকুৃল হক হীরা। শুধু একজন খেলোয়ার কিংবা ম্যানেজার হিসেবেই নয় ক্রিকেটের সর্বক্ষেত্রেই তার কৃতিত্বের ছাপ রয়েছে।

alt

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন অব নর্থ আমেরিকা’র সভাপতি আব্দুর রহিম বাদশা প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।


আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ ব্র্ঙ্কস ব্যুরো কমিটির অভিষেক : সভাপতি হাফিজ ইবাদুর ও সম্পাদক ওয়ালিউর

শুক্রবার, ০৩ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ : নিউইয়র্কে ধর্মীয় আমেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ ব্র্ঙ্কস ব্যুরো কমিটির অভিষেক। স্থানীয় সময় গত ২২ অক্টেবর রোববার ব্রঙ্কসে পার্কচেস্টারের ১৯২৪ ম্যাকগ্র এভিনিউর শাহজালাল দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদে এ অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ ব্র্ঙ্কস ব্যুরো কমিটির নব নির্বাচিত কর্মকর্তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান আঞ্জুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেট ইউএসএ’র সভাপতি কবি অধ্যাপক মাওলানা মোখলেসুর রহমান।
অভিষিক্ত কর্মকর্তারা হলেন : সভাপতি হাফিজ ইবাদুর রহমান চৌধুরী, সহ সভাপতি মোহাম্মদ শফিক উদ্দিন ও আবদুল মতিন, সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক খালিদ মিয়া, কোষাধ্যক্ষ এম এ মুশাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়েদ মাহমুদ হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল আহমেদ, প্রচার সম্পাদক আবদুল মুহিত জুনেল, সহ প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ লুকমান হোসেন, যুব সম্পাদক আবদুল মোনাফ তফাদার, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আরিফ আহমেদ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মঈন উদ্দিন চৌধুরী, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক রেহানুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক মাহবুব আহমেদ চৌধুরী, কার্যকরী সদস্য রুহেল আহমেদ, আবদুল বাছির খান, হাফিজ নূর মোহাম্মদ, সৈয়দ এমএস হোসেন, কফিল চৌধুরী, শরিফুল ইসলাম নাসির, কামরুজ্জামান ভূইয়া, মঈনুল হক, জুনেদ আহমেদ এবং জুমন আহমেদ।

alt
আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ’র ব্র্ঙ্কস ব্যুরো কমিটির নব নির্বাচিত সভাপতি হাফিজ ইবাদুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং আঞ্জুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেট ইউএসএ’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাহান শাহ ইয়াহইয়ার পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঞ্জুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেট ইউএসএ’র সভাপতি কবি অধ্যাপক মাওলানা মোখলেসুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা অহি চৌধুরী, শাহজালাল দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদের খতিব প্রফেসার ড. এটিএম ফখরুদ্দিন, ব্র্ঙ্কস ব্যুরো কমিটির উপদেষ্টা মূলধারার রাজনীতিক আবদুস সহীদ, উপদেষ্টা আফতাব আলী, সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মো. এম এ মুশাহিদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ আবদুল মন্নাফ। মুসলিম উম্মাসহ বিশ্ব মানবতার কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ ব্র্ঙ্কস ব্যুরো কমিটির সদস্যরা ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক মুসল্লী উপস্থিত ছিলেন। নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেস হয়।
উল্লেখ্য, ব্রঙ্কসের শাহজালাল দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদে গত ৮ই অক্টেবর ২৫ সদস্য বিশিষ্ট আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ ব্র্ঙ্কস ব্যুরো কমিটি গঠন করা হয়। এতে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন আঞ্জুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেট ইউএসএ’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাহান শাহ ইয়াহইয়া।
আলোচনা সভায় বক্তারা আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহর (রহ.) জীবনীর উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরে বলেন, তথাকথিত আলেমরা ফরজ নামাজের পর মুনাজাত না দিয়ে অন্যদেরও মুনাজাত না দেয়ার জন্য মনগড়া ফতুয়া দিচ্ছেন। নামাজের পর মুনাজাত, মিলাদ-কিয়ামকে বিদাত বলার দৃষ্টতা দেখাচ্ছে। নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। এদের বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হতে হবে। তারা বলেন, মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই মানব জাতির শান্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত হতে পারে।


জেলহত্যা দিবস গভীর শ্রদ্ধা’র সাথে-স্মরণ করেছে জর্জিয়া আওয়ামী লীগ

শুক্রবার, ০৩ নভেম্বর ২০১৭

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে কালো সময়ের স্মৃতি বহনকারী জটিল প্রসাদ ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিক ঘটনা প্রবাহের একটি মাত্র অংশ জেলহত্যাকান্ড। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু’র অবর্তমানে (বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানী কারাগারে বন্দী ছিলেন) বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি করে, জাতীয় এই চারনেতাই ১০ এপ্রিল ১৯৭১, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (প্রবাসী মুজিব নগর) সরকার গঠনের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

নেতৃবৃন্দ, আরও বলেন : ১৯৭৫-এ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চারনেতাকে হত্যার মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে চিরতরের জন্য ধববংস করাই ছিল, হত্যাকারীদের উদ্দেশ্য। এবং গভীর দুঃখের বিষয় হলো, জাতীয় চারনেতাকে হত্যার পরের দিন ৪ নভেম্বর ১৯৭৫, তৎকালীন সাবেক ডিআইজি বাদী হয়ে-লালবাগ থানায় মামলা দায়ের করলেও এই তদন্ত কাজ তখন অগ্রসর হতে পারেনি। শোক আর স্মরণের মধ্যদিয়েই জেলহত্যা মামলার বিচারের বাণী দীর্ঘ ২১ বছর নীরবে-নিভৃতে কেঁদেছে!

Picture

আরো বিস্ময়কর হলো যে, জাতীয় চারনেতাকে হত্যার মাত্র কয়েক ঘন্টা পরই, এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের হোতারা দেশ ত্যাগ করতে সক্ষম হয়। এবং দীর্ঘ ২১ বছর পর্যন্ত এই নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়। অবশেষে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জেলহত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া পুরুজ্জীবিত করে। এবং দীর্ঘ আট বছরেরও বেশী সময় ধরে এর বিচারকার্য চলতে থাকে।

অবশেষে দীর্ঘ প্রায় ২৯ বছর পর ২০ অক্টোবর ২০০৪, বহুল আলোচিত জেলহত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। ওই রায়ে পলাতক আসামীকে মৃত্যুদন্ড, ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫ জনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের হস্তক্ষেপে জঘন্য এই হত্যাকান্ডের বিচার প্রহসনে পরিণত হয়। এই রায়ে খুনীরাই শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়েছিল।

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ‘জেলহত্যা মামলা’র পুনর্বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। দীর্ঘ ৩৮ বছর পর, অবশেষে এই সরকারের আমলেই ৩০ এপ্রিল ২০১৩, ঢাকা কেদ্রীয় কারাগারে জাতীয় চারনেতাকে নির্মমভাবে হত্যার ঐতিহাসিক ‘জেলহত্যা মামলা’য় হাইকোর্ট থেকে খালাসপ্রাপ্ত পলাতক দুই আসামী দফাদার মারফত আলী ও দফাদার আবুল হাসেম মৃধাকে নিম্ন আদালতের দেয়া মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখে সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ রায় প্রদান করেন।


‘দিদার-কামরুল’ ও ‘নেওয়াজ-টুক’প্যানেল হচ্ছে!

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সর্ববৃহৎ সংগঠন জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন অব নিউইয়র্ক (জেবিবিএ)-এর দ্বি-বার্ষিক (২০১৮-২০১৯) নির্বাচন আগামী ২ জানুয়ারী। সংগঠনের নুতন সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে ২০ অক্টোবর, চলবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হবে ৩০ নভেম্বর। এবারে সদস্য ফি ধরা হয়েছে একশো ডলার। এছাড়া সংগঠনের মুলতবী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয় ৩১ অক্টোবর। জেবিবিএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এদিকে জেবিবিএ’র সদস্যদের মধ্যে শুরু হয়েছে নির্বাচনী হাওয়া। নড়েচড়ে বসছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। মেরুকরুণ চলছে প্যানেল প্রক্রিয়ায়। ভাংচুর চলছে একে অপরের মধ্যে। পাশাপাশি জেবিবিএ’র নির্বাচন নিয়ে সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরাও মুখ খুলতে শুরু করেছেন। তারা যোগাযোগ করছেন নেতৃবৃন্দের সাথে। খবর বাপসনিঊজ ’র।
 সংশ্লিষ্টরা জানান, জেবিবিএ’র আগামী নির্বাচনে দু’টি প্যানেল হতে চলেছে। এক প্যানেলে থাকছেন দিদারুল ইসলাম দিদার ও কামরুজ্জামান কামরুল অর্থাৎ ‘দিদার-কামরুল’ আর  অপর প্যানেলে থাকছেন মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ ও মাহবুবুর রহমান টুকু অর্থাৎ ‘শাহ নেওয়াজ-টুকু’ । এছাড়াও সভাপতি পদে মাকসুদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ সোলায়মান ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেনের নাম শুনা যাচ্ছে।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ‘শাহ নেওয়াজ-টুকু’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী শাহ নেওয়াজ জেবিবিএ’র বর্তমান কমিটির সহ সভাপতি আর সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মাহবুবুর রহমান টুকু জেবিবিএ’র বিগত নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে সাধারণ সম্পাদ প্রার্থী ছিলেন।  অপরদিকে ‘দিদার-কামরুল’ প্যানেলের সভাপতি পদ প্রার্থী দিদারুল ইসলাম দিদার জেবিবিএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিগত নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এই প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন।


সূত্র মতে, জেবিবিএ’র বিগত নির্বাচনে শাহ নেওয়াজ ‘দিদার-কামরুল’ প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। কিন্তু এবার শাহ নেয়াজ ও দিদারুল ইসলাম দিদার দুই প্যানেল থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, জিকো-তারেক যেহেতু একই প্যানেল থেকে বিগত দিনে নির্বাচিত হয়েছেন। তাই আগামী নির্বাচনে তারা একই প্যানেল থেকে কার্যকরী পরিষদে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে জিকো কার্যকরী পরিষদ সদস্য আর তারেক সহ সভাপতি প্রার্থী হতে পারেন বলে জানা গেছে।
এদিকে জেবিবিএ’র আসন্ন নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীরা সদস্য সংগ্রহ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। গত কয়েক বছরে জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশী মালিকানাধীন নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় ঐসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সদস্য করতে অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। কেউ কেউ স্বেচ্ছায় সদস্য পদ নিচ্ছেন আবার কোন কোন প্রতিষ্ঠানের মালিককে সদস্য বাড়ানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইউএনএ প্রতিনিধিকে জানান। পাশাপাশি জ্যাকসন হাইটসে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে সংশ্লিষ্টদের বৈঠক। চলছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। আলোচনা হচ্ছে কে কে জেবিবিএ’র সদস্য/ভোটার, কোথায় কোথায় ভোট আছে, কে কে ভোটার হতে পারেন, কিভাবে ভোটার বানানো যেতে পারে ইত্যাদি।
অপর একটি সূত্র মতে জেবিবিএ’র আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক পরিচয়টিও ফ্যাক্টর হতে পারে। বিশেষ করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ কেউ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সহ দেশীয় কোন কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত থাকায় দল দু’টির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তাদের সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছেন। ফলে সব মিলিয়ে জেবিবিএ’র আগামী নির্বাচন বেশ জমে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২০ বছর আগে জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিষ্ঠা করেন জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন (জেবিবিএ)। এক যুগেরও অধিক সময় পথ পেরিয়ে বিগত ২০১২ সালে জেবিবিএ’র নাম পরিবর্তন করে জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন নিউইয়র্ক  অর্থাৎ জেবিবিএ এনওয়াই  করা হয়। মাঝে বিভিন্ন কারণে জেবিবিএ বিভক্ত হয়ে হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধভাবে ‘জেবিবিএ এনওয়াই ’ গঠন করেন।


ত্রি-রাহু থেকে দেশকে মুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জে.এস.ডি’র ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় নেতৃবৃন্দ

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপ্ নিউজ : গত ৩১ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জ্যাকসন হাইটসে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত দলে ৪৫তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এবং সাধারন সম্পাদক সামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম ও সাংগঠনিক সম্পাদক তসলিম ঊদিদন খান-এর সার্বিক উপস্থাপনা ও পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্বা আনিসুজ্জামান খোকন ।

সম্মানীত বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রস্থ সোহরাওয়ার্দী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি প্রবীণ শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বার্তা সংস্থা বাপসনিউজ এডিটর হাকিকুল ইসলাম খোকন ।সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার প্রমুখসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। খবর বাপসনিঊজ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে শ্রমিক, কৃষক, সর্বহারা জনতা, মেহনতি মধ্যবিত্ত এবং প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবি মানুষের মধ্য হতে গড়ে উঠা নতুন নেতৃত্বের অধিকারী শ্রমিক, কৃষক মেহনতি মানুষের সত্যিকার প্রতিনিধিদের উপর রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা অর্পন এবং বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মাধ্যমে শ্রেনীহীন, শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়েই ১৯৭২ সালের ৩১ শে অক্টোবর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি জন্ম লাভ করে। সমাজ বিকাশের নতুন সম্ভাবনাকে বিকশিত করে তোলার জন্য পুরনো বিজাতীয় শক্তির বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রামের ঐহিত্য নিয়ে বাঙালী জাতির জন্ম। স্বাধীনতা যুদ্ধে উপনিবেশীক স্বৈরাচারী শক্তিকে পরাভুত করে বাঙালী জাতি পৌরুষত্বের পরিচয় দিয়েছে। স্বাধীনতার পর বার বার এ জাতি বিজয়ের সাফল্যগুলোকে সুসংহত করে শ্রেনীহীন সমাজব্যবস্থার পথে এগিয়ে যেতে চেয়েছে। কিন্তু দলীয় শাষনের যাঁতাকলে পড়ে গত ৪৪ বছর ধরে এদেশের নেতৃবর্গ জাতির এ উর্ধ্বমূখী আকাঙ্খাকে উপলব্দি করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই জাতি আজ হাতাশা ও বিক্ষুব্ধ। রাজনৈতিক দলগুলি দেউলিয়া ও দিশেহারা। এখন জাতি চায় এমন একটি রাজনৈতিক কর্মসূচী- যা শান্তি দিবে, সংহতি দিবে, উন্নয়ণ আর প্রগতির নতুন যুগের সূচনা করবে। কিন্তু এক্ষেত্রে উপনিবেশিক ধাঁচের রাজনৈতিক দলগুলি ব্যর্থ-অক্ষম-অর্থব। একমাত্র জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি জাতির আশা আকাঙ্খার স্বার্থক প্রতিনিধি। যারা সংগ্রামের আপোষহীন ও নির্মম; আবার শান্তির জন্য আন্তরিক ও অঙ্গীকারাবদ্ধ।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্বা আনিসুজ্জামান খোকন বলেন- স্বাধীনতা যুদ্ধের ৪৬ বছর পরে জাতি যখন দেশ গড়া ও উন্নয়নের এমন একটি কর্মসূচী ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের কামনায় উন্মূখ- ঠিক সেই মূহুর্তেই জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএস.ডি ‘দুইকক্ষ’ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট গঠন, ফেডারেল গর্ভামেন্ট পদ্ধতির প্রর্বতন, বাংলাদেশে ৯টি প্রদেশ গঠন, কেন্দ্রে জাতীয় ঐক্যমতের সরকার, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ‘উচ্চকক্ষ’ থেকে তত্বাবধায়ক সরকার গঠন, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, প্রবাসীদের বিনিয়োগের জন্য ‘উপজেলা শিল্প এলাকা’ গঠন, সার্কের আলোকে উপ-আঞ্চলিক জোট গঠন সহ দশ দফা কর্মসূচী হাজির করেছে; যা শান্তি ও জাতিয় সংগতির যুগোপযুগির দিকদর্শন। তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে ভোটার বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে দখলদারের মতো দেশ চালাচ্ছে। তারা মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার স্বাধীনতা হরণ করেছে। বিরোধী দলের আচরণেও জনগণ হতাশ। মানুষ তাদেরও বিশ্বাস করে না। যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে মানুষ ‘৭১-এ বয়কট করেছে। এ ত্রি-রাহু থেকে জনগণ মুক্ত হতে চায়। তারা বিকল্প শক্তিকে দেখতে চায়। তাই ’৭১ সালের মতো আবার রাজনৈতিক কর্মসূচীর ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলে এ ত্রি-রাহু থেকে দেশকে মুক্ত করে এই অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে হবে।
সভায় বক্তাগণ বলেন, স্বাধীনতা উত্তর কালে জাতীর জন্য প্রয়োজন ছিল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী সকল দল, সমাজ ও শক্তির সমন্বয়ে একটি “বিপ্লবী জাতীয় সরকার” গড়ে তোলা। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুসংহত করা ও জাতীয় উন্নয়নের মৌলিক করণীয় সমূহ সম্পাদনের জন্য এ ছিল অপরিহার্য। কিন্তু তা না করে বৃটিশ-পাকিস্তানি উপনিবেসিক মডেলের রাজনীতি ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভর করেই স্বাধীন দেশের যাত্রা শুরু করা হয়। যার ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের উত্তরোত্তর বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী শক্তি বহুধা বিভক্ত হয়ে পড়ে, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হয়।
এমতাবস্থায় ইতিবাচক রাজনীতির ধারাকে এগিয়ে নেয়ার স্বার্থে ‘৬২’র নিউক্লিয়াসের অনুপ্রেরনাতে আওয়ামী লীগের প্রগতিশীল ও সংগ্রামী অংশ, ছাত্র লীগের সংগ্রামী অংশ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে ‘৭২’র ৩১শে অক্টোবর ঢাকার পল্টন ময়দানে লক্ষ লক্ষ ছাত্র-জনতার উপস্থিতিতে স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তেদালক আ. স. ম আবদুর রব মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও শোষনমুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি নামে একটি রাজনৈতিক দলের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা করেন। জন্মের পর থেকে জাতীর প্রতিটি সংকটে বাস্তবসম্মত কর্মসূচী প্রদান ও আপোষহীন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জেএসডি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে প্রগতিশীল ধারার প্রতিনিধিত্বকারী ইতিবাচক রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে। সকল অত্যাচার, নির্যাতন ও কারাবন্দীত্বের দূর্ভোগ সত্বেও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি বৃটিশ, ভারত, পাকিস্তানি কলোনিয়েল আইনের পরিবর্তে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী জাতীয় চেতনা সমন্বিত আইনের জন্য দাবী জানানো অব্যাহত রাখে। দলের ত্বাত্তিক নির্দেশক, স্বাধীনতার রূপকার সিরাজুল আলম খান এর নির্দেশনায় ও স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলক আ স ম আবদুর রব দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় রাজনীতি, ফেডারেল সরকার পদ্ধতি ও প্রদেশ গঠনের প্রস্তাব করে আসছেন। স্ব-শাষিত স্থানীয় সরকারের দাবী জেএসডি’র অন্যতম প্রস্তাব।
জেএসডি’র নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আসুন পুরোনো মডেলের রাজনীতি, দলীয় আধিপত্ববাদী রাজনৈতিক-সংস্কৃতি ও উপনিবেসিক ধাচের রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিবর্তন করে স্বাধীন দেশের উপযোগী নতুন মডেলের রাজনীতি ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার আন্দোলনকে বেগবান করি। আমরা আস্থা রাখি, স্বাধীনতার পথম পতাকা উত্তোলক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি আ স ম আবদুর রব দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় রাষ্ট্র শাষনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম। বর্তমান যুগে জ্ঞান অভিজ্ঞতা শিক্ষার সমন্বিত শক্তি ঐক্যবদ্ধ জাতীয়  নেতৃত্বের জন্য মূল্যবান উপকরণ। সমযোতা ও বিতর্কের এ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমরা আছি সরকার ও অন্যান্য জাতীয় নেতৃত্বের ঐক্যের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব দেখার অপেক্ষায়।
সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও  ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে  এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


৭ মার্চের সেই ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি : নিউইয়র্কে আনন্দ র‌্যালি

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী এ সময় বলেন, “বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল। ওই ভাষণ পুরো জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য শক্তি যুগিয়েছিল, প্রস্তুত করে তুলেছিল।” জ্যাকসন হাইটসে খাবার বাড়ি স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত এ র‌্যালিতে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর সমাগম ঘটে। সকলেই সমস্বরে বঙ্গবন্ধুর জয়ধ্বনি করেন এবং তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের এগিয়ে চলাকে ত্বরান্বিত করার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন।

Picture

হোস্ট সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারি নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন, সৈয়দ বসারত আলী, শামসুদ্দিন আজাদ ও আবুল কাশেমনিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, সহ-সভাপতি মাসুদ সিরাজী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি, নির্বাহী সদস্য খোরশেদ খন্দকার এবং আজহারুল ইসলাম লিটন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাখাওয়াত বিশ্বাস, যুবলীগের নেতা নান্টু মিয়া প্রমুখ। ইউনেস্কো মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ৩০ অক্টোবর সোমবার প্যারিসে এই জাতিসংঘ সংস্থার কার্যালয়ে ওই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

৪৬ বছর আগে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) স্বাধীনতাকামী ৭ কোটি মানুষকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”তার ওই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। নয় মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

ইউনেস্কো জানিয়েছে, তাদের মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড (এমওডব্লিউ) কর্মসূচির ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি গত ২৪ থেকে ২৭ অক্টোবর প্যারিসে দ্বিবার্ষিক বৈঠক শেষে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণসহ মোট ৭৮টি দলিলকে এবার ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে ‘মেমোরি অব দা ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে যুক্ত করার সুপারিশ দেয়। এরপর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ওই সুপারিশে সম্মতি দিয়ে বিষয়টি ইউনেস্কোর নির্বাহী পরিষদে পাঠিয়ে দেন এবং সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে সেই তথ্য প্রকাশ করেন।


গোলাপগঞ্জ সমিতির মত বিনিময় সভা

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ২৮ অক্টোবর  রবিবার রাত ৯টায় এস্টোরিয়াস্থ বৈশাখী রেষ্টুরেন্টে লন্ডন প্রবাসী গোলাপগঞ্জের কৃতি সন্তান আলী আহমদ চৌধুরীর সাথে গোলাপগঞ্জ সমিতির এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি হাজী আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিত মুক্তার পরিচালনায় এই মত বিনিময় সভায় গোলাপগঞ্জের উন্নয়নের জন্য আমেরিকা ও লন্ডনে বসবাসরত গোলাপগঞ্জ প্রবাসীদের সার্বিক সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


মত বিনিময় সভায়  বক্তব্য রাখেন সমিতির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান জালালাবাদ এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি আব্দুল বাসিত, ট্রাস্টি বোর্ডের সালেহ আহমদ সালেক, সৈয়দ খালেদ, রাজ্জাক চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল কাইয়ূম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তা মিয়া,  খ্যাতিমান ফুটবলার ও গোলকিপার পারভেজ আহমদ। পরিশেষে সভাপতি হাজী আব্দুর রহমান সবাইকে নৈশভোজের আমন্ত্রন জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।


ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবস আগামী ৩রা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ পালন করবে

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

Picture

বাপ্ নিউজ : নিউ ইর্য়ক : নভেম্বর মাস। একটা বিশেষ ঘটনা বাংলাদেশীদের জন্যে কষ্টের ও কলঙ্কের চিহ্ন হয়ে আছে তা হচ্ছে ৩রা নভেম্বর রক্তঝরা ঐতিহাসিক জেল হত্যা দিবস। বাংলাদেশের রূপকারদের মধ্যে প্রধান ৫ জনকে ১৯৭৫ সালে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। তাদের মধ্যে চারজনকে সভ্যতার নিয়মনীতি ও আইনের শাসনের চরম লংঘন করে জেলের ভিতর হত্যা করা হয়। নির্মম হত্যাকান্ডে নিহত চারজন হলেন: সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহম্মেদ, কামরুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলী।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টিকে স্মরণ করবে। জাতির ইতিহাসে কলঙ্কময় ও বেদনাবিধুর দিন উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আগামী শুক্রবার ৩রা নভেম্বর ২০১৭ এক আলোচনা সভা ও দোয়া মহাফিলের আয়োজন করেছে। জ্যাকসন হাইটসে অবস্হিত মেজবান রেষ্টুরেন্টে সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকায় আয়োজিত এই শোক সভায় সকল মিডিয়ার কর্মকর্তা সহ নিউ ইয়র্কে বসবাসরত মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সবাইকে উপস্হিত থাকার জন্য সবিনয় অনুরোধ করা যাচ্ছে।

আমন্ত্রনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড.সিদ্দিকুর রহমান (টেলিফোন:-৬০৯–৪৩৩–৮৫১০) ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ (টেলিফোন:-৩৪৭–৫৫৩–৬১৬৩)।


বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টারে স্মারক হিসেবে অন্তর্ভূক্তির সুপারিশের জন্য ইউনেস্কোকে প্রবাসী’র অভিনন্দন

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাং¯কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে  আমেরিকা- বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড-এর আব্দুল মুকিত চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র সোহরাওয়ার্দী স¥ৃতি পরিষদের সভাপতি শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গণি ও সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া, সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহামন মিলন ও সাধারণ সম্পাদক আলো আহমদ, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ, বোস্টনবাংলানিউজ ডটকম সহযোগী সম্পাদক বিশ্বজিৎ সাহা ও নাসিম পারভীন, ইউএসএ বাংলানিউজ এর সম্পাদক আবু সাঈদ রতন, কবি ও সঙ্গীত শিল্পী শামীমআরা আফিয়া, আবুল কাসেম ভুইয়া,কবি আব্দুল আজিজ, ফিরোজ মাহমুদ ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক শামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি দেওয়ান শাহেদ চেীধুরী ও নুরে আলম জিকু এক বিবৃতিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টারে স্মারক হিসেবে অন্তর্ভূক্তির সুপারিশের জন্য ইউনেস্কোকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। উলেলখ্য যে, এ ভাষণ প্রস্তুতিতে সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে গঠিত নিউক্লিয়াস এবং শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম,এএইচএম কামরুজ্জামানসহ চার জনের সমন্বয়ে গঠিত আওয়ামীলীগের হাই কমান্ড জড়িত ছিল। আজকের এই দিনে নেতৃবৃন্দ তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।


বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টারে স্মারক হিসেবে অন্তর্ভূক্তির সুপারিশের জন্য ইউনেস্কোকে জেএসডি’র অভিনন্দন

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এবং সাধারন সম্পাদক সামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম- এক বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টারে স্মারক হিসেবে অন্তর্ভূক্তির সুপারিশের জন্য ইউনেস্কোকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। উলেলখ্য যে, এ ভাষণ প্রস্তুতিতে সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে গঠিত নিউক্লিয়াস এবং শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এম মনসুর আলী,এএইচএম কামরুজ্জামানসহ চার জনের সমন্বয়ে গঠিত আওয়ামীলীগের হাই কমান্ড জড়িত ছিল। আজকের এই দিনে নেতৃবৃন্দ তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।


ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে নিন যুক্তরাষ্ট্রে ৫ নভেম্বর থেকে স্ট্যান্ডার্ড টাইম টেবল শুরু

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ ঃ যুক্তরাষ্ট্রে ৫ নভেম্বর রোববার থেকে শুরু হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড টাইম টেবল। একই সাথে শেষ হচ্ছে ডেলাইট সেভিংস টাইম। ফলে এদিন ভোর রাত ২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা পিছিয়ে ১টা বাজাতে হবে। অর্থাৎ  তখন থেকে শুরু হবে স্ট্যান্ডার্ড টাইম টেবল। দিনের আলোকে কাজে লাগাতে বিগত ১২ মার্চে শুরু হয়েছিল ‘ডে লাইট সেভিংস টাইম’টেবল। ৫ নভেম্বর তা শেষ হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, স্ট্যান্ডার্ড টাইম টেবল শুরু হওয়ার পর নিউইয়র্কে যখন বেলা ১২টা বাজবে, ঢাকায় তখন সময় হবে রাত ১১টা।