Editors

Slideshows

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/455188Hasina__Bangla_BimaN___SaKiL.jpg

দাবি পূরণের আশ্বাস প্রধানমন্ত্

বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে আলোচনা না করে আন্দোলন করার জন্য পাইলটরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। পাইলটদের আন্দোলনের কারণে ফ্লাইটসূচিতে জটিলতা দেখা দেয়ায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/701424image_Luseana___sakil___0.jpg

লুইজিয়ানায় আকাশলীনা‘র বাৎসরিক

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ লুইজিয়ানা থেকে ঃ গত ৩০শে অক্টোবর শনিবার সনধ্যায় লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির ইণ্টারন্যাশনাল কালচারাল সেণ্টারে উদযাপিত হলো আকাশলীনা-র বাৎসরিক বাংলা সাহিত্য ও See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/156699hansen_Clac__.jpg

ইতিহাসের নায়ক মিশিগান থেকে বিজ

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ ইতিহাস সৃষ্টিকারী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরা হাউজের আধিপত্য ধরে রাখতে সক্ষম হলো না। সিনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম হলেও আসন হারিয়েছে কয়েকটি। See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/266829B_N_P___NY___SaKil.jpg

বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিসে পুলি

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ আলাউদ্দিন রেষ্টুরেন্টের সামনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি তাৎক্ষণিক এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এই See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

লেখকদের কলাম

হোয়াইট হাউসের মধুচন্দ্রিমা কি মধুহীন হবে! --- আব্দুল মালেক

শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৬

নির্বাচনের দিন যখন প্রায় দোরগোড়ায় পৌঁছে কড়া নাড়ছে মার্কিন ভোটারদের দরজায় তখন যেন তীরভাঙা ঝড়ে দু’কূল হারানোর পথে যাচ্ছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি অর্থাৎ রিপাবলিকান দল। যার এক কূলে দলীয় প্রাইমারি ভোটে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিজনেস মোগলের প্রেসিডেন্সিয়াল স্বপ্নের সৌধ আর অন্য কূলে মার্কিন দুই কক্ষবিশিষ্ট আইন সভা কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অক্ষুণœœ রাখা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়লাভের সম্ভাবনার পারদ বারবার নিম্নগামী হয়ে পড়ছে। ব্যবসায়ী মোগলকে নিয়ে নানা কারণে দলের তাবড় তাবড় নেতাদের রিজারভেশন থাকায় জিওপি এস্টাব্লিসমেন্ট হোয়াইট হাউসের পথ দিয়ে হাঁটেনি তেমন। উপরন্তু অনেক তারকা নেতৃত্ব ঘোষণাই দিয়েছেন দলীয় প্রার্থীকে তারা ভোট দেবেন না। এবার প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল সেই দলে ভিড়ে ঘোষণা দিলেন তিনি ভোট দেবেন হিলারিকেই। কাজে কাজেই শ্বেত বাড়িটি দখলের চেষ্টায় বৃথা শক্তি ক্ষয় করবার প্রচেষ্টা জিওপির একেবারে নেই। দল বরং সমুদয় শক্তি প্রয়োগ করে বাঁচাতে চাইছেন সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে তাদের বর্তমান নিয়ন্ত্রণ। স্মরণ করিয়ে দেয়া ভাল আমেরিকার প্রতি অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত হয়ে থাকেন ৮ বছর মেয়াদে দু’জন করে মোট এক শ’ সিনেট সদস্য। কিন্তু একটি মাত্র নির্বাচনের মাধ্যমে সকল সদস্য একই সঙ্গে নির্বাচিত হন না। এই নির্বাচন হয়ে থাকে দুই টার্মে।

‘হোয়াইট হাউসসহ কংগ্রেসের উভয় কক্ষ যদি আবার ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রণে চলে যায় তবে সেটা হবে দুঃস্বপ্নের মতো এক দৃশ্যকল্প’- স্পিকার পল রায়ানের সাম্প্রতিক এমন বক্তব্যে বিষয়টি স্পষ্ট হয় উঠেছে। এই কথার সঙ্গে তিনি আরও যোগ করলেন যদি ডেমোক্র্যাট দল আসন্ন নির্বাচনে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে বিজয়ী হয় তবে আবার নতুন করে চালু করা হবে তাদের উদারপন্থী নীতির ঘড়িটি। এমন দুর্ঘটনাটি নিশ্চিতভাবে ওবামা ক্ষমতাকালের চাইতে হবে অধিকতর মন্দ। কারণ হোয়াইট হাউস ও আইন সভার উভয়কক্ষই তখন থাকবে ডেমোক্র্যাটদের হাতের মুঠোয়।

প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, ওবামার আমলে আইন সভার উভয়কক্ষ ডেমোক্র্যাটদের কব্জায় ছিল প্রথম দু’বছর মাত্র। ২০০৬ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পাঁচটি নির্বাচনের চারটিতেই কংগ্রেসের উভয়কক্ষে ঘটেছে ভাগাভাগির বিজয়। ডেমোক্র্যাটরা ২০০৮ সালে দু’বছরের জন্য উভয়কক্ষের নিয়ন্ত্রণ লাভ করেছিল। কিন্তু ’১২ সালের নির্বাচনে দুটি কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ হারায় রিপাবলিকান পার্টির কাছে এবং অদ্যাবধি কংগ্রেসের সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাতে। ডেমোক্র্যাট দল হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সঙ্গে আইন সভাতেও ফিরে চায় পুনর্দখল। হারিয়ে ফেলা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে তারা একই সঙ্গে লড়ছে হোয়াইট হাউস ও ক্যাপিটাল হিলের পথে।

আইন সভার দুই কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে জাতিকে দেয়া আমেরিকান প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতিগুলো আইন সভার মেজরিটি বিরোধী সদস্যের ভেটোর কারণে কখনই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। যেমন, ইমিগ্রেশন সমস্যার সমাধানে প্রেসিডেন্ট ওবামার নীতিটি রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস অনুমোদন না করায় সেটি আইনে পরিণত করা সম্ভব হয়নি। তারপর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধ্বংসের ঘটনায় সৌদি আরবকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে- এমন একটি বিলে প্রেসিডেন্ট ভেটো দেয়া সত্ত্বেও আইন সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সেই আইন পাস করে। শেষ দিকে এসে সুপ্রীমকোর্টের জাস্টিস এন্টোনিও স্ক্যালিয়ার মৃত্যুর পর প্রয়োজনীয় ৬০ ভোট না পাওয়ায় রাষ্ট্রপতি ওবামা কর্তৃক মনোনীত বিচারপতি নিয়োগ সিনেট কর্তৃক ব্লক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে সিনেটে রিপাবলিকান পার্টির রয়েছে ৫৪, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ৪৪ ও বাকি দু’জন ইন্ডিপেন্ডেন্ট, যার মধ্যে একজন বার্নি স্যান্ডার্স।

আগামী ৮ নবেম্বর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সঙ্গে ৩৪টি সিনেট আসনে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেতে ডেমোক্র্যাট দলকে ৫টি আসনে জয়লাভ প্রয়োজন। অবশ্য ৪টি আসন পেলেও তারা বিজয়ী হবে। কারণ তাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট যদি নির্বাচিত হন তখন তিনি সিনেটের সভাপতি হবেন বিধায় তাকেও একজন ডেমোক্র্যাট সদস্য হিসেবে গণ্য করা হবে।

এবারের ডেমোক্র্যাটদের প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য ৩০টি আসন দরকার। পূর্বাভাস বলছে তারা অন্তত ১৫টিতে জয়ী হবেন। গত দশকে দেখা গেছে ডেমোক্র্যাট দল যে বছর প্রেসিডেন্ট পদ পেয়েছে সে বছর জিতে নিয়েছে কংগ্রেসের উভয়কক্ষই। তবে তারা মিড্ টার্ম ইলেক্শনে তা ধরে রাখতে পারেনি। বর্তমানে আইন সভায় রিপাবলিকান পার্টির যে বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে তা ১৯২৮ সালের পর রেকর্ড। আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের দুটি কক্ষেই তাদের যথেষ্ট সংখ্যক প্রার্থীর আসন হারানোর সম্ভাবনার কথা মিডিয়ায় বলা হচ্ছিল। কিন্তু এই লেখাটি যখন শেষ হতে যাচ্ছিল, ২৬ অক্টোবর রাতের খবরে জানা গেল দু’দলের মধ্যে সিনেট লড়াই হাড্ডাহাড্ডি পর্যায়ে পৌঁছেছে। হিলারি প্রেসিডেন্ট পদে বিজয়ী হয়ে যদি আইন সভায় ডেমোক্র্যাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করা না যায় তবে বলা হচ্ছে হোয়াইট হাউসে তার মধুচন্দ্রিমা মধুহীন হয়েই থাকবে।

সেই হলিউড এক্সেস বাসে বুশ বংশের বিলি বুশের সঙ্গে প্রার্থী ডোনাল্ড লুচ্চা কথোপকথনের রেকর্ড ফাঁস হবার পর জনমনে যে বিরূপতার শুরু সেটারই বিস্তার ঘটছে ক্রমশ। বিলি কর্মস্থল এনবিসি থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হলেন আর ট্রাম্প কথিত ‘ক্রুকেট মিডিয়া’র কাছে একের পর এক রমণীকুল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনতে লাগলেন যৌন হেনস্থার অভিযোগ। আগের লেখায় বলেছি ঘটনাগুলো সে সময়ের ক্যাটাগরি ৪ হ্যারিকেন ম্যাথুর মতো জোরদার হয়ে আঘাত করেছিল রিয়েল স্টেট্ সম্রাটের প্রাসাদ অলিন্দে। কিন্তু তারপরেও উঠে দাঁড়িয়ে সংগ্রামী ধনপতি কিছুটা এগিয়েও গিয়েছিলেন। তবে বড় সর্বনাশটি হলো ভোটে কারচুপি করা হবে এমন এক ঘোষণা দেয়ায়। সর্বশেষ বিতর্কের পর থেকে তিনি বলতে লাগলেন ‘নির্বাচনী ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব যদি আমি বিজয়ী হই।’ রক্ষণশীল ভোটার মহল এ যাবত তার যাবতীয় কার্যকলাপ, কথাবার্তা, আচার-আচরণ, এমনকি ঔদ্ধত্যকে শুধু বরণ করা নয় সেটিকে সমর্থনও করেছিলেন। কিন্তু মার্কিন জাতি হিসেবে এবার আঁতে ঘা লাগায় মিত্রদের অনেকেই মুখ ফেরালেন তার দিক থেকে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন নিমজ্জনের মুখেও ফ্লোরিডার সেন্ট অগাস্টিনের জনসভায় একরকম হাতুড়ি পিটিয়ে আওয়াজ তুললেন ‘বন্ধুরা আমরা জিতছি, আমরা জিতছি, জিতছি’। ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটারে ঘোষণা ছিল ‘আমরা জয়ী হতে যাচ্ছি প্রেস রিপোর্টগুলোতে সেটা অস্বীকার করা হচ্ছে।’ কিন্তু তার প্রচারণা ব্যবস্থাপক কেলিয়ান কনওয়ে এনবিসির মিট দ্য প্রেসের কাছে বললেন, ‘আমরা পিছনে’। অবশ্য এর কারণ ব্যাখ্যা করে বললেন, ‘এই নির্বাচনে হিলারি রয়েছেন চরম সুবিধাভোগীর ভূমিকায়। তার স্বামী একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি, যার নেতৃত্বে চলছে প্রচারাভিযান, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি, ভাইস প্রেসিডেন্ট সবাই তার হয়ে কাজ করছেন।’

শেষ ডিবেটকালে প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে ‘ন্যাস্টি ওম্যান’ বলার প্রেক্ষিতে সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন নিউ হ্যাম্পশায়ার রাজ্যে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে প্রচারাভিযানকালে ন্যাস্টি শব্দটাকেই যেন আগুনে বোমার মতো নিক্ষেপ করলেন ট্রাম্পের দিকে। অনলবর্ষী ভাষণে এলিজাবেথ বললেন, এটা ‘ন্যাস্টি নারীদের ভোট। শুনুন ডোনাল্ড- ন্যাস্টি নারী কত টাফ হতে পারে, ন্যাস্টি নারী কত স্মার্ট হতে পারে সেটা ৮ নবেম্বর ন্যাস্টি নারীদের ভোটে দেখবেন। যখন আমাদের জীবন থেকে আপনাকে চিরতরে মুক্তি দিতে ন্যাস্টি পদক্ষেপে লংমার্চ করতে করতে আমরা ন্যাস্টি ভোট দিতে যাব!’

কদর্যতা, অশ্লীলতার চরম শিখরে অবস্থান নিয়েই আসন্ন মার্কিন নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে। দিন যত ঘনিয়ে আসছে ততই এসব কদর্যতা যেন পেয়ে যাচ্ছে চূড়ান্ত রূপ। একজন ওয়াল স্ট্রিট ব্যাংকারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের মূর্তির আকারে নিরাবরণ একটি ব্যঙ্গচিত্র প্রত্যুষকালে নিউইয়র্ক বোলিং গ্রিন পাতাল রেল স্টেশনের বাইরে স্থাপন করে তোলপাড় সৃষ্টি করা হয়। অবশ্য ঘণ্টা তিনেকের মধ্যেই একজন মহিলার ক্রোধের মুখে পুলিশ এসে স্ট্যাচুটি সেখানে রাখার পূর্ব অনুমতি নেয়া হয়নি একথা বলে সেটি সরিয়ে নেয়। ইতোপূর্বে গত আগস্টে অপর প্রার্থী ডোনাল্ডের এক নগ্ন প্রতিমূর্তি ইউনিয়ন স্কয়ারে স্থাপন করে সাড়া ফেলে দেয়া হয়েছিল।

ডোনাল্ডের তাজমহল নামে ক্যাসিনোটি ইতোপূর্বেই লাটে উঠেছে নাকি দেনার দায়ে। এবার তার রাষ্ট্রপতি হবার সাধের তাজমহলটিও ভাঙ্গনের মুখে। প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে পোলগুলোতে অতি বর্তমানে যে বিস্তর ফারাকের সৃষ্টি হয়েছে সেটি পূরণ করা আর সম্ভব বলে মনে হয় না। সেই সঙ্গে বলতেই হবে এক ভূমিধস বিজয়ের লক্ষ্যে হিলারি এগিয়ে যাচ্ছেন নিশ্চিতভাবে। তিনি রিপাবলিকান সুইং স্টেট হিসেবে পরিচিত ফ্লোরিডা, ওয়াহাইও, আইওয়া, নর্থ ক্যারোলিনায় ঝটিকা প্রচার অভিযানে নেমেছেন। হিলারি ক্লিনটন তাদের কাছে বলছেন তিনি শুধু ডেমোক্র্যাট দলের নন, হতে চান রিপাবলিকান ইন্ডিপেন্ডেট দেশের সকল মানুষের প্রেসিডেন্ট।

লেখক : আমেরিকা প্রবাসী সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।


সাংবাদিকতার রেনেসাঁ ছিলেন আতাউস সামাদ - ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম

বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৬

আতাউস সামাদ সব সময় সত্যসন্ধানে ছুটে বেড়াতেন। জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত তিনি মাঠে ছিলেন। সত্যতা যাচাই করার শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন। তিনি ছিলেন বস্তুনিষ্ঠতার প্রতীক। সাংবাদিকতার রেনেসাঁ ছিলেন আতাউস সামাদ। সাংবাদিকতার শুরুতে তিনি বাংলা ও ইংরেজি দুটিতে দক্ষতা দেখিয়েছেন। তিনি অতিসাধারণ জীবনযাপন করতেন।

বিপন্ন সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করে গণতন্ত্র হত্যার ষড়যন্ত্র নস্যাত্ ও দেশকে বর্তমানের গভীর সঙ্কটের হাত থেকে রক্ষার আন্দোলনে আতাউস সামাদ আমাদের প্রেরণা। তিনি সংগ্রামের পথে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। স্বৈরাচার, গণবিরোধী সরকারের আমলেও তিনি সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলে গণতন্ত্র এবং জনগণের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরের অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন।

ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আজ আমরা যারা লড়াই করছি, তাদের সাহস জুগিয়েছেন আতাউস সামাদ। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তিনি ছিলেন আলোকবর্তিকা। দেশের বিভক্ত সমাজেও তিনি সব বিভক্তির ঊর্ধ্বে ওঠে কথা বলতেন। ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আমার দেশ পত্রিকার মাধ্যমে এক ধরনের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পেছনেও তিনি ছিলেন শক্তি। বাংলাদেশে এমন সাহসী মানুষের সংখ্যা খুব কম। তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল সত্য প্রকাশ করা।
আতাউস সামাদের লেখায় সমাজের প্রতি ভালোবাসা ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ছিল। সাংবাদিকদের মধ্যে মহোত্তম মানুষ ছিলেন আতাউস সামাদ। তিনি ছিলেন আমার পড়ন্ত বেলার শিক্ষক। তিনি ছিলেন ধর্মপ্রাণ মানুষ।

আতাউস সামাদ ছিলেন পারফেকশনিস্ট সাংবাদিক। তিনি ছিলেন পরিচ্ছন্ন, সুখী ও সত্ সাংবাদিক। তিনি ছিলেন সততা, নৈতিকতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে। তাঁর মতো সাংবাদিক এখন বিরল। একটি সংবাদ লেখার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি চেষ্টা করতেন, সংবাদের তথ্য, মতামত যেন সঠিক থাকে। সত্য বলে তিনি যা বিবেচনা করতেন, তাই লিখতেন ও বলতেন। আতাউস সামাদ আমাদের অনুকরণীয়। তাঁকে এ প্রজন্মের সাংবাদিকদের অনুসরণ করা উচিত। তাঁর প্রয়াণের পর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পক্ষ থেকে কোনো শোক বাণী আসেনি। তাতেই প্রমাণিত হয় এরশাদের সেনাতন্ত্র ও আতাউস সামাদের গণতন্ত্র প্রিয়তা।

আতাউস সামাদ ছিলেন সত্ সাংবাদিকতার পক্ষে আর হলুদ সাংবাদিকতার বিপক্ষে। তিনি সংবাদপত্র শিল্প ও সাংবাদিকদের মধ্যে আইকন হিসেবে বহুকাল বেঁচে থাকবেন। আতাউস সামাদ একাত্তর সালে দেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন, আবার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে পালন করেছিলেন বিশাল ভূমিকা। যে ক’জন প্রথিতযশা সাংবাদিকের জন্য সাংবাদিকরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেন, সাংবাদিকরা অহঙ্কার করতে পারেন, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আতাউস সামাদ। তিনি সাংবাদিকতা করার পাশাপাশি সাংবাদিকতাকে সমৃদ্ধ করে গেছেন।

বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদ নিরপেক্ষ ছিলেন না। তিনি ছিলেন মানুষের পক্ষে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় তিনি এ দেশের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রথম পরিচয় থেকে তার মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত দেখেছি, তিনি ছিলেন সৎ। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথিকৃত ছিলেন। আবেগ দ্বারা তাড়িত হতেন না। ঘটনার ভেতরের ঘটনা বের করে আনতে পারতেন। আমি ছিলাম তাঁর অনুরাগী ও ভক্ত।
মাথা থেকে পা পর্যন্ত সৎ মানুষ ছিলেন আতাউস সামাদ। অনুসন্ধানী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় আতাউস সামাদের জুড়ি ছিল না। তাঁর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে বিতর্ক হয়নি, তিনি জীবনভর সুনাম বজায় রেখে সাংবাদিকতা করেছেন।

সাংবাদিক আতাউস সামাদ স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যেমন সোচ্চার ছিলেন তেমনি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য কখনও আপোস করতেন না।
alt
আতাউস সামাদ যেভাবে প্রতিবেদন তৈরি করতেন তা সত্যিই অনুকরণীয়। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কারণে তাঁকে জেলও খাটতে হয়েছে। আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় আতাউস সামাদের খুব বেশি প্রয়োজন ছিল। তিনি সব সময় দেশ ও মানুষের কথা ভাবতেন। এজন্য তাঁর সাংবাদিকতা, প্রতিবেদন তৈরি ও কাজে দেশপ্রেম ফুটে উঠত। সব সময় সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তাছাড়া সাংবাদিকতা মানেই প্রতিবন্ধকতা। কিন্তু তিনি নিজেকে কখনও প্রতিবন্ধকতার মধ্যে আটকে রাখতে চাননি। সব কিছুর পরেও সঠিক কাজটি করার প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন তিনি।

আতাউস সামাদ সাংবাদিকতার শিক্ষক ছিলেন l তাঁর অকুতোভয় ও সাহসী লেখনী বাংলাদেশের মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে।

আতাউস সামাদ ১৯৩৭ সালের ১৬ নভেম্বর ময়মনসিংহে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিলাভের পর ১৯৫৯ সালে সাংবাদিকতা শুরু করেন। তাঁর স্ত্রীর নাম কামরুন্নাহার রেনু। তিনি দীর্ঘদিন প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশে (পিআইবি) কর্মরত ছিলেন। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক।

১৯৫৯ সালে সাংবাদিকতা শুরু করেন আতাউস সামাদ। ১৯৬৯ ও ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টের (ইপিইউজে) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান অবজারভারের চিফ রিপোর্টারের দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত তিনি নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। এ ছাড়া তিনি ১৯৮২ সাল থেকে টানা ১২ বছর বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস নিউজের বাংলাদেশ সংবাদদাতা ছিলেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি সাপ্তাহিক এখন এর সম্পাদক ছিলেন। বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভির নির্বাহী প্রধান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি আতাউস সামাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও কাজ করেছেন।

জীবন, শিল্প, সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনীতির গতি-প্রকৃতি অবলোকন করেছেন তার নিজস্ব চিন্তায় আর বাস্তবতার আলোকে। তার এ চিন্তা তিনি প্রকাশ করেছেন কলামের মাধ্যমে। দেশ ও জাতির প্রয়োজনে পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছেন। জানা যায়, সাংবাদিকতার মাধ্যমেই তিনি মানবতা রক্ষা ও যে কোনো প্রগতিশীল আন্দোলনের পক্ষে সব সময় সোচ্চার ছিলেন। তার সৎ, সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার কারণেই জাতি তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
আতাউস সামাদ এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য জেলে যাওয়ারও ঝুঁকি নিয়েছিলেন, জেলেও গিয়েছিলেন। তিনি সবসময়ই নিউজের সোর্সকে অসামান্য প্রাধান্য দিতেন।

সাংবাদিক আতাউস সামাদ ২০১২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন।

কর্মজীবনে তিনি পাকিস্তান অবজারভার ও বাংলাদেশ অবজারভার, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), বিবিসিসহ দেশের ও দেশের বাইরের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৯২ সালে একুশে পদক পান।

৮০ এবং ৯০-এর দশকে বাংলাদেশে বিবিসি বলতে মার্ক টালির নামের পাশে যে নাম উচ্চারিত হতো সেই নাম হচ্ছে আতাউস সামাদ I মিঃ সামাদ দীর্ঘ ১২ বছর ঢাকায় বিবিসি নিউজের সংবাদদাতা ছিলেন, অনেক ঘটনা দেখেছেন, কাভার করেছেন, যেমন, এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনের সময় বিবিসি বাংলার খবর ছিলো এক ধরনের লাইফ-লাইনের মত যেখানে প্রধান তথ্য সরবারহকারী ছিলেন আতাউস সামাদ I তিনি আশির দশকে যখন বিবিসিতে যোগ দেন তখন দেশে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার এত জয়জয়কার ছিল না। গ্রামের আপামর জনগণের তখন সংবাদ শোনার মাধ্যম ছিল রেডিও। সে সুবাদে বিবিসি বললেই সাধারণ মানুষ আতাউস সামাদকে বুঝতেন। এখনো গ্রাম-বাংলার মানুষের মুখে মুখে আতাউস সামাদের নাম ঘুরেফিরেই উচ্চারিত হয়।
একজন সাংবাদিক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে দেশ জাতির কল্যাণে নিজেকে নিযুক্ত করেন। আতাউস সামাদ সে কাজটিই করতেন দক্ষতার সঙ্গে। যে কারণে সাংবাদিক সমাজেও তার রয়েছে আলাদা সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা। তিনি দেশের চলমান রাজনীতি বিশ্লেষণ করে কলাম লিখতেন। তিনি সূচিন্তিত ও বিশ্লেষণধর্মী কলামের মাধ্যমে জাতিকে দিকনির্দেশনা দিতেন। সরকারের সমালোচনা যেমন করতেন তেমনি সঙ্কট থেকে উত্তরণের পথও বাৎলে দিতেন। দেশ ও সমাজ নিয়ে তার গভীর পর্যবেক্ষণ তিনি লেখনীতে ফুটিয়ে তুলতেন। এক কথায় তিনি ছিলেন দেশের সম্পদ। আমরা মনে করি, বাংলাদেশে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার যে ধারা আতাউস সামাদ সৃষ্টি করেছেন তা অনুসরণযোগ্য। বর্তমান প্রজন্মের সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশে তাকে অনুসরণ করে জাতিকে যে কোনো বৃহত্তর সঙ্কট মোকাবেলায় দিকনির্দেশনা দিতে সচেষ্ট হবেন।

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে বিবিসিতে আতাউস সামাদের কণ্ঠ শোনার জন্য পুরো জাতি উদগ্রীব থাকত। রাষ্ট্রের বর্তমান দুঃসময় ও নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতি নিয়ে লেখার জন্য আতাউস সামাদকে আমাদের দরকার ছিল। কর্ম ও পেশাগত জীবনে আতাউস সামাদ ছিলেন একজন সত্ মানুষ। জীবনের সব কাজে তাঁর সততার প্রতিফলন ঘটেছে।

এখনকার শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় সাংবাদিকদের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। আতাউস সামাদকে অনুসরণ করে সাংবাদিকদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।

লেখক : ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম, বিশিষ্ট কলামিষ্ট, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য, যুক্তরাজ্য ও ঝালকাঠি জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য, জিয়া পরিষদের সহ আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র'র প্রতিষ্ঠিতা চেয়ারম্যান, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের যুক্তরাজ্য শাখার যুগ্ম আহবায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম যুক্তরাজ্য শাখার সাবেক সহ সভাপতি, শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট’র প্রতিষ্ঠিতা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষনা পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রচার দল কেন্দ্রীয় কমিটির আর্ন্তজাতিক সম্পাদক (ইউরোপ দ্বায়িত্বে )এবং চার্টাড ইনস্টিটিউট অব লিগ্যাল এক্সিকিউটিভের মেম্বার।


উড়ে যায় বরফপাখিরা = মানসগুণ

সোমবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৬

তৃষ্ণাতুর মানুষের কাছে রেখে যাই ঘাসপাতার পান্ডুলিপি সরল অভিজ্ঞান;
মেঘের বাগানে  বাতাসের গান
আর বরফপাখিরা উড়ে যায় স্বপ্নের বেলাভূমি জুড়ে সুদূর দিগন্তে।

জ্যোৎস্না অভিনীত রাত্রিবাগান তারার সহচর।
বেদনার নীল ঘোড়া কতনা গল্পের জন্ম দিয়ে খোঁজে নেয় পাথর সময়।
তবু তোমার রোদচশমার আড়ালে অফুরন্ত সমুদ্রঢেউ। কোটিবছরের অসীম নিঃসঙ্গতা।

  স্নানশেষে নাবিকেরা মৃতবিকেলে তুলে নেয় জীবনের মহাউৎসব। বিচ্ছেদের ব্যবধান বেড়ে চলে তবু ডুবে যায় চাঁদ তোমার আমার।

বরফডানায় লেগে আছে কত পৌরাণিক রক্তইতিহাস পূর্বপুুরুষের ঘাম।
লাল নীল হলুদ স্মৃতিরা ঢুকে পড়বে সবুজ প্রাসাদে একদিন সহজাত।

স্মৃতিদীপ জ্বেলে খুঁজে নেবো বরফেরঘর
বরফপাখিরা উড়বে নিঃসঙ্গ নিরন্তর।

alt


চেয়ে দেখো পৃথিবী তোমার = এবিএম সালেহ উদ্দীন

রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৬

Picture

বিপুল সন্দেহ আর হতাশার মেঘ কাটিয়ে
জেগে ওঠো পূণর্বার চেয়ে দেখো পৃথিবীর আলো
তুমি বেঁচে গেছো সোনার মেয়ে
চেয়ে দেখো জন্মভূমি মা, মাটি ও মানুষ। চেয়ে দেখো পৃথিবী তোমার।
চেয়ে দেখো আকাশ ও তারার মেলা।
তোমার ফিরে আসার প্রার্থনায় নিমগ্ন সবাই।
তোমার ফিরে আসার প্রতীক্ষায় মানুষ ও মানবতা।
এ রক্তাক্ত দেশে জীবনের সাথে যুদ্ধ করেই বেঁচে থাকতে হয়।
খাদিজা, তুমিও তা করবে।
ঘুমিয়ে থেকো না আর। চোখ মেলে তাকাও।
তোমার নিষ্পাপ মুখাবয়বে গোলাপের পাপড়ীর সাথে
কান্না হয়ে পুষ্পবৃষ্টিঅবিরাম ঝরে।
আকাশের তারকা আর শোকার্ত নীলিমা
চেয়ে আছে তোমার পানে। যদিও
শোষকের সাথে পাল্লাদিয়ে মেতে আছে পাশবিকতা।
তার সাথে মিশে আছে অবক্ষয়ী সমাজ। যেখানে নিভৃতে কাঁদে বিচারের বাণী।
এভাবেই থাকতে হয় বেঁচে বিষাক্ত সমাজে। যেমন বেঁচে থাকে
যুদ্ধাংদেহী দেশের মানুষ এবং ফিলিস্তিনের নারী ও শিশু।
অতএব
নি:সাড় হয়ে ঘুমিয়ে থেকো না আর
ফিরে এসো পৃথিবীর সুন্দরালোকেÑ
জেগে ওঠো পূ:ণর্বার।।


অনন্ত জিজ্ঞাসা = সানাউল হক নিরু

রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৬

ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যখন রিকসাচালক কিংবা ফেরিওয়ালা। এক নির্মম অভিজ্ঞতা আর বিবেকহীন কমিটি কমিটি খেলায় এদলের রাজনীতি এখন অনেকটাই মশকরায় পরিণত হয়েছে। নেত্রী আপনি ঘুমান, আপনার বিশ্রাম দরকার, অনন্ত বিশ্রাম। নেত্রীর ভাষায় _ছাত্রশিবির ভালো, ছাত্রদলের নেতারা খারাপ। আপনি কাদের রক্তের উপরে দাঁডিয়ে দেশনেত্রী এবং তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। নীরু, বাবলু, অভি, ইলিয়াস, রতন, মালেক, মাহবুব, পিন্টুসহ অসংখ্য যোগ্যতম নেতৃত্বের অনুসারী এরা, মৃতু্যবরণ করবে তবুও কখনো পরাজিত হবে না। তাই আজ এদেরকে দেখার কেউ নেই। এরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক, সাহসী বীর। আজ এরা ফেরারী, ফিউজিটিভ। ছাত্রদলের নিবেদিত প্রাণ নেতা এবং কর্মী। এদের সংখ্যা গুনে শেষ করা যাবে না। এরা হাজারে হাজার কিংবা লক্ষ লক্ষ বললেও অতু্যক্তি হবে না। এরা বিএনপির ভূল রাজনীতির শিকার, অবৈধ সরকারের নিষ্ঠুরতার কোপানলে আজ সর্বশান্ত .... বলীর পাঠা। বিএনপি রাজনীতি এখন দেওলিয়াত্বের পথে। এদেরকে দেখার জন্য আজ আর এই দলে কেউ অবশিষ্ট নেই। তারেক রহমান সহ জিয়া পরিবার আজ দেশ ছাড়া। এমন ঘটনা বাংলাদেশে একটি না, শত শত, হাজারো হাজার।

alt

রাজনীতির নামে ভূল সিদ্ধান্তের বলীর পাঠা আজ এ দলের হাজারো, লাখো নেতাকর্মী। ৩৭ মামলা নিয়ে আপনার পাশে শিমূল বিশ্বাস, মাজেজা কি? ৯১ দিনের আন্দোলনে সারা বাংলাদেশে মামলা হয়েছে ৩৭০০০ এবং এখনও প্রতিনিয়ত হামলা, মামলা, গুম, খুন, অপহরণ কিংবা ক্রসফায়ার চলছে। তারপরও এ দলটি কতটা নির্লজ্জ, বিবেকহীন ! প্রতিদিনই নেত্রীর গুলশান অফিসের সামনে কমিটি কমিটি খেলা হচ্ছে। রেফারী কে শিমূল নাকি নেত্রী? গুলশান অফিসের সামনে টান টান উত্তেজনা। নেত্রী আপনাকেই জিজ্ঞাসা ! রাজনীতিতে বিবেক বোধ বলতে সব বিষয়গুলো কি হারিয়ে গেছে। আপনি তো জীবনে অনেক কমিটি দিলেন, কিন্তু ফলাফল? আপনি অনেক বেইমানদের নেতা বানিয়েছেন এবং অতপর ! বর্তমানে আপনার চারিপাশে ঘিরে থাকা কুলাংগার যারা আপনাকে ঘিরে রাজনীতি করছে, তাদের অনেককেই দীর্ঘ দিন ধরে চেনেন। এদেরকে আপনি সব দিয়েছেন _ এমপি, মন্ত্রী কিংবা অর্থবিত্ত, সম্পদের মালিক বানিয়েছেন বিনিময়ে এরা দল এবং দেশকে কি দিয়েছে? বিএনপি নামক এ দলটি আজ রাজনীতির নামে একশত ভাগ রং ট্রাকে হাঁটছে। রাজনীতি মানে কমিটি বিক্রীর খেলা নয়, মনে হচ্ছে আজ এই দলে রাজনীতির নামে এক নিষ্ঠুর খেলা চলছে। বারবার কমিটি দেয়ার নামে বিএনপির সোল এজেন্সী বেচা বিক্রীর এ খেলা বন্ধ করতে হবে। আপনার অফিসের সামনে যারা কমিটির জন্য প্রতিনিয়ত ধর্ণা দিচ্ছে তারা কতোজন আপনার কিংবা দলের লোক? নাকি এরা আপনি এবং সরকার দুই দিকেই আছে ! মনে হচ্ছে ভারত বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মিত হচ্ছে। আগে নেতাকর্মীদের বাঁচানোর উদ্যোগ নিন, পরে সময়  নিয়ে দল পূনর্গঠনের বিষয়ে মনোযোগ দিন। আপনি একা বাঁচার চিন্তা করবেন না, তাহলে দল এবং আপনি সবই শেষ হয়ে যাবেন। একা লড়াই কিংবা ষডযন্ত্রের মাধ্যমে যারাই টিকে থাকার চেষ্টা করেছে, তাঁরাই ইতিহাসের পাতায় খলচরিত্র কিংবা বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত ও ধ্বংস হয়েছে। দলের নেতাকর্মী, দল এবং দেশ বাঁচলে আপনি বেঁচে থাকবেন।


মনেপড়ে বৈকালিক রোদ্দুর = মানসগুণ

বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৬

তোমার ভিতর সহস্র নদী নাগরিক অস্থিরতা
জানি তার ভিতর পূর্ণিমা খেলাকরে তুমুল,
পাখিদের  দ্বিবার্ষিক সম্মেলন জমে উঠে রঙিন
হৈমন্তিক বিকেলের সূর্যটা ঢলে পড়ে নিরাবেগ।

মনেপড়ে তোমার উঠোনে লাল নীল মার্বেল ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য দিক্বিদিক,
তাকানোটাই মনে আছে বাকীটুকু নীলাভ বিস্মৃতি।

মনেপড়ে আকাশভর্তি মেঘের চলচ্চিত্র
হাসি, কান্নাকাটি, নাক, মুখ, চোখ,ছায়াপথ
নাশকতা বিহীন আমাদের মাঝখানে
পরম্পরা আশ্চর্য পৃথিবীর নিগূঢ় প্রণয়পাঠ।

তুমি জেনে নিও গাঢ় দুর্দিনে প্রশ্নাতীত রয়ে যাবে
প্রতিশ্রুত কথামালারা দ্যুতিময়। বৈকালিকরোদ্দুরে উড়ে যাবে বরফপাখিরা
ফেলে দিয়ে সহস্র কিলোমিটার পথ মায়াময়।

alt


মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অভূতপূর্ব কেলেঙ্কারির রিয়ালিটি শো-ড্রামা!

বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৬

আব্দুল মালেক : আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে কলঙ্কময় প্রচার-প্রচারণার ড্রামা মার্কিন মডার্ন হিস্ট্রিতে আক্ষরিক অর্থেই অভূতপূর্ব। উভয় প্রার্থীর নারী ও ই-মেইল কেলেঙ্কারির রগরগে কাহিনী নিয়ে নির্বাচনী মঞ্চে প্রায় শুরু থেকে প্রতিদিনই অভিনীত হচ্ছে অশ্লীল, যৌন উত্তেজক ও হিংস্রতার নাটক। বলতে দ্বিধা নেই, ইট ইজ মোর লাইক রিয়ালিটি শো-ড্রামা! আমেরিকার প্রেসিডেনশিয়াল হিস্টোরিয়ান জন মিচেল বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে নেতিবাচক ও আক্রমণাত্মক বাক্যবিনিময় নতুন নয়। ১৭৯৬ সালের মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক প্রথম নির্বাচনেও জন এডামস ও টমাস জেফারসনের নির্বাচনী প্রচার ও দু’জনের মধ্যে পরবর্তী তিক্ততা আজ ইতিহাস। কিন্তু এই ঐতিহাসিকের অভিমত হচ্ছে এডামস ও জেফারসন দু’জনেই ছিলেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ্যতাসম্পন্ন এবং যে যোগ্যতা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেই।
ঘটনার ঘনঘটায় আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ১৬-এর নেতিবাচক প্রচারটি ক্রমান্বয়ে পৌঁছে গেছে বিপজ্জনক অধ্যায়ে। রিপাবলিকান প্রার্থীর যৌনতা ও অশ্লীল বাক্যালাপ এবং ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর ই-মেইল কেলেঙ্কারি যখন হাওয়াইয়ের মতো ভাসছে আকাশে এমন পরিবেশে দরোজায় কড়া নাড়ছে আগামী নবেম্বর মাসের আট তারিখের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিনটি। প্রার্থীদ্বয়ের মধ্যে তৃতীয় তথা সর্বশেষ তর্কযুদ্ধের দুন্দভিতে তাই জোর আওয়াজ। ১৯ অক্টোবর লাসভেগাসের ইউনিভার্সিটি অব নেভাদা আয়োজিত এই ডিবেটে মডারেটর থাকছেন ফক্স নিউজ সানডের এঙ্কর ক্রিস ওয়ালেস। প্রথম বিতর্কের আদলেই হতে যাচ্ছে শেষ বিতর্কটিও। জানা গেছে ইতোমধ্যেই ১১টি রাজ্যে এবসেন্টি ব্যালটের আগাম ভোট শুরু হয়ে গেছে এবং সে ভোট নাকি পড়েছে বিপুল পরিমাণে।
কলম্বাস ডে’র রাতে দ্বিতীয় ডিবেটে হিলারি ক্লিনটন অনেকটাই যেন হলেন আমেরিকা বিজয়ী। সে বিজয় ভূমিধস না হলেও বড় আকারের জলচ্ছ্বাস নেমে ডবল ডিজিটে পিছিয়ে গেলেন রিয়ালিটি টিভি স্টার ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর বলতে গেলে সেদিনই আমেরিকা আবিষ্কারের প্রচেষ্টাটি হাতের মুঠোয় চলে এলো ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর। অথচ সেদিন পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্প বিতর্ককক্ষে উপস্থিত হয়েছিলেন। দর্শক সারির সামনে বসানো হয়েছিল হিলারির স্বামী ক্লিনটন কর্তৃক যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগকারী তিনজন মহিলা। ডোনাল্ড সে রাতে পরিকল্পনামাফিক যেন হিংস্র ভালুকের থাবায় ঘায়েল করতে চেয়েছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বীকে।
এমন মুখোমুখি বিপদ হয়ত মিসেস ক্লিনটনের জীবনে ইতোপূর্বে আর আসেনি। কিন্তু হোয়াইট হাউসের ফার্স্ট লেডি থাকাকালীন শুধু নয়, আরকানসাসের জীবন থেকেই যে রমণীকে দীর্ঘ সময়ব্যাপী সামলাতে হয়েছিল স্বামীর নারী কেলেঙ্কারির তুমুল ঝঞ্ঝা, ডিবেটের স্বল্প সময়ের বিপদে তিনি কি আর ঘাবড়ানোর পাত্রী! ট্রাম্পের ভয়াল বুনো থাবার আক্রমণ কিভাবে মোকাবেলা করবেন সে সম্পর্কে বরং পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই তার আগমন হয়েছিল তর্কযুদ্ধে। উপরি হিসেবে ডিবেটের দুদিন আগে ক্লিনটনের অস্ত্র ভাণ্ডারে সঞ্চিত হয়েছিল হলিউড একসেস বাসে নারীদের প্রতি বিলিওনিয়ার হিসেবে পরিচিত নির্বাচনী শত্রুর ইতর কথোপকথনটি। বিল ক্লিনটনের নারী কেলেঙ্কারির কোনরকম সাফাই না গেয়ে তিনি উল্টো সুযোগমতো এই ঘটনার সঙ্গে নানান সময়ে নারীদের প্রতি ছুড়ে দেয়া অসম্মানজনক উক্তিগুলো দিয়ে ঘায়েল করতে চেয়েছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বীকে।
ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকা হলিউড একসেস বাসে রিয়েল এস্টেট মুঘল ও রিয়ালিটি টিভি স্টারকে রিপাবলিকান দলের জর্জ বুশ ও জেব বুশের কাজিন বিলি বুশের সঙ্গে তার লুচ্চামিসুলভ আলাপচারিতার অডিও-ভিডিও রেকর্ড ফাঁস করে নিক্ষেপ করেছিল এক ঝঞ্ঝাময় প্রতিকূল আবহাওয়ায়। জানিয়ে দেয়া ভাল, ১১ বছর আগের পুরনো এই ক্যাসেটের রেকর্ডকালীন ডোনাল্ড ট্রাম্প ছিলেন একজন ডেমোক্র্যাট। ইতর কথাবার্তার ব্যাপারটিই কেবল নয়, সঙ্গে মিডিয়ায় জিওপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসিত ইতর আচরণের অভিযোগ তুলেছে একের পর এক মহিলা। ফলে উইপিং ম্যাথিউ হ্যারিকেন ক্যাটাগরি ৪ যেন ফ্লোরিডা ও নর্থ ক্যারোলিনার সঙ্গে ল-ভ- করল ট্রামের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্যারিয়ারের জাহাজ। দলীয় প্রচারের এই বিপর্যয়কে সবাই বলেছেন ‘ওয়ার্স্ট ক্রাইসিস সিন্স নিক্সন’স ওয়াটার গেট ইন রিপাবলিকান পার্টি।’
বলতেই হবে এমন দুর্ঘটনা ডোনাল্ডকে সত্যিকারভাবে করে তুলেছিল বেসামাল। মুখে যতই হম্বিতম্বি করুনা কেন নানা বিপদের সম্মুখীন ট্রাম্প একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিবৃতি প্রকাশ করে বললেন, ‘এটা আমার ভুল ছিল, আমি ক্ষমাপ্রার্থী,’ এসব লুচ্চা বচন তার লকার রুম টক বলে জিওপি প্রার্থী মন্তব্য করলেন। কিন্তু অদৃষ্টের পরিহাসে একের পর এক নারী কুশীলব মঞ্চে আবির্ভূত হতে লাগলেন ডোনাল্ড কর্তৃক যৌন অসদাচরণের অভিযোগ নিয়ে। ফলে রিয়ালিটি টিভি স্টারের তখন ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা! এহেন পরিস্থিতিতে রিপাবলিকান নির্বাচনী কর্মকা- বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ধারণা হয়েছিল ধনপতির প্রচারণার দশা সম্ভবত লাইফ সাপোর্টে।
কিন্তু জিওপি প্রার্থী এমন বিধ্বস্ত অবস্থাতেও লড়াকু হয়ে নেমে পড়লেন নিজ ইমেজের ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে। অতি দ্রুত ট্রাম্প সাহেব তার নির্বাচনী শিবিরকে পরিণত করলেন মরিয়া এক ওয়ার জোনে। ফলে অভাবিতভাবে জাতীয় পোলে হিলারির তুলনায় ডবল ডিজিটে পিছিয়ে যাওয়ার হিসাবটি উঠে দাঁড়াল কোমা শয্যা থেকে। শুধু তাই নয়, অলৌকিকভাবেই ফারাক কমল ডবল থেকে সিঙ্গেলে। এল এ টাইমস/ইউএসসি ট্রাকিং সমীক্ষার অক্টোবর ৮-১৪ পর্যন্ত ফলাফল উভয় প্রার্থী সমান সমান। অর্থাৎ হিলারি ৪৪% ও ট্রাম্প ৪৪%। এছাড়া বাকি দু’জন প্রার্থী লিবারেটারিয়ান জনসন ৭% ও স্টেইন ৩%। এছাড়া ১৬ অক্টোবরে প্রকাশিত এবিসি/ওয়াশিংটন পোস্ট পোলে দেখা যাচ্ছে রেজিস্টার্ড ভোটারদের দুই তৃতীয়াংশের মধ্যে ট্রাম্পের কেচ্ছা কাহিনী বড় দরের প্রভাব পড়েনি। কারণ মাত্র ১২% সমর্থক এই ঘটনায় বিরূপ হয়ে সরে গেছেন বলে হিসাবে দেখা যায়। রিপাবলিকান ৮৮% গ্রাসরুট সমর্থকরা যেন রিয়ালিটি স্টারের পূর্ণিমায় প্লাবিত হয়ে কেবল সেপ্টেম্বরেই তাকে চাঁদা জুগিয়েছেন ১০০ মিলিয়ন ডলার। অবশ্য হিলারির ভোটার এবং ডোনাররা একই মাসে দিয়েছেন ১৫৪ মিলিয়ন ডলার। প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়, হিলারির পাশে দাঁড়িয়েছেন ৮৯% ডেমোক্র্যাট দলের তৃণমূল ভোটার। একই পোলে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ৪৭% এবং জিওপি প্রার্থীকে ৪৩% সমর্থন করছেন।
ডেমোক্র্যাটরা তো বটেই, রিপাবলিকান নেতাদেরও প্রায় সকলেই একসেস বাসের অশ্লীলতম কথোপকথন নিয়ে ধারালো সমালোচনা করেন। এমনকি নিউজার্সির গবর্নর, যে ক্রিস কৃষ্টি ‘লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ডিং’-এর মতো সার্বক্ষণিকভাবে ট্রাম্পের পাশে তিনিও বাদ যাননি। আরও মজার কথা ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক রিপাবলিকান গবর্নর প্রখ্যাত অভিনেতা আর্নল্ড সোয়ার্জনিগার, একই সঙ্গে ক’বছর আগে যিনি পিতা হয়েছিলেন স্ত্রী ও হাউস কিপারের সন্তানের, সেই ব্যক্তিত্ব তো ঘোষণা অবধি দিয়ে ফেলেছেন দলীয় প্রার্থীকে তিনি ভোট দেবেন না। কারণ, আমেরিকা ফার্স্ট। অধিকাংশ জিওপি তারকার মতো স্পীকার পল রায়ান দলের বাইরে থেকে আসা বিলিওনিয়ার প্রার্থীর প্রতি শুরু থেকে প্রসন্ন ছিলেন না। এবার সরাসরি বলে দিয়েছেন তিনিও ট্রাম্পের পক্ষে কাজ করতে নারাজ। অবশ্য এর প্রেক্ষিতে রিপাবলিকান এই পদপ্রার্থী বললেন- স্পীকারের দায়িত্ব হলো কংগ্রেস চালানো ও বাজেট ঘাটতি পূরণ এবং সেইসঙ্গে তার অন্যতম দায়িত্ব ডেমোক্র্যাট ক্রুকেট হিলারিকে পরাস্ত করা। অথচ এমন কাজকর্ম বাদ দিয়ে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে লড়ছেন রায়ান। রিপাবলিকান দলীয় প্রাইমারির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আসলেই মহাভারতের অভিমন্যুর মতো লড়তে হচ্ছে নিজ দল এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সঙ্গে প্রায় এককভাবে।
তৃতীয় বিতর্ক অনুষ্ঠানের আগেই খৈ ফোটার মতো বহু কথা বলে বেড়াচ্ছেন সর্বত্র। বলছেন নির্বাচিত হলে তিনি স্পেশাল প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়ে হিলারিকে জেলে নেবার ব্যবস্থা করবেন। হিলারি সুস্থ ব্যক্তি নন, যেভাবে চলাফেরা করছেন তাতে মনে হয় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ড্রাগ গ্রহণ করছেন, ড্রাগ টেস্ট করা প্রয়োজন। এছাড়া বার বার আশঙ্কা প্রকাশও করছেন এবারের নির্বাচন নাকি হবে কারচুপির। হিলারিকে জেতানোর জন্য তার ভাষায় করাপ্ট মিডিয়া ও গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল কোম্পানিগুলো একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। এবারে তার ফাইট হবে এগেইনস্ট করাপ্ট পলিটিশিয়ান। এমন বক্তব্যের সমর্থনে ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক সাবেক স্পীকার নিউট গিংরিচয়ের ভাষ্য হলোÑ এই ধারণা উড়িয়ে দেয়া যায় না যখন গত সপ্তাহে মিডিয়া


রিকস ও বিমস্টেক সম্মেলনের ব্যর্থতার দায় জঙ্গিত্ববাদী মোদীর = আবু জাফর মাহমুদ

বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৬

‘ব্রিকস এবং বিমস্টেক আউটরিচ সামিট’ হয়েছে অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের কেন্দ্র গোয়ায়।ভারতকে বিশ্বের কাছে সম্মানহানি করে এই দুই সম্মেলনের ব্যর্থতার দায় চেপেছে গুজরাটে গণহত্যার জন্যে বিশ্বের কাছে নিন্দিত রাজনীতিক ও বর্তমানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।নিজেই জঙ্গিত্বের জন্যে অপরাধী প্রমাণিত ভারতবাসী সহ বিশ্ববাসীর কাছে।বিশ্বস্বীকৃত এমন দাগি জঙ্গি রাষ্ট্রের সরকারের সর্বোচ্চ আসনে ওঠার সুযোগ পেলেও নজর তার থেকেই যায় তার পুরণো স্বভাবে।    
ভারতে সাম্প্রদায়িক জঙ্গিজোট ক্ষমতাসীন,বাংলাদেশে তার বিপরীত।ধর্মনিরপেক্ষ জোট সরকার।মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ট বাংলাদেশের সামাজিক মূল্যবোধ অসাধারণ উদার।কখনো ভারতীয় হিন্দু-নির্ভর সমাজের মতো হয়না বাংলাদেশ।ভারতীয় হিন্দু সমাজ জাত বিভেদ ও হিংস্রতার এক জটিল সমাজ,যেখানে মহাত্না গান্ধীজীর মতো আদর্শবাদী মহাপুরুষকে হত্যাকারীদের দলের বিশিষ্ট রাজনীতিককে একক সংখাগরিষ্টতা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী করা হয়েছে।
যাদের ভয়ে দরিদ্র হিন্দুরাই হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে অপর ধর্ম গ্রহন করে।মুসলমান-খৃষ্টানদের উপর জুলুমের ভয়াবহতাতো রাষ্ট্রীয় জঙ্গিত্বেই হয়ে আসছে।গুজরাটের দুই হাজার হিন্দু একত্রে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহন করেই ভারতের প্রকৃত চেহারা দেখিয়েছে।এমন বাস্তবতাতেই ভারতের গোয়ায় হয়ে গেলো ‘ব্রিকস-বিমস্টেক আউটরিচ সামিট’। ভারতকে বিশ্বের কাছে সম্মানহানি করে দুই সম্মেলনের ব্যর্থতার দায় চেপেছে গুজরাটে গণহত্যার জন্যে বিশ্বের কাছে নিন্দিত রাজনীতিক ও বর্তমানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

alt
উল্লেখিত উভয় সম্মেলনের যে সকল গল্প বা সংবাদ বানানো হয়েছে ভারতীয় ও বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে তাতে সম্মেলন দুটোর মূল উদ্দেশ্য নিয়ে কথা লিখার উপর চাপ ছিলো বিভিন্ন শক্তির।আলজাজিরা বিবিসি সহ অন্যান্যেরা যা যা জানিয়েছে,তার সাথে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার মিল পাওয়া যায়নি।প্রশ্ন এসেছে আয়োজক দেশের প্রধানমন্ত্রীর মূল বক্তব্যে তার নিকটতন প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ শেখ হাসিনা ছাড়া কাউকে বিশ্বাস করাতে সফল হয়েছেন কি?এই অভিযোগের ভিত্তিতে সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়েছে  কি?
বরঞ্চ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট লক্ষ্যণীয়ভাবে হয়ে গেছেন বরফ শীতল নীরব নিস্তব্ধ এবং চীনা প্রেসিডেন্ট  সম্মেলনের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করার জন্যে সরাসরি মোদীকে করেছেন দায়ী।হলো তো?বিমসটেক সম্মেলনে পাকিস্তানকে দাওয়াত না করার জন্যে দোষী করেছেন।যাই হোক পাকিস্তানের সাথে অবস্থা স্বাভাবিক করার আশায় ৩থেকে৫নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্মেলনে পাকিস্তানকে দাওয়াত করেছেন মোদী।এই খবর ১৯ই অক্টোবর জানা গেছে।   
 ভারতীয় নাগরিকদের কোটি কোটি রুপী খরচ করে সম্মেলন করে প্রধানমন্ত্রী যে মেধাহীনতার পরিচয় দিয়েছে,তার কি কোনই খেসারত হবেনা?বরঞ্চ মোদীর পাকিস্তান সম্পর্কিত অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি পাকিস্তানের প্রতি বিশ্ববাসীর আগ্রহ বাড়িয়েছেন শতগুণ।চীন  ইতিপূর্বে পাকিস্তানকে একশত আটচল্লিশ বিলিয়ন অনুদান দিয়েছে পাকিস্তান না চাইতেই। রাশিয়া পাকিস্তানের ঘনিষ্ট মিত্র হয়ে গেছে।রাশিয়া নিজের স্বার্থেই এই বিচক্ষণ হিসেব মিলিয়েছে।দুনিয়ার সকল মুসলমান রাষ্ট্র ভারতীয় বিরোধীতার মুখে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছে।
 এতে পাকিস্তানের ইমেজ বেড়েছে সারা দুনিয়াই,যাতে বাংলাদেশের মানুষরাও বিব্রত হয়েছে।বাংলাদেশ পাকিস্তানী সামরিক বাহনীকে পরাজিত করেই স্বাধীনতা অর্জনকারী জাতি।সত্য এবং সমৃদ্ধির পথই বাংলাদেশের পথ।আন্তর্জাতিক রাজনীতি কূটনীতি ও বাণিজ্যে-যোগাযোগে বাংলাদেশকে থাকতে হয় যুক্তিশীল পারস্পরিক সম্পর্কে।ভারতের নেতার সাথে জলে ডুবার কালে বাংলাদেশ কি সহমরণ যাত্রা করছে?শেখ হাসিনা আসলে কি প্রমাণ করতে গেছেন গোয়ায়।সেখানে তার বক্তৃতা করতে পারার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিলো বড় চীন-রাশিয়ার কাছে বাংলাদেশকে গুরুত্বে উত্তোলন,নিজের নিজস্বতা দেখানো।তিনি কি তা করেছেন নাকি মোদীর ভাড়াটে হয়ে তার অসৎ উদ্দেশ্যের অনুসারীরূপে নিজেকে হাজির করেছেন?  
চীনের প্রেসিডেন্ট শি বাংলাদেশে সফর করে বিশাল অংকের ডলারের বিনিয়োগ এবং খুবই সামান্য সুদের বিনিময়ে বাংলাদেশকে সহায়তা দেবার জন্যে যে ঘোষণা দিয়েছেন,তার তাৎপর্য্য নিয়ে ব্যাপক গবেষণা বাংলাদেশের ভেতরে ও দুনিয়ায় ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশীদের মধ্যে।কেবলমাত্র দক্ষিণ চীন সাগর নয়,মালাক্কা প্রণালীর উপর কারো হস্তক্ষেপ হলে তাদের অস্তিত্ব মুছে দেবার জন্যে চীনা প্রস্তুতি বেশ জোড়ালো।চীনের বিশ্ববাণিজ্য সরবরাহের এই প্রধান সামুদ্রিক পথে কাউকে অন্তরায় দেখতে চায়না চীন।বার্মা,শ্রীলংকা ও পাকিস্তানে গভীর সমুদ্র বন্দর করে দিয়ে সাগর মহাসাগরে তার শক্তিশালী অবস্থানের সাথে বঙ্গোপসাগরে গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে দেবার আগ্রহের কথা উচ্চারন করে গেছেন চীনা নেতা।বাংলাদেশে আভ্যন্তরীণ যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে দিতে আগ্রহী তারা নিজস্ব অর্থায়নে।  
পর্যবেক্ষকরা বলছেন,ভাড়াটিয়া মিডিয়ার মাধ্যমে হুকুমের সংবাদ বানিয়ে বাংলাদেশে আপাততঃ কূটনীতির প্রশংসাগাঁথা প্রচার করা হলেও ভেতরের খবরের গায়ে কালো জ্বর উঠেছে বলে হাসিনা-মোদীর ‘সন্ত্রাস প্রেমের’ দৃঢ় প্রত্যয়েই স্পষ্ট হয়েছে। ‘নিজেরা সন্ত্রাস করবো আর প্রতিপক্ষের উপর সন্ত্রাসের দায় চাপাবো’-রাজনীতির এক সনাতন ধারা চর্চায় তারা আপাততঃ একতাবদ্ধ আছেন দেখা যাচ্ছে।  
গোয়ার এই সম্মেলনের প্রতিক্রিয়ার পরবর্তী অধ্যায়ের সূচনা দেখা যাবে অতি সম্প্রতি অল্প দিনের মধ্যে।আগামী বছরেই হয়তোবা।অধ্যায়টি কতো দীর্ঘ হবে তাও নির্ভর করছে আরো কিছু শক্তির বিন্যাসের উপর।বাংলাদেশে জঙ্গিত্ব যে পোষাকেই হোক,চীন রাশিয়া আমেরিকা ইরান-সৌদি সহ মুসলমান জাহানের জন্যে কারো স্বার্থ রক্ষা করেনা।তাই তাদের স্বার্থ এবং বাংলাদেশীদের আকাঙ্ক্ষা এক ও অভিন্ন হয়ে গেছে।  
তাই সন্ত্রাস দমনের অজুহাত দেখিয়ে যে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে ইন্ধন দিয়ে নরেন্দ্র মোদীর রাজনৈতিক দল ওতার সরকারের জঙ্গি পার্টনারগুলো বাংলাদেশে শেখ হাসিনাদেরকে বিপথে নামিয়েছেন,তার আভাস অবশ্যই অমঙ্গল জনক।তাতে হাসিনাকে সহযোগীতা নয়,তার উপর ভর করে অন্যকিছু করা।মুসলমান নিধনের জন্যেই   বাংলাদেশে নানারূপে জঙ্গি তৎপরতা চালু করা হয়েছে।তারা সফলও হচ্ছে যেহেতু মোদীদের দয়ার উপর নির্ভরশীল বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল ও শক্তি।
যেহেতু বাংলাদেশের প্রায়ই ৯০%মানুষ মুসলমান।এরা একই ভাষা,একই সংস্কৃতি একই ঐতিহ্যের বলে এদের একতার শক্তি সামরিক শক্তির চেয়েও হাজারগুণে শক্তিধর।এজন্যে বাংলাদেশ জন্মের শুরুতেই মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক বলয়ের ভেতরে গড়ে ওঠা শক্তিগুলোকে চিরুণী অভিযানে একের পর এক হত্যা করিয়ে তারপর শুরু হয়েছে দাঁড়ি দেখে দেখে হত্যা করা।তারপরও বাংলাদেশে সমাজের অভ্যন্তরে সাম্প্রদায়িকতাকে জঙ্গিত্বে রূপান্তর করা সম্ভব হয়নি।বাংলাদেশ সমাজ এখনো চলছে উদার ধর্মীয় সামাজিক ঐতিহ্যের মূল্যবোধে।চীনা নেতা ও চীনা জাতি তা আমাদের অনেকের চেয়ে ভালো করে বোঝে জানে।
 সে জন্যে চেনাজাতির সরকারের কে থাকলো না থাকলো তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে বাংলাদেশীরা জঙ্গি নয়,এদেরকে জঙ্গি বলে প্রচার করা হচ্ছে উদ্দেশ্যমূলকভাবে।জঙ্গি জাতি অধিকন্তু ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী এতো বড় জনসংখ্যাকে চীন তার আশপাশে সাহায্য করা তো দূরের কথা অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করার জন্যেই সহায়তা দিতো। চীনে মুসলমানরা রোজা রাখতে পারেনা,মসজিদে যেতে পারেনা।তাই চীনা নেতা অবশ্যই নরেন্দ্র মোদী-শেখ হাসিনার ভাষায় বাংলাদেশে জঙ্গি দমন বা জঙ্গি উৎপাদনের তত্ত্বের সাথে দ্বিমতের কাজ করতে পদক্ষেপ নিয়েছেন।   
চীন আমেরিকা রাশিয়া বৃটেন ও আরব বিশ্বসহ সকল শক্তির কাছে বাংলাদেশের গুরুত্বের উচ্চতা হিমালয়- ছোঁয়া উর্ধে  থাকার প্রমাণ আবার এসেছে প্রতিবেশী ও বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি  চীনের প্রেসিডেন্টের  বাংলাদেশ সফর করা ও ২৪বিলিয়ন ইউ এস ডলাররের সহজ শর্তে ঋণ দিয়ে ২৬টি স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনায়।ভারতের চেয়ে ১২গুণ বেশী সহায়তা দিলো চীন।বিষয়টি লক্ষ্যণীয় বটে।সে জন্যে চীনের এই উদ্যোগকে কিভাবে স্যাবোটাজ করা যায়,সেদিকেই নজর এখন চীন-বিরোধী অক্ষ শক্তিগুলোর।বাংলাদেশের স্বার্থ হারিয়ে যাক,বা নিরুদ্দেশ হয়ে যাক্‌,তাতে ওদের কিছুই যায় আসেনা।  
সত্যিই বলতে কি,এই সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রী এবং প্রচুর কর্মকর্তা ক্ষমতা হারানোর পর কিভাবে পালাবেন তার পথ খুঁজছেন,যা অতীতে কখনো করতে হয়নি।অথচ চীন কোন বিনিময় নয়,বরং বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করার নাগরিক সুবিধার পথে তুলে দিয়েছে।এই মনোভাবই হচ্ছে প্রকৃত প্রতিবেশীর ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব।এই চেতনার ভিত্তিতেই বাংলাদেশ একদিন গড়ে তুলেছিলো সার্ক নামে আঞ্চলিক সহযোগীতা সমিতি।বর্তমানে সেই সার্ককে খন্ড করে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।বাংলাদেশের গৌরব ধ্বংস করা হয়ে গেলো।
এই পরিস্থিতিতে চীন বাংলাদেশে সহায়তা দিলো ভারতের চেয়ে ১২গুণ বেশী অর্থাৎ ২৪বিলিয়ন ডলার দেয়ার প্রাস্তাব করে।ভারত ইতিপূর্বে কঠিন শর্ত ও বেশী সুদে দিয়েছিলো ২বিলিয়ন ডলার।বাংলাদেশ সরকারে কে আছে অথবা কে নেই তাতে চীনের কিছু যায় আসেনা।‘মানুষ মানুষের জন্যে’ নীতিতেও যে ব্যবসা বাণিজ্য করা যায়,চীনা জনগণ তা আবার প্রমাণ করেছে।কিন্তু বাংলাদেশ সরকার কি চীনের সাথে উষ্ণ সম্পর্কে নিরাপদ থাকবে?এই প্রশ্নের জবাব অতো সহজ নয়।বুঝা যাবে চীন-বাংলাদেশ যৌথ ঘোষণা স্পষ্ট হবার পর।
যাই হোক,বিএনপি জোট কি করেছিলো সে কথা এখন উঠছে।সেই জোট ক্ষমতায় এসেও চীনের এই  অর্থনৈতিক মনোভাবকে বাংলাদেশের জন্যে কাজে লাগায়নি।বুঝবার মতো অবস্থা তাদের ছিলোনা সেদিন। আওয়ামী-বিরোধীদের নেতৃত্বের দাবি করে নিজেরাই লুণ্ঠনে এবং আওয়ামী নেতাদের পথের সহযাত্রী থাকায় নিজের ফাঁদে নিজেরাই পা ঢুকিয়ে মাজুর হয়েছে বিএনপি।তাদের সেই অক্ষমতা বাংলাদেশের বর্তমান পরিণতির জন্যে বেশীরভাগ দায়ী।যে সুযোগ বাংলাদেশ প্রশ্নে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার নিয়েছে।ভারতীয় জঙ্গি হিন্দুদেরকে বাংলাদেশের কাঁধে ওঠার পথ করে দিয়েছে।এক এগারোর পরিবেশ করে দিয়েছে।শেখ হাসিনাদেরকে স্থায়ী ক্ষমতার সিঁড়িতে তুলে দিয়েছে।বাংলাদেশে মুসলমান নির্মূলের রাজনীতিকে একক করে দিয়েছে এবং বাংলাদেশী রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা বলয় গুঁড়িয়ে দিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর আনুগত্যে বাংলাদেশকে ভারতীয় সেবাদাসে রূপান্তর করেছে।
 ভাবতে ভাবতে মনোযোগ চলে গেলো বাংলাদেশের নিরাপত্তার দিকে।ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে জঘণ্যতম ও ভয়াল  জঙ্গি সাম্প্রদায়িক বর্বর ঘটনা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সক্রিয়তায় মুসলমান গণহত্যা।উপমহাদেশে মুসলমান ও দরিদ্র মানুষদের উপর সবচেয়ে বেশী অমানবিকতা চলছে ভারতে।হিন্দুদের জাতভেদ-বিদ্বেষের হিংস্রতা থেকে মুক্ত হতে ও হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে বীতশ্রদ্ধ হয়ে গুজরাট রাজ্যে দুই হাজার(২০০০)দলিত গরিব মানুষ হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে বৌদ্ধ হয়েছে ১২ই অক্টোবর।ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে প্রমাণ হিসেবে।এই ঘটনাকে নরেন্দ্র মোদীদের জঙ্গিবাদী হিন্দু ধর্ম,তাদের রাজনীতি ও রাষ্ট্রপরিচালনার ভেতরের প্রকৃত ছবির একটি প্রতিক্রিয়া বলা চলে।এই হচ্ছে ভারতের পরিচয়।প্রবাদ আছে,সত্য ঢেকে রাখা যায় সাময়িক,সব সময় নয়,চিরকাল নয়।             
সরকারের ভেতর ও বাহির থেকে চাপ আছে চীনের সাথে বন্ধুত্বে না যেতে।তাদের রাজনৈতিক যুক্তি হচ্ছে, চীন পাকিস্তানের প্রধান মিত্র এবং বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর।তাই,চীন নয় ভারতের সাথে থাকতে হবে হাসিনা সরকারকে।চীনকে গভীর সমুদ্রবন্দর করতে দেয়া যাবেনা।চীনের সাথে প্রতারণার কূটনীতি করলেই ভারত খুশী।সরকার ও নিরাপদ।
এই কৌশলের যুক্তিতে বাংলাদেশের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাপন্থী প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের ইতিহাসের ভয়ানক জঙ্গিবাদী প্রধানমন্ত্রী আগামি দিনগুলোতে একে অপরের পাশে থাকারও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ব্রিকস-বিমস্টেক আউটিরিচ সামিট শেষে গোয়ায় লীলা হোটেলে একান্ত মিলনের সময়।তারা উভয়ে সন্ত্রাস সম্পর্কিত বিষয়ে একই লক্ষ্য স্থির করেছেন।তাদের এই একাত্নতা নিয়ে বাংলাদেশীদের ভেতর বিপরীত প্রতিক্রিয়া চালু হয়েছে। গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণের তথ্য নিয়ে দেখা যেতে পারে তিস্তার পানি প্রবাহ বা দেশের স্বার্থ নিয়ে সম্পূর্ণ চুপচাপ থেকে কেবল তথকাথিত জঙ্গি দমনের রাজনৈতিক ইস্যুকে তার একমাত্র কথার বিষয় বলে প্রচার করায় দেশে বিদেশে বাংলাদেশীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর নাখোসের উত্তাপ কত প্রবল হয়েছে।        
 কাশ্মীরে ১৪অক্টোবর শুক্রবার জুম্মার নামাজের শেষে একদল প্রতিবাদী জনতা চীনের পতাকা বহন করে তাদের নিরাপত্তার জন্যে চীনের সাহায্য প্রার্থনা করেছে।বারমুল্লার পুরানো শহরে উত্তোলন করা হয়েছে এই পতাকা।নিপীড়নে অতিষ্ঠ এই স্বাধীনতাকামী মানুষরা বহুবার পাকিস্তানী পতাকা তুলেছে সাহায্য পাবার  আশায়।এই প্রথম তারা চীনের পতাকা তুলছে ভারতীয় পতাকার পরিবর্তে।তাদের এই উম্মুক্ত আবেদনের সময় কাশ্মীর জুড়ে চলছে কারফিউ।
বিক্ষোভ হয়েছে বারামুল্লা,পুলওয়ামা,সোপিয়ান, অনন্তনাগ ও বাডগাম সহ অনেক এলাকায়।ক্ষুদ্ধ জনতা এই সময় পুলিশের দিকে পাথর ছঁড়ে মারছিলো।পুলিশ ছোঁড়ে কাঁদানে গ্যাসের শ্যাল।গ্রেফতার করে কমপক্ষে ৬৩জনকে।চীনের প্রেসিডেণ্ট শি জিনপিং অবস্থান করছিলেন সেই সময় ভারতের গোয়ায়।পরেরদিন শনিবারে চীনের উদ্যোগে গড়া ব্রিকসের সম্মেলন।সেই সুবাদে কাশ্মীরের ঘটনাগুলো চীন ,রাশিয়া,দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিলের নেতাসহ বিশ্বকে ঠিক সময়েই সংবাদ পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।
ব্রিক্সের এই সম্মেলনে ভারত চেয়েছে কাস্মীরীদের স্বাধীনতার বিষয়কে বিশ্বনেতাদের নজর বহির্ভূত করতে। প্রধানমন্ত্রী মোদী মূলতঃ ইস্যু করেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শত্রুতাকে।ব্রিকস সদস্যদের কাছে দেখাতে চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ,নেপাল শ্রীলংকার সরকারের সাথে তার মিত্রতা চমৎকার।বাংলাদেশ আশা করে ভারত চীন,দক্ষিণ আফ্রিকা সহ সকলেই বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার থাকুক।বিমসটেক সম্মেলনে ব্যাংকের হিসেব নিকেশ অথবা অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয় সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী তা বক্তৃতার বেশীর ভাগ পাকিস্তানকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র প্রমাণ করার চেষ্টা করে চীন রাশিয়া,ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের বিরক্ত করার খবর পাওয়া গেছে।চীনা প্রেসিডেন্ট তার বক্তৃতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা ও মনোভাব সম্পর্কে প্রশ্নও করেছেন।রাশিয়াকে ভারতের এই ভূমিকার পক্ষে পাবার আশা করেও হতাশ হতে হয়েছে মোদীজীকে।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন রাশিয়া সহ বিশ্বনেতাদের মনোভাব যখন জেনেছেন,ততোক্ষণে তার বক্তৃতা পরিবর্তনের আর সুযোগ ছিলোনা।       
(লেখক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের  চেয়ারম্যান)।


“ধর্ম যার যার আমরা সবাই সবার” -আইরিন খান

মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৬

বর্নিল এই ধরনীতে

আছে যত উপহার

 দিয়েছেন বিধাতা সবটাই সবার

 নেই কোন বাধা তাতে, তোমার আমার।

 জগৎ সৃষ্টির শুরু থেকেই আছে নানা ধর্ম নানাভাবে,

 তবে সেটা নয় পরিচয় আমাদের

 আসল পরিচয় মোদের-

 আমরা মানুষ, সুন্দর এই ভবে।

 হিন্দু , মুসলমান, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ-

 এটা নয় কাম্য, ধর্মের নামে দেখাও উদ্ব্যত্ব।

কর তোমার কর্ম, গড় তোমার জগৎ-  
   
  নেই প্রয়োজন হস্তক্ষেপ, অন্যের বিশ^াসে,   

থাকব অবিচল সদা-
 তোমার সুন্দর আগামীর আশ^াসে।

 গাও গান মানবতার, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে

বাদ দাও ভেদাভেদ ধর্মের

হাত বাড়াও অসহায়ের পক্ষে।

সংস্কৃতিমনা কর তোমাকে

 কারণ এই মাধ্যমেই সম্ভব

alt

 উগ্র, মৌলবাদ মানসিকতাকে ঠেকাতে।

সব ধর্মেরই মূলকথা-

 সত্য ও সুন্দরের মর্মকথা।

 তাই বলি, আমার সহজাতিকে,

ধর্ম বর্ণ ভুলে আসো জাগাই

আমাদের বিবেককে।

 সবাই আমরা ভাই বোন,

 নেই তাতে কোন ধর্মের উদাহরণ-

কর তোমার ধর্ম, বাড়াও সৌহার্দেও জাগরন।
  


বিএনপি রাজনীতির নতুন চমক = সানাউল হক নিরু

মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৬

সাবাশ। বিএনপি রাজনীতিতে নতুন চমক, মহানায়কদের আবির্ভাব অত্যাসন্ন। পত্রিকার পাতায় চোখ রাখুন। বিএনপি রাজনীতির চিহ্নিত বেইমান ও বিশ্বাসঘাতক তৃপ্তি, বকুল, স্বপন, জেড এ খান এবং আরও অনেকের সাথে দরদাম চলছে _গোপন মিশন অন, নেত্রীর গ্রীন সিগনালে সব মীর্জাফররা চাঙ্গা। ঘোষণা দিয়ে চাঁদাবাজি চলছে, এযেন টাকা কালেকশনের খেলা। মনোহরদী বেলাব আসনের সাবেক এমপি ও সংস্কারপন্থি নেতা সর্দার শাখাওয়াত হোসেন বকুল বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দুহাতের টাকা উঠাচ্ছেন, টার্গেট ৫০ লক্ষ। এটি নেত্রীর ডিমান্ড, বাকী শিমূল বিশ্বাস, ফখরুল, শাহজাহান গংদের যাকে যা দিয়ে ম্যানেজ করা যায়। বিনিময়ে নরসিংদী জেলার সভাপতি। চমৎকার সমীকরণ, একেবারে মুক্ত বাজার অর্থনীতির রাজনীতি চলছে বিএনপিতে। সবকিছুই জলবৎ তরলং, টাকা হইলেই পদ মিলে। এসবই মীর্জা ফখরুলদের সাথে সরকারের ত্রিশ আসন ভাগাভাগির কোটায় কারা কারা বিএনপি থেকে মনোনয়ন ও নির্বাচিত হবেন, সে খেলারই অংশ বিশেষ। সরকারের নির্দেশে মীর্জা ফখরুল, আব্দুল আওয়াল মিন্টু এবং শিমুল বিশ্বাস গংরা দল পূনর্গঠন ও মধ্যেবর্তী নির্বাচনে কারা সরকারের চয়েস তা নিয়ে বিশ্বস্ততার সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এমপি কিংবা বিভিন্ন পর্যায়ে দলীয় নমিনেশন কুছ পরোয়া নেহী। নগদ নারায়নে নেত্রী খোশ ! ভাড়াটিয়া, বেইমানরাও খোশ, আমরাও খোশ। আমরা সারা দেশের কোটি কোটি বিএনপি নিবেদিত প্রাণ, ভক্তবৃন্দ যারা নেত্রীকে ভালোবাসি এবং নেত্রীর সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করি, তারা আজ ধন্য !

নেত্রীর এই ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। বেইমানদেরকে দলে পুনর্বাসনে যারপরনাই আমরা বিশেষকরে তৃণমূলের নিবেদিত প্রাণ নেতাকর্মীরা খুশীতে আটখান ! নেত্রী মোদের খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা। খোশ আমদেদ বিএনপি নেত্রীর উন্মুক্ত বাজার অর্থনীতির এ খেলার ভাগ্যবান ভাগীদারদেরকেও। এ যেন রাজনীতির নামে শিয়ালের কাছে মুরগী জমা রাখার খেলা। মনোহরদী, বেলাব এমনকি কটিয়াদীতে গত কয়েকদিন ধরে মিষ্টি বেচাবিক্রীর ধূম লেগেছে। নেত্রীকে পুনরুদ্বারে এগিয়ে আসছেন মহারণের অভ্রবেধী বীরজারা ১/১১-র খলনায়করা। ১/১১-র মাইনাস টু ফর্মূলাখ্যাত ফখরুদ্দীন মইনুদ্দিনের প্রেতাত্মারা আবার নেত্রীর কাঁধে সওয়ার হতে চলছেন। যারা ১/১১-র পর নেত্রীকে নষ্ট চরিত্র আখ্যা দিয়েছেন, আজ তারা পুরষ্কৃত হবেন এটা নতুন কিছু না। এই দলের একমাত্র ভরসা ভবিষ্যত কান্ডারী তারেক রহমানকে নষ্ট মায়ের নষ্ট সন্তান আখ্যা দিয়েছেন এবং নিরন্তর ডিজিএফআই আর এর হেডকোয়ার্টারে বসে অনেককে হুমকি ধমকি এমনকি মান্নান ভূঁইয়ার বাসায় এসে হাজিরা না দিলে তাদেরকে রক্ষা করতে পারবেন না, এরকম প্রচ্ছন্ন হুমকি পর্যন্ত দিয়েছেন। জিয়া পরিবারের উত্তরাধিকার জনাব তারেক রহমান এবং আরাফাত রহমান কোকো নাকি জিয়াউর রহমানের সন্তান না, তাও টিভি মিডিয়া টকশোতে ফলাও করে প্রচার করেছেন। এই বেইমান, বিশ্বাসঘাত বকুল ডিজিএফআই এর হেডকোয়ার্টারে বসে আমিন, বারীদের সাথে বসে দুপুরের লান্চ এবং ষডযন্ত্রের খেলায় মশগুল, তখন জিয়া পরিবারের একমাত্র প্রদীপ তারেক রহমানকে হত্যার চক্রান্ত বিএনপির কোন নেতাকর্মীর ভূলে যাবার কথা নয় ! মনে হচ্ছে বিএনপির উপর কিয়ামত অত্যাসন্ন। এই দলের একমাত্র প্রতিবাদী ও ইমানদার নেতা আ.স.ম. হান্নান শাহ্ বেঁচে থাকলে দলটির আজ এ ধরনের মহাবিপর্যয়ের মুখে পরতে হতো না। দশে চক্রে ভগবান যেখানে ভূত, সেখানে এরা হচ্ছে বিএনপি নেত্রীর নতুন ভগবান, রাম নাম শক্তি হ্যায়। বিএনপি নেত্রীর ঝাড়, ফুঁক, টোটকা, তাবিজ, গণকঠাকুর, ভন্ড পীরের প্রতি ভক্তি অঘাদ; এমনকি কেউ কেউ তা ব্যবহার করে এদলে হঠাৎ নেতা বনে গেছেন এমন দৃষ্টান্তও কম নেই। বর্তমানে নেত্রীর মুক্ত বাজার অর্থনীতি আই মিন টাকা, মিন্টু, শিমুল বিশ্বাস এবং নব্য সংস্কারের মহানায়কেরা উনাকে বোধ হয় এবারের খেলায় স্বর্গবাসী করে ছাড়বেন। উনি তো এখন বেঁচে থেকেও জীবন্মৃত। উনাকে নিয়ে দোকানদারী, প্রতিনিয়ত তিন তাসের খেলা চলছে এবং চলবে। মৃত্যুর পূর্বে উনার মুক্তি মিলবে কিনা তা আল্লাহ্ মালুম, একমাত্র পাক পরোয়ার্দিগারই ভালো জানেন।


“China will flash out India from Bangladesh!” = Sachin Karmakar(Capt.Ret.)

সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৬

There are no permanent friend or enemy in politics and diplomacy. China is the largest supplier of lethal weapon in Pakistan since 1958. Most of our liberation war victims died of Chinese bullet wounds during liberation war in Bangladesh, if we carryout forensic test in Savar National Mausoleum, surely we will find 80% death was caused by Chinese bullet. Bangladesh commitment to the spirit of liberation war & consistent anti-terror foreign policy has compelled Chinese President to pay homage to those who was killed by Chinese bullet in 1971.
Chinese civilization is one of the oldest civilization of the world. The great land was occupied and ruled by Mongols, Japanese, British, and French for decades. China entered into the modern age through communist revolution in 1949 under the leadership of Mao.  China is the third largest economy of the world and Mao Stung is the father of modern China. Country has long term military and political objective in the region. After enclosing Tibet region with main land in 1950, China focused on India to intimidate against any adventure attempt with Dali Lama by engaging in a short term decisive war in 1962. China enclosed some part of Kashmir and Arunachal region and claims further more Indian territory for long term intimidation. By registering military victory over India, China has removed threat from Indian border permanently. China used the same strategy with Vietnam which back fired and outcome was just opposite of India.
My observations are little different from others, China gave lot of money to Si-Lankan, now they controls all the infrastructure of the country. There are places in Sri Lanka where China allow no excess to the local residents except Chinese.  It happen in Peru and Argentina before with World Bank. Investment is good but borrowing excessive money can cripple your economy. China is not investing, they are simply landing money. We have the experience of Indonesia, Philippine, Malaysia, Peru & Argentina in front of us. Chinese dredger don't function after 3-4 years, whereas Dutch dredger is still working after 25 years of procurement.
Please don't buy junk like Chinese battery rickshaw for commission business only and destroy our environment? Do Bangladesh has the capability of absorbing 30-40 billion dollar loan? We are developing well don't want to rush and fall in to trouble.     
China is a traditional century old trusted friend of Pakistan and all other anti-Indian forces in the region. We know about Confucianism and Atish Dipankar who carried the massage of Buddha from India to China, but the policy they peruse is just opposite to the philosophy of Buddha.  . Beijing helped the legitimate government of Pakistan with supply of arms and by deploying red army alongside China- India border during 1971 war. China never supported Bangladesh first government due to the Indian imposed secularism in the constitution. An Islamic government always stands grantee for China against its urge rival secular and democratic India. China supported political parties and their leaders considered liberation was as a fight between the two dog- animals.
China only recognized Bangladesh after 1975 massacre and remained committed to the two nation theory, China also financed anti liberation forces from 1972-1975.. The very famous August killer Major Shariful Haque Dalim became the first defense adviser in Beijing after 1975 coup. In 1971 & 1975 China was a big player in East Pakistan-Bangladesh with Saudi Arabia and USA. First Bangladesh government of 1972 wanted to balance India by joining OIC and establishing contact with war criminal Pakistan in 1974? After nearly forty years Bangladesh is trying to balance India by China again.

Traditionally people of Bangladesh are anti-Indian in character due to the mindset of 1947 partition. China is the only country in the region who can balance India militarily like 1962 Indo-China war? Since China is militarily stronger in the region and hostile to India, Bangladesh considers China a better friend than others. Enemy's enemy is always a good friend, very recent announcement of supporting India against Pakistan was a calculative move of Dhaka. China is a traditional ally of General Zia and BNP, they would like to see BNP in power with popular support. Awami League and SK.Hasina would be no match to BNP & Begum Zia in popularity and in fair ballot.
After this historic visit of Chinese President, new polarization in politics will began in Bangladesh for a shift in the center of gravity.