Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

আহলে বাইত মিশন ইউএসএ-এর উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে ১২ দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন

বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্কঃবিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর আগমন উপলক্ষে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত নিউ ইয়র্কের আহলে বাইত মিশন ১২ দিন ব্যাপী এই আয়োজনে প্রতিদিনই রাসুল সাঃ এর জীবনের বিভিন্ন দিক, জন্মের পূর্বপর অবস্থা বিভিন্ন অলৌকিক দিক নিয়ে অত্যন্ত উৎসব মুখর ও ধর্মীয় আমেজে পালিত হচ্ছে।

alt 

১৯ শে নভেম্বর শুরু হলেও ৩০ শে নভেম্বর শেষ পর্বের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। ১৯ শে নভেম্বর প্রথম দিনের মুল বক্তা মওলানা হাফেজ আইনুল হুদা ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এর গুরুত্ব সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলোচনা করেন। তিনি প্রতিটি ঘরে ঘরে রাসুল (সাঃ) এর মহব্বত ও শ্রদ্ধার আলো জ্বালাতে পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেন।আনোয়ার সাহেবের উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হলেও অন্যান্যদের মাধ্য বক্তব্য রাখেন ফকরুদ্দিন সাবের ঠাকুর, নুরুল ইসলাম, হাফিজ মেজবাহ উদ্দিন প্রমুখ। দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ দিনেও ঈদে মিলাদুন্নবী সম্পর্কে বিভিন্ন দিক নিয়ে বিভিন্ন বক্তাগণ আলোচনা, নাতে রসুল ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন হয়। বিভিন্ন সময় বক্তব্য রাখেন ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য গিয়াস আহমেদ, মোতাহার হোসেন, কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আশ্রাব, নুরুল ইসলাম, হাফিজ মেজবাহউদ্দিন, আতাউর রহমান প্রমুখ।

alt

বিভিন্ন বক্তাগন বলেন, সারা বিশ্ব যখন ঘোড় অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, নিজ হাতে জীবন্ত কন্যা সন্তানদের হত্যা করা হতো, যখন নারীদের কোন অধিকারই ছিলনা ঠিক তখন নির্দিষ্ট সময়ে মহান আল্লাহ তায়ালা নুর নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে বিশ্ব মানবতার দূত এবং রাহমাতাল্লিল আলামিন হিসেবে এই বিশ্বে প্রেরণ করেন। পূর্ববর্তী কিতাব গুলোতে আল্লাহ তায়ালা এই সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর আগমন সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বানী করে গেছেন। তাই কোটি কোটি মানুষ এই ইমামুল মুরসালিন, রাহমাতাল্লিল আলামিন এবং নুর নবীর আগমন অর্থাৎ জন্মের জন্যে প্রতিক্ষার প্রহর গুনেছেন। কিন্তু আমরা অতি সৌভাগ্যবান উম্মত যে, আমরা এই দয়াল নবীর উম্মত হয়ে শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। যদিও পূর্ববর্তী সকল নবী রাসুলগণ এই সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর উম্মত হওয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থনা করেছেন। শুধুমাত্র ঈসা আঃ এর প্রার্থনা কবুল হয়েছে। তিনি পুনরায় এই পৃথিবীতে ফিরে আসবেন মুহাম্মদ সাঃ এর একজন উম্মত হিসেবে, নবী হিসেবে নয়। শুধু তাই নয় ঈসা আঃ এসে নবী সাঃ এর বংশধর ইমাম মাহদী আঃ এর অনুসারী হবেন। খলিফা হবেন ইমাম মাহদী। ঈসা আঃ নয়। অতএব হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর একজন উম্মত হতে পেরে আমরা অতি সৌভাগ্যবান। মুহাম্মদ সাঃ এর জন্মের কারনেই আমরা তাঁর উম্মত হতে পেরেছি। altসাহাবাগন ও নবী করিম সাঃ এর জন্মের কারণে সৌভাগ্যবান হয়েছেন এবং তারাও ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করেছেন। যুগে যুগে ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হয়েছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত তা চলবে। নবীর জন্মের সময় শয়তান শুধুই কেদেছে। আজও কাদছে। শয়তানের অনুসারীগণ কখনোই ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করবে না বরং তারা বিরোধীতা করবে। নবী করিম সাঃ নিজে তাঁর জন্ম দিন পালন করেছেন প্রতি সোমবার রোজা পালন করার মাধ্যমে। কিন্তু বর্তমান সৌদি ওহাবী-সালাফী এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী ইসলামী গ্রুপ ঈদে মিলাদুন্নবী, সিরাতুন্নবী, শবে মেরাজ, শবে বরাত, শবে কদর, আশুরা সহ বিভিন্ন ইসলামিক এবাদতকে বিদাত আখ্যায়িত করে বিভিন্ন মসজিদে, মাজারে, জনবহুল রাস্তাঘাটে মার্কেটে আত্মঘাতি বোমা মেরে ইসলামী বিশ্বকে দ্বিধাবিভক্ত করে হাসির পাত্র হিসেবে ইসলামকে দ্বার করিয়েছে। বক্তাগণ বলেন, এই চরমপন্থী গ্রুপ গত সপ্তাহে মিশরে সুফি আকিদায় বিশ্বাসী মসজিদে ২৩৮ জন নির্দোষ মুসল্লীদের হত্যা করেছে। সারা বিশ্বে ওহাবী মতাদর্শের এই চরমপন্থীগণ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে ইসলাম দ্বিধা বিভক্ত করে ফেৎনার সৃষ্টি করছে যা কোরআন ও হাদিসের আলোকে গ্রহণযোগ্য নয়। altবক্তাগণ এই চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে বিচারের কাঠ গড়ায় দার করার আহব্বান জানান। আজ মুসলিম বিশ্ব দ্বিধা বিভক্ত। শুধু ফেৎনা আর ফেৎনা। তাই ঈদে মিলাদুন্নবী হোক আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম। সমস্ত দ্বিধা বিভক্ত সামনে রেখে মুসলিম ভাই বোন হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের শত্রু মোকাবেলা করতে হবে। ঈদে মিলাদুন্নবী হোক আমাদের সমস্ত প্রেরণার উৎস। প্


নিউইয়র্কে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অভিবাসী গ্রেপ্তার বেড়েছে ৯০০%

বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করার ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গত বছর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মাত্র ১১ জনকে গ্রেপ্তার কিংবা গ্রেপ্তারের চেষ্টা করেছিল ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টরা। এ বছর এরই মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে ১১০ টি। এ হিসাবে গত বছরের তুলনায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অভিবাসীদের গ্রেপ্তারের পরিমাণ বেড়েছে ৯০০ শতাংশ।
২০ নভেম্বর ব্রুকলিনের আদালত প্রাঙ্গণ থেকে এক অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এ বছর নিউইয়র্কে এভাবে এখন পর্যন্ত মোট ১১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন আইসিই এজেন্টরা। অথচ গত বছর এমন গ্রেপ্তারের সংখ্যা ছিল মাত্র ১১। এর মাধ্যমে অভিবাসীদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ইমিগ্রান্ট ডিফেন্স প্রোজেক্টের (আইডিপি) আইনজীবী লি ওয়াং নিউইয়র্ক ডেইলিকে বলেন, ‘আইসিইর কোর্টহাউস গ্রেপ্তার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আর এটি অভিবাসন অধিকার খর্বের এক নতুন যুগের বার্তা দিচ্ছে সবাইকে, যা নিঃসন্দেহে ভয়াবহ। কারণ পারিবারিক, ফৌজদারি কিংবা যেকোনো ধরনের আদালতে বিচার চাইতে গিয়ে কোনো অভিবাসীরই গ্রেপ্তারের ভীতি থাকা উচিত নয়। অথচ আইসিইর বর্তমান কর্মকাণ্ড অভিবাসীদের মনে এই ভয়টিই ঢুকিয়ে দিচ্ছে।’
আইডিপির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ বছর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার হওয়া অভিবাসীদের ২০ শতাংশের বিরুদ্ধেই কোনো অপরাধ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নেই। কেউ কেউ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে আদালতে এসেছিলেন। এমনকি পারিবারিক আদালতের প্রাঙ্গণ থেকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই আইসিইর অভিবাসী বিরোধী কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। অনিবন্ধিত অভিবাসীদের ধরতে নজিরবিহীন অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্র আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান ব্যাপক মাত্রা পেয়েছে। এ বিষয়ে অভিবাসন আইনজীবীরা ক্রমাগত উদ্বেগ প্রকাশ করলেও আইসিইর পক্ষ থেকে এটিকে নিজেদের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড হিসেবেই দাবি করা হয়েছে।
আইসিইর মুখপাত্র নিউইয়র্ক ডেইলিকে বলেন, অঙ্গরাজ্যের সব বিধি মেনেই এ ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে।
কিন্তু সংস্থাটির এ দাবি বিপরীতে লিগ্যাল এইড সোসাইটির ক্রিমিনাল ডিফেন্স প্র্যাকটিসের অ্যাটর্নি ইন চার্জ টিনা লুওঙ্গো বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে অভিবাসীদের অধিকারকে খর্ব করে। এ ধরনের অভিযানের আইনি ভিত্তি কতটা সে বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত আলবেনি থেকে আসা উচিত। কারণ এ ধরনের গ্রেপ্তার অভিবাসীদের ভীষণভাবে আতঙ্কিত করছে।’


নিউইয়র্কের সাবওয়ে বাজে রাজনীতি ও সিদ্ধান্তের শিকার

বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ:নিউইয়র্কের একটি সাবওয়ে গাড়িতে যাত্রীরাজনভোগান্তি ও ভঙ্গুর দশার জন্য চলতি বছর বারবার শিরোনাম হয়েছে নিউইয়র্কের পাতাল রেল বা সাবওয়ে ব্যবস্থা। নিউইয়র্কের বর্তমান প্রশাসনকে এ জন্য শুনতে হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা। কিন্তু আজকের দুরবস্থা একদিনে হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে হওয়া বহু ভুল ও বাজে সিদ্ধান্তের ফলেই আজকের এই অবস্থায় এসেছে নিউইয়র্কের পাতাল রেল ব্যবস্থায়।
ব্রুকলিনের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যস্ত সময়ে লাইনচ্যুত হয়ে আতঙ্ক ছড়ানো কিউ ট্রেন, নয়জনকে হাসপাতালে পাঠানো আপার ম্যানহাটনের রেললাইনের আগুন কিংবা ডাউনটাউন টানেলে হঠাৎ আটকা পড়া এফ ট্রেন; এসবই চলতি বছরের নিউইয়র্কের পাতাল রেলে জনভোগান্তির চিত্র, সঙ্গে রয়েছে ব্যস্ততম মুহূর্তে নির্ধারিত ট্রেনের বিলম্বের মতো নিয়মিত বিষয়। এটিই চরম মাত্রা পায় গত জুনে, যখন আরেকটি লাইনচ্যুতির ঘটনায় ৩৪ জন আহত হয়। ওই ঘটনায় নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো সাবওয়ে সিস্টেমের ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেন। এরই সূত্র ধরে প্রথমবারের মতো নিউইয়র্ক সাবওয়ে ব্যবস্থার সমস্যা নিরূপণে তদন্ত হয়। বেরিয়ে আসে বহুবিধ সমস্যা।
কিন্তু এসব সমস্যা বন্যা কিংবা ঝড়ের মতো হঠাৎ এসে নিউইয়র্কে হাজির হয়নি। বহু বছর ধরে এগুলো একটু একটু করে তৈরি হয়েছে। নীতিমালা প্রণেতারা রেলযাত্রীদের কথা বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নিলে আজকের বহু সমস্যার অনেকই এড়ানো যেত।
নিউইয়র্ক টাইমস–এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অতিরিক্ত ভিড়ে পর্যুদস্ত বুড়ো সাবওয়ে ব্যবস্থা যখন সংস্কার দাবি করছে, তখন নিউইয়র্ক শহর ও অঙ্গরাজ্যের রাজনীতিক ও নীতিনির্ধারকেরা এদিকে নজরই দেননি। বরং এ বাবদ ব্যয় সংকোচন করে অর্থ লগ্নি করেছেন অন্য সব চিত্তাকর্ষক খাতে। শতবর্ষী টানেল ও রেলপথ যখন ভেঙে পড়ছে, তখনো মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্টেশন অথোরিটি (এমটিএ) সাবওয়ের সংস্কার বাজেট বাড়ায়নি। বরং ২৫ বছর আগের হারেই বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। অথচ এর মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে গেছে বহুবার। পর্যাপ্ত অর্থ নেই—এই অজুহাতে এক দশকের ব্যবধানে শত শত মেকানিকের পদ বাতিল করা হয়েছে। অথচ একই সময়ে সাবওয়ে ব্যবস্থাপকদের জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ বার্ষিক ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৩ লাখ ডলার।
দুই দশকে নিউইয়র্ক সাবওয়েতে যাত্রী সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে বর্তমানে ৫৭ লাখে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বিশ্বের বড় শহরগুলোর মধ্যে একমাত্র নিউইয়র্কেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে রেললাইন কমেছে। এ লাইন সম্প্রসারণের উদ্যোগ বিভিন্ন সময়ে নেওয়া হলেও বেসরকারি কন্ট্রাক্টর ও শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তির শর্ত পূরণ করতে না পারায় তা কখনোই আলোর মুখ দেখেনি। এসবের কারণেই বিশ্বের শীর্ষ ২০ গণপরিবহন ব্যবস্থার (এমআরটি) মধ্যে নিউইয়র্কের রেললাইন সবচেয়ে খারাপ। বর্তমানে এ সাবওয়ে ব্যবস্থায় মাত্র ৬৫ শতাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছায়। এ পরিণতির জন্য দায়ী দুই দশকে নিউইয়র্ক শহর ও অঙ্গরাজ্যের দায়িত্বে আসা ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান রাজনীতিকেরা। জর্জ ই প্যাটাকি থেকে অ্যান্ড্রু কুমো এবং গুইলিয়ানি থেকে ব্লাজিও; সবাই নিজেদের অগ্রাধিকারকে মূল্য দিতে গিয়ে সাবওয়ের বাজেটকে সংকুচিত করেছেন। সম্মিলিতভাবে তাঁরা সবাই কর, আইটি চার্জ, পরামর্শ ফিসহ নানান অজুহাতে সাবওয়ের বাজেট থেকে সরিয়েছেন ১৫০ কোটি ডলারের বেশি। প্রথম আঘাতটি আসে গুইলিয়ানির কাছ থেকে, এমটিএর বাজেট থেকে ৪০ কোটি ডলার কমিয়ে। তাঁর উত্তরসূরি মাইকেল ব্লুমবার্গ মুদ্রাস্ফীতিকে বিবেচনায় না নিয়ে এ বাজেটকে রেখে দেন আগের মাপেই। ডি ব্লাজিও ২৫০ কোটি ডলারের তহবিলের প্রতিশ্রুতি দিলেও ভর্তুকির বিষয়টি এড়িয়ে যান।
নিউইয়র্কের এই কর্তাব্যক্তিরা এমটিএকে বাধ্য করেছেন এর বিভিন্ন স্টেশনের সজ্জার পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে, যা সেবা ও যাত্রী সাধারণের আস্থার নবায়ন করতে পারেনি। বাইরের চাকচিক্য বাড়াতে গিয়ে সাবওয়ের সিগন্যাল পদ্ধতিকে ফেলে রাখা হয়েছে ১৯৩০–এর দশকের সাবেকি অবস্থায়। অ্যান্ড্রু কুমোর পরামর্শে সিগন্যাল বাবদ এমটিএর বাজেট কমানো হয়েছে ৫০ কোটি ডলার। একই সঙ্গে এমটিএকে তাঁরা বাধ্য করেছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ ঋণ নিতে, যা শোধ করা সংস্থাটির পক্ষে প্রায় অসম্ভব। এর কিস্তি পরিশোধ বাবদ বর্তমানে এমটিএর বাজেটের প্রায় ১৭ শতাংশই ব্যয় হয়।
এমন অজস্র উদাহরণ দেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মালিকানাধীন তিনটি স্কি রিসোর্টকে দেউলিয়ার হাত থেকে বাঁচাতে ৫০ লাখ ডলার দিতে কুমো প্রশাসনের এমটিএকে বাধ্য করার কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। এ ছাড়া এমটিএর কাছ থেকে প্রশাসনে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তির সুবিধা নেওয়ার বিষয় রয়েছে। রয়েছে নির্মাণ কোম্পানি ও ইউনিয়নের চাপে বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ব্যয়ে এমটিএকে বাধ্য করার বিষয়।
নিউইয়র্ক শহরের অর্থনৈতিক উন্নয়ন করপোরেশনের সাবেক প্রধান সেথ ডব্লিউ পিনস্কি বলেন, সাবওয়ের উন্নয়ন ও সংস্কারের বাইরে এমটিএ বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়, যা খুবই দুঃখজনক। আর এটিই এখানকার সবচেয়ে বড় সমস্যা।
নিউইয়র্ক টাইমস–এর প্রতিবেদনে অন্যতম সমস্যা হিসেবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কথা বলা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটির মতে, এমটিএর উঁচু পদে এমন অনেকেই রয়েছেন, যাঁদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ বিভিন্ন কোম্পানির সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। উচ্চ বেতনভুক্ত এসব ব্যক্তি আবার সময়োপযোগী বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও জটিলতার সৃষ্টি করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন সংস্কারকাজে অধিক ব্যয়েও তাঁরা বাধ্য করেন এমটিএকে।
এটি সত্য, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, ঘূর্ণিঝড় স্যান্ডির আঘাতসহ বিভিন্ন ভয়াবহ দুর্যোগেও নিউইয়র্ক শহরের সাবওয়ে তার সেবা দিয়ে অবিচল থেকেছে। কিন্তু এসবের মধ্য দিয়ে একটু একটু করে ভেতরে ক্ষয়ে গেছে এ ব্যবস্থা, যা নবায়নে ও সংস্কারে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি কুমো জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর চটজলদি একটি ৮০ কোটি ডলারের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এর ভবিষ্যৎ অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করছে। এর মধ্যে শুরুতেই রয়েছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি, যা নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। কারণ, কয়েক দশক ধরে শহর ও অঙ্গরাজ্যের মহাহিসাব নিরীক্ষকের কাছ থেকে ক্রমাগত সতর্কতা শুনেও তাতে বিন্দুমাত্র গা করেননি গদিনশিন রাজনীতিকেরা। ২০০৮ সালে তাঁরা মূল্য নির্ধারণ পরিকল্পনা পাসে ব্যর্থ হয়েছেন। আর্থিক সংকটের মুখে তাঁরা ব্যাংকের সঙ্গে এমটিএর সমঝোতা প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছেন। সাবওয়ে নিয়ে এমটিএ, ট্রান্সপোর্টেশন রিইনভেনশন কমিশন, ২০১৪ সালে বিশ্বের পরিবহন বিশেষজ্ঞদের দেওয়া প্রতিবেদন; এর কোনোটিকেই গ্রাহ্য করেননি। এসবই আড়াল করা হয়েছে জনগণ থেকে।
এসবেরই ফলে কয়েক দশকের মতো প্রথমবারের মতো গত বছর সাবওয়ে ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমেছে। এ বিষয়ে পরিবহন বিভাগের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডেভিড এল গান বলেন, ‘এটি ভয়াবহ। এমনকি বিষয়টি আমার ঘুম কেড়ে নিয়েছে।’ ১৯৭০ সালের দুর্যোগ থেকে পরিবহন ব্যবস্থাকে রক্ষা করা এ নেতা বলেন, ‘এসব দেখে আমি হতবুদ্ধি হয়ে যাচ্ছি।’
বর্তমান সাবওয়ে ব্যবস্থার মূল নিয়ন্ত্রক অ্যান্ড্রু কুমো। সম্প্রতি জরুরি অবস্থা ঘোষণার মাধ্যমে এমটিএর জন্য তিনি বাড়তি ৮০০ মিলিয়ন ডলার তহবিল ঘোষণা করেছেন। এ অর্থ ব্যয়ের বিষয়টিও তিনিই নিয়ন্ত্রণ করছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ২০২০ সালের ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাব্য এ প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এর নিয়ন্ত্রণ থেকে সরে দাঁড়ালেই বরং ভালো করবেন। বরং তিনি সাবওয়ের মূলগত সংস্কার সম্পন্নের লক্ষ্যে একটি আইন পাস করলে তা পুরো কার্যক্রমের জন্য অনেক বেশি সহায়ক হবে।
এ বিষয়ে কুমোর মুখপাত্র ড্যানি লিভার বলেন, সীমিত সম্পদ ও দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা দিয়েই পরিবহন নেতা ও রাজনীতিকেরা এমটিএর উন্নয়নে আন্তরিক।


সোনালী এক্সচেঞ্জের আতাউর ফিরে যাচ্ছেন পদোন্নতিসহ

বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে: সোনালী এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান জেনারেল ব্যবস্থাপক (জিএম) হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকায় সোনালী ব্যাংকের হেড অফিসে ফিরে যাচ্ছেন। প্রায় সাড়ে ৬ বছর নিউইয়র্কে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের পর ৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার অফিস ছাড়বেন আতাউর। বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৯৪ সালে নিউইয়র্কে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘সোনালী এক্সচেঞ্জ কোম্পানী ইনক’। এটি মূলত: প্রবাসী বাংলাদেশীদের অর্থ স্বজনের কাছে প্রেরণের লক্ষ্যে চালু হলেও পরবর্তীতে এর বাণিজ্যিক কর্মপরিধি সম্প্রসারিত হয়েছে।

২০১১ সালের জুলাই মাসে আতাউরের দায়িত্ব গ্রহণের সময় সোনালী এক্সচেঞ্জের শাখা ছিল ৯টি এবং ৮৫ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন ৯৫০০০ জন প্রবাসী। এখন শাখা ১০টি এবং প্রেরণকারির সংখ্যা ১২০০০০। তবে অর্থের পরিমাণ কমে ৮২ মিলিয়ন হয়েছে। এর কারণ হিসেবে আতাউর উল্লেখ করেন, ‘মানুষ বেড়েছে। কিন্তু আগের মত অর্থ প্রেরণ করছেন না। এক সময় অসংখ্য প্রবাসী স্বদেশে স্বপ্নের নীড় নির্মাণের খাতে বিপুল অর্থ পাঠিয়েছেন। ডিভি লটারিতে যারা এসেছেন, তারা উপার্জিত অর্থের বড় একটি অংশ নিয়মিতভাবে স্বজনের কাছে পাঠাতেন। এখন রিয়েল এস্টেট সেক্টরে আর কেউ টাকা পাঠাচ্ছেন না। ডিভি লটারিও নেই। আগে যারা এসেছেন তাদের সকলেই সিটিজেন হয়ে মা-বাবা, ভাই-বোন-নিকটাত্মীয়দের যুক্তরাষ্ট্রে এনেছেন। ফলে নিয়মিতভাবে অর্থ প্রেরণের প্রয়োজন প্রায় ফুরিয়ে গেছে।’

alt

মৃদুভাষী এই ব্যাংকার উল্লেখ করেন, ‘ভুলে গেলে চলবে না যে, ২০১১ সালের পর এই নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের পরিচালনায় আরো ৪টি রেমিটেন্স অফিস চালু হয়েছে। এগুলো হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেস, বি এ এক্সপ্রেস, এনবিএল মানি ট্র্যান্সফার এবং জনতা এক্সপ্রেস। আগে থেকেই রয়েছে আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি বহুজাতিক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানসহ নাম না জানা অসংখ্য কোম্পানী কাজ করছে একই কম্যুনিটিতে। এমনি অবস্থায় প্রবল একটি প্রতিযোগিতার মধ্যে সোনালী এক্সচেঞ্জকে টিকে থাকতে হচ্ছে।’

আতাউর অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দাবি করেন, ‘আস্থার সাথে বলতে চাই যে, এখন গন্তব্যে অর্থ পৌঁছানো নিয়ে কারোরই কোন অভিযোগ নেই। ঠিক সময়ে স্বজনের একাউন্টে টাকা জমা হচ্ছে। এছাড়া সোনালী এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণের ফি-ও হ্রাস করা হয়েছে। আগে ছিল ন্যূনতম ৫ ডলার। এখন করা হয়েছে ২ ডলার।’

আতাউর রহমান বলেন, ‘সেবার মানোন্নয়নে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ অবলম্বন করেছি, যার সুফল পাচ্ছেন প্রবাসীরা।’
প্রবাসীদের প্রতি, বিশেষ করে মিডিয়ার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আতাউর রহমান বলেছেন, সকলের হৃদ্যতাপূর্ণ সহায়তা পাওয়ায় কাজ করতে অনেক সুবিধা হয়েছে। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে এমন সহায়তা অব্যাহত থাকবে রাষ্ট্রায়ত্ব এই সংস্থাটি চালু রাখতে।’

এ পদে ঢাকা থেকে আসবেন এজিএম দেবশ্রী মিত্র। আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বেশ কয়েক সপ্তাহ লাগবে বিধায় ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জ্যাকসন হাইটস শাখার ম্যানেজার জহুরুল ইসলাম।


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কে প্রীতি টেবিল টেনিস টুর্ণামেন্ট

বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এর যৌথ উদ্যোগে আগামী ১০ ডিসেম্বর ২০১৭ এক প্রীতি টেবিল টেনিস টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

Picture

এ সংক্রান্ত তথ্যাদি নিম্নরূপ :
টুর্ণামেন্টের তারিখ  :  ১০ ডিসেম্বর ২০১৭, রোজ রবিবার।
টুর্ণামেন্ট শুরুর সময় :  সকাল ৯:৩০ ঘটিকা।
ভেন্যু  :  বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনস্থ বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন।
৮২০ ইস্ট, সেকেন্ড এভিনিউ ৪র্থ তলা, নিউইয়র্ক-১০০১৭, (৪৩ ও ৪৪ নম্বর স্ট্রিটের মাঝে)।
টুর্ণামেন্টটি সকলের জন্য উন্মুক্ত। একক ও দ্বৈতভাবে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা যাবে। আগ্রহী প্রতিযোগিগণ আগামী ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ এর মধ্যে এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে। এবং এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে। -এই ই-মেইল দুটিতে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রেরণের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রতিযোগির পূর্ণ নাম, যোগাযোগের তথ্য (মোবাইল নম্বর, ই-মেইল), একক না কী দ্বৈত, দ্বৈত হলে সহ-প্রতিযোগির অনুরূপ তথ্য এবং সাম্প্রতিক সময়ের ছবির সফ্ট কপি পাঠাতে হবে। অংশগ্রহণকারীগণকে নিজস্ব টিটি র‌্যাকেট আনার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
বিজয়ীদের ‘বিজয় দিবস ক্রেস্ট’পুরস্কারে ভূষিত করা হবে।
যে কোন তথ্যের জন্য +১ ২১২ ৮৬৭ ৩৪৩৪-৩৭ -এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে।


যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ছাত্রকে গুলি করে হত্যা

মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস রাজ্যের উচিটা শহরে এম হাসান রহমান বাঁধন নামে এক বাংলাদেশি মেধাবী ছাত্রকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।২৫ নভেম্বর শনিবার রাতে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত বাঁধনের গ্রামের বাড়ি গাজীপুর চৌরাস্তা টেরি পাড়ায়। তিনি পরিবারের একমাত্র ছেলে।  ২৭ নভেম্বর সোমবার সকালে দেশটির উচিটা পুলিশ সংবাদ সম্মেলন করে এ খবর নিশ্চিত করেছেন। এ সময় বলা হয়েছে, উচিটা শহরের সেন্ট্রাল রক রোডের পাশে ৭৮০০ পেজন্ট লাইভ ওক স্ট্রিট অ্যাপার্টমেন্টের সামনে একটি গাড়িতে ২৬ বছরের এক যুবকের মরদেহ পাওয়া গেছে।

Picture

পুলিশ জানায়, বাঁধন পিৎজা হাট ডেলিভারির কাজ করতেন। এদিন রাতে পিৎজা ডেলিভারি দিয়ে সঠিক সময়ে পিৎজা সেন্টারে না পৌঁছাতে পিৎজা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে অবহিত করেন। পরে রোববার বেলা ১১টায় পুলিশ মরদেহ ৭৮০০ পেজন্ট লাইভ ওক স্ট্রিট অ্যাপার্টমেন্টের সামনে তার গাড়ির ট্যাংক থেকে উদ্ধার করেন।    

জানা গেছে, বাঁধন বাটলার কমিউনিটি কলেজ থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অ্যাসোসিয়েট শেষ করে আগামী সেশনে ক্যানসাস ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শেষ করেছিলেন। আগামী ডিসেম্বরে তার কেইউতে ভর্তি হওয়ার কথা ছিল।


তারেক রহমান তথ্য সন্ত্রাসের শিকার; আশিক ইসলাম

মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকেঃ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আওয়ামীলীগের একমাত্র প্রতিপক্ষ! তারেক রহমানের রাজনৈতিক শিষ্টাচার, দূরদর্শিতা এবং তৃনমুল পর্যায়ে তাঁর গ্রহনযোগ্যতা দেখে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সব সময় আতংকে থাকেন। তাঁকে রাজণৈতিকভাবে দুর্বল করতে না পেরে তাঁর বিরুদ্ধে লাগাতার তথ্য সন্ত্রাস চালাচ্ছেন আওয়ামীলীগ। এমনকি বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়েও তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছেন। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে তথ্য সন্ত্রাসের মোকাবেলা করতে হবে বলে আশিক ইসলাম আহবান জানান।  

alt

তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আশিক ইসলাম ছাড়া বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ সম্পাদিকা, বিশিষ্ট শিল্পি বেবী নাজনীন অনুষ্ঠানের মধ্যমনি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতৃবৃন্দের সরব উপস্থিতি ছিল প্রানবন্তকর। জন্মদিনের মুহুর্মুহুর শ্লোগানে জ্যাকসন হাইটসের পার্টিহলটি যেন আনন্দ ও মিলন মেলায় পরিনত হয়েছিল।


ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইট্স ডেভলপমেন্ট ইউএসএ সেমিনার ১৪ ডিসেম্বর

মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইট্স ডেভলপমেন্ট ইউএসএ  গভীর উদ্যোবেগরে সঙ্গে লক্ষ করছে যে, মায়ানমারের বর্বর সরকার রোহিঙ্গা আরাকানবাসীদের উপর ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যা, পাশবিক অত্যাচার, কোন কোন ক্ষেত্রে নারী ও শিশুদেরকে জীবন্ত অগ্নিদাহ করে নিজস্ব ভূমি থেকে বিতাড়িত করছে, যার ফলে আরাকানবাসীগণ ভিটা, মাটি ছেড়ে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। তারা এই হেন অমানবিক অত্যাচার এর বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিবাদ করছে। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যেসহ নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থানে দিন দিন হেইট ক্রাইম বৃদ্ধি পেয়ে আসছে। তাছাড়া অভিবাসীদেরকে অনিয়মভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে জোর পূর্বক বহিস্কার করা হচ্ছে। তারা এই সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে আগামী ১৪ ডিসেম্বর  বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৫টায় উড্সাইডস্থ গুলশান টেরেস অডিটোরিয়াম হলে প্রতিবাদ সভা এবং সেমিনার এর আয়োজন করেছে।
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইট্স ডেভলপমেন্ট ইউএসএ কর্তৃক আয়োজিত উক্ত সেমিনারে মূলধারার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, আইনজীবি, সমাজসেবক, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, লেখক, বুদ্ধিজীবিগণ  তাদের সুচিহ্নিত মতামত প্রকাশ করবেন। তাছাড়া বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে রয়েছে আলোচনা সভা। উক্ত সেমিনারে  সবাকে আমন্ত্রিত করেছেন ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইট্স ডেভলপমেন্ট ইউএসএ ।


নিউইয়র্ক মহানগর আ.লীগ থেকে জাকারিয়া চৌধুরী বহিষ্কার

মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৭
 
alt

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক: নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ থেকে জাকারিয়া চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে তাকে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বাংলাদেশে অবস্থানকারী নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি কমান্ডার নুর নবী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও প্রেরীত জাকারিয়া চৌধুরী বরাবর প্রেরীত এক বার্তায় বলেছেন, ‘নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সুপারিশক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভাপতি জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা এমপি’র নির্দেশে সংগঠনের নীতি, আদর্শ, চেতনা, মূল্যবোধ বিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত থাকা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আপনাকে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো’। গত ২৬ নভেম্বর প্রেরীত ঐ পত্রের কপি একই দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি কার্যালয়েও প্রেরণ করা হয়েছে বলে পত্রে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার সম্পর্কে জাকারিয়া চৌধুরীর সাথে রোববার (২৬ নভেম্বর) ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘কতিপয় প্রতারক চক্র সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নাম বিক্রি করে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ সম্পর্কে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর খবর ছড়াচ্ছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ করে যার কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। তাই সবাইকে এ ব্যপারে বিভ্রান্ত না হয়ে এদের সম্পকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি’।
নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্ভুত পরিস্থিতি বিশেষ করে জাকারিয়া চৌধুরীকে বহিষ্কার সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিরি রোববার ফোনে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি লিখিত কোন কিছু জানিনা। তাই এব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে চাইনা। প্রায় একই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আপাতত: কোন মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ।
উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি কমান্ডার নূর নবী বাংলাদেশে চলে যাওয়ার পর সংগঠনের সহ সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। সভাপতি নূর নবীর সহসাই যুক্তরাষ্ট্র ফিরে না আসা সহ সংগঠনের অভ্যন্তরীন নানা কোন্দলের মুখে গত ২০ নভেম্বর সোমবার নিউইয়র্কের জ্যকসন হাইটসের একটি রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের এক সভায় জাকারিয়া চৌধুরীকে ভারমুক্ত করে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া সহ কয়েকটি পদে রদবদল করা হয়। এনিয়ে দলের মধ্যে ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় এবং দলীয় নেতা-কর্মী নতুন করে বিভক্ত হয়ে পড়েন। অপরদিকে সভাপতি কমান্ডার নুর নবী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুর রহমান চৌধুরী ঢাকা থেকে প্রেরীত পৃথক পৃথক বার্তায় মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের কয়েকটি পদে রদবদল করা হয়। এনিয়েও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। উদ্ধুত পরিস্থিতিতে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে।


নিউইয়র্কে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের সম্মেলন

সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : মওলানা ভাসানীকে শ্রদ্ধা জানাতে নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসে সম্মেলনের আয়োজন করেছে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন যুক্তরাষ্ট্র। মওলানা ভাসানী জনগণের আস্থার প্রতীক ছিলেন উল্লেখ করে ৪র্থ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ইতিহাসের প্রয়োজনে মওলানা ভাসানী সম্পর্কে গবেষণা করতে হবে। তিনি নিজে নিজে নেতা হননি। জনগণই তাকে নেতা বানিয়েছেন।

Picture

তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আর বাংলাদেশেরই নেতা ছিলেন না, ছিলেন আফ্রো-এশিয়ার সকল মানুষের নেতা। ছিলেন অবিংসবাদিত নেতা, ইতিহাসের মহান নেতা। ছিলেন নেতাদের নেতা। বক্তারা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ ‘বন্ধু প্রতীম ভারত’ যেভাবে রাষ্ট্রীয় আগ্রাসন চালাচ্ছে তা প্রতিরোধে মওলানা ভাসানীর মতো নেতা প্রয়োজন। আর এই আগ্রাসন চলতে থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব থাকবে কিনা তাই প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে।

ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমামের উপস্থাপনায় সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির চেয়ারম্যান ও ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু, ভাসানী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক দেওয়ান সামসুল আরেফীন, ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক মঈনুদ্দীন নাসের, সাপ্তাহিক ঠিকানা’র প্রেসিডেন্ট ও সিওও সাঈদ-উর রব, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, বাংলাদেশ সোসাইটির’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন খান,অ্যাটর্নী শান্তলী হক, ইউএনডিপি-তে কর্মরত কাজী আফজালুর রহমান, বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রনালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব রশিদ খান, পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য কে এম এস এ কায়সার, ডা. সাইদুর রহমান, ডা. হাসান সারওয়ার, ডা. এম ডি আক্তার হোসেইন, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট কাজী বেলাল।


রংপুরের গঙ্গাচড়ায় হিন্দুদের ওপর হামলায় প্রতিবাদ সভা

সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ১৭ নবেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় রংপুরের গঙ্গাচড়া থানার হিন্দু অধ্যুষিত হরকলি   ঠাকুর পাড়া গ্রামে কথিত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতে হিন্দুদের ওপর হামলা, বাড়ি ঘর ,উপাসনালয়ে লুটতরাজ ও আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয় জামাইকাস্থত সান্তামেডিকেল সেন্টারে ।  প্রচণ্ড ঠাণ্ডাকে উপেখ্যা করে শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে লেখক, ডাক্তার ,অধ্যাপক, বিজ্ঞানি, গুণী শিল্পী সহ সমাজের বিশিষ্ট জনেরা উক্ত সভায় উপস্থিত হন ।  ড অধ্যাপক ড.সব্যসাচী ঘোষ দস্তিদারের সভাপতিত্বে ও প্রদীপ মালাকারের উপস্থাপনায় উপস্থিত বক্তাগন  রংপুরের ঠাকুর পাড়া , শালেয়াশা,বালিয়াপাড়াসহ ১৫ টি বাড়ীতে হামলা, লুটতরাজ ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ায় প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও  ক্ষতিগ্রস্থদের  সাহায্যের জন্য আবেদন জানায় ।তারা সাতক্ষীরা,চত্রগ্রামের নন্দীরহাট , চিলির হাট, রামু ,গতবারের ব্রান্মনবাড়িয়া জিলার নাসিরনগর এবং রংপুরের ঠাকুর পাড়ার ঘটনা একই সূত্রে গাথা । ভুয়া ফেসবুক একাউনট বানিয়ে পরিকল্পিতভাবে কিছু সংখ্যালঘু যুবকের ওপর মিথ্যা ধর্মীয় অনুভুতির আঘাতে  ধর্মান্ধ গুষ্টি হিন্দুদের ওপর একের পর এক হামলা চালিয়ে তাদের বাড়ি ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া ,উপাসনালয় ধ্বংস, লুটতরাজ ও নারীর ওপর নির্যাতনে সরকার  প্রতিটি ক্ষেত্রে  তাদের রক্ষ্যা করতে ব্যর্থ হচ্ছে । প্রতিটি ঘটনার আগে ভিকটিমরা  যথা সময়ে আইনশ্রখলা বাহিনী ও প্রশাসনকে জানানো সত্বে ও এগিয়ে  আসেনি ।যদি সময়  মতো  এগিয়ে  আসতো জানমাল রক্ষ্যা পেত । বক্তারা আরও বলেন , ১৯৭২ সালে রমনা কালী মন্দির ভাঙ্গা ও মন্দিরের জায়গা দখলের মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয়ভাবে সানপ্রদায়িকতাকে স্থান দেওয়া হয় । তারা আর ও বলেন , ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি বিচারহীনতার সস্ক্রিতিই  তাদের উপর পুনরায় হামলার কারন ।   এক বৎসর পার হয়ে গেলে ও এখনও পুলিশ নাসির নগরের  হামলার মুল আসামিদের ধরতে পারেনি।  অনেক বক্তা প্রধান বিচার প্রতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা{এসকে সিনহা}কে সরকার  জোর  করে দেশ ত্যাগ ও  দুর্নীতির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করান ।  প্রধান বিচারপ্রতি সরকারের কথামত কাজ করলে তার চাকুরী ও থাকতো এবং দুর্নীতির অপবাদও হতো না ।    

alt
উক্ত সভায় প্রধান ও  বিশেষ  অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  অউক্য পরিষদ সভাপতি ডাঃ টমাস দুলু রায় ও স্বাধীন বাংলা বেতারের কণ্ঠ যুদবা ও রাষ্ট্রপতির পুরষ্কার প্রাপ্ত শিল্পী  রথিন্দ্র নাথ রায় ।  অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা জগনাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সা;সনপাদক ও নিউইয়কস্থ মহামায়া  মন্দিরের সভাপতি শ্রী শ্যামল চক্রবর্তী , বাপসনিঊজ সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং যুক্তরাষ্ট্র অউক্য পরিষদ ও  মহামায়া মন্দিরের সা; সনপাদক শ্রী প্রদীপ দাস । আরও বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি একটিবিস্ট, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক শ্রী নির্মল পাল ,কমিউনিটি একটিবিস্ট শ্রী ধ্রব চক্রবর্তী , অউক্য পরিষদ নেতা ও পুজাউযাপন পরিষদের সভাপতি প্রবীর রায়,  শেফালী ঘোষ দস্তিদার,        পরিমল কর্মকার ,গোবিন্দ দাস , দীপক কর্মকার , প্রণব চক্রবর্তী ,নারায়ণ দেব নাথ ,স্বপন কর্মকার ,হরিদাস মণ্ডল ,মৃত্যুঞ্জয় ভৌমিক, রাজেন সাহা,প্রনবেন্দু চক্রবর্তী ,সুমন বসাক, গৌতম সরকার । তাপস সরকার , দিলিপ গোস্বামী প্রমুখ ।