Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৩১তম ফোবানার কনভেনার এম রহমান জহির

বুধবার, ১৭ মে ২০১৭

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৩১তম ফোবানার কনভেনার এম রহমান জহির

বাপ্ নিউজ : ফ্লোরিডা: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিতব্য ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার এম রহমান জহির। সোমবার দিবাগত রাতে হঠাৎ করেই বুকে ব্যাথা অনুভব করলেই সাথে সাথেই তাকে নিকটস্থ ওয়েষ্টপাম বীচের লেকওয়ার্থ জেএফকে হাসপাতাল স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে প্রাথমিক চেকআপের পরপরই তার বুকে ব্লক সহ বিভিন্ন সমস্যা ধরা পড়লে সাথে সাথেই তাকে সার্জারীর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

বর্তমানে তিনি সুস্থ্য আছেন বলে জানিয়েছেন ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের সভাপতি মোহাম্মদ এমরান, সাধারন সম্পাদক আরিফ আহমেদ ও সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান আতিক। তারা বলেন, গত ১৩ মে নিউইয়র্কে ৩১তম ফোবানার সাংবাদিক সম্মেলনেই কনভেনার এম রহমান জহির বুকের ভিতর ব্যথা অনুভব করেন। বুকের ব্যাথা নিয়েই তিনি সাংবাদিক সম্মেলন শেষে বৈরী আবহাওয়ার মাঝে নিউজার্সীতে একটি সভায় অংশগ্রহন করেন। রবিবার এম রহমান জহির ফ্লোরিডার ফিরে এলেও তিনি চিকিৎসকের শরনাপন্ন না হলে সোমবার দিবাগত তার অবস্থার অবনতী ঘটলে তাকে দ্রুত নিকটস্থ ওয়েষ্টপাম বীচের লেকওয়ার্থ জেএফকে হাসপাতাল স্থানান্তর করা হয়।

বর্তমানে এম রহমান জহিরের অবস্থার উন্নতী হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ৩১তম ফোবানার নেতৃবৃন্দ এবং এম রহমান জহিরের আশুরোগ মুক্তি কামনায় সবার নিকট দোয়া চেয়েছেন।


নিউইয়র্কে সাংবাদিকতার সংকট

বুধবার, ১৭ মে ২০১৭

বর্ণমালা নিউজ (নিউইয়র্ক): নিউইয়র্কের গণমাধ্যমে কর্মরত: সাংবাদিকদের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। এর কারন একই সাংবাদিক যখন তার কর্মস্থলের মিডিয়ায় যখন কোন রিপোর্ট করেন তার মূলকথা বা রিপোর্টিংয়ের ‘ধারা’ যে রকম হয় তার উল্টোটা লিখছেন তিনি যখন বাংলাদেশের মিডিয়াতে সেই একই বিষয়ে রিপোর্ট করেন বা পাঠান। এতে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে একই নিউজ কিভাবে একজন সাংবাদিকের কলমে দুই মতধারায় বা দু‘ভাবে লেখা হয়। আর এই ধরনের সংবাদ লিখে তারা এখানকার দুই ধারার রাজনীতিবিদদের একটি অংশ যারা প্রকৃতপক্ষে যা নন তাদেরকে সেভাবে তুলে ধরার যে প্রক্রিয়া বেছে নিয়েছেন তাকে কোনভাবেই সৎ এবং সুস্থধারার সাংবাদিকতা বলা যায় না। একইভাবে কিছু প্রচারলোভী ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী কাম রাজনীতিবিদ যারা নিজেদের সাফল্যকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তুলে ধরার জন্য কিছু অর্থ ব্যয় করেন তাদেরকেও ’সেবা’ দিয়ে যাচ্ছেন এই শ্রেণীর সাংবাদিকরা। সাংবাদিকতার এই অনৈতিক পরিস্থিতির জন্য দুর্বল আর্থিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় মিডিয়া কর্তৃপক্ষকে যতটা দোষ দেয়া যায়, তার চেয়ে বেশী দোষারোপ করছেন অভিজ্ঞজনরা ঢাকার বিশাল পূঁিজর মিডিয়াগুলোকে। ঢাকার পেশাদারী মিডিয়ায় যখন এরকম ‘ফরমায়েশী’ রিপোর্ট কোন বাছ-বিচার না করে প্রকাশ করে তখন তার দায় তাদের উপরও বর্তায় বলে মনে করেন তারা।

নিউইয়র্কে সাংবাদিকতার সংকট
এমন দ্বিমূখী অনৈতিক রিপোর্টিংয়ের কারনে বিভ্রান্ত হচ্ছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। কারন তাদের নেতারা নিউইয়র্কে সেসব সাংবাদিকদের মিডিয়ায় তাদের দলের আদর্শ বিরোধী অবস্থান থেকে তাদের সংগঠনের সংবাদ প্রচার করেন তাকে তারা কোন গুরুত্ব দেন না- অভিযোগ ক্ষুদ্ধ নেতা-কর্মীদের। নেতারা শুধু গোনায় ধরেন সেই একই সাংবাদিকের ঢাকায় পাঠানো তাদের সংগঠনের সেই বিষয়ের রিপোর্টকে। আর ঢাকায় প্রকাশিত সেসব রিপোর্টে সম্পূর্ণ উল্টো গীত গান এসব সাংবাদিকরা। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ দিক হচ্ছে সেসব প্রতিবেদনে এসব নেতাদের এমন ভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বা সরকারের দায়িত্বশীলদের নজরে আসতে পারেন তারা। এটা ছাড়াও সেসব সাংবাদিকরা এমনভাবে রিপোর্ট লিখেন যেখানে দেখা যায় এসব নেতারা কোন অনুষ্ঠানে যা বলেননি ঢাকার পত্রিকায় সেসব কথা প্রকাশ হচ্ছে। আবার কখনও কখনও এমন হয় হয় নিউইয়র্কের রিপোর্টে যার উপস্থিততির কথা নেই ঢাকার রিপোর্টে ভৌতিকভাবে সেই ব্যক্তির উপস্থিতি দেখানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করলে একটি বড় রাজনৈতিক দলের যুক্তরাষ্ট্র শাখার এক নেতা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, আমার দলের শীর্ষনেতারা নিউইয়র্কের কোন সাপ্তাহিক পত্রিকায় কি লেখা হয় তাদের নিয়ে বা সংগঠন নিয়ে, তাতে মাথা ঘামান না। তারা শুধু চান ঢাকার পত্রিকায় তাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরার জন্য ‘ফরমায়েশী’ রিপোর্ট। আর এজন্য তারা নগদ ডলার খরচ করছেন দেদারছে। আর তাই নিজের মিডিয়ায় তার অথবা ‘পত্রিকার মতাদর্শ’ (যা সম্পূর্ণ বিপরীত) অনুযায়ী রিপোর্ট লেখার পর একই সাংবাদিক ‘ফরমায়েশী’ রিপোর্ট লেখেন যখন তখন তাতে তাদেরকে সাংবাদিকতার চেয়ে পাবলিক রিলেশন্স অফিসারের ভূমিকায় দেখা যায় বেশী করে। পাবলিক রিলেশন্স অফিসারের মত তোষামোদীতে ভরা রিপোর্টগুলো ঢাকায় কিভাবে কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রচার হচ্ছে তা নিয়েও রহস্যের গন্ধ খুঁজে পাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে ঢাকার কোন কোন সাংবাদিক বা সম্পাদক যারা ঘন ঘন বিভিন্ন উপলক্ষ্যে নিউইয়র্ক সফর করেন তাদের মিডিয়াতেই এসব ফরমায়েশী সংবাদ বেশী বেশী ছাপা হ্েচ্ছ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরও অভিযোগ এসব সাংবাদিক ও সম্পাদকরা নিউইয়র্কে আসলে বিভিন্ন সময়ে নানা দামী উপঢৌকন গ্রহন করেন তাদেরকে যারা সংবাদ পাঠায় তাদের কাছ থেকে। আর যেসব নেতাদের ফরমায়েশী সংবাদ ছাপান তারা তাদের কাছ থেকেও তারা উপহার এবং কখনও কখনও প্লেনের রির্টান টিকিটও পেয়ে থাকেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের একটি বড় দলের শাখার সবচেয়ে বড় পদের নেতা তার দলের বিভিন্ন কর্মসূচীর সফলতার জন্য এখন আর কোন নেতাকর্মীর প্রতি তেমন আস্থা রাখেন না বলে জানিয়েছেন সে দলটির ক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, ঢাকার মিডিয়ায় এবং দু‘য়েকটি ওয়েবভিত্তিক সংবাদ পোর্টরালে তার সংবাদ প্রচার হলেই তিনি চরম তুষ্টিতে ভোগেন। এক সময়ে নিউইয়র্কের কোন কোন সাপ্তাহিকের সমর্থন নিয়ে দলে নিজের অবস্থান সংহত করা এই বড় নেতা এখন নিউইয়র্কের ছোট-বড় সব সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন। শুধু নিয়ম রক্ষার জন্য এবং লোক দেখানো মনোভাব থেকে তার দলের সংবাদ সম্মেলনে অথবা কর্মসূচী কভার করতে এই নেতা সাংবাদিকদের আমন্ত্রন করেন বলে বলেছেন দলটির কিছু মধ্যম সারির নেতা।
সাংবাদিকতার এই ক্রান্তিকালে যখন সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা অপসাংবাদিকতাকে রুখে দাঁড়ানোর কথা তখন নিউইয়র্কের দুটি প্রেসক্লাবের একটি ’বাংলাদেশ-আমেরিকা প্রেসক্লাব’ বিভক্ত হয়ে দুটি কমিটি ঘোষণা দিয়ে নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করছে। আর রাজনৈতিক দলের সেইসব নেতা ও ভূঁইফোঁড় ব্যবসায়ীরা বিভক্তির প্রেসক্লাবের দুটি অংশকে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে বিভিন্নভাবে সমর্থন দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিলে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।


হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশন যুক্তরাষ্ট্র এর সভা অনুষ্ঠিত

মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :গত ৫ই মে রবিবার বৃন্দাবন কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশন যুক্তরাষ্ট্র এর এক সভা জ্যাকসন হাইটস্ এর একটি রেষ্টুরেন্টে এসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল বারভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক জায়েদুল মোহিত খান।সভায় বক্তব্য রাখেন মুজাহিদ আনসারী, সাদেক মিয়া, আলমগীর মিয়া, ফরিদ উদ্দিন, আবু সাঈদ চৌধুরী কুঠি, প্রফেসার আব্দুর রহমান, নাজিম উদ্দিন, মিয়া মো: আছকির, আব্দুল ওয়াহেদ, শিমুল হাসান, ফয়সল আমিন সুমন, বিষ্ণুপদ সরকার, আব্দুল গাফ্ফার, ফয়সল আহমেদ, আব্দুল আজিজ।

Picture

সভায় আগামী ৬ই আগষ্ট রবিবার এসোসিয়েশনের বার্ষিক স্টাডি ট্যুর ওয়াশিংটন ডিসিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। স্টাডি ট্যুরকে সফল করার লক্ষ্যে প্রফেসর আব্দুর রহমানকে আহবায়ক ও বিষ্ণুপদ সরকারকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত স্টাডি ট্যুরে এসোসিয়েশনের সকল সদস্য/সদস্যাদেরকে স্বপরিবারে অংশ গ্রহন করার জন্য আহবান জানানো হয়। অংশগ্রহনে ইচ্ছুক সকল সদস্যদেরকে আগামী ৩০শে জুলাইয়ের মধ্যে নাম তালিকাভুক্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যোগাযোগ: প্রফেসর আব্দুর রহমান- মোবাইল: ৯১৭-৩৭৯-২২০৪, বিষ্ণুপদ সরকার- মোবাইল: ৬৪৬-৫২৫-২৩১১।


পাঁচবছর পর নিউইয়র্কে হুমায়ুন মেলায় শাওন

মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,আয়েশ আক্তার রুবি,বাপ্‌স নিউজ :আমি আজ থেকে ৫ বছর আগে নিউইয়র্কে এসেছিলাম আপনাদের প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে। এই নিউইয়র্কে তার অনেক স্মৃতি। এখানে তিনি তার জীবনের অনেক কঠিন সময় এবং আনন্দময় দিন কাটিয়েছেন। আজকে আমার ভাল লাগছে হুমায়ূন আহমেদের প্রতি আপনাদের ভালবাসা দেখে। তাঁকে আপনারা হৃদয়ে ধারণ করেছেন বলে। গত ১৪ মে শোটাইম মিউজিক এন্ড প্লে আয়োজিত নিউইয়র্কে প্রথম হুমায়ূন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন এ সব কথা বলেন। হুমায়ূন মেলাটি বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসের বেলাজিনো অডিটোরিয়াম এবং পার্কিং লটে অনুষ্ঠিত হয়।

Picture

বিকেল ৫টায় ফিতা কেটে এবং বেলুন উড়িয়ে হুমায়ূন মেলার উদ্বোধন করেন মেহের আফরোজ শাওন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী সেলিম চৌধুরী, দিলরুবা খান, চন্দনা মজুমদার, রিজিয়া পারভীন, অন্য প্রকাশনীর তানজীনা রহমান, সৈয়দ মোহাম্মদ উল্যাহ, শো টাইম মিউজিকের প্রেসিডেন্ট আলমগীর খান আলম প্রমুখ।শামসুন নাহার নিম্মির উপস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, হুমায়ূন আহমেদ এমন একজন উঁচু মাপের লেখক ছিলেন তাকে ভুলা যায় না। দেশেও প্রমাণিত হয়েছে, আজকে নিউইয়র্কেও প্রমাণিত হলো। তিনি মানুষের মনের মনি কোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, হুমায়ূন আহমেদ আমার সহকর্মী ছিলেন। আজকের এই মেলায় আমরা হুমায়ূন আহমেদকে পাবো, হিমুকে পাব এবং মিশির আলীকেও পাবো।

alt

মেহের আফরোজ শাওন বলেন, আমি আজ থেকে ৫ বছর আগে নিউইয়র্কে এসেছিলাম আপনাদের প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে। এই নিউইয়র্কে তার অনেক স্মৃতি। এখানে তিনি তার জীবনের অনেক কঠিন সময় এবং আনন্দময় দিন কাটিয়েছেন। আজকে আমার ভাল লাগছে হুমায়ূন আহমেদের প্রতি আপনাদের ভালবাসা দেখে। তাঁকে আপনারা হৃদয়ে ধারণ করেছেন বলে। আমি আমার দুই সন্তানকে নিয়ে এখানে এসেছি তাদের বাবার প্রতি মানুষের ভালবাসা দেখানোর জন্য। এখানে এসে আমি আমার হৃদয়ের অংশ খুঁজে পেয়েছি, স্মৃতি খুঁজে পেয়েছি। আশা করি আগামীতেও নিউইয়র্কে এই মেলা অব্যাহত থাকবে।

alt

নিশাদ হুমায়ূন উপস্থিত দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনারা আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।মেলায় হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যে মধ্যবিত্তের জীবন নিয়ে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, মেহের আফরোজ শাওন, ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমান, বাঙালির সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, সৈয়দ মোহাম্মদ উল্যাহ, হুমায়ূন আহমেদের বন্ধু ফানশু মন্ডল প্রমুখ।এ ছাড়াও মেলায় হুমায়ূন আহমেদের শেষ চলচ্চিত্র ঘেটুপুত্র প্রদর্শনী করা হয়।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হুমায়ূন আহমেদের গান পরিবেশন করেন বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পী সেলিম চৌধুরী, দিলরুবা খান, চন্দনা মজুমদার, রিজিয়া পারভীন, প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী শাহ মাহবুব, কৃষ্ণা তিথি, রোকসানা মির্জা, জাকারিয়া মহিউদ্দিন প্রমুখ।হুমায়ূন মেলায় মানুষের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে মেলায় আয়োজক আলমগীর খান আলম আগামী বছর থেকে তিন দিনব্যাপী হুমায়ূন মেলার ঘোষণা দেন। মেলার টাইটেল স্পন্সর ছিলো উৎসব কুরিয়ার। মিডিয়া পার্টনার ছিলো ঠিকানা, চ্যানেল আই।


হেলাল-আজম পরিষদ জয়ী কানেকটিকাটে বাক-এর নির্বাচনে

মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,আয়েশ আক্তার রুবি,বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশি আমেরিকান এসোসিয়েশন অব কানেকটিকাট (বাক)-এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে হেলাল-আজম পরিষদ সংখ্যাগরিষ্ঠ পদ পেয়ে জয়লাভ করেছেন। গত শনিবার কানেকটিকাটের ৫টি শহরে দিনব্যাপী এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

Picture

সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিটি। নির্বাচন কমিটি ঘোষিত সরকারি ফলাফলে ১৭টি পদের মধ্যে ২টি পদ বাদে হেলাল-আজম পরিষদ ১৫টি পদে জয়লাভ করেন।

 alt

সভাপতি পদে ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল পেয়েছেন ১১৫০ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে ব্যালটে কোন প্রার্থীর নাম ছিল না তবুও ফাঁকা ঘরে ভোট পড়েছে ১টি, সহ-সভাপতি পদে মোহাম্মদ রহমান তুহিন পেয়েছেন ১১২০ ভোট, নিকটতম প্রার্থী নুরুল আলম নুরু পেয়েছেন ৪৩ ভোট, সহ-সভাপতি পদে হালিম আকবর পেয়েছেন ১১২২ ভোট, নিকটতম প্রার্থী ডেভিড রোজারিও পেয়েছেন ৪২ ভোট, সাধারন সম্পাদক পদে মীর আজম পেয়েছেন ১১২৩ ভোট, নিকটতম প্রার্থী হুমায়ুন জায়গীরদার পেয়েছেন ৪২ ভোট, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে সাঈদ চৌধুরী সুমন পেয়েছেন ১১১৯ ভোট, নিকটতম প্রার্থী সাঈদ রহমান আজিজ পেয়েছেন ৪১ ভোট, কোষাধ্যক্ষ পদে সোয়েলুর রহমান স্বপন পেয়েছেন ১১৩৭ ভোট, নিকটতম প্রার্থী সৈয়দ সাদেক আহমেদ পেয়েছেন ২৭ ভোট, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রওনাক আফরোজ পেয়েছেন ১১২১ ভোট, নিকটতম প্রার্থী  সাদ চৌধুরী পেয়েছেন ৩৯ ভোট, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোল্লা বাহাউদ্দিন পিয়াল পেয়েছেন ১১২৮ ভোট, নিকটতম প্রার্থী রাশিদা আখন্দ পেয়েছেন ৩৭ ভোট, যুগ্ম সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মার্ক হাওলাদার পেয়েছেন ১১২০, নিকটতম প্রার্থী মোহাম্মদ উদ্দিন পেয়েছেন ৪০ ভোট,গণসংযোগ সম্পাদক পদে আব্দুল জায়গীরদার পেয়েছেন ১১২৫ ভোট, নিকটতম প্রার্থী একেএম মেসবাহ উদ্দিন পেয়েছেন ৩৪ ভোট, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ইকরাম ভুঁইয়া পেয়েছেন ১১২৭ ভোট, নিকটতম প্রার্থী মোহাম্মদ আলম পেয়েছেন ৩৬ ভোট, (যুগ্ম ক্রীড়া সম্পাদক পদে উভয় প্যানেলে কোন প্রার্থী ছিল না) ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক পদে মাহবুবুল হক পেয়েছেন ১১২৯ ভোট, নিকটতম প্রার্থী ফরিদ চৌধুরী পেয়েছেন ৩৯ ভোট, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে মারলিন গোমেজ পেয়েছেন ৩১ ভোট (প্রতিদ্বন্দ্বি কোন প্রার্থী নেই), নির্বাহী সদস্য পদে মীর সাব্বির আহমেদ পেয়েছেন ১১২৫ ভোট, নিকটতম প্রার্থী হারুন আহমেদ পেয়েছেন ৩৫ ভোট, মোহাম্মদ শাহীন পেয়েছেন ১১৩২ভোট, নিকটতম প্রার্থী  হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ৩৪ ভোট এবং ফজল আহমেদ পেয়েছেন ১১২৭ ভোট, নিকটতম প্রার্থী আব্দুল মুমিত মামুন পেয়েছেন ৩১ ভোট।

alt

যুগ্ম ক্রীড়া সম্পাদক পদে উভয় প্যানেলের কোন প্রার্থী ছিল না। ফলে এ দু’টি পদে কোন নির্বাচন হয়নি। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হেলাল-আজম পরিষদের কোন প্রার্থী ছিল না। কামাল-হুমায়ুন পরিষদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা স্বত্ত্বেও উক্ত পদে মারলিন গোমেজ পেয়ে ৩১ ভোট নির্বাচিত হয়েছেন।নির্বাচন কমিটির প্রাধান ড. গোলাম চৌধুরী ইকবালের দেওয়া তথ্যানুযায়ী সর্বমোট ভোট গ্রহন হয়েছে ১হাজার ২ শত ১ ভোট, এর মধ্য বাতিল হয়েছে ২৬টি ভোট। কেন্দ্রভিত্তিকোট স্টামফোর্ডে মোট ভোট গ্রহন ১৩২টি, বাতিল ২টি, ব্রিজপোর্টে মোট ভোট গ্রহন ১২৬ টি, বাতিল ২টি, ওয়ালিংফোর্ডে মোট ভোট গ্রহন ২৬৯ টি, বাতিল ৫টি, মিডলটাউনে মোট ভোট গ্রহন ১৫১টি, বাতিল ১৫টি এবং ম্যানচেস্টারে মোট ভোট গ্রহন ৫২৩টি বাতিল ২টি। নির্বাচনে তাকে সহযোগিতা করেন নির্বাচন কমিটির অতিরিক্ত দুই সহযোগি সদস্য জিয়াউল মান্নান ও জিয়া হক।ব্যালটে দু’টি প্যানেলের প্রার্থীদের নামও প্রকাশিত হয়। কিন্তু কামাল-হুমায়ুন পরিষদ কয়েক সপ্তাহ আগে বাক-এর সকল সদস্যদেরকে উদ্দেশ্যে নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা দেন। ফলে উক্ত নির্বাচনে তারা অংশগ্রহন করেনি। এমনকি কোন ভোটকেন্দ্রেও তাদের পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করেননি।

alt

এদিকে, নবনির্বাচিত সভাপতি ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল ও সাধারন সম্পাদক মীর আজম তাদের বিজয় প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ভেদাভেদ ভুলে কানেকটিকাটের প্রবাসীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সমাজের সার্বিক কল্যাণে কাজ করবেন। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ভুল বোঝাবুঝিসহ যে সংকটের সৃষ্টি হয়েছিল তা অচিরেই মিটিয়ে সকলকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার ঘোষনা দেন।তারা বলেন আর কোন ভেদাভেদ নয়, আসুন সবাই মিলে বাংলাদেশি আমেরিকান এসোসিয়েশন অব কানেকটিকাট (বাক) কে ঢেলে সাজাই এবং প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করি।


নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ জনের লাশ ঢাকার পথে

মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,আয়েশ আক্তার রুবি,বাপস্নিউজ: নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : কর্মস্থলে যাবার পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ বাংলাদেশির নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হলো সোমবার বাদ যোহর নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে অবস্থিত জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে। মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আবু জাফর বেগের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত জানাযায় শোকার্ত স্বজন এবং সাবেক এমপি এম এম শাহীনসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত শনিবার নিউইয়র্ক সময় ভোর ৫টার দিকে লং আইল্যান্ড এলাকার নর্দার্ন ষ্টেট পার্কওয়ের এক্সিট ৩১-এ এই দুর্ঘটনা ঘটে। এদের বহনকারি প্রাইভেট কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পার্শ্ববর্তী একটি গাছের সাথে ধাক্কা খায় বলে টহল পুলিশ জানিয়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই দু’জন নিহত হন এবং অপর দু’জনকে গুরুতর অবস্থায় নিকটস্থ উইনথ্রপ ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আরো একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

alt

নিহতরা হচ্ছেন ঢাকার মাতোয়াইলের শামসুল আলম (৬১), কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার আতাউর রহমান দুলাল (৩৫) এবং ময়মনসিংহের নৌমহল এলাকার রায়হান ইসলাম (২৮)।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আল আমীনের (৩৬) বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায়। তার ডান হাত ও পা এবং বুকের পাজরের অংশ বিশেষ ভেঙ্গে গেছে বলে চিকিৎসকদের উদ্ধৃতি দিয়ে তার স্বজনেরা জানিয়েছেন। এখনও তার জ্ঞান ফিরেনি। তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

Picture

পারিবারিক সিদ্ধান্তে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে তাদের নিজ নিজ গ্রামে দাফন করা হবে। জানাযার পরই মরদেহ তিনটি সোমবার রাতেই আমিরাত এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।

মরদেহের সাথে তাদের পরিবারের সদস্যরাও বাংলাদেশে যাচ্ছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার সকালে কফিন ৩টি ঢাকায় পৌঁছাবে।

নিহত ও আহতরা সবাই নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স বরোর জ্যামাইকা এলাকায় বসবাস করতেন এবং লং আইল্যান্ডে তাদের কর্মস্থল ‘ইনভাজিন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী’তে সকালের শিফটে কাজ করতে যাচ্ছিলেন। প্রতিদিনের মতো সহকর্মী রায়হান ইসলাম ড্রাইভ করছিলেন এবং গাড়িটি তার নিজের।


নিউইয়র্কে মর্মান্তিক সড়ক দুঘটনায় তিন বাংলাদেশী নিহত, গুরুতর আহত এক

সোমবার, ১৫ মে ২০১৭

Picture

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত শামসুল আলম, আতাউর রহমান ও রায়হান ইসলামের স্থানীয় হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। অপরদিকে গুরুতর আহত আল আমীনকে উইনথ্রপ ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দূর্ঘটনার পর থেকেই সে অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছে বলে তাকে হাসপাতালে দেখে এসে ইউএনএ প্রতিনিধিকে এই তথ্য জানান তারই ভৈরবের এলাকাবাসী রফিকুল ইসলাম। ঐ হাসপাতালের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি আরো জানান, আপাতত: আল আমীনের বিপদ কেটে গেছে। সোমবার নাগাদ তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

নিহত শামসুল আলম তার এক পুত্র আর এক কন্যা নিয়ে জ্যামাইকায় বসবাস করছিলেন। তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম ঢাকার মিরপুর কলেজের অধ্যাপিকা। তারা এক পুত্র আর দুই কন্যার জনক-জননী। তাদের বড় কন্যা শামস জেরিন তাসনিম ঢাকায় আর্মি হাসপাতালের ডাক্তার, দ্বিতীয় কন্যা মমো নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটির ফার্মাসী বিভাগের ছাত্রী এবং সেকেন্ড ইয়ার সমাপ্ত করেছেন। পুত্র তনয় নিউইয়র্কের আপষ্টেটস্থ আলফ্রেড নোবেল ইউনির্ভার্সিটির সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্র বলে জানা গেছে।

নিহত আতাউর রহমান তার স্ত্রীকে নিয়ে জ্যামাইকায় বসবাস করছিলেন। দেড়/দুই বছর ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বসবাস করার পর এক মাস আগে নিউইয়র্কে আসেন এবং লং আইল্যান্ডের ঐ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীতে কাজ শুরু করেন। নিহত রায়হান ইসলাম স্ত্রী আর এক কন্যা (৪) নিয়ে জ্যামাইকার সাতফিন এলাকায় বসবাস করতেন। এদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন বাংলাদেশীর ঘনিষ্টজনরা শনিবার সন্ধ্যায় জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউস্থ ঘরোয়া রেষ্টুরেষ্টে সমবেত হয়ে পরবর্তী করনীয় নিয়ে বৈঠক করেছেন।


নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী আবুহেইকেলের সমর্থনে বাংলাদেশী কম্যুনিটির ফান্ডরেজিং ডিনার

রবিবার, ১৪ মে ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্কে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ডেমোক্র্যাটিক দলীয় প্রাইমারী নির্বাচনে ব্রঙ্কসে ডিস্ট্রিক্ট ১৩ (ওয়েস্টচেস্টার স্কয়ার-ইস্ট ট্রেমন্ট) থেকে কাউন্সিলম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মদ আবুহেইকেলের সমর্থনে ফান্ডরেজিং ডিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রঙ্কসে। গত ৯ মে মঙ্গলবার রাতে ব্রঙ্কস বাংলাদেশী কমিউনিটি এ ফান্ডরেজিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টারের আল আমান কমিউনিটি সেন্টারে।alt
অনুষ্ঠানে কাউন্সিলম্যান প্রার্থী আবুহেইকেল ছাড়াও অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আইনজীবী মো. এন মজুমদার, ব্যান্ডস’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুস শহিদ, সাধারণ সম্পাদক শামিম মিয়া, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের সাবেক সভাপতি মাহবুব আলম, ফেঞ্চুগঞ্জ অর্গেনাইজেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহবাব চৌধুরী খোকন, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট নাদির খান, আল আমান কমিউনিটি সেন্টারের কর্ণধার মুসা প্রমুখ।

Picture

অনুষ্ঠানে ইউএসএনিউজঅনলাইন ডটকম সম্পাদক ও টিভি উপস্থাপক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সহ সভাপতি বাছির খান, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট সামাদ মিয়া জাকের, রুহেল চৌধুরীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।alt
অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা, বিশেষ করে ইমিগ্রেশ্যান ইস্যু, পাবলিক স্কুলে মুসলমান ছাত্রদের জন্য হালাল খাবার সরবরাহ এবং রিক্রিয়েশন সেন্টার, সিনিয়র সিটিজেন সেন্টার স্থাপন, হাউজিং সমস্যা, চাকুরী সহায়তাসহ প্রভৃতি বিষয় তুলে ধরা হয়।আবুহেইকেল তার সমর্থনে ফান্ড রেইজিং ডিনার আয়োজনের জন্য বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ইমিগ্রেন্টদের অধিকার রক্ষায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবেন তিনি।পাশে থাকবেন সবসময়। এজন্য বাংলাদেশীসহ সকল কম্যুনিটির সহযোগিতা চান আবুহেইকেল।অনুষ্ঠানে মুসলিমদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখার জন্য সিটি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী মুহাম্মদ আবুহেইকেলকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান হয়।


হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ডেভোলপমেন্ট কনফারেন্স-২০১৭ অনুষ্ঠিত

রবিবার, ১৪ মে ২০১৭

Picture

সাসটেইন্যাবল ডেভোলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (আইএসডিআই) এবং হার্ভার্ড টিএইচ চান স্কুল অব পাবলিক হেলথ্ ও হার্ভার্ড ল স্কুলের আওতাধীন ‘সাসটেইনিবিলিটি এন্ড হেলথ্ ইনিশিয়েটিভ ফর নেটপজিটিভ এন্টারপ্রাইজ (সাইন ইনিশিয়েটিভ)’ যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা প্রদান করে বাংলাদেশের সামিট গ্রুপ।
গতকাল থেকে শুরু হওয়া হার্ভার্ড ল স্কুলের মিলস্টেইন কনফারেন্স সেন্টারে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হল কনফারেন্সটির মূল সেমিনার। মূল সেমিনারের প্রতিপাদ্য ছিল “অ্যাচিভিং এসডিজি-সাসটেইনঅ্যাবল ডেভোলপমেন্ট গোল থ্রু এন্ট্রিপ্রিনিউরশীপ, কর্মাস এন্ড ইনভেস্টমেন্ট”। সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে শুরু হয়ে বিকাল ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এ সেমিনারে ৭টি বিষয়ের ওপর বিশেষজ্ঞগণ তাঁদের মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। বিষয়গুলো ছিল ১) এসডিজিস্ এন্ড স্যোসাল প্রটেকশন এন্ড লেবার স্ট্যান্ডার্ন্ড-মেজর চ্যালেঞ্জেস্ এন্ড অপরচুনিটিজ্ ফর বাংলাদেশ, ২) এন্ট্রিপ্রিনিউরিয়াল ইকোসিস্টেম এন্ড মিটিগেশন রিস্ক, ৩) চ্যালেঞ্জস্ এন্ড অপরচুনিটিস্ ফর পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপ, ৪) ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ফর এসডিজিস্, ৫) অ্যাফোর্ডেবল এন্ড ক্লিন এনার্জি: প্রসপেক্ট, অ্যাচিভমেন্ট এন্ড চ্যালেঞ্জেস্, ৬) ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভোলপমেন্ট ফর কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিস্, ৭) ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট ফর আইসিটি এন্ড টেকনোলজি সাসটেইনিবিলিটি।

   altবোস্টন ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল
শিক্ষক, গবেষক, নীতি নির্ধারক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত এ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থ-বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান এনডিসি, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানসহ ব্যবসা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সফল বাংলাদেশীগণ।alt

আঙ্কটাড্ নিউইয়র্ক এর প্রধান সান্তাল রাইন কারপেনটিয়ার, ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের সাবেক উপ-প্রধান ডেভিড মিয়েলি এবং ইউএনসিডিএফ এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রুথ গুডউইন গ্রয়েন তাদের বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশ সরকার অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। এর ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত হতে পারছে এবং উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে। সরকারের এই পদক্ষেপ এসডিজির লক্ষ্যসমূহ অর্জনে ভূমিকা রাখছে”। এছাড়া রুথ গুডউইন গ্রয়েন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই এর প্রশংসা করে বলেন, “ডিজিটাল ফিনানসিয়াল ইকোসিস্টেম বাস্তবায়নে এটুআই তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে যা এজডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অপরিহার্য”।
বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরিটাস ও বোস্টন ইনস্টিটিউট ফরেেডভোলপমেন্ট ইকোনমিক্স এর প্রেসিডেন্ট গুস্তাব পাপানেক বলেন, “অর্থনৈতিক মন্দার কারনে যেখানে বিশ্বের অনেক দেশের প্রবৃদ্ধি কমেছে সেখানে বাংলাদেশ অব্যাহতভাবে ৬ ভাগের ওপরে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে যা বর্তমানে ৭ ভাগের ওপরে। ৮০% থেকে দারিদ্র্য কমে বর্তমানে ৩০% এর নীচে নেমেছে। রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে যা বিশ্বের অনেক দেশের পক্ষেই সম্ভব হয়নি”।
ড. মশিউর রহমান উপস্থিত ব্যবসায়িক প্রতিনিধিসহ বিনিয়োগকারীদের এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানিয়ে বলেন, “বিনিয়োগকে সহজ করার ক্ষেত্রে যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সামর্থ্য বাংলাদেশ সরকারের রয়েছে”। দেশের উদ্যেক্তাদের সমন্ধে তিনি বলেন, “নিজস্ব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়েই আমাদের এন্ট্রিপ্রিনিউরগণ দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে”।alt

উন্নয়ন অর্থায়নে ঘাটতি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে এসডিজি বাস্তবায়নের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, “সরকার পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপের মাধ্যমে এই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করে যাচ্ছে”। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মাইক্রো সেভিংস মডেল বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং অর্থনৈতিক অন্তর্ভূক্তিকরণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমরা মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠান সমূহকে গতিশীল করতে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন করেছি। বাংলাদেশ ডেল্টা প্লান তৈরি করার শেষধাপে রয়েছে। আমরা আশা করি বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে”।
জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, “বাংলাদেশের এসডিজি বাস্তবায়নে এই সেমিনার অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। এসডিজি অর্জনের ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশসমূহে অর্থায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়াও উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে যা দূরীকরণে জাতিসংঘসহ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা প্রয়োজন। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে জাতিসংঘের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে”।

alt

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের গ্লোবাল এনট্রিপ্রিনিউরশীপ প্রোগামের পরিচালক থমাস ই. লার্সটেন বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এন্ট্রিপ্রিনিউরশীপসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছে যা উভয় দেশকেই সমানভাবে উপকৃত করছে”।
এমআইটি-লিগাটাম সেন্টার ফর ডিভিলপমেন্ট এন্ড এন্ট্রিপ্রিনিউরশীপ এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এমিরিটাস এবং গ্রামীণ ফোনের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ইকবাল কাদির বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশের ৮০% মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। টেলিকমিউনিকেশন খাতে প্রথম বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে ১৯৯৬ এর সরকারের সময় যা এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত”। তিনি বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার ব্যবস্থা ‘বিকাশ’, প্রাইভেট ট্যাক্সি ‘উবার’ সহ এন্ট্রিপ্রিনিউরশীপ ডেভোলপমেন্টের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।alt

অন্যান্যদের মধ্যে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন হার্ভার্ড টি এইচ চান স্কুল অব পাবলিক হেলথ্ এবং সাইন ইনিশিয়েটিভ এর কো-ডাইরেক্টর আইলিন ম্যকনিলি, লেবার এন্ড ওয়ার্ক রাইফ প্রগাম এর গবেষণা পরিচালক জন ট্রুমবর, বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ভার্জিনিয়া গ্রীম্যান, সামিট গ্রুপের চেয়াম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভোলপমেন্ট অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম, জাতিসংঘের ইকোনমিক এন্ড স্যোসাল অ্যাফেয়ার্সের গ্লোবাল ইকোনমিক মনিটরিং বিভাগের প্রধান ড. হামিদ রশিদ, হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাসটেইনঅ্যাবল ইনফ্রাস্টাকচার এর প্রোগ্রাম অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জুডিথ রডরিজগ্ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক প্রশাসন ও এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার, এটুআই এর পলিসি অ্যাডভাইজর আনির চৌধুরীসহ প্রায় অর্ধশত বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞগণ দিনব্যাপী এই সেমিনারে মূল্যবান বক্তব্য ও মতামত রাখেন।
এছাড়া প্যানেলিস্ট ও বক্তাগণ অংশগ্রহণকারীদের বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্পর্কিত ও এসডিজি সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
মানসম্মত শিক্ষা, প্রযুক্তি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধি সহায়ক নীতি প্রণয়ন করে বাংলাদেশ উন্নয়ন চ্যালেঞ্জসমূহ সহযেই মোকাবিলা করতে পারবে বলে সেমিনারে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞগণ মতামত প্রদান করেন।


NYC Mayor de Blasio Delivers Remarks at Asian Pacific Heritage Month. at his residence

রবিবার, ১৪ মে ২০১৭

Bapsnews:NEW YORK—On Wednesday 10th May 2017 ,Asian  American celebrated its heritage at Gracie Mansion. Mayor de Blasio delivered remarks at the Asian Americans and Pacific Islander program 2017 , many national and international leaders including city council members , Attorney general , city officials , asian community leaders , organizers , scientist , senior police officials, National international Media  personal  including Editor of Usa NewsOnline Mr. Shakhawat Hossain Salim, Editor of weekly Bengali Mr. Kowshik Ahmed ,  President & CEO  of Saco America  Mohammad mahab , president and CEO of Khan tutorial Dr Evan khan , Community  board member from Bronx Mr.

Majumder, ASAAL National Vice president Eng Ahsanul Haque , Brooklyn Community Board 12 Mr Mamnunul Haque and many others were present at the opening. The program started as per schedule. 6:30 pm The Honorable NYC Mayor Bel De Blasio gave a special speech on behalf of Asian American heritage.Mayor Bel De Blasio  stated that I am very  proud of tonight.and  I want to thank Nisha Agarwal for introducing me, but more importantly, I want to thank her for all she has done for this city, with the extraordinary effort, among other things, to create our municipal identification program – our IDNYC – which has made a huge difference already for hundreds of thousands of New Yorkers. Let’s thank Nisha Agarwal for all she does. Obviously, the Asian American community is one of our fastest-growing communities.

And we know that this community has been a symbol of what’s possible here in this city and in this country, a symbol of the power of inclusion and economic opportunity and what it does for so many people. And we are going to continue to strengthen that ability to give opportunity to so many New Yorkers and mentions people of New York City by celebrating and recognizing the diverse culture, unique heritage, and distinct identities that make NYC the epicenter of the world. By order of Mayor Bill de Blasio, Stated creates opportunities for community involvement, service, networking and engagement to advance and strengthen our vibrant city. Mayor de Blasio Honored 'Hasan Minhaj Day' in NYC and received proclamation from the Mayor. before ending  his speech honorable Mayor Thanks to , everyone and stated This is a beautiful celebration of all you are doing, and the communities you represent are doing, to make New York City better, stronger, more diverse a place for everyone. I want to thank you for epitomizing that spirit tonight. And have a wonderful evening, everyone


যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় তিন দিনব্যাপী ফোবানা সম্মেলন অক্টোবরে

রবিবার, ১৪ মে ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : ‘মানবতার জন্য ঐক্য’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে আগামী ৬ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী ৩১তম ফোবানা সম্মেলন হবে যুক্তরাষ্ট্রের সূর্যালোকের রাজ্যখ্যাত ফ্লোরিডায়। রাজ্যের পর্যটন শহর মায়ামির পাঁচ তারকা মানের হায়াত রিজেন্সি হোটেলের বলরুমে ফোবানা সম্মেলনের জমকালো আসর বসবে।স্থানীয় সময় শনিবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছেন চলতি বছর ফোবানার আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডার নেতৃবৃন্দ।প্রধান সমন্বয়কারী আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে ফোবানার নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আজাদুল হক, নির্বাহী সচিব এম মাওলা দিলু, প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল ওয়াহেদ মাহফুজ এবং আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব আরিফ আহমেদ আশরাফ বক্তব্য দেন।আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক এম রহমান জহির জানান, এবার প্রবাসে জন্মগ্রহণকারী আমাদের নতুন প্রজন্মের শিল্পীরাই অংশ নেবে। তারা যাতে বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি আরও আকৃষ্ট হয়ে ওঠে এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে মেতে থাকে, সে লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Picture
 
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ এমরান বলেন, অতিথি আপ্যায়নে চ্যাম্পিয়ন মায়ামির বাঙালিরা। এবারের ফোবানা সম্মেলনে এর ব্যতিক্রম হবে না।ফোবানার যুগ্ম নির্বাহী সচিব জাকারিয়া চৌধুরী জানান, ইতোমধ্যেই শতাধিক তরুণ-তরুণীর সমন্বয়ে ফোবানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অনুশীলন শুরু হয়েছে। তারা সকলেই আমেরিকায় জন্মেছে। তবে সকলেই বাংলায় কথা বলে এবং পুরো অনুষ্ঠানে তাদের সরব উপস্থিতির নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে।

alt
 
এবারের ফোবানা সম্মেলনে থাকবে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার। মার্কিন কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি ছাড়াও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সকলকেই কেন মূলধারায় সম্পৃক্ত হওয়া জরুরি সে আলোকে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগে আমেরিকানদের উজ্জীবিত করার লক্ষ্যেও সেমিনার হবে।সম্মেলনে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে। পাশাপাশি পেশাগতভাবে বিশেষ সাফল্য প্রদর্শনকারী কয়েকজন প্রবাসীকেও সম্মানিত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে মিট দ্য প্রেসে জানানো হয়।অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফোবানার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বেদারুল ইসলাম বাবলা, এমরানুল হক চাকলাদার, এবিএম গোলাম মোস্তফা, রফিকুল হক, মো. আলমগীর, শরাফত হোসেন বাবু, শিব্বির আহমেদ, রেহান রেজা, নাহিদ চৌধুরী মামুন, আবীর আলমগীর, নূরুল আমীন, ডিউক খান, শামসুল আলম চৌধুরী, আব্দুল হাই জিয়া, জাকির হোসেন প্রমুখ।