Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

মাসুদ পারভেজ খান ইমরানকে কুমিল্লা সোসাইটির সংবর্ধনা প্রদান

বৃহস্পতিবার, ০৫ অক্টোবর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: নিউইয়র্ক: গত ২৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নিউইয়ক –এর এস্টোরিয়ার বৈশাখী রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী  কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি ও এফবিসিসিআই-এর পরিচালক  মাসুদ পারভেজ খান ইমরানকে কুমিল্লা সোসাইটি অব ইউএসএ-এর উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রদান করে।বিপুল সংখ্যক কুমিল্লাবাসী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সরব উপস্থিতিতে সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে অতিথিকে উপস্থিত সকলের ভালবাসা ও ফুলেল শুভেচ্ছায় মুহুর্মুহু করতালিতে সংবর্ধিত করা হয়।খবর বাপসনিঊজ।

Picture

জাঁকজমকপূর্ণ এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধদ্ধা যুব কমান্ড যুক্তরাষ্ট্র শাখা ও কুমিল্লা সোসাইটি অব ইউএসএ’র সভাপতি আবুল বাশার মিলন ও সভা পরিচালনা করেন নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন চৌধুরী। সংবর্ধনা সভায়  বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সোসাইটির নব নির্বাচিত সভাপতি আবুল খায়ের আকন্দ, মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আলী আহমেদ, নরসিংদি সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজহারুল ইসহাক খোকা, ফোবানার সাবেক আহ্বায়ক এমাদ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আব্দুল খালেক, এমআর সেলিম, মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, জাবেদ আহমেদ, এড. আ: রউফ। আরো উপস্থিত ছিলেন  সালাউদ্দিন আহমেদ, রেজাউল হক, উলফাত মোল্লা, জোহাউজ্জামান, আ: হক, নজরুল ইসলাম, ফেরদৌস আহমেদ ভূঁইয়া, সাঈদ হক শরীফ, ইঞ্জি. আ: লতিফ, জাকির হোসেন, এমদাদ, সৈয়দ শরিফুল হক, আসাদুর রহমান, মিজানুর রহমান, কামাল হোসেন, ফায়জুল চৌধুরী ও জুয়েল আহমেদ প্রমুখ।
সভাপতি তার বক্তব্যে, প্রধান অতিথির কাছে কুমিল্লার সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি প্রধান অতিথির দীর্ঘায়ূ ও সু-স্বাস্থ্য কামনা করেন। সুস্বাদু ডিনারের মাধ্যমে সভার কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস-এর পালকি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ’র উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনে যোগদানের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক আরশিনগর পত্রিকার সম্পাদক  রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব যুক্তরাষ্ট্রে আগমন উপলক্ষ্যে তার সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

alt
সভায় সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ-এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাজেজুল ইসলাম সুজন ও সভা পরিচালনা করেন: আনিসুজ্জামান সবুজ। সভায় প্রধান অতিথী ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের  সভাপতি ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশেষ প্রতিনিধি শাবান মাহামুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ ’র সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ, ফরিদপুর জেলা সমিতির সাবেক  সাখাওয়াত বিশ্বাস, সাপ্তাহিক বর্ণমালা’র প্রধান সম্পাদক  মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র রিপোর্টার রুহুল আমিন রাসেল ও বাংলাদেশ জার্নাল-এর বিশেষ প্রতিনিধি শামিম সিদ্দিকী।

alt
সভায় বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শিবলী সাদিক, মানিকগঞ্জ জেলা সমিতির অতুল প্রসাদ রায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির মাইরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ জেলা সমিতির সহ সভাপতি  কামরুল ইসলাম মৃদুল, সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমেদ, সাপ্তাহিক জনতা কন্ঠের সম্পাদক সামসুল  আলম, কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ’র সহ সভাপতি  আব্দুল জব্বার, সহ সভাপতি  রবিউল ইসলাম,  আমিনুল ইসলাম,  কামরুজ্জামান গুলু, উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য  শহিদুল ইসলাম, এম এ রহমান, যুগ্ম সম্পাদক  রুহুল আমিন রিপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  বিদ্যুৎ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক  আহসান হাবীব লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক বশির আহম্মেদ, দপ্তর সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক  আশরাফুল ইসলাম, সহ অর্থ সম্পাদক  বশির উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক  রনজু আহমেদ, সহ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ, সহ প্রচার সম্পাদক  আরিফুল ইসলাম শিমুল, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক  জাহিদুজ্জামান জুয়েল,  আলাউল হক, ইকবাল হোসেন সঞ্জয়, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হুমায়ন জে চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। সভা শেষে প্রধান অতিথি শাবান মাহমুদ রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব রচিত জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করেন ।


জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন বাবলু এখন যুক্তরাষ্ট্রে

মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ১লা অক্টোবর রোজ রবিবার সকাল ৯-৪০ মিনিটে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন বাবলু এক ব্যক্তিগত সফরে ইত্তেহাদ এয়ার লাইন্স যোগে জেএফকে বিমান বন্দরে অবতরন করেন । এয়ারপোর্টে জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতৃবৃন্দ অতিথিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

alt

এই সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার উপদেষ্টা গিয়াস মজুমদার, জাপার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি  হাজী আবদুর রহমান, জাপার সাধারন সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, জাপার সহ- সভাপতি খন্দকার আলী নাসিম, জাপার ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাজু আহমেদ, সদস্য ডা: মোহাম্মদ সেলিম ও ডা: মুন্ন সেলিম।জিয়া উদ্দিন বাবলু ব্যক্তিগত সফরে আসেন তিনি নিউইয়র্কে জাতীয় পার্টির সকল কমসুচীতে অংশ গহন করিবেন।


বাংলাদেশ দূতাবাসের দায়িত্বজ্ঞানহীন কান্ড! আবেদন ছাড়াই ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যু : অনেকেই ডিপোর্টেশনের শিকার

মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ::আনডক্যুমেন্টেড অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিস্কার কার্যক্রম আরও কঠোর করেছে ট্রাম্প সরকার। বাসা-বাড়ি, দোকানপাট, পথ-ঘাট সবখানেই ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোরসমেন্ট-আইস-এর চিরুনী অভিযান চলছে। এই অভিযানের শিকার হচ্ছেন অনেক বাংলাদেশিও। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে অসংখ্য আনডক্যুমেন্টেড অভিবাসীদের রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে বাংলাদেশি পরিচয়ে অনেকে রয়েছেন বলে জানা গেছে। ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য ‘আইস’ কথিত বাংলাদেশিদের নামে ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ‘ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট’ সংগ্রহ করে তাদের ডিপোর্ট করছে। ফলে নিউইয়র্ক তথা যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী অনেক বাংলাদেশির পরিবারে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিভাবককে হারিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তারা দিশেহারা। আবেদন ছাড়াই আইস’কে ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট দেওয়ার ঘটনাকে কমিউনিটির অনেকেই দূতাবাসের দায়িত্বজ্ঞানহীন কান্ড হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য, কোনো ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিপোর্ট করতে হলে ওই ব্যক্তির পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডক্যুমেন্টের প্রয়োজন হয়। ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ছাড়া প্রমাণ করা যায় না তিনি কোন দেশের নাগরিক।
নিউইয়র্কের উডসাইডে বসবাসকারী বাবুল শরীফ ২৩ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। কিন্তু ভাগ্যের বিড়ম্বনায় তিনি ছিলেন আনডক্যুমেন্টেড। এ বছরের ২২ জুন তাকে গ্রেফতার করে আইস। জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশন অর্ডার ছিল।


বাবুল শরীফের স্ত্রী ফেরদৌসী শরীফ  বাপসনিঊজকে জানান, ‘২০১৩ সাল থেকে আমার স্বামী অর্ডার অব সুপারভিশনে ছিলেন। প্রতি বছর তিনি ট্যাক্স দিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই।’ বাবুল শরীফের স্ত্রী জানান, গত ২২ জুন শবে কদরের রাতে নামাজ পড়ে বাসা ফিরে আসা মাত্রই তাঁকে আটক করা হয়। অথচ ৬ জুলাই সুপারভিশনের জন্য ফেডারেল প্লাজায় তাঁর হাজিরা দেওয়ার দিন নির্ধারিত ছিল।
বাবুল শরীফের দুই মেয়ের জন্মই যুক্তরাষ্ট্রে। নিউইয়র্কের স্কুলে-কলেজে পড়াশোনা করছে তারা। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ডিপোর্টের সিদ্ধান্তে ফেরদৌসী শরীফ এখন দিশেহারা। ফেরদৌসী শরীফ বলেন, ‘বাংলাদেশ দূতাবাসের দায়িত্বজ্ঞানহীন কান্ডে আমার স্বামী আজ আমাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে।’
বারাক ওবামার শাসনামালে আনডক্যুমেন্টেড অভিবাসীদের মধ্যে যাদের কোনো ক্রিমিনাল ব্যাকগ্রাউন্ড নেই তাদের বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর সব ধরনের আনডক্যুমেন্টেডদের উপর খড়্গ নেমে আসে। ‘আইস’ এখন নির্বিচারে আনডক্যুমেন্টেড অভিবাসীদের আটক করে ডিটেনশন সেন্টারে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আটককৃতদের মধ্যে অনেকেরই পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট না থাকায় তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারছে না আইস। এক্ষেত্রে অনেককে ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট সংগ্রহের শর্ত দিয়ে ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র জানায়, ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোরসমেন্ট-আইস নিজেরাই এখন আটক আনডক্যুমেন্টেড ব্যক্তিদের ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট সংগ্রহ করে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে। জানা গেছে, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ তাদের কোনো নাগরিককে ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যু করে না। কেননা, ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যু করার আগে ওই ব্যক্তি সেই দেশের নাগরিক কি-না তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অনেক সময় তা নিশ্চিত করা কঠিন বিধায় ভারত কোনো আনডক্যুমেন্ট অভিবাসীর নামে ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা থেকে বিরত রয়েছে।
জানা গেছে, নিউইয়র্কের কনস্যুলেট অফিসে এ ধরনের কোনো ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে নানান খোঁজ খবব নেয়া হয়। কিন্তু কনস্যুলেট অফিস থেকে কোনো ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হচ্ছে না। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস। তারা বাংলাদেশিদের নামে ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যু করে তা তুলে দিচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে।
এ বিষয়ে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে ক্ষেত্র বিশেষে ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যুর বিষয়টি স্বীকার করা হয়।
বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার শামীম আহমেদ বাপসনিঊজ ’কে বলেন, ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোরসমেন্টের লিস্ট পাওয়ার পর ক্ষেত্র বিশেষে বাংলাদেশিদের নামে ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যু হচ্ছে। কোনো ব্যক্তির আবেদন ছাড়াই দূতাবাস তাঁর নামে ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যু করতে পারে কি-না এমন প্রশ্র জবাবে শামীম আহমেদ বলেন, ‘যিনি ডিপোর্টেশনের জন্য ডিটেনশন সেন্টারে থাকেন তিনি তো ট্রাভেল ডক্যুমেন্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। দূতাবাস যখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে ডিপোর্টেশনের জন্য বাংলাদেশিদের লিস্ট পায় তখন ওই ব্যক্তি বাংলাদেশি কি-না তা ভেরিফিকেশন করি আমরা। ক্ষেত্র বিশেষে সন্তুষ্ট হওয়া সাপেক্ষে ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যু হচ্ছে।’
এদিকে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে আবেদন পাওয়া ছাড়াই ট্রাভেল ডক্যুমেন্ট ইস্যু করার ঘটনায় কমিউনিটিতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউইয়র্কের কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আহমেদ বলেন, দূতাবাসের সহযোগিতা ছাড়া আনডক্যুমেন্টেডদের আশার আর কোনো জায়গা নেই। তিনি বলেন, পরিবারের সবাইকে এদেশে রেখে একজনকে ডিপোর্ট করে দিলে একটি পরিবারে বিপর্যয় নেমে আসা স্বাভাবিক। তিনি দূতাবাসকে আরো দায়িত্বশীল হওয়া এবং বাংলাদেশিদের পাশে থাকার আহ্বান জানান।


ফোবানা ষ্টিয়ারিং কমিটির মূলতবী সভা অনুষ্ঠিত

মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ১লা অক্টোবর রবিার নিউইয়র্কস্থ জ্যাকসন হাইটস্রে খাবার বাড়ীর রেস্তোরায়  আলী ইমামের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য ২০১৭ কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত সফল সম্মেলনের ধারাবাহিকতায় এই মূলতবী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংগঠনকে শক্তিশালী করা ও ফোবানাকে একত্রীকরণের প্রক্রিয়া শুরুর লক্ষ্যে যথাক্রমে আবু জোবায়ের দারা, আতিকুর রহমান সালু, মোহাম্মদ হোসেন খান, এজাজ আক্তার তৌফিক, কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, নিশান রহিম, ওয়াহিদ কাজী এলিন ও আলী ইমামকে নিয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠিত হয়।


প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মিজানুর রহমান শামীমের সাথে যুক্তরাষ্ট্র হবিগঞ্জ সদর সমিতির মত বিনিময়

মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হবিগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং হবিগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাষ্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান শামীমের সাথে যুক্তরাষ্ট্রস্থ হবিগঞ্জ সদর সমিতির এক মতবিনিময় সভা জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

Picture

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আজদু মিয়া তালুকদার। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির  ডিষ্ট্রিক্ট লিডার এটর্নী এট ল মঈন চৌধুরী।

alt

সভায় বক্তব্য রাখেন মুজাহিদ আনসারী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন চৌধুরী অসিম, অধ্যাপক আব্দুর রহমান। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সদর সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত দাশ হরে।

alt

মত বিনিময় সভা ও কার্যকরী কমিটির সভায় উপদেষ্ঠা কমিটি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবদুর রহমান,  শাহিন আহম্মেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন স্বপন, আইন সম্পাদক এডঃ রহিম শেখ, সদস্য সেলিম আজাদ, বিষ্ণুপদ সরকার, সুভাষ দেব রায়, আবু সাঈদ চৌধুরী কুটি, মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ। এছাড়াও উক্ত সভায় আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


শত শত নেতা-কর্মীকে সাক্ষাৎ দিলেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা : রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রবাসীদেরকেও সোচ্চার থাকার আহবান জানালেন শেখ হাসিনা

মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : শারীরিকভাবে পরিপূর্ণ সুস্থ না হওয়া সত্বেও সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে সাংগঠনিক, রাজনৈতিক ও সমসাময়িক বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে কথা বললেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের কল্যাণে সকলকে একযোগে কাজের আহবান জানালেন এবং সামনের নির্বাচনে দলীয় প্রাথীদের পক্ষে জোট গড়ার কথা বললেন। এছাড়া, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিকভাবে যে সাড়া পড়েছে, তার সমর্থনে প্রবাসীদেরকেও সোচ্চার থাকার কথা বললেন। বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সাক্ষাতের সময় সকলেই শেখ হাসিনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা রচনায় তাকে আরো বহু বছর বেঁচে থাকা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনাকে সকলেই ৭১তম জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জ্ঞাপন করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে ম্যাকলীন সিটিতে টাইসন বুলেভার্ডে অবস্থিত রিটজ কার্লটন হোটেলের সুইটে ১ অক্টোবর রোববার আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সাক্ষাৎ দেন শেখ হাসিনা। গত ২৫ সেপ্টেম্বর সোমবার তার পিত্তথলীতে সফল অস্ত্রোপচারের পর শেখ হাসিনা মোটামুটি সুস্থ হওয়ায় নেতা-কর্মীদের সাক্ষাৎ দিতে সম্মত হন। এরফলে সারা আমেরিকা থেকেই দলের সক্রিয় নেতা-কর্মীদের সমাগম ঘটেছিল এই হোটেলের পার্শ্ববর্তী শপিং মল তথা টাইসন বুলেভার্ডের কর্ণারে।

Picture

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপের সমন্বয়ে প্রথমেই ম্যারিল্যান্ড, ওয়াশিংটন ডিসি এবং স্বাগতিক ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্য আওয়ামী লীগের ৪৫ জন কথা বলেন শেখ হাসিনার সাথে। দীর্ঘক্ষণ তারা কথা বলার সময় শেখ হাসিনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে তার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বের জন্যে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন মেট্র ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট সাদেক খান, ভাইস প্রেসিডেন্ট শিব্বির আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, আকতার হোসেন, মুজিবর রহমান এবং নূরল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী বাকি, সহ-সম্পাদক হারুন অর রশীদ। ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম, সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক মইনুল তাপস এবং জ্যেষ্ঠ নেতা ড. খন্দকার মনসুর। ভার্জিনিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিক পারভেজ, সহ-সভাপতি আবুল হাশেম এবং সেক্রেটারি আমর ইসলাম।

alt

এরপর শেখ হাসিনার সুইটে প্রবেশ করেন নিউইয়র্ক মহানগর, নিউইয়র্ক স্টেট, বস্টন, কানেকটিকাট, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। এ গ্রুপের পক্ষে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী নিউইয়র্কের একটি গণমাধ্যম সম্পর্কে অভিযোগ করে সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে জানান যে, ‘এই টেলিভিশন স্টেশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত আল বদর মীর কাশেম আলীর অর্থে। সেখানে প্রতিনিয়ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। বঙ্গবন্ধু পরিবারের বিরুদ্ধে টক শো করা হয়। এসব সকলে জানা সত্বেও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় প্রায় সকলেই ঐ টিভিতে বিজ্ঞাপন দেন এবং নানাভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেন।’ এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা কামনা করেন জাকারিয়া। অত্যন্ত আগ্রহের সাথে শেখ হাসিনা তা শোনেন এবং সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানান। এ গ্রুপে নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী এমদাদ চৌধুরী, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি শাহীন আজমল প্রমুখ। এরপর ঢুকেন মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। তারা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নয়া কমিটিতে অধিকসংখ্যক মহিলার অন্তর্ভুক্তির দাবি জানালে শেখ হাসিনা বলেছেন যে, ‘মহিলারাতো মহিলা আওয়ামী লীগেই রয়েছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে তো কয়েকজন মহিলা রয়েছেনও।’এ গ্রুপে ছিলেন মমতাজ শাহানা, মোর্শেদা জামান, ফারহানা হানিফ, লিপি প্রমুখ।

ছাত্রলীগের সাথে ঢুকে পড়েছিলেন শ্রমিক লীগ আর যুবলীগের কয়েকজন। তারা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নয়া কমিটি অবিলম্বে প্রদানের দাবি জানান। এ সময় মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নিবাচিত একজন ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল (যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাবেক নেতা) শেখ হাসিনাকে অবহিত করেন যে, আড়িয়াল বিলে আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট স্থাপনে এলাকার সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তাই নতুন করে সেই প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত।

শতাধিক নেতা-কমীর সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বলার পর শেখ হাসিনা তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের বাসায় চলে যাওয়ায় সর্বশেষ গ্রুপ স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তার সাথে কথা বলতে পারেননি। এ নিয়ে কেউ কেউ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ড. গোলাপের। ‘গোলাপের ষড়যন্ত্রের বলি হয়েছেন তারা’-এমন কথাও উচ্চস্বরে বলেন নিউইয়র্ক থেকে যাওয়া আওয়ামী লীগের কয়েক নেতা।

alt

২ অক্টোবর সোমবার রাতে লন্ডনের উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করবেন শেখ হাসিনা। একথাও দলীয় কর্মীদের জানিয়েছেন সভানেত্রী নিজেই। তিনি সকলের দোয়া চেয়েছেন রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ যে চালেঞ্জ গ্রহণ করেছে তা সফলতার সাথে বাস্তবায়িত করার জন্যে। নেতা-কর্মীরা যখন শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেছেন সে সময় সুইটে ছিলেন ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা টিমের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
এদিকে, শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতের জন্যে জড়ো হওয়া কয়েক শত নেতা-কর্মী দিনভর টাইসন বুলেভার্ডে ‘শান্তি সমাবেশ’ করেন। তারা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়নের সমথনে স্লোগান দেন।

বিশেষ করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করে অনেকে বক্তব্য রাখেন। একইসাথে এই প্রবাসে অবস্থানরত জামাত-শিবিরের এজেন্টরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের নেতারা। শান্তি সমাবেশে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, ড. সিদ্দিকুর রহমান, ড. খন্দকার মনসুর, নিজাম চৌধুরী, আব্দুস সামাদ আজাদ, আইরিন পারভিন, আকতার হোসেন, মোহাম্মদ ফারুক, মহিউদ্দিন দেওয়ান, আবুল হাসিব মামুন, আব্দুর রহিম বাদশা, তৈয়বুর রহমান টনি, এডভোকেট শাহ বখতিয়ার, হাজী এনাম, ফরিদ আলম, মিসবাহ আহমেদ, শাহানারা রহমান, সোলায়মান আলী, হিন্দাল কাদির বাপ্পা, খোরশেদ খন্দকার, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, সেক্রেটারি এমদাদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মাসুদ হোসেন সিরাজি, যুগ্ম সম্পাদক আইয়ুব আলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার, সহ-সভাপতি দরুদ মিয়া রনেল, সেক্রেটারি সুবল দেবনাথ, মহিলা আওয়ামী লীগের মমতাজ শাহনাজ, এডভোকেট মোর্শেদা জামান, বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের ফারহানা হানিফ প্রমুখ।


ড. আব্দুল মোমেনই যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামীলীগের যোগ্য সভাপতি হতে পারে = শাহ্ শহীদুল হক সাঈদ

মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৭

বর্তমান সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান সুদীর্ঘ ৭ বৎসর সভাপতির পদ অলঙ্কিত করার পর কমপক্ষে ৭ বার ক্যু হয়েছে যা ব্যর্থতার পর্যবেশিত হয়েছে। অভ্যন্তরীন কোন্দল ঠেকাতে তিনি অতন্ত্র প্রহরীর ন্যায় সজাগ ছিলেন তবু প্রাক্তন সধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান ও তার অনুসারীগণ ড. সিদ্দিকুর রহমানের ঘুম হারাম করতে যেয়ে দল থেকে বহিস্কৃত হন। ভাল আছেন নিজাম চৌধুরী।
২০১৪ সালের মাঝামাঝি আওয়ামীলীগের যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান তুখোর নেত্রী, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির মেয়ে আইরীন পারভীন বাংলাদেশ থেকে ঘুরে এসে কাদের সিদ্দিকী সাহেবের ন্যায় স্বঘোষিত জেনারেল বলে দাবী করেন। আইরীন পারভীন বলেন ‘এখন থেকে আমার নেতৃত্বেই চলবে যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামীলীগ’ অর্থাৎ ড. সিদ্দিকুর রহমানকে ক্যু করে তিনিই  আওয়ামীলীগের সভাপতি দাবী করেন। যার ফলে আইরীন পারভীন, ড. প্রদীপ কর, যুবলীগ নেতা কাসেম, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,  মহীউদ্দিন দেওয়ানসহ আরো অনেকেই হেরে যান ড. সিদ্দিকুর রহমানের একদলীয় শাসন ক্ষমতার নিকট। অতঃপর দেখা গেল বাঘা সিদ্দিকী অর্থাৎ আইরীন পারভীন, নিজাম চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী সকলেই ড. সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্ব মেনে নেন। এর মাঝে রাজ্যহারা স¤্রাট জহীরুদ্দীন বাবরের ন্যায় প্রাক্তন প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম মাঝে মাঝে সভা সমিতির অনুষ্ঠানের যোগ দিয়ে থাকেন, কিন্তু কোন পদে নেই শুধুমাত্রই দলকে ভালবাসেন বলেই সকলের সঙ্গে কুশলাদিই মূখ্য উদ্দেশ্য। তিনি রাজনীতির দাবা খেলায় হেরে গেছেন খালেদা জিয়ার মত। চড়ষরঃরপং রং হড়ঃ বধংু, ডযরষব ুড়ঁ সধফব ধ সরংঃধশব, ুড়ঁ মড়হব ভড়ৎ বাবৎ”
হিলটারের মত সমরবিদ দাবার চালে ভুল করে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছিল, ফ্রান্সের স¤্রাট ৬ষ্ঠ লুইস কৃষক বিপ্লবের নিকট পরাজয় বরণ করে রাজ্য হারাতে বাধ্য হয়, যা ইতিহাসে ঋৎবহপয জবাবষধঃরড়হ নামে খ্যাত।
বর্তমানে হাই কমান্ডের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কেননা ৭ বৎসর কোন কমিটি থাকতে পারে না, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সম্মেলন হতেই হবে, তাছাড়া যারা ব্যাংক, বীমা, ইন্সুরেন্স, ছঁরপশ জবহঃধষ চড়বিৎ চষধহঃ ইত্যাদি ব্যবসার মালিক হয়ে তাজা হয়েছেন তাদের হাত থেকে অধিক, সুশিক্ষিত, সার্বজনীন নেতৃত্বের অধিকারী কর্মীরা যাকে চান তিনিই হবেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি এটাই সকলের প্রত্যাশা।
 ড. সিদ্দিকুর রহমানের এক নায়কতন্ত্রের ফলে ক্ষুদ্ধ দলের কর্মী ও শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। নেতৃত্বের হাত বদল সকল কর্মীদের প্রত্যাশা, অন্যথায় গণতন্ত্র ব্যর্থ।
এবার মূল প্রসঙ্গে আশা যাক, ড. আব্দুল মোমেন একজন ভাল মানুষ, সৎ এবং যোগ্য নেতৃত্বের অধিকারী। চাকুরীরত অবস্থায় তিনি শুধু সরকারী আমলা বা রাষ্ট্রদূতই ছিলেন না তিনি ছিলেন সকলের প্রিয়জন, যদিও একটু সিলেটি ঘেষা বলে আমরা মনে করতাম তার পরেও যারা বাঙালী সমাজ সেবক লেখক, মানবাধিকার কর্মী, দলমত নির্বিশেষে দেশকে যারা ভালবাসেন তাদেরকে তিনি পূজা-পার্বনে, ঈদে, স্বাধীনতা দিবসে, ১লা বৈশাখে নিমন্ত্রন করে সম্মান করতেন, এযেন-ইৎরফমব ড়ভ ঊসনধংংু রিঃয পড়সসঁহরঃু.
আমরা শরৎ চন্দ্রের বিলাসী গল্পের ঠাকুর বর্গ শত্রু হলেও নিমন্ত্রন, আমন্ত্রন, ভূরিভোজ, কাঁসার থালা, গ্রাস, উপঢৌকন পেয়ে জয়মা দূর্গা, জয়রাম, জয়ঈশ্বর, জয়বাংলা ধ্বনি দিয়ে বিলাসীর অন্য পাপ ভুলে যেতাম। দুঃখের বিষয় এই যে, বর্তমান রাষ্ট্রদূত, নামের সঙ্গে যথেষ্ট মিল থাকলেও তাঁর কাজের সঙ্গে কোন মিল নেই। ড. আব্দুল মোমেন আর মাসুদ বিন মোমেন, বীন বিনতে মানে অমুকের সন্তান, সন্তর্তী কিন্তু এত ভাবগাম্ভীর্য, অহংকারী ব্যক্তির কর্মে অত অবহেলা কেন? যুক্তরাষ্ট্রের মিশনে তিনিই প্রথম রাষ্ট্রদূত যার সঙ্গে কমিউনিটি লিডারদের কোন সর্ম্পক নেই। আমরা এই ধরনের রাষ্ট্রদূত চাই না, আমরা চাই ড. মোমেনের ন্যায় আপন সুপ্রিয় ডিপলোমেট। বর্তমান রাষ্ট্রদূতই নহে তার অফিসে কর্মরত আমলারাও গণবিচ্ছিন্ন। কর্মে ভীষণ অবহেলা।
সর্বশেষে বলতে চাই রাষ্ট্রদূত না হলেও ড. আব্দুল মোমেন আমাদের মাঝে আবার ফিরে আসুক আওয়ামীলীগের সভাপতি অথবা মন্ত্রী হিসেবে। চলবে।
শাহ্ শহীদুল হক সাঈদ লেখক ও কলামিষ্ট


ব্যাংকিং সেমিনার ৬ অক্টোবর শুক্রবার

মঙ্গলবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক: “বাংলাদেশে অর্থ প্রেরণে প্রবাসীদের ভূমিকা শীর্ষক” সেমিনার আগামি ৬ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে জ্যাকসন হাইটসের ব্যালেজিনো পার্টি হলে। আমেরিকান বাংলাদেশী চেম্বার (এবিসিসিআই) আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি থাকবেন যুক্তরাষ্ট্র সফররত রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এলজিআরডি মন্ত্রনালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মঞ্জুর হোসেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন রূপালী ব্যাংক লিমিডেট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো: আতাউর রহমান প্রধান। এবিসিসিআই’র নিবার্হী প্রেসিডেন্ট হাসানুজ্জামান হাসান জানান, জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি প্রবাসীদের রেমিটেন্স। বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত রেমিটেন্স। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের উপর ভর করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ এখন ২৯ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে অতি ক্ষুদ্র একটি দেশ হলেও তার অর্থনীতির গতিপ্রবাহ দিন দিন বিশ্বকে হতবাক করছে। সেমিনারে দেশে রেমিটেন্স প্রেরণে প্রবাসীদের সমস্যা এবং উত্তরণের উপায় বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানান হাসানুজ্জামান হাসান। শুক্রবারের সেমিনারে কমিউনিটির সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তারা বাংলাদেশী বিভিন্ন রেমিটেন্স হাউজ পরিদর্শন করবেন। রূপালী ব্যাংক নিউইয়র্কে রেমিটেন্স হাউজ খোলার চেষ্টা করছে। এছাড়াও প্রবাসীদের বাংলাদেশে এপার্টমেন্ট ত্রুয় ও নিজ জমিতে বাসভবন তোলার জন্যে ঋণ দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে। রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেনের বাড়ী ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: আতাউর রহমান প্রধানের বাড়ী উত্তরবঙ্গের লালমনিরহাটে। যে কোন তথ্যের জন্য ৯১৭-৫২৮-৭৫৯২ নম্বরে যোগাযোগ করদে অনুরোধ করা হয়েছে।


গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার প্রবাসীদের উদ্যোগে হুইফ সেলিম উদ্দিনকে নিউইয়র্কে সংবর্ধনা

সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: গত ২৫ শে সেপ্টেম্বর সোমবার ওজন পার্কস্থ আল মদিনা মিলনায়তনে যুক্তরাষ্ট্রস্থ বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ প্রবাসীদের উদ্যোগে সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও  বিরোধী দলীয় হুইপ সেলিম উদ্দিনকে এক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

Picture

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান প্রিন্সিপাল সুলতান কবিরের সভাপতিত্বে ও জামাল আহমেদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি বদরুল হোসেন খান, প্রাক্তন সভাপতি আব্দুল বাছিত, উপদেষ্টা একলামুজ্জামান নুনু, বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট শেখ আকতারুল ইসলাম, এমসি কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি বেলাল উদ্দিন, বিয়ানীবাজার সমিতির প্রাক্তন সভাপতি বোরহান উদ্দিন কফিল, মুক্তিযোদ্ধা মুজাহিদুল ইসলাম, নাজিম উদ্দিন চেয়ারম্যান প্রমুখ।খবর বাপসনিঊজ:

alt
সংবর্ধনা সভায় স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন গোলাপগঞ্জ সমিতির সভাপতি ও জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী আব্দুর রহমান, শ্রমিক পার্টির সভাপতি আব্দুল খালেক লালু, সামসুল আবেদীন, লুৎফুর রহমান হেলাল, কবির চৌধুরী, সালেহ আহমদ সালেক, ওসমানী বিমান বন্দর বাস্তবায়ন কমিটির  আহ্বায়ক হেলাল, গৌস খান, হারুন মিয়া প্রমখ।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরেন।  এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অংশ গ্রহণ করার জন্য সকল বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ প্রবাসীদের আহ্বান জানান।

alt

বিয়ানীবাজার- গোলাপগঞ্জ এলাকার খাল, নদী, রাস্তা-ঘাট, জাতীয় পরিচয় পত্রে প্রবাসীদের নিবন্ধনে সহযোগিতা এবং ওসমানী বিমান বন্দরের যাবতীয় আধুনিকানে সর্বোত্ত সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন প্রধান অতিথি  তার বক্তব্যে নিজ এলাকা সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইর ঘাট) আসনের যাবতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন এবং আরো উন্নয়নের আশ্বাস প্রদান করেন। পরিশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রিন্সিপাল সুলতান কবির সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে নৈশ্যভোজের আমন্ত্রন জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।


নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলায় বাংলাদেশী যুবকের ২৫ বছর জেল

সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন মাহমুদ দুলাল (৫৭)কে গলা কেটে জবাইয়ের মামলায় আরেক বাংলাদেশী যুবক মোহাম্মদ রাসেল সিদ্দিকী (৩০)কে ২৫ বছরের কারাদন্ড দিলো নিউইয়র্কের আদালত। ২৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ব্রুকলীন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নীল ফিরেটোগ এ রায় প্রদানের সময় রাসেল ছিলেন ভাবলেশহীন। উল্লেখ্য, গ্রেফতারের পর থেকে বিচারের শেষদিন পর্যন্ত রাসেল নিজের দোষ স্বীকার করেন। এহেন নৃশংসতায় দ্বিতীয় কোন ব্যক্তি জড়িত নন বলেও উল্লেখ করেন।
২০১৪ সালের ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাংলাদেশী অধ্যুষিত ব্রুকলীনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ডে ধারালো তরোয়াল দিয়ে দুলালকে জবাই করা হয়। সন্দ্বীপের সন্তান দুলালের ভাড়াটে ছিলেন রাসেল। রাসেলের বাড়ি নোয়াখালী। তিনি দুলালের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বেসমেন্টে থাকতেন। সেখানেই দুলালকে হত্যা করে রাসেল বাংলাদেশে পলায়নের চেষ্টা করেন। কিন্তু নিউইয়র্কের পুলিশ সে চেষ্টা ব্যর্থ করে ৮ জানুয়ারি ( হত্যার দুদিন পর) তাকে জেএফকে এয়ারপোর্ট থেকে গ্রেফতার করেছিল। গ্রেফতারের পর জামিন পাননি রাসেল।

Picture
রায়ের পর ব্রুকলীনের ডিস্ট্রিক্ট এটর্নী (ভারপ্রাপ্ত) এরিক গঞ্জালেজ গণমাধ্যমকে জানান, রাসেল কান্ডজ্ঞানহীন কাজ করেছেন। ৩ সন্তানের জনক দুলালকে হত্যা করে যে অপরাধ করেছেন তার প্রায়শ্চিত্য তাকে করতে হবে। কারাদন্ডের মেয়াদ শেষে রাসেলকে আরো ৫ বছর কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারিতে অতিবাহিত করতে হবে।
মামলার রায়ের সময় দুলালের শিশু সন্তানসহ দ্বিতীয় স্ত্রী আফরোজা বেগম কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও স্বামীকে যে আর ফিরে পাবেন না-এটি উচ্চারণ করেন কাঁদতে থাকেন। এ সময় পরিচিতজনেরা তাকে শান্ত¦না দেন।
ব্যাচেলর ভাড়াটে কর্তৃক এমন নির্দয়ভাবে বাড়ির মালিককে হত্যার ঘটনায় কম্যুনিটি চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। হত্যার মোটিভ নিয়ে সে সময় নানা কথা রটলেও রাসেল বরাবরই একই কথা জানিয়েছেন মাননীয় আদালতকে যে, ‘সময় মতো ভাড়া পরিশোধ করতে পারিনি বলে সব সময় দুলাল আমাকে তুচ্ছ-তাচ্ছ্বিল্য করতেন, এটি সহ্য হয়নি। সেজন্যেই তাকে আমি হত্যা করেছি।’
এটি একজন মানুষকে হত্যার একমাত্র কারণ হতে পারে না ভেবে মাননীয় আদালত রাসেলকে বেশ কয়েক মাস মানসিক অবজার্ভেশনে রেখেছিলেন। চিকিৎসাও দেয়া হয়। কিন্তু রাসেলের কথাও কোন হেরফের ঘটেনি।